Translate

Buy and Sell your white hat SEO services.

Buy and Sell PHP Scripts, code, ASP, C#, Javascripts,Java, CSS and more.

Monday, March 16, 2020

কেন হঠাৎ করে ইউটিউবরে মানটাইজেশন বাংলাদেশ থেকে বন্ধ হযে গেলো?




বিগত কয়েকবছর আগে লাইক ফর লাইকের ব্যবসা খুব জমজমাট ছিলো। (like4like.org) যা দিয়ে আপনি যে কোন সোশাল মিডিয়া সিগনাল কিনতে পারবেন। যারা নিয়মিত লাইক ফর লাইকে কাজ করে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম তোমাদের কাছ থেকে পয়েন্ট কিনে কিসের কাজ করে? উত্তরে তারা বলতাছে যে ভাই আমরা ভিউজ দেই। তো আমি বললাম কিভাবে ভিউজ দেন- তো তারা বলতাছে ইউটিউব ভিডিওতে ভিউজ এড করি (social Media Exchange) প্রোগ্রামের মাধ্যমে। প্রথমেই দেখি লাইক ফর লাইক ওয়েবসাইট টা কেমন? নীচের ব্যানারে ক্লিক করলে আপনি দেখতে পারবেন ওয়েবসাইট এবং সেখানে ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি দেখতে পারবেন কিভাবে লাইকফরলাইক ওয়েবসাইট টা কাজ করে থাকে।

Free Instagram Followers


তারপরে আপনি দেখেন কিভাবে লাইকফরলাইক কাজ করে থাকে এবং কিভাবে আপনি লাইক ফর লাইকে র মাধ্যমে সোশাল মিডিয়া সিগনাল বাড়াবেন বা ইনক্রিজ করবেন। 

    

এই দুইটা ভিডিও যদি আপনি দেখেন তাহলে আপনি বোঝাতে পারবেন যে কিভাবে লাইকফরলাইক প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে। এখন আপনি যদি এই প্রোগ্রাম সমানে ব্যবহার করে ভিউজ জেনারটে করে থাকেন তাহলে আপনার কন্টেন্ট টা পপুলার হবে- আপনার প্রোডাক্টের প্রমোশন হবে- আপনার চ্যানেলের পপুলারিটি বাড়বে এবং আপনি আরো অনেক অনেক প্রেডাক্টের প্রমোশন বা সেলস করতে পারবেন কিন্তু বাস্তবে তো আপনি মনিটাইজশেন িরেভিনিউ জেনারেট করেত পারবেন না। কারন এইখানে আপনি যদি ইউটিউব ভিউজ সেকসানে (লাইকফরলাইক ভিউজ) সেকসানে যান এবং খেয়াল করেন তাহলে আপনি দেখতে পারবেন যে ৩০ সেকেন্ডেস দেখার পরেই ভিউজ কাউন্ট হয়।



তো এইভাবে যদি আমি লাইক এবং ভিউজ জেনারেট করি তাতে বেসিকালি মনিটাইজেশন একাউন্টের ক্ষতি হবার কথা। কারন যে হিসাবে Advertiser রা ভিডিও তে এড প্রমোট করে সেই পরিমান লাভ তাদের আসে না। কারন ভিউজ হিসাবে তাদের এড এ ক্লিক আসে না ফলে তাদের রেটিও বা সিপিসি বা বিভিন্ন ধরনের Advertiser  পয়েন্ট কমে যাবে। আবার যদি আপনি একদম রিয়েল এসইও করে ভিউজ আনেন সে ক্ষেত্রে Advertiser  দের ভিউজ রেটিও টা ঠিক থাকে। তাদের ব্যান্ড প্রমোশন টাও ওকে থাকে। এইটা একটা কারন যে আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা চ্যানেলে এসই ও না করার কারনে এবং ভিডিওতে এসইও না করার কারনে গুগল বাংলাদেশ থেকে তাদের মনিটাইজেশন অফ করে দিছে বলেই আমি মনে করি।  দ্বিতীয়ত প্যানেল থেকে এক দিনে এক বিলিয়ন ভিউজ কেনা যায়। সেটা অনেক হাই লেভেলের এসইও কারন চ্যানেলের ভিউজ গুলো এপিআই থেকে আসে আর বাংলাদেশের নিজস্ব এপিআই চালু না থাকার কারনে বাংলাদেশের চ্যানেল গুলোতে একদম এফেক্টিভ ভিউজ জেনারেট করা যায় নাই যদিও আমাদের দেশে অনেক এপিআই প্যানেল আছে এবং আমাদের দেশেল অনেক প্যানেল ব্যবসায়ী এখন অনেক ভালো মানের অর্ডার জেনারেট করে প্রতিদিন। তারা সারা বিশ্বে ভিউজ বা অন্যান্য সোশাল মিডিয়া সিগনাল ব্যবহার করে। গ্যারান্টেড এবং লাইফ টাইম গ্যারান্টেড সার্ভিসগুলো রিয়েল। আবার যেগুলো রিয়েল সার্ভিস না সেগুলোকে ফেইক হিসাবে আইডেন্টিফাই  করা থাকে।

আমাদের দেশে একটা ব্যাপার প্রচলিত আছে। যা গনহারে মানুষ করে তাকে তাকে বৈধ বলা হয়। যেমন ধরেন সিগারেট খাওয়া বা ধুমপান করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। ২ মাসের জেল বা জরিমানা- প্রকাশ্য দিবালোকে ধুমপান করলে। কিন্তু বাস্তবে খেয়াল করে দেখেন সকলেই প্রকাশ্য দিবালোকে ধুমপান করে যাইতাছে। তাহলে আইন ভাংগার দায়ে কতো টাকা জরিমানা হইতাছে প্রতি দিন বাংলাদেশে -ধুমপায়ীদের। একদিন নিশ্চয়ই হিসাব হবে এবং মানুষ জন একটা গ্যারাকলে পড়বে। নিয়ম আড়ালে আবডালে বা গোপনে কোথাও ধুমপান করা। যাতে দেশ ও দশের ক্ষতি না হয়।

তেমনি আমাদের দেশে আমরা ফ্রি ল্যান্সাররা গনহারে পেপাল/বিটকয়েন ব্যবহার করে থাকি কারন এছাড়া আমাদের অনেকের পক্ষে ক্লায়েন্ট ই ম্যানেজ করা সম্ভব হবে না। কিন্তু পেপালের/বিটকয়েন এর সাথে বাংলাদেশের কোন ব্যাংক বা প্রাইভেট ব্যাংকের কোন ধরনের যোগাযোগ নাই। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাংকের বা প্রাইভেট ব্যাংকের কোন ধরনের ক্ষতি হইতাছে না। কারন বাংলাদেশের কোন  ব্যাংকে পেপাল ডট কম/বিটকয়েন এর মানি তোলা যায় না বা এড করা যায় না সরাসরি। কিন্তু আমরা আমাদের কাজের সুবিধার্থে ইন্টারনেটে একজন আরকেজনের সাথে পেপাল ডট কম/বিটকয়েন এর ডলার লেনাদেনা করি এবং করে থাকি (Send and Receive money by using an email method) এবং বাস্তবে ব্যাংক টু ব্যাংক লেনাদেনা করে থাকি যেমন (বিকাশ টু বিকাশ, রকেট টু রকেট, ডিবিবিএল থেকে ডিবিবিএল বা যেকোন ব্যাংক টু যে কোন ব্যাংক (IBNS- Internet Banking Network system)। পেপাল/বিটকয়েন এর মাধ্যমে আমরা প্যানেলের পেমেন্ট থেকে শুরু করে ইন্টারনেটে সব ধরনের কেনাকাটা করে থাকি (যেমন সফটওয়্যার বা প্রোডাক্ট যা দ্বারা সরাসরি বিদেশী কোম্পানী উপকৃত হয়) এবং আমাদের ও ইন্টারনেটের কাজ হয়ে যায় বা পকেট খরচ চলে যায়। কিন্তু গুগল ইউটিউব মনিটাইজশেন বাংলাদেশ থেকে বন্ধ হয়ে যাবার পরেও যারা বাংলাদেশী চ্যানেলে লোকেশন পরিবর্তন করে এড শো করাইতাছে এবং গুগল এডসেন্সের নিয়মানুযায়ী ব্যাংক উইথড্র এর মাধ্যমে (SWIFT Transaction- USA Bank To Bangladesh Bank) এ লেনাদেনা করতাছেন বা ক্যাশ রিসিভ করতাছেন- কখনো ভবিষ্যতে যদি গুগল এডসেন্স ইউটিউব মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম বাংলাদেশ কে প্রশ্ন করে যে আপনার দেশে তো গুগলের এডসেন্স ইউটিউব মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম অফ ছিলো- আপনাদের দেশের লোকজন বাংলাদেশ থেকে ইউটিউবে এড শো করালো কেন লোকেশন পরিবর্তন করে- তাহলে বাংলাদেশ সরকার কি জবাব দেবে? আর এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার কে আন্তর্জাতিক ভাবে শো কজ করে যদি ফাইন ও ধরা হয়- তখন বাংলাদেশ কি জবাব দেবে? কারন ইউটিউব মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম/মনিটাইজেশন সার্ভিস তো বাংলাদেশ থেকে অফ করে দেয়া আছে। তাই সততার উপায় হইতাছে বাংলাদেশ থেকে গুগলের ইউটিউব মনিটাইজেশন ব্যবহার না করা। করতে পারবে তারা যারা ইউরোপ আমেরিকা বা  আফ্রিকার নাগরিক -বাংলাশেী হয়ে বসবাস করতাছে কারন তারা যে দেশের নাগরিক সেই দেশে গুগল ইউটিউব মনিটাইজেশন মেথড চালু আছে এবং তাদের দেশের ব্যাংকিং সিষ্টেমে মানি রিসিভ করলে সেটা তাদের দেশের ইকোনমিক লাভ জোনে বিবেচিত হবে। 

আমাদের দেশের অনেকেই লোকেশন পরিবর্তন করে গুগলের ইউটিউব মনিটাইজেশন ব্যবহার করতাছে। ব্যাপারটা একদনি ধরা খাবে এবং সে সময় বাংলাদেশ কে বড় অংকের জরিমানা গুনতে হবে- এইটা আমি আমার ২০ বছরের ইন্টারনেট ব্যবহারের  অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি।  আর যদি সময় থাকতে একাউন্ট গুলোর মালিকানা বদল করে ফরেন এ যারা বাংলাদেশী এবং নাগরিক তাদেরকে দিয়ে দেওয়া যায় তাহলে আর এই গরীব দেশটার কোন ক্ষতি করা হলো না? এমনিতেই বাংলাদেশীদের অবস্থা খারাপ- মরার উপরে খাড়ার ঘা হয়ে অনেকেই বেচে আছে- দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি সহ আরো নানাবদি সামাজিক অত্যাচার- অসহনীয় জীবনযাত্রা - সব মিলিয়ে প্রায় মরে যাবার অবস্থা - ফ্রি ল্যান্সার দের ওয়েবসাইটে র উপরে কুদৃষ্টি এবং নানিাবিধ চিটার বাটপারি এবং নানা ধরনের অত্যাচারে সকলের ই খারাপ অবস্থা। 

ইউটিউব বা গুগলের নিজস্ব স্যাটেলাইট আছে। তারা ঠিকই জানে কে কোন জায়গা থেকে কিভাবে কোন ডিভাইস থেকে গুগলের কে কোন কোন সার্ভিস ব্যভহার করতাছে? যেহেতু আমাদের দেশে গুগলের ইউটিউব মনিটআজেশন বন্ধ- তািই আমাদের উচিত এই সার্ভিস টা বাদ দিয়ে াণ্য কোন মনিটাইজেশন সার্ভিস ব্যভহার করা যাতে দেমেল কোন ক্ষতি না হয়। একণ গুগলের ইউটিউব মনিটাইজেশণ চালূ নাই বাংরাদেশে তারপরেও যদি বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত পেমেন্ট দিয়ে যায় তাহলে এইটা তাদের বোকামি যা একসময় ধরা খাবে এবং সাধারন মানুষের কষ্ট বা দুর্দশা আরো বেড়ে যাবে।আমার নিজস্ব কোন মনিটাইজেশণ একাউন্ট নাই কিন্তু গুগল এডসেন্সের একাউন্ট আছে।

গুগল এডসেন্সের সার্ভিস বাংলাদেশ থেকে চালু আছে কিন্তু গুগলের ইউটিউব মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম বাংলাদেশ থেকে অফ হয়ে গেছে। 


No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Buzzfeed Community Post. Guideline. Step by Step.

​ #buzzfeed #community #buzzfeedcommunity #buzzfeedpostshare #feedpost ​ #feedpostcommunity

$$ Forum post $$ Blog Comment $$

Earn Money Posting in Forums