Friday, June 5, 2020

ইন্টারনেট খুটি নাটি। প্রথমে কিছু বেসিক।

আমি ইন্টারনেটে কাজ করতে বসে অনকে ধরনের লোকের সাথে পরিচিয় হয়। সকলেই ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং এর প্রতি একটা তীব্র আগ্রহ ধরে থাকে। সকলেরই মনের ইচ্ছা থাকে ইন্টারনেট তেকে ভালো এাউন্টের ডলার/ইউরো/পাউন্ড উপার্জন করার। কিন্তু যে সকল বেসিক ব্যাপারগুলো অনুপস্থিত দেখি: সেগুলো ই বলতাছি:

১) ব্রাউজিং: কেউ কেউ আইসা বলে যে- আমি ব্রাউজ করতে পারি না। তখন হতভম্ব হয়ে যাইতে হয় যে একজন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে অথচ ব্রাউজ করতে পারে না। ব্রাউজ বা ব্রাউজার এর মেইন ব্যাপারটাই হইতাছে ইন্টারনেট ভিজিট করা, ওয়েবসাইট ভিজিট করা। যে কোন বন্ধুর যদি ওয়েবসাইট এড্রেস থাকে আর যদি বলে দোস্তা আমার ওয়েভসাইট টা একটু ভিীজট কর আর আপনি যদি সারাদিন বসে বসে ভাবেন যে কিভাবে ব্রাউজ করতে হয় তাহলে কতোটুকু লজ্জার বা শরমের কথা। সে জন্য আপনি দেখবেন আপনার মোবাইল/ট্যাব/ ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে কি কি ব্রাউজার দেয়া আছে অটোমেটিক। যেমন দেয়া আছে- গগুল ক্রোম, ফায়ার ফক্স, অপেরা বা অপেরা মিনি বা সাফারি বা আরো নাম জানা বা না জানা ব্রাউজার। যেস সকল ব্রাউজারে আপনি যে কোন ওয়েবসাইট এড্রস লিখে ভিীজট করতে পারবেন। যদি আপনি ব্রাউজারে ওয়েবসাইট না দেখতে পারেন তাহলে আপনি ইন্টারনেটের অনেক কিছু মিস করবেন। ব্রাউজারে ওয়েবসাইট এড্রেস লেকার জন্য মিনিমাম আপনি domain name + dot extension এই দুইটা লিখতে হবে। যেমন দেখেন এই ব্লগের উপরে লেখো আছে- masudbcl.xyz. সেখানে আপনি আপনার ব্রাউজারে এই ডোমেইন নেম এবং এক্সটেনশন লিখবেন- তাহলেই আপনার ওয়েবসাইট চলে আসবে। আপনার মোবাইলে যতো সফটওয়্যার দেয়া আছে তা যদি আপনি গাটাগাটি করে দেখণ তাহলে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার কখনো নষ্ট হবে না। যে কোন ওয়েবসাইট আপনি দেখবেন বা শুনবেন তা আপনি প্রথমেই নিজে ব্রাউজ করে দেখবেন। মোবাইলে সবসশয় ইন্টারনেট ব্যবহার করলে আপনি দেখে নিবেন যে কোনটা আপনার বেশী ভালো লাগে- যে ব্রাউজার টা বেশী ভালো লাগে সেটাই আপনি ডাউনলোড করে নেবেন বা ওপেন করে ভিজিট করবেন।



২) সার্চিং: আপনি ইন্টারনেটে কাজ করতে বসে কোথাও কোন কিছু বুঝতে পারলেন না। ইন্টারনেটে যেটা নিয়ম সেটা হইতাছে- আপনি প্রথমেই যে সার্চ ইন্জিন আছে সেখানে সার্চ দিবেন। যে রকম আছে-

http://www.google.com
http://www.yahoo.com
http://www.live.com

আপনার যে সার্চ পেজ আছে সেটাতে কিছূ লিখে সার্চ করবেন। প্রথমেই আপনাকে এই দুইটা কাজ করতে হবে যে কোন সময়ে ইন্টারনেটে। আর আপনি যদি সার্চ করে ইন্টারনেটে কিছু না লিখেন তাহলে বা ব্রাউজ না করেন তাহলে জ্ঞানের চাহিদা পূরন হবে না। আপনাকে অতি অবশ্যই একজন ভালো সার্চার হতে হবে এবং ভালো ব্রাউজার হতে হবে।









Create youtube playlist. Youtube Playlist making policy.

Wednesday, June 3, 2020

কিভাবে ইউটিউব প্লেলিষ্ট মেক করবেন?

আমরা যারা প্রতিনিয়ত ইউটিউব দেখি বা ভিজিট করি বা নিয়মিত ভিডিও আপলোড করি তাদের জন্য প্লেলিষ্ট খুব জরুরী একটা জিনিস। সময়ে আপনি অনেক ভিডিও সহজেই খুজে পাবেন। যাদের ইউটিউব একাউন্ট আছে তাদের জন্য প্লেলিষ্ট তৈরী করা খুবই সহজ একটা ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। প্লেলিষ্ট টা কোথায় থাকে সেটা প্রথমে দেখাইতাছি। 


প্রথমে আপনি আপনার ইউটিউব একাউন্টে লগইন করেন। তারপরে উপরে ডান দিকে দেখানো ইমেজে ক্লিক করে  Your channel অপশনে আসেন। তারপরে সেখানে ক্লিক করলে আপনার চ্যানেলে হোম পেজে চলে আসবেন। হোম পেজে আসলে আপনার চ্যানেলে হোম সেকসান টা দৃশ্যমান হবে। যারই ইউটিউব একাউন্ট আছে তারই নিজস্ব চ্যানেল আছে। সো আপনিও চাইলে আপনার চ্যানলে লগ ইন করে সবসময় ইউটিউব ভিডিও দেখবেন এবং আপনরা পছন্দনীয় ভিডিওগুলোকে প্লেলিষ্ট আকারে সাজাইয়া নিতে পারেন। আমি অনেক সময় প্লেলিস্ট মেক করে  থাকি তাতে অনেক সময় ইউটিউব সার্চবারে যার নামে প্লেলিষ্ট তৈরী করি তার ভিডিও কালেকসনের সাথে সাথে আমার নাম টা বা ইউটিউব ছ্যানলে ইউজার নেমটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে শো করে।


আপনার চ্যানেলে হোম পেজে আসার পরে আপনি প্লেলিষ্টে ক্লিক করবেন এবং আপনার প্লেলিষ্ট টা দেখাবে। আপনার চ্যানলে প্লেলিষ্টে আসার পরে আপনি দেখতে পারবেন আপনি এ যাবতকালের কতোগুলো প্লেলিষ্ট তৈরী করেছেন। 


এখানে আপনি প্লেলিষ্ট গুলো দেখতে পারতাছেণ আমার। যে কোন একটাতে ক্লিক কররে আপনি একসাথে অনেকগুলো ভিডিও দেখতে পারবেন। যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে এবং একজনের ব্যবহার এককে ধরনের হবার কারনে পৃথিবীতে অনেকেই আছে যারা ইউটিউবে শুধু প্লেলিষ্ট দেখে বেড়ায়। এখন চলেন দেখি কিভাবে আপনি একটা প্লেলিষ্ট বানাবেন। প্রথমে আপনি ইউটিউবের সার্চ বারে যাবেন। সেখানে আপনি যে কোন একটা বিষয় নিয়ে লিখবেন। তাহলে দেখবেন এটা লিষ্ট চলে এসেছে। আমি লিখেছি Soundeo Mixtape।নীচে সেই চ্যানেল সহ  কয়েখটা গানের লিষ্ট বের হয়ে এসেছে। আপনি সে গানগুলোকে একটা প্লেলিষ্টের ভেতরে এড করবেন।  



তারপরে প্রত্যেকটা ভিডিও এর ডানপাশে উপরে থেকে নীচে পর্যন্ত ৩ টা ডট পাবেন। সেইখানে আপনি ক্লিক করবেন। তারপরে আপনি নতুন প্লেলিষ্ট তৈরী করার অপশণ পাবেন। সেখানে আপনি প্লেলিষ্টের নামও দিতে পারবেন । 


প্লেলিষ্টের নাম লিখা হয়ে গেলে ক্রিয়েটেএ ক্লিক করবেন। তাহলেই আপনার প্লেলিষ্ট তৈরী হয়ে গেলো। এরপর থেকে এই নামটি আপনার প্লেলিষ্টে থেকে যাবে। আপনি যে কোন কালেকশন এখঅন ্ডে করতে পারবেন। ইন্টারনেটে যারা খুব পপুলার তাার নিজেদের নামে তাদের অনকে ধরনর প্লেলিষ্ট তৈরী করে রাখে। 

এখানে একটি গানকে আমি প্লেলিষ্টে এড করলাম। এরকম করে আপনি এই পোষ্টের নীচের দিকে ১৭টা গানের একটা প্লেলিষ্ট তৈরী করলাম। যেটা আপন িএক ক্লিক করেই দেখতে পারবেন। 


উপরের ছবিতে দেখানো হলে কোথায় আপনি সেভ টু প্লেলিষ্ট অপশন পাবেন। 


এখানে আমার প্লেলিষ্ট কালেকশনে দেখাইতাচে আমি এই পোষ্টিং এর মাধ্যমে যে প্লেলিষ্ট টা তৈরী করেছি সেটা। আর ণীচের ছবিতে দেখতে পারবেন একটার পর একটা গান এবং  ক্রমান্বয়ে শুনতে পারবেন। এখঅনে ১০-১২ ঘন্টার ডিজে রিমিক্স এবং আরো না াকালচারের সং একসাথে দেয়া। এই ধরনের গান আমাদের যাদের সময় কাঠে অনবরত বাসাতে তাদরে জন্য সাজেষ্টেড। 





Tuesday, June 2, 2020

এনাডেভ। যদি আপনার কন্টেন্ট থাকে আর মনিটাইজেশন করতে চান। গুগল মনিটাইজেশন এর টুকিটাকি।

এখনকার দিনে অনেকের জন্যই ব্লগ বা ওয়েবসাইটে মনিটাইজেশন পাওয়া একটু কঠিন হয়ে গেছে। এখন আর গুগল এডসেন্সে আবেদন করলেই সাথে সাথে মনিটাইজেশন পাওয়া যায় না। কিন্তু অনেকেই লেখালেখি করে থাকে মনিটাইজেশন পাবার জন্য বা কন্টেন্ট মনিটাইজেশন করে উপার্জন করার জন্য। প্রত্যেক মানুষের ভেতরেই আবেগ আছে আর মানুষ খুব সহজে আবগে প্রবন হয়ে উঠে। প্রত্যেক মানুষের মাঝেই কিছু না কিছু সাহিত্য কাজ করে থাকে। অনেক মানুষই লিখতে অনেক পছন্দ করে থাকে। প্রত্যেক মানুষের মাঝেই কিছু না কিছু সাহিত্য থাকে। জীবনে একটা কবিতা বা দু লাইন রচনা করে নাই্  এরকম মানুষ পৃথিবতে পাবেন না। কিন্ত আপনার মনের ভেতর থেকে আসা  যে লেখা সে লেখাকে বাংলার সাহিত্যাংগন মূল্যায়ন না করলেও  ইন্টারনেট সেটাকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করে থাকে- আর এই ধরনের প্রোগ্রামকে বলা হয় কন্টেন্ট মনিটাইজেশন। আমার ব্লগের আশে পাশে বা লেখার মাঝে গুগল ডট কম যে এড দেখায় বা পন্য শো করে বা প্রদর্শন করে তাকেই এখানে কন্টেন্ট মটিাইজেশন বলা হইতাছে। কন্টেন্ট মনিটাইজেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে অনেকেই ভালো উপার্জন করতাছে। আমার খুব শখ কন্টেন্ট মনিটাইজেশন করা এবং ইদানীং চেষ্টা করে যাইতাছি গুগলে এডসেন্সের মাধ্যমে। আশা করি সামনে পেমেন্ট তুলতে পারবো। 

এ ধরনের অনেক কন্টেন্ট মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম আছে সারা বিশ্বে। তার মধ্যে ইদানীংকালে একটা প্রোগ্রাম আমার কাছে অনেক সহজ লাগলো। কিন্তু অথেনটিকেশন যাচাই করে নেয়া ভালো। আমি কন্টেন্ট মনিটাইজেশন কাজটা শেখার জন্য এই প্রোগ্রামটা রেফার করতাছি। কারন আমি নিজে এখান থেকে পেমেন্ট তুলি নাই। সো আমি কাউকে সিরিয়াসলি ব্যবহার করতে বলি না- কিন্তু আপনি কাজটা শিখে রাখতে পারেন। এই ওয়েবসাইটে আবেদন করে আনি একজন কন্টেন্ট মনিটাইজেশণ হতে পারেন। খুব সহজেই একটা ব্লগস্পট ওপেন করে আপনি সেটা লেখা শুরু করতে পারেন। একসময় সেটা আপনার পরিচিত মহলে পপুলার হয়ে উঠলেে আপনি ভালো ভিজিটর পাবেন আর যারা ভালো ভিজিটর আনতে পারবে তাদের ওয়েবসাইট ততো দ্রুত কন্টেন্ট মনিটাইজ হবে। 



আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে- এতে যারা কন্টেন্ট মনিটাইজার কোম্পানী তাদের কি লাভ? আসলে যারা কন্টেন্ট কে মনিটাইজ করে তাদেরকে মনিটাইজার কোম্পানী বলে আর যারা কন্টেন্ট মনিটাইজেশন দেয় তাদের কন্টেন্ট মনিটাইজার কোম্পানী বলে। মনে করেন - আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমান লেখা আসে এবং ভিজিটর ও আসে। একসময় সেটা কোয়ালিটি ভিজিটর এর কারনে যে কোন কন্টেন্ট মনিটাইজেশন কোম্পানীর কাছে এপ্রুবাল নিয়ে আসা সহজ হবে। তখন কন্টেন্ট মনিটাইজশেন কোম্পানী আপনার আবেদন এপ্রুরভাল করবে কারন আপনার কাছে ভিজিটর আছে। আর যারা কোয়ালিটি ভিজিটর তারা বেসিক্যালি খুব পরিস্কার ভিজিটর, সোশাল মিডিয়া প্রেজেন্স ভালো, গুগল ডট কম সার্চ ইন্জিন  থেকে এসেছে বা যে কোন সার্চ ইন্জিন থেকে এসেছে এবং আপনার ব্লগ ভিজিট করে গেছে। এখন যদি আপনার ভিজিটর থাকে সারা বিশ্ব থেকে- তখন গুগল ডট কম আপনার ব্লগ টাকে মূল্যায়ণ করবে অণ্য রকম ভাবে এবং এমন ধরনের পন্য বা প্রোডাক্ট শেষ করবে যাতে আপনার ব্লগরে ভিজিটর রা সেই পন্য টা কিনতে উৎসাহিত হয় বা সেই পন্যের ওয়েবসাইট টা দেখতে উৎসাহিত হয়। যখন একজন ভিজিটর একটা পন্য বা এড এর বিজ্ঞাপন দেখায় সেটাকে ইমপ্রেশন বলে। আগে দেখেছি এরকম ১০০০ ইমপ্রেশনের জন্য যে কোন কোম্পানী বা গুগল ডট কম ৩ ডলার করে দিতো। এখন যদি আপনার ব্লগে দিনে ১০০০ ভিজিটর থাকে এবং তাদের মধ্যে ১০০ জনও আপনার এড টা ভিজিট করে সেটাকে কন্টেন্ট ক্লিক করে। এই কন্টেন্টে ক্লিক করে যখন কেউ মিনিমাম ১০০ সেকেন্ট ভিজিট করে থকন গুগল ডট কম সেই কন্টেন্ট মনিটাইজারের নামে একটা এমাউন্ট করাদ্দ করে। সেটা হতে পারে কিছু সেন্টস বা কিছূ ডলার। এরকম কিছু কিছু সেন্টস আর ডলার মিলে যখন আপনার একাউন্টে ভালো ডলার জমা হয় তখন সেটা আপনি ব্যাংকে তুলে নিতে পারবেন। তাহলে ইমপ্রেশন এর পরে আসতাছে ক্লিক। আর ক্লিক করে যখন আপনার ব্লগ বা ওয়েভসাইটের ভিজিটর পণ্য প্রদর্শন কারী এড দেখে থাকবে সেটাকে বলা হইতাছে ভিজিটর। সো আপনার ব্লগের কন্টেন্টের মাঝে থাকা এড বা পাশে থাকা এড এ যতো বেশী ক্লিক পড়বে ততো আপনার একাউন্টে উপার্জন হবে। যে কোন মাসে আপনার উপার্জন যদি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায় তাহলে আপনার ব্যাংকে ডলার টা আইসা জমা হবে তার আগে আপনাকে গুগল এডসেন্সে আবেদন করে আপনার ব্লগের জণ্য এপরুভাল নিতে হবে এবং আপনার ব্যাংক একা্উন্টও  এড করতে হবে।



তাহলে দেখেন গুগলের কন্টেন্ট মনিটাইজার হওয়া টা কতো সহজ। একদম ফ্রি তে একটা ব্লগ ওপেন করবেন। (http://www.blogger.com) তারপরে আপনি আনপার লেখা শুরু করবেন। এভাবে লিখতে লিখতে আপনি একসময় ভালো পপুলার হয়ে উঠবে। 


এই চিত্রে দেখবেন আপনি গুগল এর মিনটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন আর্নিং অপশন থেকে। 

   

এলিজাবেথ এক নিশ্চিত মহিয়সী নারীর নাম।


ইউক্রেন থেকে পোল্যান্ড এ যাওয়া এবং বাঙালী এক ছেলের সাথে পরিচয়- এবং নিশ্চিত মৃত্যু জেনে তাকে বিয়ে করা এবং তার গ্রাম পর্যন্ত চলে আসা এবং স্বামীর ভালেঅবাসাকে আকড়ে ধরা- ব্যাপারটা সত্যিই এক বিরাট ব্যাপার। এলিজাবেথ বাংলাদেশে যাকে ভালোবাসে তার নাম অপু। গ্রামের ছেলে বিধায় ইউক্রেনের সুন্দরী এবং কৃষক মেয়ে এলিঝাবেথ এর সাথে সখ্যতা গড়ে উঠতে সময় লাগে নাই। একজন বাংলাদেশী কৃষি েউদ্যোক্তার ফার্মে পরিচয় এবং সখেঅন থেকে সখ্যতা, প্রেম এবং বিয়ে। এলিজাবেথ অনেক মহত এবং উদারতার পরিচয় দিয়েছে। অপু ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত জেনেও সে অপুকে ভালোবাসে বিয়ে করেছে- চেয়েছিলো তার ভালোবাসা দিয়ে সারিয়ে তুলতে- পারে নাই বিধায় বাংলাতে এস অপু যাকে যাকে বালোবাসতো সেও তাকে তাকে ভালোবসে েএক মহত হৃদয়ের পরিছয় দিয়ে গেছে। 

এলিজাবেথের মতো সুন্দরী মেয়ে যদি বাংলাদেশে জন্মাতো তাহলে হয়তো দেমাগে মাটিতে তার পা পড়তো না। এলিজাবেথ ও নিশ্চয় জানে বিশ্বের সকল খারাপের উৎস- তারপরেও স্বামীর ভালোবাসাকে বুকে আকড়ে ধরে মুসলিম ধর্মে নিজেকে দীক্ষিত করে সে তার স্বামীর বিপদ সংকুল কবরের জীবনের পাশে এসে দাড়িযেছে -এই টা আজকাল কার যুগে কয়জন বাঙালী মেয়ে করে থাকে তা সকলেই জানে। এলিজাবেথের এই সাক্ষাৎকারে আমি তার ভেতরে এবং বাহিরে সমান সৌন্দযের পরিচয় পাইলাম। সত্যিই তাকে স্যালূট। 

তবে প্রকুত বাসস্তবতা হইতাছে নিজের জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমাদের দেশের এই সমস্যা সংকুল সমাজ ব্যবস্থায় এলিজাবেথ ঠিক কতোদিন কষ্ট করে লড়াই করতে পারবে- তা বলা মুসকিল। প্রয়োজন এলিজাবেথের সাথে ভালো মনের ভালো মন মানসিতকার বাঙালী বা বাংলাদেশী দের বন্ধুত্ব যা তাকে তার স্বামীর খেদমতে চিরদিন সহায়তা করবে। 

Marketplace. Freelancing outsourcing Bangla Tutorial.

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

Create Linkedin Page

$$ Forum post $$ Blog Comment $$

Earn Money Posting in Forums

The world best web hosting service