Translate

Tuesday, October 20, 2020

Buy White Hat SEO services from SEOListly by using Bitcoin/Etherium/Litecoin.

বিটকয়েণ একটি ডিসেন্ট্রাইলাইজড ক্রিপ্টোকারেন্সী মেথড যেখানে আপনি বিটকয়েণ, ইথারিয়াম বা লাইটকয়েণ ব্যবহার করে হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিসগুলো কিনতে পারবেন কিন্তু আপনি এসওক্লার্ক থেকে বিটকয়েণ/ইথারিয়াম বা লাইটকয়েণ ব্যবহার করে আপনি মার্কেটপ্লেস থেকে উইথড্র করতে পারবেন না। আমার একটি এসইওক্লার্ক এফিলিয়েট ষ্টোর আছে যার নাম এসইওলিষ্টলি। এইখান থেকে আপনি যে কোন এসইও সার্ভিস কিনবেন সেখানে আমার ১০% বেনিফিট থাকবে। যদি আপনি ১০ ডলারের কোন সার্ভিস কিনে থাকেন তাহলে আমার একাউন্টে ১ ডলার এড হবে যেখানে আপনার কোন লস হবে না।  এফিলিয়েটরা এইসওক্লার্কের কাছ থেকে এই বেনিফিট পেয়ে থাকে।। আমার ব্লগের যারা রিডার তারা যদি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস কিনতে ইন্টারেষ্টেড থাকেন (কি কি কারনে এসইও সার্ভিস কিনতে হয় তা ণীচে আলোচনা করবো) তাহলে আমার এসইওষ্টোর থেকে সার্চ করে প্রোডাক্ট বের করে যদি আপনি সেটা অনলাইন থেকে কেনাকাটা করে থাকেন সেখানে ১০% বেনিফিট থাকবে সবসময়। আর যদি আপনি নতুন হোন তাহলে আপনি এইখান থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে জয়েণ ও করতে পারবেন। সাইন আপ অপশন আছে বা ইউটিউব ভিডিও টিউটোরিয়াল ও আছে। 





পৃথিবীতে প্রায় ৫০০- ৫০০০ ধরনের বিটকয়েন (Bit + coin) মুদ্রা  আছে। এই সব ধরনের বিটকয়েণ ই ক্রিপ্টোকারেনসী এলাও করে এবং আপনি যদি ব্লকচেইন মেথড ব্যবহার করেন তাহলে আপনি আপনার কাছে থাকা যে কোন ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সী কে বিটকয়েনে এড করতে পারবেন, সেল করতে পারবেন বা মাইনিং বা ট্রেডিং করতে পারবেন।




বিটকয়েণ ট্রেডিং খুব পপুলার একটা পদ্বতি সারা বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য। ৮/১৬/৩২ ডিজিটের অকটেন/ডেসিমাল/হেক্সডেসিমাল পদ্বতি বা মেথড ব্যবেহার করে এইখানে ক্রিপ্টোকারেনসী ওয়ালেট  নাম্বার  তৈরী হয়। কিন্তু আপনি এসইওক্লাক বা এসইওষ্টোর থেকে অনলি ৩ টা মেথড ব্যবহার করতে পারবেন তা হইতাছে: 



এই ৩ টা টাইপের ক্রিপ্টোকারেন্সী ব্যবহার করে আপনি প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন কিন্ত ‍ুআপনি এই ৩ টা পদ্বতিতে ডলার উইথড্র করতে পারবেন না এসইওক্লার্ক থেকে। এসইওক্লার্কের এফিলিয়েট ওয়েবসাইট আছে আরো ৭টি। এইখানে  একবার রেজিষ্ট্রশন করলে ৮ টি ওয়েবসাইটের মেম্বারশীপ পাওয়া যাবে। ৮টি ওয়েবসাইটের আপনি প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন। আপনি একসাথে ৮টি ওয়েবসাইটেই  আপনার প্রোডাক্ট কে  লিষ্টিং করতে পারবেন। 




বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সী ওয়েবসাইট  ওপেন হয়। আপনি যখণ আপনার মোবাইল বা ডিভাইস ব্যবহার করেন তখণ সেটাকে একটিভ রাখার জন্য আপনার মোবািইল বা ডিভাইসে অনেক ধরনের ইলেকট্রিক পাওয়ার ব্যবহৃত হয়। কিন্তু যে পরিমান পাওয়ার ব্যভহৃত হয় সেটা আপনার মোবাইলের অল এ্যাপকে একটিভ রাখার জন্য এবং মোবাইল সচল রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। মোবাইলের ডিভাইস গুলো এমন ভাবে তৈরী হয় েযে - যকণ সে টাচ পায় বা সচল হয় তখণ ্কবারে সে অনেকটা পাওয়ার ব্যবহার করে যা তার কাজে লাগে না। ফলে সেই এক্সট্রা পাওয়ার যেটা মোবাইলে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু যেটা ব্যাটারি থেকে কানেকটেড হয় সেটা আপনি ইচ্ছা করলে বিটকয়েণ মাইনিং করতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সী  মেথযে আপনি আপনার মোবাইলে এ্যাপ ইনষ্টল করলে বা করে রাখলে যতোক্ষন আপনার মোবাইর ওপেন থাকবে ততোক্ষন আপনার মোবাইলে সেটা মাইনিং করবে এবং ক্রিপ্টোকারেন্সী জেনারেট করবে। এই ক্রিপ্টোকারেন্সী  কে আপনি যে কোন ব্লকচেইন ওয়ারেটে সেল করে দিতে পারবেন তবে কোন ব্লকচেইন কোন ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সী  কে এলাও করবে সেটা একটা বিষয়। যারা ক্রিপ্টোকারেন্সী কয়েণ মেক করেছে বা যাদের নামে আচে তারা সেই পলিসি নির্ধারন করে। বাংলাদেমে কোন ক্রিপ্টোকারেন্সী  কয়েণ আছে বলে আমার জানা নাই। তবে জেবিডি- জয় বাংলা ডলার নামে একটা ক্রিপ্টোকারেন্সী র বুকিং দেয়া থাকতে পারে - মানে স্লট বা এই রকম একটা ক্রিপ্টোকারেন্সী  আমি অনেক সময় স্বপ্ন দেখি যা বাংরাদেশেরে টোটাল অর্থ ব্যবস্থাকে  পরিবর্তন করতে পারবে এবং প্রত্যেক মানুসেল হাতে সেই ডলার থাকবে যার একপামে মুক্তিযোদ্বাদের ছবি এবং আশেপাশে মুক্তিযুদ্বের জয় বাংলার মুক্তিযোদ্বাদের ছবি দেয়া থাকবে।

ক্রিপ্টোকারেন্সী  ডলার এখনো বিশ্বের কোন ব্যাংক এলাও করে নাই। যখন বিশ্বের কোন এক দেশের কোন এক সেন্ট্রাল রিজার্ভ ব্যাংক যখন সেটাকে েএলাও করবে তখনই বিটকয়েনের বাস্তবে যাত্রা শুরু করবে। তখন বিটকয়েনের মুদ্রার ডিজাইন তৈরী হবে এবং মানুষ নগদ পকেটে সেটা রাখবে বা লেনাদেনা করে ব্যবহার করবে।  বাংলাদেশে জয় বাংলা ডলার ক্রিপ্টোকারেন্সী ডলার এর ধারনা প্রথম পোষন করা হয় থানা শাহাবগে অনুষ্টিত ২০১৩ সালেল গনজাগরনের বা ২০১৩ সালে মতিঝিলের শাপলা চত্বর হেফাজতের মহাজাগরন থেকে। হেফাজতের গনজগারন কে অনেকে অবহেলা করে থাকলেও একটা জিনিস জেনে রাখা দরকার- হেফাজতে ইসলামের গনজাগরন বিশ্ব রেকর্ডের অধিকার। ধারনা করা হয় বিশ্বের আর কোথাও এতো মানুষ একসাথে হয় নাই কখনো। 

নাস্তিক না আস্তিক জানে মোর খোদা- তুই বলার কে? বলে হেফাজতের সেই গনজাগরন কে থামানো হয়েছিলো আপাত দৃষ্টিতে। আশা করি হেফাজতে ইসলাম এতোদিন বুঝে গেছে- কারা বাংলাদেশের প্রকৃত/প্রকাশ্য নাস্তিক। শাহবাগ গনজাগরনে যারা অংশগ্রহন করে বাংলাকে ভালোবেসে প্রকাশ্য দিবালোকে দেশকে ভালোবেসে জয় বাংলা বলেছিলো- তারা কখনো নাস্তিক হতে পারে না কারন দেশপ্রেম ঈমানের অংগ, আর তারা দেশকে ভালোবেসেই জয় বাংলা বলেছিলো। শাহবাগ গনজাগরনের জয় বাংলা প্রজন্মের সদস্যকে যারা জয় বাংলা বলাতে নাস্তিক বলেছিলো তাদেরকে আমরা মার্ক করে রেখেছি- সময়ে তাদেরকে বুঝাবো যে খালি গলাতে দেশকে ভালোবেসে জয় বাংলা বলে সে কখনো নাস্তিক হতে পারে না। যে কোন ধর্মই পালন করে না তাকে নাস্তিক বলা হয়। আর দেশকে ভালো না বাসলে জয় বাংলা বলা যাইতো না। আমার কাছে বাংলাদেশের সেই প্রজন্ম নাস্তিক প্রজন্ম যারা প্রকাশ্য দিবালোকে প্রাপ্তবয়স্কে ছেলে এবং মেয়ে পায়ুপথে শারিরীক সম্পর্ক (যার প্রমান পাওয়া যায় ফেসবুকের হাজার হাজার এডাল্ট সেক্সুয়াল গ্রুপগুলোতে) স্থাপন করে  আর এই ধরনের প্রজন্ম বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করে কি করে? এদর জন্য তো ২০ বছল আগে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের অনুমতি দেয় নাই বিশ্ব। এদেরকে যারা ইন্টারনেট কানেকশণ প্রোভাইড করে তাদেরকে সতর্ক করে বড় অংকের জরিমানা করা উচিত। আমার জানা মতে, এই ধরনের গে/বাইসেক্সুয়াল/এসহোল গ্রুরপগুলো [এদেরকে সহজ ভাষাতে বিডিএসএম বলা হয়] - এরা সারা বিশ্বে ইন্টারনেটে অনলি ১৫ মিনিট এলাও পার ২৪ ঘন্টাতে- দিন রাত ২৪ ঘন্টা এরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিরে? এদের ব্যাপারে যদি সরকারের কাছে কোন ডাটাবেজ থাকে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া উচিত। আমি এই ধরনের প্রজন্ম (বিডিএসএম-গে/বাইস্কেসুয়াল/এসহোল) কে মন থেকে ঘৃনা করি। আমি কখনো এই ধরনের কোন মেয়ের সাথে এই ধরনের কাজ কল্পনাও করতে পারি না। X Rated Porno Website গুলোতে বাংলাদেশের নাম বা পতাকা ব্যবহার করে এবং বাংলা ভাষা ব্যবহার করার প্রচুর পরিমান ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া আছে যেখানে আধুনিক তরুন প্রজন্মকে খুব সুকৌশলে এই সকল পায়ুপথে সেক্স করার জন্য উদ্বুদ্ব করা হইতাছে - তাদের হাতে অপ্রাপ্তবয়স্কে দামী টাচ মোবাইল তুলে দিয়ে যারা ভিপিএন ব্যবহার করে এই ধরনের কালচার ধরে ধীরে গ্রোথ করতাছে।) সম্পর্ক স্থাপন করতাছে , বোঝ থাকা অবস্থায় এই ধরনের কাজ করতাছে, বাংলাদেশের আইন এবং মুসলিম ধর্মে যেটা নিষেধ করা আছে আর যারা প্রকাশ্য দিবালোকে প্রাপ্তবয়স্কে দিন রাত সকল ধর্মের অবমাননা করতাছে  (বিশ্বের কোন নবীজির ধর্মে প্রাপ্তবয়স্কে ছেলে এবং মেয়ের পায়ুপথে সেক্স করার কথা বলা নাই্। এইটা প্রচন্ড আকারে নিষেধ।) শুধুমাত্র শয়তান এই পায়ুপথে সেক্স করার কথা বলে কারন শুনেছি শযতানের খাবার হলো গু আর বেচে থাকতে হলে তারও খাইতে হয়্ আর শযতান হইতাছে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় নাস্তিক।) আর এদেরকেই আমরা নাস্তিক বলে থাকি। এই ধরনের বিডিএসএম গুরপ টা যেনো (বাংলাদেশে আমার এসইওলিষ্টলি  ওয়েবসাইটে ঢুকে কেনাকাটা না করে) সে ব্যাপারে বলা থাকলো বা তারা যদি জেনে শুনে ঢুকে সে ব্যাপারেও একসময় ব্যবস্থা নেবো।

কারন হেফাজতে ইসলাম নিজের চোখে বাস্তবে দেখে নাই কে কোথায় কখন কোন খানে বসে স্বজ্ঞানে স্ব ইচ্ছায় বাংলাদেশের ইন্টারনেটে বসে তথাকথিত ধর্মবিরোধী ব্লগ লিখে সারা দেশের কোটি কোটি মানুষের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করেছে। এই সকল ইন্টারনেটে যারা হ্যাকার তারাও লেখতে পারে হ্যাক করে বা নানা ধরনের পদ্বতি এপ্লাই করে। ব্লগার ডট কম একটা ইন্টারনেট এড্রস। একটা ইন্টারনেট এড্রস কখনো নাস্তিক হতে পারে না) তবে সেখানে - বাংলার আলেম, ওলামা, মাওলানাদের অর্থ কষ্ট বা জীবন যাপনের কষ্ট  টা সারা বিশ্বের মানুষের চোখে লাগেখেয়ে না খেয়ে হেফাজতের মানুষ জন যখণ কষ্ট করে  ধার্মিক পড়াশোনা করে আর সারা বাংলার মানুষ যখন অর্থের জন্য  কায়িক (যারা শ্রমিক, দিনমজুর বা গলীব মানুষ) পরিশ্রম বা কষ্ট করে - সেই  অর্থকষ্টকে চিরতরে দূর করার জন্য থানা শাহবাগ গনজারন ২০১৩ এবং হেফাজতের গনজাগরনের সম্মেলনে অংশগ্রহনরত সকল মানুষের অর্থকষ্ট চিরতরে দূর করার যে স্বপ্ন দেখা হয়(সেই সময়ে ইন্টারনেটে দেখেছি বলে মনে করি) তাকে বলা হয়  জয় বাংলার ডলারের স্বপ্ন (বলতে গেলে ইন্টারনেটে আমার ব্যক্তিগত স্বপ্ন যে কোন খানে খালি গলাতে [জয় বাংলা কোন রাজনৈতিক দলের একক স্লোগান না- এইটা প্রত্যেক বাংগালীর একটা স্লোগান] যে কোন সময় জয় বাংলা বলতে পারার কারনে)। বাংলার ৪১ কোটি (বাংলাদেশ এবং ভারতীয়  গরীব মানুষের ৭ টি রাজ্য- যেখানে টাকা শব্দটা উচ্চারিত হয় সে পর্যন্ত) মানুষের ব্যবহৃত মুদ্রাকে পরিবর্তন করে এমন একটি মুদ্রা ব্যবস্থার উন্নয়ন করা যেখানে প্রত্যেক মানুষের হাতে অগনিত  জয় বাংলার ডলার থাকবে আর প্রত্যেক মানুষ যার যা মানে চায় তাই করবে - এরকম একটা স্বপ্ন থেকে জয় বাংলা ডলার নামের নতুন একটা ক্রিপ্টোকরেন্সী মুদ্রার কথা বিবেচনা করে জয় বাংলার প্রজন্ম । জয় বাংলা প্রজন্ম বলতে তাকেই বুঝে থাকি যে প্রকাশ্য দিবালোকে কোন ধরনের শক্তি প্রয়োগ করা ছাড়া এবং কোন ধরনের মাধ্যমে ছাড়া  (মাউথস্পিকার ছাড়া) স্বজ্ঞানে স্বইচ্চায় বলতে পারে কোন ধরনের শক্তি প্রয়োগ না করে বা কোন ধরনের বিট মেক না করে। 

দালাল/রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশে এবং দালাল/রাজাকার মুক্ত বিশ্বে এবং তাদের প্রজন্ম মুক্ত বাংলাদেশে এবং বিশ্বে এই জয় বাংলা ডলারের আবির্ভাব ঘটবে [আশাবাদ ব্যক্ত করি] যেখানে বাংলার মানুষকে অর্থের জন্য কোন ধরনের কায়িক পরিশ্রম করতে হবে না। এখন আপনি যদি বলেন যে ভাই অর্থের কি প্রয়োজন? অর্থ ছাড়াই তো জয় বাংলা বানানো যায়। আসলে অর্থ ব্যবহার করে লেনাদেনা করাটা হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা (আ:) এর একটি সুন্নত । উনি দুজাহানের বাদশা হয়ে যখণ কষ্ট করে জংগল থেকে কাঠ কেটে বাজারে এনে তা বিক্রি করতো তখন বিনিময়ে কিছু গ্রহন করতেন । পন্য মুদ্রা বিনিময় বা সৎ ভাবে লেনাদেনা করাটা বিশ্বনবীর সুন্নত হিসাবে বিবেচিত আর বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ( হাইকোর্টের রায় ২০১৬)।

আমরা আগেই জেনেছি বিট বলতে কি বোঝায়। আমার আগের ব্লগ পোষ্টগুলোতে ইন ডিটেইলস দেয়া আছে: 

০+১= ১ বিট 
৮ বিট= ১ বাইট।

পৃথিবীর যে কোন দেশের পয়সাকে কয়েন বলা হয়।যেমন: সেন্ট- ইউএসএর কয়েনকে সেন্ট বলা হয়। 

১০০ সেন্টস =  ১ ডলার।

এইখানে সেন্ট একটি কয়েন। অনেক আবার কয়েন বা পয়সাকে নানা কারনে মুখের ভেতরেও রাখে যেমন কোন মানুষ যদি অপ্রাপ্তবয়স্কে ঠিকমতো কথা না বলতে পারে তাহলে তার মুখের ভেতর কয়েন দিয়ে রাখা হয়। আমার নিজেরও অনেকগুলো জমানো কয়েন ছিলো ছোটবেলা থেকে। আমার বাবা মার কাছে রাখা ছিলো। ২০১১ সালে (আমার বাবা মা হজ্জ্বে ছিলেন আর আমি রাজধানী ঢাকাতে ছিলাম) তখন আমার বাসার ভেতরে একটি চুরি সংঘটিত হয়। ষ্টিলের আলমারি ভেংগে নগদ টাকা, স্বর্নালংকার এবং আমার ছোটবেলা থেকে জমানো কয়েনগুলো চোরেরা নিয়ে যায়। স্থানীয় এক লোক ছিলো বাসাতে পাহারাদার হিসাবে। সে ঘুমন্ত থাকাবস্থায় বাসার জানালার গ্রিল কেটে এই চোরের দল চুরি করে যা এক ধরনের ভয়াবহ ব্যাপার। কয়েনগুলোর জন্য প্রায়শই আমার মন খারাপ হয়। 

বিট মানে পালস বিট এবং হার্ট বিট। শরীরে রক্তপ্রবাহের গতি বা হার্টের পাম্পের গতি - এইটাকে ডাক্তারের ভাষাতে বিট বলা হয়। এরকম ৮টা বিট মিলে একটা বাইট হয়। অপরদিকে বাইনারী গনিতের ভাষাতে ০+১ কে বিট বলা হয়।  

[Joy Bangla Crypto currecny Demand - (JBD) Joy Bangla Dollar. (Dreaming/Thinking).]


বাংলাদেশে  বা বিশ্বে ইন্টারনেটে কোন ধরনের ক্যাটাগরাইজেশন নাই। আপনার যে কোন সময় যে কোন খানে বসে আপনি যে কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারবেন। আপনি নিশ্চয়ই আমার ব্লগ পড়ে থাকার কারনে এতোক্ষনে বুঝে  গেছেন কিভাবে ওয়েবসাইট ভিজিট (আগের পোষ্টুগলোতে দেয়া হয়) করতে হয়? এইখানে কোন ধরনের ক্যাটাগরাইজেশন নাই। আলাদা আলাদা কোন ব্যাপার স্যাপার নাই। ইন্টারনেট সবার জন্য প্রযোজ্য। ইন্টারনেটে যতো ওয়েবসাইট আছে সবসময় সবার ভিজিটের জন্য ওপেন আছে। এ ধরনের কোন শব্দ বা কথা আমেরিকানদের ইংরেজী ডাটাবেজে- ইন্টারনেটে নাই যে ফেসবুকের সমাজ বা ইউটিউবের সমাজ। সমাজ একটি বাংলা শব্দ। আর ফেসবুক, ইউটিউব এগুলো আমেরিকান ইংরেজী শব্দ। যার যখন যে ওয়েবসাইট ভিজিট করতে মনে চায় আপনার তখনই সে ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারবেন। ইংরেজীর সাথে বাংলা শব্দ যোগ করে কোন ধরনের বাংলিশ মার্কা সমাজ তৈরী করার চেষ্টা করবেন না- ইন্টারনেটে কোন সমাজ নাই- ইন্টারনেটে কোন ক্যাটাগরাইজেশন নাই। ইন্টারনেট সবার জন্য প্রযোজ্য- সব মানুষের জন্য সমান হারে প্রযোজ্য্। এইখানে আলাদা আলাদা কোন ব্যাপার নাই। আমি ফেসবুক ব্যবহার করলে ইনস্ট্রাগ্রাম ব্যবহার করতে পারবো না বা আমি ফেসবুক ব্যবহার করে ইউটিউব ব্যবহার করতে পারবো না এই ধরনের কোন ব্যাপার নাই ইন্টারনেট দুনিয়াতে। ইন্টারনেট সাধারন গন মানুষ সবার জন্য প্রযোজ্য। সো এই দেশে ইন্টারনেটে আলাদা করে কোন ক্যাটাগরাইজেশন করার চেষ্টা করবেন না কখনো। আমার মনে হয় কেউ যদি ইন্টারনেটে ক্যাটাগরাইজেশন করার চেষ্টা করে সেটা একটা আইনত দন্ডনীয় ব্যাপার হবে কারন আপনি যদি ক্যাটাগরাইজেশণ করেন তাহলে আপনি মূলত মানুষকে তার মনের ইচ্চা মতোন জ্ঞান আহরনে বাধা দিতাছেন। আর জ্ঞানে বাধা দেয়া তো নিরক্ষরের ই কাজ।  যারা ইন্টারনেট প্রফেশনাল (ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার ) যারা তারা তাদের কাজরে প্রয়োজনে যে কোন একটা ওয়েবসাইটে সুদীর্ঘ সময় অবস্থান করে তার কাজের সুবিধার জন্য।  যেমন ধরেন: আপনি একজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কে হায়ার করলেন আমার এসইও ষ্টোরের মাধ্যমে - আর তাকে আপনি কাজ দিলেন যে সে লিংকডইনে ঢুকে সুদীর্ঘ সময় কাজ করবে এবং আপনার জন্য ডাটা এন্ট্রি করবে- তারে সেই লিংকডইনে অবস্থান করতে হবে সুদীর্ঘ সময় ধরে- ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার এরা তাদের কাজের প্রয়োজেন ক্যাটাগরাইজেশণ করে নেয় কিন্তু আপনি যদি সাধারন মানুষ  হয়ে থাকেন তাহলে আপনি যে কোন সময়ে যে কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারবেন, এত আপনার কোন বা লে র পারমিশন লাগবে না, আপনার মনই আপনার পারমিশন- কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করলে আপনার কোন ডাটা হ্যাক হবে না। আপনি যদি ইমেইলে বা ম্যাসেন্জারে আসা আননোওন (অপরিচিত) লিংকে ক্লিক করেন তা ভিজিট করেন তাহলে আপনার সমস্যা হতে পারে। শুধূ মাত্র ব্রাউজারে ঢুকে www.seolistly.com এরকম কোন এড্রস টাইপ করেন তাতে আপনার মোবাইল  বা ডিভাইস বা কম্পিউটার বা ল্যাপটপের কোন সমস্যা হবে না। 

কি কি কারনে আপনি আমার হোয়াইট হ্যাট এসইও ষ্টোর এর সার্ভিস গ্রহন করবেন?
কি কি পেমেন্ট মেথডে আপনি এইখান থেকে কেনাকাটা করতে পারবেন?
  • পেপাল
  • ক্রেডিট কার্ডস/ডেবিট কার্ডস
  • বিটকয়েন/লাইটকয়েন/ইথারিয়াম
আপনি কি কি সুবিধা পাবেন আমার এসইওষ্টোর থেকে কেনা কাটা করার মাধ্যমে?

  • পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেসের (SEO Sellers- 15 lac)  ফ্রি সদস্যপদ পেয়ে যাবেন।
  • আপনার  নিজের সহ যে কারো প্রয়োজন বা যে কারো ওয়েবসাইটের জন্য হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস কিনতে পারবেন। 
  • আপনি পৃথিবীর যে কোন সেলারের কাছ থেকে যে কোন সার্ভিস কিনতে পারবেন। 
  • আপনি যে কোন ক্যাটাগরিতে যে কোন সার্ভিস ভিজিট করে সিদ্বান্ত নিতে পারবেন যে কোনটা আপনার ওয়েবসাইটের জন্য পারফেক্ট হবে।
  •  সেলারের সাথে আপনার ভালো সম্পর্ক থাকলে সেলার আপানকে ৫ ষ্টার র‌্যাংক ও দিবে। 
  • সেলার আপনাকে পজিটিভ থাম্ব দিতে পারবে।
  • সেলার আপনাকে গুড রিকমেনন্ডেশন দিতে পারবে।  
  • এসইক্লার্ক মার্কেটপ্লেসের মধ্যে বায়ার বা সেলার যে কেউ আপনাকে ফলো করতে পারবে। 
  • এসইক্লার্ক মার্কেটপ্লেসের নিয়ম মেনে যে কেউ আপনাকে ম্যাসেজ সেন্ড করতে পারবে (কন্টাক্ট)।
  • আপনি চাইলে আপনার ষ্ট্রাটাস আপডেট ম্যাসজে দিতে পারবেন আপনার ফলোয়ারদেরকে আপনার প্রোফাইল থেকে। 
  • কম্যুনিটি এর সব পোষ্ট আপনি পড়তে বা শিখতে পারবেন। নিজে নতুন পোষ্ট করতে পারবেন এবং যে কোন পোষ্টে আপনি রিপ্লাই ও করতে পারবেন। 
  • ব্লগ এর সব পোষ্ট পড়তে পারবেন। 
  • যে কোন সময় কাষ্টমার কেয়ারে যোগাযোগ বা ইমেইল সেন্ড করে সল্যুশন নিতে পারবেন। 
  • এসইক্লার্ক মার্কেটপ্লেসের সব কিছু ইউএসএ থেকে নিয়ন্ত্রিত। এইখানে আপনরা ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড শতভাগ সিকিওরড।
টু বি কন্টিনিউ

বুকের চর্বি কম করুন / chest fat burning workout at Home (Bangla video)

Monday, October 19, 2020

সোশাল মিডিয়া প্যানেলগুলোতে সিগনাল জেনারেট করার ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান নাই কেনো?

বাংলাদেশ কে বিশ্বের অনেক দেশ অনেক ধরনের সুবিধা প্রদান করে না। এর মূল কারন আমি মনে করি - বাংলাদেশের সকল মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ভেরিফিকেশণ না থাকা (কারন ২১শে আগষ্টের মতো গ্রেনেড হামলা বা হলি আর্টিজেন এর মতো ভয়াবহ হামলা - সারা বিশ্বের মধ্যে সন্ত্রাসের ব্যাপারে বাংলাদেশ কে চিনাইয়া দিছে- এই তকমা বাংলাদেশের আর ঘুচবে না। কারন চোর একবার চুরি করলেই তাকে চোর বলে আর সারাজীবন তাকে চোর বলেই চিনে লোকজন)। বাংলাদেশের কোন ইন্টারনেট সুযোগ সুবিধার কথা যখণ সারা বিশ্বে আলেঅচিত হয় তখন প্রথম যে জিনিসটা ইন্টারনেট কোম্পানী বিবেচনা করবে তা হইতাছে  বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা কেমন বা বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা হবে কিনা? আপনার মনে চাইলো আর আপনি যে কোন কোম্পানীকে বাংলাদেশে আসতে বলবেন আর সে চলে আইসা ব্যবসা শুরু করবে ব্যাপারটা সেরকম না? প্রথমে তারা আর্থ সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করবে তারপরে সেখানে তারা ব্যবসা করার চিন্তা করবে। যেমন: আমাদের দেশের ইন্টারনেট ওয়েবসাইট গুলোতে ওপেন হওয়া সোশাল মিডিয়া প্যানেলগুলোতে যেসকল সিগনাল বাই সেল করা হয় সেগুলোতে কোনটাতেই বাংলাদেশের নাম নাই বা খুজে পাওয়া যায় না। সোশাল মিডিয়া প্যানেলগুলো এপিআই নির্ভর হবার কারনে সেখানে বাংলাদেশ না থাকার কারনে বোঝা যায় যে : বাংলাদেশের এপিআই নাই।  নীচে একটা এপিআই প্যানেল ওয়েবসাইট এর হোমপেজের ছবি দেয়া হলো। এপিআই প্যানেল থেকে সিগনাল কিনে একজন ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার যাদের কিনা পূর্ববর্তী রেমিটেন্স রেকর্ড আছে বাংলাদেশের ব্যাংকের ডাটাবেজে, যে বাংলাদেশের ব্যাংকের অনুমতি নিয়ে ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট কার্ড এক্সস করে বা ইন্টারনেট ব্যাংক পদ্বতি ব্যবহার করে এপিআই প্যানেলে ডলার আপলোড করে এবং সেই সকল সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেল করে তাকে সোশাল মিডিয়া মার্কেটার বলে। এপিআই প্যানেলে যে সিগনালের দাম ১০ সেন্ট - সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেলার ওয়েবসাইটে সেটার দাম হবে কয়েক ডলার।  



কারন একটা ওয়েবসাইটের ডোমেইন + হোষ্টিং + ডিজাইন + এসএসএল + ওয়েব ডিজাইনার কষ্ট বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কষ্ট, রেগুলার মেইনটেইন্যান্স কষ্ট , ক্যাশ টাকাকে ডলারে কনভার্ট করা, ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট কার্ড  সুবিধা ব্যবহার করা, ডলার আপলোড করা এবং ডলার কষ্ট করা, কোন সার্ভিস কে রিফিল দেয়া এবং কোন কিছু ড্যামেজড হইলে সেটার রিপ্লেস করা, পারসোনাল ডিভাইস মেইনটেইন করা আর থাকা খাওয়ার ব্যাপার হলে তো আরো ডিটেইলস খরচ মেইনটেইন করা- এই সকল খরচগুলো এপিআই প্যানেল থেকে তুলে নেবে একজন সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেলার ফ্রিল্যান্সার। আর সে হিসাবে তার প্রয়োজন এবং খরচ এবং লাভকে বিবেচনা করে দাম ধরবে ৫-১০ গুন বেশী। 

নীচে এসএমলাইট প্যানেল থেকে নেয়া ২ টা ছবি দেখানো হলো। 


                                         




২টা ছবি তে আপনি দেখবেন যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেে আপনি সেই দেশের জন্য টার্গেটেড ভিউজ সেল করতে পারবেন। এর জন্য প্যানেল কে আপনার এই রেট দিতে হবে। এইখানে ডলার দেখাইতাছে ২.৩৫ /১০০০ ভিউজ। যেমন: প্রথমটাতে আপনি যদি ইটালীর ইউটিউব ভিউজ দিতে চান তাহলে আপনি সেই ভিউজ টা এইখান থেকে কিনে আপনি যে কাউকে দিতে পারবেন। যেহেতু এসএমলাইট ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় যে কোন ব্রাউজারে- কোন ধরনের ভিপিএন ফ্যাসিলিটজ লাগে না বা সহজেই যে কোন ডিভাইসে ও ওপেন হবে সেহেতু এইটাকে বৈধ ধরে  আপনি সামনে আগাতে পারবেন। এইখানে যদি অবৈধ কোন কিছু থাকতো তাহলে সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা যে বিগত কয়েক বছর ধরে এই সার্ভিস ব্যবহার করতাছে তা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যাইতো। এইগুলো এ ক্লাস ওয়েবসাইট সার্ভিস- এপিআই ব্যবহৃত হয় আপনি উপরের ছবিতে ক্লিক করে ওয়েবসাইটে ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করবেন এবং সেখানে আপনি দেখতে পারবেন - New Order Section--- Youtube Views---- Targeted Youtube Views. এইখানে দেখবেন যে- বাংলাদেশের নাম নাই। কিন্তু আপনি আমাদের শতরু (যাদের প্রোডাক্ট ব্যবহার করি না আমরা) দেশের নামও পাবেন। জানা মোতাবেক বিশ্বের যে কোন দেশের জন্য ইন্টারনেট বরাদ্দ হলে সেখানে আপনি একটা এপিআই ফ্যাসিলিটজ টা পাবেন। কিন্তু বাংলাদেশের এপিআই যে কোথায় তা মনে হয় এক খোদা মাবুদই জানে? 


ক্লায়েন্টের ফেইথ বা বিশ্বস্ততা পাবার জন্য আপনি যে কোন দেশের যে কোন ক্লায়েন্ট কে এই অফার সার্ভিস করতে পারবেন এবং প্রথমত আপনি খুবই কম রেট এবং সার্ভিস দিবেন যাতে করে ক্লায়েন্টের চ্যানেলে কোন ক্ষতি না হয়। সাধারনত এপিআই চ্যাণেল ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ক্লায়েন্টের সোশাল মিডিয়ার কোথাও কোন ক্ষতি হবে না কিন্তু তার আগে অভিজ্ঞতার আলোকে যাচাই করে নিতে হবে ক্লায়েন্টের সোশাল মিডিয়া একাউন্টগুলো। কারন কোন সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গুলো যদি ভেরিফাইড না হয় আর আপনি যদি সেখান হঠাৎ করে সিগনাল সাপ্লাই করা শুরু করেন তাহলে যে কোন সময় ক্লায়েন্টের একাউন্টের ক্ষতি হতে পারে। এই ভেরিফিকেশণ ব্ল ব্যাজ ভেরিফিকেশন না। এই ভেরিফিকেশণ একাউন্টের সিকিউরিটি ভেরিফিকেশণ। যেমন: মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন, ইমেইল ভেরিফিকেশন, টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশণ এবং এ্যাপ কোড ভেরিফিকেশন বা ফেস ভেরিফিকেশণ বা যতো ধরনের ভেরিফিকেশণ আছে তার মধ্যে ২/৩ টা করা আছে কিনা?

একটা এপিআই প্যানেলে নূন্যতম ৫০০ জন করে কাজ করতে পারে। যে কেউ মিলে যদি একটা টিম ওয়েবসাইট তৈরী করে এবং সারা বিশ্বে এসইও করে তাহলে অবশ্যই অবশ্যই ওয়েবসাইটে অর্ডার আসা শুরু করবে এবং ডলার উপার্জনের জন্য দ্বারে দ্বারে গুনতে হবে না। বিশ্বের যতো ফরেনার ছেলে বা মেয়ে আচে তাদের কাচে ২টা জিনিস থাকে সবসময় - ১) কেডিট কার্ড ফ্যাসিলিটজ এবং ২) পেপাল ফ্যাসিলিটজ। আর যে জিনিসটা তাদের থাকে না তা হইতাছে সময় বা মেইনটেইন করার স্কোপ। যে কোন সময়ে যে কোন সিগনাল সাপ্লাই করার ক্ষেত্রে আপনাকে সবসময় প্রথমে অল্প কিছু সাপ্লাই করে ক্লায়েন্টের মন যাচাই করে দেখতে হবে যে সে খুশী আছে কিনা? কিছু কিছু সিগনাল হয়তো দেখা যায়- যেমন ধরেন: ফেসবুক পোষ্ট লাইক। যেমন: একজন একটা ফেসবুক পোষ্ট দিলো- এখন সেখানে আপনি সিগনাল সেল করলেন তাহলে দেখা গেলো যে- সেখানে আপনার দেয়া সিগনালগুলোতে ছবি দেয়া নাই। এখন ক্লায়েন্ট আপনাকে বললো যে-  ছবি কই - তখন সে বাধ্য হয়ে সে পোষ্টিংটা ডিলেট করে দিলো এবং নাখোশ ও হলো। অনেকে ফেইক একাউন্ট ব্যবহার করে বা ফেইক টেকনিক ব্যবহার করে।এখন এপিআই প্যানেল যদি বলে অল সিগনাল রিয়েল তাহলে সেটা রিয়েলই হবে কারন যে একাউন্ট ওপেন করেছে সে একটা সত্যিকারের ডিভাইস থেকে নিজে ইচ্চা করে একাউন্ট ওপেন করেছে কিন্তু তার নিজস্ব সাবধানতার জন্য সে ছবি দেয় নাই- এপিআই টোকেন হয়তো বা সে সিগনালগুলোকে খুজে বের করে তার সামনে আপনার একটা পোষ্ট বা ইমেজ শো করেছে এবং এর বিনিময়ে হয়তো আপনি কিছু লাইক পাইলেন যেখানে ছবি দেয়া নাই কিন্তু এরা পরে ছবি এড করে। কিন্তু আপনি যদি প্যানেল থেকে গ্যারান্টেড বা নন রিয়েল সিগনাল কিনেন আর সেটা যদি  ক্লায়েন্ট কে খুশী না করতে পারে তাহলে সে ক্ষেপে যাইতে পারে।  তখণ সে আপনার বিরুদ্বে চলে যাইতে পারে। বিশ্বে অনেক দেশ আছে আর সারা বিশ্বে ৪০০-৪৫০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। বাংলাদেশ বা আশে পাশের ৭টা ভারতীয় অংগরাজ্য থেকে যদি ২ কোটি মানুষও নিয়মিত চেষ্টা করে থাকে কাজের জন্য তাহলে সারা বিশ্বের সমস্ত মানুষের সমস্ত ইন্টারনটে কাজ আপনারা এইখানে বসে থেকেই করতে পারবেন। 

আপনি যদি আমার রেফারেল লিংক থেকে জয়েন করেন তাহলে আপনি প্যানেল থেকে যতো পরিমান কেনা কাটা করবেন সেখানে আমার ১০% লাভ থাকবে। আর যদি আপনি চিন্তা করেন যে না ভাইরে কোন লাভ দিবো না- নিজে নিজেই ব্যবসা করবো বা কোটি ডলার উপার্জন করবো তাহলে এইটা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনাকে আমার রেফারেল না বানাতে পারলেও আপনার কাছ থেকে সওয়াব কামাতে পারবো কারন আমার দেখানো টেকনিক দ্বারা আপনার উপকার হবে। আর যদি  রেফালের লিংক থেকে জয়েন করতে চান তাহলে প্যানেলে যে কোন ছবিতে আপনি ক্লিক করবেন এবং জয়েণ করবেন ফ্রি রেজিষ্ট্রেশণ করে। এসএমএম লাইট প্যানেলে  আমার রেজিষ্ট্রেশন লিংক: এমএমএমলাইট প্যানেল ।


সাধারনত প্যানেলের গ্যারান্টেড ভিউজ কখনো ড্রপ হয় না। তারপরেও আপনি প্রথম যে সার্ভিসটা ক্লায়েন্ট কে দেবার চেষ্টা করবেন সেটা হইতাছে লাইফ টাইম গ্যারান্টেড সার্ভিস। তারপরে দেখবেন নন ড্রপ সার্ভিস আছে কোথায়। আর তারপরে দেখবেন যে কোথায় ৩০ দিনের রিফিল গ্যারান্টি আছে- সেটা দেবার চেষ্টা করবেন। কিন্তু কখনোই আপনি নো রিফিল গ্যারান্টেড সার্ভিস দিবেন না।  কারন যারা প্যানেল মালিক(এরকম প্যাণেল পিএইচপি স্ক্রিপ্ট +এপিআই ব্যবহার করে আমিও বানাইয়া দিতেপারবো তবে পেমেন্ট সল্যূশন গুলো আপনার) তারা অটো বট প্রোগ্রামের মাধ্যমে বেশী পরিমান উপার্জন করার জণ্য যে ফেক সার্ভিসগুলো এড করে সেগুলোকে নো রিফিল সার্ভিস বলে।  একটা এক্সল ফাইলের সাথে একটা বট প্রোগ্রাম কিভাবে কাজ করে তা আমার আগের পোষ্টিং গুলোতে দেয়া আছে।  এই নো রিফিল সার্ভিস টা সবচেয়ে খারাপ হয় যদিও এইখানে খুব দ্রুতগতির কিছু  ব্যাপার আছে কিন্তু ফেইক ইজম ও আছে। বেশী লোভ যারা করে তারা ামঝে মাঝে এই নো রিফিল সার্ভিসগুলো কিনে থাকে এবং ধরো ও খেয়ে থাকে। 

এইখানে সোশাল মিডিয়া প্যানেল থেকে ব্যবসা করতে গেলে যে জিনিসটা মনে রাখতে হবে তা হলো লোকালি ব্যবসা করতে গেলে বা সিগনাল সেল করতে গেলে আপনাকে অতি অবশ্যই সরকারের ব্যাংক মার্চেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করতে হবে যেনো সরকার রাজস্ব বঞ্চিত না হয়। আবার একইসাথে আপনি যদি কোনো ওয়েবসাইট বানাতে চান সেখানে -  ক্রেডিট কার্ড সার্ভিস একটিভেট করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাংলাদেশ সরকারের ক্রেডিট কার্ড পেমেন্ট সল্যুশন সার্ভিস ব্যবহার করতে হবে কারন কেডিট কার্ড এর অনুমতি আপনি ই কমার্স লাইসেন্স ছাড়া পাবেন না। সে ক্ষেত্রে আপনাকে এই খরচ টা করতে হবে ই কমার্স লাইসেন্স নিতে হবে প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় থেকে। তারপরে সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিবেন এবং আপনি আপনার ই কমার্স লাইসেন্স ব্যবহার করে ক্রেডিট কার্ড সল্যুশন নিয়ে আপনার ওযেবসাইটে আপনি হোয়াইট হ্যাট এসইও করে সারা বিশ্ব থেকে সোশাল মিডিয়া গিসনাল জেনারেট করে উপার্জন করতে পারেন। 

আর যদি আপনার কোন ইন্টারনটে ব্যাংক একাউন্ট থাকে তাহলে সেটা থেকে আপনি অনুমতি নিয়ে আপনি ব্যবহার করতে পারেন। যেমন: সবার উপরে প্রথম যে ওয়েবসাইট এড্রস টা দেয়া আছে (এসএমএম কার্ট) সেটার পেমেন্ট সলুশ্যণ আমেরিকান এক ভদ্রলোকের নামে। সে পেপালের সাথে কথা বলে তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই ওযেবসাইটে পেপাল পেমেন্ট সল্যুশন ব্যবহার করে থাকে। আর যদি আপনি ওয়েবসাইটে সিগনাল সেল না করেন তাহলে আপনি ইন্টারনেট ব্যাংকিং পদ্বতি ব্যবহার করে যে কোন দেশের যে  কোন ক্লায়েন্টর কাছ থেকে পেমেন্ট নিয়ে সেখানে কাজ করতে পারেন যেমন আছে পেমেন্ট বিডি  বা স্ক্রিল, নেটলার, ওয়েবমানি, পারফেক্টমানি, পেপাল বা পাইওনিয়ার। আর সোশাল মিডিয়া প্যানেলগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ডলার আপলোড করে থাকি এবং আমরা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সিগনাল সেল করে থাকি সারা বিশ্বে- আবার আপনার ওয়েবসাইট এ পেপাল সহ যে কোন পদ্বতি আপনি ব্যবহার করতে পারেন। দুনিয়াতে ইন্টারনেট ব্যাংকের অভাব নাই। মিলিওনিয়ার হবার সহজ টেকনিক এইটা। যদি বুঝে থাকেন তাহলে এপ্লাই করে দেখতে পারেন। প্রথমে শুরু করবেন সব্বোচ্চ ১০ ডলার হিসাবে।





সোশাল মিডিয়া সিগনাল জেনারেট সার্ভিসগুলো কে ইন্টারনটে দুনিয়াতে ডিজিটাল গুডস নামে ডাকা হয়। কারন এই সার্ভিসগুলো ইন্টারনেট দুনিয়াতে ই শুধূ ব্যবসা করে থাকে। এইখানে ডিজিটাল বলতে ইন্টারনেট এবং গুডস বলতে সম্পদ বোঝানো হয়। সোশাল মিডিয়া সিগনাল কে ডিজিটাল সার্ভিস বলা হয়। প্রায় ১০০ এর  ও বেশী মার্কেটপ্লেস ওযেবসাইট গুলোতে আমরা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং  সার্ভিস প্রদান করে থাকি তাকে ইন্টারনেট গুডস বলে থাকে বা ইন্টারনেট প্রপার্টি। এইখানে ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেসে যদি আমি কোন  বায়ার বা ক্লায়েন্ট কে ধোকা দিয়ে থাকি আর যদি সে আমাকে পেমেন্ট দিয়ে দেয় তাহলে কি সেখানে আপনি সত থাকবেন? এইখানে এসএমএম প্যানেলে এর ব্যাপারটাও এরকমই। আমি এসএমএম কার্ট ওয়েবসাইটের এডমিন। আমাকে অর্থের জন্য কষ্ট করতে হয়, ইন্টারনেটে বিড করে কাজ ধরতে হয় বা এসএমএম ওয়েবসাইট এ সিগনাল সেল করতে হয়- বিধায় একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আমি/আমরা অন্যান্য কাজের পাশাপাশি সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেল করে থাকি- চুরি, বাটপারি, চিটারি  দুই নম্বরি বা হ্যাকিং এই গুলো কোন কিছুই আমি পারি না- কখনো শিখি নাই । 

আমাকে আমার বাসা থেকে কখনো হাত খরচ দেয়া হয় না বিশ্ববিধ্যালয়ে থেকে বের হয়ে আসার পরে। ২০০২ থেকে আমি ফ্রিল্যান্সার/ মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতের সাতে জড়িত। প্রথম কাজ করেছি ওডেস্কে ২০০২ সালে।  ২০০২-২০১১ পর্যন্ত আমি পার্ট টাইম কাজ করেছি (সাথে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্টানেও জব করেছি) এবং ২০১১ থেকে এখন পর্যন্ত ফুল টাইম  ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করতাছি। ২০১৮ সাল থেকে ফুলটাইম এই  এসএমএমকার্ট ওয়েবসাইট টা থেকে মাত্র ৬০০০ ডলার অর্ডার পেয়েছি সব মিলিয়ে -  ৬০০০ * ৮৫ =  ৫১০০০০ হাজার টাকা এবং আরো একজন এডমিনকে শেয়ার করেছি ৫০%। আর ৫০%  রইলো ২৫০০০০ টাাকা মাত্র। তারপরেও এই ওয়েবসাইটে করোনা শুরু হবার পর থেকে নতুন অর্ডার আসা বন্ধ, যেখানে প্রথম ১৮ মাসে এসেছে ৫৫০০ ডলার সেখানে বিগত ১২ মাসে এসছে ৩০০ ডলার অনলি। একদম বিনা কারনে রাজধানী ঢাকা সহ বাংলাদেশের কিছু ছেলে বা মেয়ে আমার ওয়েবসাইট কে স্পাম রিপোর্ট মারে - আমি বাংলাদেশের কোন সোশাল মিডিয়া সিগনাল ব্যবহার করি না, বাংলাদেশের কারো কাছে সিগনাল সেল করি নাই, আমার ওয়েবসাইটের ক্লাযেন্ট লিষ্ট সারা বিশ্বে- বিকাশ বা রকেট সহ বাংলাদেশের কোন পেমেন্ট সল্যুশন ও আমি ওয়েবসাইটে ব্যবহার করি নাই কখনো। যদিও উ কমার্স সেকসানে বিকাশ বা রকেট দেয়া আছে বলতে গেলে অনুমতি দেয়া আছে।






তারপরেও কিছু লোক পরিকল্পিতভাবে SMMCart ওয়েবসাইট টাকে স্পাম রিপোর্ট দেয় আর ওয়েবসাইটে স্পাম রেকর্ড দেখাচ্ছে যার ফলে  বিগত ১ বছর যাবত আর কোন অর্ডার পাইতাছি না নতুন করে।  তারপরেও শুকরিয়া। আমার ওয়েবসাইটের ব্যাপারে যদি আরো কারো কিছু জানার থাকে তাহলে জানাবেন ডিটেইলস। জীবনে কখনো ভিক্ষা করি নাই আর এ জীবনে কখনো হাত পাততে বা ভিক্ষা করতে রাজী নাই, যে হাতে প্রোগ্রামিং করেছি সে হাতে শুধূ কাজই করতে চাই বা পারসোনাল মেইনটেইন্যান্স। শুধূ বলবো এসএমএম কার্ট ওয়েবসাইট এখণ পর্যন্ত   ভালো একটা অভিজ্ঞতা আমার জন্য্। 




এ ধরনের আরো হাজার হাজার ওয়েবসাইট সারা বিশ্বের প্রোগ্রামার রা রান করে থাকে। এপিআই হবার কারনে কারো কাছ থেকে অনুমতি নেবার প্রয়োজন পড়ে না। কারন এপিআই - Application Programming Interface সোশাল মিডিয়া ডেভেলপারদের একটি কম্যুনিটি বা ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কে প্রদত্ত বা প্রাপ্ত ক্ষমতা। এ ধরনের ওয়েবসাইটের কিছু এক্সাম্পল নীচে দেয়া হলো: 














(টু বি কন্টিনিউ)







 

থানায় গিয়ে আর গুনতে হবেনা টাকা, পড়তে হবেনা বিড়ম্বনায় || Mymensingh Polic...

Sunday, October 18, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/ আউটসোর্সিং জগতে পারসোনাল ক্লায়েন্ট বলতে কি বোঝায়?

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়েবসাইট গুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা বা সারা বিশ্বের ছেলে মেয়েরা প্রচুর পরিমানে পারসোনাল ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করে থাকে। এতে করে বাংলাদেশ সরকার সরাসরি রেমিটেন্স (যারা ইন্টারনেট ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের যে কোন প্রাইভেট ব্যাংকে/সরকারি ব্যাংকে ডলার উইথড্র করে থাকে তারা রেমিটেন্স দেয়। যেমন: নেটেলার থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংক বা স্ক্রিল থেকে ব্রাক ব্যাংক বা পেপাল থেকে ব্যাংক এশিয়াতে- কিন্তু এইটা একাউন্ট অনারের নিজস্ব ইচ্ছার উপরে ডিপেন্ডস করে কারন সে চাইলে পারস্পরিক সেলও করে দিতে পারে)। না পাইলেও ইন্টারনেট ব্যাংকে যতো পরিমান ট্রানজেকশন হয় সেখানে বাংলাদেশের নাম লেখা থাকে এবং একজন বাংলাদেশে বসে থেকে ইন্টারনেট ব্যাংকের মাধ্যমে পারস্পরিক সেন্ড মানি করে থাকে। প্রতিমূহুর্তে ট্রনজেকশন নাম্বার তৈরী হবার কারনে সংশ্লিষ্ট ইন্টারনেট ব্যাংকের ডাটাবেজে এবং ইন্টারনেট ব্যাংক যে দেশের সে দেশের তরফ থেকে নিশ্চিত অডিট হয় নয়তো ইন্টারনেট ব্যাংক তো আর ব্যবসা করতে পারতো না। সেখানে যদি তারা বাংলাদেশের নাম পেয়ে থাকে সেগুলো হয়তো আন্তর্জাতিক ভাবে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতাছে যা রেমিটেন্স থেকেও বেশী মর্যাদা বয়ে আনতাছে। পর পর পাচবার বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ হবার পরে যেখানে সারা বিশ্ব বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো সেখানে সারা বিশ্বের হর্তা কর্তা দের টেবিলে ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর কাজগপত্র প্রদান বা প্রদর্শন করা নিশ্চয়ই কম সম্মানের বিয়ষ না। এইটা ও অনেক বড় সম্মানের বিষয়। দুর্নীতিগ্রস্থ সরকার আর চিটার বাটপারদের কারনে যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেটিমেন্স চুরি হয়ে যায় সেখানে ফরেন রেমিটেন্স সেকসানে এতো পরিমান ট্রানজেকশন নিশ্চয়ই কম সম্মানের বিয়ষ না। 

কি কি ধরনের ইন্টারনেট ব্যাংক আছে যা সচরাচর সব বাংলাদেশী রা ব্যবহার করে থাকে: 



বাংলাদেশে সবচেয়ে পপুলার ইন্টারনেট ব্যাংক এর নাম পাইওনিয়ার। আর সারা বিশ্বে সবচেয়ে পপুলার ইন্টারনেট ব্যাংকের নাম পেপাল। বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং জগতে এমন কেউ নাই যে পাইওনিয়ারের নাম জানে না। আবার এমন কোন ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার নাই যে পেপালের নাম জানে না। বিশ্বের সকল দেশের পেপালের ডোমেইন সেকসানে বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের নাম আছে। দুই দেশীয় বাংলাদেশীরা সারা বিশ্বে বিভিন্ন দেশের নাগরিক। সেখানে পেপালের ভেরিফায়েড একাউন্ট আছে অনেকের। ধরেন একজন মানুষ আছে: যে ইটালরি নাগরিক। ইটালীর নাগরিক হবার কারনে ইটালীর নাগরিকত্ব সুবিধার কারনে সে ইটালীর নামে পেপালের ভেরিফায়েড একাউন্ট এর মালিক। তাকে ইটালীয় ব্যাংকে পেপাল ডলার ক্যাশ করার সুযোগ দেয়। সেই ইটালীয় নাগরিকের পেপাল একাউন্টে যখন পেপাল ডলার জমা হয় তখন সেটাকে সে তার ব্যাংকে যদি উইথড্র দেয় তাহলে ইটালীয়ান সরকার তাকে সেটা ক্যাশ করে দেয়। তখন সেই ক্যাশ কৃত অর্থ সে খরচও করতে পারে বা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানিগ্রামের মাধ্যমে সারা বিশ্বে সেন্ড ও করতে পারে বা ডলার থাকা অবস্থায় সারা বিশ্বে র যে কোন পেপাল একাউন্টে সেন্ড ও করতে পারে বা যে সকল জায়গায় পেপাল লোগো দেয়া আছে সে সকল খানে ব্যবহার ও করতে পারে বা পেপাল যে মাষ্টারকার্ড দেয় তা দিয়ে সে কেনাকাটা করতে পারে বা গ্যাস পানি বিদ্যুৎ বিল দিতে পারে বা এটিএম থেকে ক্যাশ  উইথড্র করতে পারে। এখন যে বাংলাদেশী ইটালীয়ান নাগরিক আর যদি সেখানে তার পেপাল সুবিধা চালু করে রাখে, আর আপনি যদি সেটা ব্যবহার করে থাকেন যে কোন খান থেকে ডলার আনেন আর  বর্নিত সুবিধা অনুযায়ী সেগুলো খরচ করে ফেলেন তাহলে কি আপনার ডলার অবৈধ হয়ে গেলো নাকি বেধই থেকে গেলো। আপনি তো ইটালীয়ান নাগরিক। আপনার নিজের যোগ্যতায় আপনি ইটালীর নাগরিকত্ব পাইছেন। ইটালীয়ান সরকার আপনাকে ভেরিফায়েড পেপাল সুবিধা প্রদান করে থাকে। সেই সুবিধা আপনি ব্যবহার করে থাকেন তারপরেও কি আপনি তাকে কোন সেন্সে অবৈধ বলবেন? না এইটা কক্ষনোই অবৈধ না। 




পেপাল আন্তর্জাতিক অংগনে অনেক ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে। কোন দেশে যদি পেপাল চালু করা হয় তাহলে পেপাল সেখানে এক্সপেরিমেন্টাল অনেক কিছু করে থাকে। বাংলাদেশে বসে থেকে বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়ে যদি পেপাল একাউন্ট তৈরী করে ডলার রিসিভ করে এবং সেটা লেনাদেনাও করে আর  এ ক্ষেত্রে যদি সে দুই নম্বার ইনফরমেশ ব্যবহার করে থাকে তাতেও কোন সমস্যা হবে না কারন ডলার টা সে রিসিভ করেছে এবং ডলারটা সে সেন্ড করেছে। বা ডলারটাকে সে কারো কাছে সেল করেছে। আর এইটা পেপাল ইনকরপোরেশন জানে। যদি পেপাল বাধা দিতো তাহলে ব্যাপারটাকে অবৈধ বলা যাইতো।

যেহেতু পেপাল বাংলাদেশে ওপেন হয় আর সেখানে যে কোন পেপাল এমাউন্ট লেনাদেনা করা যায় সেহেতু এইটাকে বাংলাদেশে বৈধ বলা হবে। কারন বাংলাদেশে এতো পরিামন দুই নম্বর গিরি হয় যে - যা ইন্টারনেটে একটা ওয়েবসাইটে বা ওয়েবসাইটরে পেমেন্ট  সেকসানে আটকে থাকার বিয়ষ না। ইনকরপোরেশনের ওয়েবসাইটে কে কতো ডলার লেনাদেনা করতাছে তা যদি পেপাল বন্ধ করে দিতো - তাহলে সেটাকে দুই নম্বরি বলা যাইতো। আমেরিকান সুপ্রীম কোর্টের এক আইনজীবি আমার ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং এর ক্লায়েন্ট ছিলো। উনাকে যখন বলেছি বাংলাদেশে পেপাল ওপেন হয় এবং এইখানে যদি কোন দুই নম্বর বা ফেক ইনফরমেশন ব্যবহার করে কেউ একাউন্ট ওপেন করে আর লেণাদেনা করে সেটা কি বৈধ হবে বা বাংলাদেশের কোন সমস্যা হবে। পেপাল বিশ্বের  ১৯০ দেশে ব্যবসা করে থাকে। কায়রো গনজাগরনের পর থেকে বাংলাদেশে পেপাল ওপেন এবং ডলার লেনাদেনা করা যায় আর সারা বিশ্বে যারা বাংলাদেশী বহির্দেশীয় নাগরিক তাদের প্রত্যেকেরই বৈধ ভেরিফায়েড পেপাল একাউন্ট আছে । তো উনি জিজ্ঞাসা করলেন যে তোমারা কি পেপাল দিয়ে কেনাকাটা করতে পারো? আমি বলেছি হ্যা পারা যায়। রাউটিং হয় এইখানে। তো বলতাছে যে ঠিক আছে তাহলে তোমরা ব্যবহার করতে পারবা। এইটা কোন সমস্যা না কারন পেপাল বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং হইতাছে সেন্ড এন্ড রিসিভ মানি বাই ইউজিং এন ইমেইল (Send and Receive money by using an email) এর মেথড। তোমার যদি ইমেইল এড্রস থাকে আর তা দিয়ে যদি তুমি পেপাল একাউন্ট ওপেন করে ডলার রিসিভ করতে পারো এবং সেন্ড করতে পারো এবং রাউটিং ও করতে পারো তবে তোমার দেশে এইটা চালু আছে- তোমাদের অন্য কোথাও গ্যানজাম আছে। তুমি এইটা ব্যবহার করতে পারো এবং সেই ক্লায়েন্ট নিজেও হাজার হাজার পেপার ডলার লেনাদেনা করেছে  যেখানে তার একাউন্টে কোন সমস্যা হয় নাই। যারা ডলার সেন্ড করে থাকে তাদের একাউন্টে কোন সমস্যা হয় নাই। যারা ডলার রিসিভ করেছে তাদের একাউন্টে কোন সমস্যা হয় নাই। ডলার রিসিভ করে সেন্ড করেছে বা লোকালি সেল দিয়েছে বা পেমেন্টবিডি র মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্টানে সেল করেছে সেখানে কোন  সমস্যা হয় নাই সেখানে আপনি (আমি একটা স্পেপিসিক প্রজন্ম কে বলতাছি) বাংলাদেশে বসে থেকে বলতাছেন পেপাল বাংলাদেশে বৈধ নাই- আপনার তো বলা উচিত যে আপনার সামর্থ্য নাই। অথচ সম্প্রতি বাংলাদেশের ব্যাংক এশিয়া ও পেপাল রেমিটেন্স গ্রহন করতাছে। বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়েরা তো উন্নত দেশের বায়ার/ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে পেপাল রিসিভ করতাছে- বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে পেপালের কানেকশন না থাকার কারন বাংলাদেশ সরকার সেটা থেকে রেমিটেন্স বঞ্চিত হইতাছে (যদি বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশের ব্যাংকের সাথে পেপাল চালু থাকতো আর সেখানে বাংলাদেশী ছেলে বা মেয়েরা বাংলাদেশ ব্যাংক কে এভয়েড করতো তাহলে সেটা বাংলাদেশ সরকারকে রেমিটেন্স ফাকি দেয়া  বলা হতো।  পেপাল বাংলাদেশ ব্যাংককে এলাও ই করতাছে না সেখানে আপনি যদি বলে বসেন পেপাল ডলার লেনাদেনা করার ব্যাপারে  ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স ফাকি দিতাছে কথাটা যৌক্তিক হলো না কোনভাবেই- একধরনের খুরির আলাপ হইলো।)  কিন্তু পেপাল যে দেশের  সে দেশের সরকার তো রেমিটেন্স বা রেভিনিউ পাইতাছে।  পেপাল এর ডলার সেন্ড এবং রিসিভ সিষ্টেমে চলে -এইখানে শুধু সংখ্যা লেনাদেনা হয় ইন্টারনেটের ইমেইল ব্যাংকিং সিষ্টেমে। একসময় সারা দেশ থেকে হুন্ডি হয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আপনি ভারত বা পা.. কিস্তানে বা অন্য কোন দেশে পাচার করেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে হরিলুট করেছেন আর নগদ টাকার ঘাটতি তৈরী করেছেন- সারা দেশের মানুষের জনজীবনে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি তৈরী করেছেন- মানুষকে হিমশিম এ ফালাইছেন, ৭২/৭৩/৭৪ (প্রমান শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন) মতো দুর্ভিক্ষ তৈরী করেছেন বা প্রতিনিয়ত করে যাইতাছেণ, বাংলার মানুষ না খেয়ে রাস্তাতেও  ঘুমায়। অভাব অনোযোগের দুনিয়াতে যে যা পারে তা করতাছে- ইন্টারনেটে সংখ্যা পদ্বতির মাধ্যমে উপার্জন করে চলতাছে আর বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকগুলো সেটা ক্যাশ করে দিতাছে, মানুষকে বাচানেরা চেষ্টা করতাছে- সেখানেও এক শ্রেনীর মানুষজন ইন্টারনেটে বৈধভাবে লেনাদেনাকৃত ডলারের পেছনে লেগেছে। শালা শুয়োরের জাত- আগে তো তাও নগদ টাকা পয়সা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতো- এখণ নগদ টাকা পয়সা না পাইয়া সংখ্যা লইয়া দৌড়াদৌড়ি করতাছে (দেশের কুচক্রী মহল কে শুয়োরের বাচ্চা বলতাছি)। তোরা কি খেয়াল করে দেখছস নগদ টাকা বাদ দিয়ে তোর এখন ব্যাংকে আইসা জমাকৃত সংখ্যার পেছনে দৌড়াইতাছস। তোদের হালত ঠিক আছে তো। এখন যদি বাংলাদেশ থেকে চুরি হওয়া বা পাচার হওয়া সমস্ত অর্থ ফেরত আসে তখন কি তোরা আবার ফেরতকৃত অর্থের পেছনে দৌড়াদৌড়ি শুরু করবি। টাকা কি আসলেই তোদের দরকার নাকি এইখানে অন্য কোন ব্যাপার স্যাপার আছে- দিন রাত ২৪ ঘন্টা টাকা পয়সার প্রেশার কিভাবে যে বাংগালী নেয় তা এক খোদা মাবুদই জানে। তাও ভালো দেশটা সোমালিয়া হয়ে যায় নাই- সোমালিয়ার মুরভুমিতে তো মানুষ না খাইয়া মইরা কংকাল হইয়া পড়ে থাকে। বিশ্বে এমনও দেশ আছে? শালারা টাকার জন্য ও দৌড়ায় আবার সংখ্যার জন্য ও দৌড়ায়। আদৌ জানে কিনা সন্দেহ- বিডিটি মানে কি? 


যে পেপাল ডলার টা সেন্ড করতাছে তারা তো ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বৈধ নাগরিক। তাদের উপার্জন করা ডলারটা তো বৈধ। আর তারা নিশ্চয়ই তাদের দেশে সকল ভ্যাট, ট্যাক্স দিয়ে থাকে।  আর বাংলাদেশে  ফ্রি ল্যান্সার রা সে ডলার রিসিভ করতাছে যে কোন ধরনের একাউন্টে - নামে, বেনামে তৈরী করা একাউন্ট থেকে - আবার সেটা আপনি সেন্ড করেছেন বা সেল করেছেন এবং আপনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে বা যে কোন দেশের ব্যাংক থেকে তুলে খেয়েও ফেলেছেন এবং কোন দেশের সরকারই আপনাকে আটকায় নাই- সেটাকে আপনি যদি অবৈধ বলে থাকেন তাহলে আমাকে বলতে হবে যে- আপনার নিজের বাংলাদেশে বসবাস করার যোগ্যতা আছে কিনা : যেমন: নিম্নোক্ত ডকুমেন্টের কোনটা আপনার কাছে কিনা- 

  1. বৈধ জাতীয়পরিচয়পত্র
  2. ভোটার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার 
  3. ব্যাংক একাউন্টস 
  4. কোন জমি জমার দলিল 
  5. সরকারের ভ্যাট ট্যাক্স নাম্বার বা আপনি
  6. বাংলাদেশে কোন মেয়ের ভালোবাসার মানুষ।
কোন কিছু - এনিথিং। আগে নিজের বৈধতা যাচাই করেন তারপরে আপনি পেপালের পক্ষে বা বিপক্ষে বলবেন। এ ব্যাপারে বলার যোগ্যতা রাখে শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং । কারন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ বা কানেকশন নাই পেপাল ইনকরপোরেশনের। ধারনা করা হইতাছে শুধূমাত্র বাংলাদেশী ভেরিফায়েড ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং  ওয়ার্কার দের জন্য শুধূ পেপাল ফর ফ্রি ল্যান্সার ফ্যাসিলিটজ ওপেন হতে পারে। ইন্টারেনেট ব্যাংক বা ইমেইল ব্যাংকিং এর মূল হলো আপনার নামে একটা ইমেইল একাউন্ট। আর সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয় এইখানে লেনাদেনার জন্য। তবে বাংলাদেশের পার হেড আইপ না থাকার কারনে একটা বড় সড় লস রয়ে যাবে কারন বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়েরা যতো পেপাল ডলার লেনাদেনা করেছে তার সাথে বাংলাদেশে র আইপি রেকর্ড আছে কিন্তু পার হেড আইপি (আগে ছিলো পার হেড আইপি - কোন এক অজানা কারনে ২০১১ সালের পর থেকে ম্যাক্সিমাম ডিভাইসে তে ইন্টারনেট কানেকশনের ক্ষেত্রে পার হেড আইপ পাইতাছি না এখণ আর- হ্যাকারদের সুবিধা হয় কিনা খোদাই জানে। হ্যাকারদের বিরুদ্বে বাংলাদেশ দন্ডবিধির আইন আছে- মিনিমাম ৭ বছর জেল হতে পারে যে কোন হ্যাকারের এবং তা সশ্রম) না থাকার কারনে টোটাল ডলার টা হয়তো পার কান্ট্রি আইপি হিসাবে লিষ্টিং হবে। আর যদি আপনার কাছে অবৈধ মনে হয় তাহলে পেপাল ডট কমের ওয়েবসাইট বাংলাদেশ থেকে বন্ধ করে দিয়েন। যেহেতু পেপাল ডট কমের ওয়েবসাইট বাংলাদেশে চালু হয় সেহেতু এইটা বৈধ। যেমন : বিটকয়েনের সকল ওয়েবসাইট বাংলাদেশ থেকে চালু হয় এবং সারা  দেশের সবাই পারস্পরিক লেনাদেনা করে থাকে।[বাংলাদেশ ব্যাংক প্রজ্ঞাপন করে বিটকয়েনের লেনাদেনা বন্ধ রেখেছে কিন্তু তারপরেও ট্রান্সফারওয়াইজ বা বিকাশের মাধ্যমে বিটকয়েনের ডলার কে লেনাদেনা করতাছে[ফেসবুকে অনেক খানে পোষ্টিং দেখি বিটকয়েনের ডলার কে বিকাশে নেয়া] বুঝলাম না। আমার এখনো এ বিটকয়েনের কোন ডলার লেনাদেনা করার অভিজ্ঞতা নাই ব্লকচেইনের বা   বিটকয়েনের ওয়ালেটে]








কিন্তু বিটকয়েনের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন সম্পর্ক নাই। মানে আপনি বিটকয়েণ এবং পেপাল বাংলাদেশের ব্যাংকের সাথে বা বাংলাদেশের কোন প্রাইভেট ব্যাংকের (পেপালের ক্ষেত্রে  ব্যাংক এশিয়া ছাড়া) সাথে উইথড্র করতে পারবেন না। কিন্তু যেহেতু ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় সেহেতু আপনি এইটা ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন: পর্নো ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় না- সো এইটা অবৈধ। বাংলাদেশের এপিআই হ্যাক বা না থাকার কারনে শুনেছিলাম(?) যে বাংলাদেশে বিশ্বের অনেক সুবিধা ওপেন হয় না। এপিআই একটা জাভা স্ক্রিপ্ট টোকেন যা বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড কানেকশনের মেইন সার্ভারে রান করাতে হয়- জাভা স্ক্রিপ্ট কোড। সেটা রান করালেই এই সকল ফ্যাসিলিটজ বাংলাদেশে ওপেন হবে। হয়তো নিরক্ষর কিংবা দালাল রাজাকারের জ্ঞাতি গোষ্টী বাংলাদেশে জড়িত থাকার কারনে হয়তো বাংলাদেশের  এপিআই রান না করে আরেক দেশকে বা শত্ররু দেশকে আগে রাখার চেষ্টা করতাছে জোড় করে-  বাংলাদেশের এপিআই কথাটা শোনা কথা- হাছা মিছা জানি না। বাংলাদেশের সরকারে যে পরিমান দুর্নীতি তাতে এরকম কিছু হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। যতোটুকু জানি কোন দেশের জন্য ইন্টারনেট বরাদ্দ হলে সেখানে একটা এপিআই সুবিধা থাকবে। সেই এপিআই যদি কেউ ইচ্ছা করে  কোডাকারে রান না করে তাহলে সেটা ফাসির যোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হবে বলে মনে করি কারন এইটা রাষ্ট্রীয় সেনসিটিভ ইস্যু। 

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং জগতে কাজ করার পরে যদি কোন ক্লায়েন্ট বা যদি কোন ক্লায়েন্ট আপনাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট এর বাহিরে পেমেন্ট করতে চায় সেটাকে পারসোনাল ক্লায়েন্ট বলে। এই পারসোনাল ক্লায়েন্ট যে কোন ভাবে আসতে পারে। মার্কেটপ্লেস থেকে বের হয়ে আসতে পারে আপনার কাছে বা সোশাল মিডিয়া থেকেও আসতে পারে বা  সার্ভিস এসইও করার কারনেও আসতে পারে বা এপিআই প্যানেলে  নিজের ওয়ার্ক প্রমোট করার কারনেও আসতে পারে। এই সময় ক্লাযেন্টরা আপনাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে পেমেন্ট না করে যদি ব্যক্তিগতভাবে যে কোন ইন্টারনেট ব্যাংক ব্যবহার করে পেমেন্ট করে থাকে তাহলে সেটাকে পারসোনাল ক্লায়েন্ট পেমেন্ট বলে থাকে। ক্লায়েন্ট যে মেথডে আপনাকে কাজের ব্যাপার কনফার্ম করবে সেটাকেই আপনি মাধ্যম বলতে পারবেন- তবে পারসোনাল ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রে কেউ যদি আপনার সাথে চিট করে তাহলে সেটার লায়াবিলিটস আপনাকেই নিতে হবে।শুধূমাত্র ইউরোপ এবং আমেরিকান অনারবেল পারসোনালদেরকে আমি পারসোনাল ক্লায়েন্ট সেকসানে রাখি আমার ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেসের জগতে।  পারসোনাল ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার ব্যাপারে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কে আপনাকে পেমেন্ট করতাছে বা কাজ দিছে তা আপনি বুঝতে পারবেন, বলতে পাারবেন বা জানতে পারবেন। যে কেউ আপনাকে জিজ্ঞাসা করে যে আপনি কার সাথে ইন্টারনেটে কাজ করতাছেন তাহলে আপনি রেফারেন্স দিতে পারবেন। ১১ কোটি ভ্যালিড ভোটারদের বাংলাদেশে তথ্য বা প্রমানের কোন বিকল্প নাই। কারন ফ্রি ল্যান্সারদের (ইন্টারনেটে চোখে পড়া) এক হিসাবে দেখা গেছে আমার মাত্র ১৫ লক্ষ ছেলে বা মেয়ে সরাসরি ডলার উপার্জন করার চেস্টা করতাছি বা করে থাকি বা এখন পর্যন্ত করে থেকেছি। 

বর্তমান মার্কেটপ্লেস গুলোতে আপনি যখন কাজ করতাছেন- যে সকল মার্কেটপ্লেসের সাথে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট ট্রানজেকশণ সুবিধা ব্যবহার করে থাকে তাদেরকে বলতাছি- তাদের মার্কেটপ্লেসগুলোতে ম্যাক্সিমাম ক্লায়েন্টদের ছবি (ছবি , ডিটেইলস ইনফরমেশন থাকা টা ১০০% জরুরী কারন তারা একটা দেশের রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ফ্যাসিলিটজ ব্যবহার করে যেখানে সারা দেশের ১১ কোটি মানুষের হক জড়িত। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের নাগরিক এরকম যে কেউ বাংলাদেশের যে কোন ফ্রি ল্যান্সারকে কে ভেরিফাই (জিজ্ঞাসাবাদ) করতে পারে বিশেষ করে যারা রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ফ্যাসিলিটজ সরাসরি সুইফটের মাধ্যমে ব্যব্হার করে থাকে। আমরা থার্ড পার্টি পাইওনিয়ার ব্যবহার করে থাকি। ২০১১ সালের আগে যখন মার্কেটপ্লেস গুলো অনেক ভালো ছিরো তখন ক্লাযেন্টের অনেক ডিটেইলস পাওয়া যাইতো ফলে সে সময়কার ট্রানজেকশণ গুলো ওকে আছে কারন তখন বাংলাদেশীদের কোন ব্যাড রেপুটেশণ ছিলো না্ যেমন- ওডেস্ক বা ইল্যান্স। বিশ্বের ১ নম্বর মার্কেটপ্লেস। ওডেস্কের সাথে লেনাদেনাতে বাংলাদেশ সরকার কোন ঝামেলাতে পড়ে নাই কখনোই বলে শূনেছি বা দেখেছি তথ্য। সমস্যা শুরু হয়েছে যখণ মার্কেটপ্লেসগুলোতে পেমেন্ট দিয়ে কাজ করার মেথড শুরু হলো তখন থেকে- যখন বিড কিনে কাজ করতে হইতাছে। এই ধরনের কোন মেথড স্বয়ং আমেরিকাতেও আছে কিনা সন্দেহ। কাজ শিখেছি- ব্রেইন দিয়ে কাজ করবো বা সেল করবো সেখানে বিড কিনতে হবে কেনো আমাকে?) ফলে আপনি বুঝতে পারতাছেন না যে কার সাথে আপনি কাজ করতাছেন। আর পারসোনাল ক্লায়েন্টর সাথে ইন্টারনেটে কাজ করার কারনে আপনি জানতে পারতাছেন যে কে আপনাকে দিয়ে কাজ করাইতাছে, কে কোন খান থেকে আপনাকে কাজ দিতাছে , সে দেখতে কেমন , তার সোশাল মিডিয়া ইনফরমেশণ কি, তার পারসোনাল মোবাইল নাম্বার কি, সে কোথায় থাকে এই সকল। ফলে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় ফ্রি ল্যান্সার রা তাদের অবস্থান হারাইয়া ফেলতাছে। মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে যদিও বা ক্লায়েন্টের ১ টা ছবি দেয়া থাকে সেটা দিয়ে তো আর আপনি টোটাল প্রুফ করতে পারবেন না কারন এইটা গরীব বাংলাদেশের মানুষের সমাজ ব্যবস্থা। যে সকল মার্কেটপ্লেসের বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ নাই সে সকল মার্কেটপ্লেসের কথা এইখানে ভিন্ন। কারন পরিচিত মানুষজন আমাকে বার বারই আসক করে যে- যারা ফ্রিল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেসে কাজ করে তাদের ক্লায়েন্টরা কোন দেশের বা কোথা থেকে আসে- আমার উত্তর জানি না। তখন প্রত্যুত্তরে তারা বলে বা আসক করে তাহলে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সিষ্টেম ব্যবহার করতাছে কেমন করে - আমাদের উত্তর, আপনি বাংলাদেশ পুলিশ কে জিজ্ঞাসা করেন। আমার যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট ট্রানজকশন মেথড ব্যবহার করি না বা আমাদের ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার রা ও এলাও করে না- তারা আমরা এই ঝামেলা থেকে মুক্ত কারন আমাদের পেমেন্ট আসে পেপাল বা ইন্টারনেট ব্যাংকগুলোতে যেমন : পাইওনিয়ার বা পেল্যূশন। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো এই ইন্টারনেটের ব্যাংকগুলোর সাথে লিপিবদ্ব। এরা থার্ড পার্টি। 

যেমন: আমি এসইওক্লার্কে কাজ করে থাকি। এসইওক্লার্কের নিজস্ব ব্যাংকিং সল্যুশন আছে নাম : পেল্যুশন।  যারা এসইও ক্লার্কের ফ্রি ল্যান্সার তারা সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে কোন উইথড্র দিতে পারবে না কারন তাদের নিজস্ব ব্যাংক থাকার কারনে তাদেরকে উইথড্র দিতে হবে পেল্যুশনে- অথবা তৃতীয় পক্ষ পাইওনিয়ারে। আর পাইওনিয়ারের সাথে কনট্রাক্ট আছে বাংলাদেশের। সম্প্রতি পাইওনিয়ারের কার্ড মালিকানাও পরিবর্তন হয়ে চলে এসেছে আয়ারল্যান্ডে- এখন যদি আপনার কার্ডে ছয় মাসে কোন লেনাদেনা না থাকে তবে আপনার কার্ড টা ডিএকটিভেট হয়ে গেছে বা যাবে আর আপনার কার্ডের সাথে জড়িত ব্যাংক একাউন্টে আপনি নিয়মিত ডলার উইথড্র করতে পারবেন। এখণ আর আগের মতো মাষ্ট বি কার্ড সাথে থাকা লাগবে না। কার্ড একাউন্ট থাকলেই লেনাদেনা করা যাবে। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এসইওক্লাক থেকে পাইওনিয়ারে রেমিটেন্স উইথড্র করে থাকি আগে ওডেস্কে কাজ করতাম- ২০১১ পর্যন্ত। তখন বিড কিনে কাজ করতে হতো না যেটা এখন বাংলাদেশের ব্যবসা ছেড়ে চলে গেছে। তারপর থেকে কাজ করি এমন মার্কেটপ্লেসগুলোতে যেগুলোতে বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সরাসরি উইথড্র সিষ্টেম নাই এবং  আমি ২০১১ সাল থেকে একজন  ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করে চলতাছি এবং এখন এফিলিঢেট মার্কেটিং করে থাকি। 

ওডেস্ক বা ইল্যান্স মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেলেও তারা যে ক্যাশ/রেমিটেন্স ট্রানজেকশন করেছে বাংলাদেশের সাথে তার প্রমান আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডাটাবেজে। কারন রেমিটেন্স এমন একটা বিয়ষ যে আনে সেই সরকারের সম্মানিত নাগরিক। তাছাড়া যে ব্যাংক ওডেস্ক বা ইল্যান্সের পক্ষ হয়ে তাদের দেশ থেকে বাংলাদেশে রেমিটেন্স সেন্ড করেছে সেখানেও ডিটেইলস আছে তা ছাড়া খোজ করলে আইএমএফ বা বিশ্ব ব্যাংকের ডাটাবেজেও পাওয়া যাবে কারন তাদের অনুমতি ছাড়া তো আর ডলার বাংলাদেশে তখন এড হয় নাই। পারলে আমেরিকান ব্যাংকের ও তথ্য পাওয়া যাবে কারন ডলারের মালিক তো আমেরিকা। তাই কোন ডলার কখন কোথায় যাইতাছে তা আমেরিকা নিশ্চয়ই ভালো করেই জানে। আমেরিকা যে সারা বিশ্বে প্রধান ক্ষমতাবান তার প্রমান হইতাছে তাদের কারেন্সী ডলার যা ছাড়া বিশ্ব এক ধরনের অচল। ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস জগতে কাজ করার দরুন আমাদের অনেক সময় মনে হয় সারা বিশ্বই বুঝি আমেরিকা আর ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, নেভাদা, নিউইয়র্ক, টেক্সাস এবং অন্যান্য অংগ রাজ্যগুলো মিলে হইতাছে ইউনাইটেড ষ্টেটস অফ আমেরিকা। 

আপনি যদি ডোমেইন রিডাইরেক্ট করা মেথডে দেখেন তাহলে দেখবেন যে : অডেস্ক এবং ইল্যান্স বাংলাদেশে রিডাইরেক্ট হয়। ODesk.com or Elance.com  তাহলে কি অরিজিনালি এই দুইটা মার্কেটপ্লেস কোথাও না কোথাও টিকে আছে বা বিশ্বের অন্য কোন দেশে কি ওপেন হয়? অডেস্ক এবং ইল্যান্সে যতোদিন আমি কাজ করেছি ততোদিন আমার অলওয়েজ রেটিং ছিলো ৫ ষ্টার। একদিন সন্ধ্যায় ঢাকার থানা শাহবাগে (একসাথে ২০-২৫ হাজার লোকের আড্ডা জমতো : পরীবাগ, বাংলামোটর, বাটা সিগনাল, এলিফ্যান্ট রোড, কাটাবন নিউমার্কেট, পলাশীর গেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়, বুয়েট, হাই কোর্ট মাজার, টিএসসি, দোয়েল চত্বর. মৎস্য ভবন, হাই কোর্ট প্রাংগন এবং থানা শাহবাগের মূল গনজাগরন প্রজন্ম চত্বর এবং সেই সাথে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, লালন চত্বর, ছবির হাট  মিলে একটা সোশাল মিডিয়া গনজাগরন হতো প্রতিদিন যাকে গনজাগরনের সুতিকাগার বলা হয়।যেখানে আমি প্রথম এসইওক্লার্ক  দেখি আমার হাতের টাচ মোবাইলে (সিম্ফনী এফ টি ৪০) ২০১১ সালে। এক প্রকারের জোড় করে ডিএমপি- ঢাকা মেট্রাপলিটন পুলিশ আমাদের এই আড্ডাটা বন্ধ করে দেয় পুরোপুরি ২০১৩ সালের ৩১ শে জুলাই বলতে গেলে- যেদিন শাহবাগ গনজাগরন বন্ধ ঘোষণা (শাহবাগ গনজাগরন বন্ধ হয় নাই কারন শাহবাগ গনজাগরনরে সব স্লোগান সত্যিতে পরিনত হয়েছে এবং হবে - সেদিন পর্যন্ত।  জানি না খোদা এই পুলিশকে কি দিয়ে বানাইছে- মানুষে যে কখনো কারো ক্ষতি করতে পারে তা আমি ডিএমপি পুলিশের কাছ থেকে প্রথম শিখেছি। অথচ এই পুলিশ ২০০৩ সালে রাস্তাতে দাড়িয়ে খাকি রংয়ের পোশাক পড়ে হাত পাততো ট্রাফিক পুলিশের মতো (যখন তাদের বেতন ছিলো ৩০০০/৫০০০ টাকা যা আজকে শিুরুতেই ৫২০০০ টাকা)- বাড়িতে তাদের খাবার দাবারের মতো টাকাও থাকতো  না তৎকালীন সময়ে আর আমরা ছাত্রাবস্থায় পকেটে যা থাকতো তা দিয়ে সাহায্য করতাম। গনজাগরনের আড্ডা বন্ধ হবার পরে বুঝেছিলাম নীল পোশাকধারী আধুনিক পুলিশকে ২০০৩ সালে পোশাক পরিবর্তনের সাপোর্ট দেয়া বা আধুনিক করাটা ঠিক হয় নাই কারন তারা সরকারী কর্মজীবি হয়ে দেশপ্রেমিকদের আড্ডা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলো বা হয়তো দিছে বা তারা হয়তো শুধূই পোশাকধারী ছিলো*) আড্ডা দেবার সময় আমার অল মার্কেটপ্লেস একাউন্ট হ্যাক হয় - ওডেস্ক, ইল্যান্স, ইমেইল: masudbcl@gmail.com   এবং তার সাথে সম্পৃক্ত একটি ব্লগস্পট। অনেক কষ্টে  ৭ বছর পরে শুধূ ব্লগস্পট টা রিকভার করতে পারলাম এইটা যেটাতে আপনি এতোক্ষন লেখা পড়লেন। 

জানেন তো ব্লগার দের সব পোষ্ট আমেরিকান কপিারাইট আইনে সিক্ত। আপনি কোন পোষ্ট কপি করলে সেখানে ওয়েবসাইট এড্রস এবং সোর্স টা উল্লেখ করে দিবেন। 



Example of Generation Square : Shahbagh Projonmo Chattor, Dhaka.





*  বাংলাদেশ পুলিশের একটা নির্দেশ পালন করতে যাইয়া (সিটি কর্পোরেশন আইন- পুলিশ ভাড়াটিয়া আইন) এর কাগজের কপি চাওয়াতে এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ভেতরে  ভেরিফিকেশণ করতে চাওয়াতে ২০১৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বরের আগে একদল অস্থানীয় (যার বা যাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই এবং বাংলাদেশে তারা কখনো ভেরিফিকেশন পাবে না) বৈধ/দালাল/রাজাকার প্রজন্মের কাছে মার ধোরের ও স্বীকার হই। পরে ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ডেমরা থানার আওতাধীন পাড়া ডগাইর এলাকা থেকে ডেমরা থানা পুলিশের কাছে পুলিশ ভাাড়টিয়া আইনের ফরম ফিলাপ করে ডিবি পুলিশের কাছে ভেরিফিকেশণ কমপ্লিট করি- ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর ব্যাপার সহ আমার সকল তথ্যাদির প্রায় ৪ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে আমি যে ফ্ল্যাটে থাকতাম সেখানে) উনি মুখ দিয়ে বলে যে ভেরিফায়েড কিন্তু এখনো ময়মনিসংহ সিটি কর্পোরেশনে আমার স্থায়ী ঠিকানার এড্রসে ভেরিফিকেশন লেটার টা পাই না। এমনিতেই আমি এই এলাকার কোন চিঠি পাই না সাধারনত সব কিছু ওকে থাকার কারনে। আমার ময়মনসিংহের স্থায়ী ঠিকানা ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনে র ডেমরা খানাধীন পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনের কাছে নথিভুক্ত। ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনে র ডেমরা খানাধীন পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনের ভেরিফিকেশণ লেটার টা পাইলে স্বাধীনতা বিরোধী এক দেশ বিরোধী গ্রুরপটাক খুব যুতসই একটা জবাব দিতে পারতাম। সংশ্লিষ্ট ডিবি পুলিশ এসইওক্লার্ক/পা্ইওনিয়ার/পেমেন্টবিডি/পেপাল সব কিছু খুব খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে আমার ল্যাপটপের টেবিলের পাশে বসে অনেক সময় নিয়ে এবং খুবই খুশী হয় সবকিছু দেখে বুঝে এবং ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার হিসাবে আমাকে আশীর্বাদও করে। 

তো এর পর থেকে ঠিক করেছি শুধূ নিজের জন্যই করবো। দেশ নিয়ে আর ভাববো না। গনজাগরনের বাংলাদেশে (৭১,৯০,২০১৩) যারা জয় বাংলা বলতে পারে তাদেরকে নিয়েই ভাববো। জয় বাংলা বলতে কোন শক্তি লাগে না- জয় বাংলা বলতে যা লাগে তার নাম হইতাছে সাহস। কারন জয় বাংলা শব্দটা হ্রদয়ের ভেতর থেকে আসে আর উচ্চারিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশে আর স্বাক্ষী থেকে যায় আকাশ বাতাস প্রকৃতি যা কিনা মহান খোদার সৃষ্টি। মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক- আমি জয় বাংলা র লোক। জয় বাংলা কোন বৈধ বা অবৈধ রাজনৈতিক দলের একক স্লোগন না- এইটা বাংলায় কথা বলে এরকম সমস্ত দানুষের প্রানের স্লোগান। আমি মনে করি যে মাউথ স্পিকার ছাড়া খালি মুখে জয় বাংলা বলতে পারে না সে মানুষ না। ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আমরা নিজেদেরকে জয় বাংলার ফ্রি ল্যান্সার বেলি কারন আমরা খঅলি মুখে যে কোন সময় যে কোন খানে জয় বাংলা বলতে পারি। আপনি পারেন তো? 

Saturday, October 17, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে অর্ডার বলতে কি বোঝেন?


ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে অর্ডার বলতে নতুন কাজ পাওয়াকে বোঝানো হয়। আপনি যদি নতুন কাজ পান যে কোন সময়ে তাহলে সেটাকে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং  অর্ডার বলা হয়। এইটা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কারদের ভাষা। এখন আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার হোন আর প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কাজের অর্ডার পান আর আপনার সাথে যদি এমন কোন লোক বা শক্তি থাকে যাদের বিরুদ্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার জন্য প্রতিমূহুর্তে অর্ডার কার্যকর করার জন্য পুলিশের উপরে প্রেশার আছে- আর পুলিশ যদি সেই আসামীকে খুজে বেড়ায় ফাসির অর্ডার কার্যকর করার জন্য, আর সে যদি আপনার কাছ থেকে প্রতিমূহুর্তে অর্ডার অর্ডার শোনে- তাহলে কি অবস্থা হতে পারে? 




যদি এরকম কোন সিচুয়েশন হয় আর আপনি সেই ফাসির আসামীকে বার বার ই বলেন যে ভাই ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর জগতে অর্ডার বলতে নতুন কাজ নতুন ডলার বা নতুন পজিটিভ রিভিউ বা এরকম আরো অনেক কিছু বোঝানো হয় আর তারপরেও যদি সে বলে যে সে ফাসির আসামী তাহলে কি রকম হতে পারে? আসলে অর্ডার শব্দটা শুনলে বাংলাদেশে কেউ না কেউ ভয় পায় তাহলে বুঝতে হবে সে কোন না কোন মামলা/হত্যামামলা/চাদাবাজি মামলা/দেশবিরোধী কোন কার্যকলাপের সাথে জড়িত আছে বা যে কোন ধরনের বড় সড় মামলার আসামী যেখানে তার রায় কার্যকর করা হবে। অনেকটা মজা করে কথাটা বললাম। আমাদের ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর জগতে অর্ডার বলতে যে কাজ বোঝানো হয় সেটা আমি উপরের ছবি থেকে বুঝাইয়া দিলাম। আমার এই ৫৫০ অর্ডার লিষ্ট যদি আপনি পরীক্ষা করেন বা একটি এক্সল শীট বানান তাহলে আমি নিশ্চিত আপনার ৫-১০ দিন সময় লাগবে কারন বিষয়গুলো অনেক ভাষ্ট (অর্ডার নম্বর, টাইটেল, বায়ারের ইউজারনেম, বায়ারের দেশ, ডেট এবং টাইম, কতো ডলার, রিভিউ, রিকমেনডশন এগুলোকে এক সাথে লিপিবদ্ব করাকে ভাষ্ট বললাম।) লুকোচুরি করে মার্কেটপ্লেস থেকে  বাংলাদেশের ভেতরেই থেকে একজন আরেকজনকে কাজ দিলাম ব্যাপারটা সেরকম না- প্রত্যেকটা অর্ডার সারা বিশ্বের সকল ফ্রি ল্যান্সারদের সাথে বিড করে জিতে আনতে হয়েছে বা সারা বিশ্বের যে কোন দেশের বায়ারের কাছে অর্ডার সেল করতে হয়েছে) আমি বাংলাদেশী কোন বায়ারের সাথে কোন কাজ করি নাই আগে। রিসেন্টলি আমার ৫ ডলারের অফারের আওতায় আমি অনেক বাংলাদেশী ফ্রি ল্যান্সার দের কাছে সার্ভিস সেল করেছি ২০-২৫ টা এবং তাদেরকে ফ্রি বায়ার প্রোফাইল ও মেক করে দিয়েছি। কিন্তু এর আগে প্রত্যেকটা অর্ডার আমাকে অনেক সুচারুভাবে কমপ্লিট করতে হয়েছে এবং আবার একমাত্র টার্গেট ছিলো যে কাজ কম করি বা ডলার কম পাই তাতে আফসোস নাই কিন্তু আমাকে যেনো কেউ  খারাপ রিভিউ না দেয়। আমি আরো একটা  জিনিস খুব ভালো করে মেইনটেইন করেছি - আমি কখনোই কাউকেই আমার এসইওক্লার্ক প্রোফাইল লগইন করতে দেই নাই এবং কেউ কখনোই আমার প্রোফাইলে ঢুকে কোন কাজ করতে পারে নাই, আমি অন্য কাউকে দিয়ে কখনো আমার প্রোফাইলে কাজ করাই নাই এবং কাউকে দিয়েও আমার কোন কাজ সাবমিট করাই নাই। সব কাজের অফার আমি নিজে রিসিভ করেছি, সব কাজ আমি নিজে বিড করে জিতে এনেছি, সব কাজ আমি নিজে ডিল করেছি এবং সব কাজ আমি নিজে সাবমিশন করেছি । যদি কেউ কাজ নেবার জন্য খুব বেশী জোড়াজুড়ি করেছে (কয়েকজন ছিলো যাদের কে দিয়ে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে পারসোনাল ক্লায়েন্টের কাজ করাতাম - ফেসবুক ফ্রেন্ডস বা স্কাইপে ফ্রেন্ডস বেশীর ভাগ) তখণ তাকে বা তাদেরকে আমার টোটাল কাজের ১০০% বুঝিয়ে দিয়েছি এবং একদম ১০০% নিখুত ভাবে বায়ায়কে কাজ বুঝিয়ে দিয়েছি তবে এরকম কেস ১০-১৫ টা পুরো ৫৫০ টা অর্ডারের মধ্যে আর ১০০ ভাগ টাইমেই (যদি আমি অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে থাকি ইন কেস) তাহলে আমি আমার বায়ারকে নোট দিয়ে ইনফর্ম করেছি যে- আমি আমার পরিচিত কাউকে বা টিম মেম্বার কাউকে দিয়ে করিয়েছি। যারা আগে কাষ্টমার কেয়ারে ছিলো তাদেরকেও ইনফর্ম করেছি যে আমি আমার কাজ বাহিরের ২/৩ জনকে দিয়ে করাতে পারবো কিনা- বলেছে পারবো তবে প্রোফাইল এক্সস যেনো কাউকে না দেই। তাই পালন করেছি। আর বায়াররা ও বলেছে - একুরেটলি কাজ ডেলিভারি দেয়াটাই বড় ব্যাপার। তুমি নিজে করো বা যাকে দিয়ে করাও। একসাথে অনেক কাজের প্রেশার থাকলে ২/৩ টা কাজ বাহিরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছি- একদম এ টু জেড কাজ দেখিয়ে দিয়েছি এবং কাজ আদায় করে নিয়েছি এবং ৪০% এর মতো কাজের টোটাল পেমেন্ট ও দিয়েছি। আমার প্রোফাইলে আসা ২/৩ টা কাজ বা ম্যাক্সিমাম ১০/১৫ টা কাজ যদি কাউকে দিয়ে আমি করাই এবং আমি নিজেই ফুল কাজ দেখাইয়া দেই আবার আমি ও যদি তাকে ৪০-৫০% পেমেন্ট ও দেই। একজন ওয়ার্কার যদি জোড় করে একজন ফ্রি ল্যান্সারের কিছু কাজ করে দেয় তাতে  কি সেই ফ্রিল্যান্সারের প্রোফাইল আরেকজনের হয়ে যাবে? কখনোই না। যার যার প্রোফাইল তার তার। ফ্রি ল্যান্সারদের কাজ ই তো বিড করে কাজ জেতা আর ১০/১২ জনকে দিয়ে কাজ করানো। আমার এসইওক্লার্ক প্রোফাইল টা আমার সম্পদ। এইখানে অন্য কারো কোন ভাগ নাই বা শেয়ার ও নাই। আমার প্রত্যেকটা রিভিউ অনেক কেয়ারফুলি আদায় করতে হয়েছে। টোটাল ৫৫০ অর্ডারের মধ্যে ৫৩০-৫৩৫ টা কাজই আমার নিজের করা ১০০%। ৫৫০ এর মধ্যে পজিটিভ রিভিউ ও আছে ২৯৯ টা। শুকরিয়া। প্রোফাইল বলতে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার ওয়েবসাইট ইউজার নেম প্রোফাইল ওয়েবসাইট লিংক কে বোঝানো হয়। 







যতো ধরনের প্রফেশনাল স রা কাজ করতে পারবে এখানে। আমি ধারনা করি আনুমানিক ১৫ লক্ষ সেলার আছে এইখানে। আপনিও হয়ে যান একজন সাকসসেফুল সেলার। এক টাকা বা এক ডলারও খরচ লাগবে না। 




এখন আমি ম্যাক্সিমাম টাইম এফিলিয়েট মার্কেটিং করি। এসইওক্লার্ক রিলেটেড সার্ভিসকে প্রমোট করি সারা বিশ্বে। আপনি যদি চান তাহলে আপনি আমার রেফারেল ব্যানার থেকে জয়েন করতে পারেন। আপনার একাউন্টে ৫ ডলারের একটা কুপন  কোড এড করবেন যদি আপনি কোন এসইও সার্ভিস কিনতে চান এবং আপনি আমার প্রোফাইল ভিজিট করে যে কোন একটা ৫ ডলারের কাজের অর্ডার দিতে পারেন। আপনি প্রথমেই একজন নিশ্চিত ফ্রি বায়ার হিসাবে কাজ শুরু করতে পারবেন। SEOClerks তবে এই অফার শুধু মাত্র তাদের জন্য যারা সারা জীবন ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজ করবে কারন ওয়েবসাইট বা মার্কেটপ্লেস এ যেনো সে বায়ার হয়ে উঠে- আর ভবিষ্যতে আপনি আপনার নিজের প্রয়োজনে বা দেশ বা দশের প্রয়োজনে যতো পরিমান এসইও সার্ভিস কিনবেন সেখান থেকে আমি ১০% বেনিফিট পাবো। জানেন তো এইওক্লার্ক  পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এসইওষ্টোর।   আপনার কোন লস হবে না কারন এসইওক্লার্ক ২০% সারচার্জ কাটে প্রত্যেকটা অর্ডার থেকে। 

সম্পূর্ন ফ্রি বাংলা টিউটোরিয়াল। এইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেস। ১ টাকাও লাগবে না ১ ডলারও খরচ করতে হয় না এইখানে রেজিষ্ট্রেশন করতে। বিড করতে কোন টাকা বা ডলার লাগে না। একবার রেজিষ্ট্রেশন করে ৮টি মার্কেটপ্লেসের সদস্য হতে পারবেন। নামে এসইওক্লার্ক হলেও আপনি যে কোন প্রফেশন নিয়ে কাজ করতে পারবেন। 





White Hat SEO- Off Page Optimization- Internet using policy. ইন্টারনেটে হ্যাক না হওয়া।



ইন্টারনেটে হ্যাক এড়ানোর জন্য দুটি নিয়ম ফলো করতে হয়। 

  • আপনার ইমেইলে আসা অযাচিত মেইলের আননেওেন লিংকে ক্লিক করবেন না।
  • আপনার সোশাল মিডিয়া মেসেন্জারে আসা কোন লিংকে ক্লিক করবেন না।
আপনি ভালো সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারেন। আপনার অনকে দক্ষতা আছে কিন্তু হঠাৎ করেই আপনার একাউন্ট টা হ্যাক হয়ে গেলো। এর কারন হইতাছে আপনি কোথাও না কোথাও হ্যাকারকে কোন স্কোপ দিছেন। যেমন: আপনি হয়তো হ্যাকারের পাঠানো কোনো ইমেইল ওপেন করেছেন বা আপনি হয়তো অপরিচিত কোন লিংকে ক্লিক করেছেন। এখন আসেন জাইনা নেই লিংক কিভাবে গঠিত হয়: 

একটা  লিংকের ৩ টা অংশ থাকবে অতি অবশ্যই। http protocol + Keyword+ Domain Extension.
http protocol এ আপনি অনেক ভাবে প্রকাশ করতে পারবেন। এইটা আপনি ডোমেইন কেনার সময়ে যে প্রটোকল পছন্দ করবেন সেটার উপরে ডিপেন্ডস করবে। যেমন: 

http://
https://
http://www.
https://www.

এই ৪টা ফরম্যাটের যে কোন একটা যদি থাকে তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে ডোমেইন টা বেসিক নিারপদ ভিজিট করার জন্য। তারপরে আরো কিছু সাবধানতা আছে।  

Keyword: বলতে ডোমেইনের মাঝখানের অংশটুকু কে বোঝানো হয়। যেমন নীচের ডোমেইন গুলোতে শুধু masudbcl নামটা খেয়াল করে দেখবেন :


http: Hyper Text Transfer Protocol একটা ডোমেইনে যদি প্রটোকল না থাকে তাহলে সেই ডোমেইনটা কখনোই আপনার জন্য সেভ হবে না।  https:// সেই প্রটোকলকে মেইনটেইন করে থাকে। তাই কোন ডোমেইনে যদি আপনি এই https:// না পান তাহলে সেই ডোমেইন এর লিংকটাতে ক্লিক করা থেকে আপনি বিরত থাকবেন- মানে আপনি সরাসরি সেটাতে ক্লিক করবেন না। তাহলেই হ্যাকার রা আপনার ডিভাইস কে আর এক্সস করতে পারবে না। এই সব ক্ষেত্রে ডোমেইন টা আপনাকে সরাসরি ব্রাউজারে টাইপ করতে হবে। যেমন: ধরেন আমার ডোমেইনে https:// দেয়া আছে কিন্তু সেটা দেখাবে না কারন ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল থেকে আমি সে ডিজাইন টা চয়েজ করে রেখেছি। আমার ডোমেইনের নাম: 
masudbcl.com   এইটাকে আপনার ব্রাউজারে যাইয়া লিখতে হবে কারন এইখানে প্রথমে https:// দেখাবে না। কিন্তু আপনি যখন ব্রাউজারে লিখবেন তখন আপনাকে  লিখতে হবে ফুল ডোমেইন: https://www.masudbcl.com/ ।


এইভাবে আপনি যখন কোন ডোমেইন কে লিখবেন তাহলে আপনি সাধারনত কোনো বিপদে পড়বেন না।  আবার আপনি যদি শুধু masudbcl.com  লেখার পরেও https:// ফর‌্যমাট শো করেন আপনার ব্রাউজারে তাহলে ও আপনি সেফ থাকবেন অনেকটা । সো কেউ যদি আপনাকে যে কোন সোশাল মিডিয়া তে কোন লিংক বা ওয়েবসাইট বা সাইট লিংক প্রদান করে থাকে তাহলে আপনি প্রথমেই ভয় পাবার কোন কারন নাই। আপনাকে লিংক দেবার পরে আপনি প্রথমে যে কাজটা করবেন তা হচ্ছে লিংকটার ব্যাপারে সোশাল মিডিয়া মেসেন্জার আপনাকে কোন ম্যাসেজ দিতাছে কিনা? সোশাল মিডিয়া ওয়েবসাইট গুলো তাদের ইউজার দেরকে সবসময় ই একটা এক্সট্রা সিকিউরিটি দেবে। তারা তাদের সর্বোত্তম ইন্টারনেট সিকিউরিটি সিষ্টেম এপ্লাই করবে যেনো তাদের কোন ইউজার প্রোফাইল হ্যাক না হয়। যদি হ্যাক হয় তাহলে তাদের যে নিজস্ব এডভার্টাইজিং ব্যবসা সেটা একটা লসের খাতাতে পড়ে যাবে। সেজন্য সে আপনাকে সবসময় হাই সিকিউরিটি প্রদান করবে এবং আপনাকে সতর্ক করবে যে আপনি কোন লিংক ওপেন করবেন আর কোন লিংক ওপেন করবেন না। লিংকের ৩টা অংশের শেষ অপশন হইতাছে এক্সটেনশন যা দ্বারা আপনি বুঝতে পারবেন বেসিক্যালি ওয়েবসাইট টা কি ধরনের? যারা ওয়েবসাইটের মারিখ তাার সাধারনত ওয়েবসাইটরে কি ওয়ার্ড এবং ডোমেইন পছন্দ করার ব্যাপারে চুজি হয়। আগে দেখে নেই ডে কি কি ধরনের এক্সটেনশন হয় বা হয়ে থাকে: 

  • .com- commercial
  • .edu- education
  • .org- organization
  • .net- network 
  • .gov- Government
এছাড়াও আরো অনেক ধরনের ডোমেইন এক্সটেনশন আছে। এইখানে - commercial মানে ব্যবসা, education মানে ব্যবসা, organization মানে প্রতিষ্টান, network  মানে নেটওয়ার্কিং জাতীয় ব্যবসা, Government মানে সরকার। 






এইখানে যতোগুলো ডোমেইন এক্সটেনশন আছে প্রায় ৪৫০ ধরনের - সবগুলোই আপনি আনপরা ব্রাউজারে টাইপ করেত পারবেন। কারন এইগুলো প্রকাত কোম্পানীর ডোমেইন এক্সটেনশনথ তবে আপনি সতর্ক থাকার জন্য সবসশয় এমন একটা ব্রাউজার ব্যভহার করবেন যেটাতে আপনি রেগুলার আপনার নিজস্ব পারসোনাল ওয়েভসাইট গুলো ওপেন করেন না। ধরেন আপনার মোবাইলে ২ টা ব্রাউজার আছে। ১টা গগুল ক্রোম ২) আরেকটা অপেরা মিনি। একণ আপনি আপনার নিজের কাজের জন্য সবসময় গুগল ক্রোম ব্যবহার করেন। তাহলে আপনি আউটসাইডের যতো ওয়েভসাইট দেখবেন সেগুলোর জন্য অপেরা মিনি ব্যবহার করবেন। যখন আপনি একটা ওয়েবসাইট কে পরিপূর্ন ভাবে বিশ্বাস করবেন তখন ই সেটাকে আপনি আপনার পারসোনাল ব্রাউজারে জায়গা দিবেন। 

সোশাল মিডিয়া মেসেন্জারে যখনি আপনি কোন নতুন ওয়েবসাইট পাবেন তখন ই আপনি সেটাকে সরাসরি ক্লিক করবেন না। এটা ওয়েবসাইটের ভেতরে যদি হ্যাকারদের সেটআপ করা কোন প্রোগা্রাম থাকে তাহলেিআপনি সেই ওয়েবসাইট সরাসরি ক্লিক করার সাথে সাথে ব্রআুজার হিষ্টোরি বা কুকজি সেটআপে আপানকে আক্রমন করতে পারে। আপনি যখন ইন্টারনেটে ব্রাইজ করেন তখন আপনার ওয়েবসাইট অনকে ধরনের কুকিজ তৈরী করে থাকে যাকে ইন্টারনেটে হ্যাকারদের খাবার বলা হয়। আপনি কখন কোন টাইমে কি ওয়েভসাইট ভিজিট করলেন, কি ডিভাইস বা কি কি ব্রাউজার বা এ ধরনের আরো কিছু ইনফরমেশন থাকে সেগুলো সরাসরি আপনার ব্রাউজারে জমে থাকা কুকিজ থেকে কালেক্ট করে নিতে পারে যেগুলো এনালাইসিস করে হ্যাকাররা আপনার একাউন্ট কে হ্যাক করার চেষ্টা করতে পারে। তবে এইখানে সবচেয়ে বড় বিষয় হ্যাকাররা তখনই হ্যাক করতে পারবেন না যখণ আপনি মনে রাখবেন - দেয়ালেরও কান আছে। আর বর্তমান দিনে আপনি যদি সকল ধরনের সিকিউরিটি সিষ্টেম কে ফলো করেন তাহলে আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেও আপনার মোবাইল নাম্বার বা ডিভাইস ভেরিফিকেশন কোড ছাড়া কেউ আপনার কোন ধরনের সোশাল মিডিয়া একাউন্ট হ্যাক করতে পারবে না। পাসওয়ার্ড তেরী করার সময়ে আপনি কয়েকটা নিয়ম মনে রাখবেন : আপনার পাসওয়ার্ড টা যেনো ১৬ ক্যারেক্টারের ভেতরে হয় বা ণীচে হইলে যেনো তা ৮ এ হয়। কারন বিট বাইটের হিসাবে অনুযায়ী অকটেন, ডেসমিাল বা হেক্সা ডেসিমাল পদ্বতিতে হ্যাকার রা কখনো বাইনারি কোডিং সিষ্টেম কে হ্যাক করতে পারে না। তাহলে আপনি আপনরা পাসওয়ার্ডকে বানাবেন: ৮ অথবা ১৬ বা ৩২ বা ৬৪ ডিজিটের কোড হিসাবে। ৩২ বা ৬৪ কেউ ব্যবহার করতে পারবে না- কারন এইটা অনেক সময় মনে রাখার ব্যাপার। পারবে ৮ বা ১৬ কে। তাহলে আপনি আপনার পাসওয়ার্ড কে ৮ অথবা ১৬ ডিজিটের মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন। আর এই ৮ অথবা ১৬ ডিজিটের অবশ্যই আপনি ৪ টা নিয়ম মেইন টেইন করবেন: যেমন ধরেন: 

  • Capital A- Z
  • Small a-z
  • Number -0-9
  • Special character (!@#$%^&*())
০+১ = ১ বিট
শূন্য এবং ১ মিলে ১ বিট হয় (মানুষের শরীরে হার্ট বিট থাকে বা পালস বিট থাকে) । ৮ বিট এ ১ বাইট। এই ০ এবং ১ এর মাধ্যমে কম্পিউটার বাইনারি ল্যাংগুয়েজ কে তৈরী হয়। তারপরে মেশিন ল্যাংগুয়েজ, অপারেটিং ল্যাংগুয়েজ এবং সিষ্টেম বা সফটওয়্যার ল্যাংগুয়েজ। তো এই বিশ্বে হ্যাকাররা শুধু এক ধাপ ভাংতে পারে। সেটা হলো আপনার ইন্টারনেটে ইনসিকিউরিটি। যদি আপনি পাইরেটেড সফটওয়্যার বা সিষ্টেম ব্যবহার করেন তাহলে তো হ্যাকাররা আপনাকে ধরবেই। আরো অনেক চরিত্র আছে হ্যাকারদের। তবে বিশ্বে হ্যাকাররা রা কখনো মেশিন ল্যাংগুয়েজ এবং বাইনারি ল্যাংগুয়েজ কে হ্যাক করতে পারবে না। কারন কম্পিউটার তৈরী ই হয়েছে শূণ্য এবং এক এর প্রোগ্রামিং এর কোডের উপর ভিত্তি করে। তো কম্পিউটার যদি না চলে তাহলে তো আর হ্যাকারার হ্যাক করতে পারবে না- সেজন্য তাদের একটা লিমিটেশন আছে। তারা শুধূ ২ নম্বর ওয়েতে পথ চলে। আপনার কম্পিউটার বা ডিভাইসের অপারেটিং সিষ্টেম যদি ডুপ্লিকেট হয় তাহলে তারা কিছু প্রোগা্মিং এবং কোডিং করে অনেক কিছু তথ্য হাতাইয়া নিতে পারে। তো আপনি ঘর বানাইছেন কিন্তু চোরকে যাতায়াত করার সুযোগ রেখে দিলেন। ফলে দেখা গেলো চোর ঘরে ঢুকে আপনার যা আছে সব কিছু নিয়ে গেলো বা আপনি এমন কোন প্রতিষ্টানের সাথে চুক্তি করলেন সারা দেশে অপারেটিং সিষ্টেম সাপ্লাই করার জন্য দেখা গেলো সেখানে একটা ঘুপচি হয়ে গেছে যার পরে আগে থেকে প্রোগ্রামিং বা ডিভাইস সেট আপ করা আছে হ্যাকারদের যাতে তাদের হ্যাক করতে প্রতিনিয়ত সুবিধা হয়। 

বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিষ্টেম আছে পৃথিবীতে। যেগুলো ইন্টারনেটে কানেকটেড হবার সাথে সাথে পাইরেসি বা পাইরেটেড বা প্রিভিয়াস সেটাপ বা নিজেরা অপারেটিং সিষ্টেম বানানোর কথা বলে হ্যাকাররা মেশিন ল্যাংগুয়েজের ভেতরে  হয়তো কোন কোড সেট আপ করে রেখেছে -  সেখানে দেখা যাবে যে ইন্টারনেটে কানেকটেড হবার সাথে সাথেই আপনার কম্পিউটারে হ্যাকার এসে বসে থাকবে। আমি প্রায় ১৬ টা প্লাটফর্মে ২০+ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখেছিলাম ফলে এই্গুলো অনেক সময় সহজে বুঝতে পারি তবে সরাসরি প্রমান করার মতো ওয়ে এখন নাই যে কারা কারা বাংলাদেশে হ্যাকার বা কারা কারা বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত হ্যাকিং করে যাইতাছে তবে এইগুলো সিষ্টেমের গ্যাপ। এই সকল ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম কানুন না মেনে সারা বিশ্বের সেরা সেরা ব্যাংক প্রতিষ্টান (নাস্তিকদের দেশ ছাড়া- যারা সৃস্টিকর্তা এবং কোন না কোন নবীজিকে মানে না তাদেরকে আমার নাস্তিক দেশ বলে থাকি) যাদের কাছ থেকে ইন্টায়ার ব্যাংক সল্যূশণ নিয়ে থাকে তাদের কাছ থেকে সিষ্টেম সল্যুশন নিলে সমাধান হবে। বাংলাদেশে কারা কারা হ্যাকার বা কারা কারা হ্যাক করে যাইতাছে। কারন আন্তর্জাতিক ভাবে আপনি যদি কোন সিস্টেম সল্যুশন নিয়ে থাকেন তাহলে যাদের কাছ থেকে সিষ্টেম কিনবেন বা কিনে নিবেন তারা বিলিওনিয়ার কোম্পানী হবার কারনে যদি কোন ব্যাংক থেকে সিষ্টেমের খোয়া যায় বা হ্যাক হয় তারা সেটার ভর্তুকি দেয়। এ যাবতকালে যতোটা জেনেছি বা শিখেছি বিশ্বের কোথাও কোন ব্যাংক পদ্বতিতে মাইক্রোসফট অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করতে দেখি নাই। সব খানেই বিশেষ করে সিনেমাগুলোতে দেখেছি সবখানেই বিট বাইট অপারেটিং সিষ্টেম বা মেশিন ল্যাংগুয়েজ প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থোকে। অনেকখানে দেখেছি ম্যাক অপারেটিং সিষ্টেম কে ব্যবহার করে। মাইক্রোসফট অপারেটিং সিষ্টেম শুধূমাত্র প্রোগ্রামার বা কোডারদের জন্য বা যারা গ্রাফিক্স খেলে লাইক গেম খেলা বা মুভি দেখতে পছন্দ করে - তাদের জণ্য ই ডিজাইন করা বলে জেনেছি। যখন প্রোগা্মিং শিখেছি তখন জেনেছি- ব্যাংকের জন্য সারা বিশ্বে খুবই বিশ্বস্ত রেড হ্যাট লিনাক্স অপারেটিং সিষ্টেম - তাদের ব্যাংকিং সল্যুশন চমতকার বলে জেনেছি।  তবে সবচেয়ে ভালো হবে আইএমএফ বা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যে সিস্টেম বা সফটও্যার যেটা সাজেসন দেবে সেটা ব্যবহার করা তাহলে আর হ্যাকারদের হ্যাক হবার কোন রিস্ক থাকবে না।  

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যারা ফুলটাইম এমপ্লয়ি- বি সিএস ক্যাডার বা মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত তারাই শুধু বাংলাদেশ সরকার। সরকারের যারা বিসিএস ক্যাডার বা নন ক্যাডার সার্ভিসে কর্মরত তারাই শুধূ সরকারের ভেতরে সবচেয়ে স্পর্শকাতর ইনফরমেশন গুলো জানে। সরকারি নিয়ম কানুনের টেন্ডার গুলোতে কিভাবে তথ্য বা ইনফরমেশণ কেনা বেচা চলে তা একদম নিজের চোখে দেখেছি। এইখানে বাংলাদেশের ব্যাংকের সিস্টেম সেট আপ হবার টাইমে যদি সরকারের গোপন নথি থেকে কোন তথ্য বা ইনফরমেশন চুরি হয়ে তাকে বা তথ্য পাস হয়ে থাকে তাহলে তো হ্যাকারদের জন্য একেবারে স্বর্গরাজ্য হয়ে যাবে- এই সকল কথা লিখা বা বলার কারন হইতাছে বাংলাদেশে ২০১০/২০১১/২০১২ সালে বা তৎপরবর্তী সময়ে যতো পরিমান হ্যাক হয়েছে তার টোটাল এখনো কোন হদিস হয় নাই। খালি বলা হয়েছে - যেগুলো গেছে সেগুলো ফেরত আনা হবে কিন্তু কবে নাগাদ ফেরত আসবে বা আদৌ আসবে কিনা বা তারা কি কোন দেশের সাথে লেনা পাওনা বা দেনা পাওনার হিসাব শোধ করলো কিনা তাও জানা যায় নাই ক্লিয়ারলি। ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারনে বা ইন্টারনেট প্রফেশনাল হবার কারনে প্রায়শই এ ব্যাপারটা মাথাতে আসে যে এমাউন্ট গুলো হ্যাক হয়েছে আর এফবিআই যেটার তদন্ত করতাছে সেটার কি হাল বা অগ্রগতি বা কবে নাগাদ সেই অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে বা যেখানে পৃথিবীর সেরা গোয়েন্দা সংস্থা হাত দিছে সেখানে তো তারা বিফল হবার কথা না? সো নিজস্ব একটা দ্বায়িত্ববোধ থেকেই ব্যাপারগুরো শেয়ার করা বা জানানোর চেষ্টা করা বা জানার চেষ্টা করা। আমি যখণ বাইনারি প্রোগ্রামিং শিখি - মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক প্রনীত শিক্ষা ব্যবস্থা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা বোর্ড থেকে দেয়া নবম, দশম শ্রেনীতে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ি- তখন বাংলাদেশে ২ টা প্লেসে কম্পিউটার সায়েন্স চালু ছিলো- ১) বুয়েট এবং ২) নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু তখন পুরো পড়াটা অনেক মনোযোগের সহিড় পড়তে হয়েছে- প্রয়োজনে বুয়েট এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির নোটও কালেকশন করে পড়েছি পুরো সি এস টা বোঝার জন্য । এইখানে আমি বা আমরা অনেক কিছু রিয়্যালািইজ করতে পারবো কিন্তু তথ্য প্রমান না দেখে কোন কিছু প্রমান করতে পারবো না। (পরবর্তীতে ২০০৪-২০০৫ সালে এপটেক ইন্টারন্যাশনাল থেকে আবারো অনেগুলো প্রোগা্মিং করি- সর্বশেষ সি#ডট নেট)। যেহেতু এখনো এফবিআই (আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা) বাংলাদেশ ব্যাংক বা নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে চুরি যাওয়া অর্থে র ব্যাপারে অনুসন্ধান করতাছে সেহেতু এ ব্যাপারে আপনার যে ধ্যান ধারনা বা আইডিয়া তাও আপনি এরকম ব্লগ লিখে শেয়ার করতে পারেন যা দ্বারা হয়তো এফবিআই (আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা) উপকৃত হবে। আর যদি আপনি জেনে থাকার পরেও চেপে যান তাহলে আপনি আমেরিকার (কারন ডলার আমেরকিার ব্যক্তিগত সম্পদ। আপনি যদি ডলার হ্যাক বা চুরি করে থাকেন তাহলে আপনি সে দেশের গোয়েন্দা সংস্থার) চোখে অপরাধী হিসাবে বিবেচিত হবেন আর এই সব ব্যাপারে অপরাধের শেষ শাস্তি নিশ্চিত মৃত্যু বা মৃত্যুদন্ড (আমেরিকা যাকে অপরাধী মনে করে, মনে হয় না এই বিশ্বে তার অস্তিত্ব থাকে- যেমন দেখেছে ইরাক বা সিরিয়া বা আফগানিস্তান বা সো কলড পা..কিস্তান। একসময়কার সন্ত্রাসবাদী দেশ)। আমি আমার ধারনা গুলো শেয়ার করলাম। আপনারা আপনাদের ধারনা গুলো শেয়ার করেন। 

চলেন দেখি নেই কি কি সিরিয়াল মেক করে একটা পাসওয়ার্ড বানাবো: 
  • Capital A- Z
  • Small a-z
  • Number -0-9
  • Special character (!@#$%^&*())

৮ বিট= ১ বাইট
১০২৪ বাইট- ১ কিলোবাইট
১০২৪ কিলোবাইট= ১ মেগাবাইট
১০২৪ মেগাবাইট= ১ গিগাবাইট
১০২৪ গিগাবাইট - ১ টেরাবাইট
১০২৪ টেরাবাইট= ১ হেক্সাবাইট

আপনি যদি এই ৪টার সমন্বয়ে ৮ থেকে ১৬ ডিজিটের পাসওয়ার্ড মেক কের তাকেন তাহলে আপনার পাসওয়ার্ড কোন হ্যাকার হ্যাক করতে পারবে না কারন হ্যাকার রা বাইনারি বিট বাইট সংখ্যা বা সিষ্টেম কে হ্যাক করতে পারে না। সেখানে তাদের হ্যাকিং সিষ্টেম কাজ করে না। তাদের যতো সকল সফটওয়্যার আছে বলে শুনেছি সেগুলো এইখানে কাজ করে না। বিশেষ করে যারা ইন্টারনেটে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে তারা এই সিষ্টেম মোতাবেক পাসওয়ার্ড বানালে কোন সোশাল মিডিয়া ই আপনার পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের কে দিতে পারবে না বা হ্যাকও করতে পারবে না। 

তেমনি ব্রাউজ করার ক্ষেত্রে ও আপনাকে অনেক সতর্ক থাকতে হবে। পাইরটেড সফটওয়্যারে আপনি যতোই কানা ঘসা করেন না কেনো আপনার তথ্য বা ইনফরমেশন চুরি হবার সম্ভাবনা থাকবে। তবে হ্যা আপনি যদি শুধু একটা নিয়ম পালন করেন তাহলে আপনি পা্রয় ৯০% সেফ সেটা হইতাছে আননোওন কোনো ওয়েবসাইট লিংকে ক্লিক না করা। আপনার কাছে যদি কোন আননোওন লিংক আসে সেটা আপনি নিজের হাতে ব্রাউজারে টাইপ করে লিখে ভিজিট করবেন যেমন আমি উপরে masudbcl.com   এর মাধ্যমে দেখাইছি। আর যদি আপনি সরাসরি লিংক ক্লিক করতে চান তাহলে আপনি দুটো অপশন ব্যবহার করতে পারেন। যে কোন লিংকের উপরে  রাইট বাটন ক্লিক করে এই ৩ টা উপায়েও যদি আপনি ভিজিট করেন তাহলেও আপনি সেভ থাকবেন। লিংক কপি করলে সেটা ব্রাউজারে পেষ্ট করবেন এবং সেটা ওপেন হবার আগে পর্যন্ত আপনি অপেক্ষা করবেন। 


1)  Open Link in New Tab or New Window.
2)  Copy Link Address.



ইন্টারনেটে সমানে ওয়েবসাইট দেখা বা ঘুরে বেড়ানো টা অনেক টা রাস্তাতে রাস্তাতে ঘুরে বেড়ানোর মতো। আপনি যখনি কোন ওয়েবসাইট দেখবেন- আপনার ভালো লাগবে  ভিজিট করবেন তখন আপনি সেই ওয়েবসাইটার জন্য একজন ভিজিটর হবার চেষ্টা করবেন। আর একজন ভিজিটর হতে গেলে আনপাকে সেই ওয়েবসাইটে মিনিমাম ১০০ সেকেন্ডস ভিজিট করতে হবে। আর তারপরে যদি আপনি ১৫ মিনিট সেই অবস্থানে থাকেন তাহলে আপনি সেই ওয়েবসাইটের জন্য আপনি একজন সেশস হয়ে গেলেন। পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী ভিজিটর হলো সেশন ভিজিটর। 



To be continue.










Marketplace. Freelancing outsourcing Bangla Tutorial.

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

Buy White Hat SEO services from SEOListly by using Bitcoin/Etherium/Litecoin.

বিটকয়েণ একটি ডিসেন্ট্রাইলাইজড ক্রিপ্টোকারেন্সী মেথড যেখানে আপনি বিটকয়েণ, ইথারিয়াম বা লাইটকয়েণ ব্যবহার করে হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিসগুলো ...