Translate

Thursday, September 23, 2021

একটি Youtube Video থেকে পাইলাম ৭৬ জন সাবস্ক্রাইভার।

 



উপরের ভিডিও তে দেখতে পারতাছেন: একটি ভিডিও থেকে আমি প্রায় 76 জন সাবস্ক্রাইভার পাইছি। টোটাল ভিউজ দেখাইতাছে: 3200 (মূলত: 3342) । আমি প্রায় 1000 ভিউজ কিনে এনেছি। আপনারা জানেন : পেইড ভিউজ এর সাথে ইউটিউব কখনো এড দেখায় না। সেই হিসাবে 2200 ভিউজ এর জন্য 55% হিসাবে আমি পাইছি : 11.49 ডলার।  বাকী 45% ইউটিউব কেটে রেখেছে। আপনি যদি সাবস্ক্রাইভার সংক্রান্ত কোন গ্যানজামে পড়েন তাহলে সেখানে এসইও হইতাছে: একটি নির্দিষ্ট ভিডিও নিয়ে আগানো : যেটা সবাই পছন্দ করতে পারে এবং সেখানে এসইও করা । তাতে সেই ভিডিও টা পপুলার হলে একটি ভিডিও থেকেই আপনি হাজার হাজার সাবস্ক্রাইভার পেতে পারেন। 



আমার এই টেকনিক টা ভালো লাগলে আপনি আমার ইউটিউব চ্যানেল টা সাবস্ক্রাইভ করে রাখতে পারেন :  masudbcl । অনেকে মনে করে লাইকফরলাইক বা যে কোন তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আমি সাবস্ কালেকশন করি। আসলে সেগুলো চ্যানেল ভিজিট এসইও এর জন্য করা। ইউটিউব এর সাথে হ্যাকারদের (০১ নভেম্বর ২০২১ থেকে হ্যাকারদের অত্যাচার অফ হবে কারন তারা আর ইউটিউব এ লগইন করতে পারবে না 2FA ছাড়া)  গ্যানজাম থাকার কারনে যে কোন তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট থেকে সাবস এড করা অনেক দুরুহ। ১০০০ সাবস কালেকশণ করলে ১০-২০ টা টিকতে পারে। যেমন: আমি বিগত ০৮ মাসে ১০০০ সাবস এসইও করে কিন্তু  এপিআই এসএমই থেকে আসা প্রায় ২৬০০০ সাবস টিকে নাই (ভবিষ্যেতে এড হবে)  : ইউটিউব এড করার সুযোগ দেয় কিন্তু হ্যাকার রা তা ডিলেট করে দেয়। ফলে এপিআই এসএমই ওয়েবসাইট গুলো থেকে সারা বিশ্বের ভিজিটর দেরকে চ্যানেল ভিজিট করানো যায়  : আপনি যদি লাইকফরলাইক ওয়েবসাইট থেকে কোন চ্যানেল কে সাবস করার জন্য লাইকফরলাইক ওয়েবসাইট থেকে ইউটিউব সাবস সেকসানে যান আর লাল রংয়ের সাবস বাটনে ক্লিক করেন আর নতুন পেজ ওপেন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন আর সেখানে আপনি সাবস বাটনে প্রেস করেন এবং পেজ বন্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন তাহলে এই পুরো প্রসেস টা শেষ হতে ১০-১৫ সেকেন্ড সময় লাগে। এসইও এর নিয়ম অনুযায়ী : বেসিকালি কোন লিংকে (ইউটিউব চ্যানেল লিংকও একটি লিংক) ১০-১৫ সেকেন্ড ষ্টে করলেই সেটা বেসকি অর্গানিক এসইও  ট্রাফিক তৈরী হয়। আর আপনি আপনার চ্যানেলে যতো বেশী ট্রাফিক আনবেন ততো বেশী আপনার চ্যানেল ইউটিউবের সার্চ ইন্জিনে বা ডাটাবেজে র‌্যাংকে থাকবে। 






Wednesday, September 22, 2021

ইউটিউব হ্যাকারদের রিমুভ করার জন্য 2FA (Two Factor Authentication).

 










২৩শে নভেম্বর আমার জন্মদিন। আমার জন্মদিনের মাস নভেম্বর ০১ , ২০২১ থেকে  2FA (Two Factor Authentication) ছাড়া ইউটিউব ষ্টুডিও প্রোগ্রামে কেউ লগইন করতে পারবে না। এখনই সেটা দেখাইতাছে ইউটিউব ষ্টুডিও প্রোগ্রামে। নতুন করে যারা আবেদন করতে যাইতাছে বা চাইতাছে তাদের কে এই ব্যাপারটা দেখাইতাছে- মনিটাইজেশণ সেকসানে।  ধারনা করা হাইতাছে : এই 2FA (Two Factor Authentication) রান করার জন্য ইউটিউবে কোন ধরনের হ্যাকার রা অবস্থান করতে পারবে না। ইউটিউব সারভার বা ডাটাবেজ সারভাবে আর কেউ লগইন করতে পারবে না। 








ইউটিউবের সাবস্ক্রাইভার এবং ভিউজ হ্যাকারদের ও থামানো যাবে নভেম্বর ০১ তারিখ হতে কারন  2FA (Two Factor Authentication) সেটা সেট আপ হবে ইউটিউবের সারভারে। আপনি যদি একজন চ্যানেল ম্যানেজার হয়ে থাকেন এবং এডিটর হয়ে থাকেন বা হিডেন ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে অতি অবশ্যই ২ ষ্টেপ ভেরিফিকেশন করে ইউটিউব ষ্টুডিও তে লগইন করতে হবে- আপনার পারসোনাল ডিটেইলষ দ্বারা কারন আপনি যদি নিজস্ব পারসোনাল ডিটেইলস ব্যবহার না করেন তাহলে চ্যানেল অনার এর সমস্যা হতে পারে। আর লগইন করার সময়ে আপনার আলাদা করে মোবাইল ভেরিফিকেশন করার কারনে জানা যাবে আপনার পুরো পরিচয়: কারন সকল মোবাইল নম্বর ই ভেরিফকেশন করে করতে হয়। 







সেই হিসাবে আপনার যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনি ইউটিউব ছেড়ে দিতে পারেন । বয়স ১৮ এর কম হলে আপনি আপনার বাবা বা মার নম্বর ব্যবহার করতে পারবেন হয়তো বা তারপরেও ভিডিও ভেরিফিকেশন লাগতে পারে। আর আপনার যদি লিগ্যাল মোবাইল নম্বর না থাকে তহালেও ইউটিউবে আপনার খেল খতম কারন বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সহজেই আপনাকে মনিটর করতে পারবে যে: আপনি কি ভেরিফায়েড নাকি নন ভেরিফায়েড। বাংলাদেশে বিদ্যমান ইউটিউবের সকল ধাপ্পাবাবজি ব্যবসা ও বন্ধ হতে পারে: হাজার হাজার টাকা নিয়ে মনিটাইজেশন এপরুভাল করে দিয়ে পরে আর ভিউজ আসলেও ডলার আসে না। রিসেন্টলি দেখলাম একজন আমরিকান এর চ্যানেলে ৪ মিলিয়ন ভিউজ এ ৪ ডলার। 


Youtube payment proof: 47k views= 216$

 



All total views are 70k views. Out of 70 k views 23k views are paid views from SMM panel. Youtube does not run ad with paid views. For that reason 70k - 23k = 47k views = 216$ is still now earning. Now a day for some videos I am getting per views 01 cents.  Search youtube: masudbcl and please subscribe.





Tuesday, September 21, 2021

Do not get so much personal on internet.





সারা দেশের সব মানুষ যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে তখন একটা জিনিস মাথাতে রাখা দরকার যে: মানুষজন ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে ব্রেইন দিয়ে, চোখ দিয়ে বা রেটিনা দিয়ে এবং দুই হাতের কিবোর্ড  দিয়ে বা মাউস দিয়ে। তাই এই বিশ্বে কেউ কখনো ইন্টারনেট শরীর দিয়ে ব্যবহার করে নাই। ইন্টারনেট নিয়ে শারিরীক কোন সম্পর্ক নাই। মানে ইন্টারনেটের এমনতর কোন মিনিং নাই যেখানে আপনি শারিরীক সম্পর্ক হিসাবে কাউন্ট করতে পারেন। যেমন: যে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে তার ব্যক্তিগত জীবনে উকি মারা বা ইন্টারনাল লাইফ খেয়াল করে দেখা সেটা একধরনের ইন্টারনেট ক্রাইম। এইটা শূধূ তারাই করতে পারে যারা  একই কম্যুনিটির সদস্য। যেমন: ধরেন যে আমি নাটক সিনেমা দেখতে পছন্দ করি। (একসময় মঞ্চ নাটকে কাজও করেছি) তাই নাটক সিনেমার সাথে যারা জড়িত তারা এই ব্যাপারটাতে ইন্টারফেয়ার করতে পারে। আপনার সাথে আমার ইন্টারনেটে পরিচয় বা আপনি আমাকে প্রথম দেখলেন ইন্টারনেটে: তখন আপনি আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঘাটাঘাটি বা অনুসন্ধান করতে শুরু করলেন সেটাকে একধরনের ইন্টারনেট ক্রাইম বলে। তথ্য অনুসন্ধানের জন্য স্বীকৃত ইন্টারনেটে সোসাইটি (যেমন: বন্ধু, পুলিশ বা ইনআরন্যাশনাল যে কোন অর্গানাইজেশণ) শুধূ এইটা করতে পারে। অন্য কেউ এই ধরনের কাজ করলে বুঝতে হবে যে : সে মানুষ না: সে এক ধরনরে টেষ্ট টিউব বা স্পেশিয়াল টাইপের টেষ্টটিউব যারা ইন্টারনেট বলতে এক ধরনের পিক্যুলিয়ার শারিরীক সম্পর্ক কে বোঝে। 


আমি পেশাতে ফ্রি ল্যান্সার বা ব্লগার বা ইউটিউবার। বাংলাদেশের যে কোন ফ্রি ল্যান্সার বা ব্লগার বা ইউটিউবার আমার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করতে পারবে, আমাকে নিয়ে অনুসন্ধানও করতে পারবে কারন আমরা একই পেশাগত। কিন্তু আপনি আমার সাথে পেশাগাত সোসাইটির কেউ না: তখন আপনি আমার ব্যক্তিগত জীবনে উকি মারতে পারবেন না ইন্টারনেট থেকে: এই ধরনের মানুষকে বলা হয় উইংকার। তারা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাদের আদ্যোপান্ত জানতে চায় যা এক ধরনের গর্হিত অপরাধ। এই ব্যাপারটা শুধূ মাত্র বিপরীত লিংগের জন্য প্রযোজ্য। আমি একজন পুরুষ: আমার ব্যাপারে একজন মেয়ে সম্পূর্ন জানার চেষ্টা করতে পারে কিন্তু অপর কোন পুরুষ বা দেখতে পুুরষ সম্পূর্ন জানার চেষ্টা করতে পারবে না কারন এতে তাদের : যারা জানার চেষ্টা করতাছে তাদের বাই কিউরিয়াস নেচার প্রকাশ হবে। কিউরিসিটি জাগলে আপনি সেটা ভাষাতে প্রকাশ করতে হবে। সোসাইটি তে আপনি আমার গার্জিয়ান হলে আপনি আমার ব্যাপারে নাক গলাতে পারবেন। কিন্তু আপনি আমাকে চিননে না বা জানেন না বা ইন্টারনেট আমাকে এক পলক দেখে আমার ব্যক্তিগত ব্যাপারে জানার চেষ্টা করলেন : সেই ধরনের ব্যাপারগুলো খারাপ। 



মানুষ ভালো খারাপ মিলিয়ে হয়। শুধূমাত্র ভালো হয় ফেরেশতারা। আর শুধুমাত্র খারাপ হয় শয়তানের জাতের লোকগুলো যেমন : দেশীবরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) গুলো প্রজন্ম। এদের কাজ হইতাছে ইন্টারনেটে বসে থেকে মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপারে নাক গলানো। যেহেতু পিক্যুলিয়ার সেহেতু তাদেরকে উইংকার ও বলা যায় না অনেক সময়। অনেকে বলে আজাব বা গজব। তাদের বাপ দাদা এবং তাদের ও বোধ করি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। তাদের কে বাংলাদেশে কে ইন্টারনেট ব্যবহার করার অনুমতি দিলো সেটাই খুজে পাওয়া যাইতাছে না কারন তারা দেশদ্রোহী। আর তাদের কে ইন্টারনেট কানেকশন দেয়া এক ধরনের রাষ্ট্রদ্রোহীতার শামিল। সেই ধরনের লোেকগুলোকে খুজে বের করে ফাসির আইন দেবার জন্য অুনরোধ করা হলো।  এই ধরনের উইংকার গুলো ইন্টারনেটে বসে থেকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের বারোটা বাজাইতাছে। বাংলাদেশের নাম বা সুনাম নষ্ট করে যাইতাছে যা এক ধরনের দেশ বিরোধী কার্যকলাপ। আর বাংলাদেশের আইন দেশবিরোধী তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। 



চুটকি : 

থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরন চলাকালীণ সময়ে একটি পিক্যুলিয়ার গ্ররপ এর সন্ধান পাওয়া গেলো (সেখানে সব মিলিয়ে 86 টি গ্ররপ ছিলো) যারা কোন ধরনের সত্যিকারের মানুষ না : যারা এক ধরনের স্পেয়িশাল টাইপের টেষ্টটিউব। তারা থানা শাহবাগে এসেছে অনেক মানুষের সম্মেলন দেখতে। একসাথে এতো মানুষের ইন্টারনেট গনজাগরন দেখে তারা আর বুঝতে পারতাছে না যে: কিভাবে কি হলো? তারা তাদের আড্ডা বা ডেরাতে ফিলে গেলো অন্য এলাকাতে। যাইয়া জিজ্ঞাসা করতাছে: ইন্টারনেট মানে কি? তাদের মধ্যে যে ওস্তাদ সে বলতাছে : ইন্টারনেট মানে সেক্সুয়াল রিলেশন। এইটা সারাি বিশ্বে সবাই করে। কারন ইন্টারনেট মানে ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক। তো সেক্সই একমাত্র ইন্টারন্যাশনার নেটওয়ার্ক।তো তখনো অবধি তাদের কাছে মে বি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কাকেনশন ছিলো না। তো ব্রবডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশণ তাদের কাছে আসার পরে তারা বলতাছে তারা ইন্টারনেটের মালিক। তো সারা দেশের সকলে জিজ্ঞাসা করলো : ভাই কিভাবে আপনারা ইন্টারনেটের মালিক ? তো তারা উত্তরে বলতাছে:  ইন্টারনেট সাগরের তলদেশ দিয়ে তারের মাধ্যমে বাংলাদেশে এসেছে। তাদের জন্ম হয়েছে টেষ্টটিউবে (ল্যাবরেটরিতে) জারের মধ্যে : দুটি পারদের দন্ডের মাধ্যমে (যেখানে ইলেকট্রিসিটি তারের মাধ্যমে ইলেকট্রিসিটি ট্রান্সফার করা হয়) বা বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে। তো সবাই বললো: সেই তার আর ইন্টারনেটের তার তো এক না। তো উত্তরে বলতাছ যে: তারা শুনেছে  সাগরের ণীচে পারদের তার আছে। তো পারদের তার বলতে বোঝানো হয়েছে: বাংলাদেশের তার ও টেলিফোন বোর্ডের ক্যাবল যেখানে টেলিফোনের নেটওয়ার্কের পারদের তার দেওয়া (আমার সন্দেহ বাংলাদেশের তার ও টেলিফোন বোরডের ডে ব্রডব্যান্ড ইনআরনেট কাকেনশন যেটা টেলিফোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করা হয় সেটা দিয়েই মূলত বাংলাদেশে সকল ধরনের হ্যাক হয় বা হয়েছে)। তো তারপরে বলা হলো: তাহলে তোরা টেলিফোন ব্যবহার কর : ইন্টারনেট ব্যবহার করিস না। কারন ইন্টারনেটের তারে আছে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক: আলোর চেয়েও দ্রুতগতি সম্পন্ন সূক্ষ কাচের কিছু বিষয়: এমনতর বিষয় সেই সূক্ষ তার খেয়ে ফেলাইলেও কারো কিছু হবে না। সবার শেষে জিজ্ঞাসা করা হলো: তোদের কি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর আছে? বলতাছে যে: বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নাই। তো একটি দেশে কি পরিমান দুর্নীতি হলে বা দুর্নীতি গ্রস্ত হলে : বৈধ জাতীয় পরচিয়পত্র নম্বর ছাড়াই স্পেশিয়াল টাইপের টেষ্টটিউব প্রজন্ম (যেহেতু তাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই) মোবাইল ইন্টারনেট বাদ দিয়ে ফাইবার অপটিক ক্যবাল নেটওয়ার্ক  ব্যবহার করা শুরু করে দিতে পারে যারা কিনা সারা দেশের জন্য গ্যানজাম বা গনজাগরনের সকল ব্রিলিয়াণ্ট বা স্কলারদের জন্য ও গ্যানজাম। 


#মানুষের জন্ম হয়েছে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে (আরশ) : সৃষ্টিকর্তার কুল শব্দের মাধ্যমে এবং একটি আত্মা হিসাবে। পৃথিবীতে সঠিক বাবা মার ভালোবাসার মাধ্যমে পৃথিবীতে আগমন ঘটে প্রত্যেকটি মানব সন্তানের সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে। পৃথিবীতে ইন্টারনেট শুধূ মানুষের জন্য প্রযোজ্য কারন এইটা একটি ব্রেইন ওয়ার্ক। বাংলাদেশ যেনো এর ব্যতিক্রম না হয়। 


#ইন্টারনেটের একমাত্র মালিক যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা। আর আপনার যদি সে ব্যাপারে কোন অস্বীকৃতি থাকে তাহলে আপনি নিজে ইন্টারনেট ডাউনলোড করে ব্যবহার করেন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর ব্রডব্যান্ড বা ব্যন্ডউইথ কিনে আনতে হবে না। আর আমেরিকা সহ সারা বিশ্বের ইউরোপ সহ : প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে কানেকটেড। সো বাংলাদেশের প্রতি অনুরোধ দয়া করে যারা মানুষ না (যার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নাই ১৮+) তাদের কে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দিকে ঠেলে দিবেন না। আপনার দেশে যদি  এমন কেউ থাকে যার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই  এবং সে বাংলাদেশের সমাজে আছে বা বসবাস করতাছে তাহলে তাকে সারা দেশের ৯ কোটি মানুষের সমাজ : মোবাইল ইন্টারনেট এর দিকে ঠেলে দিবেন: কারন সেটা মে বি দেশ ও জাতি সকলের জন্য ই সুবিধা। সো আপনাদের সমস্যা টুকুকে আপনারা মোবাইল ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে রাখবেন তাতে করে সারা বিশ্বে মানুষজন বাংলাদেশের কারো জন্য সমস্যা ফিল করবে না। একই সাথে আপনার দেশ হ্যাকার মুক্ত থাকবে কারন হ্যাকার রা শুধূ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ই হ্যাক করতে পারে।  


ফ্রিল্যান্সার/ব্লগার/ইউটিউবার: #masudbcl

Long Tail Keyword Suggestion Tool Tutorial | #seosoftware | Small #SEO T...

Monday, September 20, 2021

বাংলাদেশে ইন্টারনেটে নেগেটিভ ইউজার দের একটি চক্রান্ত।

আমরা সকলেই জানি ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেটে একটি গ্ররপ ছিলো যারা ইন্টারনেটে ধর্মবিরোধী লিখা লিখতো এবং তা নিয়ে অনেক মজা করতো। তাদের অনেকে নিজেদেরকে ব্লগার বলে আখ্যায়িত করতো। আর সারা দেশের অনেকে ধর্মীয় ভাবাবেগে তাদেরকে নাস্তিক ব্লগার বলে আখ্যায়িত করতো। এখনো অনেক খানে যারা ইন্টারনেটে বাংলা লিখে তাদেরকে নাস্তিক ব্লগার বা নাস্তিক বলতে দ্বিধাবোধ করে না। ইন্টারনেট যদিও ইংরেজী ভাষাতে চলে আর সেখানে বাংলা লেখা একটি দূরুহ বিষয় কিন্তু ইন্টারনেটে বাংলা লেখা মানেই কোন ধরনের নাস্তিকতা না। ইন্টারনেটে যদি কেউ ধর্মবিরোধী কোন কথা লিখে থাকে তাহলে তাকে নাস্তিক রাইটার বরে আখ্যায়িত করতে পারেন আপনি। মূলত ব্লগার  শব্দটা  একটি ইংরেজী শব্দ যা ইন্টারনেটে ডট কম নামে চলে যেমন: blogger.com 


তো এই ধরনের নাস্তিক রাইটার রা ইন্টারনেট থেকে শুরু হওয়া গনজাগরন ২০১৩ সালের মধ্যে পরিকল্পনা মাফিক একটি নাস্তিক ব্লগ চালান করে দেয় যেখানে গনজাগরনরে সৌন্দর্য নষ্ট হয় অনেক- অনেকে বলে গনজাগরন সেখানে থেমে যায় বা গনজাগরনের সকলেই কষ্ট পায়। অনেক বাংলার মানুষ জন কষ্ট পায়। শেষে রহস্য উদঘাটন হয় থানা শাহবাগের সার্কেল থেকে কেউ এটা লিখে নাই। একদল বিরোধী যারা দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), দেশবিরোধী (ফাসি) প্রজন্ম এইটা পরিকল্পনা করে সেট আপ করে যার কিছু প্রমানাদিও তখন জনসম্মুখে ওপেন করা হয়। যাই হোক: সারা জীবন ও যদি কেউ নাস্তিক থাকে তাহলে সে মৃত্যুকালে কালেমা বলতে পারে বা মনে করতে পারে। আর সারা জীবনও যদি কেউ ধর্ম পালন করে বিধাতের সহিত: তাহলে মৃত্যুকালে তার কালেমা নাও আসতে পারে। তাই সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ : মানুষের দোষ গোপন করা। কারন কেউ নাস্তিক না আস্তিক সেটা বিবেচনা করার দ্বায়িত্ব সৃষ্টিকর্তার। সেটা সৃষ্টিকর্তা বিবেচনা করবে কাল হাশরের দিন। মানুষ ধর্মের মালিক না: মানুষ ধর্ম  পালন করে। সেই প্রেক্ষিতে থানা শাহবাগের গনজাগরন বলেছিলো: ” নাস্তিক না আস্তিক জানে মোর খোদা: তুই বলার কে ”? 



গনজাগরন চলাকালীন সময়ে আমি হঠাৎ করে একম একটি নাস্তিক গ্ররপের চ্যালেন্জের মুখোমুখি হই ইণ্টারনেটে। আমি তখন দেখি তারা আদতে মানুষ না : টেস্টটিউব। তাই ভাবলাম ১০০ কোটি টেষ্টটিউব আসলেও কোন সমস্যা নাই কারন তারা আমাকে মারতে পারবে না। আমাকে বানিয়েছে সৃষ্টিকর্তা : সো আমাকে মারার মতো ক্ষমতাবান শুধূ উনিই বা উনার নির্দেশে হয়তো বা আজরাইল (আ:)। তাই ভয় না পেয়ে তাদের চ্যালেন্জ টাকে মোকাবেলা করলাম। যেদিন প্রথম ফাসি কার্যকর হয় দেশবিরোধী কসাই কাদেরের : সেদিন আমি শাহবাগে দন্ডায়মান: প্রোগ্রাম ছিলো: ফাসির উৎসবে জমবো সবাই। তার কিছুদিন পরেই  সেই গ্ররপের সাথে যোগাযোগ হয়: পরিকল্পনা মোতাবেক তাদের সাথে দেখাও করি এবং তারা তাদের সাথে থাকার জন্য অনুরোধ করি। আমি কিছু না বলে বলি: দেখা যাক কি হয়। একটা বড় সড় ক্ষতি হয়ে গেলো: তা হলো আমি যখন ঘুমের মধ্যে ছিলাম তখন তারা আমার গলায় বা ঘাড়ে চাপাতি রেখে ছবি তুলে তা দিয়ে সারা বিশ্বে ইন্টারনেটে আমার যারা পরিচিত তাদের কাছে পাঠানো শুরু করে এবং তাদের ব্লাকমেইল বা হ্যাক করার চেষ্টা শুরু করে। শুনেছি এখনো তারা সেই ছবিগুলো সব সময় মানুষজন দের কে মেইল করে পাঠায় আর থ্রেড দেবার চেষ্টা করে যাতে ফরেনার (যেহেতু আমি ফ্রি ল্যান্সার সেহেতু আমার হাজারো ক্লায়েন্ট) রা ভয় পেয়ে তাদের কে কাজ দেয় বা অর্থ দেয়। তো আমি কিছুটা বিপদে পড়ে গেলাম। আদতে তারা আমাকে মারতে পারবে না কারন তারা মানুষ  না (এক ধরনের টেষ্টটিউব)  : কিন্তু তাদের কে এই বুদ্বি কারা দিলো তা বুঝতাছি না? 



তারপরে আজ পর্যন্ত প্রায় 7/8 বছর কেটে গেছে: কিন্তু এখনো মনে হয় যে: ইন্টারনেটে বাংলাদেশের অনেক ব্যাপারে তারা এই ধরনের ঝামেলা করতাছে যেনো আন্তর্জাতিক বিশ্ব তাদেরকে মূল্যায়ণ করে কিন্তু বাস্তবে সকলেই তারা একটা বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে ইন্টারনেটে। আর এখণ আমি তাদরে কাছ থেকে মিনিমাম 100 মাইল দূরে আছে আর বাংলাদেশে ১০০ মাইল দূরে মানে ঢাকা : গাজীপুর: ময়মনসিংহ  প্রায় ৩-৫ কোটি মানুষের বসবাস। আদতে তারা আমাকে কিছু করতে পারবে না: কিন্তু বাস্তবে তারা যেনো ইণ্টারনেট থেকে কোন সুবিধা না পায় সেটা কিভাবে সেট আপ করা যায় তা আর বুঝতে পারতাছি না। ইন্টারনেটে এই গ্ররপটাকে খতরনাক গ্ররপ বলে চিনে সবাই্ এদের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। সো আশা করি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এদেরকে ইন্টারনেট থেকে বহিস্কৃত করবে। 



In this world: we are Jesus Christ follower runs our life by vision. SO we do not dare any thing. I have vision about the next 20 years: So I do not dare any thing. Jesus loves every one.


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl





বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে যাবে ।




যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোরনিয়া থেকে আসা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা বাংলাদেশের মার্কেটপ্লেস, আউটসোর্সিং এবং ফ্রিল্যান্সিং ইন্ডাষ্ট্রি এবং সোশাল মিডিয়া ইন্ডাষ্ট্রি গড়ে উঠেছে যেখান থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরী হয়েছে বা তৈরী হইতাছে। বর্তমানে ইন্টারনেট থেকে ডলার উপার্জন সকলের কাছেই একটি স্বপ্নের মতো। ইন্টারনেটে আমেরিকার ডলার ইনফিনিটিভ। সেই ক্ষেত্রে স্বপ্নের দেশ আমেরিকা তে পা না ফেলে বাংলাদেশে ঘরে বসে ডলার উপার্জন করা একটি বিশাল ব্যাপার বা বিশাল একটি কর্মযজ্ঞ হয়ে দাড়িয়েছে। ধারনা করা হয় বাংলাদেশ পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম বড় একটি ভারচুয়াল ষ্টেশন । সেইখানে সারা দেশের সমস্ত শিক্ষিত ছেলে বা মেয়েদের মেধা যেনো ব্যবহৃত না হয় সেজন্য স্বাধীনতা বিরোধী (ফাসি) বা দেশবিরোধী (ফাসি) একটি চক্র এবং তাদের প্রজন্ম খুবই একটিভ। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন খানে বা জায়গায় বেজায়গায় বলে বেড়াইতাছে যে: এইভাবে ডলার উপার্জন করলে বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে যাবে। শালার মগা কোথাকার: এইভাবে ডলার উপার্জন করাতে বাংলাদেশের ব্যাংক গুলো থেকে টাকা উত্তোলন করে সেগুলো লোকাল মার্কেটে খাটানো যায় যেখানে গরীব মানুষের দেশ বা মার্কেটগুলোতে লিক্যুইড কারেন্সী বৃদ্বি পায়। 


প্রথমত টাকা বাংলাদেশে র বাহিরে অচল। তবে স্বাধীনতা বিরোধী (ফাসি) বা দেশবিরোধী (ফাসি) একটি চক্র এবং তাদের প্রজন্ম বাংলাদেশের টাকা হয়তো ইন্ডিয়াতে নিয়ে যাইয়া রুপি বানায় আবার সেই রুপি পাকিস্তানে নিয়ে যাইয়া হয়তো রুপিয়া বানায় এবং সেই রুপিযা মে বি রাশিয়াতে নিয়ে যাইয়া রুবেল বানায় এবং সেগুলো দিয়ে অস্ত্র কেনা বেচা করে : তাদের জন্য সচল আছে। যাদেরকে এক কথায় দেশবিরোধী প্রজন্ম(ফাসি) বলা যায় বা রুপি/রুপিয়া/রুবেল কেনা বেচা করা গুরপ ও বলা যায় বা অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী ও বলা যায় : তাদের চোখে বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে যাইতে পারে। 



সচরাচর বাংলাদেশের যারা ইন্টারনেট থেকে ডলার উপার্জন করে বা ডলার উপার্জন করে যাইতাছে তারা সবাই শিক্ষিত: ফলে তারা যখন ডলার উপার্জন করে সেটা বাংলাদেশ সরকারের কাছে রেমিটেন্স হিসাবে আসে। সরকারের ভেতরে চোর বা চামার থাকার কারনে হয়তো সঠিক ভাবে জানা যায় না যে : বাংলাদেশে কতো পরিমান রেমিটেন্স আসে বা কি পরিমান রেমিটেন্স ইন্টারনেটে থেকে আসে : যেমন পাওয়া যায় নাই বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত ইন্টারনেটের তার যা দিয়ে সারা দেশের সব মানুষ ইন্টারনেটে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকটেড থাকার কথা।  তো দেশ চালায় গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার (ধরতে গেলে বিসিএস ক্যাডার রা। কোন রাজনৈতিক সরকার দেশ চালায় না। রাজনৈতিক প্রতিনিধি রা জনপ্রতিনিধ। সরকারের সিদ্বান্তগুলো জনগনের কাছে পৌছায়)।  দেয় আর গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ই দেয় ইন্টারনেটে আসা ডলার কে ক্যাশ করে আর প্রাইভেট ব্যাংকগুলো সেগুলোকে ক্যাশ করে উপার্জন কারীর হাতে দেয়। আর সেই সকল উপার্জন কারীরা সেগুলো নিত্য প্রয়োজনীয় মার্কেটে খরচ করে এবং শেষ করে। যেহেতু তারা চোরা কারবারী না: তাই টাকা চুরি করে তারা দেশের বাহিরে নিয়ে যায় না্ যখন দেশের বাহিরে যায় তখণ পাসপোর্ট এনডোর্স করে নিয়ে যায় বা ডুয়াল কারেন্সী হিসাবে নিয়ে যায় ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডে।



জোতদারী আর মজুতদারীর এই বাংলাদেশের সমাজে টাকা কে অনেক সময় গচ্ছীকৃত করে রাখা হয়। ফলে সাধারন গরীব মানুষের কষ্ট হয় অনেক বেশী। দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) এর একসময়কার চাহিদা ছিলো সব বাংগালীকে মাইরা ফালানো। আজো তারা সেই স্বপ্নই দেখে যাইতাছে যদিও তাদের বাপ দাদাদের ফাসির মাধ্যমে মাইরা ফালা ফালা করে ফেলা হয়েছে কিন্তু তাদের প্রজন্ম (ফাসি) তাদের বাপ দাদাদের শিখানো ভুলি ছাড়ে নাই। তাই সাধারন গরীব মানুষ যেনো অর্থ না পায় কাচাবাজর বা লোকাল মার্কেট থেকে: তারা যেনো ব্যবসা করে না চলতে পারে বা উপার্জন করে না চলতে পারে সেজন্য সারা দেশে তারা সরব তুলে: ডলার উপার্জন করলে সব টাকা শেষ হয়ে যাবে: ব্যাপারটা সত্য না। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সব ধরনের মানুষকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডলার উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে এবং সেই ডলার লোকাল মার্কেটে খরচ করতে অনুপ্রানিত ও করে থাকে: রেমিটেন্স যোদ্বা হিসাবে সম্মান ও দিয়ে থাকে। 



ফ্রি ল্যান্সার, আউটিসোর্সিং, মার্কেটপ্লেস এবং এফিলিয়েট এবং সাম্প্রতিককালে শুর ‍ুহওয়া মনিটাইজার রা সাধারনত উন্নত রুচির পরিচয় দিয়ে থাকে সবসময়। তারা যে ডলার উপার্জন করে থাকে তা তারা তাদের লোকাল ব্যাংকে নিয়ে আসে আর সেখান থেকে তারা তাদের মোবাইল ব্যাংকে নিয়ে আসে। সংখ্যার মাধ্যমে তারা চলা ফেরা করে। রেষ্টুরেন্টে খাবে : ক্যাশ টাকার বিল পে নাই : ক্রেডিট কার্ড এ বিল দেয়া হলো। কেনাকাটা করলেও শপিং কার্ডে বিল দিলাম। এইটা একটা প্রজন্ম ই গড়ে উঠেছে : ধারনা করা হয় ৬৪ জেলা সদরে প্রায় ২কোটি মানুষের প্রজন্ম। এরা কখনো ক্যাশ টাকা হাতায় না : এরা নিম্নে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে আর উধ্বে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে। শুধূমাত্র রাস্তা ঘাটে ভাড়া বা রিক্সা ভাড়া বা লোকাল কাচা বাজার করার সময় ক্যাশ টাকা লাগে এদের। সব খরচই এরা ইলেকট্রনিক ওয়েতে মেটায়। তাহলে যদি এই প্রজন্ম ক্যাশ টাকা না হাতায় তাহলে ক্যাশ টাকা শেষ হবে কি করে? এটিএম থেকে টাকা তুললেই সেই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) প্রজন্ম এর  মাথা খাারপ হয়ে যায় যে: বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে গেলো। আমি জানতে চাইতাছি : স্বাধীনতা বিরোধী (ফাসি) বা দেশবিরোধী (ফাসি) একটি চক্র বা দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চাদের (ফাসি) বাংলাদেশের কোন খতরনাক চক্রান্ত্র টাকার বা ক্যাশ নোটের মালিক বানিয়েছে বা কোথায় বাংলাদেশ সরকার ঘোষনা দিছে যে: বাংলাদেশের সব টাকার মালিক দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার প্রজন্ম। এই ধরনের কোন লিখিত ঘোষনা বা গ্যাজেট তো কোথাও দেখি না।  


এই সকল দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) র কাছে থেকে বাংলাদেশ কে রক্ষা করতে হরে : আইন প্রনয়ন করা দরকার যেনো: দেশবিরোধী দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) বাংলাদেশের কোন টাকা বা ব্যাংক নোটে হাত দিতে পারবে না। টাকা বা ব্যাংক নোটে হাত দিতে হলে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ধারী হতে হবে কারন টাকা তে বা ব্যাংক নোটে লেখা থাকে: গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। তো যে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর নাগরিক না সে তো এই টাকাতে হাত দিতে পারবে না বা টাচ করতে পারবে না। হাত দিলে বা টাচ করলে তাকে জেলখানাতে বা আইন পুলিশের গ্রেফতারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তাহলে এই দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) আর কখনো বাংলাদেশের টাকা বা ব্যাংক নোটে হাত দিতে পারবে না এবং আর কখনো বলতেও পারবে না যে: বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে যাবে। স্বাধীনতা বিরোধী (ফাসি) রা বাংলাদেশের কোন কিছুরই মালিক না: নট ইভেন বাংলার আকাশ বা বাতাস। তাদের সামনে শুধূ একটাই পথ: ফাসি বা আত্মহত্যা। 


নোট : শুনেছি: রাজধানী ঢাকা শহরের একটি সংঘবদ্ব চক্রান্ত তাদের বাপ দাদাদের দেশ শতরু দেশ থেকে বিপুল পরিমান ২ নম্বর বা ডুপ্লিকেট ব্যাংক নোট ছাপিয়ে নিয়ে  এসেছে : বাংলাদেশে র টাকা এবং আমেরিকান ডলার যা দিয়ে ঢাকা শহরে তারা একটি মিথ্যা প্রজন্ম তৈরী করে রেখেছে।  দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) এর মূল সমস্যা হলো : তারা শতরু দেশ থেকে বাংলাদেশে এসেছে বাংলার আকাশ বাতাস বা বাংলার মেয়েদেরকে (যদিও সারা বাংলার মেয়েরা একণ অনেকটাই সরব তাদের বিুরদ্বে) জবর দখল পূর্বক ভোগ করার জন্য : কিন্তু তারা বাংলাতে ঢুকে আধ্যাত্মিক জগতে র ইন্টারনেট দখল বা ভোগ করতে যাইয়া  তারা যে জাতে কুত্তা তার স্বরুপ চিনাইয়া দিতাছে। তাই বাংলাদেশের ইন্টারনেট কে দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) মুক্ত দেখতে চাই যারা অশিক্ষিত নিরক্ষর আর ফস করে বলে উঠবে না : মেকাপ সুন্দরী রা সবচেয়ে সুন্দরী বা বাংলার টাকা সব শেষ হয়ে যাবে।  এক কথায় যার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নাই: সে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না। যেহেতু দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি)  জাতে কুত্তার মতো আর তারা যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করে: তাই দেখা যাবে ফট করে একদিন টোটাল বাংলাদেশ ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে যেটা হবে একটা বাংগালীর জন্য একটি অপূরনীয় ক্ষতি আর সেটা হবে একই সাথে দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) এর স্বপ্ন পূরন। তাই সময় থাকতে বাংলাদেশের সকলেই সতর্ক হয়ে যাবেন: দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) এর বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই, তাদের বৈধ ভোটার নম্বর ও নাই আর তারা বৈধ জাতীিয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া ইন্টারনেটও ব্যবহার  করতে পারবে না। প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে প্রতিবাদ করে উঠলে ইন্টারনেটের -ইন্ডাষ্ট্রি বাংলাদেশে টিকে যাবে: গবেটের মতো আর স্বপ্নের দেশ আমেরকিা তে যাইয়া  ৭০-৮০ ডিগ্রী েসেন্ট্রিগ্রেডে মরার কোন দরকার নাই। ডলার এখন ঘরে বসেই উপার্জন করা যায়: প্রয়োজন মেধা। যার মেধা নাই তার তো কিছুই করার নাই। 



যদি আমরিকান সরকার আপনাকে বা জয় বাংলা প্রজন্ম কে ইনভাইট করে নিয়ে যায় সেটা ভিন্ন কথা। যেমন বাংলাদেশের শাহবাগ গনজাগরন (২০১৩) কে আমেরিকার জাষ্টিস ডিপার্টমেন্ট মূল্যায়ন করেছে। 




 ফ্রি ল্যান্সার/ব্লগার/ইউটিউবার:  #masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

একটি Youtube Video থেকে পাইলাম ৭৬ জন সাবস্ক্রাইভার।

  উপরের ভিডিও তে দেখতে পারতাছেন: একটি ভিডিও থেকে আমি প্রায় 76 জন সাবস্ক্রাইভার পাইছি। টোটাল ভিউজ দেখাইতাছে: 3200 (মূলত: 3342) । আমি প্রায় 10...