Tuesday, August 11, 2020

ইন্টারনেটে শয়তান একটা সংঘবদ্ব চক্র।

 শয়তানের কাজ হইতাছে যে কোন খানে একটা সংঘবদ্ব চক্র তৈরী করে সেখানে একটা ঝামেলা বা অযাচিত কিছু একটা তৈরী করা। শুনেছি শয়তান বলে ইহুদি দের সাথে পারে না বা পেরে উঠে না। ১৯৯০ সালের গনজাগরনের  প্রেক্ষাপটে কথা বা স্লোগান প্রায়শই শোনা যাইতো- সামওয়ান----দী, বাংলার ইহুদি। তখনকার সময়ে দাবী উঠেছিলো কুখ্যাত রাজাকারদের ফাসির দাবী যা পরবর্তীতে আরো একটা গনজাগরনের মাধ্যমে সেটা সম্পূর্ন হয়ে উঠে যাকে বলা হয় শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩। 


যাদের কথা বলতেছিলাম - সংঘবদ্ব চক্রদের কাজ হইতাছে দেশে চরম বিশৃংখলা তৈরী করা। তেমনি একটা শয়তানি চক্র এখন ইন্টারনেটে বিরাজ করতাছে। এদের কাজ হইতাছে সহজ সরল মন মানসিকতা সম্পন্ন ছেলে মেয়েদের মাথা কিনে খাইয়া ফেলা। কাজ শেখা, অল্পদিনে কোটিপতি হওয়া, চাইলেই ফ্রি ল্যান্সার বানাইয়া দেয়া, সিবি, ডিভিডি, প্যাকেজ কোর্স সেল, ইউটিউব কোর্স সেল বা আরো কিছু পিডিএফ বা এই ধরনের ব্যাপার স্যাপার যার ফলে  ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা  বাসাতে যাইতয়া গ্যানজাম করে অর্থ সংগ্রহ করে আর সেই ছেলে মেয়েরা কয়েকদিন পরে যখন প্রতারক চক্রের কাছে ধরা খায় তখন তারা  বাসা থেকে চরম প্রেশারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা বন্ধ করে দেয় বা কষ্ট পায়। 


ইন্টারনেট একটা সীমাহীন সাগরের মতো। আমি কয়েকদিন আগে এক ওয়েবসাইটে এক চার্চের ভদ্রলোকের এবাদত দেখতেছিলাম- শুনেছি তিনি প্রায় ৫৭ দিন পানিতে ভেসেছিলেন মেক্সিকো থেকে আমেরিকাতে  আসার সময়ে এবং শুধু পানি খেয়েই তিনি বেচে ছিলেন। তো ইন্টারনেটের সেই সীমাহীন সাগরের মতো জ্ঞানের পরিধিকে থামাইয়া দেয় প্রথমেই যে কেউ ইন্টারনেটে  আসে আর তাকে তার পরিধি থেকে সরাইয়া দেবার ফলে সে অনেক বড় সড় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়।  এইখানে কোন ক্যাটাগরাইজেশন করা যায় না। রাষ্ট্রীয় বিধি নিষেধ মেনে আপনি যা খুশী তাই করতে পারবেন ইন্টারনেটে কারন এইখানে সোসাইটি বা কম্যুনিটি আছে। ধরেন-

  • আপনি চাইলে  সারাদিন পড়াশোনা করতে পারবেন- ইন্টারনেটে রাইব্রেরীর অভাব নাই
  • আপনি চাইলে   সারাদিন চাইলে মুভি দেখতে পারবেন তারন ইন্টারনেটে নিয়মিত রিলিজ প্রাপ্ত মুভি দেখা যায়।
  • সারাদিন আপনি  চাইলে গান শুনতে পারবেন- চাইলে আপনি অনেক পুরাতান পুরাতন গান বের করে শুনতে পারবেন। এমনকি কয়েক দশক আগের গান ও পাওয়া যাবে। 
  • সারাদিন ফ্রি ল্রান্সার বা আউটসোর্সিং বা মার্কেটপ্লেসে পারসোনাল কাজ ও করতে পারবেন। 
  • সারাদিন আপনি চাইলে আপনার াফিসের কাজ ও করতে পারবেন।
  • সারাদিন আপনি গ্রাফিক্স বা ডিজাইন বা ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন। 
  • আপনি চাইলে সারাদিন খেলা দেখতে পারেন অনেক লাইভ চ্যানেল আছে।
  • আপনি চাইলে সারাদিন আপনার প্রেমিকার সাথে গল্প বা ভিডিও চ্যাট ও করতে পারবেন। 
তো এইখানে কাজের কোন শেষ নাই। এইখানে সবাই একেকভাবে নিজেকে গুছিয়ে উপস্থাপন করে।আবার এককজন এককভাবে ব্যবহার করতে চায়। অনেকেই অনেক কাজ শিখতে আসে, ঠকে আবার খুব কম সংখ্যক ই না চাইতেও অনেক কিছু পাইয়া যায় মানে অপ্রত্যাশিত ভাবে অনেক কাজ শিখে যায়। এখন কার সময়ে শতকরা ১০ % ফ্রি ল্যান্সার আছে ইন্টারনেটে যারা ফ্রি তাদের ট্রিকস এবং টেকনিক বিলাইয়া যাইতাছে। আর বাকী সবাই টাকা কামানোতে বা তাবিজ কবজ বিক্রি করাতে ব্যস্ত। ছলে বলে কৌশলে ইন্টারনেট থেকে অর্থ কামানোর ছলে সহজ সরল কচি কচি পোলাপান বা ইয়াং ইয়াং পোলাপানদের কাছ থেকে বিশাল অংকের টাকা তারা প্রতিনিয়ত হাতাইয়া নিয়া যাইতাছে যা দেখে অনেক সময় বোঝা যায় বা মনে হয় তারা রাষ্ট্রের কোন ইশারাতে বা প্রকাশ্য সেল্টারে এই ধরনের কাজ করতাছে। নয়তো প্রকাশ্য দিবালোকে বিকাশ বা রকেট নাম্বার দিয়ে টাকা আদায় করে ভূয়ামি /চিটারি /বাটপারি করতে পারতো না। রাষ্ট্রের কেউ না কেউ তাদের সেল্টার দেয় এবং তারা মোটা অংকের ঘুষ বা গিফট পায় যার ফলে এই ধরনের হাজার হাজার অকেজো এবং অপদার্থ গুলো ইন্টারনেটে টাকা কামানোর চেষ্টা করে। সরাসরি একটা ইউটিউব চ্যানেল খুলে বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে টাাকা নিয়ে, লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে  কাজ শিখানো শুরু করে দেয় এবং দেখা যায় বেশীর ভাগ সময়েই ছেলে এবং মেয়েরা প্রতারিত হইতাছে। ইন্টারনেটে একটা অগাধ সাগরের মতোন। এইখানে প্রথমেই যদি কেউ আইসা প্রতারিত হয় তাহলে তার বা তাদের মনটা  নিশ্চিতই ভেংগে যায়। সে একটা অপার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সময় করে আগে পড়ে লেখা পড়া বাদ দিয়ে ইন্টারনেটে আইসা কাজ শিখার নামে টাকা বিকাশ / রকেটের মাধ্যমে দিয়ে প্রতারিতে হলো। এই দ্বায়িত্ব টা কে নিবে? সরকার? সে যে মনটা খারাপ হইলো বা কষ্ট পাইলো এই ব্যাপারটা কেও দেখলো না। অনেকেই অনেক খানে থানা পুলিশে অভিযোগ করেছে তাতেও তাদের কোন হুশ হইতাছে না। সে যে প্রথমেই ইন্টারনেটে আইসা কাদলো বা কষ্ট পাইলো সেটা রাষ্ট্র দেখেও না দেখার ভান করে যাইতাছে। এ দেশ তো সেই ১৯৭২ সাল থেকেই মুক্তিযোদ্বাদের কে অবহেলা আর কষ্টের মধ্যে রেখেছে ( মুক্তিযোদ্বারা এখনো এই দেশের শুধু মাত্র মুক্তিযোদ্বা ভিত্তিক কোন রাজনৈতিক সরকার গঠন করতে পারে নাই। এখনো তারা এদেশের এ ক্লাস সিটিজেনশীপ বা ভিভিআইপি সিটিজেনশীপও পায় নাই। যারা পায় তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯% এ অ মুক্তিযোদ্বা বা  তাদের বংশধর। ) সে রকম ইন্টােরনেটেও সেই ধরনের দেশ বিরোধী চক্র বাংলাদেশে অনেক অনেক পরিমান গড়ে উঠেছে যারা খুব সহজে অবলীলায় মানুষকে ইন্টারনেটে ধোকা দিয়ে বেড়াইতাছে। মানুষকে ধোকা দিয়ে সে নিজেও চোরের খাতাতে নাম লিখাইতাছে আর যাকে ধোকা দিতাছে তাকে ইন্টারনেট রিলেটেড একটা কষ্ট দিয়ে দিলো। ইন্টারনেটে ডলার প্রযোজ্য এবং ইন্টারনেটে ডলার আনলিমিটিড। সেই আনলিমিটেড রিসোর্স রেখে তারা সীমাবদ্ধ টাকার পেছনে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দিছে। পাগলের মতো কোর্স বিক্রি করার ম্যাসেজ সেন্ড করে বেড়াইতাছে। একেকটা কোর্স সেল করার মাধ্যমে তারা আবার কিছু % ও পাইতাছে। আবার গুগল এ্যাপ ষ্টোর থেকে এ্যাপ ডাউনলোড করে সারাদিনে ১০০/২০০ টাকা উপার্জনের লোভ দেখাইতাছে। খুবই স্মার্ট ছেলে মেয়েদের কেও দেখতাছি এমন এমন ধরনের কাজ করতে যা কখনো কেউ কল্পনাও করতে পারে নাই। তারা হয়তো তাদের স্মার্টনেসকে ভালো কোন মার্কেটপ্লেসে কাজে লাগাইলে  অনেক ভালো হ্যান্ডসাম ইনকাম বা উপার্জন করতে পারতো। কিন্তু প্রতারিত হয়ে টাকার জন্য মারামারি শুরু করেছে। একসময় হয়তো বড় আকারের কোন গ্যানজাম লেগে যাবে এবং তারপরে সেটা আউট অব কন্ট্রোলে চলে যাবে। কারন আমেরিকা বা ইউএসএ ব্রডব্রান্ড ইন্টারনেট সাপ্লাই দেয় শুধু- ইন্টারনেটে কোন ধরনের উপার্জনের গ্যারান্টি দেয় না। ইন্টারনেটে উপার্জনের গ্যারান্টি দেয় তথ্য ভিত্তিক রিসার্চ এনালাইসিস এবং ফ্রি ইউটিউব ভিডিও রিসোর্স- যা দেখা শোনা পালন করা প্রত্যেকটা ইন্টারনেট মানুষের একান্ত কর্তব্য। যদি আপনি গুগণ সার্চ না করতে পারেন বা যদি আপনি ইউটিউব ভিডিও সার্চ না করতে পারেন তাহলে আপনি কখনোই ইন্টারনেট থেকে ভালো কিছু পাবেন না। যদি আপনার বা ্পনাদের ইন্টারনেটে চিটার বাটপারি করার ঈচ্ছা থাকে তাহলে আপনি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মতো মেট্রাপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরী করে  সারাদেশে আপনি ভুয়া লাইভ ক্লাস বা ভূয়ামি করতে পারেন তারন আপনাদেরকে এদেশর রাষ্ট্র একটা প্রচ্ছন্ন সেল্টার দেয় ইন্টারনেটে সকল ধরনের মানুষ আসা যাওয়া করে। আমরা চিন্তা করি যার হাতেই স্মার্ট ফোন আছে তার হাতেই ইন্টারনেট ধরাইয়া দেওয়া। সব ধরনরে মানুষের মেন্টালিটি িএক রকম না। একজন সুশিক্ষিত এবং স্বশিক্ষিত মানুষ যদি ইন্টারনেটে ঢুকে প্রথমেই যদি টাকা পয়সা চাওয়া গ্রুপের গাতে পড়ে যায় তাহলে উনার মন মানসিকতা বদলে যাবে। সেটা ইন্টারনেটের জন্য, জাতির জন্য, প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হয়ে গেলো। আর যেহেতু এই টাকা চাওয়া চক্রটা দেশেই বসবাস করে এবং দেশেই তাদের সবচুরি বাটপারি বা লেনাদেনা - সেহেতু তারা সরকারি সেল্টার নিয়ে আলাদা করে ওয়াই ফাই ম্যান - মেট্রাপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরী করে ইন্ট্রানেট ব্যভহার করে এই সকল কাজ করাবর করতে পারে। ইন্টারনেট না- ব্যাপারটার নাম ইন্ট্রানেট। ল্যান, ম্যান ওয়ান এর সিরিয়াল এ শুধ ম্যান েসিষ্টেম বভ্যহার করে। তাহলে আর এই চক্রটা ইন্টারনেটে আসবে না- মানুষের ক্ষতিও করতে পারবে না আর সাধারন মানূষ জন ক্ষতির স্বীকার হইতে পারবে না। ইন্টারনেট যেহেতু মহাসাগরের মতো সেখানে হয়তো এই ধরনের চিটার বাটপাররা বেশীদিন টিকতে পারবে না কিন্তু একটা ভ্যাপার মনে রাখতে হবে মহাসাগরের ভেতরে যদি আপনি একটা প্লাষ্টিকের বোতল ও ফেলান সেটা প্রায় ৫০ বছর ধরে পচবে এবং সাগরকে ধূষিত করার চেষ্টা করবে। আর এসকল ক্ষেত্রে সরকার নতুন আইনও জারি করেছে দেখলাম- যথাযোগ্য অনুমতি ছাড়া ইন্টারনেটে কারো কাচে টাকা না চাইতে। এই চক্রটা যদি ইন্ট্রানেট ফ্যাসিলিটজ ব্যভহার করে তাহলে তাদের যা যা দরকার তা তারা করতে পারবে। ক।লাস নেয়া, টাকা পয়সা লেনাদেনা করা বা আরো কিছু চাইলে ২/৩ টা ওয়েবসাইটের কাছ থেকেও তারা এই অনুমতি নিতে পারে। এই চক্রটা যদি ফুলটাইম ইন্টারনেটে বসে থাকে তাহলে নতুন যারা ভালো ামনুষ তারা ইন্টারনেটে আইসা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।  আমি সবসময় ই বলি- “ আপনি কখনোই ইন্টারনেটে কাউকে কোন টাকা পয়সা প্রদান করবেন না।”

যে শয়তান চক্র ইন্টারনেটে দেশের ভালো ভালো ছেলে মেয়েদেরকে ধোকা দিতাছে বা ফাকিবাজি করতাছে সেই চক্রটা দেশ বিরোদী দের সন্তানদের চক্র যাকে প্রথমেই বলেছি শয়তানি চক্র। তাদের হাত থেকে বেচে থাকার একমাত্র মন্ত্র- ইন্টারনেটে আপনি কা্িুকে টাকা দিবেন না এব ংকারো কাচে টাকা চাইবেনও না। আপনি যদি কারো কাচে টাকা চান বা কাউকে না জেনে টাকা দেন তাহলে প্রথমেই আপনি একটা বাধো পাবেন যা আপনাকে সারা বিশ্বের আরো ২১৯ টা দেশের মুদ্রা অর্জনে বাধা পাবেন। আপনার ব্রেইনে আর অন্য কিছু কাজ করবে না। ফলে আপনি অণ্যান্য দেশের মুদ্রা অর্জনে বাধা পাবেন বা রেমিটেন্স অর্জনে বাধা পাবেন। 

কয়েকদিন আগে দেখলাম একটা আইনের ডিটেইলস-   বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৪২০ ধারা মোতাবেক- ইন্টারনেটে অযাচিতভাবে কারো কাছ থেকে টাকা চাওয়া ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড হইতে পারে। 

Buy Real Instagram Video Views - SMMCart

Buy Real Instagram Video Views - SMMCart: ☑ Real Instagram Video Views
☑ Full Video Views
☑ 100% Satisfaction guaranteed.
☑ Best Price Guarantee
☑ Manual and Non Drop
☑ Express Delivery.
☑ Your password will not be necessary
☑ Replenishment Guarantee
☑ High quality.
☑ 24/7 Customer Support.
⌛ I will be able to complete your order most time in 48-72 Hour
☏ Connect for details my Skype id: live:info_1064143

#BuyInstagramVideoViews
#BuyInstagramViews
#BuyInstagramViewsForVideoFast
#BuyInstagramViewsForYourVideos,
#BuyRealInstagramVideoViewsCheapFast
#InstantCheap
#RealInstagramVideoViews
#smmcart
#instagramviews
#instagrammarketing
#instagramvideoviews
#instagramtips
#instagramforbusiness
#IGViews
#IGVideo
#IGVideoViews
#igtv
#InstagramTV
#InstagramTVViews

Friday, August 7, 2020

বাংলা নাটক। ইউটিউব ডট কমে ফ্রি দেখা যায়। কোন টাকা খরচ হয় না।

বাংলা নাটকের একনিষ্ঠ ভক্ত আমি। সময় পাইলেই অনেক নাটক দেখি। ঈদের আগের রাত থেকে কালকে পর্যন্ত প্রায় ২০ টি নাটক দেখলাম ইউটিউব  ডট কমে। একজন অশিক্ষিত লোকের সাথে কথা হইতেছিলো কয়েকদিন আগে- বলতাছে আগে তো নাটক দেখলে টাকা দিতে হতো মানে টিকেট প্রাইজ? এখন তো নাটক দেখলে আর টাকা দিতে হয় না। এখন তো ডিশ এন্টেনা দিয়ে ফ্রি প্যাকেজ নাটক দেখা যায় বা ইউটিউবে ও ফ্রি দেখা যায় (কয়েকজনকে আবার দেখলাম আমার বাবার কাছে নালিশ ও দিতে যে - স্যার আপনার ছেলে ফ্রি ইন্টারনেটে নাটক দেখে। আব্বা আমাকে ডিটেইলস বলার আগেই আমি আব্বাকে ইউটিউব পুরোটা বুঝাইয়া দিলাম এবং কিভাবে কিভাবে ভিডিও সার্চ করে দেখতে হয় তাও দেখাইয়া দিলাম এবং বুঝাইয়া দিলাম পুরেপুরি যে ইউটিউব ভিডিও দেখতে কোন টাকা খরচ হয় না- যা খরচ হয় সেটা মোবাইলের এমবি এবং চার্জ। এখণ আব্বা নিয়মিত লাইভ টিভি চ্যানেলের সংসবাদও দেখতে পারে আবার বিবিসি টাও শুনতে পারে এবং খুশী। সেই ব্যক্কলগুলো মনে হয় আমার বাবার কাছে নালিশ দিয়ে ব্যক্কল হয়ে গেছে)। সম্প্রতি আবার ‍ শুরু হয়েছে ইউটিউব ডট কমে বাংলা নাটক দেখার হিড়িক। যাদের আনলিমিডেট ওয়ােই ফাই বা ইন্টারনেট আছে তারা ই শুধু ইউটিউবে নাটক দেখতে পারে। কারন সেখানে এমবি খরচের কোন ব্যাপার নাই- আবার অনেকের ও আছে আনলিমিটডে ওয়াই ফাই। কিন্তু গ্রামে গঞ্জের ছেলে মেয়েরা এমবি কিনে দেখতে হয় যদি স্যাটেলাইটে বা ডিশ কানেকশন দিয়ে দেখতে হয়। আমি ও কয়েকদিন আগে একটা নাটক এমবি দিয়ে দেখলাম ৪০০ মেগাবাইটের মতো খরচ হয় একটা নাটক দেখতে। আর এক গিগাবাইট ডাটা কিনলাম ২/৩ দিন আগে- প্রায় ৪৬ টাকা নিলো। এইখানে মোবাইলের ইন্টারনেটের তো রমরমা ব্যবসা চলতাছে কারন গ্রামের ছেলে মেয়েরা শহরের ছেলে মেয়েদের কালচার সহজেই দেখতে চায় এবং এইটা একটা ক্রেজিনেসের ব্যবসা। 


আমার একটা নিজস্ব গবেষা ইউটিউবরে নাটক দেখে দেখে যে এরা এতো টাকা কোথা থেকে ম্যানেজ করে? নাটকের প্রডিউসার, ডাইরেক্টর, ক্যমারা, লাইট, প্রোডাকশন বা শুটিং হাউসের খরচ বা ভাড়া এবং নায়ক নায়িকা বা অভিনেতা অভিনেত্রীদের খরচ সব মিলে একটা নাটক বানাতে যদি ২/৩ দিন লাগে তাহলে তো খরচ প্রায় ৩/৪ লাখ বের হয়ে যাবার কথা নুন্যতম ( আমার অনেকদিন আঘে মঞ্চ নাটক করার অভিজ্ঞতা আছে) । আর যদি থাকে আউটডোর তাহলে তো আরো বেশী খরচ। কিন্তু একটা নাটক থেকে কি সেই পরিমান মনিটাইজেশন ভিউজ এবং উপার্জন আসে। একেকজনের প্রায় ২০০+ ইউটিউব নাটক আছে। এতো বিশাল পরিমান নাটকের শতকরা ৭০-৮০% এই দেখা যায় ইউটিউবের মনিটাইজেশন। এককটা নাটকে ভিউজ আসে প্রায় কয়েক মিলিয়ন। তো সেই হিসাবে তাদের টোটাল মনিটাইজেশন এর উপার্জন কতো আসে বা তারা টোটাল কতো লাভবান হলো সেই বিষয়টা অজানাই থেকে যায়। নাকি ইউটিউব আনলিমিটেড ফ্যাসিলিটজ পাইছে দেখে সমানেই নাটক বানাইতাছে আর আপলোড করতাছে আর ভবিষ্যত পরিকল্পনা করতাছে । সেদিন এক নায়িকার খবর পড়ে দেখলাম সে বলে গাড়ি কিনেছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা দিয়ে তাও ২টা গাড়ি। এতো বিশাল অংকের টাকা তারা ম্যানেজ করে কিভাবে? বেশীর ভাগ সময়ে তো দেখা যায় একই শুটিং হাইজ ব্যবহার করে আর গতবাধা কাহিণী দিয়ে নাটক নির্মান চলতাছে। আধুনিক কালচারের ভীড়ে রুচিশীলতার আর খোজ পাওয়া যায় না। যে নাটকগুলো আমরা আগে দেখতাম টিভি সেটের সামনে বসে যেমন- একান্নবর্তী বা ৬৯ বা এই সব দিন রাত্রি যা কোয়ালিটি দেখায় বা কোয়ালিটি সম্পন্ন নাটক বানায় যা সারাজীবন চোখে লেগে থাকবে সেইগুলো আর এখন চোখে পড়ে না। তবে গুনী অভিনেতা অভিনেত্রীদের ভীড়ে কিছু কাজ বা নাটক পাওয়া যায় খুব ভালো মানের। কিন্তু সেটা কালে ভদ্রে। একসময় তো মানুষ ইউটিউব দেখাই ছেড়ে দেবে। তখন এই নাটকগুলো ব্যবসা করবে কি করে? হয়তো ইউটিউব পেইড ভারসন হয়ে যেতে পারে বা ক্লাসিক ভারসন হয়ে যেতে পারে যেখানে প্রতি মাসে পেইড আকারে ইউটিউব ব্যবহার করেত হইতে পারে। এখন তো আরো অলটারনেটিভও আসতাছে। ভিমিও, ডেইলিমোটন বা আরো অনেক ভিডিও ষ্ট্রিমিং সার্ভিস। 


যে পরিমান বাংলা নাটকে প্রতিদিন ইউটিউবে আপলোড হয় সেই পরিমান অনুমতিপত্র বা ছাড়পত্র কি সবার আগে (বার্তা বিভাগ বা তথ্য বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট বিভাগ - তথ্য মন্ত্রনালয়)। যদি কখনো তারা জিজ্ঞাসাবাদ করে যে সব নাটকের ছাড়পত্র আছে কিনা বা সব নাটকের অভিনেতা অভিনেত্রীদের পেমেন্ট ক্লিয়ার আছে কিনা, সমস্ত শুটিং হাউজের বিল পরিশোধ আছে কিনা- তাহলে নাটকের ডাইরেক্টর বা প্রডিউসার রা দিতে পারবে তো? আমার মনে হয়- সব কিছু একটা ফাইল আকারে রাখতে হবে অবশ্যই যেনো যে কোন ধরনের ভেরিফিকেশনে সব ‍কিছু সহজে খুজে পাওয়া যায়। ভালো নির্মাতা হলে তো অতি অবশ্যই সব কিছু রেডী রাখবেন। সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে টিকটক অপুকে- দেখা যাবে একসময় কোন ধরনের খুত পাইলে ইউটিউবেও সেই ধরনের অপারেশন শুরু হতে পারে। আর যদি  এডাল্ট বা এই ধরনের কোন ঝামেলা হয় তাহলে তো দেখা যাবে যে কোন সময় দেশে বড় সড় গ্যানজাম লেগে যেতে পারে? সো বুঝে শুনে ভালো কোয়ালিটি সম্পন্ন নাটক রিলিজ দিতে হবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধমে? কলকাতার মুভি সার্চ দিলে ইউটিউবে পওয়া যায় না অনেক সময়। আর বাংলাদেশে একই মুভি বা নাটক ১০/১২ টা চ্যানেল থেকেও আপলোড দিতে দেখা যায়। পুরাতন দিনের গান ১০/১২ টা চ্যানলে থেকে আপলোড দেখা যায় আবার সেখানে মনিটাইজেশন ও চালু দেখা যায়। ইদানিং মনিটাইজেশনের ব্যাপারে বাংলাদেশ তেকে আবেদন নিষেধ থাকা সত্বেও অনেক লোকেশন পরিবর্তন করে মিথ্যা কথা বলে ইউটিউব মনিটাইজেশনে লোকেশন পরিবর্তন করে মনিটাইজেশন চালূ রেখে ভিউজ বা উপার্জন করে যাইতাছে। আমার যদি মনিটাইজেশন এপ্রুভাল না থাকে আর আমি যদি লোকেশন পরিবর্তন করে ভিডিও আপলোড কেরি তাহলে কি আমার ডিভাইস লোকেশন বা আইএসপি রেকর্ড থেকে যাইতাছে না- আর সেটা কি এক ধরনের চুরি হয়ে যাইতাছে না গুগল ইনকরপোরেশনের সাথে? ভালেঅ করে ভেবে দেখবেন। আর ইউটিউব মনিটাইজেশন বন্ধ থাকার পরেও আপনি যদি ব্যানড লোকেশন থেকে ভিডিও আপলোড দেন তাহলে কি সেটা আইন ভাংগার সামিল হয়ে যাইতাছে না? 

ভালো স্পন্সর জোগাড় করে ভালো মানের নাটক তৈরী করে নিজেও ভালো মানের এমাউন্ট মেক করেন আর দর্শকদের কেও ভালো মানের কাজ দেখার সুযোগ করে দিন। দেশে অনেক নাট্যাভিনেতা আছে (মঞ্চ) যারা ইউটিউবে ভালো মানের কাজ দেখতে চায়। আগে দেখেছি এ্যাপস এ ভিডিও চ্যাট করা যায় ১ গিগাবিইটে এক সপ্তাহ। আর একটা ৪০ মিনিটের নাটক দেখলে যদি ৪০০ মেগাবাইট খরচ হয় তাহলে আর মানুষ নাটক দেখবে কেমন করে? এতো বেশী মেগাবাইট আয়তন সম্পন্ন ভিডিও বা মুভি যদি আপলোড করেন তাহলে তো আর ্তো বেশী এমবি খরচ করে লোকজন নাটক দেখবে না। ইউটিউবে নাটকের জন্য আলাদা ক্যামেরা সেট আছে যেখানে নাটকের কোয়ালিট হবে উন্নত আর আয়তনে হবে কম এবং যেটা দেখতে এমবিও খরচ হবে কম। ভালো মানের নির্মাতাদের কে দেখেছি সেই সকল ক্যামেরা সেট ই ব্যবহার করতে। আর যারা ভালো এসইও জানে তারা তো চাইলে দৈনিক ১ বিলিয়ন ভিউজ দিতে পারবে? কোথা থেকে ভিডিও ভিউজ আসতাছে তা দেখার জন্য আপনাকে অবশ্যই ইউটিউব ষ্টুডিওেএ্যাপস ডাউনলোড করে দেখতে হবে। 


Youtube Studio Google Apps



বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট আছে প্রায় ১ কোটি। কিন্তু ৫০ লাখেরই বেশী আছে অফিস আদালতে যেখানে বসে ইউটিউব দেখার কোন জো নাই। আর বাসা বাড়ীতে আছে বোধ করি ৫০ লাখ। সো সেভাবেই ইউটিউব ভিডিও গুলো মকে করতে হবে যেনো রুট লেভেলে গরীব মানুষ যাদের ভালো মানের মোবাইল আছে  তারাও যেনো দেখতে পারে। ইদানিং কালের ইউটিউব নাটক এতো দ্রুত গতিতে আগাইতাছে যাতে মনে হইতাছে আগেকার ২ এক্স লেভেলের বেড সিন দেখতে খুব বেশী সময় লাগবে না মনে হয়। অনেকেই অভিযোগ করে পরিবারের সকলকে নিয়ে ইউটিউব এ নাটক দেখার কোন উপায় নাই। কোয়ালিটি ভালো হলে কোয়ানটিটি কমে যায় কিন্তু কোয়ানটিটি বেশী হলে কোয়ালিটিও কমে যায়। বর্তমানের বাংলাদেশে উন্নয়নের এতো বড় জোয়ার লেগেছে যে- বেশী র্বষ্টি হলে যেমন ঢাকা মেগা শহরের ধানমন্ডি এলাকা ডুবে যায়- তেমনি ২০১১ সালে যেখানে সারা দেশে ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট পৌছে যাবার কথা সেখানে সেটা আজো লুকোচুরি রয়ে গেছে? 

Wednesday, August 5, 2020

Payelia Payel. পায়েলিয়া পায়েল কে ডাকা হচ্ছে জাতীয় ক্রাশ হিসাবে।




একে তো সুন্দরী তার উপরে ড্যাশিং স্মার্ট- মনে হয় খুব দ্রুতই থাকে নিয়ে যাবে খ্যাতির স্বর্নশিখরে। আরো রয়েছে ইউটিউব এর খ্যাতি, ছোট পর্দার জনপ্রিয়তা আর টিকটক।

Saturday, August 1, 2020

Wordpress Employment Form তৈরীর অভিজ্ঞতা।

ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটে একটা বড় সড় কাজ করে দিতে হয়েছে বিগত ২৪ ঘন্টাতে। ভাবলাম কিভাবে শেয়ার করা যায় সবার সাথে? তাই রেগুলার ব্লগ লেখার কথা মাথাতে আসলো- ভাবলাম এক্সপেরিয়েন্স টা শেয়ার করি। কাজটা ছিলো - এমপ্লয়মেন্ট ফর্ম তৈরী। ওয়েবসাইটে যারা সাইট ভিীজট করবে তাার অনলাইনে ক্লায়েন্টের কাছে জবের জন্য আবেদন করবে। আমি অনেক আগে  প্রোগাগ্রামিং শিখেছিলাম। ঘাটতে ঘাটতে অনকে কিছু চোখে ভাসতেছিলো। মনে মনে পুরাতন দিনের সমঋতিচারন করতেছিলাম প্রোগ্রামিং এবং আউটসোর্সিং রিলেটেড। অনেকের কাছেই ব্যাপারটা একেবারে পানির মতোই সহজ। আমি সচরাচর হোয়াইট হ্যাট এসইও নিয়ে কাজ করি । এডিশনালি সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং নিয়ে কাজ করি।ওয়ার্ডপ্রেস বেজড ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শিখা আছে। আগে অনকে ওয়েভসাইট ডিজাইনিং এর কাজ করেছি। আর এখণ সেগুলেঅ ঝালাই করতাছি। এই এতো বছর পরে ওয়ার্ডপ্রেস ডিজাইনের কাজ করতে যাইয়া যা বুঝতে পারলাম WP Builder  আগে যেমন সুন্দর ছিলো  এখনো তেমন সুন্দর আছে যা ব্যবহার করে ইডিলি ওয়োর্ড প্রেস ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট করা যায় অনেকেই আবার দেখলাম নাল থিম ব্যবহার করে বা লাইসেন্স ছাড়া  থিম ব্যবহার করে যেখানে হ্যাকারদের হ্যাকিং  একেবারে সহজ হয়ে যায়। আবার অনেকেই ক্রাকড থিম ব্যবহার করে সেখানেও হ্যাকারা ইজিলি ঘুরে বেড়ায়। আপনি যখনি কোন ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর কাজ করবেন আপনাকে অতি অবশ্যই ক্লায়েন্ট সিকিউরিটি এর ব্যাপারটা মাথাতে রাখতে হবে। যেনো কোন হ্যাকার আপনার ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট হ্যাক না করতে পারে। যাই হোক এমপ্লয়মেন্ট ফরম বানাতে যাইয়া যে যে প্লাগইন গুলারে চেষ্টা করলাম তারমধ্যে রয়েছে -

সবগুলোর ভেতরে সবার শেষে Visual Form Builder দিয়ে কাজ করাতে ক্লায়েন্টের ডিমান্ড ফিলআপ হলো। ক্লায়েন্ট চাইতেছিলো এমন একটা সেট আপ যেখানে ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটে যে কেউ জব এপ্লিকেশন ফরম ফিলাপ করবে সে ফরম টা সম্পূর্ন করার পরে সেও একটা নোটিফিকেশন পাবে এবং ওয়েবসাইটের যে মালিক সেও একটা নোটিফিকেশন পাবে। আমার ইচ্ছা ছিলো ফ্রি একটা প্লাগইন ব্যবহার করে সমস্যাটার সমাধান করা। প্রথমে একটা ফরম মেক করে দিছি - We Forms দিয়ে ফরমটা মেক করার পরে যখন নতুন কেউ আইসা ফরম ফিলাপ করতাছে তখন আর ক্লায়েন্ট কোন নোটিফিকেশন পাইতেছিলো না। এপ্লাই অনলাইন দিয়েও চেষ্টা করলাম কিন্তু নোটিফিকেশন পাইতেছিলো না। ফলে আরো সার্চ করার প্রয়োজন পড়লো। ফাইনালি পাইয়া গেলাম ভিজ্যুয়াল ফরম বিল্ডার। অনেকক্ষন সময় নিয়ে যত্ন করে পুরো ফরম টা ফিলাম করে একটা টেক্সট ফরম পুরন করলাম এবং সেটা ইমেইল ইনবক্সে আসলো এবং বুঝলাম যে কাজটা সম্পূর্ন হয়েছে। ক্লায়েন্ট কেও আপডেট দিলাম। তো ফাইনালি ২৪ ঘন্টার ভেতরেই কাজটা করে ফেলাইতে পারলাম আর ভাবলাম যে একমনে চেষ্টা কররে এখনো কাজ করা সম্ভব। 









      Thursday, July 30, 2020

      আইএসের হামলার শঙ্কায় সতর্ক পুলিশ: বড় কিছু করার সক্ষমতা নেই- বলছে CTU.



      করোনা পরিস্থিতিতে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের না হওয়া বা বাহিরে না যাওয়াটা বড় সড় ক্ষতি এড়ানো সম্ভব- বাংলাদেশ পুলিশের সার্বক্ষনিক সতর্ক অবস্থা আশা করি আমাদেরকে যে কোন ধরনের বিপদের হাত থেকে বাচাবে। সমস্ত দেশের জেলা সদরেও ভালো সতকর্তা নেয়া প্রয়োজন। তাছাড়া যে সকল জায়গাগুলোতে গ্যাদারিং হতে পারে বা এই মুহুর্তে হইতাছে সে সকল জায়গা গুলো এভয়েড করা প্রয়োজন। করোনার কারনে ঈদে কেনাকাাট না করলে ভালো হয়। ঘরে থাকুন, সেইফে থাকুন। বাংলাদেশ মুসলিম দেশ- এইখানে ইসলামী চরমপন্থীরা আহামরি তেমন কোন ক্ষতি করতে পারবে না যদি আমরা সবাই সতর্ক থাকি। এইবারে ঈদের জামাতেও ঘরে থেকে পড়ার জন্য বা পুরিশ পাহারাতে স্বল্প আকারে মসজিদে পড়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। শপিং মল গুলো এড়াইয়া চলা উচিত। কেনাকাটা পড়েও করা যাবে কিন্তু জীবনের সেফটি থাকা উচিত। যে কোন কানে ভীড় না করাটাই ভালো কারন যারা জংগী দেশ িবিরোধী তারা কয়েখজন কে একসাথে পেলেও আক্রমন করে তাদের সুবিধা আদায় করে নেবার চেষ্টা করবে। আফগানিস্তানের দিকে তাকালে দেখা যাবে তাদের হামালা গুলো ভয়ংকর টাইপের ই হয়। 


      Marketplace. Freelancing outsourcing Bangla Tutorial.

      Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

      ইন্টারনেটে শয়তান একটা সংঘবদ্ব চক্র।

       শয়তানের কাজ হইতাছে যে কোন খানে একটা সংঘবদ্ব চক্র তৈরী করে সেখানে একটা ঝামেলা বা অযাচিত কিছু একটা তৈরী করা। শুনেছি শয়তান বলে ইহুদি দের সাথে ...

      $$ Forum post $$ Blog Comment $$

      Earn Money Posting in Forums

      The world best web hosting service