Translate

Thursday, September 17, 2020

White Hat SEO- Off Page optimization- Social Media (Example: Facebook) Marketing . Part - 03

আগেকার পর্ব গুলোতে আমরা মোটামুটি ভালো কিছু আইডিয়া পেয়েছি সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ব্যাপারে। আজকে আমরা চতুর্থ পদ্বতি টা নিয়ে আলোচনা করবো। আমাদের দেশে যারা ফেসবুক ব্যবহার করে তারা সাধারনত ফেসবুক পেজে বা পোষ্টে লাইক পেতে পছন্দ করে। সোশাল মিডিয়া তে পোষ্ট দেবার পরে যে কেউ চাইলে আপনার কাছ থেকে লাইক আশা করতে পারে এবং সেটা চাওয়াটাই স্বাভাবিক। এখন অনেক মানুষ ভাবে যে- কেনো আমি তাকে লাইক দেবো? বাস্তবে কিন্তু লাইক দিতে কোন টাকা বা পয়সা লাগে না। এইটা একদম ফ্রি একটা ব্যাপার। কিন্তু ইন্টারনেটে অনেকেই আছে যাদের আঙুল চলে না। তারা সহজে লাইক দিতে চায় না কিন্তু তারা প্রতিনিয়ত ইম্প্রেশন দিয়ে যাইতাছে। ইম্প্রেশন বিজনেস আগে চালু ছিলো- ইম্প্রেশন তৈরী করার জন্য পেমেন্ট পাওযা যাইতো। যেমন: গুগল এডসেন্স এর মনিটাইজেশন তৈরী করার জন্য ১০০০ ইম্প্রেশন এর জন্য আগে পাওয়া যাইতো ৩ ডলার। কিন্তু এখন সেটা দেয় কিনা তা সঠিক ভাবে জানি না - বোধ করি দেয়। ফেসবুকে একটা পোষ্টিং করার পরে যখন কেউ কোন লাইক পায় তখন সে খুশী হয়। লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার যাই আপনি করেন না কেনো- যে পোষ্টিং দিছে সে খুশী হবে। কিন্তু সব মানুস সব সময় লাইক পায় না। অনেকে অনেক ধরনের পাগলামি করে লাইক কমেন্টস পাবার জন্য। কিন্তু সেটা তে কোন লাভ নাও হতে পারে। সেজন্য ই আগেকার ৩ টা পদ্বতি আলোচনা করেছি। আপনি যদি মিস করে থাকেন তাহলে আপনি দয়া করে আগের লেখাগুলো পড়ে নিবেন। আজকে যে পদ্বতির কথা ডিটেইলস বলবো সেটার নাম হইতাছে সোশাল মিডিয়া এক্সচেন্জ। 


আমরা সবাই একটা কম্যুনিটি তে বসবাস করি সেটা হইতাছে শিক্ষিত কমুনিটি বা এডুকেটেড কম্যুনিটি। এখন যদি আপনি এমন একটা সিচুয়েশনে পড়েন যে- আপনার  আশে পাশে যারাই আছে তারা  অশিক্ষিত বা একেবারে অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন তাহলে তো তাদেরকে আর সারা জীবনেও শেখাতে পারবেন না যে ইন্টারনেট কি বা লাইক ফলোয়ার কি ? তাহলে আপনার সারা দিন যাবে এই সকল কাজ করতে করতে। এখন আপনি ইন্টারনেটে লাইক ফলোয়ার জেনারেট করার জণ্য নানা ধরনের ছল চাতুরী বা অনেস্ট উপায়ের সাহায্য নিতে পারেন। আপনি আপনার বন্ধুদের বলতে পারেন, আপনার বন্ধুদেরকে নিয়ে আপনি একটা কম্যুনিটি গঠন করতে পারেন বা আপনি ইন্টারনেটের হ্যাশট্যাগের সাহায্য নিতে পারেন। আরো অন্যান্য লিগ্যাল উপায়ে আপনার লাইক ফলোযার  বাড়াতে পারেন। কিন্তু ইন্টারেনেট দুনিয়ায় বা তথ্য প্রযুক্তির দুনিয়ায় প্রত্যেক মানুষের একটা নিজস্ব স্বকীয়তা আছে। প্রত্যেক মানুষের একটা নিজস্ব স্বাধীনতা আছে। আপনি কখনো্ই চাইলে সেই স্বাধীনতা টুকুতে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। আপনি ইন্টারনেটে এসছেন মজা করতে বা ফান করতে বা নতুন নতুন বন্ধু বানাতে। কিন্তু একটা সংঘবদ্ব চক্র আপনার প্রোফাইল টাকে টার্গেট করে বসলো এবং অযাচিত উপায়ে আপনাকে লাইক বা ফলোয়ার দিতে শুরু করলো যেগুলোর কোন ভ্যালু আপনার কাছে নাই। তাছাড়া হঠাৎ করে আপনার অনুমতি ছাড়া আপনার প্রোফাইলে যদি কেউ পরিকল্পনা মোতাবেক আপনাকে ভাইরাল সেট করে আর বলে যে আপনি অনেক পপুলার পপুলার তাহলে কিন্তু ইন্টারনেটে আপনার নিজস্ব পরিকল্পনাটা ভেস্তে গেলো। কারন যে কোন উপায়ে সোশাল মিডিয়া সিগনাল জেনারেট করার কারনে এবং আপানর প্রোফাইল পোষ্ট পাবলিক থাকার কারনে আপনার পোষ্টিং এ আপনার অনুমতি ছাড়া আপনাকে লাইক বা ফলোয়ার দিয়ে আপনাকে হতচকিত করে আপনার পারসোনাল লাইফে প্রবেশ করে আপনার লাইফ টা হ্যস্ত ন্যাস্ত করা হলো - এইটাকে তো সোশাল মিডিয়া পপুলারিটি বলে না। তাই একজন মানুষ সত্যিকার অর্থে সোশাল মিডিয়া তে কি চাইতাছে সেটা আগে জানা দরকার? আমার কাছে স্কোপ আছে আর আমি না জানিয়ে যে কারো পোষ্টে লাইক বা ফলোয়ার এড করে দিলাম তাহলে সে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাবে এবং চিন্তা করবে যে কিভাবে এতো পরিমান আননোওন লাইক আসলো। তারপরে আপনি তার সাথে কন্ট্রাক্ট করলেন এবং বললেন যে রেগুলার এতো পরিমান লাইক পাবার জন্য আপনাকে এই খারাপ কাজ টা করতে হবে আমাদের দেশের মেয়েদের যে নিয়তি বা যে অবস্থা- তাতে লোক লজ্জার ভয়ে আপনি সেই খারাপ কাজটা করতে রাজী হয়ে গেলেন এবং ফলে আপনি আমাদের দেশের সমাজে একটা আলাদা নাম পেয়ে যাবেন যেখানে আপনারা মনের অবস্থা কি তা কখনো কেউ বিবেচনা করবে না- এই ধরনের অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে বিবেচনা করলে ফেডারেল ল তে কঠিন শাস্তি হতে পারে। উন্নত দেশে এই ধরনের কাজ করাবার করা নিষেধ।  আপনি বিনা অনুমতিতে কারো পোষ্টিং এ লাইক বা ফলোয়ার জেনারেট করে যদি তার মন জোগাড় করতে চান তাহলে বুঝতে হবে যে এইখানে একটা ফেইকইজম আছে যেটা মেয়েটা হয়তো জানে না। একজন সুন্দরী মেয়ে একটা পোষ্টিং দিলো- সেখানে সে তার কম্যুনিটি এর বাহিরে থেকে অনেক লাইক বা ফলোয়ার পাইলো  এবং সেখানে হ্যাশট্যাগের ব্যবহার নাই তাহলে ব্যাপারটা সন্দেহজনক- কারন সে কোথাও থেকে লাইক বা ফলোয়ার কেনার জন্য কোন অর্ডার করে নাই । কারন উন্নত দেশে এমন কোন পদ্বতি নাই যে যেখানে হ্যাশট্যাগের প্রয়োগ ছাড়া আপনি সোশাল মিডিয়াতে হঠাৎ করে পপুলার হয়ে যেতে পারেন কিছু কিছু সেক্টর ছাড়া- যারা জন প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ বা টিভি সিনেমার মডেল বা নায়ক, নায়িকা, ফ্যাশন জগত এদেরকে ছাড়া ? আর বাকী প্রফেশন গুলোতে হঠাৎ করে কেউ পপুলার হয়ে গেলে সেটা সহজে কেউ মনে রাখবে না যদি তার কোন কন্টেন্ট না থাকে। মেয়েটা অনেক সুন্দর এই কথা বলে তার কয়েকটা ইমেজে ১ লাখ বা ২ লাখ করে লাইক পড়তে পারে কিন্তু নিয়মিত সে ১ লাখ লাইক পেয়ে যাবে এইটা হয়তো অনেকেই বিশ্বাস করবে না কারন তার কাছে তেমন কোন কন্টেন্ট থাকে না শুধু তার সৌন্দর্যই। তো আমাদের দেশে যারা সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে তাদের অনেকের মাঝেই এরকম ধরনের ম্যান্টালিটি কাজ করে থাকে। মনে মনে একজন কে টার্গেট করে তারপরে তারে যে কোন একটা উপায়ে তার কোন পোষ্টিং কে ভাইরাল করে তারে বাস্তব জীবনে হ্যারাজমেন্ট করার চেষ্টা করে যেটা ইন্টারনেটে আইনে অপরাধ বা গর্হিত অপরাধ হিসাবে বিবচেতি হবে। এখন আপনি ফ্রি ল্যান্সার বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার - আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে তার পোষ্টিং লাইক বাড়াতে বললো সেটা লিগ্যাল কারন সে আপনার মেধাটা কিনে নিয়ে আপনাকে দিয়ে সেই লাইকগুলো বাড়ানোর জন্য আপনাকে পেমেন্ট করতাছে আর আপনি সেটা লিগ্যাল উপায়ে এড করে দিয়ে কিছু টাকা পয়সা বা ডলার উপার্জন করলেন- এইটা ওকে আছে। যে ধরনের ওয়েবসাইট গুলোর কথা আমরা আলোচনা করতাছে তার মধ্যে নীচে একটা উদাহরন দেয়া হলো : 

AddMeFast.com - FREE Social Promotion AddMeFast.com - FREE Social Promotion

এই ওয়েবসাইট গুলো থেকে আপনি অনবরত  সারা বিশ্ব থেকে লাইক বা সিগনাল জেনারেট করতে পারবেন। এরকম অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো আপনাকে প্রতি মূহুর্তে সিগনাল এনে দেবে। আপনি চাইলে এইখানে ক্রেডিট কার্ড এক্সেস করে কোটি কোটি ভিউজ বা ডলার হাতাইয়া নিতে পারেন কারন এইগুলো অনেক বড় ব্যবসায়িক প্লাটফর্ম। এই পুরো ব্যাপারটাই পরিচালিত হয় ওয়েবসাইট মালিকের সাথে সারা বিশ্বের সোশাল মিডিয়া ডেভেলপারদের। প্রত্যেক সোশাল মিডিয়ার যারা মালিক একটা এপিআই ফ্যাসিলিটজ দিয়ে থাকে যেখানে ডেভেলপার রা সারা বিশ্বে সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেলিং সার্ভিস করে থাকে যা ১০০% লিগ্যাল সোশাল মিডিয়ার পক্ষ থেকে কারন সেটা তাদের ব্যবসা নয়তো তাার এপিআই ব্যবহার করার অনুমতি দিতো না আর ডেভেলপার ও তাদের ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতো না। এই ধরনের ওয়েব সাইট  আছে  প্রায় হাজারেরও  উপরে। আপনিও চাইলে বাংলাদেশী গুগল ডট কমে সার্চ করে দেখতে পারেন Social Media Exchange লিখে। আমি আমার পুরো লেখাটাই শুধুমাত্র একটা সিগনাল - ফেসবুক লাইক এর মাধ্যমে বোঝাতে চাইতােছি। বাকী সোশাল মিডিয়া গুলোর জন্য সিগনাল আপনি নিজে বিবেচনা করে নিবেন। 

Social Media Exchange এর মাধ্যমে সাধারনত একজন আরেকজন কে লাইক দেয় বা ফলো করে। এইখানে যারা ওয়েবসাইট অনার তাদের ১ ক্রেডিট করে বোনাস থেকে থাকে। এইভাবে প্রত্যেকটা ইউজার যে পরিমান লাইক বা ফলোয়ার সেট করে সে পরিমান নাম্বার তারা উপার্জন করে থাকে। ধরেন: এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমার ১ হাজার লাইক দরকার - আর আমি সেট আপও করলাম ১০,০০০ পয়েন্টস ১০০০ লাইকের জন্য।  তাহলে ১০০০ লাইক এড হইতে হইতে আপনার একাউন্ট থেকে ১০,০০০ পয়েন্টস কেটে নেবার সাথে সাথে ওয়েবসাইটের পারসোনাল একাউন্টেও এড হবে ১০০০ পয়েন্টস। সেই ১০০০ পয়েন্টস আপনি চাইলে সোশাল মিডিয়া Buy points  সেকসান থেকে কিনেও নিতে পারেন যেটা ওয়েবাসইটের মালিকের লাভ হিসাবে থেকে যাবে। এইখানে যারা জ্ঞানার্জন করতে চায় তারা নিয়মিত পয়েন্টস এর কাজ করবে আর যারা জ্ঞানার্জন করতে চায় না- তারা সরাসরি পয়েন্টস কিনে সিগনাল সেট করবে। জ্ঞানার্জন বললাম কারন আপনি যদি একদিন ১০০০ ইউজার এর সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল দেখে থাকেন বা ভিজিট করে তাকেন তাহলে কিন্তু আপনার জ্ঞানের পরিধি চলে যাবে অন্য রকম এক উচ্চতায়।  যেমন: আমার যখন এই মূহুর্তে ১ কোটি  ইউটিউব ভিউজ লাগে তাহলে আমি ১০ কোটি পয়েন্টস কিনে নিবো প্রথমে। যাকে আমার মিলিয়ন মিলিয়ন ভিু্উজ বলে থাকি। 

এইখানে ৩০০০ পয়েন্টস এর দাম আছে- ১০ ডলার। 
তাহলে ৩০,০০০ পয়েন্টস এর দাম হলো- ৩০০ ডলার। 
৩০০০০০ পয়েন্টস এর দাম হলো ৩০০০ ডলার। 
৩০ লাখ  পয়েন্টস এর দাম - ৩০,০০০ ডলার। 
৩ কোটি পয়েন্টস এর দাম ৩০০০০০ ডলার। 

ভেবে দেখতে পারেন ১০ কোটি পয়েন্টস কিনতে আপনাকে কতো অসংখ্য টাকা বা ডলার গুনতে হবে আর এত করে ওয়েবসাইটের মালিকের কতো পরিমান লাভ হইলো। আবার এই ওয়েবসাইট কে আপনি  অবৈধও বলতে পারবেন না কারন এই ওয়েবসাইট বাংলাদেশে চালু হইতাছে, ক্রেডিট কার্ড ফাংশন ও একটিভেট হইতাছে। তাহলে তো বলতে হয় এই ধরনের ভিউজ দ্বারা যদি কেউ নিজেকে পপুলার মনে করে তাহলে সেটা হবে ফেইক পপুলারিজম। অরিজিনাল হবে রিয়েল সব ফ্যাক্টর দ্বারা সব কিছু বিবেচনা করে White Hat SEO- Off Page optimization- Social Media সমস্ত পলিসি এপ্লাই করে আপনি যদি ভিউজ জেনারেট করে তাকেন তাহলে আপনি একদম রিয়েল অডিয়েন্স এর ছোয়া পাবেন। কিন্তু আপনি যদি ফেইক পলিসির স্বীকার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার পুপলারিটি কোন কাজে লাগলো না। কিভাবে বুঝবেন যে আপনার সোশাল মিডিয়া সিগনাল রিয়েল কিনা? 

প্রথমত আপনি এনালাইটিকস ষ্টুডিও এ্যাপ এর সাহায্য নিবেন এবং সেখানে সিগনাল এনালাইসিস করার কিছু ফ্যাক্টর পাবেন। ভুলেও আপনার সোশাল মিডিয়া পাসওয়ার্ড কারো সাথে শেয়ার করবেন না। কারো সাথে পাসওয়ার্ড  শেয়ার না করাটাও  ইন্টারনেটের বেসিক নলেজের ব্যাপার। সোশাল মিডিয়া এক্সচেন্জের সাহায্যে আপনি চাইলেও উপার্জন ও করতে পারেন। আমাদের দেশের অনেক অনেক ছেলে মেয়ে এই ধরনের ওয়েবসাইটের পয়েন্টস সেল করে তাকে তাদের নিয়মিত হাত খরচ মেইনটেইন করে থাকে। 
 

এই ওয়েবাসইট গুলোতে আপনি যদি কাজ করে থাকেন তাহলে আপনি নিয়মিত আপনার পোষ্টিং এ লািইক বা সিগনাল জেনারেট করতে পারেন। তারপরেও কিছু সিক্রেট আঠে যেগুলো গোপন রাখতে হয়। আপনাকে অনবরত ব্রেইন কাটাতে হবে কিন্তু আপনি কোন টাকা খরচ করতে পারবেন না শুধু ইন্টারনেট কষ্টিং ছাড়া। আর আপনি যদি এই টেকনিক টা এপ্লাই করেন তাহলে আপনি সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং করে বড় অংকের ডলার বা টাকা উপার্জন করতে পারবেন তবে এই ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের লও আছে। সম্প্রতি ল পাবলিশ হয়েছে যে- দন্ডবিধির ৪২০ ধারা অনুযায়ী আপনি যদি ইন্টারনেট বা ইন্টারনেটের ফ্যাক ইজম এর মাধ্যমে টাকা চান তাহলে আপনার নূন্যতম ২ বছল সশ্রম কারাদন্ড ভোগ করতে হতে পারে। আর আপনি যদি সরাসরি হ্যাকিং বা ইন্টারনেট থেকে সোশাল মিডিয়া য় হ্যাকিং বা হ্যারাজমেন্টর কাজ করে তাকেন তাহল আপনার নিম্নে সাত বছরে জেল এবং সর্ব্বোচ্চ ফাসির রায় হতে পারে। তবে পয়েন্ট কেনা বেচায় অল্প পরিমান টাকা ব্যয় হয় আর এ ব্যাপারে বাংলাদেশের ভেতরে পয়েন্স কেনাবেচার গ্রুপ আছে বিধায় এইখাসে সেন্ড মানি ফাংশনে তেমন কোন অপরাধ গন্য করা যাবে না। কারন পয়েন্ট এর প্রাইজ টা অনেক লো। ওযেবসাইটে ব্যভহৃত ৩০০০ পয়েন্টেস এর দাম যেখানে ১০ ডলার (৮৪০ টাকা ) সেখানে বাংলাদেশে পয়েন্ট কেনা বেচা হয় ১২০-২০০ টাকা /১০০০০ পয়েন্টস তাও যারা ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং তারা তাদের নিজস্ব প্রয়োজনে যে কাউকে হায়ার করা সহ যে কাউকে দিয়ে যে কোন কাজ আদায় করে নিতে পারে কারন রেমিটেন্স উপার্জন করার কারনে তার রেমিটেন্স কে ক্যাশ করে দেবার সাথে সাথে এই অনুমতিও দেয়া হয়ে থাকে যে- এই রিলেটেড কাজ কারবার যে করতে পারবে। কিন্তু হ্যারাজমেন্টর জন্য আপনি যদি কারো কাছে   অনলাইনে   টাকা চান  বা প্রতারনা করে থাকেন তাহলে আপনার জণ্য জেল জরিমানা নিশ্চিত। যেমন স্মপ্রতি কয়েখ বছল যাবত অনলাইনে শুরু হয়েছে - প্রতারনা মূলক ক্লাস, অলপইদনে কোটিপতি ফ্রি ল্যান্সার হয়ে যাওয়া, ঘরে বেস উপার্জন করুন কোটি কোটি টাকা এই ধরনের প্রোগ্রামে     গুলোকেই বোধ করি মার্ক করা হয়েছে আর সেখান থেকে এই ৪২০ ধারার অনলাইন প্রতারকদের শাস্তির ধারা প্রকাশ হলো। 

এ্কই ধারাবহিকতায় আগামী কাল আলোচনা করবো সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং ওয়েবসাইট গুলো নিয়ে। অনলাইন থেকে সোশাল মিডিয়া সিগনাল কিনে সেটা এড করা এবং সেটা দ্বারা কতোটুকু বেনিফিট হওয়া যায়- সে ব্যাপারে।একটা জিনিস মনে রাখতে হবে যে- একজন ফ্রি ল্যান্সার যে দেমের জন্য রেমিটেন্স উপার্জন করে বা এক সময় করেছে তাকে রাষ্ট্র সর্ব্বোচ্চ পরিমান ছাড় দেবে ফ্রি ল্রান্সার এবং মার্কেটপ্লেস নিয়ে লোকালি নিজের মতো করে কাজ করার জন্য কিন্তু আপনি যদি কোন ধলনের লিষ্টেড ফ্রি ল্যান্সার না হোন বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার না হোন তাহলে আপনি ইন্টারনেটে যাই করতে যাবেন তাই আপনার জন্য দুই নাম্বারি হয়ে দাড়াবে। কারন আইন গুলো যা তৈরী হইতাচে সেগুলো চিটার বাটপারদের জন্য তৈরী হইতাছে। আমার নিজস্ব ষ্টাডি থেকে বলতে পারি যে- না জেনে ইন্টারনেটে লক্ষ কোটি মেয়ের জীবন নষ্ট হয়েছে অলরেডী কারন তাকে হঠাৎ করে চমকে দেবার মতো কাজ কারবার করে তাকে বাস্তাবে নিয়ে হ্যারাজ করার কারনে। কারন এই ব্যাপারগুলো হয়তো তারা আশাও করে নাই। আজকে যদি আমেরিকার সামরিক বাহিণা বা আমেরিকার প্রশাসন ঘোষনা দেয় যে- সারা বিশ্বে এক সপ্তাহ ইন্টারনেট কানেকশন থাকবে না তাহলেই এই ব্যাপারগুলো ধরা পড়ে যাবে। 

নোট: এডমিফাষ্ট বাংলাদেশের বাহিরের একটা ওয়েবসাইট। এই ধরনের আরো অনেক ওয়েবসাইট আছে যা ইন্টারনেটে ওপেন হয়। আপনি যদি মনে করেন যে- এইগুরো লিগ্যাল না - তাহলে সেটা আপনি কমপ্লেইন করে বন্ধ করে দিতে পারেন। আর যদি আপনার অভিযোগের পরেও বন্ধ না হয় তাহলে বুঝতে হবে যে - ওয়েবসাইট টা লিগ্যাল- আপনার অভিযোগটা ইলিগ্যাল। 

Wednesday, September 16, 2020

White Hat SEO- Off Page optimization- Social Media (Example: Facebook) Marketing. Part - 02

আগেকার পর্বে (পর্ব- ০১)  আলোচনা করেছি White Hat SEO- Off Page optimization- Social Media Marketing। এই ব্যাপারটাই বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর নাম ধারন করেছি সারা বিশ্বে। কেউ যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপারে এ টু জেড খুটি নাটি শিখে যায় তাহলে তাকে আর পুরো ব্যাপারে কষ্ট করতে হবে না। যারা শিক্ষিত  এবং বড় মাপের শিক্ষিত ছেলে পেলে তারা সব সময় কোয়ালিটি ম্যাটেরিয়ালস খুজে পাবার চেষ্টা করে ইন্টারনেটের সোশাল মিডিয়া তে বা তথ্য বহুল ব্যাপার স্যাপার গুলো। চকচক করলেই সোনা হয় না মেথডের মাধ্যমে বলতে হয় যে - আপনি আপনার সোশাল মিডিয়া কন্টেন্ট যদি তথ্যবহুল রাখেন তাহলে আপনার পোষ্টিং জনপ্রিয়তা পাবেনই। লাইক, ফলোযার বা কমেন্টস অনেক ছোট বাচ্চা ছেলে পেলেদের হাতে চকোলেট ধরিয়ে দেবার মতো। যারা মনে করেন লাইক, ফলোয়ার, কমেন্টস থাকলেই সোশাল মিডিয়া কন্টেন্ট পপুলার হবে - তারা এক ধরনের বোকার স্বর্গরাজ্যে বসবাস করতাছেন বলা যাবে। কারন এখন এমন এমন টেকনিক আছে যার মাধ্যমে যে কাউকে সোশাল মিডিয়ায় ধোকা দেয়া একাবারেই সহজ। আপনি একটা কন্টেন্ট তৈরী করলেন আর সেখানে রিয়েল রুকিং ১ কোটি লাইক নিয়ে আসা হলো- এইখানে কিন্তু আপনি একটা ধোকা খেয়ে গেলেন। সোশাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বা এদেশের এপিআই টা এখনো চোখে পড়ে নাই। সারা বিশ্বের অনেক অনেক সার্ভার খুজে খুজে মাঝে মাঝে পাওয়া যায় ইউটিউবের বাংলাদেশী ভিুউজ কো র অপশন। আমি যদি আপনাকে রিলেল লুকিং লাইক দেই তাহলে প্রথম দেখাতে আপনি বুঝতে পারবেন না যে - সেগুলো রিয়েল অর রিয়েল লুকিং। ধরেন আমার কাছে বাংলাদেশের এপিআই কন্ট্রোল আছে। আমি চাইলে যেখানে ইচ্ছা সেথানিই কিছু লাইক এনগেজ করতে পারবো। বাংলাদেশের যে আইপি সেখানে এই এপিআই টা রান করাতে হবে এবং তারপরে যে সকল সোশাল মিডিয়া বাংলাদেশের এপিআই ব্যভহার করবে বা করেছে সে সকল সোশাল মিডিয়া গুলোতে সোশাল মিডিয়া সিগনালের ব্যাপারটা কন্ট্রোল করা যাবে। এখন যদি আমি বাংলাদেমেল এপিআই এর বাংলাদেমেল কোন স্বনামধন্য ব্যক্তির একটা ফেসবুক পোষ্টিং এ এপিআই সেট কের রাখি তাহলে অনেকগুলো উপায়ে সেখানে  লাইক বা ফলোয়ার আসতে পারে। যেমন ধরনে- বাংলাদেশের জন ্যবরাদ্দকৃত আইপি গুলোতে যদি আমি সোশাল মিডিয়া এপিআই ব্যভহার করে আপনার একটা পোষ্ঠিং সেট আপ করে রাখি আর সেখানে যদি বলে দেয়া থাকে যে যারা নতুন ব্যবহার কারী শুধূ তারা ই  পোষ্ঠিং টা দেখতে পারবে তাহলে আজকের দিনে যারা ফেসবুক একাউন্ট ওপেন করবে বা যারা আজকের দিনে নতুন মোবাইল কিনে ফেসবুক একাউন্ট ওপেন করবে তাার সেই পোষ্ঠিং টা দেখবে আর পোষ্টিং টা যদি আকর্ষনীয় হয়ে তাকে তাহলে সেখানে আলটিমেটলি লাইক আসবে বা ফলোয়ার বা কমেন্টস ও আসবে। এখন বাংলাদেশের যদি এপিআই না থাকে তাহলে আরো অন্যান্য পদ্বতি বভ্যহার করা যাবে। যেমন: আমার কাছে যদি ১০ লক্ষ ফেসবুক একাউন্টের ডিটেিইলস থাকে আর আমি যদি কোন না কোন দেশের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে সেগুলোকে তাহলে আমি একটা ম্যাক্রো প্রোগ্রাম তৈরী করে মাইক্রোসফট এক্সল বা মাইক্রোসফট এক্সেস তৈরী করে সেখানে যদি আমি বট সেট করি আর বলি যে - এইকানে ২০০০ কম্পিউটার আছে- সেগুলোতে প্রত্যেকটা কম্পিউটারে এক্সল ফাইল টা ওপেন করে এক্সল ফাইল থেকে ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড কালেকশন করে ব্রাউজারে ফেসুবক পোষ্ঠিং টা ওপেন করবে এবং সেটাতে লাইক জেনারেট করবে তাহলে সে লাইক গুলোও দেখতে আপনার রিয়েল মনে হবে কিন্তু বাস্তবে তাদের কাছ থেকে কোন লিড বা ব্যবসা পাবেন না।   কারন লাইকগুলো দেখতে রিয়েল হলেও বাস্তবে রিয়েল হবে না। আবার এই এক্সল ফাইল টাকে রেগুলার নতুন নতুন বিভিন্ন ছবি কালেক্ট করা, সেই মোতাবেক সেই একাউন্ট গুলোতে পিকচা দেয়া, এক অপরের পোষ্টিং  লাইক করা বা কমেন্টস করা বা রিয়েলিটি  আনার চেষ্টা করা এগহুলো আসলে আপনার কন্টেন্টের জন্য কোন উপকারী হবে না। প্রথম যে এপিআই মেথড সেখানে মানুষ শখ করে লাইক দিবে কিন্তু আর ফলো করবে না লাইফ টাইম। আবার দ্বিতীয় যে মেথড- সেখানেও তো রোবট কাজ করতাছে ফলে একটা পোষ্টিং করে কোন বেনিফিট পাওয়া গেলো না। তাহলে তৃতীয় মেথড টা দেখি-   বলতে গেলে এইটাই সারা বিশ্বে রিয়েল মেথড। যাকে বলা হয়- হ্যাশ ট্যাগ মার্কেটিং যা আমরা আগের সেকসানে আলোচনা করেছি। এই হ্যাশট্যাগই একমাত্র রিলে পদ্বতি। আপনি যদি সোশাল মিডিয়া পপুলার হোন আর যদি বলে থাকেন যে আপনি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন নাই তাহলে বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে।  একদম যারা রিয়ের পপুলার ধরেন বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক বা ফ্যাশন পারসোনাল বা সুপার মেডল এরকম হাতে গোনা কয়েখজন আছে যারা হ্যাশট্যাগ ছাড়াই পপুলারিটি অর্জন করেছে।এইখানে একটা উদাহারন দেখেন। ভোগ ফ্যাশন ম্যাগাজিনের একটা পেজে লাইক বা ফলোয়ার আছে প্রায় ৯ মিলিয়ন। কিন্তু এইখানে দেখেন যে তাার তাদের পোষ্ঠিং এ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছে #voguehoep এখন আপনি ভেবে দেখেন যে আপনি যদি পৃথিবীর সেরা সেরা হ্যাশট্যাগ গুলো ইন্টারনেটে তেকে কালেক্ট করে থাকেন আর যদি সেগুলো ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার কতো পরিমান লাইক জেনারেট হতে পারে লাইফ টাইমে। বাংলাদেশের সোশাল মিডিয়া পোষ্টিং গুলেঅতে কোন ধরনের হ্যাশট্যাগের আধিক্য দেখা যায় না। বাংলাদেশে খুব কম সংখ্যক ফ্যাশন মডেল আন্তর্জাতিক অংগনে শোবিজ বা ফ্যাশন রিলেটেড কাজ করার সুযোগ পায় তারপরেও তাদের পোষ্টিং গুলোতে আন্তর্জাতিক মানের আধিক্য দেখা যায় না। সারা বিশ্বে যারা পপুলার তারা প্রত্যেকেই তাদের সোশাল মিডিয়া পোষ্টিং গুলোতে হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করে থাকে। এইটাই সারা বিশ্বের স্বীকৃত ১ নম্বর পন্থা। েযারা আইকন বা আইডল তারা সাধারনত হ্যাশট্যাগ ব্যভহার না করলেও তাদের পোষ্টিং এ সোশাল সিগনাল আসবে কারন তারা ফিগারই আইকনিক। (লাইক, ফলোয়ার বা কমেন্টস কে সোশাল সিগনাল নামে ডাকা হয়)। 

This year, we invited two artists, Kerry James Marshall and Jordan Casteel, to make paintings for our September covers....

Posted by Vogue on Tuesday, August 25, 2020


 সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং আরো একটা দরাকরি বিষয়ের নাম হইতাছে- সোশাল ট্রাফিক। এই ট্রাফিক বলতে আবার গাড়ি ঘোড়ার জ্যাম কে বোঝানো হয় না বা এয়ার ট্রাফিক জ্যাম কেও বোঝানো হয় না। এইখানে ট্রাফিক বলতে ভিজিটর নাম্বার বোঝানো হয়। যেমন: আমার একটা সোশাল মিডিয়া তে লাইক আছে প্রায় ১ লক্ষ কিন্তু তার আগে আরো একটা ব্যাপার আছে যেটাকে বলা হয় ট্রাফিক বা ইম্প্রেশন বা  ভিজিট নাম্বার। এখন আপনি যদি কোন যান্ত্রিক পদ্বতির আশ্রয নেন জনগনকে ধোকা দেবার জন্য তাহলে সেই ইম্প্রেশন গুলো বা ভিজিটর গুলো ঠিকমতো শো করবে না। যদি তার হেড াপিস হয়ে থাকে সিলিকন ভ্যালি- তাহলে দেকা যাবে ইম্প্রেশন এসেছে ১ হাজার কিন্তু লাইক এসেছে প্রায় ১ লক্ষ যেটা একটা কোয়াইট  ইম্পসিবল ম্যাটার। কারন কোথঅও যদি ঠিকমতো ইম্প্রেশন না আসে তাহলে সেখানে যে রাইক গুলো আসবে সেগুলোকে ফেইক লাইক বলা হবে। যেমন ধরেন: আমি একেস্ল পদ্বতির মাধ্যমে একটা পোষ্টিং এ কন্টিনিউয়াস লোইক দিয়ে যাইতাছি কিন্তু সেখানে েইম্প্রেশন ধরা হবে ১ টা যদি আমি ১ টা ডিভিইস বভ্যহার করে াতকি। কারন ইম্প্রেশনের প্রধান শর্তই হইতাছে; ইউনিক ডিভাইস, ইউনিক আইপি, ইউনিক সফট ওয়্যার বা ইউনিক অপারেটিং সিষ্টেম। ফলে কারচুপির আ্রেয় নেবার কারনে সিলিকন ভ্যালি হেড অফিসে দেখাবে েইম্প্রেমণ হইছে ১ টা কিন্তু লাইক এসছে ১ লাখ। কিন্তু প্রোগ্রামিং ভাষাতে ইম্প্রেশন আসবে ১০ লাখ, কিন্তু  লাইক আসবে ১ লাখ। কারন ১০ লাখ লোক মিনিমাম ১০ লাখ ডিভােইস থেকে পোষ্টিং টা দেখেছে- সবার কাছে পোষ্ঠিং টা ভালো লাগে নাই তাই লাইক এসেছে ১ লাখ।সেখানে ডিভাইস বা অপারেটিং সিষ্টেম রেকর্ড হয়েছে ১০ লাখ। আর আপনি যদি ফেইক পদ্বতির আশ্রয় নেন তাহলে দেখাবে ইম্প্রেশন তৈরী হয়েছে ১ টা আর লাইক এসেছে ১ লাখ।  তাহলে যাার সোশাল মিডিয়া কর্ন ধার তারা নিশ্চিত হাসাহাসি করবে এবং বলবে যে- এরা কি মানুষ নাকি অন্য কিছু বা মনে মনে বলবে - ভালোই বোকা এই সোসাইটি টা।

সোশাল মিডিয়াতে কোন পোষ্টিং দেবার পরে ঠিক কতোগুলো মানুষ পোষ্টিং টা দেখেছে সেটাকে ইম্প্রেশন বলা হয়। সেটাকে বলা হয় সোশাল মিডিয়া পোষ্টিং ইম্প্রেশন। েঠিক কতোগুলেঅ ডিভাইস থেকে পোষ্টিংটা দেখেছে , তাদের মোবাইলে কি কি অপারেটিং সিষ্টেম আছে বা তাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কি কি অপারেটিং  সিষ্টেম  ব্যবহৃত হইতাচে, তারা কে কোন দেশে থেকে, অপারেটিং সিষ্টেম বা মোবাইল সিষ্টেমের বারসন কতো, সফটওয়্যারি ডিটেইলস, কোন আই পি থেকে এবং কোন কোন ব্যাপারে বা কি ধরনের ইন্টারনেট ব্যভহার করে তারা পোষ্ঠিং টা দেখতে এসছে সেটা সাথে সাথেই রেকর্ড হয়ে যাবে সোশাল মিডিয়া ওয়েবসােইটের সার্ভারে। যা পরবর্তী কালে নানা ধরনের এনালাইসিস বা রেকর্ড প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর এতে করে সুবর্ন সুযোগ হয় হার্ডওয়্যার কোম্পানীগুলোর কারন তাার বুঝতে পারে যে ফেসবুক বা যে কোন সোশাল মিডিয়ার সার্ভার  এনালাইসিস করে তারা তাদের ব্যবসায়িক পলিসি তৈরী করতে পারে। বিভ্নি ধরনের ওয়েব, সফটওয়্যার কোম্পানীও এই ডাটা গুলেঅর সাহায্য নিয়ে থাকে। তাহলে যদি আপনার পোষ্টিং এ ইম্প্রেশন আসে ১০০ কোটি আর আপনি লাইক পাইলেন ১০ টা বা ১০০ টা - এইখানে আপনি পুলারিটি কাকে বলবেন? ইম্প্রেমণ মানে তো সে আপনার পোষ্ঠিংটা ভিীজট করে চলে গেছে আর লাইক মানে তো সে আপনার পোষ্টিং টা দেখেছে  এবং পড়ে অথবা না পড়েই সে আপনার পোষ্টিং এ একটা লাইক দিয়ে রেখেছে। আর আপনি সকল মানুষের কাছে যাইয়া বলে বেড়াইতাছেন যে আপনার পোষ্ঠিং এ লাইক পড়েছে ১ লাখ, আপনি রিয়েল পপুলার আবার তার উপের ভিত্তি করে আপনি টেলিভিশন চ্যানেল প্রতিবেদন ও তৈরী করে ফেলােইতাছেণ আর একটা গ্রুপ যারা রিয়েল পপুলার তারা বসে বসে হাসতাছে কারন লাইক টেকনিক দেবার সাথে সাথেই আপনি তা গিলে ফেলাইতছেন আর ভাবতাছেন এইটাই মেইন? পোষ্টিং এ লাইক না থাকলে পপুলার হলেঅ কি করে? অথচ পপুলার হবার কন্ডিশনে ইম্প্রেমণ ও  আছে আবার লাইক নাম্বার ও আছে। লাইক নাম্বার এনালাইসিস করতে গেলে লাইকের কোয়ালিটি বিবেচনা করতে হবে যেমন রিয়েল লাইক, ফেইক লাইক, বট লাইক, অটোবট লাইক, চ্যাট লাইক, ওয়েব সাইট লাইক, এপিআই লাইক, ফেইক একাউন্ট লাইক এবং আরো নানা ধরনের লাইক। এই সকল লাইক এনালঅইসস করার বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ও এখন আছে সারা বিশ্বে। কিন্তু ইম্প্রেমণ এনালাইসিস করতে গেলে আপনাকে কোন ধরনের ফেইক টেকনিক এর কাউন্ট হবে না। কারন একটা ডিভাইস এর একটা ম্যাক নাম্বারই থাকে। আপনি চাইলে ম্যাক ণাম্বার ও পরিবর্তন করতে পারবেন কিন্তু আপনি কখনোই ডিভাইসের যে নাম্বার বা মডেল অনুযায়ী ডিভাইসের যে নাম্বার সেগুলো পরিবর্তন করতে পারবেন না। সো কারো নামে যদি কোন পোষ্টিং এ ১০০ কোটি ইম্প্রেশন রেকর্ড থাকে তাহলে সে কতোটা পুপলার? 

সোশাল মিডিয়া পপুলিারিটি টাকে আপনি কিসের ভিত্তিতে বা মাপকাঠিতে ফেলাইতাছেন বা ফেলতে চাইতেছেন? লাইকের উপর ভিত্তি করে। কমেন্টস এর উপর ভিত্তি করে বা ফলোযারের উপর ভিত্তি করে নাকি ইম্প্রেশনের উপর ভিত্তি করে। আপনি একটা পোষ্ট দিলেন- সেখানে ১০০ কোটি  ইম্প্রেশন হইলো। আমার পোষ্টিং এর মূল বিষয় হলো কোনো প্রোডাক্ট কে প্রমোট করা। আমি একটা প্রোডাক্ট কে হ্যাশ ট্যাগ মেক করে একটা পোষ্ঠিং দিলাম। সেখানে িইম্প্রেশন আসলো প্রায় ১ কোটি বা ১০ কোটি বা ১০০ কোটি কিন্তু লাইক আসলেঅ কয়েকটা। এইখানে কি আমার প্রোডাক্ট প্রমোট হয়েছে বা আমার পপুলারিটি যাচাই হলো। ব্যাপারটা হলো যে০ ইম্প্রেশন তৈরী হবার কারনে মূল কাজ টা হয়ে গেছে যেটাকে বলা হয় ব্রান্ড প্রমোটার। বা আমার যদি কোন ম্যাসেজ দেয়ার তাকে সেটাও দেয়া হয়েছ্ েবাকী সবই ব্যবসায়িন পলিসি এই দুনিয়াতে। লাইক, কমেন্টস বা ফলোয়ার যদি অটো জেনারেট করে সত্যিকারের পুলার হওয়া যাইতো তাহলে তো সোশাল  মিডিয়া সিগন্যাল  নিয়ে যারা কাজ করে তারা তো দৈনিক ১ নিলিয়ন ইউট্বিু ভিউজ আইনা সাড়া পালাইয়া দিতো চারিদিক বা টিকটকে রেগুলার প্রতি ঘন্টায় ৫ মিলিয়ন ভিউজ জেনারেট করে সাড়া ফেলে দেয়া যাইতো। আনলিীমটেড ফেসবুক পোষ্ট লাইক বা কাষ্টম কমেন্টস মেক করা এইগুলা ভিশ্রে অনেক দেশের জন্য সহজ ব্যাপার। একজনের কাছে ১০০ ফেসবুক একাউন্ট আছে আর সে  নিয়মিত সেই প্রোফাইল গুলোকে আপডেট ও করে যা দেখে মনে হবে যে তার প্রোফাইর গুলোকে রিয়েল ও মনে হইতে পারে যে কারো কাছে। তাকে শ্যাসেজ করলে সে রিপ্লাই ও দিতাছে। কিন্তু তার তথ্য গত মিল আছে তান তা প্রমান পাওয়া যাবে তার সাথে বাস্তবে দেখা করলে বা ওয়েব ক্যামেরা চ্যাট করলে বুঝতে পারবেন যে আপনার পোষ্টিং এ দেয়া যারা কমেন্টস করেছে তারা কতোটুকু রিয়েল? ইংরেজী বিশ্বে র‌্যানডম বা কাস্টম কমেন্ জেনারেট করা যায় সার্ভার থেকে যারা সিগন্যাল সেল করে তাদের থেকে। আপনি ১০০ কমেন্টস লিখে দেবেন আমি আপনাকে ১০০ রিয়েল একাউন্ট থেকে ১০০ কমেন্টস এড করে দেবো- আমার কোন একাউন্টে লগইন করতে হবে না। এরকম সবই সম্ভব কিন্তু যেটা সম্ভব না সেটা হইতাছে ম্যাসেজটা ডেলিভারি দেওয়া বা ম্যাসজেটা বা পোষ্টিং ম্যাসেজটা সবার কাছে পৌছায়া দেওয়া যার মাধ্যমে আমার কথা বা ছবি বা আমার প্রোডাক্ট টাকে আমি সারা িবিশ্বে উপস্থঅপন করতে পারি। তো সোশাল মিডিয়া তে এক নাম্বার টেকনিক হইতাছে হ্যাশট্যাহ এড করা পোষ্টিং এর সাথে। কারন প্রত্যেকটা সোশাল মিডিয়াতে সার্চ বক্স আছে আর সবাই সার্চ বক্সে সার্চ করে কোন না কোন কি ওয়ার্ড ধরে। তো আপনি যদি দরকারি কি ওয়ার্ড গুলেঅ বের করতে পারেন তাহলে আপনি সোশাল মিডিয়াতে এমনিতেই হিট - আপনাকে কোন কায়দা কসরত করতে হবে না। 

Impression Analyse: 

আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ এডাল্ট ডেটিং বা এডাল্ট মার্কেটিং রিলেটে এফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়ার্কার আছে যারা সারা রাত কাজ করে থাকে তারা এফিলিয়েট লিংক নিয়ে বা যে কোন এফিলিয়েট মার্কেটিং করে এরকম অনেক লোক আছে। তাদেরকে যদি জিজ্ঞাসা করেন তাহলে দেখবেন তারা বলবে যে তাদের আলাদা আলাদা ডিভাইসের জন্য আলাদা আলাদা মার্কেটিং করে থাকে। যেমন: আইফোনের যারা কাস্ট মার তাদের জন্য এক ধরনের লিংক থাকে আবার এন্ড্রয়েড এর যারা কাষ্টমার তাদের লিংক থাকে আরেকরকম। তাহলে তাদের ডিভাইসের ডাটাবেজ রক্ষিত আছে কোথাও না কোথাও। তেমনি যতোগুলো ইমপ্রেশন আছে ঠিক ততোগুলো  সাইন আপ হয় নাই।ইম্প্রেশন হয় কয়েক হাজার গুন বেশী  । অনেক আগে দেখেছি গুগল এডসেন্সে ইমপ্রেশন ভ্যালূ দেয়া হয়- প্রতি ১০০০ ইমপ্রেশনরে জন্য ৩ ডলার এড হতো। এখন এড হয় কিনা বলতে পারবো না?  গুগলেল প্রাইভেসী বা টার্মস অফ সার্ভিস ডিটেইলস পড়লে জানা যাবে। এখানে একটা এক্সাম্পল দেয়া হলো। দেখেন: র কিংবা ইউনিক ভিজিট হয়েছে: ৮৪১ এবং ৭৯৬। কিন্তু সাইন আপ হয়েছে ১ টা। তেমনি ১টা পোষ্ঠিং এ ভিীজট হতে পারে ১ কোটি কিন্তু লাইক আসতে পারে ১ টা বা ১ টাও না। আবার এপিআই এর অনেক ফাংশন আছে - জানা মোতাবেক বা ষ্টাডি মোতাবেক যে কোন পোষ্টিং এর জন্য লাইক আটকাইয়াও রাখা যাবে যেনো কেউ লাইক না দিতে পারে বা লাইক দিলে শো না করে কিন্তু ইমপ্রেশন কে আটকাইয়া রাখার কোন উপায় বোধ করি নেগেটিভ ইন্টারনেট ইউজারদের নাই। 






(Tomorrow- Part :03)


Tuesday, September 15, 2020

White Hat SEO- Off Page optimization- Social Media (Example: Facebook) Marketing. Part -01.

SEO (Search Engine Optimization)- এই ব্যাপারটা ছাড়া বিশ্বের কোন ওয়েবাসইট কে আপনি Google- Search Engine Result Pages এর প্রথমে আনতে পারবেন না। আর প্রথমদিকে না থাকতে পারলে আপনার অনলাইন ব্যবসা আপনার নিজস্ব গতি পরিধির বাহিরে যাবে না বা যাইতে পারবে না। আপনি যদি আপনার অনলাইন ব্যবসাতে খুব বেশী লিড বা সেলস আনতে চান বা তাহলে অতি অবশ্যই  আপনার  ওয়েবসাইটকে এসইও করাতে হবে। এখনকার দিনে পাড়া বা মহল্লাতে যে সকল দোকান পাট বা ব্যবসা প্রতিষ্টান আছে বা এলাকাতে যে সকল বিজনেস আছে সেগুলোকে আপনি Social Media Promote - Social Media Marketing or Digital Marketing  করতে পারেন। Social Media Marketing or Digital Marketing  এর মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার ব্যবসার প্রসার ও প্রচার ঘটাতে পারবেন। এখন যদি আপনি চিন্তা করেন যে- আমার একটা ছোট দোকান আছে- এইটার আর কি প্রচার করবো- তাহলে আপনি Social Media কে অবজ্ঞা করলেন। আজকাল কার দুনিয়াতে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে না এরকম কেউই নাই। সকলেই  Facebook Social Media ব্যবহার করে থাকে। এখনো Facebook Social Media তে একটি ব্যবসায়িক পেজ ওপেন করা বা একটি Group তৈরী করা ফ্রি। কিন্তু এরকম এক সময় আসবে যখন আপনি হয়তো আর ফ্রি ওপেন করতে পারবেন না, হতে পারে মাসিক ডলার দিয়ে আপনাকে ফেসবুক ব্যবহার করতে হতে পারে । আবার এই ব্যাপারটা ফ্রি তে ওপেন করা যায়। পেজ ওপেন করার জন্য ফেসবুক কে কোন টাকা বা ডলার দিতে হয় না। পেজ প্রমোট করতে বা পেজের পোষ্টকে প্রমোট করতে আপনাকে কিছু প্রফেশনালদের সাহায্য নিতে হবে অথবা আপনি নিজেও ষ্টাডি করে পেজটাকে ওপেন করতে পারেন বা প্রমোট করতে পারেন। আপনি যদি ইউটিউবে সার্চ দেন তাহলে হাজার হাজার ভিডিও পাবেন এই ব্যাপারে কয়েকটা ভাষাতে। আমি ২/১ টা উদাহরন দিতাছি।


এখনকার দিনে সবাই ফেসবুক ব্যবহার করে। ফেসবুক ব্যবহার করে মানুষ এখন প্রচুর ইনকাম করে যাইতাছে। ইনোভেটিব সব আইডিয়া নিয়ে কাজও চলতাছে। ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশনের মাধ্যমে উপার্জন করার সুযোগ দিলেও এখনো বাংলাদেশে কারো পেজে মনিটাইজশেন চোখে পড়ে নাই আমার। হয়তো যে কোন সময়ে এইটা ও ট্রেন্ডিং শুরু হয়ে যাবে  এবং আপনার পেজের কোয়ালিটি ভিডিওতে ফেসবুক মনিটাইজশেন রান করবে আর আপনার ফ্রি পেজের মাধ্যমে আপনি উপার্জন ও করতে পারবেন। যেমন : একটা উদাহরন দেই- একজন দোকানদার - সবসময় সারা দেশের রাস্তার পাশে দোকানের পসরা খুলে বসে থাকে। উনার ব্যবসার মূল উপাদানই হলো তার দোকানের পন্য। এখন প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কোম্পানী দোকানদার এর কাছে আসে এবং মার্কেটিং বা সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভরা তাদেরকে তেল মারা শুরু করে তাদের প্রোডাক্ট নেবার জন্য। তাতে দোকানদারের ভালো ব্যবসা হয়ে থাকে কারন মার্কেটিং এজেন্ট বা পন্যের যে মূল কোম্পানী উনাদের কাছে দোকানদারই হইতাছে মূল কান্ডারী - তাদের ব্যবসা প্রচারের জন্য তারা আড়তদার থেকে শুরু করে খুচড়া দোকানদার  পর্যন্ত ছাড় বা উপহার দিয়ে থাকে। আমি প্রতিদিন যে দোকানে যাতায়াত করি সেখানে যদি নতুন কোন পন্য আসে আর দোকানদার ভাই যদি বলে যে ভাই এইখানে তো একটা নতুন কোম্পানীর প্রোডাক্ট এসেছে- বলেছে ভালো। আপনি নিয়ে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। তাহলে কিন্তু কেউ সে প্রোডাক্ট টাকে ফেলে দেবে না। যে কেউ যারা গ্রাহক- তারা বলবে - আমার পরিচিত দোকানদার- বলছে যখন নিয়ে দেখি ? সে বাসাতে নিয়ে যদি প্রোডাক্ট টাকে ভালো পায় তাহলে সে তার পারিবারিক সদস্যদের সাথে শেয়ার করবে এবং মৌখিক ভাবে শেয়ার করার জন্য পন্যের একটা ভারবাল মার্কেটিং হয়ে গেলো। নতুন একটা আইসক্রিম আসলো - সেটাকে পরখ করে দেখে বন্ধুকে যাইয়া বললাম যে- দোস্ত- আইসক্রিম টা অনেক সুন্দর। তুই ও ইচ্ছা করলে পরীক্ষা করে দেখতে পারস। এইভাবে পন্যের ভারবাল মার্কেটিং হয়ে যায় এবং পন্যের মালিকের লাভ হয়। তেমনি সেই পন্যের উপরে সেই কোম্পানীর ও ইন্টারনেটে প্রচারনা আছে। ফেসবুকে সেই কোম্পানীর পেজ আছে। আপনি যদি একজন দোকানদোর হয়ে থাকেন- তাহলে অবসর টাইমে বা ফাকা টাইমে আপনি সেই পন্যের রিলেটেড পেজে লাইক দিয়ে আপনি নিজেকে আপডেট রাখলেন। এখন সকল কোম্পানীর ফেসবুক পেজ আছে সেখানে আপনি লাইক দেয়া থাকলে আর আপনার ফেসবুকের নিউজ ফিড টা আপডেট রাখলে যেটা মার্কেটিং রিপ্রেজেন্টেটিভ আপনাকে বলবে সেটা আপনি আগেই পেয়ে যাবেন নোটিশ বা ইনফরমেশণ আকারে। বিভিন্ন ধরনের ছাড়েও আপনি অনেক সুযোগ পাবেন- আগে বাগে জানতে পারবেন বা আপনার ষ্টক টা আপনি রিজার্ভ করে রাখতে পারবেন। 

আপনার দোকানের নামে একটা ব্যবসায়িক ট্রেড লাইসেন্স থাকে বা আছে অলরেডী। সেটা ব্যবহার করে আপনি আপনার দোকানের নাম দিয়ে খুব ভালো করে একটা পেজ ওপেন করলেন ফেসবুকে। ভিডিওগুলো দেখলে বুঝতে পারবেন যে কিভাবে আপনি পেজ ওপেন করে আপনার ব্যবসার প্রচার শুরু করবেন। ফেসবুকে একটা পেজ ওপেন করার সময়ে আপনি সকল একুরেট ইনফরমেশন দিবেন এবং কোন ধরনের ভুল তথ্য দিবেন না। আপনি ভালো একজন গ্রাফিক্স জিডাইনার কে দিয়ে ফেসবুকের পেজের জন্য একটা কভার ফটো এবং একটা প্রোফাইল ফটো ডিজাইন করে সেটা আপলোড দিবেন। আপনার পেজে আপনি কল টু এ্যাকশন একটা অপশন রাখবেন। তারপরে সেই পেজে আপনি প্রতিনিয়ত আপনার নতুন নতুন প্রোডাক্ট গুলোকে আপডেট দিবেন ( আপনার হাতে থাকা দামী মোবাইল টা ইউজ করে) আর সেটা আপলোড হবার পরে আপনার নিয়মিত কাষ্টমার যারা আপনার দোকানে রেগুলার আসে এবং যারা আপনার পেজে লাইক দিয়ে রেখেছে তারা জানতে পারবে। তাহলে আপনার মৌখিক মার্কেটিং টা আর করতে হবে না। সে ক্ষেত্রে আপনার সময় টা বাচবে এবং আপনার পন্যের প্রচার ও প্রসার বেড়ে যাবে। আপনি যদি সবকিছু  ইউনিক  করে থাকেন আর নিয়মিত ১ মিনিট বা ৩ মিনিট বা ৫ মিনিট এর ভিডিও আপলোড করে থাকেন তাহলে একসময় আপনার পেজটাকে ফেসুবক গ্রহন করবে সেখানে মনিটাইজেশন করার জন্য। শর্ত হলো:  আপনার পেজে ১০,০০০ ফলোয়ার থাকতে হবে। প্রথমত হয়তো আপনি ভয় পেয়ে যাবেন যে- ১০,০০০ ফলোয়ার আপনি কোথায় পাবেন? ব্যাপারটা একদমই সহজ। প্রথমত:  (একজন দোকানদারের কথা বলতাছি) সারা দেশের যতো দোকানদার আছে সবাই আপনাকে নিশ্চিন্তে ফলো করবে। দ্বিতীয়ত: সারা দেশের যতো কোম্পানীর মার্কেটিং এজেন্ট আছে, সেলস এজন্ট আছে সকলেই আপনার পেজে চলে আসবে, তাদের পন্য প্রচার এবং প্রসারের জন্য আপনার পেইজে লাইক দিয়ে তাার আপনার সাথে থাকবে। আবার যতো ধরনের নতুন প্রোডাক্ট আছে সেগুলোকে যদি আপনি লোক মারফত হোম ডেলিভারি দেবার সুবিধা রাখেন তাহলে আপনাকে সবাই অনলাইনে ব্যবসায়ী বলবে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পন্যের অর্ডার সংগ্রহ করা এবং সেটা বাড়ি বাড়ি পৌছে দেয়া-এইটাকে অনলাইনের দোকানদারি বলে। এ ক্ষেত্রে আপনি ডেলিভারি চার্জ গ্রহন করবেন। 

আপনি একটা ফ্রি পেজ যে কোন বিষয় নিয়ে তেরী করতে পারবেন। চাইলে সারা দেশের শুধূ মসজিদের উপরে আপনি একটা অনলাইন পেইজ তৈরী করতে পারেন, যেখানে সারা দেশের সব সুন্দর সুন্দ মসজিদের ছবি থাকবে বা আপনি আপনার এলাকার লোকাল একটা মসজিদ নিয়ে ধর্মীয় অর্গানাইজেশন হিসাবে একটা ফেসবুক পেজ ওপেন করতে পারেন ফ্রি এবং সেখানে আপনি নিয়মিত মসজিদের আপডেট তথ্য দিতে পারেন। মসজিদের পেজগুরোতে স্বহস্তে দানের জন্য পেমেন্ট অপশন গুলো চালু করতে পারেন।  চাইলে যাদের কবুতর আছে সেগুলো নিয়ে আপনি পেইজ বানাতে পারেন। 

যার যে কোন ধরনের ব্যবসা আপনি  অনলাইনে তৈরী করে দিতে পারেন। আপনার বা আমার যে বন্ধুটা খারাপ অবস্থায় আছে বা যারা আরো অনেক অনেক ব্যবসা করতে চায় তাদের মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসার প্রচার বা প্রসার করতে পারবেন বা নতুন নতুন ব্যবসা করতে পারবেন।  আপনি চাইলে আপনার পেজে মোবাইল ব্যাংকিং প্রথা এড করতে পারেন। আপনার মোবাইল ব্যাংকিং নাম্বার দেয়া থাকলে সেখানে আপনি লোনাদেনা করতে পারবেন এবং এতে করে আপনি নতুন নতুন ব্যবসার জন্য ব্রেইন খাটাতে পারবেন। আর একই সাথে আপানর পেজটাকে যদি ফেসবুক এপ্রুভাল দেয় তাহলে আপনার পেজের ভিডিও তে এড দেয়া শুরু করবে (পেজ মনিটাইজশেন) এবং সেখানকার ডলার প্রতি ১০০ ডলার হলে আপনার পারসোনাল ব্যাংক এর মাধ্যমে তুলে আনতে পারেন (দেশের জন্য সেটা হবে রেমিটেন্স)। পেজ তৈরী করতে এবং পেজ মনিটাইজেশন এর জণ্য আবেদন করতে কোন টাকা বা ডলার খরচ হবে না কারন এইখানে কোন আবদেন চার্জ নাই। তবে প্রতিনিয়ত আপনার পেজ কে আপডেট রাখতে হবে নিথ্য নতুন তথ্য দিয়ে- আপনি কি কি কাজ করতাছেন এবং আপনার কাছে কি কি প্রোডাক্ট আছে সেগুলোর সবকিছু নিয়েই আপনি পেজ তৈরী করতে পারেন। একজন আরেকজনের পেজে লাইক দিয়েও ১০,০০০ পেইজ লাইক বা ফলোয়ার নিয়ে আসতে পারেন। এছাড়াও আরো অনেক ধরনের সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম আছে। যেমন: 
সোশাল মিডিয়া মাকেটিং এর জন্য অনেক অনেক পন্থা আছে। যেমন : 
  • Application programming interface social media marketing.
  • Application programming interface social media exchange.
  • Hashtag based social media marketing. 
এই ৩ টা পদ্বতি সারা বিশ্বে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্বতি সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং করার জন্য। তাছাড়া আরো যে উপায় গুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেগুলোর মধ্যে আছে- 

ফেসবুক পোষ্টিং প্রমোট বা বুষ্টিং
ফেসবুক পেজ প্রমোট বা বুষ্টিং

এইখানে ফেসবুক নিজেই আপনার পেজের জন্য বা আপনার পোষ্টের জণ্য মার্কেটিং করবে। সে ক্ষেত্রে ফেসবুক কে আপনার পেমেন্ট করতে হবে (যেমন: ১০০০ পোষ্টিং লাইক আসবে চার্জ হবে ১০ ডলার)। যে কেউ চাইলে ফেসবুকে মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করে ডলার উপার্জন শুরু করতে পারে। আপনি যে কোন বিষয় নিয়ে পেজ বানাতে পারবেন আবার যে কোন পেশাতে থেকেও আপনি পেজ বানাতে পারবেন। যেমন :

  • শিক্ষকতা
  • সামরিক কর্মকর্তা
  • সাংবাদিক
  • ফুটবল প্লেয়ার
  • রাজণীতিক
  • সবজি বিক্রেতা
  • ফ্যাশন মডেল
  • ছাত্র/ছাত্রী
কারো জন্য না নাই (যাদের বৈধ  জাতীয় পরিচয়পত্র আছে সবাই আবেদন করতে পারবে)    । আপনার দরকার শুধু একটা ভালো মানের টাচ ফোন যার মাধ্যমে আপনি পেজকে মেইনটেইন করতে পারবেন। পৃথিবীতে ৩ ধরনের এসইও প্রোগ্রাম আছে। 
  • White Hat SEO
  • Grey Hat SEO
  • Black Hat SEO
White Hat SEO এর মধ্যে আরা দুই ভাগ আছে। 
On Page Optimization.
Off page Optimization.

White Hat SEO- Off Page Optimization- Social Media Marketing or Digital Marketing (ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমানে বলে বা বলা হয়ে থাকে) খুবই দরকারি একটা বিষয়। এ বিষয়ে সামনে আরো ডিটেইলস আলোচনা করবো। নিয়মিত চোখ রাখুন আমার ব্লগটাতে আর ভালো লাগলে শেয়ার করেন আপনার বন্ধুদের সাথে। ফেসবুক চালূ হয়েছে আজতে প্রায় ২০ বছর। এতোদিন পরে ২০১৯/২০২০ তাদের বেটা টেষ্টিং ফেজ শেষ হওয়াতে এখন তারা পেইজ মিনটাইজশেন এর সুযোগ দিছে এবং সামনে আরো আসতাছে গ্রুপ মনিটাইজশেন। সামনে আরো আসতাছে ফেসবুক ক্রিপ্টোকারেন্সী- লিরা।

(To Be Continue)


Sunday, September 13, 2020

প্রতি ঘন্টায় সর্ব্বোচ্চ ৫ মিলিয়ন টিকটিক ভিউজ । টিকটকের ব্যাপারে আরো কিছু ডিটেইলস।

 টিকটক এখন এই মুহুর্তে পৃথিবীর সেরা মাইক্রো ভিডিও সাইট। টিকটক করতে অনেকেই পছন্দ করে। মন খুলে নাচানাচি এবং তার সাথে মধুর সুমধুর গানের সংযোগ এবং আরো অনেক ব্যাপার স্যাপার টিকটক প্রেমীদের  মন জুগাইয়া নিছে। বিশ্বের কয়েকটা জায়গা থেকে টিকটক কে নিষিদ্ব করা হয়েছে আবার কয়েকখানে সতর্ক ও করা আছে। বাংলাদেশে অনেক নামী দামী সেলিব্রেটিদের ও টিকটক একাউন্ট আছে। তারা সেখানে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করে এবং আপলোড করে মজাও করে অনেক। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে দিনে দিনে টিকটকের জনপ্রিয়তা আকাশ পানে ছুটে চলেছে। ইউএসএ র ভেতরে টিকটক কিনে নেবার জন্য ইউএসএ প্রেসিডেন্ট অলরেডী কয়েকটা প্রযুক্তি কোম্পানীকে নির্দেশনাও প্রদান করেছেন। টিকটক ভিডিও তৈরী করার জন্য আহামারি তেমন হাই ফাই ক্যামেরা লাগে না। যে সকল দামী মোবাইল সাথে আছে সেগুলো দিয়ে ভিডিও মেক করলেই তা সহজে টিকটকে আপলোড করা যায়। কিন্তু আপনি যদি আলাদা করে বাহিরের ক্যামেরাতে ভিডিও তৈরী করেন, গান এড করেন বা এডিট করে নেন  তাহলে সেটা যথেষ্ট পরিমান ভিউজ আনতে ফাইট করবে। কারন আলাদা করে ভিডিও মেক করে এডিট করে আপলোড দিলে সেটার আয়তন হয় বেশী যা হয়তো টিকটক সারা বিশ্বের মোবাইলের ডিভাইসের যে রেকর্ড ডাটাবেজ মেইনটেইন করে সেখানে দেখায় না । ফলে পিক্সেল এসই্ও তে ভিউজ জেনারেট করতে অনেক সমস্যা হয় অনেকের জন্য। তবে এতোদিন ধরে টিকটক ভিডিও প্লাটফর্ম ঘাটাগাটি করে দেখলাম যে- সরাসরি টিকটক থেকে উপার্জনের কোন উপায় নাই। এইখানে এই মাইক্রো ভিডিও প্লাটফর্মে মনিটাইজেশন আবেদন করার কোন উপায় নাই। কিন্তু যারা টিকটকে এডভার্টাইজিং করে থাকে তারা তাদের এড টিকটকের ভিডিও গুলোর মাঝখানে দেখাতে পারবে ফলে এডভার্টাইজার দের লাভ হয় অনেক - তারা তাদের ব্রান্ড প্রমোশন করতে পারে সহজেই।


টিকটক হিসাবে অনেক সময় অনেকের অনেক সময় কেটে নেয়। পৃথিবীতে একমাত্র আমেরিকান রাই সময়ের অরিজিনাল দাম দেয় সেজন্য তাদেরকে ভিম্বসেরা জাতি বলা হয়। যদি টিকটক কে ইউএসএর কোন টেক কোম্পানী কিনে নেয়- তহালে ধারনা করা যাইতে পারে টিকটক একচেটিয়া ভাবে শুধু এড প্রদর্শন করে এডভার্টাইজারদেরকে ব্যবসায়িক ভাবে লাভবান করবে না। হয়তো পাবলিমারদের জন্য ও মনিটাইজেশন চালু করবে। মনিটা্েজেশন ছাড়াও  এইখানে উপার্জনের অণ্যম আরেকটা উপায় হইতাছে- পন্যের মালিকানা কোম্পানীর সাথে চুক্তিবদ্ব হওয়া এবং সেই সকল পন্য টিকটক ভিীডও এর মাধ্যমে শো করা। যেমন প্রথমে কয়েক লাইন এড করে বলে দেয়া যায় যে; ভিডিওটি কোথায় তৈরী হইছে- ভিডিওটিতে কি কি ব্যান্ডের প্রোডাক্ট ব্যভহার করা হয়েছে এবং ভিীডও এর সাথে সেই প্রোডাক্ট বা প্রোডাক্টের শর্ট কোড বা লিংক দিয়ে দিলে সকলে্ি সেই প্রোডাক্ট টা শো হবে এবং সেটা সেল ও হবে। আর সেলস বাড়ানোর জন্য কেউ যদি সরাসরি মূল ওয়েবসাইট লিংক ব্যভহার করে তাকে তাহলে বোঝা যাবে না প্রত্যেকের টিকটক একাউন্ট থেকে কতো পরিমান ভিজিটর ওয়েবসাইট টা ভিজিট করলো। ধরেন- আপনি একজন টিকটক ইউজার। আপনি আপনার টিকটক ভিডিওতে একটা ওয়েবসাইটের এফিলিয়েট লিংক বা রেফারেল লিংক শেয়ার করলেন। তাতে আপনি বুঝতে পারবেন যে- আপনার রেফারেল লিংক দিয়ে কতো লোক আপনার সেই ওয়েবসাইট টা দেখেছে যাতে সেই ওয়েবসাইটের বা প্রোডাক্টের ওয়েবসাইটের একটা ব্রান্ড প্রমোশন হয়ে গেলো। যদি আপনার খুত ভালো টিকটক কমিউনিটি থাকে এবং সেখানে আপনি ব্রান্ড প্রমোট করে থাকেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে- আপনার তৈরী করা মজার ছলে বা গান গেয়ে তৈরী করা কমিউনিটি টা কতো কতো ব্যভসার জন্য কতো কতো ডলার বা টাকা নিয়ে আসতাছে। আপনি যদি মেয়ে হোন তাহলে টিকটকের গানের ভিডিওতে আপনি কোন পোষাকটা ব্যবহার করেছেন তা আপনি প্রমোট করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ড্রেস যে কোম্পানী আপনাকে দিরো আপনি তার সাথে কন্টাক্টে যাবেন যে- আমার টিকটকে ২ রাখ ফলোযার আছে। ম্যাক্সিমামই মেয়ে- তাদের কাছে এই ড্রেস টা প্রমোট করা যাবে। ড্রেসটা দেখার জন্য এবং সোশাল মিডিয়া তে শেয়ার করার জন ্আপনি একটা রেফারেল বা এফিলিয়েট লিংক দেন্ সেটা দিয়ে আমি দেখবো ঠিক কতোজন এই ড্রেসটা ভিজিট করেছে।সেই রেফারেল রিংকের সাথে ড্রেসটার সকল কিছু দেয়া তাকবে যেখান থেকে অর্ডার জেনারেট হবে। ড্রেসটা যে কোম্পানী মেক করেছে সেই কোম্পানীর একটা কোড নাম্বার ও থাকবে আপনার নামে যেনো যারা কিনতে বারা কিনার সময়ে ডিসকাউন্ট পাবার জন্য আপার দেয়া কোড টা ব্যভহার করবে। আর সেই কোডের সাথে আপনার জন্য একটা % থাকবে অলওয়েজ। যেমন ধরেন- আপনার নাম কেসি। আপনি একটা ড্রেস কে প্রমোট করতাছেন। ড্রেসটার যে মালিক তার কাছে  কয়েকশো ড্রেস আছে। তারপরে সেই মালিকরে একটা শো রুম ও আছে। আবার অনলাইনে কেনা কাটার সুবিধাও আছে। আবার আপার সাথে একটা ডিডও আছে- চুক্তিপত্র।হিতে পারে সেটা ডিজিটাল চুক্তি পত্র এবং আপনি সেই ড্রেসটার মডেল হবার কারনে আপনি বাংলাদেশ সরকারের নিয়মানুযায়ী সেই চুক্তিপত্রে সাইন করে ডেস্রটার প্রমোট শুরু করবেন যাতে সরকারের ভ্যাট ট্যাক্সের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা না হয়। তারপরে আপনার পারসোনাল কোড থাকার কারনে সেই ড্রেসটার সেলসও বাড়বে। যদি সেটা কাষ্টমারের জন্য ২০% হয় পার পিস, তাহলে আপনার জন্য থাকবে ৫%। সেই ক্ষেত্রে যদি দৈনিক আপনার প্রমোটের কারনে ১০০ পিছও সেল হয় তাহলে আপনি প্রোডাক্ট প্রতি ৫% করে দৈনিক ভালো একটা হ্যান্ডসাম এমাউন্ট উপার্জন করতে পারেন। যদি আপনি পুরুষ /ছেলে হয়ে থাকেন তাহলে আপনি বিভিন্ন ব্রান্ডের ঘড়ি, বেল্ট বা জুতা বা শার্ট, প্যান্ট বা জিনস ও আপলোড দিতে পারেন। ভিডিও এর সাথে একই নিয়মে আপনি ও প্রোডাক্ট প্রেোমন করতে পারেন সাথে কোড নেম ও দিয়ে দিতে পারেন। যেমন ধরেন আপনার নাম সেন্ট। তাহলে আপনি প্রোডাক্টের কোড দিলেন - সেন্ট ২০২০. মেয়ের নাম ধরেছিলাম কেসি- তাহলে আপনি পোডাক্টের কোড দিতে পারেন কেসি ২০২০.  এই পদ্বতি বা টেকনিক টা এপ্লাই করে আপনি একইসাথে বুঝেও যাবেন যে০ আপনার ভিউজ গুলো অরিজিনাল কিনা বা স্পেফিকালি আপনার নিজের দেশের কিনা বা সারা বিশ্ব থেকে কিনা। যদি সারা বিশ্বের জন্য হয় তাহলে আপনি সারা বিশ্বের প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন। শিপমেন্ট বা পার্সেল কষ্ট নিয়ে নিবেন ইন্টারনেট বাই সেল এর টাইমে। এইটা শুধু ড্রেস বা ঘড়ি বলে কথা না। আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের পোডাক্ট নিয়ে একটা ওয়েবসিইট তৈরী করে নিতে পারেন যেখানে টেকটক িইউজার রা তাদের ইউজার আইডি সাবমিট করবে এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপার বা প্রোগ্রামার টিকটক একাউন্টকে এনালাইজ করে তার লাইক, কমেন্ট, ফলোযার কোয়ালিটি এনালাইজ করে তার জন্য প্রোডাক্ট  প্রমোটের অফার করবে আর টিকটক ইউজার ও তার মন মতো প্রোডাক্ট কে সিলেক্ট করতে পারবে। যদি টিকটক ইউজার দের ভিউজ রিয়েল হয় তাহলে  অনেক ভালো মানের সেলস ও হবে। আর যদি ভিউজ অন্য কোন উপায় থেকে আসে এবং সেখানে যদি অডিয়েন্স না থাকে - তাহলে কোন সেলস হবে না। অডিয়েন্স বলা হয়- আমার টিকটক একাউন্টে ভিউয়ার রা যদি হয় সব বাংলাদেশের তাহলে বাংলাদেশ হবে আমার অডিয়েন্স। 


টিকটক একাউন্টে ভিডিও কনটেন্ট তৈরী করা অনেক সময়ের ব্যাপার। ভালো মানের ক্যামেরা দিয়ে ভিীডও বানানোর পরে সেটাকে আপলোড দিতে হয় এবং তার সাথে গান ম্যাচ করা এবং আরো কিছূ ভিীডও ইফেক্ট ইউজ করা যেতে পারে। যেমন: প্রথমেই আমি কিছু ক্যামেরা কোম্পানীর সাথে চুক্তিবদ্ব হতে পারি যে তাদের ক্যামেরা আমরা ফ্রি ব্যবহার করবো এবং তাদের ক্যামেরা কোয়ালিটি টিকটকের জন্য কেমন তা আমরা প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করবো বা ভিডিও এর নীচে উল্লেখ করে দেবো। এতে ক্যামেরার ব্যান্ড প্রমোশন হবে  এবং ক্যামেরা কোম্পানী আপনাকে পেমেন্ট করবে আপনি প্রমান সাবমিট করার পরে। এ ক্ষেত্রে আপনি ক্যামেরা কোম্পানীর জন্য এফিলিয়েট হিসাবেও কাজ করতে পারেন। তাদের ক্যামেরা, নাম, ব্রান্ড উল্লেখ করে দিবেন ভিীডও এর সাথে। তাতে আপনারও লাভ হলো , ক্যামেরা ও প্রমোশন হয়ে গেলো। 


মূলত গানের উপরে ভিত্তি করে অংগ ভংগি করা এবং সেই অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা এইটা ই টিকটক ভিডিও এর বৈশিষ্ট্য। তো যারা নতুন শিল্পী তাদের গানকে প্রমোট করার দ্বায়িত্ব নিতে পারেন। ২/১ লাইন গেয়ে তাদের গানটা পপুলার করা জন্য তার গানের সাউন্ড ক্লাউড লিংক এবং আরো প্রোফাইল লিংক বা গানটা কোথা থেকে পাওয়া যাবে বা কিনা যাবে বা ডাউনলোড করা যাবে সেটা ও আপনি আপনার ভিডিও এর সাথে এড করে দেবেন হাই লাইট করে বা জলছাপ আকারে আর চাইরে ভিডিও লেন্থ আরো একটু বাড়িয়ে নিবে। ১৫ সেকেন্ডের জায়গায় ১ মিনিট করে ভিডিও মেক করতে পারেন।  সেই হিসাবে অডিও সিংগারের সাথে কন্ট্রাক্ট করে আপনি তাদের কাছ থেকে কিচু পেমেন্ট ও নিতে পারবেন প্রতি ভিডিও প্রতি। 


ভিডিও  এর সাথে টেক্সট বা লিংক যেটা ব্যবহার করা যায় সেগুলেঅও আপনি ব্যবহার করতে পারেন। যেনো প্রোডাক্টের ডিটেইলস লিংকটা ভিডিও এর কাছ থেকে পাওয়া যায়। আর সেই সাথে ভিডিও এর সাথে লিংক ব্যবহার করার কারনে আপনি আলাদা করে  পেমন্টে নিতে পারেন। মনে করেন আপনি খুবই সুন্দরী । আপনার এলাকাতে অনেক মেয়েদের পোশাকের দোকান আছে। তাদের কাছে যাইয়া বলবেন যে- আপনি সুন্দর সুন্দ ভিডিও তৈরী করে তাদের ড্রেস প্রমোট করবেন তাহলে তাদের সাথে আপার একটা ডিড হয়ে যাবে এবং আপনি সেটা পেমেন্ট এর আকারে রিসিভ করে ভিডিও আপলোড দিবেন। এক কথায় আপনি যদি প্ল্যান করেন যে- মানুষের সময়ের দাম আছে আর পেমেন্ট ছাড়া এই ধরনের কোন কাজ করবো না তাহলেই আপনি টিকটক থেকে ভালো এবং হ্যান্ডসাম এমাউন্ট উপার্জন করতে পারবেন। সামনে হয়তো টিকটক মনিটাইজেশণ করার অনেক নতুন নতুন প্রোগ্রাম আসবে - সেখান  থেকেও আপনি চাইলে আপনার সময়টাকে কাজে লাগিয়ে উপার্জন করতে পারবেন। 

এরকম আরো অনেক আইডিয়া নিয়ে পরবর্তীতে একটা ইউটিউব ভিডিও আনবো- কিভাবে আপনি টিকটক দিয়ে উপার্জন করবেন। কোনো দুই নাম্বারি ওয়ে না- একদম ব্যান্ড নিউ ওয়ে । আমার ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইভ করে সাথে থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো। 


এখন আসি প্রতি ঘন্টায় ৫ মিলিয়ন ভিউজ এর ব্যাপারে। এপ্লিকেশন প্রোগ্রিামিং ইন্টারফেজ মেথডে  এই মুহুর্তে সর্ব্বোচ্চ স্প্রিড ঘন্টায় ৫ মিলিয়ন ভিউজ। আপনি যদি গুগল ডট কমে সার্চ দেন তাহলে অনেক  অনেক ওয়েবসাইট পাবেন যারা টিকটিক ভিউজ সেল করে থাকে। যেমন আমি যদি গুগল ডট  কমে সার্চ  ইন্জিনের সার্চ বক্সে লিখে থাকি যে-  Buy TikTok Views.





এ ধরনের হাজার হাজার ওয়েবাসইট আপনি পাবেন যদি আপনি গুগল ডট কমে যাইয়া সার্চ দেন। এইখানে আমি সবচেয়ে কম রেট যেটার সেটাকে হাইপারলিংক করে দিলাম যাতে করে আপনি বুঝতে পারেন যে কোনটার রেট সবচেয়ে কম। এইখানে দেখানো হয়েছে যে ১০০০ টিকটক ভিউজ এর দাম ১ ডলার বা তার চেয়ে কম। আর আমি যেটা হাইপারলিংক করে দিছি সেখানে মিনিমাম ১০০০০ টিকটক ভিউজ এর দাম ১ ডলার- সেই হিসাবে ৫০,০০০ ভিউজ এর দাম হলো ৫ ডলার। 

এই সকল ভিউজ গুলো মোটামুটি ভালো। ম্যাক্সিমাম ভিউজ ই আসে সারা বিশ্বের এপিআই থেকে। পিক্সেল এসইও বা গ্রাফিক্স এসইও  এর মাধ্যমে ও অনেক ভিউজ জেনারেট হয়- শুধু অডিয়েন্স ঠিক থাকে না। যেমন- আমি বাংলাতে গান করে একটা টিকটক ভিডিও বানালাম। তারপরে সেটার জন্য ভিউজ কিনলাম সারা বিশ্ব থেকে- ভিডিও টির টার্গেটেড অডিয়েন্স না থাকার কারনে সেটা আমার জন্য শুধু ভিউজ নাম্বারই ইনক্রিজ করবে। অডিয়েন্স বলতে এইখানে বোঝানো হয়েছে- বাংলাতে ভিডিও বানালাম কিন্তু সেটা ইংরেজীে ভাষার লোকজন দেখে কিছু বুঝলো না। এইখানে সারা বিশ্বের যারা যারা ভিডিওটা ভিউজ করলো তাদেরকে অডিয়েন্স বলা হলো। আর যদি আমার ভিডিওটা শুধু বাংলা ভাষার লোকজন দেখে থাকে তাহলে বাংলা ভাষার লোকজন দেখতো এবং সেটাকে আমরা রাইট অডিয়েন্স বলে থাকি। এই রাইট অডিয়েন্সের কারনের অনেক সময় আপনি পপুলার হয়ে যাইতে পারেন এবং একদম একুরেটলি পপুলার। একদম একুরেটলি পপুলার হবার জণ্য টিকটক এ আপনি যা যা করতে পারেন: 

  • হ্যাশট্যাগ : টিকটক ভিডিও পাবলিশ করার সময়ে আপনি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। গুগল ডট কমে সরাসরি লিখে সার্চ করা যায় কিন্তু টিকটিক ভিডিও এর সাথে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার  করতে হবে কেনো- কারন এইটা সোশাল মিডিয়া সেকসানের বা সোশাল মিডিয়া সার্চ ইন্জিনের নিয়ম। হ্যাশট্যাগ  ব্যবহার করে আপনি সোশাল মিডিয়াতে ট্যাগ করলে যারা যারা আপনার ট্যাগ বা কি ওয়ার্ড লিখে করে ইন্টারনেটে সার্চ দেবে তাদের সার্চ লিষ্টে বা সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে  আপনার ওয়েবসাইট বা লিংকটা শো করবে।  সোশাল মিডিয়াতে কি ওয়ার্ড কে ট্যাগ বলা হয়। আর সাথে হ্যাশ (#) ব্যবহার করার কারনে তাকে হ্যাশ ট্যাগ বলা হয়। টিকটিক ভিডিও যদি আপনি সারা বিশ্বে একুরেটলি ভাইরাল করতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে ভ্যভহার করতে হবে অরিজিনাল রিসার্চ ভিত্তিক ঞ্যাশট্যাগ। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হইতাছে পৃথিবীর এক নাম্বার উপায় সোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হবার জন্য। আপনি যদি সঠিক উপায়ে হ্যাশট্যাগ ব্যভহার করতে পারেন তাহলে আপনি সারা  বিশ্বে ভাইরাল বা পপুলার হতে পারবেন। টিকটক কি ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কিত ২ টা ইউট্বিু ভিডিও নীচে দেখানো হলো। টিকটক কিওয়ার্ড রিসার্চের ব্যাপারে      আপনি নীচে দেয়া ২ টা ভিডিও দেখতে পারেন। এছাড়াও আপনি ইউটিউবে সার্চ করলে অসংখ্য ভিডিও পাবেন যেখানে আপনি শুধূ কি ওয়ার্ড রিসার্চ করে  এবং সেগুলোকে হ্যাশট্যাগে মেক  করে অনেক অরিজিনার ভিউজ আনতে পারবেন একদম ফ্রিতে। হ্যাশট্যাগ মেথডে আপনাকে  কোন টাকা খরচ করতে হবে না। কি উপায়ে আপনি হ্যাশট্যাগ সফটওয়্যার খুজে পাবেন সেটা আমি নীচে ইমেজের সাহায্যে দেখােইয়া দিবো। 
  • টিকটিক ভিডিও আপলোড করার পর আপনাকে অন্যান্য সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে বলে। আপনি যদি সবগুলো সোশাল মিডিয়াতে আপনার ভিডিও গুলো শেয়ার করেন বিীডও এর সাথে ব্যবহৃত হ্যাশ ট্যাগের মাধ্যমে- তাহলে আপনি খুব দ্রুতই ভাইরাল বা পপুলার হতে পারেন। কারন সোশাল মিডিয়াতে প্রায়শই মানুষ কিছু না কিছু সার্চ করে তাকে। সেরকম ভাবে আপনি যদি পপুলার কি ওয়ার্ড গুলো া্য়ত্ব করতে পারেন তাহলে আপনার ভিডিও গুলো অণ্যান্য সোশাল মিয়িাতে বা মেইন মেইন সার্চ ইন্জিন গুলোতে দেখাবে এবং সেখান থেকে ভিজিটর রা ভিজিট করেবে। যেমন এইখানে আমি আপনাকে উদাহরনের মাধ্যমে দেখালাম যে- আমার একটা ভিডিও এইখানে দেয়া আছে। তার পাশেই দেয়া আছে বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া বাটনস। সেগুলোতে যদি কেউ ক্লিক করে এবং শেয়ার করে তাহলে অনেক ভিউজ আসবে। যারা খুব ভালো ভালো এন্ড্রয়েড সেট ব্যভহার করে তারা অনেক অনেক সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করার অপশন পায়। এ ব্যাপারে আমি একটা ভিডিও আপলোড করবো যেখানে আপনি দেখতে পারবেন কিভাবে একটা টিকটিক ভিডিওতে সমস্ত সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করা হয়। 
@masudbcl

Completely free method to earn from online. join free from here: seolistly.com/marketplace. search the youtube video: bit.ly/seoclerkbanglatutorial

♬ original sound - masudbcl






আমার মোবাইল থেকে নেয়া স্ক্রিনশট। টিকটিক ভিডিও সোশাল মিডিয়াতে যে কোন ভিডিওকে আপনি এতোগুলো মাধ্যমে শেয়ার করতে পারবেন। আর এই সবগুলো শেয়ার যদি আপনি ঠিকঠাকভাবে করতে পারেন তাহলে আপনি আপনার সোশাল মিডিয়া গুলো থেকে অনেক অনেক ভিডিও ভিউজ আনতে পারবেন। 

  • তৃতীয়ত: ফেসবুক বা যে কোন পপুলার সোশাল মিডিয়াতে যে সকল বড় বড় গ্রুপ আছে বা ইন্টারেষ্টেড গ্রুপ আছে সেগুলোতে আপনি আপনার টিকটক ভিডিওগুলো শেয়ার করেত পারেন ক্যাটাগরি অনুযায়ী। যেমন আপনার ভিডিও গুলো যদি লাভ বা রোমান্স বা রোমান্টক লেভেলের হয় তাহলে আপনি সেই রিলেটেড ফেসবুকের গ্রুরপ গুলোতে শেয়ার দিতে পারেণ। তবে এই ধরনের গ্রুপে শেয়ার দিতে গেলে আপনাকে অতি অবশ্যই কোয়ালিটি টিকটক ভিডিও বানাতে হবে। কার আপনার অডিয়েন্স টা আপনাকে নিজে নিজে তৈরী করতে হবে। আর সেটা আপনি সকল সোশাল মিডিয়া থেকে করতে পারেন। আপনি যদি ফান লাভার হোন বা ফানি ভিডিও মেক করতে পছন্দ করেন তাহলে  আপনি ফানি ফানি ফেসবুক গ্রুরপ বা পেজগুলোতে আপনার ভিডিওগুলো শেয়ার করতে পারেন। শুধু ফেসবুক বলে কথা না- সারা বিশ্বে যতো পপুলার গ্রুপ আছে সবগুলোতেই আপনি আপনার ভিডিও শেয়ার করেত পারেন। শুধূ মনে রাখতে হবে স্পেফিসিক ক্যাটাগরি অনুযায়ী যেনো আপনার ভিডিও টা শেয়ার হয়। চােইলে আপনিও যে কোন সোশাল মিডিয়াতে আপনি গ্রুপ তৈরী করে নিতে পারেন  এবং সেখানে নিয়মিত টিকটক ভিডিওে শেয়ার করতে পারেন। উদাহরন হিসাবে নীচের ছবিটা দেখতে পারেন যেখানে আমি আপনাকে ফেসবুকে টিকটক রিলেটেড গ্রুপ গুলোর একটা ইমেজ দেখাইতাছি। 


এরকম হাজার হাজার গ্রুপের মাধ্যমে আপনি বা আপনারা সহজে ভিউজ নিয়ে আসতে পারেন। এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে- ভাই তাহলে ৫ মিলিয়ন ভিউজ কিনে কি হবে? 

প্রথমত সেটা হইতাছে  Search Engine Optimization   এর একটা টেকনিক যেকানে আপনি বিশ্ব মানের যে কান একটা প্রোডাক্ট সারা বিশ্বে দেখাতে পারেন। সাধারনত টিকটকে এ্যাপে দেখায় না যে আপনি কোথা থেকে ভিউজ আনতাছেন কিন্তু ইউটিউবে সেটা দেখায় - ইউটিউব ষ্টুডিও নামক একটি এ্যাপে। আপনার যদি ইউটিউব  চ্যানেল থাকে আর আপনি যদি সেটার ভিউজ এনালাইসিস করে তাকেন তাহলে আপনি দেখতে পারবেন যে আপনি কোন কোন রিসোর্স থেকে ভিউজ আনতাছেন। আপনার রিসোর্সের উপরেই ডিপেন্ড করবে যে আপনি চ্যানেল টা ধরে রাখতে পারবেন কিনা- নয়তো আপনার চ্যানেল যে কোন সমেয় ডিলেট করে দিতে পারে যদি আপনি কোন ধরনের Black Hat SEO Technique এপ্লাই করে থাকেন। আপনার ভিউজ পলিসি যদি টিকটকের রুলস ভেংগে থাকে তাহলে সেটা আপনার চ্যানেলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ধরেন - সোশাল মিডিয়া স্পামিং। এই কারনে আপনার টিকটক ভিডিও চ্যানেল ডিলেট হয়ে যেতে পারে। আপনি না জেনে না বুঝে সোশাল মিডিয়ার ৫০ টা গ্রুপে আপনার ভিডিওটা টা শেয়ার দিয়ে দিলেন যেখানে আপনার কন্টেন্ট বা কোন কিছু তেমন মিল নাই বা ভিডিওটা সেই গ্রুপ গুলোর সাথে যায় না আর সেই গ্রুপ গুলোতে বসবাসকারী ইউজার রা আপনার ভিডিও এর বিরুদ্বে রিপোর্ট দিলো এবং অনেক পরিমান রিপোর্ট পেয়ে এবং তার প্রমান পেয়ে টিকটক আপনার ভিডিওটা ডিলেট করে  দিলো এবং সেই সাথে আপনার একাউন্টটা ও ডিলেট কের দেত পারে যদি আপনি িএকই ডিবাইস ব্যবহার করেন বা আপনি এমন কাউকে দিয়ে করালেন যার সাথে আপনার ডিভাইস থেকে কানেক্টিভিটি আছে- তখন ইজিলি আইডেন্টিফাই করা যাবে এবং রুলস ভাংগার জণ্য টিকটক অথোরিটি আপনাকে ডিলেট করে দেবে। 

শুধূ টিকটক বলে কথা না- যে কোন সোশাল মিডিয়া এ্যাপ ব্যভহার করে তাদের সবকিছূ খুব ভারো কের পড়ে বুঝে নিতে হয়। অকারনে যদি আপনি কোন সমস্যার সম্মুক্ষীন হোন আর আপনি যদি যথেষ্ট পরিমান সৎ থাকেন তাহলে কোন সময়েই আপনার একাউন্ট নিয়ে আপনি কোন সমস্যায় পড়বেন না। 
আপনি যদি নীচের ছবিগুলো এনালাইসিস করে থাকেন তাহলে আপনি আরো অনেক ডিটেইলস বুঝতে পারবেন। যে কোন বিষয়ে আপনি রিসার্চ এবং এনালাইসিস করে হ্যামট্যাগ ব্যভহার করে আপসি খুব সহজে সারা বিশ্বে ভাইরাল হতে পারবেন বা পপুলার হতে পারবেন। 




কিভাবে আপনি বিনা খরচে টিকটকে পপুলার বা ভাইরাল হবেন সে ব্যাপারটা নিয়ে একটা স্ক্রিন শেয়ারিং ইউটিউব ভিডিও আমি আপলোড করবো কয়েকদিনের মধ্যে। আমার ইউটিউব চ্যানেলে চোখ রাখবেন এবং ভালো লাগলে আমার ব্লগ পোষ্ট টি স্ক্রিনশট আকারে শেয়ার করবেন ।

টিকটিক বা যে কোন সোশাল মিডিয়ার একটা ফেইকইজম আপনার সাথে শেয়ার করি:  আপনি যদি কোন প্রফেসনালদের কাছে টিকটক ভাইরাল প্যাকেজ কিনে থাকেন আর তারা যদি খুব দক্ষ পল্টিবাজ হয়ে থাকে তাহলে তাার প্রথমে ৫০/১০০/২০০/৫০০ ফেইক একাউন্ট বানাবে আর সেই একাউন্ট গুলোকে রিয়েল রাখার চেষ্টা করবে এবং তারপরে তারা আপনার ভিীডও তে আইসা কমেন্ট দেয়া শুরু করবে যাতে আপনার কাছে রিয়েল বলে মনে হবে। এই ফেইক ইজম টা দূর করার জন্য আপনার টিকটক ভিীডও তে যারা কমেন্ট করে তাদের সাথে বাস্তাবে বা ভিডিও চ্যাট সাইটের মাধ্যমে কথা বলারে চেষ্টা করে আপনার কমেন্টার গুলো রিয়েল কিনা তা জেনে নিবেন। 


Uber + Bkash Link. উবারের সাথে বিকাশের লিংক। এখন আর উবার রাইডারকে নগদ ক্যাশ টাকা পে করতে হবে না।

 

 


BKash + Uber এই সুবিধা টা আমি অনেকদিন ধরে চাইতেছিলাম। প্রযুক্তির উন্নয়নে ব্যাপারটা ভাবতেছিলাম। এই সুবিধাটা চালু হবার ফলে আমি মনে করি একজন মানুষের টাচ ফোনই তার ওয়ালেট হিসাবে বিবেচিত হবে। একজন মানুষ যে টেক ভালোবাসে সে ঘর থেকে বের হয়ে সমস্ত বিল মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমে পে করতে পারবে। আগে হলে তাকে মাষ্ট বি ওয়ালেট সাথে নিয়ে ঘুরতে হতো। এখন আর সেটা লাগবে না। কারন ওয়ালেটে ক্যাশ টাকা না থাকলে আপনি রাইডার কে নগদ টাকা পে করতে পারতেন না। সেই ক্ষেত্রে পকেটে একটা এক্সট্রা ঝামেলা এবং টেনশন সাথে নিয়ে ঘুরতে হতো। যেমন ধরেন: কোথাও যাচ্চি- সমস্ত বিল মোবাইল এ্যাপেই পে করা যাবে কিন্তু রাইডার কে পে করার জন্য আমাকে ওয়ালেট টা সাথে নিতে হতো। সেই ঝামেলাটা এখন আর থাকলো না। এখণ যদি আমার মোবাইলে বিকাশ থাকে তাহলে আমি এ্যাপ দিয়ে সব কেনাকাটা শেষ করে সব রেষ্টুরেন্টের বিল পরিশোধ করে রাইডারের বিলও পরিশোধ করতে পারবো। হয়তো আস্তে আস্তে উবার সমস্ত মোবাইল ব্যাংকের সমস্ত এ্যাপকেই এলাও করবে যেমন- রকেট, শিওর ক্যাশ বা ইউক্যাশ বা আরো যতো ধরনের এ্যাপ আছে সেগুলোকেও এবং সাথে সাথে সমস্ত রাইড শেয়ারিং এ্যাপ সমস্ত মোবাইল ব্যাংকিং ফ্যাসিলিটজ কে এলাও করবে সেই সাথে লোকালি ভ্যালিড মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ডকেও হয়তো এড করবে। যেখানে কারো কাছে মোবাইল এ্যাপ না থাকলেও লোকালি ভ্যালিড মাষ্টার কার্ড বা ভিসা কার্ড লিংক করা থাকলে সেটা অনেক সহজ থেকে সহজতর হয়ে যাবে। রাইড শেয়ারিং এ্যাপ এর সাথে যদি সমস্ত ব্যাংকের সমস্ত কার্ড লিংক করা থাকে তাহলে যে কারো জণ্য রাইড শেয়ারিং নিতে আরো সহজ থেকে সহজতর  হবে। 

এই ফ্যািসিলিটিজ টাকে আমি বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং খাত এবং প্রযুক্তি খাতকে যুগান্তকারী বলবো। এতে করে একজন ব্যবহারকারীকে আর কখনো ক্যাশ টাকা সাথে নিয়ে ঘুরার টেনশন করতে হবে না । যে কেউ ঢাকা শহরের ভেতরে (আশা করি ক্রমান্বয়ে ঢাকা শহর ছাড়াও সারা দেশের সকল বিভাগীয় শহরে এই সুবিধা ওপেন হবে)। রাস্তা ঘাটে টাকা পয়সা সাথে না নিয়ে ঘুরাটা অনেকের কাছেই এখন বিরাট একটা শান্তির ব্যাপার। তবে হ্যা- আপনার মোবাইল ব্যাংকিং এ্যাপ এ কিন্তু অতি অবশ্যই টাকা থাকতে হবে। 

উপরে থাকা ফেসবুক ভিডিওটি ফেসবুক এমবেড অপশন।  প্রত্যেক পোষ্টের সাথে ফেসবুক একটা কোড দেয় প্রোগ্রামারদের জন্য যেনো পোষ্টিং গুলো ব্লগে বা ওয়েবসাইটে একুরেটলি শেয়ার করা যায়। এইখানে ক্লিক করে এড দেখলে আপনার ফেসবুক একাউন্ট এর কোন ক্ষতি হবে না। আপনি চাইলে এইখানে ক্লিক না করে ফেসবুকে বিকাশ লিমিটেড লিখে সার্চ দিয়ে পোষ্টিং টা চেক করে দেখতে পারেন। 

Friday, September 11, 2020

কি ধরনের ফ্রি লান্সাররা সরকারি ডাটাবেজে আসবে বা আসতে পারে? আমার অভিজ্ঞতা থেকে এনালাইসিস।

 সরকার যে ফ্রি ল্যান্সারদের তালিকা তৈরী করতাছে সেখানে আপনি শুধু যে সকল ফ্রি ল্যানসাররা রেমিটেন্স এনেছে তাদেরকেই পাবেন- পাড়াতে পাড়াতে গজাইয়া উঠা ফ্রি ল্যান্সার অমুক বা ফ্রি ল্যান্সার তমুককে বোধ করি খুজে পাওয়া যাবে না। এ ধরনের একটি তালিকাই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের কাছে ট্রান্সফার করা হয়েছে বা হবে বলে পত্রিকাতে পড়েছি। শুধূ মাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকেই লিীপবদ্ব আছে কারা কারা ইউরোপ আমেরিকা থেকে রেমিটেন্স এনেছেন? ফ্রি ল্যানসারদের একটা আলাদা ডাটাবেজ হয়তো সরকারের অনেক উপকারে আসবে বা উপকার করবে কিন্তু আমি যে প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে আসতেছিলাম বিগত কয়েক বছর ধরে- তা হইতাছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্রি ল্যানসারদের জণ্য রেফারেন্স ভিসা লেটার আনার মতো ওয়ে আছে বলে শুনেছি। ফ্রি ল্যান্সার শব্দটা যদি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নাগিরক ডাটাবেজে থাকে - মানে চবিসহ ভোটার তালিকায় পেশা হিসাবে থাকে তাহলে সমগ্র বিশ্বে ফ্রি ল্যানসারদের জন্য ভিসা প্রোগ্রামে সহজ হইতো। কিন্তু এখন যে ভাবে ফ্রি ল্যান্সারদের নাম তোলা হইতাছে তাতে সরকার একটা বেনিফিট নেবার চেষ্টা করবে তা হইতাছে অল্প সুদে লোন দেয়া। ফ্রি ল্রান্সার আউটসোর্সিং এর জগতে যতো মানুষ বিদেশ থেকে রেমিটেন্স এনছেন তাদের নামই উঠে আসবে হয়তো বা। তাদের মধ্যে যারা ক্লেইম করবে শুধু তারাই হয়তো পাইয়া যাবে পরিচয়পত্র বা কার্ড । কিন্তু সেই কার্ড নিয়ে আপনি যদি পাগলের মতো সরকার নির্ধারিত সুযোগ সুবিধা গ্রহন করার জন্য উঠে পড়ে রাগেন তাহলে আগে ভাগেই বলে দেয়া যায়- আপনার কোন লস হলে সরকারের সুদ বা % দিতে দিতেই আপানর জান শেষ হয়ে যাবে। আর তার সাথে রয়েছে প্রকাম্যে ডাটাবেজ ওপেন হবার কারনে নানা ধরনের চাদাবাজি বা সুযোগ সুবিধা যাার আদায় করে তাদের নজরও । সেটা ও বোনাস পাওয়া হবে। ধরা খাবে পাড়াতে পাড়াতে গজাইয়া উঠা সস্তা দরের ফ্রি ল্যান্সার বাহিনীর লোকজন কারন তাদের অনেকেই রেমিটেন্সে এড না হয়েই সরকারি অনুমতি না নিয়েই লোকালি টাকা পয়সা নিয়ে মানুষ জনকে হোপ দেয়া শুরু করেছে বা কাজ শেখানো শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্বে সরকারের কাছে এখন হাজার হাজার অভিযোগ। আর সেদিন দেখলাম- বাংলাদেশ সরকারের আইনে এসেছে- অনলাইনে টাকা চাওয়ার অপরাধে ২ বছর জেল জরিমানা হতে পারে(দন্ডবিধির ৪২০ ধারাতে সংযুক্ত)। আমি আমার ফ্রি ল্যানসিং লাইফে ২ টা িকাজ সবসময় করি: 

১) আমি ইন্টারনেটে কখনোই কারো কাছ থেকে টাকা পয়সা নেই নাই - বাংলাদেশের কেউ বলতে পারবে না। আমি ইন্টারনেটে টাকা পয়সা নেই না কারন আমি মনে করি এতে আমার মেধার অবমূল্যায়ন হবে  কারন আমার সামনে আছে ইনফিনিটিভ ডলারের জগত। আমি যতো পারি বা যা পারি ডলারই উপার্জন করবো। আমি কখনোই কারো কাছে টাকা চাইও না কাজ শিখানোর ক্ষেত্র হলেও। 

২) আমি সবসময়ই ডলারের জগতে নিজেকে ইনভলব রাখতে চাই কারন এতে আমার দেশে বিদেশে বা যে কোন খানে ডলার জমা থাকলে কেউ আমার ব্যাপারে নাক গলাতে আসবে না। তাছাড়া ডলারের জগত টা ইনফিনিটিভ। টাকার জগত টা সীমিত। সো টাকা নিয়ে কাজ কারবার করতে গেলেই জগত টা ছোট হয়ে যাবে আর গালাগালি তো ফ্রি।

যারা রেমিটন্সে উপার্জন করে বা ডলার উপার্জন করে তাদেরকে ফ্রি ল্যান্সার বলা হয় বাংলাদেশে। মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার রা সবসময় ডলার উপার্জন করে থাকে যেটা আপনি ব্যাংক বা সুইফট হিসাবে যদি উইথড্র করেন তাহলে সেটা সরকারের কাছে রেমিটেন্স হিসাবে বিবেচিত হবে। এমনকি আপনি যদি কোনো ইন্টারনেট ব্যাংক ব্যবহার করে থাকেন আর সেখান থেকে বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে ডলার থেকে টাকাতে কনভার্ট করেন সেটাও সচরাচর ক্ষেত্রে রেটিমেন্স হিসাবে বিবেচিত হবার কথা। তবে সেই রেকর্ড বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আছে কিনা বা তাদেরকে ইনক্লড করেছে কিনা সেটা জানতে হবে। যেমন : আমার যদি স্ক্রিল বা নেটেলারে কোনো পরিমান ডলার থাকে আর সেটা যদি আমি স্ক্রিল বা নেটেলারের সুবিধা সমূহ ব্যবহার করে প্রাইভেট ব্যাংকে উইথড্র করে থাকি -সেটা রেকর্ড প্রাইভেট ব্যাংকে থাকবে কিন্তু সেটার রেকর্ড কি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আছে কিনা বা বাংলাদেশ ব্যাংক কি সেগুলোকে রেমিটেন্স হিসাবে বিবেচনা করবে কিনা- সেটা ও জানা থাকা দরকার।


ইন্টারনেটের ব্যাংকের সাথে প্রাইভেট ব্যাংকের ট্রানজকশন কি রেমিটেন্স হিসাবে বিবেচিত হবে কিনা? যদি হয়ে থাকে তাহলে বাংলাদেশে লিষ্টেড ফ্রি ল্যান্সারদের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। কারন অনেক অনেক ফ্রি ল্যান্সার আছে যারা মার্কেটপ্লেসে কাজ না করে পারসোনালি ক্লায়েন্টদের কাজ করে থাকে এবং নানা ধরনের পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ডলারে বা ইউরো তে বা পাউন্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট রিসিভ করে থাকে। সেই ডলার গুলোকে পরে আবার লোকাল প্রাইভেট ব্যাংকের Swift Transaction মাধ্যমে উইথড্র করা হয়ে থাকে। আমি আগে অনেক দেখছি- আমাদের পরিচিত ফ্রি ল্যান্সাররা তাদের ধারে কাছের প্রাইভেট ব্যাংকগুলোতে সবসময় সুইফট উইথড্র দিয়ে থাকে ইন্টারনেট ব্যাংক থেকে - বোধ করি এটাও রেমিটেন্স হিসাবে বিবেচিত হবে। 


আমাদের দেশে যারা ফরেক্স করে থাকে বা বৈদিশিক ফরেন এক্সচেন্জে কাজ করে থাকে সে সকল ভাই বোনদের পেমেন্ট তো ইন্টারনেটের ব্যাংকের মাধ্যমে রিসিভ হয়ে থাকে। তারা আবার সেই ব্যালান্স গুলো লোকাল ব্যাংকে  সু্ইইফটের  মাধ্যমে উইথড্র করে থাকে। সেগুলো কি ফরেন রেমিটেন্স হিসাবে বিবেচিত হবে কিনা? অনেক ধরনের পেমেন্ট গেটওয়ে(skrill, Neteller, WebMoney, Perfect Money, ApplePay, GooglePay, GPay, Amazon Pay, Pixum) আছে বিশ্বে। আপনার যেটা মনে চায় আপনি সেটা ব্যবহার করতে পারেন। আপনার যদি মনে চায় আপনি এ্যাপল পে দিয়েও পেমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন, আপনার যদি মনে চায় আপনি এমাজন পে দিয়েও পেমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন আবার আপনার যদি মনে চায় আপনি গুগল পে দিয়েও পেমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন- যদি বাংলাদেশে রিসিভ করার অনুমতি থাকে। বিশ্বে ইন্টারনটে ব্যাংকের অভাব নাই। যারা ফরেক্সের বিজনেস করে তারাও এদেশের জন্য রেমিটেন্স দিতাছে প্রতি মুহুর্তে। আপনি যতো ধরনের ফরেন কারেন্সী উপার্জন করতাছেন আমার মতে সবগুলোই ফরেন রেমিটেন্স হিসাবে বিবচিত হবে। আর মেধা এবং জ্ঞানের ভিত্তিতে উপার্জন করার জন্য - তাদেরকে ফ্রি ল্যান্সার বলা হয়ে থাকে। সো এইখানে একজন ফরেক্স ইউজারদেরকেও ফ্রি ল্যান্সার বলা যাবে এবং তাদরেকেও ডাটাবেজে আনা যাবে। 


যদি ফরেন রেমিটেন্স আনাই ফ্রি ল্যান্সারদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে থাকে তাহলে যারা যারা বিভিন্ন ধরনের ফরেন চেক পেমেন্ট পাইতাছেন যেগুলো তারা যার যার পারসোনাল ব্যাংক একাউন্টে জমা করতাছেন এবং সেটা প্রাইভেট বা সরকারি ব্যাংকে সারা বিশ্ব থেকে এক্সচেন্জ করতাছেন বা যেটাকে পে চেক বলা হইতাছে-  তারাও ফ্রি ল্যান্সার, কারন তারাও বৈদিশিক মুদ্রা অর্জন করতাছে। কারন একটা পে চেক পাইতে গেলে বা যে কোন কোম্পানী বা মার্কেটপ্লেসের কাছ থেকে যদি চেক মেথডে পেমেন্ট নিতে হয় তাদেরকে অতি অবশ্যই ফ্রি ল্যান্সার বলতে হবে কারন তারাও ইন্টারনেটে (Search Engine Optimization, Social Media Marketing, Website Design & Development, Software design and Development, Graphics Design etc) টাইপের অনেক ধরনের কাজ করে চেক মেথডে পেমেন্ট রিসিভ করতাছেন। যেমন আমি কোন আমেরিকান কোম্পানীতে কয়েক মাস অনলাইনে কাজ করলাম- তারপরে উনি আমার নামে একটা ডলারের চেক ইস্যু করলেন পেমেন্ট হিসাবে এবং সেটা যথারীতি বাই পোষ্টে আমার বাসাতে এসেছে এবং আমি সেটা নিকটস্থ ব্যাংকে জমা দিলাম আমার পারসোনাল চেকিং বা সেভিং একাউন্টে (যে ব্যাংকে আমার একাউন্ট আছে সে ব্যাংকে) - সেটা  থেকেও ব্যাংকের জন্য বৈদিশিক মুদ্রা অর্জিত হলো সেটাকে ও আমরা এখানে রেমিটেন্স বলতে পারি শুধু পেমেন্ট পাবার পদ্বতিটা ভিন্ন এইখানে। যারা এ যাবত কালে ২০০৬ সালের প্রথমদিন থেকে গুগল এডসেন্স পেমেন্ট চেক রেগুলার রিসিভ করতাছেন তারা ও এইখানে ফ্রি ল্যান্সার বলে বিবেচিত হবেন কারন তারা তো অলরেডী সরকারের লোভাতুর চোখের সামেন পড়েও গেছিলেন এবং হাই কোর্টের অর্ডার অনুযায়ী ভ্যাট ট্যাক্সের খপ্পড়ে পড়তেছিলেন আরেকটু হলে- সেখানে সেটা ঘুরে চলে গেছে যারা ইউটিউব মনিটাইজার তাদের উপরে। যারা ইউটিউব চ্যাণেল মনিটাইজেশন করে ডলার উপার্জন করতাছেন আর প্রতি মাসে ব্যাংকে তাদের মাসিক পেমেন্ট রিসিভ করতাছেন সুইফট ট্রানজকেশন এর মাধ্যমে বা ব্যাংক চেকের মাধ্যমে গুগল ইনকরপোরেশন, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে তারাও ফ্রি ল্যান্সার। কিন্তু তার প্রফেশন এবং মনিটাইজেশন টিকাইয়া রাখার জন্য তাকে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হইতাছে যেমন- ইউটিউবে গান গাওয়া, ইউটিউবে মুভি বানানো বা ইউটিউবে নাটক করা (যে সকল চ্যানেলে মনিটাইজেশন আছে তাদের কথা বলতাছি- তারা তো প্রতি মাসে বৈদিশিক মুদ্রা উপার্জন করতাছে আর তাদের উপার্জন ও রেমিটেন্সের খাতাতে বিবেচিত হইতাছে নিশ্চিত। সম্প্রতি ইউটিউব বাংলাদেশ থেকে তাদের মনিটােইজেশন অফ করে দিছে তারপরেও কিভাবে বাংলাদেশী ইউটিউব চ্যানেলগুলোতে মনিটাইজেশন দেখাইতাছে তা বোঝা যাইতাছে না। আর তারপরেও যদি তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের মনিটাইজেশন পেমেন্ট রিসিভ করে থাকে তাহলে এইটাকে লিগ্যাল এবং ভ্যালিড বলা যাবে কারন পেমেন্ট তো আসতাছে)। আগে গুগল থেকে ওয়েস্টার্ন  ইউনিয়নেও পেমেন্ট পাওয়া যাইতো যারা এডসেন্স মনিটােইজেশন করতাছে তারা।


যারা এডাল্ট, নন এডাল্ট সেকসানে রেগুলার প্রতিনিয়ত এফিলিয়েট মার্কেটিং করতাছে, দিন রাত খেটে কাজ করতাছে তাদেরকে ও আপনি বাদ দিতে পারবেন না ফ্রি ল্যান্সারদের তালিকা থেকে।কারন তাদের প্রত্যেকের নাম আছে ফরেন এফিলিয়েট কোম্পানীর কাছে বা সংশ্লিষ্ট দেশের কাছে। তারা সকলেই বাংলাদেশের আইডি কার্ড ডিটেইলস দিয়ে প্রত্যেকটা এফিলিয়েট মার্কেটিং কোম্পানীর কাছে। কি কি মেথডে পেমেন্ট রিসিভ করা হয় তা আপনাদেরকে দেখাবো পোষ্টের সবার নীচে। অসংখ্য পেমেন্ট মেথডে তারা প্রতিনিয়ত পেমেন্ট রিসিভ করতাছে বাংলাদেশ ব্যাংক বা প্রাইভেট ব্যাংকের মাধ্যমে। সেগুলোও তো বৈদিশিক মুদ্রা হিসাবে বিবেচিত হবে তাদের উপার্জনের কারনে। তার ওয়েবসােইট গুলো যদি বাংলাদেশ থেকে ওপেন হয় আর সেখানে যদি সে দিন রাত খেটে এডাল্ট বা নন এডাল্ট সেকসানে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকে তাহলে তাকেও ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে মর্যাদা দিতে হবে কারন যখন সে পেমেন্ট রিসিভ করতাছে বা আনতাছে তখন কিন্তু ব্যাংক বলতাছে না যে সে এডাল্ট কোম্পানী থেকে পেমেন্ট আনতাছে। প্রাইভেট ব্যাংক বা সরকারি ব্যাংক দুইটাই বলতাছে যে তাদের রেমিটেন্স আসতাছে এবং তারা লাভবান হইতাছে। এফিলিয়েট মার্কেটিং সেকসান টি অনেক বড়। অনেক  ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়। কেউ কেউ আছে এমাজন নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতাছে আবার কেউ কেউ আছে সারা বিশ্বের কোন না কোন দেশে সেক্স প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতাছে। যার কাছে যেটা ভালো মনে হয় সে সেটা নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতাছে এবং বৈদিশিক মুদ্রা জেনারেট করতাছে। সে সকল এফিলিয়েট মার্কেটার রা বা এফিলিয়েট প্রোগ্রামাররা নিয়মিত বৈদিশিক মুদ্রা আনতাছে তাদেরকেও ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে আখ্যা দেয়া যাবে। তাহলে এক নজরে দেখি কারা কারা ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে বিবেচিত হবে-  

  • পারসোনাল ক্লায়েন্ট যার কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত উপায়ে রেমিটেন্স পাওয়া যাবে।
  • মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার যারা সরকার নির্ধারিত উপায়ে সুইফট বা যে কোন ইন্টারনেটে ব্যাংকিং এর মাধ্যমে রেগুলার বৈদিশিক মুদ্রা অর্জন করতাছে। 
  • এফিলিয়েট মার্কেটার/প্রোগ্রামার : এফিলিয়েট মার্কেটিং করে যারা বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং গেটওয়ে ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে বৈদিশিক মুদ্রা আনতাছে।
  • গুগল এডসেন্স বা কন্টেন্ট মনিটাইজেশন এবং ইউটিউব মনিটাইজেশন বা ভিডিও মনিটাইজেশন- এই ধরনের যতো কোম্পানী আছে যারা নিয়মিত বাংলাদেশে পেমেন্ট দিতাছে তারাও বিবেচিত হবে বলা যায়।
  • ফরেক্স বিজনেসম্যান বা ইন্টারনেট ট্রেডিং রিলেটেড যে কোন প্রোগ্রাম বা ওয়েবসাইট যেখান থেকে আপনি বৈদিশিক মুদ্রা জেনারেট করতাছেন।
  • এমন যে কোন কাজ  যা আপনি ইন্টারনেটে বসে করতাছেন আর সরকারের রেমেটেন্স বৃদ্বি হইতাছে এবং যেখানে আপনারও রুটি রুজি নির্ধারিত হইতাছে। 
  • (সম্ভবত) সরকারি নির্ধারিত বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট গেটওয়ে যাদের সাহায্যে বাংলোদেশে রেমিটেন্স আসতাছে এবং তা সরকারের নজরে বা গোচরে আছে এবং যারা প্রতিনিয়ত প্রতিষ্টান হিসাবে ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে আসতাছেন- সেই সকল কোম্পানীর নির্ধারিত এবং লিষ্টেড ফ্রি ল্যানসরারাও এই খানে আসতে পারবে (কিন্তু ব্যাপারটা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেমিটেন্স রিসিভার না হবার কারনে বিবেচ্য বিষয় হতে পারে)। আর যদি তারা রেমিটেন্স সেকসানে লিষ্টেড হয়ে থাকে তাহলে ও সেটা বিবেচনা করবে নিশ্চিত সরকার। কারন এরকম অনেক ফ্রি ল্যান্সার আছে যারা বাংলাদেশের নামে লিষ্টেড এবং চোখের সামনে ইন্টারনেট ডলার এক্সচেন্জার দেখে তাদের  মাধ্যমেই পেমেন্ট রিসিভ করতাছে। সেও ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে বিবেচিত হতে পারে।  
যাদের কে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে বিবেচনা করা যাবে না  -
  •  কেউ যদি বৈদিশিক মুদ্রা উপার্জন না করে নিজেই নিজেকে ফ্রি ল্যান্সার বলে সমাজে বা দেশে সকলের চোখের সামনে প্রতারান বা মানুষ ঠকানোর ব্যবসা করে যায় তাকে। 
  • ভেরিফিকেশন পিরিয়ডে যদি ধরা পড়ে যে আপনি পরিকল্পিতভাবে নিজেই নিজেকে পেমেন্ট দিয়ে নিজেকে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে প্রতিষ্টিত করার চেষ্টা করেছেন এবং সরকারকে ঠকিয়েছেন বা পরিকল্পিত ভাবে প্রি প্লেইন ওয়েতে আগে থেকে লেনাদেনা করে একজন টাকাকে ডলারে কনভার্ট করে আপলোড করেছেন মার্কেটপ্লেসে এবং পরিকল্পিতভাবে আরেকজনকে পেমেন্ট করেছেন - সেখানে আমার মতে সরকার ঠকে গেছে। এইখানে রেমিটেন্স বলা হইতাছে-  বাংলোদেশের বাহিরে থেকে যে কোন দেশের ক্লায়েন্টের কাছ থেকে আপনি পেমেন্ট পাচ্ছেন সেটাকে। বাংলোদেশের ভেতরেই একজন আরেকজন কে ডলারে পেমেন্ট করলে বোধ করি সেটা রেমিটেন্স হিসাবে বিবেচিত হবে না। 
  • পরিকল্পিতভাবে নিজের রেমিটেন্স বাড়ানোর জন্য বা রেকর্ড  বাড়ানোর জন্য- ইচ্ছা করে যদি অন্য কোন দেশের নাগরিক কে যে কোন মাধ্যমে হায়ার করে তাকে ১ কোটি টাকা দিয়ে তার কাছ থেকে মার্কেটপ্লেসে এর চার্জ দেবার পরে ৮০ লাখ টাকা রিসিভ করে সরকারের চোখে ধুলো দিলাম- তাদেরকেও নিশ্চিত ফ্রি ল্যান্সার বলা যাবে না। 
  • সারা বাংলায় যারা নিজেদেরকে ফ্রি ল্যান্সার বলে ট্রেনিং দিতাছেন কিন্তু আপনার কোন অনেষ্ট ফরেন রেমিটেন্স পেমেন্ট রেকর্ড নাই বাংলাদেশ সরকারের সাথে এবং আপনার মনে চাইলো আপনি আপনার ছাত্র বা ছাত্রীকে ইচ্ছা করে তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাকে ডলারে মার্কেটপ্লেস হায়ার করে তাকে রেমিটেন্স সেকসানে ইনভলব করাচ্ছেন - যা পরবর্তীকালে মার্কেটপ্লেসের ভেরিফিকেশন টাইমে ধরা পড়বে- বা আসকি মেথডে ওয়ার্ড বা শব্দ চয়নের ইন্টারনেট রেকর্ড ভেরিফিকেশনরে টাইমেও ধরা পড়বে তাদেরকে ও ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে মনোনীত করা যাবে না। এককথায় জনগনের চোখে ধুলো দেবার জন্য কোন পদ্বতি ব্যবহার করে আপনি নিজেকে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে যাচাই করতে পারবেন না কারন আমরা সকলেই জানি যে- "Honesty is the Best Policy". আপনার চেষ্টা বা উদ্যোগকে হয়তো  তরকার এপ্রিশিয়েট করবে কিন্তু রেমিট্নেস ডিভিশনে চুরি চামারি বা চালাকি করার কারনে সরকার আপার বিরুদ্বে আইন প্রয়োগও করতে পারে সহজে। 
  • নিজেই নিজেকে ফ্রি ল্যান্সার বলে নাম কামানো এবং নাম কামিয়ে চলা লোকজন যারা কখনো ১ ডলারও উপার্জন করতে পারে নাই তারা।
  • যারা হ্যাকার তারা। কারন হ্যাকাররা কখনো রেমিটেন্স আনে না- তারা শুধু রেমিটেন্স চুরি করে। 
বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় থেকে তৈরীকৃত এ তালিকা যারা রেমিটেন্স এনেছে এখন পর্যন্ত দেশে তাদের কে  নিয়ে তৈরী করা হবে। যারা ২০০২ সালে ওডেস্ক ওপেন হবার পরে আজ পর্যন্ত নিরলস ভাবে এই ইন্ড্রাষ্টিজ তৈরী করার জন্য নিরলস ভাবে  খেটেছেন বা কখনো না কখনো রেমিটেন্স এনেছেন তাদেরকেও এ তালিকাতে স্থান দিতে হবে। কারন হয়তো তাদের মধ্যে অনেকেই খুব বেশী ভালো নাই বা খারাপ অবস্থায় আছে। তার এক সময় করা কষ্ট থেকে আজকে ফ্রি ল্যান্সার ইন্ডাষ্ট্রিজ এর জন্ম। সো সে যে অনেষ্টলি রেমিটেন্স এনেছে বা কষ্ট করেছে তাদেরকে এই তালিকার  মাধ্যমে সম্মানিত করতে হবে- কারন বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে যে এ পর্যন্ত যারা রেমিটেন্স এনেছে তাদের সকলকেই ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে বিবচেনা করা হবে বলে। (পত্রিকাতে দেখেছি)।


আমি যে সকল ডুপ্লিকেট পন্থার কথা বলেছি সে গুলো ব্যবহার কারী মানুষকে যদি আপনি ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে সম্মানিত করে ফেলেন বা আখ্যায়িত করে ফেলেন তাহলে বোঝা যাবে ব্যাপারটা উদ্দেশ্য প্রনোদিত। কারন এই তালিকা তৈরী করার পেছনে অণ্যতম আরেকটা কারন সরকারের কাছ থেকে লোন নেয়া যারা বিপদে পড়েছে তারা? এখন যারা একসময় রেমিটেন্স উপার্জন করেছে তাদেরকে যদি সরকার লোনের সুযোগ দেয়া হয় তাহলে তো সারা বিশ্বের মানুষ হাসাহাসি শুরু করবে কারন যারা রেমিটেন্স উপার্জন করে তারা তো  ওয়ার্ল্ড ক্লাস নাগরিক ( এ ক্ষেত্রে তাদেরকে দিতে হবে প্রনোদনা)। তারা ঠেকায় বেঠেকায় ব্যাংকের কাছ থেকে ধার দেনা নিতে পারবে কিন্তু তাদেরকে সরকার তালিকা তৈরী করে লোনের সুযোগ করে দিবে- ব্যাপারটা তো ঘাপলা মনে হইতাছে।


কারন একজন মানুষ যে কিনা রেমিটেন্স উপার্জন করবে সে কেনো সরকারের কাছ থেকে লোন নিতে চাইবে। যারা নিয়মিত কাজ করে বা আপডেটেড সিচুয়েশনে থাকে তারা নিশ্চয়ই যে কোন কারনে যে কনো সময় ব্যাংক থেকৈ লোন নিতে পারবে তার পারসেনাল প্রয়োজনে বাংরাদেশের নাগরিক হিসাবে।  কিন্তু ফ্রি ল্যান্সার তালিকাতে নাম তুলে আপনি লোনের ফ্যাসিলিটিজ আদায় করবেন ব্যাপারটা আমার কাছে ঠিক ওকে মনে হইতাছে না। কারন আপনি যদি ভালো মানের হ্যাকার/প্রোগ্রামার হোন তাহলে আপনি অনেক ভাবেই বাংলাদেশ সরকারকে ধোকা দিতে পারবেন নিজেকে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে। যেমন:

  •  আপনার বড় ভাই বোন বা আত্মীয় স্বজন দেশের  বাহিরে থাকে এবং আপনি  তাদেরকে বলে কয়ে মার্কেটপ্লেসের ক্লায়েন্ট বানালেন এবং আপনি তাকে বাহিরে পেমেন্ট করলেন এবং সেই নামধারী ক্লায়েন্ট প্রয়োজনীয় অর্থগুলো আপনাকে মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে প্রদান করলো- যে কোন একটা কাজকে ফোকাস করে। এই চালাকি টা মার্কেটপ্লেসের সাথেও করা যায় অনায়াসে। মার্কেটপ্লেস প্রত্যেকটা কাজকেই ভেরিফাই করার কথা। সে ক্ষেত্রে আপনি রেগুলার নিয়মিত তার দেয়া কাজ করি তার কাছ থেকে পেমেন্ট নিলেন এবং মার্কেটপ্লেস কে ১০-২০% চার্জ দিলেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে আইনা রেমিটেন্স জমা করলেন এবং লোকাল ব্যাংকে নিয়ে গেলেন। 
  • আপনার পরিচিত যারা দেশের বাহিরে থাকে বা অবস্থান করে বা নাগরিক- তাদের কারো না কারো সাথে আপনার বৈদিশিক মুদ্রার লেনাদেনা করার জন্য ইন্টারনেট ব্যাংককে ব্যবহার করলেন এবং সেটা আপনি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পারসোনাল ব্যাংক একাউন্টে নিয়ে যাইয়া পেমেন্ট তুলেও ফেলাইলেন আর সেটাকেও আপনি ফ্রি ল্যানসিং হিসাবে দেখিইয়া দিলেন। 
  • বাংলাদেশে বসে থেকেই আপনি ভালো হ্যাকিং জানার কারনে দুইটা কম্পিউটার ব্যবহার করে দুইটা ইন্টারনেট সিষ্টেম ব্যবহার করে একটা থেকে ক্লায়েন্ট একাউন্ট মেক করলেন এবং আরেকটা থেকে সেলার একাউন্ট মেক করলেন। ক্লায়েন্ট মেশিনে ভিপিএন ইউজ করে পতাকার রং ও পরিবর্তন করে নিলেন। আবার যে কোন একটা ইংরেজী নামও ব্যবহার করলেন কারন মার্কেটপ্লেস তো আপনার নামে বরাদ্দ হওয়া ক্রেডিট কার্ডের ইনফরমেশন কে দেখাবে না ইউজার ডিটিইলস এ। মার্কেটপ্লেস শুধূ দেখাবে- ক্লায়েন্ট কোন দেশ থেকে বা কোন দেশী ইউজার নেম আছে তাদের। সেই সাথে দেখাবে পতাকার রং। সেই ক্ষেত্রে তো আপনি ই  আপনার ক্লায়েন্ট হয়ে গেলেন। আপনি যদি বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোন দেশের নাগরিক হয়ে থাকেন এবং সেখানে আপনি যদি বাংলাদেশী কেডিট কার্ড  ব্যবহার করে থাকেন সেটা শুধু মার্কেটপ্লেস বা ক্রেডিট কার্ড পেমেন্ট কোম্পানীই জানতে পারবে। 
  • পরিকল্পিতভাবে কোন হ্যাকার টিমের সাথে কন্ট্রাক্ট করলেন আর তারা  আপনার ক্লায়েন্ট হয়ে আপনাকে নিয়মিত পে করা শুরু করলো মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে। আর সেখানে আপনি দেশ বরেন্য ফ্রি ল্যান্সার হয়ে গেলেন। 
  • (এজ ফর এক্সাম্পল) হ্যাকাররা যখণ কোন ওয়েবসাইট হ্যাক করে তখন তারা সাধারনত কিছু সুযোগ সুবিধা চায়। ওযেবসাইট মালিকেরা তাদের ওয়েবসাইট এবং ব্যবসাকে টিকাইয়া রাখার সুবিদার্থে অনেক সময় কিছু এক্সেস দেয়। একবার শূনেছিলাম যে স্বনামধন্য কিছু মার্কেটপ্লেস ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড নাম্বার ব্যবহার করার সুযোগ দেয় হ্যাকারদের (কোন ধরনের তথ্য প্রমান নাই আমার কাছে শুধু ইন্টারনেটে কারো না কারো কাছ থেকে শোনা)। আবার অনেক ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ওয়েবসাইট আছে যারা ইন্টারনেটে ফুল  ফেইক ক্লায়েন্ট ডিটেইলস ব্যবহার করে থাকে। যেমন : আপনি কোন ওয়েবসাইট থেকে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কিনলেন আর সেটার সাথে আপনি  ইন্টারনেটে ব্যবহার করার জন্য (ওয়ান টাইম)  নাম , ঠিকানা, বয়স, জন্ম তারিখ, ফোন নাম্বার এবং আরো কিছু ডিটিইলস পাইয়া গেলেন। তারপরে আপনি সেগুলো ব্যবহার করে মার্কেটপ্লেসে ক্লাযেন্ট হিসাবে নিজেকে এনরোল করলেন এবং আপনার পরিকল্পনা মোতাবেক কিছু লোক কে পেমেন্ট দেয়া শুরু করলেন তাহলে সেটা ফ্রি ল্যান্সিং হবে না আর যাদেরকে করলেন তারাও ফ্রি ল্যান্সার হবে না কারন এইটা একটা ফেক ব্যাপার। 
  •  ইউএসএ কোম্পানী বানিয়েছে এই সকল কিছু- ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, টাচ ফোন অপারেটিং সিষ্টেম বা ইন্টারনেট- যাই বলেন না কেনো- এই সকল ব্যাপারে শুধু মাত্র ইউএসএ র কোম্পানী গুলো ই নিখুত এবং একুরেট তথ্য দিতে পারে এবং সেই মোতাবেকই আপনি বুঝতে পারবেন কারা অরিজিনাল ফ্রি ল্যান্সার।   
আরো অনেক হাজার হাজার স্বীকৃত বা অস্বীকৃত পন্থা আছে যেখানে খুব সহজেই ব্যাংকিং সিষ্টেমে রেমিটেন্স এড করে নিজেকে ফ্রি ল্যান্সার বলে ফেলানো যাবে- বাংলাদেশ সরকার বুঝতেই পারবে না। সরকার ফ্রি ল্যান্সারদের তালিকা বানাইতাছে ওকে- কিন্তু ফ্রি ল্যান্সারদেরকে লোন সুবিধা দেবেন- ব্যাপারটা ওকে নাই। কারন যে রেমিটেন্স উপার্জন করে তার তো লোন সুবিধা দরকার নাই। শুধূ মাত্র সরকার ঘোষিত তালিকাতে নিজের নাম থাকাটাই একটা সম্মানের ব্যাপার- এইখানে লোন সুবিধার দরকার নাই। রেমিটেন্স উৎপাদনকারী দেশের সরকারের কাছ থেকে লোন নিতাছে- ব্যাপারটা হাস্যকর। অন্য পেশার রেফারেন্সে বা কম্পিউটার আ ইন্টারনেটে প্রফেশনের উদ্যোক্তা হিসাবে লোন প্রদান ওকে আছে। 

ফ্রি ল্যান্সার দের সামাজিক মর্যাদা নাই এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স আনে এবং  যারা রেমিটেন্স আনে তারা দেশের এক নম্বর নাগরিক। বরঞ্চ বলতে পারেন যে এই দেশের রাজনৈতিক চোর ছ্যাচ্চড় বাটপারদের কোন সামাজিক মর্যাদা নাই কারন তারা প্রতিনিয়ত চুরি, রাহাজানি, দুর্নীতির মাধ্যমে  দেশে রাহাজানি করে যাইতাছে আর সাধারন মানুষের দুর্ভোগ বাড়তাছে - নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম চলে যাইতাছে ধরা ছোয়ার বাহিরে। 

পেমেন্ট গেটওয়ে (ফ্রি ল্যান্সারস/মার্কেটপ্লেসেজ)






সোশাল মিডিয়া থেকে সম্পর্ক ও সোশাল মিডিয়া হ্যারাজমেন্ট নিয়ে কিছূ কথা- দ্বিতীয় পর্ব।

কয়েকদিন আগে একজন তারকা বাংলাদেশের মিডিয়াতে অভিযোগ করেছেন যে- সোশাল মিডিয়া জগতে তাকে ভার্চুয়ালি ধর্ষন করা হয়েছে। এই ধরনের অভিযোগ বাংলাদেশে নতুন। উনার জ্ঞাতার্থে বলতে হয়ে যে- সোশাল মিডিয়া এবং ভার্চুয়াল ২ টা ভিন্ন জগত। সোশাল মিডিয়া থেকে মানুষ ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু ভার্চুয়াল দুনিয়ার মুভমেন্ট এবং সোশাল মিডিয়ার মুভমেন্ট কিছুটা ভিন্নতা আছে। ভার্চুয়াল জগত টা অদৃশ্য সৃষ্টিকর্তা কন্ট্রোল করে বলে আমি জেনে এসেছি ছোটবেলা থেকেই। ভার্চুয়ালি যদি কেউ হ্যারাজমেন্ট হয় বা কষ্ট হয় তহালে তার ব্যাপারে খোদার কাছে অভিযোগ জানাতে হয় বলে শুনেছি কারন এইটা হয় বায়বীয় সিচুয়েশনে। আর যদি সোশাল মিডিয়া তে যদি কেউ আপনাকে ঝামেলা তে ফেলায় বা ঝামেলা তৈরী করে তাহলে তার ব্যাপারে আপনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন কিন্তু সেটা সাথে সাথে- র‌্যাব এর ডিজিটাল আইসটি আইনে বা বাংলাদেশ পুলিশের সিআইড সেকসানে। তারপরেও একটা ঝামেলা থেকে যাবে কারন আপনি স্পেফিক্যালি জানেন না যে- সে কি হ্যাকার নাকি অন্য কেউ। অনলাইনে নির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকার কারনে এবং এই সকল ব্যাপারে সঠিক ট্রাকিং না থাকার কারনে এখন পর্যন্ত অপরাধীরা পার পেয়ে যাইতাছে। যে ধরনের সফটওয়্যারে এই ব্যাপার গুলো ট্রাক করা যায় সেগুলোতে জেনুইন উইন্ডোজ থাকতে হবে এবং স্পেসিফিক ভ্যালিড আইপি এড্রেস ও থাকতে হবে। ইউরোপ আমেরিকাতে কেউ ডুপ্লিকেসি না করার কারনে কোথাও কোন অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ তাৎক্ষিনিক ভাবে তার বিরুদ্বে এ্যাকশন নিতে পারে। তো আমাদের দেশেও যদি সেই ধরনের সুবিধা থাকতো তাহলে ও অনেক দূর আগাতে পারতো  অপরাধ নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা। 


একটি অপরাধ সংঘটিত হবার এক বছর পরে যদি  আপনি কোথাও কোন অভিযোগ নিয়ে যান তাহলে সেটার আর রেশ থাকে না। সে ব্যাপারে পুলিশ ও কখনো এগ্রেসিভ হবে না। তারা বলবে ব্যাপারটা পুরানো হয়ে গেছে। নতুন করে অপরাধীর বিরুদ্বে অভিযোগ গঠন করতে হবে। নতুন করে তাকে চোখে চোখে রাখতে হবে। মানুষেরে ভেতরে ঢুকে তারে অপরাধী বানানোর চেষ্টা করলও আইন দেখবে যে সে প্রাপ্তবয়স্ক ছিলো কিনা এবং সকল অপরাধ তার সামনে স্বজ্ঞানে হয়েছে কিনা? যদি উভয় পক্ষের সম্মতি থাকে তাহলে সেখানে কোর অপরাধ সংঘটিত হতে পারে না। সোশাল মিডিয়াতে যে কোন সময় যে কোন কিছু হয়ে যাইতে পারে পারহেপ্স প্রতি মুহুর্তেই সোশাল মিডিয়াতে ছেলে এবং মেয়েদের মাঝে মাঝে নতুন নতুন সম্পর্ক হইতাছে- ধরতে গেলে প্রতি সেকেন্ডেই। সারারাত কথা বলে সকাল বেলাতে দেখা করা বা একেবারে রুম ডেট করে ফেলা এখন খুব সাধারন বিষয়ে পরিনত হয়েছে। সোশাল মিডিয়া থেকে পরিচিত হবার পরে বাস্তবে যৌনকর্ম করে একজন আরেকজনকে ছেড়েও দিয়েছে- এগুলো এখন উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের আলোচনার বিষয়। আপনি কোন ভাবেই তাদেরকে থামাতে বা কন্ট্রোল করতে পারবেন না। আপনি যদি তাকে জিজ্ঞাসা করেন এবং সে যদি আপনার কাছে অভিযোগ করে যে - একজন মানুষ সোশাল মিডিয়া থেকে হ্যারাজ হয়েছে তাহলে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সেটার বিরুদ্বে তাৎক্ষনিক ভাবে এ্যাকশন নিতে পারবে। ইন্টারনেটে কোন অপরাধ সংঘটিত হবার পরে যদি আপনি র‌্যাব পুলিশকে জানান তাহলে তারা আপনাকে বাহবা দিবে এবং যদি আপনার ভ্যালিড জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে তাহলে  তারা আপনার অভিযোগটা গ্রহন করবে। আর যদি আপনার কোন ভ্যালিড জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনার অভিযোগের কোন দাম থাকবে না- বড়জোড় পুলিশ ব্যাপারটা খতাইয়া দেখতে পারে। এখন ইন্টারনেটে একটা প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে একটা প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে সাথে ইন্টারনেট ডেটিং বা ঘনিষ্ট হলো আর আপনি সেটা জেনে পুলিশের কাছে বা আদালতের কাছে অভিযোগ করা শুরু করলেন তাহলে আদালত প্রথমেই বিষয়টাকে ফালতু হিসাবে কাউন্ট করবে। কারন অভিযোগ করার নিয়ম ভুক্তভোগীদের। যে কেউ যাইয়া যে কোন অভিযোগ করলে  কোন লাভ হবে না। কিছু কিছু স্পেফিসিক ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে হয় সরাসরি ভুক্তভোগীদের। আর যদি প্রমান থাকে এখানে যে উভয়পক্ষ সমান ভাবে সোশাল মিডিয়া থেকে করাপ্টেড হয়েছে - তাহলে উল্টা তৃতীয় পক্ষের রিবুদ্বে মানহানি মামলা করা যাবে। 

সোশাল মিডিয়া থেকে অনেকে সম্পর্ক তৈরী করে ব্ল্যাকমেইল করে থাকে। বড়লোক দেখে মেয়েদেরকে টার্গেট করে সোশাল মিডিয়া থেকে বাস্তবে আইনা রিলেশেন তৈরী করে তাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করতাছে এরকম বহু কাহিণী এখণ পত্র পত্রিকাতে শোনা যায়। কি জিনিস এই ইন্টারনেট। সুদূর ১৩০০০ কিলোমিটার দূর থেকে এস স্রেফ বাঙালীর মাথা খারাপ করে দেবার মতো অবস্থা। আবার অনেক ভালো ভালো বন্ধুত্ব ও হইতাছে। সবচেয়ে মজা লেগেছে- আমাদের দেশে ম্যাক্সিমাম রাজাকারেরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে না মানে। আমি কয়েখজনকে চিনি ব্যক্তিগতভাবে- ফেস চেনা তারা কখনো নিজে মোবাইলে বা ল্যাপটপে বা ডেস্কটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। তাছাড়া তারা ব্যক্তিগতভাবে দেখলাম আমেরিকানদের কে অনেক ঘৃনা করে। কারন আমেরিকা ২০০১-২০০৬ সালে   সন্ত্রাসের  বিরুদ্বে যুদ্বে অংশ হিসাবে পা কিস্তানে অনেক পরিমান অপারেশন করে তাকে যাকে আল কায়েদা বিরোধী অপারেশনও বলা হয়ে থাকে। তালেবানা, আল কায়েদা সহ আরো অনেক শীর্ষ  সন্ত্রাষী কে চিরতরে নির্মুল করে তারা অনেক বাহবা কুড়িয়েছে। ২০০১ সালের এমন দিনে পা কিস্তানে/ আফগানিস্তানে বসবাস করা আল কায়েদার সহযোগিতায় নিউ ইয়র্ক শহরের টুইন টাওয়ারে আক্রমন করে এবং প্রায় ৩০০০ লোক মারা যায় তাৎক্ষকি ভাবে। শ্রদ্বা ভরে স্মরন করি তাদেরকে যাারা বিনা কারনে এরকম এক দিনে প্রান দিয়ে গেছে। অপরদিকে ইন্টারনেট আমেরিকা থেকে আসার কারনে এ দেশের দালাল/রাজাকার/এবং তাদের প্রজন্ম রা ইন্টারনেট কে অনেক ঘৃনা করে কারন তারাও (দালাল/রাজাকার/এবং তাদের প্রজন্ম) তো পা কিস্তান কে ভালোবাসে। দালাল/রাজাকার/এবং তাদের প্রজন্ম পা কিস্তানী হবার কারনে তারা অনেক সময় পা কিস্তানের  বিরুদ্বে আমেরিকার অপারেশন কে ঘৃনা করে নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। কতো বড় ঘাদ্দার, বাংলার বুকে দাড়িয়ে- বাংলাতে নি:শ্বাস নিয়ে পা কিস্তান কে ভালোবাসে আর বাংলা এবং আমেরিকাকে ঘৃনা করে। দালাল/রাজাকার/এবং তাদের প্রজন্মেএর দেশকে একসময় সন্ত্রাসের মুকুট বলা হতো বা টেরিরোষ্টান বলে ডাকা হতো। এখনো প্রচুর পরিমানে সন্ত্রাসী দল বর্তমান।   কিন্তু ইন্টারনেট থেকে যখন কোন সম্পর্ক দাড়া হয় বা বিয়ে শাদীর ব্যাপারে কথা হয় তখন তারা ঠিকই নাক গলায়। ইন্টারনেট সবার জন্যই প্রযোজ্য। রাজাকারদের ফাসির আইন কার্যকর হবে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় কই? আমার বাবা- মা বৃদ্ব বয়ষ্ক, তারপরেও তারা সময় পাইলেই ইমু এবং ইউটিউবে নিউজ দেখে, সময় কাটায় এবং অনেক অজানা তথ্য জানতে পারে। মেন চাইলে বসে ধর্মীয় তেলাওয়াতও শুনে। প্রজন্ম দালাল রাজাকারকে এমনও বলতে শুনেছি যে- ইন্টারনেট কোথা থেকে এসেছে তা তারা জানে না। সেজন্য তারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। পৃথিভতে আরো একটা গ্রুপ ইন্টারনেট ব্যবহার করে না বা দিন রাত ২৪ ঘন্টা ইন্টারনেটে থাকতে পছন্দ করে না- তারা বাই সেক্সুয়াল। তবে অনেক ক্ষেত্রে তারা অনেক পপুলার হবার কারনে বিশ্বের অনেক দেশে তাদেরকে দৈনিক ১৫ মিনিট সময় বেধে দেয়া হয় - তারা সেই ১৫ মিনিট সোশাল মিডিয়া দেখে বা চেক করে বা ডাটা বা তথ্য আপডেট করে। 

সৃষ্টিকর্তা ইনফিনিটিভ ক্ষমতাবান। তার ক্ষমতার কোন শেষ নাই। এ বিশ্বে অনেক কিছু আছে ইনফিনিটিভ পাওয়ার ধারন করে যেমন- সমুদের্র পানি আপন কখনো শেষ করতে পারবেন না গুনে। বাতাস- যা সারা বিশ্বে  ইনফিনিটিভ ক্ষমতা নিয়ে বয়ে যাইতাছে। আরো অনেক ভ্যাপার ষ্যাপার আছে যা ইনফিনিটি ধারন করে। ইন্টারনেটও একটা ইনফিনিটিভ ব্যাপার। এইখানে অনেক ধরনের ধর্মীয় আচার আচরন ও বিদ্যমান। অনেক ধর্ম নিয়ে ধর্ম বিশারদরা আলোচনা করে থাকে। সেজন্য অনেক সময় যারা নাস্তিক টাইপের বা অনেকখানে শুনেছি যারা বাই সেক্সুয়াল (তারা কিছুটা নাস্তিক টাইপের) তারা সবসময় ইন্টারনেট ব্যভহার করেত পারে না সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও। কারন এইটা একটা রিসোর্স আর এই রিসোর্স ব্যবহার করে অনেকেই অনেক ভালো আছে। ইন্টারনেটে অনেক ভালো ভালো কাজও হয়। 

সোশাল মিডিয়া তে মিস বিহেভ বা সামান্য মেলামেশাতে যদি আপনার মাথা ব্যথা করে তাহলে এডাল্ট ক্যাম ওয়ার্ল্ড  বা পর্নো জগতে ‍যারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশী মেয়েদের ফটো বা ভিডিও আপরোড করতাছে ন্যুড বা পর্নো টাইপের - তাদের বিরুদ্বে আগে এ্যাকশন নিতে হবে।  কারন তারা অভিযোগ ছাড়াই বাংলাদেশের আইন ভেংগে ফেলাইছে। সো তাদের বিরুদ্বে ডিজিটাল এবং বাস্তব এ্যাকশন নেওয়া উচিত কারন তারা প্রতিনিয়ত এডাল্ট সেকাসনে তাদের বেডরুমে সংঘটিত যৌনকর্মের ভিডিও আপলোড দিয়ে যাইতাছে এবং দেশের আইনের প্রতি বৃদ্বাংগুলি দেখাইয়া যাইতাছে। অনেকে আছে কোন ধরেনর প্রোগ্রামিং জানা ছাড়াই বা স্টাডি করা ছাড়াই জ্ঞান ফলারো শুরু করে। ব্যাঙ কে যদি আপনি পুকুর থেকে সাগরে ফালাইলে যে রকম খুশী হবে প।লাস লাফ পারবে সেরকম করা শুরু করে কিছু কিছু লোকজন। তােরা মনে করে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাদের কে কোন লিখিত বা প্রজ্ঞাপন আকারে কোন দ্বায়িত্ব দিয়ে দিছে ইন্টারনেটের ব্যাপারে নাক গলানোর জন্য বা যে কাউকে ইন্টারনেটে হ্যাক বা তথ্য পাচার বা আরো যা যা খাারপ কিছু আছে তা করার জণ্যই। পারলে আপার মুখের সামের বলে বসবে যে- তারাই জুভি ইন্টারনেট কন্ট্রোল করে। আজকে যদি সাগরের উচ্চতা কয়েক সেন্টিমিটার বেড়ে যায়  তাহলে যেভাবে জোয়ারের পানি বাংলাদেশের ভেতরে ডুকে ২০/২৫ জেলাকে প্ল্যাবিত করবে, ইন্টারনেটে ডাটা ব্যাংক বা তথ্য গতি তার চেয়ে ও জোড় গতিতে প্রবেশ করবে প্রতি সেকেন্ডে। এইটাকে কন্টো্রল করার মতো ক্ষমতা নাই বিশ্বের কারো। কিছু নিয়ম নীতি তৈরী করা যাইতে পারে যার আলোকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাইতে পারে। যেমন - বিশ্বের অনেক জেলে (যে সকল জেলে ইন্টারপোলের কাভারে বা আন্তর্জাতিক মানে) যাার দীর্ঘ দিনের বন্দী সাধঅরন তাদের জন্য সপ্তাহে ১৫ মিনিট থেকে প্রায় ১ ঘন্টা সয়মকাল ইন্টারনেট ব্যভহারের জন্য বলে দেয়া আছে বা আইন করা আছে। বাংলাদেশের দুইটা জেলকে আন্তর্জাতিক মানের বলা যায়- ১) কেরানীগঞ্জ এবং ২) কাশিমপুর। 

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমি ভলতে পারি ধর্মভিত্তিক মুসলিম বাংলাদেশে স্ট্রেইট সেক্সুয়াল অলিয়েন্টেশন ছাড়া আর কোন প্রকারের সেকসুয়াল অরিয়েন্টেশন কে এলাও করা হয় না। তো সেই ভাবে যদি এর মাঝে কেউ বাই টাইপের হয়ে থাকে গোপনে- তারা যেনো দৈনিক ১৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে। প্রাপ্ত বয়স্কে আই সেকসুয়াল প্রজন্ম কে আমি ব্যক্তিগতভাবে ঘৃনা করি ঠিক যে রকম ঘৃনা করি এ দেশের দালাল রাজাকার প্রজন্ম কে সেরকম। আমি ডেফিনিট শিওর- যারা বাই তারাও ঠিক মতো জয় বাংলাবলতে পারে না। সোশাল মিডিয়াতে তাদের এক্টিভিটিজ আছে অনেক। তাদের কারো সাথে যে কোন ধরনের সম্পর্কে জড়ানোর আগে খুবই সাবধান। আমি মনে করি প্রাপ্তবয়স্কে বাই সেকসুয়াল টাইপের মানুষজন বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে হ্যারাজমেন্টও। 

জয় হোক শুভ বুদ্বির, জেয় হোক শুভ চেতনার। 



Marketplace. Freelancing outsourcing Bangla Tutorial.

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

White Hat SEO- Off Page optimization- Social Media (Example: Facebook) Marketing . Part - 03

আগেকার পর্ব গুলোতে আমরা মোটামুটি ভালো কিছু আইডিয়া পেয়েছি সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ব্যাপারে। আজকে আমরা চতুর্থ পদ্বতি টা নিয়ে আলোচনা করবো। আম...

$$ Forum post $$ Blog Comment $$

Earn Money Posting in Forums

The world best web hosting service