Translate

Saturday, September 26, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। ৭ম পর্ব । ওয়েব সাইট ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস।

একটি ঘটনা বা কাহিনী বা গল্পকাহিণী বা অতি রন্জিত কাহিণী দিয়ে শুরু করা যাক। মনে করেন: একটা মার্কেট নাম: কামাল রনজিত মার্কেট। অবস্থান: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। আগে যার নাম ছিলো কো অপারেটিভ মার্কেট। মোটামুটি ভালো পপুলার প্লেস ময়মনসিংহের ভেতরে। যখন বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকে তখন সেই জমা জমে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্লেস টি। এইটাকে গুগলের ম্যাপে বা ফেসবুকে প্লেস হিসাবে মার্ক করে দেয়া আছে। যে প্লেস টা গুগলের ম্যাপে জমা থাকে সেটাকে প্লেস বলা চলে।  


যেম এইখানে ম্যাপে দেয়া আছে। এই মার্কেটে ৩ টা দিক দিয়ে ঢুকা যায়। এক: আমার লোকালি বলি: মেইন রাস্তা থেকে - কে বি ইসমাইল রোড থেকে। দুই: শাহাবুদ্দিন ভাই এর দোকান থেকে এবং তিন: পত্রিকা বিচিত্রার দোকানের সাইড দিয়ে। ৩ টা সাইডেই পপুলার থাকে। এক সাইডে বিশ্ববিধ্যালয়েল শিক্ষক যারা ছাত্র ছিলেন তারা নির্দিদ্বায় বসে আড্ডা দেন। আরকে সাইডে বিশ্ববিধ্যালয়েল ছাত্র ছাত্রীরা আড্ডা দেয়। আরেক সাইডে- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকার বাসিন্দা রা আড্ডা দেয়। এই প্লেস বা আড্ডা টাকে পছন্দ করে না এরকম কোন পারসনই নাই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিধ্যালয়ের সমাজে। এই মার্কেটে অনেক মেধাবী ছাত্র ছাত্রীরা বসে আড্ডা দিতো বা টাইম পাস করতো। এইটার আগে নাম ছিলো কামাল রনজিত মার্কেট। সারারাত আড্ডা দেয়া বা চিল করে টাইম পাস করা বাকৃবি আবাসিক এলাকার ছেলে পেলেদের জন্য খুবই সজব ব্যাপার ছিলো। আমি অবশ্য এই আড্ডো থেকে  সের যাই ১৯৯৮ সালে- আমার এইচ এস সি পরীক্ষা শেষ হবার পরে- বর্তমানে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পরে এবং সেখান থেকে আমার আমাদের বর্তমান বাসাতে চলে আসার পরে। 

অনেকদিন সেই আড্ডা আমি মসি করেছি। ধরতে গেলে ২০০৬ পর্যন্ত। যখণ- পুরোদমে ফ্রি ল্যানসিং এবং আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসের কাজ শুরু করার আগে পর্যন্ত। মার্কেটপ্লেসের কাজে নিম্গ্ন হবার ফেলে সেখানে আর সহজে যাওয়া হয়ে উঠে নাই। আজকে বহেু বছর পরে গেছিলাম ছোট বেরার এক বন্দুর শপে। তার কাছে গতাকল রাতে ক্রাশ খাওয়া ল্যাপটপের উইন্ডোজ ঠিক করার কারনে। আরো আরেক বন্ধুকে নিয়ে ভালো আড্ডা জমলো। ভালেঅ সশয়ও কাটালাম এবং দুপুরে বাসাতে চলে আসলাম। আমাদের বর্তমান বাসা/বিল্ডিং ২০ নং ওয়ার্ড। আর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্বদ্যিালয় ২১ নং ওয়ার্ডে। যে কথাটা বলার জন্য লেখাটা শুরু করা- বাংলাদেশ কৃসি বিশ্ববিধ্যালয় মার্কেট যখন লোকে লোকারন্য থাকে সেটাকে এক ধরনের মার্কেটপ্লেস বলা হয় বা প্লেস জমে উঠেছে বলা হয় কিন্ত তার মানে এই নয় যে সেটা ফ্রি ল্যান্সার দের মার্কেটপ্লেস। ফ্রি ল্যান্সারদের মার্কেটপ্লেস বলতে এমনতর ওয়েবসাইট কে বোঝানো হয় যেখানে ইন্টারনেট জ্ঞানে শিক্ষিত হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ কোয়ালিফাঢেয বা স্ক্রিলড লোকের সমাবেশ হয়। একাসথে অনেক ফ্রি ল্যান্সারদের কোয়ালিটি অনুযায়ী খুজে পাওয়া যায় বা অনেক অনেক ফ্রি ল্যান্সার দের অনেক অনেক সেবা বা সার্ভিস সমূহ একসাথে খুজে পাওয়া যায় বলে ইন্টারনেটের বাসাতে সেটাকে মার্কেটপ্লেস বলা হয়। তাছাঢ়া ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে ডলার বা সারা দেশের মুদ্রা বিনিময় হয় বলে এই ধরনের ওয়েবসাইট কে মার্কেটপ্লেস বল েঅভিহিত করা হয়। বেসিকালি ইন্টারনেট মার্কেটপ্লেস গুলেঅতে গাড়ি থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় সব দ্রব্যাদিই খুজে পাওয়া যায়। কিন্তু একদল নিরক্ষর মার্কেটপ্লেস এর মিনিং কে উল্ট পাল্টা করে সেটার একটা খারাপ চাদাবাজি ওয়ে বাংলাদেশে অনেক সময় তৈরী করে ফেলাইতাছে যা একেবারেই অযৌক্তিক। 

এক মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় এ বহিরাগত হিসাবে প্রায়শই প্রবেশ করতো। ভাবখানা এমন যে তার শশুর বাড়ি র এলাকা। সে কোন বিশ্বেবিধ্যালয়ের ছাত্রী ও ছিলো না। টোটাফাটা বা ছিটেফোটা কাজের বুয়া টাইপের কাজ করতো আর বিশ্ববিধ্যালয়ের অোবাসিক এলাকার শিক্ষকদের বাসভবনে প্রবেশ করে পিএইচ ডি করে আসা শিক্ষকেরা কিভাবে থাকে বা বসবাস করে বা কিভাবে ড্রয়িং রুম বা বেড রুম সাজায় সেগুলো দেখতো ছুটা বুয়ার কাজ করার ছলে। সে ছিলো অশিক্ষিত এবং কোন স্কুলের কোন ক্লাস পাশ করে নাই। সে রকম কোন সার্টিফিকেট ও তার নাই। সে এই সকল ডাটা কালেকশন করে বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকার লোকজনের সাথে শেয়ার করতো এবং তার বিনিময়ে টাকা পয়সা বা অন্য কিছু পাইতো। তাকে ২/৩ বার চোর সাব্যস্ত করে মেরে ফেলতে চাওয়া হয়েছিলো। তখনকার দিনে চোরের জন্য গনপিটটনা বরাদ্দ ছিলো। গনপিটানা খাইয়া যদি কেউ মইরা যাইতো তাহলে সে ব্যাপারে খুব বেশী আইন পুলিশ হতো না। তবে শুনেছি সে রাজাকার মহিলা ছিলো। আমাদের বাসার কাজের বুয়া অসুস্থ থাকায় সে একবার প্রক্সি দিতে এসেছিলো  আমাদের রেগুলার কাজের বুয়ার- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকাতে ১৯৯৮ সালের আগে।  একদিন আমাদের বাসাতে আইসা বেল দিয়ে বলতাছে যে- আমাদের রেগুলার বুয়া আজকে কাজ করতে আসবে না। তার বদলে সে এসেছে। আমি মহিলার দিকে তাকিয়ে দেখলাম- মহিলার চাহনী ছিলো খারাপ। আমার বাবা তখন উচ্চ শিক্ষার্থে আমেরকিাতে শিক্ষা এবং অধ্যয়নরত ছিলো এবং ছুটিতে বাংলাদেশে এসছিলো। বাসাতে ছিলেন এবং দরজা খোলার জন্য মেইন গেটের দিকে আসতেছিলেন। আমি দরজা খোলার পরে  সেই মহিলাকে দেখে ই  বললো যে- মহিলাটা খুবই খারাপ (সম্ভবত আমার বাবাকে চোখ দিয়ে কোন খারাপ প্রস্তাব দিয়েছিলো কিন্ত তিনি মানুষ হিসাবে ফেরেশতার মতোই ছিলেন- ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন এবং নিয়মিত ধর্ম কর্ম ও করতেন। পুরো বিশ্ব ঘুরেছেন কিন্ত ধার্মিক হবার জন্য কখনো দাড়ি ফালাইয়া দেন নাই- আমি উনাকে তার ষ্টাডি রুমে পাঠাইয়া দেই। আর উনার কথার মধ্যে আমার প্রতি সতর্কবানীটাই ছিলো বেশী। প্রথমদিনরে পরে আব্বা চলে যায় ফ্লাইটে।)। তখণ প্রচুর পরিমানে খারাপ মহিলা যত্র তত্র ঘোরাফেরা করতো কারন বাংলাদেশে ছিলো পৃথিবীর অণ্যতম সেরা পতিতালয় যার নাম নারায়নগঞ্জ টানবাজার। তাই সারা দেশে কোন ধরনের খারাপ মহিলারা ঘোরাফেরা করলে কেউ কিছু মনে করতো না। আমিও সেরকমই ভেবেছিলাম।  আমি আব্বাকে আলাদা রুমে পাঠিয়ে দিয়ে মাঝখানের ডোর লক করে দিলাম এবং যে রুমে কাজের বুয়া কাজ করবে সেই রুমে তাকে বললাম- ঠিক আছে আপনার সব কাজ করার দরকার  নাই। শুধু ড্রয়িং রুমের কাজটা করেন - পরিস্কার করেন, ঝাড়ু দেন এবং মুছেন আর কিচেনের যে সকল ধোয়া মোছা আছে সেগুলো শেষ করেন। আমি পুরোটা সমিয় দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখলাম কারন তখনকার দিনে নতুন কাজের বুয়া বাসা বাড়িতে কাজ করতে আসলে চোখে চোখে রাখতে হতো নয়তো প্রচুর পরিমানে চুরি হতো। তো সে ড্রয়িং রুমের কাজ শেষ করে কিচেনে গেলো এবং সেখানে হাড়ি পাতিল ধোয়া মোছা করা এবং খাবারের প্লেট গুলো ধুয়ে দেবার পরে বললাশ ভাতটা রান্না করেন- ভাত রান্না শেষে  আমি বললাম যে আজকে আপনি চলে যান। পরের দিন সে আবারো আসলো। বাসাতে শুধূ আমি আর আমার আম্মা ছিলাম। সেদিন তাকে দিয়ে পুরো বাসা মুছালাম আর কিচেনর কাজ শেষ করালাম। আবার আসলো তৃতীয় দিন- তখন তাকে দিয়ে আবারো ড্রয়িং রুম ধোয়া মোছা করালাম এবং কিচেনের কাজ শেষ করে বিদায় করে দিলাম। দ্বিতীয় দিন আম্মা আমাকে বলতাছে যে এই মহিলা কে?  আমি বলতাছি- আমাদের রেগুলার বুয়া আসে নাই তার বদলে এই মহিলা বসেছে। প্রথম দিন আম্মা টের পায় নাই যে অন্য এক মহিলা কাজ করতে এসেছে-তাদেরকে আলাদা করে রেখেছিলাম। আব্বা উচ্চ  শিক্ষার্থে বিদেশ থাকার কারনে পুরো পরিবারের  দ্বায়িত্ব ছিলো আমার উপরে। আবআবর বেতন তোলা থেকে চিঠিপত্র রিসিভ করা, বাসার এ টু জেড সব কিছু দেখে রাখা, বাজার সদাই বা কাচা বাজার করা , ছোট ছোট দুই ভাই বোনের  দেখাশোনা করা, স্কুলে  নিয়ে যাওয়া বা আসা আর নিজের বন্ধুদের সাথে সন্ধ্যার পরে আড্ডা বাজি করা, নিজের পড়াশোনা ঠিক রাখা- এক কথায় দ্বায়ত্ব নিয়ে চলা। সেই কারনে নিজে দাড়িয়ে থেকে তিন দিন কাজ করালাম এবং তৃতীয় দিন যাবার সময়ে সেই মহিলা আমার জন্য ইউএসএ থেকে  নিয়ে আসা বাবার একটা খুবই দামী নীল রংয়ের জ্যাকেট সে চুরি করে নিয়ে দৌড় দেয়। তারপরে চতুর্থ দিনে আমাদের রেগুলার বুয়া আসলে আমি জিজ্ঞাসা করলাম- যে কে এসছিলো এই ৩ দিন- তাকে তো আগে  কখনো দেখি নাই- তো বলতোছে ভাইয়া সে চরে (ব্রক্ষপুত্র নদীর ঐপাড়ে) যাইয়া আমার বাড়িতে ঢুকে কিছু লোকজন নিয়ে থ্রেড দিয়ে আমাকে ৩ দিন কাজে আসতে নিষেধ করেছিলো এবং আমাকে চাপাতি দাও দিয়ে ভয় দেখাইছিলো। তো পরে বুঝতে পারলাম যে- কোন  জয় বাংলা বিরোধী কোন শতরু পক্ষের কেউ হয়তো হবে কারন তখন ১৯৯০ সালের গনজাগরনের আগে আগের সময় । হয়তো রেকী করতে এসেছিলো। তো আমি আমাদের বাসার কাজের বুয়াকে বললাম যে- আপনি আর কখনো এই ধরনের কাজ করবেন না্ আপনি নিজে কাজে না আসলে আসবেন না কিন্তু প্রক্সি হিসাবে কাউকে পাঠাবেন না। তো কাজের বুয়া বলতাছে যে- ঠিক আছে।  এর মধ্যে একদিন দেখি সে কাজের ফাকে সোফাতে বসে আছে- থখন প্রজন্ড জোড়ে ধমক লাগালাম যে তোর এতো বড় সাহস যে তুই সোফাতে বইসা আছস কাজের বুয়া বেটি- নাম। পরে সে নাইমা সরে দাড়িয়েছিলো।   তো সেই মহিলা র সাথে প্রায় ২০ বছর পরে আবারো গ্যানজাম লাগলো রাজধানী ঢাকা শহরে- সেখানে সে থাকে এবং যে কাজ পায় তাই করে টাইপের অবস্থা। তো কথা প্রসংগে সে বললো যে - মার্কেটপ্লেস মানে দোকানদারদের আড্ডা। ফ্রি ল্যান্সার রা তো এক ধরনের দোকানদার। আমার কথাটা গায়ে লাগলো। আমি প্রতিবাদ করলাম এবং বললাম যে - ফ্রি ল্যান্সার রা দেশের এক নম্বর নাগরিক কারন তারা দেশের জন্য বৈদিশিক মুদ্রা আনে। তারা এ দেশের জণ্য রেমিটেন্স কালেক্ট করে। তো পরে বুঝতে পারলাম যে- সেই মহিলা অশিক্ষিত এবং নিরক্ষর। সে মার্কেটপ্লেস বলতে কামাল রনজিত মার্কেটের দোকানদারকে বুঝাইয়া থাকে যেখান থেকে সকল ধরনের ছাত্র নেতা বা পাতি নেতারা চাদাবাজি করতো আর ফ্রি ল্যান্সার রা মার্কেটপ্লেস ইন্টারনেট ওয়েবসাইট থেকে রেমিটেন্স বা বৈদিশিক মুদ্রা বা ডলার উপার্জন করে থাকে। তখন সেই মহিলা একদিন বলতাছে যে- ফ্রি ল্যান্সাররা মার্কেটপ্লেসে চাদাবাজি করে থাকে। তো আমি তার উত্তরে বলেছিলাম যে- ফ্রি ল্যান্সাররা মার্কেটপ্লেস থেকে চাদাবাজি করে না বরঞ্চ তারা তাদের মেধা সেল করে । পরে শেষে বলতাছে- বিদেশে না যাইযা ই ঘরে বসে কিভাবে ফ্রি ল্যান্সাররা রেমিটেন্স উপার্জন করে থাকে - সে ‍গুলো তো অবৈধ। তো আমি আর বেশী  কথা বাড়ালাম না কারন সেটা রাষ্ট্রের ব্যাপার। রাষ্ট্র বৈধ মনে করে থাকেই বিধায় ফ্রি ল্যান্সার রা তাদের রেমিটেন্স কে ক্যাশ করে খরচ করতাছে। রাষ্ট্র যদি অবৈধ মনে করতো তাহলে তো আর সেটা সম্ভব হতো না। পরে যারা শুনেছিলো তাদেরকে বললাম- এই মহিলার মাথাতে ডিষ্টার্ব আছে। সে হয়তো না বুঝে ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস নিয়ে কথা বলেছে। আমি সেই মহিলার বাসা বাড়িতে কাজ করতে আসা টাকে তেমন কোন ভয় পাই নাই কারন তখনকার দিনে ঢাকা বিভাগের গোয়েন্দা পুলিশ প্রায়শই মাঝরাতে আমাদের বাসার সামনের বিশাল বারান্দাতে বসে ডিউটি দিতো আর আমাকে দেখলে বলতো চা খাওয়াও বা পানি খাওয়াও। তারা সারা ঢাকা বিভাগে টহল দিয়ে বেড়াতো আর আমি সেই বয়সে সাহসীও ছিলাম দুর্দান্ত। একদিন  কৃষি বিশ্বদ্যিালয়ের ছাত্রদের দেয়া একটা চাইনিজ কুড়াল টাইপের চাপাতি খুব ই সুন্দর দেখতে আমার পড়ার টেবিলে  ছিলো চামড়ার প্যাকেট দিয়ে মুড়ানো- সেটাও দেখলাম সেই মহিলা (যেদিন দিনে দুপুরে জ্যাকেট চুরি করে সেদিন রাত্রিতে) আমার পড়ার রুমের টেবিল থেকে চুরি করে  নিয়ে যাইতাছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের র ছাত্র রা তখন প্রকাশ্য দিবালোকেই অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াতো আর সংরক্ষিত এলাকা হবার কারনে পুলিশকে তখন অনুমতি নিয়ে ঢুকতে হতো এবং কামাল রনজিত মার্কেটের আশে পাশে তারা প্রচুর পরিমানে অস্ত্র রেখে দিতো। এই  জীবনে যে কতো পরিমান লাইভ অস্ত্র যদ্ব দেখেছি ছাত্র ছাত্রীদের অস্ত্র নিয়ে- তা আরেকদিন বলবো বা আলোচনা করবো।
সেই সময়ে আমার বাসাতে একটা পুরাতন কম্পিউটার রাখা ছিলো এবং আমি আমার সেই রুমে এই মঞিরাকে ঢুকতে দেই নাই। তখতার দিনের কম্পিউটার সাদা কালো ব্ল্যাক স্ক্রিন এবং সিএমডি কমান্ড রান করে ফ্লপি ড্রাইভের মাধ্যমে চালূ করা হতো আর মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতো লেখালেখি করা যাইতো বা বসে বসে প্যারা গেম খেলা যাইতো। তো যখন ইন্টারনেট আসে বা আস েআসে অবস্থা তখন আমাদের সাথে যে সকল ফরেনারদের কথা হইতো তারা সবাই বেচা কেনার জণ্য ক্লাসিফায়েড টাইপের ওয়েবসাইট বানাইয়া নিতো। সেই ক্লাসিফায়েড ওয়েবসাইট গুলোরই পরে মার্কেটপ্লেস আকার বা নাম ধারন করে। ফেসবুকের ও নিজস্ব মার্কেটপ্লেস আছে- যার নাম ফেসবুক মার্কেটপ্লেস
  
(চলবে)

Friday, September 25, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। ৬ষ্ঠ পর্ব। বাংলাদেশে কি কি ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং?

 কি কি ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস আছে বাংলাদেশে -

যখন প্রথম প্রথম কাজ শুরু করি  ফ্রি ল্যান্সার রিলেডেট মার্কেটপ্লেসে- তখন প্রথম আমরা যে জিনিসটার অভাব বোধ করি তা হইতাছে ডলার রিসিভ করা এবং পারস্পরিক সেন্ড মানি এবং রিসিভ মানি - যে কোন ব্যাংক বা যে কোন মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে। তখন কোনো উপায় না পেয়ে বাস্তবে পারস্পরিক লেনাদেনা করতে হতো বা এস এ পরিবহনে টাকা পয়সা লেনাদেনা করতে হতো নির্দিষ্ট টাকার বা চার্জের বিনিময়ে। মোবাইলের কল চার্জ ছিলো ৭ টাকা মিনিট। আমি রবি ব্যবহার করতাম তখন চার্জ ছিলো; ৬.৯০ পয়সা পার মিনিট। তারপরেও হাজার হাজার ছেলে পেলে হাজার হাজার টাকা খরচ করে মোবাইলে কথা বলতো এই ফ্রি ল্যানসার এবং আউটসোর্সিং ইন্ডাষ্ট্রিজ কে প্রতিষ্টিত করার জন্য। ২০০২ সাল থেকে শুরু হওয়া ষ্ট্রাগলে সরকারি সহযোগিতা আসে ২০১১ সালের (কায়রো গনজাগরনের সময়কালে- যতোদূর শুনেছি কায়রো গনজাগরনের সরাসরি নির্দেশ ছিলো বাংলাদেশের ফ্রি ল্রান্সারদের সাহায্য করা অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য) দিকে। তার আগে পর্যন্ত ফ্রি ল্যান্সার রা সরকারের চরম অবহেলার স্বীকার থাকে। কোন ভাবেই সরকারের কোন মন্ত্রনালয়ের তেমন কোন সহযোগিতা পাওয়া যাইতো না। অনেক কষ্ট করে শুধু ইন্টারনেট ম্যানেজ করেই চলতে হতো। ইন্টারনেট যেখানে থাকতো সেখানে ফ্রি ল্যান্সারদের আড্ড বসতো। আজকে যারা নিজেদেরকে ফ্রি ল্যান্সার জগতের হেডম বলে ঘোষণা করে - তারা মনে হয় ২০০২-২০১১ সাল পর্যন্ত নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতো আর বিছানায় প্রস্রাব করতো। একসময় এই ইন্ডাষ্ট্রিজ  এষ্টাবলিশ হবে আর সারা দেশের সকল ছেলে মেয়েরা কাজ করবে বা ডলার উপার্জন করবে এইটা ছিলো প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশী শিক্ষিত জগতের স্বপ্ন। আজকে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে অনেকটা। এস এ পরিবহনের মাধ্যমে একজন আরেকজন কে খরচের টাকা পাঠাতো বা ইন্টারনেটের বিল পাঠাতো বা মোবাইলের খরচ পাঠাতো এক জেলা থেকে আরেক জেলা তে। সরকারি দিনে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সেই টাকা পাওয়া যাইতো আর ছুটির দিন হলে ২/৩ দিন দেরী হতো। প্রথমে এস এ পরিবহনের লোকাল অফিস থেকে কল দেয়া হতো। তারপরে বাসা থেকে বের হয়ে সেই টাকা যদি কোথাও ডলার বেচা হয়ে থাকে - তাহলে সেটা তুলে আনতাম। মানে আমি কখনো কারো কাছ থেকে এস এ পরিবহনে ডলার বেচার টাকা ছাড়া অন্য কোন টাকা রিসিভ করি নাই (আরো ছিলো সাথে সুন্দরবন কুরিয়ার)। তখন বসে বসে ভাবতাম - হাতে মোবাইল আছে কিন্তু ব্যাংক নাই। তখনো ডাচ বাংলা ব্যাংক চালু ছিলো। কিন্তু অনেক খরচ স্বাপেক্ষ ব্যাপার ছিলো। আরো একটা উপায় ছিলো- মোবাইলের ফ্লেক্সি কার্ডের নাম্বার। ধরেন একজনের কাছ থেকে ১০ ডলার কিনলাম। তাকে টাকা দিতে হবে ৭০০। তখন ডলারের রেট ছিলো ৭০ টাকা করে। এখন তাকে পেমেন্ট দেবার জন্য তাকে মোবাইলের কার্ড নাম্বার কিনে দিতাম। মোবাইলের দোকানে যাইয়া ৩০০ টাাকর ২ টা কার্ড আর ১০০ টাকার ১ টা কার্ড কিনে আনলাম। তারপরে সেই কার্ড ঘষে যে নাম্বার যাকে রিচার্জের নাম্বার বলা হতো - সেটা স্কাইপে বা ইমেইলে বা মোবাইলের ম্যাসেজের মাধ্যমে তা সেন্ড করা হতো একজন আরকেজনকে। ফলে পেমেন্ট হয়ে যাইতো। অনেক ভাবে চেষ্টা করেও তখন সরকারি লোকজনের কোন টনক নড়ানো যায় নাই্। আর এখন যখন কিছু কিছু  লোকজন সাথে ঠ্যাটা রাজনীতিবিদ দের যখন এই ব্যাপারে কথা বলতে দেখি তখন অনেক সময় গলা ভরে বমি বের হয়ে আসতে চায় যে- যে লোক এক ডলারও উপার্জন করতে পারে নাই সে হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে বড় বড় কথা বলতে দ্বিধাবোধ করে না। তারা বোধ হয় ভুলে যায় যে- ফ্রিল্যান্সার টা লোকাল কোন ব্যাপার না। এইটা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাপার। এইখানে  রেমিটেন্স কে ক্যাশ করা হয়। একসময় মোবাইল ব্যাংক নিয়ে ভাবতাম আর আজকে মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি মোবাইল ব্যাংকে ক্যাশ উইথড্র করতে পারে মার্কেটপ্লেসের ফ্রি ল্যান্সার রা। তবে মাঝে মাঝে প্রশ্ন ও জাগে যে- ঠিক কিভাবে মোবাইল ব্যাংকিং এর সাথে মার্কেটপ্লেসের এপিআইকে কাজ করানো হলো। আমরা যখন আগে দেখেছি ফ্রি ল্যান্সার বা ওডেস্ক সহ অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে যে- ইটিএস ETS or SWIFT মেথডে বাংলাদেশ ব্যাংক কে এড করাতেই বহুত বেগ পাইতে হইছে। বহুত বেগ। ধরতে গেলে খেয়ে না খেয়ে টানা ৫/৬ বছর খাটতে হয়েছে। আর যারা খেটেছে তারা মে বি আজকে বহুত শান্তি পাইতাছে যখন সারা দেশের অনেক অনেক ছেলে মেয়েরা ডলার উপার্জন করতাছে। হয়তো আপনি একটা শান্তি পাইতাছেন কিন্তু আমি একটা অশান্তিতে থাকি প্রায়শই যখন শুনি যে- রেমিটেন্স হ্যাকের ব্যাপারে এফবি আই এর তদন্ত চলতাছে (আমি ব্যক্তিগতভাবে খখনো কোন হ্যাক কির নাই বা পারিও না এইটা)। ২০০২- থেকে আজ পর্যন্ত যতো ফ্রি ল্যান্সার যতো ডলার  এনেছে বৈধ ভাবে  তারা সকলেই রেমিটেন্স উপার্জন করেছে বা দেশের জন্য সুনাম এনেছে। আপনি ঠিক তখনই এই সেক্টরে মাথা খাটাতে পারবেন যখন আপনি নিজেও ১/২ ডলার রেমিটেন্স আনতে পারবেন। অনেকের মার্কেটপ্লেস একাউন্ট হ্যাক হতে পারে - তাদের ফুল ডিটেইলস ও পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে কিন্তু তাদের নামে আসা রেমিটেন্স এর রেকর্ড কে তো আর পরিবর্তন করতে পারবেন না। যদি বাংলাদেশে হ্যাকিং এর জোড়ে তা পরিবর্তন করতে স্বক্ষম হোন তাহলে সেটা বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকেও পাওয়া যাবে। আর যদি বিশ্ব ব্যাংক ও আপনাকে ডাটা না দেয় তাহলে আমেরিকান ব্যাংক একাউন্ট - যে ব্যাংক আপনার নামে রেমিটেন্স ইস্যু করেছে সেখানে আপনার নাম, ফুল ডিটেইলস এবং একটা ট্রানজেকশন নাম্বার রেকর্ড করে রেখেছে- যাতে দুই দেশের যে কোন কাজে সেটা ব্যবহার করতে পারে। ডলার তো আমেরিকার নিজস্ব মুদ্রা। সেটা সারা বিশ্বের সবাই ব্যবহার করে যেটা আমেরিকার নিজস্ব ক্ষমতা। আর সেই ক্ষমতা ভাংগার মতো ক্ষমতা এখনো অন্য কারো তৈরী হয় নাই। যদি কেউ সেটা ভাংতে পারে বলে ধারনা করা হইতাছে- সেটা হইতাছে বিটকয়েন- যা ইতোমধ্যে ডলার হিসাবে নিজেকে দেখায়। তাই ফ্রি ল্যান্সার ইন্ডাষ্ট্রিজ এর প্রথম দিন থেকেই যারা বাংলাদেশে রেমিটেন্সে এনেছে সেই দিন থেকে যারা রেমিটন্সে এক্সচেন্জ করেছে ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস রিলেটেড কোম্পানী থেকে- তারা সবাই ফ্রি ল্যান্সার (যেমন, ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফিভার, নাইনটিনাইন ডিজাইন- আপওয়ার্ক তো এসেছে মাত্র ৫ বছর)।তবে ঠিক কিভাবে আপওয়ার্ক থেকে মোবাইল ব্যাংক বিকাশ বা রকেটে টাকা ট্রান্সফার হয় ব্যাপারটা আমার কাছে ক্লিয়ার না (আমি বাইনারি (০ এবং ১ প্রোগ্রামিং কোডিং বা ক্যালকুলেশন, মেশিন এবং অপারেটিং বা সপটওয়্যার রিলেটেড ৩ ধরনের প্রোগ্রামই  শিখেছিলাম ১৯৯৩ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত। এখন আর তেমন মনে নাই) বাংলাদেশে যদি কোন সমাবেশ হয় ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড সেখানে ডলার উপার্জন করে রেমিটেন্স হিসাবে বাংলাদেশে আনতে পারে নাই এরকম কাউকে ইনভাইট করা হবে না কখনোই। যারা সবচেয়ে বেশী সফল রেমিটেন্স উপার্জন করেছে তারাই হবে সেরা।

বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এ রেমিটেন্স উইথড্র  (আপওয়ার্ক  থেকে বিকাশ বা রকেট) করা যাইতাছে আর অন্যদিকে বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকের একাউন্টে ইন্টারন্যাশনাল মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড এড করে ডলার কে টাকাতে কনভার্টও করা যাইতাছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড বা পাইওনিয়ার টাইপের যতো কার্ড আছে তা যদি আপনি বিকাশে (বা এরকম আরো যতো মোবাইল কোম্পানী) এড করেন তাহলে আপনি সহজেই ডলারকে ক্যাশ করতে পারবেন। তবে বুদ্বিমানের কাজ হইতাছে আমার মতে এড না করা। কারন বিকাশ বা রকেটের এখন পর্যন্ত   বিকাশ বা রকেটের কোন ইন্টারণ্যাশনাল সার্টিফিকেশন চোখে পড়ে নাই আর এইগুলো লোকাল ব্যাংকের পলিসি। সেখানে আপনি আপনার ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড এক্সেস করতাছেন এবং যদি হ্যাকাররা পস মেশিনের  তথ্য বের করতে পারে তাহলে কি লোকাল ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং এ্যাপ এর সমস্ত তথ্য বা গ্রাহকের তথ্য কি বের করতে পারবেন না - যদি কোনভাবে এক্সেস পায়। শুধু মাত্র লোকালি ভ্যালিড মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড এড করে দেখতে পারেন এবং তাও ডেবিট কার্ড অনলি। যাতে আপনি কোথাও কোন কারনে কোন ভাবে হ্যাক হলে  আপনার ডেবিট কার্ডে থাকা ডলার ই চুরি হবে আর যে পরিমান ডলার ছিলো সেই পরিমানই নিতে পারবে। কিন্তু ক্রেডিট কার্ডে যদি আপনার ডলার হ্যাক হয় তাহলে আপনার যে পর্যন্ত লিমিট আছে (যদি আপনার লিমিট থাকে ১২০০০ ডলার তাহলে ১২০০০ ডলারই গায়েব হয়ে যাইতে পারে)সেই পর্যন্ত অদৃশ্য হয়ে যাইতে পারে হ্যাকার ধরলে। আর আন্তর্জাতিক ভাবে যতোটা জানি আপনার কেডিট কার্ড হ্যাক হইলেও আপনাকে প্রতি মাসের নির্দিষ্ট টাইমে সেই  বিল দিতে হবে ব্যাংকে। 



আমাকে একদিন কথা প্রসংগে একদল ফ্রি ল্যান্সার বলতাছে- ভাইয়া আপনাকে বাংলাদেশের প্রত্যেক টিভি থেকে একটা সম্বর্ধনা দেয়া হবে কারন আপনি একদমই ফ্রি এবং ফ্রেশ ভাবে মানুষকে সাহায্য করে থাকেন, আপনি অনেকদিন থেকে  ফ্রি ল্যান্সার জগতের সাথে জড়িত আছেন আর আপনি কারো কাছ থেকে কখনো কোন খানে টাকা পয়সা চান নাই । আমি উত্তরে বলেছিলাম- নেম এবং ফেম এর জন্য কারো উপকার করি না। পূন্য বা নেকী হবে বিধায়ই মানুষের উপকার করে থাকি। যে দেশের টিভি বা রেডিও স্বাধীনতা বিরোধী বা দেশ বিরোধী দের গুড নিউজ একেবরে ফলাও করে প্রচার করে (১৯৯০-২০০৬ পর্যন্ত) সে দেশের টিভি ক্যামেরাগুলোতে বা নিউজ পেপার গুলোতে আমি মো: মাসুদুল হাসান  কখনো আমার ফেস দেখাতে চাই না কারন কাল হাশরের দিন সৃষ্টিকর্তার কাছে জবাবদিহি করতে হবে যে শয়তানের বংশধর যা করেছে তুমিও তো তাই করে আসলা। তাই প্রয়োজনে তৈরী হয়েছে সোশাল মিডিয়া ক্যামেরা বা ভিডিও ক্যামেরা। সো আমাদের ক্যামেরা ইন্টারনেটেই বিদ্যমান। আমার বাস্তব জীবনের এই সকল ক্যামেরা দরকার নাই যে সকল ক্যামেরা বা টিভি ক্যামেরা স্যাটেলাইটের কল্যানে একেবারে শতরু দেশের গভীর মরুভুমির ভেতর থেকেও শতরুরা বসে দেখতে যায়। আমরা যদি কখনো কোন সম্মেলন করি তবে সেটা শুধূ সোশাল মিডিয়া ক্যামেরা ভিত্তিক ই সম্মেলন হবে আর আল্টিমেটলি পরবর্তী সম্মেলনের মেইন ফোকাসই হবে পেপাল যেনো অন্তত পক্ষে  শুদু ফ্রি ল্যান্সারদের জন্য হলেও বাংলাদেশে চালু হয়। আমাদের  ও টিভি আছে যেমন ইউটিউব টিভি। তো উত্তরে বলতাছে যে ভাই অপমানিত হলাম। আমি বললাম যে দেশে মুক্তিযোদ্বারা চিরকালই অবহেলিত আর যে দেশের মুক্তিযোদ্বার এখনৈা প্রথম শ্রেনীর নাগরকিত্ব পায় নাই সেদেশে আমি নিজেকে প্রচার করে নাম কামাতে চাই না কারন হজম হবে না। যদি কখনো দেখি যে মুক্তিযোদ্বারা এ ক্লাস সিটিজেনশিপ পেয়েছে (মুক্তিযোদ্বা বলতে তাকেই বোঝানো হয় যে খালি গলায় ৭১ এর ২৫ শে মার্চ  থেকে ১৬ ই ডিসেম্বরের মধ্যে জয় বাংলা বলেছে)। আগে মুক্তিযোদ্বার সম্মানিত হোক পরে নিজেকে সম্মানিত করবো।   প্রয়োজনে এই দেশ ছেড়ে অন্য দেশে যাইয়া নিজেকে সম্মানিত করবো। কয়েকদিন আগে সেই ভাবে সম্মান ও পাইলাম।(আমার এক ক্লায়েন্টেএর ওয়েবসাইটে সোশাল মিডিয়া মার্কেটার হিসাবে আমার নাম লিষ্টিং করা আর উনাকে টিভিতে ডেকেছিলো সাক্ষাৎকার নেবার জন্য- তখন বুঝেছি এইটা আমার পাওনা ছিলো)। বাংলাদেশে পার মিনিট ৬টাকা ৯০ মিনিট পয়সা হারে ২০০২ সালের একটেল থেকে শুরু করে এখণ পার সেকেন্ড এক পয়সা হারে রবি- এয়ারটেল মোবাইল নাম্বারে কথা বলা যায়। একবার ভেবে দেখেছেন সেই সময়কার গ্রাম বাংলার ফ্রি ল্যান্সার রা যারা শুধূ মোবাইল কানেকশনের উপর ভিত্তি করে ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে জেনে তাৎক্ষনিক ভাবে দেশ ছেড়ে চলে যাইয়া ইউরোপ আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়ে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করতাছে তারা আজকে কেমন তারা  কেমন পজিশনে আছে।আর আজকে পার সেকেন্ড ১ পয়সা হারে কথা বলা যায়, সব কিছু দেয়া আছে ইউটিউবে আর তারপরেও লোকজন টাকা দিয়ে কাজ শিখে লোকাল ল্যানসিং প্রথা শুরু করেছে- কি এক আকাশ পাতাল তফাত। আমরা যেখানেই ছিলাম সেখানেই আছি- মাঝে জমা হয়েছে শুধু জ্ঞান, বয়স,  উপার্জন এবং ব্যালান্স। 


ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। পঞ্চম পর্ব। মোবাইল ব্যাংকিং।

 মোবাইল ব্যাংকিং বলতে উন্নত দেশে এ্যাপ ভিত্তিক মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে বোঝানো হয়। যেমন: পেপাল মোবাইল। একজন আরেকজন কে পেপালের মাধ্যমে মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমে লেনাদেনা করা হয়। ইমেইলের মাধ্যমে মানি রিসিভ এবং সেন্ড করার পদ্বতির নাম হইতাছে পেপাল বা এই রিলেটেড ইন্টারনেট ব্যাংকিং পদ্বতি। বাংলাদেশ অবশ্য তার চেয়ে এক ডিগ্রী বেশী আগে। বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং এর নামে একটা মোবাইল নাম্বারের বিপরীতে ব্যাংখ একাউন্ট ওপেন করার সুযোগ দেয়া হয় যার নাম রকেট বা বিকাশ। রকেট বা বিকাশে যদি আপনার একটা একাউন্ট থাকে তাহলে আপনি অনায়াসে যে কোন ব্রাক ব্যাংকের  এটিএম এ বা রকেটের জন্য ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম এ যাইয়া নগদ খ্যাশ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। 

আপনি যে ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংক ব্যবহার করে থাকেন সে ব্যাংক আপনাকে এই সেবা বা ফ্যাসিলিটিজ দান করে থাকে। তবে আপনি ব্রাক ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার দিয়ে ডাচ বাংলা ব্যাংক এর একাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবেন না। সেজন্য আপনাকে প্রথমে নির্দিষ্ট ব্যাংকরে এটিএম এ যাইতে হবে। তারপরে সেখানে মোবাইল ব্যাংকিং লেখা বুথ টাকে সিলেক্ট করতে হবে। তারপরে মোবাইল ব্যাংকিং বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপরে সেখানে আপনার মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। তারপরে সেই নাম্বার রিলেটেড যেমোবাইল  ব্যাংক একাউন্ট ওপেন করেছেন সেই একাউন্টের সাথে রিরেটেড পিন নাম্বার দিতে হবে। ভয় নাই যে আপনার পিন নাম্বার কেউ চুরি করে নিবে না। তারপরে আপনার কাংখিত এমাউন্ট টা দিতে হবে যেটা আপনি তুলতে চাইতাছেন। তারপরে আপনার মোবাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সফটওয়্যার বা সার্ভার থেকে একটা মোবািইল কোড নাম্বার কল করে জানাতে হবে যেটা আপনি আনপার সামনে থাকা এটিএম বুথের স্ক্রিনে দিবেন। তারপরে আপনি কনফার্ম করবেন। তারপরে আপনার কাচে একটা ম্যাসেজ আসবে যে আনপরা একাউন্ট থেকে এতো পরিমান টাকা কাটা হচ্ছে। তারপরে আপনার ক্যাশ ট্রেতে আপনি টাকা দেখতে পারবেন।সেটা কারেক্ট করে গুনে নিবেন। তবে এইখানে যদি কখনো ছেড়া বা কসটেপ দেয়া টাকা পড়ে সেটা পাল্টানেরা জন্য আপনাকে কেয়াল রাখতে হবে যে- আপনি যদি মোবাইল ব্যাংকিং করে থাকেন তাহলে আপনি ভ্যাংকের ব্রাঞ্চের নীচে থাকা এটিএম বুথ থেকে করবেন। তাতে আপনার ক্যাশে কোন সমষ্যা থাকলে আপনি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ থেকে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। 

এখণ আপনি যদি একজন অশিক্ষিত আর নিরক্ষর মানুষ হয়ে থাকেন আর মনে মনে চিন্তা করে থাকেন যে- এটিএম বুথ থেকে আপনি কিভাবে কার্ড ছাড়া টাকা তুললেন - তাহলে তো আপনি ব্যাংক, ব্যাংকের সিষ্টেম এবং এ সংক্রান্ত সবাইকে অস্বীকার করলেন। এইটা তো সরকার নির্ধারিত পদ্বতি। আর আপনি আহামরি এমন কেউ হয়ে উঠেন নাই যে সরকার  নির্ধারিত পদ্বতিকে আপনি সহজেই হ্যাকার বলে উঠবেন আর মনে করবেন যে তারা হ্যাকার। যারা বিকাশের সুবিধা ব্যবাহর করে সারা দেশের ব্রাক ব্যাংকের এটিএম থেকে বা যে সকল ব্যাংক  মোবাইল ব্যাংকিং এবং এটিএম সুবধিা দেয়া থাকে সে সকল ব্যাংকে আপনি কার্ড ছাড়াই মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে টাকা তুলবেন সেখানে আপনি কোন ধরনের হ্যাকং এর সাথে জড়িত না। নীচের ভিডিও দুইটা দেখলে আপনার সকল ভুল ধারনা ভেংগে যাবে যে - ক্রেডিট কার্ড বা ডেবটি কার্ড ছাড়াও বাংলাদেশে এটিএম থেকে টাকা তোলা যায়। 


আর এটিএম থেকে কিভাবে বিকাশ এর গ্রাহকেরা ক্যাম আউট করবেন সেই ব্যাপারে বিকাশের ওয়েবসাইট এবং ডিটেইলস নিয়মটা ণীচে দেয়া হলো।  BKash Cash Out From ATM

এ সংক্রান্ত একটা কাহিণীর কথা মনে হলো। [ কাহিণীটার সত্য মিথ্যা যাচাই না করে ফ্যাক্ট টা চিন্তা করবেন আশা করি। কাহিণীর সাথে বাস্তাবের কোন মিল নাই] আমাদের বাংলাদেশের একদল ফ্রি ল্যান্সার একবার একটা ফরেনার গ্রুপকে ইন্টারনেটে কাজের জন্য  হায়ার করলো। ইন্টারনেটে কাজের যে কেউ যে কাউকে হায়ার করতে পারে যারা কাজের জন্য আবেদন খুজতাছে বা করতাছে।তো সেই গ্রুপটার কাজ সংক্রান্ত অনেক পেমেন্ট ডিউ ছিলো। ঘটনাক্রমে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং মার্কেটপ্লেস রিলেটেড এসাইনমেন্ট কাজ করতেছিলো। তো তারা কয়েকজন মিলে ইন্ডিয়া ঘুরতে আসে এবং বাংলাদেশের তাদের ট্রানজিট হয় বিমানের কয়েক ঘন্টা। তখন হঠাৎ করে তারা মনে করলো যে - তারা তো বাংলাদেশে আর তাদের বায়ার রা বাংলাদেশী। বাংলাদেশী বায়ারদের মোবাইল নাম্বার তাদের কাছে ছিলো। তাই তারা এয়ারপোর্টে নেমে কল দিয়ে বসে যে তারা বাংলাদেশে এবং তাদের এক্ষুনি পেমেন্ট দরকার। তো ঘটনাক্রমে সেই গ্ররপটা ঢাকা থেকে বাহিরে ছিলো। তো তারা বললো আমরা তোমাদেরকে মার্কেটপ্লেসে ডলার এ পেমেন্ট দিতে পারবো। তো ফরেনার রা বলথাছে যে আমাদের এই দেশের লোকাল কারেন্সী দরকার। তখন বাংলাদেশীরা বললো যে - তুমি তোমার ধারে কাছে এটিএম এ যাও। আর মোবাইল ব্যাংকিং অপশন সিলেক্ট করো। সে সিলেক্ট করলো। তারপরে বললো একটা নাম্বার দাও। বাংলাদেশী বায়ারের যে মোবাইল নাম্বার- সে নাম্বার দিলো। তারপরে কোড রিসিভ করে কোডটাও দিতে বললো। বাংলাদেশী বায়ারের কাছে দুইটা মোবাইল কানেকশন। ১) ফরেনারের সাথে কথা বলতাছে  ২) আরেকটা তে ব্যাংকের সার্ভারে কানেক্টেড। তো সেই ফরেনার কোড নাম্বার পাইলো। নির্দিষ্ট সংখ্যক এমাউন্ট ও দিলো। আর উইথড্র থেকে ক্যাশ পেয়েও গেলো। আর  ব্যাংকের সার্ভারে সেটা দেখে ইন্টারন্যাশনাল হ্যাকার বা ক্রেডিট কার্ড হ্যাকার নামও দিয়ে বসলো। অথচ ফরেনার রা কিন্তু তাদের পাওনা টাকাই নিলো। এইটা সত্য যে - যারা নামে মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট সে বুথে যায় নাই। এইটা এক ধরনের অপরাধ কিন্তু সেটা তো আর বড় সড় অপরাধ না। এই দেশে কতো ধরনের খুন, চাদাবাজি বা ছিনতাই হয়, ঘরের ভেতরে আইসা চাপাতি, রামদা, ক্ষুর ধইরা বসে অবৈধ ভাবে টাকা আদায় করে, ধর্মীয় ভাবে নানা টাল বাহানা করে - সাধূ সন্নাসী , বুজেুর্গের রুপ ধরে চুরি , বাটপারি, চিটারি করে যাইতাছে, গোপনে টাকা তোলে সারা দেশ থেকে বিভিন্ন দেশে হুন্ডি ব্যবসা হইতাছে আর সেখানে কিছু ফরেনার বৈধ ভাবে ঘুরতে আইসা টাকা তুলতে যাইয়া বাংলাদেশের আইন পুলিশের কাছে হ্যাকার হয়ে গেলো অথচ তারা তাদের দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়তো বা ছাত্র। জানিনা এরকম ঘটনা সত্য কিনা- কিন্তু মিলিয়ে দেখেন যে- এটিএম কার্ড ছাড়া বুথে ঢুকে টাকা তুললেই সে হ্যাকার হয়ে যায় না। সে সাময়িক ভাবে অপরাধী বিবেচ্য হইতে পারে কারন সে তার নিজস্ব কার্ড বা একাউন্ট নিয়ে  এটিএম বুথে ডুকে নাই। [ঘটনাটা কাল্পনিক] 

ঘটনাটা বলার কারন হলো আমরা আমেরিকান/ইউরোপিয়ানদের কাছ থেকে সিষ্টেম নিয়ে বাংলাদেশে ডেভেলপ করতাছি। সেখানে যদি এই ধরনের কোন লোক বা ঘটনা ঘটে তাকে তাহলে তা আরো একবার ভেরিফাই করে দেখা দরকার- কারন ভুল তো মানুষেরই হতে পারে। টাকা পয়সা দিয়ে অনেক ধরনের  গুন্ডা কিনে রাখা যায়। তাদেরকে দিয়ে যা বলা যায় তাই করানো যায়। কিন্তু একটা ব্যাপার বুঝতে হবে যে- অপরাধ টা সিরিয়াসলি সংঘটিত হয়েছে কিনা?স্বভাবত দেখা যায়- খ্রীষ্টানরা বা ইহুদিরা অপরাধ প্রবন না। এইটা তাদের মধ্যে তেমন কাজ করে না। অপরাধ প্রবনতা টা কাজ করে বেশী আফ্রিকা এবং এশিয়ানদের মধ্যে।  

বাংলাদেশের ভেতরে আর কোন দেশ নাই বা নতুন কোন দেশ কখনো তৈরী হবে না। বাংলাদেশ সরকারের এই ধরনের কোন পরিকল্পনা নাই। বরঞ্চ গনজাগরনের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশটাকে আরো বড় হিসাবে ভাবা হয়। জয় বাংলার দেশ হয়তো আরো অনেক বঢ় দেশ। আমরা ১০০% সত না বিধায় আজো ঠকে আছি বা ঠকে যাইতাছি।  

Thursday, September 24, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। চতুর্থ পর্ব। IBNS- Internet Banking Network system or Internal Banking Network system.

 IBNS- Internet Banking Network system or Internal Banking Network system - ভয়াবহ রকমের ভালো সুবিধা সম্বলিত একটি সিষ্টেম যা বাংলাদেশের ভেতরে যে কোন সময়ে যে কোন খানে থাকলে আপনি যে কোন প্রাইভেট ব্যাংকের যে কাউকে একটি নির্দিষ্ট পরিমানের মধ্যে টাকা পাঠাতে পারবেন। মনে করেন: একজন বাংলাদেশের কুষ্টিয়া মীরপুর উপজেলাতে যাইয়া একটা বিপদে পড়ে আপনাকে কল দিলো। তার ধারে কাছে এটিএম বুথ আছে কিন্তু আপনরা একাউন্টে কোন টাকা নাই। মানে আপনি টাকা তুলতে স্বক্ষম না এটিএম থেকে। এখন আপনি ঢাকাতে আপনার কোন বন্ধুকে কল দিয়ে বললেন যে - দোস্ত তোর ইন্টারনেট ব্যাংক একাউন্টে ঢুক এবং আমার একাউন্টে এই পরিমান টাকা ট্রান্সফার কর। আমি তোকে নেকস্ট টাইম ইন্টারনেটের মাধ্যমে পে করে দেবো। তখন সেই বন্ধু ইন্টারনেটে ব্যাংকের দেয়া ওয়েবসাইটে লগইন করলো এবং সেই কুষ্টিয়ার মীরপুরে দাড়াইয়া থাকা বন্ধুর ব্যাংক একাউন্টে টাকা সেন্ড করলো এবং সেই বন্ধু নিকটস্থ ব্যোংকের এটিএম থেকে মানি উইথড্র করলো আর আপনি যদি পুরো ব্যাপারটা চোখের সামনে দেখে তাকেন আর ঠিকমতো ইন্টারনেট না বুঝেণ তাহলে আপনি সহজেই যে কাউকে হ্যাকার বলে ফেলাইতে পারেন। এইটা সেন্ড মানি অপশন। এইখানে সারা দেশের ১০০ এর মতো প্রাইভেট ব্যাংকের একাউন্ট হোল্ডার রা যে কোন সময়ে যে কোন প্রাইভেট ব্যাংকের যে কাউকে বা ম্যাক্সিমাম ব্যাংকের যে কোন লোককে আপনি টাকা সেন্ড করতে পারবেন। এইখানে যে পদ্বতিটা কাজ করেছে তার নামই হইতাছে আইবিএনএস। এর মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট পরিমানের একাউন্টে আপনি যতো মনে চায় ততোই ট্রান্সফার করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে যদি আপনি কোথাও কাউকে পেমেন্ট ও করতে চান তাও করতে পারবেন। তবে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে সরকারের ভ্যাট ট্যাক্সিএর ভ্যাপার থাকে বলে সরকার যেনো না টকে সেজন্য আপনি যাকে কাজের বিনিময়ে পেমেন্ট করবেন তার একাউন্টে পেমেন্ট করবেন।আপনি যদি ব্রাক ভ্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যহার করে থাকেন তাহলে আপনি ব্যাক ব্যাংকের ওয়েবাসইটে ইন্টারনেট ব্যবহার কের সারা দেশের যে কাউকে যে কোন সময় যে কোন বিকাশ একাউন্টেও টাকা পাঠাতে পারবেন। কারন বিকাশ হইতাছে ব্রাক ব্যাংকের মোবািইল ব্যাংকিং সিষ্টেম। এখণ আপনি যদি ব্যাপারটা দেখে থাকেন আর মনে করেন যে লোকটা হ্যাকার- তাহলে সেটা ভুল হবে। হ্যাকার কারা বা কি ধরনের তা আগের পোষ্টিং গুলোতে আলোচনা করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে হ্যাকার রা সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় দুই ভাবেই অপরাধী। এইভাবে আপনি যে কোন প্রাইভেট ব্যাংক ব্যবহার করে একই গোত্রীয় বা সমজাতীয় বা সমমনা সম্পন্ন ব্যাংকগুলোতে আপনি পেমেন্ট বা লেনাদেনা করতে পারবেন। এখন আবার এ্যাপ থেকেও করা যায়। আপনি যদি ডাচ বাংলা ব্যাংকের এ্যাপ ব্যবহার করেন তাহলে এ্যাপে লগইন করে আপনি যে কোন সময়ে যে কাউকে ডিবিবিএল এর  ব্যাংক একাউন্টে বা যে কোন কার্ড নাম্বারে বা যে কোন রয়্যালিটি কার্ডে বা  ডিবিবিএল এর মোবাইল  ব্যাংকিং এ যে কাউকে টাকা পাঠাতে পারবেন। তবে রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত এমাউন্টের ভেতরে হতে হবে। সেন্ড মানি সেকসানে আমি পেমেন্ট করার জন্য ডিবিবিএল  এ্যাপটা ব্যবহার করে থাকি। তবে এই আইবিএনএস সেকসানে একটা ব্যাপার - আমি যে কোন ব্যাংকের ওয়েবসাইট পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করে অন্য যে কোন ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং এ টাকা সেন্ড করতে পারবো না। সেই সুবিধা এখনো চালু হয় নাই। তবে যাদের কাছেই বিকাশ/রকেট একাউন্ট আছে তারা তাদের ধারে কাছের যে কারো কাছে যদি সেই ব্যাংকের মোবাইল মানি ট্রানজেকশন সিষ্টেম থাকে তাহলে মানি রিসিভ করেত পারেন। আমাদের সোসাইটি তে এরকম বহুত লোক আছে যারা শুধু ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে। তারা কোন ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে তা জানা থাকলে আপনি আপনার  নির্দিষ্ট পরিমান পেমেন্ট গুলো সেই রিলেটেড মোবাইল ব্যাংকিং এ রিসিভ করতে পারবেন। 


বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকের এই সুবিধাটা অনেক দিন ধরেই আমার কাম্য ছিলো। কিন্তু চালূ হইতে অনেক দেরী হলো। আমি যে কারো ডিবিবিএল একাউন্টে যে কাউকে যে কোন সময় যে কোন খানে তার একাউন্টে মানি  সেন্ড করতে পারবো। ধরেন- আপনার একটা ডেবিট কার্ড একাউন্ট আছে- সেটাতে আপনি ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করার কারনে আপনি যে কারো কাছ থেকে ইন্টারনেট আই বিএনএস সিষ্টেম ব্যবহার করে টাকা বা মানি রিসিভ করতে পারবেন। তারপরে সেটা আপনি যে কোন ওয়েবসাইটে ইন্টারন্যাশেনাল ডেবিট কার্ড হলে তার নাম্বার ব্যবহার করে কেনাকাটা বা পেমন্টে করতে পারবেন। আর আপনি যদি মনে করেন যে আপনি কেনাকাটা বা পেমেন্ট করবেন না তাহলে আপনি সেটা ক্যাশ উইথড্র করতে পারবেন এটিএম থেকে। আবারা অনেক ব্যাংকের এটিএম  এ দাড়িয়ে থেকেই যে কাউকে আপনি পেমেন্ট করতে পারবেন একই ব্যাংকের সুবিধা ব্যবহার করে। আপনার কাছে যদি কোন ব্যাংক একাউন্ট বা এটিএম কার্ড নাম্বার থাকে তাহলে আপনি একই ব্যাংকের যে কাউকে যদি সেই কার্ড নাম্বার দেন আর অপর ব্যক্তি যদি এটিএম মেশিণে দাড়িয়ে থেকে তার এটিএম কার্ড কে এক্সেস করে থাকেন এবং সেই নাম্বারের কার্ড ব্যবহার করে যদি আপনি চান তাহলে যে কাএক সংশ্লিষ্ট ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট সেন্ড করতে পারবেন। একটা  উদাহরন দ্বারা ব্যাপারটা বুঝাইয়া দেই।ধরেন: আপনি ঢাকা শহরের ডেমরাতে আছেন। আর অপর আরেকজন আছে ময়মনসিংহ সদরে। আপনারা দুইজন বন্ধু। আপনি কোন কারনবশত ময়মনসিংহে এসেছেন। কিন্তু বাসা থেকে বরে হয়ে দেখলেণ যে আপনার একাউন্টে বা কার্ডে কোন টাকা জমা নাই। তো আপনি আপনার বন্দুকে কল দিলেন যে দোস্ত তুমি তোমার এটিএমে যাও এবং আমার একাউন্টে কিছু টাকা সেন্ড করো। আপনার মোবাইল ইন্টারনেট ব্যাংকিং এ এসএমএস সার্ভিস এড করা আছে। আপনার বন্ধু ডেমরাতে তার ব্যাংক একাউন্ট রিলেটেড এটিএম মেশিনে গেলো। তারপরে সে তার কার্ড কে এক্সস করে এটিএম মানি ট্রান্সফার সিষ্টেম ব্যবহার করে আপনার একাউন্টে টাকা সেন্ড করলো কিছু। সেটা আপনার ব্যাংক একাউন্টে এড হলো। তারপরে ব্যাংক কর্তৃক অটোমেটিক এসএমএস সিষ্টেমের মাধ্যমে সেটা আপনার একাউন্টে এড হলো এবং আপনাকে একটা এসএমএসর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হলো। তারপরে আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ দেখে আপনি আপনার নিকটস্থ এটিএম বুথে ঢুকলেন এবং মানি ক্যাশ উইথড্র করে বের হয়ে আসলেনেআর যে বন্ধু টাকা সেন্ড করেছে সে শুধূ এটিএম দাড়িয়ে থেকে মানি সেন্ড করে তার ক্যাশ ব্যালান্স চেক করে বের হয়ে আসলো- এই দুইজনের কাউকেই আপনি হ্যাকার বলে ধারনা করতে পারবেন না। কারন তারা লিগ্যাল ট্রানজেকশন সিষ্টেম ব্যবহার করেছে।


আবার একই ভাবে ধরেন যে আপনি যে কোন খানে দাড়িয়ে আছেন। আর আপনার একটা পেমেন্ট ক্যাশ ইন হয়ে আপনার একাউন্টে এড হলো। আপনি পেমেন্ট টা পাইতেন কোন খানে। পেমেন্ট টা আপনি আশাও করতে ছিলেন। সো যেই লোকের কাছে আপনি পেমেন্ট পাবেন সেই লোকের কাছে আপনি  কলও দিয়েছিলেন। তো আপনার সময় না থাকাতে আপনি বাসা থেকে বের হয়ে আসলেন এবং ঠিক সেই সময়ে আপনি দেখলেণ যে আপনার একাউন্টে টাকা বা পয়সা এড হয়েছে। তো আপনি এটিএমে ঢুকলেন এবং আপনি আপনার খ্যাশ টাকা উইথড্র করলেন- এইখানেও আপনাকে কেউ হ্যাকার বা হ্যাকিং বলে সন্দেহ করবে না কারন আপনি লিগ্যাল ট্রানজেকশন করেছেন। এখন আপনি মনভুলে কাউকে আপনার ব্যাংক একাউন্ট দিয়ে রেখেছন বা একদল হ্যাকার ব্যাংক ঘেটে ঘেটে আপনার নাম ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার এবং একাউন্ট নাম্বার ও বের করে ফেলাইলো। এখন সেই হ্যাকারার রাষ্ট্রীয় দাগী আসামী এবং তার বিরুদ্বে অনেক ধরনের মামলা আছে।কিন্তু সে নিজেকে বাচানরো জন্য এদশের আইন পুলিশের কাছ থেকে আপনার ক্ষমতা বা পাওয়ার টাকে ব্যবহার করার  জন্য চিন্তা করলো। তখন সে পরিকল্পনা মোতাবেক আপনার একাউন্ট নাম্বার এড করে আপনার একাউন্টে টাকা এড করলো। আপনি যথারীতি মোবাইলে এসএমএস পেলেন আর ঠিক সেই মুহুর্তে সেই হ্যাকার আপনার সাথে ফিজিক্যাল কন্ট্রাক্টে চলে আসলো। আপনি তখন থেকেই অপরাদী হিসাবে গন্য হওয়া শুরু করলেন। বাংলাদেশের ১৯/২০ ধরনের গোয়েনআ বা পুলিশ আপনাকে অপরাদীদের সাহায্য কারী হিসাবে বিবেচনা করা শুরু করলো। আপনি খুশী মেন সেই হ্যাকারের সাথে মেলামেশা করে তাকে বিমাল বড়লোক মনে করে (যদি আপনি মেয়ে হয়ে থাকনে আর হ্যাকারটা ছেলে হয়ে থাকে) তাহলে আপনি তাদের সাতে ডেটও করে আসলেন যার বিরুদ্বে মামলা আছে বা দাগী আসামী ঘটিত প্রমান আছে - তখন আইন এবং পুলিশ আপনাদের দজনকেও থানা পুলিশ বা জেল হাজতে ভরবে। কারন বাংলাদেশের আইনে অপরাধীকে সাহায্য করার জণ্য জেল জরিমানার শাস্তির বিধান আছে। এই ধরনের বুল তখনই হতে পারে যখন আপনি কোথাও কোন সাহায্যের জন্য আবেদন করেন নাই বা আপনার সমস্ত ডিটেইলস প্রকাশ করেন নাই যাতে যে কেউ যে কোন সময় আপনাকে পেমেন্ট সেন্ড করতে পারবে - তখন আপনার প্রথম দ্বায়িত্ব হলো বাংক কে জিজ্ঞাসা করা যে পেমেন্ট টা আপনার নামে কে স্ডে কেরেছ? তখন ব্যাংখ অপর সাইডের ডিটেইলস আপনাকে জানাবে। যদি না জানাতে পারে তাহলে একাউন্টের মালিক হিসাবে আপনার উচিত হবে সেই ব্যালান্স টা টাচ না করা এবং কোন ধরনের আন নোওন পারসনের সাথে কোন নিউ কন্ট্রাক্টে না যাওয়া। ধরেন আপনি একজন মেয়ে। আর হ্যাকার একজন ইন্টারন্যাশনাল অপরাধী। যেস আপনাকে পেমন্টে করে আপনার সাথে কন্ট্রাক্ট করলো আপনার সাথে সময় ব্যবয় করবে কয়েকদিন এবং এর জন্য সে আপনাকে থাইল্যান্ড নিয়ে গেলো ঘুরতে। থাইল্যান্ড পুলিশের খাতাতে সেই লোকের বিরুদ্বে হ্যাকার রিলেটেড অপরাধের রেকর্ড আছে- তখন সেই দেশের পুলিশ আপনাদের বিরুদ্বে অপরাধ রেকর্ড করে তা থাইল্যান্ডের পুলিশের বা গোয়েন্দা সংস্তার মাধ্যমে থাইল্যান্ড সামরিক বাহিণী, ইন্টারপোল এবং বাংলাদেশ পুলিশকে জানিয়ে  দিলো। তো আন্তর্জাতিক ভাবে আপনি বিনা কারনে অপরাধীর তালিকাতে চলে গেলেন সামান্য কিছু টাকা পয়সার লোভে আর অপরাধীকে সাজা বা শাস্তি পাইতেই হবে তা সে যতো পরিমান ধুর্ত শেয়ানাই হোক না কেনো- একদিন সে আইনের খপ্পড়ে পড়বেই। বুঝেণই তো এইটা বাংলাদেশ। এই দেশে ৭১ এ ফা ক হানাদার বাহিণী এবং দালাল রাজাকারেরা ফাসির দন্ডের মতো অপরাধ করেছে। ফাসি বললেও কম হবে- কারন এককজন দালাল রাজাকার আল বদর, আল শাসম দের গ্রুপ কয়েক লাখ মানুষকে ও হত্যা করেছে (৩০ লক্ষ জয় বাংলা প্রজন্মের লাশের হাড্ডি ই পাওয়া গেছে- আর কতো মানুষ নদীর স্রোতের বানে ভেসে গেছে বা জায়গা খুড়ে গভীর করে লাশ মাটি পাচা দিছে তার তো কোন ইয়ত্তা নাই)- সো সেই দেশে তারা স্বাধীনতা র পরেও প্রায় ৪৩ বছর জীবিত ছিলো ধূর্ত শেয়ানার মতো। তারপরেও শাহবাগ গনজাগরন আন্দোলন ২০১৩ ষংঘটিত হবার মাধ্যমে তাদেরকে ফাসির কাষ্টে ঝুলানোও হলো। তো আপনি তো সামান্য হ্যাকারদের খপ্পড়ে পড়েছেন হয়তো বা একজন মেয়ে হয়েই। তো আপনাকে তো প্রথমে ভেরিফঅই করতে হবে েয- লোকাটা কে বা কোন দেশের? তার কি জাতীয় পরিচয়পত্র আছে কিনা বা সে কোন দেশের লোক বা সে কি কোন অপরাধী কিনা বা সে কি অন্য কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে এসছে কিনা বা তার কি কোন লিগ্যালিটি আছে কিনা? আপনি না জেনেই তার সাথে মেলামেশা করলেণ আর আইন পুলিশের অপরাধেল খাতাতে নাম লিখালেন। কথায় আচে- দশ দিন চোরের তো একদিন পুলিশের- আর পুলিশের এক দিনই যথেষ্ট।না জেনে শুধূ মাত্র আইবিএনএস এর মাধ্যমে পারসোনাল ব্যাংক একাউন্টের  পেমেন্ট রিসিভ করে আপনি যাদের সাথে ইলিগ্যাল কন্ট্রাক্টে যাইতাছেন তাদের কারনে আপনাকে জেলেও যাইতে হতে পারে। এই ধরনের ব্যাপারগুলো আগে লিগ্যাল ক্যাশ টাকাতে রুপান্তরিত হতো কিন্তু এখণ ডিজিটাল বাংরাদেশের যুগের কারনে যে কেউ যে কাউকে টাকা দিতে পারতাছে। আপনি যদি কোন অনভেরিফায়েড পারসনের সাথে ও ঘুরাফের াকরনে তাতেও আপনাকে  আইন পুলিশ সন্দেহ করবে। 


আর আপনি যদি জেনে শুনে কোন রাষ্ট্রীয় হ্যাকারের সাথে মেলামেশা করে থাকেন তাহলে আপনার ফাসি কেউ ঠেকাতে পারবে না। কারন এইটা রাষ্ট্রীয় অপরাধ। আর কেন্ট্রীয় রিজার্ভ ব্যাংকে র সাথে অবৈধ যোগাযোগ থাকার কারনে আপনাকে একদিন না একদিন আইন পুলিশ ধরবে এবং আপনার গলাতে ফাসির দড়ি পড়াবে। কারন যে পরিমান হ্যাক হয়েছে বা আগে হয়েছে সেগুলো যদি বিবেচনায় আনা হয় আর সেগুলেঅ যদি সরাকরি লোন হয়ে তাকে তাহলে সেগুলোর দায়ভার যেয়ে পড়বে তরুন প্রজন্মের উপরে। আর তরুন প্রজন্ম সেই লোন নিয়ে তাদের জীবন শুরু করবে। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন এই দেশের বিশোল লোনের বোঝা আমাদের উপরে চাপাইয়া দেবার চেষ্টা করা হতো আর আমরা মাঝে মাঝে বাবতাম যে কিভাবে এই লোনের ডলার/পাউন্ড/ইউরো শোধ করবো। আর পন্থা খুজে বের করেত যাইয়া বেশীর ভাগ লোকই যারা অত্যন্ত মেধাবী তারা দেশ ছেড়ে চলে যায় আর রেমিটেন্স পাঠানোর শুরু করে এবং এই দেশের রিনের বোঝা আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে। কিন্তু এখন কার দিনে হ্যাকারদের কারনে অনেক সময় ই মনে হয় যে কবে জানি বাংলাদেশ বড় সড় লোনের এবং ঘাটতির দিকে চলে যায় তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানে। অনেকেই ভাবতাছে যে - সেন্ড মানির কারনে আপনার হয়তো কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু আপনি যার সাথে লেনাদেনা করতাছেন সে যদি রাষ্ট্রীয় ক্রিমিনাল হয়ে থাকে তাহলে এইখানে আপনি অপরাধী। কোন ভাবেই আপনি এর দায় দ্বায়িত্ব এড়াতে পারবেন না। 

একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে অনকে আগে। শুনেছি বন্ধুদের মুখে। এই দেশে যারা দালাল রাজাকারের বংশ ধর মানে দালাল রাজাকারদের সন্তান তারা হঠা] করে কোন এক খান থেকে ভালো অংকের এবং বড় াংকের টাকা পয়সা পায় তারপরে তারা আমাদের দেশর হােই সোসাইটির কিছু কলগার্ল এবং প্রষ্টিটিউটের  সাথে কন্ট্রাক্টে আসে যে- তারা প্রথমে এই মেয়েগুলোর সাথে খুবই উচ্চ পরিমানা টাকা পয়সা দিয়ে ফুর্তি আমোদ করবে আর তারপরে একটা নির্দিষ্ট সময়- মানে ধরেন সাত বছর পরে সেই মেয়েগুলোকে জয় বাংলা সংক্রান্তা পোলাপানের  দিকে ছেলে দিবে। যদি জয় বাংলার পোলাপান রা ভুল করে তাহলে তাার জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াই এই দেশে এমপি হবার চেষ্টা করবে এবং ঘুষ দিয়ে নির্বাচন কমিশন কে হাতানোর চেষ্টা করবে। তো আমি প্রথমে মনে মনে ভোবলাম যে- জয় বাংলার পোলাপান এতো বোকা না যে দালাল রাজাকারদের ছুড়ে ফেলা বা আস্তাকুড়ে থাকা প্রষ্টিটিউট দের  সাতে যাইয়া ফষ্টি নষ্টি করবে আর দ্বিতীয়ত ঘুস দিয়ে হয়তো নির্বাচনের রেজাল্ট পরিবর্তন করতে পারবে কিন্তু বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়া আপনি নির্বাচেন মনোনয়ন বা সিলেকশন পাবেন না এইটা কনফার্ম। আপনাকে চ্যালেন্জ করে বলতে পারি যে- এই দেশের ভেতরে আপনার যদি কোন বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনি কখনোইেএই দেশের ভেতরে মন্ত্রী /এমপি হতে পারবেন না। আর তারপরেও যদি আনপার কাচে প্রমান থাকে যে বাংলাদেমে এমন কেউ আছে যে ভোটার নাম্বার ছাড়া এম পি হয়েছে - আপনি প্রমান উপস্থাপন করেন- দেখবেন সরকার তাৎক্ষনিক ভাবে সেই এমপি কে বহিস্তার করে থাকবে। আর আপনি যদি বাংলাদেশ সরকারের একজন এম পি হয়ে থাকেন আর আপনার যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে- তাহলে আপনার যদি সাহস থাকে তাহলে আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে বলবেন- দেখবেন জাষ্ট  িকিছু মিনিটের মধ্যে আপনার এম পি পদ থাকবেন না। আর এইভাবে  সত্যিই যদি আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া এম পি ভেবে থাকেন নিজেকে তাহলে বুঝতে হবে যে- আপনি কোন গভীর ঘড়যন্ত্রের মাঝে আছেন যার শেষ পরিনাম মৃত্যু বা ফাসি। কার অবৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া আপনি যদি রাষ্ট্রীয় ডেকোরেশনে বসবাস করে থাকেন তাহলে তো আপনার সব্বোচ্চ  শাস্তি হবে এই টা কনফার্ম। আর বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যানে কার কার জাতীয় পরিচয়পত্র ভৈধ আর কার কার জাতীয় পরিচয়পত্র অবৈধ - তা জানা এক সেকেন্ডের ব্যাপার। আর তারপরেও যদি আপনি নিজেকে সামথিং কিছু মনে করেন তাহলে আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে (টিভি ক্যামেরা এবং সাংবাদিকদের সামনে এবং আইন পুলিশের সামনে) বলবেন যে- আপনার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই- বাকীটা আল্লাহ ভরসা।


আমরা একখানে বলে থাকি যে- সেন্ড মানির কোন হিসাব নাই। সেইটা বৈধ ট্রানজকেশনের ক্ষেত্রে। আমি যাকে মানি সেন্ড করবো তার যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে আর আমার ও যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে তাহলে এইখানে  কোন হিসাব নাই বা আইন নাই। কারন আমরা দুইজনেই রাষ্ট্রের বৈধ নাগিরক। কিন্তু আমাকে যে মানি সেন্ড করলো তার যদি বাংলাদেশে বৈধ নাগরিকত্ব না থাকে তাহলে সাথে সাথে ই আইন এবং পুলিশ ধরে বসবে এবং গ্রেফতারের আওতায় রাখবে। তাই যারা বুদ্বিমান তারা যে কোন আননোওন ট্রানজেকশনের ডিটেইলসটা প্রথমে ব্যাংক থেকে  জেনে নেবে এবং তারপরে সে খরচ করবে। ব্যাংক থেকে আসা ট্রানজেকশনে যেটা সন্দেহ হবে সেই পরিমান ট্রানজেকশন একাউন্টেই রেখে দিতে হবে বা আইন পুলিশেকে জানাইয়া নিতে হবে যে আমার একাউন্টে কোন  অভৈধ ট্রানজেকশন হয়েছে কিনা- যদি বলে যে নািই তাহলে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। কারন ব্যাংকের সফটও্য়্যার জানে আপনি কোথা থেকে মানি রিসিভ করতাছেন। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে যে- এই সকল ক্ষেত্রে আপনার সাথে যদি কোন অবৈধ যোগাযোগ থাকে তাহলে আপনি আইনরে চোখে অপরাধী। আর আমাকে যদি আইন পুলিশ বাধা দেয় আর আপনি যদি আমার আপন লোকও হয়ে তাকেন তাহলেও আমি কখনো আপনাকে বাচাতে যাবো না। কারন আমি রাষ্ট্রের আইন পুলিশের প্রতি শ্রদ্বাশীল। আর আপনি আপনার সাজা ভোগ করবেনই- কারন এইটা বাংলাদেশ দন্ডবিধি এবং আইন যা ভাংগার ক্ষমতা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কারো নাই।  

নোট: আমার ইন্টারনেট জীবনে আমি কখনোই কোন ধরনের ব্যাংক হ্যাক করি নাই কারন এই ব্যাপারে আমি তেমন কিছুই জানি না- আমি এই ধরনের কোন ব্যাংক হ্যাকিং রিলেটেড প্রোগ্রামও (সফটওয়্যার বা ইন্টারনেট) জানি না। আমি আমার ২০ বছরের ইন্টারনেট জীবনে কখেনো কোথাও কনো দেশেই ব্যাংক একাউন্ট বা ভ্যাংক ব্যালান্স হ্যাক হতে সাহায্য করি নাই আর এরকম কোন গ্রুপ আমি বাস্তবে  বা ্ইন্টারনেটেও  চিনি না। ২০০৬ সাল পর্যন্ত লিগ্যালি বাংলা ক্যাশে আমার ইন্টারনেটে লেনাদেনার পরিমান সব্বোর্চ্চ ১ কোটি-দেড় কোটি টাকা যারা পুরোটাই ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং কাজের হিসাবে- যা আমার নামে বরাদ্দকৃত বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্ট গুলোতে  ষ্টেটমেন্ট চেক কররে পাওয়া যাবে। জাতীয় পরিচয়পত্র নােই এরকম কারো সাথেই আমি কখনোই কোন লেনাদেনা করি নাই। হয়তো আর কয়েক মাস বা ভচর পরে আমরা সঠিক ফ্রি ল্রান্সার রা এদেশ থাকবো না- হয়তো আমরা ইউরোপ আমেরিকার ভেতের বইসা থাইকা উপার্জন করবো যার বিস্তারিত বাংলাদেশ সরকার জানবে না কিন্তু যে জিনিসটা শিখে গেলাম বা শিখাতে চাইলাম তার নাম হইতাছে সততা। আর সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ইউরোপিয়ান/আমেরিকান যে কোন একটা দেশে  যাবার ইনভাইটেশন আছে (পাসপোর্ট আছে- অন এরাইভেল ভিসা প্রোগ্রাম ও আছে) ইনভাইটেশন লেটার নিয়ে আরো একটা কনফার্মেশন এর জন্য অপেক্ষায় আছি। তবে যেখানেই থাকি বা যেভাবেই থাকি- বাংলাদেশের সততা কামনা করি এবং করবো।

টু বি কন্টিনিউ

Approve Facebook Group Members and Posts.




Wednesday, September 23, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। তৃতীয় পর্ব । ইন্টারনেটে হ্যাকারদের অত্যাচার কে রুখে দিন।

আমাদের দেশে ইন্টারনেটে এখন অন্যতম আতংক হ্যাকার গ্রুপ। যারা হ্যাকার তাদের মেন্টালিটি ঘাটলেই বোঝা যায় তারা মানুষের জাতের মধ্যে পড়ে না। উন্নত বিশ্বে প্রোগ্রামারদের মধ্যে এই নেগেটিভ প্রোগ্রামিং এর আয়োজন করা হয় মাঝে মাঝে জানার জন্য যে একটি জাতি বা একটি দেশ বা একটি শহর বা একটি বিভাগে যে ইনফরমেশন টেকনোলজী ইন্ডাষ্ট্রিজ আছে সেখানে কি কি ধরনের হ্যাক হতে পারে - তা জানার জন্য। যেটাকে উন্নত বিশ্বে হ্যাকাথন বা তাদের ব্যবহৃত প্রোগ্রাম গুলো কি কি ধরনের হতে পারে তা জানার চেষ্টা করা হয়। তা দেখে- বাংলাদেশের কিছু উজবুক যদি মনে করে যে- হ্যাকার রা বৈধ আর সে কারনে তারা সমানেই হ্যাক করে যাবে - তাহলে তাদের চেয়ে মগা এবং দাগী আসামী আর কখনো জন্মাবে না। একজন আইনের লোকের সাথে কথা বলে জানা গেলো- কেউ যদি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাংকে হ্যাক করার চেষ্টা করে- রাষ্ট্রীয় সেনসিটিভ ইস্যু হবার কারনে তার সব্বোর্চ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদন্ড। কারন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্পদ। কোন রাজনৈতিক দলও যদি সেটাকে অবৈধ ভাবে ব্যবহার করে তবে তাদের জন্য একই শাস্তি বলবৎ থাকবে। কারন এইটা কোন বৈধ কাজ না। বাংলাদেশ সরকারের দনডবিধিতে হ্যাকারদের বিরুদ্বে আইন আছে। হ্যাকারদেরকে ধরতে পারলে ‍নূন্যতম ৭ বছরের শাস্তির বিধান আছে। এখন যদি আপনি মনে করেন যে- হ্যাকাররা বৈধ- তাহলে আপনি ভুল করবেন। কারন এ সংক্রান্ত ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি আইন ও আছে। যদি ধরতে পারে তাহলে স্বাক্ষাৎ জেল। আর যদি ধরতে না পারে তাহলে বাংলাদেশীদের অভিশাপ থাকবে সারা জীবন- কারন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ব্যাংক - এই দেশের ১০ কোটি ভোটারের সম্পদ। আমার মতে- হ্যাকাররা এক ধরনের চোর। কারন তারা প্রকাশ্য দিবালোকে টিভি ক্যামেরার সামনে দাড়িয়ে বলতে পারবে না যে - তারা হ্যাকার। কারন তারাও জানে যে- তারা অপরাধী।এখণ যদি কেউ অন্য কারো ফেসবুক একাউন্টও হ্যাক করে থাকে তাকেও ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি আইনের আওতায় আনা হবে। তাৎক্ষনিত ভাবে আপনি যদি অভিযোগ করেন আর আপনি যদি ধরা পড়েন হ্যাক করে- তাহলে আর উপায় নাই মেথড এ চলে যাইতে হবে। আপনি যদি মিনিমাম হ্যাকার ও হন আর তথ্য প্রযুক্তি আইন কে বুড়ো আঙুল দেখাতে চান তাহলে আপনি নিজে বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি সকসান এবং বা বাংলাদেশ র‌্যাব এর ডিজিটাল তথ্য প্রযু্ক্তি সেকসানে জানান- তাহলে আপনি বূজতে পারবেন যেেএইটা বৈধ বা অবৈধ? আমাদের বাংলাদেমেল সমাজে আগে যেমন চোর রা চুরি করতো বা চুরি করে বসবাস করতো সে রকম হ্যাকারদের কেও আমি চোর বলেই অভিহিত করবো কারন তারা কখনো নিজেদের অরিজিনাল নাম ঠিকানা প্রকাশ করে না? বাংলাদেশে একটা কথা প্রচলিত আছে- “চোরের কোন ধর্ম নাই”। সো সেই হিসাবে বলা যায় যে- আমাদের দেশের হ্যাকারগুলো এক ধরনের নাস্তিকও কারন আমরা সবাই জানি নাস্তিক বলা হয় যার কোন ধর্ম নাই তাকে। 


আমাদের দেশে হ্যাকারদের কে এক প্রকার ঘৃনা করা হয়। কারন হ্যাকরার আমাদের জন্য আতংক। আমরা অলওয়েজ তাদেরকে নিয়ে একটা আতংকে থাকি। যারা  এক্সপার্ট তারা কোন ভয়ে থাকে না। আগে যখন হ্যাকিং হইতো তখন ইন্টারনেটে সিকিউরিটি সিষ্টেম অনেক দুর্বল ছিলো। ফলে সহজেই হ্যাকারার পার পেয়ে যাইতো। নরমালি পাসওয়ার্ড মেক করে সেটা মনে রাখতে হতো। আবার লিখে রাখলেও কোথাও না কোথাও চুরির ভয় থাকতো। কিন্তু এইভাবে মনে রাখা ঠেকানোর জন্য ওয়েবসাইট বা এ্যাপ বা সফটওয়্যার রিলেটেড পাসওয়ার্ড মেকিং শুরু হলো। সেখান থেকে পাসওয়ার্ড হ্যাকিং শুরু হলো। অনবরত হ্যাকিং এর নিউজ। আর মাঝে মাঝে সারা বিশ্বে ব্যাংক হ্যাকিং এর নিউজ ছিলো ২০১১ পর্যন্ত নিয়মিত আপডেট। ২০১১ সাল থেকে ব্যাপারটা অনেক আপডেট হয়ে গেলো- ২ ফ্যাক্টর অথেনটিকেশণ সিষ্টেম পাসওয়ার্ড চালু হবার পরে অনেকেই হাফ ছেড়ে বাচলো। মোবাইল ভেরিফিকেশন সিষ্টেম বর্তমানে ইন্টারনট ব্যবহারকারীদেরকে অনেক সেফ রেখেছে। আরো এসেছে ফেইস আইডেণ্টফিকেশন, ফিংগারপ্রিণ্ট আইডেন্টিফিকেশন, কিউ আর কোড, অথেনটিকেশণ- এই ধরনের উন্নত প্রযুক্ত এখণ সবকিছুকে একেবারে বিশাল শক্তিশালী করে রেখেছে।  আমি একবার ২০০৬ সালে আমার প্রথম ফেসবুক একাউন্ট টা হারিয়েছি। আমার প্রথম ফেসবুক একাউন্টে প্রায় ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি বন্ধু/গ্রপ/ফ্রেন্ড  কানেকশন ছিলো প্রোফাইলটাতে  (তখণ ৫০০০ বন্ধুর মতো কোন লিমিটেশন ছিলো না) । আর সেটা থেকেই যুগোপযুগী অনেক কাজের সাথে জড়িত হই। সে একাউন্ট টা হ্যাক বা হারানোর মূল কারন ছিলো: একটা ইন্টারনেটরে আন্দোলনের সাথে জড়িত থাকা- নাম: Want Punishment Liberation war criminal of Bangladesh.২০০৩ সালে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের গ্রুপের সাথে জড়িত থাকার কারনে একটা  থ্রেড খাই যে ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করা হবে। আমি একটু ভাবনায় পড়ে গেলাম। সাথে সাথে প্রায় সেইম নাম দিয়ে আরেকটা ফেসবুক একাউন্ট ওপেন করে সেই গ্রুপের সাথে নিজেকে এড করাইয়া রাখি যাতে প্রথম একাউন্ট টা হারাইয়া ফেলাইলে দ্বিতীয় একাউন্ট দিয়ে কাজ চালাতে পারি।  অনেক হাত ঘুরে সেই  প্রথম একাউন্ট  টা এখনো একটিভ আছে এবং সেই একাউন্ট টা ঠিকই হ্যাক হয়। চট্রগ্রাম থেকে একজন ইন্টারনেট হ্যাকার আমাকে থ্রেড দিয়ে আমার প্রথম ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করে। আমি তখন দ্বিতীয় একাউন্ট রান করা শুরু করি এবং সেটা আজো একটিভ আছে। আমার এখন কার একাউন্টের বয়স ধরতে গেলে ১৩ বছর + মাসুদবিসিএল বা masudbcl পরে এই আন্দোলণ টাই সফলতার মুখ দেখে- থানা শাহবাগে র গনজাগরন ২০১৩ সালে- যা সারা বিশ্বে এক বিরাট বিস্ময় হয়ে আছে। ৪৩ বছর পরে প্রকাশ্য দিবালোকে দেশদ্রোহীদের/দালাল/রাজাকারদের ফাসিতে ঝুলাইয়া দেয়া সম্ভব হয় জয় বাংলার ক্ষমতাবলে।

আজকে এতোদিন পরে আইসা দেখি (২০ বছর ব্যবহার করার পরে) ফেসবুকের বেটা টেষ্টিং ফেইজ শেষ হয়েছে।   আমার প্রথম একাউন্টটাতে অনেক অনেক বন্ধু ছিলো। পৃথিবীর সব বড় বড় ফেসবুক গ্রুপের সাথে যোগাযোগ ছিলো এবং আমি সদস্য ছিলাম। অনেক অনেক বেশী মজা করতাম। লক্ষ লক্ষ মেয়ের সাথে পরিচিত হয়েছি ফেসবুক থেকে। তাদের কথা যেমন আজো আমার মনে আছে- আমি নিশ্চিত তাদেরও আমার কথা একইভাবে মনে আছে। ফেসবুক ডট কম থেকে বাস্তবে পরিচিত হয়ে বা ইন্টারনেট লাইভ ক্যামেরার মাধ্যমে আমরা যে কতো মজা করেছি, হ্যাং আউট করেছি- তা এখনকার সময়ের পোলাপানেরা করতে পারে নাই- এইটা আমরা ১০০% নিশ্চিত। তখন কার দিনে এতো রাফ টাফ ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করা যাইতো না। পর্নোগ্রাফি বা  ন্যুডিটি এলাও ছিলো না। গনজারগন চলাকালীণ সময়ে সারা বিশ্বের জন্য একটা আইনের কথা শুনেছি-  "Picture method fu....ing system is not available for this country of Bangladesh."  তারপরে আমি অনেক ভেবে চিন্তে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করা শুরু করি কারন আমি আমার এখনকার রানিং একাউন্ট টা হারাতে পারবো না। তাছাড়া আমি মূলত আমার ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং এর কাজের জন্যই ব্যবহার করে  থাকি ফেসবুক সহ অণ্যান্য সকল সামাজিক যোগাযোগের জন্য। মাঝে মাঝে আপডেট দেই। বিগত ২০ বছর আমি বুঝিই নাই লাইক বা ফলোয়ার এর কি ব্যাপার? আমি আমার পারসোনাল কোন বন্ধুদেরকে এলাও ই করি নাই আমার ফেসবুক প্রোফাইলে। মাঝে ভালো সময় মতো আমার আইডিটা ১০০% ভেরিফায়েড করে নেই। এখন আর একাউন্ট নিয়ে তেমন ভয় পাই না। কিন্তু এখন একাউন্টে অনেক বন্ধুরা এবং পরিচিত জনরা এড হইতাছে- সেজন্য কোন ছবি দিলে মোটামুঠি ৪০/৫০+ লাইক আসে। আমার পরিচিত বন্ধুর সংখ্যা বড়জোড় ২০০-৩০০ এখন। আস্তে আস্তে সারা বিশ্বের ফ্রেন্ডরা যারা একাউন্ট হারাবে তাদের ছবি এবং ফ্রেন্ড শীপ রিমুভ করে নতুন বন্ধুদেরকে এড করে নেবো। 



হ্যাকার হতে পারে কিন্তু ট্যালেন্ট। যত্ন করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকিং হওয়া টাকা রিটার্ন আসতে পারে।

পত্র পত্রিকা পড়ে যতো ধরনের হ্যাকার দেখেছি তাদেরকে নিম্নের কয়েক টা ভাগে ভাগ করা যায়:

  • রেমিটেন্স হ্যাকার 
  • রিজার্ভ  হ্যাকার 
  • ব্যাংক হ্যাকার 
  • প্রাইভেট ব্যাংক হ্যাকার 
  • ব্যাংক একাউন্ট হ্যাকার 
  • ক্রেডিট কার্ড হ্যাকার
  • ডিভাইস হ্যাকার
  • এটিএম হ্যাকার 
একবার ২০০৭ সাল ইন্টারনেটে বসে কাজ করতেছিলাম। এক আফ্রিকান ছেলে আমাকে একটা নোটপ্যাড দিলো ইন্টারনেটে। আমি সেটা রিসিভ করে দেখি - হাজার হাজার ক্রেডিট কার্ড নাম্বার যা তাদের দোকানে ব্যবহৃত পজ মেশিন থেকে সে কালেক্ট করেছে। আমি বললাম এইটা তুমি আমাকে দিলা কেনো? তো সে বলতাছে- সে গরীব মানুষ। আমার দ্বারা সে উপকৃত হয়েছে। এই নোট প্যড টা থেকে আমি যখন যেই ক্রেডিট কার্ড নাম্বার মনে চায় সেটা নিয়ে ইন্টারনেটে বা অনলাইনে কেনাকাটা করতে পারবো। তখনো পর্যন্ত অনলাইনে ডলার উপার্জন করা এবং সেটা কে ইন্টারনেট ব্যাংকে নিয়ে আসা  এবং সেটাকে পরিবর্তন করে নগদ টাকাতে কনভার্ট করা- সেটাই ছিলো ইন্টারনেটে মানি সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা। তখন ক্রেডিট কার্ড পাওয়া এবং সেটা ইন্টারনেটে ব্যবহার করা এ যেনো বিরাট এক স্বপ্ন িছিলো- কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে আমি সততা বজায় রেখে চলি। তাই সেই আফ্রিকান ছেলেটার সেই নোটপ্যাডটা আমি কম্পিউটার থেকে ডিলেট কের দিয়ে তাকে বললাম যে- ভাই এইগুলো চুরি। আশা করি আপনি আর কখনো ইন্টারনেটে এগুলো বিলাবেন না আর আপনার দোকানের বা শো রুমের পস মেশিনের ডাটাবেজেও হাত দিবেন না। এই ঘটনা থেকে একটা জিনিস শিখলাম যে- যে সকল শো রুমে পস মেশিনে কার্ড এক্সেস করতে বলে সেই সকল শো রুমের  পস মেশিন গুলো যদি  ডিভাইস হ্যাকারদের কাছে যায় তাহলে তো নিশ্চিত ধরা এবং এইজন্য অনলাইনে কেনা কাটার কার্ড গুলোতে খুব বেশী পরিমান টাকা রাখতে হয় না। যতোটুকু দরকার ততোটুকু লোড করে রাখলেই এনাফ। ধরেন আপনার একটা ক্রেডিট কার্ড আছে যেখানে আপনি বিশাল অংকের টাকা লোড করে রেখেছেন। তো আপনি সেই কার্ডটা এয়ারপোর্টে বা বিভিন্ন খানে এক্সস করলেন। তাতে আপনি যে কোন এক সময় পস মেশিনের কি বোর্ডে আপনার গোপন পিন নাম্বারটা ব্যবহার করেছেন। তখন সেই ডিভাইসটাতে যে কোন একখানে গোপন পিন নাম্বারটা সেভ হয়ে থাকার কথা- একোবার আপনি এড়িয়ে চলতে পারেন না? 

ইদানীং কালের একটা ইউটিউব ভিডিওতে দেখলাম যে কিভাবে এটিএম মেশিন হ্যাক করে সমানে লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি করতাছে। দেখে আমি একটু হতবাক হয়েছি যে এইটা কিভাবে সম্ভব? ইন্টারনেটে হ্যাকারদের কাছ থেকে দূরে থাকার প্রধান উপায় হলো কোন অপরিচিত লিংক ওপেন না করা, কোন  অপিরিচিত ইমেইল ওপেন না করা এবং অপিরিচিত ইমেইলে থাকা লিংক কে ওপেন না করা। ইউটিউব, উইকিপিডিয়া বা পরিচিত বা ট্রাস্টেড বিশ্বব্যাপী সেরকম লিংক গুলো আপনি ওপেন করতে পারেন। খুব সহজ কোন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। অতি অবশ্যই মোবাইল নাম্বার দ্বারা ভেরিফিকেশন সিষ্টেম ব্যবহার করবেন। এমন ভাবে সেটিংস থেকে সব ওয়েবসাইটের ফাংশন একটিভেট করবেন যাতে যতোবার আপনি লগইন করবেন ততোবার আপনার মোবাইলে কোড  নাম্বার আসবে। সেই কোড নাম্বার ছাড়া  আপনি সেই ওয়েবসাইটের একাউন্টে লগ ইন করতে পারবে না। আমার মতে যতো ব্যাংক আছে এবং যতো ব্যাংক অফিসার আছে তারা যদি এই মোবািইল ভেরিফিকেশন সিষ্টেম ব্যবহার করে তাতে করে রিস্ক অনেক কমে যাবে। মোবাইল ভেরিফিকেশণ সিষ্টেমের এই একটা সুবিধা যে আপনি চাইলেও আপনার মোবাইলে কোড না আসা পর্যন্ত সফটওয়্যারে লগইন করতে পারতাছেন না। আবার পাইরেটেড উইন্ডোজ এর মধ্যে আপনি এন্ট্রি ভাইরাস দিয়ে রাখেন সেটা হবে হ্যাকারদের আড্ডা। যদি মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন সিষ্টেম চালু থাকে তাহলে আপনি যতোবার কম্পিউটার থেকে উঠে যাবেন ততোবারই আপনি কুকিজ  বা টেম্পোরারী পাসওয়ার্ড পরিস্কার করে উঠবেন। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের কল্যানে হ্যাকাররা একোবরে আইএসপি পর্যন্ত অবস্থান করে। সো আপনি যদি সফটওয়্যারে লগইন করার সময়ে নিজেই নিজের পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন তাহলে সেটা কুকিজ  বা টেম্পোরারী পাসওয়ার্ডে থেকে যাবে। ফলে হ্যাকাররা সহজেই আপনি সফটওয়্যারে প্রবেশ করার সাথে সাথেই তারা ও প্রবেশ করতে পারবে। কিন্তু আপনি যদি মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই সিষ্টেম টা অন রাখেন তাহলে আপনি লগইন করার পরে আপনার মেশিন থেকে কুকিজ কালেক্ট করে যখন হ্যাকাররা লগইন করতে যাবে তখণ তার মোবাইল ভেরিফিকেশনের খপ্পড়ে পড়বে। ফলে তারা আর আপনার ইউজার নেম দিয়ে ব্যাংকের সফটওয়্যারে ঢুকতে পারবে না আর আপনার ইউজার নেম এর এগইনেষ্টে কোন হ্যাকের রেকর্ড ্ও এড হবে না। এই ব্যাপারে স্থানীয় আইএসপি ব্যবসায়ীদের সাথেও হ্যাকারদের সংযোগ থাকতে পারে। কারন কোন হ্যাকার গ্রুপ যদি কোন ব্যাংক কে টার্গেট করে তাহলে প্রথমে সে দেখবে যে কোন ব্রডব্যান্ডের আইএসপি ব্যবহার করতাছে আর তাদের ডিটেইলস টা কি? রাস্তার পাশে গড়ে উঠা আইএসপি বা যত্র তত্র তারের সংযোগে আইএসপি এর ডিভাইস হ্যাক করা মনে হয়  না এক্সপার্ট হ্যাকারদের জন্য কোন ব্যাপার। আমি অনেক সময় ব্যাংকে গেলে দেখি যে- ক্যাশ অফিসার রা তাদের ষফটওয়্যারে সরাসরি লগইন করতাছে। কিন্তু একটু আগে সে তার ডেস্কে বা ডিভাইসে ছিলো না। সে সময়ের মধ্যে যদি হ্যাকার এসে বসে থাকে তাহলে সে আপনি আপনার সফটওয়্যারে পাসওয়ার্ড দেবার সাথে সাথেই  কুকজি বা টেম্প ফাইলের মাধ্যমে সেও পেয়ে যাবে। যতোদূর জানি - যে কোন পাসওয়ার্ডই টেস্প ফাইলের রুপ নিয়ে থাকতে পারে। 

আমি দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারনে হ্যাকারদের কিছু কিছু আচরন ধরতে পারি। আমার জীবনে আমি হ্যাকিং রিলেটেড কোন প্রোগ্রাম শিখি নাই। কিন্তু অন্যান্য প্রোগ্রাম শিখার পরে আমি অনেক সময় বুঝতে পারি যে- তারা কোন ধরনের আচরন করে। আমি দেখেছি আমার ডিটেইলস যখন হ্যাক করার চেষ্টা করতো তখন তারা আগে থেকে আমার ডেস্কটপে আইসা ঘাপটি মাইরা বইসা থাকতো। পরে আমি যখন কম্পিউটারে বসতাম ২০০৬-২০১১ পর্যন্ত আমি ইন্টারনেট ডিসকানেক্ট করে ১০০ সেকেন্ডস অপেক্ষা করতাম বা পোষ্ট প্রোগ্রাম ব্যবহার করতাম। ৪ সেকেন্ড ডিভাইসের পাওয়ার বাটন ধরে রাখতাম এবং ১০০ সেকেন্ডস পরে কম্পিউটার বা ইন্টারনটে নরমালি ওপেন করতাম। বাংলাদেশে হ্যাকিং ঠেকানোর প্রথম এবং প্রধান উপায়- বিশ্বমানের নিজস্ব অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করা। তাতে যারা হ্যাকার তারা প্রথমে অপারেটিং সিস্টেমের গ্যানজামে পড়বে। তারপরে সেটার সাথে কম্পাটিবল করে ভালো ইন্টারনেট সিষ্টেম ডেভেলপ করা। রাষ্ট্রায়ত্ত শুধু ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য একটা আলাদা টপ সিকিউরড ইন্টারনেট সিষ্টেম ব্যবহার করা যেমন বাংলালায়নের মতো। ওয়াই ফাই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সিষ্টেম। আপনি যদি সহজ সরল রাস্তার পাশের অবস্থান করা আইএসপি দিয়ে সরকারি ব্যাংক এর ইন্টারনটে চালান তাহলে তো আপনার ব্যাংকের হ্যাকিং কেউ ঠেকাতে পারবে না। কারন সহজ সরল মানের আইএসপি গুলো থেকে যে কোন উপায়ে হ্যাকার রা কানেকশন ডিটেইলস জেনে আপনার ব্যাংকের সফটওয়্যারে ঢুকা একদম ই সহজ।  আর যদি একবার ব্যাংকের ভেতরে ঢুকতে পারে আর ডলার বা রিজার্ভ চুরি করতে পারে আর নিয়মিত সেটা পরিবর্তন করে ডলারকে বাংলা ক্যাশ করে বলবে রেমিটেন্স আর টাকা কে ডলারে মেক করে বলবে সুইফট ট্রানজকেশন বা ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রানজেকশন। এই্ভাবে রাষ্ট্রীয় হিসাব নিকাশ পরিবর্তন করা একেবারে ওয়ান টু এর ব্যাপার ই হ্যাকারদের কাছে। 


তো জনজীবনে হ্যাকারদের অত্যাচার অনেক । কিছুদিন আগে ডিবিবিএল এর বুথে যাইয়া দেখি হ্যাকারদের ভয় রিলেটেড নোট টাংগাইয়া রেখেছে। তখন বুঝতে পারলাম যে এই দেশের ইন্টারনেট ব্যবহার ওকে নাই - সেই জন্য তারা এখনো হ্যাকারদের খপ্পড়ে পড়ে বা ভয় পায়। আপনারা আগে সিষ্টেমের ডেভেলপ করেন- হ্যাকাররা আপনার বালও  ফালাইতে পারবে না। আর যদি আপনি ইচ্ছা করে সিষ্টেম লস রাখেণ বা ইনসিকিউরড রাখেন তাহলে বোঝা যাবে যে- সেখানে আপনারও  শেয়ার আছে বোধ করি। আগে নিজে ভালো তো জগত ভালো। আপ ভালো তো জগত ভালো। সো জনজীবনে হ্যাকারদের ভয় না দেখিয়ে আপনার টোটাল সিষ্টেম ওকে করে ফেলান এবং গোপন তথ্যাদি গোপন রাখার চেয়ে যে সকল ভেরিফিকেশন সিষ্টেম আছে সেগুলোই ব্যবহার করেন। হ্যাকারকে আপনি এক্সস দিলেই তারা এক্সেস পাবে। তারা যেনো এক্সেস না পায় সেই ভাবে আপনার ইনফ্রাষ্ট্রাকচার সাজাতে হবে। তাতে আপনি দুই নাম্বারি করলেও আপনার সিষ্টেম দুই নাম্বারি করবে না। আশা করি এ যাবত কালে বাংলাদেশে সংঘটিত সকল ধরনের হ্যাকার দের আইনের আওতায় আনা যাবে। প্রয়োজনে ইন্টারপোলের সাহায্য নিয়ে তাদেরকে তাদের প্রাপ্য শাস্তির ব্যবস্থা করেত হবে এবং হ্যাককৃত এমাউন্ট কে ফেরত আনতে হবে। যে কোন একটা মহল মাষ্ট বি জানে যে - কে বা কারা হ্যাক এর সাথে জড়িত? কারন ইন্টারনেট, সফটওয়্যার, ডিভাইস , অপারেটিং সিষ্টেম এইগুলো  সব চলে ০ এবং ১ বাইনারি মেথডের মাধ্যমে । সো যারা হ্যাক করেছে তাদের ট্রেসিং আছে। শুধু সত ইচ্চাটাই যথেষ্ট। 

আপনি যদি জেনে থাকেন কেউ একজন হ্যাকার এবং আপনার কাছে যদি সুনির্দিষ্ট প্রমান থাকে তাহলে আপনার প্রথম দ্বায়িত্ব হইতাছে সেটা আইন ও পুলিশ কে জানিয়ে দেয়া। আর দ্বিতীয় দ্বায়িত্ব হইতাছে তাদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট করা। বাংলাদেশে ইন্টারনেটে যে কোন হ্যাকারদের বিরুদ্বে আইন আছে। সো আপনি যদি তাকে জেনে শূনে সাহায্য করে থাকেন তাহলে আপনিও আইনের চোখে আসামী। বাংলাদেশে সব ধরনের গোয়েন্দা বা পুলিশ যেহেতু হ্যাকারদের বিুরদ্বে একজোট আছে সো আপনার যদি কিছু জানা  তাকে তাহলে আপনি অতি অবশ্যই র‌্যাব এর ডিজিটাল আইসসিটি সেকসানে জানাবেন, বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি সেকসানে জানাতে পারেন বা বাংলোদেশ পুলিশের ৯৯৯ এর সাাহয্য নিতে পারেন বা তথ্য প্রযুক্তি আইনের সাহায্য নিবেন। 


(ভালো লাগলে পার্ট ৪ আসবে )

Babu Khaicho? | DJ Maruf | Ruhul | Subha | Shreya | Bangla New Song 2020...



#বাবুখাইছো

#babukhaiso

Marketplace. Freelancing outsourcing Bangla Tutorial.

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। ৭ম পর্ব । ওয়েব সাইট ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস।

একটি ঘটনা বা কাহিনী বা গল্পকাহিণী বা অতি রন্জিত কাহিণী দিয়ে শুরু করা যাক। মনে করেন: একটা মার্কেট নাম: কামাল রনজিত মার্কেট । অবস্থান: বাংলাদে...