Translate

Sunday, October 25, 2020

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ থাম্ব বলতে কি বোঝেন?

ইন্টারনেটে এখন অনেক খানে পজিটিভ থাম্বের ব্যবহার আছে। যে কোন পোষ্টের নীচে অনেক সময় থাম্ব ব্যাপারটা দেখা যায়। আবার অনেকখানে অনেক ওয়েবসাইটে আছে এই থাম্ব ব্যাপারটা। এইটাকে বাংলাদেশে অনেক সময় বাল (যা মানুষ আংগুল দিয়ে ক্রিটিসাইজ করার জন্য ব্যবহার করে) যার মিনিং খারাপ সেরকম বোঝানো হতো। বেসিকালি থাম্ব আপ বলতে বোঝানো হয় যে : ব্যাপারটা ভালো। আর থাম্ব ডাউন বলতে বোঝানো হয় ব্যাপারটা খারাপ। আর ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সাধারনত গ্রিন এবং রেড কালার দ্বারা থাম্ব আপ এবং ডাউন বোঝানো হয়। ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং রিলেটেড কোন ওয়েবসাইটে যদি আপনি কাজ করিয়ে সন্তুষ্ট হোন তাহলে সেখানে আপনোকে থাম্ব আপ বা গ্রিন থাম্ব দিতে হবে আর যদি আপনি পছন্দ না করেন তাহলে রেড থাম্ব বা খারাপ বলতে পারেন। তবে একজন পারফেক্ট প্রফেশনালস কখনো কাউকে খারাপ থাম্ব বা রেড থাম্ব বা ডাউন থাম্ব দিবে না। কারন যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে তারা সাধারনত খেটে খায়- বুদ্বি বা পরামর্শ করে সঠিক কাজটা সঠিক ভাবে উপার্জন করার চেষ্টা করে। যার থাম্ব বেশী থাকে তার কাজ পাবার সম্ভাবরা বেশী থাকে। সেই সাথে যার রিকমেনডশন ও বেশী থাকে তারও কাজ পাবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। 




এইখানে দেখেন পজিটিভ রেটিংস হিসাবে প্রমান শো করা আছে। ইন্টারনেটে যারা খুব ভালো হাই লেভেলের সেলার তাদের প্রায় হাজার হাজার রিভিউ আছে। বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সারদের পজিটিভ তাম্বের সাথে - বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কোন সম্পর্ক নাই। একটা ব্যক্তিগত প্রোফাইলে যদি ৩০০ থাম্ব বা পজিটিভ রিভিউ আসে তার মানে এই না যে- সে এই দেশের বিরাট কিছু। সে তার প্রোফাইলে নিয়মিত কাজ করার জন্য সারা বিশ্বের বায়ার রা তাকে পজিটিভ থাম্ব দিছে যেখানে সে যেনো আরো অনেক ভালো কাজ পায় বা সেই সেলারের জন্য অনেক শুভ কামনা  করে থাকে। আরো যারা বিরাট ভালো করে তাদেরকে বায়ার রা রিকমেনডশন করে থাকে লিখিত ভাবে যেনো তাকে আরো অন্যান্য সবাই কাজ দেয়। 


সেলার রা যে কাজ পায় তার উপরে যে রিভিউ দেয় তাকে সেলার স রিভিউ বলে বা পজিটিভ রিভিউ বলে। এক দল পাগলের সাথে একবার কথা হইতেছিলো: বলতাছে মাসুদ ভাই যদি ৩০০ রিভিউ এর মালিক হয় তাহলে মাসুদ ভাই এই দেশের বিরাট লোক হয়ে যাবে। তো আমি উত্তরে বললাম: কেনো ভাই আমি বিরাট লোক হবো কেনো? এ দেশে তো হাজার হাজার সেলার আছে যারা প্রায় ২০০০/৩০০০/৪০০০ রিভিউ আছে বা পজিটিভ রেটিংস আছে এবং তারা বাংলা মায়ের সন্তান। তারা বিরাট বা প্রধান লোক হবে। তো সে বলতাছে তারা তো আর রাজনীতি করে না। তো আমি বললাম: আমিও তো কোন রাজণীতি করি না (শাহবাগ গনজাগরন পন্থী রাজেনৈতিক দলগুলোকে সাপোর্ট। করি) তারপরে সেই পাগল অফ গেছে এবং বলতাছে তাহলে কোন মাসুদ এর কথা সে শুনেছে ( মানে সে মনে হয় অন্য কোন মাসুদের কথা শুনেছে যে এই দেশে বড় কিছু হতে চায়) । তো আমি বলেছি পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ মাসুদ আছে আপনি হয়তো অন্য কারো কথা শুনেছেন। আর এসইওক্লার্কে আমার ইউজার নাম সেঞ্চুরিয়ন

বেসিকালি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিভিউ খুব গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার। আপনার যদি ১ টিও ব্যাড রিভিউ পরে তাহলেও আপনার প্রোফাইলের বড় সড় ক্ষতি হতে পারে। আপনি চাইলে ও কোন বড় ধরনের কাজ পাবেন না। এইখানে নীচে একজনের রিভিউ দেখেন প্রায় ৭৮০০০ রিভিউ আছে যা কিনা এককথায় বিশ্বের সেরা মানের ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে প্রমান করে থাকে এই ইউজার কে। এরকম হাজার হাজার ফ্রি ল্যান্সার আছে সারা বিশ্বে। পজিটিভ থাম্ব কোন রাজনৈতিক ইস্যু না- এইটা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিভিউ বলতে কাজের ভালো সুনাম আছে বোঝানো হয়। সেলার ভালো কাজ জানে বা পারে সেটাও বুঝানো হয়।  


আপনি ভালো কাজ জানেন বা আপনার কাজের ভালো রেটিং আছে বা আপনি যে কোন সার্ভিস কে ভালো করে প্রমোট করতে পারেন তাকে পজিটিভ রিমার্কস দ্বারা প্রকাশ করা হয়। প্রত্যেকটা  মার্কেটপ্লেসে আলাদা আলাদা করে পজিটিভ রিভিউ ডিজাইন করা হয়। এইখানে যদি আপনি একজন বায়ার হিসাবে কাজ করতে যান তাহলে আপনাকে খুব ভালো করে সেলারস রিভিউ চেক করতে হবে। যেহেতু এখনকার দিনে ক্রেডিট কার্ড খুবই সহজ আর যে কেউ চাইলে যে কোন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ইন্টারনেটে থেকে প্রডাক্ট কিনতে পারে সেহেতু এইখানে আপনি যখনি কোন সার্ভিস কেনার জন্য এনরোল করবেন তখণি আপনাকে খেয়াল করতে হবে যে - আপনি কি রিয়েল সেলারের সাথে ডিল করতাছেন কিনা? ভিপিএন ব্যবহার করে এবং ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে আপনি যে কোন দেশের বায়ার হয়ে যাইতে পারেন (বোধ করি। আমার কাছে প্রমান নাই কিন্তু ধারনা করি)। কিন্তু এসইও ক্লার্ক ওয়েবসাইটে ভিপিএন ব্যবহার করলে কোন কুপন এড করা যায় না। সেই হিসাবে বলা যায় যে: অন্ততপক্ষে এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে ভিপিএন ব্যবহার করে কেউ ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একাউন্ট লোড করতে পারবে না। কিন্তু অন্যান্য ওয়েবসাইটে ভিসিসি (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) কিনে মার্কেটপ্লেসের ক্লায়েন্ট সেজে ভিসিসি র দেয়া ডিটেইলস ব্যবহার করে যদি কেউ ক্লায়েন্ট একাউন্ট মেক করে যে কোন দেশের পতাকা দিয়ে এবং যদি সে তার পরিকল্পনা মোতাবেক পছন্দণীয় সেলার কে হায়ারও করে থাকে একর পর এক - তাহলে সেখানে এক ধরনরে ফেইকইজমের তৈরী হইতাছে যা হয়তো আমাদের দেশের অনকে তথ্য প্রযুক্তিবিদ বুঝতে পারবে না। উপরে আমার যে ২৯৯ রিভিউ তা আমি অনেক কষ্টে রাত দিন খাটাখাটি করে তৈরী করেছি ৫+ বছরে। এসইওক্লার্কের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডাইরেক্ট উইথড্র কোন প্রসেস নাই। মানে এইখানে উপার্জিত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে আনা যাবে না কিন্তু পাইওনিয়ারে/পেপালে/পেল্যুশনে লোড করা যাবে বা পাইওনিয়ার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়ে আসা যাবে। তাহলে - অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে যদি ভিসিসি এড করা যায় আর সেখান থেকে যদি সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার উইথড্র করা যায়- তাহলে সেখানে কি সরকারের কোন ক্ষতি হইতাছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখতে হবে? ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কিনলে আপনাকে ফুল ডিটেইলস ইনফরমেশেন দিবে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড সেলার ওয়েবসাইট। সেখানে আপনি প্রথম নাম, শেষ নাম, যে দেশের ভিসিসি কিনবেন সেই দেশের নাম, ঠিকানা সব কিছু ইন ডিটেইলস প্রদান করে যা আপনি ইন্টারনেটে ব্যবহার করতে পারবেন যে কোন ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য- অনেক সময় দেখলাম ফোন নাম্বার সহ দিয়ে থাকে। কয়েকদিন আগে আমি আমার জীবনের প্রথম ভিসিসি কার্ড পাই ২৫ ডলারের মূল্যের - একটা সোশাল মিডিয়া প্যানেলে আপডেটও করি সেই ভিসিসি ব্যবহার করে এবং সেই ডলাল লোড হয় এবং সেই সোশাল মিডিয়া প্যানেলে এপিআই আছে। এপিআই আছে এরকম কোন ওয়েবসাইট ভিসিসি এর ক্ষেত্রে কোন ভুল করবে না। সেই ডলার আমি ব্যবহার ও করলাম। একখানে রিভিউ দিলাম - সেটা থেকে ২৫ ডলার উপার্জন করেছি। 




আমাদের দেশের যে কোন মার্কেটপ্লেসে আমাদের দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা এই ধরনের কিছু করতাছে কিনা- নীরবে বা আড়ালে (অনেকেই অনেক ভালো ভালো কাজ জানে)

  • মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ভিসিসি (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) কে এড করা যায় কিনা?
  • (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) ব্যবহার করে ডলার এড করা যায় কিনা? 
  • ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কেনার পরে তার সাথে দেয়া ডিটেইলস কি ব্যবহার করতাছে কিনা - মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে। 
  • প্রথমেই মোবাইল এবং ইমেইল ভেরিফিকেশন করতে হয় কিনা?  যদি করে থাকে তাহলে এইখানে বিশাল একটা ডলার লস হইতাছে। কারন কয়েকদিন আগে দেখলাম এক ওয়েবসাইটে ১০০ ডলার ভিসিসির দাম: ৩৫০ ডলার। এইখানে অনেক বড় লস হয় ভিসিসি কিনতে গেলে। 
এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে প্রথমেই রেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনাকে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করতে হবে। তাছাড়া আপনি এখন আর সহজে ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনাকে বাকী সব ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করে পরে সামনে আগাতে হবে- যদি চায় তাহলে। এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে আপনি বিটকয়েন, ইথারিয়াম এবং লাইট কয়েন দ্বারা ও কেনাকাটা করতে পারবেন যে কোন এসইও সার্ভিস কিন্তু বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েনে উইথড্র করতে পারবেন না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য কোন মার্কেটপ্লেস থেকে বিটকয়েণ দ্বারা কোন সার্ভিস কেনা যায় না। ইন্টারনেটে বিটকয়েণ বা ব্লকচেইন এক্সপ্ট করে না এরকম কোন নামী দামী ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্টানই নাই বলতে গেলে সারা বিশ্বে। এখন ফেসবুকও লিরা নামে তাদের  নিজস্ব ক্রিপ্টো কারেন্সী আনতাছে সারা বিশ্বে। যতোদূর জানি ভিপিএন ছাড়া ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড মনে হয় আমাদের দেশের ছেলে পেলে রা ব্যবহার করে না। সে ক্ষেত্রে যে দেশের ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড তারা কিনে সেই দেশের ভিপিএন যদি তারা ব্যবহার করে তাহলে তাার সহজে যে কোন মার্কেটপ্লেসে নিজেদেরকে ফরেন বায়ার বা ক্লায়েন্ট বলে পরিচয় দিতে পারবে- যদি রেজিষ্ট্রেশন করে থাকে (ব্যাপারটা যদি)। আর সে হিসাবে তারা ফেইক সার্ভিস কিনে যে কোন ওয়ার্কারকে রিভিউ ও দিতে পারবে এবং তাকে বাস্তব জীবনে ব্যবহার ও করতে পারবে। সবটাই আমার ধারনা- কারন বাস্তবে আমার হাতে কোন প্রমান নাই। কারন আমি নিজেই আমার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একই দেশ থেকে আরেকজন ওয়ার্কারকে আমি হায়ার করেছি ফ্রি ল্যান্সার ডট কম ওয়েবসাইটে। আর এসইওক্লার্কে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করে কোন ধরনের কুপন এড করতে পারবেন না - কারন আমার যখন কাউকে কোন কুপন অফার করি আর তার কাছে যদি ভিপিএন থাকে তাহলে সেখানে কুপন টা কাজ করে না। সে হিসাবে বলে দেয়া যায় যে-  পৃথিবীতে সবচেয়ে ভালো মার্কেটপ্লেস এইওক্লার্ক। প্রায় ১৫ লক্ষ সেলার আছে রেজষ্ট্রার্ড যারা তাদের সার্ভিস সেল করে যাইতাছে। সেখানে প্রতি মূহুর্তে চেষ্টা করে ভালো একটা কাজ করা বা রিভিউ আনা আমার জন্য বিরাট ব্যাপার আর আমার কাছে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজের মূল্যায়ন হইতাছে সততা। তো আপনি ও ফ্রি রেজষ্ট্রিশন করে একটা ভালো মানের সার্ভিস তৈরী করে  সমানে সেলস শুর করেন আর পজিটিভ রিভিউ আনতে থাকেন। দেখবেন কাজ করে আপনার কতোটা ভালো লাগে। 

পজিটিভ রিভিউ আনার জন্য আপনি যদি পরিকল্পিতভাবে কারো সার্ভিস ক্রমাগত কিনে থাকেন তাহলে যার সার্ভিস ক্রমাগাত কিনলেন এবং তাকে রিভিউ দিলেণ সে হয়তো কিছুটা আশ্চর্য হবে কিন্তু তার সাইড থেকে সে কোন ভুল করলো না। কিন্তু যার কাছ থেকে সার্ভিস কিনলেন এবং সে যদি জেনে থাকে তাহলে এইখানে একটা ফেইকইজম তৈরী হয়ে গেলো। এইখানে যদি আপনি সরকার বা জনগনকে ধোকা দেন তাহলে আপনি সেই আরাম বা সততাটুকু পাবেন না। আমি এসইওক্লার্কে আমার যে কোন রেফারেল কে আমি ৫ ডলার এর কুপন দিতে পারি যাতে সে এসইওক্লার্ক সার্ভিস কিনতে ভবিষ্যতে ইন্টারেষ্টেড হয়। যাকে ৫ ডলারের কুপন দিবো সে সেটা উইথড্র করতে পারবে না। তাকে অতি অবশ্যই আমার কাছ থেকে একটা সার্ভিস কিনতে হবে। আমার প্রোফাইলে দেয়া আছে এরকম যে কোন ৫ ডলারের সার্ভিস সে আমার কাছ থেকে কিনতে পারবে। আর যদি আমি তার অর্ডার দেয়া কাজটা ভালো করে সম্পূর্ন  করে দিতে পারি আর সে দি আমাকে পজিটিভ থাম্ব দেয় এইখানে দোষের কিছু নাই। কারন যে ৫ ডলারের কুপন নিয়ে একটা কাজ কমপ্লিট করিয়েছে সে একটা পজিটিভ থাম্ব দিতেই পারে বা সেলার হিসাবে আমি চাইতেই পারি। এইটা এসইওক্লার্কের প্রমোশণ। 

কিন্তু আপনি যদি একজন সেলারের সাথে চুক্তি করেন যে- আপনি আপনার নিজস্ব ক্রেডিট কার্ড দিয়ে তার কাছ থেকে একটা সার্ভিস কিনবেন  ১০০ বার এবং ১০০ বার তাকে পজিটিভ থাম্ব দিবেন আর মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের বাহিরে তার সাথে ইলিগ্যাল লেনাদেনা করে ফেইক পজিটিভ রিভিউ দেন তাহলে সেটা হবে খারাপ বা দুই নম্বর গিরি। কারন যখন আপনি কারো কাছ থেকে আপনার নিজের পয়সা বা ডলার দিয়ে সার্ভিস কিনবেন তখন সেখানে আপনাকে ১০০ ভাগ সততার পরিচয় দিতে হবে। ইভেন আপনি চাইলেই পরিচিত কারো কাছ থেকে সার্ভিস কিনতে পারবেন না। আপনাকে সার্ভিস কেনার ক্ষে্ত্রে সততার পরিচয় দিতে হবে। আপনি যতোবার সার্ভিস কিনবেন ততোবারই আপনাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট অনুযায়ী রাইট ক্যাটাগরি তে সার্ভিস সার্চ করে কিনতে হবে বা ওয়ার্কারদের ক্ষেত্রে আপনি মনে চাইলেই পরিকল্পিত ভাবে প্রতিবার ই একজনকে শুধু হায়ার করতে পারবেন না। আপনাকে প্রতিবার জবের জন্য পোষ্ট করতে হবে- যারা বিড করবে তাদের মধ্যে সেরা জনকে খুজে বের করে কাজ দিতে হবে। যেমন মনে করেন: আমি মার্কেটপ্লেসের একজন বায়ার। আর আপনি একজন ওয়ার্কার। Marketplace Website এর বাহিরে আপনার সাথে আর্থিকভাবে চুক্তি করলাম আর আমার সাথে আরো ১০ জন আছে। আমরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক। সেই হিসাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ আছে। তো আপনি আমার সাথে বাহিরে কন্ট্রাক্ট করলেন আর তারপরে আমাকে ভালো অংকের টাকা পয়সা দিলেন আর আমাকে বললেন যে আমার ১০ জন বন্ধুর মাধমে ১০ দেশের ক্লায়েন্ট একাউন্ট তৈরী করে আপনাকে ১০ টা কাজের জন্য ওয়ান বাই ওয়ান হায়ার করতে। তারপরে আপনার একাউন্টে ১০ টা কাজের রিভিউ যুক্ত হলো এবং ১০ টা পজিটিভ থাম্বও এড হলো। সেই টা সততার সাথে পজিটিভ রিভিউ ইনকাম হবে না। পজিটিভ রিভিউ ইনকাম হবে তখন যখন কোন ওয়ার্কার নিজে চেষ্টা করে জব খুজে বের করবে তারপরে সেখানে বিড করবে বা কাজের জন্য আবেদন করবে এবং তারপরে সেখানে সে জবের জণ্য যোগ্যতা অনুযায়ী সিলেক্ট হবে এবং সঠিক ভাবে কাজ করবে এবং ক্লায়েন্ট আপনার কাজে খুশী হয়ে নিজের মন থেকে আপনাকে পজিটিভ রিভিউ দিবে - এইটাকে বলা হয় বা হবে অনেষ্ট পজিটিভ রিভিউ। এই রকম পজিটিভ রিভিউ যাদের আছে তারা ই আসল ফ্রি ল্যান্সার। 

ফেইকইজম করে তো আমিও আপনাকে কয়েক হাজার পজিটিভ রিভিউ পাওয়াইয়া দিতে পারবো - বাংলাদেশ সরকার বাল ও কিছু জানতে পারবে না- তাতে তো আর আপনি অরিজিনাল ফ্রি ল্যান্সার হতে পারলেন না।  আসলে যারা বাযার বা সত ক্লায়েন্ট তাদের কিছু ক্যাটাগরি আছে যেমন: সে বেসিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মতো আচরন করবে। একটা জব যদি আপনি তৈরী করেন আর সেখান কার লিংক যদি আপনি স্কাইপে বা মেসেন্জারে দিয়ে থাকেন তাহলে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের যে ট্রাফিক ট্রাকার আছে সে সহজেই বলে দিতে পারবে যে আপনি ইনটেনশনালি একজনকে ওয়ার্কার হিসাবে হায়ার করেছেন যা পূর্ব থেকে নির্ধারিত। কিন্তু এইভাবে হাযার করার জন্য আপনি মার্কেটপ্লেস ব্ল্যাকলিষ্টেড বায়ার হবেন।

এসইওক্লার্ক প্রমোশনের কাজ পাবার পর থেকে আমি বাংলাদেশী ছেলে বা মেয়ে যারা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কে
টপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার জগতে চেষ্টা করতাছে তাদেরকে এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইট এ রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে ফ্রি তাকে ৫ ডলার কুপন দিয়ে তার কাছে একটা সার্ভিস সেল করে থাকি (আমি চাইলে সারা বিশ্বে প্রমোশন করতে পারবো ৫ ডলারের কুপনের যে আমার কাছ তেকে একটা এসইও সার্ভিস কিনতে আগ্রহী হবে তাকেই দিতে পারবো)। সব মিলিয়ে বিগত ৩/৪ বছরে ২৫ জন কে পাইছি (এমনিতে অনেক রেজিষ্ট্রেশন হয় সবাইকে অফার করি না) যারা আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিস্ট্রেশন করে আমার কাছ থেকে ৫ ডলারের সার্ভিস কিনেছে- ধরা যাক ১০০ ডলার আমি এইভাবে রেফারেলে সার্ভিস সেল করে উপার্জন করেছি। এছাড়া আমার রেফারেল লিংকের প্রমোশন আছে প্রথম দিন থেকেই।আছে এফিলিয়েট ষ্টোর : এসইওলিষ্টলি। এছাড়াও আছে বায়ার হিসাবে পজিটিভ রিভিউ পাওয়া। সেলার হিসাবে সার্ভিস সেল করে পজিটিভ রিভিউ পাওয়া। এছাড়াও জব সেকসান থেকে আবেদন করে কাজ কমপ্লিট করে রিভিউ পাওয়া। একেকটা রিভিউ এর জন্য দিন রাত পরিশ্রম করতে হয় । একেকটা ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে ১০০% কাজ দ্বারা স্যাটিসফায়েড করে রিভিউ আনতে হয়। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি হঠাৎ করে আইসা বলেন যে আপনার ৫০০০ রিভিউ আছে তখন আপনার প্রোফাইল টা ঘেটে দেখতে হবে যে:

  • আপনি কোন ধরনরে ছল চাতুরীর আশ্রয় নিয়েছেন কিনা?
  • মার্কেটপ্লেস কে আপনি ধোকা দেবার চেষ্টা করতাছেণ কিনা বা করেছেন কিনা? 
  • আপনি পরিকল্পিতভাবে নিজে নিজে বা গ্ররপ আকারে ডলার আপলোড করে আবার ডাউনলোড করতাছেন কিনা?
  • আপনার  প্রোফাইল দ্বারা উপার্জিত ডলার ১০০% একুরেটি কিনা বা সেটা ১০০% রেমিটেন্স কিনা? 
এরকম হাজারো বিষয়ের উপরে ডিপেন্ডস করে আপনাকে পজিটিভ রিভিউ অনার বলা হবে বা আপনাকে পজটিভ রিভিউ আর্নার বলা হবে। আমি এখন এফিলিয়েট স্টোর নিয়ে বেশীর ভাগ সময় কাজ করে থাকি কিন্তু আমার ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে যতোগুলো পজিটিভ থাম্ব পেয়েছি ততোগুলো ই অনেষ্টলি পেয়েছি এবং প্রয়োজেন ক্লায়েন্টের সাথে আনডারষ্টেনিডং করে হাজার হাজার ডলারের কাজ ছেড়ে দিয়েছি কাজ কমপ্লিট করার পরেও (Mutual Cancellation) যদি পজিটিভ থাম্ব দিতে রাজী না হয়েছে বা যদি বলেছে ব্যাড রিভিউজ দিবে- তাহলে সেই কাজই আমি ছেড়ে দিতাম। কারন আমি বলতাম- ডলার সারা জীবনই উপার্জন করতে পারবো কিন্তু একটা ব্যাড রিভিউজ আমার জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াবে। যদিও আপনি কোন কাজ একুরেটলি করার পরেও যদি কেউ আপনাকে ব্যাড রিভিউজ দেয় তাহলে এসইওক্লার্কে রিক্যুয়েষ্ট করলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তারা সেই অর্ডার টা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ব্যাড রিভিউজ টা ডিলেট করে দিবে। এসইওক্লার্কের আরো অনেক ফাটাফাটি বিষয় আছে যা ধীরে ধরে বলা হবে- আমার অভিজ্ঞতা থেকে। 

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কাররা রিভিউ বলতে একটা সার্টিফিকেট বোঝায়। একসময় যখন ওডেস্কে কাজ করতাম তখন ক্লায়েন্টের অল ইনফরমেশন পাওয়া যেতো। এখন ক্লায়েন্টের অল ডিটেইলস পাওয়া যায় না কোথাও কোন মার্কেটপ্লেসে বেশীর ভাগ সময়ে। এইখানে টিকে থাকাটাই সবচেয়ে বড় কথা। আপনি চাইলে আপনার সকল ক্লায়েন্ট কে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে নিয়ে যাইয়াও কাজ করতে পারবেন সে ক্ষেত্রে মার্কেটপ্লেস আপনার কাছে ঠকে গেলো- এক কথায় আপনার উপকার করতে আইসা ধরা খাইয়া গেলো। সাধারনত মার্কেটপ্লেস গুলোকে ১০%-২০% দিতে হয় প্রতি ১ ডলারে। আপনি নিজে যদি দেবার মেন্টালিটি না তৈরী করেন তাহলে আপনাকে ফরেনার বায়ার বা  ক্লায়েন্টরা কিভাবে দেবে? এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়াবহ কাজ হলো : মানুষের কাছ থেকে বা মানুষের পকেট থেকে ডলার আদায় করা। আর মার্কেটপ্লেসে বসে থেকে নিজের কাজের সুনাম বা রিভিউ বা রিকমেনডশন দিয়ে যে কোন দেশের ক্লায়েন্ট বা বায়ারের পকেট থেকে ডলার বের করে আনা - এইটাকে আপনি যা তা আলাপ বলে মনে করতে পারেন না। আমাদের দেশে সেই সকল ছেলে বা মেয়েরা খুবই সৌভাগ্যবান - যাদের বাবা এবং মা বা পরিবারের সদস্য রা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে প্রতিষ্টিত করার জন্য খুবই সুন্দর করে ওয়ার্কষ্টেশন বানাইয়া দিছে যারা মনোযোগ দিয়ে কাজ করতাছে- নিজের, বাবা এবং মার এবং সারা দেশের নাম উজ্জ্বল করতাছে এবং একই সাথে রেমিটেন্স নিয়ে আসতাছে। আর তারা প্রকৃতই দুর্ভাগ্যবান যারা কাজ জানার পরেও পরিবার বা দেশ থেকে সুযোগ বের করে কাজ করতে পারতাছে না। জ্ঞান এমন এক জিনিস যা আপনাকে দাবড়াবে সব সময়। আর অজ্ঞতা/নিরক্ষরতা/মূর্খতা এমন এক জিনিস যা আপনাকে বিরক্ত করবে সব সময়। তো আমাদের দেশে যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগত সম্পর্কে অজ্ঞ তারা আরো বেীশ পরিমান পড়াশোনা করে জিনিসগুলো জানবেন এবং আপনার চোখে যদি কোন কিছু ধরা পড়ে তাহলে আপনি আইন পুলিশের সাহায্য নিবেন। কারন আপনি তো আর জানেন না যে- কে কখন কোন দেশ থেকে আপনাকে কখন হায়ার করতাছে? কেউ যদি বলে সে বাংলাদেশের বায়ার বা ক্লায়েন্ট এবং ক্লায়েন্ট বা বায়ার বাংলাদেশেই পাওয়া যায় তাহলে মনে রাখতে হবে যে- বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের গরীবতম দেশ। এইখানে প্রায় ৫-৬ কোটি মানুষ দৈনিক রোজগার করে চলে। এইখানে গুটিকয়েক মানুষ বায়ার হতে পারে যা একটি পাড়া বা মহল্লার চাহিদা পূরন করতে সক্ষম কিন্তু সারা দেশে/ ভারতীয় ৭টি অংগরাজ্য সহ তথাকথিত ২ কোটি ফ্রি ল্যান্সার হতে চাওয়া বাংগালী জাতির  খোরাক হতে হলে ৪৫০-৫০০ কোটি ইহুদি, খ্রীষ্টানদের দ্বারস্থ হতেই হবে কারন তারাই প্রকৃত বায়ার - প্রকৃত ক্লায়েন্ট। তারাই ডলার ইউরো পাউন্ডের মালিক। আপনার কাজ দ্বারা তাদের পকেট থেকে যখন আপনি ডলার ইউরো বা পাউন্ড উপার্জন করতে পারবেন তখনি আপনি প্রকৃত উপার্জন করতে পারবেন আর তার কাছ তেকে যদি রিভিউ পান তাহলে বুঝতে হবে যে আপনি একটা রিয়েল রিভিউ পাইছেন। যারা ছলে বলে কৌশলে রিভিউ এর দাপট দেখাইতাছে বা প্রোফাইলের দাপট দেখাইতাছে তাদের মনে রাখতে হবে যে- তাদের প্রোফাইলের সততার স্বাদটুকু কতোটুকু। কারন ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। 

SEOClerks






ব্যক্তি হিসাবে এখানে যদি কেউ ১ ডলার ও সতভাবে উপার্জন না করে এইখানে তার কোন দাম নাই। এইখানে একমাত্র দাম আছে সরকারি পৃষ্টপোষকতার। ব্যক্তি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পৃষ্টপোষকতা এইখানে ২ নম্বরগিরি বাড়িয়ে তুলবে। সরকারি পৃষ্টপোষকতা বলতে সারা দেশের মানুষ এখনো ব্রডব্যান্ডের আওতায় আসে নাই। আজকে ২০ বছর বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ডের। সারা দেশে এর সুফল পৌছাতে পারলে আরো বেশী পরিমান রেমিটেন্স আনা সম্ভব হবে- সম্ভব হবে আলাদা মুদ্রানীতি গ্রহন করতে ও।  Christinae (ক্রিষ্টিনি) নামের একজন মহিলা বায়ার (ওডেস্ক) যার বর্তমান বয়স হবে ৬৫-৭০+ এর মধ্যে - যে কিনা আমেরিকার ফ্লোরিডাতে বসবাস করে- উনি আমাকে ২০১০-১১ সালে বড় মাপের একটা প্রজেক্টের কাজ দিয়েছিলেন যেখান থেকে আমি বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসের কাজ ছেড়ে দিয়ে উনার প্রজেক্টের মাধ্যমে ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সিং এ নাম লেখাই। তার আগে পার্টটাইম করেছি ২০০২-২০১১। ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সার হবার পরে উনিই প্রথম আমাকে পজিটিভ রিভিউ দেন। উনার কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে। উনার প্রজেক্ট কমপ্লিট করার পরে বলেছিলেন যে- উনি আমার জন্য একটা বোনাস বাজেট রেখেছেন যা ফ্লোরিডাতে উনার অফিসে বাস্তবে যাইয়া গ্রহন করতে হবে। এরকম আরো অসংখ্য ক্লাযেণ্টের পজিটিভ ডিটেইলস পওয়াও সম্ভব এবং সৌভাগ্য আমার হয়েছে। 

Saturday, October 24, 2020

ব্লগে বাংলা লিখলে কোন টাকা দিতে হয় কিনা বা পাওয়া যায় কিনা? পাসওয়ার্ড সিক্যুরিটি সংক্রান্ত কিছু কথা।

উত্তর হইতাছে নাব্লগার ডট কমে বাংলা লিখলে আপনাকে কোন টাকা দিতে হবে না কাউকে এবং আপনাকেও কেউ টাকা দিবে না কখনো। টাকা শুধু তারাই আপনাকে দিতে পারে যদি আপনাকে কেউ ব্লগের জন্য বাংলা লিখার জন্য হায়ার করে। নানাভাবে হায়ার করতে পারে যেমন: মার্কেটপ্লেস বা যে কোন সোশাল মিডিয়া বা আপনি যদি প্রখ্যাত লেখক হোন তাহলে আপনাকে ইমেইলেও হায়ার করতে পারে। আপনাকে ব্যাংকে পেমেন্ট করতে পারে বা বিকাশে /রকেটে পেমেন্ট করতে পারে বা সরাসরি হ্যান্ড টু হ্যান্ড ও পেমেন্ট করতে পারে। আপনি যদি আপনার নিজস্ব বা পারসোনাল ব্লগে ব্লগ করেন বা রেগুলার লিখেন তার জন্য আপনাকে বাংলাদেশে কোন শক্তি বা পাওয়ার বা পারসন কে কোন ধরনের টাকা বা পয়সা দিতে হবে না। আপনার যেটা খরচ সেটা ইন্টারনেট বা এম বি খরচ। এইছাড়া এইখানে আর কোন খরচ নাই। 



ব্লগার ডট কম একটি আমেরিকান ওয়েবসাইট যেখানে আপনি ফ্রি সাবডোমেইন সেট আপ করতে পারবেন এবং যেখানে আপনি ফ্রি হোস্টিং সুবিধা নিতে পারবেন। ব্লগার ডট কমের নিজস্ব অনেক টেমপ্লেট আছে যেগুলো আপনি ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। অনেকে আছে ফ্রি টেমপ্লেটের  চাইতে পেইড টেমপ্লেট কে প্রেফারেন্স দিয়ে থাকে। আবার অনেকে আছে এডসেন্স কম্পাটিবল পেইড টেমপ্লেট কিনতে পছন্দ করে কিন্তু কথা হলো গুগল ইনকরপোরেশন যে টেমপ্লেট তৈরী করে দিছে তার চেয়ে যদি আপনি অন্য কোন ডেভেলপারের টেমপ্লেট কে বেশী দামী মনে করেন তাহলে তো আর কিছু করার নাই। ব্লগারডট কম রিলেটেড একটা বিশদ টিউটোরিয়াল আছে আমার- আপনি চাইলে দেখতে পারেন অনেক কিছু বুঝতে পারবেন। টাকা শুধূ আপনি সেখানেই খরচ করবেন বা করতে পারবেন  যা কিছু বাংলাদেশে এভেইলেবল। টাকা বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা। সো এইটা আপনি শুধু বাংলাদেশে এভেইলেবল জিনিসপত্র কেনার জন্যই ব্যবহার করতে পারবেন। ব্লগার ডট কম আমেরিকান দের সম্পত্তি। সেখানে ফ্রি সাবডোমেইন পাওয়া যায় যেমন ব্লগস্পট ডট কম এবং ফ্রি আনলিমিটেড হোষ্টিং পাওয়া যায়। 




আমি ২০০৬ সালে বর্তমানে যেখানে বসে আছি সেখানে বসে মাঝরাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে করতে চিন্তা করতাম যে কবে ব্লগার ডট কমে বাংলা লেখাটা লেখা যাবে। তখন লেখা যাইতো না। তখণকার সময়ে আমাদের ছেলে বা মেয়েরা যারা ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস নিয়ে কাজ করতো তারা যে কোন ফাইল বা দরকারি বাংলা ডকুমেন্টস কে এম এস ওয়ার্ডে লিখে পিডিএফ এ কনভার্ট করে নিতো। তারপরে পিডিএফ ফাইল টা আপলোড করে দিলে সেটা সবাই দেখতে পারতো বা উপকৃত হতো। যে কোনো কাজের ষ্টেপ বাই ষ্টেপ তীর চিহ্ন দিয়ে বুঝানোর জন্য সেই পদ্বতির কোন বিকল্প ছিলো না। সকলের কাছে প্রিয় পদ্বতি ছিলো সেটা। এম এস ওয়ার্ড পেজে রিখে সেটাকে ব্লগার ডট কম পেষ্ট করা যাইতো না। এম এস ওয়ার্ড পেজকে পিডিএফে কনভার্ট করতে হতো। সেই পিডিএফ ফাইলের আশে পাশে গুগল মনিটাইজেশন করতো। মনিটাইজেশনের সাথে সাথে বাংলাকে ব্লগার ডট কমে প্রকাশ করতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগলো ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/ আউটসোর্সিং জগতে। শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ চলাকালীন সময়ে বাংলাকে ব্লগারের সাথে পুরেপুরি কম্পাটিবল করে দেয়া হয়- আমার চোখে পড়ে।। কিন্তু তখনো মনিটাইজেশন এড হয় নাই। বর্তমানে  ব্লগার ডট কমে বাংলা লিখলে গুগল ডট কমের এডসেন্স মনিটাইজেশন পদ্বতি আপনার প্রত্যেকটা বাংলা শব্দকে তাদের ডিকশনারতে এড করে যাকে বলা হয় বাংলা কন্টেন্ট রিচের কাজ যা সারা দেশের ছেলে বা মেয়েরা বাংলাকে ভালোবেসে  বাংলা কন্টেন্ট রিচের কাজ করে যাইতাছে আর যাদের তার সাথে গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশন আছে তারা ও টুকটাক কম বেশী উপার্জন করে যাইতাছে। বাংলা কন্টেন্ট মনিটাইজেশণে গুগল এর এডসেন্স ব্যবহার করলে আপনি যে ডলার উপার্জন করবেন তা বাংলাদেশ সরকারের কাছে রেমিটেন্স হিসাবে আসবে এবং সেটা আপনার ব্যাংক একাউন্টে বাংলাদেশী ক্যাশ টাকা হিসাবে এড হবে। নীচের ভিডিওতে আমি ডিটেইলস বুঝিয়েছি - আপনি যদি মনোযোগ সহকারে দেখেন তাহলে অনেক কিছু বূঝতে পারবেন। 



প্রথমত: ব্লগার ডট কমে রেজিষ্ট্রেশন করতে আপনার শুধূ একটা জিমেইল একাউন্ট লাগবে। জিমেইলের সেফটি এবং সিকিউরিটি এর জন্য যতো ধরনের নিরাপত্তা ইস্যু সব আপনি পালন করবে যেনো কেউই আপনার ব্লগ বা জিমেইল হ্যাক না করতে পারে। ব্লগার ডট কম জিমেইল দ্বারা ওপেন করতে হয়। গুগল এডসেন্স গুগলের প্রপার্টি। জিমেইল ও গুগলের প্রপার্টি। ইউটিউব ও গুগলের প্রপার্টি। তো এইখানে আপনি জিমেইল দিয়ে সব গুলো লগইন করলে কখনোই আপনার সেই একাউন্ট গুলো হ্যাক হবে না যদি না আপনার জিমেইল কখনো হ্যাক না হয়। কেউ যদি আপনার জিমেইল কে হ্যাক করতে পারে তাহলে সে আপনার সব কিছুই হ্যাক করতে পারবে যেমন ধরেন: জিমেইল,. ব্লগস্পট, গুগলের একাউন্ট, ইউটিউব, জি পে বা গুগল প্লে ষ্টোর। আর যদি কোন ভাবে আপনার ব্লগ একাউন্ট আমি হ্যাক করতে পারি তাহলে আপনার জিমেইলে ঢুকে আপনার নামে তৈরীকৃত ব্লগস্পট এড্রসের ভেতরে ঢুকে যে কোন কিছু লিখে ছাপাইয়া দিয়ে আপনাকে বা আপনার কম্যুনিটি কে ঝামেলায় ফেলে দিতে পারা ১/২ মিনিটের ব্যাপার হবে। আমি কখনো ইন্টারনেটে কোন কিছু হ্যাক বা ক্রাক করি নাই। ইন্টারনেটে এ ব্যাপারে আমার কোন অভিজ্ঞতা নাই। বেসিকালি সবাই জিমেইলকে খুব বিশ্বাস করে কিন্তু জিমেইলের যে সিক্যুরিটি ইস্যু সেগুলো যদি আপনি খুব ভালো করে এক্টিভেট না করেন বা খুব সহজ সরল পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন তাহলে তো  এইটা  হ্যাকারদের  জন্য হ্যাক করা এক মিনিটের ব্যাপার। এজন্য পাসওয়ার্ড টা যদি আপনি এই নীচে দেখানো নিয়মে তৈর ী করেন তাহলে আপনার একাউন্ট কেউ হ্যাক করতে পারবে না সাধারনত: তারপরেও সকল সিকিউরিটি ইস্যু চেক করে ওকে রাখতে হবে যদি জিমেইলে আপনার পারসোনাল প্রপার্টি থাকে।

Password making Law:
A-Z
a-z
0-9
Special Characters. 

Here the claw is: Capital A-Z + Small a-z+ Numbers+ Special Characters [ !@#$%^&*()]
Example password:  Masudbcl2020@@##

যারা হ্যাকার তারা বড় হাতের ক্যাপিটাল লেটারস এবং ছোট হাতের ক্যাপিটাল লেটারস দিয়ে যদি আপনার পাসওয়ার্ড হয় তাহলে তারা তাদের জন্য বানানো সফটওয়্যার  দিয়ে সেটা খুজে বের করে ফেলাতে  পারবে কিন্তু যদি আপনি নাম্বার  এবং স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার দিয়ে পাসওয়ার্ড  বানান  তাহলে তারা আর সেটা বের করতে পারবে না কারন আমার স্টাডি মোতাবেক আমি যতোটা জানি তারা তাদের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার গুলোতে নাম্বার এবং স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার গুলো খুজে বের করতে পারে না। ফলে যাদের পাসওয়ার্ড উপরের নিয়মে তৈরী তাদেরকে হ্যাকরার কখনো হ্যাক করতে পারে না আর নয়তো আপনাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল ও করতে পারে হ্যাকরারা। আপনি যদি সুন্দরী কোন মেয়ে হোন আর আপনি যদি কোন হ্যাকারের নজরে পড়েন তাহলে সে তার সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনার পাসওয়ার্ড কে হ্যাক করে আপনাকে ফিজ্যিকালি এবিউস করতে পারে বা আপনাকে ঝামেলায় ফেলাতে পারে। আর আপনার পাসওয়ার্ড যদি এই ধরনের হয় তাহলে সে আপনাকে সহজে হ্যাক করতে পারবে না। উপরন্তু আছে ডিভাইস সিকিউরিটি বা ফোন ভেরিফিকেশন প্রসেস। আপনি যদি কারো জিমেইল হ্যাক করতে পারেন আর সেই লোক যদি আপনার জিমেইল দ্বারা তৈরীকৃত ফেসবুক একাউন্ট ডিটেইলস দেখতে পারে  বা ওডেস্ক ডিটেইরষ দেখতে পারে তাহলে সহজেই সেটা সে ফরগট পাসওয়ার্ড অপশণ দিয়ে রিকভার করে দখলে নিয়ে যাইতে পারে। তাহলে আপনি আপনার জিমেইল দ্বারা যতো একাউন্ট ওপেন করেছেন সবই হ্যাকাররা হ্যাক করতে পারবে।  যেমন: আমি হারিয়ে ফেলাইছিলাম ২০১১ সালের শুরুর দিকে- থানা শাহবাগে বসে থাকাবস্থায় একদিন সন্ধ্যায় আমি একসাথে জিমেইল, ওডেস্ক এবং ইল্যান্স একাউন্ট হ্যাক খেয়েছিলাম। সেই একাউন্ট আজো ফেরত পাই নাই। তখন আমার এই ব্লগস্পট টাও হ্যাক হয়েছিলো: https://masudbcl.blogspot.com । পরে জানতে পেরেছিলাম যে:  ব্লগস্পট একাউন্ট টা  ৭ বছরের জন্য হাইড রাখা এবং ৭বছল পরে গতবছর এইটা ফেরত পাইলাম। 

এখন আপনার পাসওয়ার্ড টা যদি খুবই সহজ হয়ে যায় যেমন: অনলি ক্যাপিটাল MASUDBCL বা অনলি স্মল  masudbcl বা মিক্স হয়ে যায়: Masudbcl তাহলে হ্যাকার রা আপনাকে হ্যাক করতে পারে। কারন তাদের যে সফটওয়্যার (বিভিন্ন মুভিতে দেখা) যা আমি ষ্টাডি করে পড়েছিলা, অনেক আগে - তারা  শুধু ক্যাপিটাল লেটার বা স্মল লেটার বা ক্যাপিটাল এবং সমল লেটার মিক্সিং টা খুজে বর করতে পারে। আবার যারা হ্যাকার তাদের কাছে ক্রেডিট কার্ড রিলেটেড হ্যাকার সফটওয়্যার থাকে সেটা থেকেও আপনি যদি পাসওয়ার্ডে শুধূ নাম্বার ব্যবহার করেন তা বের করে ফেলাইতে পারে যেমন অনেকেই আছে পাসওয়ার্ড সেকসানে মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে থাকে। সেইটা পুরোপুরি রিস্ক। কারন কেডিট কার্ডজেনারেটর বা ক্রেডিট কার্ড জেনারেট যে সকল সফটওয়্যার আছে সেগুলোতে ১৬ ডিজিটের তথ্য দেয়া থাকে। সেই ১৬ ডিজিট তারা সফটওয়্যার িদয়ে বের করে ফেলাইতে পারে। তাহলে শুধূ নাম্বার ও ব্যবহার করা ঠিক না পাসওয়ার্ড হিসাবে। ক্রেডিট কার্ড যেনো হ্যাক না হয় বা মানুষ যেনো কেডিট কার্ড ব্যভহার না করে সেজন্য সবাই ইন্টারনেট ব্যাংকিং (যেমন স্ক্রিল, নেটেলার, ওয়েবমানি, পারফেক্ট মানি, পাইওনিযার এবং পেপাল) এগুলো ব্যবহার করে থাকে। এজন্য আপনার পাসওয়ার্ড টা হবে : ক্যাপিটাল লেটার+স্মল লেটার+ নাম্বার +স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার এই কয়েকটা মিলে আপনাকে পাসওয়ার্ড বাসাতে হবে তাহলে আর জীবনে কোনদিন হ্যাকড হবেন না তারপরে আছে ডিভাইস সিক্যুরিটি আর মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশণ। যতোদূর জানি হ্যাকাররা অপারেটিং সিষ্টেমের বাহিরে একটি আলাদা ধরনের সফটওয়্যার ব্যবেহার করে অলওয়েজ যেখানে তারা স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার লিখতে পারে না। তাই আপনার পাসওয়ার্ড যদি স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার সহ হয় তাহলে এইখানে হ্যাকড হবার রিস্ক কমে যায় প্রায় ৯০ ভাগ। আশা করি সকলেই এই সেপশিয়ালাইজড পাসওয়ার্ড পদ্বতি ব্যবহার করবেন। 

আবার আরো একটা পদ্বতি আছে যেটা এইখানে এভাবে বলাটা অমূলক তারপরেও আমার পারসোনাল ব্লগ বিধায় বলতে দ্বিধা নাই : অনেকেই আছে মনের কথা শুনতে পায়।  নানা ধরনের ঝাড় ফুক কুফরি কালাম বা প্রচুর ভালোবাসার কারনে  প্রেমিক/প্রেমিকারা মনের কথা শুণে থাকতে পারে বা মানুষের প্রাইভেট প্লেসে ভয়াবহ ধরনের মানসিক প্রেশার তৈরী করে তার মনের কথা শোনার জন্য। প্রত্যেকের জন্য যার যার বসবাসের রুমটা হইতাচে এক ধরনের স্বর্গ- মানুসের মনটা সেভাবে সেট আপ করা থাকে ইন্টারনেট দুনিয়াতে। একজন মানুষ বাহিরে ছিলো- সে বাসাত েফিরে গোসল করে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে কম্পিউটারে বসে কিছুক্ষন নিজের সোশাল মিডিয়া বা ইন্টারনেট ব্রাউজ করবে এইটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার কিন্তু  যারা মনোগত হ্যাকার বা এদরকে অনেকেই ইথখ্যাল হ্যাকার তারা এই পরিস্কার ফ্রেশনেসটা ভেংগে দেবার চেষ্টা করে তারপরে মানুষের মনের কতা শোনার চেস্টা করে। প্রত্যেকেই ইন্টারনেটে ডুকাবস্থায় যার যার মনে মেন পাসওয়ার্ড টা আওড়ায় আর তারা যদি কোন পদ্বতি মোতাবকে বা ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো যাদু বিদ্যা বা যে কোন মেথডে কারো মনের কথা শোনার চেষ্টা করে বা শুনে থাকে তারা সেই পাসওয়ার্ড টা শুনে লিখে রাখার চেষ্টা করে এবং পরবর্তীকানে সেটাকে হ্যাক করে রাখে। বেসিকালি যারা কুফরী কালাম করে তাদের মাধ্যমে এই ভাবে কান পেতে পাসওয়ার্ড  বা মনের কথা শোনা যায় বা একজন কথা বললে সবাই শুনতে পারে। এদরকে আমরা অনেক সময় ইথিক্যাল হ্যাকার বলে থাকি। কারন মানুষ যখন মনে মনে চিন্তা করে আর আরকেজন যখন মুনতে পারে সেটাকে ইথার নামে অভিহিত করা হয়। আর যারা ঝাঢ় ফুক করে বা কুফরী কালাম করে তারা চিরস্থায়ী ভাবে জাহান্নামী। কোন মানুষের বেচে তাকার প্রাইভেসী বা সিক্রেসী যদি নষ্ট হয় তাহলে এই ধরনের পরিস্থিতির স্বীকার হয় মানুষে আর এই ধরনের পরিস্থিতিকে বাংলাতে বলা হয়: দেয়ালের ও কান আছে।  বাংলায় যারা ইথিক্যাল হ্যাকার তাদের সাথে চিরস্থায়ী জাহান্নামের লোক যারা ঝাঢ় ফুক করে বা কুফরী কালাম করে তাদের একটা যোগাযোগ যদি থাকে তাহলে কি তারা জান্নাতে যাবে মরার পরে নাকি এই কুফরী কালাম গ্রুরপের সাথে চিরস্থায়ী জাহান্নামের দিকে পা বাড়াবে? (যদি এইধরনের হ্যাকারদের কে ইথিক্যাল হ্যাকার বলা হয়ে থাকে)।  তাই বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী যে কোন ওয়েবসাইটে আপনি রেজিষ্ট্রশন করার সাথে সাথে সেখানকার সিক্যুরিটি ভেরিফিকেশন টা ওকে করে নিতে হবে যেটাকে মোবাইল ভেরিফিকেশন বলা হয়। তাতে আপনার যদি কখনো পাসওয়ার্ড চুরি হয়েও থাকে তাও সে আপনার একাউন্টে ঢুকতে পারবে না কারন আপনি দেখতে পারবেন যে: আপনার মোবাইলে সিক্যুরিটি কোড এসছে সেটাও আপনি মনে মনে আওড়াবেন না যদি আপনি সিক্যুরিটি কোড রিকুয়েষ্ট না করে থাকেন, সাথে সাথে ডিলেট করে দেবেন। অনেকেই মনে করেন আপনার ব্যবহৃত ফেসবুক এর ইমেইল এড্রস বা মোবাইল নাম্বার যদি জানা থাকে তাহলে আপনি না জানলেও আপনার একাউন্টে ঢুকে ফরগট পাসওয়ার্ড অপশন মারবে তারপরে আপনার কাছ থেকে শুনে বা জেনে ( কালো যাদু, ব্ল্যাক ম্যাজিক, ঝাড় ফুক, কুফরি কালাম ) করে সেই কোড টা শোনার চেষ্টা করবে এবং আপনাকে বা আপনার সোশাল মিডিয়া একাউন্ট কে হ্যাক করতে চেষ্টা করবে। আপনি যাতে কখনো কুফরী কালাম বা ঝাড় ফুকের স্বীকার না হোন সেজন্য আপনার ব্যবহৃত কাটা নখ, শরীরের যে কোন স্থানের বাল, আপনার থুতু, ঘাম এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিকের সব কিছু এবং ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের বীর্য বা বীর্যরস - সবগুলো কাজ শেষে পারসোনালি একান্তে  ধ্বংস করে ফেলাইতে হবে- সেই সাথে মাথার চুলও।   

ইন্টারনেটে বসে থেকে আপনার যা মনে চায় আপনি তাই করতে পারবেন। এই ধরনের কোন নিষেধাজ্ঞা নাই যে আপনি এইটা করতে পারবেন না বা সেটা করতে পারবেন না। প্রত্যেকের আলাদা আলাদা ইন্টারনেটের জগত থাকবে। একজনের ইন্টারনেটের জগতের সাথে যেনো আরেকজনের ইন্টারনেটের জগতের ম্যাক্সিমাম মিল খুজে পাওয়া না যায়। কারন আপনি আপনার জীবনে যেভাবে চলেছেন বা পড়াশোনা করেছেন তারই প্রতিফলন ঘটবে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারে। এইখানে কোন ক্যাটাগরাইজেশন নাই বা কোন সমাজ ‍ও নাই।  বাস্তব জীবনে হয়তো অনেক মানুষ সমাজকে মেনে চলে বা সমাজে প্রতিভা রাখার চেষ্টা করে। কিন্ত আমি ব্যক্তিগতভাবে সমাজ মানি না বা সমাজে মেনে চলি না। কারন আমি খেয়াল করে দেখেছি এমন কোন খারাপ কাজ নাই যা সমাজে হয় না। তাই বাংলাদেশ আইন কর্তৃক যেটা বৈধ আমি ততোটুকুই মানতে চাই। সমাজ আমি মানতে নারাজ। সমাজের বিরুদ্বে আমার চলাফেরা কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিয়মাবলীর মধ্যে। তাই সমাজবদ্ব হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করার কোন দরকার নাই।আপনি ইন্টারনেটে বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে অসামাজিক কিছু করা থেকে বিরত থাকবেন এবং একা একা আপনার যেটা ভাল লাগবে আপনি সেটাই করবেন।  




ব্লগার ডট কমে আপনি যখন কোন কিছু লেখালেখি করবেন তখণ আপনাকে কেউ কোন টাকা বা পয়সা দেবে না। বাংলাদেশে এখনো এ ধরনের কোন কিছু দেখি নাই বা বাংলাদেশের তথাকথিত ব্রিলিয়ান্ট ছেলে বা মেয়েরা এখনো কোন মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম তৈরী করতে  পারে নাই যেখানে ব্লগ লিখলে আপনি অর্থ পাবেন না। ধরেন: আপনি বাংলাদেশে একটা ব্লগ বানাবেন।এখন আপনি সারা দেশের ছেলে বা মেয়েদের কাছে লেখা আহবান করলেন। আপনি তাদেরকে প্রতি ১০০ শব্দ বা ৫০০ শব্দের জন্য পেমেন্ট দিবেন। তারা যার যার অবস্থঅনে বসে থেকে টাকার লোভে যে কোন কিছু লিখে দিলো এবং সেটা এম এস ওয়ার্ড ফরম্যাটে আপনাকে দিলো। ইমেইল করে দিলো বা পেন ড্রাইভে দিলো। আপনি সেগুলোকে একসাথে করে ব্লগে পোষ্ট দিলো। ব্লগে আপনি ড্রাফটও  করে রাখতে পারবেন একসাথে অনেক পোষ্ট। আপনি কোন কাংখিত সময়ে বা কোন নির্দিষ্ট সমযে বা কারো কাজ করে দেয়ার তাকলে সেই কাজের সময়ে আপনি একসাথে সব ব্লগ পোষ্ট করে দিতে পারবেন। এই জন্য যাদেরকে আপনি ব্লগ পোষ্ট লিখতে বলেছেন তাদের কে আপনি বিকাশে বা রকেটে বা চাইলে ক্যাশ টাকা দিয়েও পেমেন্ট করতে পারবেন।  তখন তারা বলতে পারে: ব্লগ লিখলে টাকা পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশে ব্লগ লিখলে কোন টাকা পয়সা দেয়া হয় না যদি সেটা ব্লগার ডট কমে লিখা হয়- ব্লগার ডট কম নিজে আপনাকে কোন টাকা বা পয়সা দেবে না। ব্লগার ডট কম আপনাকে বলবে যে: আপনার লেখা যদি খুব ভালো ভিজিট হয় আর যদি আপনার ব।লগের লেখাগুলো মনিটাইজেশন করা যায় তাহলে আপনি গুগলের এডসেন্স ব্যভহার করতে পারবেণ। আপনরা ব্লগ যদি পপুলার হয় আর সেখানে যদি আপনি মনিটাইজেশন এপ্লাই করেন তাহলে মাস শেষে গুগলের মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম আপনাকে ১০০ ডলার হলে সেই ১০০ ডলার উইথড্র করার সুযোগ দিবে।  কিন্তু ব্লগার ডট কম আপনাকে কোন টাকা দেবে না। 




এইখানে ব্লগার ডট কমে বাম দিকে যে আর্নিং অপশন আছে সেখান থেকে আপনি আপনার লেখাকে মনিটাইজশেন করে ডলার উপার্জন করতে পারবেন। সেই ডলার বাংলাদেমে আপনার কাচে ক্যাশ টাকা হিসাবে আসবে যেখান বাংলাদেশ সরকারের রেমিটেন্স এড হবে আর আপনার ব্যাংখ ব্যালান্সে টাকা এড হবে। ব্লগে আপনি যা মনে চায় তাই করতে পারবেন। 

  1. ছবি এড করতে পারবেন যদি আপনি ভালো ফটোগ্রাফার হয়ে থাকেন।
  2. আনলিমিটেড ভিডিও এড করতে পারবেন যদি আপনি ভিডিও মেকার হোন এবং এডসেন্স রাখতে চান। শুধূমাত্র ব্লগের জন্য ভিডিও আপলোড করলেন আর ভিডিও এর চারপাশে মনিটাইজেশন এড করে দিলেন। 
  3. যতো মনে চায় ততো আপনি লিখতে পারবেন/ছবি আপলোড করতে পারবেন বা ভিডিও আপলোড করতে পারবেন কারন এইখানে হোস্টিং টা আনলিমিটেড। 
ব্লগে যদি আপনি এডসেন্স মনিটা্িজেশন আনেন তাহলে আপনি ১০০% রেভিনূই পাবেন। আর ইউটিউবে যদি আপনি রিভিনিউ জেনারেট করতে যান তাহলে সেটা ৩৫% আপনার কাছে আসবে -মানে আগে আসতো এখন আর আসে না। যেহেতু ইউটিউব রেভিন্যু শেয়ার প্রোগ্রাম - সেহেতু আপনি যা উপার্জন করবেন তার ৫০% ইউটিউব নিয়ে যাবে। আর বাংলাদেশ সরকার নেবে ১৫%। তাহলে আপনার কাছে থাকলো অনলি ৩৫%। ১০০ ডরার উপার্জন করলে আপনি পাবেন ৩৫ ডলার। আর ব্লগে যদি আপনি এডসেন্স এড করেন তাহলে আপনি পাবেন ১০০% ই। আপনার কাছ থেকে এডস্নেস কোন % চাইবে না এবং বাংলাদেশ সরকারও কোন % চাইবে না কারন আপনি বাংলাদেশ সরকারকে দিতাছেন রেমিটেন্স।   প্রোগ্রামের নাম যদি হয় ইউটিউব রেভিন্যু শেয়ার প্রোগ্রাম সেটা নিশ্চয়ই বাংলাদেমে রেমিটেন্স হিসাবে আসবে না - সেটা ব্যাংখ টু ভ্যাংখ রেভিন্যু হিসাবেই আসতে পারে বোধ করি। আগে আসতো- এখন বাংলাদেশ তেক অফ করে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেমের বেশীর ভাগ মানুস েএমবি কিনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বলে ভিডিও দেখার চেয়ে পড়তে ভালোবাসে। আর যারা এডসেন্স রেমিটেন্স মেকার তারা লিখতে যেমন ভালোবাসে তেমনি পড়তেও ভালোবাসে। আর হয়তো আমার এই পুরো লেখাটা পড়তে আপনার ১ এম বি (১ মেগাবাইট) খরচ হইতে পারে আর ভিডিও দেখতে গেলে আপনার এতোক্ষনে ১ গিগা বাইট বের হয়ে যাইতো। নূন্যতম আপনার ব্লগে ২০০০০ ভিজিটর হলে আপনি মনিটাইজেশনরে জন্য আবেদন করতে পারেন। মনিটাইজেশনে আবেদন করা একদম ফ্রি- আপনাকে ১ টাকাও খরচ করতে হবে না বা ১ ডলারও খরচ করতে হবে না। তবে প্রকাশ থাকে যে- আনপার লেখা বা চবি বা ভিডিও যেনো ইউনিক হয়- সেখানে যেনো কপিরাইট এর ব্যাপারটা লেখা থাকে। যেমন : ছবিতে বা যে ভিডিও আপনি আপলোড করবেন সে  গুলোতে যেনো কপিরাইট লেখা থাকে যেমন : ওয়াটার মার্ক। 


masudbcl.blogspot.com- একটা ডোমেইনে যদি ২টা ডট থাকে মানে ১ টা কিওয়ার্ড যদি বেশী থাকে তাহলে সেটাকে সাব ডোমেইন বলে। যেমন: এইখানে masudbcl একটা কিওয়ার্ড এবং blogspot আরো একটা কি ওয়ার্ড। ২ টা কি ওয়ার্ড মিলে একটা ডোমেইন তৈরী হওয়াতে এইটাকে সাব ডোমেইন বলে। এই সাব ডোমেইন পাওয়া একদম ফ্রি ব্লগার ডট কমে। আপনি রেজিষ্ট্রশন করার সাথে সাথেই আপনি একটা ফ্রি সাব ডোমেইন পাবনে। একটা ব্লগে আপনি প্রায় ৯৯ টা সাব ডোমেইন বানাতে পারবেন। এইখানে আপনি উপরে দেখবেন আরো একটি ব্যাপারআছে কাস্টম ডোমেইন। এই কাষ্টম ডোমেইন যদি আপনি সেটআপ করেন তাহলে আপনাকে ডোমেইন কেনার জন্য একস্ট্রা টাকা খরচ করতে হতে পারে। এছাড়া ব্লগার ডট কেম কাজ শুরু করতে কোন খরচ নাই। আপনি নীচের ইউটিউব ভিডিও টা পুরোপুরি দেখতে পাররে আপনি অনেক কিছুই  বুঝতে পারবেন। ব্লগস্পট সাব ডোমেইন নিয়েও আপনি এডসেন্স মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেণ। কিভাবে মনিটাইজেশনের জণ্য আবেদন করবেন তা একদিন আপনাকে দেখাইয়া দেয়া হবে ডিটেইলস।  


তাহলে আশা করি বুঝতে পারছেন যে-  ব্লগ করে ডলার বা টাকা উপার্জন করতে ১ টাকাও লাগে না। আর ব্লগ শুরু করতেও এক টাাকা ও লাগে না। ব্লগারদের হোষ্টিং আনলিমিটেড। আমেরিকান কোম্পানী ব্লগার তাদের ব্যবহারকারীদের ফ্রি সাব ডোমেইন দেয় এবং ফ্রি হোস্টিং সুবিধা দেয়। অনেকে আছে বাংলাদেশী ডোমেইন এবং হোষ্টিং ব্যবহার করে সেখানে তাদের নিজস্ব ফোরাম বা ব্লগ ওপেন করেছে এবং সেখানে তাার সবাইকে লেকার সুযোগ দিতাছে। সেখানে অনেকেই আছে অল্প টাকার বিনিময়ে - একেবারে নাম মাত্র মূল্যে লিখতাছে- অল্প কিছু টাকা বা পয়সা যারা ব্লগ বা ফোরামের মারিক তারা তাদের ব্যবহারকারীদেরকে দিতাছে কিন্তু তাদের কাছ তেকে তুলে নিতাছে বিপুল অংকের এডসেন্স রেমিটেন্স। আসলে নিয়মটা এরকম না- নিয়মটা ছিলো এডসেন্স রেভিন্যু শেয়ারের ও একটা পদ্বতি আছে। সেখানে একটা ফোরাম তাকেব এবং যার যার এডসেন্স  আইডি কে সেই ব্লগের সাথে এড করবে তারপরে তারা লেখালেখি করবে এবং সেই সাথে রেভিনিউ টা শেয়ার করবে যা যার যার এডস্নেস একাউন্টে এড হবে এবং সবাই যার যার রেমিটেন্স যার যার পারসোনার ব্যাংক একাউন্টে উইথড্র করবে। কিন্তু ঠকাঠকির ব্যবসায় বাংলাদেশে পোলাপান দেরকে গোল কাওয়াইয়া দিতাছে ানেক ধরনের ওয়েবসাইট। তারা শুধূ তাদের ইউজারদের কে েইনটেনশনালি সমানে ক্লিক করাইয়া যাইতাছে আর অল্প কিছু টাকা পয়সা দিতাছে। এ ধরনের কাজ কারবার করে বাংলাদেশের সহজ সরল ছেলে পেলেদেরকে না ঠকানো ভারো। আর যদি না ঠকান তাহলে মিনিমাম ৩০% রেভিনিউ আপনার ব্যবহারকারীদের সাথে শেয়ার করা উচিত।  



শুধুমাত্র এডসেন্স দিয়েই মনিটাইজ করতে পারবেন- ব্যাপারটা সেরকম না। আপনি চাইলে আরো অন্যান্য অনেক মনিটাইজেশন কোম্পানী আছে তাদের কে দিয়েও আপনার ব্লগ মনিটাইজেশণ করাতে পারবেন। সবচেয়ে বড় ভ্যাপার আপনার ব্লগে রেগুলার লেখা এবং ব্লগে রেগুলার ভিজিটর আনার জন্য হোয়াইট হ্যাট এসইও করা। আপনি প্রথমাবস্থায় নরমালি শুরু করতে পারেন- প্রায় দিনই লিখতে পারেন এবং প্রায়দিনই আপনি আপনার ব্লগপোষ্ট গুলো সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারেন। আপনি আপনার একটা জিমেইল একাউন্ট দিয়ে মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সেই একটা জিমেইল দিয়ে আপনি ৯৯ টা ব।লগস্পট ব্লগ ওপেন করতে পারবেন। সবগুলোতে আপনি একটা নতুন বিষয় নিয়ে রিখতে পারেন। আপনি চাইলে একসাথে ৭টা ব্লগেও মনিটাইজেশন করতে পারবেন - যেটা দিয়ে আপনি প্রথম শুরু করেছেন সেটা দিয়েই আপনি এডসেন্সের জন্য আবেদন করবেন। এপ্রুভাল হবার পরে আপনি সবগুলোতে বামে ধেখানো আর্নি ং মেথডটা এড করে নিবের। আপনরা ব্লগে আপনি কাউকে আপনার এড ক্লিক করতে বলবেন না। তাহলে আপানর একাউন্টে সমস্যা হতে পারে। আপনার জিমেইলের কোন ক্ষতি হবে না, আপনার ব্লগের ও কোন ক্ষতি হবে না কিন্তু আপনার এডসেন্সের ক্ষতি হতে পারে। এডসেন্স ছাড়া আর কি কি মেথডে ব্লগ মনিটাইজেশন করা যায় সেটা আপনাকে পরবর্তীতে অন্য আরেকটি পোষ্ট দ্বারা দেখানো হবে। 

১৯৯৮ সালে তৈরী হয় ব্লগার প্লাটফর্ম- আর সারা দুনিয়াতে এইটা ওপেন হয় ২০০৬ সালে। আমি ২০০৬ সালে ব্লগারদের একটা সম্মেলনে ওয়েব ক্যামেরার মাধ্যমে ইন্টারনেটে উপস্থিত ছিলাম। সবচেয়ে বেশী ফ্যাসিলিটজ সম্পন্ন ইন্টারনেট ওয়েবসাইট এটি। আনলিমিটেড হোষ্টিং কেউ দেয় না সাধারনত। আশা করি এই সুবিধাটি চিরকাল থাকবে। প্রথমে আরো অন্যান্য ইমেইল এড্রস দিয়ে ব্লগার বা ইউটিউব একাউন্ট ওপেন করা যাইতো কিন্তু এখন বাংলাদেশ থেকে শুধু জিমেইল দ্বারা ওপেন করা যায়। ব্লগার ডট কমের সাথে আর এস এস ফিড আছে যা সারা বিশ্বের রিডার দের জন্য বিরাট একটা সুযোগ। আপনার প্রোফাইল তৈরী করার সুযোগ আছে যেখানে অন্যান্য ব্লগার রা দেখতে পারবে যে আপনার আরো কি কি ব্লগার  ওয়েবসাইট আছে। অনেক ডিটেইলস জানতে পারবেন আপনি একজন ব্লগার ইউজার দের ব্যাপারে। পৃথিবীতে প্রত্যেকেই কিছূ না কিছু লিখতে পছন্দ করে যেমন: কেউ কবিতা , কেউ গল্প বা কেউ ছোট গল্প। আপনি চাইলে ছদ্মনামেও লিখতে পারেন এইখানে আপনার ইমেইলের অল ডিটেইলস ঠিক রেখে।  





আমরা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কাররা ডলারের ক্ষধাতে ভুগি- টাকার ক্ষুধাতে ভুগি না। কারন ডলার কে ক্যাশ টাকা করে সরকারকে রেমিটেন্স বা রেভিনিউ দিয়ে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় নিজের অবস্থানকে হাইলাইট করে বেচে থাকতে অভ্যস্ত জয় বাংলার ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং  ওয়ার্কাররা। আমি আমার ১৮ বছরের (পার্ট টাইম ২০০২-২০১১) এবং ফুল টাইম (২০১১- এখণ পর্যন্ত) ইন্টারনেট জীবনে কখনো টাকার পেছনে দৌড়াই নাই। মিরপুরে ১ নম্বরে একটা কোম্পানী ছিলো ২০০৬/২০০৭ এর দিকে- নাম মেকটাকা। এখন আর নাই। পে ফ্রেন্ডশীপের মতো একটা সিরিয়াল যেখানে আমি ৫০০ টাকা দিয়ে ১৫০০ টাকা পেয়েছিলাম তাও এস এ পরিবহেনর মাধ্যমে। ২০০৬ সালে কারওয়ান বাজারে বেসিসের বিল্ডিং এর ৫/৬ তালাতে উপরে ফরনিক্স সফটে আমি এবং আমার এক মেয়ে বন্ধু মিলে প্রায় ১১০০০ টাকা উপার্জন করি ( ছেলেদের জন্য ছিলো প্রাইজ বন্ড আর মেয়েদের জন্য ছিলো প্রাইজ বন্ড +মেয়েদের প্রোডাক্ট)। তো আমার সেই মেয়ে বন্ধু পায় ১০,০০০ টাকা এবং আমি পাই ১০০০ টাকার প্রাইজবন্ড। সেই ফরনিক্স সফটের বড় ভাই রা ই তৈরী করেছে বর্তমানের পেপালবিডি বা পেমেন্টবিডি। তাদের একটা ব্লগ ছিলো যেখানে নতুন ব্লগ পোষ্ট করা যাইতো এবং রি ব্লগ করা যাইতো। সেখানে এডসেন্স এড করা ছিলো। আমরা সারা দেশের ছেলে বা মেয়েরা প্রতিযোগিতা করে সারা রাত ব্লগিং এবং রি ব্লগিং করতাম। আর সেভাবেই যে সবচেয়ে বেশী ব্লগ পোষ্ট করতো সে সেইদিনের উইনার হতো (কন্টেষ্ট ব্লগার)। সেই ১০০০০+১০০০ টাকার পুরস্কার আমার এক মেয়ে বন্ধুকে দিয়ে রিসিভ করিয়েছিলাম। সে খুব খূশী হয়ে বলেছিলো- তার বোধ হয় লাইফ টাইম আর মেয়েলি প্রোডাক্ট কিনতে হবে না- হয়তো মজা করে বলেছিলো। এই হইতাছে ব্লগ করলে প্রাইজবন্ড/টাকা পাবার  কাহিণী।যখন কারো সাথে শেয়ার করেছি তখন তারা বলেছে বা বলেছিলো তার মানে ব্লগ করলে টাকা দেয়? আমি প্রত্যুত্তরে বলেছিলাম- প্রাইজবন্ড দেয় এবং সেটা আবার পোষ্ট অফিসে যাইয়া ভাংগাইতে হয়।  তবে তারা কোন টাকা দেয় নাই। আর সদ্য পেমেন্টবিডি তে দুইজনকে রেফার করে ২০+২০ =৪০ টাকা উপার্জন করেছি। এছাড়া বাকী সবসময় শুধূ ডলার (রেমিটেন্স+রেভিনিউ ই) উপার্জন করেছি, করে যাইতাছি- শুকরিয়া। 

নোট: ব্লগারদের সব পোষ্ট অটোমেটিক ব্লগার কপিরাইট আইনে সিক্ত। যদি কখনো কনো লেবা কপি করেন বা পোষ্ট করেন তাহলে আমার নাম এবং আমার ওয়েবসাইট এড্রস উল্লেখ করে দেবেন। 














Friday, October 23, 2020

কম্পিউটারে বা ইন্টারনেটে স্ক্রিনশট এবং স্ক্রিনশট বলতে কি বোঝেন?

সব কিছুর একটা উল্টা মিনিং করা বাংলাদেশের এক শ্রেনীর লোকের কাজ। স্ক্রিনশট জিনিসটার ও একটা উল্টা মিনিং করেছে কিছু দুই নাম্বার লোকজন। আসলে স্ক্রিনশট ব্যাপারটা এখন ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতের লোকজন ছাড়াও যে কেউ সেটা প্রমান হিসাবে ব্যবহার করে। এমনকি বর্তমান জমানাতে যদি কেউ কোন ঝামেলাতে পড়ে কোথাও টাকা পয়সার লেনাদেনাতে বা কেউ যদি সোশাল মিডিয়াতে কাউকে খারাপ পরিস্থিতির স্বীকার হয় তাহলে তার প্রমান সাবমিট করার জন্য খুব জনপ্রিয় একটি প্রক্রিয়া। তবে কিনা শুধু অপরাধ যেখানে সংঘটিত হয়েছে সেখানকার স্ক্রিনশট দিলে লাভ নাই। একটি অপরাধ সংঘটিত হতে দুই পক্ষেরই সমান সহযোগিতা লাগে ইন্টারনেটে। একজন আপনাকে একটা বাজে ম্যাসেজ দিলো আপনি তাকে কিছুটা বাজাইয়া দেখলেন- এইখানেই আপন অপরাধীকে প্রশ্রয় দিয়ে দিলেন কারন আপনি তাকে পরীক্ষা করতে গেছিলেন বা বাজাইয়া দেখতে চেয়েছিলেন। যখন আপনার মন মতো হয় নাই তখনি আপনি তাকে স্ক্রিনশটের ঝামেলাতে ফেলে দিলেণ। তবে বর্তমানে এতো পরিমান অপরাধ সংঘটিত হইতাছে যে- স্ক্রিনশটের কোন ভ্যালু তেমন দেখা যাইতাছে না। এইটা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর একটা ফাংশন যা ফ্রি ল্যান্সার রা তাদের ক্লায়েন্টদের কে দিয়ে থাকে সবসময়।

হাতের মোবাইলের ডান দিকে বা নীচে বা একেক মোবাইলের একেক দিকে স্ক্রিনশট নেবার উপায় থাকে। আমি ব্যবহার করি গ্যালাক্সি এ ১০। সেটার রাইট সাইডে স্ক্রিনশট নেবার অপশন আছে। সাধারনত দুইটা বাটনে একসাথে প্রেস করে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়। সোশাল মিডিয়া তে বা ইন্টারনেটে যে কোন কিছু প্রমান হিসাবে রাখার জন্য যে ইমেজ তৈরী করা হয় মোবাইলের এক বা দুইটা বাটনের সাহায্যে সেটাকে স্ক্রিনশট বলা হয়। আর যদি সেটাকে আপনি ভিডিও রেকর্ডিং করে রাখেন সেটাকে স্ক্রিন ভিডিও রেকর্ডিং বলে। ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার রা আমরা প্রচুর পরিমানে স্ক্রিনশট ব্যবহার করে থাকি স্ক্রিন রেকর্ডিং করার জন্য। ধরতে পারেন বছরে ১ লাখ স্ত্রিনশটও নিতে হতে পারে। সেজন্য আমরা প্রচুর পরিমানে টুলস বা ইন্টারনেট টুলস বা প্লাগ ইন ব্যবহার করে থাকি। নীচে একদিনে আমার নেয়া কিছু স্ক্রিনশটের প্রমান দেখানো হলো। 






এখন যারা কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে বা এন্ড্রয়েড টাচ ফোন ব্যবহার করে তারা সকলেই এই স্ক্রিনশট পদ্বতি গ্রহন করে থাকে। এই  স্ক্রিনশট পদ্বতির জন্য উপরে যে লাইটশট টুলস এর কথা বলা সেখানে এইটার গুগল ক্রোম পদ্বতিও আছে। গুগলের প্লাগ ইন আছে। 



রিসেন্টলি ফিভার মার্কেটপ্লেসে একটা কাজ করলাম যেখানে শুধু স্ক্রিনশটের মাধ্যমে ই কাজটা কমপ্লিট হলো।  সারা দিন যতো নতুন নতুন বিগিনারদের সাথে কথা হয় তাদের সাথে সমস্যা সমাধানের জন্য এই স্ক্রিনশটের বিরাট চাহিদা বা ডিমান্ড। কেউ যদি ইন্টারনেটে স্ক্রিনশট না নিতে পারে তাহলে তাকে ইন্টারনেটে ক্ষ্যাত ভাবা হয়। কোন কিছু যখন ইন্টারনেটে সহজে একজন আরেকজনকে ম্যাসেজ আকারে না দেয়া যায় তখন এই স্ক্রিনশট পদ্বতি ব্যবহার করা হয়। যেমন ধরেন : আমার ওয়েবসাইট   masudbcl.com কে ইন্টারনেট ম্যাসেন্জারে দেয়া যায় না। এখণ আপনি আপনার নিকটস্থ কোন বন্ধুকে দিতে চাইতাছেন আমার ওয়েবসাইট এড্রেস টা। তখন আপনি তাকে আমার ওয়েবসাইটের একটা স্ক্রিনশট দিয়ে দিলেন। 







অনেক সময় অনেক ব্লগ ওয়েবসাইট কে ফেসবুক বিনা কারনে ব্লক করে দেয়- বলে দেয় যে কমুনিটি ষ্ট্রান্ডার্ড এর কথা বলে।  একটা ব্লগ এড্রস কিভাবে ফেসবুক কম্যুনিটি ব্রেক করে? বাংলাদেশে কি ফেসবুকের কম্যুনিটি আছে? আর একটা কম্যুনিটি বললেই কি ফেসবুক ডট কম তাদের পোষ্টে বা পেজে বা গ্রপে বা মেসেন্জারে একটা ব্লগ এড্রস কে ব্লক করে দিবে। ্পরের স্ক্রিনশট গুলো খেয়াল করে দেখেন যে: এইটা কি বাংলাদেশে অবস্থিত কোন কম্যুনিটির রিপোর্টিং এর কারনে হয়েছে? বাংলাদেশে লাখো লাখো ছেলে পেলে দের ব্লগ এড্রস কে ফেসবুক কম্যুনিটি ষ্টান্ডার্ড এর কথা বলে ব্লক করে দিতাছে কিন্তু ফেসবুকে আজকাল অনেক মেয়ে উলংগ হয়ে ক্যামেরা সেক্সের প্রস্তাব দিতাছে সেখানে কম্যুনিটি স্টান্ডার্ড ভংগ হইতাছে না। সেখানে কি কম্যুনিটি রক্ষা হইতাছে? 




যারা এই ধরনের কাজ করতাছে তারা হয়তো জেনে বা না জেনে বুঝে বা না বুঝে সেই কাজ করতাছে। যতোক্ষন এই ব্যাপারে আইন প্রয়োগ না হবে ততোক্ষন এই ধরনের কাজ চলতে থাকবে। যখন এই ব্যাপারে কঠোর আইন হবে তখন ব্যাপারটা সকলের নজরে আসবে এবং দিনে দিনে ব্যাপারটা কমবে। এইখানে ফেসবুকের ভ্যালূ কমতাছে। ফেসবুকে এডাল্ট রিলেটেড কোন কিছুকে এলাও করা হয় না। সেখানে ফেসবুক যদি হঠাৎ করে বাংলাদেশের কম্যুনিটির বিরুদ্বে মামলা করে দেয় তাহলে কি করবেন? যারা বাংলাদেশের আইপি তে বসবাস করে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফেসুবক কম্যুনিটি গড়ে তুলেছে ইন্টারনেটে রিপোর্ট দেবার কথা বলে তাদের কি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র বা বাংলাদেশের পাসপোর্ট দ্বারা ফেসবুক একাউন্ট ভেরিফাইড করা আছে নাকি অন্য কোনে দেশের আইডি ব্যবহার করে নিজেকে ভেরিফায়েড করে জেনে বা না জেনে মনে চাইলে বা না চাইলে যে কোন সময় যে কোন ব্লগের এড্রস কে ফেসবুকে রিপোর্ট করতাছেন তার কারন কি? জানেন তো কে কখন কোন জায়গা থেকে কোন ডিভাইস ব্যবহার করে কোন ফিংগারপ্রিন্টের মাধ্যমে কোন আইডি বা ব্লগের এড্রস ফেসবুকে প্রকাশের ব্যাপারে অযথা রিপোর্ট করতাছেন তা ফেসবুকের ডাটাবেজ সার্ভারে জমা আছে। চাইলে ভবিষ্যতে খুজেও নেয়া যাবে যখন তারা আরো বেশী তাদের সুযোগ সুবিধা ওপেন করবে। অযথাই কারো বিরুদ্বে রিপোর্ট করা এক ধরনের হ্যারাজমেন্ট। আর ইন্টারনেটে ক্রমাগত হ্যারাজমেন্ট করতে থাকলে তার জন্য শাস্তি ভোগ করতে হবে। কোন কোন ওয়েবসাইট ফেসবুকের জন্য ভালো হবে না তা নির্ধারন করবে দেশের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ে/ফেসবুকে কর্মরত কর্মকর্তাগন। ইদানিং কালে ফেসবুক কমুনিটির রিপোটিং এর কারনে কোন ধরনের ব্লগ এড্রস ফেসবুকে পাবলিশ করা যায় না- ভাবখানা এমন যেনো বাংলাদেশের কম্যুনিটি একেবারে ফেসবুকের মালিক হয়ে গেছে। 

আর ফেসবুকই বা কেমন- কোথাকার কিছূ পাগল ছাগল কবে না কবে কোথায় না কোথায় বসে দেশবিরোধী বা ধর্ম বিরোধী কিছু কথা বার্তা লিখেছে যা গুগল তথ্য প্রমান রেখে সেই ব্লগ কে ডিলেট করে দিয়েছে (ইন্টারনেটে প্রকাশ হওয়া সেই ব্লগে সাথে সাথে আমরা সারা বিশ্বের বাংগালী কম্যুনিটির ছেলে বা মেয়েরা রিপোটিং করে বন্ধ করেছি।যতোক্ষন বন্ধ না হয় ততোক্ষন রিপোর্টি করেছি ) তার কারনে আজো কম্যুনিটি রিপোর্টিং এর কথা বলে অনেক অনেক ব্লগ এড্রস কে ব্লক করে দিতাছে। কে কখনে কোন খান থেকে কোন ডিভাইস ব্যবহার করে কোন ইন্টারনেটে বসে থেকে ব্লগার ডট কম ওপেন করতাছে তা তো গুগল ইনকরপোরেশন জানে। কবে একদল লোক ২০১৩ সালে শাহবাগ গনজাগরন কে ভন্ডুল করার জন্য (গনজাগরন তো জমেছিলো জয় বাংলা বলে দেশবিরোধীদের ফাসি দেবার জন্য- সেখানে) পরিকল্পিতভাবে ধর্মবিরোধী ব্লগ পাবলিশ করার কারন কি? গনজাগরন তো কোন ধর্ম বিষযক (হেফাজতের শাপলা চত্বরের গনজাগরন ছিলো ধর্মবিষয়ক গনজাগরন যা সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছে। হেফাজতের গনআন্দোলনের একটি ফসল আজকে- হাই কোর্টের রায় অনুযায়ী  বাংলাদেশ মুসলিম দেশ।) জাগরন ছিলো না, গনজাগরন ছিলো জয় বাংলা [ জয় বাংলা বলতে পারে এরকম লোকজনদের মহাজাগরন] গনজাগরন। গনজাগরন তো জয় বাংলা বলে দেশপ্রেম প্রমান  করে ছেড়েছে তাহলে সেখানকার নিয়মিত ফ্রি ল্যান্সার ব্লগার রা নাস্তিক হলো (মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াইয়া দেয়া কে বলতাছি। থানা শাহবাগে নূন্যতম ১৫ লক্ষ লোক আইসা জয় বাংলা বলেছিলো কিন্তু সেখানকার মানুষদেরকে বিভিন্ন ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয় নাস্তিক ব্লগারদের সম্মেলনে বলে- অথচ শাহবাগ গনজাগরনরে অংশগ্রহনরত বেশীর ভাগ ভাই বোন জানতোই না ব্লগার কাকে বলে) কি করে- নাস্তিক তো বলা হয় তাকে যার ঈমান নাই বা যে কিনা ঈমানের ৭০ টা শাখার মধ্যে কোন শাখায় বিচরন না করে। দেশপ্রেম ঈমানের অংগ এবং ৭০ টা স্তরের মধ্যে একটি। জয় বাংলা বলতে পারা বাংলাদেশের জন্য দেশপ্রেম।

 

জয় বাংলা বলেই মুক্তিকামী বাংগালী মুক্তিযুদ্বে ঝাপিয়ে পড়েছিলো এবং এর চেয়ে বড় দেশপ্রেম তো মনে হয় এই বাংলায় আর নাই। কতো মানুষ জয় বাংলা বলে তাদের প্রান দিয়ে গেছে তার তো কোন হিসাব নাই।পরিকল্পিতভাবে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে ধর্ম বিরোধী (সৃষ্টিকর্তা আমাদের মাফ করুক) ব্লগ লিখে সারা দেশে মিথ্যা প্রেপাগান্ডা তৈরী করেছে তার জন্য আজো কি সকল শ্রেনীর ব্লগ লেখক ** দের কি শাস্তি পাইতে হবে নাকি?  যারা লিখেছে ধর্ম বিরোধী (সৃষ্টিকর্তা আমাদের মাফ করুক) তাদের কে হেফাজত ফাসির কথা বলেছে , যারা লেখে নাই তারা তো কোন দোষ করে নাই- যারা লেখেছিলো তাদের কে ধরে শাস্তির আওতায় আনেন। কোন একটা ব্লগ এড্র্রস ফেসবুকের পোষ্টে বা ফিডে পোষ্ট করা যায় না। সাথে সাথে কম্যুনিটি রিপোর্টিং মারে। যারা রিপোর্টিং করতাছে তাদের ফেসবুক আইডি কি বাংলাদেশী ভেরিফায়েড- ভেতরের কাজগপত্র কি বাংলাদেশী না কি অন্য কোন দেশী ? এইখানে ফেসবুক একটা বড় ধরনের ভুল করতাছে কারন ফেসবুকের যারা বন্ধু তাদেরকে রিডার বানারো জন্য ব্লগারদের ফেসবুকে নিউজ ফিডে প্রকাশ করার ছাড়া ভালো ধরনের ভিজিটর জেনারেট করা যায় না। অবিলম্বে বিষয়টা দেশের সকল শ্রেনীর তথ্য প্রযুক্তিবিদদের নলেজে আনার জন্যে রিুকয়েষ্ট করলাম। এমনিতে নরমালি ইন্টারনেট বাংগালী কোন তথ্য ভিজিট করে দেখতে চায় না। গনজাগরনের বিরুদ্বাচরনকারী শক্তি কোন একটা ওয়েবসাইট পাইলে সেটার স্ক্রিনশট তৈরী করে সাথে সাথে সেটার বিুরদ্বে রিপোর্টিং করা শুরু করে। এমনিতে তো কোন স্ক্রিনশট পাইলে সেটার ওয়েবসাইট ভিজিট করে দেখে না। তারা কি অযাচিত রিপোর্টিং করে টাকা বা পয়সা কামায় নাকি? রিপোর্ট করলে একজন ইন্টারনেট ইউজারের যে কতো ক্ষতি হয় তা মনে হয় আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা জানে না, তাই অযথাই যার তার বিরুদ্বে স্ক্রিনশট পাইলেই রিপোর্ট মারে। এখন থেকে স্ক্রিনশট পাইলেই  অযথা কোন রিপোর্ট মারবেন না - আগে নিজস্ব বিচার বুদ্বি খাটাবেন দয়া করে।

Internet Revolution: Shahbagh Dhaka 2013.



নোট: বাংলাদেশে যাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই (ফরেন এজেন্ট * ছাড়া- যে সকল ফরেনার বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বাংলাদেশে বসবাসের অনুমতি পায়) তারা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না- এই আইন তৈরী করে কার্য কর করা উচিত। 

*ফরেন এজেন্ট বলতে বোঝানো হয় - যারা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট বা বৈধ ভাবে বাংলাদেশে বসবাস করতাছে তাদের  বৈধ ডকুমেন্ট থাকা স্বাপেক্ষে ইন্টারনেট ব্যবহার করা। এক কথায় যে কোন দেশের রিকমেন্ডেড যে কোন সংস্থার এজেন্ট হলেও আপনাকে সেই বৈধ কাগজপত্র প্রদান স্বাপেক্ষে বা শো সাপেক্ষে বাংলাদেশের ভুখন্ডে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। আর যদি তার কাজগপত্র বৈধ না হয় তাহলে সে বাংলাদেশে বসে থেকে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না। (যাদের বয়স ২৩ বছরের ণীচে তাদের কথা ভিন্ন)। আর আপনি যদি অবাধে ইন্টারনেটের সুযোগ দিয়ে রাখেন তাহলে হয়তো দেখা যাবে যারা সুদীর্ঘ দিন যাবত বাংলাদেশে ফরেনার হিসাবে বসবাস করতাছে কিন্তু বাংলাদেশের নাগরিক না বা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহন করে নাই তারা হয়তো বাংলাদেশের ইন্টারনেট কে অবৈধ ভাবে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদে ব্যবহার করতাছে যে কারনে বাংলাদেশে সিকিউরিটি রিস্ক জেনারেট হতে পারে। তাই জাতীয় পরিচয়পত্র বা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ করাটা জরুরী। 


ইন্টারনেট থেকে তৈরী হওয়া থানা শাহবাগের গনজাগরন সারা বিশ্বের জন্য এ্কটি স্ক্রিনশট যা সারা বিশ্বে কালের স্বাক্ষী হয়ে থাকবে। এক খানে শোনা শাহবাগ গনজাগরন থেকে উচ্চারিত প্রত্যেকটা স্লোগান সফল হবে এবং প্রত্যেকটি গনমানুষের যে স্বপ্ন তাও সফল হবে।  গনজাগরনের কোন স্লোগান বা স্বপ্ন বৃথা যাবে না। ইন্টারনেটে বসে থাকা আমাদের মতো ফ্রি ল্যান্সার রা গনজাগরনরে আন্দোলনে উদ্বেলিত হয়েছিলো যাকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট রেভ্যুলশন বলা হয়, একটি শুদ্ব জাগরন বলা হয়. একটি জয় বাংলা গনজাগরন বলা হয়। গনজাগরনের জন্য শুভকামনা। 

**[আমি মো: মাসুদুল হাসান ২০ বছর যাবত ইন্টারনেট ব্যবহার করি। কখনো কোন ভাবে কোন খানে কোন সময়ে কোন অবস্থাতেই ধর্ম বিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী বা দেশ বিরোধী কোন কথা লিখি নাই, বর্তমানেও লিখি না এবং আগামী ভবিষ্যতেও লিখবো না কখনো। আমি মানুষ। আমার জ্ঞান আছে- আমার সেন্স আছে। আমি আমার নিজস্ব ভারসাম্য রক্ষা করে চলি। আমি ও হেফাজতের দাবীর সাথে একমত পোষন করি। আমিও এ দেশে সমস্ত ধরনের ধর্ম বিরোধী লেখক এবং যদি ধর্ম বিরোধী ব্লগ লিখে থাকে তাহলে  ধর্মবিরোধী  ব্লগ লেখক দের ফাসির দাবী জানাই- আজো ৭ বছর পরে ও।] 

স্ক্রিন রেকর্ডিং: যখন আপনাকে কোন কারন বশত আপনার ডেস্কটপ বা মনিটর রেকর্ড করে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আকারে সেভ করতে হয় সেটাকে স্ত্রিন রেকর্ডিং বলে। স্ক্রিন রেকর্ড মেথডে বাংলাদেশের অনেক মার্কেটপ্লেস কাজ করে থাকে যেটাকে টাইম ট্রেকার বা টাইম রেকর্ডার বলে থাকে। একটা সময় ছিলো যখন মার্কেটপ্লেসে এই একটা পদ্বতি ওপেন ছিলো। পরবর্তীতে ফিক্সড প্রাইজ বেজড সেকসান ওপেন হয়। টাইম ট্রেকার ছিলো ওডেস্কে, ইল্যান্সে এবং আরো কিছু মার্কেটপ্লেসে। যখন আপনি ক্লায়েন্ট বা বায়ারের দেয়া কাজ করবেন আপনার মনিটরে তখন ক্লায়েন্ট বা বায়ারের মার্কেটপ্লেস ওয়েব সফটওয়্যারের অপর দিকে বসে থাকবে। সে প্রতি ২ মিনিট বা ৩ মিনিট বা ৫ মিনিট অন্তর অন্তর আপনার সমস্ত কাজের রেকর্ড পাবে বা দেখবে যে আপনি কতোগুলো কাজ করেছেন বা কতোগুলো পেজ ওপেন করেছেন বা কতোগুলো ক্লিক করেছেন- এই টা একটা ডেস্কটপ সফটওয়্যার ওপেন করে করতে হয় যা প্রতিটা টাইম ট্রেকার বেজড মার্কেটপ্লেসে দেয়া থাকে। ফ্রি সফটওয়্যার। ডাউনলোড করতে দেয়া থাকে। আবার আপনি যখন পারসোনাল ক্লায়েন্ট বা বায়ারের সাথে কাজ করবেন তখন আপনি অনেক সময় আপনার ডেস্কটপ বা মনিটর রেকর্ড করে সেগুলো দিয়ে রাখতে পারবেন আপনার ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে। আবার আপনি যদি কাউকে কোন কাজ দেখাতে চান তাহলে আপনি স্ক্রিনে যা করতাছেন তা রেকর্ড করে যে কাউকে দেখাতে পারবেন এবং যখন মনে চায় ডিলেটও করে ফেলতে পারবেন। এইভাবে অনেকেই আমাদের কে আগে কাজ শিখাতো ২০০২-২০১১ পর্যন্ত। যখন কোন বায়ার বা ক্লায়েন্টকে বলতাম কাজের ডিটেইলস দেখাতে তখন তারা তাদের স্ক্রিন রেকর্ড করে কাজ দেখাতো। আমি ও সেই পদ্বতি অনুসরন করে একটি ভিডিও চ্যানেল তৈরী করেছি এবং এখানে হোয়াইট হ্যাট এসই ও রিলেটেড অনেক কাজ আমি দেখাইয়া থাকি এবং এইটা স্ক্রিন রেকর্ডিং বেজড। আপনি চাইলে নীচের স্ক্রিনশটে ক্লিক করে দেখতে পারেন- আজকে পর্যন্ত ৯৯ টি ভিডিও আপলোড করেছি এবং আমার ইচ্ছা আছে ১০০০ ভিডিও আপলোড করবো। 



স্ক্রিনশট বা স্ক্রিনরেকর্ড করে যদি আপনি কোন ভিডিও বানান তাহলে এইটা বেসিকালি আপনার কম্পিউটারে যে ফরম্যাট অটোমেটিক দেয়া থাকে সেটা আপনি সেভ করে রাখতে পারেন এবং যখন মনে চায় আপনি ডিলেট করে দিতে পারেন। আপনার পিসি তে যদি কোন ক্লাউড ড্রাইভ থাকে তাহলে সেটা অটোমেটিক ক্লাউড ড্রাইভে সেভ হয়ে যাবে- যদি আপনি বলে দিয়ে থাকেন যে আপনার কম্পিউটারে যা কিছু আছে তা যদি সে অটোমেটিক আপডেট করে। ক্লাউড ড্রাইভ আপনি ছাড়া অন্য কেউ এক্সেস করতে পারবে না যেমন: গুগল ড্রাইভ বা ওয়ান ড্রাইভ। সেখান থেকে পরে আপনি ম্যানুয়ালি ডিলেট করে দিতে পারবেন বা আপনি নিজে পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন যে কোন কোন ভিডিও আপলোড হয়েছে বা কোন কোন স্ক্রিনশট অটোমেটিক আপলোড হয়েছে। অনেকেই না জেনে বা না বুঝে মোবাইলে দেয়া থাকা সকল অপশন সাইন আপ করে এক্টিভেট করে থাকেন ফলে দেখা যায় আপনার মোবাইল থেকে অযথাই অনেক ইমেজ, স্ক্রিনশট আপলোড হয়ে যায় বা অনেক ভিডিও আপনার সেট আপ করা ওয়ান ড্রাইভ বা গুগল ড্রাইভে আপলোড হয়ে যায় বা আপনার কম্পিউটার থেকে আপলোড হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় আপনি যদি সেই মোবাইল ডিভাইস পরিবর্তন করে থাকেন তখন আপনার ব্যক্তিগত অনেক তথ্য চুরি হয়ে যাইতে পারে। আপনি যদি কোন শয়তান লোকের খপ্পড়ে পড়ে থাকেন তাহলে হয়তো তারা যে কোন উপায়ে আপনার মোবাইল হাত পায় তাহলে এই ধরনের প্রোগ্রাম ওপেন করে দিয়ে থাকতে পারে এবং আপনার একান্ত মূহুর্তে র অনেক ছবি প্রকাশ হয়ে যাইতে পারে। এজণ্য আমি প্রায়শই আমার ক্লাউড ড্রাইভ পরীক্ষা করে থাকি ম্যানুয়ালি সময় নিয়ে এবং যদি কোন সেনসিটিভ ইনফরমেশণ পাই তাহলে ডিলেট করে দেই সাথে সাথে বা যদি কেউ অনুরোধ করে থাকে তাহলেও সেটা ডিলেট করে থাকি। তবে বর্তমান সময়ে যদি কেউ মোবাইল পরিবর্তন করে থাকে তাহলে আগের ডিভাইস টা কাউকে দেয়া ঠিক হবে না কখনো কারন এতে করে অনেক ব্যক্তিগত বা গোপন ইনফরমেশন ওপেন হয়ে যায়  বা হাতছাড়া হয়ে যাইতে পারে।আর পাসওয়ার্ডের ব্যাপারে আপনি A-Z + a-z + 0-9 +!@#$%^&*()   এই কয়েকটা সমন্বয়ে সবসময় পাসওয়ার্ড তৈরী করবেন। এই ধরনের পাসওয়ার্ড হ্যাকররা হ্যাক করতে পারে না। ক্লাউড সার্ভারের পাসওয়ার্ড যদি খুবই ষ্ট্রং হয় তাহলে সেটা কখনোই কেউ হ্যাক  করতে পারবে না। 

আশা করি স্ক্রিনশট এবং স্ক্রিনরেকর্ড  সংক্রান্ত আমার এ লেখা যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনি অন্য কারো সাথে মাষ্ট বি শেয়ার করবেন। শেয়ার না হলে স্ক্রিনশট দিয়ে শেয়ার করবেন আর আগামী লেখা পড়ার আমন্ত্রন রইলো। 

masudbcl : এই ব্লগের সব লেখা আমেরিকান ব্লগার কপিরাইট আইনে সিক্ত। 
 

Thursday, October 22, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে কি বোঝেন?

কোন পন্য বা প্রোডাক্ট কে যখন সারা বিশ্বের সবখানে ছড়িয়ে দেয়া হয় তাকে প্রমোশন বলে। যখন ইন্টারনেট এই বিশ্বে জনপ্রিয়  ছিলো না তখন যে কোন পন্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেবার জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে বিখ্যাত ফ্যাশন মডেল বা অভিনেতা অভিনেত্রীদের সাহায্য নেয়া হতো যাকে বলা হয় ব্রান্ড এম্বাসেডর - এখনো এই পদ্বতি খুব জনপ্রিয়। বিশ্বখ্যাত মডেল ক্যানডিস সোয়ানেপল এখনো আফ্রিকার মাদার টু মাদার অর্গানা্ইজেশনের ব্রান্ড এম্বাসেডর। মাততৃত্বকালীন সময়ে সতর্ক থাকা এবং গর্ভে মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন মডেল এই ব্যাপারে কাজ করে থাকে।  এছাড়াও বাংলাদেশের অনেক ফ্যাশণ মডেল আছে যারা বিভিন্ন পোশাক/ফ্রাশন/প্রসাধনী ব্রান্ডের এম্বাসেডর। তারা সেই সকল ব্রান্ডের প্রমোশেনের জন্য কাজ করে থাকে। কিন্তু ইন্টারনেট আসার পরে ব্রান্ড এম্বাসেডর শব্দটাতে কিছুটা ভাটা পড়ে যায়। ইন্টারনেটে যারা পপুলার তাদেরকে অনেক সময় ব্রান্ড এম্বাসেডরের কাজ করতে হয় এবং সব ক্ষেত্রেই ফ্রি বেশীরভাগ। যেমন : আপনার দ্বারা অনেক অনেক সফটওয়্যার বা পন্য প্রমোশন করানো হইতাছে যা আপনি আপনার বন্ধু, পাড়া, মহল্লা বা পরিচিত সবাইকে বলতাছেন বা বিভিন্ন সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করা হইতাছে। যেমন : ধরেন টিকটক। এইটা একটা চায়নিজ এ্যাপ এই বিশ্বের মধ্যে। চায়না মালে দেশ সয়লাব, পৃথিবীতে যতো পন্য বা প্রোডাক্ট আছে তার সব ডুপ্লিকেট পাবেন আপনি চায়নাতে, আর চাইনিজ যতো মাল আছে তার ডুপ্লিকেট পাবেন আপনি জিন্জিরাতে- এরকম একটা কথা আমাদের সময় থেকে প্রচলিত আছে। 

তো আজকে আমাদের দেশে দেখেন টিকটক ভিডিও নিয়ে কথা উঠেছে, টিকটক থেকে অবৈধ শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন চলতাছে করোনা কালীণ সময়ে < পুল পার্টি চলতাছে যা নিয়ে টিভি প্রতিবেদন ও এসেছে এবং সারা বিশ্বের বিভিন্ন খানে এইটাকে নিষিদ্বও করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনুরোধ করার পরেও আমেরিকার কোন কোম্পানী এই ব্যান্ড টাকে কিনতে রাজী হইতাছে না প্রাথমিক ভাবে যে সকল এ্যাপে টিকটক এর ভিডিও শেয়ার করা যায় তাদের মাঝ খান থেকে কেউ একজন কিনতে পারে বলে ধারনা করা হাইতাছে- অথচ চায়না এই এ্যাপটাকে আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা কোন ধরনের পেমেন্ট ছাড়াই প্রচার করে পপুলার করে তোলার চেষ্টা করতাছে। বাংলাতে( বাংলাদেশ সহ আরো ৭টি অংগরাজ্য) প্রায় ৪১ কোটি মানুষ বসবাস করে- তারা যদি কোন জিনিস এর প্রতি একবার আগ্রহ প্রকাশ করে তা তো পপুলার হবেই। বাংলাদেশে র টিকটক বিজনেস নিয়ে- বা টিকটকের অপব্যবহার নিয়ে হয়তো কয়েকদিন পরে আন্তর্জ াতিক ভাবে রি  রি ও পদে যাইতে পারে কিন্তু তারা আমাদের দেশে কোন ভাবে কোন রেফারেল সিষ্টেম দেয় নাই, কোন রেফারেল বোনাসও নাই, কোন রেফারেল পারেসেন্টেজ ও নাই, কোন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম ও নাই কোন ব্রান্ড এম্বাসেডর ও নাই- ফুদাই পোলাপানের মাথা নষ্ট হয়ে যাবার জোগাড়- ইভেন একুরেটলি ব্যবসাও তারা পাইতাছে না কারন যারা টিকটক ভিডিও বানাইতাছে তাদের সাথে ব্যবহৃত ডিভাইসের মালিকানা বা রেজিষ্ট্রেশনের বা সীম রেজিষ্ট্রেশনের ডাটাও মিলতাছে না আর টিকটকের মাথা খারাপ হয়ে যাবার দশা? কিন্তু এইখানে যদি রেজিষ্ট্রেশন বোনাস বা রেফারেল বোনাস বা রেফারেল % দেয়া থাকতো তাহলে আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা অনেক ব্যবসা বা উপার্জন করতে পারতো- সময়টা কাজে লাগতো। বিনা কারনে ভিডিও বানাইয়া মজা করার মাধ্যমে টিকটক যে সফটওয়্যার বা প্রমোশন চালাইতাছে সেখানেও তাদের আহামরি লাভ হইতাছে কিনা সন্দেহ? 

যে ভিডিও বানাইতাছে তারা ম্যাক্সিমাম বয়স ১৮-২৩ এর নীচে । বাংলাদেশে সম্প্রতি চালূ হয়েছে মোবাইল ডিভাইস ভেরিফিকেশন সিষ্টেম। কারো হাতে মোবাইল থাকলে তাদের সেটা ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। আর তার মাধ্যমে তারা আরো একটা ভেরিফায়েড সিষ্টেম ও পাবে। প্রত্যেকের মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন করার মাধ্যমে তার ভেরিফায়েড মোবাইল এবং ভেরিফায়েড নাম্বার সিষ্টেম যদি থাকে তাহলে তারা যে কোন কানে যে কোন প্রোডাক্ট বা পন্যের জন্য সহজে রেফারেল হতে পারবে। তাকে দিয়ে আপনি যে কোন ধরনের প্রোডাক্ট প্রমোশনও করতে পারবে। আরো অনেক ভিডিও শেয়ারিং সাইট আছে। টিকটকে ভিডিও বানাতে যে পদ্বতি ব্যবহার করতে হয় সেই একই পদ্বতি ব্যবহার করে যদি ইউটিউবেএ ভিডিও আপলোড করা যাইতো তাহলে হয়তো তারা ইউটিউবে ফ্রিডম মনিটাইজেশন পাইলেও যেখান থেকে তাদের ইনকাম হতো। টিকটকে ভিডিও আপলোড করার জন্য বা টিকটকে পপুলার হলে তো আর টিকটক আপনাকে পেমেন্ট দিবে না। আপন যতোক্ষন অনলাইনে আছেন বা সময় কাটাইতাছেন সেটাই টিকটকের লাভ। আর কেউ যদি বলে টিকটক করে টাকা পাওয়া যায় - তাহলে সেখানে নিশ্চিত দুই নম্বর পন্থা আছে। হয়তো কোন সংঘবদ্ব চক্র টিকটকের ইয়াং জেনারেশন প্রজন্ম কে নষ্ট করার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে নথিভুক্ত হবার আগেই তাদের মাথা খারাপ করে দেবার দশা করেছে। টিকটকে তো আর মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম নাই। টিকটকে আছে স্বল্প মাত্রার ভিডিও আপলোড পদ্বতি- যেখানে ভিডিও প্রমোশন করার জন্য অনেক ধরনের পদ্বতি ব্যবহার করা হয়। তাও এইখানে কোন ব্রান্ডের কোন প্রমো পর্যন্ত নাই। টিকটক কোম্পানী এই ধরনের কোন ঘোষনা নাই যে আপনি টিকটকের জন্য ভিডিও তৈরী করে বা টিকটকের জন্য ভিডিও আপলোড করে ডলার উপার্জন করতে পারেন। একজন আরেকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়াকে টাকা উপার্জন বলে না। আপনার সময়ের দাম আছে- আপনি যখন সময় ব্যয় করবেন তখন ভালো কোন প্রোগ্রামের জন্য সমষয় ব্যায় করুন যেখানে সময় ব্যয় করলে বা সেটার জন্য ভিডিও বানালে আপনি একই সাথে পপুলার ও হবেন আবার একইসাথে উপার্জন ও করতে পারবেন। আপনি যদি বলে থাকেন আপনি বড়লোক তারপরেও আপনাকে উপার্জনের চেষ্টাতে থাকতে হবে- নয়তো রাজার ভান্ডার ও ফুরিয়ে যাবে। 

টিকটকের জন্য যেভাবে শুটিং করেছেন ঠিক সেভাবে আপনি ইউটিউবের জন্য শুটিং করে ভিডিও আপলোড করবেন এবং আপনার চ্যানেলে যদি ৫ লক্ষ মিনিট এড হয় তাহলে আপনি ফ্রিডমের মনিটাইজশেন পাবেন। সাথে ৫ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। তারপরে আপনি ফ্রিডম প্রোগ্রাম কে মনিটাইজেশন করবেন সেটা আমি নীচে ভিডিও এর মাধ্যমে দেখাইয়া দেবো। ইউটিউবে চ্যানেল ওপেন করা একদম ফ্রি- ১০০% ফ্রি - এক টাকা বা এক ডলারও লাগবে না। আপনি শুধু মিথ্যা প্রতারিত হবেন না কোথাও। আপনার কাছে বেশী পরিমান টাকা থাকে ওয়াস্টেজ করার মতোন - তাহলে আপনি আমাদের দেশের গরীব মানুষকে যেভাবে পারবেন সেভাবেই অর্থ সাহায্য করবেন। আর ফ্রিডমে যদি আপনি মনিটাইজেশন করেন তাহলে ফ্রিডম প্রোগ্রামে আপনি ইউটিউব রেভিনিউ শেয়ার প্রোগ্রামে যতো উপার্জন করবেন তার ৬০% দিবে এবং ৪০% সে নিয়ে যাবে। এই ধরনের প্রোগ্রাম কে ইউটিউব এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বলে। 

 


আপনি যদি উপরের ব্যানারে ক্লিক করেন তাহলে আপনি ফ্রিডমের ইউটিউব চ্যানেলে প্রবেশর করবেন। তারপরে যদি আপনি তাদের ফুল ভিডিও গুলো দেখেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে কিভাবে কাজ করবেন। আর যদি সরাসরি ইউটিউব চ্যাণেল মনিটাইজেশণ এর জন্য আবেদন করতে চান তাহলে এইখানে ক্লিক করেন: ফ্রিডম মনিটাইজেশন

সাধারনত আমাদের বিশ্বে আপনি যদি কোন ওয়েবসাইটে কাউকে জয়েণ করানোর জন্য কোন % বা বোনাস পান তাহলে তাকে রেফারেল বোনাস বা রেফারেল % বলে থাকে। আর যদি আপনি নিয়মিত প্রোডাক্ট বিক্রি করে কোন ডলার বা উপার্জন পেয়ে থাকেন সেটাকে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বলে থাকে। রেফারেল টা সাধারনত ১ টাইম হয়ে থাকে আর এফিলিয়েট টা লাইফ টাইম হয়ে থাকে। যেমন : ধরেন আপনি একটা ওয়েবসাইটে জয়েন করেছেন। জয়েন করার পরে দেখতে পারলেন যে : ওয়েবসাইট আপনাকে বলতাছে যে - এইখানে যদি তুমি তোমার বন্ধুদের জয়েণ করাতে পারো তাহলে তুমি যতো বন্ধু জয়েন করবে তুমি তোমার বন্ধুর কাছ থেকে রেফালের বোনাস পাবা বা এককালীন জয়েনিং বোনাস পাবেন। জয়েনিং বোনাস মানে আপনার রেফারেল লিংক থেকে যদি কেউ রেজিষ্ট্রেশন করে আর আপনি যদি তার কাছ থেকে বোনাস পেয়ে থাকেন তাহলে সেটাকে রেফারেল বোনাস বলে থাকে।ধরেন আপনি খুব পপুলার : এখন একটা প্রোডাক্ট শপের সাথে আপনার যোগাযোগ হরো। তারা আপনাকে অফার দিলো যে- আপনি তো অনেক পপুলার। আপনার মাধ্যমে আমরা একটা প্রোডাক্ট প্রমোশন করতে চাই। আপনি আপনার পেজে বা প্রোফাইলে আমাদের এই প্রোডাক্টের ছবি পাবলিশ করবেন আর তার সাথে আপনি একটা কোড ও দেবেন। যারা যারা দোকানে আইসা আপনার সেই কোড টা বলবে আমরা তাকে যে কোন পন্যের উপরে ২০% ছাড় দেবোে। এইভাবে যতো লোক আসবে তাদেরকে ২০% ছাড় দেবো আর তারা যা কেনাকাটা করবে তার উপরে আপনাকে ১০% বোনাস দেবো। এই হইতাছে রেফারেল বোনাস বা রেফারেল সিষ্টেম। এইভাবে যদি আপনি নিজেকে পপুলার মনে করেন আর আপনার কাছে বালো কোন পন্য থাকে তাহলে আপনি যে কোন খানে সেই পোডাক্ট প্রমোশন করে উপার্জন করতে পারবেন। আর আপনি যদি ইন্টারনেটে কেনাকাটা করে থাকেন তাহলে আপনি ইন্টারনেটে সেই প্রোডাক্ট প্রমোশন কোড দিবেন আর আপনি ডিসকাউন্টও পেয়ে যাবেন আর পন্যের মালিকের সাথে বা প্রোডাক্ট ষ্টোরের সাথে আপনার যোগাযোগ থাকার কারনে আপনি একটা ছাড় পেয়ে যাবেন সব সময় লাইক সেই ১০%। আর আপনি শুধু সেইখানেই পন্য কেনাকাটা করবেন যেখানে আপনি নিজের জন্য আলাদা ছাড় বের করতে পারবেন। এইটা একটা ব্যবসায়িক টেকনিক- দোকান দার বা ইন্টারনেট প্রোডাক্ট ষ্টোর অনার যদি আপনাকে ছাড় দেয় তাহলে তো আর কিছু বলার নাই কিন্তু রেফারেল বোনাস টা ওয়ান টাইম বোনাস। রেফারেল বোনাস আপনি সারা জীবন পাবেন না। ওয়েবসাইট রেফারেল বোনাস সবসময় পাওয়া যাইতে পারে কিন্তু পোডাক্টের জন্য রেফারেল বোনাস টা একটা মৌসুমের জন্য পাওয়া যায়। 



বাংলাদেশে যতো পরিমান এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে তার মধ্যে এমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রামটা সবচেয়ে পপুলার। এফিলিয়েট প্রোগ্রামের সবেচেয়ে বড় বেনেফিট হলো আপিনি যখন কোন পন্য কে প্রমোশন করবেন বা সঠিক ভাবে এসইও করবেন সেটা  তে আপনি যতো পরিমান সেলস জেনারেট করবেন - যতোবার সেলস হবে ততোবার আপনি ৩% বোনাস পাবেন। এখন আপনি যদি এখানকার কোন পন্য কে সারা বিশ্বের অডিয়েন্সের সামনে প্রমোট করেন তাহলে আপনার অনেক পরিমান ভিজিটর আসবে আর আপনি যদি সেখানে সেলস জেনারেট করতে পারেন তাহলে আপনি যতোবার সেলস জেনারেট করবেন ততোবার পন্যের টোটাল দামের উপরে ৩% বেনিফিট পাবেন। ধরেন: একটা পন্যের দাম আছে ৩০০০ ডলার আপনি ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটে  বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যার  সাথে বা যাদের সাথে মেলামেশা করেন তাদের সামনে আপনি যদি এমাজন এফিলিয়েট প্রোগা্ম এ রেজিষ্ট্রেশন করে  একটা এফিলেয়েট লিংক সবখানে প্রমোশন করেন আর আপনি যদি সেই প্রোডাক্টের উপরে সেলস জেনারেট করে থাকেন তাহলে সেখানে সেলস এর উপরে ৩% (সাধারনত এমাজন ৩% সেলস কমিশন দিয়ে থাকে) কমিশণ পাবেন। ৩০০০ ডলারের ৩% কমিশন হলো: ৯০ ডলার। যে জণ্য আপনি চাইলে ভালো রকমের ব্লগ লিখে ব্লগ মনিটাইজশেন করতে পারেন বা একটা ওয়েবসাইট মেক করে সেখানে এমাজন ষ্টোর সেট আপ করেও সেলস জেনারেট করতে পারেন বা একটা এমাজন এফিলয়েট ষ্টোর তৈরী করে সেখানে আপনি সেলস জেনারেট করে প্রতি মাসে কয়েক হাজার ডলার উপার্জন করতে পারবেন। এমাজন এফিলিয়েট ষ্টোরে জয়েন করাটা একদম ফ্রি। আপনাকে ১ টাকা বা ১ ডলারও দিতে হবে না রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য। তবে আপনি যদি ওয়েবসাইট কিনে প্রোডাক্ট প্রমোশন করেন তাহলে আপনাকে ওয়েবসাইটের ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন এর দাম, ওয়েবসাইটে হোস্টিং এর দাম, ওয়েবসাইটে যে টেমপ্লেট আছে সেটার দাম এবং ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট ডাটা এন্ট্রি সেটার জন ্যহয়তো বা আপনাকে খরচ করতে হবে। তবে এমাজন প্রোডাক্ট প্রমোশন করার জণ্য আপনাকে এমাজন রিলেটেড টেমপ্লেট চয়েজ করতে হবে। তবেই আপনি ভালো রেজাল্ট পাবেন। আপনাকে সাথে ভালো মানের হোয়াইট হ্যাট এসইও ও শিখতে হবে। সেই ক্ষেত্রে যারা আন্তর্জাতিক ভাবে এসইও মাষ্টার তাদের ইউটিউব ভিডিও দেখে যাদ আপনি এসইও শিখেন তাহলে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ অনেক ভালো করতে পারবেন। দরকার ষ্টাডি, ব্রেইন এবং চেষ্টা আর এসইও। 

অনেক ওয়েবসাইট প্রোগ্রাম আছে পৃথিবীতে রেফালের জয়েণ এ বোনাস দেয় আবার এফিলিয়েট বোনাস ও দেয়। অনেক ওয়েবসাইট আছে রেফারেল বোনাস দেয় - কিন্তু এফিলিয়েট বোনাসের কোন সিষ্টেম নাই । আবার অনেক ওয়েবসাইট আছে এফিলিয়েট বোনাস দেয় কিন্তু রেফারেল কোন বোনাস দেয় না। কারন এফিলিয়েট মার্কেটিং টা হয় সারা জীবনের জন্য। যতোবার প্রোডাক্ট সেল করবেন বা যতোগুলো প্রোডাক্ট যতোবার সেল হবে ততোবার আপনার একাউন্টে % আইসা জমা হবে।

আমার একটা এফিলিয়েট ষ্টোর আছে যেখানে আমি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস সেল করে থাকি। সেখান  থেকে আপনি যতোবার প্রোডাক্ট কিনবেন ততোবার আমি ১০% বোনাস পাবো। আবার প্রোডাক্ট লিংক থেকে বা সাইন আপ পেজ থেকে যদি জয়েণ করেন তাহলে আপনাকে আমি রেফারেল হিসাবে পাবো কিন্তু কোন রেফারেল বোনাস পাবো না কারন এসইওক্লার্কের কোন রেফারেল বোনাস দেয়া হয় না কখনো।আমার রেফারেল লিংক থেকে যদি আপনি ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করেন তাহলে আমি কোন বোনাস পাবো না কখনোই। কিন্তু আপনি যদি আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে এইখানে বায়ার হোন আর সবসময় এসইও প্রোডাক্ট কেনাবেচা করে থাকেন তাহলে আপনার প্রতি কেনাকাটায় আমি ১০% পেয়ে থাকবো। ১০% এফিলিয়েট বোনাস দেয়া হয় সবসময়। আপনি চাইলে যে কারো প্রোডাক্ট কে এফিলিয়েট করতে পারবেন। কিভাবে করবেন তা একসময় দেখাইয়া দেবো। 

নোট : জানেন তো ব্লগার দের সকল পোষ্ট আমেরিকান ব্লগার কপিরাইট আইনে সিক্ত। যদি আপনি কোন রেখা কপি করতে চান তাহলে সোর্স এবং লিংক উল্লেখ করবেন। 

 





SEOClerks



Wednesday, October 21, 2020

Use Facebook Business Section.





মার্কেটপ্লেসের ওয়ার্কারদের বিহেভিয়ার কেমন হইতাছে ডে বাই ডে?

প্রথম যারা ২০০২ সাল থেকে মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করে তাদের কি পরিমান কষ্ট করতে হয়েছিলো সে সম্বন্ধে বোধ করি বর্তমানের অনেকের তেমন কোন আইডিয়া নাই? বলতে গেলে বুকের রক্ত কে পানি করে এই ইন্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশে প্রতিষ্টিত করা হয়েছে। আজকে যারা নিজেদেরকে হেডম মনে করতাছে এই খানে- তারা অনেকেই সে সময়ে বাংলাদেশে উপস্থিত ই ছিলো না। প্রথমেই সারা দেশের সকলে মিলে একসাথে প্রশ্ন করে বসে যে - মার্কেটপ্লেস কি এবং এইটা কেনো তৈরী হয়েছে। আমরা প্রথমে যে উত্তর দিয়েছিলাম তা হইতাছে যে- এইটা ঝড়ে পড়া ছেলে মেয়েদের জন্য তৈরী করা হইতাছে। এইখানে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডি পার হইতে পারে নাই তাদের কে আনা হবে এবং সেভাবেই এইখানে কাজ করতে হবে। এদশের গ্রামের গরীব সহজ সরল মানুষেরা সব দেখে শুনে বুজে বলেছিলো- তোরা শিক্ষিত মানুষ। সকলেই ইংরেজী বলতে পারস বা লিখতে পারস - তোরা চেষ্টা কর পারবি। একদিন ডে বাসে করে ঢাকা থেকে সিলেট যাইতেছিলাম। পথিমধ্যে আমাদের সময়কার প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির হাই ফাই  টাইপের কিছু মেয়ে যাদেরকে দেখলে ফরেনারের মতো লাগে- এরকম কয়েকেটা মেয়ে পিছু লাগে। তাদের নিজস্ব গাড়ি ছিলো। আমি মনে মনে ভাবতেছিলাম বাংলাদেশ কি উল্টাইয়া গেলো নাকি? বড়লোকের মেয়েরা পোলাপানরে দাবড়াইয়া বেড়ায় দেখা যায়? তারা অবশ্য আমার পিছু লাগে নাই- পিছু লেগেছিলো আমাদের বাসের। মানে রেস দিতাছিলো বা পাল্লা দিতাছিলো। তখন ভৈরব ব্রীজ হয় নাই। সিলেট যাইতে হলে ভৈরবে দাড়িয়ে থাকতে হয় ফেরী পারাপারের জন্য। এরকম আমাদের বাস যখন ফেরীঘাটে আসে তখণ আমি মনে মনে ভাবতেছিলাম যে- তখন সারা বিশ্বে আলোচনা হইতাছে কিভাবে ওডেস্ক ওয়ার্ক শুরু করবে। ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক। সকলে সকলের ওয়েবসাইট ব্যবহার করবে এবং সকলের মতামতের ভিত্তিতে মার্কেটপ্লেস যাত্রা শুরু করবে। ইন্টারনেটে, ফোরামে, কম্যুনিটিতে লেখালেখি হইতাছে। আমিও কিছু সুচিন্তিত মতামত দিয়েছিলাম- (১৯৯৪/১৯৯৫ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে আমি কম্পিউটার সায়েন্স নিয়েছিলাম হায়ার ম্যাথের বদলে) এবং ১৯৯৬ সালের এস এসসি পরীক্ষায় তখণকার দিনের সেই শক্তিশালী হার্ড সাবজেক্টে ৮৫+ মার্কস ও পেয়েছিলাম। তাই মাথার ভেতরে পোকা হিসাবে ঘুরপাক খাইতেছিলো। হাতে ছিলো সেই সময়কার ফোন- সনি এরকিসন ১০০। বোতামে চাপ দিলে লাইট জ্বলে। বাসে বসে বসে সারা দেশের ছেলে বা মেয়েরা তখনকার দিনে ওয়াকবিহাল ছিলাম তাই নিয়ে আলোচনা করতেছিলাম- ১ মিনিট ৬ টাকা ৯০ পয়সা। ছাত্রাবস্থায় - এতো টাকা পাই কই তার উপরে আছে সাইবার ক্যাফে  ইন্টারনেট ব্যবহারের  চার্জ (ঘন্টা ৪৫ টাকা)। মাঝে ভেবেছিলাম হলের ডাইনিং এ না খেয়ে সেই টাকা দিয়ে ইন্টারনেট ক্যাফেতে ব্যবহার করবো। সিলেট শহরের অনেক বড় ভাই বুঝে ফেলাইছিলো যারা ব্যবসায়ী তারা- কোন জরুরী বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক ভাবে গবেষণা চলাতছে যেখানে আমার সক্রিয় অংশগ্রহন ছিলো। যদি সাইবার ক্যাফেতে ফাকা থাকতো তখন ২.৩ ঘন্টা ব্যবহার করলে হাফ ঘন্টা বা ১ ঘন্টা ফ্রি ব্যবহার করতে দিতো। সেই সুযোগ সুবিধা নিয়ে ওডেস্কের লাঞ্চিং নিয়ে সারা বিশ্বে কথা হইতেছিলো। সেই সব কথা ভাবতেছিলাম আর ফেরীতে নদী পারাপার হইতেছিলাম আর দূরে দাড়িয়ে দেখলাম সেই প্রাইভেট বিশ্বেবিদ্যালয়ের মেয়েরা হাত নাড়া দিতাছে আমাকে উদ্দেশ্য করে - তখন আমি ও হাত নেড়ে রিপ্লাই দিয়ে আবারো আমি আমার চিন্তায় ডুবে গেলাম। আমাকে সিলেট সদরের অনেকে হাসান বলে চিনে- আমার বন্ধুরাও আমাকে হাসান বলে ডাকতো কারন আমার নাম: মাসুদুল হাসান। মাসুদুল নামে তো আর ডাকা সম্ভব না তাই হাসান নামে ডাকতো সবাই। আমার নিক নাম নাই । কিন্তু সবাই এমনিতে মাসুদ বা লম্বা মাসুদ বা চিকনা মাসুদ বা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতের সকল ডাটাবেজে মাসুদবিসিএল (masudbcl) নাম দেয়া। তার ঠিক কয়েক দিন পরেই সারা বিশ্বে লাঞ্চে আসে দুনিয়া কামানো মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট ওডেস্ক। ভেতরে আরো অনেক কাহিণী আছে। ডে বাই ডে শেয়ার করবো। আশা করি আমার ব্লগের সাথে থাকবেন। 


তখনকারে দিনে ইন্টারনেট ব্যবহার করাই এক বিরাট ব্যাপার ছিলো। যারা আমরা প্রথম ইন্টারনেট নিয়ে বাংলাদেশে মুভমেন্ট করতাম তাদেরকে বিদ্রোহীরা (যারা এখন সম্ভবত হ্যাকার যে কোন পেশার ছদ্মবেশে) তারা আমাদেরকে ডাকতো ইন্টারনেট মুভার বলে। অনেক জায়গায় অনেক প্লেসে অনেক মারামারির ঘটনা পর্যন্ত হয়েছে ইন্টারনেট ব্যবহার করা নিয়ে। আর প্রথম থেকেই তারের সংযোগ- আনলিমিটেড ডাউনলোড এগুলো অনেক বড় সড় ব্যাপার ছিলো। সারা দেশ থেকে মুভি ডাউনলোড করা বা সংগ্রহ করা  এবং সেগুলো আবার সংগ্রহ করে দেখা এইটা ছিলো আমার দ্বিতীয় বা তৃতীয় আগ্রহ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে বা প্রায়শই যাইতাম সাইবার ক্যাফেতে। বন্ধুরা কিছু টের পাইলো বা না পাইলো প্রায়শই বলতো যে- খাওয়া দাওয়া যেনো মিস না হয়। সরকারি মন্ত্রনালয়ের গ্যাজেটে চান্স পাওয়া ষ্টুডেন্ট হবার কারনে সরকারের একটা বিশাল যোগান ছিলো খাবার দাবারের ব্যাপারে- সারা মাসে খাবার খরচ ছিলো ৭০০ টাকা - সাথে হলের সিট ভাড়াও। কিন্তু মাথাতে থাকতো অলওয়েজ সেই চিন্তা - ওডেস্ক এর চিন্তা বা মার্কেটপ্লেসের চিন্তা বা নতুন এক জগতের চিন্তা। শেষে আর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াই শেষ করতে পারলাম না। অনাকাংখিত ঝামেলায় ছাড়তে হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা আর মনোযোগ দিলাম ইন্টারনেট মার্কেটপ্লেস এর ব্যাপার গুলোতে।  সারা দেশে পরিচিত হবার কারনে এবং বাবার সাথে ভালো বন্ধুত্ব থাকার কারনে আমার বাবা আমাকে হাত ধরে তখনকার দিনের বা সময়ের নামকরা ইনফরমেশন টেকনোলজী সেন্টার- এপটেক ওয়ার্ল্ডওয়াইড এ একটা প্রফেশনাল ডিপ্লোমা কোর্সে বা ট্রেনিং এ ভর্তি হলাম ২০০৪ সালের জানুয়ারলী মাসে- সেখানে কম্পিউটার ল্যাব এবং ইন্টারনেট ফুল ফ্যাসিলিটজ। একেবারে হাতে যেনো স্বর্গ পেলাম- সেই সাথে পাইলাম কলকাতার এক সুন্দরী ললনার বন্ধুত্ব। দুইজনে মিলে অনেক রিসার্চ করেছি ইন্টারনেট বিষয়ে। আজকে যদি আমি ১০% ও সফল হয়ে থাকি তাহলে তার অবদান অনেকটা। তার সহজ সরল বন্দুত্ব আমাকে অনেকটা ইন্টারনেটে কাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছিলো। শিখেছিলাম - ১৬ টা প্রোগ্রাম, সাথে হার্ডওয়্যার ট্রেনিং এবং এম এস অফিস। সর্বপ্রথম ওডেস্কে ইনকাম ছিলো ১দিন  ২ ডলার (এক প্যাকেট গোল্ড লীফ সিগারেটের দাম) ২০০২ সালে। একসময় বাসাতেও কম্পিউটার পেয়ে গেলাম- ডেস্কটপ। শুরু হলো পথচলা। সমস্ত মেধা বা জ্ঞান ঢাললাম। প্রথমে চিন্তা করলাম যে নিজে পারি বা না পারি আরেকজনকে ফ্রি শিখাবো। একেক ঘন্টা কল দিতো ছেলে বা মেয়েরা সারা দেশ থেকে- ৪০-৪৫ মিনিট মোবাইলে কথা বলা যাইতো -খরচ ৩০০ টাকা। আবার টাকা ম্যানেজ করে আবার কল। যারা বড়লোক ছিলো তারা কলে আর যারা ইন্টারনেটে বসে থাকতো -পকেট ফাকা তারা দিতো ইমেইলের পর ইমেইল। ছিলো ইয়াহ্যু ম্যাসেন্জার চ্যাট বোর্ড- দল বেধে সারা বিশ্ব থেকে একজন আরেকজনেকে কাজ শিখানো। 




সারা বিশ্বের ছেলে বা মেয়েরা মন থেকে ভালোবেসে কাজ শিখাতো। কাউকে কখনো কোন দিন কোন খানে ডলার চাইতে দেখি নাই। শুধু কাজ আর কাজ। যে যতো বেশী পারো শিখো। ইয়াহু চ্যাট রুমে হাজার হাজার কাজ দেখানো হইতো। হাজার হাজার ক্যাটাগরি ছিলো। সব দেশের ছেলে বা মেয়ে একাসথে অনলাইনে কাজ শেখা বা মজা করা হতো। মজা করার জন্য ছিলো পা্রইভেট ম্যাসেন্জার সিষ্টেম। সাথে ছিলো সাউন্ড বক্স এবং ভিডিও ক্যাম চ্যাট এর জন্য ওয়েব ক্যাম। কতো মেয়ের সাথে ইন্টারনেটে বন্ধুত্ব হয়েছে তা কখনো গুনে দেখি নাই।  এইখানে এই চ্যাট রুমেই প্রথম দেখি উন্নত সব সিষ্টেম- ম্যাক কম্পিউটার, ল্যাপটপ, রুম ওয়াই পাই, রুম ক্যামেরা এবং আরো অনেক কিচু। ২০০৬ সালে একটা ফরেনারের মেয়ের রুমে যে ধরনের আধুনিকতা ছিলো তা আজকে ২০২০ সালে আইসা বাংলাদেমেও দেখি নাই। রোবোটিক ক্যামেরা দেখেছি- মেয়ে সারা বাড়ীর যেখানে যাবে সেখানে অটোমেটিক ক্যামেরা কানেক্টেড হবে এবং ইন্টারনেটে লাইভ হবে। তারাও ফ্রি ল্রান্সার বা আমাদের বস ছিলো। কখনোই আমাদের কাছে কান কিছু চাইতো না। শুধু বলতো শিখো আরি উপার্জন করো ডলার আর ডলার। 

আর বর্তমানে আমাদের দেশের মার্কেটপ্লেসে কয়েকটা প্রজেক্ট কমপ্লিট করে কয়েক ডলার উপার্জন করে শুরু করে দেয় ধান্দাবাজি যা আমরা কখনো কল্পনাও করি নাই। সারা বাংলার মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতাইয়া  নিয়ে  সারা দেশে েইন্টারনেটে যে রমরমা ব্যবসা চলতাছে তাতে এক সময় মনে হয় দেশে বুঝি ইন্টারনেটের দেহ ব্যবসা শুরু হয়ে গেলো। ইন্টারনেটে আসে এখন মানুষ নানাবধি আকাম কুকাম করার জন্য। ফেসবুক থেকে পরিচিত হয়ে বাস্তবে যৌন সম্পর্কে মিলিত হওয়া- শূনেছি এই একটা কারনে ফেসবুক তাদের মার্কেটপ্লেস অপারেশন বাংলাদেশে শুরু করে নাই। এইটা সোশাল মিডিয়া ক্রাইমের পর্যায়ে পড়ে। অথচ না বুঝে আজকে ফেসবুক কে মানুষ মার্কেটপ্লেস বানাইয়া ফেলেছে। সমানেই বাংলায় পোষ্ট করে রমরমা দেহ ব্যবসা শুরু করে দিছে অনেক মেয়েরা- ফেসবুকেই টাকা পয়সা লেনাদেনা শুরু করে দিছে। ফেসবুকে বা ম্যাসেন্জারে এডাল্ট চ্যাটের আমন্ত্রন ও পাওয়া যায় আবার এডাল্ট ভিডিও ক্যাম চ্যাটেরও আমন্ত্রন পাওয়া যায়। এইগুলো তে ফেসবুকের লতে নিষেধ। আর ল অমান্য করলে তো জেল জরিমানা হবে নিশ্চিত। ভাবা যায়- ফেসবুকে এডাল্ট ক্যাম চ্যাটের আমন্ত্রন। এডাল্ট ক্যাম চ্যাট বাংলাদেশে আরো অণ্যান্য এ্যাপ থেকেও করা যায়- হোয়াটস এ্যাপ, বিভার, ইমু বা যে কোন ধরনের চ্যাট এ্যাপে প্রেমিক প্রেমিকা ভিডিও চ্যাট করতেই পারে কিন্তু সেটা ফেসবুকে - তাও এডাল্ট সেকসানে। ধারনাও করতে পারি না্ কখনো। আপনি তো দেখতেই পারতাছেন ফেসবুক কোন পর্নো কে এলাও করে না- তাহলে কি ফেসবুক সেই এডাল্ট বা ণ্যুড চ্যাট কে এলাও করবে। ফেসবুক তো ফেডারেল ল মেনে চলে। যদি একসময় বিশাল অংকের জরিমানা ধরে বসে এই কারনে তাহলে ফেসবুক বাংলাদেশে অপারেশনই বন্ধ করে দিবে বা বাংলাদেশ সরকারের বড় আকারের লস হতে পারে। আমার ফেসবুক লাইকের এপিআই বিশ্লেষন করলে সেগুলোর সব প্রমান পাওয়া যাবে। এগুলো অনেক প্রমানে আমি লাইক দিয়ে রেখেছি। কখনো প্রয়োজন হলে বের করে দেখানো যাবে।


প্রায় ১০০ কোটি মানুষের উপরে ফেসবুক ব্যবহুত হয়। তাই ফেসবুকের মার্কেটপ্লেসটা বাংরাদেশে দরকার ছিলো। অনেক অনেক কাজ পাওয়া যাইতো। ফেসবকু একটা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে- সেক্সের মাধ্যম না। স্কেসর জন্য আলাদা ওয়েবসাইট আছে। এইগুলো যে কোন ওয়েভসাইট এর এ্যাপ এর মাধ্যমে হলে ভালো হয়। এ্যাপে এরকম কোটি কোটি হইতাছে। যোগাযোগ হইতাছে- বাস্তবে দেখা হইতাছে এবং সেই সাতে মারিরীক সম্পর্কও স্থাপন চলতাছে। এইখানে কোন সমস্যা নাই। ক্নিুত ফেসবুকে ব্যাপারটা নিসেধ করে দেয়া আছে আমেরিকাতে। আর ফেসবুক কে আমেরিকাতে ফেডারেল ল মেনে চলতে হয়। আর ফেডারেল অনুমতি দিলে যুদ্ব লেগে যাবে বিশ্বের যে কোন খানে যে কোন সময় ইউএসএ র সাথে এবং আপাকে অবশ্যই আইন মেনে ফেসবুক চালাতে হবে। ফেসবুক পর্নো বা এডাল্ট সেকস্ কন্ট্রাক্ট করা নিষেধ। আর ইয়াহু তে পারসোনাল রোমান্স সেকসানই ছিলো আলাদা - এমনকি ইয়াহু গ্রুপে এডাল্ট গ্ররপ ও খোলা যাইতো এবং তথ্য বা ইফরমেশন বিনিময় করা যাইতো কারন সেটা ছিরো লিগ্যাল কারন ইয়াহু নিজেই সেটা ওপেন করে রেখেছিলো। সেনসিটিভ বলে সেই ইয়াহু চ্যাট রুম বিম্ব থেকে বন্ধ করে দিছে আর এখন ফেসবুক শ্যাসেনজারে সরাসরি এডাল্ট ভিডিও লাইভ ক্যাম চ্যাট আমন্ত্রন- ভাবা যায়। ভিডিও ক্যাম এর জন্য তো আলাদা ওয়েবসাইট ই আছে।সেগুলো ফেসবুকে কেনো? 

স্বাধীণতা যুদ্বে দেশ বিরোধী এক লোকক ইন্টারনেটে ইয়াহু গ্রুপে এডাল্ট/ডেটিং সেকসানে তথ্য আদান প্রদান করার জন্য আমাকে আমার কম্যুনিটি তে দালাল বলে কমেন্ট করেছিলো- কিন্তু পরে আমি সবাইকে বোঝাতে স্বক্ষম হই যে সেটা ইয়াহু অনুমোদিত এবং সেটা এডাল্ট /রোমান্স সেকসানে। সেখানে যদি আমি তথ্য আদান প্রদান না করি তাহলে কোথায় করবো- জনসম্মুক্ষে-ে প্রকাশ্য    ্দিবালোকে- যেভাবে একাত্তরে দালালেরা বাংলা র মা বোনকে ঘর থেকে টেনে হিচড়ে ঘর থেকে  বের করে পা ক হানাদার বাহিণীর কাছে বিক্রি করে দিছিলো সেইভাবে নাকি ভদ্রতা বজায় রেখে প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের পুরো প্রোফাইল ঘেটে দেখে তার অনুমতি নিয়ে তার সাথে এডাল্ট কথা বলার অনুমতি নিয়ে (ইয়াহু শ্যাসেন্জারে বা এডাল্ট গ্ররপ সেকসানে তার সাথে কতা বলে)  তারপরে আগানো তে? আমি আমার কম্যুনিটি ভীষণ ভাবে অপমানিত হয়েছি। আমি হতভম্ব হয়ে গেছিলাম - দেশবিরোধীদের এই ধরনের কথা শুনে। তখন সারা দেশে ২০০৬ সালে রাজাকার শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামীর ফাসির দাবী উঠেছিলো এবং আমরা সারাদেশে অনেকেই    শাহবাগে দাড়াইয়া সেই ফাসির রায় তুলেছিলাম বা সম্মতি জ্ঞাপন করেছিলাম। একজন দালালের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিলো বা হলো কয়েকটি: 
  • একজন দালালেল সাথে হাজার হাজার মেয়ের সেক্সুয়াল কানেক্টিভিটি থাকবে। তার সাথে অনেক মেয়ের শারিরীক এবং আর্থিক যোগাযোগ থাকবে। 
  • সে সেই সকল মেয়েদের জন্য ক্লায়েন্ট ম্যানেজ করবে এবং সেখান থেকে সে বেনিফিট (%)পাবে।বর্তমান পরিস্থিতিতে ফেসবুকে যে আইডি ব্যবহার করে কোন মাগীর জন্য ক্লায়েন্ট কালেকশন করতাছে সেগুলোকে বলা হয় দালাল বা সে আইডি গুলোকে বলা হয় দালাল কারন তাার ফোন নাম্বার দেবার আগে পর্যন্ত দেখলাম মেয়ে সেজে বা হিজড়া হয়ে ম্যাসেজ আাদন প্রদান করে। আর টাকা পয়সা লেনাদেনার সময় হলে মেয়েদের ফোন নাম্বারের সাথে কানেক্ট করাইয়া দেয়। তো এইখানে এই ফেইক বা দুই নম্বর আইডি ব্যভহারকরারী দুই নম্বর বা দালাল বা আমরা বলি হিজড়া।
আমাদের সময়ে ২০০৬ সালে সেই সময়ে কিছু গ্রামের গরীব ঘরের মেয়ে এবং কিছু গরীব মানুষ তাদের দু:খ কষ্টের কথা বলে- অমানষিক কষ্টের কথা বলে কিছু ছেলে বলে ছিলো আমরা যেনো ইন্টারনেটে তাদের নাম্বার গুলো প্রকাশ করে দেই কারন আমার অনেক হাজার হাজার ছেলে বা মেয়েরা একসাথে এডাল্ট চ্যাট বা রোমান্স সেকসানে আ্ড্ডা দিতাম- আর তাদের ব্যাপারেও আড্ডা হতো। সেই সময়ে সেটা বাংলাদেশে ওপেন হতো । এডাল্ট চ্যাট অনুমোদিত ছিলো ইয়াহু চ্যাট রুমে। তো সেরকম এডাল্ট ছেলে বা মেয়েরা একসাথে হয়ে  আলাদা আলাদা গ্রুপে আড্ডা দিতো। তো আমাকে একটা প্লেসে গরীব কিছু ছেলে বার বার বলতে গেলে  এক প্রকার জোড় করে তাদের নাম্বার প্রকাশ করে দিতে বলে এবং কিছু গরীব  মেয়ে মানুষ  ও সেই কথা বলে।গ্রুপের কথা আর কে জানবে বা গুরপের খবর তো আর বাহিরের কেউ জানতে পারবে না - এই ভেবে পাবলিশ করে দিয়েছিলাম। কিভাবে কিভাবে যেনো  দেশবিরোধী দালাল চক্র সেই সন্ধান পেয়ে যায় এবং আমার পারসোনাল কম্যুনিটি তে বলে দেয়। আমি ভয়াবহ অপমানিত বোধ করি এবং সব শেষে নিজের কষ্ট টাকে দামাচাপা দিয়ে বোঝ দেবার চেষ্টা করি যে- যে দেশে এ মেয়েরা ৩ বেলা খাইতে পারে না -    সেই দেশে আমি কিছু প্রাপ্তবয়স্ক গরীব মানুষকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছি - এইটাকে যদি ৭১ এর দেশবিরোধী চক্র দালালি বলে থাকে তাহলে তো আমার আর কিছুই করার নাই। পরে সেই সকল দালালকে দেখলাম দেশ থেকে বের করার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রে জায়গা দেয়া হলো না। জাতীয় পরিচয়পত্র ও নাই এদের। পরে দেখি এরা তালিকাগ্রস্থ রাজাকারও - ৭১এর দেশবিরোধী এবং জয় বাংলা বিরোধী। পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনে এই দালালের লোকজনেরা আমার গায়ে হাত তুলেছিলো পুলিশ ভাাড়টিয়া আইনের ফরম চাওয়ার জন্য। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কর্তৃক ঘোষিত ১০০০০ রাজাকোরের তালিকায় দেখলাম তার নামও আছে। আমাকে কমেন্ট করা সেই চামার কে যেদিন আমি দেখি ঢাকা উত্তরের একটা এলাকাতে- সাথে সাথে আমি গেন্না বমি শুরু হয়ে যায় এবং পরে আমি সেই এলাকা ছেড়ে ঢাকা শহরের অন্য এলাকাতে  যাইয়া পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনে নিজেকে ভেরিফায়েড করি। 

দালালের সাধারনত দুইটা বৈশিষ্ট্য : ) তাদের বান্দা মাগী থাকবে  (কতোগুলো)মাষ্ট বি এবং ) আর অতি অবশ্যই হাত পাতবে যার কোনটাই আমার অভ্যাস ছিলো না আমরা যখন ইন্টারনেটে মজা করি তখন।  বাংলাদেশের কোন মেয়ে বলতে পারবে না যে- সে আমার মাগী আর বাংলোদেশের কেউ কোথাও বলতে পারবে না যে- আমি মাসুদ কোথাও কারো কাছে হাত পেতেছি। যা করেছি বা করে থাকি বলে শুনেছেন তা মজাই করেছি। প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে এবং প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে পারস্পরিক সম্মতিতে বাংলাদেশের আইন মোতাবেক যে কোন সময় যে কোন খানে মিলিত হতে পারে- এইটা বাংলাদেশের আইন। আর যারা দালাল বা রাজাকার বা দেশবিরোধী বা তাদের প্রজন্ম তারা তো আইন বিরোধী হবেই আর  তারা তো কোন খানে ৫০/১০০ মেয়ে একসাথে হইলেই সেটাকে মার্কেটপ্লেস বলে মনে করে ফেলায় কারন তাদের বাপ দাদারা তো ছিলো দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার কুচক্র-  রক্ত বলে কথা । আমাকে আমার ২জন বন্ধু ফ্রি টিট দিছিলো - একজন মগবাজারের এক ফ্রি ল্যান্সার এবং আরেকজন দিনাজপুর শহরের এক কৃষিবিদ বড় ভাই। কোন হাত পাতাপাতি বা মাগী এক্সচেন্জ  টাইপের  কোন ব্যবসা আমাদের ছিলো না যারা আমরা বাংলাদেশে মার্কেটপ্লেসের (অডেস্ক, ইল্যান্স, ফিভার, পিওপলপাআওয়ার, ডিজাইন৯৯) এস্টাবলিশমেন্ট নিয়ে কাজ করেছি। বলতে গেলে একে অপরকে ভালোবেসেই তৈরী করেছি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর বাংলাদেশী জগতটা। কেউ আমরা কারো সাথে নগদ টাকা পয়সাও লেনাদেনা করি নাই বা করতাম না। 

মার্কেটপ্লেস বলতে একটি ওয়েবসাইট কে বোঝানো হয় বা এক ধরনের ওয়েবসাইট কে বোঝানো হয় যেখানে বায়ার বা ক্লায়েন্ট কোন কাজের ডিটেইলস পাবলিশ করবে আর সারা বিশ্বের কোয়ালিফাইড সেলার বা ওয়ার্কাররা সেখানে বিড করে কাজ আনবে এরকম একটা ব্যাপার। এইটা কোন লটারি না। বর্ত
মানে ফ্রিল্যান্সার ডট কমে যে রকম কনটেষ্ট হয় সে রকম না। এইখানে যা যোগ্যতা ভালো, কাজের কোয়ালিটি ভালো, কাজের রেটিং ভালো, যার কাছে ক্লায়েন্ট অল্প দামে ভালো কাজ পাবে তাকে সে হায়ার করবে। এই হায়ার টা হতে পারে আওয়ারলি বেজড বা কন্ট্রাক্ট বেজড বা প্রজেক্ট বেজড। ফ্রিল্যান্সার ডট কমে যে কনটেষ্ট হয় আর যে রেট দেয়- দেখলাম শ্যাক্সিমাম টাইমে প্রায় ৩০০ ডলারের মতো দেয়- কিন্তু যে কনটেষ্ট টা সাবমিট করেছে সে প্রায় ২০০০/৩০০০ ডিজাইন পায় বা উ্ততর পায়। একবার খেয়াল করে দেখেছেন এই বাকী ডিজাইন গুলো কার প্রপার্টি। ধরেন ফ্রি ল্যান্সার ডট কমে একটা লোগো কনটেষ্ট চলতাছে- সেখানে আপনি সহ আরো ৩০০০ জন লোগো সাবমিট করেছে। উইনিং প্রাইজ মনে করেন ৩০০ ডলার। জিতবে একজন। আর পার্টিসিপেট করলো ৩০০০ জন। লোগো জমা পড়রো ৩০০০ টা। একজন জিতরো কনটেষ্ট। ৩০০ ডলার পাইলো একজন। বাকী ২৯৯৯ লোগো যদি সে কোথাও ১০ ডলার করেও সেল করে তাহলে কতো আসে প্রাইজ: ২৯৯৯ * ১০= ২৯৯৯০ ডলার। সব মিলিয়ে ৩০০+ ৩০ ডলার খরচ করে প্রায় ২৯৯০০ ডলারের  মতো উপার্জন যে কনটেস্ট আয়োজন করেছে তার। এইটা মার্কেটপ্লেস না- এইটা জুয়া প্লেস বা লটারী প্লেস। তাহলে দেখেন আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা কাজ করার লোভে কতো পরিমান ফ্রি সার্ভিস দিতাছে। অথছ আমরা যাদের সাথে কাজ করেছি বা শিখেছি তারা আমাদেরকে বলেছে যে; তুমি যদি একজনে কেও ফ্রি সার্ভিস দাও তাহলেই এই জগতে তোমার পারসোনাল ভ্যালূ টা পড়ে যাবে। আর অনেকে তো ফ্রি সার্ভিস দিয়ে যাইতাছে প্রতিনিয়ত। এই ধরনের কোন টেকনিক আমার কখনো কল্পনাও করি নাই। এখন অনেক মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে (এসইওক্লার্ক ছাড়া) জয়েণ করতে গেলেই ডলার চেয়ে বসে- আমাদের কে যারা কাজ শিখিয়েছে তারা বলেছে ইন্টারনেটে প্রোডাক্ট বা পন্য কেনা ছাড়া যেই তোমার কাছে টাকা বা ডলার চাইবে তাকে স্ক্যাম বলা হবে তো এখন আমাদের দেশে যে সকল মার্কেটপ্লেস আছে তাদের মধ্যে ২/৩ টা ঢুকতে না ঢুকতেই টাকা বা ডলার চায় বা চাইয়া বসে যা ডলার উপার্জন করতে আসা সকলের কাছেই একটা টেনশন হয়ে দাড়ায় (অনেককেই বলতে শুনতাছি স্ক্যাম ল্যান্সার- এরকম তো আগে কখনো ছিলো না) । আবার একটা মার্কেটপ্লেসে কাজ করেন শুনে যদিেআপনার ধারে কাছের কেউ আপনাকে ইন্টারনেটে সার্চ দেয় তবে অনেক সময় দেখতে পারবে যে কেউ যে আপনি ষ্টক এক্সচেনজ রিরেটেড একটা ওয়েবসাইটে কাজ করতাছেন- তখন ভিন্ন ধারার প্রফেশনের একজন লোক কখনোই আপনাকে ফ্রি ল্যান্সার বলবে না কারন আপনার ওয়েবসাইট বা কোম্পানী আপনাকে ইন্টারনেটে দেখাইতাছে যে আপনি ষ্টক এক্সচেন্জ রিলেটেড ওয়েবসাইটের সাথে কানেক্টেড। আর সেই ডরারও রেমিটেন্স হিসাবে কাউন্ট হবার কথা না কারন যেখান থেকে ডলার আসতাছে সেখানে ষ্টক রিলেটেড ডিসপাচ বা ডিসপাঞ্চ হইতাছে। তো আমি যে সকল ইউরোপিয়ান ছেলে বা মেয়ে বসদের কাছে কাজ শিখেছি তারা আমাকে বলেছিলো যে : কক্ষনো স্টক রিলেটেড কোন ওয়েবসাইটে কাজ করবা না যেমন সেই সময় খুব বিখ্যাত ছিলো এসএফআই। যেমন: আগে ছিলো এইখানে ষ্টক এর ব্যবসা - এখন আর নাই। ২০১১ সালে বাংলাদেশের ষ্টক মার্কেটে খুব ভয়াবহ ধ্বস নেমেছিলো যার কারন অনেক ছেলে আজো পংগু তোফাজ্জল এর মতো অবস্থা। সেটা ছিলো পরিকল্পিত বলে সন্দেহ করে অনেকই। 

এর পরে আছে লিমিটেড ল্যান্সার। আপনি যদি ইন্টারনেটে কোন শপ খুলেন আর যদি কোন বাযার বা সেলার আসে আর আপনি যদি বলেন যে এইখানে শুধূ লিমিটেড ছেলে বা মেয়েরা জয়েন করতে পারবে তাহলে তো আপনি একটা প্রাইভেট মার্কেটপ্লেস (৩০০০০) খুলে ফেললেন যেখানে নতুন করে শোনা গেলো পৃথিবীতে প্রথম বারের মতো : মোবাইল মানি রেমিটেন্স। নতুন এক রেমিটেন্স সিষ্টেম যেখানে মোবাইল মানি ব্যাংকিং সার্ভিসগুলো ক্রেডিট কার্ড এড করার সুবিধা দিলো ২ মাস আগে থেকে কিন্তু রেমিটেন্সে আনতাছে ৫ বছর ধরে। জীবনে শুনেছেন পৃথিবীর কোন ব্যাংকে রেমিটেন্স সার্ভিস আছে আর সেখানে ক্রেডিট কার্ড  এড সার্ভিস নাই। ক্রেডিট কার্ড সার্ভিস থাকতে পারে কিন্তু রেমিটেন্স নাও থাকতে পারে- এরকম হতে পারে বলে শুনেছি বা জেনেছি। আপনি যদি পন করে থাকেন যে আপনার মার্কেটপ্লেসে ৩০০০০ এর বেশী  লোক কাজ করতে পারবে না তাহলে আপনি সেটাকে প্রাইভেট ডোমেইন এ রাখেন সেটাকে আপনি ওপেন করে রেখেছেন কেনো? তুলনামূলক ভাবে তো প্রথম ষ্টক মার্কেট রিলেটেড ওয়েবসাইটা টাই ভালো- কারন সেখানে যে ইচ্ছা সে জয়েন করতে পারবে আর এইখানে লিমিটেড মার্কেটপ্লেসগুলোতে তো আরে এক ঝামেলা: প্রথমত ২ টা খুবই পপুলার ডোমেইন ফরওয়ার্ড হয় যা খুবই হতভম্ব ইস্যু বা ব্যাপার আর দ্বিতীয়ত লিমিটেড নাম্বার অফ পিওপলস রাই শুধু জয়েন করতে পারবে। স্পেসিফিক টাইপের পোলাপান আবার তাদের স্পেশিয়ালিটি টা মনে হয় ভিন্ন - তাহলে আপনি টোটালি প্রাইভেট ডোমেইন সিষ্টেম চালু করেন যাতে নতুন নতুন ব্যবহারকারীরা আইসা এই ম্যাসেজ নো পায় যে: আমাদের কোটা এখন পূর্ন পরবর্তীকালে আবার চেষ্টা করেন। একটা প্রাইভেট ডোমেইন সিষ্টেম যদি থাকে আর সেখানে যদি  আপনি এনরোলমেন্ট চালূ রাখেন তাহলে যখন স্লট খালি হবে তখন যদি আপনি তাকে ইনফর্ম করেন প্রাইভেটলি তাহলেই তো হয়ে গেলো। ইন্টারন্যাশনাল ডোমেইন কে লিমিটেড মার্কেটপ্লেসে ফরওয়ার্ড করার করান টা তো বুঝতে পারলাম না। ওডেস্কে বা ইল্যান্সে তো যে কেউ ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করে জয়েন করে কাজ শুরু করতে পারতো। বিভিন্ন পেশাতে আছে বর্তমানে এরকম অনেকেই তো আগে ওডেস্ক বা ইল্যান্স মার্কেটপ্লেস থেকে রেমিটেন্স এনেছে আন্তর্জাতিক ভাবে এখন অনেক কোম্পানীর হর্তা কর্তা ও হয়ে আছে এবং পরে আবার সরকারকে নিয়মিত হারে ভ্যাট, ট্যাক্স, রিটার্ন , আয়কর , খাজনা দিযে যাইতাছেন বা পৌর কর বা সিটি করও দিতাছেন কোন কোন ক্ষেত্রে।

বর্তমানে অনেক ফ্রি ল্যান্সার রা যথেস্ট পরিমানে রুক্ষ। তাদের ব্যবহার অনেকটা রুক্ষ? তাদের সাথে মেলামেশা করাটা এক ধরনের টাফ পলিসি হয়ে দাড়িয়েছে। নিজের মাঝে রিস্ক জেনারেট হয়। ইন্টারনেটে রিস্ক নেয়াটাও এক ধরনের রিস্ক। সো এই খানে শান্তি মতোন কাজ করতে হলে পৃথিবীতে আছে শত শত মার্কেটপ্লেস- সেগুলোতে মনু খূলে ফ্রেশ মনে কাজ করতে হবে। সরকারের জন্য রেমিটেন্স, দেশের জন্য গর্ব আর নিজের জণ্য স্বাচ্চন্দ্য আনতে হবে। কোন ধরনের মোবাইল রেমিটেন্স ক্যাশ না বা কোন ষ্টেক এক্সচেন্জ ক্যাশ না। সরাসরি রেমিটেন্স  (যেমন: পাইওনিয়ার)। যদি না পারেন তবে চেষ্টা করবেন। আর যদি রেগুলার চেষ্টা করেন তবে যে কোন কাজই করে ফেলতে পারা যায়। আমি যে মার্কেটপ্লেসে কাজ করি সেটাতে কি কি সুবিধা আছে চলেন দেখি: 

  • রেজিষ্ট্রেশন করতে কোন টাকা বা ডলার লাগে না- ফ্রি।
  • বিড বা জব এপ্লাই করতে কোন ডলার বা টাকা লাগে না - ফ্রি।
  • বায়ার বা সেলার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন।  
  • সেলস থেকে উপার্জিত মানি আপনি সহেজ উইথড্র করতে পারবেন পেপাল/পাইওয়িনার/পেল্যুশন এর মাধ্যমে। 
  • সেলস থেকে উপার্জিত মানি ইচ্ছা করলে আপনি যে কোন সার্ভিস কিনে ব্যবহার করতে পারবেন
  • সার্ভিস ট্রেড করতে পারবেন মানে সার্ভিস কমপ্লিট করার জন্য আপনি নিজেও যে কোন কাজের অফার দিতে পারবেন। 
  • আপনি  ম্যাক্সিমাম  ১২৫ ডলার মূল্যের লেভেল ১ এ ৫ টি সার্ভিস বানাতে পারবেন।
  • আর লেভেল ৩ তে গেলে আনলিমিটেড সার্ভিস বানাতে পারবেন। 
  • আপনার প্রোফাইলে ইমেজ এবং কভার ইমেজর বসাতে পারবেন। 
  • বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েন দিয়ে আপনি সার্ভিস কিনতে পারবেন। 
  • পেপাল দিয়ে সার্ভিস কিতে পারবেন। 
  • ক্রেডিট কার্ডস দিয়ে সার্ভিস  কিনতে পারবেন। 
  • প্রোফাইল ফলো করতে পারবেন। 
  • যে কোন সময়ে ডলার আপলোড করতে পারবেন কোন সেলারের সার্ভিস কিনতে চাইলে।
  • প্রোফাইলে ষ্ট্রাটাস দিতে পারবেন। 
  • কাজ শেষের পরে পজিটিভ বা নেগেটিভ থাম্ব দিতে পারবেন। 
  • সেলার কে রিকমেন্ড করতে পারবেন। 
  • নিজে সেলারের কাছ থেকে রিকমেন্ড নিতে পারবেন। 
  • ফ্রি জয়েন করতে পারবেন। 
  • সিকিউরিটি সেকসান থেকে মোবাইল, ইমেইল, এড্রস এবং সিকিউরিটি কোশ্চেন কে আপডেট করে আপনার প্রোফাইল সেই লেভেলে সিকিওরড রাখতে পারবেন। 



    
SEOClerks

উপরের ছবি তে ক্লিক করে আপনি সরাসরি জয়েন করতে পারবেন। আর তারপরে দেয়া আছে বাংলা  এবং ইংরেজী ভিডিও। 

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ থাম্ব বলতে কি বোঝেন?

ইন্টারনেটে এখন অনেক খানে পজিটিভ থাম্বের ব্যবহার আছে। যে কোন পোষ্টের নীচে অনেক সময় থাম্ব ব্যাপারটা দেখা যায়। আবার অনেকখানে অনেক ওয়েবসাইটে আছে...