Translate

Saturday, October 31, 2020

White Hat SEO- Off Page Optimization- Forum Registration, Profile Back link, Profile Signature.

হোয়াইট হ্যাট এসইও তে যে কয়েকটা দরকারি বিষয় বা ভাগ আছে তার মধ্যে ফোরাম রেজিস্ট্রেশন, ফোরাম পোষ্ট এবং ফোরাম পোষ্ট রিপ্লাই এইগুলো খুবই দরকারি বিষয়। সংশ্লিষ্ট ফোরাম খুজে বের করা আর সেখানে রেজিস্ট্রেশন করে নিজের ফুল ডিটেইলস কে এন্ট্রি করা আর সেখানে যে কোন বৈধ উপায়ে ওয়েবসাইট এড্রস কে এড করা -এইটাকে ফোরাম সিগনেচার বলে বা ফোরামা প্রোফাইল ব্যাক লিংক বলে বা ফোরাম লিংক সেট আপ বলে। ফোরাম সিগনেচারের মূল কারন হলো : যে কারো ফোরাম টা যদি ওপেন করা থাকে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য আর সেই ফোরামের যদি খুব ভালো র‌্যাংক থাকে লাইব পেজ  র‌্যাংক ১-১০ এর মধ্যে তাহলে সেখানে ফোরাম রেজিষ্ট্রেশন করে সব ডাটা বা তথ্য (যেমন: ছবি, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড , প্রথমে নাম, শেষ নাম, ওয়েবসাইট এড্রস, কি ওয়ার্ড , মেসেন্জার ইনফরমেশন) বা এই ধরনের আরো যতো  ইনফরমেশণ আছে তা একসাথে লিষ্টিং করাকেই ফোরামা প্রোফাইল সিগনেচার বা ফোরাম প্রোফাইল রেজিষ্ট্রেশন বলে। অনেক সময় অনেক ফোরাম ওয়েবসাইটে অনেক ডাটা দেবার উপায় থাকে। নিজেকে রিপ্রেজেন্ট করার একটা স্কোপ থাকে বা নিজের পরিচালিত ব্যবসা বা এফিলিয়েট লিংক কে সামনে আগাইয়া নিয়ে যাবার একটা উপায় থাকে। সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে যদি ফোরামের ভালো প্রমোশন থাকে তাহলে সেখানে ব্যাকলিংক করার কারনে আপনার ওযেবসাইট বা পারসোনাল প্রোফাইরেল অনেক ভালো বেনিফিট পাবেন। এই সকল কাজ স্পেসিফিক কি ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে বের করা যায় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এবং সফটওয়্যার অনেক সময় নিজে নিজেই ডাটা পিল আপ করে এবং প্রোফাইল ফিলআপ করে তখন সেটাকে অটোবট প্রোগ্রাম বলে। অনেকেই বলে থাকবে যে: হোয়াইট হ্যাট এইও সফটওয়্যারের অনকে পেইড বা ফ্রি টুরষ আছে সেগুলো দিয়ে এগুলো করা যায় সহজে। কিন্তু ব্যাপারটা হলো সেগুলো যে সফটওয়্যার সেটা ইন্টারনেট জানে। আর ইন্টারনেটে ম্যানুয়ালি বা এপিআই ছাড়া বট, ফটোবট বা সফটওয়্যারের মাধ্যমে কিছু করলে সেটা ইন্টারনেট জানবে কারন সারা বিশ্বে ইন্টারনেট ডিস্ট্রিবিউশন এবং তাদের একটা আলাদা টেকনিক আছে যেটা ব্যবহার করে সারা বিশ্বের ব্যাংক প্রতিষ্টানগুলো টিকে আচে বা দেদারসে ব্যবসা করে যািইতাছ্ েতাই হোয়াইট হ্যাট এসইও করার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রথমে সততার টেকনিক বা তার আশ্রয় নিতে হবে। এইখানে অসত হলে আপনি খুব বেশী দিন টিকে থাকতে পারে না। আপনাকে এই ট্রাক ছেড়ে অন্য ট্রাকে চলে যাইতে হবে। একটা ফোরাম ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে কি কি ডাটা ফিলআপ করতে হয় তা নিজে দেখানো হলো:



ষ্ট্যাটাস ম্যাসেজ: ষ্ট্যাটাস ম্যাসেজ সবসময় ১৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে দিতে হয় অরিজিনাল এসইও করতে গেলে। এই ষ্ট্যাটাস সেই সামাজিক ষ্ট্রাটাস না। এইটা ইন্টারনেট প্রোফাইলের ষ্ট্যাটাস। ইন্টারনেটে যতো ধরনের সোশাল মিডিয়া বা ওয়েবসাইট বা সামাজিক প্রোফাইল আছে সেখানে আপনি সহজেই একটা মুড বা ইনফরমেশন দিতে পারবেন। সেই মূহুর্তে আপনার কাছে যেটা সবচেয়ে দরকারি: সেই কথাাট আপনি শেয়ার করতে পারেন। যেমন: চিত্রে দেখেন আমি আমার ওয়েবসাইট এড্রস কে ষ্ট্যাটাস হিসাবে শেয়ার করেছি - মানে আমি আমার ওয়েবসাইট এড্রস কে দিয়েছি। তেমনি আপনি কোথায় আছেন বা কিভাবে আছেন বা কি করতাছেন সেই সংক্রান্ত যেকোন ষ্ট্যাটাস টাইপ করতে পারেন।  আমাদের দেশে আমরা একটা কথা প্রায়শই বলে থোকি যে: কুত্তার কোন স্ট্রাটাস নাই। ধরেন একটা কুত্তা ১০ তালা বিল্ডিং এ যাইয়া বসে আছে- আবার তার মনে চাইলো সে রাস্তাতে আইসা দাড়াইয়া থাকে। এইখানে কুত্তার কিন্তু কোন ষ্ট্যাটাস কাজ করে নাই কারন সে হয়তো ভেবেছিলো ১০ তালাতে গেলে সে খাবার পেতে পারে। যাইয়া খাবার পায় নাই- নীচে নাইমা চলে এসেছে এবং সেখানে সে তার খাবার পাইছে। মহান সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে যে কুকরের জন্ম হয়েছে একটি প্রানী হিসাবে-  চার পা লেজ বিশিষ্ট সে কিন্তু রাস্তাতেও ঘুরে আবার মাঝে মাঝে ফাক পাইলে কিন্তু বিল্ডিং এ ঢুকে পড়ে। যখন কোন কুকর বিল্ডিং এ ঢুকে তখন সে খাবার খাবে এতে কেউ আপত্তি করবে না কিন্তু যদি সে কোনখানে ময়লাতে মুখ গুজে নোংরা করে সেটা একটা আপত্তির কারন হয়ে দাড়াবে। বিল্ডিং এর যে কেয়ারটেকার সে চিন্তিত হবে, বিল্ডিং এর যে দারোয়ান সেও চিন্তিত হবে। এইখানে কুকরের কনো ষ্ট্যাটাস নাই- তার পেট ভরলেই হলো। আর মানুষরুপী কুত্তা বা জানোয়ার (যাকে মেয়েরা গালি গালাজ দেয় কুত্তা হিসাবে - তার তো সিক্সথ সেন্সই নাই- ষ্ট্যাটাসের আর কি বুঝবে)। সাধারনত বড়লোকেরা যে ষ্ট্যাটাসের কথা মিন করে থাকে- ইন্টারনেটে সেই ষ্ট্রাটাস কে বোঝানো হয় না। ইন্টারনেটে ষ্ট্যাটাস বলতে বোঝানো হয়- মেসেজ বক্সে লেখা বা সেই মূহুর্তে একজনের অবস্থানের কথা, একটি ওয়েবসাইট এড্রসের কথা ভাষায় লিখে বর্ননা করা। যেমন: ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেয়া। আবার অনেকে আছে মেসেজ বলতে শারিরীক ভাবে শরীর কে দলিথ মথিত করাকে বুজে। দুইটা মেসেজের পার্থক্য আছে: ১) সংক্ষিপ্ত বার্তা ২) সেলুনে শরীরকে দলিত মথিত করা। 

ফেসবুকেরও উল্টো মিনিং করে থাকে অনেকে। মানুষের মনের মধ্যে ইন্টারনেট টার্মগুলোকে বিরুপাকারে উপস্থাপন করে একটি মানুষকে বা একাধিক মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য কিছু কিছু লোক পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেটে অনেক টার্মের খারাপ মিনিং করে থাকে। যেমন ধরেন: বাংলাদেশে একদল লোক খারাপ এবং তারা পরিকল্পনা করলো যে তারা বাংলাদেশে ইন্টারনেট প্রজন্ম কে নষ্ট করবে। সেজন্য তারা পরিকল্পনা করলো তারা এইটার উল্টো পাল্টা মিনিং করবে। আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েদের যা অবস্থা - গুগলে সার্চ করতে পারে না কিন্তু ফেসবুক, হোয়াটসএ্যাপ, বিভার, টিকটক ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারে। আর যখন কোন কিছু জানার দরকার হয় তখন গুগল ডট কমে না লিখে বা না সার্চ করে মানুষকে বা তথাকথিত সেই গ্ররপ টাকে জিজ্ঞাসা করে ফলে সহজে তারা  বিভ্রান্ত হয়। যেমন: বাংলাদেশে ফেসবুকের প্রচলন এর ব্যাপারে একটা কাহিনী চালু আছে সেটা বলি: এক রাজাকার (ফাসি) কে বলা হলো: ফেসবুক বলতে কি বোঝছ? তো সে বলতাছে যে: মেয়েদের ফেস কে বুক করা বোঝানো হয়। ফেস বুক করে তুই কি করছ- তখন সে বলতাছে থ্রি এক্স বা পর্নো ওয়েবসাইটে যেভাবে মেয়েদর মুখ ব্যবহৃত হয়-  সেটাকেই সে ফেস বুক বলে।  তো তখণ তাকে বোঝানো হলো- যে তোর ফেসবুক একাউন্ট নাই কেনো? বলতাছে সে রাজাকার ছিলো- প্লাষ্টিক সার্জারী করে তার বয়স কমিয়েছে ১০ বছর- তারপরে সে ঢাকা এবং সারা বাংলার মেয়েদের কে ধোকা দেয়। তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়: মেয়েরা কেনো আসে তোর কাছে- তো বলতাছে যে- টাকার জন্য। এই পর্যন্ত তোর কতোগুলো মেয়ের সাথে শারিরীক সম্পর্ক হইছে- তো বলতাছে যে অনেক। তারপরে আবার জিজ্ঞাসা করা হলো যে: তোর কাছে কি প্রমান আছে? তখণ সে বলতাছে যাদের কে সে ব্যবহার করেছে তারা স্বাক্ষ্য দেবে। তারপরে তারে বলা হইলো যে: তোর সন্তান কয়টা। বলতাচে একটাও না।  কারন: তো বলতাছে তারা টেষ্টটিউব। তাদের বাচ্চা হয় না। তাহলে তোদের সাথে বাংগালী মেয়েরা মেলামেশা করে কেনো- তো উত্তরে বলতাছে টাকার জন্য। তো টাকার জন্য বাংগালী মেয়েরা হোটেলে গেলে আইন বা পুলিশ বাধা দেয়- তোদেরকে দেয় না। বলতাছে যে না- সব তারা টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে। তো একজন রাজাকারের (ফাসি) কাছে যদি  ফেসবুকের এই মানে হয়- তাহলে তার কাছে একটি শিক্ষিত প্রজন্ম কি শিখতে পারবে? সবার শেষে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম: রাজাকারের তো ফাসির আইন আছে। তোর ফাসি কবে? বলতাছে- যুদ্বের সময় তাদের বয়স ১৮ ছিলো না - কিছুটা কম ছিলো। তো আমি তারে উত্তরে বললাম- সব ধরনের রাজাকারের ফাসির আইন আছে বাংলাদেশে- যে স্বজ্ঞানে স্বইচ্ছায় বাংলাদেশে ৭১ এ যুদ্ব চলাকালীন সময়ে বাংগালীর বিরুদ্বে ছিলো- হত্যা, ধর্ষ ন, খুন , লুটপাটের সাথে জড়িত ছিলো তাকে ই ফাসির কাষ্টে দাড়াতে হবে। তো সে বলতাছে তাকে আদালত মারতে পারবে না। তো  তাকে উত্তরে জানাইয়া দেয়া হলো- যে প্রজন্ম তোকে মারবে? তারপরে জিজ্ঞাসা করলাম- তোর জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার বল- সে বলতাছে বাংলাদেশে তার জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। তো তার কাছে যদি কোন তরুন প্রজন্ম জিজ্ঞাসা করে: ফেসিবুক মানে কি- তাহলে সেই দেশের তরুন প্রজন্মের কি হাল হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? পুরো ব্যাপারটা রুপকার্থে ব্যবহার করা। তো বাংলাদেশেও একটা প্রজন্ম আছে যাদের কাছে ইন্টারনেটে প্রত্যেকটা টার্মের একটা উল্টো মিনিং আছে । সেই উল্টো টার্মের লোকজনের কাছ থেকে আমাদের ইন্টারনেটের প্রজন্ম কে বাচানো উচিত। 

ফোরাম : সাধারন জীবনের মতো ফোরাম আছে ইন্টারনেটেও। যেমন ইন্টারনেটে ফোরাম বলতে যা বোঝানো হয় আর বাস্তবজীবনে ফোরাম বলতে একই বোঝানো হয় অনেকটা। একটা ফোরামে যে কোন বিষয়ে একটা সিদ্বান্ত গৃহীত হয়। বাংলাদেশের েইন্টারনেটে এখনো ফ্রি ল্যান্সার দের কোন ফোরাম গঠিত হয় নাই বা হইলেও এখনো তেমন পপুলারিটি পায় নাই বা রাষ্ট্রীয় ভাবে তাদেরকে স্পন্সর করা হয় নাই। কিন্তু বাংলাদেশের আদালত সংক্রান্ত ব্যাপারে একটা ফোরাম আছে যাদেরকে বলা হয়- বাংলাদেশ আইনজীবি ফোরাম। সেখানে অনেক সময় দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ন ব্যাপারে সিদ্বান্ত নেয়া হয়। সে হিসাবে রাষ্ট্র বা আইন অনেক সময় পরিচালনা হয়।  তেমনি ইন্টারনেটেও অনেক ধরনের বা অনেক ক্যাটাগরির ফোরাম আছে যেখানে যথাযথ নিয়ম পালন করে ফোরাম প্রোফাইল তৈরী করে কোন ধরনের স্পামিং না করে সেখানে আপনি যথাযথ এসইও পালন করে পোস্টিং দিলেন এবং ডু ফলো বা নো ফলো হাইপার লিংক উপরে ভিত্তি করে - তাহলে সেটা সেই ফোরামের ওয়েবসাইটের যতো লোক আছে বা রেজিস্ট্রিকৃত যতো লোক আছে প্রত্যেকেই দেখতে পারবেন বা জানতে পারবে বা পোষ্টিং রিপ্লাই দিয়ে মতামত তৈরী করতে পারবেন। এই ব্যাপারটাকে একটা হোয়াইট হ্যাট এসইও ফ্যাক্টর হিসাবে ধরা হয়। কারন যথাযথ নিয়ম পালন করার জন্য সেখানে অনেক পরিমান ব্যাকলিংক থাকে- যেটা সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে দেখায় এবং আপনার ওয়েবসাইট ব্যাক লিংক করা থাকলে  আপনার ওয়েবসাইটের - PA, TA and DA ইনক্রিজ করতে সাহায্য করে। নীচে কয়েকটা ছবি দেয়া হলো : কার ফোরাম রিলেটেড। একটা ফোরাম দেখতে কেমন হয় বা ফোরামে কি কি ধরনের সেকসান থাকতে পারে তার আইডিয়া পাইতে পারেন। ফোরাম সাধারনত পিএইচপি বিবি ওয়েবসাইট দ্বারা বানানো হয়। এছাড়ও ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য আপনি প।লাগইন পাবেন যা ইনষ্টল করে আপনি ফোরাম বানাতে পারবেন সহজেই। 








ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগইন দ্বারা তৈরী করা ফোরামের উদাহারন । আমার তৈরী করা ফোরাম এর উদাহারন নীচে দেখানো হলো। এই ওয়েবসাইট এবং ফোরাম টা আমার নিজের হাতে তৈরী করা এবং একা। কারো সাহায্য নেই নাই। Carmody Truck Lines and Carmody Truck Lines Forum.




ইন্টারনেটে যে কয়কখটা শব্দ রিয়েল লাইফ থেকে পপুলার হয়েছে তার মধ্যে ফোরাম একটি। ফোরাম শব্দটা রিয়েল লাইফেও পপুলার। যেমন: বাংলাদেশে আছে সাংবাদিহ ফোরাম, আইনজীবি ফোরাম বা আরো অন্যান্য অনেক পেশাজীবিীদের ফোরাম। তবে সচরাচর ফোরামে আয়োজন করে মতামত ব্যক্ত করতে হয়ে এবং সেজন্য অনকে খরচ ও সামাল দিতে হয়। যদি কোন ফোরামে ১০০ জন সদস্য হয় তাহলে ১০০ জন সদস্য মিলে একসাথে হয়ে একটি সিম্পোজিয়াম বা আয়োজন করার মাধ্যমে ১০০ জনের কাছ থেকে মতামত নিয়ে  যে কোন একটা বিষয়ে সিদ্বান্তে উপনীত হয়। কিন্তু ইন্টারনেটে একটা ফোরামে যে কোন একটা বিষয়ের উপরে অসংখ্য মতামত রাখা যায়। আর মতামত রাখার জণ্য কোন খরচও  করতে হয় না।ইন্টারনেট দুনিয়াতে প্রায় ৯০% ফোরাম আছে যেগুলো ফ্রি। রেজিষ্ট্রেশন ফ্রি এবং প্রোফাইল কিয়েশন ও ফ্রি। ফোরামে ফ্রি রেজিষ্ট্রশন করে ফ্রি প্রোফাইল তৈরী করে আপনি কি কি বেনিফিট পাইতে পারেন তার কিছু উদাহরন নিম্নে দেয়া হলো: 

  • আপনি যদি এমন একটা ইমেজ তৈরী করেন যেখানে কোন একটা লোতো সেট আপ করা তাহলে আপনার লোগোটা পুপলার হবে। অনেকের চোখে লেগে থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আপনাকে নক করবে। 
  • সবসময় যদি একটা ইউজার নেম ব্যবহার করেন ইন্টারনেটের সবখানে তাহলে আপনাকে কাজ দিতে আসা ইন্টারনেটের বায়ার বা ক্লায়েন্টরা কোন দ্বিধা দ্বন্ধে ভুগবে না।  যেমন: আমার ইউজারনেম: masudbcl
  • সবসময় যদি একই এবং সঠিক ইনফরমেশন ব্যবহার করেন তাহলে আপনার প্রোফাইল অনেকবার ভিজিট হবে। 
  • আপনার ক্যারিয়ারের উপরে ভিত্তি করে আপনাকে অতি অবশ্যই কিছূ কি ওয়ার্ড এরান্জ করে সেগুলো আপনার প্রোফাইলে ব্যবহার করতে হবে যাতে যে কেউ সেই কয়েকটা কিওয়ার্ড টা লিখে সার্চ দিলে আপনার প্রোফাইল লিংকটাও শো করে। আপনি প্রোফাইল ব্যাকলিংক করে আপনার নিজস্ব কিওয়ার্ড গুলোকে র‌্যাংক ও করতে পারবেন। 
  • ৫টা ট্যাগলাইন এবং কয়েকটা ডেসক্রিপশন সবসময় রেডী রাখলে সেই ট্যাগলাইন এবং ডেসক্রিপশনের উপর ভিত্তি করে যদি আপনাকে কেউ সার্চ দেয় তাহলে সেখানেও আপনাকে খুজে পাবে। 
  • কোন ফোরামের যদি পেজ ল্যাংক ভালো হয় তাহলে সেখানে যদি আপনি একটা প্রোফাইল ব্যাকলিংক তৈরী করেন তাহলে আপনার ডোমেইন টা ল্যাংক করাতে সুবিধা হবে। আপনি যতো দামী পেজ র‌্যাংক ফোরামের সাথে আপনার  প্রোফাইল ব্যাকলিংক তৈরী করবেন আপনার ওয়েবপেজ বা যে কোন ওয়েবসাইট দিয়ে- তাহলে আপনরা ওয়েবপেজের র‌্যাংক বাড়বে। সেই সাথে ব্যবহ্রত কি ওয়ার্ড গুলোর র‌্যাংক ও বাড়বে। 
  • আপনার প্রোফাইল ব্যাকলিংকের কারনে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক, ভিজিটর, সেশন এবং লিডস বাড়বে। 
  • সার্চ ইন্জিনে আপনার ওয়েবসাইটের পজিশন বাড়বে। 
  • আপনার ব্যবহৃত কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনার ওয়েভসাইট টা  আস্পেতে আস্তে টপে দেখাবে।
  • কিওয়ার্ড অরথ বা কিওয়ার্ড ভ্যালু, কিওয়ার্ডের লোকাল বা গ্লোবাল ভ্যালূ আস্তে আস্তে বাড়বে। 
  • ওয়েবসাইটের PA বাড়ার সাথে সাথে TA and DA ও বাড়বে যাতে আপনার ওয়েভসাইটের ডোমেইন ভ্যালূ বাড়বে। 
  • ভালো ডোমেইন বা ভালো ওয়েবসাইট র‌্যাংক হলে আপনি অনেক দামে সেল করতে পারবেন। 
  • এবাউট ইউ বা সিগনেচার অংশে ম্যাক্সিমাম টাইমে ১৫০ শব্দ ব্যভহার করবেন এবং একটি কিওয়ার্ড কে হাইপার লিংক করে দিবেন যাতে সার্চেইন্জিনে সেই ডেসক্রিপশন টা শো করে সাথে আপনার ওয়েবসাইট লিংক এবং কি ওয়ার্ড সও। 
(ঘটনা: রুপকার্থে) এক অশিক্ষিত নিরক্ষর লোকের সাথে একবার কথা হইতেছিলো । যার কথা উপরে বলতেছিলাম সেরকম এক রাজাকার (ফাসি) এর সাথে। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম প্রোফাইল বলতে কি বোঝছ? সে উত্তরে বলতাচে হিপ বুঝে। আমি তো থ। কারন জিজ্ঞাসা করাতে বলতাছে- স্বাধীনতা যুদ্ব চলাকালীন সে রাজাকার ছিলো সবচেয়ে কম বয়সী গ্ররপের- তার বয়স ছিলো ৮-১২  বছর। তখণ যে হানাদার বাহিণী বাংলার মা বোনকে অনেক পরিমানে ধর্ষন করতো - তাদেরকে মানে বাংগালী রাজাকারেরা বাংলার মা বোনদেরকে ধর্ষন করতে পারতো না। দালালের কাজ ছিলো দিনে সারা দেশের সুন্দরী মেয়েদের কালেকশন করে (শুনেছি তারা আগেই ঠিক করে রেখেছিলো কোন কোন গ্রাম থেকে কোন কোন মেয়েকে ধরে পা ক হানাদার বাহিনীকে দিবে। সেভাবে পা ক হানাদার বাহিণী জন্তু জানোয়ারের মতোন বাংলার মা বোনের ইজ্জত লুণ্টন করে ফেলাইয়া রাখতো বা মেরে ফেলাইতো।) পা ক হানাদার বাহিণীর হাতে তুলে দেয়া আর রাত ভর রাজাকারি করে বেড়ানো। স্বাধীনতা য়ুদ্বে দালালদেরও ফাসির রায় আছে আইন মোতাবেক  এবং জনগনের মঞ্চ থেকে। একসময় যুদ্বে পদার্পন করে বাংলার মুক্তিযোদ্বারা- ট্রেনিং শেষে। সেখানে মুক্তিযোদ্বাদেরকে বিগ প্রোফাইল হোল্ডার বলা হতো কারন হাতে ছিলো অত্যাধুনিক মেশিনগান। ভারতীয় রা ট্রেনিং শেষে মুক্তিযোদ্বাদেরকে বিগ প্রোফাইল বলে সম্বোধন করতো জয় বাংলার খাতিরে। তখন বাংলার মা বোনদেরকে নতুন করে  ধরে  এনে  ধর্ষনের স্বীকার কমে যাওয়া শুরু করে। সেই সময় পা ক হানাদার বাহিনীকে বাংলার বিরুদিতাকারী দালাল/রাজাকার/আলবদর/আলশামস/দেশবিরোধী রা জিজ্ঞাসা করে- বিগ প্রোফাইল কি? তখন পাক হানাদার বাহিণী তাদের সাথে গে সেক্স করে বলে যে- যার হিফ অনেক বড় তাকে বলা হয় বিগ প্রোফাইল ।আর যে সেই বিগ প্রোফাইলের সাথে গে সেক্স করেছে তাকে বলা হবে বিগ প্রোফাইল হোল্ডার। এর মাঝে সেই সকল দালাল রাজাকার রা বাংলা র মা বোন কে ধর্ষন করতে যাইয়া তাদের সাড়া না পেয়ে প্রথম থেকে- পায়ুপথে সেক্স করতেও দ্বিধা বোধ করে নাই। তাই সেই ধরনের রাজাকারেরা যারা আজো জীবিত- তারা বিগ প্রোফাইল বলতে এই পায়পথে সেক্স বুঝে থাকে। আর আজো এই দেশে - এই ধরনের মিথ্যা মানুষকে শিখাইয়া যাইতাছে। পুরো ঘটনাটা রপকার্থে ব্যবহার করা কারন আমি তো আর সেই সময় জীবিত ছিলাম না। ২/১ খানে শুনে উপমা হিসাবে তৈরী করেছি। তবে সেই ধরনের কালচার এর নিউজ এখন ফেসবুকের এডাল্ট গ্রুপ গুলোতে দেখা যাইতাছে। প্রাপ্ত বয়স্কে এবং পরিনত বয়সে জেনে শূনে ছেলে রা মেয়েদের কে পায়ুপথে সেক্স করার প্রস্তাব দিতাছে আর অনেক মেয়েরা সাড়াও দিতাছে আর মেয়েরাও ইনভাইটেশন দিতাছে। অনেক খানে আবার লেসবিয়ান সেক্সের মেয়েরাও তাদের প্রোফাইল সাজাইতাছে, ফেসবুকে এডাল্ট গ্রৃপে র আমন্ত্রন করতাছে। যা বাংলাদেশে কখনো কেউ কল্পনাও করে নাই। এই ধরনের সেক্স বিশ্বের কোন ধর্মে নাই। এইটাকে নাস্তিকদের কাজ কারবার বলা হয়। কারন তারা কোন ধর্মই পালন করতাছে না। ২/১ জনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম- বলতাছে সেক্সের ক্ষেত্রে বলে কোন ধর্ম  নাই। আমি বুঝলাম ৭১ এর দেশবিরোধী চক্রের জারজ সন্তান এরা। তাই মুক্তিযুদ্ব ভিত্তিক মুক্তিযোদ্বাদের বাংলাদেশে, মুসলিম বাংলাদেশে মুসলমানি করেও এবং নামকা ওয়াস্তে তথাকথিত ধর্ম পালন করে তারা আড়ালে আবডালে এই জঘন্য অপরাধে মেতে উঠেছেন-তাছাড়া বাংলা চটি ফেসবুক গ্রুরপগুলোতে ভয়াবহ অবস্থা সেখানে একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সেক্সুয়াল কাহিণী নিয়ে তারা এক অপরকে বলাবলি করতাছে- কি ভয়ংকর অবস্থা একেকজনের ফেসবুক প্রোফাইলের। 










৩৬০ অলি আউলিয়া ভিত্তিক বাংলাদেশে, মুসলিম ধর্মের বাংলাদেশে এইগুলো তে কল্পনাও করা যায় না। কোন ধর্মেই তো এগুলো জায়েজ না- খ্রিষ্টান, ইহুদি, ক্যাথলিক খ্রীষ্টান বা জুইশ - কোন ধর্মেই বাইসেক্সুয়ালিটি কে জায়েজ বলা হয় নাই- সব ধর্মেই নিষেধ আছে।   প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (#4moreyears) যখন ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় তখণ তিনি আমেরিকাকে বাইসেক্সুয়াল ম্যারেজ  যেনো না হয় সেরকম করার ঘোষনা দিয়েছিলেন। আরো একবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমেরিকা র ক্ষমতায় আসা দরকার যাতে তিনি উনার এই ধার্মিক কাজটুকু সম্পূর্ন করে যাইতে পারেন। 

ইন্টারনেটে বিগ প্রোফাইল বলতে বোঝানো হয় যার নামে ইন্টারনেটে অসংখ্য হোয়াইট হ্যাট এসইও লিংক আসে সার্চ ইন্জিনে সার্চ করার পরে। ফোরাম প্রোফাইল ব্যাকলিংক সেরকম একটি ভ্যাপার। আপনি যতো মেক করবেন ইন্টারনেটের হোয়াইট হ্যাট এসইও তে আপনি ততোই আগাবেন। 


 



Friday, October 30, 2020

ব্লগ কমেন্টার হিসাবে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। ওযেব ২.০ ব্লগ কি?

ব্লগ কমেন্টার হিসাবে আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন। আমাদের মধ্যে যারা এইচএসসি পাশ করেছে তারা সবাই মোটামুটি কম বেশী ইংরেজী জানে। খুব সুন্দর একটা ফরেনার মেয়ের সাথে যদি কাউকে ট্রাভেলার হিসাবে ছেড়ে দেয়া হয় এবং সারা দেশ গুরে দেখানোর দ্বায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে যে কেউ বা যে কারো মুখ থেকে ই অটোমেটিক ইংরেজী বের হয়ে আসবে কারন পাশ করতে হলে আপনাকে অতি অবশ্যই ইংরেজী গ্রামার পড়ে আসতে হয়েছে। ইংরেজী না পড়ে আপনি এতোদূর আসেন নাই।  তো সেই হিসাবে আপনি যদি ব্লগ কমেন্টার হতে চান তাহলে আপাকে কিছু কিছূ বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে , কারন হোয়াইট হ্যাট এসইও জগতে একজন ব্লগ কমেন্টারের অনেক দাম বা ভ্যালু আছে। সফটওয়্যার বা এসইও টুলস দ্বারা ব্লগ কমেন্টং করাকে ব্ল্যাক হ্যাট এসইও বলা হয়ে থাকে বা সেটা ইন্টারনেটে জানা থাকে বা ইন্টারনেট জানে যে - কোনটা সফটওয়্যার কমেন্টস কারন ইন্টারনেট সফটওয়্যার থেকে অনেক গুন বেশী চালাক।  




  • খুব ভালো করে ইংরেজী টা রপ্ত করে নিতে হবে। 
  • ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান এসন্টে ইংরেজী লেখার চর্চাটা করতে হবে।
  • এমনভাবে ইংরেজী লেখার চর্চা করতে হবে যেনো সেটা বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা পছন্দ করে। 
  • খুব ভালো এসইও কিওয়ার্ড রিসার্চার হতে হবে।
  • ব্লগ বা বিভিন্ন ধরনের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আর্টিকেল বা ব্লগ পোষ্টের ণীচে কমেন্ট করতে হবে। 
  • ডু ফলো বা নোফলো মেথডে কিভাবে ব্লগ কমেন্ট করতে হয় তা জানতে হবে। 
  • বেসিক এইচটিএমএল এর ব্যাপারে জানতে হবে।
  • যে কোন একটা ক্যাটাগরিকে সিলেক্ট করতে হবে। যেমন: আপনি ট্রাভেল কে ভালো বাসলে ট্রাভেল ক্যাটাগরীতে লেখার জন্য একস্পার্ট  হতে হেএ। একটা ক্যাটাগরি চয়েজ করার জন ্যআপনাকে অনেকেই এইভঅবে বলবে যে: ট্রাভেল ব্লগ পোষ্ট কমেন্টার। 
  • ক্লায়েন্ট বা বায়ারের দেয়া কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আর্টিকেল টা পড়ে আর্টিকেল বা ব্লগ পোষ্টের উপরে কমেন্ট করতে হবে। 
  • কমেন্ট টা অতি অবশ্যই রিলেভেন্ট হতে হবে যেনো ব্লগ এর মালিখ বা আর্টিকেল রাইটার কমেন্টটা একটিভ রাখে। যে কোন ব্লগার বা ওয়েভসাইট অনার কিন্তু আপনার কন্টেকে ডিলেট করে দোবর ক্ষমতা রাখে। 
  • সার্চ ইন্জিনের চোখকে ফাকি দেবার চেষ্টা করবেন না।
  • প্রতিটা ব্লগ কমেন্ট ১০০% ইউনিক হতে হবে।


অনেকেই আছে ব্লগ (blog) বলতে ব্লক (block) কে বুঝতে থাকে। ব্লগ (blog) এবং ব্রক (block) দু্টা ভিন্ন জিনিস। যেমন: ব্লগ (blog) বলতে ওয়েবসেইটে বা ব্লগার ব্লগে( blogger.com) লেখালেখি বুঝে থাকে। আর ব্রক (block) বলতে সাধারনত একটি এলাকা বোঝানো হয়। যেন: উত্তরা এতো নম্বর সেক্টরের ডি ব্লক(D Block) বা এফ (F Block) ব্লক। ১৯৪০-৪৫ এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের সময় বাংলাদেশ কে একটি ব্লকে (Block) রাখা হয়েছিলো। যখন বিশ্বে যুদ্ব হয় তখন যুদ্ব এলাকাকে একটি ব্লকে রাখা হয় - এইটা যুদ্বরত সামরিক বাহিণীর নিয়ম। তারা ব্লক তৈরী করে প্ল্যান করে করে যুদ্ব করে যুদ্বে জেতার জন্য। তো সেই ব্লক আর ব্লগের মধ্যে বিস্তর তফাত। আমাদের দেশে  ইন্টারনেট প্রফেশনালদের সবচেয়ে বড় যে সমস্যা তা হইতাছে-শব্দগত জট। তার উপরে তারা একবারেই গুগল করতে চায় না। ফলে অনেক সময় অনেক শব্দই তারা জানতে চায় না বা জানার ইচ্ছা পোষন করে না। আসলে জানার কোন বিকল্প নাই। একসময়ে বর্তমান বাংলাদেশের নাম ছিলো পূর্ব বাংলা। সে সময়ে বাংলাদেশের ছাত্র ছাত্রীরা তৈরী করেছিলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নামের পৃথিবীর একমাত্র ছাত্র রাজৈনৈতিক সংগঠন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত যে আদর্শ আর নৈতিকতার রাজনীতি করেছিলো তা এখন আর বাংলাদেশে নাই। এখন তাদের রাজনীতি অস্ত্র, সন্ত্রাস আর ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতি। বাংলাদেশের অনেকেই হয়তো জানেই না যে : বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তৈরী হয়েছে ১৯৪৮ সালে- কারন তারা এই ব্যাপারটা বলার চেষ্টা করে না আর তাদের অনেক সময় হিসাবও মিলে না। সেই আদর্শ আর নৈতিকতার ছাত্র রাজনিীতিকে ডাকা হইতো বিসিএল (BCL- Bangladesh Chattra League) নামে আর যেদিন থেকে আদর্শ আর নৈতিকতা বন্ধ হয়ে গেলো সেদিন থেকে এই সংগঠনের নাম হয়ে গেলো (বিএসএল- BSL- Bangladesh Student League)। অনেকেই বাংলাদেশে আমার ইউজার নামের সাথে বিসিএল BCL শব্দটা নিয়ে ঘোট  লাগানোর চেষ্টা করে - কিন্তু অরিজিনাল সত্য কথা হলো- এই নামটা আমি ইন্টারনেটে মাইক্রোসফট বা যে কোন একটা ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরী করার সময়ে পেয়েছিলাম- যে কোন ওয়েবসাইটে কেউ যদি পুরো পুরি ফুল ডিটেইলস ব্যবহার করতো ( প্রথম নাম, শেষ নাম, জন্ম তারিখ, ভোটার নম্বর, পাসওয়ার্ড, মোবাইল নাম্বার, বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা, ষ্টুডেন্ট ডিটেইলস ইত্যাদি) তাহলে  ওয়েবসাইট নিজেই কিছু ইউজার নেম সাজেষ্ট করতো। আমি সেখানে থেকেই MASUDBCL or masudbcl নামটা সিলেক্ট করেছি সেই ইউজার নেম লিষ্ট সাজেসনস দ্বারা ইন্টারনেটে বসে থাকাবস্থায়। তখণ আমার এই BCL or BSL ইতিহাস জানা ছিলো না। 




যাই হোক ব্লগ করে অনেক অনেক ডলার উপার্জন করা যায়। পৃথিবীর প্রত্যেকটা ওয়েবসাইট যেগুলো খুব বেশী নামী দামী সেগুলো সবগুলোর সাথে ব্লগ থাকে। ফেসবুকের ব্লগ আছে, ইউটিউবের ও ব্লগ আছে। সব নামী দামী ওয়েবসাইটের ব্লগ আছে। ব্লগে সাধারনত বড় সড় আপডেট গুলো ইন ডিটেইলস জানানো হয়ে থাকে। যা দেখে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা ব্যবহারকারীরা একটা ওয়েবসাইট এর ডিটেইলস বা আপকামিং আপডেট সম্বন্ধে জানতে পারে। পৃথিবীতে অনেক ভিজিটর আছে যারা প্রতিনিয়ত ব্লগ পড়ে থাকে। আবার অনেকেই আছে শখে ব্লগিং করে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা খুব চমতকার ব্লগ করে থাকে।  অনেকে ব্লগ করে অনেক চমতকার চমতকার ডিজাইন করে থাকে। আমি আমার ইন্টারনেট প্রফেসনাল লাইফে এমন অনেক শত শত ক্লায়েণ্ট পেয়েছি যাদের নিজস্ব ব্লগ আছে এবং খুবই চমতকার ডিজাইন করা। তো আমি আমার অনেক ক্লায়েন্ট কে জিজ্ঞাসা করেছি তো বলতাছে যে : সবগুলো ডিজাইন তাদের নিজেদের করা্ মখ করে করেছে। ব্যবসার প্রয়োজনে করেছে। বা নিজের ভালো লাগা থেকে করেচে। যেমন: আমিও আমার ইন্টারনেট ব্যবহারের জায়গা থেকে এই ব্লগ করে থাকি। আমার কাছে ভালো লাগে এবং আমি আমার পরিচিতজনদেরকে কিছু শিখানোর চেষ্টা করি বা নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। এ যাবতকালে ওয়েবসকে ১.৩ টেকনোলজী দ্বারা প্রকাশ করার পরে ওয়েব ২.০ টেকনোলজীর আবির্ভাব ঘটে যেখানে ব্লগ কে সার্চ ইন্জিন এপ্ররুভাল দেয় এবং নানাবিধ প্রোগা্রামরদের ভালো ভালো প্রোগ্রামের কারনে এসইও তে খুব ভালো ফ্যাক্ট তৈরী করে ওয়েব ২.০ ব্লগ। সেজন্য যে কোন ওয়েবসাইট বা প্রোডাক্ট বা ব্লগের জন্য বা সার্ভিসের জন্য ইন্টারনেট জগতে ব্লগ বা ব্রগ কমেন্টের একটা বিশাল অবদান আছে। ব্রগ কমেন্টের ফলে একটা পন্য বা পারসন (ব্রগ কমেন্টার এর) বা ওয়েবসাইটের কি কি পরিবর্তন হতে পারে:


 

  • হোয়াইট হ্যাট এসইও নিয়ম মোতাবেক যে ব্রগ কমেন্ট করা হয়- সেখানে যে কিওয়ার্ড থাকে সেটা গুগলের সার্চ ইন্জিনের রেজাল্ট পেজে উঠে আসে। ফলে যার ব্রগ তার ব্রগ এড্রসটা হাইলাইট হয়ে থাকে।
  • ব্রগের লিংকটাতে ভিজিটর আসে এবং ট্রাফিক আসে আনলিমিটেড। 
  • ব্লগের যে কন্টেন্ট তা অনেকের চোখে আসে যাকে আমরা ইমপ্রেশন বলে থাকি। 
  • যে ব্লগ কমেন্ট করেছে তার প্রোফাইল দেখা যায়। 
  • যে ব্লগ কমেন্টার তার প্রোফাইলে র থাকা সমস্ত লিংক এবং অনেক ক্ষেত্রে কমেন্টস কে শো করানো যায়।
  • ব্লগ কমেন্টারের হায়ারিং প্রোফাইল লিংকে দেখে তাকে হায়ারিং স্কোপ তৈরী করা যায়। 
  • ভালো মানের ডু ফলো বা নো ফলো কমেন্টের কারনে ব্লগ এড্রসটা অনেক সময় Search Engine Result Pages দেখায়। 
  • স্পেসিফিক কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে সার্চ করে সার্চ ইন্জিনের রেজাল্ট পেজে আপনার কমেন্ট করা ব্লগ এড্রস টা খুজে পেতে পারে। 
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages এ দেখায় তাহলে সেখানে আনলিমিটেড ট্রাপিক জেনারেট হতে পারে। 
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages এ দেখায় তাহলে সেটা সারাজীবন ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে পারবে। 
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages এ দেখায় তাহলে ব্লগে থাকা পন্যের সেলস বেড়ে যাবে। 
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages দেখায় তাহলে TA, DA, PA বেড়ে যাবে।
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages তাহলে এককথায় সার্চ এর ট্রাফিক বহু গুনে বেড়ে যাবে যা দিনে দিনে তার ওয়েবসাইট বা পন্য েক পপুলার করেতে পারে। 
  • অনেক সময় অনেক সার্চ ইন্জিন সেই ব্লগ পোষ্ট কে আগে দেখাবে যার ব্লগ পোষ্টে বেশী থেকে বেশী কমেন্টস থাকবে। 
  • রিয়েল কমেন্টস করলে আপনার একজন ব্লগ কমেন্টার হিসাব েক্যারয়িার তৈরী করার সুযোগ থাকবে। 



Web 2.0 ব্লগ বা ওয়েবসাইট খুব জনপ্রিয় একটা ইন্টারনটে টার্ম যা প্রত্যেক এসইও ওয়ার্কার জানে এবং ব্যবহার করে তাদের ওয়েবসাইট রেজাল্ট কে টপে রাখার জন্য এবং তাদের ওয়েভসাইটে আনলিমিটেড নাম্বার অফ ভিজিটরস আনার জন্য। ওয়েব ২.০ ব্লগ ব্যবহার করা খুবই সহজ। এদের কন্টেন্ট আপলোড পলিসি খুব সহজ এবং সোশাল মিডিয়া শেয়ারিং পলিসিও অনেক সহজ। সো এইখঅনে আপনি আপনার কন্টেন্ট রাখতে পারেন বা ব্লগ রিখে রাখতে পারেন, হাইপারলিংক করতে পারেন ডু পলো বা নো ফলো, ইউনিক কন্টেন্ট ব্যবহার করতে পারেন, ইউনিক ছবি বা ইমেজ ব্যবহার করতে পারেন এবং ইউনিক অডিও বা ভিডিও ফাইলও আপলোড বা প্রমোট করতে পারেন। 





ব্লগার ব্লগ, ওয়ার্ডপ্রেস এগুলো ওয়েব ২.০ প্লাটফর্ম। এগুলোতে কোন আর্টিকেল লেখা  বা প্রমোট করা খুব সহজ। ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে বিশ্বে হাজার হাজার ওয়েবসাইট বানানো হয় প্রতিদিন। নীচের ছবি গুলো তে আপনি কিছু ওয়েব ২.০ ব্লগ লিষ্ট পাবেন। সেগুলোতে ইচ্চা করলে আপনি প্রোফাইল তৈরী করতে পারবেন বা আপনি আপনার ব্লগ বা কন্টেন্ট কে প্রমোট করতে পারবেন এবং আপনার প্রোফাইল বা ব্লগ কে সারা বিশ্বে প্রমোট করতে পারবেন বা আপনার মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল নিয়ে আপনি আর্টিকেল লিখতে পারেন- সেখানে আপনি আনপরা মার্কেটপ্লেসর প্রোফাইল কে ইনসার্ট
করে দিতে পারেন যেনো আপনরা এসইও রিসার্চ, এসইও কিওয়ার্ড রিসার্চের উপর ভিত্তি করে মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল কে হাইলাইট করতে পারেন যেনো আপনার প্রোফাইলে বিশ্বের যে কোন দেশের যে কোন ক্লায়েণ্ট বা বায়ার আপনাকে হায়ার করতে বা কাজ দিতে উদ্বুদ্ব হয়। এইভাবে যারা কাজ আনতে পারে তারা রিয়েল মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার বা সেলার। 



ওয়েব ২.০ প্লাটফর্মে আপনি যখণ কোন আর্টিকেল লিখবেন তখণ আপনাকে হোয়াইট হ্যাট এসইও এর সকল নিয়ম পালন করতে হবে। ধরেন আপনি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস সেল করে থাকেন। তাহলে আপনি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিসের সেলের উপরে ডিপেন্ডস করে একটি আর্টিকেল লিখবেন এবং সেখানে আপনি দরকারি বা প্রয়োজণীয় কি ওয়ার্ড গুলোকে হাইপার লিংক করে আর্টিকেল টি লিখবেন এবং আপনার প্রোফাইল /মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল বা সার্ভিসগুলোকে হাইলাইট করে দিবেন। মনে রাখবেন আপনি কখনোই ডুপ্লিকেসি কিছু করবেন না। কোন কন্টেন্ট কে ডুপ্লিকেট করবেন না। পলে সার্চ ইন্জিন আপনার কন্টেন্ট কে উপরে রাখবে এবং কেনা না কোন দেশের বায়ারের চোকে পড়বে এবং আপনার প্রোফাইলে কাজের অর্ডার আসবে। 





আগে যে সকল মার্কেটপ্লেস ছিলো সেগুলোর মধ্যে অনেকগুলোর ই এখন বাজে অবস্থা। সহজে ফরেন ক্লায়েন্টরা ভিড়তে চায় না। তাই আপনার জন্য ভালো হবে একটা নতুন ব্লগার ডট কম বা অন্য কোন মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল ওপেন করে সেখানে কাজ আনার চেষ্টা করা। আপনার কাছে যদি পেমেন্ট সল্যুশন থাকে যেমন পাইওনিয়ার সেটা উল্লেখ করবেন - ক্লায়েণ্ট সরাসরি আপনাকে পে করবে। আপনি যদি নিয়মিত চোখ রাকেণ বা আমার ব্লগ টা রেফার করেন তাহলে ভবিষ্যতে আপনি আশা করি আরো অনেক টেকনিক জানতে পারবেন। কোন কন্টেন্ট কপি করা থেকে সাবধান কারন ব্লগারদের সব লেখাই কপিরাইট আইনে সিক্ত। 

SEOClerks

Thursday, October 29, 2020

Blogger, Blog Writer, Blog Post Writer, Blog Commenter বলতে কি বোঝেন?



Blogger ব্লগার বলতে আমরা সবাই পৃথিবীর বিখ্যাত ফ্রি হোষ্টিং বেজড ব্লগ ওয়েবসাইট কে ব্লগার বলা হয় যেখানে আপনি আপনার নামের জিমেইল দিয়ে রেজিষ্ট্রশন করলে ফ্রি ব্লগস্পট ডট কম ডোমেইন পাবেন এবং আপনার যতো মনে চায় ততোই পোষ্ট দিতে পারবেন। ব্লগার একটি আমেরিকান কোম্পানী যারা লাঞ্চে আসে ১৯৯৮ সালে এবং গুগলের সাথে একীভূত হয় ২০০৬ সাল থেকে জানা মোতাবেক। যারা প্রতিনিয়ত বা নিয়মিত  ব্লগারে  ব্লগ লিখে বা ব্লগ করে তাদের কে সাধারনত ব্লগার বলে ডাকা হয়। অনেকেই আছে মনিটাইজেশন ছাড়াই লিখে কারন তাার লিখতে ভালোবাসে। যেমন: ধরেন উদাহারন: একজন কবি বাংলাদেশের বিখ্যাত কবিতা লিখে। তার কবিতা অনেকেই ভালোবাসে এবং তার ভক্ত কিংবা গুনগ্রাহী অনেক। যারা ভক্ত বা গুগনগ্রাহী তারা সকলে মিলে কবির কবিতা নিজে পড়ে এবং পরিচিতজনদেরকেও পড়ার জন্য রেফারেন্স দেয়। এখন কথা হলো: সেই কবি যদি তার সব কবিতা বাহিরে বই হিসাবে না ছাপায় (স্পেশাল কবিতাগুলো শুধূ ছাড়ায়) বা না লিখে এবং সেগুলো যদি সে ব্লগার ব্লগে লিখে থাকে প্রতিনিয়ত তাহলে তার যারা ভক্ত তা গুনগ্রাহী তারা কিন্তু প্রতিনিয়ত প্রত্যেকটা কবিতা পড়তে পারবে আর উনিও তার অগাছোলো কবিতাগুলোওে সবাইকে দিয়ে পড়াতে পারবে- অন্যান্য কবি দেরকে দিয়ে এডিট ও করাইয়া নিতে পারবেন, ব্লগের নীচে যে কমেন্ট বক্স থাকে সেখানে যদি অন্যান্য সকল কবি বা ভক্ত বা গুনগ্রাহী রা একটু একটু এডিট করে দেয় তাহলে সেগুলো হয়তো আবারো উনি ছাপিয়ে বা প্রিন্ট করে নাম করতে পারবে এবং প্রয়োজেন হয়তো উপার্জন ও করতে পারবে। কিন্তু উনি যদি কবিতা বাহিরে প্রিন্টাকারে না ছাপিয়ে শুধূ ব্লগার ব্লগ ছাপায় আর তার সাথে মনিটাইজেশন এড করে তাহলে কিন্তু গুগল সেটাকে মনিটিইজেশন করবে এবং যা উপার্জন করবে সেটা প্রতি মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার গুগলের অফিস থেকে বাংলাদেশে তার ব্যাংক একাউন্টে আইসা এড হবে। শুধূেএকটা সার্কেলে যদি উনি তার কবিতা লিখে থাকেন বা প্রকাশ করে থাকেন তাহলে কিন্তু সারা দুনিয়াতে কবির যতো ভক্ত আছে সমস্ত ভক্তরা সমস্ত কবিতা থেকে বঞ্চিত হইতাছে। কারন তারা ও একসময় কবির ভক্ত ছিলো। হয়তো তারাও কবির কবিতার বই বা কবিতা অনলাইনে খুজে বেড়ায়। কবির মতো যতো কবি আছে আর তাদের যতো বই আছে - সব বই যদি এমাজনে তোলা থাকতো তাহলে যে কোন বাংগালী যে কোন সময়ে যে কোন খানে বসে থেকে যে কোন বই কিনে পড়তে পারতো। প্রত্যেকটা বই এর একটা পিডিএফ ভারসন বা ট্যাব ভারসন থাকতো যাতে সারা বিশ্বের বাংগালী তরুন প্রজন্ম সেটা জায়গায় বসে থেকে পড়তে পারতো।  আর যারা প্রকাশনী তাদের ও কম বেীশ লাভ থেকে যাইতো। যেমন: রকমারি ডট কম বাংলাদেশের লোকাল ইন্টারনেট বই প্রকাশনী। 


কিভাবে ব্লগার ব্লগ লিখে আপনি মনিটাইজেশন এড করবেন তা নিয়ে আমার একটা বিশাল ভিডিও আছে প্রায় ৫০ মিনিটস। এইখানে আমি কবির এর উদাহরন দিলাম কারন উনার ক্রিয়েটিভিটি এর কারন  উনি হয়তো অনেক তথ্য বা উপাদান  (হয়তো একটা কবিতার রাফ যদি ব্লগে পোষ্ট করতো তাহলে ১০/১২ জনের সাহায্য নিয়ে কবিতাটা উনি বানাইয়া ফেলাইতে পারতেন সহজে কিন্তু বাস্তবে হয়তো সেই কবিাতাটার পঙক্তি গুলো উনি ডাষ্টবিনে ফেলে দিতাছেন যতোক্ষন পর্যন্ত তার মন মতো কবিতাগুলোর লাইন একুরেটলি বের না হয়ে আসতাছে) করে ফেলাইতাছেন।  এখানে উনি যে বাক্য বা শব্দ বা পংক্তি রচনা করতাছেন সেটা সারা বাংলাদেশের সকল কবির জন্য একটা এক্সাম্পল হয়ে থাকবে কারন উনাকে ফলো করে যারা কবিতা লিখে থাকেন তারা উপকৃত হবার কথা। উনার কথা, বাক্য, শব্দ গুলো একসাথে করে যদি কেউ ব্লগার পোষ্টে ব্যবহার করে আর যদি কেউ গুগলে সেই নাম লিখে বা বলে সার্চ দেয় তাহলে সেই লেখাটা দেখাবে - সেখানে হাজারো ভিজিটর আসবে, কমেন্টস তৈরী হবে এবং সেই খানে গুগল ইনকরপোরেশন একটা এড দেখাবে। এই ব্যাপারটাও আগেও বাংলোদেশের অনেক কবি রা করেছেন এবং আর্থিক ভাবে বেনিফিট ও হয়েছেন গুগলের মনিটাইজেশন করে। তাছাড়া যদি উনি গানের লিরিকসও লিখে থাকেন তাহলে সেইটাও একটা প্রপার্টি। সারা দিনে যদি ১০০ টা লাইন তৈরী করেন ১ টা বা ২ টা হয়তো যারা গান বাজান তাদেরকে দিয়ে থাকেন কিন্তু সারা দিনে নিজের মনের ভেতর থেকে বের হয়ে আসা ১০০ টা গানের লাইন বা ১০টা কবিতার ছন্দ যদি উনি ইন্টারনেটে ব্লগে লিখে রাখেণ বা কাউকে দিয়ে লিখিয়ে রাখেণ আর তার উপরে উনার ভক্তদের কাছে কমেন্টস চান তাহলে হয়তো সেই ৯০ টি গানের লাইন পরিপূর্ন হতো বা আরো ২০টি কবিতার লাইন বের হয়ে  আসতো। এ্কইসাথে উনার সবগুলো চিন্তা চেতনাও একেবারে ১০০% ফুল ফিল হতো। কোথাও কোন ওয়াস্টেজ হতো না। এইখানে কবির মূল সম্পদ- শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে থিংকিং, বাস্তবে শব্দচয়ন এবং তার ব্রেইনে আসা শব্দ, বাক্য বা রচনা সমগ্র। এইগুলোকে আমরা এসইও এর ভাষাতে টেক্সট বলে থাকি।  আর টেক্সট এর উপরে ভিত্তি করে গগুল যখন এড দেখাবে সেটাকে টেক্সট মনিটাইজেশন বলা হয়। এডসেন্সের মনিটাইজেশনে ১০০% মনিটাইজেশন ভ্যালু পাওয়া যায়। Audio Track, Video Cut Piece ও চাইলে যে কেউ আপলোড করতে পারে এবং তার উপরে ভিত্তি করে মনিটাইজেশন আনতে পারে। যেমন ধরেন: একজন এক্টরের এর অনেক নাটক হয়। সেগুলো র সব শট ওকে হয় না। অনেক শট আছে ফেলে দিতে হয়। সেই ফেলে দেয়া শটগুলোকে যদি কোন ব্লগে আপলোড করা হয়- তাহলে সেই ব্লগে এক্টরের যতো ফ্যান বা ফলোয়ার আছে তারা আসবে এবং সেগুলো দেখে ফান নিবে। এইটা শুধু একজন এক্টর ভাই বলে কথা না, এইটা যে কোন ফ্যাশন বা টিভি নায়ক নায়িকাদের জন্য খুব দরকারি একটা সম্পদ যা দিয়ে ব্লগার ব্লগে এডসেন্স মনিটাইজেশন করতে পারবে। যতো অডিও সিংগার আছে তাদের যতো প্র্যাকটিস আছে তাও তুলে রাখতে পারেন কারন এইগেুলো সবই সম্পদ। আপনি যতোবার প্র্যাকটিস করতাছেন ততোবারই আপনি ক্রিয়েটিভিট মেক করতাছেন। আর সে প্রাকটিস গুলো যদি আপনি শেয়ার করেন তাহলে আপনিও ১০০% মনিটাইজেশন নিয়ে কাজ করতে পারবেন আর পুরো ব্যাপারটাই ফ্রি। যেহেতু মেধা সেহেতু সেটাকে ইউটিলাইজ করতে সমস্যা কি? ব্লগার ব্লগে গগুলের মনিটাইজেশন নিতে আপনার ১ টাকা বা ১ ডলারও খরচ হবে না। নীচের ভিডিওটি দেখলে আপনি পুরেপুরি বুঝতে পারবেন। যারা ফটোগ্রাফার তারা ও তাদের ওয়াস্টেজ ছবিগুরো ব্যবহার করতে পারেন। এইখানে হোষ্টিং আনলিমিটেড এবং ফ্রি। পারসোনাল ডোমেইন যদি কেউ ব্যবহার করতে চায় তাহলে বাৎসরিক খরচ ম্যাক্সিমাম ১০০০ টাকা।আর যদি কেউ পেইড থিম ব্যবহার করতে চায় তাহলে লাইফটাইমের জন্য খরচ ৫০০০ টাকা। তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি ফ্রি ব্লগার থিম এবং ফ্রি সাব ডোমেইন ব্যবহার করা হয় প্রথমে। 



সোশাল মিডিয়া জগতে যেমন:  লাইক বা ফলোয়ার না আসলে অনেকের মন খারাপ হয় (যদিও সকল ধরনের লাইক বা ফলোয়ার কিনতে পাওয়া যায়) তেমনি যারা ব্লগার বা ব্লগ রাইটার বা ব্লগ পোষ্টার বা ওয়েবসাইট ওনার তাদের ওয়েবসাইটে যদি ট্রাফিক বা ভিজিটর না আসে তাহলে কিন্তু সেখানে কোন মনোযোগ পাওয়া যায় না। একজন ওয়েবসাইট অনারের মূল বসিয়ই হলো ট্রাফিখ বা ভিজিটর। আর সেটা যদি হয় এসইও কিওয়ার্ড বেজড - তাহলে তো কথাই নাই। মনিটাইজেশণ জগতে সাকসেস হবার সবচেয়ে বড় মূল মন্ত্র- ট্রাফিক এনালাইসিস। কে কে আমার ব্লগ ভিজিট করতাছে, কে কোন টপিকস পছন্দ করতাছে এবং কে কে ব্লগ ভিজিট করতাছে বা কে কোন দেশ থেকে ভিজিট করতাচে েএই ব্যাপারগুলো খুব মূখ্য বিষয়। কেউ যদি খুব ভালো ব্লগার হয় তাহলে তারে ভালো ব্লগ ট্রাফিক এনালাইজার হতে হবে প্রথমে । 



উপরের ছবিগুলো দেখলে বুঝতে পারবেন আমার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটরের সিচুয়েশণ। আমাদের দেশে অনেকেই আছে  বিনা কারনে ভিপিএন ব্যবহার করে থাকে। বিনা কারন েভিপিএন ব্যভহার করা ডিভাইসের জন্য রিস্ক কারন সেখানে হ্যাকার রা আইসা ঘাপটি মেরে বসে থাকতে পারে। আপনার ডিভাইসের যতো গোপন ডাটা আছে তাও কারেক্ট করে নিতে পারবে। এইখানে দেখেন আমার এই ব্লকটা রিকভার হয়েছে জুন ২০১৮ থেকে। আমি এখনো এই ব্লগের তেমন কোন হোয়াইট হ্যাট এসইও করি না। শুধূ কিওয়ার্ড এবং হাইপারলিংক যেটা গুগল বা যে কোন সার্চ ইন্জিনে  যেনো দেখা যায়। তাতেই আমার ভিজিটর প্রায় ৫১০০০ ছাড়িয়ে গেছে। জুন ২০১৮ থেকে এখন অক্টোবর ২০২০: ২৮ মাসে এই ট্রাফিক। হংকং একটা বৌদ্ব দেশ। সেখানে আমার বাংলা ব্লগ দেখার কথা না। বৌদ্ব দেশগুলোতে আমার তেমন কোন ফলোয়াও নাই। সো এইটা আমাদরে দেশের পোলঅপানেরা ফুদাই ভিপিএন দ্বারা ওয়েবসাইট ভিজিট করতাছে যার ফলে এই হংকং  টা সবার উপরে দেখাইতাছে। এই ভিজিটর রা যখন আপনার ওয়েবসাইটে থাকবে বা অবস্থান করবে বা রেগুরাল ভিজিট করবে তারা এই খানে লিষ্টিং হবে। আমরা যারা ব্লগার তারা যদি নাও জেনে থাকি যে কে কোথা থেকে কোন ডিভাইস দ্বারা ব্যবহার করতাছে কিন্তু যারা ব্লগার ওয়েবসাইট কন্ট্রোল করে থাকে প্রতিনিয়ত: তারা যখন দেখবে যে ডিভাইস লোকেশন বাংলাদেশে আর ইন্টারনেট লোকেশন হংকং তখন অযথাই একটা ঝামেলার সৃষ্টি হতে পারে। পারহেপস আপনার মোবািইল টা বা ডিভাইস টা রিস্কে পড়ে যেতে পারে। কি কি রিস্ক হতে পারে চলেন দেখি: 
  • ওয়েবসাইট ব্রাউজারের বা ডিভাইসের কুকিজ হইতাছে হ্যাকারদের খাবার। আপনি বিনা কারনে ভিপিএন ব্যবহার করার কারনে হ্যাকার রা আপনার ডিভাইস পর্যন্ত আইসা ঘুইরা যাবে। 
  • ভিপিএন একধরনের বাইপাস কানেক্টেভিটি। আপনি আপনার ডিভাইসে ভিপিএন ওপেন করার সাথে সাথে ইন্টারনেট গেটওয়ের মেইন কানেক্টিভিটি এবং ভিপিএন দুইটাকেই ক্যাচ করবে কিন্তু আপনার ডিভাইস তৈরী করা থাকবে শুধূ এক ধরনের কানেক্টেভিটি মেইনটেইন করার জন্য। ফলে আপনার ডিভাইসের হ্যাক হবে বা ক্ষতি হতে পারে। 
  • হ্যাকারাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য থাকে ক্রেডিট কার্ড। যদি আপনার ডিভাইসে ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশন থাকে তাহলে আপনি পুরোটাই রিস্ক। তাই আপনি কারন ছাড়া অযথাই ভিপিএন ওপেন করবেন না। 
এই ধরনের কোন ব্যাপার নাই যে- ভিপিএন দ্বারা কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে হয়। যে সকল ওয়েবসাইট বন্ধ সে সকল ওয়েবসাইট দেখার জন্য আপনি ভিপিএন সুবিধা নিতে পারেন। কিন্তু যে ওয়েবসাইট ভিপিএন ছাড়া ওপেন হয় সেটা যদি আপনি ভিপিএন দিয়ে দেখতে চান তাহলে আপনি হ্যাকারদের খপ্পড়ে পড়বেন। আমার ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলা। 

ব্লগার: ব্লগার ডট কমে যার একাউন্ট আছে তাকেই ব্লগার বলা হয়্। এই একাউন্ট ওপেন করা একেবারে ফ্রি। আপনার জিমেইল একাউন্ট থাকলে সেটা দিয়ে ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন ব্লগার ডট কমে। তারপরেও আপনি একজন ব্লগার বলে গন্য হবেন। ধারনা করা হয় কয়েকশো কোটি ব্লগার আছে ইন্টারনেট দুনিয়াতে। 

ব্লগ রাইটার/ব্লগ পোষ্ট রাইটার: ব্লগার ডট কম বা যেকোন ধরনের ব্লগ ওয়েবসাইটে ব্লগ করে যদি আপনি নিয়মিত লেখালেখি করে থাকেন তাহলে আপনাকে ব্লগ রাইটার বলা যায়। ব্লগার ডট কম বা ব্লগ ডট কম বা যেকোন ওয়েভ ২.০ ব্লগ প্লাটফর্ম ছাড়া যদি আপনি নিজে একটা ওয়েবসাইট তৈরী করেন এবং সেখানে ব্লগ লেখার ফ্যাসিলিটজ থাকে তাহলে তাকেও ব্লগ রাইটার বলা হবে। যেমন: প্রজন্মব্লগ ডট কম  একসময় ছিলো বা সামহোয়ারইন ব্লগ ডট নেট - এগুলোতে নিজে ব্লগ মেক করে নিজের মতো করে লিখা যায় বা আপনি নিয়মিত কমেন্ট করেও ব্লগ কমেন্ট করতে পারেন। এই দুইটা ওয়েবসাইট ব্লগ রাইটার, ব্লগ পোষ্ট রাইটার হিসাবে অভিহিত করা যায়। প্রজন্ম ব্লগ একসময় খুব বিখ্যাত ছিলো। হোয়াইট হ্যাট এসইও যারা করে তারা সামেন যে ওয়েভসাইট পাবে সেটাই রেজিষ্ট্রেশন করে প্রোফাইল লিংক তৈরী করবে তার পারসোনাল ওয়েবসাইট কে র‌্যাংক করানোর জন্য। তো আমিও মাঝে মাঝে ২/১ বার ডুকেছিলাম প্রজন্ম ব্লগ ডট কমে। আগে কুব পপুলার ছিলো লোকালি বাংলা লেখতে পারার জন্য কিন্তু সেটার বিরুদ্বে রাষ্ট্রীয় এবং আইনি বাধা এবং দেশের ধর্মপ্রান মুসুল্লীদের দাবীর কাছে বন্ধ করে দেয়া হয়। হয়তো দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী বা ধর্মবিরোধী কিছু ছিলো বা থাকতে পারে। তো একবার প্রায় মাঝরাতে একজন গোয়েন্দা পুলিশ অফিসার আমাকে জানায় যে: মাসুদ তুমি কি প্রজন্ম ব্লগ দেখেছো। আমি বললাম নাম শুনেছি। তো বলতাছে যে: এইখানকার কয়েকটা পোষ্ট পরে আমাকে জানাও যে তারা কেমন? পরে উনি যে ধারনা পোষন করেছিলেন তার সাথে ব্যাপারটা মিলে যায়। উনি আমাকে এও বলেছিলেন যে- প্রয়োজেন তুমি সেখানে রেজিষ্ট্রেশন করে কয়েকটা পোষ্ট পড়ে আমাকে জানাবে। আমিও যথারীত তাই করেছিলাম এবং উনার ধারনার সাথে আমার ধারানা টা অনেকটা মিলে যায়। তো একজন যদি কেউ নিজেকে প্রজন্ম ব্লগার বলে তাহলে কি সেটা ঠিক হলো। ব্লগার ডট কম তো আমেরিকাতে রেজিস্ট্রেশন করা একটি ইন্টারনেট ব্লগ ওয়েবসাইট যেখোনে ফ্রি সাবডোমেইন পাওয়া যায় বা ফ্রি হোস্টিং পাওয়া যায়। আর প্রজন্ম ব্লগ তো একটা ওয়েবসাইট যেটার ডোমেইন আছে এবং হোষ্টিং সুবিধা ও লিমিটেড থাকে। তাহলে প্রজন্ম ব্লগার হরো কি করে? তারা প্রজন্ম ব্লগার না - তার প্রজন্ম ব্লগ ওয়েবসাইট রাইটার। আর সামহোয়ারইনও সেইম। একইরকমÑ কেউ যদি বলে যে; সে সামহোয়ারইন ব্লগার তাহলে ভ্যাপার টা ঠিক হলো না। ব্যাপারটা হবে- সামহোয়ারইন ব্লগ ডট নেট ওয়েবসাইট ব্লগ রাইটার। ব্লগার এবং ব্লগ রাইটারের মধ্যে এই একটা তফাত। ব্লগারদের কে যারা পচানোর চেষ্টা করেছে বাংলাদেশে- তাদের একদিন বিচার হবে। কারন ব্লগার ডট কম একটা আনলিমিটেড ডলার ইন্ডাষ্ট্রির অংশ।  এইখানে সম্পূর্ন  ফ্রি জয়েন করে ফ্রি সাব ডোমেইন নিয়ে ফ্রি লেখা লিখা যায় সবসময়, তোলা যায় পারসোনাল অডিও ভিডিও গান, এছাড়াও তোলা যায় আনলিমিটেড ছবি। আর সেখানে মনিটাইজেশণ করে উপার্জন করা যায় ফরেন রেমিটেন্স। উপরে আমার দেয়া ভিডিওটা দেখলে আপনি পুরোপুরি বুঝতে পারবেন। তো পরিকল্পনা করে সেই ইন্ডাষ্ট্রিজ কে যারা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে চেয়েছিলো তাদেরকে আইডেন্টিফাই করে একদিন বিচারের আওতায় আনা হবে। আইন এবং বিচার সবার জন্যই প্রযোজ্য। 

ব্লগ কপি/কপিয়ার: হুবহু আরেকটি ব্লগ কে কপি পেষ্ট করাকে ব্লগ কপিয়ার বলে। অনেক সশয় ডিজাইনার রা এই ধরনের কাজ করে থাকে। খুব পপুলার একটি ব্লগের ডিজাইনকে ওপেনে সোর্সের মাধ্যমে কপি করে পেস্টে করে নিজের মতো করে আরেকটা ডিজাইন তৈরী করে ইন্টারনেটে নতুন আরেকটা ব্লগ মেক করে ফেলে বা ওয়েবসাইট মকে করে পেরে। এই ধরনের ডিজাইন গুলো এসইও এর সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে যায়। ফলে সেখানে আর খুব বেশী ভিজিটর আনা যায় না কারন ডিজাইনের ও একটা ভ্যাপার আছে। যেগুলো ফ্রি থিম সেগুলো থেকে ইউনিক থিম বা নিজে নিজে ডিজাইন করা ব্লগে বেীশ ভিজিটর আসে কারন একটা ফ্রি থিম অনেকখানে ব্যবহার করা হলেও েএকটা পারসোনাল থিম অনেকখানে ব্যবহার নাও হতে পারে। যাই হোক ডিজাইন বা টেক্সট, ইমেজ বা ভিডিও যে কোন কিছু কপি করে পেষ্ট করাকে ব্লগ কপিয়ার বা ব্লগ ডিজাইন কপিয়ার বলে। যারা হ্যাকার বা দুই নম্বর টাইপের ইন্টারনেট ইউজার যে কোন সময় চাইলে যে কোরো নামে যে কোন কিছু ছাপাইয়া দিতে পারে কিন্তু যারা ইন্টারনেট প্রফেশসনাল আ টিকনিশিয়ান বা ইন্জিনিয়ার তারা সাথে সাথেই ধরে ফেলাইতে পারবে যে ব্লগ বা ব্লগ পোষ্ট কোথা থেকে কোন ইন্টারনেট ব্যবহার করে, কোন অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করে বিশ্বের কোন প্লেস থেকে পোষ্টিং দিয়েছে- ফলে আমার মনে চাইলো আর আমি যে কারো নামে যা মনে চায় তা প্রকাশ করে দিলাম- এই ধরনের কোন ব্যাপার স্যাপার বিশ্বে নাই কারন সেটা ম্যাক্সিমাম টাইমেই ডিলেট করে দেয়া যায়। ব্লগ বা ফেসবুক পোষ্ট এরকম হলে ডিলেট করা যাবে।একদম পারমানেন্ট ওয়েবসাইট হলে বা গুগল সহ যে কোন সার্চ ইন্জিন যদি ক্যাচ করে ফেলায় তাহলে রেজাল্ট পেজে দেখাবে এবং সেটা একজন সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট রিমুভার  (Drop your result on search engines) টাইপের এক্সপার্টের মাধ্যমে রিমুভ করতে হবে। 

ব্লগ পোষ্টার/ড্রাফটার :  ক্লায়েন্ট আমাকে একটা ব্লগ মেক করতে বললো। হতে পারে ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার বা যে কোন একটা ব্লগ প্লাটফর্ম। কিছু পোষ্ট ক্লায়েন্ট লিখে রেখেছে। সেটা হেত পারে ওয়ার্ডপ্রেস বা গুগল ড্রাইভ বা এই ধরনের কিছুতে যেখান তেকে কপি করে করে পোষ্ট করতে হবে। এরকম পোষ্ট করাকে ব্লগ পোষ্টিং বা ব্লগ পোষ্টার বলা হয়। আমরা এরকম একটি ব্লগ পোষ্ট করার জন্য ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ইউনিক কনটেন্ট , ইউনিক ছবি, ইউনিক ভিডিও, ইউনিক টাইটেল, ইউনিক ডেসক্রিপশন, ইউনিক লেভেল থাকা লাগবে এবং পার পোষ্টের জন্য সব্বোর্চ্চ ১ ডলার করে নেয়া যাবে। মনে করেন: ১০০ জন লোক ১০০টা পোষ্ট লিখে আপনাকে দিলো। আপনি সবুগলোকে একসাথে করে একটি ওয়ার্ড পেজে আনলেন। তারপরে একটি টাইটেল, একটি ডেসক্রিপশন, একটি ছবি, একটি ভিডিও এবং কিছু লেভেল বা কিওয়ার্ডের মাধ্যমে একের পর এক পোষ্টিং দেয়া শুরু করলো। ১ ঘন্টাতে ১০০ পোষ্টিং দিয়ে ফেলাইলো। চাইলে আপনি সবগুলো পোষ্টকে ড্রাফট ও করে রাখতে পারেন।  সবগুলেঅ পোষ্টিং শেষ হলে একসাথে সিলেক্ট করে পাবলিশ করে দিতে পারেন বা পাবলিক করে দিতে পারেন। এই রকম ব্যাপারকে ব্লগ ড্রাফটার ও বলে। ব্লগরে অনেক ধরনের প্লাটফর্ম আছে। একেকটাতে পোষ্টের নিয়ম বা ড্রাফট করার নিয়ম একেক ধরনের। 



ডেমো ব্লগার: ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজ করার সময় যদি কোন ক্লায়েন্ট আইসা বলে যে তাকে একটা ডেমো ওয়েবসাইট বা ব্লগ বানিয়ে দিতে হবে যা সে পরে পাবলিশ করবে বা ডোমেইন বা হোষ্টিং কিনে পাবলিশ করবে সেটাকে ডেমো ব্লগার বলা হয় (যদি সেটা ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার দ্বারা করা হয়)। সারা বিশ্বে সবাই জানে যে ওয়ার্ডপ্রেস একটা ব্লগ ওয়েবসাইট। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ডে কোন ওয়েবসাইট ডিজাইন করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম সরাসরি ইন্টারনেট থেকে ব্যবহার করা যায় আর ওয়ার্ডপ্রেস ডট অরগ কে হোস্টিং এর মাধ্যমে ডাউনলোড করে এডমিন প্যানেল তৈরী করে পরে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয়। এখণ ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা যদি আপনি কোন ওয়েবসাইট তৈরী করেন আর সেটা লাঞ্চের অপেক্ষায় রাখেন তাহলে সেই মুহুর্তে আপনাকে ডেমো ব্লগার বলা হবে কারন ওয়েভসাইট টা তখনো সারা বিশ্বে পাবলিশ হয় নাই। 


ব্লগ কমেন্টার : এইটা একটা ফ্রি ল্যান্সার পেশা। উপরে বর্নিত প্রত্যেখটা কাজকেই আপনি ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পেশা হিসাবে নিতে পারবেন। তেমনি আপনি একজন ব্লগ কমেন্টার হয়েও কাজ করতে পারেন। কেউ একজন ব্লগ রিখে। তার লেখাতে টুকটাক ভুল থাকতে পারে। আপনি তাকে ধরিয়ে দিতে পারেন তার েপাষ্টের ণীচে কমেন্ট কর্ েপৃথিবীতে যারা ব্লগ লিখে তাদের সকলেই কমেন্ট করার অপশন দেয় কারন জানার কোন শেষ নাই। আর শেখারও কোন শেষ নাই। তাহলে আপনি যদি নিয়মিত ব্লগ কমেন্টার হয়ে কাজ করতে চান হোয়াইট হ্যাট এসইও জগতে- তাহলে আপনি নিম্নোক্ত কাজ করতে পারেন: 

  • আপনাকে একদম গ্রামাটিক্যাল এবং ইরর মুক্ত লেখা লিখতে হবে যেনো কোথাও কোন মাত্রায় একটুও ভুল না থাকে। 
  • একটানে ১৫০ শব্দ লিখার যোগ্যতা থাকতে হবে।  কারন ১৫০ শব্দের বেশী ব্লগ কমেন্ট করলে সেটা খুব বেশী এসইও করতে পারবে না। 
  • হোয়াইট হ্যাট এসইও কি ওয়ার্ড রিসার্চার হতে হবে। ভালো করে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা, এনালাইজ করা, যে বিষয়ে ব্লগ কমেন্ট করবেন সে বিষয়ে ডিটেইলস জেনে নেয়া, প্যারালাল পার্ট বা রিলেটেড আর্টিকেল খুজে বের করা এবং তার ণীচে  ১৫০ শব্দের একটা কমেন্ট করা। 
  • ১৫০ শব্দের মধ্যে ১টা কিওয়ার্ড অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে ক্লায়েন্ট যতোগুলো কি ওয়ার্ড দিবে ততোগুলো কিওয়ার্ড থেকে ২/৩ টা নিয়ে একটি বা ২টি বা ৩টি বাক্যের সমন্বয়ে একটি কমেন্ট লিখতে হবে। 
  • যতোবার কমেন্ট করবেন ততোবার এই টেকনিক এপ্লাই করতে হবে। কিওয়ার্ড ভিত্তিক যদি কমেন্টস না হয় তাহলে সেটা কোন ট্রাফিক জেনারেট করবে না বেসিকালি আপনার প্রোফাইলে।
  • প্রোফাইলটা ১০০% অনেষ্ট ডাটা বেজড হতে হবে। কোন ধরনের ফেইকইজম যেনো না থাকে।
  • কোন মেশিনারি বা টুলস বা এসইও টুলস রিলেটেড সফটওয়্যার যেনো ব্যবহার না হয়। সফটওয়্যারের মাধ্যমে যদি করে থাকেন তাহলে সেটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও হবে। কারন ইন্টারনেট সফটওয়্যারে থেকে বেশী চালাক। 
  • আপনি নিজে যে বিষয়ে এক্সপার্ট শুধূ সে বিষয়ে কমেন্টস করার যোগ্যতা রাখতে হবে। তাহলে আপনি ভালো কাজ পাবেন। 
  • আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে একজন ব্লগ কমেন্টার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। যেগুলো ফ্রি মার্কেটপ্লেস সেগুলো তে প্রথমে চেষ্টা করে দেখতে হবে।  
 




নীচে দেখানো ব্যানারে ক্লিক করে জয়েণ করে আপনি একজন ব্লগ কমেন্টার হিসাবে কাজ শুরু করতে পারবেন। আপনার ১ টাকা বা ১ ডলারও খরচ হবে না। কিভাবে কাজ শুরু করবেন তার ডিটেইলস ও ভিডিও নীচে দেয়া আছে। ব্লগ কমেন্টার রা অনেক ব্রিলিয়ান্ট হয়। একজন ব্লগ কমেন্টার একটি কমেন্টস করার জন্য প্রায় ১০-১৫ ডলার চার্জ চাইতে পারে কিন্তু তার লেখা হইতে হবে সে রকম মানের। কোন ভুল থাকা যাবে না। ক্লায়েণ্ট ইনষ্ট্রাকশন ১০০% ফলো করতে হবে। যারা ব্লগ কমেন্ট পড়ে তাদের কে ব্লগ কমেন্টস রিডার বলে। 



SEOClerks


Note: Blogger copyright law activated.

Connect Fiverr Marketplace with payoneer Bank Account.

Wednesday, October 28, 2020

মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল রিলেটেড কিছু কথা।

 আমার মতে ফ্রিল্যান্সার বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার দের জন্য ২ ধরনের  মার্কেটপ্লেস আছে। 

১) জব বিড করে কাজের জন্য আবেদন করা (ফ্রি ল্যান্সার ডট কম বা আপওয়ার্কস ডট কম বা এসইওক্লার্ক ডট কম)।

২) সার্ভিস সেল করা (ফিভার ডট কম বা এসইওক্লার্ক ডট কম).


ফিভার  এখন বায়ার রিক্যুয়েস্ট সেন্ড করা যায়। ফিভারে অনেক আগে কাজ করেছিলাম। সেই সকল একাউন্ট এখন হারিয়ে গেছে বা খুজে পাওয়া মুসকিল। ২০১১ সাল পর্যন্ত ফিভারে যতো বায়ার বা ক্লায়েন্ট দেখেছি প্রায় সবারই অনেক ভালো ইনফরমেশন পাওয়া যাইতো তাদের ডেলিভারি করা কাজের সাথে। মানে মধ্যসত্বভোগী দালাল বা ফরিয়া এই ধরনের কোন অত্যাচার ছিলো না। বায়ার নিজেই তার প্রোফাইল খুলে কাজ দিতো।  আর সেলার রা সরাসরি কাজ করতো বায়ার বা ক্লায়েন্টের সাথে। ক্লায়েন্টের নিজস্ব প্রপার্টি বা ব্যবসা রিলেটেড যে কাজ সেখানে ক্লায়েন্টের আবেগ বা ভালো বাসা টুকু পাওয়া যাইতো। আর সেলার রা মনোযোগ দিয়ে কাজ করতো কারন সেখানে কাজের চেয়েও বেশী পাওয়া যাইতো ক্লায়েন্টদের টেক কেয়ার মেথড অনেক সময় বায়ার বা ক্লায়েন্টরা নিজেরা কাজ শিখাতো ভিডিও রেকর্ডিং .mpeg ফাইল দেবার মাধ্যমে বা এম এস ওয়ার্ড পেজে ষ্টেপ বাই ষ্টেপ কাজ দেখাইয়া দিতো। 

 


ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আমাকে মাঝে মাঝে বড় সড় একটা ফেসবুক গ্রুপে ম্যানেজ করতে হয়। অনেক সময় সেখানে নতুন নতুন ফ্রি ল্যান্সার রা অনেক ফিভার রিলেটডে গিগ তৈরী করে পোষ্ট দেয়- সেগুলো কখনো এপ্রুভ করা হয় না তবে তাদের গিগস গুলো দেখি। তাদের পোষ্টিং গুলো দেখতে হয় এবং তাদের পোষ্টিং এ অনেক সময় ফ্রি ফেভারিট মার্ক করে দেই। সে জন্য পুনরায় নতুন করে আমার ফিভার প্রোফাইল খুলা এবং ২/৩ টা সার্ভিস দিয়ে রেখেছি। মূলত আমি এসইওক্লার্ক এর সেলার। ফিভার আমার কাছে এখন অনেক কমপ্লিকেটেড মার্কেটপ্লেস। এইটা থেকেও সরাসরি পাইওনিয়ার ব্যাংকে ডলার উইথড্র করা যায় (আগে ২/১ টা লেখাতে যদি উল্লেখ করে থাকি যে ফিভারের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের কানেকশন আছে সেটা ভুল। আমি নিজে আজকে ভিডিও এর মাধ্যমে দেখাইয়া দিবো যে কিভাবে ফিভারের সাথে পাইওনিয়ার ব্যাংক বা পাইওনিয়ার কার্ড একাউন্ট এড করতে হয়। ব্যালান্স দেখবেন জিরো কারন আমার ম্যাক্সিমাম লেনাদেনাই হয় পেমেন্ট বিডি এর পেপালের মাধ্যমে) । এসইওক্লার্ক এর এই একটা পদ্বতি খুব চমতকার- তাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে নাম পেল্যুশণ যা দিয়ে তারা আন্তর্জাতিক ভাবে সারা বিশ্বে ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার করে থাকে। যেহেতু এসইওক্লার্ক সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার উইথড্র সুবিধা প্রদান করে না - সেজন্য আমি প্রথম থেকেই এসইওক্লার্ক এর সাথে জড়িত আছি।  প্রথম থেকেই আমি  তাদের এফিলেয়েশন ও করে থাকি।



ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতটকে বাংলাদেশে প্রথম যারা নষ্ট করে তারা ছিলো বিভিন্ন ধরনের ল্যান্সার প্রোগ্রাম ২০০১-২০০৬ সালে। তারপরে যারা নষ্ট করার চেষ্টা করে তারা হইতাছে এই মধ্যসত্বভোগী দালাল বা ফরিয়া গুরপের লোকজন। তারা মূলত এক মার্কেটপ্লেসের কাজ আরেক মার্কেটপ্লেসের ওয়ার্কারকে দিয়ে করাতো আর নিজে মাঝখানে বসে কাজ না করে মুনাফা বা বেনেফিট আদায় করতো কিন্তু যারা ক্লায়েন্ট বা বায়ার তাদের একসাথে কয়েকটা মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট থাকার কারনে অনেক সময় তাদের নিজস্ব জব পোষ্টিং দেখে ফেলাইতো আর এর ফলে তীব্র একটা বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও হইতো। যদি কেউ এই ধরনের কাজ ক্লায়েণ্ট কে বলে করতো তাহলে হয়তো কোন সমস্যা হইতো না। কিন্তু ক্লায়েণ্ট বা বায়ারের কাছ থেকে কোন ধরনের অনুমতি না নিয়ে সে আবার সেই জবটা অন্য মার্কেটপ্লেসে পোষ্ট করতো যেখানে হয়তো  ক্লায়েণ্ট বা বায়ার আগেই পোষ্ট দিয়ে রেখেছিলো এবং অনেকটা কপি রাইট বা জব টাইপ সেম হবার কারনে সেটা আবার ক্লায়েন্টের চোখে ধরা পড়তো বা মার্কেটপ্লেস নিজে থেকেই ক্লায়েন্টকে দেখাতো ফলে ক্লায়েন্ট বা বায়ার রা নাখোশ হতো। আর এভাবেই ধীরে ধীরে কমতে থাকে বাংলাদেশের বাজারে ক্লায়েণ্ট বা বায়ারদের উপস্থিতি। ক্লায়েন্ট রা অসততাকে একবারেই এলাও করে নাই। Major Number of Clients বাংলাদেশের মার্কেটপ্লেস ছেড়ে চলে যায়।  ডাইরেক্ট বলে বসে বিভিন্ন জব পোষ্টিং এ বাংলাদেশীরা যেনো আবেদন না করে।  প্রথমত ২০০১-২০০৬ সালে যারা বিভিন্ন ধরনের ল্যান্সার প্রোগ্রামে ক্লিক করার কথা বলে বিপুল পরিমান টাকা হাতাইয়া নিয়ে দেশ থেকে চলে যায় তারা ছিলো প্রথম লেভেলের চিটার এবং ধান্দাবাজ এবং একসাথে বিপুল পরিমান মানুষ সারা দেশের ইউনিয়ন বা গ্রাম এলাকা থেকে জনপ্রতি ৭/৮ লক্ষ টাকা ধরা খেয়ে বসে (২০০১-২০০৬ সালেল ৭ /৮ লক্ষ টাকার দাম বর্তমানে প্রায় কোটি টাকা)। দ্বিতীয় পর্যায়ে যারা এই ধরনের মধ্যসত্বভোগী কাজ করে তারাও অনেকটা রিয়েল বেনিফিট হয় এবং ম্যাক্সিমাম ই দেশের বাহিরে চলে যায় বা অন্য কোন কাজে নিজেকে ইনভলব করে ফেলায়। আর তৃতীয় পর্যায়ে বর্তমানে যারা সমানে টাকা চেয়ে বেড়াইতাছে- ইন্টারনেটে যে কোন কাজের কথা উল্লেখ করে তাদের ব্যাপারে ও অনেকের সমান সন্দেহ- বিভিন্ন ধরনের যোগসাজশে- এরা বিপুল পরিমানে অর্থ কামাইয়া নিয়া যাইতাছে যেখানে দেশের আভ্যন্তরীন স্থবিরতা নষ্ট হয়ে যাইতাছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করে থাকি। দেশের ব্যাংকেই যে সব টাকা জমা থাকবে ব্যাপারটা সেরকম না। দেশের মুদ্রাবাজরে ব্যবসায়ীরাও বিপুল পরিমানে অর্থ জমা রাখে কারন সেটা বাংলাদেশের মানুষের স্বভাব। আপন িকখনোই সেই টাকা কে শেষ করেত পারবেন না- কিন্তু সেই টাকার উপরে চাপ পড়তে পারে কারন যারা বর্তমানে ইন্টারনেটে টাকা পয়সা দিতাছে এবং ধরা খাইতাছে তারা শুধু একবারই টাকা দিয়ে ধরা খাইতাছে আর তার আশে পাশের ১০/১৫/২০ জন সতর্ক হয়ে যাইতাছে। খেয়াল করে দেখবেন- একই দেশের বাংলা মায়ের সন্তানেরা একজন আরেকজনকে ঠকাইয়া যাইতাছে। বিশ্বের আর কোন দেশে একই জাতের মায়ের সন্তানেরা একজন আরেকজনকে কখনো ঠকায় না বিশেষ করে ইউরোপ আমেরিকাতে -ফলে তারা দিনে দিনে আরো উন্নত থেকে উন্নত তর হইতাছে। আমার একটা ব্যক্তিগত গবেষনাতে দেখলাম: একই মায়ের জাত- একই বাংলার সন্তান একজন আরেকজন কে ঠকানোর মূল কারন - একই সমাজে দেশবোরধী বা স্বাধীনতাবিরোধী দের অবস্থান। তারা বসে থেকে একজন আরেকজনকে ঠকাতে শেখায়।তারা ৭১ এও দেশবিরোধী ছিলো- আজো দেশবিরোধী ই আছে। তারা ৭১ এও বাংলার সন্তানকে নানা ধরনের কুবুদ্বি দিয়ে ঠকাইছে- আজো বাঙালীদের কে সেই ধরনের বুদ্বি দিয়ে যাইতাছে। যার ফরে বাংগালী তরুন প্রজন্ম ইনফিনিটিভ ডলার ইন্ডাষ্ট্রিজে ছেড়ে লিমিটেড টাকার পিছে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেছে ইন্টারনেটে যা একটা কলংকজনক বিষয়।সকলে মিলে যে ভালো থাকা যায় (যারা বৈধ বাংলাদেশী নাগরিক) এইটা বোধহয় বাংগালী রা জানে না। জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর হলে সব বৈধ বাংগালী একসাতে থাকতে পারবে এবং ভালোও থাকবে বলে বিশ্বাস করি।


আমাকে ২০১১ সাল থেকে একটি সংঘবদ্ব চক্র এমন ভাবে প্রেশার তৈরী করে সাইকোলজিক্যালি যেনো আমরা ফ্রি ল্যান্সার রা তাদেরকে বা সারা দেশের বিভিন্ন নামে চলাফেরা করা চক্রকে আর্থিকভাবে সহায়তা বা তাদেরকে যেনো % দেই বা তারা এই ধরনের ধারনা পোষন করে যে- সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার দের কাছ থেকে তারা % খাবে। তো প্রথমেই আমার জয় বাংলা মারফত তাদেরকে এই জিনিসটা বুঝাতে স্বক্ষম হই যে- আমরা সরকারকেই ভ্যাট বা ট্যাক্স দেই না - আর তোরা কোথাকার কোন হেডম? আমরা যারা রেমিটেন্স আনি তাদের জন্য তো আর ভ্যাট বা ট্যাক্স কার্যকর নাই। যখন ইন্টারনারলি লেনাদেনা করে থাকি তখন সে না সরকারকে ভ্যাট বা ট্যাক্স দিয়ে থাকি। পরে দেখি তারা ধর্মীয় ফাদ পাতে। পরে আমরা সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা মিলে সিদ্বান্ত নেই যে: আমরা এতিমখানা বা পথশিশুদের জন্য প্রয়োজনে খরচ করবো যেটা বা যে অর্থটা আমরা যাকাত বা ফেতরা হিসাবে ভাববো সেটা এবং যেটা ঐচ্ছিক  ভাবে আসে সেটা। পরে খুব ভালো করে খেয়াল করে দেখলাম যে- এইটা স্বাধীনতাবিরোদী বা দেশবিরোধী চক্র যাদেরকে আমরা দালাল রাজাকার বা তাদের বংশধর বলে থাকি। ফ্রি ল্যান্সার রা যে রেমিটেন্স উপার্জন করে তার উপরে তারা % বা ভাগ চাইয়া বসে। শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার দেরকে সেই বিপদ থেকে অনেকটা বাচিয়ে দিয়েছে এবং আমার মনে হয় আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোন ফ্রি ল্যান্সার যে রেমিটেন্স এনেছে সে এই ধরনের কোন ভুল করে নাই প্রয়োজনে ট্রিট বা গাফ্রে বা পরিবার এর পিছনে সব টাকা খরচ করেছে কিন্তু কখনো দেশবিরোধী কোন চক্রকে কোন পেমেন্ট বা % দেয় নাই। আর তাদেরকেই আমরা বলে থাক জয় বাংলার ফ্রি ল্যান্সার।   যারা % চায় তাদেরকে চেনা যায় মূলত কয়েক ভাবে: 

  • এরা দেশবিরোধী চক্র। বাংলাদেশ কে নিজের দেশ ভাববে কিন্তু বাস্তবে কোন বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। 
  • এরা প্রয়োজেন ধর্মীয় ফাদ পাতবে ফ্রি ল্যান্সার দেরকে ধর্মীয় ভাবে হ্যাক করার জণ্য। কিন্তু সেখানে ফ্রি ল্যান্সারদের জন্য বরাদ্দকৃত যাকাত ফেতরা খরচ করার নিয়ম। আর যদি খুব ভালো কোন ধর্মীয় প্রোগ্রাম হয় তাহলে সেটা সম্পূর্নই আপনার উপরে কিন্তু আপনি ফাদে পাড়া দিবেন না।  তাছাড়া ডলার উপার্জন করে সেখানে রেমিটেন্স এনে যাকাত ফেতরা দেওয়া যাবে কিনা সেটার মাসআলা আপনাকে নিজে খুজে বের কের নিতে হবে। 
  • এরা যেখানে সেখানে যে কোন সময় যে কোন খানে কোন ধরনের আগাম নোটিফিকেশন ছাড়া আপনার কাছে হাত পেতে বসবে- সে বুঝতেই চাইবে না যে সেটাও কোন না কোন দেশের জণ্য রেমিটেন্স।  
  • কোন ভাবেই তাদেরকে আপনি বাংলাদেশ বুঝাতে পারবেন না। 

আমাদের দেশে যে কয়েকটা চক্র আমাদের এই ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস জগতটাকে নষ্ট করেছে তাদের অনেকই মিথ্যা এবং বিভ্রান্তে আক্রান্ত। তারা মনে করতো যে: বাংলাদেশের মেধা পাচার হয়ে যাইতাছে।বাংলাদেশে প্রথম যখন ইন্টারনেট কানেক্টেড করার আহবান আসে আন্তর্জাতিক ভাবে তখন অনেকেই বলে যে: বাংলাদেশের সমস্ত তথ্য পাচার হয়ে যাবে। কিন্তু তারপরে অনেকেই অনেকভাবে বুঝাইতে স্বক্ষম হয় যে: বাংলাদেশের কি এমন গোপন তথ্য আছে যে - পাচার হয়ে যাবে। বাংলাদেশ কানেক্টড হবার পরে সকলেই বুঝেছে যে: কি তথ্য পাচার হয়েছে। সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সার রা তাদের ১০০% ভেরিফায়েড প্রোফাইলের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপস্থিতি জানান দিছে এবং আডেন্টফািই হয়েছে যে : এদেশে সামাজিক ব্যবস্থায় স্বাধীনতাবিরোধী দেশবিরোধী চক্র এবং চক্রান্ত আছে যাদেরকে ইন্টারনেট গনজাগরনের (২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরন বা ২০১৩ বসন্ত জাগরন) মাধ্যমে আইডেন্টফাই করে প্রকাশ্য দিবালোকে ফাসি দিয়ে সেই অপশক্তি কে দূর করার চেষ্টা শুরু করা হয়েছে ( রাজাকার কসাই কাদের থেকে শুরু)। এখনো সারা দেশের অনেকখানে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া দালাল/রাজাকার দেশীবরোধী শক্তি প্রকাশ্য দিবালোকে বসবাস করতাছে যাদের একমাত্র জায়গা ছিলো জেলখানা। জানি না এই দেশের দুর্নীতি আর অপশক্তি আর কতো অপমান করবে বাংলাদেশের জনগনকে বা তরুন প্রজন্মকে। এই ধরনের দালাল রাজাকার প্রকাশ্য দিবালোকে বসবাস করার দরুন বাংলাদেশের তরুন প্রজন্ম কোটি কোটি ডলারের রেমিটেন্স এবং কাজ থেকে বঞ্চিত হইতাছে দারুন ভাবে (মনের চোখে সারা বিশ্ব দেখা যায়। আর একজন ক্লায়েন্ট যখন কাজ দেয় সে আগে মনের চোখে সারা বাংলাদেশ কে দেখে নেয় যাকে আমরা বলি ক্লায়েন্টর বিচক্ষনতা বা বিচক্ষন ক্লায়েন্ট)। পৃথিবীতে বাংলাদেশ ই একমাত্র দেশ যেখানে কিছু লোকজন প্রকাশ্য দিবালোকে রাষ্ট্রীয় পোশাক পড়ে, রাষ্ট্রীয় তকমা ঝুলিয়ে দুই নম্বরি করে যাইতাছে। শাহবাগ গনজাগরনের পরে (ইন্টারনেটে গনজাগরন) এ দেশে দালাল/রাজাকার বা দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী চক্র বা চক্রান্তকে দেশের মুক্ত পরিবেশে বসবাস করার সুযোগ দিয়ে এদেশের আইন বা পুলিশ একটি অনিরাময়যোগ্য অপরাধ করে যাইতাছে। দেশবিরোধী অপরাধীর একমাত্র জায়গা হইতাছে জেলখানা। আর দেশবিরোধীরা তালিকা মোতাবেক জেলখানাতে থাকার যোগ্য। আর এদেশের আইন পুলিশ যদি মনে করে থাকে এতে তাদের স্বার্থ সিদ্ব হবে এবং ফ্রি ল্যান্সার দের পেটে লাথ্থি মেরে তারা ভালো থাকবে- তাহলে আপনাদের জেনে রাখা উচিত একজন ফ্রি ল্যান্সারের ক্ষমতা আছে বিশ্বের যে কোন খানে বসে থেকে কাজ করার। বর্তমানে যদি কারো বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকে তাহলে সে বিশ্বের ১১০ টি দেশে অন এরাইভেল ভিসা ফ্যাসিলিটজ পাবে এবং তারা যে কোন সময় যে কোন খানে বসে থেকে কাজ করতে পারবে- চাইলে এয়ারপোর্টের ট্রানজিটে বসে থেকেও। পারহেপস - অনেকই তাও করতাছে কারন তারা ১০০ % সত প্রোফাইল গড়ে তুলেছে। অনেষ্টলি কাজের বিনিময় পাইতাছে। বাংলাদেশের প্রত্যেক ফ্রি ল্যান্সারকে জয় বাংলা বলার সহিত কাজ করার অনুরোধ করি। যখনি কোন ফ্রি ল্যান্সার কাজ করতে বসবে তখনি যদি সে মনে মনে একবারও জয় বাংলা বলে নেয় তাহলে সে আর দালাল রাজাকারের চক্রান্তে পড়বে না এবং তার প্রোফাইলের অনেষ্টি মোতাবেক সে সারা বিশ্ব থেকে কাজ পাবে বা কাজের অর্ডার পাবে। 

ডলার (Dollar) শব্দটার সাথে সোসাইটি (Society) জড়িত। যদি কেউ বলে থাকে যে- ফ্রি ল্যান্সার রা সমাজে ডলার উপার্জন করে তাহলে আপনার বুজতে হবে যে- সেখানে দুই নম্বরি আছে। ফ্রি ল্যান্সার রা সমাজে ডলার উপার্জন করে না- ফ্রি ল্যান্সার রা আমেরিকান সোসাইটিতে ডলার উপার্জন করে থাকে। কারন ডলারের একচ্ছত্র মালিক ইউনাইটেড ষ্টেটস অফ আমেরিকা (United States of America)। সমাজে যারা ডলার উপার্জন করার কথা বলে তারা দুই নম্বরি করতাছে। আপনাকে অতি অবশ্যই সোসাইটিতে ডলার উপার্জন করতে হবে। বাংলাদেশের সমাজে/সামাজিক ব্যবস্থায় আপনি রেমিটেন্স এক্সচেন্জ করে টাকা উপার্জন করতাছেন একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে। বাংলাদেশ সরকার আপনার উপার্জিত রেমিটেন্স গ্রহন করে আপনাকে নগদ বা ক্যাশ টাকা প্রদান করতাছে। ইন্টারনেট আমেরিকা থেকে আসে। বিশ্বে একমাত্র আমেরিকাই ইন্টারনেট প্রদান করে থাকে যাকে বলে সিলিকন ভ্যালি থেকে ইন্টারনেট সারা বিশ্বে ট্রান্সফার করা হয়ে থাকে। আপনার হাতে যে ডিভাইস (কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল, পামটপ, পিডিএ ) যে কোন ডিভাইস আপনি ব্যবহার করে থাকেন সেগুলো সবই আমেরিকান সিষ্টেম বা নিয়মানুযায়ী বা আমেরিকান সরকারের অনুমতি নিয়ে বা ইন্টারনেট কোম্পানীর অনুমতি নিয়ে চলতাছে সারা বিশ্বে- সেখানে একজন ফ্রি ল্যান্সার কাজ শিখে মেধা খরচ করতাছে যার বিনিময়ে রেমিটেন্স উপার্জিত হইতাছে - গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আপনার উপার্জিত অর্থ কে ক্যাশ টাকা বা নগদ টাকাতে কনভার্ট করে দিতাছে আর আপনি আমেরিকান সোসাইটিতে ডলার উপার্জন করতাছেন।  বাংলাদেশের সোসাইটিতে কেউ ডলার উপার্জন করে না। বাংলাদেশের সোসাইটিতে টাকা উপার্জন করে আর আমেরিকান সোসাইটি তে আপনি ডলার উপার্জন করতাছেন যা আমেরিকার সরকারের জন্য হইতাছে রেভিনিউ/রেমিটেন্স আর সারা বিশ্বের সব দেশের জন্য হইতাছে রেভিনিউ/  রেমিটেন্স। ডলার একচ্ছত্র ভাবে সারা বিশ্ব কন্ট্রোল করে থাকে- মুদ্রানীতি, অর্থ এবং বানিজ্যকে। সেখানে আপনি যখন ডলার উপার্জন করতাছেন তখণ আমেরিকার সরকার ও অর্থণীতি কে প্রতিনিয়ত শক্তিশালী করে যাইতাছেন আর আপনি একই সাথে আপনার নিজের দেশের জণ্য এবং আমেরিকান সরকারের জন্য অবদান রেখে যাইতাছেন আপনার ফ্রি ল্যান্সার প্রোফাইলে আসা কাজের বিনিময়ে। আমেরিকান সরকার এ যাবতকালে  গনহারে সারা বিশ্ব থেকে লোকজন কে নাগরিকত্ব দিয়ে ভুল করেছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। যে বা যারা আমেরিকান সরকার বা আমেরিকান সোসাইটিতে, আমেরিকান অর্থ, বানিজ্য করে ডলার উপার্জন করে যাইতাছে, আমেরিকান অর্থনীতিতে মিনিমাম অবদান রেখে যাইতাছে শুধূ মাত্র তাদেরকেই আমেরিকার উচিত ছিলো তাদের দেশে নাগরিকত্ব দেয়া (ভেরিফিকেশণ স্বাপেক্ষে) যেনো এই ডলার উপার্জনকারীরা আমেরিকার (প্রায় ৪৮ দেশকে একসাথে আমেরিকা বলা হয়ে থাকে। সাউথ আমেরিকা + নর্থ আমেরিকান দেশগুলোকে একসাথে আমেরিকা বলা হয়ে থাকে ভারবালি। যারা আমেরিকান অর্থণীতিতে অবদান রাখতে পারতো শুধূ মাত্র তাদেরকেই নাগরিকত্ব দেয়া দরকার ছিলো। ) ভেতরে বসে আমেরিকার জণ্য আরো বেশী পরিমান ডলার জেনারেট করতে পারে। ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স উপার্জন করতে স্বক্ষম বলে তারা আমেরিকার মতো দেশে বা বিশ্বের যে কোন উন্নত দেশে বসে সেই দেশের জন্য ডলার জেনারেট করতে পারে যা সেই দেশের অর্থণীতিকে শীক্তশালী করবে। 

আর সেজন্য মূলত দরকার বৈধ বাংলাদেশী ফ্রি ল্যান্সারদের নাম জাতীয় পরিচয়পত্রে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা। যাদের কাছে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেজের এক্সস আছে তারা যখন বাংলাদেশী ডাটাবেজে রেমিটেন্স উপার্জনকারীদের নাম দেখবে একজন ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে, তখন সেখানে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরী হবে সারা বিশ্বে। সেজন্য প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহায়তা। ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রনয়ন ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান জাতিসংঘের একটি প্রজেক্ট বা প্রকল্প ছিলো যা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার একটি সচিবালয়ের অধীনে একটি অধিদপ্তর হিসাবে গ্রহন করেছে এবং একীভূত করেছে। যার নাম: জাতীয় পরিচয়পত্র অধিদপ্তর বা জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। সুদীর্ঘ  ৯/১০ বছর জাতীয় পরিচয়পত্র প্রজেক্ট থাকার দরুন অনেকেই এখনো এইটাকে প্রজেক্ট ই ভাবে। কিন্তু এইটা এখন আর প্রজেক্ট নাই। এইটা এখন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধিদপ্তর বা বিভাগ বা অনুবিভাগ। সেইখানে জাতীয় পরিচয়পত্র নাগিরক ডাটাবেজ আছে। সেখানে পেশা হিসাবে বাংলাদেশ সরকারের রেমিটেন্স উপার্জনকারীদের নাম এবং পেশা ফ্রিল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে নথিভুক্ত করা দরকার।আর এইখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যারা রেমিটেন্স উপার্জনকারী হিসাবে নথিভুক্ত তারাই মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে প্রযোজ্য। তারাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে রিয়েল এবং ভেরিফায়েড ফ্রি ল্যান্সার। 

যে এক ডলারও রেমিটেন্স কখনো বাংলাদেশে আনে নাই  বা উপার্জন করে নাই - ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে তার দাপট কখনো কেউ মেনে নেবে না। বর্তমান সরকার ফ্রি ল্যান্সার দের আলাদা আইডি কার্ড দেবার যে পরিকল্পনা করেছে তার মূল ব্যাপার হইতাছে (ফ্রি ল্যান্সার দের বাড়ি বা গাড়ি নাই বলে)- ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সারদের সুদের বিনিময়ে লোন দেয়া যেনো তারা বাড়ি বা গাড়ি করতে পারে। তাই আমার মতে ফ্রি ল্যান্সার রা যেনো কোন রকমের ঝামেলায় না পড়ে সেজন্য এই আইডি কার্ড থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যে ডাটাবেজ সেখানে নিজেদের পেশা অন্তর্ভুক্ত করে তাতে পেশা ইন্টারনটে প্রফেশনাল এড করা -বিভিন্ন দেশে ফ্রি ল্যান্সার দের জণ্য বরাদ্দকৃত সুবিধা পাইতে সহজ হবে- ভিসা প্রসেসিং সহ। কারন আমরা যাদের কাজ করে থাকি তারা বিশ্বের বিভিন্ন নামী দামী দেশের নাগরিত। তাদের সাথে ব্যবসায়িক লেনাদেনা থাকার কারন েতাদের দেশের সরকার আমাদের ট্রনাজকশন বা ডিটেইলস জানে বা তাদের ডাটাবেজে আছে। 

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কারদের জন্য পারসোনাল প্রোফাইল থাকাটা বিশাল ব্যাপার। আমার প্রোফালটাই আমার  ক্যারিয়ার। ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স আনে। আর যারা রেমিটেন্স আনে তারা এই দেশের ১ নম্বর নাগরিক। রেমিটেন্সের উপরে কখনো ভ্যাট ট্যাক্স বসে না। কিছুদিন আগে বাংলাদেশ সরকার যদি গুগলের এডওয়ার্ডের উপরে  %  না ধরতো তাহলে হয়তো ইউটিউব রেভিনিউ শেয়ার প্রোগ্রাম বাংলাদেশ ছেড়ে যাইতো না। আমার ধারনা মোতাবকে একদিন হয়তো ফেসবুকের এডভার্টাইজিং সেকসানও চলে যাবে কারন তারা ভ্যাট, ট্যাক্স দিয়ে হয়তো বাংলাদেশে ব্যবসা করবে না। আমরা হয়তো আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির জন্য আর কখনো ফেসবুকে মার্কেটিং নাও করতে পারি। সময় থাকতে সাবধান হওয়া উচিত। 



 
আমার প্রোফাইলে ৩০০ পজিটিভ থাম্ব আসার পরে লেভেল ৪ দেখাচ্ছে (আমি খুশী অনেক)। এসইওক্লার্কে সবচেয়ে বড় বেনিফিট হইতাছে যদি কেউ ইচ্ছা করে আপনাকে ব্যাড রিভিউ দেয় তাহলে আপনি কাষ্টমার কেয়ারে যোগোযোগ করে সেই ব্যাড রিভিউ টা তুলে ফেলার জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং এসইওক্লার্ক যদি আপনাকে অনেষ্ট পায় তাহলে আপনার ভ্যাড রিভিউ টা রিমুভ করে দেবে।