Translate

Thursday, October 29, 2020

Blogger, Blog Writer, Blog Post Writer, Blog Commenter বলতে কি বোঝেন?



Blogger ব্লগার বলতে আমরা সবাই পৃথিবীর বিখ্যাত ফ্রি হোষ্টিং বেজড ব্লগ ওয়েবসাইট কে ব্লগার বলা হয় যেখানে আপনি আপনার নামের জিমেইল দিয়ে রেজিষ্ট্রশন করলে ফ্রি ব্লগস্পট ডট কম ডোমেইন পাবেন এবং আপনার যতো মনে চায় ততোই পোষ্ট দিতে পারবেন। ব্লগার একটি আমেরিকান কোম্পানী যারা লাঞ্চে আসে ১৯৯৮ সালে এবং গুগলের সাথে একীভূত হয় ২০০৬ সাল থেকে জানা মোতাবেক। যারা প্রতিনিয়ত বা নিয়মিত  ব্লগারে  ব্লগ লিখে বা ব্লগ করে তাদের কে সাধারনত ব্লগার বলে ডাকা হয়। অনেকেই আছে মনিটাইজেশন ছাড়াই লিখে কারন তাার লিখতে ভালোবাসে। যেমন: ধরেন উদাহারন: একজন কবি বাংলাদেশের বিখ্যাত কবিতা লিখে। তার কবিতা অনেকেই ভালোবাসে এবং তার ভক্ত কিংবা গুনগ্রাহী অনেক। যারা ভক্ত বা গুগনগ্রাহী তারা সকলে মিলে কবির কবিতা নিজে পড়ে এবং পরিচিতজনদেরকেও পড়ার জন্য রেফারেন্স দেয়। এখন কথা হলো: সেই কবি যদি তার সব কবিতা বাহিরে বই হিসাবে না ছাপায় (স্পেশাল কবিতাগুলো শুধূ ছাড়ায়) বা না লিখে এবং সেগুলো যদি সে ব্লগার ব্লগে লিখে থাকে প্রতিনিয়ত তাহলে তার যারা ভক্ত তা গুনগ্রাহী তারা কিন্তু প্রতিনিয়ত প্রত্যেকটা কবিতা পড়তে পারবে আর উনিও তার অগাছোলো কবিতাগুলোওে সবাইকে দিয়ে পড়াতে পারবে- অন্যান্য কবি দেরকে দিয়ে এডিট ও করাইয়া নিতে পারবেন, ব্লগের নীচে যে কমেন্ট বক্স থাকে সেখানে যদি অন্যান্য সকল কবি বা ভক্ত বা গুনগ্রাহী রা একটু একটু এডিট করে দেয় তাহলে সেগুলো হয়তো আবারো উনি ছাপিয়ে বা প্রিন্ট করে নাম করতে পারবে এবং প্রয়োজেন হয়তো উপার্জন ও করতে পারবে। কিন্তু উনি যদি কবিতা বাহিরে প্রিন্টাকারে না ছাপিয়ে শুধূ ব্লগার ব্লগ ছাপায় আর তার সাথে মনিটাইজেশন এড করে তাহলে কিন্তু গুগল সেটাকে মনিটিইজেশন করবে এবং যা উপার্জন করবে সেটা প্রতি মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার গুগলের অফিস থেকে বাংলাদেশে তার ব্যাংক একাউন্টে আইসা এড হবে। শুধূেএকটা সার্কেলে যদি উনি তার কবিতা লিখে থাকেন বা প্রকাশ করে থাকেন তাহলে কিন্তু সারা দুনিয়াতে কবির যতো ভক্ত আছে সমস্ত ভক্তরা সমস্ত কবিতা থেকে বঞ্চিত হইতাছে। কারন তারা ও একসময় কবির ভক্ত ছিলো। হয়তো তারাও কবির কবিতার বই বা কবিতা অনলাইনে খুজে বেড়ায়। কবির মতো যতো কবি আছে আর তাদের যতো বই আছে - সব বই যদি এমাজনে তোলা থাকতো তাহলে যে কোন বাংগালী যে কোন সময়ে যে কোন খানে বসে থেকে যে কোন বই কিনে পড়তে পারতো। প্রত্যেকটা বই এর একটা পিডিএফ ভারসন বা ট্যাব ভারসন থাকতো যাতে সারা বিশ্বের বাংগালী তরুন প্রজন্ম সেটা জায়গায় বসে থেকে পড়তে পারতো।  আর যারা প্রকাশনী তাদের ও কম বেীশ লাভ থেকে যাইতো। যেমন: রকমারি ডট কম বাংলাদেশের লোকাল ইন্টারনেট বই প্রকাশনী। 


কিভাবে ব্লগার ব্লগ লিখে আপনি মনিটাইজেশন এড করবেন তা নিয়ে আমার একটা বিশাল ভিডিও আছে প্রায় ৫০ মিনিটস। এইখানে আমি কবির এর উদাহরন দিলাম কারন উনার ক্রিয়েটিভিটি এর কারন  উনি হয়তো অনেক তথ্য বা উপাদান  (হয়তো একটা কবিতার রাফ যদি ব্লগে পোষ্ট করতো তাহলে ১০/১২ জনের সাহায্য নিয়ে কবিতাটা উনি বানাইয়া ফেলাইতে পারতেন সহজে কিন্তু বাস্তবে হয়তো সেই কবিাতাটার পঙক্তি গুলো উনি ডাষ্টবিনে ফেলে দিতাছেন যতোক্ষন পর্যন্ত তার মন মতো কবিতাগুলোর লাইন একুরেটলি বের না হয়ে আসতাছে) করে ফেলাইতাছেন।  এখানে উনি যে বাক্য বা শব্দ বা পংক্তি রচনা করতাছেন সেটা সারা বাংলাদেশের সকল কবির জন্য একটা এক্সাম্পল হয়ে থাকবে কারন উনাকে ফলো করে যারা কবিতা লিখে থাকেন তারা উপকৃত হবার কথা। উনার কথা, বাক্য, শব্দ গুলো একসাথে করে যদি কেউ ব্লগার পোষ্টে ব্যবহার করে আর যদি কেউ গুগলে সেই নাম লিখে বা বলে সার্চ দেয় তাহলে সেই লেখাটা দেখাবে - সেখানে হাজারো ভিজিটর আসবে, কমেন্টস তৈরী হবে এবং সেই খানে গুগল ইনকরপোরেশন একটা এড দেখাবে। এই ব্যাপারটাও আগেও বাংলোদেশের অনেক কবি রা করেছেন এবং আর্থিক ভাবে বেনিফিট ও হয়েছেন গুগলের মনিটাইজেশন করে। তাছাড়া যদি উনি গানের লিরিকসও লিখে থাকেন তাহলে সেইটাও একটা প্রপার্টি। সারা দিনে যদি ১০০ টা লাইন তৈরী করেন ১ টা বা ২ টা হয়তো যারা গান বাজান তাদেরকে দিয়ে থাকেন কিন্তু সারা দিনে নিজের মনের ভেতর থেকে বের হয়ে আসা ১০০ টা গানের লাইন বা ১০টা কবিতার ছন্দ যদি উনি ইন্টারনেটে ব্লগে লিখে রাখেণ বা কাউকে দিয়ে লিখিয়ে রাখেণ আর তার উপরে উনার ভক্তদের কাছে কমেন্টস চান তাহলে হয়তো সেই ৯০ টি গানের লাইন পরিপূর্ন হতো বা আরো ২০টি কবিতার লাইন বের হয়ে  আসতো। এ্কইসাথে উনার সবগুলো চিন্তা চেতনাও একেবারে ১০০% ফুল ফিল হতো। কোথাও কোন ওয়াস্টেজ হতো না। এইখানে কবির মূল সম্পদ- শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে থিংকিং, বাস্তবে শব্দচয়ন এবং তার ব্রেইনে আসা শব্দ, বাক্য বা রচনা সমগ্র। এইগুলোকে আমরা এসইও এর ভাষাতে টেক্সট বলে থাকি।  আর টেক্সট এর উপরে ভিত্তি করে গগুল যখন এড দেখাবে সেটাকে টেক্সট মনিটাইজেশন বলা হয়। এডসেন্সের মনিটাইজেশনে ১০০% মনিটাইজেশন ভ্যালু পাওয়া যায়। Audio Track, Video Cut Piece ও চাইলে যে কেউ আপলোড করতে পারে এবং তার উপরে ভিত্তি করে মনিটাইজেশন আনতে পারে। যেমন ধরেন: একজন এক্টরের এর অনেক নাটক হয়। সেগুলো র সব শট ওকে হয় না। অনেক শট আছে ফেলে দিতে হয়। সেই ফেলে দেয়া শটগুলোকে যদি কোন ব্লগে আপলোড করা হয়- তাহলে সেই ব্লগে এক্টরের যতো ফ্যান বা ফলোয়ার আছে তারা আসবে এবং সেগুলো দেখে ফান নিবে। এইটা শুধু একজন এক্টর ভাই বলে কথা না, এইটা যে কোন ফ্যাশন বা টিভি নায়ক নায়িকাদের জন্য খুব দরকারি একটা সম্পদ যা দিয়ে ব্লগার ব্লগে এডসেন্স মনিটাইজেশন করতে পারবে। যতো অডিও সিংগার আছে তাদের যতো প্র্যাকটিস আছে তাও তুলে রাখতে পারেন কারন এইগেুলো সবই সম্পদ। আপনি যতোবার প্র্যাকটিস করতাছেন ততোবারই আপনি ক্রিয়েটিভিট মেক করতাছেন। আর সে প্রাকটিস গুলো যদি আপনি শেয়ার করেন তাহলে আপনিও ১০০% মনিটাইজেশন নিয়ে কাজ করতে পারবেন আর পুরো ব্যাপারটাই ফ্রি। যেহেতু মেধা সেহেতু সেটাকে ইউটিলাইজ করতে সমস্যা কি? ব্লগার ব্লগে গগুলের মনিটাইজেশন নিতে আপনার ১ টাকা বা ১ ডলারও খরচ হবে না। নীচের ভিডিওটি দেখলে আপনি পুরেপুরি বুঝতে পারবেন। যারা ফটোগ্রাফার তারা ও তাদের ওয়াস্টেজ ছবিগুরো ব্যবহার করতে পারেন। এইখানে হোষ্টিং আনলিমিটেড এবং ফ্রি। পারসোনাল ডোমেইন যদি কেউ ব্যবহার করতে চায় তাহলে বাৎসরিক খরচ ম্যাক্সিমাম ১০০০ টাকা।আর যদি কেউ পেইড থিম ব্যবহার করতে চায় তাহলে লাইফটাইমের জন্য খরচ ৫০০০ টাকা। তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি ফ্রি ব্লগার থিম এবং ফ্রি সাব ডোমেইন ব্যবহার করা হয় প্রথমে। 



সোশাল মিডিয়া জগতে যেমন:  লাইক বা ফলোয়ার না আসলে অনেকের মন খারাপ হয় (যদিও সকল ধরনের লাইক বা ফলোয়ার কিনতে পাওয়া যায়) তেমনি যারা ব্লগার বা ব্লগ রাইটার বা ব্লগ পোষ্টার বা ওয়েবসাইট ওনার তাদের ওয়েবসাইটে যদি ট্রাফিক বা ভিজিটর না আসে তাহলে কিন্তু সেখানে কোন মনোযোগ পাওয়া যায় না। একজন ওয়েবসাইট অনারের মূল বসিয়ই হলো ট্রাফিখ বা ভিজিটর। আর সেটা যদি হয় এসইও কিওয়ার্ড বেজড - তাহলে তো কথাই নাই। মনিটাইজেশণ জগতে সাকসেস হবার সবচেয়ে বড় মূল মন্ত্র- ট্রাফিক এনালাইসিস। কে কে আমার ব্লগ ভিজিট করতাছে, কে কোন টপিকস পছন্দ করতাছে এবং কে কে ব্লগ ভিজিট করতাছে বা কে কোন দেশ থেকে ভিজিট করতাচে েএই ব্যাপারগুলো খুব মূখ্য বিষয়। কেউ যদি খুব ভালো ব্লগার হয় তাহলে তারে ভালো ব্লগ ট্রাফিক এনালাইজার হতে হবে প্রথমে । 



উপরের ছবিগুলো দেখলে বুঝতে পারবেন আমার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটরের সিচুয়েশণ। আমাদের দেশে অনেকেই আছে  বিনা কারনে ভিপিএন ব্যবহার করে থাকে। বিনা কারন েভিপিএন ব্যভহার করা ডিভাইসের জন্য রিস্ক কারন সেখানে হ্যাকার রা আইসা ঘাপটি মেরে বসে থাকতে পারে। আপনার ডিভাইসের যতো গোপন ডাটা আছে তাও কারেক্ট করে নিতে পারবে। এইখানে দেখেন আমার এই ব্লকটা রিকভার হয়েছে জুন ২০১৮ থেকে। আমি এখনো এই ব্লগের তেমন কোন হোয়াইট হ্যাট এসইও করি না। শুধূ কিওয়ার্ড এবং হাইপারলিংক যেটা গুগল বা যে কোন সার্চ ইন্জিনে  যেনো দেখা যায়। তাতেই আমার ভিজিটর প্রায় ৫১০০০ ছাড়িয়ে গেছে। জুন ২০১৮ থেকে এখন অক্টোবর ২০২০: ২৮ মাসে এই ট্রাফিক। হংকং একটা বৌদ্ব দেশ। সেখানে আমার বাংলা ব্লগ দেখার কথা না। বৌদ্ব দেশগুলোতে আমার তেমন কোন ফলোয়াও নাই। সো এইটা আমাদরে দেশের পোলঅপানেরা ফুদাই ভিপিএন দ্বারা ওয়েবসাইট ভিজিট করতাছে যার ফলে এই হংকং  টা সবার উপরে দেখাইতাছে। এই ভিজিটর রা যখন আপনার ওয়েবসাইটে থাকবে বা অবস্থান করবে বা রেগুরাল ভিজিট করবে তারা এই খানে লিষ্টিং হবে। আমরা যারা ব্লগার তারা যদি নাও জেনে থাকি যে কে কোথা থেকে কোন ডিভাইস দ্বারা ব্যবহার করতাছে কিন্তু যারা ব্লগার ওয়েবসাইট কন্ট্রোল করে থাকে প্রতিনিয়ত: তারা যখন দেখবে যে ডিভাইস লোকেশন বাংলাদেশে আর ইন্টারনেট লোকেশন হংকং তখন অযথাই একটা ঝামেলার সৃষ্টি হতে পারে। পারহেপস আপনার মোবািইল টা বা ডিভাইস টা রিস্কে পড়ে যেতে পারে। কি কি রিস্ক হতে পারে চলেন দেখি: 
  • ওয়েবসাইট ব্রাউজারের বা ডিভাইসের কুকিজ হইতাছে হ্যাকারদের খাবার। আপনি বিনা কারনে ভিপিএন ব্যবহার করার কারনে হ্যাকার রা আপনার ডিভাইস পর্যন্ত আইসা ঘুইরা যাবে। 
  • ভিপিএন একধরনের বাইপাস কানেক্টেভিটি। আপনি আপনার ডিভাইসে ভিপিএন ওপেন করার সাথে সাথে ইন্টারনেট গেটওয়ের মেইন কানেক্টিভিটি এবং ভিপিএন দুইটাকেই ক্যাচ করবে কিন্তু আপনার ডিভাইস তৈরী করা থাকবে শুধূ এক ধরনের কানেক্টেভিটি মেইনটেইন করার জন্য। ফলে আপনার ডিভাইসের হ্যাক হবে বা ক্ষতি হতে পারে। 
  • হ্যাকারাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য থাকে ক্রেডিট কার্ড। যদি আপনার ডিভাইসে ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশন থাকে তাহলে আপনি পুরোটাই রিস্ক। তাই আপনি কারন ছাড়া অযথাই ভিপিএন ওপেন করবেন না। 
এই ধরনের কোন ব্যাপার নাই যে- ভিপিএন দ্বারা কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে হয়। যে সকল ওয়েবসাইট বন্ধ সে সকল ওয়েবসাইট দেখার জন্য আপনি ভিপিএন সুবিধা নিতে পারেন। কিন্তু যে ওয়েবসাইট ভিপিএন ছাড়া ওপেন হয় সেটা যদি আপনি ভিপিএন দিয়ে দেখতে চান তাহলে আপনি হ্যাকারদের খপ্পড়ে পড়বেন। আমার ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলা। 

ব্লগার: ব্লগার ডট কমে যার একাউন্ট আছে তাকেই ব্লগার বলা হয়্। এই একাউন্ট ওপেন করা একেবারে ফ্রি। আপনার জিমেইল একাউন্ট থাকলে সেটা দিয়ে ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন ব্লগার ডট কমে। তারপরেও আপনি একজন ব্লগার বলে গন্য হবেন। ধারনা করা হয় কয়েকশো কোটি ব্লগার আছে ইন্টারনেট দুনিয়াতে। 

ব্লগ রাইটার/ব্লগ পোষ্ট রাইটার: ব্লগার ডট কম বা যেকোন ধরনের ব্লগ ওয়েবসাইটে ব্লগ করে যদি আপনি নিয়মিত লেখালেখি করে থাকেন তাহলে আপনাকে ব্লগ রাইটার বলা যায়। ব্লগার ডট কম বা ব্লগ ডট কম বা যেকোন ওয়েভ ২.০ ব্লগ প্লাটফর্ম ছাড়া যদি আপনি নিজে একটা ওয়েবসাইট তৈরী করেন এবং সেখানে ব্লগ লেখার ফ্যাসিলিটজ থাকে তাহলে তাকেও ব্লগ রাইটার বলা হবে। যেমন: প্রজন্মব্লগ ডট কম  একসময় ছিলো বা সামহোয়ারইন ব্লগ ডট নেট - এগুলোতে নিজে ব্লগ মেক করে নিজের মতো করে লিখা যায় বা আপনি নিয়মিত কমেন্ট করেও ব্লগ কমেন্ট করতে পারেন। এই দুইটা ওয়েবসাইট ব্লগ রাইটার, ব্লগ পোষ্ট রাইটার হিসাবে অভিহিত করা যায়। প্রজন্ম ব্লগ একসময় খুব বিখ্যাত ছিলো। হোয়াইট হ্যাট এসইও যারা করে তারা সামেন যে ওয়েভসাইট পাবে সেটাই রেজিষ্ট্রেশন করে প্রোফাইল লিংক তৈরী করবে তার পারসোনাল ওয়েবসাইট কে র‌্যাংক করানোর জন্য। তো আমিও মাঝে মাঝে ২/১ বার ডুকেছিলাম প্রজন্ম ব্লগ ডট কমে। আগে কুব পপুলার ছিলো লোকালি বাংলা লেখতে পারার জন্য কিন্তু সেটার বিরুদ্বে রাষ্ট্রীয় এবং আইনি বাধা এবং দেশের ধর্মপ্রান মুসুল্লীদের দাবীর কাছে বন্ধ করে দেয়া হয়। হয়তো দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী বা ধর্মবিরোধী কিছু ছিলো বা থাকতে পারে। তো একবার প্রায় মাঝরাতে একজন গোয়েন্দা পুলিশ অফিসার আমাকে জানায় যে: মাসুদ তুমি কি প্রজন্ম ব্লগ দেখেছো। আমি বললাম নাম শুনেছি। তো বলতাছে যে: এইখানকার কয়েকটা পোষ্ট পরে আমাকে জানাও যে তারা কেমন? পরে উনি যে ধারনা পোষন করেছিলেন তার সাথে ব্যাপারটা মিলে যায়। উনি আমাকে এও বলেছিলেন যে- প্রয়োজেন তুমি সেখানে রেজিষ্ট্রেশন করে কয়েকটা পোষ্ট পড়ে আমাকে জানাবে। আমিও যথারীত তাই করেছিলাম এবং উনার ধারনার সাথে আমার ধারানা টা অনেকটা মিলে যায়। তো একজন যদি কেউ নিজেকে প্রজন্ম ব্লগার বলে তাহলে কি সেটা ঠিক হলো। ব্লগার ডট কম তো আমেরিকাতে রেজিস্ট্রেশন করা একটি ইন্টারনেট ব্লগ ওয়েবসাইট যেখোনে ফ্রি সাবডোমেইন পাওয়া যায় বা ফ্রি হোস্টিং পাওয়া যায়। আর প্রজন্ম ব্লগ তো একটা ওয়েবসাইট যেটার ডোমেইন আছে এবং হোষ্টিং সুবিধা ও লিমিটেড থাকে। তাহলে প্রজন্ম ব্লগার হরো কি করে? তারা প্রজন্ম ব্লগার না - তার প্রজন্ম ব্লগ ওয়েবসাইট রাইটার। আর সামহোয়ারইনও সেইম। একইরকমÑ কেউ যদি বলে যে; সে সামহোয়ারইন ব্লগার তাহলে ভ্যাপার টা ঠিক হলো না। ব্যাপারটা হবে- সামহোয়ারইন ব্লগ ডট নেট ওয়েবসাইট ব্লগ রাইটার। ব্লগার এবং ব্লগ রাইটারের মধ্যে এই একটা তফাত। ব্লগারদের কে যারা পচানোর চেষ্টা করেছে বাংলাদেশে- তাদের একদিন বিচার হবে। কারন ব্লগার ডট কম একটা আনলিমিটেড ডলার ইন্ডাষ্ট্রির অংশ।  এইখানে সম্পূর্ন  ফ্রি জয়েন করে ফ্রি সাব ডোমেইন নিয়ে ফ্রি লেখা লিখা যায় সবসময়, তোলা যায় পারসোনাল অডিও ভিডিও গান, এছাড়াও তোলা যায় আনলিমিটেড ছবি। আর সেখানে মনিটাইজেশণ করে উপার্জন করা যায় ফরেন রেমিটেন্স। উপরে আমার দেয়া ভিডিওটা দেখলে আপনি পুরোপুরি বুঝতে পারবেন। তো পরিকল্পনা করে সেই ইন্ডাষ্ট্রিজ কে যারা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে চেয়েছিলো তাদেরকে আইডেন্টিফাই করে একদিন বিচারের আওতায় আনা হবে। আইন এবং বিচার সবার জন্যই প্রযোজ্য। 

ব্লগ কপি/কপিয়ার: হুবহু আরেকটি ব্লগ কে কপি পেষ্ট করাকে ব্লগ কপিয়ার বলে। অনেক সশয় ডিজাইনার রা এই ধরনের কাজ করে থাকে। খুব পপুলার একটি ব্লগের ডিজাইনকে ওপেনে সোর্সের মাধ্যমে কপি করে পেস্টে করে নিজের মতো করে আরেকটা ডিজাইন তৈরী করে ইন্টারনেটে নতুন আরেকটা ব্লগ মেক করে ফেলে বা ওয়েবসাইট মকে করে পেরে। এই ধরনের ডিজাইন গুলো এসইও এর সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে যায়। ফলে সেখানে আর খুব বেশী ভিজিটর আনা যায় না কারন ডিজাইনের ও একটা ভ্যাপার আছে। যেগুলো ফ্রি থিম সেগুলো থেকে ইউনিক থিম বা নিজে নিজে ডিজাইন করা ব্লগে বেীশ ভিজিটর আসে কারন একটা ফ্রি থিম অনেকখানে ব্যবহার করা হলেও েএকটা পারসোনাল থিম অনেকখানে ব্যবহার নাও হতে পারে। যাই হোক ডিজাইন বা টেক্সট, ইমেজ বা ভিডিও যে কোন কিছু কপি করে পেষ্ট করাকে ব্লগ কপিয়ার বা ব্লগ ডিজাইন কপিয়ার বলে। যারা হ্যাকার বা দুই নম্বর টাইপের ইন্টারনেট ইউজার যে কোন সময় চাইলে যে কোরো নামে যে কোন কিছু ছাপাইয়া দিতে পারে কিন্তু যারা ইন্টারনেট প্রফেশসনাল আ টিকনিশিয়ান বা ইন্জিনিয়ার তারা সাথে সাথেই ধরে ফেলাইতে পারবে যে ব্লগ বা ব্লগ পোষ্ট কোথা থেকে কোন ইন্টারনেট ব্যবহার করে, কোন অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করে বিশ্বের কোন প্লেস থেকে পোষ্টিং দিয়েছে- ফলে আমার মনে চাইলো আর আমি যে কারো নামে যা মনে চায় তা প্রকাশ করে দিলাম- এই ধরনের কোন ব্যাপার স্যাপার বিশ্বে নাই কারন সেটা ম্যাক্সিমাম টাইমেই ডিলেট করে দেয়া যায়। ব্লগ বা ফেসবুক পোষ্ট এরকম হলে ডিলেট করা যাবে।একদম পারমানেন্ট ওয়েবসাইট হলে বা গুগল সহ যে কোন সার্চ ইন্জিন যদি ক্যাচ করে ফেলায় তাহলে রেজাল্ট পেজে দেখাবে এবং সেটা একজন সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট রিমুভার  (Drop your result on search engines) টাইপের এক্সপার্টের মাধ্যমে রিমুভ করতে হবে। 

ব্লগ পোষ্টার/ড্রাফটার :  ক্লায়েন্ট আমাকে একটা ব্লগ মেক করতে বললো। হতে পারে ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার বা যে কোন একটা ব্লগ প্লাটফর্ম। কিছু পোষ্ট ক্লায়েন্ট লিখে রেখেছে। সেটা হেত পারে ওয়ার্ডপ্রেস বা গুগল ড্রাইভ বা এই ধরনের কিছুতে যেখান তেকে কপি করে করে পোষ্ট করতে হবে। এরকম পোষ্ট করাকে ব্লগ পোষ্টিং বা ব্লগ পোষ্টার বলা হয়। আমরা এরকম একটি ব্লগ পোষ্ট করার জন্য ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ইউনিক কনটেন্ট , ইউনিক ছবি, ইউনিক ভিডিও, ইউনিক টাইটেল, ইউনিক ডেসক্রিপশন, ইউনিক লেভেল থাকা লাগবে এবং পার পোষ্টের জন্য সব্বোর্চ্চ ১ ডলার করে নেয়া যাবে। মনে করেন: ১০০ জন লোক ১০০টা পোষ্ট লিখে আপনাকে দিলো। আপনি সবুগলোকে একসাথে করে একটি ওয়ার্ড পেজে আনলেন। তারপরে একটি টাইটেল, একটি ডেসক্রিপশন, একটি ছবি, একটি ভিডিও এবং কিছু লেভেল বা কিওয়ার্ডের মাধ্যমে একের পর এক পোষ্টিং দেয়া শুরু করলো। ১ ঘন্টাতে ১০০ পোষ্টিং দিয়ে ফেলাইলো। চাইলে আপনি সবগুলো পোষ্টকে ড্রাফট ও করে রাখতে পারেন।  সবগুলেঅ পোষ্টিং শেষ হলে একসাথে সিলেক্ট করে পাবলিশ করে দিতে পারেন বা পাবলিক করে দিতে পারেন। এই রকম ব্যাপারকে ব্লগ ড্রাফটার ও বলে। ব্লগরে অনেক ধরনের প্লাটফর্ম আছে। একেকটাতে পোষ্টের নিয়ম বা ড্রাফট করার নিয়ম একেক ধরনের। 



ডেমো ব্লগার: ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজ করার সময় যদি কোন ক্লায়েন্ট আইসা বলে যে তাকে একটা ডেমো ওয়েবসাইট বা ব্লগ বানিয়ে দিতে হবে যা সে পরে পাবলিশ করবে বা ডোমেইন বা হোষ্টিং কিনে পাবলিশ করবে সেটাকে ডেমো ব্লগার বলা হয় (যদি সেটা ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার দ্বারা করা হয়)। সারা বিশ্বে সবাই জানে যে ওয়ার্ডপ্রেস একটা ব্লগ ওয়েবসাইট। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ডে কোন ওয়েবসাইট ডিজাইন করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম সরাসরি ইন্টারনেট থেকে ব্যবহার করা যায় আর ওয়ার্ডপ্রেস ডট অরগ কে হোস্টিং এর মাধ্যমে ডাউনলোড করে এডমিন প্যানেল তৈরী করে পরে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয়। এখণ ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা যদি আপনি কোন ওয়েবসাইট তৈরী করেন আর সেটা লাঞ্চের অপেক্ষায় রাখেন তাহলে সেই মুহুর্তে আপনাকে ডেমো ব্লগার বলা হবে কারন ওয়েভসাইট টা তখনো সারা বিশ্বে পাবলিশ হয় নাই। 


ব্লগ কমেন্টার : এইটা একটা ফ্রি ল্যান্সার পেশা। উপরে বর্নিত প্রত্যেখটা কাজকেই আপনি ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পেশা হিসাবে নিতে পারবেন। তেমনি আপনি একজন ব্লগ কমেন্টার হয়েও কাজ করতে পারেন। কেউ একজন ব্লগ রিখে। তার লেখাতে টুকটাক ভুল থাকতে পারে। আপনি তাকে ধরিয়ে দিতে পারেন তার েপাষ্টের ণীচে কমেন্ট কর্ েপৃথিবীতে যারা ব্লগ লিখে তাদের সকলেই কমেন্ট করার অপশন দেয় কারন জানার কোন শেষ নাই। আর শেখারও কোন শেষ নাই। তাহলে আপনি যদি নিয়মিত ব্লগ কমেন্টার হয়ে কাজ করতে চান হোয়াইট হ্যাট এসইও জগতে- তাহলে আপনি নিম্নোক্ত কাজ করতে পারেন: 

  • আপনাকে একদম গ্রামাটিক্যাল এবং ইরর মুক্ত লেখা লিখতে হবে যেনো কোথাও কোন মাত্রায় একটুও ভুল না থাকে। 
  • একটানে ১৫০ শব্দ লিখার যোগ্যতা থাকতে হবে।  কারন ১৫০ শব্দের বেশী ব্লগ কমেন্ট করলে সেটা খুব বেশী এসইও করতে পারবে না। 
  • হোয়াইট হ্যাট এসইও কি ওয়ার্ড রিসার্চার হতে হবে। ভালো করে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা, এনালাইজ করা, যে বিষয়ে ব্লগ কমেন্ট করবেন সে বিষয়ে ডিটেইলস জেনে নেয়া, প্যারালাল পার্ট বা রিলেটেড আর্টিকেল খুজে বের করা এবং তার ণীচে  ১৫০ শব্দের একটা কমেন্ট করা। 
  • ১৫০ শব্দের মধ্যে ১টা কিওয়ার্ড অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে ক্লায়েন্ট যতোগুলো কি ওয়ার্ড দিবে ততোগুলো কিওয়ার্ড থেকে ২/৩ টা নিয়ে একটি বা ২টি বা ৩টি বাক্যের সমন্বয়ে একটি কমেন্ট লিখতে হবে। 
  • যতোবার কমেন্ট করবেন ততোবার এই টেকনিক এপ্লাই করতে হবে। কিওয়ার্ড ভিত্তিক যদি কমেন্টস না হয় তাহলে সেটা কোন ট্রাফিক জেনারেট করবে না বেসিকালি আপনার প্রোফাইলে।
  • প্রোফাইলটা ১০০% অনেষ্ট ডাটা বেজড হতে হবে। কোন ধরনের ফেইকইজম যেনো না থাকে।
  • কোন মেশিনারি বা টুলস বা এসইও টুলস রিলেটেড সফটওয়্যার যেনো ব্যবহার না হয়। সফটওয়্যারের মাধ্যমে যদি করে থাকেন তাহলে সেটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও হবে। কারন ইন্টারনেট সফটওয়্যারে থেকে বেশী চালাক। 
  • আপনি নিজে যে বিষয়ে এক্সপার্ট শুধূ সে বিষয়ে কমেন্টস করার যোগ্যতা রাখতে হবে। তাহলে আপনি ভালো কাজ পাবেন। 
  • আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে একজন ব্লগ কমেন্টার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। যেগুলো ফ্রি মার্কেটপ্লেস সেগুলো তে প্রথমে চেষ্টা করে দেখতে হবে।  
 




নীচে দেখানো ব্যানারে ক্লিক করে জয়েণ করে আপনি একজন ব্লগ কমেন্টার হিসাবে কাজ শুরু করতে পারবেন। আপনার ১ টাকা বা ১ ডলারও খরচ হবে না। কিভাবে কাজ শুরু করবেন তার ডিটেইলস ও ভিডিও নীচে দেয়া আছে। ব্লগ কমেন্টার রা অনেক ব্রিলিয়ান্ট হয়। একজন ব্লগ কমেন্টার একটি কমেন্টস করার জন্য প্রায় ১০-১৫ ডলার চার্জ চাইতে পারে কিন্তু তার লেখা হইতে হবে সে রকম মানের। কোন ভুল থাকা যাবে না। ক্লায়েণ্ট ইনষ্ট্রাকশন ১০০% ফলো করতে হবে। যারা ব্লগ কমেন্ট পড়ে তাদের কে ব্লগ কমেন্টস রিডার বলে। 



SEOClerks


Note: Blogger copyright law activated.

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

ফ্রি ল্যান্সার দের একটি আইডি কার্ড কখন দরকার ছিলো?

আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে ভার্চুয়াল আইডি কার্ড দেবার কথা ঘোষনা করেছে। অনলা...