Translate

Monday, October 19, 2020

সোশাল মিডিয়া প্যানেলগুলোতে সিগনাল জেনারেট করার ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান নাই কেনো?

বাংলাদেশ কে বিশ্বের অনেক দেশ অনেক ধরনের সুবিধা প্রদান করে না। এর মূল কারন আমি মনে করি - বাংলাদেশের সকল মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ভেরিফিকেশণ না থাকা (কারন ২১শে আগষ্টের মতো গ্রেনেড হামলা বা হলি আর্টিজেন এর মতো ভয়াবহ হামলা - সারা বিশ্বের মধ্যে সন্ত্রাসের ব্যাপারে বাংলাদেশ কে চিনাইয়া দিছে- এই তকমা বাংলাদেশের আর ঘুচবে না। কারন চোর একবার চুরি করলেই তাকে চোর বলে আর সারাজীবন তাকে চোর বলেই চিনে লোকজন)। বাংলাদেশের কোন ইন্টারনেট সুযোগ সুবিধার কথা যখণ সারা বিশ্বে আলেঅচিত হয় তখন প্রথম যে জিনিসটা ইন্টারনেট কোম্পানী বিবেচনা করবে তা হইতাছে  বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা কেমন বা বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা হবে কিনা? আপনার মনে চাইলো আর আপনি যে কোন কোম্পানীকে বাংলাদেশে আসতে বলবেন আর সে চলে আইসা ব্যবসা শুরু করবে ব্যাপারটা সেরকম না? প্রথমে তারা আর্থ সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করবে তারপরে সেখানে তারা ব্যবসা করার চিন্তা করবে। যেমন: আমাদের দেশের ইন্টারনেট ওয়েবসাইট গুলোতে ওপেন হওয়া সোশাল মিডিয়া প্যানেলগুলোতে যেসকল সিগনাল বাই সেল করা হয় সেগুলোতে কোনটাতেই বাংলাদেশের নাম নাই বা খুজে পাওয়া যায় না। সোশাল মিডিয়া প্যানেলগুলো এপিআই নির্ভর হবার কারনে সেখানে বাংলাদেশ না থাকার কারনে বোঝা যায় যে : বাংলাদেশের এপিআই নাই।  নীচে একটা এপিআই প্যানেল ওয়েবসাইট এর হোমপেজের ছবি দেয়া হলো। এপিআই প্যানেল থেকে সিগনাল কিনে একজন ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার যাদের কিনা পূর্ববর্তী রেমিটেন্স রেকর্ড আছে বাংলাদেশের ব্যাংকের ডাটাবেজে, যে বাংলাদেশের ব্যাংকের অনুমতি নিয়ে ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট কার্ড এক্সস করে বা ইন্টারনেট ব্যাংক পদ্বতি ব্যবহার করে এপিআই প্যানেলে ডলার আপলোড করে এবং সেই সকল সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেল করে তাকে সোশাল মিডিয়া মার্কেটার বলে। এপিআই প্যানেলে যে সিগনালের দাম ১০ সেন্ট - সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেলার ওয়েবসাইটে সেটার দাম হবে কয়েক ডলার।  



কারন একটা ওয়েবসাইটের ডোমেইন + হোষ্টিং + ডিজাইন + এসএসএল + ওয়েব ডিজাইনার কষ্ট বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কষ্ট, রেগুলার মেইনটেইন্যান্স কষ্ট , ক্যাশ টাকাকে ডলারে কনভার্ট করা, ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট কার্ড  সুবিধা ব্যবহার করা, ডলার আপলোড করা এবং ডলার কষ্ট করা, কোন সার্ভিস কে রিফিল দেয়া এবং কোন কিছু ড্যামেজড হইলে সেটার রিপ্লেস করা, পারসোনাল ডিভাইস মেইনটেইন করা আর থাকা খাওয়ার ব্যাপার হলে তো আরো ডিটেইলস খরচ মেইনটেইন করা- এই সকল খরচগুলো এপিআই প্যানেল থেকে তুলে নেবে একজন সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেলার ফ্রিল্যান্সার। আর সে হিসাবে তার প্রয়োজন এবং খরচ এবং লাভকে বিবেচনা করে দাম ধরবে ৫-১০ গুন বেশী। 

নীচে এসএমলাইট প্যানেল থেকে নেয়া ২ টা ছবি দেখানো হলো। 


                                         




২টা ছবি তে আপনি দেখবেন যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেে আপনি সেই দেশের জন্য টার্গেটেড ভিউজ সেল করতে পারবেন। এর জন্য প্যানেল কে আপনার এই রেট দিতে হবে। এইখানে ডলার দেখাইতাছে ২.৩৫ /১০০০ ভিউজ। যেমন: প্রথমটাতে আপনি যদি ইটালীর ইউটিউব ভিউজ দিতে চান তাহলে আপনি সেই ভিউজ টা এইখান থেকে কিনে আপনি যে কাউকে দিতে পারবেন। যেহেতু এসএমলাইট ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় যে কোন ব্রাউজারে- কোন ধরনের ভিপিএন ফ্যাসিলিটজ লাগে না বা সহজেই যে কোন ডিভাইসে ও ওপেন হবে সেহেতু এইটাকে বৈধ ধরে  আপনি সামনে আগাতে পারবেন। এইখানে যদি অবৈধ কোন কিছু থাকতো তাহলে সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা যে বিগত কয়েক বছর ধরে এই সার্ভিস ব্যবহার করতাছে তা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যাইতো। এইগুলো এ ক্লাস ওয়েবসাইট সার্ভিস- এপিআই ব্যবহৃত হয় আপনি উপরের ছবিতে ক্লিক করে ওয়েবসাইটে ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করবেন এবং সেখানে আপনি দেখতে পারবেন - New Order Section--- Youtube Views---- Targeted Youtube Views. এইখানে দেখবেন যে- বাংলাদেশের নাম নাই। কিন্তু আপনি আমাদের শতরু (যাদের প্রোডাক্ট ব্যবহার করি না আমরা) দেশের নামও পাবেন। জানা মোতাবেক বিশ্বের যে কোন দেশের জন্য ইন্টারনেট বরাদ্দ হলে সেখানে আপনি একটা এপিআই ফ্যাসিলিটজ টা পাবেন। কিন্তু বাংলাদেশের এপিআই যে কোথায় তা মনে হয় এক খোদা মাবুদই জানে? 


ক্লায়েন্টের ফেইথ বা বিশ্বস্ততা পাবার জন্য আপনি যে কোন দেশের যে কোন ক্লায়েন্ট কে এই অফার সার্ভিস করতে পারবেন এবং প্রথমত আপনি খুবই কম রেট এবং সার্ভিস দিবেন যাতে করে ক্লায়েন্টের চ্যানেলে কোন ক্ষতি না হয়। সাধারনত এপিআই চ্যাণেল ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ক্লায়েন্টের সোশাল মিডিয়ার কোথাও কোন ক্ষতি হবে না কিন্তু তার আগে অভিজ্ঞতার আলোকে যাচাই করে নিতে হবে ক্লায়েন্টের সোশাল মিডিয়া একাউন্টগুলো। কারন কোন সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গুলো যদি ভেরিফাইড না হয় আর আপনি যদি সেখান হঠাৎ করে সিগনাল সাপ্লাই করা শুরু করেন তাহলে যে কোন সময় ক্লায়েন্টের একাউন্টের ক্ষতি হতে পারে। এই ভেরিফিকেশণ ব্ল ব্যাজ ভেরিফিকেশন না। এই ভেরিফিকেশণ একাউন্টের সিকিউরিটি ভেরিফিকেশণ। যেমন: মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন, ইমেইল ভেরিফিকেশন, টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশণ এবং এ্যাপ কোড ভেরিফিকেশন বা ফেস ভেরিফিকেশণ বা যতো ধরনের ভেরিফিকেশণ আছে তার মধ্যে ২/৩ টা করা আছে কিনা?

একটা এপিআই প্যানেলে নূন্যতম ৫০০ জন করে কাজ করতে পারে। যে কেউ মিলে যদি একটা টিম ওয়েবসাইট তৈরী করে এবং সারা বিশ্বে এসইও করে তাহলে অবশ্যই অবশ্যই ওয়েবসাইটে অর্ডার আসা শুরু করবে এবং ডলার উপার্জনের জন্য দ্বারে দ্বারে গুনতে হবে না। বিশ্বের যতো ফরেনার ছেলে বা মেয়ে আচে তাদের কাচে ২টা জিনিস থাকে সবসময় - ১) কেডিট কার্ড ফ্যাসিলিটজ এবং ২) পেপাল ফ্যাসিলিটজ। আর যে জিনিসটা তাদের থাকে না তা হইতাছে সময় বা মেইনটেইন করার স্কোপ। যে কোন সময়ে যে কোন সিগনাল সাপ্লাই করার ক্ষেত্রে আপনাকে সবসময় প্রথমে অল্প কিছু সাপ্লাই করে ক্লায়েন্টের মন যাচাই করে দেখতে হবে যে সে খুশী আছে কিনা? কিছু কিছু সিগনাল হয়তো দেখা যায়- যেমন ধরেন: ফেসবুক পোষ্ট লাইক। যেমন: একজন একটা ফেসবুক পোষ্ট দিলো- এখন সেখানে আপনি সিগনাল সেল করলেন তাহলে দেখা গেলো যে- সেখানে আপনার দেয়া সিগনালগুলোতে ছবি দেয়া নাই। এখন ক্লায়েন্ট আপনাকে বললো যে-  ছবি কই - তখন সে বাধ্য হয়ে সে পোষ্টিংটা ডিলেট করে দিলো এবং নাখোশ ও হলো। অনেকে ফেইক একাউন্ট ব্যবহার করে বা ফেইক টেকনিক ব্যবহার করে।এখন এপিআই প্যানেল যদি বলে অল সিগনাল রিয়েল তাহলে সেটা রিয়েলই হবে কারন যে একাউন্ট ওপেন করেছে সে একটা সত্যিকারের ডিভাইস থেকে নিজে ইচ্চা করে একাউন্ট ওপেন করেছে কিন্তু তার নিজস্ব সাবধানতার জন্য সে ছবি দেয় নাই- এপিআই টোকেন হয়তো বা সে সিগনালগুলোকে খুজে বের করে তার সামনে আপনার একটা পোষ্ট বা ইমেজ শো করেছে এবং এর বিনিময়ে হয়তো আপনি কিছু লাইক পাইলেন যেখানে ছবি দেয়া নাই কিন্তু এরা পরে ছবি এড করে। কিন্তু আপনি যদি প্যানেল থেকে গ্যারান্টেড বা নন রিয়েল সিগনাল কিনেন আর সেটা যদি  ক্লায়েন্ট কে খুশী না করতে পারে তাহলে সে ক্ষেপে যাইতে পারে।  তখণ সে আপনার বিরুদ্বে চলে যাইতে পারে। বিশ্বে অনেক দেশ আছে আর সারা বিশ্বে ৪০০-৪৫০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। বাংলাদেশ বা আশে পাশের ৭টা ভারতীয় অংগরাজ্য থেকে যদি ২ কোটি মানুষও নিয়মিত চেষ্টা করে থাকে কাজের জন্য তাহলে সারা বিশ্বের সমস্ত মানুষের সমস্ত ইন্টারনটে কাজ আপনারা এইখানে বসে থেকেই করতে পারবেন। 

আপনি যদি আমার রেফারেল লিংক থেকে জয়েন করেন তাহলে আপনি প্যানেল থেকে যতো পরিমান কেনা কাটা করবেন সেখানে আমার ১০% লাভ থাকবে। আর যদি আপনি চিন্তা করেন যে না ভাইরে কোন লাভ দিবো না- নিজে নিজেই ব্যবসা করবো বা কোটি ডলার উপার্জন করবো তাহলে এইটা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনাকে আমার রেফারেল না বানাতে পারলেও আপনার কাছ থেকে সওয়াব কামাতে পারবো কারন আমার দেখানো টেকনিক দ্বারা আপনার উপকার হবে। আর যদি  রেফালের লিংক থেকে জয়েন করতে চান তাহলে প্যানেলে যে কোন ছবিতে আপনি ক্লিক করবেন এবং জয়েণ করবেন ফ্রি রেজিষ্ট্রেশণ করে। এসএমএম লাইট প্যানেলে  আমার রেজিষ্ট্রেশন লিংক: এমএমএমলাইট প্যানেল ।


সাধারনত প্যানেলের গ্যারান্টেড ভিউজ কখনো ড্রপ হয় না। তারপরেও আপনি প্রথম যে সার্ভিসটা ক্লায়েন্ট কে দেবার চেষ্টা করবেন সেটা হইতাছে লাইফ টাইম গ্যারান্টেড সার্ভিস। তারপরে দেখবেন নন ড্রপ সার্ভিস আছে কোথায়। আর তারপরে দেখবেন যে কোথায় ৩০ দিনের রিফিল গ্যারান্টি আছে- সেটা দেবার চেষ্টা করবেন। কিন্তু কখনোই আপনি নো রিফিল গ্যারান্টেড সার্ভিস দিবেন না।  কারন যারা প্যানেল মালিক(এরকম প্যাণেল পিএইচপি স্ক্রিপ্ট +এপিআই ব্যবহার করে আমিও বানাইয়া দিতেপারবো তবে পেমেন্ট সল্যূশন গুলো আপনার) তারা অটো বট প্রোগ্রামের মাধ্যমে বেশী পরিমান উপার্জন করার জণ্য যে ফেক সার্ভিসগুলো এড করে সেগুলোকে নো রিফিল সার্ভিস বলে।  একটা এক্সল ফাইলের সাথে একটা বট প্রোগ্রাম কিভাবে কাজ করে তা আমার আগের পোষ্টিং গুলোতে দেয়া আছে।  এই নো রিফিল সার্ভিস টা সবচেয়ে খারাপ হয় যদিও এইখানে খুব দ্রুতগতির কিছু  ব্যাপার আছে কিন্তু ফেইক ইজম ও আছে। বেশী লোভ যারা করে তারা ামঝে মাঝে এই নো রিফিল সার্ভিসগুলো কিনে থাকে এবং ধরো ও খেয়ে থাকে। 

এইখানে সোশাল মিডিয়া প্যানেল থেকে ব্যবসা করতে গেলে যে জিনিসটা মনে রাখতে হবে তা হলো লোকালি ব্যবসা করতে গেলে বা সিগনাল সেল করতে গেলে আপনাকে অতি অবশ্যই সরকারের ব্যাংক মার্চেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করতে হবে যেনো সরকার রাজস্ব বঞ্চিত না হয়। আবার একইসাথে আপনি যদি কোনো ওয়েবসাইট বানাতে চান সেখানে -  ক্রেডিট কার্ড সার্ভিস একটিভেট করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাংলাদেশ সরকারের ক্রেডিট কার্ড পেমেন্ট সল্যুশন সার্ভিস ব্যবহার করতে হবে কারন কেডিট কার্ড এর অনুমতি আপনি ই কমার্স লাইসেন্স ছাড়া পাবেন না। সে ক্ষেত্রে আপনাকে এই খরচ টা করতে হবে ই কমার্স লাইসেন্স নিতে হবে প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় থেকে। তারপরে সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিবেন এবং আপনি আপনার ই কমার্স লাইসেন্স ব্যবহার করে ক্রেডিট কার্ড সল্যুশন নিয়ে আপনার ওযেবসাইটে আপনি হোয়াইট হ্যাট এসইও করে সারা বিশ্ব থেকে সোশাল মিডিয়া গিসনাল জেনারেট করে উপার্জন করতে পারেন। 

আর যদি আপনার কোন ইন্টারনটে ব্যাংক একাউন্ট থাকে তাহলে সেটা থেকে আপনি অনুমতি নিয়ে আপনি ব্যবহার করতে পারেন। যেমন: সবার উপরে প্রথম যে ওয়েবসাইট এড্রস টা দেয়া আছে (এসএমএম কার্ট) সেটার পেমেন্ট সলুশ্যণ আমেরিকান এক ভদ্রলোকের নামে। সে পেপালের সাথে কথা বলে তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই ওযেবসাইটে পেপাল পেমেন্ট সল্যুশন ব্যবহার করে থাকে। আর যদি আপনি ওয়েবসাইটে সিগনাল সেল না করেন তাহলে আপনি ইন্টারনেট ব্যাংকিং পদ্বতি ব্যবহার করে যে কোন দেশের যে  কোন ক্লায়েন্টর কাছ থেকে পেমেন্ট নিয়ে সেখানে কাজ করতে পারেন যেমন আছে পেমেন্ট বিডি  বা স্ক্রিল, নেটলার, ওয়েবমানি, পারফেক্টমানি, পেপাল বা পাইওনিয়ার। আর সোশাল মিডিয়া প্যানেলগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ডলার আপলোড করে থাকি এবং আমরা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সিগনাল সেল করে থাকি সারা বিশ্বে- আবার আপনার ওয়েবসাইট এ পেপাল সহ যে কোন পদ্বতি আপনি ব্যবহার করতে পারেন। দুনিয়াতে ইন্টারনেট ব্যাংকের অভাব নাই। মিলিওনিয়ার হবার সহজ টেকনিক এইটা। যদি বুঝে থাকেন তাহলে এপ্লাই করে দেখতে পারেন। প্রথমে শুরু করবেন সব্বোচ্চ ১০ ডলার হিসাবে।





সোশাল মিডিয়া সিগনাল জেনারেট সার্ভিসগুলো কে ইন্টারনটে দুনিয়াতে ডিজিটাল গুডস নামে ডাকা হয়। কারন এই সার্ভিসগুলো ইন্টারনেট দুনিয়াতে ই শুধূ ব্যবসা করে থাকে। এইখানে ডিজিটাল বলতে ইন্টারনেট এবং গুডস বলতে সম্পদ বোঝানো হয়। সোশাল মিডিয়া সিগনাল কে ডিজিটাল সার্ভিস বলা হয়। প্রায় ১০০ এর  ও বেশী মার্কেটপ্লেস ওযেবসাইট গুলোতে আমরা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং  সার্ভিস প্রদান করে থাকি তাকে ইন্টারনেট গুডস বলে থাকে বা ইন্টারনেট প্রপার্টি। এইখানে ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেসে যদি আমি কোন  বায়ার বা ক্লায়েন্ট কে ধোকা দিয়ে থাকি আর যদি সে আমাকে পেমেন্ট দিয়ে দেয় তাহলে কি সেখানে আপনি সত থাকবেন? এইখানে এসএমএম প্যানেলে এর ব্যাপারটাও এরকমই। আমি এসএমএম কার্ট ওয়েবসাইটের এডমিন। আমাকে অর্থের জন্য কষ্ট করতে হয়, ইন্টারনেটে বিড করে কাজ ধরতে হয় বা এসএমএম ওয়েবসাইট এ সিগনাল সেল করতে হয়- বিধায় একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আমি/আমরা অন্যান্য কাজের পাশাপাশি সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেল করে থাকি- চুরি, বাটপারি, চিটারি  দুই নম্বরি বা হ্যাকিং এই গুলো কোন কিছুই আমি পারি না- কখনো শিখি নাই । 

আমাকে আমার বাসা থেকে কখনো হাত খরচ দেয়া হয় না বিশ্ববিধ্যালয়ে থেকে বের হয়ে আসার পরে। ২০০২ থেকে আমি ফ্রিল্যান্সার/ মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতের সাতে জড়িত। প্রথম কাজ করেছি ওডেস্কে ২০০২ সালে।  ২০০২-২০১১ পর্যন্ত আমি পার্ট টাইম কাজ করেছি (সাথে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্টানেও জব করেছি) এবং ২০১১ থেকে এখন পর্যন্ত ফুল টাইম  ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করতাছি। ২০১৮ সাল থেকে ফুলটাইম এই  এসএমএমকার্ট ওয়েবসাইট টা থেকে মাত্র ৬০০০ ডলার অর্ডার পেয়েছি সব মিলিয়ে -  ৬০০০ * ৮৫ =  ৫১০০০০ হাজার টাকা এবং আরো একজন এডমিনকে শেয়ার করেছি ৫০%। আর ৫০%  রইলো ২৫০০০০ টাাকা মাত্র। তারপরেও এই ওয়েবসাইটে করোনা শুরু হবার পর থেকে নতুন অর্ডার আসা বন্ধ, যেখানে প্রথম ১৮ মাসে এসেছে ৫৫০০ ডলার সেখানে বিগত ১২ মাসে এসছে ৩০০ ডলার অনলি। একদম বিনা কারনে রাজধানী ঢাকা সহ বাংলাদেশের কিছু ছেলে বা মেয়ে আমার ওয়েবসাইট কে স্পাম রিপোর্ট মারে - আমি বাংলাদেশের কোন সোশাল মিডিয়া সিগনাল ব্যবহার করি না, বাংলাদেশের কারো কাছে সিগনাল সেল করি নাই, আমার ওয়েবসাইটের ক্লাযেন্ট লিষ্ট সারা বিশ্বে- বিকাশ বা রকেট সহ বাংলাদেশের কোন পেমেন্ট সল্যুশন ও আমি ওয়েবসাইটে ব্যবহার করি নাই কখনো। যদিও উ কমার্স সেকসানে বিকাশ বা রকেট দেয়া আছে বলতে গেলে অনুমতি দেয়া আছে।






তারপরেও কিছু লোক পরিকল্পিতভাবে SMMCart ওয়েবসাইট টাকে স্পাম রিপোর্ট দেয় আর ওয়েবসাইটে স্পাম রেকর্ড দেখাচ্ছে যার ফলে  বিগত ১ বছর যাবত আর কোন অর্ডার পাইতাছি না নতুন করে।  তারপরেও শুকরিয়া। আমার ওয়েবসাইটের ব্যাপারে যদি আরো কারো কিছু জানার থাকে তাহলে জানাবেন ডিটেইলস। জীবনে কখনো ভিক্ষা করি নাই আর এ জীবনে কখনো হাত পাততে বা ভিক্ষা করতে রাজী নাই, যে হাতে প্রোগ্রামিং করেছি সে হাতে শুধূ কাজই করতে চাই বা পারসোনাল মেইনটেইন্যান্স। শুধূ বলবো এসএমএম কার্ট ওয়েবসাইট এখণ পর্যন্ত   ভালো একটা অভিজ্ঞতা আমার জন্য্। 




এ ধরনের আরো হাজার হাজার ওয়েবসাইট সারা বিশ্বের প্রোগ্রামার রা রান করে থাকে। এপিআই হবার কারনে কারো কাছ থেকে অনুমতি নেবার প্রয়োজন পড়ে না। কারন এপিআই - Application Programming Interface সোশাল মিডিয়া ডেভেলপারদের একটি কম্যুনিটি বা ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কে প্রদত্ত বা প্রাপ্ত ক্ষমতা। এ ধরনের ওয়েবসাইটের কিছু এক্সাম্পল নীচে দেয়া হলো: 














(টু বি কন্টিনিউ)







 

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

সোশাল কমিউনিকেশন এবং ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া কম্যুনিটি বলতে কি বোঝেন?

সোশাল কমিউনিকেশন বলতে সাধানত বোঝানো হয় একটা সোসাইটিতে সকলের সাথে যোগাযোগ রাখা। বাংলাদেশে অনেক ধরনের সোসাইটি আছে। বাংলাদেশে কিছু কিছু সোসাইটি...