Translate

Friday, October 30, 2020

ব্লগ কমেন্টার হিসাবে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। ওযেব ২.০ ব্লগ কি?

ব্লগ কমেন্টার হিসাবে আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন। আমাদের মধ্যে যারা এইচএসসি পাশ করেছে তারা সবাই মোটামুটি কম বেশী ইংরেজী জানে। খুব সুন্দর একটা ফরেনার মেয়ের সাথে যদি কাউকে ট্রাভেলার হিসাবে ছেড়ে দেয়া হয় এবং সারা দেশ গুরে দেখানোর দ্বায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে যে কেউ বা যে কারো মুখ থেকে ই অটোমেটিক ইংরেজী বের হয়ে আসবে কারন পাশ করতে হলে আপনাকে অতি অবশ্যই ইংরেজী গ্রামার পড়ে আসতে হয়েছে। ইংরেজী না পড়ে আপনি এতোদূর আসেন নাই।  তো সেই হিসাবে আপনি যদি ব্লগ কমেন্টার হতে চান তাহলে আপাকে কিছু কিছূ বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে , কারন হোয়াইট হ্যাট এসইও জগতে একজন ব্লগ কমেন্টারের অনেক দাম বা ভ্যালু আছে। সফটওয়্যার বা এসইও টুলস দ্বারা ব্লগ কমেন্টং করাকে ব্ল্যাক হ্যাট এসইও বলা হয়ে থাকে বা সেটা ইন্টারনেটে জানা থাকে বা ইন্টারনেট জানে যে - কোনটা সফটওয়্যার কমেন্টস কারন ইন্টারনেট সফটওয়্যার থেকে অনেক গুন বেশী চালাক।  




  • খুব ভালো করে ইংরেজী টা রপ্ত করে নিতে হবে। 
  • ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান এসন্টে ইংরেজী লেখার চর্চাটা করতে হবে।
  • এমনভাবে ইংরেজী লেখার চর্চা করতে হবে যেনো সেটা বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা পছন্দ করে। 
  • খুব ভালো এসইও কিওয়ার্ড রিসার্চার হতে হবে।
  • ব্লগ বা বিভিন্ন ধরনের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আর্টিকেল বা ব্লগ পোষ্টের ণীচে কমেন্ট করতে হবে। 
  • ডু ফলো বা নোফলো মেথডে কিভাবে ব্লগ কমেন্ট করতে হয় তা জানতে হবে। 
  • বেসিক এইচটিএমএল এর ব্যাপারে জানতে হবে।
  • যে কোন একটা ক্যাটাগরিকে সিলেক্ট করতে হবে। যেমন: আপনি ট্রাভেল কে ভালো বাসলে ট্রাভেল ক্যাটাগরীতে লেখার জন্য একস্পার্ট  হতে হেএ। একটা ক্যাটাগরি চয়েজ করার জন ্যআপনাকে অনেকেই এইভঅবে বলবে যে: ট্রাভেল ব্লগ পোষ্ট কমেন্টার। 
  • ক্লায়েন্ট বা বায়ারের দেয়া কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আর্টিকেল টা পড়ে আর্টিকেল বা ব্লগ পোষ্টের উপরে কমেন্ট করতে হবে। 
  • কমেন্ট টা অতি অবশ্যই রিলেভেন্ট হতে হবে যেনো ব্লগ এর মালিখ বা আর্টিকেল রাইটার কমেন্টটা একটিভ রাখে। যে কোন ব্লগার বা ওয়েভসাইট অনার কিন্তু আপনার কন্টেকে ডিলেট করে দোবর ক্ষমতা রাখে। 
  • সার্চ ইন্জিনের চোখকে ফাকি দেবার চেষ্টা করবেন না।
  • প্রতিটা ব্লগ কমেন্ট ১০০% ইউনিক হতে হবে।


অনেকেই আছে ব্লগ (blog) বলতে ব্লক (block) কে বুঝতে থাকে। ব্লগ (blog) এবং ব্রক (block) দু্টা ভিন্ন জিনিস। যেমন: ব্লগ (blog) বলতে ওয়েবসেইটে বা ব্লগার ব্লগে( blogger.com) লেখালেখি বুঝে থাকে। আর ব্রক (block) বলতে সাধারনত একটি এলাকা বোঝানো হয়। যেন: উত্তরা এতো নম্বর সেক্টরের ডি ব্লক(D Block) বা এফ (F Block) ব্লক। ১৯৪০-৪৫ এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের সময় বাংলাদেশ কে একটি ব্লকে (Block) রাখা হয়েছিলো। যখন বিশ্বে যুদ্ব হয় তখন যুদ্ব এলাকাকে একটি ব্লকে রাখা হয় - এইটা যুদ্বরত সামরিক বাহিণীর নিয়ম। তারা ব্লক তৈরী করে প্ল্যান করে করে যুদ্ব করে যুদ্বে জেতার জন্য। তো সেই ব্লক আর ব্লগের মধ্যে বিস্তর তফাত। আমাদের দেশে  ইন্টারনেট প্রফেশনালদের সবচেয়ে বড় যে সমস্যা তা হইতাছে-শব্দগত জট। তার উপরে তারা একবারেই গুগল করতে চায় না। ফলে অনেক সময় অনেক শব্দই তারা জানতে চায় না বা জানার ইচ্ছা পোষন করে না। আসলে জানার কোন বিকল্প নাই। একসময়ে বর্তমান বাংলাদেশের নাম ছিলো পূর্ব বাংলা। সে সময়ে বাংলাদেশের ছাত্র ছাত্রীরা তৈরী করেছিলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নামের পৃথিবীর একমাত্র ছাত্র রাজৈনৈতিক সংগঠন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত যে আদর্শ আর নৈতিকতার রাজনীতি করেছিলো তা এখন আর বাংলাদেশে নাই। এখন তাদের রাজনীতি অস্ত্র, সন্ত্রাস আর ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতি। বাংলাদেশের অনেকেই হয়তো জানেই না যে : বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তৈরী হয়েছে ১৯৪৮ সালে- কারন তারা এই ব্যাপারটা বলার চেষ্টা করে না আর তাদের অনেক সময় হিসাবও মিলে না। সেই আদর্শ আর নৈতিকতার ছাত্র রাজনিীতিকে ডাকা হইতো বিসিএল (BCL- Bangladesh Chattra League) নামে আর যেদিন থেকে আদর্শ আর নৈতিকতা বন্ধ হয়ে গেলো সেদিন থেকে এই সংগঠনের নাম হয়ে গেলো (বিএসএল- BSL- Bangladesh Student League)। অনেকেই বাংলাদেশে আমার ইউজার নামের সাথে বিসিএল BCL শব্দটা নিয়ে ঘোট  লাগানোর চেষ্টা করে - কিন্তু অরিজিনাল সত্য কথা হলো- এই নামটা আমি ইন্টারনেটে মাইক্রোসফট বা যে কোন একটা ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরী করার সময়ে পেয়েছিলাম- যে কোন ওয়েবসাইটে কেউ যদি পুরো পুরি ফুল ডিটেইলস ব্যবহার করতো ( প্রথম নাম, শেষ নাম, জন্ম তারিখ, ভোটার নম্বর, পাসওয়ার্ড, মোবাইল নাম্বার, বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা, ষ্টুডেন্ট ডিটেইলস ইত্যাদি) তাহলে  ওয়েবসাইট নিজেই কিছু ইউজার নেম সাজেষ্ট করতো। আমি সেখানে থেকেই MASUDBCL or masudbcl নামটা সিলেক্ট করেছি সেই ইউজার নেম লিষ্ট সাজেসনস দ্বারা ইন্টারনেটে বসে থাকাবস্থায়। তখণ আমার এই BCL or BSL ইতিহাস জানা ছিলো না। 




যাই হোক ব্লগ করে অনেক অনেক ডলার উপার্জন করা যায়। পৃথিবীর প্রত্যেকটা ওয়েবসাইট যেগুলো খুব বেশী নামী দামী সেগুলো সবগুলোর সাথে ব্লগ থাকে। ফেসবুকের ব্লগ আছে, ইউটিউবের ও ব্লগ আছে। সব নামী দামী ওয়েবসাইটের ব্লগ আছে। ব্লগে সাধারনত বড় সড় আপডেট গুলো ইন ডিটেইলস জানানো হয়ে থাকে। যা দেখে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা ব্যবহারকারীরা একটা ওয়েবসাইট এর ডিটেইলস বা আপকামিং আপডেট সম্বন্ধে জানতে পারে। পৃথিবীতে অনেক ভিজিটর আছে যারা প্রতিনিয়ত ব্লগ পড়ে থাকে। আবার অনেকেই আছে শখে ব্লগিং করে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা খুব চমতকার ব্লগ করে থাকে।  অনেকে ব্লগ করে অনেক চমতকার চমতকার ডিজাইন করে থাকে। আমি আমার ইন্টারনেট প্রফেসনাল লাইফে এমন অনেক শত শত ক্লায়েণ্ট পেয়েছি যাদের নিজস্ব ব্লগ আছে এবং খুবই চমতকার ডিজাইন করা। তো আমি আমার অনেক ক্লায়েন্ট কে জিজ্ঞাসা করেছি তো বলতাছে যে : সবগুলো ডিজাইন তাদের নিজেদের করা্ মখ করে করেছে। ব্যবসার প্রয়োজনে করেছে। বা নিজের ভালো লাগা থেকে করেচে। যেমন: আমিও আমার ইন্টারনেট ব্যবহারের জায়গা থেকে এই ব্লগ করে থাকি। আমার কাছে ভালো লাগে এবং আমি আমার পরিচিতজনদেরকে কিছু শিখানোর চেষ্টা করি বা নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। এ যাবতকালে ওয়েবসকে ১.৩ টেকনোলজী দ্বারা প্রকাশ করার পরে ওয়েব ২.০ টেকনোলজীর আবির্ভাব ঘটে যেখানে ব্লগ কে সার্চ ইন্জিন এপ্ররুভাল দেয় এবং নানাবিধ প্রোগা্রামরদের ভালো ভালো প্রোগ্রামের কারনে এসইও তে খুব ভালো ফ্যাক্ট তৈরী করে ওয়েব ২.০ ব্লগ। সেজন্য যে কোন ওয়েবসাইট বা প্রোডাক্ট বা ব্লগের জন্য বা সার্ভিসের জন্য ইন্টারনেট জগতে ব্লগ বা ব্রগ কমেন্টের একটা বিশাল অবদান আছে। ব্রগ কমেন্টের ফলে একটা পন্য বা পারসন (ব্রগ কমেন্টার এর) বা ওয়েবসাইটের কি কি পরিবর্তন হতে পারে:


 

  • হোয়াইট হ্যাট এসইও নিয়ম মোতাবেক যে ব্রগ কমেন্ট করা হয়- সেখানে যে কিওয়ার্ড থাকে সেটা গুগলের সার্চ ইন্জিনের রেজাল্ট পেজে উঠে আসে। ফলে যার ব্রগ তার ব্রগ এড্রসটা হাইলাইট হয়ে থাকে।
  • ব্রগের লিংকটাতে ভিজিটর আসে এবং ট্রাফিক আসে আনলিমিটেড। 
  • ব্লগের যে কন্টেন্ট তা অনেকের চোখে আসে যাকে আমরা ইমপ্রেশন বলে থাকি। 
  • যে ব্লগ কমেন্ট করেছে তার প্রোফাইল দেখা যায়। 
  • যে ব্লগ কমেন্টার তার প্রোফাইলে র থাকা সমস্ত লিংক এবং অনেক ক্ষেত্রে কমেন্টস কে শো করানো যায়।
  • ব্লগ কমেন্টারের হায়ারিং প্রোফাইল লিংকে দেখে তাকে হায়ারিং স্কোপ তৈরী করা যায়। 
  • ভালো মানের ডু ফলো বা নো ফলো কমেন্টের কারনে ব্লগ এড্রসটা অনেক সময় Search Engine Result Pages দেখায়। 
  • স্পেসিফিক কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে সার্চ করে সার্চ ইন্জিনের রেজাল্ট পেজে আপনার কমেন্ট করা ব্লগ এড্রস টা খুজে পেতে পারে। 
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages এ দেখায় তাহলে সেখানে আনলিমিটেড ট্রাপিক জেনারেট হতে পারে। 
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages এ দেখায় তাহলে সেটা সারাজীবন ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে পারবে। 
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages এ দেখায় তাহলে ব্লগে থাকা পন্যের সেলস বেড়ে যাবে। 
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages দেখায় তাহলে TA, DA, PA বেড়ে যাবে।
  • ব্লগ যদি Search Engine Result Pages তাহলে এককথায় সার্চ এর ট্রাফিক বহু গুনে বেড়ে যাবে যা দিনে দিনে তার ওয়েবসাইট বা পন্য েক পপুলার করেতে পারে। 
  • অনেক সময় অনেক সার্চ ইন্জিন সেই ব্লগ পোষ্ট কে আগে দেখাবে যার ব্লগ পোষ্টে বেশী থেকে বেশী কমেন্টস থাকবে। 
  • রিয়েল কমেন্টস করলে আপনার একজন ব্লগ কমেন্টার হিসাব েক্যারয়িার তৈরী করার সুযোগ থাকবে। 



Web 2.0 ব্লগ বা ওয়েবসাইট খুব জনপ্রিয় একটা ইন্টারনটে টার্ম যা প্রত্যেক এসইও ওয়ার্কার জানে এবং ব্যবহার করে তাদের ওয়েবসাইট রেজাল্ট কে টপে রাখার জন্য এবং তাদের ওয়েভসাইটে আনলিমিটেড নাম্বার অফ ভিজিটরস আনার জন্য। ওয়েব ২.০ ব্লগ ব্যবহার করা খুবই সহজ। এদের কন্টেন্ট আপলোড পলিসি খুব সহজ এবং সোশাল মিডিয়া শেয়ারিং পলিসিও অনেক সহজ। সো এইখঅনে আপনি আপনার কন্টেন্ট রাখতে পারেন বা ব্লগ রিখে রাখতে পারেন, হাইপারলিংক করতে পারেন ডু পলো বা নো ফলো, ইউনিক কন্টেন্ট ব্যবহার করতে পারেন, ইউনিক ছবি বা ইমেজ ব্যবহার করতে পারেন এবং ইউনিক অডিও বা ভিডিও ফাইলও আপলোড বা প্রমোট করতে পারেন। 





ব্লগার ব্লগ, ওয়ার্ডপ্রেস এগুলো ওয়েব ২.০ প্লাটফর্ম। এগুলোতে কোন আর্টিকেল লেখা  বা প্রমোট করা খুব সহজ। ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে বিশ্বে হাজার হাজার ওয়েবসাইট বানানো হয় প্রতিদিন। নীচের ছবি গুলো তে আপনি কিছু ওয়েব ২.০ ব্লগ লিষ্ট পাবেন। সেগুলোতে ইচ্চা করলে আপনি প্রোফাইল তৈরী করতে পারবেন বা আপনি আপনার ব্লগ বা কন্টেন্ট কে প্রমোট করতে পারবেন এবং আপনার প্রোফাইল বা ব্লগ কে সারা বিশ্বে প্রমোট করতে পারবেন বা আপনার মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল নিয়ে আপনি আর্টিকেল লিখতে পারেন- সেখানে আপনি আনপরা মার্কেটপ্লেসর প্রোফাইল কে ইনসার্ট
করে দিতে পারেন যেনো আপনরা এসইও রিসার্চ, এসইও কিওয়ার্ড রিসার্চের উপর ভিত্তি করে মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল কে হাইলাইট করতে পারেন যেনো আপনার প্রোফাইলে বিশ্বের যে কোন দেশের যে কোন ক্লায়েণ্ট বা বায়ার আপনাকে হায়ার করতে বা কাজ দিতে উদ্বুদ্ব হয়। এইভাবে যারা কাজ আনতে পারে তারা রিয়েল মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার বা সেলার। 



ওয়েব ২.০ প্লাটফর্মে আপনি যখণ কোন আর্টিকেল লিখবেন তখণ আপনাকে হোয়াইট হ্যাট এসইও এর সকল নিয়ম পালন করতে হবে। ধরেন আপনি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস সেল করে থাকেন। তাহলে আপনি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিসের সেলের উপরে ডিপেন্ডস করে একটি আর্টিকেল লিখবেন এবং সেখানে আপনি দরকারি বা প্রয়োজণীয় কি ওয়ার্ড গুলোকে হাইপার লিংক করে আর্টিকেল টি লিখবেন এবং আপনার প্রোফাইল /মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল বা সার্ভিসগুলোকে হাইলাইট করে দিবেন। মনে রাখবেন আপনি কখনোই ডুপ্লিকেসি কিছু করবেন না। কোন কন্টেন্ট কে ডুপ্লিকেট করবেন না। পলে সার্চ ইন্জিন আপনার কন্টেন্ট কে উপরে রাখবে এবং কেনা না কোন দেশের বায়ারের চোকে পড়বে এবং আপনার প্রোফাইলে কাজের অর্ডার আসবে। 





আগে যে সকল মার্কেটপ্লেস ছিলো সেগুলোর মধ্যে অনেকগুলোর ই এখন বাজে অবস্থা। সহজে ফরেন ক্লায়েন্টরা ভিড়তে চায় না। তাই আপনার জন্য ভালো হবে একটা নতুন ব্লগার ডট কম বা অন্য কোন মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল ওপেন করে সেখানে কাজ আনার চেষ্টা করা। আপনার কাছে যদি পেমেন্ট সল্যুশন থাকে যেমন পাইওনিয়ার সেটা উল্লেখ করবেন - ক্লায়েণ্ট সরাসরি আপনাকে পে করবে। আপনি যদি নিয়মিত চোখ রাকেণ বা আমার ব্লগ টা রেফার করেন তাহলে ভবিষ্যতে আপনি আশা করি আরো অনেক টেকনিক জানতে পারবেন। কোন কন্টেন্ট কপি করা থেকে সাবধান কারন ব্লগারদের সব লেখাই কপিরাইট আইনে সিক্ত। 

SEOClerks

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

ফ্রি ল্যান্সার দের একটি আইডি কার্ড কখন দরকার ছিলো?

আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে ভার্চুয়াল আইডি কার্ড দেবার কথা ঘোষনা করেছে। অনলা...