Translate

Monday, October 5, 2020

বিভিন্ন ধরনের ফ্রি ল্যান্সার। লোকাল ফ্রি ল্যান্সার।

লোকাল বলতে জাতীয় ভাবে বোঝানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভাবে যারা ইন্টারনেটে ফ্রিল্যানসিং এর কাজ করে থাকে তাদের কে আন্তর্জাতিক মানের ফ্রি ল্যান্সার বলতে পারেন বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার বলতে পারেন।এইটা একটা আলাদা প্রফেশন। কিন্ত ফ্রি ল্যান্সিং এর যে কোন সেকসানের কাজ শিখার পরে কেউ যদি আন্তর্জাতিক অংগনে কাজ করার সাহস না পায় এবং জাতীয় ভাবে েয কোন কাজ করে থাকে তাকে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার বলা হইতাছে। এরাও খুব ভালো কাজ জানে যা ইন্টারন্যাশনাল মানের- মার্কেটপ্লেসে কাজ করতেও এরা অনেক সময় সাহস পায় না ইংরেজীতে বাত চিত করার কারনে। তবে কিছু মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে শুধু সার্ভিস সেল করে অনেক কাজ পাওয়া যায়। যেমন: এসইওক্লার্ক বা রিলেটেড আরো ৮টি মার্কেটপ্লেস বা ফিভার বা এই ধরনের আরো কয়েকটা মার্কেটপ্লেস। তারাও দেশের জণ্য রেমিটেন্স আনতাছে প্রতিনিয়ত কিন্তু ইংরেজীতে দুর্বল থাকার কারনে তারা মার্কেটেপ্লেসে বিড করে কোন কাজ আনতে পারে না যাকে সহজ ভাষায় বলা হয় - ক্লায়েন্ট ডিলিংস ভালো না। এরাও রেমিটেন্স জেনারেট করে যাইতাছে এবং এদেরকে আপন আন্তর্জাতিক মানের ফ্রি ল্যান্সার বলতে পারবেন খুব সহজে। এইখানে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার বলতে মূলত বোজানো হইতাছে: যারা খুব ভালো কাজ জানে এবং ফেসবুক বা যে কোন সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে সারা দেশের প্রেক্ষাপটে যে কোন মানি ট্রানজেকশন সিষ্টেম ব্যবহার করে একজন আরেকজনের কাছ থেকে পেমেন্ট নিতাছে এবং কাজ করতাছে বা কাজ ডেলিভারি দিতাছে। 

এইখানে একটা উদাহরন দিয়ে আপনাকে বুঝাইয়া দেই - যেমন ধরেন আপনি একজন ফটো এডিটর, আপনার পারসোনাল ফটো ষ্টুডিও আছে। আপনি রাস্তার পাশে বা যে কোন বড় রাস্তার পাশে খুব বড় সড় একটা দোকান এর পজিশন নিয়ে একটা ফটো ষ্টুডিও ওপেন করলেন। সেখানে আপনি যে আসে কাষ্টমার ছবি তুলতে - তার ছবি তুলেন । আবার অবসর সময়ে আপনি ফটোগুলোকে এডিট করে প্রিন্ট করে ডেলিবারি দেবার জন্য রেডী করেন বা করে থাকেন। আর তার চেয়েও বেশী যদি অবসর সময় থাকে তাহলে আপনি ফেসবুক বা যে কোন সোশাল মিডিয়াতে কাজ খুজে থাকেন কারন আপনার ফটোশপ, এডোবি ফটোশপ এইগুলো খুব ভালো জানা আছে এবং আপনি নিয়মিত বিরতিতে কাজ পেয়েও যাইতাছেন লোকাল ফেসবুক গ্রুপগুলো থেকে। যারা আন্তর্জাতিক ভাবে মার্কেটপ্লেসে বিড করে কাজ করে তারা বিভিন্ন ভালো বা খারাপ মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে বৈধ বা যে কোন উপায়ে ফটোশপ এডিটের/ গ্রাফিক্স রিলেটেড  যে কোন কাজ ধরে আপনার মতো যারা সারা দেশের লোকাল ব্যবসার সাথে জড়িত যারা - তাদেরকে দিয়ে কাজ করাইয়া নিতাছে এবং অরিজিনিালি কাজের পেমেন্ট টা না জানার কারনে খুবই অল্প দামে (হয়তো ১০% বা ২০%) দামে হয়তো বা কাজ করাইয়া নিতাছে। আর সেগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্ট বা বায়ারদের ব্যবসায় ব্যবহৃত  হইতাছে। তাদের ব্যবসায় লোগো বা ডিজাইন  হিসাবে ব্যবহৃত হইতাছে। আপনার মন দিয়ে করা কাজটা কোথায় ব্যবহৃত হইতাছে তা আপনি জানতে পারলেন না। 

চিটার বা বাটপার টাইপের ফ্রি ল্যান্সার যারা তারা কাজ শেষে ১০% পেমেন্ট ও দিতে চায় না যারা লোকালি কাজ করে তাদেরকে। এজ এ ওয়ার্ড জানতেই দেয় না কতো টাকা বিড জিতেছে। মানুষ ঠকানোর ব্যবসাতে মানুষকে ঠকিয়ে বাংলাদেশের কোন শ্রেনীর লোক পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করে তা আমরা সকলেই জানি। আর  যারা লোাকালি কাজটা করলো তারাও একটা নিয়ম ভংগ করলো। বলতে পারেন একই দেশের হবার কারনে আপনি যে কারো কাছ থেকে সেন্ড মানি তে পেমেন্ট টা নিতে পারেন। কিন্তু আপনি যে ব্যবসা তৈরী করেছেন - যে দোকান নিয়েছেন তার উপরে সিটি বা পৌরসভার অনুমতি লাগে কাগজেপত্রের (সিটি বা পৌরসভার অনুমতি ছাড়া দোকান পাট খোলা বা ব্যবসা চালু করা আইনত অপরাধ) সেই কাগজপত্র ব্যবহার কের আপনি একটা ব্যবসায়িক মোবাইল মানি একাউন্ট বা মার্চেন্ট সার্ভিস বা  একা্উন্ট ওপেন করে নিতে পারতেন। এতে করে সরকারও আপনার দেখ ভালো করতে পারতো। কারন সরকার জানতো কখন কোন লোক আপনাকে কোন খান থেকে ব্যবসায়িক পেমেন্ট নিতাছেন। সময়ে চাইরে সরকার আপনাকে লোনও দিতে পারতো আপনার মার্চেন্ট এর লেনাদেনার উপরে ভিত্তি করে। আপনি দোকানদারি করে যে উপার্জন করতাছেন তার থেকে সরকারকে আয়কর/ভ্যাট/ট্যাক্স দিতাছেন। আপনার দোকানের পজিশনের জন্য ও আপনি আয়কর, ভ্যাট, ট্যাক্স  বা খাজনা অবধি দিতাছেন। কিন্তু আপনি যখন লোকালি আউটসোর্সিং করলেন সেখানে আপনি আপনার পেমেন্ট টা পারসোনালি রিসিভ করে সরকারের ভ্যাট বা ট্যাক্স ডিভিশন কে এক ধরনের ফাকি দিয়ে দিলেন কারন আপনি যদি সেটা একটা পেমেন্ট/মার্চেন্ট টাইপের ব্যাংক  একাউন্ট এর মাধ্যমে রিসিভ করতেন তাহলে সরকার আপনার অর্থটাকে প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজেন ব্যবহার করতে পারতো। 

লিকুইড মানি তো সরকার এট এ টাইমে ব্যবহার ও করতে পারতো বা ব্যাংক সার্ভিস সেই মানি টাকে ব্যবহার করে অনেক দরিদ্র মানুষের উপকারও করতে পারতো। আর সেদিকে ক্লায়েন্ট ও প্রথমেই ঠকে গেলো কারন সে যাকে দিয়ে কাজটা করাবে ভেবেছিলো সে  কাজটা করে দেয় নাই। সে কাজটাকে আউটসোর্স করেছে ক্লায়েন্টের অনুমতি ছাড়া। সে যদি বলতো যে সে আউটসোর্স করবে তাহলে ক্লায়েন্ট তাকে আরো কম বা বেশী পেমেন্ট দিতো। এ ক্ষেত্রে সে ক্লায়েন্টর কাছ থেকে চুরি করেছে বলতে হবে- মিনিমাম ফেইথ চোর বলে থাকি আমরা এই ধরনের কেসগুলোকে। লোকাল ডিলিংস এর ক্ষেত্রে একবার ২০১১ সালের আগে আমরা সারা বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সাররা পারস্পরিক ডিসকাস করে নিয়েছিলাম যে - আমার ক্লায়েন্টর কাছ থেকে যা নেবো তার ৪০% যাকে দিয়ে কাজ করাবো তাকে দিবো সবসময়। ৪০% নিজে রাখবো। আর ২০% ভ্যাট, ট্যাক্স, ট্রনাজকেশন চার্জ বা ডলার রেট/জলার কনভারসন চার্জ কাট হিসাবে বিবেচিত হবে । আর যদি  এইখানেও কিছু থেকে থাকে তাহলে সেটা যে কাজ ধরেছে তার পকেটেই যাবে। কিন্তু বর্তমানে কোটি কোটি অভিযোগ জমা হয়েছে যেভাবেই কাজ করেছি পেমেন্টে দেয় না। পেমেন্ট ই দেয়ই না একেবারে। ৩০% বা ৪০% দেবে সেতো দূরের কথা । কাজ করিয়ে নেবার পরে সরাসরি প্রোফাইল অদৃশ্য হয়ে যায়। ফলে যে কাজ করেছে সে আর কোথায় টাকা চাইবে। 

কাজ শেখার লোভে বা ডলার কামানোর লোবে অনেকেই যারা নিয়মিত ফ্রি ল্যান্সার তাদের কাছে কাজ শিখতে যায়। আর নিয়মিত ফ্রিল্যান্সার দের মধ্যে যাদের মন মানসিকতা চামার চুমার টাইপের- তারা প্রথমেই তাকে কাজ শিখিয়ে ক্লায়েন্টর কাজ করাবে কিন্তু পেমেন্ট দিবে না। আবার প্রথমত কাজ শিখানোর জন্য ও টাকা চাইয়া বসবে। যে বা যারা আনলিমিটেড ডলারের জগত থেকে কাজ পাইতাছে বা কাজ করাইতাছে তারা যখন কাউকে দিয়ে কাজ করায় সেখান থেকে একটা ফিনান্সিয়াল বেনিফিট আদায় করে থাকে। আবার প্রথমেই কাজ শিখানোর জন্য একটা চার্জ দাবী করে থাকে। যারা স্কুল, করেঝ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাইভেট টিউশনি পড়ায় তারা একটা নীতিমালা গ্রহন করে চলে অনেকখানে। মানে আকাশ পরিমান চার্জ চায় না কোথাও। যেটা সচরাচর সবখানে চার্জ নেয় তারাও সেই ভাবে নেবার চেষ্টা করে। কিন্তু মার্কেটপ্লেসে নিউ কামারদের কে দিয়ে কাজ করানোর ক্ষেত্রে কাজ শিখানোর পরে তাকে দিয়ে কাজ করালে তাকে আর কেনা টাকা পয়সা দিতে চায় না। বলে যে এক্সপেরিয়েন্স- অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। অথচ যেই মানুষটা খুব মনোযোগ দিয়ে টাকা দিয়ে কাজ শিখলো এবং মার্কেটপ্লেসের কোন ক্লায়েন্টের কাজ ও করে দিলো সেখানে তাকে কোন পেমেন্ট ই দেয়া হয় না অনেক সময়। ডলার ইউএসএর নিজস্ব মুদ্রা। সারা বিশ্বে ইউএসএর দাপট হিসাবে ডলার সবখানে ব্যবহৃত হয়। ডলার তো বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা না আর বাংলাদেশের ও পারসোনাল কোন বড় সড় কোন মার্কেটপ্লেস নাই। হয়তো উদ্যোগ নাই বা অনুমতি পায় না অনেক সময়। আবার ২/১ টা সাইট চালু হয়েছে শুধু মাত্র দেশী ঘরানার। যেমণ: কাজ কি বা বিল্যান্সার। 

তো এইখানে একটা অবিচার রয়ে গেলো যেটা হলো : আপনি আনলিমিটডে বা ইনফিনিটিভ দুনিয়ার ডলার উপার্জন করতাছেন আবারো টাকা পয়সা ও চাইতাছেন লোকালি। কিন্তু এই ব্যাপারে আপনি কোন আইন বা অনুমতির তোয়াক্কা করলেন না। এইখানে আইন মোতাবেক আপনাকে পৌরসভা বা সিটি বা রাষ্ট্রের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে যে আপনি কি চাইলে যে কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফ্রি ল্যান্সার বা আউটসোর্সিং বা মার্কেটপ্লেস রিলেটেড কাজ শিখানোর জণ্য কারো কাছে যে কোন এমাউন্ট দাবী করতে পারেন কিনা বা আপনার কাছে ই কমার্স লাইসেন্স আছে কিনা বা  আপনার কাছে কোন মার্চেন্ট সার্ভিসের অনুমতি আছে কিনা? এখন যদি আপনি মনে করেন যে- আপনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না বা  এই দেশে আইনের কোন দাম নাই তাহলে হয়তো আপনি একটু ভুল করে গেলেন। হয়তো এ দেশের সকল লোক আইন কে অমান্য করতে পারে কিন্তু আপনি তো জেনে শূনে আইনকে অমান্য করতে পারেন না। আর যদি অমান্য করেন তাহলে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে- :এই দেশে আইন সকলের জন্য ই সমান। আপনি যদি দেশের কোন আইন ভংগ করে থাকেন তাহলে আপনাকে একদিন না একদিন আইনের আওতায় আসতে হবে। যেমন : স্বাধীনতা যুদ্বের পরে সাধারন ক্ষমা পাওয়া সারা দেশের রাজাকারদেরকে প্রকাশ্য দিবালোকে ঝুলাইয়া দেয়া হয়েছে ২ টি গনজাগরনের (১৯৯০,২০১৩)মাধ্যমে ৪৩ বছরের মধ্যে। কিন্তু একসময় তালিকার রাজাকারেরা বলতো যে - বাংলাদেশে কারো ক্ষমতা নাই তাদেরকে ফাসি দেবার। সাধারন ক্ষমা আইন ভেংগেই তালিকাগ্রস্থ রাজাকারকে ফাসির কাষ্টে ঝোলানো হয়েছে জয় বাংলার ক্ষমতা মোতাবেক। 

বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৪২০ ধারাতে বর্তমানে সংযুক্ত আছে যে- ”ইন্টারনেটে আপনি কারো কাছে টাকা চাইতে পারবেন না। চাইলে ণূন্যতম ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের ব্যবস্থা”। (কয়েকদনি আগে লিংকডইন একটা পোষ্টে দেখেছি।) তাছাড়া ইন্টারনেটে আপনার টাকা চাওয়ার মিনিমাম যোগ্যতা হলো - যে কোন ব্যাংকের ইন্টারনেট পেমেন্ট  গেটওয়ে বা মারচেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করা।  আর তারপরেও যদি আপনি ইন্টারনেটে টাকা চাওয়াকে বৈধ মনে করেন তাহলে আপনি একটা ণীতিমালা তৈরী করে নেন যে- ”একসময় মুক্তিযোদ্বারা শিক্ষাব্যবস্থা তৈরী করে ছিলো  সেই শিক্ষা ব্যবস্থার উপরে একটি  অপশক্তি ব্যবস্থা কোচিং বা প্রাইভেট বানিজ্য চালু করেছে (আমাদের বাবারা জীবনেও কখনো প্রাইভেট বা কোচিং করে নাই । আর এখন ইন্টারনেটে ফ্রি ল্যান্সার /আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস চালু করেছে মার্কিনীরা। আপনি সেখানে কোচিং করাবেন নিজে ডলার/ইউরো/পাউন্ড উপার্জন বাদ দিয়ে। আপনাকে যেনো সরকার নীতিমালা ঘোষণা করে দেয় যে- কখন কোথায় কোন প্লাটফর্মে কোন কাজ শিখানোর জণ্য আপনি কতো টাকা চার্জ নিবেন।”  কারন আমাদের দেশে একটা চক্রই আছে যাদের একমাত্র কাজ হইতাছে পরের ধনে (সম্পদে বা সিষ্টেমে) পোদ্দারি করা । 

আপনি যে কোন মোবাইলের সেন্ড মানি অপশন ব্যবহার করে ইন্টারনেটে কাজ শিখানোর কথা বলে সকল ধরনের মানুষের কাছ থেকে মানি রিসিভ করা বন্ধ করে সরকারের অনুমতি নিয়ে মার্চেন্ট পেমেন্ট সিষ্টেম চালূ করে  এবং ইন্টারনেটে আউটসোর্সিং রিলেটেড কোচিং করাইয়া ধান্দাবাজি বা চাদাবাজি বা হ্যারাজমেন্ট করার জন্য সরকারের কাছ থেকে বা হাই কোর্টের কাছ থেকে বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তারপরে টাকা বা পয়সা রিসিভ করা শুরু করেন। এতে করে সরকারের কাছে একটা স্পেসিফিক ডাটা থাকবে যে- এই এই জেলার এই এই চটার বাটপার গুলো ইন্টারনেটে কোচিং করাইয়া এতো এতো টাকা উপার্জন করেছে। চাইলে সরকার আবার সেটাকে ডাটা আকারে পাবলিক লি প্রকাশও করতে পারবে। কারন এইখানে সেন্ড মানি সুবিধা ব্যবহার করার কারনে আমি পারসোনালি মনে করি সরকারের বিপুল পরিমানে রাজস্ব ক্ষতি হইতাছে যাকে আমরা সহজ বাংলায় সিষ্টেম লস বলে থাকি। এইধররে পন্থাগুলো যদি বাংলাদেশ সরকারের চোখে বৈধ হয় তাহলে অনায়াসে তাদরেকে লোকাল ল্যান্সার বলে চালিয়ে দেয়া যাবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের নিয়মানুযাী মানুষ যন কাউকে টাকা দেবে তখন তার কাছ থেকে সার্ভিস বা সেবা গ্রহন করবে আর সেই সেবার রেকর্ড গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কাছে থাকবে। এইখানে সেবা প্রদান করা হইতাছে (ইন্টারনেটে যারা ফ্রি ল্যান্সার/ মার্কেটপ্লেস/ আউটসোর্সিং রিলেটেড কাজ কাম শিখাইতাছে বা ধান্ধা করতাছে আর সার্ভিস গ্রহনকারী হইতাছে যারা টুকটাক শিখতাছে বা সেবা গ্রহন করতাছে এবং একই সমানতালে প্রতারিতও হইতাছে নিয়মতি বিরতিতে।) 

যারা সেন্ড মানি সুবিধা ব্যবহার হরে ইন্টারনেটে টাকা পয়সা লেনাদেনা করে কাজ কাম শিখানোর কথা বলে সেখানে যদি মার্চেন্ট সুবিধা টা চালু করা হয় তাহলে প্রত্যেক বার ট্রানজেকশনের সাথে সাথে একটা মনিটরিং থাকবে এবং জবাবদাহিতার ও একটা ব্যাপার থাকবে। আইন প্রয়োগকারী সহজে ট্রানজেকশণ নাম্বার চেক করে যে কোন সময়ে যে কারে বিরুদ্বে যে কোন খানে এ্যাকশনও  নিতে পারবে। আদতে সরকারি নির্ধারিত আইট প্রতিষ্টান গুলো ই শুধু এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু এখন বাংলা মায়ের সন্তানেরা (আদৌ কিনা) সমানেই ইন্টারনেটে যে যেভাবে যার কাছ থেকে পারে টাকা পয়সা নিয়ে প্রতারনা র চক্র গড়ে তুলে হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে দেশের অনেক খানে অনেক মানুষের ক্রমান্বায় কষ্টের কারন হয়ে যাইতাছে। ইন্টারনেটে যারা হাত পাতে তাদেরকে আমি কোন ধরেনর ফ্রি ল্যান্সার বলতে নারাজ। আর যারা কোন ধরনের অনুমতি ছাড়াই বা ফেসবুক পেজ তৈরী করে বা নিয়ম ণীতিমালা তৈরী না কের যার যেভাবে খুশী সেভাবে টাকা পয়সা নেওয়া শুরু করেছে তাদেরকে বেসিক্যালি লোকাল ল্যান্সার বলা চলে। 

লোকাল মানে জাতীয় এইখানে। আর ল্যান্সার মানে হইতাচে পেশা। আর পেশাটা হইতাছে ভালো মানুষি যদি থাকে আর কি/ চিটারি বা বাটপারি কারন যে কোন নাম্বার ব্যবহার করে কার সাথে কতো খানে কতো কতো টাকা চিটার বাটপারি করে যাইতাছে তার প্রমান রাষ্ট্রীয় ভাবে আহবান করলে কোটি ছাড়াইয়া যাবে যেমন আগের দিন বলেছিলাম- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেমের মা বোনরে গরের ভেতর ডুকে তাদের কে কোটিপতি বানানোর কথা বলে/ কোর্স শিখানোর কথা বলে তাদের পারসোনাল (ব্রা/প্যান্টি/ন্যাপকিন)কেনার টাকাও হাতাইয়া নিতাছে অনায়াসে। সমাজটা গোল্লাতে গেলেও সামাজিক ব্যবস্থায় বসবাসকারী রোকজনদের যেনো কোন রকম ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখাটা আইন বা পুলিমেল নৈতকি দ্বায়িত্বের মধ্যে পড়ে। রাষ্ট্রীয় ভাবে কিছু কিছু লোকাল ল্যান্সার দের   চিটারি বা বাটপারি কোনভাবেই নৈতিক হতে পারে না। একদিন খড়গ শুরু হবেই হবে।  

তাই এই ইন্ডাষ্ট্রিজ কে যদি বাচাতে চান বা আপনি যদি চান দেশের ছেলে মেয়ে বা ফ্রিল্যান্সার রা তাদের মেধার প্রয়োগ ঘটিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাক এবং নিয়মিত উপার্জন করে তাদের সংসার চালু করুক তাহলে সারা দেশের সকল কোম্পানী/ প্রাইভেট অর্গানাইজেশন/ করপোরেশন সকলের অংশগ্রহনে একটি মার্কেটপ্লেস- যেখানে সরকারের অুনমতি নিয়ে আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সার রা চাইলে কোর্সও সেল করতে পারবে এবং সেখানে একটা মান নিয়ন্ত্রনের ও ব্যাপার থাকবে। আমাদের দেশে যতো পরিমান মার্কেটপ্লেস আছে সেগুলোর সবগুলোই দেশের বাহিরের কারো না কারো। যা দ্বারা আপনি চিনেন না এমন লোককেও আপনি বিলিওনিয়ার বানিয়ে দিতাছেন। যারা ইউরোপ আমেরিকাকে ভালোবাসে তাদের জন্য ব্যাপারটা আনন্দেরই। কিন্তু দেশের সব ধরনের ফ্রি ল্যান্সারদের মেধা কাজে লাগানোর একটা সহজ উপায়- একটা প্লাটফর্ম যেখানে যে কেউ যে কাউকে যে কোন কাজের জন্য হায়ার করতে পারবে এবং কাজ শেষে রিভিউ দিতে পারবে। কোন ধরনের চিটার বাটপারি হলে আইন পুলিশের সাহায্য ও নিতে পারবেন। যে কোন বিদেশী কোম্পানীও বা বিদেশী বায়ার বা ক্লায়েন্ট আমাদের দেশের যে কোন ফ্রি ল্যান্সারদেরকে তালিকা থেকে খুজে বের করে যে কোন কাজ বা সেই ফ্রি ল্যান্সার এর এক্সপার্টনেস অনুযায়ী হায়ার ও করতে পারবে। ফলে দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার রা এক প্লাটফর্মে  আইসা কাজ করতে পারবে। পেমেন্ট সল্যুশন দেবে বাংলাদেশের যতো  ইন্টারনেট পেমেন্ট কোম্পানী আছে তারা। সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্ব পড়ে এইটা- আমার মতে। সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় একটা লোকাল মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট বানাবে যেখানে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার রা কাজ খুজে নিবে, আবার লোকাল  আউটসোর্সিং কোম্পানীগুলো তাদের কাজ কে আউটসোর্স করবে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে , যারা কাজ শিখাবে তাদের তালিকা দেয়া থাকবে (তাদের কাজ শিখানোর যোগ্যতা ভেরিফাই করে) যাদের কাছ থেকে স্বল্প মূল্যে বা অল্প মূল্যে মার্চেন্ট প্রথায় কাজ শিখতে পারবে যারা কাজ শিখতে ইচ্ছুক তারা কাজ শিখতে পারবে। ফলে পুরো প্রসেসটাই সরকারের চোখের সামনে থাকবে। অযথা মানুষকে হয়রানি করার ব্যাপারটা কমে যাবে যা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের সোশাল মিডিয়াতে হইতাছে। 

মনস্ত্বাত্বিক ভাবে যদি একবার বিবেচনা করেন যে একজন মানুষ যে বাংলাদেশ সরকারের বৈধ নাগরিক তার বুকে জমে থাকা লাখ রাখ স্বপ্ন নিয়ে সে সোশাল মিডিয়াতে আইসা নিজের জীবনের মোড় পরিবর্তনের চেষ্টা করতাছে। সেখানে আপনার দেশের সামাজিক ছত্রছায়ায় বসবাস করা একটা অশুভ চক্র প্রতিনিয়ত সেই সুন্দর মনের সোশাল মিডিয়ার মানুষগুলোর ইমোশন নিয়ে ব্যবসা করতাছে যা পারসোনাল সেন্টিমেন্টে আঘাত হানতাছে আর যা প্রতিনিয়ত একটা ইমোশনাল হ্যারাজমেন্ট তৈরী করে যাইতাছে। বাংলাদেশ সরকার নিশ্চয়ই ফেসবুক থেকে টাকা পয়সা নেবার জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করে নাই। একটা মানুষ ফেসবুকে বসা মাত্রই নানা ধরনের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে - ফ্রি ল্যান্সিং করে কোটিপতি হবার বিজ্ঞাপন দেখে সেখানে প্রতারিত হয়ে বসলো। আপনি একবার ভেবে দেখেছেন সে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার বা সো কলড ফ্রি ল্যান্সার দ্বারা কতোটুক স্বপ্ন ভংগের স্বীকার হলো আর আপনি সরকার বা প্রশাসনের অংশ হয়ে তাদেরকে সাপোর্ট করে বিনা কারনে মন ভাংগার কারনে গুনাহ কামাই করতাছেন। বাংলাদেশে যারা প্রতিনিয়ত হ্যারাজমেন্টর স্বীকার হইতাছে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার দের দ্বারা -আমেরিকান রা বা ফেসবুকের যারা মালিক বা নীতি নির্ধারক তারা নিশ্চয়ই সেই পাপের ভাগ নেবে না কখনো। ফেসবুকের একটা নিজস্ব মার্কেটপ্লেস আছে যেটা বাংলাদেশে চালু হয় না। 

আমেরিকাতে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসের সেকসানের মাধ্যমে, ফেসবুক মার্কেটপ্লেস সেকসানের ইউজার হবার কারনে সরাসরি ডলার লেনাদেনা করা বৈধ কিন্তু বাংলাদেশে এইভাবে লেনাদেনা করার অনুমতি কখন কোন আইনে দেয়া হলো ঠিক বোঝলাম না? কোন প্রজ্ঞাপন ও তো চোখে পড়লো না যেখানে বাংলাদেশ সরকার সমস্ত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বলতাছে যে- তোমরা সমানেই সমস্ত সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে টাকা পয়সা লেনাদেনা করা শুরু করো। হুশ নাই বাংগালীর- হুশ নাই লোকাল ল্যান্সার দের। যদি কখনো আইনের খড়ড়ে পড়েন তখন ঠিকই হুশ হবে। শুনেছি সরকারের কপি রাইট আইন খুব ভয়াবহ আইন। আর আমি এতোক্ষন যতোগুলো চিটারি বাটপারির কথা আলোচনা করলাম- সেই সব চিটা বাটপারদের কপিরাইট আইনে সাজা পাইতে হতে পারে। 

যারা একেবারে ফ্রি কাজ শিখাচ্ছেন আর পরে আবার টাকা চাইয়া বসতাছেন সেখানে ও সাবধান। দেখলাম সরকারের নাম ভাংগাইয়া একটা প্রজেক্টে আমার এক পরিচিত জনকে প্রথম সেশন করাইছে ফ্রি- দ্বিতীয় সেশনেই বলতোছে স্পেশিয়াল বা প্রিমিয়ার সেকসান। সেখানে নিশ্চিত টাকা পয়সার ব্যাপার স্যাপার শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সরকারি রেফারেন্সে ও শুরু হয়েছে। সৃষ্টিকর্তাই জানে কবে জানি ইন্টারনেট বাংলাদেশ কে গুড ভাই বলে দেয়? তখন মেট্রাপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক দিয়ে কাজ শিখাইয়েন আর লোকাল ফ্রি ল্যান্সিং করে যাইয়েন। ইন্টারনেটের আর কি দরকার - নেটওয়ার্ক থাকলেই তো পয়সা। 

বড়ো আজব এক দেশ- বাংলাদেশ। লোকাল ল্যান্সিং এর বাংলাদেশ।

কপিারইট। স্বত্ত্ব সংরক্ষিত।


No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ থাম্ব বলতে কি বোঝেন?

ইন্টারনেটে এখন অনেক খানে পজিটিভ থাম্বের ব্যবহার আছে। যে কোন পোষ্টের নীচে অনেক সময় থাম্ব ব্যাপারটা দেখা যায়। আবার অনেকখানে অনেক ওয়েবসাইটে আছে...