Showing posts with label ফ্রি ল্যান্সার. Show all posts
Showing posts with label ফ্রি ল্যান্সার. Show all posts

Monday, November 30, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস জগতে একটি মার্ডার দেখা।

২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরনে সরাসরি অংশগ্রহন করতে পারি নাই কারন আমি একটু ব্যাকডেটেড ছিলাম। এখনো আমি কিছুটা সেকেলে মাইন্ডের। প্রায় ১ বছর ধরে ভাবতাছি নিজের গিগের ইমেজগুলো পরিবর্তন করবো তাও করা হইতাছে না। আমি খুব সিরিয়াস না হলেও বলতে পারেন মোটামুটি বা শখের ফ্রি ল্যান্সার।  গনজাগরনে সরাসরি শাহবাগে অংশগ্রহন না করলেও ময়মনসিংহে আমি শাহবাগ গনজাগরনের পক্ষে কাজ করি- সংঘটিত হবার চেষ্টা করি এবং কিছু কিছু পদক্ষেপে মুভমেন্টে ও করি। তো গনজাগরনের যারা বড় ভাই ব্রাদার তারা বলে যে : তোকে শেষ দিন হলেও থানা শাহবাগে আসতে হবে। আমি ২৫ শে অক্টোবর ২০১২ তে থানা শাহবাগ ছেড়ে ময়মনসিংহে চরে আসি তারপরে আবার ১৪ ই ডিসেম্বর ২০১৩ তে ফিরে আসি। আমার দ্বায়িত্ব ছিলো সারা দেশে একটি বলয় তৈরী করা শাহবাগ গনজাগরনের চতুর্দিকে। সেই হিসাবে গনজাগরনে অংশগ্রহন করার চেয়ে গনজাগরনের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করাতে বেশী  ইন্টারেষ্টেড ছিলাম যেনো সারা দেশ থেকে যে সকল ভাই ব্রাদার অংশগ্রহন করেছিলো তারা আবার শান্তিতে বা নিরাপদে তাদের বাসাতে ফিরে যেতে পারে। একেবারে মূল  কেন্দ্রে র সাথে যোগাযোগ না থাকলেও গনজাগরন সংক্রান্ত ব্যাপারে ২০১৩ সালের গনজাগরনে অংশগ্রহন করে অনেকেই নিহত হয়। ইন্টারনেটে থেকে তৈরী হওয়া গনজাগরনের সদস্যদেরকে যারা হত্যা করেছে বা যারা মূলে ছিলো বা পেছনে ছিলো আজকে তাদের খুব রমরমা অবস্থা। স্পেশিয়াল কিছু ভাই এর হত্যা মনের মধ্যে গেথে আছে : শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের দীপন ভাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সন্তান অভিজিত দা এবং তেজগাওয়ে সম্ভবত ওয়াসিফুর রহমান বাবু। সবচেয়ে ভয়াবহ মার্ডার বলতে গেলে অভিজিত হত্যা- এখনো তাদের ফাসির দাবী করি। এর তদন্তে আছে এফবিআই।  

একজন ফ্রি ল্যান্সারের মূল যে সম্পদ তা হইতাছে তার গ্যাজেটস। আমি ২০১৩ সালের ১৪ ই ডিসেম্বর থানা শাহবাগ গনজাগরন সভাস্থলে হাজির হই আমার ল্যাপটপ সহকারে। রাজাকার কসাই কাদেরর ফাসির উৎসব এ। ফাসি কার্যকর হবার পরে একটি বিজয় অনুষ্টান হয় সেখানে আমি ল্যাপটপ সহকারে উপস্থিত থাকি। তারপরে ঘোরাফেরার মধ্যে ২০১৩ সালের ১৭/১৮ ই ডিসেম্বর মিরপুর ১২ নম্বর থেকে একটা গুরড় কল আসে- ইন্টারনেটে ফেসবুকের গ্ররপে একটা এড দেখার সূত্র ধরে। তারপরে সেই গ্ররপের সাথে পরিচয় এবং কথা বার্তা। তারা আমার সাথে কথা বার্তা বলে অফার করলো তাদের সাথে থাকার জন্য। আমি ব্যাচেলর মানুষ- তাদের আদর আপ্যায়নে খুশী হয়ে থেকে গেলাম যদিও মেস লাইফ তারপরেও ফ্রি ল্যান্সিং করতে গেলে সংঘ বা প্রেমিকার ভালোবাসা দরকার হয়। সেই সেন্সে থাকা । আমার সাথে ল্যাপটপ থাকার কারন আমি তখন কাজ করি মার্কেটপ্লেসে তবে ইনকাম খুব বেশী হাই ফাই না আবার এতা খারাপও না যে চলতে পারবো না। ঢাকা শহরের একটা মেসে থাকলে সর্ব্বোচ্চ খরচ ৬০০০-১০০০০ টাকা। সেরকম ভাবে সৃষ্টিকর্তা আমাকে সহায়তা করতেছিলো। আমাকে আমার বাসা থেকে কখনোই কোন হাত খরচ দেয়া হতো না।  তারা আমাকে তেমন ফাইনানসিয়ালি হেল্প করতো না। তাছাড়া আমি সরকারি প্রজেক্টের চাকুরীও ছেড়ে দিছিলাম।২০০২-২০১১ পর্যন্ত পার্ট টাইম ফ্রি ল্যান্সিং এর পাশাপাশি জব এবং ২০১১ থেকে এখন পর্যন্ত ফুলটাইম করি। 


তো মিরপুর ১২ নম্বরে থেকে কাজ শুরু করার পরে আস্তে আস্তে একজন দুজন করে সংগী যোগাড় হওয়া শুরু হয়। মোটামুটি প্রথমে ১ জন, তারপরে ২/৩ জন করে ৫/৬ মাসের মাথাতে আমার গ্ররপের সংগী সংখ্যা দাড়ায় ৪/৫ জন। ২ জন জুনিয়র, ১ জন সিনিয়র আর দুইজন মেয়ে। মেয়েটা যে কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজ থেকে অনার্স/মাষ্টার্স পড়তেছিলো। থাকতো ডেমরাতে। কখনো দেখা হয় নাই। তো আমি লাইক ফর লাইক পয়েন্ট কেনাবেচা করতাম- আমি কিনে ক্লায়েন্টের সোশাল মিডিয়া প্রমোশনের কাজ করতাম। যখন সংগী বাড়তে শুরু করে আর তারা ডিমান্ড করে আমার সাথে কাজ করবে তখণ আমি আমার নেটওয়ার্ক বা পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করি। লাইক ফর লাইকের যারা ওয়ার্কার তারা ৫০% রিয়েল ইমেজ ব্যবহার করতো না। কিন্তু ক্লিকটা হতো রিয়েল এবং আর ইমপ্রেশন টা হতো রিয়েল আর লাইক গুলো আসতো সারা বিশ্ব থেকে। এইটা টেক্সাসের টেক ইউনিভার্সিটির একদল ছাত্রের একটা প্রজেক্ট। সেভাবেই কাজ শুরু করা। প্রথমে সোশাল মিডিয়া প্যানেল থেকে আমার ফেসবুক প্রোফাইলে ৩৫০০ ফ্রেন্ডস এড করি ১০/১২ ডলারের বিনিময়ে। হাই কোর্টের ভ্যাট ট্যাক্স  ডিভিশনের একজন আইনজীবি ছিলেন ফ্রি ল্যান্সার- উনার কাছ থেকে কিছু সাজেসনস নিয়ে আবারো কাজ শুরু করি। ক্লায়েন্ট দেরকে ফেসবুকে সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর অফার প্রমোট করি- যারা রাজী হতো তারা সরাসরি পেপালে পেমেন্ট করতো আর যারা রাজী হতো না কিন্তু কাজ দিতে রাজী থাকতো তাদেরকে নিয়ে আসতাম মার্কেটপ্লেসে। পেপালের ডলার ঢাকা শহরের যাদের ডলার দরকার ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দিতো তাদের সাথে যাইয়া সরাসরি দেখা করে সেল করে দিতাম। ল্যাপটপ ও নিয়ে যাইতাম অনেকখানে। কোথাও কোন খান থেকে কখনো কোন ডলারের ব্যাপারে কোন অভিযোগ আসে নাই। পারসোনাল পেপালে ডলার দিতাম উনি সেটা দেখে পরীক্ষা করে নগদ ক্যাশ টাকা দিতো এবং সেটা নিয়ে কাজ করতাম বা যারা ওয়ার্কার তাদেরকে দিয়ে দিতাম। আবার অনেক সময় যে কারো পেমেন্টবিডি একাউন্টে সেলও করে দিতাম। আমাদের দেশের একটা প্রধান সমস্যা অনেকই পেপালকে অবৈধ বলে- অবৈধ হলে তো আর ওয়েবসাইট ওপেন হতো না। পেপালের ওয়েবসাইট যেহেতু ওপেন হয় সেহেতু আপনি যেভাবেই ব্যবহার করেন না কেনো সেটা ষ্ট্রাগলিং ফ্রি ল্যানসিং এর জন্য লিগ্যাল ধরা হয়। 



আমার সেই হাই কোর্টের আইনজীবি ছিলো শাহবাগেরই বন্ধু। আমি তার সাথে বেশীর ভাগ সময় শাহবাগে দেখা করতাম। সে ছিলো একজন মেয়ে এবং আমাদের সম্পর্ক টা ছিলো বন্দুর মতোই। ফ্রি ল্যান্সিং এর সূত্রে পরিচয় ২০০৬ সাল থেকে। সে না থাকলও আমি থানা শাহবাগে যাইয়া বসে আড্ডা দিতাম। ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়, বুয়েট এবং ঢাকা মেডিকেল, পিজি হাসপাতাল, বারডেম এর কর্মচাঞ্চল্য ভালো লাগতো। থানা শাহবাগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সারা দেশের ছেলে মেয়েরা আসতো বসে আড্ডা  দিতো এবং  লালন চত্বরের লালনের আসর জমতো। আমার ধারনা হয় মিনিমাম ৫ লক্ষ লোকের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে থানা শাহবাগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বসে থাকার দরুন। তাই মাঝে মাঝে আইসা বসতাম বা মানুষের সাথে পরিচিত হতাম। ভাগ্য গুনে কয়েকজন ফ্রি ল্যান্সার বন্ধুও জুটে গেলো যারা থানা শাহবাগে আড্ডা দিতো। তারা ক্রেইগলিষ্টের মার্কেটিং করতো এবং এখন এডাল্ট ডেটিং নিয়ে কাজ করে এবং তারাও রেমিটেন্স আনে। বাংলাদেশ ব্যাংক তো আর জানে না কোন কোন কোম্পানী রেমিটেন্স দিতাছে কারন এডাল্ট ডেটিং এর সব কোম্পানীই পাইওনিয়ার বা স্ক্রিল এ পেমেন্ট দিতো। আর সেগুলো লোকালি সেল করা ছাড়াও  ব্যাংকেও উইথড্র দেয়া যাইতো। তো প্রথমেই স্মরন করবো সেই বন্ধুমহলের সাথে থেকে অভিজিত হত্যার খবর জানার ব্যাপারে।


২জন ফ্রি ল্যান্সার বন্ধু এডাল্ট ডেটিং এর আর আমার টিমের ৩ জন, আমি , আমার এক ছোট ভাই আর এক বড় ভাই (ডেমরা এলাকার) একুশে বইমেলার চলতেছিলো জয় কালী মন্দির গেটে, আমরা বসেছিলাম টিএসসি গেটের ভেতরে নাট্যমঞ্চে, মুক্তমঞ্চে। যারা সেখানে গেছে বা যাবার অভিজ্ঞতা আছে তারা সকলেই জানে সেখানে ছেলে পেলে রা বসে কি করে? যথারীতি আমারও তাই করতেছিলাম। তার আগে দিনের বেলাতে আমার একটা ডেট ছিলো। আমি আমার ডেট শেষ করে বন্ধুদেরকে কল দিলে থানা শাহবাগে দেখা হবে এরকম একটা সেটআপ করি। সবাই চলে আসলে সন্ধ্যার আগে আগে আমরা সেখানে বসে যাই আরো ৩/৪ হাজার ছেলে পেলে দের সাথে। পুরো নাট্যমঞ্চে অনেক মেয়েও ছিলো। আমরা বসে বসে তাদের মজা দেখতাম অনেক সময়। তারা তাদের বন্দুদের সাথে মজা করতো , চিৎকার চেচামেচি করতো আর সবচেয়ে ভালো লাগতো তাদের ড্যাশিং মুভমেন্ট। সেই হিসাবে ১ থেকে দেড় ঘন্টা মতোন আমরা সেই ২ নম্বর গেট এলাকার নাট্যমঞ্চে বসে আড্ড দেই। আমাদের কারোরই নলেজে ছিলো না যে তখন বইমেলা চলতেছিলো। কারন ইন্টারনেটের যুগে বই কিনে পড়ার মতো কোন অভিজ্ঞতা নাই্ ভালো না লাগলে বসে বসে পিডিএফ বুক পড়তাম। যারা মনিটাইজেশন করে তারা তো আর বই কিনে পড়ে না- একজন আরকেজনের লেখা পড়ে। 


তো আমার ৩জন, সেই এডাল্ট ফ্রি ল্যান্সার ২ বন্ধু, আর তাদের আরো ২ বন্ধু এই ৭ জন মিলে সেখানে আড্ডা দিয়ে - সমস্ত সিগারেট শেষ করে টিএসসি এর গেট দিয়ে বের হয়ে আসি- যেখানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকতে হতো। আমার পুরো মাথা টাল মাতাল লাগতেছিলো টায়ার্ড  এর কারনে। বের হয়েছি প্রায় ২/৩ টার দিকে আর ঢাকা শহরের ধুলো বালি এমনিতেই মানুষকে টায়ার্ড বানিয়ে দেয়। আমরা সাড়ে ৮টা নাগাদ বা তার আরো কিছু পরে হাটতে হাটতে চলে আসি শাহবাগের মোড়ে। তখণ লুংগি পড়া একজন লোক দৌড়ে কাছে আইসা আমাদেরকে বলতাছে: ভাইয়া ভাইয়া এইখানে এইখানে ২ টা হত্যা হয়েছে। মার্ডার । গলা কাটা। আমরা থেমে দাড়াই এবং বলি যে কোথায়? তো উত্তরে বলতাছে এই যে: টিএসসির কাছে। তো আমার উত্তর দিলাম যে: আমরা তো মাত্রই হেটে আসলাম। কিছু দেখলাম না তো কোন রক্ত বা কোন লাশ বা কোন হইচই। তো বলতাছে যে: এই মাত্রই হইছে। তো আমরা উত্তরে বললাম যে: তো আমারে বলতাছেন কেনো? থানা শাহবাগে যান সেখানে পুলিশ আছে তাদেরকে বলেন। আমার ঠিক সেই মুহুর্তে থানা শাহবাগের গেটের উল্টোদিকে দাড়িয়ে ছিলাম। তো বললাম: তো আপনি আমাদের কে বলতাছেন কেনো: থানাতে যান পুলিশকে বলেন। তো বলতাছে সেই লংগি পড়া দোকানদার মে বি: যে সে আমাদেরকে দেখে পুলিশ মনে করেছিলো। তো আমি টাল মাতালের মধ্যেও ভাবতেছিলাম যে: শালায় মনে হয় আমারে ইন্টারপোল ভেবেছে। (!)


তারপরে আমরা শাহবাগ থেকে হেটে হেটে ইষ্টার্ন প্লাজার সামনে হয়ে বাংলামোটর এর মোড়ে চলে আসি। সেখান থেকে বাসে উঠি ৯.১৫ এর দিকে এবং মেসে চলে আসি ১০ টা- সাড়ে ১০ টা নাগাদ। রুমে ঢুকতেই রুমের এক বড় ভাই বলতাছে: মাসুদ ভাই কিছু জানেন? আমি বললাম কি? তো উনি বুঝতে পেরেছে আমি মে বি কিছু শূনি নাই। তো বলতাছে যে: ল্যাপটপ খুলেন এবং সংবাদ পত্র বের করে দেখেন : আপনাদের একজন ব্লগারকে হত্যা করা হয়েছে (আমি একটু আউট থাকার কারনে ভুলে গিয়েছিরাম যে আমি শাহবাগে একটি হত্যা নিউজ শুনে এসেছি)  এবং তার স্ত্রী ও আক্রান্ত। আমি খবর পড়ে বুঝতে পারলাম বিজ্ঞান মনস্ক লেখক ডা: অভিজিত রায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যুক্তরাষ্ট্র এবং তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ডা: অজয় রায়। আমি অভিজিতের নাম কখনো তেমন শূনি নাই বা শুনলেও মনে নাই কিন্তু ডা: অজয় রায়ের কথা জানতাম। উনার কিছু কিছু লেখাও পড়েছি। বুঝতে পারলাম উনার বিজ্ঞান মনস্ক লেখা সম্ভবত কেউ পছন্দ করে নাই। তাই সরকারের ছত্র ছায়ায় বসে থেকে তাকে প্রকাশ্য দিবালোকে হাজার হাজার মানুষের সামনে কুপিয়ে হত্যা করেছে - কোন লোকজনও  তেমন ফেরাতে আসে নাই। তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হইতেছিলো বলে অনেকদিন- পরে পত্রিকা পড়ে জানলাম আর সে তার ছোটবেলার বেড়ে উঠার এলাকায় তাকে কেউ মেরে ফেলাবে এইটা সে বিশ্বাস করতে পারে নাই। 


ইন্টারনেট যেমন একটি গতিশীল মিডিয়া তেমনি ঢাকা শহর ও একটি পরিবর্তনশীল দুনিয়া- এই খানে একজন মানুষকে এক সেকেন্ড পরেও আর খুজে পাওয়া যায় না। সিসিটিভির ফুটেজ আছে কারা কারা অভিজিত কে হত্যা করেছে। ঢাকা শহরের প্রানকেন্দ্রে অবিস্থত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতে ডা: অভিজিত যাদেরকে বন্ধু ভেবেছে তারা হয়তো সেই সময়ে তাকে আর সেই সাপোর্ট দিতে পারে নাই।  তার আগে এবং পরে আরো দুটি মৃত্যু কিংবা খুন আমারে অনেক ভাবাইয়া তোলে: ১) শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের ণীচে থাকা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ডা: আজাদ আবুল কালামের ছেলে প্রকাশক দীপন  এবং ২) আরো একজন ভালো মনস্ক লেখক: ওয়াসিফুর রহমান। তাদের লিখিত ব্লগে কোন মনিটাইজেশণ ছিলো না। আমার বাবাও একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন এখণ অবসরপ্রাপ্ত। এই দুইটা হত্যাতে আমার কাছে মনে হয়েছে : তারা অভিজিত বা দীপন ভাই কে মারে নাই- তারা বোধ হয় আমাকেই মেরে ফেলেছে। অভিজিত ছোট বেলাতে ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয় আবাসিক এলাকাতে বসবাস করতো কারন তারা বাবা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। কিছুদিন আগে তারা বাবা ডা: অজয় রায় ও মারা গেছেন। এখনো অভিজিতির লাশ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রাখা আছে। যতোদিন পর্যন্ত অভিজিত হত্যাকারী বা প্রধান পরিকল্পনাকারী সহ হত্যাকালীদের ফাসি কার্যকর না হবে ততোদিন পর্যন্ত অভিজিত লাশ কে দাফন বা সমাহিত করা হবে না- এইটা অভিজিতের পরিবারের  এবং  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের  সিদ্বান্ত।   

পরের দিন সকালে আমি সম্পূর্ন সুস্থ হই এবং মনের মধ্যে কষ্ট পাই। তার ২/১ টা লেখা পড়ি এবং দেখলাম যে: থানা শাহবাগে বিকালে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে। শাহবাগে বিরাট জনসমাগম হয় এবং অনেকখানে অনেক আড্ডা হয়। আমিও সেই আড্ডার মধ্যে থাকি বা অংশগ্রহন করি। ফলে থাদের অনেক খবর আসতো আমার কাছে। সেখানে যাই এবং প্রতিবাদ সভা বা মিছিলে অংশগ্রহন করি। পরে যাইয়া দেখি টিএসসি এর গেটে একটা বিশাল ছবি টাংগানো আছে অভিজিতের। আমি সেই খানে যাইয়া একটু থাইমা যাই কারন পত্রিকাতে দেখলাম লিখেছে ৩ নম্বর গেট তথা জয় কালী মন্দির গেটে হত্যা হইছে অভিজিত কিন্তু শাহবাগের লোকজন মোমবাতি জালাইতাছে  ২ নম্বর গেটে। পরে আমিও একটা মোমবাতি জালিয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্বা নিবেদন করলাম এবং সেখান থেকে হেটে হেটে ফিরে আসলাম।সেই প্রতিবাদ সভাটা আয়োজন করার ব্যাপারে পরে পত্রিকাতেও ছবি আসে অনেক।


ইন্টারনেটে বাংলা লেখা বা ব্লগ লেখা কোন অপরাধ না। বাংলাদেশে এমন কোন আইন নাই যে: ইন্টারনেটে বসে বাংলা লিখা যাবে না বা ব্লগ লেখা যাবে না। আইনে আছে: ইন্টারনেটে আপনি দেশ, জাতি, ধর্ম  বিরোধী কিছু লিখতে পারবেননা। মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কিনে নিজের মনের চাহিদা পূরনের জন্য। কারো যদি বাংলা লিখতে ভালোবাসে সে লিখবে। কারো যদি ব্লগ লিখতে ভালোবাসে সে লিখবে। এই ব্যাপারে আদালতের ও কোন এখতিয়ার নাই কাউকে বাধা দেবার জন্য। আদালত শুধূ অপরাধীর বিচার করতে পারে- কারো ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না। আমার এখনো বিশ্বাস হয় না: যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডা: অভিজিত কোন ধরনের খারাপ কিছু লিখতো। কারন দীপন একজন প্রকাশক ছিলো: তাকে যারা হত্যা করে তার  মেইন মোটিভ ই ছিলো যে: তাকে ধর্মবিরোধী বই প্রকাশ করতে বলা হয়েছিলো- সে করে নাই্ আরো একজন ছিলো লালমাটিয়ার প্রকাশক তিনিও রাজী হন নাই্। তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। অভিজিত যে নিজে সেই ব্লগ লিখতো বা নিজে লিখে যে বই প্রকাশ করেছিলো এইটা আমার বিশ্বাস না হবার কারন : আমি নিজেও বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক পরিবারের সন্তান। আমাদের একটি আলাদা সমাজ ব্যবস্থা আছে যেখানে খুব ভালো করে ধর্ম কর্ম শিক্ষা দেয়া হয়। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে যে: অভিজিতের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল হ্যাক করা হয়েছিলো, তার নামে মিথ্যা বা বানোয়াট ব্লগ লেখা হয়েছিলো এবং  শাহবাগ গনজাগরনের কর্মী হবার কারনে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে ইভেন তার নামের বইও অন্য একজন লিখে তার নামে প্রকাশ করা হয়েছে বলে আমার সন্দেহ হয়।  কারন আমরা জানি বিশ্ববিধ্যালয়ে শিক্ষক পরিবারের সন্তানেরা কেমন হয়। আদর্শ আর নৈতিকতার স্বাক্ষী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিবারের কোন সন্তান কোন খানে তাদের নৈতিকতা বিকায় না- পারহেপস আমি কখনো দেখি নাই। আমার বাবা সুদীর্ঘ ৪৫ বছর শিক্ষক ছিলেন আর আমিও কখনো ২ নম্বরি বা জোচ্চুরি করি নাই আমার লাইফে। 


তারপরে র কথা তে আসি। আমি যে রুমে বসে থেকে অভিজিতরে হত্যার খবর ইন্টারনেটে সংবাদপত্রে বসে পড়ি সেখানে থাকার আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। একই বিল্ডিং এর অন্য পাশে আরো একটি ফ্লাট খালি হয় এবং সেখানে মুভ করার চেষ্টা করি। ঠিক সে সময়ে অল্প পরিচিত একজন আইসা জুটে আমার গুরপের বা টিমের সাথে। তার মেস ছিলো অন্য আরেকপাশে বিল্ডিং এ। তার রুমে একদিন বা ২ দিন একজন বান্ধবীর সাথে ডেট করার দরুন সে চেপে বসে এবং সে বলে যে তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে আর্থিক সাহায্য করা বন্ধ করে দিছে। তার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনাও ঠিক নাই। সে তার বিশ্ববিধ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করতে পারতাছে না। তাকে কাজ শিখানোর জন্য এবং তাকে কিছু কাজ দেবার জন্য্ কাজ শেখার জণ্য সে আমাকে টাকাও অফার করতে চাইলো। তো আমি বললাম: এই ধরনের ব্যাপার স্যাপার তো বাংলাদেশে চালূ নাই্ কাউকে ফ্রি ল্যানসিং কাজ শিখিয়ে টাকা নেবার কোন উপায় নাই।  তো আমার সাথে যারা টিম মেম্বার তারা বললো যে ভাই: এই লোকটাকে নিয়েন না। তার এক চোখ পাথরের- আরেক চোখ এতোদিনে নষ্ট হয়ে যাবার কথা মানে অন্ধ ঘটিত প্রবলেমে। এই কথাটা বলার পরে তাকে কিছু কাজ দেখানোর ইচ্চা পোষন করি। তাকে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে টানা আটটি মাসে ৪ লক্ষ টাকার মতো কাজ দেই এবং তা পেমেন্টও করি। কারন আমার মনে স্থির ধারনা ছিলো; সে প্রাইভেট বিম্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়তো একসময় টাকা ফেরত দেবে। 



পরে দেখলাম তার রুচি অনেক ডাউন। প্রথমেই দেখলাম যে গার্মেন্টস এর পঞ্চম শ্রেনী পাশ মেয়েদের সাথে ছাদে বসে টাংকি মারে। ব্যাপারটা আমার ভালো লাগে নাই। মিরপুরের পুরোটা জুড়েই গার্মেন্টস । আমি সতর্ক হওয়া শুরু করে। মার্কেটপ্লেস থেকে তাকে আমি ১ টা কি ২ টা কাজ দেই কিন্তু বেশীর ভাগ সময়ে আমার সোশাল মিডিয়া বন্ধুদের সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কাজ করতো।আমি আস্তে আস্তে সতর্ক হওয়া শুরু করি। গার্মেন্টস এর মেয়েদেরকে আমি অবজ্ঞা করতাম না। তাদের সাথে আমিও হাই হ্যালো বলতাম কিন্তু আমি একটা লিমিটেশন বজায় রাখতাম। আমার দ্বিতীয় যে খারাপ লাগাটা হয় সেটা হলো: আমার টিমের প্রথম যে মেম্বার সে একাবরে গ্রাম থেকে আসা অনেক সহজ সরল মানুষ- সে যাকে পছন্দ করে সেই মেয়েকে এই এক চোখ অন্ধটা বিরক্ত করে। ফলে টিমের প্রধান সদস্য টেনশনে পড়ে যায় এবং আমি বুঝে ফেলি যে: আমার এই টিমটা টিকবে না। কারন ফ্রি ল্যান্সিং কখনো কনট্রাডিকশন (Contradiction) এর মধ্যে হয় না। তৃতীয়ত: একদিন ভোর বেলাতে সে আমার ল্যাপটপ এবং মোবাইল চুরি করে বসে। মেসের সকল সদস্য ঘুমে থেকে এবং সে মেসের দরজা খুলে ছাদের সাথে লাগোয়া দরজা খুলে ছাদে বসে চোরকে ইনষ্ট্রাকশন দিতাছিলো আর একদম ফজরের আজানের টাইমে দারোয়ানের  খোলা দরজা দিয়ে (তখণ সবাই নামাজ পড়তে যায় মসজিদে)  তার দেখানো পথে চোর আইসা ল্যাপটপ এবং মোবাইল আমার কানের কাছ থেকে নিয়ে যায়। আমি যখন ঘূমাতাম তখণ ল্যাপটপ আর মোবাইল আমার মাথার পাশেই থাকতো। আমি পুরো হতভম্ব এবং থ হয়ে যাই। মনে মনে বলি চোর নিয়ে কি আর ফ্রি ল্যান্সিং করা যায়। 


আশে পাশে খোজাখুজি শেষ করে সকাল হলে থানাতে যাই আমার সেই প্রথম সদস্য এবং এই চোর কে নিয়ে। থানার ওসি বলে জিডি লিখে নিয়ে আসেন। আমি বাহিরে যাইয়া জিডি লিখে নিয়ে আসার প রে বলতাছে: চোর আপনার চেনা জানা। আপনি কি চোরের নাম দিবেন জিডিতে নাতি সবাইকে সন্দেহের তালিকাতে রাখবেন। আমি বললাম: সেখানে সবাইকে সেন্দহের তালিাকতে রাখেণ। থানার ওসি বললো: জিডি করতে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর রাগবে। এই একটা কথা শুনে আমি এতো খুশী হলাম যে: আমার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর তো দিলামই সাথে আরো ২০০ টাকা দিলাম চা খাবার জন্য্ উনি টাকা নিতে চায় নাই- তো আমি বললাম ডলার কে ক্যাশ করা টাকা। আপনি চা খাইয়েন। তো উনি বললেন: যে আপনার মোবাইল নাম্বারট খোলা রাখবেন। আমি ওকে বলে চলে আসলাম। সেই ল্যাপটপে আমার  মিনিমাম ১৫০০ কমপ্লিটেড প্রজেক্টের ডাটা রয়ে গেছে। প্রথমে একটা মোবাইল কিনলাম অল্পদামে। তারপরে সীমগুলো রিপ্লেস করলাম। খুব দ্রুততার সাথে ফেসবুক এবং মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট ডিটেইলস গুলো পরিবর্তন করলাম এবং তারপরে আবার শুরু করার জন্য একটা ল্যাপটপ কেনার চিন্তা করলাম। বিকাশে থাকা সকল টাকা উইথড্র করলাম। তারপরে বাকী টাকা দার দেনা করে আবারো একটি ল্যাপটপ কিনে ফেলাইলাম। সেই মুহুর্তে অনলাইনে থাকা সারা বিশ্বের আমার সকল বন্ধুরা জেনে গেলো : ঢাকা শহর থেকে আমার ল্যাপটপ এবং মোবাইল চুরি হয়ে গেছে। হতভম্ব হয়ে গেছে অনেকে এবং প্রশ্ন করলো যে তোমরা কিভাবে কাজ করো বা করবা? 



আমি ১৯৯০ এর গনজাগরন আন্দোলনের সৈনিক। রাজাকার (ফাসি) বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত। হঠাৎ করে এক তালিকাগ্রস্থ রাজাকার (ফাসি ) দেখলাম সেই এলাকাতে- মিরপুর ১২ নম্বরে। যুদ্বের সময়ে সে মিরপুরে ১১ নম্বর থেকে বাংগালী জবাই করতো বলে শুনেছি। মিরপুর কামরাংগীরচর আর ময়মনসিংহ পর্যন্ত তার নেটওয়ার্ক ছিলো। তাকে দেখে আমার সেই এলাকাতে থাকার রুচিই নষ্ট হয়ে গেলো তাও দেখলাম মসজিদে ঢুকতাছে। আমার কষ্টার্জিত ডলার কে ক্যাশ করা টাকা আমি যে মসজিদের দানবাক্সে ফেলি সেই মসজিদে রাজাকারের (ফাসি) (খুবই চিকন প্রকৃতির লোক)  প্রবেশ দেখে আমি সেখানে থাকার টোটাল ইন্টারষ্টে হারিয়ে ফেলি। চিন্তা করি সেই এলাকা ছেড়ে দেবো। সম্ভবত আমার ধারে কাছের কিছু লোক বুঝেও ফেলে। একটা এলাকা থেকে তোর আর হঠাৎ করে বের হওয়া যায় না । তাই সুযোগ খুজতেছিলাম যে কিভাবে সেই এলাকা ছাড়া যায়। এর মধ্যেই আমার যে প্রথমে টিম মেম্বার সবচেয়ে ভালো সে: একদিন সন্ধ্যায় আইসা আমার কাছে কান্নাকাটি করতাছে। খুবই ভালো বন্ধুত্ব ছিলো। মাঝে মাঝে দেখেছি মন খারাপ করে থাকতে। আর যা উপার্জন করতো সব খরচ করে ফেলাইতো আমার সাথে। দুজনে বিভিন্ন খানে ঘুরে বেড়াতাম। আর খুব ভালো কাজও জানতো। দিনাজপুর, জয়পুরহাট, পটুয়াখালী বিভিন্ন খানেও গেছি। 



সেই ছেলে যখন কান্নাকাটি করতাছে তখন তাকে ভালো ভাবে জিজ্ঞাসা করাতেও কোন উত্তর দিলো না। মিরপুর থেকে কাছাকাছি একটা রাস্তা দিয়ে এয়ারেপোর্টের যেখানে বিমান নামে সেখানে যাইয়া বইসা আছে দেখলাম। সে যখন কান্নাকাটি করে  সন্ধ্যায়  তখণ আমি ৭ তালাতে একা নতুন নেয়া ফ্লাটে বসে কাজ করতেছিলাম। নি:শ্চুপ ছিলো এবং আমি গভীর মনোযোগেই কাজ করতেছিলাম। একটু ধাপাধাপি বা পাছড়াপাছড়ি শুনেছি কিন্তু আমল দেই নাই। ভেবেছি  হয়তো কেউ কোন ভারী জিনিসপত্র তুলতাছে। সেই ছেলেকে এয়ারপোর্ট থেকে ধরে নিয়ে আসি আমি এবং একজন ক্রিকেটার রংপুর থেকে আসা :তারপরে ১২টা থেকে সাড়ে ১২ টা নাগাদ ফ্ল্যাটে চলে আসি এবং এসে ঘুমাইয়া পড়ি। সেইভাবেই থাকতো ল্যাপটপ আর মোবাইল। কারন আমি জানি চোর আর দ্বিতীয় বার চুরি করবে না।  ঘুম ভাংগে পরদিন দুপুর পৌনে দুইটায় এবং একজন গার্মেন্টস কর্মী পুরুষ আইসা বলে যে : ৬ তালাতে একটা সুইসাইড হয়েছে। আমি একটু হতভম্ব এবং থ হয়ে গেলাম এবং নীচে যাইয়া দেখলাম, একটা মহিলা ঝুলতাছে ফ্যানের সাথে। আমার কাছে খূব বেশী পরিচিত মনে হলো না। পুলিশ আসলো এবং লাশ তুলে নিয়ে গেলো। যেই মহিলার বাসাতে এ ঘটনা ঘটেছে তারে জিজ্ঞাসা করলাম : বললো যে: এইখানে আর কোন অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয় নাই। লাশ নেবার সময়ে পুলিশের সাথেও দেখা হলো। ঢাকা মেডিকেল থেকে লাশ ফেরত আসার পরে লাশবাহী গাড়ি ও দেখলাম তার গ্রামের বাড়িতে রওনা হবার অপেক্ষায় আছে। গ্রামের বাড়ি বলেছিলো বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতির আশে পাশের কিশোরগঞ্জ গ্রামে।  তারপরে প্রায় ৩৮ দিন ছিলাম সেই এলাকাতে। পুলিশ আমাকে কোন জিজ্ঞাসাবাদ করে নাই। আমি নিজে থেকে নিজের সেফটি এবং সিকিউরিটির কারনে ডিএমপি কে ছদ্মনামে সবকিছু জানিয়ে একটা ইমেইল করে দিলাম। 


তারপরে আর সেই এলাকাতে কিভাবে থাকবো? সেই টিম মেম্বারই একদিন বিট্রে করে একটি ঘোট পাকিয়ে ফেললো সেই বছর ৩১ শে ডিসেম্বরের আগে ভাগে: কিছু লোক গায়ে হাত তুললো। সেই সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা সিটি কর্পোরেশন আইনের পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনের  ফরম ফিলাপ করতে বললো পুলিশ সবাইকে ঘোষনা দিয়ে। আমিও সেই ফরম খুজতে যাইয়া একটা ভয়াবহ বিপদের মধ্যে পড়ে গেলাম। তারা আমার গায়ে হাত তুললো আর আমি মনে মনে ভাবলাম পুলিশের আইন কার্যকর করতে যাইয়া কিছু মাইর খাইলাম - আশা করি বাংলাদেশ পুলিশই একদিন ব্যাপারটাকে সলভ করে দিবে। গায়ে হাত তোলার আগে মিরপুর ডিওএইচএস এর কিছু লোকজন ২০,০০০ টাকা চাইলো এবং বললো যে: ২০,০০০ টাকা দিলে ছেড়ে দিবে। আমি বললাম যে: ২০,০০০ টাকা দেওয়া আমার পক্ষে  সম্ভব না। তারপরে তারা কিছুটা কিম্বুত উপায়ে আমাকে ঝাড় ফুক করলো- মহিলারা যে রকম  ডাল রান্না করার সময়ে ডাবুর দিয়ে ঘোটায় সেরকম একটা কাঠের দন্ড দিয়ে। ঠিক কোন  ধর্ম মোতাবেক ঝাড় ফুক করলো তা ঠিক বোঝলাম না (পরে ২০১৬ সালে ফেব্রুয়ারীতে আমি চট্রগ্রাম যাই আন্দরকিল্লা লালখান বাজার এলাকাতে এবং সেখানে যাইয়া ঘুমাইয়া পড়ি। দেখলাম এক হুজুর আমার গায়ে হাত রেখে আমাকে ঝাড় ফুক করে দিতাছে এবং বুঝলাম আমি পূর্বের বিপদ থেকে বেচে যাবো। একটা সন্দেহ থেকে যায় বের হয়ে আসার পরে: আমি যেদিন আন্দরকিল্লা মসজিদে যাই সেদিন ছিলো শুক্রবার। স্পেশিয়াল কারন বশত সেদিন হাইকোর্ট থেকে রায় আসে বাংলাদেশ মুসলিম দেশ। তখন একটা মেয়েকে দেখলাম লালখান বাজারে ঘোরাগহুরি করতে যাকে আমি মিরপুর ১২ নম্বর বাজারেও দেখেছি। ব্যাপারটা টিক ঠাহর করতে পারলাম না) । পরে সেই হাই কোর্টের আইনজীবির সাথে সব কিছু শেয়ার করলাম এবং তাকে নিয়ে একদিন সেখানে গেলাম। সেই বিল্ডিং এর ম্যানেজার তা দেখে ভাবলো যে: আমি আবারো রুম ডেটিং করতে এসেছি এবং সে প্রচন্ড ক্ষেপে গেলো। শালাদের আচরনে যা আছিলো সব কিছু মিলে থানা শাহবাগের বড় ভাইদের কে জানালাম। তখন তারা সেখানে ২/৩ বার যাইয়া আমার ল্যাপটপ, কাপড়ে চোড়প, চেয়ার টেবিল যা ছিলো তা একদম কাছের ছোট ভাই মনে করে সবকিছু নিয়ে আইসা ডেমরাতে এক বাসাতে তুলে দিলো। বিরাট কষ্ট করেছেন  সেই বড় ভাই। এতো অমায়িক মানুষ আমার লাইফে আমি আর কখনো দেখি নাই।  আমার লাইফে বড় সড় সামর্থ্য হলে আমি উনাকে বড় সড় একটি গিফট দেবার চেষ্টা করবো। তখন পুলিশ প্রধান ছিলো আমার পরিচিত। সে আবার বোধ করি আমার আব্বাকে পুরো ব্যাপারটা জানায়। আমার বাবা নিজে জিনিস টা একাবার ভেরিফাই করে। বলে যে: উনি আমাকে নিয়ে মিরপুর ১২ নম্বর এ একবার যাবে। ডিএমপি ক েবলেন: আমি যদি দোষী হই তাহলে যেনো আব্বার চোখের সামনে থেকে ধরে নিয়ে যায়।  আমার আব্বা পরিচিত একজনের বাসাতে বেড়াতে যায় । আমি  আধাঘন্টা  থাকি এবং আব্বার কথা মতো মিরপুর ১০ নম্বর থেকে ( একজন বাযার ৪ মাস আমার কাছ থেকে এফিলিয়েট প্রোডাক্ট কিনে ফলে ১০০ ডলার জমা হয় এবং সেটা দিয়ে একটি স্যামসাং মোবাইল কিনি) এবং আব্বার সাথে মিরপুর ১ এ যাইয়া দেখা করি। তারপরে আমার আব্বা বুঝে যে: আমি কোন হত্যা বা কোন খারাপ কাজের সাথে জড়িত নাই। 



তার আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে সেই এক চোখ কানা (যে আমার কাছ থেকে কাজ শিখেছিলো) আমাকে ফেসবুকে বিনা কারনে (তার বলে টাকার হিসাব মিলে না্- তাকে মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট ও খুলে দিয়েছিলাম) আমাকে জবাই এর থ্রেড দিয়ে বসে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে ফেসবুক মেসেন্জারে । আমি তো পুরোপুরি থ। যারে ফ্রি কাজ শিখালাম, ৭/৮ মাস কাজ দিলাম - বিকাশ রেকর্ড আছে ৩/৪ লক্ষ টাকা দিলাম- সে বলে আমাকে মাইরা ফেলাবে (সৃষ্টির ও তো একটা নিয়ম আছে)]। সাথে সাথে শাহবাগের সেই বড় ভাই এবং তার বন্ধুদেরকে জানালাম : বললো যে:  একবার তো থানাতে জিডি এন্ট্রি করেছোই। শুধূ ডিএমপি কে জানাইয়া রাখো। পরে ডিএমপি তে সেটার স্ক্রিনশট নিয়ে একটা ইমেইল করে জানাইয়া রাখলাম।আর আব্বাকেও জানালাম। বললো টেনশন কইরো না। তাকে আমরা জেলে ভরবো। সব শেষে ২০১৬ সালের অক্টোবরে ময়মনসিংহে বাসাতে চলে আসলাম, বিগত কয়েক বছর যাবত বিল্ডিং এর কাজও কমপ্লিট করতাছি, আর পাশাপাশি ফ্রি ল্যান্সিং কাজও করতাছি। আর ৩ টা ফ্ল্যাটের কাজ বাকী আছে। এরই মধ্যে করোনারি শুরু। কিছুদিন আগে আমার ফেসবুক একাউন্টে লগইন করা যাইতেছিলো না। তখন বুঝতে পারলাম বিশ্বের যে কোন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণী আমার ফেসবুকের সকল তথ্য ডাউনলোড করে নিছে। সাধারনত গোয়েন্দা পুলিশ রা বিভিন্ন ওয়ার্ড লিখে সার্চ দেয় এবং সেরকম তথ্য না পাইলে একাউন্ট ফেরত দেয়। আমিও যথারীতি ফেরত পাইলাম। এখণ সেই তথ্য সেই গোয়েন্দা পুলিশ বা আন্তর্জাতিক পুলিশের কাছে। না জানি কি হয়। আমি ২০১৮ থেকে ব্লগ লিখতাছি। আমার অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করতাছি। আগেও লিখতাম ইংরেজীতে। ২০১১ সালে সেটা অফ হয়ে যায় এবং ২০১৭/২০১৮ সালে সেটা আবার ফেরত পাই যেটা এতোক্ষন আপনি পড়লেন। 

 


Tuesday, November 24, 2020

ফ্রি ল্যান্সার দের একটি আইডি কার্ড কখন দরকার ছিলো?

আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে ভার্চুয়াল আইডি কার্ড দেবার কথা ঘোষনা করেছে। অনলাইনে আবেদন করা স্বাপেক্ষে এই কার্ড পাওয়া যাইতে পারে। সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ে দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে এই কার্ড দেবার জণ্য অনুষ্টানের ও আয়োজন করেছে। কোন কিছু হলেই অনুষ্টানের আয়োজন করা বা খরচ করা - বাংলাদেশের একটা কালচার। পৌনে ছয় কোটি গরীব মানুষের দেশে বসবাস করে নিজেকে বড়লোক ভাবা বা বড়লোক ষ্টাইলে চলাফেরা করা - এই দেশের একটা অনৈতিক কালচার হয়ে দাড়িয়েছে। একাবর ভেবে দেখেছেন এই দেশের বিভিন্ন এমপি বা মন্ত্রীদেরকে প্রটোকল দিয়ে রাখতে হয় সিকিউরিটি বাহিণী- যদি কখনো কেউ কোথাও গনপিটা শুরু করে দেয় তার তো কোন ঠিক ঠিকানা নাই। আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত এমন কোন জন প্রতিনিধি নাই যে কিনা সহজ সরল ভাবে সকলেল সাথে মেলামেশা করতে পারে। অথছ যে দেশ আমাদেরকে বর্তমানে পাইওনিয়ার কার্ড দিতাছে- আয়ার ল্যান্ডের বিউয়ন্ডে- সে দেশের প্রধানমন্ত্রী সাইকেল চালিয়ে অফিসে আসে। পার্শ্ববর্তী দেশ ব্রিটেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বাংলাদেশে বেড়াতে এসে বা রোহিংগা মিবির পরিদর্শনে  এসে একাই একাই চলে এসছেন দুবাই পর্যন্ত। অনেক দিন আগে দেখেচিরাম: ভেনিজুয়েরার প্রেসিডেন্ট নিজের সবজির ক্ষেত থেকে শাক সবজি খেয়ে তাকেন। কোন এক মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট - রাস্তার পাশে দাড়িয়ে নামাজ পড়তেন এবং তার জামাও অনেক সময়ে ছেড়া থাকতো। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একা একা অনেক সমেয় হেটে বেড়ান। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাষ্টিন ট্রুডো প্রায়শই একা একা কয়েক জন সংগী নিয়ে ঘুরতে বের হোন। কিন্তু কখনো শুনেছেন বাংলাদেশের কোন মন্ত্রী রাস্তাঘাটে একা একা ঘুরে বেড়াইতাছেন। এইটা এমন এক দেশে যেখানে জন মানুষের নিরপাত্তা ও নাই- আবার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ও নিরাপত্তা নাই। 


একবার পত্রিকাতে দেখেছিলাম যে: ইউরোপ এবং আমেরিকাতে ইমিগ্রেশন সিটিজেন (এখন অবশ্য নতুন নিয়ম আসতাছে আরো: ধারনা করা হইতাছে করোনার ভয়াবহতায় ইউরোপ এবং আমেরিকা নতুন করে আর কোন ইমিগ্রেন্টকে এলাও করবে না তাদের দেশের স্বাস্থ্য বিধির কথা বিবেচনা করে)  বেড়ে যাবার কারনে সেখানকার নাগরিকদের বা জন পতিনিধিদের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়- তাদের দেশে তারা কোন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে না- নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে যখন তারা ইমিগ্রেন্টদের ধারে কাছে যায় তখন। তাহলে বুজেণ আমরা কেমন দেশে বসবাস করি যেখানে জনপ্রতিনিধিরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াতে পারে না- বলতে গেলে মানুষজন পাত্তাই দিতে চায় না। কালে ভদ্রে কয়েকজন আছে যারা সকলের সাথে মিলে মিলে চলা ফেরা করতে পারে। তেমনি ফ্রি ল্যান্সার রা কোন আলাদা জগতের মানুষ না। তারাও সকলের সাথে মিলে মিশে চলতে পারে। বাংলাদেশে আর কোন প্রফেশনের মানুষকে হয়তো রাত জেগে কাজ নাও করতে হতে পারে কিন্তু যারা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার তাকে অবশ্যই রাত জেগে নিজের হায়াত কমিয়ে শরীরকে শুকনা বানিয়ে সারা দিনে গুমিয়ে বা ঢুলু ঢুলু চোখে কাটিয়ে কাজ করতে হয়। (ক্লায়েন্ট ডিমান্ড অনুযায়ী কারন বাংলাদেশে যখন রাত যুক্তরাষ্ট্রে তখন দিন)।




মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার কে সারারাত জেগে কাজ করতে হয় বলে বাংলাদেশের সমাজে অনেকেই কটাক্ষ করে থাকেন যে : মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার রা বুঝি নাইট গার্ড । বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সার রা নাইট গার্ড হতে পারে তবে সেটা ইনফরমেশনের নাইট গার্ড, রাতভর দেশের ভেতরে বসে কাজ করার গার্ড বা রেমিটেন্সের নাইট গার্ড। কারন সারারাত ধরে কাজ করার জণ্য মার্কেটপ্লেসে যে ডলার জমা হয় সেটাইতো সুইফট বা রেমিটেন্স হিসাবে বাংলাদেশে এড হয়। তাহলে মার্কেটপ্লেসে ফ্রি ল্যান্সারদের প্রোফাইল একটা পরিচয়। আবার দ্বিতীয়ত : মার্কেটপ্লেসে ভেরিফায়েড ফ্রি ল্যান্সার হবার কারনে আপনার অতি অবশ্যই বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। কিন্তু অনেকেই যারা বৈধভাবে মার্কেটপ্লেসে ওয়েবসাইটে কাজ করে এসছেনে এবং নিজরে বড় ভাই বা বাবা বা মার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ব্যবহার করেছেন এখন তো তারাও সুযোগ পেয়ে যাবেন সরকারের দেয়া ভার্চুয়াল পরিচয়পত্র নেবার জন্য। আর যদি সেটা একটা শরমের বিষয় হয়ে দাড়ায় বা প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব যদি কারো বাবা বা মা বা বড়ভাই বোনদের কে প্র্ন করে বেস যে: আপনি কি কি কাজ করে রেমিটেন্স উপার্জন করেছেন তাহলে কি হাল হতে পারে? এইখানেই ২টা পরিচয়পত্র - মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল এবং ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান ওয়েভসাইট থেকে উপার্জনের কারনে বিদেশী সরকারের ডাটাবেজে থাকা ডব্লিউ ৮ ফরম যা আপনাকে অতি অবশ্যই পূরন করতে হবে যদি আপনি সরাসরি সুইফট ট্রনাজকেশন করতে চান। তারপরে আছে বাংলাদেশ ব্যাংকে এনরোলমেন্ট একজন রেমিটেন্স উপার্জন কারী হিসাবে। তাহলে এইখানে কতোগুলো পরিচয়পত্র তৈরী হলো: 


  1. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের প্রোফাইল
  2. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের ভেরিফিকেশন
  3. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের প্রোফাইল সিগনেচার
  4. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের এফিলিয়েশন ডিটেইলস
  5. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের ডব্লিউ ৮ ফরম
  6. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উপার্জনের রেকর্ড
  7. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উইথড্র রেকর্ড
  8. বাংলাদেশ ব্যাংকে রেমিটেন্স টাচের রেকর্ড
  9. প্রাইভেট ব্যাংকে রেমিটেন্স রিসিভিং ডিটেইলস
  10. প্রাইভেট ভ্যাংকের বেডিট বা ক্রেডিট কার্ড
  11. ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট পলিসি মাষ্টার কার্ড বা ভিসা কার্ড (পেপাল মাষ্টারকার্ড বা পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড বা স্ক্রিল ভেরিফিকেশন কার্ড)
  12. ক্ষেত্র বিশেষে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত বা ভেরিফাঢেয ডুয়াল কারেন্সী মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড যেখানে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার তো লাগবেই সেই সাথে লাগবে ভেরিফায়েড মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের এনডোর্সমেন্ট।
  13. লোকাল পেমেন্ট প্ররফ: ট্রানজেকশন নাম্বার বা ব্যাংক রিসিপট যেখানে আপনি প্রতিবার ট্রানজেকশন করার সময়ে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্যাট ট্যাক্স দিতাছেন।
  14. সর্বোপরি রয়ে গেছে : মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উইথড্র রেকর্ড সিরিয়াল নাম্বার এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ডলার ট্রনাজকেশন ট্রাক নম্বর বা সিরিয়াল নাম্বার। 

এতো এতো ডিটেইলস থাকার পরেও তি আপনার ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড ভার্চুয়াল কার্ড লাগবে। আমার লাগবে না কারন আমি এতো বড়  ফ্রি ল্যান্সার না যে সারা দেশে আমার নাম ফুটাতে হবে। আমার ভাই ব্রাদার বা পরিচিত মহল যদি আমাকে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে মূল্যায়ন করে তাতেই আমি ধন্য বা সন্তুষ্ট হবো। টাকা কামানোর নেশা আর ডলার কামানোর নেশা কখনো এক হতে পারে না- দুইটার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। একটা সময় ছিলো ২০০২-২০১১ পর্যন্ত যখন মানুষ রাস্তাঘাটে জিজ্ঞাসা করলে বলতে বা প্রমান করতে কষ্ট হতো যে ফ্রি ল্যান্সার পেশাটা কি বা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার দের কি কাজ? কারন তখণ তথ্য প্রমান ছিলো অনেক কম। ব্যবহার করতে হতো ইন্টারনেট ব্যাংকিং প্রথা ( যেমন: পেপাল, পাইওনিয়ার, স্ক্রিল, ওয়েভমানি, পারফেক্ট মানি, নেটেলার) এইগুলো। যখন ওডেস্কে প্রথম ডলার উপার্জন করি তখন যে মেথড গুলো ছিলো:
  • পেপাল বা স্ক্রিল
  • ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার
  • ব্যাংক চেক 
  • ইলেকট্রনিকস চেক। 
ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স আনতে স্বক্ষম এই কথা বিবেচনা করে যখন বাংলাদেশ ব্যাংক সুইফট ট্রনাজেকশন মেথড কে এলাও করে সেদিন থেকেই বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার রা সামাজিক ভাবে প্রতিষ্টিত। কারন বাংলাদেশের সকলেই জেনে গেছে বা জেনেছে যে: তারা বাংলাদেশে রেমিটেন্স এড করেছে এবং তাদের চারিকে নাম ডাকও  ছড়াইয়া পড়ে। বোংরাদেশী যারা মার্কেটপ্লেসে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করতো তারা বাংলাদেশ ভ্যাংকের সুইফট ট্রানজেকশন ব্যাপারটাকে সাদরে আমন্ত্রন জানায় কারন পেপালের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংক সামর্থ্য হয় নাই সেটাকে এড করার জণ্য । ফলে ব্যাংক সুইফট পদ্বতি ব্যাপাক সাড়া ফেলায় ফ্রি ল্যান্সার দের মধ্যে। আর সব ধরনের ক্লায়েন্টকে একটা মার্কেটপ্লেস নিয়ে আসার চেষ্টা করে সারা দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার রা : যেমন কেউ কেউ ওডেস্ক বা কেউ কেউ ইল্যান্স, এই প্রেশারটা ফরেনার রা পছন্দ করে নাই। ফরেনার রা এমন ধরনের প্রেশারের কারনে বোধ করি পরবর্তীকালে ফাপড়বাজ ফ্রি ল্যান্সারদের কারেন তৈরী হয় ওডেস্ক এবং ইল্যান্স বিহীন একটা মার্কেটপ্লেস। আমি ২০১১ সালে একসাথে সব একাউন্ট হ্যাকড হয় এবং সেদিন থেকে একটি মার্কেটপ্লেসের সদস্যপদ গ্রহন করি যেখান থেকে কোন দেশের রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে উইথড্র করা যাবে না। তারা তাদের ক্লিন ইমেজের জণ্য এই পলিসি গ্রহন করে এবং  এই মূহুর্তে  তারা এই বিশ্বের সেরা মার্কেটপ্লেস। তারা তাদের নিজেদের তৈরী একটা ব্যাংক এর মাধ্যমে সব লেনাদেনা কন্ট্রোল করে।  


২০০২- ২০১১ পর্যন্ত সুইফট ট্রাজেকশন এড হবার আগে পাইওনিয়ার কার্ড ও বিমাল ভুমিকা রাখে। বিশেষ করে পাইওনিয়ার কার্ডে নিজের নাম এবং কোম্পানীর নাম একসাথে দেয়া তাকে বিধায় যে কেউ যে কোন খানে যে কোন ভাবে নিজেকে পরিচয় করাতে পারে। কিন্তু মাঝে সুযোগ নেয়া শুরু করে : একম্যেনীর ফাপড়বাজ লোকজন। এক ডলারও উপার্জন করে নাই কখনো তারা ফ্রি ল্যান্সার দের উপরে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে সাহায্য কের। এক ডলারও উপার্জন করে নাই এরকম লোকজনের সাথে যারা চলাফেরা করে তারা প্রথমেই জনমনে আস্থা হারিয়ে ফেলে। যুদ্ব বিগ্রহ জাতি বাংগালী। খুবই সতর্কতা আর নৈপুণ্যতার সাথেই দেশ থেকে শতরু কে পরাস্থ করে পরাজিত করে ক্ষমা প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয়- তাদের সাথে তো আর যাই হোক প্রতারনা করতে পারবে না কেউ? এ্কই সাথে এখনকার দিনে অনেক ফ্রি ল্যান্সার প্রকাশ্য দিবালোকে টাকা চাইতেও শুরু করে। ফলে যারা ইন্টারনটে ডিষ্ট্রিবিউশন এর সাথে জড়িত তারা পড়ে যায় ব্যাপক প্রেশারে? গ্রামের সহজ সরল মুক্তিযোদ্বাদের অনুমতি নেয়া এবং বুঝাইতে যাইয়া যথেস্ট বেগ পাওয়া শুরু হয়। এই ফাপড়বাজ দের কারনে গ্রামের সহজ সরল যাদেরকে তারা অনেক সময় ভুখা নাংগা (মাফ করবেন আমাকে) বলে অপমান করে - তাদের দ্বারে আজো ইন্টারনেট টাকে নিয়ে যাওয়া সহজ হয় নাই। তাদের কে ৭১ এ  যারা মেরেছে ভুখা নাংগা বলে- তাদের কে বলা হয় গনহত্যার আসামী যার সব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। 


২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরন চলাকালীণ সময়ে ইন্টারনেটে দেখতে পাই যারা ৭১ এ বাংলাদেশে গনহত্যা চালায় তারা যেনো ক্ষমা চায়। সকলেই বিশ্বাস করে গসজাগরনরে শক্তির কাছে তারা পরাস্থ হয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষমা চাইবে যা যে কোন যুদ্বে বিজয়ী জাতি আশা করে থাকে। কিন্তু সেখানে নাম ধারী কিছু ফ্রি ল্যান্সার জয় বাংলা কে পশ্চাদপদ প্রদর্শন করে তাদের সাথে চলাফেরা উঠা বসা এবং এমনকি ব্যবসায়িক লেনাদেনা ও শুরু করে। ২০১১ সালে যেদিন কায়রো গনজাগরন থেকে সিদ্বান্ত আসে যে: বাংলাদেশে পেপাল চালু হবে (যেখানে বিশ্বের সব দেশের বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের নামও দেখায়- সেখানে বাংলাদেশে টেষ্টিং ফেজে প্রথম দিনই নাকি সেন্ড মানি করা হয় বাংলোদেশের ভেতর থেকে শতরুদের কাছে বলে শুনেছি- সত্যথা যাচাই করে নিতে হবে) যার কারনে মনে হয় বাংলাদেশে এখন আর পার হেড আইপি পায় না পেপাল আর তাদের সারা বিশ্ব ব্যাপী ব্যবসাও শুরু করতে পারে নাই বাংলাদেশে। অনেক ফরেন বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা আইসা জিজ্ঞাসা করে : তোমার আইপি এড্রস কতো? বিভিন্ন কাজের জন্য - যখন বলি যে আমাদের তো পার হেড আইপি নাই তখন অনেকেই হেসে দিতো।  একটা দেশে কোটি কোটি মানুষ ইন্টারনটে ব্যবহার করে অথচ প্রত্যেকরে নিজস্ব আই পি এড্রস নাই। ব্যাপারটা কতো বড় হাস্যকর। উন্নতির চেয়ে অবনতি হয়ে গেলো বেশী। একটা পারসোনাল আইপি  দিয়ে কতো ধরনের কাজ হয় ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে তা আর বলা অপেক্ষা রাখে না? 


একটা সময় যখণ বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং ইনডাষ্ট্রিজ কে প্রতিষ্টিত করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে তখন অনেক ধরনরে বাধা ছিলো। সরকারি আমলাদেরকেও তাদের অফিসে যাইয়া বসে বুঝাতে হয়েছে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং কি আর আমরা কিভাব েসে কাজ করতাছি। প্রথমত শুধু ইন্টারনেট ব্যাংক গুলোই ভরসা ছিলো। অনেকেই বলেছে ফ্রড বা ডিসেকসান বা দুই নাম্বারি এবং যা তা অযথা। কিন্তু আজকে দেখা যাইতাছে : সারা দেশ জুগে ফেসবুকে অজস্র দুই নাম্বারি আক্রমন করে বেসেছ। এই কোর্স করবেন কিনা, সেই কোর্স করবেন কনিা, ঘরে বসে উপার্জন করবেন কিনা বা আজকেই ফ্রি ল্যান্সার হয়ে যাবেন কিনা বা কোটিপতি হবেন কিনা- নানা ধরনের অফার । ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়। দেশের ফ্রি ল্যান্সারদের এখন অনেকটাই বাজে অবস্থা। তো সেই ষ্ট্রাগলের সময়টাতেই দরকার ছিলো ফ্রি ল্যান্সারদের আইডি কার্ড যখন রাস্তা ঘাটে মানুস জন আটকাতো কিংবা যখন ঢাকা শহরের যে কোন মেয়ে উপার্জনের খতা শুনে নানা ধরনরে কটু কথা শুনে রাস্তাতে নেমে আসতো, যখন রাজধানী শহরের রাস্তাতে দাড়িয়ে দাড়িয়ে বা গাড়ির বনেটের উপরে উবু হয়ে ঝুকে ল্যাপটপ কম্পিউচটার ব্যবহার করতো আর একসাতে হইলেই ডিসকাসন শুরু হয়ে যাইতো। আসলে এই জগতটা প্রতিষ্টার জন্য যাদের অবদান সবচেয়ে বেশী তাদের কে সবসময় পর্দার আড়ালেই থাকতে হবে কারন তাদের চোহার বাংলাদেশের প্রথম দিককার ফ্রি ল্যান্সার রা ছাড়া আর কেউ চিনে না। আর আজকে এমন ধরনের লোক জন ফ্রি ল্যান্সার দের উপরে মাথার চড়ি ঘোরায় যাদের কিনা ফেসবুক একাউন্ট ই নাই বা কোন মার্কেটপ্লেসে কোন একাউন্ট নাই বা ১ ডলার উপার্জনের রেকর্ড ও নাই। 
 


Monday, November 23, 2020

ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে সামাজিক ভাবে কি কি অবহেলা বা ষ্ট্রাগলের স্বীকার হতে পারেন?

আমাদের দেশে ফ্রি ল্যান্সার দের কে সামাজিকভাবে এমন এমন লোক অবহেলা করবে বা করে যাইতাছে যাদের এই ব্যাপারে কোন কিছু জানা নাই। অযথাই আপনার পথের কাটা হয়ে দাড়াবে। বিনা কারনে আপনার সামনে এসে বাধা হয়ে দাড়াবে বা আপনার কাছে ভাগ বাটোয়ারা চেয়ে বসবে। যেমন ধরেন : বাংলাদেশের সমাজে চাদাবাজ যাকে র‌্যাব পুলিশ চাইলেই ক্রসফায়ার করে ফেলাবে প্রমান স্বাপেক্ষে। একজন চাদাবাজ কোথায় চাদা চায়- বাংলাদেশে আপনার উপার্জিত অর্থের উপরে সে চাদা চায়। কারন কি- হয়তো সে নিজে চলতে পারতাছে না বা ব্যাপারটা সে দাপট হিসাবে দেখায় বা হয়তো অবৈধ ভাবে সন্ত্রাসী চক্র বা খারাপ ধর্মীয় জিহাদি চক্রের সদস্য (যদি আপনি কোন সন্ত্রাসবাদী দেশের সাথে ব্যবসা বা লেনাদেনা করে থাকেন তাহলেই আপনি জিহাদি/ধর্মীয় সন্ত্রাসী চক্রকে সাহায্য করতাছেন। মনে করেন: আপনি বাংলাদেশে বসে থেকে রাশিয়া হয়ে একটি সন্ত্রাসবাদী দেশকে আর্থিক সাহায্য করতাছেন যা রাশিয়া সরকার বুঝতাছে না বা কোন বৌদ্ব দেশের মাধ্যমেও সেই সন্ত্রাসী দেশকে আর্থিক সাহায্য বা লেনাদেনা করতাছেন- যা সেই বৌদ্ব রাষ্ট্রগুলো বুঝতাছে না। আর যদি বুঝে থাকে তাহলে তো দুই ধরনের দেশই সন্ত্রাসের সাহায্যকারী হিসাবে  নামাংকিত হবে।) হিসাবে সে এই চাদাবাজি করে যাইতাছে। 


অনেক সময় আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণীকে বলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাইতাছে না। দেখা যাইতাছে সরকারি গুন্ডা বাহিণীর সদস্যরা- তারাও  হয়তো সেখান থেকে ভাগ বা % চায়। কিন্তু ব্যাপারটা  সম্পূর্ন আইন বিরোধী। বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা বা প্রভাব খাটিয়ে যদি আপনি নিয়মিত ব্যাংক ডাকাতি বা চুরি করে যান তাহলে সেটা হবে আইন বিরুদ্ব কাজ। আর চোরের কোন ধর্ম নাই। যা কিছু আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে বলতে পারবেন না তাই চুরি। মনে করেন: একজন সচিব যে রাষ্ট্রের অনেক বড় পর্যায়ে বসবাস করে এবং সরকারি অফিসে দুই নম্বর গিরি করে এবং ঘুষের কারবার করে আর সে সেটা প্রকাশ্য দিবালোকে বলতে পারলো না - তাহলে কিন্তু সেটা চুরি হয়ে গেলো। আপনি রাজনৈতিক ভাবে ক্ষমতাবান হয়ে যদি রাষ্ট্রের সকল ধরনের আর্থিক প্রতিষ্টানের কাছ থেকে চাদা চেয়ে বসেন আর সেটা জনসস্মুক্ষে  না বলতে পারেন সেটা হবে রাষ্ট্রীয় চুরি এবং চাদাবাজি। আর চোর কিংবা চাদাবাজদের সাথে কোন ভালো মানুষ চলে না। 


সবাই জানে বলতে প্রকাশ্য দিবালোকে সারা দেশের সব টিভি এবং পত্রিকার সাংবাদিক দের ক্যামেরার সামনে দাড়িয়ে বলা বলতে বুঝায়। এরকম যদি কোন চোর থাকে তাহলে মাঝে মাঝে দেশী পালা কুবতর যেমন রক্তচক্ষু মিলে তাকায় সেরকম বাংগালী ও রক্তচক্ষু মিলে তাকাবে। সবাই জানে চোরের কোন ধর্ম নাই। সেই হিাসবে চোর বা চোরের দল এক ধরনের নাস্তিক। সেই হিসাবে চাদাবাজ রাও এক ধরনের নাস্তিক। কারন তারা চাদাবাজি করে প্রকাশ্য দিবালোকে বলতে পারে না- কারন তারা জানে প্রকাশ হলে তার নিশ্চিত ক্রসফায়ারের খপ্পড়ে পড়বেএকজন ফ্রি ল্যান্সার যখন সামাজিকভাবে সফল হয়ে যাবে তখন সে নিশ্চিত যে কোন খানে চাদাবাজির খপ্পড়ে পড়তে পারে।সে জন্য আমরা ফ্রি ল্যান্সারদেরকে আইডিয়া দেই যে: আপনি যদি একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে খুব ভালো উপার্জন থাকে তাহলে আপনি সেটা দেশের বাহিরে যে কোন ব্যাংকে রেখে দিতে পারেন- বেশী পরিমান ডলার থাকলে বাংলাদেশ সরকার ও হ্যাকারদেরকে ভয় পায় বা হ্যাকারদের ভেয় দেখায়। কারন দেশে আনলে বা দেশের ব্যাংকে রাখলে ব্যাংকের কোনো চক্র বা মহল সেটা প্রকাশ করে দিতে পারে বা স্থানীয় চাদাবাজদের জানিয়ে দিতে পারে। তখন তারা আপনার কাছে অযাচিত ভাবে টাকা চাইতে পারে। এই অযাচিত ভাবে টাকা চাওয়াটাকেই চাদাবাজি বলা হয়। বাংলাদেশে চাদাবাজির বিরুদ্বে দাড়ানোর জণ্য এবং সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশী চাদাবাজদের ক্রসফায়ার করার জন্য বাংলাদেশ র‌্যাবের নাম প্রশংসিত ছিলো এক সময়। কিন্তু হঠাৎ করে তাদের এক্টিভিটিজ অনেক কমে যাইতাছে বিগত কয়েক বছর যাবত (২০১৩ সালের পর থেকে)। 


একসময় যারা নগদ টাকা চেয়ে বেড়াতো চাদাবাজি হিসাবে এখণ তারা হয়ে গেছে ডিজিটাল ফকির বা ডিজিটাল চাদাবাজ ব্যাংকে চাদা চেয়ে বসবে। নগদ টাকা বা কাগজের নোট বাদ দিয়ে এখণ তারা ব্যাংকে ০ বা ১ এর সংখ্যার দিকে দৌড়াচ্ছে। যেহেতু চোরেরা সব চেয়ে বড় নাস্তিক তারা আবার চুরি করে হলেও ধর্মের পরিচয় দিতে চাইতাছে। একসময় যখন মানুষ ছিলো না পৃথিবীতে তখন সারা বিশ্বই ফাকা ছিলো আর পুরো দুনিয়াটা ছিলো শুন্য। শুন্য এক দুনিয়ার সৃষ্টিকর্তা এক মালিক। সেই ধারনা থেকেই তৈরী হয় ০(শূন্য) এবং ১(এক) । ০ এবং ১ মিলে তৈরী হয় ১ বিট ( ০+১ = ১ বিট। ৮ বিট =১ বাইট।১০২৪ বাইট= ১ কিলোবাইট.....। আমরা সবাই জানি বিট এবং বাইটের হিসাবে চলে দুনিয়া, কম্পিউটার বা ইন্টারনেট । )। এছাড়াও হার্ট বিট বা পালস বিট আছে যা সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে যে কোন সময় যে কোন খানে যে কারোটা বন্ধ হয়ে যাইতে পারে। আমি ধারনা করি বাংলাদেশের ডিজিটাল চোরেরা যদি ব্যাংক ডাকাতি বা ব্যাংক হ্যাক করে থাকে  তাহলে তারা বিট বাইটের সংখ্যা চুরি করে বা হ্যাক করে আর সাধারন মানুষের কষ্ট বাড়িয়ে দিয়ে হার্ট বিট বা পালস বিট বন্ধ করে দিতাছে প্রতিমূহুর্তে। তবে একটা ব্যাপার হলো: যদি ডিজিটাল হ্যাকার বা ডিজিটাল ফকির থাকে: তাহলে তারা কতো বড় আহাম্মক যে চোর হয়ে চুরি করে নগদ টাকার নোট কে না খুজে সংখ্যা নিয়ে দৌড়াইতাছে। সংখ্যা কি কখনো চুরি হয়? বাংলাদেশ না জানলেও তো মাইক্রোসফট জানে বা ইন্টারনেট (আইকান) জানে বা কোথাও না কোথাও কোন না কোন প্রমান তো রয়ে যাইতাছে। সংখ্যা কখনো চুরি করা যায় না। কয়েকটি সংখ্যা নিয়ে তৈরী বিডিটি বা ডলার হয়তো চুরি করা যায়।  


উপরের এই   ৪টা প্যারাই যা ধারনা করা হয়েছে বা যদি মেথডে বুঝানো হয়েছে তা যে কোন ফ্রি ল্যান্সারের জন্য মানসিক প্যারা হয়ে দাড়াবে এবং এইটা এক ধরনের ষ্ট্রাগলে এসে দাড়াবে।  কারন ফ্রি ল্যান্সার রা যে মেথডে লেনাদেনা করে থাকে তাকে বলা হয় : (ইটিএস: ETS: Electronic Transaction System. Combination of O and 1) এখণ যদি সবসময় ই হ্যাকার বা চোরদের বা ডিজিটাল ফকিরের ভয় থাকে তাহলে সেটা যে কোন বিগিনার বা ষ্টার্টিং ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য এক বিরাট ষ্ট্রাগল হয়ে দাড়াবে। তার মনের ভেতরে বিশাল প্রভাব পড়বে।সে মানসিকভাবে ধাক্কা খাবে। সাধারন মানুষ তাকে খারাপ ভাবতে পারে। ২০১১-২০১৮ সাল ছিলো আমার জন্য সেরকম ষ্ট্রাগলের সময় এবং ২০১১ (শেয়ার মার্কেট কেলেংকারি) সালে বাংলাদেশে প্রথম ব্যাংক ডাকাতি বা চুরি বা হ্যাকিং শুরু হয় বলে ধারনা করা হয় এবং আমরা ফ্রি ল্যান্সার রা বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স সার্ভিস ব্যবহার করা বন্ধ করে দেই। পেপাল ব্যবহার করেছি বেশীর ভাগ সময়। কারন আমি চাই নাই বাংলার মানুষ আমাদের মতো ফ্রি ল্যান্সার দেরকে চোরের সাথে তুলনা করুক। বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি প্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্টান এর সাহায্য নিয়ে পেপাল ডলার রিসিভ করে লেনাদেনা করে নিজেকে বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল লেনাদেনা পদ্বতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখি। পেপালের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন সম্পর্ক নাই। আমরা এজেন্সী (এজেন্সীর সবাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক এবং সেই হিসাবে তাদের প্রত্যেকরে ভেরিফায়েড পেপাল একাউন্ট ও আছে) কে পেপাল ডলার দিছি- এজন্সেী সেগুলো বাংলাদেশের গুটিকয়েক ব্যাংক কে দিয়ে দিছে যেখানে সেগুলো রেমিটেন্স হিসাবে এড হয়ে গেছে। 


সামাজিক প্রতিবন্ধকতা:

সামাজিক ভাবে ওয়েবসাইট নির্ভর অনলি এই পেশার এখনো স্বীকৃতি হয় নাই। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নাগরিক ডাটাবেজে এখনো ফ্রি ল্যান্সার কে পেশা হিসাবে লিপিবদ্ব করা যায় নাই। এক শ্রেনীর গবেট আছে  যারা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার দের কে ৭১ এর স্বাধীনতা যু্দ্বে অংশগ্রহনকারী মহান জয় বাংলার মুক্তিযোদ্বা ভাবে। একজন ‍ মুক্তিযোদ্বার মিনিমাম বয়স ছিলো: ১৮ বছর আর আজকে তার বয়স প্রায় ৬৫ বছর। আর মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার দের সর্ব্বোচ্চ বয়স হতে পারে আনুমানিক ৪০+। তাহলে স্বাধীনতা যুদ্বের সময় তো সে জন্মই হয় নাই। আরেক দল গবেট আছে: আনুমানিক একটা কথা ছুড়ে দিয়ে একটা নিজস্ব সমাজ থেকে চাদাবাজি করে যাইতাছে। বলতাছে পেপাল মানে অন্য আরেক দেশের (শতরু) একটা রাজনৈতিক দলকে চাদা দেয়া যা কিনা গুগুলে সার্চ দিয়ে পাওয়া যাইতাছে না। এই ধরনের নানাবিধ ভুল ধারনাতে আটকে আছে আমাদের দেশের সমাজ ব্যবস্থা যা ঠিক করার দ্বায়িত্ব সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা নিতাছে না। সারা দিনই তাদের একটাই ধান্ধা : কিভাবে আরো বেশী ডলার ‍ উপার্জন করা যায়, কিভাবে আরো বেশী টাকা উপার্জন করা যায়। ফ্রি ল্যান্সারদের সামাজিক দায়বদ্বতা বলতে বোঝানো হয় যে: বাংলাদেশের সমাজে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং কাজটাকে বোঝানো। তা না করে নাম ধারী কিছু দুই নাম্বার চিটার বাটপার ফ্রি ল্যান্সার অমুক তমুক বলে সরকারের অনুমতি ছাড়া আইন পুলিশের তোয়াক্কা না করে সারা দেশের সাধারন কোমল মনের ছেলে পেলে গুলোর কাছ থেকে হেন তেন ফেন বলে টাকা পয়সা আদায় করে  তাদেরকে  নি:স্ব করে বলতাছে সামাজিক দায়বদ্বতার দায় হিসাবে টাকা নিতাছে। সেই সকল টাকা কি আদৌ বাংলাদেশে আছে নাকি বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে যাইতাছে। পৃথিবীর সকলেই জানে নিষিদ্ব যে কোন কিছুতে বেশী পরিমান অর্থ লাগে। এখন কার দিনে নতুন ফ্রি ল্যান্সার বা বিগিনার ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য এক বিরাট বাধা বা যুদ্ব ইন্টারনেটে টাকা পয়সার খপ্পড়ে পড়ে যাওয়া।


রাষ্ট্রীয় প্রতিবন্ধকতা: 

এখনো রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাদের দেশের নিজস্ব কোন মার্কেটপ্লেস তৈরী হয় নাই। সহজ সরল বা বাংলা ভাষাতে মার্কেটপ্লেসে তৈরীর জন্য কোন উদ্যোগ ও নাই। সকলের ভাব ভংগি দেখলে মনে হয় একসাথে ১২/১৫ লাখের কোন গ্ররপ যে কোন সময়ে দেশ ছাইড়া চলে যাবে (এশিয়ার অন্য কোন দেশে) আর বাকী যারা পড়ে থাকবে তারা শুধু দেশের ব্যাপার স্যাপার গুলো কন্ট্রোল করবে।  একটি কথা জেনে রাখা দরকার : বিশ্বের কোন দেশের বৈধ নাগরিক না হলে আপনি অপর কোন দেশের নাগরিকত্ব পাবেন না। আপনাকে অতি অবশ্যই প্রথমে বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক হতে হবে (নাগরিক হবার  কন্ডিশন দুইটি : বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার লাগবে আর দ্বিতীয়ত: বৈধ ভোটার হতে হবে।) আমাদের দেশে এ ধরনের কোন সিষ্টেম নাই যে: আপনি টেস্টিং নাগরিক বা আপনার একটা টেষ্টিং কার্ড আছে যা দিয়ে আপনি ওয়ান টাইম ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ওয়ান টাইম টেষ্টিং ভোট দিতে পারবেন আর নিজেকে আপনি বাংলাদেশের নাগরিক ভেবে ফেলবেন। বাংলাদেশের নাগরিক হতে হলে প্রথমে আপনাকে মানুষ হতে হবে তারপরে আপনাকে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্রধারী হতে হবে (বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র বলতে বোঝানো হয় ফিংগারপ্রিন্ট ইণ্টারফেস সিষ্টেমের কয়েকধাপে আপনি পাশকৃত আপনার আংগুলের ছাপের মাধ্যমে। এমন না যে এক ধাপ ফিংগার প্রিন্ট ইন্টারফেস পার হলাম আর পরবর্তী ধাপে যাইয়া আটকে গেলাম: যে বৈধ নাগরিক সে ফিংগারপ্রিন্ট ইন্টারফেস সিষ্টেমের সবধাপ কমপ্লিটেড পারসন। শুধূ নিজের নাম, বাবার নাম,  হোল্ডিং নাম্বার আর ফিংগারপ্রিন্ট ইনটারফেস সিষ্টেম পাশ হলেই আপনি একজন বৈধ নাগরিক)  এবং তারপরে আপনাকে বৈধ ভোটার হতে হবে আপনি যদি বৈধ ভোটার না হোন তাহলে আপনি বাংলাদেশী হিসাবে বিশ্বের অণ্য কোন দেশে নাগরিকত্ব আবেদনই করতে পারবেন না। আর যদি আবদেন করেও থাকেন - সোশাল মিডিয়া পরীক্ষায় আপনি বাদ পড়ে যাবেন কারন বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম ছেলে বা মেয়েই বর্তমানে সোশাল মিডিয়া থেকে বাস্তব যৌন জীবনে প্রবেশ করে ফেলে যা এক ধরনের সোশাল ক্রাইম। ইউরোপ এবং আমেরিকা এই ধরনের মানুষকে ডিনাই করে থাকে। 


শুনেছি/কিছুদিন আগে দেখেছি- কিছু দিন আগে বাংলাদেশের নাম ঠিকানা ব্যবহারকারী ১২ লক্ষ আবেদনকারীকে একেবারে সারা জীবনের জণ্য রিজেক্ট করা হয়েছে ইউরোপ আমেরিকা থেকে - তারা আর কখনোই আবেদন করতে পারবে না। তেমনি সাম্প্রতিককালে ছেলে বা মেয়েরা ঠিকমতো এখনো জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড ই পাইতাছে না। কোন ওয়েবসাইটে আবেদন করবে আর কোন ওয়েবসাইটেই বা তারা ফ্রি ল্যান্সার হবে? শুনেছি বিগত ৫ বছরেরআনুমানিক প্রায় ২ কোটি মানুষকে এখনো স্মার্ট কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র (তাদের অনলাইনে দেয়া আছে জাতীয় পরিচয়পত্র ডিটেইলস) দেয়া হয় নাই যার কারনে বিপুল সংখ্যক তরুন প্রজন্ম পুরোপুরি ফ্রি ল্যান্সার হয়ে উঠতে পারতাছে না। এরা যদি কখনো কোন এক মূহুর্তে কোথাও আন্দোলন শুরু করে দেয় তাহলে তো এই দেশের সরকার ব্যবস্থাও ভেংগে যাইতে পারে। এই বিশাল তরুন প্রজন্ম শুধূ বৈধ ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফরম ফিলাপ নাম্বার নিয়ে বসে আছে এবং আশায় আছে এনআইডি কার্ড হাতে পাবার (শুনেছি অনলাইনে এভইলেবল)। এর মাঝে এই বিশাল তরুন প্রজন্ম কে বিভিন্ন ধরনের ফাদে ফেলাইতাছে  ৭১ এর কুখ্যাত দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধী প্রজন্ম। এখনকার তরুনদের সমসাময়িক অবস্থা নিয়ে গতকাল দেখা একটি ইউটিউবের নাটক নীচে শেয়ার করলাম। 




পারিবারিক বাধা:

সবচেয়ে বড় যে বাধা ফ্রি ল্যান্সার হতে গেলে তা হলো পারিবারিক বাধা। একটা কথা আছে পৃথিবীতে: পাপ তার বাপকেও ছাড়ে না। আগেকার জনমে যারা খারাপ কাজ করে গেছে (২০০১-২০০৬) তাতে সারা দেশে ইন্টারনেটে একটা বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরী হয়েছে। ইন্টারনেটে একটি গতিশীল মিডিয়া- প্রতি সেকেন্ড এইটা দৌড়ায়। ফলে যারা বিভিন্ন ধরনের ক্লিক এবং ল্যান্সিং ব্যবসা করে গেছে তারা এদেশে অনাগত অনেক ছেলে বা মেয়ের ভবিষ্যত কে একবারে ধুলোর সাথে মিশিয়ে দিয়ে গেছে। কারন তারা ছিলো এমন এক প্রজন্ম যারা এদেশের তৎকালীন তরুন প্রজন্ম যারা ফ্রি ল্যান্সার হতে চেয়েছিলো তখনকার দিনে ৭/৮ লক্ষ টাকা পার হেড ধরা খায় (ডু ল্যান্সার, স্কাই ল্যান্সার বা যা তা ল্যান্সার) । তখন চালের কেজি ছিলো ৭/৮ টাকা আর এখন চালের কেজি প্রায় ৬০ টাকা। তো ধরতে গেলে  তখনকার দিনের ৭/৮ লক্ষ টাকা আজকের দিনের প্রায় কোটি টাকা। এই সকল কারনে তখনকার দিনে যারা কষ্ট পেয়েছে তারা এখন আর তাদের ছেলে বা মেয়ে বা আত্মীয় স্বজনকে সহজে ফ্রি ল্যান্সারদের খাতাতে নাম লিখাতে দেয় না। আর বর্তমান সরকারও এমন তর বস্তুগত উন্নয়ন শুরু করেছে যে ২০১১ সালের ১০ টাকা/কেজি চাল এখন প্রায় ৬০ টাকা। ২ টাকা কেজির আলু প্রায় ৪৮ টাকা । ৫ টাকা কেজির লবন প্রায় ৩০ টাকা। সবকিছুর দাম বেড়ে এমন একটা অবস্থায় চলে গেছে যে : সাধারন মানুষ এর প্রায় নাভিশ্বাস। একবেলা বা দুবেলা খাবার পরে আর তারা চিন্তা করতে পারে না। এরকম দু:শাসন থেকে দেশকে কে কবে বাচাবে তা আসলে সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানে। তবে ফ্রি ল্যান্সার যারা বাংলাদেশের বাংলা মায়ের সন্তান , যারা ফরেন ক্লায়েন্ট বা বায়ার ডিলিংস করে থাকে- তারা এতো পরিমান সত বা সততার পরিচয় দেয় যে : না চিনে না জেনে বা সোশাল মিডিয়াতে পরিচিত না হয়েও দূর দেশ থেকে ইউরো/ডলার/পাউন্ড উপার্জন করে দেশের জণ্য রেমিটেন্স আনতাছে যা দিয়ে বাংলাদেশের বস্তুগত উন্নয়ন বাদ দিয়ে সময় এসেছে মানবিকতার উন্নয়ন বা বিপ্লব ঘটানোর জণ্য। ফ্রি ল্যান্সার দের কে প্রচুর পরিমানে তীক্ষ্ন বুদ্বি সম্পন্ন হতে হয়। সবগুলো কাজ ১০০% একুরেটলি করতে হয়। কোন কাজে গাফিলতি করা যায় না। কোন মানুষের সাথে বা বায়ার বা ক্লায়েন্টের সাথে কেউ খারাপ ব্যবহার করতে পারবে না। 


সমাজের সকল শ্রেনীর মানুষের সাথে মিলে মিশে একসাথে হয়ে ফ্রি ল্যান্সার কে একটি পেশা হিসাবে অন্তর্ভুক্তি বা একটি সম্মানের ব্যাপারে বাংলাদেশের সমাজে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য যারা আপ্রান চেষ্টা চা্লাইয়া যাইতেছে তারাও এদেশের নাগরিক, এদেশের বাংলা মায়ের সন্তান বা বাংলাদেশী মানুষ। ২০১৩ সালে সংঘটিত ৭১ এর দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধী আন্দোলন (রাজাকারের ফাসি) র দাবীতে যারা একসাথে হয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ ( গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কোন বিকল্প নাই কিন্তু তথাকথিত রাজনৈতিক সরকারের বিকল্প সরকার ব্যবস্থা)  চিন্তা করেছিলো সেখানে কয়েকটি সরকার ব্যবস্থার ধারনা আবর্তিত হয় বা প্রবর্তিত হয়। যেমন: 

  • শাহবাগের সরকারব্যবস্থা (ধারনা করা হয় প্রায় ১৫ লক্ষ) The most smart society of Bangladesh. যেখানে ওভার কোয়ালিফায়েড (অনার্স/মাষ্টার্স পাশ) ছেলে বা মেয়ে থানা শাহবাগের সমাজ ব্যবস্থার সাথে জড়িত যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ক্লাস নাগরিকত্ব (আমন্ত্রিত) নিয়ে বসবাস করতে স্বক্ষম- তাদের সম্মেলনে যে সরকার ব্যবস্থা গ্রহন বা পরিকল্পনা করা হয় সেটা। 
  • গনজাগরনে সরকার ব্যবস্থা : ২০১৩ সালে সংঘটিত গনজাগরনে অংশগ্রহনরত সারা বিশ্ব থেকে আগত টপ ক্লাস কোয়ালিফায়েড বাংলাদেশী বা বাংগালী ছেলে বা মেয়ে (রিপোর্ট: আইএটিএ: (IATA- International Air Transport Authority এর ডাটাবেজে খুজলে পাওয়া যাবে) তারা জয় বাংলা সমেত যে সরকার ব্যবস্থা চিন্তা বা কল্পনা করেছে তা। 
  • মুক্তিযুদ্বের সরকারব্যবস্থা : জনমনে শ্রদ্বা জাগানো শুধুমাত্র ৭১ এ বাংলা মায়ের জণ্য লড়াই করা দেশপ্রেমিক জয় বাংলা মুক্তিযোদ্বাদের সমন্বয়ে যে সরকার ব্যবস্থা কল্পনা করা হয়- যারা জীবিত মুক্তিযোদ্বা শুধুমাত্র তাদেরকে নিয়ে একটি সরকারব্যবস্থা গঠন-যেখানে দু:সহ দুর্বিসহ ৭১ এর মরন কামড়ের দিনগুলোতে স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর হওয়া বাংগালী মুক্তিযোদ্বা কাধে অস্ত্র নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছে সেগুলো বাস্তবায়নের নিরীক্ষে শুধূমাত্র জয় বাংলো স্লোগান ধারী (খালি মুখে জয় বাংলা বলা- মাউথ স্পিকারে বা কোন কুৎসিত উপায়ে না) মানুষকে নিয়ে একটি সরকার ব্যবস্থা। 
  • পরিবর্তিত সরকার ব্যবস্থা : গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারনা (সেই ১৯৪৫ এর পর থেকে শুরু হওয়া) থেকে বের হয়ে এমন একটি সরকার ব্যবস্থা যেখানে সম্পূর্ন নতুন ধরনের সরকার ব্যবস্থা (নতুন ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে) যেখানে শুধূ মাত্র উদার পন্থী বাংগালীদের সম্মেলন ঘটবে (কোন ধরনের চিটার বাটপার না।)
  • ফ্রি ল্যান্সার দের সরকার ব্যবস্থা: যারা বাংলাদেশের প্রথম দিকের এবং এখনো রেমিটেন্স যোদ্বা - যারাে দেশের বাহিরে না যেয়ে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে বাংলাদেশে রেমিটেন্স এড করেছে প্রচন্ড সততার মাধ্যমে- যারা এখন বিভিন্ন খানে কারনে বা অকারনে সাফারার তাদের সততা নিয়ে একটি সরকার ব্যবস্থার যেখানে তারা হবে ১০০% সত। 
  • হেফাজতের সরকারব্যবস্থা: ২০১৩ সালে যে কোন কারন বশত জমে উঠা হেফাজতে ইসলাম এর সম্মেলন গিনিজ বুকে নাম তুলেছে। ধারনা করা হয় প্রায় ১ কোটি মানুষ একসাথে হেফাজতের সম্মেলনের অংশগ্রহন করে এবং এরা সবাই ভোটার। তারা যাদেরকে নিয়ে একবোরে ১০০% মুসলিম নিয়মানুযায়ী যে সরকার ব্যবস্থা কল্পনা করে যাকে বলা হয় হেফাজতের সরকারব্যবস্থা। (যারা কিনা দেখতে ফেরেশতাদের মতো আর যারা কিনা প্রকাশ্য দিবালোকে কোন খারাপ কাজ করে না)। বলতে গেলে সকল ধরনের মুসলিমদের নিয়ে একটি আলাদা মুসলিম দেশের সরকারব্যবস্থা (২০১৫ সালে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ)।

একটি সঠিক সরকার ব্যবস্থা আমাদের দেশের এই বিশাল ইন্টারনেট কর্মীবাহিণীকে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, আর্থিক সব ধরনের সহযোগিতা এমনকি প্রেমিকার ভালোবাসা সহ যে সকল ফ্রি ল্যান্সার রা সামনে আগাতে চাইবে তাদেরকে ১০০% সহযোগিতা করা। আর এই সঠিক ভাবে সহযোগিতার মাধ্যমে এই দেশের অগ্রযাত্রা কে মানবিকতার কাতারে আনা যাবে। শুধু রোড ঘাট কালভার্ট ব্রিজ ফ্লাইওভার (এই দেশে কেউ বেড়াতে আসবে না বোধ করি। বাংলাদেশের মানুষের হাতে অখন্ড সময়।) (এই বিশাল করোনা পরিস্থিতিতে বাংলোদেশের ছয় কোটি গরীব  (দিন আনে দিন খায়) মানুষকে একটি মাসের জণ্য হলেও জনপ্রতি ৫০০০ টাকা হারে ৩০০০০ কোটি টাকা প্রদান ও করে নাই এদেশের সরকার। অথচ পেপার পত্রিকা অনুযায়ী সমানেই অনুমোদন দিয়ে যাইতাছে ইট বালূ রোড ঘাট সিমেন্টের কাজ কারবারকে) এমন  এই সকল ব্যাপারে উন্নয়ন না করে সারা দেশের মানুষকে প্রতি বেলা খাবার নিশ্চিত করা, ফ্রি ওষুধ , ফ্রি বাসস্থান (সকল ধরনের ভ্যাট, ট্যাক্স আয়কর মুক্ত দেশ গঠনে সাহায্য করা) সকল ধরনের চোর বাটপার দুর্নীতিবাজমক্ত দেশ তৈরী করে এই বিশাল ইন্টারনেট কর্মী বাহিণীকে কাজে লাগানো যাবে। এরা এই দেশের সম্পদ। সব দেশের সব মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না। আর নয়তো দেখা যাবে একদিন হঠাৎ করে বাংলাদেশের ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে কারন যে ধরনের কাজ কারবার বর্তমানে ইন্টারনেটে চলতাছে তার সবই আমেরিকান আইন বিরোধী। আর ইন্টারনেট সদূর ১০-১৩হাজার কিলোমিটার দূরের যুক্তরাষ্ট্র থেকেই আসে - সো তাদের নিয়ম কানুন গুলো ১০০% পালন না করলে সমূহ বিপদ।

(সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত)

Sunday, November 22, 2020

একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কিভাবে হ্যাকারদের আক্রমন থেকে নিজেকে বাচাবেন?



একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে আপনার একাউন্ট হ্যাকড হলেও আপনি সেটা ফেরত পাইতে পারেন। তবে তার আগে আপনাকে কিছু সতর্কতা সবসময় অবলম্বন করতে নিবে : 

  • আপনার সবগুলো একাউন্ট টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন করে নিতে হবে যেনো যে কেউ যে কোন খান থেকে আপনার একাউন্টে লগইন করার চেষ্টা করলে আপনার কাছে একটা কোডের ম্যাসেজ বা এ্যাপ কোড চায়। আবার হ্যাকার যদি আপনার ধারে কাছে থাকে তাহলে সে আপনার ফেসবুক একাউন্টে লগইন করার সময়ে আপনার টাচ ফোন টা খেয়াল করবে। মনে করেন : আপনি কোন কোড রিক্যুয়েষ্ট করেন নাই কিন্তু হঠাৎ করেই একটা কোড ম্যাসেজ আসলো আর আপনি সেটা উচ্চারন করে ফেলাইলেন তাহলেই আপনার একাউন্টে হ্যাকার ঢুকতে পারে। আপনার একাউন্টে যেনো আপনি ছাড়া আর কেউ না ঢুকতে পারে তাহলে ফিংগারপ্রিন্ট সিষ্টেম একটিভ রাখবেন অথবা আই ভিরেফিকেশন মেথড ওকে রাখবেন। (অপটিক ভেরিফিকেশন সিষ্টেম)। তাতে আপনার একাউন্ট হ্যাক হলেও আপনার ধারে কাছে থাকা হ্যাকার আপনার মোবাইল ওপেন করে  কোড কালেক্ট করতে পারবে না। 
  • পৃথিবীর সকল দরকারি ওয়েবসাইটে দেয়া আছে টু ফ্যাক্টর ভেরিপিকেশন মেথড। একাবরে সহজ সরল ওয়েবসাইট গুলোতে সে ফ্রাক্টর টা অন করা নাই। ফেসবুকের মতো সোশাল মিডয়া ওয়েবসািইট গুলো কোড জেনারেট করে লগইন করার জন্য। বলতে গেলে সেটা খুব দরকারি এবং ভালো একটা সিষ্টেম। সোশাল মিডিয়া এবং ইন্টারনেটে একাউন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকাকেও বিশ্বাস করা নিষেধ। কারন এইখানে পারসোনালিট ই হইতাছে মূল প্রাইভেসী বা সিক্রেসী বা সিক্রেট। 
  • যে কোন ব্রাউজার ব্যবহার করবেন কুকিজ ক্লিয়ার রাখবেন। টেম্প ফাইল ও ক্লিয়ার রাখবেন। উইন্ডোজ এর যে সিষ্টেম সেটাই ব্যবহার করবেন। আলাদা করে কুকিজ ক্লিয়ারিং সফটওয়্যার ব্যভহার করলে দেখা যাবে সেই সফটওয়্যারেই সব হিষ্টোরি থেকে যাইতাছে যা কিনা পরবর্তীতে কোন হ্যাকার দলতে পাররে আপনার একাউন্ট পর্যন্ত চলে আসতে পারে। কুকিজ ক্লিয়ারের জন্য ব্রাউজার কুকজি ক্লিয়ারিং পলিসি ব্যবহার করতে হবে। আলাদা করে কোন সফটওয়্যার ব্যবহার আমি ব্যক্তিগতভাবে সাজেষ্ট করি না। 
  • ব্রা্উজার গুলোর মধ্যে গুগল ক্রোম বা যে কোন ব্রাউজারই আপনি লগইন করা অবস্থায় ব্যবহার করবেন। আমরা সাধারনত লগইন না করে ব্রাউজার ব্যবহার করি। ওপেনলি ব্রাউজার ব্যবাহর করলে হ্যাকার দের জণ্য কুকিজ কালেকশন করতে সুবিধা হয়। সেজন্য সবাই বা যে কোন ব্রাউজার আপনাকে রিকমেনড করবে যেনো আপনি প্রথমে একাউন্ট ওপেন করে নিন সেই ব্রাউজারের। তাহলে ব্রাউজার আপনাকে একটা একস্ট্রা নিরাপত্তা প্রদান করবে। যদি আপনি ফায়ার ফক্স ব্যবহার করেন তাহলে ফায়ারফক্সে একটা এ্কাউন্ট ওপেন করে নিবেন। যদি আপনি ক্রোম ব্যবহার হরেন তাহলে ক্রোমের একটি একাউন্ট লগইন করে নিবেন। চাইলে আপনি আপনার নিয়মিত ইমেইল দিয়ে লগইন করতে পারেন বা অন্য আরকেটা ইমেইলেরও  সাহায্য নিতে পারেন। তবে যে ইমেইলই আপনি ব্যবহার করেন না কেনো - সেই ইমেইলের সিকিউরিটি যেনো অনকে হাই হয় সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। 
  • আপনি যদি উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করেন তাহলে আপনি উইন্ডোজ এর একটি নিজস্ব ফায়ার ওয়াল বা এন্টিভাইরাস পাবেন যার নাম উইন্ডোজ বিট ডিফেন্ডার। বলা হইতাছে উইন্ডোজ এর জগতে  বিট ডিফেন্ডারের চেয়ে বড়ে কোন এন্টিভাইরাস নাই। আপনার উইন্ডোজ যদি পাইরেটেড হয় আপনি যদি ারিজিনাল এন্ট ভাইরাস ব্যবহার করেন তাহলে কোন লাভ নাই। কারন সেটা হ্যাকারদের জন্য একবারেই সহজ একটা ব্যাপার। হ্যাকার রা আপনার যে কোন একাউন্টই লগইন করতে পারবে যদি আপনার পাসওয়ার্ড অতিমাত্রায় সহজ হয়। আনপরা পাসওয়ার্ড হতে হবে ক্রিটিকাল বা যদি আপনি সফটওয়্যার ব্যবহার করেন তাহলে সফটওয়্যার এর সিকিউরিটি সেকসান থেকে আপনি টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিষ্টেম বা ফেস ভেরিফিকেশন সিষ্টেম বা ফিংগার প্রিন্ট ভেরিফিকেশন সিষ্টেম ব্যবহার করবেন। 
  • মার্কেটপ্লেসে আপনার যতো ধরনের একাউন্ট আছে এবং যতো ধরনরে সিকিউরিটি সিষ্টেম আছে সবগুলেই এপ্লাই করবেন। 
  • প্রতিদিন আনপরা মার্কেটপ্লেস একাউন্টের স্ক্রিনশট নিয়ে রাখবেন। যদি আপনার একাউন্ট হ্যাক হয় তাহলে সর্বশেষ নেয়া স্ক্রিনশট টা আপনি কাস।টমার কেয়ার সেকসানে সাবমিট করতে পারবেন। 
  • যদি আপনি ইউটিউব মনিটাইজার হোন তাহলে আপনার ইউটিউবরে একটা সেকসান আছে হিডেন ইউজার: সেটাও ভালো করে খেয়াল করবেন। সেখানে যদি কোন আননোওন ইমেইল এড্রস দেখেন তাহলে সেটা ডিলেট করে দিবেন। ইউটিউব যাদের হ্যাক হয় তাদরে মেইন একটা সেকসান হইতাছে হিডেন ইউজার সেকসান। সেটা সবসময় চোখে চোখে রাখতে হবে। Login Youtube - Top Right Side- Settings- Default channel features- Community- Hidden user. কয়েকদিন আগে আমার ফেসবুক একাউন্ট এ লগইন করতে পারতেছিলাম না। তখন সব কিছু চেক করতে যাইয়া এই ব্যোপারটা খেয়ার কিল। যখন ইউটিউব প্রথম ওপেন হয় তখন জেনেছিলাম বা শুনেছিলাম: হিডেন েইউজার এ যদি কোন ইমেইল দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে সেটা হ্যাকারদের কাজ। 


  • হ্যাকারদের হাজারো টেকনিক আছে। অপিরিচত লিংকেও ক্লিক করা যাবে না ইমেইল থেকে বা মেসেন্জার থেকে। এইটা এই বিশ্বে হ্যাকার দের প্রথম টেকনিক - লিংক দেয়া পরিচিত বা অপরিচিত আর আগ্রহবশত সেগুলো তে ক্লিক কররে হ্যাক হয়ে যাওয়া । আপনি আপনার পরিচিত বা অপরিচিত যে কোন লিংক দেখতে পারবেন কিন্তু সেটা কপি করে নতুন একটা  ট্যাব বা ব্রাউজারে পেষ্ট করে নিয়ে। তাহলে আর হ্যাক হবার ভয়টুকু থাকবে না। 


  • হ্যাকারদের প্রথম এবং প্রধান খাবার হইতাচে কুকিজ। বর্তমানে পার হেড একটা করে আই পি এড্রস না থাকার কারনে ডিবাইস গুলো আরো অরক্ষিত হয়ে গেচে। আমি যখন প্রথম বাসাতে ইন্টারনটে ব্যভহার করি তখন আমার নিজস্ব একটা আইপ এড্রস ছিলো। আর এখন একটা আইএসপি এর জণ্য ২/৩ টা আইপি বরাদ্দ দেয়া থাকে। যেখানে একটা আইএসপি এর আন্ডারে প্রায় ৩০০/৪০০ ব্যবহার কারী থাকে। আইএসপি তে পোর্ট নাম্বার ব্যবহ্রত হবার কারনে একটা আইএসপি এর সার্ভার হ্যাক হলে একসাথে ৩০০/৪০০ ব্যবহারকারী রিস্কের মুখে চলে যায়। বাংলাদেশের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের এই একটি নিয়ম আমি সাপোর্ট করি না। পার হেড আইপি না থাকলে পার হেড ইউজার পলিসি তৈরী হয় কি করে? পার হেড আইপ থঅকলে সারা বিশ্বের তথ্য প্রযুক্তির সফটওয়্যার গুলো খুব সহজে ধরতে পারতো কে কখন কোন জায়গা থেকে কার কম্পিউটারে ঞ্যাক করতাছে। বর্তমান সরকারে না হলে পরবর্তী সরকার ব্যবস্থায় এ ব্যাপারটা খুব ভালো করে জোড় দিতে হবে েযনো বাংরাদেশে প্রত্যেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর একটি করে আইপি এড্রস থাকে। তাহলে হ্যাকার রা একদম জিরো টলারেন্সে থাকবে বলে আশা করা যায়। 

ইকমার্স ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে যদি আপনি কোন ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করতে যান আর যদি উপরে বাম দিকে ব্রাউজারে একটা তালা চিহ্ন না দেখেন আর সেখানে যদি আপনি ট্রানজেকশন প্রসেস করেন তবে আপনি একটা মারাত্মক ঝুকি গ্রহন করলেন। কারন এইটা একদম ১০০% নিষেধ যেনো আপনি কোনভাবেই এই ধরনরে লেনাদেনা না করেন। এই ধরেনর লেনাদেনা করলে যা যা ঝুকির মুখে পড়বে বলে আগে পড়াশোনা করে জেনেছি: 

  • যে কম্পিউটার থেকে ইকমার্স ট্রােনজেকশন করলেন সেই কম্পিউটারের সকল ডাটা। 
  • যে ব্রাউজার থেকে ইকমার্স ইকমার্স ট্রানজেকশন করলেন সেই ব্রাউজারের সকল ডাটা। 
  • যে আইএসপি এর ইন্টারনেট ব্যবহার করলেন সেই আেএসপির ও অনেক ডাটা। 
  • ইনসিকিওিরড ট্রানজেকশন করার কারনে আপনার ক্রেডিট কার্ডের সকল ডাটা। 
  • আপনার ক্রেডিট কার্ড যে ব্যাংক প্রসেস করেছে তার ও কিছু বা সাময়িক ডাটা। 
  • এরকম আরো অনেক সেনসিটিভ ডাটা। 
আমি সাজেষ্ট করবো কখনোই আপনি ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ইন্টারনেটে কেনাকাটা করবেন না। আপনি সব সময় ই ডেবিট কার্ড বা ডুয়াল কারেন্সী ডেবিট কার্ড দিয়ে ইন্টারনেট থেকে কেনাকাটা করবেন। ক্রেডিট কার্ড যদি হাক হয় তাহলে আপনার কার্ডে যদি লিমিট থাকে ২-২.৫ লাখ টাকা তাহলে আপনি পুরো ২-২.৫ লাখ টাকাই ধরা খাবেন। আর যদি ডেবিট কার্ড হ্যাক হয় তাহলে ডেবিট কার্ডে যা ছিলো তা হ্যাক হবে। সেখানে আপনাকে আর কোন লোন এর বোঝঅ বহন করতে হবে না। 

সকল ধরনের হ্যাকার মুক্ত লাইফ লিড করার জণ্য আপনাকে ১০০% সতর্ক থাকতে হবে ইন্টারনেট ব্যবহারে।  বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলােদেশের সরকারের রাষ্ট্রীয় সম্পদ এব এইটা খুব সেনসিটিভ ইস্যু। রাষ্ট্রীয় ভাবে যারা অর্থ পাচার, অবৈধ লেনাদেনা এবং হ্যাকার দের সাথে সম্পর্কযুক্ত বা হ্যাকার কানেকটেড -তাদেরকে আইনরে আওতায় এনে রাস্ট্রীয় সেনসিটিভিইস্যু হিসাবে সর্ব্বোচ্চ শাস্তি ফাসি দাবী করি। 

Friday, November 6, 2020

ইন্টারনেট /ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে ব্যক্তিগত তথ্য আরেকজনকে দেখানো ঠিক কিনা?

ইন্টারনেট/ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে  ব্যক্তিগত  তথ্য আপনার সামনে আসলে সেটাকে এভয়েড করে রাখতে হয়। কারন ইন্টারনেটে কারো ব্যক্তিগত তথ্য দেখাকে চুরি বা চোরের চরিত্র হিসাবে বর্ননা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রাইভেট ব্যাংক যারা হ্যাক করেছে বা করে প্রতিনিয়ত (যদি) - সরকার তাদেরকে প্রজ্ঞাপন, আদেশ বা নির্দেশ দিয়ে বলে নেই যে : তোমাদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংক বা প্রাইভেট ব্যাংক বা আন্তর্জাতিক হ্যাক করার অনুমতি দেয়া হলো । খুবই স্পর্শকাতর বিষয় হবার কারনে এই ধরনের হ্যাকারদের সব্বোচ্চ শাস্তি ফাসি হতে পারে   বর্তমান বাংলাদেশ ও বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া কাউকে বসবাস করার অনুমতি দেয় না (জানা মোতাবেক: বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে এদেরকে আইডেন্টফাই করা হয়েছে। সারা দেশেও তাদেরকে আইডেন্টিফাই প্রক্রিয়া চলতাছে।) যারা বাংলাদেশের বাহিরে থেকে আইসা বসবাস করে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট দেশের কাজগপত্র এবং বাংলাদেশে বসবাসের বৈধ অনুমতি পত্র দেখাতে হয় এবং তারপরে বসবাস করার অনুমতি দেয়া হয়। আর যারা আশে পাশের দেশ থেকে আইসা বসবাস করতাছে তাদের বৈধতা পরীক্ষা করে দেখাতে হয়। মনে করেন : সন্ত্রাসী তকমা আছে এরকম একটি দেশের লোকজন বাংলাদেশে আইসা বাংলাদেশের প্রশাসনকে ঘুষ দেবার বিনিময়ে বাংলাদেশে বসবাস করে যাইতাছে কিছু টাকা পয়সা পাবার লোভে বাংলাদেশের প্রশাসন বা এর একশ্রেনীর লোক (ধারনা করা হয় তাদের বাপ দাদারা দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার ছিলো অথবা তারা তাদের বাপ দাদাদের ভুল মনে করে) ও তাদেরকে চুপিসারে সাহায্য করে যাইতাছে (আপনি যদি নিজেও পরীক্ষা করে দেখেন তাহলে দেখবেন আপনার আশে পাশে অনেকেই আছে যারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং যাদের বৈধ জাতীয় পরিপয়পত্র নাই)।। আর তারা এই দেশের ভেতরে বসে হয়তো গনহারে খারাপ কাজ করে যাইতাছে - আপনি সেটা দেখে চুপ থাকতে পারবেন না - আপনাকে তার প্রতিবাদ করতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার ঘোষনা দিছে- আশে পাশের দেশ থেকে যারা বাংলাদেশে এসেছে তাদের প্রত্যেকের বৈধতা যাচাই করা হবে। কিন্তু ইন্টারনেটে আপনি কাজ করতে করতে হঠাৎ করে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কোন গোপন তথ্য  আপনার সামনে চলে আসলো তাহলে আপনি কি করবেন? সততার পরিচয় হইতাছে আপনি সাথে সাথে সেটা ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে জানাবেন এবং এটাও জানাবেন যে: আপনি কোন তথ্য দেখেণ নাই বা সেভ করেন নাই। আর আমাদের দেশে থেকে যােরা ব্যাংক/ইন্টারনেট/সোশাল মিডিয়া হ্যাক করতাছে বা হ্যাকিং করে যাইতাছে তাদেরকে আমরা চোর বলতে পারি কারন যারা হ্যাকার তারা তাদের চোহারা দেখায় না- তারা প্রকাশ্য দিবালোকে সংবাদ সম্মেলন করে বলতে বলেন যে : তারা হ্যাকার। দেখবেন বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে কোথায় পাঠায়? হ্যাকিং এর কোন বৈধতা নাই ইন্টারনেটে এবং সরকারে। হ্যাকার রা মূলত মানুষের সব তথ্য খূজে বেড়ায় এবং দেখে বেড়ায়। যদি ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশন দেখে ফেলে বা দেখে বেড়ায় তখণ তারা সেটা হ্যাক করার চেষ্টা করে। যদি তারা কখনো কারো ক্রেডিট কার্ড নম্বর দেখে ফেলায় তাহলে সেটা তারা নম্বর খুজার সফটওয়্যারে দিয়ে-যদি মেলাতে পারে তাহলে টাইম খুজবে যে কতোদিন পর্যন্ত মেয়াদ আছে- সেটাও পেয়ে গেলে বলবে যে আপনার ভেরিফিকেশন কোড টা দেন, আর ভেরিফিকেশন কোড টা আমরা সহজেই বলে দেই- পিন নাম্বারটাদেই না সাধারনত। ভেরিফিকেশন কোড তো : ০০০-৯৯৯ পর্যন্ত , সেই হিসাবে ১০০০ বার চেষ্টা করলে যে কেউ যে কারো নম্বর খুজে বের করে ফেলাইতে পারে। আমার যদি মাষ্টারকার্ড থাকে আর যদি প্রথম ৪টা সিরিয়ালে (ধরেন: আমার সিরিয়াল ৫২১৬। ৫২ সিরিয়ালের সকল কার্ড নাম্বার খুজে বের করে তাদের যতো নাম্বার আছে সেগুলো হ্যাকার রা যদি তাদের জন্য প্রযোজ্য সফটওয়্যার গুলো দিয়ে চেষ্টা করে থাকে তাহলে তো যে কোন ক্রেডিট কার্ড ১৬ ডিজিটের নাম্বার বের করা একেবারেই সহজ) থেকে আমি যদি সব নম্বর সম্বলিত কোন লিষ্ট খুজে পাই তাহলে কি তার ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করতে খুব বেশী কষ্ট হবে। 



সম্প্রতি আমার যে ফেসবুক একাউন্ট টা লগইন করতে পারতাছি না সেটার মধ্যে আমার ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশণ লোড করা ছিলো। এখন আর সেটা ব্যবহার করতে পারতাছি না কারন আমার ফেসবুক একাউন্ট টা লগইন হইতাছে না। থানাতে জিডি এন্ট্রি করেছি- র‌্যাব এর তথ্য প্রযুক্তি ডিভিশনের সাহায্য চেয়েছি। আর ফেসবুকেও এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি জমা দিয়েছি। এখনো তার রিকভার করতে পারি নাই। চেষ্টা চলছে। আগে আমার কিছু ব্লগ পোষ্ট বা লেখাতে আমি উল্লেখ করেছিলাম যে: আমি ২০০২ থেকে ফেসবুক ডট কম ব্যবহার করতাছি। ব্যাপারটা ২০০৪ থেকে হবে। আমার যে একাউন্টের লগইন আমি হারিয়ে ফেলেছি সেটা আমি ২০০৬ থেকে ব্যবহার করি। মানুষের ঘরে উকি মারা আর মানুষের তথ্য দেখা একই ধরনের ব্যাপার। বিশ্বে বহুত ধরনের হ্যাকার আছে। তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হ্যাকার বা চোর হইতাছে যারা ইন্টারনেট ব্যাংকগুলোর তথ্য দেখে বেড়ায়। যুদ্বে পরাজিত হবার পরে দালাল/রাজাকারে রা /দেশ বিরোধীরা যেমন চুরি করে বাংলাদেশে ঢুকেছিলো (তাদের তো দরকার ছিলো পা ক হানাদার বাহিণীর সাথে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া) তেমনি হ্যাকার রা সারা বিশ্বে মানুষের তথ্য চুরি করে দেখে বেড়ায়। সবাই জানে চোরের কোন ধর্ম নাই্ আর তাই তাদেরকে আমার মতে - গুলি করে বা ক্রসফায়ার করে মাইরা ফালানো উচিত। মানুষের তথ্য বা দেশের তথ্য চুরি করার অপরাধে তাদেরকে চোরের সমাজেই রাখতে হবে । চোরের কোন ধর্ম নাই- তাই তাকে বলা যায় নাস্তিক। আর নাস্তিকদের ফাসির ব্যাপারে সারা বাংলার সবাই একমত।


বাংলাদেশে যতো পরিমান ক্রেডিট কার্ড প্রসেসর আছে- একটা পর্যায়ে তো একটা ক্রেডিট কার্ডের অনেক কিছু জানতে পারে। যার সফটওয়্যার সে না জানলেও যে বানিয়েছে সে তো জানবে সফটওয়্যারের গোপন ব্যাপারের মাধ্যমে যে কার কার ক্রেডিট কার্ড এক্সস হইতাছে। যার ওয়েবসাইট সে না জানলেও ও যে ওয়েবাসইটে ই কমার্স অপশন এড করবে বা মুলত যার প্লাগইন মূলত সেও তো স্পর্শকাতর অনেক তথ্য জানতে পারে। আমার মতে বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনাকাটা না করাটাই ভালো। ডেবিট কার্ড বা লোকালি ভ্যালিড ব্যাংকের কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করাটা ভালো। ২০০৪-২০০৫ সালে আমি যখন এপটেক ওয়ার্ল্ডওয়াইডে প্রোগ্রামিং করি তখন একটা এসাউনমেন্টে সেলস এবং ষ্টক রিলেটেড একটা ওয়েবসাইট বানাতে যাইয়া যখন ইকমার্সের সল্যূশন করি থাকি বুঝতে পারি যে কেভাবে ক্রেডিট কার্ড এক্সস করতে হয়। কিভাবে প্রোগ্রামিং এর সাথে ক্রেডিট কার্ড প্রসেসিং সিষ্টেম কে এড করতে হয়- কিভাবে পস মেশিনে ক্রেডিট কার্ড কে কাজে লাগাতে হয় আর কিভাবে তার িডটেইরষ ডাটাও খুজে বের করতে হয়। তবে এটিএম এ এক্সস কৃত কার্ডের পুল ডিটেইরস কখনো বুঝি নাই।  এইখানে  হ্যাকারদের যে ব্যাপারগুলো মেনশন করেছি তার সবই আমি নিজে ষ্টাডি করে জেনেছি এবং ইংরেজী মুভি দেখে দেখে জেনেছি। আমি আমার জীবনে কখনো কোথাও হ্যাক করি নাই এবং হ্যাকার রিলেটেড প্রোগ্রামারদের সাতে জড়াই নাই। অনেক সময় অনেক হাজার হাজার ইনভাইটেশন ছিলো- তারপরেও জগিত হই নাই কারন আমি জানি ব্যাপারটা অসততার একটা ব্যাপার। আমার জীবনে আমি যখনি কোন হ্যাকারদেরে দেখেছি বা জেনেছি বা উপলব্দি করেছি ততোই তাদের কাছ থেকে সবসময় দূরে থেকেছি। বাংলাদেশের বিগত দিনে হ্যাকারদের উপদ্রবে যে একটা জিনিস আমি বরতে পারি তা হইতাছে ম্যাক নাম্বার। প্রত্যেক ডিভাইসের একটা করে পারসোনাল শ্যাক নাম্বার থাকে যাকে অপারেটিং সিষ্টেমের নাম্বার ও বলা হয় অনেক সময়। হ্যাকারদের ধরার জণ্য যে জিনিস টা সবচেয়ে বেশী দরকার তা হইতাছে ম্যাক নাম্বার। সেই শ্যাক নাম্বার আইডেন্টফাই করতে পারলে যে সেলস সেন্টার এগুলো সেল করেছে সে সেলস সেন্টারগুলো তে খোজ নিলে জানা যাবে যে কে সেই ডিভাইসটা বাই করেছে তারপরে সে অনুযায়ী তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনরে আওতায় আনা যাবে। ভ্যাপারটা অতীব সহজ যদি থাকে ম্যাক ট্রেসার ডিভাইস।

Mac Changing Software Free Download:



হ্যাকার রা মিনিমাম কিছু টেকনিক জানে ব্যাপারটা সত্য। যেমন ধরেন: হ্যাকার রা তাদের হ্যাকিং টেকনোলজী বা নলেজ খাটাতে খাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা যেকোন ব্যাংকের ব্যাংকিং সফটওয়্যার পর্যন্ত যাইতে পারে। এখন: ব্যাংকের পক্ষ থেকে যদি কোন অসাধু চক্র থাকে, যারা ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে দেয় বা আপনার পাসওয়ার্ড টা যদি খুবই সহজ হয় বা আপনার ইউজার নেমটা যদি তাদের জানা থাকে তাহলে এইটা একদম হ্যাকারদের জন্য ডাল ভাতের ব্যাপার হয়ে দাড়াবে। তবে আপনি দেখতে পারবেন যে কোথাকার ডলার বা টাকা কোথায় গেছে বা কোন একাউন্টে যাইয়া এড হইছে। তেমনি মেশানারি ল্যাংগুয়েজ প্রক্রিয়ায় কোথাও না কোতাও টোটার ডাটা টা থেকে যাইতাছে। কো কখণ কোথা থেকে কনো ম্যাক এড্রস থেকে কোন ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করে কোন এলাকা থেকে কোন কখন কোন খানে কতো টাকা বা ডলার চুরি করতাছে তার একটা ডিটেইলস রিপোর্ট যার কাছে পাবেন তার নাম হইতাছে সিষ্টেম। বিশ্বের সব দেশের ব্যাংকিং খাত হ্যাকারদের আশংকা মুক্ত। আর বাংলাদেশের সমস্ত খাত আছে হ্যাক বা হ্যাকিং যুক্ত- হ্যাকিং না হবার প্রথম যে কন্ডিশন শক্তিশালী ইন্টারনেট নেটওয়ার্কিং সিষ্টেম- পার হেড আইপি যা দ্বারা ডিভাইস কে  শক্তিশালী ওয়েতে প্রটেক্ট করা হয় সেটাই নাই আমাদের দেশে। ফলে যে কোন হ্যাকার যে কোন ভাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট হ্যাক করে সেখানে ম্যাক এড্রস চেন্জ করে শক্তিশালী ভিপিএন দ্বারা যদি ম্যাসেজ দেয় যে আমি অমুক দেশ থেকে: তাহলে বাংলোদেমের যে সেকিউরিটি তাতে তারা বলবে যে অমুক দেশ থেকে হ্যাক করে নিয়ে গেছে । আসলে কোথায় নিয়ে গেছে সেটা আর কেউ না জানলে তো মিনিমাম অপারেটিং সিষ্টেম জানে - ইন্টারনটে থাকার কারনে উপরে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিট ও জানে বা মেশানারি ল্যাংগুয়েজ ও জানে বা এসওএস কলিং সিষ্টেম ও জানে। এজ এ ওয়ার্ড-  বাংলাদেশ সরকারের জন্য কোন কিছুই অজানা নয়- অজানা শুধু সততাটুকু- মানে কিভাবে তারা সত হবে সেই জিনিসটা তারা ভূলে গেছে। আমার ঝীবেন আমি কখনো কোন হ্যাকিং নলেজ শিখি নাই এবং কখেনো কোথাও হ্যাক করার চেষ্টা করি নাই। ঝীবেন কখনো কারো পাসওয়ার্ড জানার ও চেষ্টা করি নাই। আমার সে ভ্যাপারে সামান্য তম নলেজও নাই। 




সবচেয়ে বড় হ্যাকার হইতাছে সেই সকল চোর বাটপারের দল যারা জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়াই বাংলাদেশের আইন পুলিশকে হাত করে অবৈধ ভাবে বসবাস করে যাইতাছে। বাংলাদেশ এমন এক দেশ যেখানে টাকার জন্য মা মাটি মাতৃকার দেশ বাংলাদেশের সাথে বাংলাদেশীরা গাদ্দারী করতে পিছপা হয় না। এজন্য ৭১ এর যুদ্ব চলাকালে বাংলার অনেকেই হাত মিলিয়েছিলো পা ক হানাদার বাহিনীর সাথে- যাদেরকে আমরা বাংগালী রাজাকার বলে থাকি- যাদের ফাসির বিরুদ্বে রায় আছে অনেক আর কার্যকর ও হইতাছে অনেক। মুক্তিযুদ্ব ভিত্তিক স্বাধীন বাংলাদেশে অনেক দালাল রাজাকার বিগত ৪৯ বছর ধরে  ছলে বলে কৌশলে বসে আছে যাদের এই দেশে বসবাস করার কোন বৈধতা নাই আর সমানে বাংলাদেশ টাকে হ্যাক করে যাইতাছে বাংলাদেশের তথ্য বা ইনফরমেশর সব শতরু রাষ্ট্রকে ট্রান্সফার করে। জয় বাংলার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা থাকলো বাংলাদেশ যেনো  সকল ধরনের হ্যাকার এবং সকল ধরনের হ্যাকিং মুক্ত থাকে। সামনের বছরই স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী। তার আগেই বাংলাদেশ ধুয়ে মুছে পরিস্কার হয়ে যাক।

হ্যাকার রা রাষ্ট্রীয় ভাবে অপরাধী। আর অপরাধের সাজা ফিরিয়ে দেয়া হয় না কখনো। অপরাধীকে দুনিয়া ত্যাগের আগেই তার জন্য প্রযোজ্য শাস্তি ভোগ করতে হয় যা এই দুনিয়ার নিয়ম। 


 

Thursday, November 5, 2020

ইন্টারনেট/ ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং/সোশাল মিডিয়া জগতে একাউন্ট কেনা বেচা করা ঠিক কিনা?

আমার জানা মোতাবেক এইটা একদমই নিষেধ। ধরেন: আপনার একটা ফেসবুক পেজ আছে যেখানে ১ কোটি লাইক আছে। আপনি সেটা টাকার বিনিময়ে একজনের কাছে সেল করে দিলেন এবং তাকে আপনার ফুল লগইন ডিটেইরলও  দিয়ে দিলেন- এই ব্যাপারটা অবৈধ। আমাদের দেশে হাজার হাজার ছেলে বা মেয়ে তাদের ফেসবকু একাউন্ট, পেজ, গ্ররপ, ইউটিউব চ্যানেল কেনা বেচা করে থাকে যা লিগ্যাল না। আপনি যদি তাদের পুরো টার্মস এবং ডিটেইলস পড়ে দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন যে: এইটা নিষেধ। কিন্তু আপনি চাইলে যে কাউকে আপনার ফেসবুক পেজ বা ফেসবুক গ্রুপের এক্সস দিতে পারেন। সেটা লিগ্যাল কারন যে কাউকে আপনি আপনার পেজ বা গ্ররপের এডমিন হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন। এমনকি ইউটিউব চ্যানেলেও আপনি ম্যানেজার নিয়োগ করতে পারেন। কিন্তু সরাসরি একাউন্ট কেনা বেচা করা লিগ্যাল হবে না কারন আমি বাস্তবে পড়ে দেখেছি এই ধরনের আইন গুলো। সোশাল মিডিয়াতে যদি আপনার উপস্থিতি বা লেনাদেনা ১০০% একুরেট না হয় তাহলে আপনি যে কোন উন্নত দেশে প্রবেশ করতে যাইয়া বাধা পাবেন কারন জানেন ই তো এইগুলো সবই আমেরিকান টেকনোলজীতে (ইন্টারনেট-সিলিকন ভ্যালি, ডিভাইস [ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, পামটপ, পিডিএ, এন্ড্রয়েড, আইফোন], অপারেটিং সিষ্টেম-উইন্ডোজ বা ম্যাক বা লিনাস্ক বা উবুন্টু, সফটওয়্যার বা যে কোন ধরনের ইন্টারনেট টেকনোলজীতে) আপনার ব্যবহার বা উপস্থিতি কেমন বা কে কি করতাছে বা কোন আইডি কি করতাছে তা জানাটা আমেরিকান টোকনোলজীষ্টদের জন্য অসম্ভব কিছু না। কে ইন্টারনেটে বসে কোথায় কি করতাছে তা তাদের জন্য বের করা কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিটেরই ব্যাপার?







তাহলে কি ইন্টারনেট/ ফ্রি ল্যান্সার/ মার্কেটপ্লেস / আউটসোর্সিং / সোশাল মিডিয়া একাউন্ট কেনা বেচা একদমই করতে পারবেন না?

প্রোগ্রামার বা ডেভেলপার রা অনেক সময় এপিআই এর অনুমতি নিয়ে এক সাথে অনেক একাউন্ট তৈরী করতে পারে । তারা তাদের একাউন্ট গুলো এমন ভাবে তৈরী করে যাতে পরবর্তীতে যে কেউ যে কারো মনমতো একাউন্ট গুলো সাজিয়ে নিতে পারে। ইভেন মোবাইল ভেরিফিকেশণ ও করা থাকে না। অনেক সময় সোশাল মিডিয়া ডেভেলপার রা তাদের নিজস্ব কাজের প্রয়োজনে কয়েক শো একাউন্ট তৈরী করে সেগুলোকে পরে শুধূ মাত্র নিম্নতম পারিশ্রামিকে সেল করে দেয়।  অভিজ্ঞতা থেকে বলা। সেটা সোশাল মিডিয়া প্যানেল এর মালিকেরা ব্যবহার করে থাকে তার কাজের প্রয়োজনে এবং সোশাল মিডিয়ার প্রয়োজেন সেল ও করে দেয়। মনে করেন : পৃথিবীর কোন একটা শহরে সোশাল মিডিয়া র একটি প্রোগ্রাম আছে। সেখানে যারা অংশগ্রহন করবে তাদের সকলকে সেই সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম একটি করে সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গিফট করবে। তখন সেই সোশাল মিডিয়া র যারা ডেভেলপার তাদেরকে বলবে: তারা একটি এক্সল ফাইলে সেই তৈরী করা সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গুলো যা ডেভেলপার রা আগে ব্যবহার করেছিলো সেগুলো দিয়ে দিবে। যারা প্রোগ্রোমে অংশগ্রহন করেছে তারা প্রত্যেকেই একটি করে একাউন্ট পাবে: প্রত্যেকেই যার যার নিজের মতো করে তাৎক্ষকি ভাবে একা্উন্ট গুলো গুছিয়ে নিজের মনের মতো করে ইউজার নেম, ইমেইল, পাসওয়ার্ড এবং ফটো সব পরিবর্তন করে ব্যবহার করা শুরু করবে এবং সোশাল মিডিয়ার যে প্রোগ্রাম তা সাকসেসফুল করবে। এখণ আপনি যদি বাংলাদেশে বসে থেকে বলেন যে: আপনার ১০টা একাউন্ট বা ফেসবুক পেজ বা গ্ররপ লাগবে আর সেগুলো যদি কোন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী/ধর্মীয় জিহাদি বা টেরোরিষ্ট টাইপের লোকজন [যদি তারা অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে বসবাস করে থাকে] তৈরী করে দেয়- যাদের ইন্টারনেট একটিভিটজ খুবই খারাপ যারা কখনোই কোন ভালো কাজ করে না বা যদি তারা হ্যাকার হয় তাহলে কি আপনার একাউন্ট টা সেফ থাকবে? আন্তর্জাতিক ভাবে তার উত্তর হইতাছে না। বাংলাদেশ বলেছে আন্তর্জাতিক ভাবে যে: তারা কোন সন্ত্রাসী বা জিহাদি বা টেরোরিষ্ট টাইপের লোকজন কে পালে না বা রাখে না। তাহলে যে বা যাদের সাথে আপনি ইন্টারনেটে লেনাদেনা করতাছে তারা যদি প্রাপ্তবয়ষ্ক হয় আর তারা যদি বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক না হয় (যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র বা বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর না থাকে) তাহলে কি আপনি ধর্মীয় জংগিবাদ বা সন্ত্রাসীদের সহযোগিতা করে চলতাছেন না? অনেকটা আড়ালে আপনি তাই করে যাইতাছেন কারন এই দেশে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া লেনাদেনা করা যে কোন ধরনের রিস্কই বহন করে চলে। আপনি যখন ইন্টারনেটে কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করবেন বা সেখানে কো্ন একাউন্ট ওপেন করবেন তখণ প্রথম যে ডাটা টা কালেকশন হবে তার নাম হইতাছে ডিভাইসের ম্যাক এড্রস। যে কোন প্রয়োজনে যে কোন গোয়েন্দা সংস্থা বের করে ফেলাইতে পারবে যে : একাউন্টটা কোন ম্যাক এড্রস থেকে তৈরী হয়েছে এবং সেই ম্যাক থেকে আর কি কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এগুলো যারা খুবই  ভয়াবহ মাত্রার শক্তিশালী প্রোগ্রামার তাদের জন্য আশা করি ব্যাপার না। আর সহজে জানতে পারা কারনে যে: আপনি কোন ম্যাক এড্রস থেকে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন আর তার সাথে আরো কি কি খারাপ কাজ করতাছেন তার সকলই রেকর্ড থাকে। আপনি যদি একটা ডেস্কটপ টানা ৫০ বছর ও ব্যবহার করেন তারপরেও সেখানকার সকল ডাটা মাদারবোর্ডে ০+১ বাইনারী ডাটাকারে বা মেশিন ল্যাংগুয়েজ আকারে সেভ থাকবে। আর সেই ক্ষেত্রে একাউন্ট কেনা বেচার পরেও যদি আপনি সোশাল মিডিয়া ম্যাসেন্জারে ন্যুড হোন (বর্তমানে বাংলাদেশের ফেসবুকে যে ন্যুড ভিডিও ক্যামেরা সেক্স শুরু হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে বলা) আর কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা যদি সোশাল মিডিয়া ভিডিও ডাটাবেজে পরীক্ষা করে আপনাকে পেয়ে যায় - তাহলে কি আপনাকে সেই দেশ ভিজিট করতে দেবে বা আপনি কি কখনো সেই দেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন? কখনো পারবেন না কারন আপনি সরাসরি আইনের স্বীকার হয়ে যাবেন। আপনার যদি কয়েক দেশের ও নাগরিকত্ব থাকে তারপেরে ও আপনি সেই সকল দেশে কখনো ঢুকতে পারবেন না যে সকল দেশে সোশাল মিডিয়া একটিভিটজ পরীক্ষা করা হয়। আপনার যদি আইডি ডুপ্লিকেট তাকে তারপরেও আপনার ফেস বা ভিডিও ইন্টারফেজে রেকর্ডিং ডাটাবেজ পরীক্ষা করলে সব কিছ জানা যাবে বা দেখা যাবে। ন্যুড ক্যামেরা সেক্স করার জন্য আলাদা ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া স্বাপেক্ষে ন্যুড ক্যামেরা ওয়েবসাইটে ক্যাম সেক্স (বর্তমানে বাংলাদেশে পর্নো ওয়েবসাইট এবং ক্যাম সাইটগুলো নিষিদ্ব) করতে পারবেন এবং সেই ব্যাপারে মানি বা অর্থও কালেকশন করতে পারবেন (এইখানকার সব অর্থ রেমিটেন্স আকারে বা যে কোন ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমেও আনা যাবে)। কিন্তু আপনি যদি ফেসবুক, টুইটার, পিনটারেষ্ট, ইনষ্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব প্রাইভেট লাইভ এই সকল খানে ন্যুড হয়ে যান তাহলে আপনি তাৎক্ষনিক ভাবে সোশাল মিডিয়ার চোখে অপরাধী বলে গন্য হবেন এবং সোশাল মিডিয়া চেস্টা করবে আপনাকে যে কোন ভাবে আইনের হাতে তুলে দিতে- নয়তো সোশাল মিডিয়া কোম্পানী গুলো ইন্টারনেটের  আদালতে বা ফেডারেলের আদালতের গ্যাড়াকলে পড়ে যাবে এবং বিপুল পরিমানে অর্থ লস বা জরিমানা গুনতে হবে। সোশাল মিডিয়া তে ন্যুড হওয়া আমেরিকান আইনে নিষেধ। 

Video Sharing Apps: Imo/Whats app/Viber এইগুলোতে যদি কেউ তার প্রেমিক বা বয়ফ্রেন্ডের সামনে বা স্বামীর সামনে ন্যুড হয় সে বা তারা আইনের আওতায় পড়বে না কারন সে এ্যাপসুগলো ভিডিও শেয়ারিং এ্যাপস। তারা সেই ভাবে পারমিটেড। কিন্তু সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গুলোতে যদি কেউ ন্যুড হয়ে যায়- তাহলে সেটা আমেরকিান ইন্টারনেট আইনে দন্ডনীয় অপরাধ হতে পারে। আর সোশাল মিডিয়া (ফেসবুক, টুইটার, পিনটারেষ্ট, ইনষ্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব প্রাইভেট লাইভ) তে যারা প্রফেশনালি এই কাজ করতাছে ন্যুড হয়ে: তাদের জন্য সমূহ বিপদ থাকতে পারে বা তারা কখনেই কোন উন্নত দেশের জণ্য বিবেচিত হবে না কারন যখনই আপনি উন্নত দেশে প্রবেশ বা নাগরিকত্বের চেষ্টা করবেন তখনই সেই দেশের কর্তৃপক্ষ আপনার সোশাল মিডিয়াতে সকল ধরনের একটিভিটজ বা ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখবে। আর সে হিসাবে তাদের দেশে প্রবেশে বাধা দিতে একটু ও দ্বিধা বোধ করবে না- বাংলাদেশে এখনো এই ধরনের কোন আইন তৈরী হয় নাই। তাহলে অজানা অশিক্ষাতে না জেনে এই দেশের যতো মেয়ে এই ধরনের কাজ করতাছে তাদেরকে একটা ব্যাপারে নলেজে আনা দরকার যে:: এইগুলো সোশাল মিডিয়ার সার্ভার বা ডাটাবেজে থেকে যাইতাছে - কারন ইন্টারনেটে ০ এবং ১ মেথডে জেনারেট হওয়া ডাটা কোথাও না কোথাও অতি অবশ্যই রেকর্ড থেকে যাইতাছে। ইন্টারনেটে তৈরী হওয়া ডাটা কখনো ১০০% ডিলেট করা যাবে না তেমনি ইন্টারনেট ছাড়া কম্পিউটারে ও যদি আপনি কিছু করে থাকেন সেটাও মাদার বোর্ডের যে কোন চিপে থেকে যাবে। ইন্টারনেটে যারা ওয়েব ক্যামেরা সেক্স করে থাকে তাদের জন্য আলাদা ওয়েব ক্যাম সোসাইটি ওয়েবসাইট আছে।  নীচে ইন্টারনেটের মেসেন্জার থেকে নেয়া স্ক্রীনশট: যেখানে একজন বাংগালী মেয়ে বলতাছে বাংলাদেশে অনেক অনেক মেয়ে সোশাল মিডিয়া ফেসবুক মেসেন্জার গুলোতে ন্যুড হইতাছে টাকার বিনিময়ে। সেখানে তার একাউন্ট তো রিস্কের মুখে আছেই সেই সাথে সে তার সমাজ ব্যবস্থা সহ আরো অনেক কিছুকেই অপরাধের মুখে বা রিস্কের মুখে ঠেলে দিতাছে। ক্যাম সেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশে গড়ে উঠতাছে কিন্তু সেটা বৈধ উপায়ে গড়ে উঠতাছে না। 



সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সকল ধরনের ক্যাম সেক্স ওয়েবসাইট পর্নো ওয়েবসাইট গুলোর সাথে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই দেশের সোশাল মিডিয়া গুলোতে মেয়েদের সাথে খারাপ বা পায়ুপথে সেক্স করার (জঘন্য।আইন/মেডিকেলে/ধর্মে নিষেধ) চটি গল্প এবং লাইভ কাহিণী পর্যন্ত শোনা যায় কিন্তু বাস্তবে সেক্স না করে ইন্টারনেটে লাইভ ক্যামেরা শেয়ারিং এ্যাপসুগলোতে ন্যুড হওয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেট ওয়েভ ক্যাম ইন্ডাষ্ট্রিজ গুলো ব্যবহার করে কোটি কোটি ডলার উপার্জনের পথগুলো পরিকল্পনা মাফিক বন্ধ করে দিছে। নীচে একটা উদাহরন দেখানো হলো যে ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় কিন্তু তাদের ক্যাম সেকসান বাংলাদেশ থেকে বন্ধ করে দিছে। আমি চাই না কেউ এ ধরনের কাজ প্রফেশনালি দেখাক - বা করুক বা এভাবে ডলার উপার্জন করুক। কিন্তু আমি চাইতাছি যেনো সকলেই সঠিক পথটা জানুক।




ইন্টারনেটে ফেসবুকে এই সকল দেখে মনে হইতাছে বাংলাদেশের বাবা বা মা রা কি শিক্ষা দিতাছে? ফ্যামিলিগত শিক্ষার জোড় টা কোথায়? কারো কি কোন রুচিতে বাধে না। বাংলাদেশ সরকারের আইন জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের বিনিময়ে এবং বায়োমেট্রিক্স করে মোবাইল নম্বর গ্রহন করা আর তারপরে ডিভাইস ভেরিফিকেশন করে বাংলাদেশে ফেসবুকে কি ঢালাও ভাবে খারাপ খারাপ চটিগল্প পড়ানো হয়? সরকার কি এক ধরনের বৈধতা দিয়ে দিলো নাকি এদের। এই জন্য কি রাত দিন খেটে ফোনেটিক মেথডে বিজয় বা বাংলা লেখার পদ্বতি আবিস্কার করেছিলো বাংলাদেশের ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের প্রোগ্রামাররা। দিনভর বা রাতভর আপনার ছেলে বা মেয়ে রা আপনার নামে ব্যবহৃত সীম বা নম্বর ব্যবহার করে এই ধরনের খারাপ কাজ বা সোশাল মিডিয়া ক্রাইম করে যাইতাছে। আপনার কি আপনার সন্তানের প্রতি পুরোটা দৃষ্টি আছে। ব্যাপারটা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে খেয়াল করা উচিত। এই ধরনের সোশাল মিডিয়া একাউন্ট, পেজ বা গ্ররপ যেনো তৈরী না হয় সে ব্যাপারে পুরোপুরি খেয়াল রাখা উচিত। সেই সাথে ১৮ বছরের নীচে কোন ছেলে বা মেয়ে যেন যৈৗন সম্পর্কে লিপ্ত না হয় সে ব্যাপারেও বাবা মায়েদের ১০০% খেয়াল রাখা উচিত যাকে বলা হয় একুরেট যৌন শিক্ষা। [ বাংলাদেশের সমাজে এখনো রাজাকাররা (ফাসি) জীবিত আর সকলেই জানে রাজাকার রা বাংলাদেশের সমাজে ভাইরাস। খেয়াল রাখতে হবে আপনার মেয়ে বা ছেলে যেনো জীবনের শুরুতেই যেনো এইডস কে রিসিভ না করে  বসে। তাকে জন্ম দেয়াটাই শুধূ আপনার দ্বায়িত্ব না- তাকে দেখ ভলো করা আর তাকে জীবন ভর ভালো পথে রাখা দুইটাই আপনার দ্বায়িত্ব।

খেয়াল রাখতে হবে যদি আপনি ক্রাইম করে থাকেন তাহলে একদিন না একদিন আপনার বিচার হবে। ১৯৭২ এ তথাকথিত সাধারন ক্ষমা পাওয়া রাজাকারকেও ৪৩ বছর পরে শাহবাগ গনজাগরনের আন্দোলনের মাধ্যমে ফাসিতে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে কারন তারা ছিলো ক্রিমিনাল। আর ইন্টারনেটে ফেসুবকে বাংলা চটি লিখা-  এইটা সোশাল মিডিয়া ক্রাইম। ইন্টারনেটে বসে ফেসবুকে সেক্স ষ্টোরী লেখাটা আমেরিকান ফেসবুকের আইনে ক্রাইমের পর্যায়ে পড়ে। আর অপরাধী কখনো কোন খানে ছাড় পায় না। 

ফ্রি ল্যান্সার রা যে সকল মার্কেটপ্লেসে কাজ করে সে সকল মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট সেল করা ওআইনত দন্ডনীয় অপরাধ। আপনি যদি ইউএসএ তে বসবাস করতেন আর এই ধরনের খারাপ কাজ (একাউন্ট কেনাবেচা) র কাজ করতেন তাহলে সাথে সাথেই আপনার জেল জরিমানা হয়ে যাইতো। আপনি কখনোই কোন ধরনের একাউন্ট কেনা বেচা করতে পারবেন না আপনাকে অতি অবশ্যই  একাউন্ট ক্লোজ সেকসানের সাহায্য নিতে হবে যদি আপনি কোন মার্কেটপ্লেসের কাজ সম্পূর্ন করে থাকেন। আর যদি আপনার একাউন্ট ওপেন করার পরে ভালো না লাগে তাহলে আপনি অতি অবশ্যই আপনাকে সেটা ডিজাবল করে দিতে হবে। ফেসবুকেও একাউন্ট ডিজাবলড করে দেবার নিয়ম আছে। বাংলাদেশের একটা প্রখ্যাত মার্কেটপ্লেসে কিভাবে আমি একাউন্ট বন্ধ করে দিছি সে ব্যাপারে ণীচে একটা ইউটিউব ভিডিও দিতাছি- দেখে নিবেন। 


বিখ্যাত অনলাইন মার্কেটপ্লেস এসইও ক্লার্কের সেটিংস পেজের নীচে এরকম একটা অপশন আছে। একাউন্ট লক অর একাউন্ট  সাসপেন্ড। আপনি যদি আর ব্যবহার না করতে চান বা আপনার যদি ২/৩ টা একাউন্ট থাকে তাহলে আপনি সেখানে নিজে থেকে একটা সাসপেন্ড বা সাসপেন্ড রিক্যুয়েস্ট করতে পারেন। আপনার একাউন্ট যদি আপনি নিজে থেকে সাসপেন্ড করে ফেলেন তাহলে আর সেটা দেখাবে না মার্কেটপ্লেসের ইউজার হিসাবে। 

SEOClerks

Translate