Translate

Monday, November 30, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস জগতে একটি মার্ডার দেখা।

২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরনে সরাসরি অংশগ্রহন করতে পারি নাই কারন আমি একটু ব্যাকডেটেড ছিলাম। এখনো আমি কিছুটা সেকেলে মাইন্ডের। প্রায় ১ বছর ধরে ভাবতাছি নিজের গিগের ইমেজগুলো পরিবর্তন করবো তাও করা হইতাছে না। আমি খুব সিরিয়াস না হলেও বলতে পারেন মোটামুটি বা শখের ফ্রি ল্যান্সার।  গনজাগরনে সরাসরি শাহবাগে অংশগ্রহন না করলেও ময়মনসিংহে আমি শাহবাগ গনজাগরনের পক্ষে কাজ করি- সংঘটিত হবার চেষ্টা করি এবং কিছু কিছু পদক্ষেপে মুভমেন্টে ও করি। তো গনজাগরনের যারা বড় ভাই ব্রাদার তারা বলে যে : তোকে শেষ দিন হলেও থানা শাহবাগে আসতে হবে। আমি ২৫ শে অক্টোবর ২০১২ তে থানা শাহবাগ ছেড়ে ময়মনসিংহে চরে আসি তারপরে আবার ১৪ ই ডিসেম্বর ২০১৩ তে ফিরে আসি। আমার দ্বায়িত্ব ছিলো সারা দেশে একটি বলয় তৈরী করা শাহবাগ গনজাগরনের চতুর্দিকে। সেই হিসাবে গনজাগরনে অংশগ্রহন করার চেয়ে গনজাগরনের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করাতে বেশী  ইন্টারেষ্টেড ছিলাম যেনো সারা দেশ থেকে যে সকল ভাই ব্রাদার অংশগ্রহন করেছিলো তারা আবার শান্তিতে বা নিরাপদে তাদের বাসাতে ফিরে যেতে পারে। একেবারে মূল  কেন্দ্রে র সাথে যোগাযোগ না থাকলেও গনজাগরন সংক্রান্ত ব্যাপারে ২০১৩ সালের গনজাগরনে অংশগ্রহন করে অনেকেই নিহত হয়। ইন্টারনেটে থেকে তৈরী হওয়া গনজাগরনের সদস্যদেরকে যারা হত্যা করেছে বা যারা মূলে ছিলো বা পেছনে ছিলো আজকে তাদের খুব রমরমা অবস্থা। স্পেশিয়াল কিছু ভাই এর হত্যা মনের মধ্যে গেথে আছে : শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের দীপন ভাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সন্তান অভিজিত দা এবং তেজগাওয়ে সম্ভবত ওয়াসিফুর রহমান বাবু। সবচেয়ে ভয়াবহ মার্ডার বলতে গেলে অভিজিত হত্যা- এখনো তাদের ফাসির দাবী করি। এর তদন্তে আছে এফবিআই।  

একজন ফ্রি ল্যান্সারের মূল যে সম্পদ তা হইতাছে তার গ্যাজেটস। আমি ২০১৩ সালের ১৪ ই ডিসেম্বর থানা শাহবাগ গনজাগরন সভাস্থলে হাজির হই আমার ল্যাপটপ সহকারে। রাজাকার কসাই কাদেরর ফাসির উৎসব এ। ফাসি কার্যকর হবার পরে একটি বিজয় অনুষ্টান হয় সেখানে আমি ল্যাপটপ সহকারে উপস্থিত থাকি। তারপরে ঘোরাফেরার মধ্যে ২০১৩ সালের ১৭/১৮ ই ডিসেম্বর মিরপুর ১২ নম্বর থেকে একটা গুরড় কল আসে- ইন্টারনেটে ফেসবুকের গ্ররপে একটা এড দেখার সূত্র ধরে। তারপরে সেই গ্ররপের সাথে পরিচয় এবং কথা বার্তা। তারা আমার সাথে কথা বার্তা বলে অফার করলো তাদের সাথে থাকার জন্য। আমি ব্যাচেলর মানুষ- তাদের আদর আপ্যায়নে খুশী হয়ে থেকে গেলাম যদিও মেস লাইফ তারপরেও ফ্রি ল্যান্সিং করতে গেলে সংঘ বা প্রেমিকার ভালোবাসা দরকার হয়। সেই সেন্সে থাকা । আমার সাথে ল্যাপটপ থাকার কারন আমি তখন কাজ করি মার্কেটপ্লেসে তবে ইনকাম খুব বেশী হাই ফাই না আবার এতা খারাপও না যে চলতে পারবো না। ঢাকা শহরের একটা মেসে থাকলে সর্ব্বোচ্চ খরচ ৬০০০-১০০০০ টাকা। সেরকম ভাবে সৃষ্টিকর্তা আমাকে সহায়তা করতেছিলো। আমাকে আমার বাসা থেকে কখনোই কোন হাত খরচ দেয়া হতো না।  তারা আমাকে তেমন ফাইনানসিয়ালি হেল্প করতো না। তাছাড়া আমি সরকারি প্রজেক্টের চাকুরীও ছেড়ে দিছিলাম।২০০২-২০১১ পর্যন্ত পার্ট টাইম ফ্রি ল্যান্সিং এর পাশাপাশি জব এবং ২০১১ থেকে এখন পর্যন্ত ফুলটাইম করি। 


তো মিরপুর ১২ নম্বরে থেকে কাজ শুরু করার পরে আস্তে আস্তে একজন দুজন করে সংগী যোগাড় হওয়া শুরু হয়। মোটামুটি প্রথমে ১ জন, তারপরে ২/৩ জন করে ৫/৬ মাসের মাথাতে আমার গ্ররপের সংগী সংখ্যা দাড়ায় ৪/৫ জন। ২ জন জুনিয়র, ১ জন সিনিয়র আর দুইজন মেয়ে। মেয়েটা যে কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজ থেকে অনার্স/মাষ্টার্স পড়তেছিলো। থাকতো ডেমরাতে। কখনো দেখা হয় নাই। তো আমি লাইক ফর লাইক পয়েন্ট কেনাবেচা করতাম- আমি কিনে ক্লায়েন্টের সোশাল মিডিয়া প্রমোশনের কাজ করতাম। যখন সংগী বাড়তে শুরু করে আর তারা ডিমান্ড করে আমার সাথে কাজ করবে তখণ আমি আমার নেটওয়ার্ক বা পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করি। লাইক ফর লাইকের যারা ওয়ার্কার তারা ৫০% রিয়েল ইমেজ ব্যবহার করতো না। কিন্তু ক্লিকটা হতো রিয়েল এবং আর ইমপ্রেশন টা হতো রিয়েল আর লাইক গুলো আসতো সারা বিশ্ব থেকে। এইটা টেক্সাসের টেক ইউনিভার্সিটির একদল ছাত্রের একটা প্রজেক্ট। সেভাবেই কাজ শুরু করা। প্রথমে সোশাল মিডিয়া প্যানেল থেকে আমার ফেসবুক প্রোফাইলে ৩৫০০ ফ্রেন্ডস এড করি ১০/১২ ডলারের বিনিময়ে। হাই কোর্টের ভ্যাট ট্যাক্স  ডিভিশনের একজন আইনজীবি ছিলেন ফ্রি ল্যান্সার- উনার কাছ থেকে কিছু সাজেসনস নিয়ে আবারো কাজ শুরু করি। ক্লায়েন্ট দেরকে ফেসবুকে সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর অফার প্রমোট করি- যারা রাজী হতো তারা সরাসরি পেপালে পেমেন্ট করতো আর যারা রাজী হতো না কিন্তু কাজ দিতে রাজী থাকতো তাদেরকে নিয়ে আসতাম মার্কেটপ্লেসে। পেপালের ডলার ঢাকা শহরের যাদের ডলার দরকার ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দিতো তাদের সাথে যাইয়া সরাসরি দেখা করে সেল করে দিতাম। ল্যাপটপ ও নিয়ে যাইতাম অনেকখানে। কোথাও কোন খান থেকে কখনো কোন ডলারের ব্যাপারে কোন অভিযোগ আসে নাই। পারসোনাল পেপালে ডলার দিতাম উনি সেটা দেখে পরীক্ষা করে নগদ ক্যাশ টাকা দিতো এবং সেটা নিয়ে কাজ করতাম বা যারা ওয়ার্কার তাদেরকে দিয়ে দিতাম। আবার অনেক সময় যে কারো পেমেন্টবিডি একাউন্টে সেলও করে দিতাম। আমাদের দেশের একটা প্রধান সমস্যা অনেকই পেপালকে অবৈধ বলে- অবৈধ হলে তো আর ওয়েবসাইট ওপেন হতো না। পেপালের ওয়েবসাইট যেহেতু ওপেন হয় সেহেতু আপনি যেভাবেই ব্যবহার করেন না কেনো সেটা ষ্ট্রাগলিং ফ্রি ল্যানসিং এর জন্য লিগ্যাল ধরা হয়। 



আমার সেই হাই কোর্টের আইনজীবি ছিলো শাহবাগেরই বন্ধু। আমি তার সাথে বেশীর ভাগ সময় শাহবাগে দেখা করতাম। সে ছিলো একজন মেয়ে এবং আমাদের সম্পর্ক টা ছিলো বন্দুর মতোই। ফ্রি ল্যান্সিং এর সূত্রে পরিচয় ২০০৬ সাল থেকে। সে না থাকলও আমি থানা শাহবাগে যাইয়া বসে আড্ডা দিতাম। ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়, বুয়েট এবং ঢাকা মেডিকেল, পিজি হাসপাতাল, বারডেম এর কর্মচাঞ্চল্য ভালো লাগতো। থানা শাহবাগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সারা দেশের ছেলে মেয়েরা আসতো বসে আড্ডা  দিতো এবং  লালন চত্বরের লালনের আসর জমতো। আমার ধারনা হয় মিনিমাম ৫ লক্ষ লোকের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে থানা শাহবাগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বসে থাকার দরুন। তাই মাঝে মাঝে আইসা বসতাম বা মানুষের সাথে পরিচিত হতাম। ভাগ্য গুনে কয়েকজন ফ্রি ল্যান্সার বন্ধুও জুটে গেলো যারা থানা শাহবাগে আড্ডা দিতো। তারা ক্রেইগলিষ্টের মার্কেটিং করতো এবং এখন এডাল্ট ডেটিং নিয়ে কাজ করে এবং তারাও রেমিটেন্স আনে। বাংলাদেশ ব্যাংক তো আর জানে না কোন কোন কোম্পানী রেমিটেন্স দিতাছে কারন এডাল্ট ডেটিং এর সব কোম্পানীই পাইওনিয়ার বা স্ক্রিল এ পেমেন্ট দিতো। আর সেগুলো লোকালি সেল করা ছাড়াও  ব্যাংকেও উইথড্র দেয়া যাইতো। তো প্রথমেই স্মরন করবো সেই বন্ধুমহলের সাথে থেকে অভিজিত হত্যার খবর জানার ব্যাপারে।


২জন ফ্রি ল্যান্সার বন্ধু এডাল্ট ডেটিং এর আর আমার টিমের ৩ জন, আমি , আমার এক ছোট ভাই আর এক বড় ভাই (ডেমরা এলাকার) একুশে বইমেলার চলতেছিলো জয় কালী মন্দির গেটে, আমরা বসেছিলাম টিএসসি গেটের ভেতরে নাট্যমঞ্চে, মুক্তমঞ্চে। যারা সেখানে গেছে বা যাবার অভিজ্ঞতা আছে তারা সকলেই জানে সেখানে ছেলে পেলে রা বসে কি করে? যথারীতি আমারও তাই করতেছিলাম। তার আগে দিনের বেলাতে আমার একটা ডেট ছিলো। আমি আমার ডেট শেষ করে বন্ধুদেরকে কল দিলে থানা শাহবাগে দেখা হবে এরকম একটা সেটআপ করি। সবাই চলে আসলে সন্ধ্যার আগে আগে আমরা সেখানে বসে যাই আরো ৩/৪ হাজার ছেলে পেলে দের সাথে। পুরো নাট্যমঞ্চে অনেক মেয়েও ছিলো। আমরা বসে বসে তাদের মজা দেখতাম অনেক সময়। তারা তাদের বন্দুদের সাথে মজা করতো , চিৎকার চেচামেচি করতো আর সবচেয়ে ভালো লাগতো তাদের ড্যাশিং মুভমেন্ট। সেই হিসাবে ১ থেকে দেড় ঘন্টা মতোন আমরা সেই ২ নম্বর গেট এলাকার নাট্যমঞ্চে বসে আড্ড দেই। আমাদের কারোরই নলেজে ছিলো না যে তখন বইমেলা চলতেছিলো। কারন ইন্টারনেটের যুগে বই কিনে পড়ার মতো কোন অভিজ্ঞতা নাই্ ভালো না লাগলে বসে বসে পিডিএফ বুক পড়তাম। যারা মনিটাইজেশন করে তারা তো আর বই কিনে পড়ে না- একজন আরকেজনের লেখা পড়ে। 


তো আমার ৩জন, সেই এডাল্ট ফ্রি ল্যান্সার ২ বন্ধু, আর তাদের আরো ২ বন্ধু এই ৭ জন মিলে সেখানে আড্ডা দিয়ে - সমস্ত সিগারেট শেষ করে টিএসসি এর গেট দিয়ে বের হয়ে আসি- যেখানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকতে হতো। আমার পুরো মাথা টাল মাতাল লাগতেছিলো টায়ার্ড  এর কারনে। বের হয়েছি প্রায় ২/৩ টার দিকে আর ঢাকা শহরের ধুলো বালি এমনিতেই মানুষকে টায়ার্ড বানিয়ে দেয়। আমরা সাড়ে ৮টা নাগাদ বা তার আরো কিছু পরে হাটতে হাটতে চলে আসি শাহবাগের মোড়ে। তখণ লুংগি পড়া একজন লোক দৌড়ে কাছে আইসা আমাদেরকে বলতাছে: ভাইয়া ভাইয়া এইখানে এইখানে ২ টা হত্যা হয়েছে। মার্ডার । গলা কাটা। আমরা থেমে দাড়াই এবং বলি যে কোথায়? তো উত্তরে বলতাছে এই যে: টিএসসির কাছে। তো আমার উত্তর দিলাম যে: আমরা তো মাত্রই হেটে আসলাম। কিছু দেখলাম না তো কোন রক্ত বা কোন লাশ বা কোন হইচই। তো বলতাছে যে: এই মাত্রই হইছে। তো আমরা উত্তরে বললাম যে: তো আমারে বলতাছেন কেনো? থানা শাহবাগে যান সেখানে পুলিশ আছে তাদেরকে বলেন। আমার ঠিক সেই মুহুর্তে থানা শাহবাগের গেটের উল্টোদিকে দাড়িয়ে ছিলাম। তো বললাম: তো আপনি আমাদের কে বলতাছেন কেনো: থানাতে যান পুলিশকে বলেন। তো বলতাছে সেই লংগি পড়া দোকানদার মে বি: যে সে আমাদেরকে দেখে পুলিশ মনে করেছিলো। তো আমি টাল মাতালের মধ্যেও ভাবতেছিলাম যে: শালায় মনে হয় আমারে ইন্টারপোল ভেবেছে। (!)


তারপরে আমরা শাহবাগ থেকে হেটে হেটে ইষ্টার্ন প্লাজার সামনে হয়ে বাংলামোটর এর মোড়ে চলে আসি। সেখান থেকে বাসে উঠি ৯.১৫ এর দিকে এবং মেসে চলে আসি ১০ টা- সাড়ে ১০ টা নাগাদ। রুমে ঢুকতেই রুমের এক বড় ভাই বলতাছে: মাসুদ ভাই কিছু জানেন? আমি বললাম কি? তো উনি বুঝতে পেরেছে আমি মে বি কিছু শূনি নাই। তো বলতাছে যে: ল্যাপটপ খুলেন এবং সংবাদ পত্র বের করে দেখেন : আপনাদের একজন ব্লগারকে হত্যা করা হয়েছে (আমি একটু আউট থাকার কারনে ভুলে গিয়েছিরাম যে আমি শাহবাগে একটি হত্যা নিউজ শুনে এসেছি)  এবং তার স্ত্রী ও আক্রান্ত। আমি খবর পড়ে বুঝতে পারলাম বিজ্ঞান মনস্ক লেখক ডা: অভিজিত রায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যুক্তরাষ্ট্র এবং তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ডা: অজয় রায়। আমি অভিজিতের নাম কখনো তেমন শূনি নাই বা শুনলেও মনে নাই কিন্তু ডা: অজয় রায়ের কথা জানতাম। উনার কিছু কিছু লেখাও পড়েছি। বুঝতে পারলাম উনার বিজ্ঞান মনস্ক লেখা সম্ভবত কেউ পছন্দ করে নাই। তাই সরকারের ছত্র ছায়ায় বসে থেকে তাকে প্রকাশ্য দিবালোকে হাজার হাজার মানুষের সামনে কুপিয়ে হত্যা করেছে - কোন লোকজনও  তেমন ফেরাতে আসে নাই। তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হইতেছিলো বলে অনেকদিন- পরে পত্রিকা পড়ে জানলাম আর সে তার ছোটবেলার বেড়ে উঠার এলাকায় তাকে কেউ মেরে ফেলাবে এইটা সে বিশ্বাস করতে পারে নাই। 


ইন্টারনেট যেমন একটি গতিশীল মিডিয়া তেমনি ঢাকা শহর ও একটি পরিবর্তনশীল দুনিয়া- এই খানে একজন মানুষকে এক সেকেন্ড পরেও আর খুজে পাওয়া যায় না। সিসিটিভির ফুটেজ আছে কারা কারা অভিজিত কে হত্যা করেছে। ঢাকা শহরের প্রানকেন্দ্রে অবিস্থত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতে ডা: অভিজিত যাদেরকে বন্ধু ভেবেছে তারা হয়তো সেই সময়ে তাকে আর সেই সাপোর্ট দিতে পারে নাই।  তার আগে এবং পরে আরো দুটি মৃত্যু কিংবা খুন আমারে অনেক ভাবাইয়া তোলে: ১) শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের ণীচে থাকা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ডা: আজাদ আবুল কালামের ছেলে প্রকাশক দীপন  এবং ২) আরো একজন ভালো মনস্ক লেখক: ওয়াসিফুর রহমান। তাদের লিখিত ব্লগে কোন মনিটাইজেশণ ছিলো না। আমার বাবাও একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন এখণ অবসরপ্রাপ্ত। এই দুইটা হত্যাতে আমার কাছে মনে হয়েছে : তারা অভিজিত বা দীপন ভাই কে মারে নাই- তারা বোধ হয় আমাকেই মেরে ফেলেছে। অভিজিত ছোট বেলাতে ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয় আবাসিক এলাকাতে বসবাস করতো কারন তারা বাবা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। কিছুদিন আগে তারা বাবা ডা: অজয় রায় ও মারা গেছেন। এখনো অভিজিতির লাশ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রাখা আছে। যতোদিন পর্যন্ত অভিজিত হত্যাকারী বা প্রধান পরিকল্পনাকারী সহ হত্যাকালীদের ফাসি কার্যকর না হবে ততোদিন পর্যন্ত অভিজিত লাশ কে দাফন বা সমাহিত করা হবে না- এইটা অভিজিতের পরিবারের  এবং  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের  সিদ্বান্ত।   

পরের দিন সকালে আমি সম্পূর্ন সুস্থ হই এবং মনের মধ্যে কষ্ট পাই। তার ২/১ টা লেখা পড়ি এবং দেখলাম যে: থানা শাহবাগে বিকালে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে। শাহবাগে বিরাট জনসমাগম হয় এবং অনেকখানে অনেক আড্ডা হয়। আমিও সেই আড্ডার মধ্যে থাকি বা অংশগ্রহন করি। ফলে থাদের অনেক খবর আসতো আমার কাছে। সেখানে যাই এবং প্রতিবাদ সভা বা মিছিলে অংশগ্রহন করি। পরে যাইয়া দেখি টিএসসি এর গেটে একটা বিশাল ছবি টাংগানো আছে অভিজিতের। আমি সেই খানে যাইয়া একটু থাইমা যাই কারন পত্রিকাতে দেখলাম লিখেছে ৩ নম্বর গেট তথা জয় কালী মন্দির গেটে হত্যা হইছে অভিজিত কিন্তু শাহবাগের লোকজন মোমবাতি জালাইতাছে  ২ নম্বর গেটে। পরে আমিও একটা মোমবাতি জালিয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্বা নিবেদন করলাম এবং সেখান থেকে হেটে হেটে ফিরে আসলাম।সেই প্রতিবাদ সভাটা আয়োজন করার ব্যাপারে পরে পত্রিকাতেও ছবি আসে অনেক।


ইন্টারনেটে বাংলা লেখা বা ব্লগ লেখা কোন অপরাধ না। বাংলাদেশে এমন কোন আইন নাই যে: ইন্টারনেটে বসে বাংলা লিখা যাবে না বা ব্লগ লেখা যাবে না। আইনে আছে: ইন্টারনেটে আপনি দেশ, জাতি, ধর্ম  বিরোধী কিছু লিখতে পারবেননা। মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কিনে নিজের মনের চাহিদা পূরনের জন্য। কারো যদি বাংলা লিখতে ভালোবাসে সে লিখবে। কারো যদি ব্লগ লিখতে ভালোবাসে সে লিখবে। এই ব্যাপারে আদালতের ও কোন এখতিয়ার নাই কাউকে বাধা দেবার জন্য। আদালত শুধূ অপরাধীর বিচার করতে পারে- কারো ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না। আমার এখনো বিশ্বাস হয় না: যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডা: অভিজিত কোন ধরনের খারাপ কিছু লিখতো। কারন দীপন একজন প্রকাশক ছিলো: তাকে যারা হত্যা করে তার  মেইন মোটিভ ই ছিলো যে: তাকে ধর্মবিরোধী বই প্রকাশ করতে বলা হয়েছিলো- সে করে নাই্ আরো একজন ছিলো লালমাটিয়ার প্রকাশক তিনিও রাজী হন নাই্। তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। অভিজিত যে নিজে সেই ব্লগ লিখতো বা নিজে লিখে যে বই প্রকাশ করেছিলো এইটা আমার বিশ্বাস না হবার কারন : আমি নিজেও বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক পরিবারের সন্তান। আমাদের একটি আলাদা সমাজ ব্যবস্থা আছে যেখানে খুব ভালো করে ধর্ম কর্ম শিক্ষা দেয়া হয়। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে যে: অভিজিতের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল হ্যাক করা হয়েছিলো, তার নামে মিথ্যা বা বানোয়াট ব্লগ লেখা হয়েছিলো এবং  শাহবাগ গনজাগরনের কর্মী হবার কারনে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে ইভেন তার নামের বইও অন্য একজন লিখে তার নামে প্রকাশ করা হয়েছে বলে আমার সন্দেহ হয়।  কারন আমরা জানি বিশ্ববিধ্যালয়ে শিক্ষক পরিবারের সন্তানেরা কেমন হয়। আদর্শ আর নৈতিকতার স্বাক্ষী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিবারের কোন সন্তান কোন খানে তাদের নৈতিকতা বিকায় না- পারহেপস আমি কখনো দেখি নাই। আমার বাবা সুদীর্ঘ ৪৫ বছর শিক্ষক ছিলেন আর আমিও কখনো ২ নম্বরি বা জোচ্চুরি করি নাই আমার লাইফে। 


তারপরে র কথা তে আসি। আমি যে রুমে বসে থেকে অভিজিতরে হত্যার খবর ইন্টারনেটে সংবাদপত্রে বসে পড়ি সেখানে থাকার আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। একই বিল্ডিং এর অন্য পাশে আরো একটি ফ্লাট খালি হয় এবং সেখানে মুভ করার চেষ্টা করি। ঠিক সে সময়ে অল্প পরিচিত একজন আইসা জুটে আমার গুরপের বা টিমের সাথে। তার মেস ছিলো অন্য আরেকপাশে বিল্ডিং এ। তার রুমে একদিন বা ২ দিন একজন বান্ধবীর সাথে ডেট করার দরুন সে চেপে বসে এবং সে বলে যে তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে আর্থিক সাহায্য করা বন্ধ করে দিছে। তার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনাও ঠিক নাই। সে তার বিশ্ববিধ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করতে পারতাছে না। তাকে কাজ শিখানোর জন্য এবং তাকে কিছু কাজ দেবার জন্য্ কাজ শেখার জণ্য সে আমাকে টাকাও অফার করতে চাইলো। তো আমি বললাম: এই ধরনের ব্যাপার স্যাপার তো বাংলাদেশে চালূ নাই্ কাউকে ফ্রি ল্যানসিং কাজ শিখিয়ে টাকা নেবার কোন উপায় নাই।  তো আমার সাথে যারা টিম মেম্বার তারা বললো যে ভাই: এই লোকটাকে নিয়েন না। তার এক চোখ পাথরের- আরেক চোখ এতোদিনে নষ্ট হয়ে যাবার কথা মানে অন্ধ ঘটিত প্রবলেমে। এই কথাটা বলার পরে তাকে কিছু কাজ দেখানোর ইচ্চা পোষন করি। তাকে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে টানা আটটি মাসে ৪ লক্ষ টাকার মতো কাজ দেই এবং তা পেমেন্টও করি। কারন আমার মনে স্থির ধারনা ছিলো; সে প্রাইভেট বিম্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়তো একসময় টাকা ফেরত দেবে। 



পরে দেখলাম তার রুচি অনেক ডাউন। প্রথমেই দেখলাম যে গার্মেন্টস এর পঞ্চম শ্রেনী পাশ মেয়েদের সাথে ছাদে বসে টাংকি মারে। ব্যাপারটা আমার ভালো লাগে নাই। মিরপুরের পুরোটা জুড়েই গার্মেন্টস । আমি সতর্ক হওয়া শুরু করে। মার্কেটপ্লেস থেকে তাকে আমি ১ টা কি ২ টা কাজ দেই কিন্তু বেশীর ভাগ সময়ে আমার সোশাল মিডিয়া বন্ধুদের সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কাজ করতো।আমি আস্তে আস্তে সতর্ক হওয়া শুরু করি। গার্মেন্টস এর মেয়েদেরকে আমি অবজ্ঞা করতাম না। তাদের সাথে আমিও হাই হ্যালো বলতাম কিন্তু আমি একটা লিমিটেশন বজায় রাখতাম। আমার দ্বিতীয় যে খারাপ লাগাটা হয় সেটা হলো: আমার টিমের প্রথম যে মেম্বার সে একাবরে গ্রাম থেকে আসা অনেক সহজ সরল মানুষ- সে যাকে পছন্দ করে সেই মেয়েকে এই এক চোখ অন্ধটা বিরক্ত করে। ফলে টিমের প্রধান সদস্য টেনশনে পড়ে যায় এবং আমি বুঝে ফেলি যে: আমার এই টিমটা টিকবে না। কারন ফ্রি ল্যান্সিং কখনো কনট্রাডিকশন (Contradiction) এর মধ্যে হয় না। তৃতীয়ত: একদিন ভোর বেলাতে সে আমার ল্যাপটপ এবং মোবাইল চুরি করে বসে। মেসের সকল সদস্য ঘুমে থেকে এবং সে মেসের দরজা খুলে ছাদের সাথে লাগোয়া দরজা খুলে ছাদে বসে চোরকে ইনষ্ট্রাকশন দিতাছিলো আর একদম ফজরের আজানের টাইমে দারোয়ানের  খোলা দরজা দিয়ে (তখণ সবাই নামাজ পড়তে যায় মসজিদে)  তার দেখানো পথে চোর আইসা ল্যাপটপ এবং মোবাইল আমার কানের কাছ থেকে নিয়ে যায়। আমি যখন ঘূমাতাম তখণ ল্যাপটপ আর মোবাইল আমার মাথার পাশেই থাকতো। আমি পুরো হতভম্ব এবং থ হয়ে যাই। মনে মনে বলি চোর নিয়ে কি আর ফ্রি ল্যান্সিং করা যায়। 


আশে পাশে খোজাখুজি শেষ করে সকাল হলে থানাতে যাই আমার সেই প্রথম সদস্য এবং এই চোর কে নিয়ে। থানার ওসি বলে জিডি লিখে নিয়ে আসেন। আমি বাহিরে যাইয়া জিডি লিখে নিয়ে আসার প রে বলতাছে: চোর আপনার চেনা জানা। আপনি কি চোরের নাম দিবেন জিডিতে নাতি সবাইকে সন্দেহের তালিকাতে রাখবেন। আমি বললাম: সেখানে সবাইকে সেন্দহের তালিাকতে রাখেণ। থানার ওসি বললো: জিডি করতে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর রাগবে। এই একটা কথা শুনে আমি এতো খুশী হলাম যে: আমার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর তো দিলামই সাথে আরো ২০০ টাকা দিলাম চা খাবার জন্য্ উনি টাকা নিতে চায় নাই- তো আমি বললাম ডলার কে ক্যাশ করা টাকা। আপনি চা খাইয়েন। তো উনি বললেন: যে আপনার মোবাইল নাম্বারট খোলা রাখবেন। আমি ওকে বলে চলে আসলাম। সেই ল্যাপটপে আমার  মিনিমাম ১৫০০ কমপ্লিটেড প্রজেক্টের ডাটা রয়ে গেছে। প্রথমে একটা মোবাইল কিনলাম অল্পদামে। তারপরে সীমগুলো রিপ্লেস করলাম। খুব দ্রুততার সাথে ফেসবুক এবং মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট ডিটেইলস গুলো পরিবর্তন করলাম এবং তারপরে আবার শুরু করার জন্য একটা ল্যাপটপ কেনার চিন্তা করলাম। বিকাশে থাকা সকল টাকা উইথড্র করলাম। তারপরে বাকী টাকা দার দেনা করে আবারো একটি ল্যাপটপ কিনে ফেলাইলাম। সেই মুহুর্তে অনলাইনে থাকা সারা বিশ্বের আমার সকল বন্ধুরা জেনে গেলো : ঢাকা শহর থেকে আমার ল্যাপটপ এবং মোবাইল চুরি হয়ে গেছে। হতভম্ব হয়ে গেছে অনেকে এবং প্রশ্ন করলো যে তোমরা কিভাবে কাজ করো বা করবা? 



আমি ১৯৯০ এর গনজাগরন আন্দোলনের সৈনিক। রাজাকার (ফাসি) বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত। হঠাৎ করে এক তালিকাগ্রস্থ রাজাকার (ফাসি ) দেখলাম সেই এলাকাতে- মিরপুর ১২ নম্বরে। যুদ্বের সময়ে সে মিরপুরে ১১ নম্বর থেকে বাংগালী জবাই করতো বলে শুনেছি। মিরপুর কামরাংগীরচর আর ময়মনসিংহ পর্যন্ত তার নেটওয়ার্ক ছিলো। তাকে দেখে আমার সেই এলাকাতে থাকার রুচিই নষ্ট হয়ে গেলো তাও দেখলাম মসজিদে ঢুকতাছে। আমার কষ্টার্জিত ডলার কে ক্যাশ করা টাকা আমি যে মসজিদের দানবাক্সে ফেলি সেই মসজিদে রাজাকারের (ফাসি) (খুবই চিকন প্রকৃতির লোক)  প্রবেশ দেখে আমি সেখানে থাকার টোটাল ইন্টারষ্টে হারিয়ে ফেলি। চিন্তা করি সেই এলাকা ছেড়ে দেবো। সম্ভবত আমার ধারে কাছের কিছু লোক বুঝেও ফেলে। একটা এলাকা থেকে তোর আর হঠাৎ করে বের হওয়া যায় না । তাই সুযোগ খুজতেছিলাম যে কিভাবে সেই এলাকা ছাড়া যায়। এর মধ্যেই আমার যে প্রথমে টিম মেম্বার সবচেয়ে ভালো সে: একদিন সন্ধ্যায় আইসা আমার কাছে কান্নাকাটি করতাছে। খুবই ভালো বন্ধুত্ব ছিলো। মাঝে মাঝে দেখেছি মন খারাপ করে থাকতে। আর যা উপার্জন করতো সব খরচ করে ফেলাইতো আমার সাথে। দুজনে বিভিন্ন খানে ঘুরে বেড়াতাম। আর খুব ভালো কাজও জানতো। দিনাজপুর, জয়পুরহাট, পটুয়াখালী বিভিন্ন খানেও গেছি। 



সেই ছেলে যখন কান্নাকাটি করতাছে তখন তাকে ভালো ভাবে জিজ্ঞাসা করাতেও কোন উত্তর দিলো না। মিরপুর থেকে কাছাকাছি একটা রাস্তা দিয়ে এয়ারেপোর্টের যেখানে বিমান নামে সেখানে যাইয়া বইসা আছে দেখলাম। সে যখন কান্নাকাটি করে  সন্ধ্যায়  তখণ আমি ৭ তালাতে একা নতুন নেয়া ফ্লাটে বসে কাজ করতেছিলাম। নি:শ্চুপ ছিলো এবং আমি গভীর মনোযোগেই কাজ করতেছিলাম। একটু ধাপাধাপি বা পাছড়াপাছড়ি শুনেছি কিন্তু আমল দেই নাই। ভেবেছি  হয়তো কেউ কোন ভারী জিনিসপত্র তুলতাছে। সেই ছেলেকে এয়ারপোর্ট থেকে ধরে নিয়ে আসি আমি এবং একজন ক্রিকেটার রংপুর থেকে আসা :তারপরে ১২টা থেকে সাড়ে ১২ টা নাগাদ ফ্ল্যাটে চলে আসি এবং এসে ঘুমাইয়া পড়ি। সেইভাবেই থাকতো ল্যাপটপ আর মোবাইল। কারন আমি জানি চোর আর দ্বিতীয় বার চুরি করবে না।  ঘুম ভাংগে পরদিন দুপুর পৌনে দুইটায় এবং একজন গার্মেন্টস কর্মী পুরুষ আইসা বলে যে : ৬ তালাতে একটা সুইসাইড হয়েছে। আমি একটু হতভম্ব এবং থ হয়ে গেলাম এবং নীচে যাইয়া দেখলাম, একটা মহিলা ঝুলতাছে ফ্যানের সাথে। আমার কাছে খূব বেশী পরিচিত মনে হলো না। পুলিশ আসলো এবং লাশ তুলে নিয়ে গেলো। যেই মহিলার বাসাতে এ ঘটনা ঘটেছে তারে জিজ্ঞাসা করলাম : বললো যে: এইখানে আর কোন অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয় নাই। লাশ নেবার সময়ে পুলিশের সাথেও দেখা হলো। ঢাকা মেডিকেল থেকে লাশ ফেরত আসার পরে লাশবাহী গাড়ি ও দেখলাম তার গ্রামের বাড়িতে রওনা হবার অপেক্ষায় আছে। গ্রামের বাড়ি বলেছিলো বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতির আশে পাশের কিশোরগঞ্জ গ্রামে।  তারপরে প্রায় ৩৮ দিন ছিলাম সেই এলাকাতে। পুলিশ আমাকে কোন জিজ্ঞাসাবাদ করে নাই। আমি নিজে থেকে নিজের সেফটি এবং সিকিউরিটির কারনে ডিএমপি কে ছদ্মনামে সবকিছু জানিয়ে একটা ইমেইল করে দিলাম। 


তারপরে আর সেই এলাকাতে কিভাবে থাকবো? সেই টিম মেম্বারই একদিন বিট্রে করে একটি ঘোট পাকিয়ে ফেললো সেই বছর ৩১ শে ডিসেম্বরের আগে ভাগে: কিছু লোক গায়ে হাত তুললো। সেই সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা সিটি কর্পোরেশন আইনের পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনের  ফরম ফিলাপ করতে বললো পুলিশ সবাইকে ঘোষনা দিয়ে। আমিও সেই ফরম খুজতে যাইয়া একটা ভয়াবহ বিপদের মধ্যে পড়ে গেলাম। তারা আমার গায়ে হাত তুললো আর আমি মনে মনে ভাবলাম পুলিশের আইন কার্যকর করতে যাইয়া কিছু মাইর খাইলাম - আশা করি বাংলাদেশ পুলিশই একদিন ব্যাপারটাকে সলভ করে দিবে। গায়ে হাত তোলার আগে মিরপুর ডিওএইচএস এর কিছু লোকজন ২০,০০০ টাকা চাইলো এবং বললো যে: ২০,০০০ টাকা দিলে ছেড়ে দিবে। আমি বললাম যে: ২০,০০০ টাকা দেওয়া আমার পক্ষে  সম্ভব না। তারপরে তারা কিছুটা কিম্বুত উপায়ে আমাকে ঝাড় ফুক করলো- মহিলারা যে রকম  ডাল রান্না করার সময়ে ডাবুর দিয়ে ঘোটায় সেরকম একটা কাঠের দন্ড দিয়ে। ঠিক কোন  ধর্ম মোতাবেক ঝাড় ফুক করলো তা ঠিক বোঝলাম না (পরে ২০১৬ সালে ফেব্রুয়ারীতে আমি চট্রগ্রাম যাই আন্দরকিল্লা লালখান বাজার এলাকাতে এবং সেখানে যাইয়া ঘুমাইয়া পড়ি। দেখলাম এক হুজুর আমার গায়ে হাত রেখে আমাকে ঝাড় ফুক করে দিতাছে এবং বুঝলাম আমি পূর্বের বিপদ থেকে বেচে যাবো। একটা সন্দেহ থেকে যায় বের হয়ে আসার পরে: আমি যেদিন আন্দরকিল্লা মসজিদে যাই সেদিন ছিলো শুক্রবার। স্পেশিয়াল কারন বশত সেদিন হাইকোর্ট থেকে রায় আসে বাংলাদেশ মুসলিম দেশ। তখন একটা মেয়েকে দেখলাম লালখান বাজারে ঘোরাগহুরি করতে যাকে আমি মিরপুর ১২ নম্বর বাজারেও দেখেছি। ব্যাপারটা টিক ঠাহর করতে পারলাম না) । পরে সেই হাই কোর্টের আইনজীবির সাথে সব কিছু শেয়ার করলাম এবং তাকে নিয়ে একদিন সেখানে গেলাম। সেই বিল্ডিং এর ম্যানেজার তা দেখে ভাবলো যে: আমি আবারো রুম ডেটিং করতে এসেছি এবং সে প্রচন্ড ক্ষেপে গেলো। শালাদের আচরনে যা আছিলো সব কিছু মিলে থানা শাহবাগের বড় ভাইদের কে জানালাম। তখন তারা সেখানে ২/৩ বার যাইয়া আমার ল্যাপটপ, কাপড়ে চোড়প, চেয়ার টেবিল যা ছিলো তা একদম কাছের ছোট ভাই মনে করে সবকিছু নিয়ে আইসা ডেমরাতে এক বাসাতে তুলে দিলো। বিরাট কষ্ট করেছেন  সেই বড় ভাই। এতো অমায়িক মানুষ আমার লাইফে আমি আর কখনো দেখি নাই।  আমার লাইফে বড় সড় সামর্থ্য হলে আমি উনাকে বড় সড় একটি গিফট দেবার চেষ্টা করবো। তখন পুলিশ প্রধান ছিলো আমার পরিচিত। সে আবার বোধ করি আমার আব্বাকে পুরো ব্যাপারটা জানায়। আমার বাবা নিজে জিনিস টা একাবার ভেরিফাই করে। বলে যে: উনি আমাকে নিয়ে মিরপুর ১২ নম্বর এ একবার যাবে। ডিএমপি ক েবলেন: আমি যদি দোষী হই তাহলে যেনো আব্বার চোখের সামনে থেকে ধরে নিয়ে যায়।  আমার আব্বা পরিচিত একজনের বাসাতে বেড়াতে যায় । আমি  আধাঘন্টা  থাকি এবং আব্বার কথা মতো মিরপুর ১০ নম্বর থেকে ( একজন বাযার ৪ মাস আমার কাছ থেকে এফিলিয়েট প্রোডাক্ট কিনে ফলে ১০০ ডলার জমা হয় এবং সেটা দিয়ে একটি স্যামসাং মোবাইল কিনি) এবং আব্বার সাথে মিরপুর ১ এ যাইয়া দেখা করি। তারপরে আমার আব্বা বুঝে যে: আমি কোন হত্যা বা কোন খারাপ কাজের সাথে জড়িত নাই। 



তার আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে সেই এক চোখ কানা (যে আমার কাছ থেকে কাজ শিখেছিলো) আমাকে ফেসবুকে বিনা কারনে (তার বলে টাকার হিসাব মিলে না্- তাকে মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট ও খুলে দিয়েছিলাম) আমাকে জবাই এর থ্রেড দিয়ে বসে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে ফেসবুক মেসেন্জারে । আমি তো পুরোপুরি থ। যারে ফ্রি কাজ শিখালাম, ৭/৮ মাস কাজ দিলাম - বিকাশ রেকর্ড আছে ৩/৪ লক্ষ টাকা দিলাম- সে বলে আমাকে মাইরা ফেলাবে (সৃষ্টির ও তো একটা নিয়ম আছে)]। সাথে সাথে শাহবাগের সেই বড় ভাই এবং তার বন্ধুদেরকে জানালাম : বললো যে:  একবার তো থানাতে জিডি এন্ট্রি করেছোই। শুধূ ডিএমপি কে জানাইয়া রাখো। পরে ডিএমপি তে সেটার স্ক্রিনশট নিয়ে একটা ইমেইল করে জানাইয়া রাখলাম।আর আব্বাকেও জানালাম। বললো টেনশন কইরো না। তাকে আমরা জেলে ভরবো। সব শেষে ২০১৬ সালের অক্টোবরে ময়মনসিংহে বাসাতে চলে আসলাম, বিগত কয়েক বছর যাবত বিল্ডিং এর কাজও কমপ্লিট করতাছি, আর পাশাপাশি ফ্রি ল্যান্সিং কাজও করতাছি। আর ৩ টা ফ্ল্যাটের কাজ বাকী আছে। এরই মধ্যে করোনারি শুরু। কিছুদিন আগে আমার ফেসবুক একাউন্টে লগইন করা যাইতেছিলো না। তখন বুঝতে পারলাম বিশ্বের যে কোন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণী আমার ফেসবুকের সকল তথ্য ডাউনলোড করে নিছে। সাধারনত গোয়েন্দা পুলিশ রা বিভিন্ন ওয়ার্ড লিখে সার্চ দেয় এবং সেরকম তথ্য না পাইলে একাউন্ট ফেরত দেয়। আমিও যথারীতি ফেরত পাইলাম। এখণ সেই তথ্য সেই গোয়েন্দা পুলিশ বা আন্তর্জাতিক পুলিশের কাছে। না জানি কি হয়। আমি ২০১৮ থেকে ব্লগ লিখতাছি। আমার অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করতাছি। আগেও লিখতাম ইংরেজীতে। ২০১১ সালে সেটা অফ হয়ে যায় এবং ২০১৭/২০১৮ সালে সেটা আবার ফেরত পাই যেটা এতোক্ষন আপনি পড়লেন। 

 


Sunday, November 29, 2020

করোনা কালীন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে কিছু লোকের পাগল হয়ে যাওয়া।




বাংলাদেশে প্রায় পৌনে ছয় কোটি মানুষ গরীব মানুষ।তারা দিন আনে দিন খায়। তারা তিন বেলা খাইতে পারলো কিনা তাতে বাংলাদেশ সরকার বা সমাজের ধনী ব্যক্তি বর্গের কিছুই যায় আসে না। কারন আমাদের দেমে এমন এক ধরনের দালাল(ফাসি)/রাজাকারি(ফাসি)/দেশবিরোধী (ফাসি) পন্থা চালূ আছে যেখানে গরীব মানুষকে সরাসরি কেউ সাহায্য করতে চায় না। সরাসরি বলে বসবে আর কতো সাহায্য করবো- সারাজীবন কি গরীব মানুষকে সাহায্য করতেই করতেই যাবে। একটা কথা মনে রাখা দরকার দেশটাকে ১৯৭১ সালের পরে দেশবিরোধী দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারের (ফাসি) বেচে থাকার কথা ছিলো না। তারা ১৯৭১ এ দেশবিরোধী ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছিলো। দেশের সকল খানে তারা দেশবিরোধী স্লেগানে নিজেকে দেশবিরোধী হিসাবে অবস্থান দেখিয়েছে এবং আজো তারা অনেক সময় দেশের অনেক খানে স্বগর্বে তাদের দাপট দেখাইয়া যাইতাছে। তাদের নাম এসেছে দেশবিরোধী তালিকাতে- তাদেরকে ১৯৭২ এর প্রথম প্রহরেই গুলি করে মেরে রাখা দরকার ছিলো। মুক্তিযোদ্বারা যেহেতু এই দেশে তাদের অস্ত্র জামাদান করেছিলো বা তাদের হাতে যেহেতু আর অস্ত্র রাখতে দেয়া হয় নাই- সেহেতু তারা এই ব্যাপারে দায়মুক্ত। দায়যুক্ত তারা যাদের হাতে অস্ত্র আছে আর যারা এখনো দালাল(ফাসি) রাজাকার(ফাসি) দেখেও না দেখার ভান করতাছে। যাদের উদার বদান্যতায় ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম এখনো বহাল তবিয়তে থাকে খায় বা পুনরায় যুদ্বের জন্য পায়তারা করে বা পরিকল্পনা করে। একটা দেশের সামরিক বাহিণী কতোটা অকার্যকর হলে দেশ স্বাধীন হবার ৫০ বছর পরেও এদেশে দেশবিরোধী প্রজন্ম রা বসবাস করতে পারে বা থাকতে পারে। আবার জায়গায় জায়গায় পায়তারা করে সাধারন মানুষকে ঘোট পাকিয়ে তোলার চেষ্টা করে যাইতাছে। এতোবড় করোনা পরিস্থিতি - দেশের সরকার তো সারা দেশের মানুষকে ঘরে বসিয়ে খাওয়াইতাছে না ২/৩/৪/৫/৬/৭/৮ মাস যাবত, কিন্তু বড় সড় ব্রীজ কালভার্ট বানানোর জন্য  ঠিকই অনুমোদন দিয়ে যাইতাছে। আপনার যদি বাংলাদেশের মানুষকে ঘৃনা করেন বা না খাওয়াইয়া মারতে চান তাহলে আপনারা সেটা সরাসরি বলতে পারেন্। তাহলে এদেশের মানুষজন বুঝতে পারবে যে: গরিববিরোধী প্রজন্ম দেশের ক্ষমতায় আছে- তাহলে এদেশের সাধারন মানুষের ক্ষতি হইতাছে- তাই তারা অন্য রাস্তা বা বিকল্প চিন্তা করতো। আপনার মুখ দিয়ে বলতাছেন বাংলাদেশ, স্লোগান দিতাছেন জয় বাংলা আর সারা দেশের মানুষকে বিগত ১০ বছর যাবত ভর্তুকি দেয়া বন্ধ করে দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি (২০০৯ সালেল ২টাকা আলুর বর্তমান দাম ৪৮ টাাকা/কেজি- ভাবা যায় এদশের সরকার বাচবে কি করে)  গরীব মানুষকে মাইরা ফালানোর জণ্য আয়োজন করতাছেন। তাদের ৫টি মৌলিক সুবিধা রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদান না করে সমানে রোড ঘাটের উন্নয়ন করতাছেন- কাহিণী টা কি? আপনাদের দেশে কি কেউ বেড়াতে আসবে নাকি? রাজনৈতিক সরকার যা বলবে আপনার কি তাই করে বেড়াবেন নাকি? রাজনৈতিক সরকার তো লুটপাট, দুর্নীতি আর খেটে খাওয়া মানুষের পেটে লাথথি মেরে তারা তাদের নিজেদের পকেট ভরার জণ্য নানা ধরনের প্রজেক্ট দেখাবে বা বলবে। কিন্তু গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তো হুশ জ্ঞান হারালে চলবে না। 



পদ্মা সেতুর পরে আর কোন বড় সড় ব্রীজ বা রোড ঘাট কালভার্টের কাজ আমি ব্যক্তিগতভাবে সাপোর্ট করি না। আপনি করলে আপনি এদশের শতরু কারন এদেশের মানুষেরা হাড় ভাংগা পরিশ্রম করে যা মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে আন্তর্জাতিকভাবে। এই যুমনা রেলব্রীজ না করে সেতুর দুই প্রান্তে দুটি ইন্জিন ঘোরানোর মেশিন সেট আপ করলেই এনাফ আমার মতে। দেশের টাকা দেশের মানুসের ভাগ্যোউন্নয়নের কাজে ব্যবহার করুন। 






আপনাকে আগে সাধারন মানুষের ৩ বেলা ৩ মুঠো খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে সরকারি তরফ থেকে- তারপরে রোড ঘাট ডেভেলপ করার চিন্তা করবেন। বিশ্বের সব দেশে করোনা কালীন সময়ে তাদের নাগরিক দের বিশাল ভর্তূকি দেয়া হইতাছে- আর আমাদের দেশে নতুন নতুন রোড ঘাট বানানোর প্রজেক্টের খবর আসতাছে। বলি বাংলাদেশে কেউ বেড়াতে আসবে না। সাগরপাড়ে এখণ আমেরিকান রনতরী বা যুদ্বতরীর রমরমা শূনতে পাওয়া যায়। আবার চারিদিকে ভারতের সাথে ইসরায়েল আর্মি এবং ইউএসএ আর্মির অস্ত্র বেচা কেনার খবর সবাই জানে। বিশ্বে এমন কোন পরাশক্তি ণাই যে ভারতকে ডিংগিয়ে পুনরায় আক্রমন করবে বাংলাদেশকে। তাই বাংলাদেশের রোড ঘাটের উন্নয়ন বাদ দিয়ে আগে সাধারন মানুষের পেটের ক্ষুধা মেটানোর চেষ্টা করেন প্রত্যেক নাগরিককে ভর্তুকি দিয়ে মাস প্রতি মিনিমাম ৫০০০ টাাকা /পার হেড যেনো মানুষজন ঘর থেকে কম বের হয় আর করোনা তে আক্রান্ত না হয়। আর যদি না পারেন তাহলে এই রাজনৈতিক সরকার ভেংগে দিন বা আপনি নিজে যদি সরকারি কর্মকর্তা হয়ে থাকেন আর আপনি যদি সাহায্য করতে না পারেন, আপনার মন যদি রাজী না হয় আর আপনি যদি দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার প্রজন্মের ধারক ও বাহক হয়ে থাকেন তাহলে সেটা সরাসরি প্রকাশ্য দিবালোকে বলে দেন। আমরা আসলে কোন গুপ্তঘাতককে বাংলাদেশের সরাকরি চাকুরীতে রাখতে চাই না। তারা যেনো স্বেচ্চায় সড়ে দাড়ায় কারন বাংলাদেশ পুনরায় ক্ষেপে গেলে বিপদ আছে- একবার ক্ষেপেছিলো তাতেই সারা দেশের রাজাকারেরা ফাসির দড়ি গলায় নিয়ে বসে আছে। আর কুলাংগার যারা তারা জনগনের ভ্যাট ট্যাক্সের টাকা খেয়ে জনগনের সাথেই বেঈমানী করে যাইতাছে প্রতিনিয়ত। দোয়া করি সৃষ্টিকর্তার কাছে: বাংলোদেশে করোনা আক্রান্ত হলে -পেনডেমিক শুরু হলে যেনো সেই বেজন্মা প্রজন্মটা ই মারা যায় যাদের সব কানা বন্ধ থাকলেও একটি কানা খোলা থাকে। গবেষণাতে দেখা গেছে: করোনা ভাইরাস যে কোন ছেদা (কানা) দিয়েই ঢুকতে পারে, লিকুইড ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে। করোনা শুরু হবার সময়ে আমরা সবাই দেখেছি: একজনরে হাচিতে যে লিকুইড ড্রপ থাকে সেটা আরেকজনের নাকের ছেদা দিয়ে যদি ঢুকে বা মুখ দিয়ে যদি ঢুকে বা কান দিয়ে যদি ডুকে তাহলে সেই জনেওর করোনা এফেক্ট হবে। এখণ কারো যদি রক্তে করোনা থাকে আর সে যদি নিয়মিত যৌন কার্য করে তাহলে তার রক্ত থেকে তৈরী হওয়া বীর্যতেও তো করোনা থাকবে। করোনার মহামারির সময়ে দেখেছি মানুষের লিংগ এবং বীর্য দুইখানেই করোনা পাওয়া গেছে। 





জীবনের অন্যতম প্রধান পরীক্ষা এইচএসসি পরীক্ষা। বলা যায় লাইফের ভাইটাল পরীক্ষা। এরকম পরীক্ষা কখনো নিজে না লিখে বা না পড়ে পাশ করা যায় না। ১৯৯৮ সালে এইচ এস সি পরীক্ষা দিছি আমি। আজকে থেকে প্রায় ২২ বছর আগে। সব গুলো সাবজেক্টে গড়ে ৭৩.৮% মার্কস নিয়ে পাশ করেছি ১০০ এর মধ্যে। একটা কাহিনী এখনো মনে আছে। একজন বন্ধুর কাছ থেকে বায়োলজী সেকেন্ড পার্ট এর একটা প্রশ্ন (৫ মার্কস) দেখে লিখেছিলাম পুরোটা। একটা সাবজেক্ট পুরোটা দেখে লিখে নাই। একটা প্রশ্ন- বন্ধুকে বলেছিলাম: উত্তর টা না দেখালে আমি ফেল কের ফেলাইতে পারি। তার আগেই আমার ৫৭ এর মতো আনসার হয়ে গেছে। পরে তার কাছ থেকে একটা প্রশ্ন দেখি এবং সেটা ৫ নম্বরের। পরে বাকীটা যতোটা পারি লিখেছি। সেখানে আমি পেয়েছি ৬৩ (৪২+২১) এর মধ্যে। সেই ব্যাপারটাও এখনো অনেকখানে মনের মধ্যে খচ খচ করে। বন্ধুর সেই প্রশ্ন থেকে আমি কোন নাম্বার পাই নাই- আমি শিওর। তো আমার ৫৭ মার্কস থেকে ৪২ হইছে। আর প্রাকটিক্যাল ২৫ এ ২১। এই সব মিলে ৬৩ পাইছি। তো একটা প্রশ্নের একটা ৫ মার্কস দেখে লিখেছি তাতেই আজকে প্রায় ২২ বছর পরেও মনের মধ্যে কিছুটা খচ খচ করতাছে। আর করোনার কারনে পুরো বাংলাদেশের সকল এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের একেবারে অটোপাশ (এইটা তো যারা ভালো ষ্টুডেন্ট তাদেরকে সারা জীবন খচ খচ করাবে) - এই অটোপাশ তো দেয়া দরকার ছিলো বিশ্ববদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে এবং মেয়েদের। এইটা তো ৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ব না- এইটা ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্বের ৫০ বছর পূর্তি। ৫০ বছর পূর্তিতে একেবারে সব অটোপাশ। সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত সেমিষ্টারকে অটোপাশ দিয়ে রাখা উচিত কারন তারা চাকুরীর জণ্য পড়াশোনা করে। ভাইটাল একটা এক্সাম (এইচএসসি কলেজ পাশ) কে এই সরকার একেবারে অটোপাশ মেরে দিলো- মাথা টাথা ঠিক আছে তো? সমস্ত পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ক্লাশ করে যাইতাছে তাদেরকে অটোপাশ দিয়ে রাখা উচিত। কারন এখণ আর আগের মোত ১২ বছল সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা যায় না। এখণ ৬-৭ বছরের মধ্যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত ছাত্র ছাত্রীদেরকে ৮-১০ টা সেমিষ্টোর কমপ্লিট করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় না খোলা টা একটা বুদ্বিমানের সিদ্বান্ত। কারন হলে বা হলের গনরুমে বসবাস নিশ্চিত করোরা নিশ্চিত করতো সকল ধরনের ছাত্র ছাত্রীদেরকে। 






একদম সম্পূর্ন ফ্রি ও বিনা খরচে সারা দেশের ১০ কোটি মানুষের টিকা নিশ্চিত করতে হবে। সকল মানুষ যেনো টিকা পায় সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। জাতয়ি পরিচয়পত্র নাম্বার বা ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার বা ভোটার নাম্বার দিয়ে ধরে ধরে সকল মানুষের টিকা প্রদান করতে হবে। একটি ভ্যাকসিনের দাম যদি ৩০০০ টাকা হয় তাহলে ১০ কোটি মানুষের কাছ থেকে সেই টাকা নেওয়া যাবে না। সরকার নিজে উদ্যোগী হয়ে সেই টিকার ফুল কস্ট ৩০০০০ কোটি টাাকা প্রদান করে ভ্যাকসিন দিতে হবে। যার কোন দেশের বৈধ নাগরিকত্ব নাই তাকে কোন ভ্যাকসিন দেয়া যাবে না।  কারন তার জন্য প্রদানকৃত ভ্যাকসিন সরকারি হিসাবের খাতাতে তোলা যাবে না। আর যদি ভ্যাকসিন না দেয়া হয় সরকারের তরফ থেকে তাহলে নিশ্চিত থাকা যায় যে : আগামী বছরেও বাংলাদেশ কে চালূ করা যাবে না। সকল মহলের সকল লোক একসাথে সব খানে সব কাজ করতে পারবে না। করোনা কালীন বাংলাদেশে অনেক দুর্নাম আসতাছে। হাসপাতালের ডাক্তার রোগী সরকারি হাসপাতাল যোগসাজশে শুধূ মাত্র ব্জর উঠলেই তাকে করোনা বলে হাসপাতালে ট্রান্সফার করে তার কাছে অবৈধ উপায়ে টাকা আদায় ও করা হয়েছে।  গতকাল রাতে ইউটিউবে একটা নাটক দেখলাম যেখানে দেখােনো হয়েছে বজ্রপাতে মৃত্যুবরন করা একজন মানুষের মৃত লাশ নিয়ে দুইজন ব্যক্তি দর কষাকষিতে লেগে গেছে। যে দেশে মৃত ব্যক্তির লাশ নিয়ে ব্যবসা হতে পারে সে দেশে তো করোনা সিচুয়েশন নিয়ে ব্যবসা হলেও ভ্যাকসিন নিয়ে কোন ব্যবসা করতে দেয়া হবে না। এ ব্যাপারে আগে থেকে সকল মহল থেকে সরব থাকতে হবে।

  








 

How to make your YOUTUBE video Fullscreen - FAST & EASY

Saturday, November 28, 2020

ইন্টারনেটে বাংলা লেখালেখি বিষয়ক কিছু কথা ।

 ইন্টারনেটে বাংলা লেখালেখি করতে অনেকেই ভালোবাসে। অনেকেই লেখালেখির বিষয়ে কথা বলতে চায়। গল্প সাহিত্য উপন্যাস কবিতা ছড়া প্রবন্ধ বা ব্লগ বা রচনা যা মনে চায় তাই লিখতে পছন্দ করে অনেকেই। আমাদের দেশে এক ধরনের লোক আছে যারা ইন্টারনেটে বাংলা লেখাকে ঘৃনা করে। এইটা সত্য ইন্টারনেট যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসছে আর যুক্তরাষ্ট্রও সারা বিশ্বে ইন্টারনেট প্রচার এবং প্রসারের মাধ্যমে সারা বিশ্ব কে এক করে রেখেছে । এখন আর কেউ কোথাও কোন ভয় পায় না। কারন সকলেই জানে ইন্টারনেটে যদি জানায় তাহলে মূহুর্তে সেটা বুলেটের গতি আকারে সারা বিশ্বে ছড়াইয়া দেয়া হবে। আর সারা বিশ্ব জেনে গেলে  েকোন ভ্যাপারে প্রতিকার বা প্রতিরোধ তৈরী করা একদমই সহজ। ইন্টারনেট একটি গতিশীল মিডিয়া। পেপার পত্রিকা একবার প্রিন্ট হলে আরেকবার প্রিন্ট হতে ২৪ ঘন্টা সময় নেয়। নিউজ বুলেটিন স্যাটেলাইট এ একবার প্রকাশ হলে আরেকবার প্রকাশ হতে প্রায় ১ ঘন্টা সময় নেয়। কিন্তু ইন্টারনেটে সেকেন্ডে সেকেন্ডে নতুন নতুন নিউজ বা সংবাদ এড হয়। ২০০ি০৬ সালে অনুষ্ঠিত ক্যালিফোর্নিয়ার ব্লগর রেভ্যুলমন, ২০১১ সালে কায়রো গনজাগরন, ২০১৩ সালে শাহবাগ গনজাগরন আর ২০১৭ সালে কাতালুনিয়া গনজাগরন এগুলো সবই ইন্টারনেট থেকে তৈরী গনজাগরন।


স্পেনের কাতালুনিয়া গনজাগরন ২০১৭

 আর গুগল ও ইন্টারনেটে সব দেশের ভাষাকে এলাও করে। তারা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ভাষা এড করার জন্য কাজ চালাইয়া যাইতাছে। জাতিসংগ ও সম্ভবত দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে বাংলাখে স্বীকৃতি দেবার জন্য অপেক্ষা করতাছে। বাংলা ভাষাতে কথা বলার জন্য প্রচুর ত্যাগ তিতীক্ষা করেছে বাংগালী। একসশয় এই এলাকাকে বাংলা নামেও ডাকা হতো। ভারতীয় পূর্ব বাংলা অংগরাজ্য ‍ও ছিলো একসময়। ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্ট এর কথা কে না জানে - যাদরে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং ভারতের ট্রেনিং ক্যাম্প ছাড়া বাংলাকে স্বাধীন করা যাইতো কিনা- তরুন প্রজন্মের অনেকেই কিছুটা সংশয় ফিল করে। স্বাধীনতা আসতোই তবে সেটা তরান্বিত অথবা দীর্ঘান্বিত - সেটাই বিষয়। বাংলাতে বসবাস করে বাংলা য় কথা বলে বাংলায় লেখালেখি কররে যারা বিরুপ প্রতিক্রিয়া করে তারা কি মানুষ নাকি বেজন্মা কুত্তার প্রজন্ম? 


ইন্টারনেটে বাংলা লেখা এমনি এমনি তৈরী হয় নাই্। বাংলার পাশাপাশি বাংলাদেশে আরো একটি যে ভাষা বহুল ভাবে প্রচলিত তা হইতাছে ইংরেজী। ইন্টারনেটের ভাষাও ইংরেজী। ডলার যেমন সারা বিশ্বে একচ্ছত্র ভাবে আধিপত্য খাটায় তেমনি ইংরেজীও সারা বিশ্বে বহুল ভাবে আধিক্য খাটায়। তাই ইংরেজী না শেখলে বা বলতে না পারলে যে কেউ যে কাউকে খোটা দেয়। আসলে ইংরেজী সবার ভেতরে আছে গ্রামার পড়ে স্কলে পড়াশোনা করে পাশ করে আসতে হয়েছে সকলকে। কেউ না পড়ে বা না  শিখে ইংরেজী না জেনে স্কুল কলেজ পাশ করে আসে নাই। ইংরেজরা ইংরেজীকে ভালোবেসে ইন্টারনেট সারা বিশ্বে আসার আগেই সমস্ত শব্দ ইন্টারনেটে তুলে রাখে। তেমনি বাংলা শব্দ সম্ভােরের কাজও চলতাছে। যাকে বলা হয় ইন্টারনেটে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ব করা। প্রথমে ইন্টারনেটে বাংলা লেখার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়। সেখানে পিডিএফ দিয়ে কাজ করা হতো প্রথমে। তারপরে আসে ফোনেটিক। ফোনেটিকের মাধ্যমে যখন বাংলা ভাষা লেখার প্রচলন শুরু হয় তখণ থেকেই একদল বাংলা মায়ের সন্তান ইন্টারনেটে বাংলা লিখতে শুরু করে আর ইন্টারনেটে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ব করা শুরু করে। আর অপরদিকে বেজন্মা প্রজন্ম ইন্টারনেটে খারাপ খারাপ পর্নোষ্টোরি লিখা শুরু করে যা কখনো কেউ কল্পনাই করে নাই। ফলে বাংলা ভাষাবিদ রা বা ইন্টারনেটে বাংলা গবেষকরা থেমে যায় বা কষ্ট পায়। কিভাবে এই জিনিসটাকে আপডেট করা যায় এবং তাদের কে ওভার টেক্কা দেয়া যায়: সেরকম একটা ধারনা থেকে গুগলের মনিটাইজেশনে বাংলাকে এড করার জণ্য চেষ্টা শুরু হয়। প্রায় ১০-১২ বছর চেষ্টা করার পরে গুগলের কন্টেন্ট মনিটাইজেশন সেকসানে বাংলা কে এড করা যায়। যেনো বাংলা লিখলেও আপনি পেমেন্ট পান ডলারে আর কন্টেন্ট মনিটােইজেশন সেকসানেও যে যা পারে তা লিখতে শুরু করে। আপনার যদি মনে চায় আপনিও ফ্রি একটি ব্লগ তৈরী করে বাংলা কন্টেন্ট মনিটাইজেশন প্রোগ্রামে জয়েন করে বাংলা ভাষাকে ইন্টারনেটে সমৃদ্ব করার কাজে অংশ গ্রহন করতে পারেন।  


জাতে বেজন্মা দেশবিরোধী প্রজন্ম সবসময় ই মানুষকে ইন্টারনেটে অবিরত ধরা খাওয়াইতাছে। যেনো মানুষজন বা বাংগালীরা ইন্টারনেটে সঠিক তথ্য বা প্রজন্ম গড়ে না তুলতে পারে। যেনো এদেশের সহজ সরল বাংগালী ছেলে বা মেয়েরা ঠিকমতো ইন্টারনেটে ডলার উপার্জন না করতে পারে। ইন্টারনেট এদশেল ১০ কোটি মানুষের জীবনধারা বদলে দেবার জণ্যই ঢুকেছিলো। যেই দেশবিরোধী রা একসময় বাংলাদেশ কে ঘৃনা করতো এখণ তারা একটি প্রচন্ড গতিশীর মিডিয়াকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করতাছে যেমন প্রচন্ড ঝড়ের তোপে একটি ডিংগী নৌকা বাতাসে বাড়ি খায় সেরকম ভাবে। খড়কুটোর মতো যা পায় তাই ধরে আকড়ে থাকার চেষ্টা করতাছে। আমর াআসলে দেশবিরোধী বা বাংলা বিরোধী প্রজন্ম কে কোন প্রজন্ম মনে করি না- আমরা জানি তাদেরকে দুনিয়া থেকে নিশ্হ্নি করা মাত্রই তাদের কথা ভুলে যাবো। শুধূ বয়সের কারনে সুদীর্ঘ দিন যারা আন্দোলন করেছে তারাই ক্ষনে ক্ষনে বসে শ্বাস ফেলাবে আর মাটির তল থেকে বংগোপসাগরের গোপন পরিস্কার পানি থেকে তৈরী অক্সিজেনের বুদ বুদ মানুষকে নতুন জীবন দেবার চেষ্টা করবে। 

ইন্টারনেটে বাংলা লিখতে বসলেই একটি প্রজন্ম থেমে যায়- সেই প্রজন্ম টাই দেশবিরোধী। তারা এদশের ইন্টারনেটে বাংলা র আধিক্য দেখে মাথা খারাপ দৃষ্টিতে তাকাইয়া থাকে। খুনে একটা চাহনী দেবার চেষ্টা করে কিন্তু বাংলাদেশের সমাজে তারা কোন রেসপন্স পায় না - তাই বসে বসে ভাবে কবে জানি মৃত্যুদূত তাদের দারে আইসা দরজায় কড়া নাড়ে। আর বাংলায় কথা বলতে পারা বা ইন্টারনেটে ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কে বাংলা লিখতে পারা বা কোন উপমা তৈরী করা বা তুলে ধরা তো একটি সৃষ্টি সুখের উল্লাসের মতো। কোন কিছু সৃষ্টি করা বা করতে পারা সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসা পাবারই নামান্তর।  আধুনিক বাংলাদেশে প্রথম বড় সড় বাংলার বিজয় ধরা হয় : ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রনয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান - পুরো কাজটাই বাংলায় সম্পন্ন হয়েছে। ইন্টারনেটে রাখা আছে। প্রত্যেকে নিজ নিজ দ্বায়িত্বে যার যার স্মার্ট কার্ড পরীক্ষা করতে পারে। ২০১৩ সালে বাংলা জাগরন বা বাংলায় জয় বাংলা বলতে পারা - সমস্বরে স্বশরীরে সে এক অপার অনুভুতি। বাংলায় মুক্তিযুদ্বের পরে সবচেয়ে বড় জাগরন : শাহবাগন গনজাগরন ২০১৩। শুনেছি মুক্তিযুদ্বে সারা বাংলায় জয় বাংলার স্লোগান ছিলো প্রতি সেকেন্ডে। একজন মুক্তিযোদ্বার সাথে আরেকজন মুক্তিযোদ্বার যোগাযোগ ই হতো জয় বাংলা র মাধ্যমে। দেশ স্বাধীন হয়েছে জয় বাংলার মুক্তিযোদ্বাদের রাইফেল আর অস্ত্র চালনার বিনিময়ে- আর এদেশে বসে থেকেই একটা প্রজন্ম বাংলা লেখা দেখলে গেন্না করে (!)। আরে জয় বাংলার ভেতরেই তো বাংলা নিহিত। ভালো না লাগলে বা বাংলাকে ভালো না লাগলে বাংলা ছেড়ে চলে য়া- তোদের কে তো কেউ দড়ি দিয়া বাইন্ধা রাখে নাই। থাকতে হলে জয় বাংলা বলেই থাকতে হবে, জয় বাংলার দাপট মেনেই থাকতে হবে। 


Friday, November 27, 2020

Publich classiifed post on ads center.


#classified
#classiifedadpost
#adpost
#postad
#whitehatseo
#offpageoptimization

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং রাজনৈতিক সরকার।

ভালো এবং মন্দ এই দুইটা মিলিয়েই দুনিয়া। দুনিয়াতে ভালো মানুষ ও থাকবে খারাপ মানুষ ও থাকবে। ২০০০ সালের পর থেকে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের বিস্তার ধীরে ধীরে। একসময় প্রচার তারপরে প্রসার এবং লোড সামলাতে না পেরে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দ্বিতীয় পর্যায়ে সাবমেরিন ক্যাবলের লাইন টানে। আমাদের দেশে একটা ব্যাপারে অনেকেই ভুল করে থাকে: তা হলো রাজনৈতিক সরকার কে প্রধান ক্ষমতাবান মনে করে। ব্যাপারটা একটু ভুল আছে। বাংলাদেশ অধিক জনসংখ্যার দেশ।  সেখানে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিদ্বান্ত গুলো পৌছানোর জন্য একজন রাজনৈতিক নেতার বা জনপ্রতিনিধির দরকার হয়। সরকার তার কাছে সিদ্বান্ত গুলো সেন্ড করে আর জনপ্রতিনিধিরা সেই সিদ্বান্ত কে সকলের সামনে প্রকাশ করে। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়  সকল ধরনরে মন্ত্রনালয় এবং সচিবালয়ের সমন্বয়ে। মন্ত্রনালয় এবং সচিবালয়ে যারা জয়েন করে তারা সবাই সরকারের বিসিএস ক্যাডার বা মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিয়োজিত নন ক্যাডার। এরাই আসলে বাংলাদেশ সরকারের অবকাঠামো। সরকারি, আধা সরকারি এবং স্বায়ত্বশাসনের  সমন্বয়ে যে সরকার ব্যবস্থা সারা দেশ জুড়ে গঠিত তাকে বলা হয় গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অবকাঠামো যা ৭১ এ মুক্তিযোদ্বারা তাদের যুদ্বের ফাকে ফাকে তৈরী করেছে। ভবিষ্যত বাংলাদেশ কিংবা স্বাধীন বাংলাদেশের অবকাঠামো কিভাবে তৈরী হয় সেটা যুদ্বের সময়েই রাত না জাগা মুক্তিযোদ্বারা তৈরী করেছেন আর যুদ্ব শেষে স্বাধীন বাংলাদেশে তা বাস্তবায়ন করেছে। 



নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন রচয়িতা শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩


সেখানে রাজনীতিবিদদেরকে যুক্ত করা হয় শুধুমাত্র সরকারি সিদ্বান্ত গুলো জনগনের সামনে প্রকাশ করার জন্য। সরকারের একজন সচিব কর্তৃক গৃহীত সিদ্বান্ত নিশ্চয়ই মন্ত্রনালয় বা সচিবালয়ের বাহিরে  এসে সাধারন মানুষকে বলার কথা না- সাধারন মানুষ তার কথা শুনবে না। সেজন্য জনপ্রতিনিধিদের কে মনোনয়ন করা হয় এবং তারা সরকারের সিদ্বান্তগুলেোকে সাধারন মানুষের কাছে পৌছে দেয়ে। আবার সাধারন মানুষের কথা সরকারের কানে আনার জণ্য নেয়া হয় জাতীয় সংসদ কর্তৃক মনোনীত প্রত্যেক এলাকার জন প্রতিনিধি সেগুলো দেশবাসী এবং সরকারের সামনে তুলে ধরে। সরকারের ণীতি নির্ধারক পর্যায়ের যারা সচিব বা আমলা তারা আবার সেগুলো নিয়ে ডিসকাশন করে প্রয়োজনে গবেষনা বা পূর্বকার গবেষনার সাহায্য নেয় তারপরে সেগুলো যদি একটি মন্ত্রনালয়ে ব্যাপার হয় তাহলে মন্তনালয়ের মিটিং এ আর যদি বহু মন্ত্রনালয়ে বিষয় হয় তাহলে (Inter Ministerial Secretarial Committee- IMSC) সব মন্ত্রনালয়ের মিটিং এর মাধ্যমে সিদ্বান্ত গ্রহীত হয় এবং তা যাচাই বাছাই হয় এবং তারপরে সেটা আইন বা প্রজ্ঞাপন আকারে জনসম্মুক্ষে প্রকাশ করা হয় এবং জনপ্রতিনিধিদেরকে একটি কপিও দেয়া হয় এবং তারা সেটা নিজ নিজ সংসদীয় এলাকায় প্রকাশ করে থাকে। তার আগে তারা সেটা যাচাই বাছাই করার সুযোগ পায়- নিজস্ব মতামত কিছু এড করারও সুযোগ পায় জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমে। সরকারের গৃহীত একটি পদক্ষেপ যদি সকল রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য রা বিরোধিতা করে তাহলে সেটা বাতিল হয়ে যাইতে পারে।



রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য পদের জনপ্রতিনিধিদের জন্য স্থায়ী কোন বেতন কাঠামো নাই। এমন না যে একবার এমপি বা মন্ত্রী হলো আর সারাজীবন বেতন ভোগ করলো। যেটা আছে- সেটা ভাতা বলা হয়। এক টার্মে জাতীয় সংসদে যারা জনপ্রতিনিধি হয়ে আসে তাদেরকে চলা ফেরা বা খাওয়া দাওয়া বাবদ সরকার একটি খরচ বা ভাতা দিয়ে থাকে। আর যখন জাতীয় সংসদ শেষ হয়ে যাবে তখন পুনরায় নির্বাচন এর জণ্য তাদেরকে জাতীয় সংসদ ছেড়ে জনগনের কাছে ভোট ভিক্ষা চাইতে হয়। ১৯৯০ সালের পর থেকে দেখেছি অনেক- ভোটের সময় মুসলিম ধর্মকে ব্যবহার করতেও তারা দ্বিধাবোধ করে না। মাথাতে হিজাব আর হাতে তাসবিহ নিয়েও অনেকে ভোট চেয়েছে ভোটের আগে, ভোটে জেতার পরে আর মাথাতে হিজাবও নাই আর হাতে তসবহিও নাই। যে কোন রাজনৈতিক সরকারকে ভেংগে দিতে পারে ৩ ধরনের ক্ষমতা: 

  • বাংলাদেশ সরকারের জনগনের সর্ব্বোচ্চ কোর্ট হাই কোর্ট বা সুপ্রিম কোর্ট। 
  • গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি। 
  • নির্বাচন কমিশন সচিবালয়


এই ৩ টা ক্ষমতার যে কোন একটি যদি বলে বর্তমান রাজনৈতিক সরকার বাতিল- তাহলেই সেটা আপাত বাতিল হয়ে যাবে। নতুন করে ভোট এর ডেট পড়বে। একজন অভিজ্ঞ মুরব্বীকে একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম: দেশে যে  এতো অরাজকতা, সমানে ইট বালূ রড সিমেণ্টের রাসআত ঘাট রোড কালভার্ট বানানো চলাতছে যা কিনা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে (ভূুমকম্প) লন্ডভন্ড হয়ে যাইতে পারে আর সমানে গরীব মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েই চলতাছে হাতের নাগারেল বাহিরে চলে যাইতাছে থেকে পরিত্রানের উপায় কি- তখন উনি উত্তর দিলেন : এ দেশের মানুষ যদি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বুঝতে পারে আর গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাথে রাজনৈতিক সরকারের পার্থক্য টা বুঝতে পারে - তাহলে এ রাজনৈতিক সরকারের পরিবর্তন হবে। 




বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচন কমিশন সচিবালয় যে জাতীয় পরিচয়পত্র আইন তৈরী করেছে তা কার্যকর করার প্রথম দ্বায়িত্ব নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সংশ্লিষ্ট লোকজনের (আমি একটা প্রজেক্টে কর্মরত ছিলাম ২০০৯ সালে- ফিল্ড পর্যায়ে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রনয়ন এর কাজে) । একসময় ছবিসহ জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান এবং ভোটার তালিকা প্রনয়ন (জাতিসংগের ইউএনডিপির প্রজেক্ট ছিলো ১০ বছর: ২০০৮-২০১৮) এখন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের একটি অংগ সংগঠন ২০১৮- ২০১৯ থেকে যার পুরোপুরি দ্বায়িত্ব গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের- নাম জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ। এখন যদি আপনি ভোটের আয়োজন করতে যান তাহলে আপনাকে দুটি জিনিস অবশ্যই কনফার্ম করতে হবে: 
  1. ভোটার তালিকায় নিজের নাম ও ভোটার নম্বর
  2.  বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর

এখন কেউ যদি আইসা বলে যে জনপ্রতিনিধি কিন্তু তার উপরের দুইটার একটাও নাই তাহলে বুঝতে হবে  যে : সে পাগল বা তারা পাগল। একটি রাজনৈতিক সরকারের কি কি গঠন থাকে: 

  1. রাষ্ট্রপতি ( প্রথমে এমপি থাকলেও পরে রাষ্ট্রপতি কে এমপি পদ ছেড়ে দিতে হয়)
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. মন্ত্রী
  4. এমপি 
  5. উপজেলা চেয়ারম্যান 
  6. উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান
  7. ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার 
  8. সিটি কর্পোরেশনের মেয়র 
  9. সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সেলর 
  10. সংসদীয় মহিলা এম পি, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সেলর। 


এখণ এই ১০ ধরনের লোক জনের মধ্যে যে কোন ক্যাটাগরির কেউ যদি আপনার সামনে আসে আর আপনি তাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার বা ভোটার নম্বর খুজে না পান তাহলে বুঝতে হবে যে: সেখানে কোন ঝামেলা আছে। তারা কোন বৈধ জনপ্রতিনিধি না। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে যে কারো জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর খুজে পাওয়া যায়। তাছাড়া যে কোন জনপ্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভোটার নম্বর বৈধ আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা নির্বাচন কমিশণ সচিবালয়ের এখতিয়ার বা দ্বায়িত্ব। তবে চাইলে যে কেউ এটাকে চ্যালেন্জ জানাতে পারে নম্বর খুজে বের করে তা ওয়েবসাইটে মিলাইয়াও দেখতে পারে নিজের সন্দেহ দূর করার জন্য। 




বাংগালীকে মগা ভেবে/করে অনেক রাজনৈতিক দল অনেকভাবে বহু বছর ধরে হেনস্থা করে যাইতাছে। কোন সরকারই শুধূ মাত্র জনগনের কথা ভেবে কোন কাজ করে না। এখনো এমন কোন সরকারের কথা শুনলাম না: যারা সারা দেশের মানুষকে একবেলা খাওয়াইছে বা সারা দেশের সব মানুষকে একমাসের জন্য ফ্রি অর্থ বরাদ্দ দিছে। ৬০/৭০/৮০/৯০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে বিল্ডিং বা রোড ঘাট না করে সারা দেশের ৬ কোটি গরীব মানুষকে জন্রপতি ৫০০০ টাকা করে দিলেও একমাসে মাত্র ৩০০০০ কোটি টাকা খরচ হবে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের। নাওয়া খাওয়া ভুলে রোড ঘাট বানানো শুরু করে দিছে: 
(যা কিনা একটা শক্তিশালী প্রাকৃতিক ভুমিকম্পই  লন্ড ভন্ড করে দিতে পারে।) এমন একটা অবস্থা যেনো দেশে কেউ বেড়াতে আসবে। একটা কথা বলে রাখা দরকার: শতরু দেশ নাকে খত দিয়ে ক্ষমা চেয়ে গেছে ২০১৩ সালে সংঘটিত শাহবাগ গনজাগরনের সময়। বাংলায় কথা বলে প্রায় ৪০০০ কিলোমিটার লম্বা এলাকা। বাংলা কম বড় এলাকা না। সামনের বছর বা এখন চলতাছে স্বাধীনতার ৫০ বছর পুর্তি। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের কালো রাত্রিতে প্রথমে যে লোকটা রাজধানী ঢাকা শহরে নিহত হয় সেদিন থেকেই (১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত (৭১ সালকেই একবছর ধরে)  প্রায় ৫০ বছর চলতাছে। ৭১ কে একবছর/প্রথম বছর হিসাবে ধরে) স্বাধীনতার প্রচেষ্টা শুরু্।  সেই হিসাবে এই বছর ২৫ শে মার্চ  থেকেই শুরু হয়েছে সেই স্বাধীনতা যুদ্বের প্রথম শহীদের মৃত্যু ক্ষনের ৫০ বছর শুরু। আর শেষ হবে এ বছর বা সামনের বছরের ১৬ ই ডিসেম্বর। স্বাধীনতা যুদ্বে বাংগালীর অংশগ্রহন আর মৃত্যুর মিছিলের ৫০ বছর  প্রায় যাইতাছে এখণ। শুনেছি জয় বাংলার বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি তে সারা দেশ একবছর বিজয় উৎসব এবং এক বছর বন্ধ থাকবে। কোভিড করোনা পেনিডেমিক সেই কথা সত্য প্রমান করে দিলো। সবচেয়ে ভালো এবং বড় বিজয় হতো সম্পূর্ন ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম মুক্ত বাংলাদেশে বিজয় উৎসব করা। 

Thursday, November 26, 2020

গুগলের এড মনিটাইজেশনের প্রতারনার ফাদে ফেলা হইতাছে গ্রাম বাংলার সহজ সরল ছেলে এবং মেয়েদেরকে।

 সারা দেশের গ্রাম বাংলার ছেলে মেয়েদেরকে খুব সহজ সরল ভাবে এড বা কন্টেন্ট মনিটাইজেশনের প্রতারনার ফাদে ফেলা হইতাছে। গ্রাম বাংলার এবটা শ্রেনীকে দেখলাম : ইন্টারনেটে ডলার উপার্জন না করে ইন্টারনেটে যে কোন উপায়ে বা যে কোন ভাবে টাকা উপার্জন করাকে ফ্রি ল্যান্সার বা ফ্রি ল্যান্সিং ভাবতাছে। পরিচিত এক ছোট ভাই । ইন্টারনেটে র সূত্রে খাতির। অনেক কয়েকটা ভিডিও দিলাম টিউটোরয়িাল: ভিডিও একদম ফ্রি। সে সবগুলো ভিডিও দেখলো কিন্তু কাজ করা সূত্রে সে মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন ও করলো। ২/৩ দিন চেষ্টা করে বুঝলো যে এই মূহুর্তে হবে না- একটু সময় লাগবে মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করতে। তারপরে সে তার আগে থেকে করা কন্ট্রাক্টর দের সাথে যোগযোগ শুরু করলো এবং আমাকেও বললো যে ভাই ওয়েবসাইট বানাবো এডসেন্স সহ। বলতে গেলে কিনবে। কিভাবে ওয়েবসাইট কিনবা এডসেন্স সহ। বলতাছে একজন বাংলাদেশী লন্ডনে থাকে সে তার এডসেন্স একাউন্ট বিক্রি করবে ওয়েবসাইট সহ। তো বুঝতে পারলাম প্রতারনার ফাদে পাড়া দিতাছে । আমি তাকে না করতে যাইয়াও না করার মতো শক্তি পাইলাম না। কারন বুঝতে পারলাম যে: সে অলরেডী ডিলিংস হাতে নিয়ে নিছে। আমি না করলেও সে শুনবে না। 


তো পরে দেখলোম যে: সে রাজধানী ঢাকাতে চলে এসেছে এবং প্রায় ১৫০০০+ টাকা দিয়ে সে এরকম একটা সাইট কিনে ও নিয়ে গেছে। আমার কাছে মনে হয়েছে সব মিলিয়ে প্রায় তার ৪০০০০ টাকা খরচ হয়েছে। প্রথমত: আরেকজনের নামে এডসেন্স একাউন্ট কেনা সম্পূর্ন বেআইনী ব্যাপার। সারা বিশ্বের সব দেশেই বাংলাদেশী শ্রমিক আছে। প্রত্যেকেই বৈধ নাগরিক বা শ্রমিক। তারা সেই সকল দেশের অনেক অনেক সুবিধা ব্যবহার করে তারা সেই সকল সাময়িক এডসেন্স একাউন্ট বানাতে পারে এবং সেগুলো তারা কেনা বেচাও করতে পারে। একটা পর্যায় পর্যন্ত লুকোছাপা করে থাকলেও শেস পর্যন্ত ঠিকউ প্রকাশ পেয়ে যাবে যে কার গুগল এডসেন্স একাউন্ট কে ব্যবহার করতাছে। অন্ততপক্ষে গুগল নিজেও তার স্যাটেলাইট সুবধিা ব্যবহার করলে ও দেখতে পারবে যে: একাউন্ট তৈরী হয়েছে কুমিল্লার ঠিকানা থেকে, যে একাউন্ট ওপেন করেছে সে আছে বার্সেলোনাতে আর যে ব্যাংক এড্রস ব্যবহার করা হইতাছে তা হইতাছে ময়মনসিংহের। এরকম বিভিন্ন খানে তথ্যের সঠিক সমন্বয় না থাকার কারনে গুগল অথোরিটির ঝামেলা হেতে পারে। একজনের নামেেএডসেন্স একাউন্ট আরেকজনের নামে  ব্যাংক একাউন্ট- এরকম ব্যাপারগুলোও গুগল কে ভাবাবে যে কোন বিরুদ্ব সিদ্বান্ত নিতে। মোদ্দা কথা: যার নামে একাউন্ট সে যেখানে আছে সেখানকার ফুল ডিটেইলস ব্যবহার করা আর সেখানকার ব্যাংক ডিটেইলস ই ব্যবহার করা- এই সবগুলোর সমন্বয় থাকলে অনেক অযাচিত ঝামেলা এড়ানো যেতে পারে। 


যেমন: যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ইন্টারনেট কোম্পানী আছে যা যুক্তরাষ্ট্রের লোকজন চিনে না তেমন। তারা শুধূ তাদের সিটির অনুমতি বা ডিপার্টমেন্টের অনুমতি নিয়ে ইন্টারনেটে বা অনলাইনে কাজ শুরু করে দিছে। যেখানে ইন্টারনেটে ব্যবহারকারী বেশী সেখানে তাদের নিয়ম কানুন অনেক হার্ড। আর যেখানে তাদের ব্যবহারকারী কম সেখানে ব্যবসা সম্প্রচারের জন্য তাদের নিয়ম কানুন অনেক সহজ। ফলে আমাদের দেশের সহজ সরল ছেলে বা মেয়ে যারা বিদেশে বসে আছে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত  ফ্যাসিলিটজ এর বিনিময়ে তারা বিভিন্ন সময় ইন্টারনেটে তাদের কোম্পানী ডিটেইলস ব্যবহার করে বা রেসিডেন্ট ডিটেইলস ব্যবহার করে আবেদন করতাছে যেখানে তারা তাদের কোম্পানীর কাছে সেই দেশের সরকারের কাছে কালার হইতাছে এবং তাদের জন্য প্রাপ্ত সুবিধাদি থেকে বঞ্চিত ও হইতাছে। অনেক সময় চাকুরী চলে যাইতাছে বা নাগরিকত্বও চলে যাইতাছে। মনে করেন কানাডা আপনাকে আপনার মেধার জণ্য হায়ার করে নিয়ে গেলো রেভিনিউ জেনারেট করবে বলে। আপনি সেখানে যাইয়া ইন্টারনেটের ব্যবসা শুরু করে দিলেন আপনার নাগরিকত্ব ডিটেইলস দিয়ে। তো কানাডা সরকার বলবে তাকে আমি যে কাজের জণ্য এনেছি সে তো সেই কাজ করতাছি না। সো তার জণ্য প্রাপ্ত সুবিধাদি বন্ধ করে দেই বা  আপনি অযাচিত ভাবে যে কোন সমস্যাতে জড়িয়ে পড়তে পারেন। কারন এই সকল কাজতো আপনি বাংলাদেশে বসে থেকেই করতে পারতেন এর জন্য তো আপনাকে কানাডা যাইতে হবে না। ইন্টোরনেট কোম্পানী গুলো এমন ভাবে ডিষ্ট্রিবিউশন করা হতো যেখানে অধিক জনসংখ্যার মানুষের মেধাকে কাজে লাগানো যায়। এজন্য বিদেশে বসবাসরত শ্রমিক বা নাগরিক রা তাদের পারসোনাল ডিটেইলস গুলো কারো সাথে শেয়ার না করার জন্য বলবেন আর বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়েও বলে দিবেন যেনো তারা আপনাদের অল ডিটেইলস প্রকাশ না করে। 


তো সেই ছেলে দেখলাম ১০/১২ দিন পরে বলতাছে যে: তার একাউন্ট ডিজাবলড করে  দিছে। আমরা সকলেই জানি গুগলের এড মনিটাইজেশণ প্রসেস এরকম একটা প্রসেস যেখানে আপনি যে কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন আর সেখানে যতো এড আছে সেগুলো আপনার চোখের সামনে আসবে আর আপনি আপনার চাহিদা এবং ইচ্ছার উপরে ভিত্তি করে সেই এডগুলো দেখবেন। শুধু এড দেখার জন্য যদি কেউ ওয়েবসাইটে ঢুকে আর ইনটেনশনালি ক্লিক করে তাহলে গুগলের ইউজার পলিসি সেটা ধরে ফেলাইবে। আর যদি আপনি ওয়েবসাইটের প্রকৃত রিয়েল ভিজিটর বা ব্রাউজার হোন আর সে হিসাবে আপনি ওয়েবসাইটে ঘোরাঘুরি করতে করতে আপনার চোখের সামেন কোন এড এসে পড়লো আর সেখানে আপনি টাচ বা  মাউস ক্লিক করে এড দেখলেন বা ভিজিট করলেন তাহলে যার ওয়েবাইটে গুগলের এড দেখাইতাছে সেখানে কিছু ডলার যা এডভার্টাইজার নির্ধারন করে রেখেছে সেটা তার একাউন্টে আইসা এড হবে। যেমন: ১/২/৩/৪ সেন্টস থেকে ২০/৩০/৪০ সেন্টস পর্যন্ত বা সেটা ১/২/৩ ডলার পর্যন্ত। আমাদের দেশ হুজুগে মাতাল হবার কারনে তাদের বেসিক সেন্স ও কাজ করে না। যে সকল এড গুগল দেখায় সেগুলোর কর্নারে একটা ক্রস চিহ্ন থাকে। সেই ক্রস এ যদি আপনি ক্লিক করেন তাহলে এড দেখানো বন্ধ হয়ে যাবে। অনেকে ইন্টারনেটে মনে করে থাকেন যে: ক্রস বা প্লাসে ক্লিক করলে বা টাচ করলে খ্রীষ্টান হয়ে যাবেন- ব্যাপারটা সেরকম না। ইন্টারনেটে তো এসেছেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড়  খ্রীষ্টান দেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে - তো ইন্টারনটে ব্যবহার করে যেহেতু আপনি খ্রীষ্টান হইতাছেন না তো সেখানে ক্রস বা প্লাস এ ক্লিক করলে আপনি খ্রীষ্টান হবেন না। মুসলিম ধর্মে- ঈমানে মোফাচ্ছারে বলা আছে: সকল ধর্মের সকল নবী এবং তাদের বই কে বিশ্বাস করতে হবে। এর কোন অন্যথায় নাই। ইন্টারনেটে আপনি যা কিছু দেখতাছেন তার সবই খ্রীষ্টান, ক্যাথলিক খ্রীষ্টান এবং ইহুদি দের অপারেটিং সিষ্টেম বা তাদের সফটওয়্যারে বা তাদের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে চলতাছে।   আরো একটি ভুল ধারনা দেখি: যে কেউ বলে যে : এড ক্লিক বা টাচ করলে সেটা একই ব্রাউজারের নতুন আরেকটা ট্যাবে ওপেন হয় এবং সেখানে বলে অনেকের পাসওয়ার্ড  হ্যাক হয়ে যাইতে পারে। ব্যাপারটা সম্পূর্ন মিথ্যা। যে সকল এড পৃথিবী বিখ্যাত গুগল এডসেন্স দেখায় সেগুলো সবই গুগলের বা যে কোন এডভার্টাইজিং কোম্পানীর ১০০% সিকিউরিটি সেকসান পার হয়ে তারপ রে দেখায়। যাকে গুগল নিরাপাদ মনে করে তাকে আপনি অনিরাপদ নে করতাছেন- ব্যাপারটা কতোবড় ব্যক্কলের ব্যাপার। তো আপনি যার এড দেখতে চান সবসময়: নিশ্চিন্তে তার এড দেখবেন এবং এত করে কোন সমস্যা হবে না। বেশী ভয় লাগলে ব্রাউজার পরিবর্তন করে নিবেন। 


ধরেন: আপনি একটা ওয়েবসাইট এর মালিক। আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর বা ট্রাফিক আসে। সেজন্য গুগল বা যেকোন কন্টেন্ট মনিটাইজেশন কোম্পানী আপনার ট্রাফিক বা ভিজিটর গুলোকে ব্যবহার করতে চাইবে। সেজন্য তারা যারা ওয়েবসাইটের মালিক বা ব্লগার তাদেরকে এড স্পেস দেবার জন্য অফার করে থাকে। যদি খালি  চোখে দেখে থাকেন তাহলে আপনার এড এর উপরে একটি ইম্প্রেশন তৈরী হবে। আগে ছিলো : ১০০০ ইম্প্রেশনের জন্য ৩ ডলার পাওয়া যাইতো। কিন্তু এখন সেটা আর পাওয়া যায় কিা জানি না? আপনি খালি চোখে যা দেখলেন সেটাকে ইম্প্রেশন বলে। যেমন: ধরেন ফেসবুকে পোষ্ট। আপনি একটা পোষ্ট দিলেন আর সেটা কেউ লাইক বা কমেন্ট বা শেয়ার করলো না কিন্তু ইমেপ্রশন ছাড়াইয়া গেলা প্রায় কোটি কোটি। তাহলে আপনার সেই পোষ্টের  দাম রয়ে যাবে অনেক। লাইক দেয় নাই তাতে কোন ভ্যাল ‍ু কমে যাবে না আপনি যে ইমেপ্রশণ তৈরী করেছেন সেখানে এডভার্টাইজার দের জন্য কোটি কোটি ডাটা নিয়ে যাবে যেখানে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার জেনারেট করা যাবে। পরবর্তীতে সেখানে বড় মাপের এডভার্টাইজার প্রোগ্রাম রান করা যাবে যেখানে অরিজিনাল এডভার্টাইজার রা সেই ইম্প্রেশন রেকর্ড গুলো কিনে নিবে। লাইক দেয় না বা কমেন্ট করে না কারন সেগুলোর দেবার মতো টাইমও থাকে না। 



বর্তমানে ফেসবুকের গ্ররপ/পেজ/প্রোফাইলগুলোতে দেদারসে গুগলের এডসেন্স একাউন্ট একজনের নামে ভেরিফাই করা তো আরেকজনের কাছে কেনা বেচার ধুম পড়েছে যা ইন্টারনেট আইনে সম্পূর্ন নিষেধ। িইন্টারনেটে র আইনে দেয়া আছে: আপনি কখনোই একাউন্ট কেনা বেচা করতে পারবেন না কারন পৃথিবীর প্রত্যেকটা ওয়েবসাইটে একাউন্ট ডিলেট বা বন্ধ করে দেবার অপশন আছে। তাও যদি আপনার ভালো না লাগে তাহলে আপনি কাষ্টমার কয়োরে বললেও তারা সেটা বন্ধ করে িদবে। কিন্তু বিদেশীদের নামে তৈরী করা একাউন্ট আপনি কিনে নিয়ে সেটাকে ডাটা বা তথ্য পরিবর্তন করে যখন বাংলাদেশের নাম বা ঠিকানা ব্যবহার করবেন সেটাতো গুগলের ডাটা সেন্টারে রয়ে গেলো। ফলশ্রুতিতে গুগল তো একটা বা এরকম হাজার টা অপরাধের প্রমান পাইলো এবং সেই কারন বাংলাদেশ বা বাংলাদেশ সরকারকে জরিমানাও করতে পারে। তো বিনা কারনে বাংলাদেশের নাম বা ডিটেইলস রয়ে গেলো।



পৃথিবীতে যতো ওয়েবসাইট আছে সমস্ত ওয়েবসাইটের ডাটাবেজের ডিটেইলস থাকে সেই ওয়েবসাইটের মালিকের কাছে। সেখানে সব ডাটাই রেকর্ড করা থাকে। আপনি সবসময় ই মনে রাখবেন ইন্টারনেট আপনার থেকে প্রচুর চালাক। একটা কুচক্রী মহল এই ধরনের কাজ কারবার চালাইতাছে বাংলাদেশে কিছু অসাধু ইন্টারনেট আইএসপি ব্যবসায়ীদের কারনে। আইএসপি ব্যবসায়ীদের ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড ব্যবসা করার আগে প্রথমেই জাইনা নিতে হয় বা জাইনা নেয়া উচিত যে: তারা কি কারনে ইন্টারনেট ব্যবহার করবে? যদি কোথাও সন্দেহ হয় তাহলে তাকে ইন্টারনটে কানেকশন না দেয়া কারন এতে করে দেশের বিশাল পরিমান বা বড় অংকের ক্ষতিও হয়ে যাইতে পারে। বাংলাদেশ আপনার বাপ দাদাদের দেশ। এদেশ আপনার জ্ঞাতি গোষ্টী ঘুমাইয়া আছে। এদেশে হাজারো লাখো কোটি শহীদ মাটির নীচে শুয়ে আছে। এদেশ আপনাকে নি:শ্বাস দেয় আর তাদের দেয়া বদান্যতায় আপনি বেচে আছেন। আর সেই দেশে কিছূ অসাধূ ইন্টারনেট ব্যাবসায়ীদের কারনে দেশের সুনামের ১২ টা বেজে যাইতাছে সারা বিশ্বে। এখন আর মার্কেটপ্লেসগুলোতে সচরাচর সেই সুন্দর মনের বায়ারদের আর খুজে পওয়া যায় না। 



আইন করা উচিত যে: জয় বাংলা বলতে পারে না এরকম কোন লোককে আইএসপি লাইসেন্স দেয়া হবে না। যাদের কাছে আইএসপি আছে তাদের প্রত্যেকের নাগরিকত্ব ভ্যালিডিটি যাচাই করা। যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে তাকে তাহলে তাদেরকে এই আইন ধরাইয়া দেয়া: যে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়া এবং ভেরিফিকেশন করা ছাড়া এই দেশে কোন আইএসপি ব্যবসায়ী কাউকে ইন্টারনটে কানকেশন দিবে না। তাহলে অবৈধ লোকজন আর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনটে কানেকশন পাবে না আর এই ধরনের কন্টেন্ট মনিটাইজেশন একাউন্ট কেনা বেচা ও করতে পারবে না। এইখানে যদি গগুল সংশ্লিষ্ট কারো হাত থেকে থাকে তাহলে বাংলাদেমেল সর্ব্বোচ্চ মহল থেকে সেই সতর্কতাও জারী করা। গবেসণা করে বলতে পারি: বাংলাদেশের ব্যাংক গুলোতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানকেশন ব্যবহার করা আর সারা দেশে আইএসপি মালিকদের নিকট প্রত্যেক ইউজারের বৈধতা না থাকাই  বোধ করি বাংলাদেশে বার বার হ্যকা হবার মূল কারন। কারন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট যা ডেস্কেটপ কম্পিউটারে ক্যাট ৫ তার আকারে আইসা জোড়া লাগে সেটাই হ্যাকারদের মূল কাবার হয়ে দাড়ায়। তাই  ব্যাংকগুলেঅ যেনো হ্যাক না হয় তার মূল উপায়গুলো হইতাছে :



  • ব্যাংক গুলোতে মোবাইল ইন্টারনটে বা বাংলালায়নের মতো ওয়াই ফাই কানেকশন ব্যবাহর করা। 
  • মনিটরিং বা মেইন মেইন কম্পিউটারগুলো তে ভালো মানের ল্যাপটপ এবং ওয়াই ফাই  ইন্টারনটে ব্যবহার করা। কারন আমি যতোদূর পড়াশোনা করেছি তাতে দেখেছি : ওয়াই ফাই থাকলে আর ব্রডব্যান্ড হ্যাকাররা ডেস্কটপ পর্যন্ত আসতে পারে না। যদি ল্যান পোর্ট ফাকা থাকে তাহলে আপনি হ্যাক না হবার চান্স শতকরা ৯৯%। কারন তারের লেইনে থাকে প্লাষ্টিক , তার এবং কাচের প্রলেপ। এইখানে তারটাই হ্যাক করতে বেশী সাহায্য করে। 
  •  সরকারি মোআইর কোম্পানীকে দ্বায়িত্ব দেয়া এবং একটা ব্যাংকের ভেতরে সবখানে ওয়াই ফাই ব্যবহার করা। এইখানে আপনার হ্যাক হবার ভয় থাকবে অনকে কম কারন তারের বা ব্রডব্যান্ড হ্যাকার রা রাউটার বা ওয়াই ফাই রাউটার পর্যন্ত আইসা থেমে থাকবে। 
  • সারা দেশের সকল আই এস পি মালিকদের ভেরিফিকেশন করা এবং স্বাধীনাতাবিরোধী বা দেশ বিরোধী কোন ধরনের দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) সন্তানদের কোন ধরনের সরকারি স্বার্থ এবং নিরাপত্তা বিষয়ক কাজে এপ্লাই না করা। দেখা যাবে শতরু দেশ থেকে কোন একটা সফটওয়্যার দিয়ে দিলো যা সে পেনড্রাইবে এনে সরকারের কোন গুরুত্বপূর্ন ডিভাইসে রান করে দিলো। আর সাথে সাথে হ্যাক হয়ে গেলো।। যা ২০১৩ সালে শাহবাগ গনজাগরনের সময় বলা হয়েছিলো যে: যে জয় বাংলা বলতে পারে না তাকে কোন ধরনের সরকারি কাজ দিবেন না। 

Wednesday, November 25, 2020

সোশাল কমিউনিকেশন এবং ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া কম্যুনিটি বলতে কি বোঝেন?

সোশাল কমিউনিকেশন বলতে সাধানত বোঝানো হয় একটা সোসাইটিতে সকলের সাথে যোগাযোগ রাখা। বাংলাদেশে অনেক ধরনের সোসাইটি আছে। বাংলাদেশে কিছু কিছু সোসাইটির অনেক খারাপ মিনিংও আছে। কয়েকজন মিলে উল্লেখযোগ্য একটা সংখ্যা হলে সেখানে একটি সোসাইটি বা কম্যুনিটি ফর্ম করা যায়। যখন ছোট ছিলাম তখন একটা শব্দ প্রায়শই শুনতাম বাংলাদেশে যে : সোসাইটি গার্লদের কাছ থেকে যেনো দূরে থাকা হয়। কারন জিজ্ঞাসা করলে বলতো খারাপ। তখনকার দিনে যতোটুকু বুঝেছি তাতে যা বোঝলাম সোসাইটি গার্ল রা সবার সাথে মেলামেশা করে এই ব্যাপারটাকে বাংলাদেশের একটা মহল খারাপ মনে করে। কয়েকজন সোসাইটি গার্লের সাথে পরিচিতও হলাম এবং বুঝতে পারলাম যে তারা ফ্রিডম ভালোবাসে। পরে যারা খারাপ বলতো তাদের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে জানলাম তারা বাংলাদেশের নাগরিক না। ছলে বলে কৌশলে এবং দুই নম্বরি ওয়েতে এখনো বাংলাদেশে টিকে আছে। তারা এসেছে আমাদের দেশের শতরু দেশ থেকে।  তারা বাংলাদেশ কে তাদের নিজেদের দেশ মনে করে অথচ বর্তমানে আমাদের এই দেশে তাদের বসবাস করার কোন অুনমতি নাই। তাদের কোন বৈধ নাগরিকত্ব নাই এবং বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ও নাই। তারা বাংলাদেশে বেচে থাকার জন্য বা অবস্থান করার জন্য যে কাগজপত্র গুলো শো করে সেগুলো আমাদের শতরু দেশের কাগজপত্র এবং খোজ নিতে গেলে জানতে পারবেন যে: সেই সকল কাগজপতত্রেরও সেই দেশে কোন বৈধতা নাই।


বাংলাদেশ সরকারকে এক ধরনের বোকা বানিয়ে তারা দিনের পর দিন বসবাস করে যাইতাছে আর যতো ধরনের আকাম, কুকাম আছে তা তারা করে যাইতাছে। কিছু বলতে গেলে তারা একটা অবৈধ নাগরিকদের সমাজ দেখায় যারা বাংলাদেশে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছে ১৯৯০ ( ৯০ এর গনজাগরন। ৭১ এর  দেশবিরোধী দালাল/রাজাকারের ফাসি)  সালে বা ২০১৩ সালে (শাহবাগ গনজাগরন। ৭১ এর  দেশবিরোধী দালাল/রাজাকারের ফাসি)  আবার  তারাই নাটক সিনেমা পাড়ার মেয়েদেরকে খারাপ বা বাজে মন্তব্য করতো আর আড়ালে আবডালে নিজেরা খারাপ কাজ করে বেড়াতো। তারা বুঝতে পেরেছিলো যে: বাংলাদেশে কম্যুনিটি পাওয়ার অনেক বড় পাওয়ার। মানুষের সাথে মানুষের যোগযোগ থাকবে আবার মানুষের সাথে মানুষের মেলবন্ধনে সোসাইটি তৈরী হবে। সেই সোসাইটি এবং কম্যুনিটি পাওয়ার কে ভাংগার জন্য তারা একটি কুৎসিত সমাজ ব্যবস্থা তৈরী করে নিয়েছে যাকে বর্তমান বাংলাদেশে এ .... হোল নামে চিনে যা ধর্মীয় ভাবে কুৎসিত পন্থা। বাংগালী এতোই ভদ্রতার পরিচয় দিয়েছে যে: তাদেরকে ঘৃনা করে হাত নোংরা হবে বলে না মেরে এখন পস্তাইতাছে। 


থানা শাহবাগ ঢাকা ১১০০ তে জন্ম নেওয়া ২০১৩ সালের গনজাগরন আন্দোলনে একটি বিরোধী মহল ইন্টারনেটে এবং বাস্তবে এইটার একটা বিরোধিতা করে। এই মূহুর্তে হয়তো ৭০% দালাল (ফাসি) বা রাজাকার (ফাসি) কে হয়তো আজরাইলের বা বাংলাদেশ সরকারের ফাসির তলে যাইতে হয়েছে এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভেতরে যে সকল তালিকাগ্রস্থ দালাল রাজাকার এর সন্তান ছিলো  (সম্ভবত কর্মরত) এবং বাহিরে যারা রাজাকারের ফাসির বিরোধিতা করেছে তারা একজোট হয়ে একটা কম্যুনিটি গঠন করে বলে ইন্টারনেটে বসে বুঝতে পারি।  তাদের বর্তমানে কাজ হইতাছে সারা দিন ইন্টারনেটে বসে থেকে থেকে আমাদের দেশের জয় বাংলা পন্থীদের ক্ষতি করে যাওয়া যাকে তারা তাদের নিজস্ব কম্যুনিটি বলে প্রকাশ করে থাকে নিজেদের মধ্যে। তারা কখনো জনসম্মুক্ষেআসে না। প্রকাশ্য দিবালোকে কিছু বলে না। আবার টিভি ক্যামেরা বা সাংবাদিকদের সামেনও তারা কিছু বলতে সাহস পায় না। ফলে তারা একটি জাত গোখরার মতো হিডেন সোসাইটির রুপ ধারন করে বাংলাদেশের সমাজে বসে আছে। 


শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ সালের আন্দোলন থেকে দাবী জানানো হয়েছিলো যাদের বাবারা তালিকাগ্রস্থ দালাল রাজাকার তাদেরকে চাকুরী থেকে বহিস্কার করার জন্য। তখণ অনেকেই বলেছিলো যে: তাদের বাপ দাদারা দেশবিরোধী  রাজাকার ছিলো তারা তো আর রাজাকারি করে নাই।   মানব শরীরে রক্তে যদি কোন দোষ থাকে তাহলে পুরো শরীরের রক্তই পরিবর্তন করতে হয়। তেমনি বাংলাদেশের অন্ত্রে গা হয়েছিলো বাংলাদেশের সোসাইটিতে ১৯৭২ সাল থেকে দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি)  অবস্থানের কারনে। যেই ক্ষত নারানো হয়েছিলো কিছুটা ১৯৯০ এবং ২০১৩ সালের গনজাগরন আন্দোলনের মাধ্যমে কিন্তু সেই ক্ষত আজো রয়ে গেছে বাংলোদেশের সোসাইটিতে অনেক পরিমান দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) বেচে থাকার কারনে এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেতরে তাদের সন্তানদের অবস্থানের কারন। তারা যে আমাদের দেশের বিভিন্ন তথ্য সেই গনজাগরন বিরোধীতাকারী বা বহির্দেশীয় শতরুদের হাতে তুলে দিতাছে না তার কোন গ্যারান্টি নাই। প্রকাশ্য দিবালোকে মিথ্যা কাগজ পত্র প্রদর্শন করে সমানে বসবাস করে যাইতাছে আর বাংলাদেশ সরকার দেখেও না দেখার ভান করতাছে। 





শাহবাগ গনজাগরন থেকে উথ্থাপিত প্রতিটি দাবী যদি আপনি সফল না করেন তাহলে আপনি বাংলাদেশের অবমুক্তি কখনো দেখতে পারবেন না। ঘরের শতুর বিভীষন এর মতো সেই সরকারের ভেতরে অবস্তানকারীরা তাদের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরী করতাছে যাদের ও কাজ হবে একইরকম: দেশেল ভেথরে বসে গ্যানজাম তৈরী করা আর সারাক্ষন ইন্টারনেটে বসে নজরদারী ফলানো। আমাদের দেশের একটা মহল খুব রক্তচোখার মতো তারা তাদের ঝীবনের বিনিময়ে হলৌ বাংলোদেশের সমাজে দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) কে বসবাস করতে দিবে, খাইতে দিবে এমন কি যৌন সুবিধাও দিবে (শুনেছি রাজাকারদের (ফাসি) বাচ্চা হয় না কখনো) আর তাদের সন্তানদের (যাদের বৈধ জাতীয় পরিছয়পত্র নাই) দিন রাত ২৪ ঘন্টা ইন্টারনেটে বসে তাফালিং করতে দিবে - বর্তমানে সীম এবং মোবাইল ভেরিফিকেশন ছাড়া কাউকে ইন্টারনেট কানকেশন দেয়া হবে না বলে আইন প্রনেতারা কাজ করে যাইতাছে। 


কিন্তু আইএসপি (ISP- Internet Service Providers)দের মধ্যে অনেকেই আছে যারা জাতীয় পরিপয়পত্র নাম্বার ভৈরিফিকেশন ছাড়াই ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে থাকে। সামান্য কিছু টাকার জণ্য পুরো দেশের ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং বিশ্বের অন্যতম বড় ভার্চুয়াল ষ্টেশনের ইন্টারনেট ক্ষতি সাধরেন সামান্য তম হেসিটেট ফিল করে না। সামান্যতম দ্বিধাবোধও করে না যে বাংলাতে থাকতাছে, বাংলাতে খাইতাছে, বাংলাতে বসবাস করতাছে, বাংলাতে নি:শ্বাস নিতাছে কিন্তু বাংলার বিরোধিথাকারীদের ইন্টারনেট কানেকশনও দিতাছে। ৭১ এর দালাল রাজাকার এর ফাসি কার্যকর করার সাথে সাথে সেই ভয়ংকর বিষধর গ্ররপটাকে ও বাংলাদেশ থেকে উপড়ে পেলে দিতে হবে। বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়া বাংলাদেশে কাউকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেয়া হবে না- যদি অণ্য দেশেল নাগরিক হয় তাহলে তাদের কে সেই দেশের নাগরিকত্ব ডাটাবেজে ভেরিফিকেশণ করতে হবে , তাদের সেই দেশে ভোটার নাম্বার আছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখতে হবে। আর নয়তো এ ব্যাপারে বাংলাদেশে বৃহৎ আকারের আন্দোলন গড়ে তোলার ব্যাপারেও ভাবতে হবে কারন এইটা সারা দেশের ১০ কোটি মানুষের ইন্টারনেট নিরাপ্তার বিষয়। অনেক ধলনরে ইন্টারনেট ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে এই ধরননের অবৈধ নাগরিকেরা অনেক ধরনরে খারাপ ফ্যাসিলিটজ আদায় করতে পারে বা হয়তো প্রতিনিয়ত করে যাইতাছে। 


২০১৩ সালে ইন্টারনেট থেকে তৈরী হওয়া পৃথিবীর অন্যতম বড় গনজাগরন শাহবাগন গনজাগরন ২০১৩ এর বিরোীধিতাকারী কম্যুনিটি ইন্টারনেটে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে বলে অনেক সময় আমার কাছে মনে হয়। যদি তারা ইন্টারনেটে একটিভ থাকে তাহলে তারা বিশ্বের বিভিন্ন নামী দামী প্রতিষ্টানের কাছে উল্টা পাল্টা কাগজপত্র তৈরী করে এবং তা সাবমিটও করে থাকতে পারে যেখানে অনকে দেশের অনেক ফরেনার সোসাইটি না বুজে শাহবাগ গনজাগরনরে জণ্য প্রাপ্ত সুবিধাদি তাদের কে দিয়ে তাকতে পারে যে ব্যাপারে অনুসন্ধান করে সেগুলোর অলটারনেটিভ সিচুয়েশন ম্যানেজ করতে হবে। প্রয়োজনে সারা বিশ্বে অলটারনেটিভ ইন্টারনেট ব্যবস্থাও গ্রহন করা যেতে পারে।   জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বারের (বৈধ) উপর ভিত্তি করে আমাদের ও উচিত ইন্টারনেটে হাজার হাজার কম্যুনিটি গড়ে তোলা যেনো বাংলা মায়ের সন্তানেরা বাংলাদেশের জণ্য প্রাপ্ত সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে পারে। এক কথায় বাংলাদেশের জন্য প্রাপ্ত সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ধারী এককথায় বৈধ বাংলাদেশী ণাগরিক হতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশের নাম ব্যবহার করে দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) সন্তানেরা ইন্টারনেটে থেকে বিপুল পরিমানে ফ্যাসিলিটজ আদায় করে নিতাছে যা হয়তো আগামী ১০০ বছরেও রিকভার করা যাবে না্ আর ১০০ আগামী বছর তো আমরা বাচবোও না। এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিবে: 

  • Ministry of Technology. Peoples of the Government Republic of Bangladesh.
  • ISP Association of Bangladesh.
  • Cyber Cafe Owners Association of Bangladesh.
  • All types of Bangladeshi Internet society. 
স্বজ্ঞানে স্বইচ্চায় যে সকল আইএসপি মালিকেরা এই ধরনের দেশবিরোধী চক্রকে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করতাছে তারা এক কথায় বিশাল ক্ষতি করে যাইতাছে দেশের ভেতরে। সন্দেহ অনুযায়ী আসলেই দেশের সকল তথ্য বা ইনফরমেশন পাস হয়ে যাইতছে। প্রাইভেসী বা সিক্রেসী বলতে কিছুই থাকতাছে না। যে সকল মোবাইল কোম্পানীও এই ধরনের কাজ করতাছে তারাও আমাদের দেশের বিশাল ক্ষতি  করে যাইতাছে। 

আমি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়া আর বৈধ ইউরোপিয়ান এবং আমেরিকান ছাড়া বাকী সকলের ইন্টারনেট ব্যবহার লিমিট করার জন্য আহবান করি আর এই ব্যাপারে সকল ধরনের ইন্টারনেট সোসাইটির এক্টিভিটিও আশা করি। তাতে করে আমাদের মধ্যে পারস্পরিক সোশাল কমিউনিকেশন এবং ইন্টারনেট সোশাল মিডিয়া কম্যুনিটি গুলো দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) সন্তানদের দ্বারা তৈরী করা কুচক্রী মহল থেকে হেফাজত করা যাবে এবং ইন্টারনেটে বাংরাদেশের অবস্থান দিনে দিনে শক্ত হবে। 

(চলবে)

Tuesday, November 24, 2020

ফ্রি ল্যান্সার দের একটি আইডি কার্ড কখন দরকার ছিলো?

আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে ভার্চুয়াল আইডি কার্ড দেবার কথা ঘোষনা করেছে। অনলাইনে আবেদন করা স্বাপেক্ষে এই কার্ড পাওয়া যাইতে পারে। সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ে দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে এই কার্ড দেবার জণ্য অনুষ্টানের ও আয়োজন করেছে। কোন কিছু হলেই অনুষ্টানের আয়োজন করা বা খরচ করা - বাংলাদেশের একটা কালচার। পৌনে ছয় কোটি গরীব মানুষের দেশে বসবাস করে নিজেকে বড়লোক ভাবা বা বড়লোক ষ্টাইলে চলাফেরা করা - এই দেশের একটা অনৈতিক কালচার হয়ে দাড়িয়েছে। একাবর ভেবে দেখেছেন এই দেশের বিভিন্ন এমপি বা মন্ত্রীদেরকে প্রটোকল দিয়ে রাখতে হয় সিকিউরিটি বাহিণী- যদি কখনো কেউ কোথাও গনপিটা শুরু করে দেয় তার তো কোন ঠিক ঠিকানা নাই। আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত এমন কোন জন প্রতিনিধি নাই যে কিনা সহজ সরল ভাবে সকলেল সাথে মেলামেশা করতে পারে। অথছ যে দেশ আমাদেরকে বর্তমানে পাইওনিয়ার কার্ড দিতাছে- আয়ার ল্যান্ডের বিউয়ন্ডে- সে দেশের প্রধানমন্ত্রী সাইকেল চালিয়ে অফিসে আসে। পার্শ্ববর্তী দেশ ব্রিটেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বাংলাদেশে বেড়াতে এসে বা রোহিংগা মিবির পরিদর্শনে  এসে একাই একাই চলে এসছেন দুবাই পর্যন্ত। অনেক দিন আগে দেখেচিরাম: ভেনিজুয়েরার প্রেসিডেন্ট নিজের সবজির ক্ষেত থেকে শাক সবজি খেয়ে তাকেন। কোন এক মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট - রাস্তার পাশে দাড়িয়ে নামাজ পড়তেন এবং তার জামাও অনেক সময়ে ছেড়া থাকতো। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একা একা অনেক সমেয় হেটে বেড়ান। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাষ্টিন ট্রুডো প্রায়শই একা একা কয়েক জন সংগী নিয়ে ঘুরতে বের হোন। কিন্তু কখনো শুনেছেন বাংলাদেশের কোন মন্ত্রী রাস্তাঘাটে একা একা ঘুরে বেড়াইতাছেন। এইটা এমন এক দেশে যেখানে জন মানুষের নিরপাত্তা ও নাই- আবার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ও নিরাপত্তা নাই। 


একবার পত্রিকাতে দেখেছিলাম যে: ইউরোপ এবং আমেরিকাতে ইমিগ্রেশন সিটিজেন (এখন অবশ্য নতুন নিয়ম আসতাছে আরো: ধারনা করা হইতাছে করোনার ভয়াবহতায় ইউরোপ এবং আমেরিকা নতুন করে আর কোন ইমিগ্রেন্টকে এলাও করবে না তাদের দেশের স্বাস্থ্য বিধির কথা বিবেচনা করে)  বেড়ে যাবার কারনে সেখানকার নাগরিকদের বা জন পতিনিধিদের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়- তাদের দেশে তারা কোন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে না- নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে যখন তারা ইমিগ্রেন্টদের ধারে কাছে যায় তখন। তাহলে বুজেণ আমরা কেমন দেশে বসবাস করি যেখানে জনপ্রতিনিধিরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াতে পারে না- বলতে গেলে মানুষজন পাত্তাই দিতে চায় না। কালে ভদ্রে কয়েকজন আছে যারা সকলের সাথে মিলে মিলে চলা ফেরা করতে পারে। তেমনি ফ্রি ল্যান্সার রা কোন আলাদা জগতের মানুষ না। তারাও সকলের সাথে মিলে মিশে চলতে পারে। বাংলাদেশে আর কোন প্রফেশনের মানুষকে হয়তো রাত জেগে কাজ নাও করতে হতে পারে কিন্তু যারা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার তাকে অবশ্যই রাত জেগে নিজের হায়াত কমিয়ে শরীরকে শুকনা বানিয়ে সারা দিনে গুমিয়ে বা ঢুলু ঢুলু চোখে কাটিয়ে কাজ করতে হয়। (ক্লায়েন্ট ডিমান্ড অনুযায়ী কারন বাংলাদেশে যখন রাত যুক্তরাষ্ট্রে তখন দিন)।




মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার কে সারারাত জেগে কাজ করতে হয় বলে বাংলাদেশের সমাজে অনেকেই কটাক্ষ করে থাকেন যে : মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার রা বুঝি নাইট গার্ড । বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সার রা নাইট গার্ড হতে পারে তবে সেটা ইনফরমেশনের নাইট গার্ড, রাতভর দেশের ভেতরে বসে কাজ করার গার্ড বা রেমিটেন্সের নাইট গার্ড। কারন সারারাত ধরে কাজ করার জণ্য মার্কেটপ্লেসে যে ডলার জমা হয় সেটাইতো সুইফট বা রেমিটেন্স হিসাবে বাংলাদেশে এড হয়। তাহলে মার্কেটপ্লেসে ফ্রি ল্যান্সারদের প্রোফাইল একটা পরিচয়। আবার দ্বিতীয়ত : মার্কেটপ্লেসে ভেরিফায়েড ফ্রি ল্যান্সার হবার কারনে আপনার অতি অবশ্যই বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। কিন্তু অনেকেই যারা বৈধভাবে মার্কেটপ্লেসে ওয়েবসাইটে কাজ করে এসছেনে এবং নিজরে বড় ভাই বা বাবা বা মার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ব্যবহার করেছেন এখন তো তারাও সুযোগ পেয়ে যাবেন সরকারের দেয়া ভার্চুয়াল পরিচয়পত্র নেবার জন্য। আর যদি সেটা একটা শরমের বিষয় হয়ে দাড়ায় বা প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব যদি কারো বাবা বা মা বা বড়ভাই বোনদের কে প্র্ন করে বেস যে: আপনি কি কি কাজ করে রেমিটেন্স উপার্জন করেছেন তাহলে কি হাল হতে পারে? এইখানেই ২টা পরিচয়পত্র - মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল এবং ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান ওয়েভসাইট থেকে উপার্জনের কারনে বিদেশী সরকারের ডাটাবেজে থাকা ডব্লিউ ৮ ফরম যা আপনাকে অতি অবশ্যই পূরন করতে হবে যদি আপনি সরাসরি সুইফট ট্রনাজকেশন করতে চান। তারপরে আছে বাংলাদেশ ব্যাংকে এনরোলমেন্ট একজন রেমিটেন্স উপার্জন কারী হিসাবে। তাহলে এইখানে কতোগুলো পরিচয়পত্র তৈরী হলো: 


  1. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের প্রোফাইল
  2. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের ভেরিফিকেশন
  3. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের প্রোফাইল সিগনেচার
  4. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের এফিলিয়েশন ডিটেইলস
  5. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের ডব্লিউ ৮ ফরম
  6. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উপার্জনের রেকর্ড
  7. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উইথড্র রেকর্ড
  8. বাংলাদেশ ব্যাংকে রেমিটেন্স টাচের রেকর্ড
  9. প্রাইভেট ব্যাংকে রেমিটেন্স রিসিভিং ডিটেইলস
  10. প্রাইভেট ভ্যাংকের বেডিট বা ক্রেডিট কার্ড
  11. ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট পলিসি মাষ্টার কার্ড বা ভিসা কার্ড (পেপাল মাষ্টারকার্ড বা পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড বা স্ক্রিল ভেরিফিকেশন কার্ড)
  12. ক্ষেত্র বিশেষে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত বা ভেরিফাঢেয ডুয়াল কারেন্সী মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড যেখানে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার তো লাগবেই সেই সাথে লাগবে ভেরিফায়েড মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের এনডোর্সমেন্ট।
  13. লোকাল পেমেন্ট প্ররফ: ট্রানজেকশন নাম্বার বা ব্যাংক রিসিপট যেখানে আপনি প্রতিবার ট্রানজেকশন করার সময়ে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্যাট ট্যাক্স দিতাছেন।
  14. সর্বোপরি রয়ে গেছে : মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উইথড্র রেকর্ড সিরিয়াল নাম্বার এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ডলার ট্রনাজকেশন ট্রাক নম্বর বা সিরিয়াল নাম্বার। 

এতো এতো ডিটেইলস থাকার পরেও তি আপনার ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড ভার্চুয়াল কার্ড লাগবে। আমার লাগবে না কারন আমি এতো বড়  ফ্রি ল্যান্সার না যে সারা দেশে আমার নাম ফুটাতে হবে। আমার ভাই ব্রাদার বা পরিচিত মহল যদি আমাকে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে মূল্যায়ন করে তাতেই আমি ধন্য বা সন্তুষ্ট হবো। টাকা কামানোর নেশা আর ডলার কামানোর নেশা কখনো এক হতে পারে না- দুইটার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। একটা সময় ছিলো ২০০২-২০১১ পর্যন্ত যখন মানুষ রাস্তাঘাটে জিজ্ঞাসা করলে বলতে বা প্রমান করতে কষ্ট হতো যে ফ্রি ল্যান্সার পেশাটা কি বা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার দের কি কাজ? কারন তখণ তথ্য প্রমান ছিলো অনেক কম। ব্যবহার করতে হতো ইন্টারনেট ব্যাংকিং প্রথা ( যেমন: পেপাল, পাইওনিয়ার, স্ক্রিল, ওয়েভমানি, পারফেক্ট মানি, নেটেলার) এইগুলো। যখন ওডেস্কে প্রথম ডলার উপার্জন করি তখন যে মেথড গুলো ছিলো:
  • পেপাল বা স্ক্রিল
  • ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার
  • ব্যাংক চেক 
  • ইলেকট্রনিকস চেক। 
ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স আনতে স্বক্ষম এই কথা বিবেচনা করে যখন বাংলাদেশ ব্যাংক সুইফট ট্রনাজেকশন মেথড কে এলাও করে সেদিন থেকেই বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার রা সামাজিক ভাবে প্রতিষ্টিত। কারন বাংলাদেশের সকলেই জেনে গেছে বা জেনেছে যে: তারা বাংলাদেশে রেমিটেন্স এড করেছে এবং তাদের চারিকে নাম ডাকও  ছড়াইয়া পড়ে। বোংরাদেশী যারা মার্কেটপ্লেসে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করতো তারা বাংলাদেশ ভ্যাংকের সুইফট ট্রানজেকশন ব্যাপারটাকে সাদরে আমন্ত্রন জানায় কারন পেপালের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংক সামর্থ্য হয় নাই সেটাকে এড করার জণ্য । ফলে ব্যাংক সুইফট পদ্বতি ব্যাপাক সাড়া ফেলায় ফ্রি ল্যান্সার দের মধ্যে। আর সব ধরনের ক্লায়েন্টকে একটা মার্কেটপ্লেস নিয়ে আসার চেষ্টা করে সারা দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার রা : যেমন কেউ কেউ ওডেস্ক বা কেউ কেউ ইল্যান্স, এই প্রেশারটা ফরেনার রা পছন্দ করে নাই। ফরেনার রা এমন ধরনের প্রেশারের কারনে বোধ করি পরবর্তীকালে ফাপড়বাজ ফ্রি ল্যান্সারদের কারেন তৈরী হয় ওডেস্ক এবং ইল্যান্স বিহীন একটা মার্কেটপ্লেস। আমি ২০১১ সালে একসাথে সব একাউন্ট হ্যাকড হয় এবং সেদিন থেকে একটি মার্কেটপ্লেসের সদস্যপদ গ্রহন করি যেখান থেকে কোন দেশের রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে উইথড্র করা যাবে না। তারা তাদের ক্লিন ইমেজের জণ্য এই পলিসি গ্রহন করে এবং  এই মূহুর্তে  তারা এই বিশ্বের সেরা মার্কেটপ্লেস। তারা তাদের নিজেদের তৈরী একটা ব্যাংক এর মাধ্যমে সব লেনাদেনা কন্ট্রোল করে।  


২০০২- ২০১১ পর্যন্ত সুইফট ট্রাজেকশন এড হবার আগে পাইওনিয়ার কার্ড ও বিমাল ভুমিকা রাখে। বিশেষ করে পাইওনিয়ার কার্ডে নিজের নাম এবং কোম্পানীর নাম একসাথে দেয়া তাকে বিধায় যে কেউ যে কোন খানে যে কোন ভাবে নিজেকে পরিচয় করাতে পারে। কিন্তু মাঝে সুযোগ নেয়া শুরু করে : একম্যেনীর ফাপড়বাজ লোকজন। এক ডলারও উপার্জন করে নাই কখনো তারা ফ্রি ল্যান্সার দের উপরে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে সাহায্য কের। এক ডলারও উপার্জন করে নাই এরকম লোকজনের সাথে যারা চলাফেরা করে তারা প্রথমেই জনমনে আস্থা হারিয়ে ফেলে। যুদ্ব বিগ্রহ জাতি বাংগালী। খুবই সতর্কতা আর নৈপুণ্যতার সাথেই দেশ থেকে শতরু কে পরাস্থ করে পরাজিত করে ক্ষমা প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয়- তাদের সাথে তো আর যাই হোক প্রতারনা করতে পারবে না কেউ? এ্কই সাথে এখনকার দিনে অনেক ফ্রি ল্যান্সার প্রকাশ্য দিবালোকে টাকা চাইতেও শুরু করে। ফলে যারা ইন্টারনটে ডিষ্ট্রিবিউশন এর সাথে জড়িত তারা পড়ে যায় ব্যাপক প্রেশারে? গ্রামের সহজ সরল মুক্তিযোদ্বাদের অনুমতি নেয়া এবং বুঝাইতে যাইয়া যথেস্ট বেগ পাওয়া শুরু হয়। এই ফাপড়বাজ দের কারনে গ্রামের সহজ সরল যাদেরকে তারা অনেক সময় ভুখা নাংগা (মাফ করবেন আমাকে) বলে অপমান করে - তাদের দ্বারে আজো ইন্টারনেট টাকে নিয়ে যাওয়া সহজ হয় নাই। তাদের কে ৭১ এ  যারা মেরেছে ভুখা নাংগা বলে- তাদের কে বলা হয় গনহত্যার আসামী যার সব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। 


২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরন চলাকালীণ সময়ে ইন্টারনেটে দেখতে পাই যারা ৭১ এ বাংলাদেশে গনহত্যা চালায় তারা যেনো ক্ষমা চায়। সকলেই বিশ্বাস করে গসজাগরনরে শক্তির কাছে তারা পরাস্থ হয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষমা চাইবে যা যে কোন যুদ্বে বিজয়ী জাতি আশা করে থাকে। কিন্তু সেখানে নাম ধারী কিছু ফ্রি ল্যান্সার জয় বাংলা কে পশ্চাদপদ প্রদর্শন করে তাদের সাথে চলাফেরা উঠা বসা এবং এমনকি ব্যবসায়িক লেনাদেনা ও শুরু করে। ২০১১ সালে যেদিন কায়রো গনজাগরন থেকে সিদ্বান্ত আসে যে: বাংলাদেশে পেপাল চালু হবে (যেখানে বিশ্বের সব দেশের বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের নামও দেখায়- সেখানে বাংলাদেশে টেষ্টিং ফেজে প্রথম দিনই নাকি সেন্ড মানি করা হয় বাংলোদেশের ভেতর থেকে শতরুদের কাছে বলে শুনেছি- সত্যথা যাচাই করে নিতে হবে) যার কারনে মনে হয় বাংলাদেশে এখন আর পার হেড আইপি পায় না পেপাল আর তাদের সারা বিশ্ব ব্যাপী ব্যবসাও শুরু করতে পারে নাই বাংলাদেশে। অনেক ফরেন বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা আইসা জিজ্ঞাসা করে : তোমার আইপি এড্রস কতো? বিভিন্ন কাজের জন্য - যখন বলি যে আমাদের তো পার হেড আইপি নাই তখন অনেকেই হেসে দিতো।  একটা দেশে কোটি কোটি মানুষ ইন্টারনটে ব্যবহার করে অথচ প্রত্যেকরে নিজস্ব আই পি এড্রস নাই। ব্যাপারটা কতো বড় হাস্যকর। উন্নতির চেয়ে অবনতি হয়ে গেলো বেশী। একটা পারসোনাল আইপি  দিয়ে কতো ধরনের কাজ হয় ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে তা আর বলা অপেক্ষা রাখে না? 


একটা সময় যখণ বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং ইনডাষ্ট্রিজ কে প্রতিষ্টিত করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে তখন অনেক ধরনরে বাধা ছিলো। সরকারি আমলাদেরকেও তাদের অফিসে যাইয়া বসে বুঝাতে হয়েছে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং কি আর আমরা কিভাব েসে কাজ করতাছি। প্রথমত শুধু ইন্টারনেট ব্যাংক গুলোই ভরসা ছিলো। অনেকেই বলেছে ফ্রড বা ডিসেকসান বা দুই নাম্বারি এবং যা তা অযথা। কিন্তু আজকে দেখা যাইতাছে : সারা দেশ জুগে ফেসবুকে অজস্র দুই নাম্বারি আক্রমন করে বেসেছ। এই কোর্স করবেন কিনা, সেই কোর্স করবেন কনিা, ঘরে বসে উপার্জন করবেন কিনা বা আজকেই ফ্রি ল্যান্সার হয়ে যাবেন কিনা বা কোটিপতি হবেন কিনা- নানা ধরনের অফার । ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়। দেশের ফ্রি ল্যান্সারদের এখন অনেকটাই বাজে অবস্থা। তো সেই ষ্ট্রাগলের সময়টাতেই দরকার ছিলো ফ্রি ল্যান্সারদের আইডি কার্ড যখন রাস্তা ঘাটে মানুস জন আটকাতো কিংবা যখন ঢাকা শহরের যে কোন মেয়ে উপার্জনের খতা শুনে নানা ধরনরে কটু কথা শুনে রাস্তাতে নেমে আসতো, যখন রাজধানী শহরের রাস্তাতে দাড়িয়ে দাড়িয়ে বা গাড়ির বনেটের উপরে উবু হয়ে ঝুকে ল্যাপটপ কম্পিউচটার ব্যবহার করতো আর একসাতে হইলেই ডিসকাসন শুরু হয়ে যাইতো। আসলে এই জগতটা প্রতিষ্টার জন্য যাদের অবদান সবচেয়ে বেশী তাদের কে সবসময় পর্দার আড়ালেই থাকতে হবে কারন তাদের চোহার বাংলাদেশের প্রথম দিককার ফ্রি ল্যান্সার রা ছাড়া আর কেউ চিনে না। আর আজকে এমন ধরনের লোক জন ফ্রি ল্যান্সার দের উপরে মাথার চড়ি ঘোরায় যাদের কিনা ফেসবুক একাউন্ট ই নাই বা কোন মার্কেটপ্লেসে কোন একাউন্ট নাই বা ১ ডলার উপার্জনের রেকর্ড ও নাই।