Translate

Wednesday, November 25, 2020

সোশাল কমিউনিকেশন এবং ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া কম্যুনিটি বলতে কি বোঝেন?

সোশাল কমিউনিকেশন বলতে সাধানত বোঝানো হয় একটা সোসাইটিতে সকলের সাথে যোগাযোগ রাখা। বাংলাদেশে অনেক ধরনের সোসাইটি আছে। বাংলাদেশে কিছু কিছু সোসাইটির অনেক খারাপ মিনিংও আছে। কয়েকজন মিলে উল্লেখযোগ্য একটা সংখ্যা হলে সেখানে একটি সোসাইটি বা কম্যুনিটি ফর্ম করা যায়। যখন ছোট ছিলাম তখন একটা শব্দ প্রায়শই শুনতাম বাংলাদেশে যে : সোসাইটি গার্লদের কাছ থেকে যেনো দূরে থাকা হয়। কারন জিজ্ঞাসা করলে বলতো খারাপ। তখনকার দিনে যতোটুকু বুঝেছি তাতে যা বোঝলাম সোসাইটি গার্ল রা সবার সাথে মেলামেশা করে এই ব্যাপারটাকে বাংলাদেশের একটা মহল খারাপ মনে করে। কয়েকজন সোসাইটি গার্লের সাথে পরিচিতও হলাম এবং বুঝতে পারলাম যে তারা ফ্রিডম ভালোবাসে। পরে যারা খারাপ বলতো তাদের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে জানলাম তারা বাংলাদেশের নাগরিক না। ছলে বলে কৌশলে এবং দুই নম্বরি ওয়েতে এখনো বাংলাদেশে টিকে আছে। তারা এসেছে আমাদের দেশের শতরু দেশ থেকে।  তারা বাংলাদেশ কে তাদের নিজেদের দেশ মনে করে অথচ বর্তমানে আমাদের এই দেশে তাদের বসবাস করার কোন অুনমতি নাই। তাদের কোন বৈধ নাগরিকত্ব নাই এবং বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ও নাই। তারা বাংলাদেশে বেচে থাকার জন্য বা অবস্থান করার জন্য যে কাগজপত্র গুলো শো করে সেগুলো আমাদের শতরু দেশের কাগজপত্র এবং খোজ নিতে গেলে জানতে পারবেন যে: সেই সকল কাগজপতত্রেরও সেই দেশে কোন বৈধতা নাই।


বাংলাদেশ সরকারকে এক ধরনের বোকা বানিয়ে তারা দিনের পর দিন বসবাস করে যাইতাছে আর যতো ধরনের আকাম, কুকাম আছে তা তারা করে যাইতাছে। কিছু বলতে গেলে তারা একটা অবৈধ নাগরিকদের সমাজ দেখায় যারা বাংলাদেশে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছে ১৯৯০ ( ৯০ এর গনজাগরন। ৭১ এর  দেশবিরোধী দালাল/রাজাকারের ফাসি)  সালে বা ২০১৩ সালে (শাহবাগ গনজাগরন। ৭১ এর  দেশবিরোধী দালাল/রাজাকারের ফাসি)  আবার  তারাই নাটক সিনেমা পাড়ার মেয়েদেরকে খারাপ বা বাজে মন্তব্য করতো আর আড়ালে আবডালে নিজেরা খারাপ কাজ করে বেড়াতো। তারা বুঝতে পেরেছিলো যে: বাংলাদেশে কম্যুনিটি পাওয়ার অনেক বড় পাওয়ার। মানুষের সাথে মানুষের যোগযোগ থাকবে আবার মানুষের সাথে মানুষের মেলবন্ধনে সোসাইটি তৈরী হবে। সেই সোসাইটি এবং কম্যুনিটি পাওয়ার কে ভাংগার জন্য তারা একটি কুৎসিত সমাজ ব্যবস্থা তৈরী করে নিয়েছে যাকে বর্তমান বাংলাদেশে এ .... হোল নামে চিনে যা ধর্মীয় ভাবে কুৎসিত পন্থা। বাংগালী এতোই ভদ্রতার পরিচয় দিয়েছে যে: তাদেরকে ঘৃনা করে হাত নোংরা হবে বলে না মেরে এখন পস্তাইতাছে। 


থানা শাহবাগ ঢাকা ১১০০ তে জন্ম নেওয়া ২০১৩ সালের গনজাগরন আন্দোলনে একটি বিরোধী মহল ইন্টারনেটে এবং বাস্তবে এইটার একটা বিরোধিতা করে। এই মূহুর্তে হয়তো ৭০% দালাল (ফাসি) বা রাজাকার (ফাসি) কে হয়তো আজরাইলের বা বাংলাদেশ সরকারের ফাসির তলে যাইতে হয়েছে এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভেতরে যে সকল তালিকাগ্রস্থ দালাল রাজাকার এর সন্তান ছিলো  (সম্ভবত কর্মরত) এবং বাহিরে যারা রাজাকারের ফাসির বিরোধিতা করেছে তারা একজোট হয়ে একটা কম্যুনিটি গঠন করে বলে ইন্টারনেটে বসে বুঝতে পারি।  তাদের বর্তমানে কাজ হইতাছে সারা দিন ইন্টারনেটে বসে থেকে থেকে আমাদের দেশের জয় বাংলা পন্থীদের ক্ষতি করে যাওয়া যাকে তারা তাদের নিজস্ব কম্যুনিটি বলে প্রকাশ করে থাকে নিজেদের মধ্যে। তারা কখনো জনসম্মুক্ষেআসে না। প্রকাশ্য দিবালোকে কিছু বলে না। আবার টিভি ক্যামেরা বা সাংবাদিকদের সামেনও তারা কিছু বলতে সাহস পায় না। ফলে তারা একটি জাত গোখরার মতো হিডেন সোসাইটির রুপ ধারন করে বাংলাদেশের সমাজে বসে আছে। 


শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ সালের আন্দোলন থেকে দাবী জানানো হয়েছিলো যাদের বাবারা তালিকাগ্রস্থ দালাল রাজাকার তাদেরকে চাকুরী থেকে বহিস্কার করার জন্য। তখণ অনেকেই বলেছিলো যে: তাদের বাপ দাদারা দেশবিরোধী  রাজাকার ছিলো তারা তো আর রাজাকারি করে নাই।   মানব শরীরে রক্তে যদি কোন দোষ থাকে তাহলে পুরো শরীরের রক্তই পরিবর্তন করতে হয়। তেমনি বাংলাদেশের অন্ত্রে গা হয়েছিলো বাংলাদেশের সোসাইটিতে ১৯৭২ সাল থেকে দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি)  অবস্থানের কারনে। যেই ক্ষত নারানো হয়েছিলো কিছুটা ১৯৯০ এবং ২০১৩ সালের গনজাগরন আন্দোলনের মাধ্যমে কিন্তু সেই ক্ষত আজো রয়ে গেছে বাংলোদেশের সোসাইটিতে অনেক পরিমান দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) বেচে থাকার কারনে এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেতরে তাদের সন্তানদের অবস্থানের কারন। তারা যে আমাদের দেশের বিভিন্ন তথ্য সেই গনজাগরন বিরোধীতাকারী বা বহির্দেশীয় শতরুদের হাতে তুলে দিতাছে না তার কোন গ্যারান্টি নাই। প্রকাশ্য দিবালোকে মিথ্যা কাগজ পত্র প্রদর্শন করে সমানে বসবাস করে যাইতাছে আর বাংলাদেশ সরকার দেখেও না দেখার ভান করতাছে। 





শাহবাগ গনজাগরন থেকে উথ্থাপিত প্রতিটি দাবী যদি আপনি সফল না করেন তাহলে আপনি বাংলাদেশের অবমুক্তি কখনো দেখতে পারবেন না। ঘরের শতুর বিভীষন এর মতো সেই সরকারের ভেতরে অবস্তানকারীরা তাদের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরী করতাছে যাদের ও কাজ হবে একইরকম: দেশেল ভেথরে বসে গ্যানজাম তৈরী করা আর সারাক্ষন ইন্টারনেটে বসে নজরদারী ফলানো। আমাদের দেশের একটা মহল খুব রক্তচোখার মতো তারা তাদের ঝীবনের বিনিময়ে হলৌ বাংলোদেশের সমাজে দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) কে বসবাস করতে দিবে, খাইতে দিবে এমন কি যৌন সুবিধাও দিবে (শুনেছি রাজাকারদের (ফাসি) বাচ্চা হয় না কখনো) আর তাদের সন্তানদের (যাদের বৈধ জাতীয় পরিছয়পত্র নাই) দিন রাত ২৪ ঘন্টা ইন্টারনেটে বসে তাফালিং করতে দিবে - বর্তমানে সীম এবং মোবাইল ভেরিফিকেশন ছাড়া কাউকে ইন্টারনেট কানকেশন দেয়া হবে না বলে আইন প্রনেতারা কাজ করে যাইতাছে। 


কিন্তু আইএসপি (ISP- Internet Service Providers)দের মধ্যে অনেকেই আছে যারা জাতীয় পরিপয়পত্র নাম্বার ভৈরিফিকেশন ছাড়াই ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে থাকে। সামান্য কিছু টাকার জণ্য পুরো দেশের ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং বিশ্বের অন্যতম বড় ভার্চুয়াল ষ্টেশনের ইন্টারনেট ক্ষতি সাধরেন সামান্য তম হেসিটেট ফিল করে না। সামান্যতম দ্বিধাবোধও করে না যে বাংলাতে থাকতাছে, বাংলাতে খাইতাছে, বাংলাতে বসবাস করতাছে, বাংলাতে নি:শ্বাস নিতাছে কিন্তু বাংলার বিরোধিথাকারীদের ইন্টারনেট কানেকশনও দিতাছে। ৭১ এর দালাল রাজাকার এর ফাসি কার্যকর করার সাথে সাথে সেই ভয়ংকর বিষধর গ্ররপটাকে ও বাংলাদেশ থেকে উপড়ে পেলে দিতে হবে। বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়া বাংলাদেশে কাউকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেয়া হবে না- যদি অণ্য দেশেল নাগরিক হয় তাহলে তাদের কে সেই দেশের নাগরিকত্ব ডাটাবেজে ভেরিফিকেশণ করতে হবে , তাদের সেই দেশে ভোটার নাম্বার আছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখতে হবে। আর নয়তো এ ব্যাপারে বাংলাদেশে বৃহৎ আকারের আন্দোলন গড়ে তোলার ব্যাপারেও ভাবতে হবে কারন এইটা সারা দেশের ১০ কোটি মানুষের ইন্টারনেট নিরাপ্তার বিষয়। অনেক ধলনরে ইন্টারনেট ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে এই ধরননের অবৈধ নাগরিকেরা অনেক ধরনরে খারাপ ফ্যাসিলিটজ আদায় করতে পারে বা হয়তো প্রতিনিয়ত করে যাইতাছে। 


২০১৩ সালে ইন্টারনেট থেকে তৈরী হওয়া পৃথিবীর অন্যতম বড় গনজাগরন শাহবাগন গনজাগরন ২০১৩ এর বিরোীধিতাকারী কম্যুনিটি ইন্টারনেটে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে বলে অনেক সময় আমার কাছে মনে হয়। যদি তারা ইন্টারনেটে একটিভ থাকে তাহলে তারা বিশ্বের বিভিন্ন নামী দামী প্রতিষ্টানের কাছে উল্টা পাল্টা কাগজপত্র তৈরী করে এবং তা সাবমিটও করে থাকতে পারে যেখানে অনকে দেশের অনেক ফরেনার সোসাইটি না বুজে শাহবাগ গনজাগরনরে জণ্য প্রাপ্ত সুবিধাদি তাদের কে দিয়ে তাকতে পারে যে ব্যাপারে অনুসন্ধান করে সেগুলোর অলটারনেটিভ সিচুয়েশন ম্যানেজ করতে হবে। প্রয়োজনে সারা বিশ্বে অলটারনেটিভ ইন্টারনেট ব্যবস্থাও গ্রহন করা যেতে পারে।   জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বারের (বৈধ) উপর ভিত্তি করে আমাদের ও উচিত ইন্টারনেটে হাজার হাজার কম্যুনিটি গড়ে তোলা যেনো বাংলা মায়ের সন্তানেরা বাংলাদেশের জণ্য প্রাপ্ত সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে পারে। এক কথায় বাংলাদেশের জন্য প্রাপ্ত সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ধারী এককথায় বৈধ বাংলাদেশী ণাগরিক হতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশের নাম ব্যবহার করে দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) সন্তানেরা ইন্টারনেটে থেকে বিপুল পরিমানে ফ্যাসিলিটজ আদায় করে নিতাছে যা হয়তো আগামী ১০০ বছরেও রিকভার করা যাবে না্ আর ১০০ আগামী বছর তো আমরা বাচবোও না। এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিবে: 

  • Ministry of Technology. Peoples of the Government Republic of Bangladesh.
  • ISP Association of Bangladesh.
  • Cyber Cafe Owners Association of Bangladesh.
  • All types of Bangladeshi Internet society. 
স্বজ্ঞানে স্বইচ্চায় যে সকল আইএসপি মালিকেরা এই ধরনের দেশবিরোধী চক্রকে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করতাছে তারা এক কথায় বিশাল ক্ষতি করে যাইতাছে দেশের ভেতরে। সন্দেহ অনুযায়ী আসলেই দেশের সকল তথ্য বা ইনফরমেশন পাস হয়ে যাইতছে। প্রাইভেসী বা সিক্রেসী বলতে কিছুই থাকতাছে না। যে সকল মোবাইল কোম্পানীও এই ধরনের কাজ করতাছে তারাও আমাদের দেশের বিশাল ক্ষতি  করে যাইতাছে। 

আমি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়া আর বৈধ ইউরোপিয়ান এবং আমেরিকান ছাড়া বাকী সকলের ইন্টারনেট ব্যবহার লিমিট করার জন্য আহবান করি আর এই ব্যাপারে সকল ধরনের ইন্টারনেট সোসাইটির এক্টিভিটিও আশা করি। তাতে করে আমাদের মধ্যে পারস্পরিক সোশাল কমিউনিকেশন এবং ইন্টারনেট সোশাল মিডিয়া কম্যুনিটি গুলো দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) সন্তানদের দ্বারা তৈরী করা কুচক্রী মহল থেকে হেফাজত করা যাবে এবং ইন্টারনেটে বাংরাদেশের অবস্থান দিনে দিনে শক্ত হবে। 

(চলবে)

Tuesday, November 24, 2020

ফ্রি ল্যান্সার দের একটি আইডি কার্ড কখন দরকার ছিলো?

আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে ভার্চুয়াল আইডি কার্ড দেবার কথা ঘোষনা করেছে। অনলাইনে আবেদন করা স্বাপেক্ষে এই কার্ড পাওয়া যাইতে পারে। সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ে দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে এই কার্ড দেবার জণ্য অনুষ্টানের ও আয়োজন করেছে। কোন কিছু হলেই অনুষ্টানের আয়োজন করা বা খরচ করা - বাংলাদেশের একটা কালচার। পৌনে ছয় কোটি গরীব মানুষের দেশে বসবাস করে নিজেকে বড়লোক ভাবা বা বড়লোক ষ্টাইলে চলাফেরা করা - এই দেশের একটা অনৈতিক কালচার হয়ে দাড়িয়েছে। একাবর ভেবে দেখেছেন এই দেশের বিভিন্ন এমপি বা মন্ত্রীদেরকে প্রটোকল দিয়ে রাখতে হয় সিকিউরিটি বাহিণী- যদি কখনো কেউ কোথাও গনপিটা শুরু করে দেয় তার তো কোন ঠিক ঠিকানা নাই। আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত এমন কোন জন প্রতিনিধি নাই যে কিনা সহজ সরল ভাবে সকলেল সাথে মেলামেশা করতে পারে। অথছ যে দেশ আমাদেরকে বর্তমানে পাইওনিয়ার কার্ড দিতাছে- আয়ার ল্যান্ডের বিউয়ন্ডে- সে দেশের প্রধানমন্ত্রী সাইকেল চালিয়ে অফিসে আসে। পার্শ্ববর্তী দেশ ব্রিটেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বাংলাদেশে বেড়াতে এসে বা রোহিংগা মিবির পরিদর্শনে  এসে একাই একাই চলে এসছেন দুবাই পর্যন্ত। অনেক দিন আগে দেখেচিরাম: ভেনিজুয়েরার প্রেসিডেন্ট নিজের সবজির ক্ষেত থেকে শাক সবজি খেয়ে তাকেন। কোন এক মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট - রাস্তার পাশে দাড়িয়ে নামাজ পড়তেন এবং তার জামাও অনেক সময়ে ছেড়া থাকতো। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একা একা অনেক সমেয় হেটে বেড়ান। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাষ্টিন ট্রুডো প্রায়শই একা একা কয়েক জন সংগী নিয়ে ঘুরতে বের হোন। কিন্তু কখনো শুনেছেন বাংলাদেশের কোন মন্ত্রী রাস্তাঘাটে একা একা ঘুরে বেড়াইতাছেন। এইটা এমন এক দেশে যেখানে জন মানুষের নিরপাত্তা ও নাই- আবার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ও নিরাপত্তা নাই। 


একবার পত্রিকাতে দেখেছিলাম যে: ইউরোপ এবং আমেরিকাতে ইমিগ্রেশন সিটিজেন (এখন অবশ্য নতুন নিয়ম আসতাছে আরো: ধারনা করা হইতাছে করোনার ভয়াবহতায় ইউরোপ এবং আমেরিকা নতুন করে আর কোন ইমিগ্রেন্টকে এলাও করবে না তাদের দেশের স্বাস্থ্য বিধির কথা বিবেচনা করে)  বেড়ে যাবার কারনে সেখানকার নাগরিকদের বা জন পতিনিধিদের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়- তাদের দেশে তারা কোন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে না- নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে যখন তারা ইমিগ্রেন্টদের ধারে কাছে যায় তখন। তাহলে বুজেণ আমরা কেমন দেশে বসবাস করি যেখানে জনপ্রতিনিধিরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াতে পারে না- বলতে গেলে মানুষজন পাত্তাই দিতে চায় না। কালে ভদ্রে কয়েকজন আছে যারা সকলের সাথে মিলে মিলে চলা ফেরা করতে পারে। তেমনি ফ্রি ল্যান্সার রা কোন আলাদা জগতের মানুষ না। তারাও সকলের সাথে মিলে মিশে চলতে পারে। বাংলাদেশে আর কোন প্রফেশনের মানুষকে হয়তো রাত জেগে কাজ নাও করতে হতে পারে কিন্তু যারা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার তাকে অবশ্যই রাত জেগে নিজের হায়াত কমিয়ে শরীরকে শুকনা বানিয়ে সারা দিনে গুমিয়ে বা ঢুলু ঢুলু চোখে কাটিয়ে কাজ করতে হয়। (ক্লায়েন্ট ডিমান্ড অনুযায়ী কারন বাংলাদেশে যখন রাত যুক্তরাষ্ট্রে তখন দিন)।




মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার কে সারারাত জেগে কাজ করতে হয় বলে বাংলাদেশের সমাজে অনেকেই কটাক্ষ করে থাকেন যে : মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার রা বুঝি নাইট গার্ড । বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সার রা নাইট গার্ড হতে পারে তবে সেটা ইনফরমেশনের নাইট গার্ড, রাতভর দেশের ভেতরে বসে কাজ করার গার্ড বা রেমিটেন্সের নাইট গার্ড। কারন সারারাত ধরে কাজ করার জণ্য মার্কেটপ্লেসে যে ডলার জমা হয় সেটাইতো সুইফট বা রেমিটেন্স হিসাবে বাংলাদেশে এড হয়। তাহলে মার্কেটপ্লেসে ফ্রি ল্যান্সারদের প্রোফাইল একটা পরিচয়। আবার দ্বিতীয়ত : মার্কেটপ্লেসে ভেরিফায়েড ফ্রি ল্যান্সার হবার কারনে আপনার অতি অবশ্যই বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। কিন্তু অনেকেই যারা বৈধভাবে মার্কেটপ্লেসে ওয়েবসাইটে কাজ করে এসছেনে এবং নিজরে বড় ভাই বা বাবা বা মার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ব্যবহার করেছেন এখন তো তারাও সুযোগ পেয়ে যাবেন সরকারের দেয়া ভার্চুয়াল পরিচয়পত্র নেবার জন্য। আর যদি সেটা একটা শরমের বিষয় হয়ে দাড়ায় বা প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব যদি কারো বাবা বা মা বা বড়ভাই বোনদের কে প্র্ন করে বেস যে: আপনি কি কি কাজ করে রেমিটেন্স উপার্জন করেছেন তাহলে কি হাল হতে পারে? এইখানেই ২টা পরিচয়পত্র - মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল এবং ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান ওয়েভসাইট থেকে উপার্জনের কারনে বিদেশী সরকারের ডাটাবেজে থাকা ডব্লিউ ৮ ফরম যা আপনাকে অতি অবশ্যই পূরন করতে হবে যদি আপনি সরাসরি সুইফট ট্রনাজকেশন করতে চান। তারপরে আছে বাংলাদেশ ব্যাংকে এনরোলমেন্ট একজন রেমিটেন্স উপার্জন কারী হিসাবে। তাহলে এইখানে কতোগুলো পরিচয়পত্র তৈরী হলো: 


  1. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের প্রোফাইল
  2. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের ভেরিফিকেশন
  3. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের প্রোফাইল সিগনেচার
  4. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের এফিলিয়েশন ডিটেইলস
  5. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের ডব্লিউ ৮ ফরম
  6. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উপার্জনের রেকর্ড
  7. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উইথড্র রেকর্ড
  8. বাংলাদেশ ব্যাংকে রেমিটেন্স টাচের রেকর্ড
  9. প্রাইভেট ব্যাংকে রেমিটেন্স রিসিভিং ডিটেইলস
  10. প্রাইভেট ভ্যাংকের বেডিট বা ক্রেডিট কার্ড
  11. ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট পলিসি মাষ্টার কার্ড বা ভিসা কার্ড (পেপাল মাষ্টারকার্ড বা পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড বা স্ক্রিল ভেরিফিকেশন কার্ড)
  12. ক্ষেত্র বিশেষে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত বা ভেরিফাঢেয ডুয়াল কারেন্সী মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড যেখানে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার তো লাগবেই সেই সাথে লাগবে ভেরিফায়েড মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের এনডোর্সমেন্ট।
  13. লোকাল পেমেন্ট প্ররফ: ট্রানজেকশন নাম্বার বা ব্যাংক রিসিপট যেখানে আপনি প্রতিবার ট্রানজেকশন করার সময়ে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্যাট ট্যাক্স দিতাছেন।
  14. সর্বোপরি রয়ে গেছে : মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের উইথড্র রেকর্ড সিরিয়াল নাম্বার এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ডলার ট্রনাজকেশন ট্রাক নম্বর বা সিরিয়াল নাম্বার। 

এতো এতো ডিটেইলস থাকার পরেও তি আপনার ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড ভার্চুয়াল কার্ড লাগবে। আমার লাগবে না কারন আমি এতো বড়  ফ্রি ল্যান্সার না যে সারা দেশে আমার নাম ফুটাতে হবে। আমার ভাই ব্রাদার বা পরিচিত মহল যদি আমাকে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে মূল্যায়ন করে তাতেই আমি ধন্য বা সন্তুষ্ট হবো। টাকা কামানোর নেশা আর ডলার কামানোর নেশা কখনো এক হতে পারে না- দুইটার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। একটা সময় ছিলো ২০০২-২০১১ পর্যন্ত যখন মানুষ রাস্তাঘাটে জিজ্ঞাসা করলে বলতে বা প্রমান করতে কষ্ট হতো যে ফ্রি ল্যান্সার পেশাটা কি বা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার দের কি কাজ? কারন তখণ তথ্য প্রমান ছিলো অনেক কম। ব্যবহার করতে হতো ইন্টারনেট ব্যাংকিং প্রথা ( যেমন: পেপাল, পাইওনিয়ার, স্ক্রিল, ওয়েভমানি, পারফেক্ট মানি, নেটেলার) এইগুলো। যখন ওডেস্কে প্রথম ডলার উপার্জন করি তখন যে মেথড গুলো ছিলো:
  • পেপাল বা স্ক্রিল
  • ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার
  • ব্যাংক চেক 
  • ইলেকট্রনিকস চেক। 
ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স আনতে স্বক্ষম এই কথা বিবেচনা করে যখন বাংলাদেশ ব্যাংক সুইফট ট্রনাজেকশন মেথড কে এলাও করে সেদিন থেকেই বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার রা সামাজিক ভাবে প্রতিষ্টিত। কারন বাংলাদেশের সকলেই জেনে গেছে বা জেনেছে যে: তারা বাংলাদেশে রেমিটেন্স এড করেছে এবং তাদের চারিকে নাম ডাকও  ছড়াইয়া পড়ে। বোংরাদেশী যারা মার্কেটপ্লেসে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করতো তারা বাংলাদেশ ভ্যাংকের সুইফট ট্রানজেকশন ব্যাপারটাকে সাদরে আমন্ত্রন জানায় কারন পেপালের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংক সামর্থ্য হয় নাই সেটাকে এড করার জণ্য । ফলে ব্যাংক সুইফট পদ্বতি ব্যাপাক সাড়া ফেলায় ফ্রি ল্যান্সার দের মধ্যে। আর সব ধরনের ক্লায়েন্টকে একটা মার্কেটপ্লেস নিয়ে আসার চেষ্টা করে সারা দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার রা : যেমন কেউ কেউ ওডেস্ক বা কেউ কেউ ইল্যান্স, এই প্রেশারটা ফরেনার রা পছন্দ করে নাই। ফরেনার রা এমন ধরনের প্রেশারের কারনে বোধ করি পরবর্তীকালে ফাপড়বাজ ফ্রি ল্যান্সারদের কারেন তৈরী হয় ওডেস্ক এবং ইল্যান্স বিহীন একটা মার্কেটপ্লেস। আমি ২০১১ সালে একসাথে সব একাউন্ট হ্যাকড হয় এবং সেদিন থেকে একটি মার্কেটপ্লেসের সদস্যপদ গ্রহন করি যেখান থেকে কোন দেশের রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে উইথড্র করা যাবে না। তারা তাদের ক্লিন ইমেজের জণ্য এই পলিসি গ্রহন করে এবং  এই মূহুর্তে  তারা এই বিশ্বের সেরা মার্কেটপ্লেস। তারা তাদের নিজেদের তৈরী একটা ব্যাংক এর মাধ্যমে সব লেনাদেনা কন্ট্রোল করে।  


২০০২- ২০১১ পর্যন্ত সুইফট ট্রাজেকশন এড হবার আগে পাইওনিয়ার কার্ড ও বিমাল ভুমিকা রাখে। বিশেষ করে পাইওনিয়ার কার্ডে নিজের নাম এবং কোম্পানীর নাম একসাথে দেয়া তাকে বিধায় যে কেউ যে কোন খানে যে কোন ভাবে নিজেকে পরিচয় করাতে পারে। কিন্তু মাঝে সুযোগ নেয়া শুরু করে : একম্যেনীর ফাপড়বাজ লোকজন। এক ডলারও উপার্জন করে নাই কখনো তারা ফ্রি ল্যান্সার দের উপরে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে সাহায্য কের। এক ডলারও উপার্জন করে নাই এরকম লোকজনের সাথে যারা চলাফেরা করে তারা প্রথমেই জনমনে আস্থা হারিয়ে ফেলে। যুদ্ব বিগ্রহ জাতি বাংগালী। খুবই সতর্কতা আর নৈপুণ্যতার সাথেই দেশ থেকে শতরু কে পরাস্থ করে পরাজিত করে ক্ষমা প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয়- তাদের সাথে তো আর যাই হোক প্রতারনা করতে পারবে না কেউ? এ্কই সাথে এখনকার দিনে অনেক ফ্রি ল্যান্সার প্রকাশ্য দিবালোকে টাকা চাইতেও শুরু করে। ফলে যারা ইন্টারনটে ডিষ্ট্রিবিউশন এর সাথে জড়িত তারা পড়ে যায় ব্যাপক প্রেশারে? গ্রামের সহজ সরল মুক্তিযোদ্বাদের অনুমতি নেয়া এবং বুঝাইতে যাইয়া যথেস্ট বেগ পাওয়া শুরু হয়। এই ফাপড়বাজ দের কারনে গ্রামের সহজ সরল যাদেরকে তারা অনেক সময় ভুখা নাংগা (মাফ করবেন আমাকে) বলে অপমান করে - তাদের দ্বারে আজো ইন্টারনেট টাকে নিয়ে যাওয়া সহজ হয় নাই। তাদের কে ৭১ এ  যারা মেরেছে ভুখা নাংগা বলে- তাদের কে বলা হয় গনহত্যার আসামী যার সব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। 


২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরন চলাকালীণ সময়ে ইন্টারনেটে দেখতে পাই যারা ৭১ এ বাংলাদেশে গনহত্যা চালায় তারা যেনো ক্ষমা চায়। সকলেই বিশ্বাস করে গসজাগরনরে শক্তির কাছে তারা পরাস্থ হয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষমা চাইবে যা যে কোন যুদ্বে বিজয়ী জাতি আশা করে থাকে। কিন্তু সেখানে নাম ধারী কিছু ফ্রি ল্যান্সার জয় বাংলা কে পশ্চাদপদ প্রদর্শন করে তাদের সাথে চলাফেরা উঠা বসা এবং এমনকি ব্যবসায়িক লেনাদেনা ও শুরু করে। ২০১১ সালে যেদিন কায়রো গনজাগরন থেকে সিদ্বান্ত আসে যে: বাংলাদেশে পেপাল চালু হবে (যেখানে বিশ্বের সব দেশের বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের নামও দেখায়- সেখানে বাংলাদেশে টেষ্টিং ফেজে প্রথম দিনই নাকি সেন্ড মানি করা হয় বাংলোদেশের ভেতর থেকে শতরুদের কাছে বলে শুনেছি- সত্যথা যাচাই করে নিতে হবে) যার কারনে মনে হয় বাংলাদেশে এখন আর পার হেড আইপি পায় না পেপাল আর তাদের সারা বিশ্ব ব্যাপী ব্যবসাও শুরু করতে পারে নাই বাংলাদেশে। অনেক ফরেন বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা আইসা জিজ্ঞাসা করে : তোমার আইপি এড্রস কতো? বিভিন্ন কাজের জন্য - যখন বলি যে আমাদের তো পার হেড আইপি নাই তখন অনেকেই হেসে দিতো।  একটা দেশে কোটি কোটি মানুষ ইন্টারনটে ব্যবহার করে অথচ প্রত্যেকরে নিজস্ব আই পি এড্রস নাই। ব্যাপারটা কতো বড় হাস্যকর। উন্নতির চেয়ে অবনতি হয়ে গেলো বেশী। একটা পারসোনাল আইপি  দিয়ে কতো ধরনের কাজ হয় ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে তা আর বলা অপেক্ষা রাখে না? 


একটা সময় যখণ বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং ইনডাষ্ট্রিজ কে প্রতিষ্টিত করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে তখন অনেক ধরনরে বাধা ছিলো। সরকারি আমলাদেরকেও তাদের অফিসে যাইয়া বসে বুঝাতে হয়েছে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং কি আর আমরা কিভাব েসে কাজ করতাছি। প্রথমত শুধু ইন্টারনেট ব্যাংক গুলোই ভরসা ছিলো। অনেকেই বলেছে ফ্রড বা ডিসেকসান বা দুই নাম্বারি এবং যা তা অযথা। কিন্তু আজকে দেখা যাইতাছে : সারা দেশ জুগে ফেসবুকে অজস্র দুই নাম্বারি আক্রমন করে বেসেছ। এই কোর্স করবেন কিনা, সেই কোর্স করবেন কনিা, ঘরে বসে উপার্জন করবেন কিনা বা আজকেই ফ্রি ল্যান্সার হয়ে যাবেন কিনা বা কোটিপতি হবেন কিনা- নানা ধরনের অফার । ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়। দেশের ফ্রি ল্যান্সারদের এখন অনেকটাই বাজে অবস্থা। তো সেই ষ্ট্রাগলের সময়টাতেই দরকার ছিলো ফ্রি ল্যান্সারদের আইডি কার্ড যখন রাস্তা ঘাটে মানুস জন আটকাতো কিংবা যখন ঢাকা শহরের যে কোন মেয়ে উপার্জনের খতা শুনে নানা ধরনরে কটু কথা শুনে রাস্তাতে নেমে আসতো, যখন রাজধানী শহরের রাস্তাতে দাড়িয়ে দাড়িয়ে বা গাড়ির বনেটের উপরে উবু হয়ে ঝুকে ল্যাপটপ কম্পিউচটার ব্যবহার করতো আর একসাতে হইলেই ডিসকাসন শুরু হয়ে যাইতো। আসলে এই জগতটা প্রতিষ্টার জন্য যাদের অবদান সবচেয়ে বেশী তাদের কে সবসময় পর্দার আড়ালেই থাকতে হবে কারন তাদের চোহার বাংলাদেশের প্রথম দিককার ফ্রি ল্যান্সার রা ছাড়া আর কেউ চিনে না। আর আজকে এমন ধরনের লোক জন ফ্রি ল্যান্সার দের উপরে মাথার চড়ি ঘোরায় যাদের কিনা ফেসবুক একাউন্ট ই নাই বা কোন মার্কেটপ্লেসে কোন একাউন্ট নাই বা ১ ডলার উপার্জনের রেকর্ড ও নাই। 
 


Monday, November 23, 2020

ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে সামাজিক ভাবে কি কি অবহেলা বা ষ্ট্রাগলের স্বীকার হতে পারেন?

আমাদের দেশে ফ্রি ল্যান্সার দের কে সামাজিকভাবে এমন এমন লোক অবহেলা করবে বা করে যাইতাছে যাদের এই ব্যাপারে কোন কিছু জানা নাই। অযথাই আপনার পথের কাটা হয়ে দাড়াবে। বিনা কারনে আপনার সামনে এসে বাধা হয়ে দাড়াবে বা আপনার কাছে ভাগ বাটোয়ারা চেয়ে বসবে। যেমন ধরেন : বাংলাদেশের সমাজে চাদাবাজ যাকে র‌্যাব পুলিশ চাইলেই ক্রসফায়ার করে ফেলাবে প্রমান স্বাপেক্ষে। একজন চাদাবাজ কোথায় চাদা চায়- বাংলাদেশে আপনার উপার্জিত অর্থের উপরে সে চাদা চায়। কারন কি- হয়তো সে নিজে চলতে পারতাছে না বা ব্যাপারটা সে দাপট হিসাবে দেখায় বা হয়তো অবৈধ ভাবে সন্ত্রাসী চক্র বা খারাপ ধর্মীয় জিহাদি চক্রের সদস্য (যদি আপনি কোন সন্ত্রাসবাদী দেশের সাথে ব্যবসা বা লেনাদেনা করে থাকেন তাহলেই আপনি জিহাদি/ধর্মীয় সন্ত্রাসী চক্রকে সাহায্য করতাছেন। মনে করেন: আপনি বাংলাদেশে বসে থেকে রাশিয়া হয়ে একটি সন্ত্রাসবাদী দেশকে আর্থিক সাহায্য করতাছেন যা রাশিয়া সরকার বুঝতাছে না বা কোন বৌদ্ব দেশের মাধ্যমেও সেই সন্ত্রাসী দেশকে আর্থিক সাহায্য বা লেনাদেনা করতাছেন- যা সেই বৌদ্ব রাষ্ট্রগুলো বুঝতাছে না। আর যদি বুঝে থাকে তাহলে তো দুই ধরনের দেশই সন্ত্রাসের সাহায্যকারী হিসাবে  নামাংকিত হবে।) হিসাবে সে এই চাদাবাজি করে যাইতাছে। 


অনেক সময় আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণীকে বলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাইতাছে না। দেখা যাইতাছে সরকারি গুন্ডা বাহিণীর সদস্যরা- তারাও  হয়তো সেখান থেকে ভাগ বা % চায়। কিন্তু ব্যাপারটা  সম্পূর্ন আইন বিরোধী। বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা বা প্রভাব খাটিয়ে যদি আপনি নিয়মিত ব্যাংক ডাকাতি বা চুরি করে যান তাহলে সেটা হবে আইন বিরুদ্ব কাজ। আর চোরের কোন ধর্ম নাই। যা কিছু আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে বলতে পারবেন না তাই চুরি। মনে করেন: একজন সচিব যে রাষ্ট্রের অনেক বড় পর্যায়ে বসবাস করে এবং সরকারি অফিসে দুই নম্বর গিরি করে এবং ঘুষের কারবার করে আর সে সেটা প্রকাশ্য দিবালোকে বলতে পারলো না - তাহলে কিন্তু সেটা চুরি হয়ে গেলো। আপনি রাজনৈতিক ভাবে ক্ষমতাবান হয়ে যদি রাষ্ট্রের সকল ধরনের আর্থিক প্রতিষ্টানের কাছ থেকে চাদা চেয়ে বসেন আর সেটা জনসস্মুক্ষে  না বলতে পারেন সেটা হবে রাষ্ট্রীয় চুরি এবং চাদাবাজি। আর চোর কিংবা চাদাবাজদের সাথে কোন ভালো মানুষ চলে না। 


সবাই জানে বলতে প্রকাশ্য দিবালোকে সারা দেশের সব টিভি এবং পত্রিকার সাংবাদিক দের ক্যামেরার সামনে দাড়িয়ে বলা বলতে বুঝায়। এরকম যদি কোন চোর থাকে তাহলে মাঝে মাঝে দেশী পালা কুবতর যেমন রক্তচক্ষু মিলে তাকায় সেরকম বাংগালী ও রক্তচক্ষু মিলে তাকাবে। সবাই জানে চোরের কোন ধর্ম নাই। সেই হিাসবে চোর বা চোরের দল এক ধরনের নাস্তিক। সেই হিসাবে চাদাবাজ রাও এক ধরনের নাস্তিক। কারন তারা চাদাবাজি করে প্রকাশ্য দিবালোকে বলতে পারে না- কারন তারা জানে প্রকাশ হলে তার নিশ্চিত ক্রসফায়ারের খপ্পড়ে পড়বেএকজন ফ্রি ল্যান্সার যখন সামাজিকভাবে সফল হয়ে যাবে তখন সে নিশ্চিত যে কোন খানে চাদাবাজির খপ্পড়ে পড়তে পারে।সে জন্য আমরা ফ্রি ল্যান্সারদেরকে আইডিয়া দেই যে: আপনি যদি একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে খুব ভালো উপার্জন থাকে তাহলে আপনি সেটা দেশের বাহিরে যে কোন ব্যাংকে রেখে দিতে পারেন- বেশী পরিমান ডলার থাকলে বাংলাদেশ সরকার ও হ্যাকারদেরকে ভয় পায় বা হ্যাকারদের ভেয় দেখায়। কারন দেশে আনলে বা দেশের ব্যাংকে রাখলে ব্যাংকের কোনো চক্র বা মহল সেটা প্রকাশ করে দিতে পারে বা স্থানীয় চাদাবাজদের জানিয়ে দিতে পারে। তখন তারা আপনার কাছে অযাচিত ভাবে টাকা চাইতে পারে। এই অযাচিত ভাবে টাকা চাওয়াটাকেই চাদাবাজি বলা হয়। বাংলাদেশে চাদাবাজির বিরুদ্বে দাড়ানোর জণ্য এবং সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশী চাদাবাজদের ক্রসফায়ার করার জন্য বাংলাদেশ র‌্যাবের নাম প্রশংসিত ছিলো এক সময়। কিন্তু হঠাৎ করে তাদের এক্টিভিটিজ অনেক কমে যাইতাছে বিগত কয়েক বছর যাবত (২০১৩ সালের পর থেকে)। 


একসময় যারা নগদ টাকা চেয়ে বেড়াতো চাদাবাজি হিসাবে এখণ তারা হয়ে গেছে ডিজিটাল ফকির বা ডিজিটাল চাদাবাজ ব্যাংকে চাদা চেয়ে বসবে। নগদ টাকা বা কাগজের নোট বাদ দিয়ে এখণ তারা ব্যাংকে ০ বা ১ এর সংখ্যার দিকে দৌড়াচ্ছে। যেহেতু চোরেরা সব চেয়ে বড় নাস্তিক তারা আবার চুরি করে হলেও ধর্মের পরিচয় দিতে চাইতাছে। একসময় যখন মানুষ ছিলো না পৃথিবীতে তখন সারা বিশ্বই ফাকা ছিলো আর পুরো দুনিয়াটা ছিলো শুন্য। শুন্য এক দুনিয়ার সৃষ্টিকর্তা এক মালিক। সেই ধারনা থেকেই তৈরী হয় ০(শূন্য) এবং ১(এক) । ০ এবং ১ মিলে তৈরী হয় ১ বিট ( ০+১ = ১ বিট। ৮ বিট =১ বাইট।১০২৪ বাইট= ১ কিলোবাইট.....। আমরা সবাই জানি বিট এবং বাইটের হিসাবে চলে দুনিয়া, কম্পিউটার বা ইন্টারনেট । )। এছাড়াও হার্ট বিট বা পালস বিট আছে যা সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে যে কোন সময় যে কোন খানে যে কারোটা বন্ধ হয়ে যাইতে পারে। আমি ধারনা করি বাংলাদেশের ডিজিটাল চোরেরা যদি ব্যাংক ডাকাতি বা ব্যাংক হ্যাক করে থাকে  তাহলে তারা বিট বাইটের সংখ্যা চুরি করে বা হ্যাক করে আর সাধারন মানুষের কষ্ট বাড়িয়ে দিয়ে হার্ট বিট বা পালস বিট বন্ধ করে দিতাছে প্রতিমূহুর্তে। তবে একটা ব্যাপার হলো: যদি ডিজিটাল হ্যাকার বা ডিজিটাল ফকির থাকে: তাহলে তারা কতো বড় আহাম্মক যে চোর হয়ে চুরি করে নগদ টাকার নোট কে না খুজে সংখ্যা নিয়ে দৌড়াইতাছে। সংখ্যা কি কখনো চুরি হয়? বাংলাদেশ না জানলেও তো মাইক্রোসফট জানে বা ইন্টারনেট (আইকান) জানে বা কোথাও না কোথাও কোন না কোন প্রমান তো রয়ে যাইতাছে। সংখ্যা কখনো চুরি করা যায় না। কয়েকটি সংখ্যা নিয়ে তৈরী বিডিটি বা ডলার হয়তো চুরি করা যায়।  


উপরের এই   ৪টা প্যারাই যা ধারনা করা হয়েছে বা যদি মেথডে বুঝানো হয়েছে তা যে কোন ফ্রি ল্যান্সারের জন্য মানসিক প্যারা হয়ে দাড়াবে এবং এইটা এক ধরনের ষ্ট্রাগলে এসে দাড়াবে।  কারন ফ্রি ল্যান্সার রা যে মেথডে লেনাদেনা করে থাকে তাকে বলা হয় : (ইটিএস: ETS: Electronic Transaction System. Combination of O and 1) এখণ যদি সবসময় ই হ্যাকার বা চোরদের বা ডিজিটাল ফকিরের ভয় থাকে তাহলে সেটা যে কোন বিগিনার বা ষ্টার্টিং ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য এক বিরাট ষ্ট্রাগল হয়ে দাড়াবে। তার মনের ভেতরে বিশাল প্রভাব পড়বে।সে মানসিকভাবে ধাক্কা খাবে। সাধারন মানুষ তাকে খারাপ ভাবতে পারে। ২০১১-২০১৮ সাল ছিলো আমার জন্য সেরকম ষ্ট্রাগলের সময় এবং ২০১১ (শেয়ার মার্কেট কেলেংকারি) সালে বাংলাদেশে প্রথম ব্যাংক ডাকাতি বা চুরি বা হ্যাকিং শুরু হয় বলে ধারনা করা হয় এবং আমরা ফ্রি ল্যান্সার রা বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স সার্ভিস ব্যবহার করা বন্ধ করে দেই। পেপাল ব্যবহার করেছি বেশীর ভাগ সময়। কারন আমি চাই নাই বাংলার মানুষ আমাদের মতো ফ্রি ল্যান্সার দেরকে চোরের সাথে তুলনা করুক। বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি প্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্টান এর সাহায্য নিয়ে পেপাল ডলার রিসিভ করে লেনাদেনা করে নিজেকে বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল লেনাদেনা পদ্বতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখি। পেপালের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন সম্পর্ক নাই। আমরা এজেন্সী (এজেন্সীর সবাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক এবং সেই হিসাবে তাদের প্রত্যেকরে ভেরিফায়েড পেপাল একাউন্ট ও আছে) কে পেপাল ডলার দিছি- এজন্সেী সেগুলো বাংলাদেশের গুটিকয়েক ব্যাংক কে দিয়ে দিছে যেখানে সেগুলো রেমিটেন্স হিসাবে এড হয়ে গেছে। 


সামাজিক প্রতিবন্ধকতা:

সামাজিক ভাবে ওয়েবসাইট নির্ভর অনলি এই পেশার এখনো স্বীকৃতি হয় নাই। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নাগরিক ডাটাবেজে এখনো ফ্রি ল্যান্সার কে পেশা হিসাবে লিপিবদ্ব করা যায় নাই। এক শ্রেনীর গবেট আছে  যারা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার দের কে ৭১ এর স্বাধীনতা যু্দ্বে অংশগ্রহনকারী মহান জয় বাংলার মুক্তিযোদ্বা ভাবে। একজন ‍ মুক্তিযোদ্বার মিনিমাম বয়স ছিলো: ১৮ বছর আর আজকে তার বয়স প্রায় ৬৫ বছর। আর মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার দের সর্ব্বোচ্চ বয়স হতে পারে আনুমানিক ৪০+। তাহলে স্বাধীনতা যুদ্বের সময় তো সে জন্মই হয় নাই। আরেক দল গবেট আছে: আনুমানিক একটা কথা ছুড়ে দিয়ে একটা নিজস্ব সমাজ থেকে চাদাবাজি করে যাইতাছে। বলতাছে পেপাল মানে অন্য আরেক দেশের (শতরু) একটা রাজনৈতিক দলকে চাদা দেয়া যা কিনা গুগুলে সার্চ দিয়ে পাওয়া যাইতাছে না। এই ধরনের নানাবিধ ভুল ধারনাতে আটকে আছে আমাদের দেশের সমাজ ব্যবস্থা যা ঠিক করার দ্বায়িত্ব সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা নিতাছে না। সারা দিনই তাদের একটাই ধান্ধা : কিভাবে আরো বেশী ডলার ‍ উপার্জন করা যায়, কিভাবে আরো বেশী টাকা উপার্জন করা যায়। ফ্রি ল্যান্সারদের সামাজিক দায়বদ্বতা বলতে বোঝানো হয় যে: বাংলাদেশের সমাজে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং কাজটাকে বোঝানো। তা না করে নাম ধারী কিছু দুই নাম্বার চিটার বাটপার ফ্রি ল্যান্সার অমুক তমুক বলে সরকারের অনুমতি ছাড়া আইন পুলিশের তোয়াক্কা না করে সারা দেশের সাধারন কোমল মনের ছেলে পেলে গুলোর কাছ থেকে হেন তেন ফেন বলে টাকা পয়সা আদায় করে  তাদেরকে  নি:স্ব করে বলতাছে সামাজিক দায়বদ্বতার দায় হিসাবে টাকা নিতাছে। সেই সকল টাকা কি আদৌ বাংলাদেশে আছে নাকি বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে যাইতাছে। পৃথিবীর সকলেই জানে নিষিদ্ব যে কোন কিছুতে বেশী পরিমান অর্থ লাগে। এখন কার দিনে নতুন ফ্রি ল্যান্সার বা বিগিনার ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য এক বিরাট বাধা বা যুদ্ব ইন্টারনেটে টাকা পয়সার খপ্পড়ে পড়ে যাওয়া।


রাষ্ট্রীয় প্রতিবন্ধকতা: 

এখনো রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাদের দেশের নিজস্ব কোন মার্কেটপ্লেস তৈরী হয় নাই। সহজ সরল বা বাংলা ভাষাতে মার্কেটপ্লেসে তৈরীর জন্য কোন উদ্যোগ ও নাই। সকলের ভাব ভংগি দেখলে মনে হয় একসাথে ১২/১৫ লাখের কোন গ্ররপ যে কোন সময়ে দেশ ছাইড়া চলে যাবে (এশিয়ার অন্য কোন দেশে) আর বাকী যারা পড়ে থাকবে তারা শুধু দেশের ব্যাপার স্যাপার গুলো কন্ট্রোল করবে।  একটি কথা জেনে রাখা দরকার : বিশ্বের কোন দেশের বৈধ নাগরিক না হলে আপনি অপর কোন দেশের নাগরিকত্ব পাবেন না। আপনাকে অতি অবশ্যই প্রথমে বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক হতে হবে (নাগরিক হবার  কন্ডিশন দুইটি : বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার লাগবে আর দ্বিতীয়ত: বৈধ ভোটার হতে হবে।) আমাদের দেশে এ ধরনের কোন সিষ্টেম নাই যে: আপনি টেস্টিং নাগরিক বা আপনার একটা টেষ্টিং কার্ড আছে যা দিয়ে আপনি ওয়ান টাইম ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ওয়ান টাইম টেষ্টিং ভোট দিতে পারবেন আর নিজেকে আপনি বাংলাদেশের নাগরিক ভেবে ফেলবেন। বাংলাদেশের নাগরিক হতে হলে প্রথমে আপনাকে মানুষ হতে হবে তারপরে আপনাকে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্রধারী হতে হবে (বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র বলতে বোঝানো হয় ফিংগারপ্রিন্ট ইণ্টারফেস সিষ্টেমের কয়েকধাপে আপনি পাশকৃত আপনার আংগুলের ছাপের মাধ্যমে। এমন না যে এক ধাপ ফিংগার প্রিন্ট ইন্টারফেস পার হলাম আর পরবর্তী ধাপে যাইয়া আটকে গেলাম: যে বৈধ নাগরিক সে ফিংগারপ্রিন্ট ইন্টারফেস সিষ্টেমের সবধাপ কমপ্লিটেড পারসন। শুধূ নিজের নাম, বাবার নাম,  হোল্ডিং নাম্বার আর ফিংগারপ্রিন্ট ইনটারফেস সিষ্টেম পাশ হলেই আপনি একজন বৈধ নাগরিক)  এবং তারপরে আপনাকে বৈধ ভোটার হতে হবে আপনি যদি বৈধ ভোটার না হোন তাহলে আপনি বাংলাদেশী হিসাবে বিশ্বের অণ্য কোন দেশে নাগরিকত্ব আবেদনই করতে পারবেন না। আর যদি আবদেন করেও থাকেন - সোশাল মিডিয়া পরীক্ষায় আপনি বাদ পড়ে যাবেন কারন বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম ছেলে বা মেয়েই বর্তমানে সোশাল মিডিয়া থেকে বাস্তব যৌন জীবনে প্রবেশ করে ফেলে যা এক ধরনের সোশাল ক্রাইম। ইউরোপ এবং আমেরিকা এই ধরনের মানুষকে ডিনাই করে থাকে। 


শুনেছি/কিছুদিন আগে দেখেছি- কিছু দিন আগে বাংলাদেশের নাম ঠিকানা ব্যবহারকারী ১২ লক্ষ আবেদনকারীকে একেবারে সারা জীবনের জণ্য রিজেক্ট করা হয়েছে ইউরোপ আমেরিকা থেকে - তারা আর কখনোই আবেদন করতে পারবে না। তেমনি সাম্প্রতিককালে ছেলে বা মেয়েরা ঠিকমতো এখনো জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড ই পাইতাছে না। কোন ওয়েবসাইটে আবেদন করবে আর কোন ওয়েবসাইটেই বা তারা ফ্রি ল্যান্সার হবে? শুনেছি বিগত ৫ বছরেরআনুমানিক প্রায় ২ কোটি মানুষকে এখনো স্মার্ট কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র (তাদের অনলাইনে দেয়া আছে জাতীয় পরিচয়পত্র ডিটেইলস) দেয়া হয় নাই যার কারনে বিপুল সংখ্যক তরুন প্রজন্ম পুরোপুরি ফ্রি ল্যান্সার হয়ে উঠতে পারতাছে না। এরা যদি কখনো কোন এক মূহুর্তে কোথাও আন্দোলন শুরু করে দেয় তাহলে তো এই দেশের সরকার ব্যবস্থাও ভেংগে যাইতে পারে। এই বিশাল তরুন প্রজন্ম শুধূ বৈধ ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফরম ফিলাপ নাম্বার নিয়ে বসে আছে এবং আশায় আছে এনআইডি কার্ড হাতে পাবার (শুনেছি অনলাইনে এভইলেবল)। এর মাঝে এই বিশাল তরুন প্রজন্ম কে বিভিন্ন ধরনের ফাদে ফেলাইতাছে  ৭১ এর কুখ্যাত দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধী প্রজন্ম। এখনকার তরুনদের সমসাময়িক অবস্থা নিয়ে গতকাল দেখা একটি ইউটিউবের নাটক নীচে শেয়ার করলাম। 




পারিবারিক বাধা:

সবচেয়ে বড় যে বাধা ফ্রি ল্যান্সার হতে গেলে তা হলো পারিবারিক বাধা। একটা কথা আছে পৃথিবীতে: পাপ তার বাপকেও ছাড়ে না। আগেকার জনমে যারা খারাপ কাজ করে গেছে (২০০১-২০০৬) তাতে সারা দেশে ইন্টারনেটে একটা বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরী হয়েছে। ইন্টারনেটে একটি গতিশীল মিডিয়া- প্রতি সেকেন্ড এইটা দৌড়ায়। ফলে যারা বিভিন্ন ধরনের ক্লিক এবং ল্যান্সিং ব্যবসা করে গেছে তারা এদেশে অনাগত অনেক ছেলে বা মেয়ের ভবিষ্যত কে একবারে ধুলোর সাথে মিশিয়ে দিয়ে গেছে। কারন তারা ছিলো এমন এক প্রজন্ম যারা এদেশের তৎকালীন তরুন প্রজন্ম যারা ফ্রি ল্যান্সার হতে চেয়েছিলো তখনকার দিনে ৭/৮ লক্ষ টাকা পার হেড ধরা খায় (ডু ল্যান্সার, স্কাই ল্যান্সার বা যা তা ল্যান্সার) । তখন চালের কেজি ছিলো ৭/৮ টাকা আর এখন চালের কেজি প্রায় ৬০ টাকা। তো ধরতে গেলে  তখনকার দিনের ৭/৮ লক্ষ টাকা আজকের দিনের প্রায় কোটি টাকা। এই সকল কারনে তখনকার দিনে যারা কষ্ট পেয়েছে তারা এখন আর তাদের ছেলে বা মেয়ে বা আত্মীয় স্বজনকে সহজে ফ্রি ল্যান্সারদের খাতাতে নাম লিখাতে দেয় না। আর বর্তমান সরকারও এমন তর বস্তুগত উন্নয়ন শুরু করেছে যে ২০১১ সালের ১০ টাকা/কেজি চাল এখন প্রায় ৬০ টাকা। ২ টাকা কেজির আলু প্রায় ৪৮ টাকা । ৫ টাকা কেজির লবন প্রায় ৩০ টাকা। সবকিছুর দাম বেড়ে এমন একটা অবস্থায় চলে গেছে যে : সাধারন মানুষ এর প্রায় নাভিশ্বাস। একবেলা বা দুবেলা খাবার পরে আর তারা চিন্তা করতে পারে না। এরকম দু:শাসন থেকে দেশকে কে কবে বাচাবে তা আসলে সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানে। তবে ফ্রি ল্যান্সার যারা বাংলাদেশের বাংলা মায়ের সন্তান , যারা ফরেন ক্লায়েন্ট বা বায়ার ডিলিংস করে থাকে- তারা এতো পরিমান সত বা সততার পরিচয় দেয় যে : না চিনে না জেনে বা সোশাল মিডিয়াতে পরিচিত না হয়েও দূর দেশ থেকে ইউরো/ডলার/পাউন্ড উপার্জন করে দেশের জণ্য রেমিটেন্স আনতাছে যা দিয়ে বাংলাদেশের বস্তুগত উন্নয়ন বাদ দিয়ে সময় এসেছে মানবিকতার উন্নয়ন বা বিপ্লব ঘটানোর জণ্য। ফ্রি ল্যান্সার দের কে প্রচুর পরিমানে তীক্ষ্ন বুদ্বি সম্পন্ন হতে হয়। সবগুলো কাজ ১০০% একুরেটলি করতে হয়। কোন কাজে গাফিলতি করা যায় না। কোন মানুষের সাথে বা বায়ার বা ক্লায়েন্টের সাথে কেউ খারাপ ব্যবহার করতে পারবে না। 


সমাজের সকল শ্রেনীর মানুষের সাথে মিলে মিশে একসাথে হয়ে ফ্রি ল্যান্সার কে একটি পেশা হিসাবে অন্তর্ভুক্তি বা একটি সম্মানের ব্যাপারে বাংলাদেশের সমাজে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য যারা আপ্রান চেষ্টা চা্লাইয়া যাইতেছে তারাও এদেশের নাগরিক, এদেশের বাংলা মায়ের সন্তান বা বাংলাদেশী মানুষ। ২০১৩ সালে সংঘটিত ৭১ এর দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধী আন্দোলন (রাজাকারের ফাসি) র দাবীতে যারা একসাথে হয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ ( গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কোন বিকল্প নাই কিন্তু তথাকথিত রাজনৈতিক সরকারের বিকল্প সরকার ব্যবস্থা)  চিন্তা করেছিলো সেখানে কয়েকটি সরকার ব্যবস্থার ধারনা আবর্তিত হয় বা প্রবর্তিত হয়। যেমন: 

  • শাহবাগের সরকারব্যবস্থা (ধারনা করা হয় প্রায় ১৫ লক্ষ) The most smart society of Bangladesh. যেখানে ওভার কোয়ালিফায়েড (অনার্স/মাষ্টার্স পাশ) ছেলে বা মেয়ে থানা শাহবাগের সমাজ ব্যবস্থার সাথে জড়িত যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ক্লাস নাগরিকত্ব (আমন্ত্রিত) নিয়ে বসবাস করতে স্বক্ষম- তাদের সম্মেলনে যে সরকার ব্যবস্থা গ্রহন বা পরিকল্পনা করা হয় সেটা। 
  • গনজাগরনে সরকার ব্যবস্থা : ২০১৩ সালে সংঘটিত গনজাগরনে অংশগ্রহনরত সারা বিশ্ব থেকে আগত টপ ক্লাস কোয়ালিফায়েড বাংলাদেশী বা বাংগালী ছেলে বা মেয়ে (রিপোর্ট: আইএটিএ: (IATA- International Air Transport Authority এর ডাটাবেজে খুজলে পাওয়া যাবে) তারা জয় বাংলা সমেত যে সরকার ব্যবস্থা চিন্তা বা কল্পনা করেছে তা। 
  • মুক্তিযুদ্বের সরকারব্যবস্থা : জনমনে শ্রদ্বা জাগানো শুধুমাত্র ৭১ এ বাংলা মায়ের জণ্য লড়াই করা দেশপ্রেমিক জয় বাংলা মুক্তিযোদ্বাদের সমন্বয়ে যে সরকার ব্যবস্থা কল্পনা করা হয়- যারা জীবিত মুক্তিযোদ্বা শুধুমাত্র তাদেরকে নিয়ে একটি সরকারব্যবস্থা গঠন-যেখানে দু:সহ দুর্বিসহ ৭১ এর মরন কামড়ের দিনগুলোতে স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর হওয়া বাংগালী মুক্তিযোদ্বা কাধে অস্ত্র নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছে সেগুলো বাস্তবায়নের নিরীক্ষে শুধূমাত্র জয় বাংলো স্লোগান ধারী (খালি মুখে জয় বাংলা বলা- মাউথ স্পিকারে বা কোন কুৎসিত উপায়ে না) মানুষকে নিয়ে একটি সরকার ব্যবস্থা। 
  • পরিবর্তিত সরকার ব্যবস্থা : গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারনা (সেই ১৯৪৫ এর পর থেকে শুরু হওয়া) থেকে বের হয়ে এমন একটি সরকার ব্যবস্থা যেখানে সম্পূর্ন নতুন ধরনের সরকার ব্যবস্থা (নতুন ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে) যেখানে শুধূ মাত্র উদার পন্থী বাংগালীদের সম্মেলন ঘটবে (কোন ধরনের চিটার বাটপার না।)
  • ফ্রি ল্যান্সার দের সরকার ব্যবস্থা: যারা বাংলাদেশের প্রথম দিকের এবং এখনো রেমিটেন্স যোদ্বা - যারাে দেশের বাহিরে না যেয়ে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে বাংলাদেশে রেমিটেন্স এড করেছে প্রচন্ড সততার মাধ্যমে- যারা এখন বিভিন্ন খানে কারনে বা অকারনে সাফারার তাদের সততা নিয়ে একটি সরকার ব্যবস্থার যেখানে তারা হবে ১০০% সত। 
  • হেফাজতের সরকারব্যবস্থা: ২০১৩ সালে যে কোন কারন বশত জমে উঠা হেফাজতে ইসলাম এর সম্মেলন গিনিজ বুকে নাম তুলেছে। ধারনা করা হয় প্রায় ১ কোটি মানুষ একসাথে হেফাজতের সম্মেলনের অংশগ্রহন করে এবং এরা সবাই ভোটার। তারা যাদেরকে নিয়ে একবোরে ১০০% মুসলিম নিয়মানুযায়ী যে সরকার ব্যবস্থা কল্পনা করে যাকে বলা হয় হেফাজতের সরকারব্যবস্থা। (যারা কিনা দেখতে ফেরেশতাদের মতো আর যারা কিনা প্রকাশ্য দিবালোকে কোন খারাপ কাজ করে না)। বলতে গেলে সকল ধরনের মুসলিমদের নিয়ে একটি আলাদা মুসলিম দেশের সরকারব্যবস্থা (২০১৫ সালে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ)।

একটি সঠিক সরকার ব্যবস্থা আমাদের দেশের এই বিশাল ইন্টারনেট কর্মীবাহিণীকে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, আর্থিক সব ধরনের সহযোগিতা এমনকি প্রেমিকার ভালোবাসা সহ যে সকল ফ্রি ল্যান্সার রা সামনে আগাতে চাইবে তাদেরকে ১০০% সহযোগিতা করা। আর এই সঠিক ভাবে সহযোগিতার মাধ্যমে এই দেশের অগ্রযাত্রা কে মানবিকতার কাতারে আনা যাবে। শুধু রোড ঘাট কালভার্ট ব্রিজ ফ্লাইওভার (এই দেশে কেউ বেড়াতে আসবে না বোধ করি। বাংলাদেশের মানুষের হাতে অখন্ড সময়।) (এই বিশাল করোনা পরিস্থিতিতে বাংলোদেশের ছয় কোটি গরীব  (দিন আনে দিন খায়) মানুষকে একটি মাসের জণ্য হলেও জনপ্রতি ৫০০০ টাকা হারে ৩০০০০ কোটি টাকা প্রদান ও করে নাই এদেশের সরকার। অথচ পেপার পত্রিকা অনুযায়ী সমানেই অনুমোদন দিয়ে যাইতাছে ইট বালূ রোড ঘাট সিমেন্টের কাজ কারবারকে) এমন  এই সকল ব্যাপারে উন্নয়ন না করে সারা দেশের মানুষকে প্রতি বেলা খাবার নিশ্চিত করা, ফ্রি ওষুধ , ফ্রি বাসস্থান (সকল ধরনের ভ্যাট, ট্যাক্স আয়কর মুক্ত দেশ গঠনে সাহায্য করা) সকল ধরনের চোর বাটপার দুর্নীতিবাজমক্ত দেশ তৈরী করে এই বিশাল ইন্টারনেট কর্মী বাহিণীকে কাজে লাগানো যাবে। এরা এই দেশের সম্পদ। সব দেশের সব মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না। আর নয়তো দেখা যাবে একদিন হঠাৎ করে বাংলাদেশের ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে কারন যে ধরনের কাজ কারবার বর্তমানে ইন্টারনেটে চলতাছে তার সবই আমেরিকান আইন বিরোধী। আর ইন্টারনেট সদূর ১০-১৩হাজার কিলোমিটার দূরের যুক্তরাষ্ট্র থেকেই আসে - সো তাদের নিয়ম কানুন গুলো ১০০% পালন না করলে সমূহ বিপদ।

(সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত)

Sunday, November 22, 2020

একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কিভাবে হ্যাকারদের আক্রমন থেকে নিজেকে বাচাবেন?



একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে আপনার একাউন্ট হ্যাকড হলেও আপনি সেটা ফেরত পাইতে পারেন। তবে তার আগে আপনাকে কিছু সতর্কতা সবসময় অবলম্বন করতে নিবে : 

  • আপনার সবগুলো একাউন্ট টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন করে নিতে হবে যেনো যে কেউ যে কোন খান থেকে আপনার একাউন্টে লগইন করার চেষ্টা করলে আপনার কাছে একটা কোডের ম্যাসেজ বা এ্যাপ কোড চায়। আবার হ্যাকার যদি আপনার ধারে কাছে থাকে তাহলে সে আপনার ফেসবুক একাউন্টে লগইন করার সময়ে আপনার টাচ ফোন টা খেয়াল করবে। মনে করেন : আপনি কোন কোড রিক্যুয়েষ্ট করেন নাই কিন্তু হঠাৎ করেই একটা কোড ম্যাসেজ আসলো আর আপনি সেটা উচ্চারন করে ফেলাইলেন তাহলেই আপনার একাউন্টে হ্যাকার ঢুকতে পারে। আপনার একাউন্টে যেনো আপনি ছাড়া আর কেউ না ঢুকতে পারে তাহলে ফিংগারপ্রিন্ট সিষ্টেম একটিভ রাখবেন অথবা আই ভিরেফিকেশন মেথড ওকে রাখবেন। (অপটিক ভেরিফিকেশন সিষ্টেম)। তাতে আপনার একাউন্ট হ্যাক হলেও আপনার ধারে কাছে থাকা হ্যাকার আপনার মোবাইল ওপেন করে  কোড কালেক্ট করতে পারবে না। 
  • পৃথিবীর সকল দরকারি ওয়েবসাইটে দেয়া আছে টু ফ্যাক্টর ভেরিপিকেশন মেথড। একাবরে সহজ সরল ওয়েবসাইট গুলোতে সে ফ্রাক্টর টা অন করা নাই। ফেসবুকের মতো সোশাল মিডয়া ওয়েবসািইট গুলো কোড জেনারেট করে লগইন করার জন্য। বলতে গেলে সেটা খুব দরকারি এবং ভালো একটা সিষ্টেম। সোশাল মিডিয়া এবং ইন্টারনেটে একাউন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকাকেও বিশ্বাস করা নিষেধ। কারন এইখানে পারসোনালিট ই হইতাছে মূল প্রাইভেসী বা সিক্রেসী বা সিক্রেট। 
  • যে কোন ব্রাউজার ব্যবহার করবেন কুকিজ ক্লিয়ার রাখবেন। টেম্প ফাইল ও ক্লিয়ার রাখবেন। উইন্ডোজ এর যে সিষ্টেম সেটাই ব্যবহার করবেন। আলাদা করে কুকিজ ক্লিয়ারিং সফটওয়্যার ব্যভহার করলে দেখা যাবে সেই সফটওয়্যারেই সব হিষ্টোরি থেকে যাইতাছে যা কিনা পরবর্তীতে কোন হ্যাকার দলতে পাররে আপনার একাউন্ট পর্যন্ত চলে আসতে পারে। কুকিজ ক্লিয়ারের জন্য ব্রাউজার কুকজি ক্লিয়ারিং পলিসি ব্যবহার করতে হবে। আলাদা করে কোন সফটওয়্যার ব্যবহার আমি ব্যক্তিগতভাবে সাজেষ্ট করি না। 
  • ব্রা্উজার গুলোর মধ্যে গুগল ক্রোম বা যে কোন ব্রাউজারই আপনি লগইন করা অবস্থায় ব্যবহার করবেন। আমরা সাধারনত লগইন না করে ব্রাউজার ব্যবহার করি। ওপেনলি ব্রাউজার ব্যবাহর করলে হ্যাকার দের জণ্য কুকিজ কালেকশন করতে সুবিধা হয়। সেজন্য সবাই বা যে কোন ব্রাউজার আপনাকে রিকমেনড করবে যেনো আপনি প্রথমে একাউন্ট ওপেন করে নিন সেই ব্রাউজারের। তাহলে ব্রাউজার আপনাকে একটা একস্ট্রা নিরাপত্তা প্রদান করবে। যদি আপনি ফায়ার ফক্স ব্যবহার করেন তাহলে ফায়ারফক্সে একটা এ্কাউন্ট ওপেন করে নিবেন। যদি আপনি ক্রোম ব্যবহার হরেন তাহলে ক্রোমের একটি একাউন্ট লগইন করে নিবেন। চাইলে আপনি আপনার নিয়মিত ইমেইল দিয়ে লগইন করতে পারেন বা অন্য আরকেটা ইমেইলেরও  সাহায্য নিতে পারেন। তবে যে ইমেইলই আপনি ব্যবহার করেন না কেনো - সেই ইমেইলের সিকিউরিটি যেনো অনকে হাই হয় সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। 
  • আপনি যদি উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করেন তাহলে আপনি উইন্ডোজ এর একটি নিজস্ব ফায়ার ওয়াল বা এন্টিভাইরাস পাবেন যার নাম উইন্ডোজ বিট ডিফেন্ডার। বলা হইতাছে উইন্ডোজ এর জগতে  বিট ডিফেন্ডারের চেয়ে বড়ে কোন এন্টিভাইরাস নাই। আপনার উইন্ডোজ যদি পাইরেটেড হয় আপনি যদি ারিজিনাল এন্ট ভাইরাস ব্যবহার করেন তাহলে কোন লাভ নাই। কারন সেটা হ্যাকারদের জন্য একবারেই সহজ একটা ব্যাপার। হ্যাকার রা আপনার যে কোন একাউন্টই লগইন করতে পারবে যদি আপনার পাসওয়ার্ড অতিমাত্রায় সহজ হয়। আনপরা পাসওয়ার্ড হতে হবে ক্রিটিকাল বা যদি আপনি সফটওয়্যার ব্যবহার করেন তাহলে সফটওয়্যার এর সিকিউরিটি সেকসান থেকে আপনি টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিষ্টেম বা ফেস ভেরিফিকেশন সিষ্টেম বা ফিংগার প্রিন্ট ভেরিফিকেশন সিষ্টেম ব্যবহার করবেন। 
  • মার্কেটপ্লেসে আপনার যতো ধরনের একাউন্ট আছে এবং যতো ধরনরে সিকিউরিটি সিষ্টেম আছে সবগুলেই এপ্লাই করবেন। 
  • প্রতিদিন আনপরা মার্কেটপ্লেস একাউন্টের স্ক্রিনশট নিয়ে রাখবেন। যদি আপনার একাউন্ট হ্যাক হয় তাহলে সর্বশেষ নেয়া স্ক্রিনশট টা আপনি কাস।টমার কেয়ার সেকসানে সাবমিট করতে পারবেন। 
  • যদি আপনি ইউটিউব মনিটাইজার হোন তাহলে আপনার ইউটিউবরে একটা সেকসান আছে হিডেন ইউজার: সেটাও ভালো করে খেয়াল করবেন। সেখানে যদি কোন আননোওন ইমেইল এড্রস দেখেন তাহলে সেটা ডিলেট করে দিবেন। ইউটিউব যাদের হ্যাক হয় তাদরে মেইন একটা সেকসান হইতাছে হিডেন ইউজার সেকসান। সেটা সবসময় চোখে চোখে রাখতে হবে। Login Youtube - Top Right Side- Settings- Default channel features- Community- Hidden user. কয়েকদিন আগে আমার ফেসবুক একাউন্ট এ লগইন করতে পারতেছিলাম না। তখন সব কিছু চেক করতে যাইয়া এই ব্যোপারটা খেয়ার কিল। যখন ইউটিউব প্রথম ওপেন হয় তখন জেনেছিলাম বা শুনেছিলাম: হিডেন েইউজার এ যদি কোন ইমেইল দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে সেটা হ্যাকারদের কাজ। 


  • হ্যাকারদের হাজারো টেকনিক আছে। অপিরিচত লিংকেও ক্লিক করা যাবে না ইমেইল থেকে বা মেসেন্জার থেকে। এইটা এই বিশ্বে হ্যাকার দের প্রথম টেকনিক - লিংক দেয়া পরিচিত বা অপরিচিত আর আগ্রহবশত সেগুলো তে ক্লিক কররে হ্যাক হয়ে যাওয়া । আপনি আপনার পরিচিত বা অপরিচিত যে কোন লিংক দেখতে পারবেন কিন্তু সেটা কপি করে নতুন একটা  ট্যাব বা ব্রাউজারে পেষ্ট করে নিয়ে। তাহলে আর হ্যাক হবার ভয়টুকু থাকবে না। 


  • হ্যাকারদের প্রথম এবং প্রধান খাবার হইতাচে কুকিজ। বর্তমানে পার হেড একটা করে আই পি এড্রস না থাকার কারনে ডিবাইস গুলো আরো অরক্ষিত হয়ে গেচে। আমি যখন প্রথম বাসাতে ইন্টারনটে ব্যভহার করি তখন আমার নিজস্ব একটা আইপ এড্রস ছিলো। আর এখন একটা আইএসপি এর জণ্য ২/৩ টা আইপি বরাদ্দ দেয়া থাকে। যেখানে একটা আইএসপি এর আন্ডারে প্রায় ৩০০/৪০০ ব্যবহার কারী থাকে। আইএসপি তে পোর্ট নাম্বার ব্যবহ্রত হবার কারনে একটা আইএসপি এর সার্ভার হ্যাক হলে একসাথে ৩০০/৪০০ ব্যবহারকারী রিস্কের মুখে চলে যায়। বাংলাদেশের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের এই একটি নিয়ম আমি সাপোর্ট করি না। পার হেড আইপি না থাকলে পার হেড ইউজার পলিসি তৈরী হয় কি করে? পার হেড আইপ থঅকলে সারা বিশ্বের তথ্য প্রযুক্তির সফটওয়্যার গুলো খুব সহজে ধরতে পারতো কে কখন কোন জায়গা থেকে কার কম্পিউটারে ঞ্যাক করতাছে। বর্তমান সরকারে না হলে পরবর্তী সরকার ব্যবস্থায় এ ব্যাপারটা খুব ভালো করে জোড় দিতে হবে েযনো বাংরাদেশে প্রত্যেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর একটি করে আইপি এড্রস থাকে। তাহলে হ্যাকার রা একদম জিরো টলারেন্সে থাকবে বলে আশা করা যায়। 

ইকমার্স ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে যদি আপনি কোন ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করতে যান আর যদি উপরে বাম দিকে ব্রাউজারে একটা তালা চিহ্ন না দেখেন আর সেখানে যদি আপনি ট্রানজেকশন প্রসেস করেন তবে আপনি একটা মারাত্মক ঝুকি গ্রহন করলেন। কারন এইটা একদম ১০০% নিষেধ যেনো আপনি কোনভাবেই এই ধরনরে লেনাদেনা না করেন। এই ধরেনর লেনাদেনা করলে যা যা ঝুকির মুখে পড়বে বলে আগে পড়াশোনা করে জেনেছি: 

  • যে কম্পিউটার থেকে ইকমার্স ট্রােনজেকশন করলেন সেই কম্পিউটারের সকল ডাটা। 
  • যে ব্রাউজার থেকে ইকমার্স ইকমার্স ট্রানজেকশন করলেন সেই ব্রাউজারের সকল ডাটা। 
  • যে আইএসপি এর ইন্টারনেট ব্যবহার করলেন সেই আেএসপির ও অনেক ডাটা। 
  • ইনসিকিওিরড ট্রানজেকশন করার কারনে আপনার ক্রেডিট কার্ডের সকল ডাটা। 
  • আপনার ক্রেডিট কার্ড যে ব্যাংক প্রসেস করেছে তার ও কিছু বা সাময়িক ডাটা। 
  • এরকম আরো অনেক সেনসিটিভ ডাটা। 
আমি সাজেষ্ট করবো কখনোই আপনি ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ইন্টারনেটে কেনাকাটা করবেন না। আপনি সব সময় ই ডেবিট কার্ড বা ডুয়াল কারেন্সী ডেবিট কার্ড দিয়ে ইন্টারনেট থেকে কেনাকাটা করবেন। ক্রেডিট কার্ড যদি হাক হয় তাহলে আপনার কার্ডে যদি লিমিট থাকে ২-২.৫ লাখ টাকা তাহলে আপনি পুরো ২-২.৫ লাখ টাকাই ধরা খাবেন। আর যদি ডেবিট কার্ড হ্যাক হয় তাহলে ডেবিট কার্ডে যা ছিলো তা হ্যাক হবে। সেখানে আপনাকে আর কোন লোন এর বোঝঅ বহন করতে হবে না। 

সকল ধরনের হ্যাকার মুক্ত লাইফ লিড করার জণ্য আপনাকে ১০০% সতর্ক থাকতে হবে ইন্টারনেট ব্যবহারে।  বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলােদেশের সরকারের রাষ্ট্রীয় সম্পদ এব এইটা খুব সেনসিটিভ ইস্যু। রাষ্ট্রীয় ভাবে যারা অর্থ পাচার, অবৈধ লেনাদেনা এবং হ্যাকার দের সাথে সম্পর্কযুক্ত বা হ্যাকার কানেকটেড -তাদেরকে আইনরে আওতায় এনে রাস্ট্রীয় সেনসিটিভিইস্যু হিসাবে সর্ব্বোচ্চ শাস্তি ফাসি দাবী করি। 

Saturday, November 21, 2020

কোন কোন মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশের সমাজের মার্কেটপ্লেস বা বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট?


আপনার কাজ জানা না থাকলে আপনি মার্কেটপ্লেসের মেম্বার হতে পারবেন না এরকম কোন ব্যাপার স্যাপার এই বিশ্বে নাই। আপনি জানার জন্য হলেও মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন যে কোন টাতে। কিন্তু এখন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য বা প্রোফাইল ফুল ফিল করার জণ্য প্রফেশনাল এক্সপেরিয়েন্স লাগে। সেই হিসাবে প্রফেশনাল এক্সপেরিয়েন্স ছাড়া আপনি মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল ফুল ফিল করতে পারবেন না। শুধূ রেজিষ্ট্রেশন করে মার্কেটপ্লেসের কিছু কাজ করবার ঘুরে দেখতে পারবেন। সেজন্য অনেকেই বা ম্যাক্সিমাম লোক জনই সাজেষ্ট করে থাকে যে : আগে ২/১ টা কাজ ভালো করে শিখুন : তারপরে আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে রেজিস্ট্রেশন করে কাজ শুরু করেন। আপনি খুব ভালো করে কাজ জানেন ২/১ টা বিষয়ে : কিন্তু আপনি মার্কেটপ্লেসের ব্যাপারে কিছু জানলেন না- তাহলে আপনার আয় শুরু হবে না। কারন ভালো কাজ জানার পাশাপাশি আপনাকে খুব ভালো করে মার্কেটপ্লেস টা বুঝতে হবে - তাদের নিয়ম কানুনের ব্যাপারে ডিটেইলস জানতে হবে। যারা একেবারে ঘরে বসে কোন ধরনের সাহায্য নেয়া ছাড়া নিজে নিজে ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার হতে চান তাদের জন্য আমার একটা সাজেসন হলো : আপনি মিনিমাম অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন (ইউটিউবে ফ্রি বাংলা ভিডিও দেখা) হয়ে মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন করেন এবং টুকটাক দেখতে পারেন। আপনি যদি সকলের স্বার্থ বিবেচনা না করেন তাহলে সকলেও আপনার স্বার্থ বিবেচনা করবে না। 


ইদানিং মার্কেটপ্লেস ঢুকার সাথে সাথেই ইমেইলে নানাবিধ নানা ধরনের অফার চলে আসে - যারা নতুন তাদের কে বিভ্রান্ত করার জন্য। ভালো মানের মার্কেটপ্লেস কখনো সেই ধরনের কাজ করবে না- আপনাকে অযথা ইমেইল পাঠিয়ে বিভ্রান্ত করবে না। এক কথায় ডলার বা টাকা চেয়ে আপনাকে ঝামেলায় ফেলাবে না। আপনাকে বিড কিনতে বলবে না কারন আপনি যে মার্কেটপ্লেসে সময় দিতাছেন সেটার একটা ভ্যালূ আছে। উন্নত বিশ্বে একটা কথা আছে: টাইম = মানি। আপনি ষ্কুল, কলেজ, অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ করে মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে এসছেণ- সো আপনার একটা ভ্যালূ আছে। আপনি জয়েন করার সাথে সাথে আপনাকে মেম্বার শীপ অফার করে বসলো। তারপরে আছে কনটেষ্ট টাইপের কাজ যেখানে একজন ছাড়া বাকীরা কাজের কোন ভ্যালূ পায় না। একটা লোগো কনটেষ্ট প্রজেক্ট: ১০০০ জন জয়েন করলো। সারা রাত জেগে সমস্ত মেধা দিয়ে আপনি লোগো বানালেন আর সেখানে মাত্র একজনকে কাজের ভ্যালূ দেয়া হলো- উইনার করা হলো। এইটা মার্কেটপ্লেসের ক্যারেক্টারিসটিকস না।আপনি সহ ৯৯৯ জনের লোগো গুলোকে লোগো মেকিং সফটওয়্যারে একসাথে করে সে একটা আলাদা বা নতুন লোগো বানিয়ে নিবে। অনেক সময় যারা কনটেষ্ট আহবান করে তাদের চেহারার কোন ছবিও পাওয়া যায় না। আপনি সারারাত জেগে যে লোগো টা বানালেন তার জণ্য বা সেই সময়টুকুর জন্য আপনি কোন ভ্যালূ পাইলেন না। শুধূ কনটেষ্ট পার্টিসিপেট বলে একটা খেতাব জুটলো।  


এরকম আরো নানাবিধ বিষয় দিন দিন মার্কেটপ্লেস টাকে জটিল করে তুলতাছে। তাই আপনাকে ভালো করে জানতে হবে বা বুঝতে হবে যে কোন মার্কেটপ্লেস আপনাকে আপনার সময়ে কে ভ্যালূ দিবে। যে সকল মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশে খুব পপুলার সেই সকল মার্কেটপ্লেস গুলো একটাও বাংলাদেশের না। বিশ্বের অণ্যান্য দেশের নাম ঠিকানা লেখিা ণীচে - যাতে বোঝা যায় যে সেগুলো অণ্য কোন দেশের মার্কেটপ্লেস। এইখানে আপনাকে খেয়াল করতে হবে যে- এইগুলো কোন লোকাল সমাজের বা লোকাল বাংলাদেশের ওয়েবসাইট না। বাংলাদেশের কেউ জোড় গলাতে প্রকাশ্য দিবালোকে সকল টিভি ক্যামেরার সামনে দাড়িয়ে বলতে পারবে না যে সেগুলো বাংলাদেশের সমাজের মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট। আপনাকে আরো খেয়াল করেত হবে - একদম ফ্রেশ হিসাবে জয়েন করতে আইসা আপনি কোন ক্রাইমে জড়িয়ে পড়তাছেন কিনা বা আপনার মনে কোথাও কোন খচ খচ করতাছে কিনা? কোন ওয়েবসাইটেই লেখা নাই যে: এইগুলো বাংলাদেশের ওয়েবসাইট বা বাংলাদেশের সমাজের ওয়েবসাইট ( কন্টাক্ট অপশন)। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সমাজে ২ টা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট (বিল্যান্সার এবং কাজকি) পাওয়া গেছে। বাকী কেউ যদি আইসা বলে যে সেটা বাংলাদেশের সমাজের ওয়েবসাইট বা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট- তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে সে তার একান্ত ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্বির জণ্য সেই ধরনের কথা বলতাছে। আপনি চাইলে নিজেও খুজে বরে করে নিতে পারবেন যে কোন ডোমেইনের মালিক কে এই বিশ্বের মধ্যে?

 


২০ বছরের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি : যে কোন ব্যাক্তি বা পারসন  বা ওয়েবসাইট ইন্টারনেটে প্রবেশের সাথে সাথে আপনার কাছে অর্থ বা ডলার চাইবে (কোনো ধরনের প্রোডাক্ট দেয়া ছাড়া) সেটা স্ক্যাম।এভাবেই আমাদের ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বড় ভাই রা আমাদের কে কাজ শিখিয়েছেন- সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপায় আজ পর্যন্ত ইন্টারনেটে কখনো কোথাও কোন অর্থ বা ডলার ধরা খাই নাই। উপার্জন কম হতে পারে কিন্তু পজিটিব থাম্ব  বা গুড রিকমেনডশনকেই  প্রধান উপার্জন হিসাবে ধরে নিয়েছি। ফেসবুকে পারসোনাল ক্লায়েন্টর কাছ থেকে পাওয়া অগনিত থাম্ব বা পজিটিব থাম্ব গুলো  গননার বাহিরে রেখেছি কারন সেগুলো কখনো দেখানো হবে না। শুধূ মাত্র অর্থ বা ডলার উপার্জন কেই ফ্রি ল্যান্সার বলে না। কে কতো ডলার কামালো তাকেও ফ্রি ল্যান্সার বলা হয় না। আপনার দ্বারা বাংলোদেমের লাল সবুজের পতাকা সম্মানিত হইতাছে কিনা সেটাও ফ্রি ল্যান্সিং এর একটা মূখ্য বিষয়। আপনি বাংলাদেশ কে অবমনিত করে যদি কোটি কোটি ডলারও উপার্জন করে থাকেন তারপরেও বাংলাদেশ আপনাকে এক সিকিও দাম দিবে না। কারন দেশটা সকলের । আপনি যদি সকলেল স্বার্থ রক্ষা করেন তাহলে সকলেই আপনার সম্মানও রক্ষা করবে। ফ্রি ল্যান্সার জগতে অনেকেই আছে: যারা সোশাল মিডিয়া সিগনাল কে উপার্জন মনে করেন, অনেকই আছেন পজিটিভ থাম্ব পাওয়াকে উপার্জন মনে করেন, অনেকই আছেন গুড রিকমেনডেশনকেও উপার্জন মনে করেন। সম্মান বা গুড উইল অর্থ দিয়ে কিনতে পাওয়া যায় না- ভালো কাজ এবং ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে পাওয়া যায়। 


Pinterest board creation. Pinterest Pin creation from website images.


Friday, November 20, 2020

হোয়াইট হ্যাট এসইও -প্রেস রিলিজ। ডিজিটাল মার্কেটিং এর অংশও বলতে পারেন।

 


পৃথিবীতে যতো ধরনের আনুষ্টানিক প্রোগ্রাম হয় সব প্রোগ্রামের একটা করে প্রেস রিলিজ হয়। যেমন: ধরেন গতকালকে জার্মানীতে করোনা ভাইরাসের টিকা বের হয়েছে। জার্মানী এবং যুক্তরাষ্ট্র মিলে প্রায় ৪০০০০ স্বেচ্চাসেবীর উপরে একটা ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছে এবং সেটা ৯০% সফল হয়েছে। এখন জার্মাণীরা সেটা ডিসেম্বর থেকে প্রোডাকশনে নিয়ে আসতাছে । তারপরে সারা বিশ্বে জার্মানীদের কে সেই টিকা বা ভ্যাকিসন দেয়া হবে। এখন এই খবর বৈজ্ঞানিক রা গতকাল কে বা আরো কয়েকদিন আগে একটা সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিক সাক্ষাৎকার আকারেও সেটা জানিয়েছে সবাইকে। আর এ সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষনাগার সাংবাদিকদের যে পত্র বা পেপার টা দিবে সেটাকেই প্রেস রিলিজ বলা হয়।  বলা হয়: প্রেস রিলিজ ছাড়া বিশ্বের অনেক কিছুই উদ্বোধন হয় না ঠিকমতো। প্রেস রিলিজটা লিখতে হয় ইন্টারনালি। যারা প্রেস রিলিজ আয়োজন করে তাদের কে প্রেস রিলিজ নোট টা লিখতে হয়। আর যারা লিখতে চায় না তারা প্রফেশনাল কাউকে দিয়ে অর্থের বিনিময়ে লিখিয়ে নেয়। সেটা ও সাধারনত প্রফেশনাল হয়ে থাকে। কেউ যদি নিজেকে অনেক ক্ষমতাবান আর পপুলার মনে করে তবে তাকে প্রেস রিলিজের আয়োজন করে তা জানান দিতে হয় ছলে বলে কৌশলে, যে কান উপায়ে। একজন লোক ১৯৮৮ সাল থেকে নিজেকে অনেক পপুলার আর অনেক ক্ষমতাবান মনে করে। সে কখনো নিজেকে প্রকাশ করে না। তার কোন সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট প্রোফাইল বা একাউন্ট ও নাই। সে একজন লোককে মনে মনে ফলো করে। সেই লোকটা অনেক পপুলার। সে নিয়মিত আপডেট দেয় বা এক ধরনের সোশাল মিডিয়া প্রেস রিলিজ দেয় ছোট ছোট নোটের মাধ্যমে। কিন্তু সেই প্রথম জন নিজেকে পুরুষ ভাবলেও বোরখা পড়া মহিলার মতো আচরন করে। সোশাল মিডিয়া তে একাউন্ট ওপেন করে না,   ব্লগ নাই কোন, পারসোনাল কোন ওয়েবসাইট নাই এবং কোন পরিচিতিও নাই। শুধূমাত্র একটা প্যারাসাইট লেভেলের সোসাইটি সে মেইনটেইন করে চলে - অনেকটা ফকিরাপনা বা ধার দেনা টাইপের সমাজে। তো এখন যদি সেই লোক কোন সংবাদ সম্মেলন আয়োজন না করে বা যদি সাংবাদিক দের নিজের ছবি না দেখায় তাহলে তাকে কেউ দুনিয়াতে ক্ষমতাবান মনে করবে না- তার ক্ষমতা বা পাওয়ারের কোন দাম বিশ্বে কেউ দেবে না। 


[জানা মোতাবেক ইন্টারনেট দুনিয়াতে শুধূ মাত্র নবীজিদের ছবি তোলা যায় না। যেমন: জীবিত শেষ নবী হযরত ঈসা (আ:) নবী।  পবিত্র কোরানে লেখা উনি জীবতি। সৃষ্টিকর্তা তাকে চতুর্থ আসমানে তুলে নিয়ে গেছেন। প্রতিনিয়ত অনেকেই তাকে মনের চোখে দেখে, ভালোবেসে যীশু বলে যাকে এবং ্ও বিশ্বাস করে যে: উনি নিয়মিত পৃথিবীতে আসা যাওয়া করেন(যেহেতু উনি নব্যুয়ত প্রাপ্ত নবী এবং দুনয়িাতে মহানবী ছিলেন)।তাই উনাকে ক্যামেরাতে ধরার জণ্য সারা বিশ্বে স্যাটেলাইট সেট করা আছে (প্রতি ইঞ্চি এবং প্রতি সেকেন্ডে) আর সারা বিশ্বে তার ভক্ত রা তাকে ভালোবেসে অপেক্ষা করে যে উনি একদিন ক্যামেরাতে ধরা দেবে। লম্বা, ফর্সা, মুখে দাড়ি, ৬ ফিট ২ ইঞ্চি লম্বা , লম্বা কাপড় পরিহিত, আলোর ভান্ডারী, জেরুজালেমের বেথেলহামে জন্ম, হয়রত মরিয়ম আ: এর সন্তান, আজকে থেকে ২০০০ বছর আগে জন্ম, পবিত্র ধর্ম বই ইন্জিলের গ্রহীতা, খ্রীষ্টান ধর্মের জনক, সর্বোপরি সৃষ্টিকর্তার দরবার থেকে ওহী বা নব্যুয়ত প্রাপ্ত নবী হয়রত ঈসা মসীহ (আ:)  এরকম একজন কে ঈসা নবী ভেবে মানুষজন তাকে প্রতিনিয়ত ভালোবেসে যাইতাছে। তাছাড়া নবীজিরা নব্যুয়তের আলোতে সমৃদ্ব থাকে- তাই উনাদেরকে ক্যামেরাতে ক্যাচ করা যায় না বলে শুনেছি।] 




আমরা মানুষ। আমাদের প্রত্যেকের একটা আইডেন্টিটি আছে। প্রয়োজেন আমাদের ছবি তোলাও জায়েজ এবং ইন্টারনেটের দুনিয়াতে প্রতিদিন ১০/১২ টা ছবি না তুললে নিজেকে সেলফি ষ্টার ও লাগে না। তো এইখানে কোন প্রোডাক্ট লঞ্চ করতে গেলে আমাকে অবশ্যই ক্যামেরা শো এর আয়োজন করতে হবে- সাংবাদিকদের কল করতে হবে এবং সেখানে প্রোডাক্ট লঞ্চ হয়ে গেলে সেটার ব্যাপারে একটা প্রেস রিলিজ নোটও দিতে হবে। সেই প্রেস রিলিজটা ইন্টারনেটে প্রকাশ করতে হয়। তখণ সারা বিশ্বের সকলে জানে। সেই টাকে প্রেস রিলিজ নোট বলে। এই প্রেস রিলিজ সাধারনত ৫০০ শব্দের মধ্যে হয়ে থাকে বা আপনি চাইলে ৫০০০ শব্দের মধ্যেও করতে পারবেন তবে হোযাইট হ্যাট এসইও এর সকল নিয়ম বজায় রাখতে হবে। কারন আপনি যদি এসইও নিয়ম মোতাবকে প্রেস রিলিজ না লিখেন তাহলে সেটা ইন্টারনেটে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিন শো করবে না। সেই ক্ষেত্রে আপনার পোডাক্ট প্রমোশন ও হবে না। প্রেস রিলিজ হোযাইট হ্যাট এসইও- অফ পেজ অপটিমাইজেশন বা বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি কাজ বলে ধরে নেয়া হয়। পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ প্রেস রিলিজ সাবমিশন ওয়েবসাইট আছে। যারা প্রেস  রিলিজ লিখে তাদের কে প্রেস রিলিজ রাইটার বলে। আর যারা সাব মিট করে প্রেস রিলিজ ওয়েবসাইটে বা যেকোন ওয়েবসাইটের প্রেস রিলিজ সেকসানে তাদের কে প্রেস রিলিজ সাবমিটার বলে। 


প্রেস রিলিজেএর ভেতরেও আপনি ব্যাকলিংক বা লিংকবিল্ডিং করতে পারবেন। হোয়াইট হ্রাট এসইও তে পেজ র‌্যাংক বাড়ানোর জন্য যে যে টেকনোলজী গুলো ব্যবহার করে লিংক বিল্ডিং বা ব্যাকলিংক করা হয় তার মধ্যে পেস্র রিলিজ সাবমিশন একটি। আপনি যদি কোন ওয়েবসাইটে প্রেস রিলিজ সাবমিশন করেন আর সেই ওয়েভসাইটরে পেজ র‌্যাংক যদি হাই হয় ৮/৯ বা ১০ , তাহলে সেখানে প্রেস রিলিজের ভেতরে যদি আপনি দরকারি কিওয়ার্ড কে হাইপারলিংক করেন বো ব্যাকলিংক করে লিংকবিল্ডিং করেন তাহলে সেই উচ্চ মানের পেজ র‌্যাংকের ওয়েবসাইট আপনার ওয়েবসাইট বা কিওয়ার্ডের ভেতরে থাকা যে ওয়েবসাইট সেই ওয়েবসাইট কে অকে পরিমান ট্রাফিক বা ভিজিটর সাপোর্ট দেবে বিভিন্ন উৎস বা সোর্স থেকে। ২০১০ সালের আগে কোন ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে আনার জন্য আমরা মিনিমাম ৫০ টা প্রেস রিলিজ করতে বলতাম যে কাউকে। এখন ম্যাক্সিমাম পেইড পোষ্ট হয়ে গেছে। যেমন: ধরেন: ২০১০ সালের আঘে ওয়াশিংঠন পোষ্টে আপনার একটা একাউন্ট ছিলো। সেটা এখনো একটিভ আছে। আপনি চাইরে যে কোন নিউজ সাবমিটও করতে পারবেন। ওয়াশিংটন পোষ্ট যদি সেটাকে এপরুভাল দেয় তাহলে সে রকম একটা পোষ্টের জণ্য আপনি প্রায় ৩০০ ডলার চাইতে পারেন যে কারো কাছ থেকে কারন পত্রিকাটার নাম ওয়াশিংটন পোষ্ট। High Page Rank ওয়েবসাইট গুলোতে ব্যাকলিংক বা লিংক বিল্ডিং করতে গেলে আপনি প্রেস রিলিজের সাহায়্য নিতে পারেন কারন প্রেস রিলিজ সাবমিশন ওয়েবসাইট গুলো High Page Rank বেজড এ হয়। 

আপনি চাইলে একজন প্রেস রিলিজ রাইটার বা সাবমিটার হিসাবে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আপনার কাজ শুরু করতে পারেন। এজন প্রেস রিলিজ রাইটার হিসাবে আপনি ১০০ মব্দের জন্য মিনিমাম ১০ ডলার উপার্জন করতে পারবেন। সেই হিসাবে যদি ৫০০০ শব্দের ওয়েবসাইট হয় তাহলে প্রায় ২৫০ ডলার এর উপার্জন। আর আপনি যদি একজন সাবমিটার হোন বা হতে পারেন তাহলে সেই পেইড ভারসন এ সাবমিট করার জন্যও আপনি আলাদা একটি চার্জ নিতে পারবেন। পৃথিবীর সবচেয়ে দামী দামী প্রেস রিলিজ ওয়েবসাইট গুলোর সদস্য পদ গ্রহন করে সেখানে প্রেস রিঝি সাবমশিনের অফার আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে দিতে পারেন। আশা করি আপনি সফল হবেন। নীচের ওয়েবসাইটে আপনি ফি রেজিষ্ট্রেশন করে ও একজন প্রেস রিলিজ রাইটার বা সাবমিটিার এর কাজ শুরু করতে পারবেন এবং আপনার নিজের জণ্য রেভিনিউ বা দেশের জণ্য রেমিটেন্স নিয়ে আসতে পারবেন। 

SEOClerks


Thursday, November 19, 2020

Create a Vimeo profile. Social Media Optimization. High DA. High PA.


#vimeo #highDA #highPA #linkbuilding #backlinks

আর্টিকেল রাইটিং - ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং জগতের একটি প্রফেশন।

 লিখতে ভালোবাসে না বা আপনমনে ২/১ লাইন লিখে না- এরকম মানুষ পৃথিবীতে কখনো খুজে পাওয়া যাবে না। যারাই নিয়মিত টেবিল ওয়ার্ক করে বা টেবিল এবং পড়াশোনাকে ভালোবেসে স্কুল, কলেজ, অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ করেছেন প্রত্যেকেই ২/৩ টা কবিতা বা গল্প বা কিছু একটা লিখেছেন। ভালোবেসে প্রেমিক বা প্রেমিকার জণ্য ২/৩ লাইন পংক্তি যে নিজে থেকে কখনো রচনা করে নাই সে কোন মানুষের পর্যায়ে পড়বে না। ভালোবাসা একটি সৃষ্টিশীল ব্যাপার। প্রকৃত ভালোবাসায় ঈশ্বর থাকেন। সেই হিসাবে ঈশ্বরের ভালোবাসার অংশ হিসাবেও ২/৩ লাইন সবাই ই লিখতে পারে। আর ইন্টারনেট জগতে এই লেখালেখির বিষয়টাকেই আর্টিকেল রাইটিং বলে। আর যারা নিয়মিত লিখে থাকে তাদেরকে আর্টিকেল রাইটার বলে। একজন আর্টিকেল রাইটারের প্রধান ক্ষমতা  যে কোন বিষয় নিয়ে লেখািলেখি করতে পারা। এর জন্য তাদের কে বিস্তর খাটা খাটনি করতে হয়। যেমন: ইন্টারনেটে রিসার্চ করা, গবেষনা করা বা যে কোন বিষয়ের উপরে এক্সপার্ট হতে চাইলে সেই স্পেসিফিক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করা ইত্যাদি ব্যাপার খুব কমন। আজকে থেকে ১০ বছর আগে যে কোন এডাল্ট মেয়ে মানুষের প্রথম পছন্দ ছিলো আর্টিকেল লেখা- ইন্টারনেটে প্রফেসন চয়েজ করতে বললে। আর যারা ইংলিশ মিডিয়াম থেকে পড়াশোনা কমপ্লিট করেছে তাদের জন্য তো হেভেন হয়ে গেলো। কারন বিভিন্ন কারনে আর্টিকেল রাইটিং এর দরকার পড়ে ইন্টারনেটে এসইও করার ক্ষেত্রে হলেও: 

  • আর্টিকেল ডােইরেক্টরি তে আর্টিকেল সাবমিট করার জন্য। যতোগুলো ডাইরেক্টরি আছে প্রত্যেকটা তে নতুন করে আর্টিকেল রাইট করা এবং সাবমিট করা। 
  • ওয়েবসাইটের পেজের জন্য ওয়েবসাইটের বর্ননা লেখা বা ডেসক্রিপশন লেখা ।
  • যে কোন পন্যের উপরে কয়েক লাইন বা কয়েকটা প্যারা লেখা। 
  • মেটা ডেসক্রিপশন লেখা। 
  • এসইও কিওয়ার্ড বেজড আর্টিকেল লেখা। ৩০০/৫০০/১০০০ শব্দের উপরে লেখা। 
  • প্রেস রিলিজ সাবমিশন করার জন্য লেখা। 
  • রচনা লেখা। 
  • সেমিনারে বক্তা র লেখা লিখা। 
  • সিম্পোজিয়াম  এর লেখা। 
  • যে কোন ভাষন লিখা বা রাজনৈতক ভাষন লিখা। 
  • গবেষনা ধর্মী লিখা। 
  • জাতিসংঘ আ আন্তর্জাতিক অংগনে পাঠানোর জণ্য লিখা ইত্যাদি।

মিনিমাম কলেজ পাশ এরকম যে কেউই আর্টিকেল রাইটিং করতে পারে। আর্টিকেল রাইটিং ইন্টারনেটের প্রফেশনের জণ্য বা বিভিন্ন প্রতিষ্টানে রাইটার, কপিরাইটার, ভিজুয়ালাইজার এই ধরনের প্রফেশনেও কাজে লাগে। আমরা এইখানে শুধূ এসইও জগতে আর্টিকেল কি কি কাজে লাগে সে ব্যাপারে জানবো। একজন এসইও আর্টিকেল রাইটারের কি কি যোগ্যতা থাকা লাগবে সেটা জানি :

  • কি ওয়ার্ড রিসার্চার হতে হবে। 
  • কি ওয়ার্ড এনালাইজার হতে হবে। 
  • কি ওয়ার্ড র‌্যাংক কিভাবে করতে হয় তা জানতে হবে। 
  • কিওয়ার্ড অরথ বা ভ্যালূ কি তা জানতে হবে। 
  • কি ওয়ার্ড অপটিমাইজেশন কি তা জানতে হবে। 
  • কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আর্টিকেল কিভাবে লিখতে হয় তা জানতে হবে। 
  • কিওয়ার্ড লিষ্ট বের করা জানতে হবে। 
  • যে কোন ওয়েবসাইটের জন্য বা লেখার জন্য কোন কিওয়ার্ড টা ব্যবহার করতে হবে তা জানতে হবে। 
  • ক্লায়েন্টের দেয়া যে কোন কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে লেখা লিখতে হবে। 
  • এসইও ম্যাটার: ১৫০/ ৩০০ / ৫০০ / ১০০০ শব্দের উপরে ভিত্তি করে লেখা লিখতে হবে।
  • অফলাইন বা অনলাইন দুইটা মাধ্যমেই লিখতে হবে । 
  • বাংলা বা ইংরেঝী দুই মাধ্যমেই লিখা জানতে হবে। 
  • প্লাগারিজম কি তা জানতে হবে। 
  • কপিস্কেপ পাশ কি তা জানতে হবে। 
  • ডুপ্লিকেট আর্টিকেল লেখা বাদ দিতে হবে। 
আপনি চাইলে একজন আর্টিকেল রাইটার হিসাবে আপনার ক্যারিয়ার ‍ শুরু করতে পারেন। দু:খ, দুর্দশার দেশ বাংলাদেশে অনেক ছাত্র ছাত্রীরাই জীবনে উন্নতি করার লক্ষ্যে একদম সঠিকভাবে পড়াশোনা করে বড় হয়। নিজে নিজে নোট তৈরী করা, বন্ধুর জন্য এসাইনমেন্ট তৈরী করে দেয়া (যেনো ক্লাশ টিচার না জানতে পারে), ক্লাসে হুবুহু কপি না করা , কিছুটা এলোমেলো ভাবে লেখা লিখতে পারা - এই রকম ভাবধারার লোকজনই ভালো আর্টিকেল রাইটার হতে পারে। কারন এইখানে ক্রিয়েটিভিটির একটা ব্যাপার ও আছে। আবার নিজস্ব স্বকীয়তার ও একটা ব্যাপার আছে। প্রত্যেকের লেখার ধরন আলাদা আলাদা। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলো তে ইংরেজী মাধ্যমে পড়াশোনা হবার কারনে অনেকেই খুব সহজে এই প্রফেশনে চলে আসতে পারে। হাতে অখন্ড অবসর থাকলে বা সময় থাকলেও এই প্রফেশনে নাম লিখানো সহজ। আপনি চাইলে নীচের ইমেজে ক্লিক করে একদম ফ্রি তে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনার আর্টিকেল রাইটিং শুরু করতে পারেন।  

SEOClerks
Postloop - Buy, exchange & sell content

Wednesday, November 18, 2020

কম্প্রোমাইজ মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার (Freelancer Compromise) বলতে কি বোঝেন?

যখণ প্রথম ফ্রি ল্যান্সার আউটসোর্সিং ই্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে তখনি এক ধরনের লোকের রোষানলে পড়ে যায় এই ইন্ডাষ্ট্রিজ। কিভাবে একজন আরেকজন কে সাহায্য করা যায় - কিভাবে এই ইন্ডাষ্ট্রিজটা বাংলাদেশে দাড় করানো যায় বা কিভাবে পাড়া বা মহল্লাতে ছড়াইয়া ছিটাইয়া যায় সেটাই ছিলো প্রধান ‍চেষ্টা। মানুষজন খেটে না খেটে বা কষ্ট করে বা একজন আরকেজনকে হাত ধরে বলতে গেলে এই ইন্ডাষ্ট্রিজটা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। কাজ শিখায় এবং কাজ শিখতে সাহায্য করে। পারস্পরিক একটা কম্প্রো্মাইজের মাধ্যমে সবাই একসাথে হয়ে কাজ করে- ডলার উপার্জন করে এবং ডলার রেমিটেন্স আনতে সাহায্য করে। কেউ কাউকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখে নাই। ২০১১ পর্যন্ত আমার কখনোই মনে হয় নাই যে: আমাকে কেউ ঝামেরাতে েপলাতে পারে বা কষ্ট দিতে পারে। একসাথে সব একাউন্ট হারিয়ে ফেলি ২০১১ সালের একদিনে হ্যাকারদের আক্রমনে। বাংলাদেশী হ্যাকার- নাম দিয়েছিলো “সোনিয়া।” আরো ডিটেইলেস খোজ খবর নিয়ে জানলাম যে: তারা এদশের দালাল/রাজাকার প্রজন্ম কর্তৃক সমর্থিত একটি শক্তি। বাংলাদেশে রেমিটেন্স আসাটা তারা পছন্দ করতাছে না। তাদেরকে ভাগ ভাটোয়ারা দিতে হবে। আমি তখন মনে মনে বললাম: দালাল/রাজাকার প্রজন্ম ছাড়া তো আর কারো পক্ষে সম্ভব না একজন আরকেজনের ক্ষতি করা। বিনা কারনে একজন আরকেজনের ক্ষতি থেকেই তো তৈলিী হয়েছিলো ৭১ এর স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ব। জাতে বাংগালী কারো না করো তো ইন্ধন ছিলো- নয়তো এতো বড় গনহত্যা কিভাবে তৈরী হয়? প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকে ট্যাংক এনে বাংলাদেশে রেখে সমর সাজিয়ে অতর্কিতে হামলা - মূদূ পরিকল্পনা মাফিকই হয়েছে। মুক্তিযোদ্বারা যেমন পরিকল্পনা মাফিক ছক কষে যুদ্বে অংশগ্রহন করে জিতেছে তেমনি দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধীরা ও একটা পরিকল্পনা করেই বাংলাদেশে গনহত্যা রচনা করেছিলো। যেই গনহত্যার বিচার আজো প্রলম্বিত আকারে চলতাছে- ৪৯ বছল পরেও এখনো অনেক দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধী রা ঝীবিত - কারো না কারো ইংগিত, প্রচ্ছন্ন সাহায্য তো অবশ্যই আছে। তো এখণ ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোসিং এর জগত টা হয়ে গেছে কমপ্লিকেটেড অনেক। একজন আরেকজনের বিরুদ্বে বিনা কারনে  লেগে যাইতাছে- যা কখনোই কাম্য ছিলো না। 


শুনেছি একদল রাজাকার যারা ৭১ এ সবচেয়ে কমবয়সী ছিলো ১০-১২ বা ১২-১৬ বা ১৬-১৮ বছর বয়ষী স্বজ্ঞানে স্বইচ্চায় ১৯৭১ এ বাংগালীদেরকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করে নাই, যারা দালাল রাজাকারের বা দেশবিরোধীদের সন্তান ছিলো, প্লাষ্টিক সার্জারী করে প্রত্যেকেই তাদের নিজস্ব বয়স কমিয়ে রেখেছে ১০ থেকে ১২ বছর যার বয়স ৬৫ বছর তারে দেখলে মনে হবে ৫৫ বছর এরকম করে রেখেছে তারাই নাকি এদেশের ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং নিয়ে ঘোট তৈরী করতাছে। কারন তারা এই দেশের এই উন্নয়নটাকে সহ্য করতে পারতাছে না। বাংগালী জাতে মেধাবী- আর এইখানে বাংগালী অতি অবশ্যই উন্নতি করবে- তাই না পেড়ে তারা বাংগালীদের বিুরদ্বে লেগেছে। দেখবেন খুব বড় বড় লেকচার দিবে কিন্তু তাদের বৈধ নাগরিকত্ব নাই বাংলাদেশে বসবাস করার। জাতীয় পরিচয়পত্র নাই কিংবা ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার  নাই। কিন্তু কথা বলবে একেবারে দেশের রাজার মতো। তাদের কথা বার্তা শুনলে যে কেউ হাসাহাসি শুরু করবে। শুনেছি তারা বলে বেড়ায় যে বাংলাদেশে এমপি বা মন্ত্রী হতে নাকি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে না- এরকম ধারনা পোষন করে চলে। 


তো আমি ভাবতাম: ঝঞ্জা বিক্ষুব্দ দেশ বাংলাদেশ। ১০০ হাত মাটির নীচে পুতে রাখলেও ঠিকই সঠিক পথটা খুজে বের করে নিবে। আজকে ১৩/১৪ বছর পরে এখন সারা দেশের লোকজন জানে যে এইটা একটা ইন্ডাষ্ট্রিজ বা ডলারও জেনারেট করতাছে বা প্রতিনিয়ত রেমিটেন্স ও আসতোছে তবে কিনা তা অনেক সময় অনেকের মনেই অনেক সন্দেহের জন্ম দিতাছে। নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াই সমানে যার যার বাবা বা মায়ের নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল ভেরিফিকেশন করে কাজ করে যাইতাছে। যারা আগে ইনকাম ট্যাক্স দিতো এখন তাদের নামে রেমিটেন্স আসতাছে। ফলে সরকারের ভেতরে তৈরী হইতাছে জটিলতা। এক সময় এই দেশটা ছিলো ভারতীয় পূর্ব বাংলা। বাংলা ভাষাতে কথা বলার পরেও এইখানে শুরূ হলো পূর্ব সামথিং এর গ্যানজাম। যা ৭১ এ পুরোপুরি ফিনিশ হবার পরেও জীবিত দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধীরা সদ্য ঘটিত বাংলাদেশের উন্নতি সহ্য করতে না পেরে ধ্বংসের লীলায় মেতে উঠলো। তারই প্রতিক্রিয়ায় এখন দেখা যাইতাছে- ইনকাম ট্যাক্সধারী লোক রেমিটেন্স নিয়ে আসতাছে তারপরে আবার ইনকাম ট্যাক্স ও দিতাছে। জানা মোতাবেক: যারা রেমিটেন্স উপার্জন করে তাদের কে রেমিটেন্সের উপরে কোন ট্যাক্স দিতে হয় না্ সাধারনত রেমিটেন্সের ‍উপরে ট্যাক্স দিতে হয় না। ট্যাক্স দিতে হয় আভ্যন্তরীন আয় উপার্জনের উপরে। যেমন: বিগত অনকে বছর বাংলাদেশের লোকাল একটা এজন্সীর মাধ্যমে পেপাল ডলার উপার্জন করার পরে সেখানে এজেন্সীকে চার্জ দিতে হয়েছে ৫%, প্রতিবার মানি রিসিভ করার সময়ে ট্রানজেকশন নাম্বারও তৈরী হয়েছে। সেই এজেন্সী আবার ইনকাম ট্যাক্স বা ভ্যাটও দিতাছে আবার যে ব্যাংকের কাছে পেপাল ডলার সেল দিতাছে সেটাকে সেই ব্যাংক রেমিটেন্স আকারে নিতাছে। তাহলে একটি প্রতিষ্টানও ইনকাম ট্যাকস ‍ ও দিলো, আবার ভ্যাটও দিলো আবার রেমিটেন্সেও এড হলো। কি তামাশার এক দেশ- বাংলাদেশ!


ফ্রি ল্যান্সার রা ও আগে পারস্পরিক অনেক হেল্প করতো একজন আরকেজনকে। এখন সারাক্ষনই ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়: কে কখন কাকে কোথায় কোন েকারন ছাড়াই বাশ না দেয়। ১০/১২০০০ একসাথে হয়ে ক্রমান্বয়ে রিপোর্ট দিতে দিতে ফেসুবকের েপোষ্টিংও ডিলেট করে দেয়। বিনাকারনে মার্কেটপ্লেসে হায়ার করে ব্যাড রিপোর্টও দেয়। সমানে রিপার্ট দিতে থাকে কন্টিনিউয়াসলি। ভিপিএন দ্বারা ফরেন একাউন্ট মেক করে নিজেই নিজেদেরকে ক্ষতি করে যাইতাছে। নিজেরাই নিজেদের দেশে মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্ট হয়ে যাইতাছ্ েযে দেশের পৌনে ছয় কোটি মানুষ দৈনিক আয় রোজগার করে খোয় সে দেশের সাধারন মানূষ যদি হঠাৎ করে নিজেদেরকে বায়ার বলে ফেলায় তাহলে যারা ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বায়ার বা ক্লায়েন্ট তারা কই যাবে। কোন মুক্তিযোদ্বার সন্তান বা জয় বাংলার সন্তান কি একজন আরকেজনের ক্ষতি করতাছে বলে মনে করেন? যারা েএকজন আরকেজনের উন্নতি দেখতে পারতাছে না তাদের শরীরের রক্তের ভিতরে রয়ে গেছে সেই ৭১ এর দেশবিরোধীদের রক্তের ধারা। জয় বাংলার ছেলে পেলেদের উন্নতি দেখলে তাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। কিভাবে সেই ছেরেটাকে ধ্বংস করা যায় বা তার ঝীবনটার সর্বনাশ করা যায়- এইটাই থাকে তাদের একমাত্র িদ্বিধা। বিনাকারনে লক্ষ লক্ষ রিপোর্ট মেরে আমার ২/৩ টা ওয়েবসেইট কে স্পাম মার্ক করে দিছে। হাজার হাজার ছেরে পেলে দের প্রোফাইল বা ভিডিও চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ ডিলেট করে দিতাছে। একজন কে আসক করেছিলাম: বলতাছে রিপোর্ট খাওয়া ভালো। মার্কেটপ্লেসের যারা  মালিক তারা রিপোর্ট এনালাইসিস করতে পারে বিধায় সারা দেশের সব ফ্রি ল্যান্সার রা টিকে আছে।  মার্কেটপ্লেসের যে ওয়েবসাইট তাদের ফ্রি ল্যান্সারদের কাছ থেকে % খায প্রতি সেকেন্ডে- তাই এইখানে কোটি কোটি রিপোর্ট মারলেও লাভ হবে না। ফেসবুকের রিপোর্ট হয়তো কাজে দেয়। 


তো এই ধরনের ব্যবহার যাদের তারা তো আর কম্পোমাইজ মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার না। তারা হইতাছে ধ্বংসাত্মক মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার। তাদের মন মানসিকতা ইন্টারনটে বিরোধী। তাদের এই ধরনের কার্যাবলীতে একদিন হয়তো বাংলাদেশ তেকে ইন্টারনেট বন্ধও হয়ে যাইতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশেই ফুল ফেজ ইন্টারনটে নাই। যারা কম্প্রোমাইজিং মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার- তারা কখনোই একজন আরকেজনের ক্ষতি করবে না। তারা সবসময় ই চাইবে অপরে ও ভালো করুক আর নিজেরও ভালো হোক। ডলার ‍ উপার্জন কররেই ফ্রি ল্যান্সার হওয়া যায় না- ভালো মানের ফ্রি ল্যান্সার হতে গেলে ভালো কমেপ্রামাইজ মাইন্ডের ও হতে হয়। কম্প্রোমাইজ মাইন্ডের একজন ফ্রি ল্যান্সার সবসময় আপনার ভালো কামনা করবে এবং আপনাকে ভালো পথ দেখাইয়া দিবে। 


৭১ এ দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার প্রজন্মের হাতে ইন্টারনেট সুবিধাটা প্রদান করলো কে বা কারা? তারা তো তাদের বাপ দাদাদের রক্তের বাহিরে না। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া তারা যেনো ইন্টারনেট ব্যবহার না করতে পারে সেই আইন করা উচিত। যদি এই আইন কার্যকর করা হয় তাহলে একজন দিনমুজরও যে কিনা সারা দিন খাটা  খাটনি করে সে ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার ভীড়ে তার মন মতো কিছু কাজ করতে পারবে। এই রকম ভাবে বৈধ জাতীয় পরিছয়পত্র নম্বার ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারনে বাংলাদেশ হয়ে যাইতে পারে দেশী/বিদেশী হ্যাকার দের আখড়া যা আপনি পরে আর কখনো কন্ট্রোল করতে পারবেন না। ইদানিং কালে অনেকের প্রোফিইলেই দেখা যায়- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছেলে রা বা মেয়েরা ঢাকা তে আইসা তাদের সোশাল মিডিয়া বন্ধুদের সাথে হ্যাং আউট করতাছে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে এবং আরো কতো ধরনের তথ্য হাতাইয়া নিতাছে তা বোধ হয় এক মাবুদই জানে। সো বড় সড় বিপদে পড়ার আগেই সতর্ক হওয়া উচিত। ফ্রি ল্যান্সারদের ও অথি অবশ্য নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েই কাজ করা উচিত নয়তো একটা অযাচিত ফাইট শুরু হয়ে যায় যে কোন মার্কেটপ্লেসে। অনেকদিন আগে আপওয়ার্কে একদিন দেখেছিলাম যে েএকজন রাষ্ট্রীয় সচিব ফ্রি ল্যানসিং করতাছে এবং তার প্রোফাইল। পরে কয়েক বছর যাবারপ রে বুঝতে পারলাম যে: সেটা হয়তো তার ছেলে বা মেয়ে করতাছে। এই ধরনের ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে অপরাধ। যে সকল মার্কেটপ্লেসে আমরা কাজ করি সে সকল মার্কেটপ্লেস নিশ্চয়ই বলে দেয়া নাই যে: আপনি আপনার বাবা বা মায়ের আইডি দিয়ে কাজ করতে পারেন। সুকৌশলে সেই দেশবিরোধী চক্র আমাদের দেশের সোসিও ইকোনমিক্যাল সিষ্টেমে একটা ঝামেরা লাগাইয়া দিতাছে। পরে এইগুলো বিশালাকারের ফাইন হিসাবে দাড়া হইতে পারে। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দারা হয়তো ক্লায়েন্ বা বায়ার সেজে তথ্য হাতাইয়া নিতাছে যা বাংলাদেশী কম্পোমাইজিং ফ্রি ল্যাণ্সারদের জণ্য আরো বড় আঘাত হিসাবে দেখা দিতে পারে। 


Bangla Video Create Web 2 0 Google Site



#googlesite
#web2.0
#highDA
#HighPA

Tuesday, November 17, 2020

ওয়েবসাইট পেজ র‌্যাংক তৈরী করার উপায় কি কি?

Check Page Rank of your Web site pages instantly:

This page rank checking tool is powered by PRChecker.info service

 ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক বাড়ানো থাকলে কি উপকার হয় সেটা আগে জানা দরকার? পৃথিবীর যতো সব সার্চ ইন্জিন আছে সেগুলো আগে যেগুলেঅর পেজ র‌্যাংক ভালো থোকে সেই ধরনের ওয়েবসাইট গুলেঅ প্রথমে দেখায় বা সার্চ ইন্জিনের বট প্রথমে ভালো র‌্যাংকের ওয়েবসাইটের ডাটা গুলো প্রথমে বিবেচনা করে দেখে সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে দেখানোর জন্য। ভালো পেজ র‌্যাংকের ওয়েবসাইটে অতি অবশ্যই ভালেঅ পরিমান ট্রাফিক বা ভিজিটর বা সেলস আসবে। ওয়েবসাইটের সমস্ত ‍ কিছু যদি ইউনিক থাকে তাহলে একটা ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে তোলা অনেক সহজ হয়। যেমন: ওয়েবসেইটের টেমপ্লেট ইউনিক রাখা। ডুপ্লিকেটি টেমপ্লেট ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে আনা মোটামুটি ভালো কষ্ট। একই লাইসেন্সের ওয়েবসাইট টেমপ্লেট ২ টা ডোমেইনে এবং হোষ্টিং এ ব্যবহার করলে প্রথম যেটাতে সেটআপ দেয়া হয়েছে সেটা র‌্যাংকে আসবে।

 


  1. সাব ডোমেইন বেজড ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসতে বহু সময় লাগে। (https://masudbcl.blogspot.com)
  2. ফ্রি হোষ্টিং এর সার্ভার ব্যবহার করলে সেটাকে র‌্যাংক এ আনতে অনেক সময় লাগে। https://www.000webhost.com/free-domain-hosting  (চলবে)
  3. ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট ব্যবহার করলে সেটা র‌্যাংকে আসবে না। (কন্টেন্ট বেলতে বোঝানো হয়: টেকস্ট, ইমজে এবং ব্যানার ইত্যাদি)।
  4. ডুপ্লিকেট ইমেজ ব্যবহার করলে সেটা র‌্যাংকে আসবে না। 
  5. ব্ল্যাক হ্যাট এসইও ব্যবহার করলে সেই ওয়েবাইট র‌্যাংকে আসবে না। 
ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসার জন্য সবচেয়ে জররুী বিষয় হলো: ইউনিক থাকা। সবসময় সব ভ্যাপারে ইউনিক থাকা। আরো অনেক ব্যাপার আছে যার মধ্যে কিছুটা নীচে দেয়া হলো: 

  • প্রথমেই কখনো পেইড সফটওয়্যার ব্যবহার না করা। 
  • টাইটেল বা ট্যাগলাইন প্রায়শই পরিবর্তন করা।
  • টাইটেল এবং ট্যাগলাইন এ কিওয়ার্ড ব্যবহার করা।
  • প্রফেশনাল রাইটার দ্বারা ওয়েবসাইটের পেজ এর কন্টেন্ট গুলো রাইট করা। পারলে নিজে লেখা। অন্য কাউকে দিয়ে লেখালে ওয়েবসাইটের প্লাগারিজম বা কপিস্কেপ পরীক্ষা করে নেয়া। 
  • প্রফেশনাল কাউকে দিয়ে ইউনিক গ্রাফিক্স ডিজাইন করা। 
  • ওয়েবসাইট কন্টেন্ট যেনো এসইও কিওয়ার্ড বেজড হয়। 
  • ব্যানার বা গ্রাফিক্স গুলো যেনো অলটার ইমেজ এসইও এবং ক্যাপশন করা থাকে। ক্যাপশন লেখার সময়ে কি ওয়ার্ড ব্যবহার করা। 
  • সঠিকভাবে হোয়াইট হ্যাট এসইও এপ্লাই করা। (অন পেজ  এবং অফ পেজ অপটিমাইজেশন)।
  • সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন করা। সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন না থাকলে সেটা পেজে র‌্যাংকে আসবে না বা পেজ র‌্যাংকে আসতে সময় লাগবে অনেক। সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশণ মানে হইতাছে  প্রধান প্রধান সোশাল মিডিয়া গুলোতে ওয়েবসাইটের নামেেএকাউন্ট থাকা এবং নিয়মিত সেগুলো হালনাগাদ করা। 
  • ওয়েবসাইটের জন্য ফিড তৈরী করা কারন বিশ্বে অনেক রিডার আছে যারা ওয়েবসাইট আরএসএস এ পড়তে পছন্দ করা। 
  • ওয়েবসাইটেরে সাইট ম্যাপ তৈরী করে রাখা। 
  • ওয়েবসাইটের সকল পেজ একটিভ থাকা। 
  • ওয়েবসাইটের সকল মেন্যুবার কাজ করা। 
  • ওয়েবসাইটের কোন অসসম্পূর্ন ডাটা না থাকা। 
  • ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা করে মিনিমাম ৫ টা কিওয়ার্ড এড করা এবং সেগুলোকে র‌্যাংকে আনার চেষ্টা করা।
  • মাঝে মাঝে র‌্যাংকে থাকা কিওয়ার্ড কে পরিবর্তন করা। 
  • মেটা কিওয়ার্ডস এড করা। 
  • কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ড এনালাইসিস করে বের করা। 
  • কম্পিটিভি ওয়েবসাইট এনালাইসিস করে বের করা। 
  • ওয়েবসাইটের লোডিং স্প্রিড চেক করা।
  •  ওয়েবসােইটের ম্যাপ বা পেজ অপটিমাইজেশন করা। (কিছু এমবেড কোড এড করে রাখা)।
  • ওয়ার্ডপেসের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা পেজই আলাদা আলাদা করে অপটিমাইজেশন করা। 
মাঝে মাঝে কোন ওয়েবসাইটের শুধু হোম পেজ র‌্যাংকে চলে আসে এবং বাকী পেজ গুলো র‌্যাংকের বাহিরে থাকে বা কম বেশী থাকে। আপনার ওয়েবসাইটে যদি ৫টি পেজ থাকে তাহলে ৫ টি পেজকেই একইসাথে র‌্যাংকে আনার চেষ্টা করা। যেখানে যেখানে আপনি মূল ওয়েবসাইটের জন্য এসইও করবেন সেখানে সেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের অণ্যান্য পেজগুলোও সাবমিট করার চেষ্টা করবেন। অবশ্য ওয়েবসাইটে সাইটম্যাপ এড করা থাকলে সেগুলো আর আলাদা আলাদা করে পেজ র‌্যাংকে আনার চেষ্টা না করা। মাঝে মাঝে সাইটম্যাপের কল্যানে অটোমেটিকালি সব পেজই র‌্যাংক পেয়ে যায়।এইচটিএমএল বা পিএইচপি প্রোগ্রামিং এর উপরে ভিত্তি করে যে ওয়েবসাইট গুলো তৈরী হয় সেগুলো কে গুগলেল পেজ র‌্যাংকে আনা অনেক সহজ হয়। সবচেয়ে ভালো হয়: আপনি যে দেশকে টার্গেট করে আপনার ওয়েবসাইট বানাবেন বা বানাইতাছেন সে দেশের পপুলার সার্চ ইন্জিন কে টার্গেট করে হোয়াইট হ্যাট এসইও করলে সেই দেশের ট্রাফিক বা ভিজিটরের উপর ভিত্তি করে আপনার ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিনেে র‌্যাংকে আনতে পারবে। আর একেক সার্চ ইন্জিনের টপোলজী একেকরকম।আপনি ভালো র‌্যাংক এক্সপার্ট  হলে আপনি যে কোন সার্চ ইন্জিনেই আপনার ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে আনতে পারবেন। 

ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসলে আপনি কি কি সুবিধা পাবেন: 
  • ওয়েবসাইট কে সার্চ দিলে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিনের প্রথম দিকে দেখা যাবে। 
  • ওয়েবসাইট প্রথমে থাকলে ভালো পরিমান ভিজিটর বা ট্রাফিক আসবে। 
  • ওয়েবসাইট এর পজিশন ভালো থাকলে আপনার ওয়েবসাইট লিডস বেশী আসবে। 
  • শুধূ মাত্র কোয়ালিটি ব্যাকলিংকের উপর ভিত্তি করে আপনার ওয়েভসাইট কে আপনি র‌্যাংকে আনতে পারবেন না- সেই সাথে ভালো নাম্বারের ট্রাফিক ও লাগবে। 
তীব্র প্রতিযোগতিার এই যুগে আপনার ওয়েবসাইট কে সবসময় টপ র‌্যাংকে রাখতে হলে আপনাকে নিয়মিত হোয়াইট হ্যাট এসইও করতে হবে বা টপ লেবেলের এসইও এক্সপার্ট দের সাহায্য নিতে হবে। আপনি চাইলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এসইও মার্কেটপ্লেস থেকে প্রফেশনাল এবং কোয়ালিটি এসইও এক্সপার্ট হায়ার করতে পারবেন। সরাসরি প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন আমার এসইও এফিলিয়েট ষ্টোর থেকেও। আপনি চাইলে বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েন/পেপাল/ক্রেডিট কার্ডে র মাধ্যমে প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন। 



 

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

সোশাল কমিউনিকেশন এবং ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া কম্যুনিটি বলতে কি বোঝেন?

সোশাল কমিউনিকেশন বলতে সাধানত বোঝানো হয় একটা সোসাইটিতে সকলের সাথে যোগাযোগ রাখা। বাংলাদেশে অনেক ধরনের সোসাইটি আছে। বাংলাদেশে কিছু কিছু সোসাইটি...