Translate

Tuesday, November 3, 2020

ফোরাম ব্লগ বা ফোরাম ওয়েব ২.০ ব্লগ, ফোরাম সাব ডোমেইন কি?

আপনি কোন ফোারামের সদস্য হবার পরে সেখানে ফোরাম প্রোফাইল, ফোরাম সিগনেচার, ফোারাম প্রোফাইল ব্যাকলিংক এবং ফোরাম পোষ্ট এবং ফোরাম পোষ্ট রিপ্লাই কাজ শেষ করার পরে যদি দেখেন যে সেখানে ব্লগ লেখার বা ব্লগ করার অপশন আছে বা পারসোনাল কোন প্লেস আছে যেখানে আপনি কিছু না কিছূ লিখে রাখতে পারবেন সেটাকে আপনি ফোরাম ব্লগ বলতে পারেন। 



সাধারনত যে কোন ফোরামের পারসোনাল ব্লগ পেজ থাকতে পারে। শুধূ ফোরাম ওয়েবসাইট না- পৃথিবীতে যতো ওয়েবসাইট আছে সমস্ত ওয়েবসাইটে ব্লগ পেজ থাকতে হবে। ওয়েব ২.০ ব্লগ বা আপনি যে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে ওয়েবসাইট টা তৈরী করতাছেন সেই প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দ্বারা বানানো ব্লগ পেজ থাকা লাগবে। এইটা এই বিশ্বে যারা ইন্টারনেটের মেইন অথোরিটি তাদের দ্বারা প্রবর্তিত নিয়ম। আপনাকে অতি অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের সাথে ব্লগ পেজ বা ব্লগ অপশন রাখতে হবে।  Create New Entry :  উপরের ছবিতে দেখানো এই অপশনে যদি আপনি ক্লিক করেন তাহলে আপনি একটা নতুন ব্লগ পোষ্ট লেখার পেজ বা পোষ্ট অপশন পাবেন। 


যদি আপনার ওয়েবসাইটে ওয়েব ২.০ ব্লগ না থাকে তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের ১০০% হোয়াইট হ্যাট এসইও হবে না। প্রথমত ওয়েব ২.০ ব্লগ সবার জণ্য ওপেন থাকলেও পরে যে কোন মানুষ যে কোন লেখা শুরু করার কারনে পৃথিবীতে নামী দামী যতো ওয়েবসাইট আছে সমস্ত ওয়েবসাইট একত্রিত হয়ে কোয়ালিটি কন্টেন্ট লেখার সিদ্বান্ত নেয় এবং সব ওয়েবসাইটের সাথে যতো ব্লগ আছে সমস্ত ব্লগে এখন কোয়ালিটি কন্ট্রোল সেকসান আছে এবং সেখানকার মানসম্পন্ন ভাবেই লেখা লিখতে হয়। 


ফেসবুক ফর মিডিয়া ব্লগ


আরো ধরতে গেলে ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব ২.০ ব্লগ। এখন কোন ফোরামে যদি আপনি দেখেন ব্লগ ২.০ লেখা আছে বা আপনাকে বলতাছে ওয়েব ২.০ মার্ক করা থাকে তাহলে আপনি সেখানে ফোরামের কাছ থেকে সাবডোমেইন নিয়ে নিজস্ব বা পারসোনাল ব্লগ কন্টেন্ট লিখতে পারবেন। 

 
ইন্টারনেট বিশ্বে আপনি যতোবার ফোরাম পোষ্ট করবেন ততোবারই আপনি একটা এক্সট্রা সাব ডোমেইন পাবেন ফোরাম এর প্রধান লিংকের সাথে। যেমন: আমি একটা ফোরামের সদস্য। আমি যে কোন একটা ফোরামে একটা পোষ্ট দিলাম। সেখানে পোষ্ট দেবার পরে আমার পোষ্টের উপরে এড্রস বারে যে লিংক দেখাবে সেখানে আপনি একটা সাব ডোমেইন পাবেন- সেটাকে আপনি ফোরাম পোষ্টিং লিংক বলতে পারবেন।  একজন ক্লায়েন্ট বা বায়ার যদি আপনাকে আইসা বলে ম্যাসেন্জারে বা যে কোন মার্কেটপ্লেসে - যে আপনি আমাকে ১০০ ফোরাম পোষ্ট লিংক সার্চ করে দিবেন। তখন আপনি যে কাজটা করবেন তা হইতাছে পৃথিবীতে যতো সার্চ ইন্জিন আছে সমস্ত সার্চ ইন্জিন সার্চ করে ক্লায়েন্টের দেয়া ক্যাটাগরি অনুযায়ী বা কি ওয়ার্ড অনুযায়ী ব্লগ পোষ্টিং লিংক গুলো বের করে একটা এক্সল ফাইলে সাজাতে হবে। তখন আপনি গুগল বা যে কোন সার্চ ইন্জিনে সার্চ করে একটিভ লিংকগুলোকে কপি করে একটা এক্সল ফাইলে আইনা সাজাতে হবে। এইভাবে ১০০ বা ১০০০ ফোরাম পোষ্টিং লিংক যদি আপনি ক্লায়েণ্ট বা বায়ারকে খুজে বের করে দেন- তাহলে  ক্লায়েন্ট বা বায়ার আপনাকে পেমেন্ট করবে । ১০০ ফোরাম লিংক খুজে বের করার জন্য আপনি মিনিমাম ২০ ডলার চাইতে পারবেন যে কোন ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাছে। এখন আপনি যখন খুজে বের করবেন তখণ কিন্ত আপনাকে অতি অবশ্যই বুঝতে হবে বা চিনতে হবে বা জানতে হবে যে : ফোরাম পোষ্ট লিংক কি রকম হয় দেখতে?  ফোরামে রেজিস্ট্রেশন বা পোষ্ট করতে করতে আপনি একসময় বুঝে যাবেন যে: ফোরাম পোষ্টিং লিংকগুলো কেমন হয়। পৃথিবীতে হাজার হাজার ডোমেইন লিষ্ট বা ডাইরেক্টিরী আছে যেখানে আপনি আপনার চাহিদা অনুযায়ী ফোরাম লিস্ট খুজে পাবেন। যে কোন খানে ফোরাম লিষ্ট বা ফোরাম লিংখ লিষ্ট খুজে পাইলেই হবে না- আপনাকে অতি অবশ্যই সবগুলো ফোরাম এ রেজিস্ট্রেশন করে দেখতে হবে বা অভিজ্ঞ হলে দেখতে হবে যে: ফোরাম গুলো ওকে আছে কিনা বা  ফোরাম লিংক ওকে আছে কিনা? আর শুধূ মাত্র ওকে লিংকগুলোই আপনি দিতে পারবেন। এছাড়া আপনি যেমন তেমন লিংক দিলে ক্লায়েন্ট আপনাকে ব্যাড রিকমেনডশন করতে পারে। তখন আপনি অনেক ঝামেলায় পড়ে যেতে পারেন। ফ্রি ল্যান্সিং/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আপনি যতোটা সত থাকবেন আপনি ততোটাই লাভবান হবেন। আর এখানে আপনি যতোটাই দুই নম্বরগিরি করবেন আপনি ততোটাই বিপদে পড়বেন। এইখানে দুই নম্বরগিরি র কোন জায়গা নাই। 




ইন্টারনেটে একটা দুই নম্বরগিরি র উদাহরন

আমার ব্লগে আমি প্রতিনিয়ত লিখি। আমার চাহিদা বা চেষ্টা থাকবে যেনো প্রতিদিন আমার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসে। প্রতিদিন যেনো ১০০০ ভিজিটর আসে বা ১০,০০০ ভিজিটর আসে। আপনি যদি ইউটিউবে কোন ভিডিও দেখতে যান তাহলে আপনার খরচ হবে ৩০০-৪০০ মেগাবাইট। আর আপনি যদি প্রতিনিয়ত আমার ব্লগ পোষ্ট পড়েন তাহলে আপনার খরচ হবে ১ মেগাবাইট। িএখন আপনি যদি সেই ভিজিটর কে বা রিডার কে আমার ব্লগে না আসতে দেন তাহলে আমার লস হবে যে আমি তাকে ভিজিটর হিসাবে পাইলাম না বা তাকে আমি আমার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বানাতে পারলাম না। সে হিসাবে সে যদি রেগুলার আমার ব্লগে আসে বা ভিজিট করে তাহলে সে আমার ব্রগে থাকা মনিটাইজেশন গুলোতে ক্লিক করতো বা ঘুরে বেড়াতো বা দেখতো অন্যান্য এডভার্টাইজিং গুলো। তখন ব্লগের যে মালিক তার উপকার হতো- ব্লগে যে ভিজিটর সে যদি সরাসরি ব্লগে না আসে তাহলে তারা দ্বারা ব্লগ রাইটার বা ব্লগ রিডার কোন উপকৃত হয় না। এখন আপনি যদি বলে থাকেন যে: আপনি ভিজিটর কন্ট্রোল করবেন তাহলে সেটা পাগলের প্রলাপ হয়ে যাবে। কারন এসইও জগতে - প্রতি ১৫০ শব্দ গুগলের বট বিভিন্ন খানে বিভিন্ন সময় আপনি যে রকম এসইও করেছেন সে হিসাবে শো করবে আর আপনার ওয়েবসাইটে বা ব্লগে অটোমেটিক ভিজিটর বা ভিজিট এড করবে। এখণ আপনি যদি বলেণ যে : আপনি গুগলের এসইও কন্ট্রোল করবেন তাহলে আপনার মাথার তার ছিড়ে যাবে এব ংআপনি পাগলা হয়ে যাবেন। কারন ইন্টারনেটে কিছু কিছূ বিষয় আচে যা খকনো কন্ট্রোল করা যায় না। আপনি প্রচুর পরিমানে ভুলের সম্মুক্ষীন হবেন যখন আপনি ইন্টারনেটের টপোলজীর বিরুদ্বে কাজ করবেন। ইন্টারনেটে প্রেশার বা শক্তি খাটানোর কারনে আপনার ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ক্রমাগত ভুল করতে থাকবেন আর সেটাকেই আপনার সঠিক মনে হবে। বলতে গেলে আপনার লিখিত প্রতিটা শব্দ গুগলের বা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সার্চ ইন্জিনের বট  তাদের ডাটাবেজে সেভ করবে যেমন: টেক্সট, ইমজে এবং ভিডিও। এখণ আমি যে ডুপ্লিকেসির কতা উল্লেখ করলাম: সেরকম ভাবে আপনি যদি মনে করেন যে আপনি  ইন্টারনেটে ভিজিটর ঠিকাইয়া লাকবেন তাহলে আপনি একটা মস্ত বড় বুল করবেন। আপনি এমন ধরনের কাজ কারবার করবেন যাতে লোকজন আপনাকে পাগল বা পাগলী বলবে নিশ্চিত। কারন এপিআই কন্ট্রোল করার মাধ্যমে হয়তো সোশাল মিডিয়া লাইক বা ফলোয়ার আপনি ঠিকাইয়া রাখতে পারবেন কিন্তু ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর বা গুগল থেকে ভিজিটর আপনি কখনো ঠেকাইয়া রাখতে পারবেন না। 

MAN- Metropolitan Area Network -  এক ধরনের নেটওয়ার্ক যেখানে আপনি ১০,০০০ মানুষকে একটা স্পেশাল টাইপের নেটওয়ার্ক তৈরী করে একটা পেজ দেখাতে পারবেন। যেমন ধরেন : ১০,০০০ বন্ধ আছে একসাথে। সেখানে একজন ইন্টারনেটের সাহায্যে আমার ব্লগ এর একটা পোষ্ট ওপেন করলো। ১০,০০০ জন একসাথে তাদের সেই MAN- Metropolitan Area Network সিষ্টেম বা ম্যাসেন্জারে একসাথে হলো। সেখানে সে পোষ্টিং টা ওপেন করলো আর ১০,০০০ জন একসাথে স্ক্রিন শেয়ারিং এর মাধ্যমে পোষ্টিং টা পড়তে পারবে। আমি যদি পোষ্টিং এর এক পাতা থেকে আরেক পাতাতে যাই তাহলে আমার সাথে সাথে ১০,০০০ মানুস ও সেই এক পাতা থেকে আরেক পাতাতে যাবে। এইভাবে ১০,০০০ মানুষ একটা পোষ্টিং পড়বে।MAN- Metropolitan Area Network - একজন মানুষ ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড হয়ে একটা আই পি থেকে একটা ব্লগে একটা ভিজিটর হিসাবে ব্লগ পোষ্ট ওপেন করলো আর ১০,০০০ মানুস সেই পোষ্ট টা পড়লো। এই ক্ষেত্রে ১০,০০০ আই পি রেকর্ড  হলো না আমার ব্লগের ডাটাবেজে, ১০,০০০ ভিজিটর ও তৈরী হলো না আমার ব্লগ ডাটাবেজে, ১০,০০০ ট্রাফিক বা সেশন তৈরী হলো না আমার ব্লগের ডাটাবেজে। এরকম যদি কেউ স্কাইপে তে করে তাহলে ভিডিও শেয়ারিং পলিসি ওপেন থাকার কারনে আমার ব্লগের ভিজিটর একজনই কাউন্ট করবে এরকম যদি কেউ ফেসবুক ম্যাসেন্জারে করে থাকে তাহলে ফেসবুক কিভাবে নেবে তা এখনো জানা হয় নাই। হিসাবে ফাইবার অপটিক ব্রডব্যান্ড ক্যাবলে যতোজন মানুষ ব্লগ টা রিড করবে ততো জন মানুষেরই ব্লগের ভিীজটর হবার কথা। এরকম ভাবে যে কোন ব্লগ রাইটারকে ঠকানো যায়। আবার জাগতিক দুনিয়াতে যদি কেউ আমার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আসতে চায় আর আপনি যদি তাকে না ভিীজট করতে দেন তাহলে আপনি একজন ঠকবাজ হয়ে গেলেন। কারন যে আসতো সে নিশ্চিত তথ্য পেয়ে উপকৃত হতো আর যার ব্লগ সেও রিডার পাইতো বা ভিজিটর পাইতো। 

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

সোশাল কমিউনিকেশন এবং ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া কম্যুনিটি বলতে কি বোঝেন?

সোশাল কমিউনিকেশন বলতে সাধানত বোঝানো হয় একটা সোসাইটিতে সকলের সাথে যোগাযোগ রাখা। বাংলাদেশে অনেক ধরনের সোসাইটি আছে। বাংলাদেশে কিছু কিছু সোসাইটি...