Translate

Saturday, November 21, 2020

কোন কোন মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশের সমাজের মার্কেটপ্লেস বা বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট?


আপনার কাজ জানা না থাকলে আপনি মার্কেটপ্লেসের মেম্বার হতে পারবেন না এরকম কোন ব্যাপার স্যাপার এই বিশ্বে নাই। আপনি জানার জন্য হলেও মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন যে কোন টাতে। কিন্তু এখন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য বা প্রোফাইল ফুল ফিল করার জণ্য প্রফেশনাল এক্সপেরিয়েন্স লাগে। সেই হিসাবে প্রফেশনাল এক্সপেরিয়েন্স ছাড়া আপনি মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল ফুল ফিল করতে পারবেন না। শুধূ রেজিষ্ট্রেশন করে মার্কেটপ্লেসের কিছু কাজ করবার ঘুরে দেখতে পারবেন। সেজন্য অনেকেই বা ম্যাক্সিমাম লোক জনই সাজেষ্ট করে থাকে যে : আগে ২/১ টা কাজ ভালো করে শিখুন : তারপরে আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে রেজিস্ট্রেশন করে কাজ শুরু করেন। আপনি খুব ভালো করে কাজ জানেন ২/১ টা বিষয়ে : কিন্তু আপনি মার্কেটপ্লেসের ব্যাপারে কিছু জানলেন না- তাহলে আপনার আয় শুরু হবে না। কারন ভালো কাজ জানার পাশাপাশি আপনাকে খুব ভালো করে মার্কেটপ্লেস টা বুঝতে হবে - তাদের নিয়ম কানুনের ব্যাপারে ডিটেইলস জানতে হবে। যারা একেবারে ঘরে বসে কোন ধরনের সাহায্য নেয়া ছাড়া নিজে নিজে ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার হতে চান তাদের জন্য আমার একটা সাজেসন হলো : আপনি মিনিমাম অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন (ইউটিউবে ফ্রি বাংলা ভিডিও দেখা) হয়ে মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন করেন এবং টুকটাক দেখতে পারেন। আপনি যদি সকলের স্বার্থ বিবেচনা না করেন তাহলে সকলেও আপনার স্বার্থ বিবেচনা করবে না। 


ইদানিং মার্কেটপ্লেস ঢুকার সাথে সাথেই ইমেইলে নানাবিধ নানা ধরনের অফার চলে আসে - যারা নতুন তাদের কে বিভ্রান্ত করার জন্য। ভালো মানের মার্কেটপ্লেস কখনো সেই ধরনের কাজ করবে না- আপনাকে অযথা ইমেইল পাঠিয়ে বিভ্রান্ত করবে না। এক কথায় ডলার বা টাকা চেয়ে আপনাকে ঝামেলায় ফেলাবে না। আপনাকে বিড কিনতে বলবে না কারন আপনি যে মার্কেটপ্লেসে সময় দিতাছেন সেটার একটা ভ্যালূ আছে। উন্নত বিশ্বে একটা কথা আছে: টাইম = মানি। আপনি ষ্কুল, কলেজ, অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ করে মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে এসছেণ- সো আপনার একটা ভ্যালূ আছে। আপনি জয়েন করার সাথে সাথে আপনাকে মেম্বার শীপ অফার করে বসলো। তারপরে আছে কনটেষ্ট টাইপের কাজ যেখানে একজন ছাড়া বাকীরা কাজের কোন ভ্যালূ পায় না। একটা লোগো কনটেষ্ট প্রজেক্ট: ১০০০ জন জয়েন করলো। সারা রাত জেগে সমস্ত মেধা দিয়ে আপনি লোগো বানালেন আর সেখানে মাত্র একজনকে কাজের ভ্যালূ দেয়া হলো- উইনার করা হলো। এইটা মার্কেটপ্লেসের ক্যারেক্টারিসটিকস না।আপনি সহ ৯৯৯ জনের লোগো গুলোকে লোগো মেকিং সফটওয়্যারে একসাথে করে সে একটা আলাদা বা নতুন লোগো বানিয়ে নিবে। অনেক সময় যারা কনটেষ্ট আহবান করে তাদের চেহারার কোন ছবিও পাওয়া যায় না। আপনি সারারাত জেগে যে লোগো টা বানালেন তার জণ্য বা সেই সময়টুকুর জন্য আপনি কোন ভ্যালূ পাইলেন না। শুধূ কনটেষ্ট পার্টিসিপেট বলে একটা খেতাব জুটলো।  


এরকম আরো নানাবিধ বিষয় দিন দিন মার্কেটপ্লেস টাকে জটিল করে তুলতাছে। তাই আপনাকে ভালো করে জানতে হবে বা বুঝতে হবে যে কোন মার্কেটপ্লেস আপনাকে আপনার সময়ে কে ভ্যালূ দিবে। যে সকল মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশে খুব পপুলার সেই সকল মার্কেটপ্লেস গুলো একটাও বাংলাদেশের না। বিশ্বের অণ্যান্য দেশের নাম ঠিকানা লেখিা ণীচে - যাতে বোঝা যায় যে সেগুলো অণ্য কোন দেশের মার্কেটপ্লেস। এইখানে আপনাকে খেয়াল করতে হবে যে- এইগুলো কোন লোকাল সমাজের বা লোকাল বাংলাদেশের ওয়েবসাইট না। বাংলাদেশের কেউ জোড় গলাতে প্রকাশ্য দিবালোকে সকল টিভি ক্যামেরার সামনে দাড়িয়ে বলতে পারবে না যে সেগুলো বাংলাদেশের সমাজের মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট। আপনাকে আরো খেয়াল করেত হবে - একদম ফ্রেশ হিসাবে জয়েন করতে আইসা আপনি কোন ক্রাইমে জড়িয়ে পড়তাছেন কিনা বা আপনার মনে কোথাও কোন খচ খচ করতাছে কিনা? কোন ওয়েবসাইটেই লেখা নাই যে: এইগুলো বাংলাদেশের ওয়েবসাইট বা বাংলাদেশের সমাজের ওয়েবসাইট ( কন্টাক্ট অপশন)। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সমাজে ২ টা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট (বিল্যান্সার এবং কাজকি) পাওয়া গেছে। বাকী কেউ যদি আইসা বলে যে সেটা বাংলাদেশের সমাজের ওয়েবসাইট বা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট- তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে সে তার একান্ত ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্বির জণ্য সেই ধরনের কথা বলতাছে। আপনি চাইলে নিজেও খুজে বরে করে নিতে পারবেন যে কোন ডোমেইনের মালিক কে এই বিশ্বের মধ্যে?

 


২০ বছরের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি : যে কোন ব্যাক্তি বা পারসন  বা ওয়েবসাইট ইন্টারনেটে প্রবেশের সাথে সাথে আপনার কাছে অর্থ বা ডলার চাইবে (কোনো ধরনের প্রোডাক্ট দেয়া ছাড়া) সেটা স্ক্যাম।এভাবেই আমাদের ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বড় ভাই রা আমাদের কে কাজ শিখিয়েছেন- সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপায় আজ পর্যন্ত ইন্টারনেটে কখনো কোথাও কোন অর্থ বা ডলার ধরা খাই নাই। উপার্জন কম হতে পারে কিন্তু পজিটিব থাম্ব  বা গুড রিকমেনডশনকেই  প্রধান উপার্জন হিসাবে ধরে নিয়েছি। ফেসবুকে পারসোনাল ক্লায়েন্টর কাছ থেকে পাওয়া অগনিত থাম্ব বা পজিটিব থাম্ব গুলো  গননার বাহিরে রেখেছি কারন সেগুলো কখনো দেখানো হবে না। শুধূ মাত্র অর্থ বা ডলার উপার্জন কেই ফ্রি ল্যান্সার বলে না। কে কতো ডলার কামালো তাকেও ফ্রি ল্যান্সার বলা হয় না। আপনার দ্বারা বাংলোদেমের লাল সবুজের পতাকা সম্মানিত হইতাছে কিনা সেটাও ফ্রি ল্যান্সিং এর একটা মূখ্য বিষয়। আপনি বাংলাদেশ কে অবমনিত করে যদি কোটি কোটি ডলারও উপার্জন করে থাকেন তারপরেও বাংলাদেশ আপনাকে এক সিকিও দাম দিবে না। কারন দেশটা সকলের । আপনি যদি সকলেল স্বার্থ রক্ষা করেন তাহলে সকলেই আপনার সম্মানও রক্ষা করবে। ফ্রি ল্যান্সার জগতে অনেকেই আছে: যারা সোশাল মিডিয়া সিগনাল কে উপার্জন মনে করেন, অনেকই আছেন পজিটিভ থাম্ব পাওয়াকে উপার্জন মনে করেন, অনেকই আছেন গুড রিকমেনডেশনকেও উপার্জন মনে করেন। সম্মান বা গুড উইল অর্থ দিয়ে কিনতে পাওয়া যায় না- ভালো কাজ এবং ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে পাওয়া যায়। 


No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

ফ্রি ল্যান্সার দের একটি আইডি কার্ড কখন দরকার ছিলো?

আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে ভার্চুয়াল আইডি কার্ড দেবার কথা ঘোষনা করেছে। অনলা...