Translate

Wednesday, October 28, 2020

মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল রিলেটেড কিছু কথা।

 আমার মতে ফ্রিল্যান্সার বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার দের জন্য ২ ধরনের  মার্কেটপ্লেস আছে। 

১) জব বিড করে কাজের জন্য আবেদন করা (ফ্রি ল্যান্সার ডট কম বা আপওয়ার্কস ডট কম বা এসইওক্লার্ক ডট কম)।

২) সার্ভিস সেল করা (ফিভার ডট কম বা এসইওক্লার্ক ডট কম).


ফিভার  এখন বায়ার রিক্যুয়েস্ট সেন্ড করা যায়। ফিভারে অনেক আগে কাজ করেছিলাম। সেই সকল একাউন্ট এখন হারিয়ে গেছে বা খুজে পাওয়া মুসকিল। ২০১১ সাল পর্যন্ত ফিভারে যতো বায়ার বা ক্লায়েন্ট দেখেছি প্রায় সবারই অনেক ভালো ইনফরমেশন পাওয়া যাইতো তাদের ডেলিভারি করা কাজের সাথে। মানে মধ্যসত্বভোগী দালাল বা ফরিয়া এই ধরনের কোন অত্যাচার ছিলো না। বায়ার নিজেই তার প্রোফাইল খুলে কাজ দিতো।  আর সেলার রা সরাসরি কাজ করতো বায়ার বা ক্লায়েন্টের সাথে। ক্লায়েন্টের নিজস্ব প্রপার্টি বা ব্যবসা রিলেটেড যে কাজ সেখানে ক্লায়েন্টের আবেগ বা ভালো বাসা টুকু পাওয়া যাইতো। আর সেলার রা মনোযোগ দিয়ে কাজ করতো কারন সেখানে কাজের চেয়েও বেশী পাওয়া যাইতো ক্লায়েন্টদের টেক কেয়ার মেথড অনেক সময় বায়ার বা ক্লায়েন্টরা নিজেরা কাজ শিখাতো ভিডিও রেকর্ডিং .mpeg ফাইল দেবার মাধ্যমে বা এম এস ওয়ার্ড পেজে ষ্টেপ বাই ষ্টেপ কাজ দেখাইয়া দিতো। 

 


ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আমাকে মাঝে মাঝে বড় সড় একটা ফেসবুক গ্রুপে ম্যানেজ করতে হয়। অনেক সময় সেখানে নতুন নতুন ফ্রি ল্যান্সার রা অনেক ফিভার রিলেটডে গিগ তৈরী করে পোষ্ট দেয়- সেগুলো কখনো এপ্রুভ করা হয় না তবে তাদের গিগস গুলো দেখি। তাদের পোষ্টিং গুলো দেখতে হয় এবং তাদের পোষ্টিং এ অনেক সময় ফ্রি ফেভারিট মার্ক করে দেই। সে জন্য পুনরায় নতুন করে আমার ফিভার প্রোফাইল খুলা এবং ২/৩ টা সার্ভিস দিয়ে রেখেছি। মূলত আমি এসইওক্লার্ক এর সেলার। ফিভার আমার কাছে এখন অনেক কমপ্লিকেটেড মার্কেটপ্লেস। এইটা থেকেও সরাসরি পাইওনিয়ার ব্যাংকে ডলার উইথড্র করা যায় (আগে ২/১ টা লেখাতে যদি উল্লেখ করে থাকি যে ফিভারের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের কানেকশন আছে সেটা ভুল। আমি নিজে আজকে ভিডিও এর মাধ্যমে দেখাইয়া দিবো যে কিভাবে ফিভারের সাথে পাইওনিয়ার ব্যাংক বা পাইওনিয়ার কার্ড একাউন্ট এড করতে হয়। ব্যালান্স দেখবেন জিরো কারন আমার ম্যাক্সিমাম লেনাদেনাই হয় পেমেন্ট বিডি এর পেপালের মাধ্যমে) । এসইওক্লার্ক এর এই একটা পদ্বতি খুব চমতকার- তাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে নাম পেল্যুশণ যা দিয়ে তারা আন্তর্জাতিক ভাবে সারা বিশ্বে ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার করে থাকে। যেহেতু এসইওক্লার্ক সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার উইথড্র সুবিধা প্রদান করে না - সেজন্য আমি প্রথম থেকেই এসইওক্লার্ক এর সাথে জড়িত আছি।  প্রথম থেকেই আমি  তাদের এফিলেয়েশন ও করে থাকি।



ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতটকে বাংলাদেশে প্রথম যারা নষ্ট করে তারা ছিলো বিভিন্ন ধরনের ল্যান্সার প্রোগ্রাম ২০০১-২০০৬ সালে। তারপরে যারা নষ্ট করার চেষ্টা করে তারা হইতাছে এই মধ্যসত্বভোগী দালাল বা ফরিয়া গুরপের লোকজন। তারা মূলত এক মার্কেটপ্লেসের কাজ আরেক মার্কেটপ্লেসের ওয়ার্কারকে দিয়ে করাতো আর নিজে মাঝখানে বসে কাজ না করে মুনাফা বা বেনেফিট আদায় করতো কিন্তু যারা ক্লায়েন্ট বা বায়ার তাদের একসাথে কয়েকটা মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট থাকার কারনে অনেক সময় তাদের নিজস্ব জব পোষ্টিং দেখে ফেলাইতো আর এর ফলে তীব্র একটা বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও হইতো। যদি কেউ এই ধরনের কাজ ক্লায়েণ্ট কে বলে করতো তাহলে হয়তো কোন সমস্যা হইতো না। কিন্তু ক্লায়েণ্ট বা বায়ারের কাছ থেকে কোন ধরনের অনুমতি না নিয়ে সে আবার সেই জবটা অন্য মার্কেটপ্লেসে পোষ্ট করতো যেখানে হয়তো  ক্লায়েণ্ট বা বায়ার আগেই পোষ্ট দিয়ে রেখেছিলো এবং অনেকটা কপি রাইট বা জব টাইপ সেম হবার কারনে সেটা আবার ক্লায়েন্টের চোখে ধরা পড়তো বা মার্কেটপ্লেস নিজে থেকেই ক্লায়েন্টকে দেখাতো ফলে ক্লায়েন্ট বা বায়ার রা নাখোশ হতো। আর এভাবেই ধীরে ধীরে কমতে থাকে বাংলাদেশের বাজারে ক্লায়েণ্ট বা বায়ারদের উপস্থিতি। ক্লায়েন্ট রা অসততাকে একবারেই এলাও করে নাই। Major Number of Clients বাংলাদেশের মার্কেটপ্লেস ছেড়ে চলে যায়।  ডাইরেক্ট বলে বসে বিভিন্ন জব পোষ্টিং এ বাংলাদেশীরা যেনো আবেদন না করে।  প্রথমত ২০০১-২০০৬ সালে যারা বিভিন্ন ধরনের ল্যান্সার প্রোগ্রামে ক্লিক করার কথা বলে বিপুল পরিমান টাকা হাতাইয়া নিয়ে দেশ থেকে চলে যায় তারা ছিলো প্রথম লেভেলের চিটার এবং ধান্দাবাজ এবং একসাথে বিপুল পরিমান মানুষ সারা দেশের ইউনিয়ন বা গ্রাম এলাকা থেকে জনপ্রতি ৭/৮ লক্ষ টাকা ধরা খেয়ে বসে (২০০১-২০০৬ সালেল ৭ /৮ লক্ষ টাকার দাম বর্তমানে প্রায় কোটি টাকা)। দ্বিতীয় পর্যায়ে যারা এই ধরনের মধ্যসত্বভোগী কাজ করে তারাও অনেকটা রিয়েল বেনিফিট হয় এবং ম্যাক্সিমাম ই দেশের বাহিরে চলে যায় বা অন্য কোন কাজে নিজেকে ইনভলব করে ফেলায়। আর তৃতীয় পর্যায়ে বর্তমানে যারা সমানে টাকা চেয়ে বেড়াইতাছে- ইন্টারনেটে যে কোন কাজের কথা উল্লেখ করে তাদের ব্যাপারে ও অনেকের সমান সন্দেহ- বিভিন্ন ধরনের যোগসাজশে- এরা বিপুল পরিমানে অর্থ কামাইয়া নিয়া যাইতাছে যেখানে দেশের আভ্যন্তরীন স্থবিরতা নষ্ট হয়ে যাইতাছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করে থাকি। দেশের ব্যাংকেই যে সব টাকা জমা থাকবে ব্যাপারটা সেরকম না। দেশের মুদ্রাবাজরে ব্যবসায়ীরাও বিপুল পরিমানে অর্থ জমা রাখে কারন সেটা বাংলাদেশের মানুষের স্বভাব। আপন িকখনোই সেই টাকা কে শেষ করেত পারবেন না- কিন্তু সেই টাকার উপরে চাপ পড়তে পারে কারন যারা বর্তমানে ইন্টারনেটে টাকা পয়সা দিতাছে এবং ধরা খাইতাছে তারা শুধু একবারই টাকা দিয়ে ধরা খাইতাছে আর তার আশে পাশের ১০/১৫/২০ জন সতর্ক হয়ে যাইতাছে। খেয়াল করে দেখবেন- একই দেশের বাংলা মায়ের সন্তানেরা একজন আরেকজনকে ঠকাইয়া যাইতাছে। বিশ্বের আর কোন দেশে একই জাতের মায়ের সন্তানেরা একজন আরেকজনকে কখনো ঠকায় না বিশেষ করে ইউরোপ আমেরিকাতে -ফলে তারা দিনে দিনে আরো উন্নত থেকে উন্নত তর হইতাছে। আমার একটা ব্যক্তিগত গবেষনাতে দেখলাম: একই মায়ের জাত- একই বাংলার সন্তান একজন আরেকজন কে ঠকানোর মূল কারন - একই সমাজে দেশবোরধী বা স্বাধীনতাবিরোধী দের অবস্থান। তারা বসে থেকে একজন আরেকজনকে ঠকাতে শেখায়।তারা ৭১ এও দেশবিরোধী ছিলো- আজো দেশবিরোধী ই আছে। তারা ৭১ এও বাংলার সন্তানকে নানা ধরনের কুবুদ্বি দিয়ে ঠকাইছে- আজো বাঙালীদের কে সেই ধরনের বুদ্বি দিয়ে যাইতাছে। যার ফরে বাংগালী তরুন প্রজন্ম ইনফিনিটিভ ডলার ইন্ডাষ্ট্রিজে ছেড়ে লিমিটেড টাকার পিছে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেছে ইন্টারনেটে যা একটা কলংকজনক বিষয়।সকলে মিলে যে ভালো থাকা যায় (যারা বৈধ বাংলাদেশী নাগরিক) এইটা বোধহয় বাংগালী রা জানে না। জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর হলে সব বৈধ বাংগালী একসাতে থাকতে পারবে এবং ভালোও থাকবে বলে বিশ্বাস করি।


আমাকে ২০১১ সাল থেকে একটি সংঘবদ্ব চক্র এমন ভাবে প্রেশার তৈরী করে সাইকোলজিক্যালি যেনো আমরা ফ্রি ল্যান্সার রা তাদেরকে বা সারা দেশের বিভিন্ন নামে চলাফেরা করা চক্রকে আর্থিকভাবে সহায়তা বা তাদেরকে যেনো % দেই বা তারা এই ধরনের ধারনা পোষন করে যে- সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার দের কাছ থেকে তারা % খাবে। তো প্রথমেই আমার জয় বাংলা মারফত তাদেরকে এই জিনিসটা বুঝাতে স্বক্ষম হই যে- আমরা সরকারকেই ভ্যাট বা ট্যাক্স দেই না - আর তোরা কোথাকার কোন হেডম? আমরা যারা রেমিটেন্স আনি তাদের জন্য তো আর ভ্যাট বা ট্যাক্স কার্যকর নাই। যখন ইন্টারনারলি লেনাদেনা করে থাকি তখন সে না সরকারকে ভ্যাট বা ট্যাক্স দিয়ে থাকি। পরে দেখি তারা ধর্মীয় ফাদ পাতে। পরে আমরা সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা মিলে সিদ্বান্ত নেই যে: আমরা এতিমখানা বা পথশিশুদের জন্য প্রয়োজনে খরচ করবো যেটা বা যে অর্থটা আমরা যাকাত বা ফেতরা হিসাবে ভাববো সেটা এবং যেটা ঐচ্ছিক  ভাবে আসে সেটা। পরে খুব ভালো করে খেয়াল করে দেখলাম যে- এইটা স্বাধীনতাবিরোদী বা দেশবিরোধী চক্র যাদেরকে আমরা দালাল রাজাকার বা তাদের বংশধর বলে থাকি। ফ্রি ল্যান্সার রা যে রেমিটেন্স উপার্জন করে তার উপরে তারা % বা ভাগ চাইয়া বসে। শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার দেরকে সেই বিপদ থেকে অনেকটা বাচিয়ে দিয়েছে এবং আমার মনে হয় আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোন ফ্রি ল্যান্সার যে রেমিটেন্স এনেছে সে এই ধরনের কোন ভুল করে নাই প্রয়োজনে ট্রিট বা গাফ্রে বা পরিবার এর পিছনে সব টাকা খরচ করেছে কিন্তু কখনো দেশবিরোধী কোন চক্রকে কোন পেমেন্ট বা % দেয় নাই। আর তাদেরকেই আমরা বলে থাক জয় বাংলার ফ্রি ল্যান্সার।   যারা % চায় তাদেরকে চেনা যায় মূলত কয়েক ভাবে: 

  • এরা দেশবিরোধী চক্র। বাংলাদেশ কে নিজের দেশ ভাববে কিন্তু বাস্তবে কোন বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। 
  • এরা প্রয়োজেন ধর্মীয় ফাদ পাতবে ফ্রি ল্যান্সার দেরকে ধর্মীয় ভাবে হ্যাক করার জণ্য। কিন্তু সেখানে ফ্রি ল্যান্সারদের জন্য বরাদ্দকৃত যাকাত ফেতরা খরচ করার নিয়ম। আর যদি খুব ভালো কোন ধর্মীয় প্রোগ্রাম হয় তাহলে সেটা সম্পূর্নই আপনার উপরে কিন্তু আপনি ফাদে পাড়া দিবেন না।  তাছাড়া ডলার উপার্জন করে সেখানে রেমিটেন্স এনে যাকাত ফেতরা দেওয়া যাবে কিনা সেটার মাসআলা আপনাকে নিজে খুজে বের কের নিতে হবে। 
  • এরা যেখানে সেখানে যে কোন সময় যে কোন খানে কোন ধরনের আগাম নোটিফিকেশন ছাড়া আপনার কাছে হাত পেতে বসবে- সে বুঝতেই চাইবে না যে সেটাও কোন না কোন দেশের জণ্য রেমিটেন্স।  
  • কোন ভাবেই তাদেরকে আপনি বাংলাদেশ বুঝাতে পারবেন না। 

আমাদের দেশে যে কয়েকটা চক্র আমাদের এই ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস জগতটাকে নষ্ট করেছে তাদের অনেকই মিথ্যা এবং বিভ্রান্তে আক্রান্ত। তারা মনে করতো যে: বাংলাদেশের মেধা পাচার হয়ে যাইতাছে।বাংলাদেশে প্রথম যখন ইন্টারনেট কানেক্টেড করার আহবান আসে আন্তর্জাতিক ভাবে তখন অনেকেই বলে যে: বাংলাদেশের সমস্ত তথ্য পাচার হয়ে যাবে। কিন্তু তারপরে অনেকেই অনেকভাবে বুঝাইতে স্বক্ষম হয় যে: বাংলাদেশের কি এমন গোপন তথ্য আছে যে - পাচার হয়ে যাবে। বাংলাদেশ কানেক্টড হবার পরে সকলেই বুঝেছে যে: কি তথ্য পাচার হয়েছে। সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সার রা তাদের ১০০% ভেরিফায়েড প্রোফাইলের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপস্থিতি জানান দিছে এবং আডেন্টফািই হয়েছে যে : এদেশে সামাজিক ব্যবস্থায় স্বাধীনতাবিরোধী দেশবিরোধী চক্র এবং চক্রান্ত আছে যাদেরকে ইন্টারনেট গনজাগরনের (২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরন বা ২০১৩ বসন্ত জাগরন) মাধ্যমে আইডেন্টফাই করে প্রকাশ্য দিবালোকে ফাসি দিয়ে সেই অপশক্তি কে দূর করার চেষ্টা শুরু করা হয়েছে ( রাজাকার কসাই কাদের থেকে শুরু)। এখনো সারা দেশের অনেকখানে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া দালাল/রাজাকার দেশীবরোধী শক্তি প্রকাশ্য দিবালোকে বসবাস করতাছে যাদের একমাত্র জায়গা ছিলো জেলখানা। জানি না এই দেশের দুর্নীতি আর অপশক্তি আর কতো অপমান করবে বাংলাদেশের জনগনকে বা তরুন প্রজন্মকে। এই ধরনের দালাল রাজাকার প্রকাশ্য দিবালোকে বসবাস করার দরুন বাংলাদেশের তরুন প্রজন্ম কোটি কোটি ডলারের রেমিটেন্স এবং কাজ থেকে বঞ্চিত হইতাছে দারুন ভাবে (মনের চোখে সারা বিশ্ব দেখা যায়। আর একজন ক্লায়েন্ট যখন কাজ দেয় সে আগে মনের চোখে সারা বাংলাদেশ কে দেখে নেয় যাকে আমরা বলি ক্লায়েন্টর বিচক্ষনতা বা বিচক্ষন ক্লায়েন্ট)। পৃথিবীতে বাংলাদেশ ই একমাত্র দেশ যেখানে কিছু লোকজন প্রকাশ্য দিবালোকে রাষ্ট্রীয় পোশাক পড়ে, রাষ্ট্রীয় তকমা ঝুলিয়ে দুই নম্বরি করে যাইতাছে। শাহবাগ গনজাগরনের পরে (ইন্টারনেটে গনজাগরন) এ দেশে দালাল/রাজাকার বা দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী চক্র বা চক্রান্তকে দেশের মুক্ত পরিবেশে বসবাস করার সুযোগ দিয়ে এদেশের আইন বা পুলিশ একটি অনিরাময়যোগ্য অপরাধ করে যাইতাছে। দেশবিরোধী অপরাধীর একমাত্র জায়গা হইতাছে জেলখানা। আর দেশবিরোধীরা তালিকা মোতাবেক জেলখানাতে থাকার যোগ্য। আর এদেশের আইন পুলিশ যদি মনে করে থাকে এতে তাদের স্বার্থ সিদ্ব হবে এবং ফ্রি ল্যান্সার দের পেটে লাথ্থি মেরে তারা ভালো থাকবে- তাহলে আপনাদের জেনে রাখা উচিত একজন ফ্রি ল্যান্সারের ক্ষমতা আছে বিশ্বের যে কোন খানে বসে থেকে কাজ করার। বর্তমানে যদি কারো বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকে তাহলে সে বিশ্বের ১১০ টি দেশে অন এরাইভেল ভিসা ফ্যাসিলিটজ পাবে এবং তারা যে কোন সময় যে কোন খানে বসে থেকে কাজ করতে পারবে- চাইলে এয়ারপোর্টের ট্রানজিটে বসে থেকেও। পারহেপস - অনেকই তাও করতাছে কারন তারা ১০০ % সত প্রোফাইল গড়ে তুলেছে। অনেষ্টলি কাজের বিনিময় পাইতাছে। বাংলাদেশের প্রত্যেক ফ্রি ল্যান্সারকে জয় বাংলা বলার সহিত কাজ করার অনুরোধ করি। যখনি কোন ফ্রি ল্যান্সার কাজ করতে বসবে তখনি যদি সে মনে মনে একবারও জয় বাংলা বলে নেয় তাহলে সে আর দালাল রাজাকারের চক্রান্তে পড়বে না এবং তার প্রোফাইলের অনেষ্টি মোতাবেক সে সারা বিশ্ব থেকে কাজ পাবে বা কাজের অর্ডার পাবে। 

ডলার (Dollar) শব্দটার সাথে সোসাইটি (Society) জড়িত। যদি কেউ বলে থাকে যে- ফ্রি ল্যান্সার রা সমাজে ডলার উপার্জন করে তাহলে আপনার বুজতে হবে যে- সেখানে দুই নম্বরি আছে। ফ্রি ল্যান্সার রা সমাজে ডলার উপার্জন করে না- ফ্রি ল্যান্সার রা আমেরিকান সোসাইটিতে ডলার উপার্জন করে থাকে। কারন ডলারের একচ্ছত্র মালিক ইউনাইটেড ষ্টেটস অফ আমেরিকা (United States of America)। সমাজে যারা ডলার উপার্জন করার কথা বলে তারা দুই নম্বরি করতাছে। আপনাকে অতি অবশ্যই সোসাইটিতে ডলার উপার্জন করতে হবে। বাংলাদেশের সমাজে/সামাজিক ব্যবস্থায় আপনি রেমিটেন্স এক্সচেন্জ করে টাকা উপার্জন করতাছেন একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে। বাংলাদেশ সরকার আপনার উপার্জিত রেমিটেন্স গ্রহন করে আপনাকে নগদ বা ক্যাশ টাকা প্রদান করতাছে। ইন্টারনেট আমেরিকা থেকে আসে। বিশ্বে একমাত্র আমেরিকাই ইন্টারনেট প্রদান করে থাকে যাকে বলে সিলিকন ভ্যালি থেকে ইন্টারনেট সারা বিশ্বে ট্রান্সফার করা হয়ে থাকে। আপনার হাতে যে ডিভাইস (কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল, পামটপ, পিডিএ ) যে কোন ডিভাইস আপনি ব্যবহার করে থাকেন সেগুলো সবই আমেরিকান সিষ্টেম বা নিয়মানুযায়ী বা আমেরিকান সরকারের অনুমতি নিয়ে বা ইন্টারনেট কোম্পানীর অনুমতি নিয়ে চলতাছে সারা বিশ্বে- সেখানে একজন ফ্রি ল্যান্সার কাজ শিখে মেধা খরচ করতাছে যার বিনিময়ে রেমিটেন্স উপার্জিত হইতাছে - গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আপনার উপার্জিত অর্থ কে ক্যাশ টাকা বা নগদ টাকাতে কনভার্ট করে দিতাছে আর আপনি আমেরিকান সোসাইটিতে ডলার উপার্জন করতাছেন।  বাংলাদেশের সোসাইটিতে কেউ ডলার উপার্জন করে না। বাংলাদেশের সোসাইটিতে টাকা উপার্জন করে আর আমেরিকান সোসাইটি তে আপনি ডলার উপার্জন করতাছেন যা আমেরিকার সরকারের জন্য হইতাছে রেভিনিউ/রেমিটেন্স আর সারা বিশ্বের সব দেশের জন্য হইতাছে রেভিনিউ/  রেমিটেন্স। ডলার একচ্ছত্র ভাবে সারা বিশ্ব কন্ট্রোল করে থাকে- মুদ্রানীতি, অর্থ এবং বানিজ্যকে। সেখানে আপনি যখন ডলার উপার্জন করতাছেন তখণ আমেরিকার সরকার ও অর্থণীতি কে প্রতিনিয়ত শক্তিশালী করে যাইতাছেন আর আপনি একই সাথে আপনার নিজের দেশের জণ্য এবং আমেরিকান সরকারের জন্য অবদান রেখে যাইতাছেন আপনার ফ্রি ল্যান্সার প্রোফাইলে আসা কাজের বিনিময়ে। আমেরিকান সরকার এ যাবতকালে  গনহারে সারা বিশ্ব থেকে লোকজন কে নাগরিকত্ব দিয়ে ভুল করেছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। যে বা যারা আমেরিকান সরকার বা আমেরিকান সোসাইটিতে, আমেরিকান অর্থ, বানিজ্য করে ডলার উপার্জন করে যাইতাছে, আমেরিকান অর্থনীতিতে মিনিমাম অবদান রেখে যাইতাছে শুধূ মাত্র তাদেরকেই আমেরিকার উচিত ছিলো তাদের দেশে নাগরিকত্ব দেয়া (ভেরিফিকেশণ স্বাপেক্ষে) যেনো এই ডলার উপার্জনকারীরা আমেরিকার (প্রায় ৪৮ দেশকে একসাথে আমেরিকা বলা হয়ে থাকে। সাউথ আমেরিকা + নর্থ আমেরিকান দেশগুলোকে একসাথে আমেরিকা বলা হয়ে থাকে ভারবালি। যারা আমেরিকান অর্থণীতিতে অবদান রাখতে পারতো শুধূ মাত্র তাদেরকেই নাগরিকত্ব দেয়া দরকার ছিলো। ) ভেতরে বসে আমেরিকার জণ্য আরো বেশী পরিমান ডলার জেনারেট করতে পারে। ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স উপার্জন করতে স্বক্ষম বলে তারা আমেরিকার মতো দেশে বা বিশ্বের যে কোন উন্নত দেশে বসে সেই দেশের জন্য ডলার জেনারেট করতে পারে যা সেই দেশের অর্থণীতিকে শীক্তশালী করবে। 

আর সেজন্য মূলত দরকার বৈধ বাংলাদেশী ফ্রি ল্যান্সারদের নাম জাতীয় পরিচয়পত্রে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা। যাদের কাছে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেজের এক্সস আছে তারা যখন বাংলাদেশী ডাটাবেজে রেমিটেন্স উপার্জনকারীদের নাম দেখবে একজন ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে, তখন সেখানে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরী হবে সারা বিশ্বে। সেজন্য প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহায়তা। ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রনয়ন ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান জাতিসংঘের একটি প্রজেক্ট বা প্রকল্প ছিলো যা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার একটি সচিবালয়ের অধীনে একটি অধিদপ্তর হিসাবে গ্রহন করেছে এবং একীভূত করেছে। যার নাম: জাতীয় পরিচয়পত্র অধিদপ্তর বা জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। সুদীর্ঘ  ৯/১০ বছর জাতীয় পরিচয়পত্র প্রজেক্ট থাকার দরুন অনেকেই এখনো এইটাকে প্রজেক্ট ই ভাবে। কিন্তু এইটা এখন আর প্রজেক্ট নাই। এইটা এখন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধিদপ্তর বা বিভাগ বা অনুবিভাগ। সেইখানে জাতীয় পরিচয়পত্র নাগিরক ডাটাবেজ আছে। সেখানে পেশা হিসাবে বাংলাদেশ সরকারের রেমিটেন্স উপার্জনকারীদের নাম এবং পেশা ফ্রিল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে নথিভুক্ত করা দরকার।আর এইখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যারা রেমিটেন্স উপার্জনকারী হিসাবে নথিভুক্ত তারাই মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে প্রযোজ্য। তারাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে রিয়েল এবং ভেরিফায়েড ফ্রি ল্যান্সার। 

যে এক ডলারও রেমিটেন্স কখনো বাংলাদেশে আনে নাই  বা উপার্জন করে নাই - ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে তার দাপট কখনো কেউ মেনে নেবে না। বর্তমান সরকার ফ্রি ল্যান্সার দের আলাদা আইডি কার্ড দেবার যে পরিকল্পনা করেছে তার মূল ব্যাপার হইতাছে (ফ্রি ল্যান্সার দের বাড়ি বা গাড়ি নাই বলে)- ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সারদের সুদের বিনিময়ে লোন দেয়া যেনো তারা বাড়ি বা গাড়ি করতে পারে। তাই আমার মতে ফ্রি ল্যান্সার রা যেনো কোন রকমের ঝামেলায় না পড়ে সেজন্য এই আইডি কার্ড থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যে ডাটাবেজ সেখানে নিজেদের পেশা অন্তর্ভুক্ত করে তাতে পেশা ইন্টারনটে প্রফেশনাল এড করা -বিভিন্ন দেশে ফ্রি ল্যান্সার দের জণ্য বরাদ্দকৃত সুবিধা পাইতে সহজ হবে- ভিসা প্রসেসিং সহ। কারন আমরা যাদের কাজ করে থাকি তারা বিশ্বের বিভিন্ন নামী দামী দেশের নাগরিত। তাদের সাথে ব্যবসায়িক লেনাদেনা থাকার কারন েতাদের দেশের সরকার আমাদের ট্রনাজকশন বা ডিটেইলস জানে বা তাদের ডাটাবেজে আছে। 

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কারদের জন্য পারসোনাল প্রোফাইল থাকাটা বিশাল ব্যাপার। আমার প্রোফালটাই আমার  ক্যারিয়ার। ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স আনে। আর যারা রেমিটেন্স আনে তারা এই দেশের ১ নম্বর নাগরিক। রেমিটেন্সের উপরে কখনো ভ্যাট ট্যাক্স বসে না। কিছুদিন আগে বাংলাদেশ সরকার যদি গুগলের এডওয়ার্ডের উপরে  %  না ধরতো তাহলে হয়তো ইউটিউব রেভিনিউ শেয়ার প্রোগ্রাম বাংলাদেশ ছেড়ে যাইতো না। আমার ধারনা মোতাবকে একদিন হয়তো ফেসবুকের এডভার্টাইজিং সেকসানও চলে যাবে কারন তারা ভ্যাট, ট্যাক্স দিয়ে হয়তো বাংলাদেশে ব্যবসা করবে না। আমরা হয়তো আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির জন্য আর কখনো ফেসবুকে মার্কেটিং নাও করতে পারি। সময় থাকতে সাবধান হওয়া উচিত। 



 
আমার প্রোফাইলে ৩০০ পজিটিভ থাম্ব আসার পরে লেভেল ৪ দেখাচ্ছে (আমি খুশী অনেক)। এসইওক্লার্কে সবচেয়ে বড় বেনিফিট হইতাছে যদি কেউ ইচ্ছা করে আপনাকে ব্যাড রিভিউ দেয় তাহলে আপনি কাষ্টমার কেয়ারে যোগোযোগ করে সেই ব্যাড রিভিউ টা তুলে ফেলার জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং এসইওক্লার্ক যদি আপনাকে অনেষ্ট পায় তাহলে আপনার ভ্যাড রিভিউ টা রিমুভ করে দেবে। 





 

Tuesday, October 27, 2020

Vote for Trump. Vote for Pence. Vote for Trump Pence. Vote for ARPP. Vote for 2020-2024

 


Vote from: http://www.vote.donaldjtrump.com 

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিকমেনডশন বলতে কি বোঝেন?

 পজিটিভ রিকমেন্ডশন বলতে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ মনোভাব বোঝায়। এক লোক একদিন ঢাকা শহরে আমাকে বলতাছে ২০১৬ সালে যে ভাই- আগামী ৫ বছরে ঢাকা শহরের চেহারাই পাল্টে যাবে। আপনি আর ঢাকা শহরকে চিনতে পারবেন না। আমি যে কোন একটা কারনে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ময়মনসিংহে নিজের বাবার বাড়ীতে/বিল্ডিং এ আছি। তো আমি উত্তরে বললাম যে- ভাই ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে গেলে ও আমার কিছু করার নাই কারন আমি ইট পাথরের খাচাতে বন্দী ঢাকা শহরকে ভালোবাসি না- আমি ভালোবাসি ঢাকা শহরের আমার পরিচিত মানুষজনকে বা খেটে খাওয়া মানুষকে। আমার কাছে উন্নত দেশের নাগরিকত্বের ইনভাইটেশন (ইউরোপ/আমেরিকা) লেটার আছে। তো আমি প্রথম সুযোগেই চেষ্টা করবো বাংলাদেশ থেকে ফ্লাই করে চলে যাইতে- সে ক্ষেত্রে ঢাকা শহরকে আমি আর রিকমেন্ড করি না নিজের জন্য। তারপরেও যদি রাজধানী শহরে (নিজ মালিকানাধীন -দলিলসহ। তাছাড়া আমার রাজধানী শহরে নিজস্ব কোন সম্পদ ফ্ল্যাট/বাড়ি/বা প্লটের কোন দলির নাই । আমার বাবা  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক [ Retired. Professor. Abul Hossain  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন প্রফেসর আবুল হোসেন নাই। একজনই ছিলেন উনি আমার শ্রদ্বেয় এবং সম্মানিত বাবা] বিধায় এক টুকরো জমি (৫ শতাংশ) আছে রাজউকের [ গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার]  ঝিলমিলে (কেরানীগন্জ) - তাও বাবার নামে দলিল করা যা কখনো পরিবর্তন করা যাবে না। দলিল ছাড়া নিশ্চয়ই কেউই বিশ্বের কোথাও কেউ কোন সম্পদ আছে বললে বিশ্বাস করবে না- বলবে যে আলবত পাগলের প্রলাপ) নিজস্ব ফ্ল্যাট বা বাড়ি বানাতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে ভেবে দেখবো যে থাকতে পারি কিনা - কারন থাকার জণ্য আর ১০ জন শিক্ষিত লোকের মতো আমিও ইউরোপ আমেরিকার যে কোন শহরকে রিকমেন্ড করি নিজের জন্য। 

আজ পর্যন্ত- বাংলাদেশ সরকারকে শুনি নাই কখনো সারা দেশের সমস্ত মানুষকে একবেলা খাওয়াইতে। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে দেখলাম; ৫৫ বছর ঢাকা শহরে বসবাস করার পরেও এক লোক চলে যাইতাছে সব কিছু হারিয়ে- আর বলতাছে আমি ঢাকা শহরকে ভালোবাসলেও ইট পাথরের ঢাকা শহর আমাকে ভালোবাসে নাই। তাই থাকা বা বসবাস করার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রিকমেন্ড করি না। অনেকে হয়তো বলবেন- এইটা আপনি কি বললেন? আমি আসলে থাকার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রেফারেন্স করি না। বড়জোড় রেফারেন্স ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট- বিমান যাত্রা যাওয়া বা আসা করা। আমার কাছে সারা বিশ্বের যতো বায়ার বা ক্লায়েণ্ট রাজধানীতে ইনভেস্ট কারার কথা জিজ্ঞাসা করে: আমরা তখন চুপ থাকি বা তাদেরকে অন্য কোন উন্নত দেশের দিকে বা আফ্রিকান গরীব দেশের দিকে ঘুরাইয়া দেবার চেষ্টা করি (কারন ঢাকাকে অনেক সময় পরিত্যক্ত মনে হয়) কারন আমি চাই না আমার বায়ার বা ক্লায়েন্ট বড় অংকের ডলার ইনভেস্ট করতে আইসা এইখানে শারিরীক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাক বা মারা যাক।  আমার মতে : সামর্থ্য থাকলে গ্রামে যাইয়া বসবাস করা উচিত। এই ব্যাপারটাকে রিকমেন্ড বলা হয় বা আপনি চাইলে বলতে পারেন রেফারেন্স। এক হিসাবে দেখলাম : বাংলাদেশে ১৫ লক্ষ ফরেনার আছে। আমার মনে হয় কেউ একবার এখান থেকে বের হইলে আর ফেরত আসবে না একমাত্র আর্থিকভাবে যদি লাভবান না হয়।  [জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করলে দেখবেন ঢাকা শহরের কতো লোকের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই বা অবৈধ ভাবে বসবাস করতাছে]



ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিকমেনডশন বলতে সাধারনত কাজ কমপ্লিট করেছি এরকম বায়ার বা ক্লায়েন্ট দের  রেফারেন্স হিসাবে ২/৩ টি লাইন কে  রিকমেনডশন বলা হয়। এই রিকমেন্ডেশন থাকলে আপনি অনেক কাজ পাবেন।  ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আপনার প্রোফাইলে যদি পজিটিভ রিকমেনডশন থাকে তাহলে আপনি অনেক কাজ পাবার সম্ভাবনা রাখেন। একজন মানুষ যদি আপনার প্রোফাইলে কোন কাজ দেয় আর আপনি যদি সে সকল কাজ  ১০০% সততার সহিত সম্পূর্ন করেন তাহলে সে আপনার জণ্য ওয়েল উইশ করবে। সে চাইবে আপনি যেনো আরো অনেক ভালো ভালো কাজ পান। ভালো ভালো বা বড় অংকের প্রজেক্টের কাজ পাবার জন্য পজিটিভ রিভিউ এবং পজিটিভ রিকমেনডেশন এর কোন বিকল্প নাই। আপনি যতো পরিমান রিভিউ কামাতে পারবেন আপনার  ততো পরিমান বায়ার জুটবে। আর যদি আপনি পাগলের মতো কাজ করা শুরু করে দেন তাহলে আপনি ১/২ টা ব্যাড রিভিউ কাইয়া যাইতে পারেন। যদি ১/২ টাও ব্যাড রিভিউ জুটে যায় তাহলে আর কাজের ক্ষেত্রে আপনাকে কেউ ১ নম্বর প্রেফারেন্স দিবে না। সে আপনাকে সেকেন্ড ক্যাটাগরিতে রাখবে। আর বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজ করতে যাইয়া বিনা কারনে আপনার শত্রু জুটে যাবে। যেমন কয়েকদিন আগে একটি ঘটনার কথা বলি: 

একজন সুন্দরী মেয়ে ইন্টারনেটে তথাকথিত লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে কাজ শিখে একটি ব্যাচে বন্দী হয়ে। মেয়েটি মন মানসিকতা অনেক ভালো। সে যথারীতি টাকা দিয়ে এই ধরনের পেইড লাইভ ক্লাসে এনরোল হয় - ১৫০০০ টাকা খরচ করে। কয়েকটি চিটিং ক্লাস করানোর পরে মেয়েটিকে ছেড়ে দেয়া হয়। সে যথারীতি অথৈ সাগরে পড়ে যায়। আমার সাথে পরিচয় হয়। সে আমাকে এ টু জেড সব কিছু খুলে বলে। আমি তাকে মেন্টালি সাপোর্ট দেবার চেষ্টা করি। সে পরে ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করে এবং নিজে নিজে চেষ্টা করে একটা মার্কেটপ্লেসে কয়েকটা রিভিউ জোড়াগ করে ফেলে। কিন্তু সে যখন তার প্রোফাইলে রিভিউ পায় তখন তার ব্যাচমেটরা ঈর্ষান্বিত হয় এবং তাকে একজন জর্ডান বা এই ধরনের কোন দেশ থেকে হায়ার করে তার পরিচিত। কাজ করায় এবং যাবার সময়ে একটা ব্যাড রিকমেন্ডশন দিয়ে যায়। মেয়েটা ভেংগে পড়ে। সে কাস্টমার কেয়ারে কন্ট্রাক্ট করে এবং পরে সেই ছেলেটার রিকমেনডেশনটা ডিলেট হয়ে যায়। তো তার মন কারাপ হয়। প্রোফঅইলেও একটা দাগ পড়ে এবং তার নিজস্ব আইডি কার্ড  নাই। ফলে সে তার নিজস্ব প্রোফাইল ব্যবহার করে না। সে ব্যবহার করে তার মায়ের ডিটেইলস। এইভাবে সে প্রোফাইলের মাধ্যমে যা কিচু বালো করার চেষ্টা করতাছিলো তার থেকে লোকাল কাজ করেও তার ক্যারিয়ার চলতেছিলো। কিন্তু তাকে যে ধাক্কাটা দেয়া হরো প্রথমে ২ বার- একবার ১৫০০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়াতে যেখানে সে নিজে চেষ্টা করে ইউটিউব ভিডিও ঘেটে ঘেটে কাজ শিখেছে আর দ্বিতীয়ত  ব্যাডলি রিকমেন্ড করা- এই দুইটা বিষয়েই সে মার্ক করেছে এবং তার ক্যারিয়ারের উপরেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। 

তো একটা রিকমেনডেশন আপনাকে অনেক আগাইয়া দিবে। আপনাকে মানসিক ভাবে অনেক শক্তিশালী করবে। আপনি যতো বড় মাপের ফ্রি ল্যান্সার ই হোন না কেনো আপনি যদি পজিটিভ রিভিউ বা থাম্ব বা রিকমেনডেশন যদি আদায় না করতে পারেন বায়ার বা ক্লায়েন্টের কাছ থেকে- তাহলে আপনাকে কেউ তেমন ভ্যালু দিকে না। কারন টাকা আপনি যে কোন বাবেই উপার্জন করতে পারবেন কিন্তু পজিটিভলি কাউকে কাজের মাধ্যমে খুশী করে ইন্টারনেট মার্কেটপ্লেস থেকে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের রিভিউ যদি না পান তাহলে আর এইখানে আপনার কাজের কোন ভ্যালূ থাকবে না। আমরা যখন ২০০২ সালে প্রথম মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট দেখে থাকি তখন ধরে নেই যে এইটা ঝড়ে পড়া ইন্ডাস্ট্রির ছেলে বা মেয়েদের জন্য। তখন কার দিনে ২০০২-২০১১ সাল পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগত কে খুব বেশী দাম দেওয়া হতো না। সকলেই মনে করতো এইটা ফাতরা লোকদের ইন্ডাস্ট্রিজ বা ইন্টারনেটে নতুন করে কোন ধান্দাবাজদের চক্র। কারন তার আগেই ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন চার দলীয় ঐক্যজোটের ক্ষমতা থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের লোক টাকা পয়সা নিয়ে বাল ল্যান্সার, স্কাই ল্যান্সার, ডু ল্যান্সার টাইপের ক্লিকের ব্যবসা থাকাকলীন প্রচুর পরিমান লোকের প্রচুর পরিমান টাকা পয়সা হাতাইয়া নেবার কারনে বাংলাদেশের সমাজে ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড একটা খারাপ প্রভাব ছিলো। সেই প্রভাবটা দূর করতে অনেক অনেক সময় লেগেছে (ধরতে গেলে আপ টু ২০১৩)। যখন এই দেশে আবার সেই খারাপ প্রভাব টা দূর হলো তখন দেখা গেলো যে আবারো নতুন করে টাকা পয়সা নিয়ে ক্লাস করানো এবং ক্লাস নেবার লোকজনের উপদ্রব বেড়ে গেলো এবং সমানে সারা দেশ থেকে সহজ সরল কোমলমতি মানুষের পকেট থেকে টাকা নিয়ে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় আবারো  একটা খারাপ রিকমেনডশন তৈরী করা হলো।  যা দুর করার কোন ইচ্ছা এখন আর মনের মধ্যে কাজ করে না, এইটা তরুন বা নব্য ফ্রি ল্যান্সারদের দ্বায়িত্ব বলে মনে করি- বর্তমান চলমান সরকার যদি ডাক দিয়ে বড় সড় দ্বায়িত্ব ও ধরাইয়া দেয় তাও আমি সেটা রিজেক্ট করবো কারন এই দেশের জন্য কোন কিছু করার সাধ আসলে মিটে গেছে এই একটা ব্যাপার দেখার পরে যে - কাজ কাম শিখে অনার্স/মাষ্টার্স পাশ ছেলে বা মেয়েরা ইন্টারনেটে টাকা চাইয়া বেড়াইাতাছে।আর বর্তমানে রাজনৈতিক সরকার কেও আমি মন থেকে সাপোর্ট ও করি না- আমি সেই ঘরানার না। আমাকে যদি আবারো ভোট দিতে বলেন তাহলে আমি ভোট দেবার জন্য শাহবাগ গনজাগরনপন্থী রাজনৈতিক দলকে এবং তাদের প্রতীককে বেছে নিবো ভোট দেবার জন্য।    ফ্রিল্যান্সার / মার্কেটপ্লেস / আউটসোর্সিং জগতে একসময় বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা  বলে দিতো যে: বাংলাদেশী রা যেনো আবেদন না করে। এইটা অনেক বড় একটা অপমানের বিষয় ছিলো সারা দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য। ধরতে গেল বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ব্যাড রিকমেনডেশন। এর পরবর্তী ব্যাড রিকেমনডশন হইতাছে : বর্তমানে অনেক অনেক কোম্পানী বাংলাদেশে ছেড়ে চলে যাওয়া। যেমন: ক্লিকব্যাংক বা ইউটিউব মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম। এর পরের আরো বড় রিকমেনডেশন হইতাছে : বর্তমানে নামিধারী ফ্রি ল্যান্সার দের ইন্টারনেটে টাকা চেয়ে বেড়ানোর  ছলে বলে কৌশলে যে যার কাছ থেকে যেভাবে পারে সেভাবে টাকা আদায় করে যাইতাছে যা বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় বড় সড় প্রভাব ফেলাইতাছে। 

যে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ ভিউ বা পজিটিভ মেন্টালিটি থাকে তাহলে আপনি জীবেন অনেক লাভবান হবেন। পজিটিভ মেন্টালিটি না থাকলে আপনি পজিটিভলি কোন কাজ আদায় করতে পারবেন না বা কমপ্লিট ও হতে পারবেন না। গতানুগতিক মার্কেটপ্লেস গুলোতে আপনি শুধু ওয়ার্কার হয়ে কাজ করার সিষ্টেম ছিলো আগে। এখন যারা ওয়ার্কার তারাও প্রযোজনে বায়ার হতে পারবে।  এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে আপনি বায়ার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন বা সেলার হিসাবেও রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। বায়ার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি কয়েকটা অর্ডার সেল করার পরে যে ডলার জমবে সেটা দিয়ে আপনি প্রোডাক্ট ও কিনতে পারবেন। বায়ার হিসাবে আপনি যেমন সেলার কে পজিটিভ থাম্ব এবং গুড রিকমেনডেশন দিতে পারবেন তেমনি সেলার হিসাবেও আপনি বায়ার কে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডশন দিতে পারবেন। আপনার পজিটিভ থাম্বের উপরে ডিপেন্ডস করে ভবিষ্যতে কোন সেলার তার সাথে কাজ করবে কিনা তাও ঠিক করে নিতে পারবে। এছাড়াও এসইওক্লার্কে  আপনি সরাসরি ডলার আপলোড করে সার্ভিস কিনতে পারবেন। বায়ার রা যেমন সেলার দের পজিটিভ থাম্ব বা রিভিউ বা রিকমেনডেশন চেক করে তেমনি সেলার রাও বাযারদের পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডশন চেক করে থাকে- যারা কোয়ালিটি সেলার তারা। একটা রেসিং কার দিয়ে খুব দ্রুত গন্তব্যে পৌছার পর দেখা গেলো: কারটি ভেংগে গেছে। ফেরার কোন উপায় নাই। তো সেই হিসাবে একটি নরমাল কার দিয়ে যদি আপনি আস্তে আস্তে গন্তব্যে পৌছাতেন তাহলে আপনার ফেরারও উপায় থাকতো। ঠিক তেমনি মার্কেটপ্লেসে যদি আপনি তাড়াহুড়ো করে খবু দ্রুত কিছু করতে চান তাহলে হয়তো আপনি গন্তব্যে পৌছাবেন ঠিকই কিন্তু আপনার বাহন ভেংগে  যেতে পারে। আর যদি আপন িবুঝ শুণে আস্তে ধরে আগান তাহলে আপন  হয়তো সারাজীবন ই কাজ করতে পারবেন। আপনি আস্তে ধীরে আগান- প্রতিটা কাজ একুরেটলি কমপ্লিট করেন এবং ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাছ থেকে ১০০% রিকমেনডশন নিয়ে আগাণ।  আমার মতে:   আপনি যদি একুরেটলি কাজ করে থাকেন তাহলে আপনি ক্লাযেন্ট বা বায়ারের কাছে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডেশন চাইতে পারেন। এইখানে দোষের কিছু নাই। 

SEOClerks 

সব ফ্রি ল্যান্সার রা যা করবে আমাকেও যদি তাই করতে হয় তাহলে তো আমি আর সামনে আগাতে পারবো না। কারন ফ্রি ল্যান্সার ওয়ার্ল্ডে সামনে আগানোর মুল টিকস হইতাছে: আপনার নিজস্ব একটা টেকনিক। আপনি যদি আর ১০ জন ফ্রি ল্যান্সার কে ফলো করেন তাহলেও আপনি সফল হতে পারবেন কিন্তু আপনি হয়তো তৃপ্তি পাবেন না। কিন্তু আপনি যদি আপনার পারসোনাল একটি টেকনিক নিয়ে আগান তাহলে আপনি সফলতার সাথে সাথে তৃপ্তি ও পাবেন। ক্লায়েন্ট বা বায়ার বুঝবে না এরকম কোন টেকিনক অবলম্বন করে যদি ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে সাময়িক ভাবে ধোকা দিয়ে থাকেন তাহলে আপনি মনে রাখবেন যে আপনি আপনার দেশের পতাকাকে ধোকা দিলেন । পরবর্তীকালে ক্লায়েন্ট বা বায়ার আর কখনো বাংলাদেশী সেলারকে হায়ার করবে না কারন পতাকাট তার চোখে লেগে থাকবে। আর আপনি হয়তো ১০-১০০ উপার্জন করতে যাইয়া একটি ক্লায়েণ্ট কে ই নষ্ট করে দিলেন। সেই সাথে বাংলাদেশেল পতাকারও দুর্নাম ও বয়ে নিয়ে আসলেন। একজন সেলার বা ওয়ার্ক ার বা ইন্টারনেট প্রফেশনাল যখন সারা বিশ্বে কোন না কোন বায়ার বা ক্লায়েন্টের সাথে যে কোন প্রজেক্টে কাজ করে থাকে তখন তাকে কয়েকটা বিষয় মাথাতে রাখতে হয় যা পরবর্তীতে গুড রিকমেনডেশণ আনতে সাহায্য করে: 

  • আপনার প্রোফাইলের সব তথ্য রিয়েল কিনা?
  • সেকানে প্রদর্শিত বাংলাদেশের নাম বা সুনাম আপনি রক্ষা করতাছেন কিনা?
  • কাজাটাতে আপনার পারসোনাল বা দেশের কোন ক্ষতি হইতাছে কিনা?
  • আপনি কোন ধরনের চিটারি বা বাটপারির সাহায্যে ক্লায়েন্ট কে ধোকা দেবার চেষ্টা করতাছেন কিনা?
  • কাজটা আপনার প্রোফাইরেল জন্য গুড রিভিউ আনবে কিনা?
  • কাজটা আপনার প্রোফাইলের জন্য গুড রিকমেনডেশন আনবে কিনা?
  • আপনি কাজটা ১০০% একুরেটলি করতে পারবেন কিনা? 
  • কাজটা কমপ্লিট করার পরে আপনার দৈহিক, মানসিক বা শারিরীক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বা দৈশিক কোন ক্ষতি হবে কিনা?
  • একটা গুড রিভিউ বা পজিটিভ থাম্ব পাবার জন্য আপনি চাইলে একটু কমদামে হইলেও কাজ শুরু করতে পারেন বা কাজটা কমপ্লিট করতে পারেন। কার কাজের সাথে সাথে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডেশন ও অনকে মূল্য রাখে। 
  • যে ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতাছেন সে মার্কেটপ্লেসে ১০০% ভেরিফায়েড কিনা?
  • যদি কখনো ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে ক্রেডিট কার্ড এক্সস করতে হয় তাহলে সেটা পরবর্তীতে কোন সমস্যা আনবে কিনা?
  • আপনি কি মার্কেটপ্লেসে কোন ভ্যক্তিগত তথ্য আদান প্রদান করতাছেন কিনা? 
  • আপনি কিভাবে ক্লায়েন্ট কে পাইলেন কাজ শেষে জিজ্ঞাসা করে নেয়া?

Monday, October 26, 2020

এডভার্টাইজিং সেকসানে ইউটিউব মনিটাইজেশনে বাংলাদেশ নাই এখন আর।




সম্প্রতি ইউটিউবের মনিটাইজশন সেকসানে আর বাংলাদেশ কে তাদের অপারেশনাল দেশ হিসাবে দেখাইতাছে না। এডভার্টাইজারদের কে ও নিষেধ করে দিতাছে গুগল যেনো তাদের তালিকাতে নাই এরকম কোন দেশে তারা তাদের পন্য প্রদর্শন না করে। এর পরেও যদি বাংলাদেশের ইউটিউব মনিটাইজার রা বাংলাদেশের লোকেশন পরিবর্তন করে তাদের ইউটিউব চ্যানেলে আর যদি সেখানে এড প্রদর্শন করে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে রেমিটেন্স লেনাদেনা করে তাহলে কি সেই উপার্জন টা বৈধ হবে? এর জন্য ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ব্যাংকের যদি কোন ক্ষতি হয়। ভবিষ্যতে যদি ইউটিউব আবার সেই রেমিটেন্স ফেরত চায়- এখন হয়তো তারা কিছু বলতাছে না কিন্তু একটা পর্যায়ে বলে বসতে পারে। ম্যাক্সিমাম বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়েরা তাদের পারসোনাল ইউটিউব চ্যানেলে লোকেশনে ইন্ডিয়া ব্যবহার করতাছে এবং তারা তাদের ইউটিউব ভিডিওতে এড ও প্রদর্শন করতাছে এবং তারা হয়তো তাদের পেমেন্ট ও বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে রিসিভ করতাছে কিন্তু ব্যাপারটা কি ১০০% বৈধ হইতাছে কিনা সেটাই প্রশ্ন?  একসময় গুগল জানতে পারবে যে : ডিভাইস গুলো যেগুলো থেকে ভিডিও আপলোড করা হয় সেগুলো বাংলাদেশে আছে। একসময় হয়তো তারা বাংলাদেশ কে বড় আকারের জরিমানা ধরতে পারে বলতে গেলে কয়েক বিলিয়ন ডলারও জরিমানা ধরতে পারে। কারন তাদের তারিকাতে নিষেধ আছে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বড় আকারের বিপদেও পড়তে পারে বড় আকারের জরিমানা ধররে। একসময় পেপাল ডট কমের উপার্জন কে অনেকেই খারাপ বলতো। অনেকেই বলতো পেপালের পারসোনাল সেকসানে বাংলাদেশ নাই।  আমি মনে করি বাংলাদেশের এপিআই না থাকার কারনে পেপালের পারসোনাল সেকসানে বাংলাদেশ দেখায় না। তাছাড়াও :
  • পেপালের ওয়েবসাইট সাধারনভাবেই বাংলাদেশে ওপেন হয়। 
  • পেপালের সারা বিশ্বে বিজনেস লিষ্টিং এ বাংলাদেশ দেয়া আছে। 
  • পেপালের যে কোন দেশর বিজনেস সেকসান ব্যাবহার করে বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়েরা বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র, ক্রেডিট কার্ড কে ভেরিফাই করে মধ্যবর্তী অন্য এক দেশের ব্যাংক কে ব্যবহার করে বাংলাদেশে তাদের রেমিটেন্স এড করে থাকে। যেমন: পেপাল জুম বা পেপাল বিজনেস বা পেপাল মার্চেন্ট সেকসান বা ব্যাংক এশিয়া। 
  • পেপালের সাথে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন লেনাদেনা নাই। 
  • পেপাল পারস্পরিক সেন্ড মানি করতে পারে একজন আরেকজনকে। 
  • পেপালের রেমিটেন্স এখণ ব্যাংক এশিয়াতে এড করা যায়। 
কিন্তু ইউটিউব মনিটাইজেশনে তো এখন আর বাংলাদেশের নাম দেখাইতাছে না। পেপালের বিজনেস সেকসানে তো বাংলাদেশের নাম দেখায়। তো এখণ কি ইউটিউব মনিটাইজেশন টা বৈধ হলো। গুগলের বর্তমান সিইও একজন ভারতীয়। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে দেখলাম : সবাই ইন্ডিয়ার নাম দিয়ে গুগলের ইউটিউব মনিটাইজশেন ভেরিফিকেশন করতাছে। এমনিতে তো দেখি ভারত কে বাংলাদেশীরা অনেক সময় মারাত্মক ঘৃনা করে। এখন যে ইউটিউব মনিটাইজেশনে ভারতীয় লোকেশণ ব্যবহার করতাছে- এখন কি তাদের নাক সিটকানো হয় না। যদিও আমি বিশ্বাস করি: ভাষার ভিত্তিতে তৈরী হয়েছে সারা বিশ্ব। শুধু বাংলাদেশ এবং ভারত আর স্পেন এবং কাটালুনিয়া এই ২ টা জায়গাতেই গ্যানজাম রয়ে গেছে। বুকের ভেতরের আগুন ছাই দিয়ে ঢেকে রাখার মতোন। ভারতীয় রাও বাংগালী এবং তারাও বাংলা ভাষায় কথা বলে। কিন্তু সমস্যা রয়ে গেছে অন্যখানে। যদি ভারতীয় সরকার টের পায় এবং আপত্তি করে।

একটা কম্পিউটার/ল্যাপটপ/পামটপ/এনড্রয়েড এবং আইফোন যে ডিভাইস ই আপনি ব্যবহার করেন না কেনো- পৃথিবীতে প্রত্যেকটা ডিভাইসের একটা আইএমইআই নাম্বার থাকে। প্রত্যেকটা ডিভাইসের একটা নিজস্ব মেশিণ ল্যাংগুয়েজ থাকে। যখনি আপনি কোন ডিভাইসে ইন্টারনেট কানেকশন করবেন তখণ ইন্টারনেটে এক মিলি সেকেন্ডর মধ্যে প্রথম যে জিনিস গুলো রেকর্ড  করবে তা হইতাছে বিভিন্ন ডিভাইস বা মেশিনারি যন্ত্রপাতির আইএমইআই নাম্বার যা দ্বারা ইন্টারনেট অথরিটি বুঝতে পারবে যে ডিভাইস টা কোথায় আছে। তাছাড়া লোকেশন অন থেড তো আছেই।  মেশিনারি ল্যাংগুয়েজ চালু হবার আগেই সেখানে বিট বাইট বাইনারী ল্যাংগুয়েজ রান হবে এবং মেশিনারি ল্যাংগুয়েজ রান হবার পরে সেখানে অপারেটিং সিষ্টেম বা সফটওয়্যার রান করা হবে। যার ফলে পৃথিবীখ্যাত মাইক্রোসফট বা যে কোন অপারেটিং সিষ্টেমের সার্ভার সহজেই জানে যে- কে কখন কোন খানে বসে থেকে কোন ডিভাইস ব্যবহার করতাছে। উপরন্তু এদের প্রত্যেকের নিজস্ব স্যাটেলাইট সিষ্টেম আছে যেখান থেকেও বোধ করি তাদের ডিভাইসের লোকেশন এবং মেশিন রিডেবল ল্যাংগুয়েজের মাধ্যমে জানতে পারে কখন কোন খানে কানে ডিভাইসটা ব্যবহৃত হইতাছে বা তাদের অনেক ধরনের ডাটাবেজ আছে যেখানে ডিভাইস লোকেশন রেকর্ড হয় ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারনে। সে কারনে গুগলের মতো ইনকরপোরেশন সহজেই জানে যে বাংলাদেশী রা কে কখন কোন খানে বসে কোন জিমেইলের মাধ্যমে কোন ইউটিউব একাউন্ট ওপেন করেছে এবং কোন ইউটিউবে কোন ভিডিও কোন লোকেশন থেকে আপলোড হইতাছে। ঠিক একই পদ্বতি ব্যবহার করে মেশিনারি ল্যাংগুয়েজের মাধ্যমে অনেকেই জানে যে- হ্যাকার রা কে কখন কোথায় আছে। অপারেটিং সিষ্টেমের সাথে ব্যবসায়িক লেনাদেনা এবং আমেরিকান আইনে নাক গলানোর নিয়ম নাই বিধায় মেশিনারি ল্যাংগুয়েজ যারা কন্ট্রোল করে তারা কখনো স্বেচ্চায় প্রকাশ করবে না যে কোন ট্রাবল বা কোন হ্যাকার কখন কোথায় অবস্থান করতাছে । সামাজিক বা রাজনৈতিক কারনে যে কোন দেশের যে কোন ওয়েবসাইট আপনি হ্যাক করে জবাব দিতে পারেন কিন্তু স্পর্শকাতর ওয়েবসাইটে যদি হ্যাকার রা হ্যাক করে থাকে (যেমন: ব্যাংক বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়) তাহলে তো লোকেশন আইডেন্টিফাই এর মাধ্যমে তারা জানতে পারবে যে কে কখন কোথা থেকে হ্যাক করতাছে আর সেভাবেই তারা আক্রমন ও চালাতে পারে। 

বোঝা গেলো - হ্যাকার রা একেবারে ধরা ছোয়ার বাহিরে না। তারা কখন কোথায় কি করতাছে তা সিষ্টেম ল্যাংগুয়েজ জানে, মেশিন ল্যাংগুয়েজ জানে এমনকি যারা সারা বিশ্বে তাদের অপারেটিং সিষ্টেম চালায় বা যারা অপারেটিং সিষ্টেম বানাইছে , ডিভাইসের হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার ল্যাংগুয়েজ যারা বানাইছে তারা জানে কিন্তু তাদের অপারেটিং সিষ্টেম বা সফটওয়্যার সিষ্টেমের ব্যবসায়িক কারনে  তারা প্রকাশ করবে না কারন এতে করে তাদের ব্যবসায়িক লস হতে পারে। তবে যেহেতু সকল যন্ত্রাংশ ই আমেরিকান ষ্ট্রাকচারে তৈরী করা হয় আর এফবিআইও বাংলাদেশের ব্যাংকের হ্যাকারদের তথ্য অনুসন্ধানে আছে তাই এ ব্যাপারে বলে দেয়া যায় যে- মেশিনারি ল্যাংগুয়েজের কারনে  তারা সবই জানে এবং সম্ভবত সব কিছু ও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। স্বার্থের কারনে বোধ করি প্রকাশ করে নাই। এফবিআই এর হাতে কোন মামলা গেছে আর তার সুরাহা হয় নাই- এইটা এই বিশ্বের কেউ বিশ্বাস করবে না। 

তাই ইউটিউবের পারেসোনাল একাউন্টের  ডিভাইস লোকেশন যে খুব সহজে গুগল জানে সেটা সব প্রোগ্রামাররাই জানে। তো যে কোন সময়ে যে কোন দেশ যদি বাংলাদেশের বিরুদ্বে এই ব্যাপারে ঝামেলা করতে পারে (কারন মনিটাইজেশন এক্টিভেট রাখার জন্য যাদের আগে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন ছিলো তারা একেকসময়ে একেকদেশের লোকেশন ব্যবহার করতাছে এখণ। কেউ কেউ আবার বাংলাদেশে বসে থেকে লোকেশন ব্যবহার করতাছে ইউএসএ।)  তাহলে তার ব্যাপারে আগে থেকেই প্রিপারেশন নিয়ে রাখা দরকার। কারন এই সকল ব্যাপারে গুগল হয়তো পলিসি করে বা ইচ্ছা করে আরো পরে জানাবে কারন তারা আইন প্রয়োগ করেছে বা তারা প্রকাশ করেছে যে বাংলাদেশে এখন আর গুগলের ইউটিউবের মনিটাইজশেন চালু নাই। তো তাদের লিষ্টে নাম দেখাইতাছে না আর বাংলাদেশ। তো আমাদের ও সেই লিষ্টিং টা মেনে চলা উচিত। কারন গুগল বলেছে বাংলাদেশ আর নাই। তো আমাদেরও সেই আইন মেনে চলা উচিত। আমি যদি - সেই আইন না মেনে গুগল কে ফাকি দিয়ে একাউন্ট লোকেশন যদি অন্য আরেক দেশ দেখাই তারপরেও কিন্তু আমাদের দেশ তাদের ডিভাইস লোকেশনে দেখাবে কারন আমাদের ডিভাইস গুলো বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে- আর ডিভাইস গুলোর লোকশেন কিন্তু বাংলাদেশ দেখাইতাছে। সারা বিশ্ব কে সত বানানোর প্রধান উপায় হইতাছে নিজে সত হয়ে যাওয়া যাকে বলে - “নিজে ভালো তো জগত ভালো।” নিজে ভালো না হইলে জগতের কাউরে ভালো লাগবে না। 

হ্যাকারদের বিরুদ্বে বাংলাদেশ সরকারের আইন আছে। যে কোন ধরনের হ্যাকারদের বিরুদ্বে বাংলাদেশ দন্ডবিধির কঠিন শাস্তির ব্যবস্থার আইন দেখেছি : ২০১১ সালে। মিনিমাম শাস্তি ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড। পত্রিকা দেখে জেনে নিতে পারেন। তাই হ্যাক করা বাদ দিয়ে একদম ১০০% সততার সহিত ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। প্রয়োজেন বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রীয় তথ্য খাত বা রাস্ট্রীয় রিজার্ভে যদি কারো হাত দেবার প্রমান বের হয় তবে তার ফাসি বা ক্রসফায়ার চাইতে  সারা বাংলার মানুষেরা কখনো দ্বিধাবোধ করবে না। বাংলার মানুষ এমনিতেই বহুত প্যারার মধ্যে আছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি সহ নানাবিধ ঝামেলা বাংলাদেশের মানুষকে অনেক কষ্ট দিতাছে। প্রয়োজন সুষ্ট সুরাহা। হ্যাকারদের কে শুধূ একটি জিনিস ই জানানো হয়- তারা শুধূ দেখবে (যাদের হ্যাকিং নলেজ আছে) যে একটা দেশের রাষ্ট্রীয়  সিষ্টেম কোন ভাবে হ্যাক হতে পারে কিনা, সে ব্যাপারে সাহায্য করার জণ্য প্রোগ্রামারদের অনুরোধ করা হয় সারা বিশ্বে। 

বর্তমানে যারা ইউটিউব চ্যানেলে লোকেশন পরিবর্তন করে ইউটিউব মনিটাইজেশন চালু রেখেছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মাসিক পেমেন্ট ও নিতাছে তাদেরকে এক ধরনের হ্যাকার বলা যাইতে পারে কারন তারা তাদের একাউন্টে সঠিক লোকেশন ব্যবহার করতোছে না। তারা ইউটিউব ডিভাইস একাউন্ট লোকেশণ হ্যাকার। তাদেরও বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় আইনে বিচার হওয়া উচিত। 

৩টা প্রোগ্রামের সমন্বয়ে চলে কম্পিউটার। 

  • বাইনারী ল্যাংগুয়েজ (০ এবং ১ এর সমন্বয়ে)। 
  • মেশিন ল্যাংগুয়েজ - হার্ডওয়্যার গুলোর ভেতরে সমন্বয় সাধন করার জন্য একটি হার্ডওয়্যারের সাথে আরেকিট হার্ডওয়্যারের পারস্পরিক যে যোগাযোগ বা সংকেত বিনিময় তাকে মেশিনারি ল্যাংগুয়েজ বলে যেখানে কিছেু স্পেসিফিক প্রোগ্রামিং আছে। যাদের মূল কাজ হলো বাইনারি ল্যাংগুয়েজের প্রোগ্রামকে সংগ্রহ করে প্রসেসিং করা এবং সেটাকে অপারেটিং সিষ্টেম এর কাছে হস্তান্তর করা। 
  • অপারেটিং সিষ্টেম নিজে বা বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যারের সাহায্য নিয়ে বা রান করে কম্পিউটারের বাকী প্রোগ্রামগুলো কমিপ্লট করে যাকে সিষ্টেম সফটওয়্যার নামেও অভিহিত করা হয়।
সৌভাগ্যক্রমে ০৩ ধরনের ল্যাংগুয়েজ বা প্রোগ্রামিং কোডিং করার বা জানার সৌভাগ্য আমার হয়েছিলো ১৯৯৩-২০০৬ পর্যন্ত। আমার লেখার এ পর্যন্ত আইসা ইউটিউবার দের মন খারাপ। মন খারাপ হবার কিছু নাই কারন ইউটিউব রেভিনিউ শেয়ার প্রোগ্রামের চেয়েও দামী প্রোগ্রাম এখন আপনার চোখের সামনে। সেটা হলো: MCN- Multi Channel Network. এই প্রোগ্রামে বাংলাদেশ এভেইলেবল। রেটিও: ৬০:৪০ 




Note: Blogger Copyright Law activated with this post.

  
  

 

Sunday, October 25, 2020

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ থাম্ব বলতে কি বোঝেন?

ইন্টারনেটে এখন অনেক খানে পজিটিভ থাম্বের ব্যবহার আছে। যে কোন পোষ্টের নীচে অনেক সময় থাম্ব ব্যাপারটা দেখা যায়। আবার অনেকখানে অনেক ওয়েবসাইটে আছে এই থাম্ব ব্যাপারটা। এইটাকে বাংলাদেশে অনেক সময় বাল (যা মানুষ আংগুল দিয়ে ক্রিটিসাইজ করার জন্য ব্যবহার করে) যার মিনিং খারাপ সেরকম বোঝানো হতো। বেসিকালি থাম্ব আপ বলতে বোঝানো হয় যে : ব্যাপারটা ভালো। আর থাম্ব ডাউন বলতে বোঝানো হয় ব্যাপারটা খারাপ। আর ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সাধারনত গ্রিন এবং রেড কালার দ্বারা থাম্ব আপ এবং ডাউন বোঝানো হয়। ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং রিলেটেড কোন ওয়েবসাইটে যদি আপনি কাজ করিয়ে সন্তুষ্ট হোন তাহলে সেখানে আপনোকে থাম্ব আপ বা গ্রিন থাম্ব দিতে হবে আর যদি আপনি পছন্দ না করেন তাহলে রেড থাম্ব বা খারাপ বলতে পারেন। তবে একজন পারফেক্ট প্রফেশনালস কখনো কাউকে খারাপ থাম্ব বা রেড থাম্ব বা ডাউন থাম্ব দিবে না। কারন যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে তারা সাধারনত খেটে খায়- বুদ্বি বা পরামর্শ করে সঠিক কাজটা সঠিক ভাবে উপার্জন করার চেষ্টা করে। যার থাম্ব বেশী থাকে তার কাজ পাবার সম্ভাবরা বেশী থাকে। সেই সাথে যার রিকমেনডশন ও বেশী থাকে তারও কাজ পাবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। 




এইখানে দেখেন পজিটিভ রেটিংস হিসাবে প্রমান শো করা আছে। ইন্টারনেটে যারা খুব ভালো হাই লেভেলের সেলার তাদের প্রায় হাজার হাজার রিভিউ আছে। বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সারদের পজিটিভ তাম্বের সাথে - বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কোন সম্পর্ক নাই। একটা ব্যক্তিগত প্রোফাইলে যদি ৩০০ থাম্ব বা পজিটিভ রিভিউ আসে তার মানে এই না যে- সে এই দেশের বিরাট কিছু। সে তার প্রোফাইলে নিয়মিত কাজ করার জন্য সারা বিশ্বের বায়ার রা তাকে পজিটিভ থাম্ব দিছে যেখানে সে যেনো আরো অনেক ভালো কাজ পায় বা সেই সেলারের জন্য অনেক শুভ কামনা  করে থাকে। আরো যারা বিরাট ভালো করে তাদেরকে বায়ার রা রিকমেনডশন করে থাকে লিখিত ভাবে যেনো তাকে আরো অন্যান্য সবাই কাজ দেয়। 


সেলার রা যে কাজ পায় তার উপরে যে রিভিউ দেয় তাকে সেলার স রিভিউ বলে বা পজিটিভ রিভিউ বলে। এক দল পাগলের সাথে একবার কথা হইতেছিলো: বলতাছে মাসুদ ভাই যদি ৩০০ রিভিউ এর মালিক হয় তাহলে মাসুদ ভাই এই দেশের বিরাট লোক হয়ে যাবে। তো আমি উত্তরে বললাম: কেনো ভাই আমি বিরাট লোক হবো কেনো? এ দেশে তো হাজার হাজার সেলার আছে যারা প্রায় ২০০০/৩০০০/৪০০০ রিভিউ আছে বা পজিটিভ রেটিংস আছে এবং তারা বাংলা মায়ের সন্তান। তারা বিরাট বা প্রধান লোক হবে। তো সে বলতাছে তারা তো আর রাজনীতি করে না। তো আমি বললাম: আমিও তো কোন রাজণীতি করি না (শাহবাগ গনজাগরন পন্থী রাজেনৈতিক দলগুলোকে সাপোর্ট। করি) তারপরে সেই পাগল অফ গেছে এবং বলতাছে তাহলে কোন মাসুদ এর কথা সে শুনেছে ( মানে সে মনে হয় অন্য কোন মাসুদের কথা শুনেছে যে এই দেশে বড় কিছু হতে চায়) । তো আমি বলেছি পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ মাসুদ আছে আপনি হয়তো অন্য কারো কথা শুনেছেন। আর এসইওক্লার্কে আমার ইউজার নাম সেঞ্চুরিয়ন

বেসিকালি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিভিউ খুব গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার। আপনার যদি ১ টিও ব্যাড রিভিউ পরে তাহলেও আপনার প্রোফাইলের বড় সড় ক্ষতি হতে পারে। আপনি চাইলে ও কোন বড় ধরনের কাজ পাবেন না। এইখানে নীচে একজনের রিভিউ দেখেন প্রায় ৭৮০০০ রিভিউ আছে যা কিনা এককথায় বিশ্বের সেরা মানের ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে প্রমান করে থাকে এই ইউজার কে। এরকম হাজার হাজার ফ্রি ল্যান্সার আছে সারা বিশ্বে। পজিটিভ থাম্ব কোন রাজনৈতিক ইস্যু না- এইটা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিভিউ বলতে কাজের ভালো সুনাম আছে বোঝানো হয়। সেলার ভালো কাজ জানে বা পারে সেটাও বুঝানো হয়।  


আপনি ভালো কাজ জানেন বা আপনার কাজের ভালো রেটিং আছে বা আপনি যে কোন সার্ভিস কে ভালো করে প্রমোট করতে পারেন তাকে পজিটিভ রিমার্কস দ্বারা প্রকাশ করা হয়। প্রত্যেকটা  মার্কেটপ্লেসে আলাদা আলাদা করে পজিটিভ রিভিউ ডিজাইন করা হয়। এইখানে যদি আপনি একজন বায়ার হিসাবে কাজ করতে যান তাহলে আপনাকে খুব ভালো করে সেলারস রিভিউ চেক করতে হবে। যেহেতু এখনকার দিনে ক্রেডিট কার্ড খুবই সহজ আর যে কেউ চাইলে যে কোন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ইন্টারনেটে থেকে প্রডাক্ট কিনতে পারে সেহেতু এইখানে আপনি যখনি কোন সার্ভিস কেনার জন্য এনরোল করবেন তখণি আপনাকে খেয়াল করতে হবে যে - আপনি কি রিয়েল সেলারের সাথে ডিল করতাছেন কিনা? ভিপিএন ব্যবহার করে এবং ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে আপনি যে কোন দেশের বায়ার হয়ে যাইতে পারেন (বোধ করি। আমার কাছে প্রমান নাই কিন্তু ধারনা করি)। কিন্তু এসইও ক্লার্ক ওয়েবসাইটে ভিপিএন ব্যবহার করলে কোন কুপন এড করা যায় না। সেই হিসাবে বলা যায় যে: অন্ততপক্ষে এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে ভিপিএন ব্যবহার করে কেউ ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একাউন্ট লোড করতে পারবে না। কিন্তু অন্যান্য ওয়েবসাইটে ভিসিসি (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) কিনে মার্কেটপ্লেসের ক্লায়েন্ট সেজে ভিসিসি র দেয়া ডিটেইলস ব্যবহার করে যদি কেউ ক্লায়েন্ট একাউন্ট মেক করে যে কোন দেশের পতাকা দিয়ে এবং যদি সে তার পরিকল্পনা মোতাবেক পছন্দণীয় সেলার কে হায়ারও করে থাকে একর পর এক - তাহলে সেখানে এক ধরনরে ফেইকইজমের তৈরী হইতাছে যা হয়তো আমাদের দেশের অনকে তথ্য প্রযুক্তিবিদ বুঝতে পারবে না। উপরে আমার যে ২৯৯ রিভিউ তা আমি অনেক কষ্টে রাত দিন খাটাখাটি করে তৈরী করেছি ৫+ বছরে। এসইওক্লার্কের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডাইরেক্ট উইথড্র কোন প্রসেস নাই। মানে এইখানে উপার্জিত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে আনা যাবে না কিন্তু পাইওনিয়ারে/পেপালে/পেল্যুশনে লোড করা যাবে বা পাইওনিয়ার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়ে আসা যাবে। তাহলে - অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে যদি ভিসিসি এড করা যায় আর সেখান থেকে যদি সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার উইথড্র করা যায়- তাহলে সেখানে কি সরকারের কোন ক্ষতি হইতাছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখতে হবে? ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কিনলে আপনাকে ফুল ডিটেইলস ইনফরমেশেন দিবে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড সেলার ওয়েবসাইট। সেখানে আপনি প্রথম নাম, শেষ নাম, যে দেশের ভিসিসি কিনবেন সেই দেশের নাম, ঠিকানা সব কিছু ইন ডিটেইলস প্রদান করে যা আপনি ইন্টারনেটে ব্যবহার করতে পারবেন যে কোন ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য- অনেক সময় দেখলাম ফোন নাম্বার সহ দিয়ে থাকে। কয়েকদিন আগে আমি আমার জীবনের প্রথম ভিসিসি কার্ড পাই ২৫ ডলারের মূল্যের - একটা সোশাল মিডিয়া প্যানেলে আপডেটও করি সেই ভিসিসি ব্যবহার করে এবং সেই ডলাল লোড হয় এবং সেই সোশাল মিডিয়া প্যানেলে এপিআই আছে। এপিআই আছে এরকম কোন ওয়েবসাইট ভিসিসি এর ক্ষেত্রে কোন ভুল করবে না। সেই ডলার আমি ব্যবহার ও করলাম। একখানে রিভিউ দিলাম - সেটা থেকে ২৫ ডলার উপার্জন করেছি। 




আমাদের দেশের যে কোন মার্কেটপ্লেসে আমাদের দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা এই ধরনের কিছু করতাছে কিনা- নীরবে বা আড়ালে (অনেকেই অনেক ভালো ভালো কাজ জানে)

  • মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ভিসিসি (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) কে এড করা যায় কিনা?
  • (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) ব্যবহার করে ডলার এড করা যায় কিনা? 
  • ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কেনার পরে তার সাথে দেয়া ডিটেইলস কি ব্যবহার করতাছে কিনা - মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে। 
  • প্রথমেই মোবাইল এবং ইমেইল ভেরিফিকেশন করতে হয় কিনা?  যদি করে থাকে তাহলে এইখানে বিশাল একটা ডলার লস হইতাছে। কারন কয়েকদিন আগে দেখলাম এক ওয়েবসাইটে ১০০ ডলার ভিসিসির দাম: ৩৫০ ডলার। এইখানে অনেক বড় লস হয় ভিসিসি কিনতে গেলে। 
এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে প্রথমেই রেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনাকে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করতে হবে। তাছাড়া আপনি এখন আর সহজে ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনাকে বাকী সব ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করে পরে সামনে আগাতে হবে- যদি চায় তাহলে। এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে আপনি বিটকয়েন, ইথারিয়াম এবং লাইট কয়েন দ্বারা ও কেনাকাটা করতে পারবেন যে কোন এসইও সার্ভিস কিন্তু বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েনে উইথড্র করতে পারবেন না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য কোন মার্কেটপ্লেস থেকে বিটকয়েণ দ্বারা কোন সার্ভিস কেনা যায় না। ইন্টারনেটে বিটকয়েণ বা ব্লকচেইন এক্সপ্ট করে না এরকম কোন নামী দামী ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্টানই নাই বলতে গেলে সারা বিশ্বে। এখন ফেসবুকও লিরা নামে তাদের  নিজস্ব ক্রিপ্টো কারেন্সী আনতাছে সারা বিশ্বে। যতোদূর জানি ভিপিএন ছাড়া ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড মনে হয় আমাদের দেশের ছেলে পেলে রা ব্যবহার করে না। সে ক্ষেত্রে যে দেশের ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড তারা কিনে সেই দেশের ভিপিএন যদি তারা ব্যবহার করে তাহলে তাার সহজে যে কোন মার্কেটপ্লেসে নিজেদেরকে ফরেন বায়ার বা ক্লায়েন্ট বলে পরিচয় দিতে পারবে- যদি রেজিষ্ট্রেশন করে থাকে (ব্যাপারটা যদি)। আর সে হিসাবে তারা ফেইক সার্ভিস কিনে যে কোন ওয়ার্কারকে রিভিউ ও দিতে পারবে এবং তাকে বাস্তব জীবনে ব্যবহার ও করতে পারবে। সবটাই আমার ধারনা- কারন বাস্তবে আমার হাতে কোন প্রমান নাই। কারন আমি নিজেই আমার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একই দেশ থেকে আরেকজন ওয়ার্কারকে আমি হায়ার করেছি ফ্রি ল্যান্সার ডট কম ওয়েবসাইটে। আর এসইওক্লার্কে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করে কোন ধরনের কুপন এড করতে পারবেন না - কারন আমার যখন কাউকে কোন কুপন অফার করি আর তার কাছে যদি ভিপিএন থাকে তাহলে সেখানে কুপন টা কাজ করে না। সে হিসাবে বলে দেয়া যায় যে-  পৃথিবীতে সবচেয়ে ভালো মার্কেটপ্লেস এইওক্লার্ক। প্রায় ১৫ লক্ষ সেলার আছে রেজষ্ট্রার্ড যারা তাদের সার্ভিস সেল করে যাইতাছে। সেখানে প্রতি মূহুর্তে চেষ্টা করে ভালো একটা কাজ করা বা রিভিউ আনা আমার জন্য বিরাট ব্যাপার আর আমার কাছে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজের মূল্যায়ন হইতাছে সততা। তো আপনি ও ফ্রি রেজষ্ট্রিশন করে একটা ভালো মানের সার্ভিস তৈরী করে  সমানে সেলস শুর করেন আর পজিটিভ রিভিউ আনতে থাকেন। দেখবেন কাজ করে আপনার কতোটা ভালো লাগে। 

পজিটিভ রিভিউ আনার জন্য আপনি যদি পরিকল্পিতভাবে কারো সার্ভিস ক্রমাগত কিনে থাকেন তাহলে যার সার্ভিস ক্রমাগাত কিনলেন এবং তাকে রিভিউ দিলেণ সে হয়তো কিছুটা আশ্চর্য হবে কিন্তু তার সাইড থেকে সে কোন ভুল করলো না। কিন্তু যার কাছ থেকে সার্ভিস কিনলেন এবং সে যদি জেনে থাকে তাহলে এইখানে একটা ফেইকইজম তৈরী হয়ে গেলো। এইখানে যদি আপনি সরকার বা জনগনকে ধোকা দেন তাহলে আপনি সেই আরাম বা সততাটুকু পাবেন না। আমি এসইওক্লার্কে আমার যে কোন রেফারেল কে আমি ৫ ডলার এর কুপন দিতে পারি যাতে সে এসইওক্লার্ক সার্ভিস কিনতে ভবিষ্যতে ইন্টারেষ্টেড হয়। যাকে ৫ ডলারের কুপন দিবো সে সেটা উইথড্র করতে পারবে না। তাকে অতি অবশ্যই আমার কাছ থেকে একটা সার্ভিস কিনতে হবে। আমার প্রোফাইলে দেয়া আছে এরকম যে কোন ৫ ডলারের সার্ভিস সে আমার কাছ থেকে কিনতে পারবে। আর যদি আমি তার অর্ডার দেয়া কাজটা ভালো করে সম্পূর্ন  করে দিতে পারি আর সে দি আমাকে পজিটিভ থাম্ব দেয় এইখানে দোষের কিছু নাই। কারন যে ৫ ডলারের কুপন নিয়ে একটা কাজ কমপ্লিট করিয়েছে সে একটা পজিটিভ থাম্ব দিতেই পারে বা সেলার হিসাবে আমি চাইতেই পারি। এইটা এসইওক্লার্কের প্রমোশণ। 

কিন্তু আপনি যদি একজন সেলারের সাথে চুক্তি করেন যে- আপনি আপনার নিজস্ব ক্রেডিট কার্ড দিয়ে তার কাছ থেকে একটা সার্ভিস কিনবেন  ১০০ বার এবং ১০০ বার তাকে পজিটিভ থাম্ব দিবেন আর মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের বাহিরে তার সাথে ইলিগ্যাল লেনাদেনা করে ফেইক পজিটিভ রিভিউ দেন তাহলে সেটা হবে খারাপ বা দুই নম্বর গিরি। কারন যখন আপনি কারো কাছ থেকে আপনার নিজের পয়সা বা ডলার দিয়ে সার্ভিস কিনবেন তখন সেখানে আপনাকে ১০০ ভাগ সততার পরিচয় দিতে হবে। ইভেন আপনি চাইলেই পরিচিত কারো কাছ থেকে সার্ভিস কিনতে পারবেন না। আপনাকে সার্ভিস কেনার ক্ষে্ত্রে সততার পরিচয় দিতে হবে। আপনি যতোবার সার্ভিস কিনবেন ততোবারই আপনাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট অনুযায়ী রাইট ক্যাটাগরি তে সার্ভিস সার্চ করে কিনতে হবে বা ওয়ার্কারদের ক্ষেত্রে আপনি মনে চাইলেই পরিকল্পিত ভাবে প্রতিবার ই একজনকে শুধু হায়ার করতে পারবেন না। আপনাকে প্রতিবার জবের জন্য পোষ্ট করতে হবে- যারা বিড করবে তাদের মধ্যে সেরা জনকে খুজে বের করে কাজ দিতে হবে। যেমন মনে করেন: আমি মার্কেটপ্লেসের একজন বায়ার। আর আপনি একজন ওয়ার্কার। Marketplace Website এর বাহিরে আপনার সাথে আর্থিকভাবে চুক্তি করলাম আর আমার সাথে আরো ১০ জন আছে। আমরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক। সেই হিসাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ আছে। তো আপনি আমার সাথে বাহিরে কন্ট্রাক্ট করলেন আর তারপরে আমাকে ভালো অংকের টাকা পয়সা দিলেন আর আমাকে বললেন যে আমার ১০ জন বন্ধুর মাধমে ১০ দেশের ক্লায়েন্ট একাউন্ট তৈরী করে আপনাকে ১০ টা কাজের জন্য ওয়ান বাই ওয়ান হায়ার করতে। তারপরে আপনার একাউন্টে ১০ টা কাজের রিভিউ যুক্ত হলো এবং ১০ টা পজিটিভ থাম্বও এড হলো। সেই টা সততার সাথে পজিটিভ রিভিউ ইনকাম হবে না। পজিটিভ রিভিউ ইনকাম হবে তখন যখন কোন ওয়ার্কার নিজে চেষ্টা করে জব খুজে বের করবে তারপরে সেখানে বিড করবে বা কাজের জন্য আবেদন করবে এবং তারপরে সেখানে সে জবের জণ্য যোগ্যতা অনুযায়ী সিলেক্ট হবে এবং সঠিক ভাবে কাজ করবে এবং ক্লায়েন্ট আপনার কাজে খুশী হয়ে নিজের মন থেকে আপনাকে পজিটিভ রিভিউ দিবে - এইটাকে বলা হয় বা হবে অনেষ্ট পজিটিভ রিভিউ। এই রকম পজিটিভ রিভিউ যাদের আছে তারা ই আসল ফ্রি ল্যান্সার। 

ফেইকইজম করে তো আমিও আপনাকে কয়েক হাজার পজিটিভ রিভিউ পাওয়াইয়া দিতে পারবো - বাংলাদেশ সরকার বাল ও কিছু জানতে পারবে না- তাতে তো আর আপনি অরিজিনাল ফ্রি ল্যান্সার হতে পারলেন না।  আসলে যারা বাযার বা সত ক্লায়েন্ট তাদের কিছু ক্যাটাগরি আছে যেমন: সে বেসিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মতো আচরন করবে। একটা জব যদি আপনি তৈরী করেন আর সেখান কার লিংক যদি আপনি স্কাইপে বা মেসেন্জারে দিয়ে থাকেন তাহলে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের যে ট্রাফিক ট্রাকার আছে সে সহজেই বলে দিতে পারবে যে আপনি ইনটেনশনালি একজনকে ওয়ার্কার হিসাবে হায়ার করেছেন যা পূর্ব থেকে নির্ধারিত। কিন্তু এইভাবে হাযার করার জন্য আপনি মার্কেটপ্লেস ব্ল্যাকলিষ্টেড বায়ার হবেন।

এসইওক্লার্ক প্রমোশনের কাজ পাবার পর থেকে আমি বাংলাদেশী ছেলে বা মেয়ে যারা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কে
টপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার জগতে চেষ্টা করতাছে তাদেরকে এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইট এ রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে ফ্রি তাকে ৫ ডলার কুপন দিয়ে তার কাছে একটা সার্ভিস সেল করে থাকি (আমি চাইলে সারা বিশ্বে প্রমোশন করতে পারবো ৫ ডলারের কুপনের যে আমার কাছ তেকে একটা এসইও সার্ভিস কিনতে আগ্রহী হবে তাকেই দিতে পারবো)। সব মিলিয়ে বিগত ৩/৪ বছরে ২৫ জন কে পাইছি (এমনিতে অনেক রেজিষ্ট্রেশন হয় সবাইকে অফার করি না) যারা আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিস্ট্রেশন করে আমার কাছ থেকে ৫ ডলারের সার্ভিস কিনেছে- ধরা যাক ১০০ ডলার আমি এইভাবে রেফারেলে সার্ভিস সেল করে উপার্জন করেছি। এছাড়া আমার রেফারেল লিংকের প্রমোশন আছে প্রথম দিন থেকেই।আছে এফিলিয়েট ষ্টোর : এসইওলিষ্টলি। এছাড়াও আছে বায়ার হিসাবে পজিটিভ রিভিউ পাওয়া। সেলার হিসাবে সার্ভিস সেল করে পজিটিভ রিভিউ পাওয়া। এছাড়াও জব সেকসান থেকে আবেদন করে কাজ কমপ্লিট করে রিভিউ পাওয়া। একেকটা রিভিউ এর জন্য দিন রাত পরিশ্রম করতে হয় । একেকটা ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে ১০০% কাজ দ্বারা স্যাটিসফায়েড করে রিভিউ আনতে হয়। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি হঠাৎ করে আইসা বলেন যে আপনার ৫০০০ রিভিউ আছে তখন আপনার প্রোফাইল টা ঘেটে দেখতে হবে যে:

  • আপনি কোন ধরনরে ছল চাতুরীর আশ্রয় নিয়েছেন কিনা?
  • মার্কেটপ্লেস কে আপনি ধোকা দেবার চেষ্টা করতাছেণ কিনা বা করেছেন কিনা? 
  • আপনি পরিকল্পিতভাবে নিজে নিজে বা গ্ররপ আকারে ডলার আপলোড করে আবার ডাউনলোড করতাছেন কিনা?
  • আপনার  প্রোফাইল দ্বারা উপার্জিত ডলার ১০০% একুরেটি কিনা বা সেটা ১০০% রেমিটেন্স কিনা? 
এরকম হাজারো বিষয়ের উপরে ডিপেন্ডস করে আপনাকে পজিটিভ রিভিউ অনার বলা হবে বা আপনাকে পজটিভ রিভিউ আর্নার বলা হবে। আমি এখন এফিলিয়েট স্টোর নিয়ে বেশীর ভাগ সময় কাজ করে থাকি কিন্তু আমার ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে যতোগুলো পজিটিভ থাম্ব পেয়েছি ততোগুলো ই অনেষ্টলি পেয়েছি এবং প্রয়োজেন ক্লায়েন্টের সাথে আনডারষ্টেনিডং করে হাজার হাজার ডলারের কাজ ছেড়ে দিয়েছি কাজ কমপ্লিট করার পরেও (Mutual Cancellation) যদি পজিটিভ থাম্ব দিতে রাজী না হয়েছে বা যদি বলেছে ব্যাড রিভিউজ দিবে- তাহলে সেই কাজই আমি ছেড়ে দিতাম। কারন আমি বলতাম- ডলার সারা জীবনই উপার্জন করতে পারবো কিন্তু একটা ব্যাড রিভিউজ আমার জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াবে। যদিও আপনি কোন কাজ একুরেটলি করার পরেও যদি কেউ আপনাকে ব্যাড রিভিউজ দেয় তাহলে এসইওক্লার্কে রিক্যুয়েষ্ট করলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তারা সেই অর্ডার টা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ব্যাড রিভিউজ টা ডিলেট করে দিবে। এসইওক্লার্কের আরো অনেক ফাটাফাটি বিষয় আছে যা ধীরে ধরে বলা হবে- আমার অভিজ্ঞতা থেকে। 

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কাররা রিভিউ বলতে একটা সার্টিফিকেট বোঝায়। একসময় যখন ওডেস্কে কাজ করতাম তখন ক্লায়েন্টের অল ইনফরমেশন পাওয়া যেতো। এখন ক্লায়েন্টের অল ডিটেইলস পাওয়া যায় না কোথাও কোন মার্কেটপ্লেসে বেশীর ভাগ সময়ে। এইখানে টিকে থাকাটাই সবচেয়ে বড় কথা। আপনি চাইলে আপনার সকল ক্লায়েন্ট কে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে নিয়ে যাইয়াও কাজ করতে পারবেন সে ক্ষেত্রে মার্কেটপ্লেস আপনার কাছে ঠকে গেলো- এক কথায় আপনার উপকার করতে আইসা ধরা খাইয়া গেলো। সাধারনত মার্কেটপ্লেস গুলোকে ১০%-২০% দিতে হয় প্রতি ১ ডলারে। আপনি নিজে যদি দেবার মেন্টালিটি না তৈরী করেন তাহলে আপনাকে ফরেনার বায়ার বা  ক্লায়েন্টরা কিভাবে দেবে? এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়াবহ কাজ হলো : মানুষের কাছ থেকে বা মানুষের পকেট থেকে ডলার আদায় করা। আর মার্কেটপ্লেসে বসে থেকে নিজের কাজের সুনাম বা রিভিউ বা রিকমেনডশন দিয়ে যে কোন দেশের ক্লায়েন্ট বা বায়ারের পকেট থেকে ডলার বের করে আনা - এইটাকে আপনি যা তা আলাপ বলে মনে করতে পারেন না। আমাদের দেশে সেই সকল ছেলে বা মেয়েরা খুবই সৌভাগ্যবান - যাদের বাবা এবং মা বা পরিবারের সদস্য রা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে প্রতিষ্টিত করার জন্য খুবই সুন্দর করে ওয়ার্কষ্টেশন বানাইয়া দিছে যারা মনোযোগ দিয়ে কাজ করতাছে- নিজের, বাবা এবং মার এবং সারা দেশের নাম উজ্জ্বল করতাছে এবং একই সাথে রেমিটেন্স নিয়ে আসতাছে। আর তারা প্রকৃতই দুর্ভাগ্যবান যারা কাজ জানার পরেও পরিবার বা দেশ থেকে সুযোগ বের করে কাজ করতে পারতাছে না। জ্ঞান এমন এক জিনিস যা আপনাকে দাবড়াবে সব সময়। আর অজ্ঞতা/নিরক্ষরতা/মূর্খতা এমন এক জিনিস যা আপনাকে বিরক্ত করবে সব সময়। তো আমাদের দেশে যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগত সম্পর্কে অজ্ঞ তারা আরো বেীশ পরিমান পড়াশোনা করে জিনিসগুলো জানবেন এবং আপনার চোখে যদি কোন কিছু ধরা পড়ে তাহলে আপনি আইন পুলিশের সাহায্য নিবেন। কারন আপনি তো আর জানেন না যে- কে কখন কোন দেশ থেকে আপনাকে কখন হায়ার করতাছে? কেউ যদি বলে সে বাংলাদেশের বায়ার বা ক্লায়েন্ট এবং ক্লায়েন্ট বা বায়ার বাংলাদেশেই পাওয়া যায় তাহলে মনে রাখতে হবে যে- বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের গরীবতম দেশ। এইখানে প্রায় ৫-৬ কোটি মানুষ দৈনিক রোজগার করে চলে। এইখানে গুটিকয়েক মানুষ বায়ার হতে পারে যা একটি পাড়া বা মহল্লার চাহিদা পূরন করতে সক্ষম কিন্তু সারা দেশে/ ভারতীয় ৭টি অংগরাজ্য সহ তথাকথিত ২ কোটি ফ্রি ল্যান্সার হতে চাওয়া বাংগালী জাতির  খোরাক হতে হলে ৪৫০-৫০০ কোটি ইহুদি, খ্রীষ্টানদের দ্বারস্থ হতেই হবে কারন তারাই প্রকৃত বায়ার - প্রকৃত ক্লায়েন্ট। তারাই ডলার ইউরো পাউন্ডের মালিক। আপনার কাজ দ্বারা তাদের পকেট থেকে যখন আপনি ডলার ইউরো বা পাউন্ড উপার্জন করতে পারবেন তখনি আপনি প্রকৃত উপার্জন করতে পারবেন আর তার কাছ তেকে যদি রিভিউ পান তাহলে বুঝতে হবে যে আপনি একটা রিয়েল রিভিউ পাইছেন। যারা ছলে বলে কৌশলে রিভিউ এর দাপট দেখাইতাছে বা প্রোফাইলের দাপট দেখাইতাছে তাদের মনে রাখতে হবে যে- তাদের প্রোফাইলের সততার স্বাদটুকু কতোটুকু। কারন ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। 

SEOClerks






ব্যক্তি হিসাবে এখানে যদি কেউ ১ ডলার ও সতভাবে উপার্জন না করে এইখানে তার কোন দাম নাই। এইখানে একমাত্র দাম আছে সরকারি পৃষ্টপোষকতার। ব্যক্তি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পৃষ্টপোষকতা এইখানে ২ নম্বরগিরি বাড়িয়ে তুলবে। সরকারি পৃষ্টপোষকতা বলতে সারা দেশের মানুষ এখনো ব্রডব্যান্ডের আওতায় আসে নাই। আজকে ২০ বছর বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ডের। সারা দেশে এর সুফল পৌছাতে পারলে আরো বেশী পরিমান রেমিটেন্স আনা সম্ভব হবে- সম্ভব হবে আলাদা মুদ্রানীতি গ্রহন করতে ও।  Christinae (ক্রিষ্টিনি) নামের একজন মহিলা বায়ার (ওডেস্ক) যার বর্তমান বয়স হবে ৬৫-৭০+ এর মধ্যে - যে কিনা আমেরিকার ফ্লোরিডাতে বসবাস করে- উনি আমাকে ২০১০-১১ সালে বড় মাপের একটা প্রজেক্টের কাজ দিয়েছিলেন যেখান থেকে আমি বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসের কাজ ছেড়ে দিয়ে উনার প্রজেক্টের মাধ্যমে ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সিং এ নাম লেখাই। তার আগে পার্টটাইম করেছি ২০০২-২০১১। ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সার হবার পরে উনিই প্রথম আমাকে পজিটিভ রিভিউ দেন। উনার কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে। উনার প্রজেক্ট কমপ্লিট করার পরে বলেছিলেন যে- উনি আমার জন্য একটা বোনাস বাজেট রেখেছেন যা ফ্লোরিডাতে উনার অফিসে বাস্তবে যাইয়া গ্রহন করতে হবে। এরকম আরো অসংখ্য ক্লাযেণ্টের পজিটিভ ডিটেইলস পওয়াও সম্ভব এবং সৌভাগ্য আমার হয়েছে। 

Saturday, October 24, 2020

ব্লগে বাংলা লিখলে কোন টাকা দিতে হয় কিনা বা পাওয়া যায় কিনা? পাসওয়ার্ড সিক্যুরিটি সংক্রান্ত কিছু কথা।

উত্তর হইতাছে নাব্লগার ডট কমে বাংলা লিখলে আপনাকে কোন টাকা দিতে হবে না কাউকে এবং আপনাকেও কেউ টাকা দিবে না কখনো। টাকা শুধু তারাই আপনাকে দিতে পারে যদি আপনাকে কেউ ব্লগের জন্য বাংলা লিখার জন্য হায়ার করে। নানাভাবে হায়ার করতে পারে যেমন: মার্কেটপ্লেস বা যে কোন সোশাল মিডিয়া বা আপনি যদি প্রখ্যাত লেখক হোন তাহলে আপনাকে ইমেইলেও হায়ার করতে পারে। আপনাকে ব্যাংকে পেমেন্ট করতে পারে বা বিকাশে /রকেটে পেমেন্ট করতে পারে বা সরাসরি হ্যান্ড টু হ্যান্ড ও পেমেন্ট করতে পারে। আপনি যদি আপনার নিজস্ব বা পারসোনাল ব্লগে ব্লগ করেন বা রেগুলার লিখেন তার জন্য আপনাকে বাংলাদেশে কোন শক্তি বা পাওয়ার বা পারসন কে কোন ধরনের টাকা বা পয়সা দিতে হবে না। আপনার যেটা খরচ সেটা ইন্টারনেট বা এম বি খরচ। এইছাড়া এইখানে আর কোন খরচ নাই। 



ব্লগার ডট কম একটি আমেরিকান ওয়েবসাইট যেখানে আপনি ফ্রি সাবডোমেইন সেট আপ করতে পারবেন এবং যেখানে আপনি ফ্রি হোস্টিং সুবিধা নিতে পারবেন। ব্লগার ডট কমের নিজস্ব অনেক টেমপ্লেট আছে যেগুলো আপনি ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। অনেকে আছে ফ্রি টেমপ্লেটের  চাইতে পেইড টেমপ্লেট কে প্রেফারেন্স দিয়ে থাকে। আবার অনেকে আছে এডসেন্স কম্পাটিবল পেইড টেমপ্লেট কিনতে পছন্দ করে কিন্তু কথা হলো গুগল ইনকরপোরেশন যে টেমপ্লেট তৈরী করে দিছে তার চেয়ে যদি আপনি অন্য কোন ডেভেলপারের টেমপ্লেট কে বেশী দামী মনে করেন তাহলে তো আর কিছু করার নাই। ব্লগারডট কম রিলেটেড একটা বিশদ টিউটোরিয়াল আছে আমার- আপনি চাইলে দেখতে পারেন অনেক কিছু বুঝতে পারবেন। টাকা শুধূ আপনি সেখানেই খরচ করবেন বা করতে পারবেন  যা কিছু বাংলাদেশে এভেইলেবল। টাকা বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা। সো এইটা আপনি শুধু বাংলাদেশে এভেইলেবল জিনিসপত্র কেনার জন্যই ব্যবহার করতে পারবেন। ব্লগার ডট কম আমেরিকান দের সম্পত্তি। সেখানে ফ্রি সাবডোমেইন পাওয়া যায় যেমন ব্লগস্পট ডট কম এবং ফ্রি আনলিমিটেড হোষ্টিং পাওয়া যায়। 




আমি ২০০৬ সালে বর্তমানে যেখানে বসে আছি সেখানে বসে মাঝরাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে করতে চিন্তা করতাম যে কবে ব্লগার ডট কমে বাংলা লেখাটা লেখা যাবে। তখন লেখা যাইতো না। তখণকার সময়ে আমাদের ছেলে বা মেয়েরা যারা ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস নিয়ে কাজ করতো তারা যে কোন ফাইল বা দরকারি বাংলা ডকুমেন্টস কে এম এস ওয়ার্ডে লিখে পিডিএফ এ কনভার্ট করে নিতো। তারপরে পিডিএফ ফাইল টা আপলোড করে দিলে সেটা সবাই দেখতে পারতো বা উপকৃত হতো। যে কোনো কাজের ষ্টেপ বাই ষ্টেপ তীর চিহ্ন দিয়ে বুঝানোর জন্য সেই পদ্বতির কোন বিকল্প ছিলো না। সকলের কাছে প্রিয় পদ্বতি ছিলো সেটা। এম এস ওয়ার্ড পেজে রিখে সেটাকে ব্লগার ডট কম পেষ্ট করা যাইতো না। এম এস ওয়ার্ড পেজকে পিডিএফে কনভার্ট করতে হতো। সেই পিডিএফ ফাইলের আশে পাশে গুগল মনিটাইজেশন করতো। মনিটাইজেশনের সাথে সাথে বাংলাকে ব্লগার ডট কমে প্রকাশ করতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগলো ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/ আউটসোর্সিং জগতে। শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ চলাকালীন সময়ে বাংলাকে ব্লগারের সাথে পুরেপুরি কম্পাটিবল করে দেয়া হয়- আমার চোখে পড়ে।। কিন্তু তখনো মনিটাইজেশন এড হয় নাই। বর্তমানে  ব্লগার ডট কমে বাংলা লিখলে গুগল ডট কমের এডসেন্স মনিটাইজেশন পদ্বতি আপনার প্রত্যেকটা বাংলা শব্দকে তাদের ডিকশনারতে এড করে যাকে বলা হয় বাংলা কন্টেন্ট রিচের কাজ যা সারা দেশের ছেলে বা মেয়েরা বাংলাকে ভালোবেসে  বাংলা কন্টেন্ট রিচের কাজ করে যাইতাছে আর যাদের তার সাথে গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশন আছে তারা ও টুকটাক কম বেশী উপার্জন করে যাইতাছে। বাংলা কন্টেন্ট মনিটাইজেশণে গুগল এর এডসেন্স ব্যবহার করলে আপনি যে ডলার উপার্জন করবেন তা বাংলাদেশ সরকারের কাছে রেমিটেন্স হিসাবে আসবে এবং সেটা আপনার ব্যাংক একাউন্টে বাংলাদেশী ক্যাশ টাকা হিসাবে এড হবে। নীচের ভিডিওতে আমি ডিটেইলস বুঝিয়েছি - আপনি যদি মনোযোগ সহকারে দেখেন তাহলে অনেক কিছু বূঝতে পারবেন। 



প্রথমত: ব্লগার ডট কমে রেজিষ্ট্রেশন করতে আপনার শুধূ একটা জিমেইল একাউন্ট লাগবে। জিমেইলের সেফটি এবং সিকিউরিটি এর জন্য যতো ধরনের নিরাপত্তা ইস্যু সব আপনি পালন করবে যেনো কেউই আপনার ব্লগ বা জিমেইল হ্যাক না করতে পারে। ব্লগার ডট কম জিমেইল দ্বারা ওপেন করতে হয়। গুগল এডসেন্স গুগলের প্রপার্টি। জিমেইল ও গুগলের প্রপার্টি। ইউটিউব ও গুগলের প্রপার্টি। তো এইখানে আপনি জিমেইল দিয়ে সব গুলো লগইন করলে কখনোই আপনার সেই একাউন্ট গুলো হ্যাক হবে না যদি না আপনার জিমেইল কখনো হ্যাক না হয়। কেউ যদি আপনার জিমেইল কে হ্যাক করতে পারে তাহলে সে আপনার সব কিছুই হ্যাক করতে পারবে যেমন ধরেন: জিমেইল,. ব্লগস্পট, গুগলের একাউন্ট, ইউটিউব, জি পে বা গুগল প্লে ষ্টোর। আর যদি কোন ভাবে আপনার ব্লগ একাউন্ট আমি হ্যাক করতে পারি তাহলে আপনার জিমেইলে ঢুকে আপনার নামে তৈরীকৃত ব্লগস্পট এড্রসের ভেতরে ঢুকে যে কোন কিছু লিখে ছাপাইয়া দিয়ে আপনাকে বা আপনার কম্যুনিটি কে ঝামেলায় ফেলে দিতে পারা ১/২ মিনিটের ব্যাপার হবে। আমি কখনো ইন্টারনেটে কোন কিছু হ্যাক বা ক্রাক করি নাই। ইন্টারনেটে এ ব্যাপারে আমার কোন অভিজ্ঞতা নাই। বেসিকালি সবাই জিমেইলকে খুব বিশ্বাস করে কিন্তু জিমেইলের যে সিক্যুরিটি ইস্যু সেগুলো যদি আপনি খুব ভালো করে এক্টিভেট না করেন বা খুব সহজ সরল পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন তাহলে তো  এইটা  হ্যাকারদের  জন্য হ্যাক করা এক মিনিটের ব্যাপার। এজন্য পাসওয়ার্ড টা যদি আপনি এই নীচে দেখানো নিয়মে তৈর ী করেন তাহলে আপনার একাউন্ট কেউ হ্যাক করতে পারবে না সাধারনত: তারপরেও সকল সিকিউরিটি ইস্যু চেক করে ওকে রাখতে হবে যদি জিমেইলে আপনার পারসোনাল প্রপার্টি থাকে।

Password making Law:
A-Z
a-z
0-9
Special Characters. 

Here the claw is: Capital A-Z + Small a-z+ Numbers+ Special Characters [ !@#$%^&*()]
Example password:  Masudbcl2020@@##

যারা হ্যাকার তারা বড় হাতের ক্যাপিটাল লেটারস এবং ছোট হাতের ক্যাপিটাল লেটারস দিয়ে যদি আপনার পাসওয়ার্ড হয় তাহলে তারা তাদের জন্য বানানো সফটওয়্যার  দিয়ে সেটা খুজে বের করে ফেলাতে  পারবে কিন্তু যদি আপনি নাম্বার  এবং স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার দিয়ে পাসওয়ার্ড  বানান  তাহলে তারা আর সেটা বের করতে পারবে না কারন আমার স্টাডি মোতাবেক আমি যতোটা জানি তারা তাদের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার গুলোতে নাম্বার এবং স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার গুলো খুজে বের করতে পারে না। ফলে যাদের পাসওয়ার্ড উপরের নিয়মে তৈরী তাদেরকে হ্যাকরার কখনো হ্যাক করতে পারে না আর নয়তো আপনাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল ও করতে পারে হ্যাকরারা। আপনি যদি সুন্দরী কোন মেয়ে হোন আর আপনি যদি কোন হ্যাকারের নজরে পড়েন তাহলে সে তার সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনার পাসওয়ার্ড কে হ্যাক করে আপনাকে ফিজ্যিকালি এবিউস করতে পারে বা আপনাকে ঝামেলায় ফেলাতে পারে। আর আপনার পাসওয়ার্ড যদি এই ধরনের হয় তাহলে সে আপনাকে সহজে হ্যাক করতে পারবে না। উপরন্তু আছে ডিভাইস সিকিউরিটি বা ফোন ভেরিফিকেশন প্রসেস। আপনি যদি কারো জিমেইল হ্যাক করতে পারেন আর সেই লোক যদি আপনার জিমেইল দ্বারা তৈরীকৃত ফেসবুক একাউন্ট ডিটেইলস দেখতে পারে  বা ওডেস্ক ডিটেইরষ দেখতে পারে তাহলে সহজেই সেটা সে ফরগট পাসওয়ার্ড অপশণ দিয়ে রিকভার করে দখলে নিয়ে যাইতে পারে। তাহলে আপনি আপনার জিমেইল দ্বারা যতো একাউন্ট ওপেন করেছেন সবই হ্যাকাররা হ্যাক করতে পারবে।  যেমন: আমি হারিয়ে ফেলাইছিলাম ২০১১ সালের শুরুর দিকে- থানা শাহবাগে বসে থাকাবস্থায় একদিন সন্ধ্যায় আমি একসাথে জিমেইল, ওডেস্ক এবং ইল্যান্স একাউন্ট হ্যাক খেয়েছিলাম। সেই একাউন্ট আজো ফেরত পাই নাই। তখন আমার এই ব্লগস্পট টাও হ্যাক হয়েছিলো: https://masudbcl.blogspot.com । পরে জানতে পেরেছিলাম যে:  ব্লগস্পট একাউন্ট টা  ৭ বছরের জন্য হাইড রাখা এবং ৭বছল পরে গতবছর এইটা ফেরত পাইলাম। 

এখন আপনার পাসওয়ার্ড টা যদি খুবই সহজ হয়ে যায় যেমন: অনলি ক্যাপিটাল MASUDBCL বা অনলি স্মল  masudbcl বা মিক্স হয়ে যায়: Masudbcl তাহলে হ্যাকার রা আপনাকে হ্যাক করতে পারে। কারন তাদের যে সফটওয়্যার (বিভিন্ন মুভিতে দেখা) যা আমি ষ্টাডি করে পড়েছিলা, অনেক আগে - তারা  শুধু ক্যাপিটাল লেটার বা স্মল লেটার বা ক্যাপিটাল এবং সমল লেটার মিক্সিং টা খুজে বর করতে পারে। আবার যারা হ্যাকার তাদের কাছে ক্রেডিট কার্ড রিলেটেড হ্যাকার সফটওয়্যার থাকে সেটা থেকেও আপনি যদি পাসওয়ার্ডে শুধূ নাম্বার ব্যবহার করেন তা বের করে ফেলাইতে পারে যেমন অনেকেই আছে পাসওয়ার্ড সেকসানে মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে থাকে। সেইটা পুরোপুরি রিস্ক। কারন কেডিট কার্ডজেনারেটর বা ক্রেডিট কার্ড জেনারেট যে সকল সফটওয়্যার আছে সেগুলোতে ১৬ ডিজিটের তথ্য দেয়া থাকে। সেই ১৬ ডিজিট তারা সফটওয়্যার িদয়ে বের করে ফেলাইতে পারে। তাহলে শুধূ নাম্বার ও ব্যবহার করা ঠিক না পাসওয়ার্ড হিসাবে। ক্রেডিট কার্ড যেনো হ্যাক না হয় বা মানুষ যেনো কেডিট কার্ড ব্যভহার না করে সেজন্য সবাই ইন্টারনেট ব্যাংকিং (যেমন স্ক্রিল, নেটেলার, ওয়েবমানি, পারফেক্ট মানি, পাইওনিযার এবং পেপাল) এগুলো ব্যবহার করে থাকে। এজন্য আপনার পাসওয়ার্ড টা হবে : ক্যাপিটাল লেটার+স্মল লেটার+ নাম্বার +স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার এই কয়েকটা মিলে আপনাকে পাসওয়ার্ড বাসাতে হবে তাহলে আর জীবনে কোনদিন হ্যাকড হবেন না তারপরে আছে ডিভাইস সিক্যুরিটি আর মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশণ। যতোদূর জানি হ্যাকাররা অপারেটিং সিষ্টেমের বাহিরে একটি আলাদা ধরনের সফটওয়্যার ব্যবেহার করে অলওয়েজ যেখানে তারা স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার লিখতে পারে না। তাই আপনার পাসওয়ার্ড যদি স্পেশিয়াল ক্যারেক্টার সহ হয় তাহলে এইখানে হ্যাকড হবার রিস্ক কমে যায় প্রায় ৯০ ভাগ। আশা করি সকলেই এই সেপশিয়ালাইজড পাসওয়ার্ড পদ্বতি ব্যবহার করবেন। 

আবার আরো একটা পদ্বতি আছে যেটা এইখানে এভাবে বলাটা অমূলক তারপরেও আমার পারসোনাল ব্লগ বিধায় বলতে দ্বিধা নাই : অনেকেই আছে মনের কথা শুনতে পায়।  নানা ধরনের ঝাড় ফুক কুফরি কালাম বা প্রচুর ভালোবাসার কারনে  প্রেমিক/প্রেমিকারা মনের কথা শুণে থাকতে পারে বা মানুষের প্রাইভেট প্লেসে ভয়াবহ ধরনের মানসিক প্রেশার তৈরী করে তার মনের কথা শোনার জন্য। প্রত্যেকের জন্য যার যার বসবাসের রুমটা হইতাচে এক ধরনের স্বর্গ- মানুসের মনটা সেভাবে সেট আপ করা থাকে ইন্টারনেট দুনিয়াতে। একজন মানুষ বাহিরে ছিলো- সে বাসাত েফিরে গোসল করে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে কম্পিউটারে বসে কিছুক্ষন নিজের সোশাল মিডিয়া বা ইন্টারনেট ব্রাউজ করবে এইটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার কিন্তু  যারা মনোগত হ্যাকার বা এদরকে অনেকেই ইথখ্যাল হ্যাকার তারা এই পরিস্কার ফ্রেশনেসটা ভেংগে দেবার চেষ্টা করে তারপরে মানুষের মনের কতা শোনার চেস্টা করে। প্রত্যেকেই ইন্টারনেটে ডুকাবস্থায় যার যার মনে মেন পাসওয়ার্ড টা আওড়ায় আর তারা যদি কোন পদ্বতি মোতাবকে বা ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো যাদু বিদ্যা বা যে কোন মেথডে কারো মনের কথা শোনার চেষ্টা করে বা শুনে থাকে তারা সেই পাসওয়ার্ড টা শুনে লিখে রাখার চেষ্টা করে এবং পরবর্তীকানে সেটাকে হ্যাক করে রাখে। বেসিকালি যারা কুফরী কালাম করে তাদের মাধ্যমে এই ভাবে কান পেতে পাসওয়ার্ড  বা মনের কথা শোনা যায় বা একজন কথা বললে সবাই শুনতে পারে। এদরকে আমরা অনেক সময় ইথিক্যাল হ্যাকার বলে থাকি। কারন মানুষ যখন মনে মনে চিন্তা করে আর আরকেজন যখন মুনতে পারে সেটাকে ইথার নামে অভিহিত করা হয়। আর যারা ঝাঢ় ফুক করে বা কুফরী কালাম করে তারা চিরস্থায়ী ভাবে জাহান্নামী। কোন মানুষের বেচে তাকার প্রাইভেসী বা সিক্রেসী যদি নষ্ট হয় তাহলে এই ধরনের পরিস্থিতির স্বীকার হয় মানুষে আর এই ধরনের পরিস্থিতিকে বাংলাতে বলা হয়: দেয়ালের ও কান আছে।  বাংলায় যারা ইথিক্যাল হ্যাকার তাদের সাথে চিরস্থায়ী জাহান্নামের লোক যারা ঝাঢ় ফুক করে বা কুফরী কালাম করে তাদের একটা যোগাযোগ যদি থাকে তাহলে কি তারা জান্নাতে যাবে মরার পরে নাকি এই কুফরী কালাম গ্রুরপের সাথে চিরস্থায়ী জাহান্নামের দিকে পা বাড়াবে? (যদি এইধরনের হ্যাকারদের কে ইথিক্যাল হ্যাকার বলা হয়ে থাকে)।  তাই বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী যে কোন ওয়েবসাইটে আপনি রেজিষ্ট্রশন করার সাথে সাথে সেখানকার সিক্যুরিটি ভেরিফিকেশন টা ওকে করে নিতে হবে যেটাকে মোবাইল ভেরিফিকেশন বলা হয়। তাতে আপনার যদি কখনো পাসওয়ার্ড চুরি হয়েও থাকে তাও সে আপনার একাউন্টে ঢুকতে পারবে না কারন আপনি দেখতে পারবেন যে: আপনার মোবাইলে সিক্যুরিটি কোড এসছে সেটাও আপনি মনে মনে আওড়াবেন না যদি আপনি সিক্যুরিটি কোড রিকুয়েষ্ট না করে থাকেন, সাথে সাথে ডিলেট করে দেবেন। অনেকেই মনে করেন আপনার ব্যবহৃত ফেসবুক এর ইমেইল এড্রস বা মোবাইল নাম্বার যদি জানা থাকে তাহলে আপনি না জানলেও আপনার একাউন্টে ঢুকে ফরগট পাসওয়ার্ড অপশন মারবে তারপরে আপনার কাছ থেকে শুনে বা জেনে ( কালো যাদু, ব্ল্যাক ম্যাজিক, ঝাড় ফুক, কুফরি কালাম ) করে সেই কোড টা শোনার চেষ্টা করবে এবং আপনাকে বা আপনার সোশাল মিডিয়া একাউন্ট কে হ্যাক করতে চেষ্টা করবে। আপনি যাতে কখনো কুফরী কালাম বা ঝাড় ফুকের স্বীকার না হোন সেজন্য আপনার ব্যবহৃত কাটা নখ, শরীরের যে কোন স্থানের বাল, আপনার থুতু, ঘাম এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিকের সব কিছু এবং ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের বীর্য বা বীর্যরস - সবগুলো কাজ শেষে পারসোনালি একান্তে  ধ্বংস করে ফেলাইতে হবে- সেই সাথে মাথার চুলও।   

ইন্টারনেটে বসে থেকে আপনার যা মনে চায় আপনি তাই করতে পারবেন। এই ধরনের কোন নিষেধাজ্ঞা নাই যে আপনি এইটা করতে পারবেন না বা সেটা করতে পারবেন না। প্রত্যেকের আলাদা আলাদা ইন্টারনেটের জগত থাকবে। একজনের ইন্টারনেটের জগতের সাথে যেনো আরেকজনের ইন্টারনেটের জগতের ম্যাক্সিমাম মিল খুজে পাওয়া না যায়। কারন আপনি আপনার জীবনে যেভাবে চলেছেন বা পড়াশোনা করেছেন তারই প্রতিফলন ঘটবে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারে। এইখানে কোন ক্যাটাগরাইজেশন নাই বা কোন সমাজ ‍ও নাই।  বাস্তব জীবনে হয়তো অনেক মানুষ সমাজকে মেনে চলে বা সমাজে প্রতিভা রাখার চেষ্টা করে। কিন্ত আমি ব্যক্তিগতভাবে সমাজ মানি না বা সমাজে মেনে চলি না। কারন আমি খেয়াল করে দেখেছি এমন কোন খারাপ কাজ নাই যা সমাজে হয় না। তাই বাংলাদেশ আইন কর্তৃক যেটা বৈধ আমি ততোটুকুই মানতে চাই। সমাজ আমি মানতে নারাজ। সমাজের বিরুদ্বে আমার চলাফেরা কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিয়মাবলীর মধ্যে। তাই সমাজবদ্ব হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করার কোন দরকার নাই।আপনি ইন্টারনেটে বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে অসামাজিক কিছু করা থেকে বিরত থাকবেন এবং একা একা আপনার যেটা ভাল লাগবে আপনি সেটাই করবেন।  




ব্লগার ডট কমে আপনি যখন কোন কিছু লেখালেখি করবেন তখণ আপনাকে কেউ কোন টাকা বা পয়সা দেবে না। বাংলাদেশে এখনো এ ধরনের কোন কিছু দেখি নাই বা বাংলাদেশের তথাকথিত ব্রিলিয়ান্ট ছেলে বা মেয়েরা এখনো কোন মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম তৈরী করতে  পারে নাই যেখানে ব্লগ লিখলে আপনি অর্থ পাবেন না। ধরেন: আপনি বাংলাদেশে একটা ব্লগ বানাবেন।এখন আপনি সারা দেশের ছেলে বা মেয়েদের কাছে লেখা আহবান করলেন। আপনি তাদেরকে প্রতি ১০০ শব্দ বা ৫০০ শব্দের জন্য পেমেন্ট দিবেন। তারা যার যার অবস্থঅনে বসে থেকে টাকার লোভে যে কোন কিছু লিখে দিলো এবং সেটা এম এস ওয়ার্ড ফরম্যাটে আপনাকে দিলো। ইমেইল করে দিলো বা পেন ড্রাইভে দিলো। আপনি সেগুলোকে একসাথে করে ব্লগে পোষ্ট দিলো। ব্লগে আপনি ড্রাফটও  করে রাখতে পারবেন একসাথে অনেক পোষ্ট। আপনি কোন কাংখিত সময়ে বা কোন নির্দিষ্ট সমযে বা কারো কাজ করে দেয়ার তাকলে সেই কাজের সময়ে আপনি একসাথে সব ব্লগ পোষ্ট করে দিতে পারবেন। এই জন্য যাদেরকে আপনি ব্লগ পোষ্ট লিখতে বলেছেন তাদের কে আপনি বিকাশে বা রকেটে বা চাইলে ক্যাশ টাকা দিয়েও পেমেন্ট করতে পারবেন।  তখন তারা বলতে পারে: ব্লগ লিখলে টাকা পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশে ব্লগ লিখলে কোন টাকা পয়সা দেয়া হয় না যদি সেটা ব্লগার ডট কমে লিখা হয়- ব্লগার ডট কম নিজে আপনাকে কোন টাকা বা পয়সা দেবে না। ব্লগার ডট কম আপনাকে বলবে যে: আপনার লেখা যদি খুব ভালো ভিজিট হয় আর যদি আপনার ব।লগের লেখাগুলো মনিটাইজেশন করা যায় তাহলে আপনি গুগলের এডসেন্স ব্যভহার করতে পারবেণ। আপনরা ব্লগ যদি পপুলার হয় আর সেখানে যদি আপনি মনিটাইজেশন এপ্লাই করেন তাহলে মাস শেষে গুগলের মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম আপনাকে ১০০ ডলার হলে সেই ১০০ ডলার উইথড্র করার সুযোগ দিবে।  কিন্তু ব্লগার ডট কম আপনাকে কোন টাকা দেবে না। 




এইখানে ব্লগার ডট কমে বাম দিকে যে আর্নিং অপশন আছে সেখান থেকে আপনি আপনার লেখাকে মনিটাইজশেন করে ডলার উপার্জন করতে পারবেন। সেই ডলার বাংলাদেমে আপনার কাচে ক্যাশ টাকা হিসাবে আসবে যেখান বাংলাদেশ সরকারের রেমিটেন্স এড হবে আর আপনার ব্যাংখ ব্যালান্সে টাকা এড হবে। ব্লগে আপনি যা মনে চায় তাই করতে পারবেন। 

  1. ছবি এড করতে পারবেন যদি আপনি ভালো ফটোগ্রাফার হয়ে থাকেন।
  2. আনলিমিটেড ভিডিও এড করতে পারবেন যদি আপনি ভিডিও মেকার হোন এবং এডসেন্স রাখতে চান। শুধূমাত্র ব্লগের জন্য ভিডিও আপলোড করলেন আর ভিডিও এর চারপাশে মনিটাইজেশন এড করে দিলেন। 
  3. যতো মনে চায় ততো আপনি লিখতে পারবেন/ছবি আপলোড করতে পারবেন বা ভিডিও আপলোড করতে পারবেন কারন এইখানে হোস্টিং টা আনলিমিটেড। 
ব্লগে যদি আপনি এডসেন্স মনিটা্িজেশন আনেন তাহলে আপনি ১০০% রেভিনূই পাবেন। আর ইউটিউবে যদি আপনি রিভিনিউ জেনারেট করতে যান তাহলে সেটা ৩৫% আপনার কাছে আসবে -মানে আগে আসতো এখন আর আসে না। যেহেতু ইউটিউব রেভিন্যু শেয়ার প্রোগ্রাম - সেহেতু আপনি যা উপার্জন করবেন তার ৫০% ইউটিউব নিয়ে যাবে। আর বাংলাদেশ সরকার নেবে ১৫%। তাহলে আপনার কাছে থাকলো অনলি ৩৫%। ১০০ ডরার উপার্জন করলে আপনি পাবেন ৩৫ ডলার। আর ব্লগে যদি আপনি এডসেন্স এড করেন তাহলে আপনি পাবেন ১০০% ই। আপনার কাছ থেকে এডস্নেস কোন % চাইবে না এবং বাংলাদেশ সরকারও কোন % চাইবে না কারন আপনি বাংলাদেশ সরকারকে দিতাছেন রেমিটেন্স।   প্রোগ্রামের নাম যদি হয় ইউটিউব রেভিন্যু শেয়ার প্রোগ্রাম সেটা নিশ্চয়ই বাংলাদেমে রেমিটেন্স হিসাবে আসবে না - সেটা ব্যাংখ টু ভ্যাংখ রেভিন্যু হিসাবেই আসতে পারে বোধ করি। আগে আসতো- এখন বাংলাদেশ তেক অফ করে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেমের বেশীর ভাগ মানুস েএমবি কিনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বলে ভিডিও দেখার চেয়ে পড়তে ভালোবাসে। আর যারা এডসেন্স রেমিটেন্স মেকার তারা লিখতে যেমন ভালোবাসে তেমনি পড়তেও ভালোবাসে। আর হয়তো আমার এই পুরো লেখাটা পড়তে আপনার ১ এম বি (১ মেগাবাইট) খরচ হইতে পারে আর ভিডিও দেখতে গেলে আপনার এতোক্ষনে ১ গিগা বাইট বের হয়ে যাইতো। নূন্যতম আপনার ব্লগে ২০০০০ ভিজিটর হলে আপনি মনিটাইজেশনরে জন্য আবেদন করতে পারেন। মনিটাইজেশনে আবেদন করা একদম ফ্রি- আপনাকে ১ টাকাও খরচ করতে হবে না বা ১ ডলারও খরচ করতে হবে না। তবে প্রকাশ থাকে যে- আনপার লেখা বা চবি বা ভিডিও যেনো ইউনিক হয়- সেখানে যেনো কপিরাইট এর ব্যাপারটা লেখা থাকে। যেমন : ছবিতে বা যে ভিডিও আপনি আপলোড করবেন সে  গুলোতে যেনো কপিরাইট লেখা থাকে যেমন : ওয়াটার মার্ক। 


masudbcl.blogspot.com- একটা ডোমেইনে যদি ২টা ডট থাকে মানে ১ টা কিওয়ার্ড যদি বেশী থাকে তাহলে সেটাকে সাব ডোমেইন বলে। যেমন: এইখানে masudbcl একটা কিওয়ার্ড এবং blogspot আরো একটা কি ওয়ার্ড। ২ টা কি ওয়ার্ড মিলে একটা ডোমেইন তৈরী হওয়াতে এইটাকে সাব ডোমেইন বলে। এই সাব ডোমেইন পাওয়া একদম ফ্রি ব্লগার ডট কমে। আপনি রেজিষ্ট্রশন করার সাথে সাথেই আপনি একটা ফ্রি সাব ডোমেইন পাবনে। একটা ব্লগে আপনি প্রায় ৯৯ টা সাব ডোমেইন বানাতে পারবেন। এইখানে আপনি উপরে দেখবেন আরো একটি ব্যাপারআছে কাস্টম ডোমেইন। এই কাষ্টম ডোমেইন যদি আপনি সেটআপ করেন তাহলে আপনাকে ডোমেইন কেনার জন্য একস্ট্রা টাকা খরচ করতে হতে পারে। এছাড়া ব্লগার ডট কেম কাজ শুরু করতে কোন খরচ নাই। আপনি নীচের ইউটিউব ভিডিও টা পুরোপুরি দেখতে পাররে আপনি অনেক কিছুই  বুঝতে পারবেন। ব্লগস্পট সাব ডোমেইন নিয়েও আপনি এডসেন্স মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেণ। কিভাবে মনিটাইজেশনের জণ্য আবেদন করবেন তা একদিন আপনাকে দেখাইয়া দেয়া হবে ডিটেইলস।  


তাহলে আশা করি বুঝতে পারছেন যে-  ব্লগ করে ডলার বা টাকা উপার্জন করতে ১ টাকাও লাগে না। আর ব্লগ শুরু করতেও এক টাাকা ও লাগে না। ব্লগারদের হোষ্টিং আনলিমিটেড। আমেরিকান কোম্পানী ব্লগার তাদের ব্যবহারকারীদের ফ্রি সাব ডোমেইন দেয় এবং ফ্রি হোস্টিং সুবিধা দেয়। অনেকে আছে বাংলাদেশী ডোমেইন এবং হোষ্টিং ব্যবহার করে সেখানে তাদের নিজস্ব ফোরাম বা ব্লগ ওপেন করেছে এবং সেখানে তাার সবাইকে লেকার সুযোগ দিতাছে। সেখানে অনেকেই আছে অল্প টাকার বিনিময়ে - একেবারে নাম মাত্র মূল্যে লিখতাছে- অল্প কিছু টাকা বা পয়সা যারা ব্লগ বা ফোরামের মারিক তারা তাদের ব্যবহারকারীদেরকে দিতাছে কিন্তু তাদের কাছ তেকে তুলে নিতাছে বিপুল অংকের এডসেন্স রেমিটেন্স। আসলে নিয়মটা এরকম না- নিয়মটা ছিলো এডসেন্স রেভিন্যু শেয়ারের ও একটা পদ্বতি আছে। সেখানে একটা ফোরাম তাকেব এবং যার যার এডসেন্স  আইডি কে সেই ব্লগের সাথে এড করবে তারপরে তারা লেখালেখি করবে এবং সেই সাথে রেভিনিউ টা শেয়ার করবে যা যার যার এডস্নেস একাউন্টে এড হবে এবং সবাই যার যার রেমিটেন্স যার যার পারসোনার ব্যাংক একাউন্টে উইথড্র করবে। কিন্তু ঠকাঠকির ব্যবসায় বাংলাদেশে পোলাপান দেরকে গোল কাওয়াইয়া দিতাছে ানেক ধরনের ওয়েবসাইট। তারা শুধূ তাদের ইউজারদের কে েইনটেনশনালি সমানে ক্লিক করাইয়া যাইতাছে আর অল্প কিছু টাকা পয়সা দিতাছে। এ ধরনের কাজ কারবার করে বাংলাদেশের সহজ সরল ছেলে পেলেদেরকে না ঠকানো ভারো। আর যদি না ঠকান তাহলে মিনিমাম ৩০% রেভিনিউ আপনার ব্যবহারকারীদের সাথে শেয়ার করা উচিত।  



শুধুমাত্র এডসেন্স দিয়েই মনিটাইজ করতে পারবেন- ব্যাপারটা সেরকম না। আপনি চাইলে আরো অন্যান্য অনেক মনিটাইজেশন কোম্পানী আছে তাদের কে দিয়েও আপনার ব্লগ মনিটাইজেশণ করাতে পারবেন। সবচেয়ে বড় ভ্যাপার আপনার ব্লগে রেগুলার লেখা এবং ব্লগে রেগুলার ভিজিটর আনার জন্য হোয়াইট হ্যাট এসইও করা। আপনি প্রথমাবস্থায় নরমালি শুরু করতে পারেন- প্রায় দিনই লিখতে পারেন এবং প্রায়দিনই আপনি আপনার ব্লগপোষ্ট গুলো সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারেন। আপনি আপনার একটা জিমেইল একাউন্ট দিয়ে মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সেই একটা জিমেইল দিয়ে আপনি ৯৯ টা ব।লগস্পট ব্লগ ওপেন করতে পারবেন। সবগুলোতে আপনি একটা নতুন বিষয় নিয়ে রিখতে পারেন। আপনি চাইলে একসাথে ৭টা ব্লগেও মনিটাইজেশন করতে পারবেন - যেটা দিয়ে আপনি প্রথম শুরু করেছেন সেটা দিয়েই আপনি এডসেন্সের জন্য আবেদন করবেন। এপ্রুভাল হবার পরে আপনি সবগুলোতে বামে ধেখানো আর্নি ং মেথডটা এড করে নিবের। আপনরা ব্লগে আপনি কাউকে আপনার এড ক্লিক করতে বলবেন না। তাহলে আপানর একাউন্টে সমস্যা হতে পারে। আপনার জিমেইলের কোন ক্ষতি হবে না, আপনার ব্লগের ও কোন ক্ষতি হবে না কিন্তু আপনার এডসেন্সের ক্ষতি হতে পারে। এডসেন্স ছাড়া আর কি কি মেথডে ব্লগ মনিটাইজেশন করা যায় সেটা আপনাকে পরবর্তীতে অন্য আরেকটি পোষ্ট দ্বারা দেখানো হবে। 

১৯৯৮ সালে তৈরী হয় ব্লগার প্লাটফর্ম- আর সারা দুনিয়াতে এইটা ওপেন হয় ২০০৬ সালে। আমি ২০০৬ সালে ব্লগারদের একটা সম্মেলনে ওয়েব ক্যামেরার মাধ্যমে ইন্টারনেটে উপস্থিত ছিলাম। সবচেয়ে বেশী ফ্যাসিলিটজ সম্পন্ন ইন্টারনেট ওয়েবসাইট এটি। আনলিমিটেড হোষ্টিং কেউ দেয় না সাধারনত। আশা করি এই সুবিধাটি চিরকাল থাকবে। প্রথমে আরো অন্যান্য ইমেইল এড্রস দিয়ে ব্লগার বা ইউটিউব একাউন্ট ওপেন করা যাইতো কিন্তু এখন বাংলাদেশ থেকে শুধু জিমেইল দ্বারা ওপেন করা যায়। ব্লগার ডট কমের সাথে আর এস এস ফিড আছে যা সারা বিশ্বের রিডার দের জন্য বিরাট একটা সুযোগ। আপনার প্রোফাইল তৈরী করার সুযোগ আছে যেখানে অন্যান্য ব্লগার রা দেখতে পারবে যে আপনার আরো কি কি ব্লগার  ওয়েবসাইট আছে। অনেক ডিটেইলস জানতে পারবেন আপনি একজন ব্লগার ইউজার দের ব্যাপারে। পৃথিবীতে প্রত্যেকেই কিছূ না কিছু লিখতে পছন্দ করে যেমন: কেউ কবিতা , কেউ গল্প বা কেউ ছোট গল্প। আপনি চাইলে ছদ্মনামেও লিখতে পারেন এইখানে আপনার ইমেইলের অল ডিটেইলস ঠিক রেখে।  





আমরা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কাররা ডলারের ক্ষধাতে ভুগি- টাকার ক্ষুধাতে ভুগি না। কারন ডলার কে ক্যাশ টাকা করে সরকারকে রেমিটেন্স বা রেভিনিউ দিয়ে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় নিজের অবস্থানকে হাইলাইট করে বেচে থাকতে অভ্যস্ত জয় বাংলার ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং  ওয়ার্কাররা। আমি আমার ১৮ বছরের (পার্ট টাইম ২০০২-২০১১) এবং ফুল টাইম (২০১১- এখণ পর্যন্ত) ইন্টারনেট জীবনে কখনো টাকার পেছনে দৌড়াই নাই। মিরপুরে ১ নম্বরে একটা কোম্পানী ছিলো ২০০৬/২০০৭ এর দিকে- নাম মেকটাকা। এখন আর নাই। পে ফ্রেন্ডশীপের মতো একটা সিরিয়াল যেখানে আমি ৫০০ টাকা দিয়ে ১৫০০ টাকা পেয়েছিলাম তাও এস এ পরিবহেনর মাধ্যমে। ২০০৬ সালে কারওয়ান বাজারে বেসিসের বিল্ডিং এর ৫/৬ তালাতে উপরে ফরনিক্স সফটে আমি এবং আমার এক মেয়ে বন্ধু মিলে প্রায় ১১০০০ টাকা উপার্জন করি ( ছেলেদের জন্য ছিলো প্রাইজ বন্ড আর মেয়েদের জন্য ছিলো প্রাইজ বন্ড +মেয়েদের প্রোডাক্ট)। তো আমার সেই মেয়ে বন্ধু পায় ১০,০০০ টাকা এবং আমি পাই ১০০০ টাকার প্রাইজবন্ড। সেই ফরনিক্স সফটের বড় ভাই রা ই তৈরী করেছে বর্তমানের পেপালবিডি বা পেমেন্টবিডি। তাদের একটা ব্লগ ছিলো যেখানে নতুন ব্লগ পোষ্ট করা যাইতো এবং রি ব্লগ করা যাইতো। সেখানে এডসেন্স এড করা ছিলো। আমরা সারা দেশের ছেলে বা মেয়েরা প্রতিযোগিতা করে সারা রাত ব্লগিং এবং রি ব্লগিং করতাম। আর সেভাবেই যে সবচেয়ে বেশী ব্লগ পোষ্ট করতো সে সেইদিনের উইনার হতো (কন্টেষ্ট ব্লগার)। সেই ১০০০০+১০০০ টাকার পুরস্কার আমার এক মেয়ে বন্ধুকে দিয়ে রিসিভ করিয়েছিলাম। সে খুব খূশী হয়ে বলেছিলো- তার বোধ হয় লাইফ টাইম আর মেয়েলি প্রোডাক্ট কিনতে হবে না- হয়তো মজা করে বলেছিলো। এই হইতাছে ব্লগ করলে প্রাইজবন্ড/টাকা পাবার  কাহিণী।যখন কারো সাথে শেয়ার করেছি তখন তারা বলেছে বা বলেছিলো তার মানে ব্লগ করলে টাকা দেয়? আমি প্রত্যুত্তরে বলেছিলাম- প্রাইজবন্ড দেয় এবং সেটা আবার পোষ্ট অফিসে যাইয়া ভাংগাইতে হয়।  তবে তারা কোন টাকা দেয় নাই। আর সদ্য পেমেন্টবিডি তে দুইজনকে রেফার করে ২০+২০ =৪০ টাকা উপার্জন করেছি। এছাড়া বাকী সবসময় শুধূ ডলার (রেমিটেন্স+রেভিনিউ ই) উপার্জন করেছি, করে যাইতাছি- শুকরিয়া। 

নোট: ব্লগারদের সব পোষ্ট অটোমেটিক ব্লগার কপিরাইট আইনে সিক্ত। যদি কখনো কনো লেবা কপি করেন বা পোষ্ট করেন তাহলে আমার নাম এবং আমার ওয়েবসাইট এড্রস উল্লেখ করে দেবেন। 














Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.