Translate

Sunday, December 27, 2020

ফ্রি ল্যান্সার ক্যারিয়ার এবং ভিশনারী মেথড।

প্রথম যখন বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার মেথডের কথা শোনা যায় : তখণ কেউ ই এগিয়ে আসে নাই। বরঞ্চ এমন এমন লোক এগিয়ে আসে যারা প্রকৃতই ডলার উপার্জনের কথা বলতে শুরু করে। অনেক কস্ট করে একজন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করতাম। সব মানুষ মাইক্রোসফট লাইভ মেসেন্জার ব্যবহার করতে পারতো না। ফলে ৩০০ টাকা দামের মোবাইল কার্ড দিয়ে ৪০ মিনিট কথা বলে ডিসকাস করতে হতো একজন আরেকজনের সাথে। যারা বড়লোক তারা বলতে গেলে নাক সিটকাতো ফ্রি ল্যান্সিং এর কথা শুনে। প্রথম প্রথম যে ব্যাংকগুলো ছিলো : ইন্টারনেট ব্যাংক তার মাঝে আজো শুধু পেপাল ইন্টারনেট ব্যাংকটাই আছে। বাকী গুলো গায়েব। প্রথম প্রথম এই ইন্ডাষ্ট্রি নিয়ে কাজ করতে যাইয়া এতো পরিমান কষ্ট করতে হয়েছে যে: সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপার ভরসা করতে হতো। আশ্চর্যজনক ভাবে আমি একটি শক্তি উপার্জন করতে পারি তা হইতাছে ভিশন বা ভিশনারী প্রসেস (কারন আমার মনের ভেতরে কোন খারাপি ছিলো না) । 



Positive Ratings: 301
Seller Level: 04
username: centurion



আমি যে সকল বড় ভাইদের সাথে ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস নিয়ে ডিসকাস করতাম সে সকল বড় ভাইদের মুখে সবসময় একটা কথাই শোনতাম যে: ব্যাপারটা সারা বাংলায় ছড়িয়ে দেয়া উচিত। ব্যাপারটা সারা বাংলার ছেলে বা মেয়েরা করবে একসময়। আমি বলতাম: তাতে আপনার কি লাভ? বলতাছে: তারা বাংলাদেশের সমাজে বসবাস করে এবং সবাই মিলে একসাথে এই কাজটা করবে। তখন আমি বুঝলাম: ওডেস্ক সহ যে সকল অর্থ উপার্জনের পথ বাংলাদেশের  শিক্ষিত মানুষের নজরে এসেছে তা একসময় বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতি তৈরী করবে। সত্যিই তাই: আজকে গরীব মানুষ টাকার অভাবে ৩ বেলা খাইতে পারতাছে না। আর শিক্ষিত ছেলে বা মেয়েরা অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ করে প্রাইভেট বা করপোরেশনে চাকুরী না করে ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনে নাম লিখাইতাছে- এক সময় তো ইন্টারনেটের এই সকল কোম্পানী নাও থাকতে পারে। তখন উনারা কি করবেন? 



তো যেই শক্তিটার কথা বলতেছিলাম: তা হইতাছে ভিশনারী। নিজস্ব যে কোন ব্যাপারে আগে ভাগে দেখতে পাওয়া। সেই ব্যাপারটা আমার মাঝে প্রায়শই একটা ঘোর তৈরী করতো প্রথম প্রথম। তখনকার দিনে অনেকগুলো হলিউডের মুভি দেখে (ইন্টারনেটে) ব্যাপারটা পরিস্কার হলাম যে: এইটাকে ভিশন বলে। আমি সেই ব্যাপারটাকে কাজে লাগাই। কারন আমি প্রথমতই বুঝতে পারি বাংলাদেশের সমাজে কোন কিছু প্রতিষ্টিত করতে গেলে বাধা আসবেই। আর বুদ্বি করে এদেশের ব্রিলিযান্ট ছেলে মেয়েদের কে বুঝাতে পারলে তারা এই ব্যাপারে ইন্টারেষ্টেড হবে। খুব বেশী কষ্ট করতে হলো না। ৪ বছরের মাথাতে ২০০৬ সালে সারা দেশে মোটামুটি একটা কম্যুনিটি দাড় হয়ে গেলো। তো সেই সময়গুলোতে আমরা চোখে পড়ে যাই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এরকম প্রজন্মের কাছে- তারা চাদা চাওয়া বা ভিক্ষা করার ফন্দি আটে। আমরা সরাসরি জয় বাংলার সেল্টার নেই এবং বলি আমরা তো এই দেশের সরকার কে ভ্যাট ট্যাকসই দেই না- তোরা কোন চ্যাটের বাল? এক টাকাও দিবো না তোদেরকে। মেধা খাটিয়ে ডলার কে ক্যাশ করা হয়- কেউ মাগনা মাগনা আইসা দেয় না। 


যখন ইন্টারনেটে মেধা বিক্রি করা হয় আর ডলার কে ক্যাশে রুপান্তর করা হয় তখন বাংলাদেশের সমাজ থেকে অমানষিক বাধা পাইতাম। হয়তো কোথাও মুষঢ়ে পড়তাম? আমি শখের ফ্রি ল্যান্সার। সবসময়ই এফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকি এবং মার্কেটপ্লেস ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করে  বা  পারসোনাল ক্লায়েন্টদের কাজ করে  হাতখরচ বা প্রাত্যহিক খরচ মেইনটেইন করে থাকি। 



পরে ২০১১ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সুইফট ট্রানজেকশন সিষ্টেম এড করা হয়। সেখানেও আমরা কন্ডিশন দিয়ে রাখলাম যে রেমিটেন্সের উপরে কোন ট্যাক্স দেবো না। আর এক কথায় রেমিটেন্সের উপরে কোন ট্যাক্স হয় না। আমি কখনো দেই নাই আর কখনো সরকার আমার কাছে চায়ও নাই আর আশা করি চাইবেও না কখনো। তবে ২০১১ সালের পরে আমরা চিন্তা করি আমরা নিজেরা নিজেরা ডলার লেনাদেনা করবো পারস্পরিক। কারন ২০১১ সালে বাংলাদেশ পেপাল এক্সেস পায়। আর আজো অবদি সেই পারসোনাল লেনাদেনার সিষ্টেম টা ধরে রেখেছি। তবে এখন সরকার কর্তৃক অনুমতি প্রাপ্ত কোম্পানী ব্যবহার করি যেখানে তারা নিয়মিত ভ্যাট ট্যাক্স দেয় এবং প্রতিবছর অডিটও হয়। কোন ফাইনানসিয়াল প্রতিষ্টানে যদি প্রতিবছর অডিট হয় তাহলে সেই অর্থ বছরের সকল ট্রানজেকশন বৈধ বলা হয়। কারন কোন অসংগতি যদি অডিটে ধরা না পড়ে তাহলে সেটা লিগ্যাল হয়ে যায়। ২০১১ সাল থেকে বিকাশ বা যে কোন ব্যাংকিং ট্রানজেকশন ব্যবহার করার কারনে সেগুলোর প্রত্যেকটা ট্রানজেকশন নাম্বার আছে যা সরকার কর্তৃক নজরদারী হয় এবং যাদের কাছে ডলার সেল করা হয় তাদের অডিট হয় এবং তারা নিয়তি ভ্যাট ট্যাকস্ ও দেয়। আর সেই সাথে নতুন করে একন আরো সচল হয়েছে আইবিএনএস (IBNS- Internet/Internal Banking Network system) Send money Method> যার কোন হিসাব নাই্। যে যাকে বন্ধু মনে করবে সে তার কাছে অর্থ সেন্ড করতে পারবে। কিছু কিছু ব্যাংক তো দিন রাত ২৪ ঘন্টা  যে কোন সময় ইন্টারনেটে থেকে যে কোন ব্যাংকে অর্থ সেন্ড করার সুবিধা প্রদান করে আসতাছে আমাদের জন্য- সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য। 

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Search masudbcl on google

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

366 views 14.95$ | How much youtube pays for per one view?

  366 views= 8.22$ as a 55%.  Youtube Monetization Program pays their creators as a 55%-45% ratio. Lets see: from this day earning how much...