Translate

Sunday, December 20, 2020

ফেসবুক রিয়্যাল ইনটার এ্যাকশন বলতে কি বোঝেন?

 প্রথমেই শব্দটা এনালাইসিস করি। রিয়্যাল মানে সত্য এবং ইন্টার মানে ভেতরে এবং এ্যাকশন মানে কোন কাজ। মানে আপনি যদি সত্যিই ফেসবুকের পোষ্টে, পেজে বা গ্ররপে কোন কিছু সাপোর্ট করে থাকেন সেটাকে ফেসবুক রিয়্যাল ইন্টার এ্যাকশন বলে। যেটাকে অনেকেই বলে থাকেন রিয়্যাল এনগেজমেন্ট  এর মতো। আপনি যখণ ইন্টারনেটে থাকেন বা ব্যবহার করেন তখণ আপনাকে ইন্টার ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসাবে বিবেচনা করা যায়। সেখানে কারো পোষ্টের প্রতি যদি আপনার ভালোবাসা, আবেগ, লাইক, কমেন্টস কাজ করে তাহলে সেটাকে আমরা ইন্টারনেটের ভাষাতে ইন্টার এ্যাকশন বলতে পারি। আমার মনে চাইলে াএকটা পোষ্টিং এ ঢুকলাম আর হুট হাট সেখানে লাইক কমেন্ট বা রিয়্যাক্ট দিয়ে চলে আসলাম এইখঅনে কোন রিয়্যাল ইন্টার‌্যাকশন হয় নাই। রিয়্যাল ইন্টার‌্যাকশন হবে তখনই যখন সেখানে আবেগ কাজ করে বা ভারোবাসা কাজ করে। যেমন: ধরেন অভিনেতা বা অভিনেত্রীদেরকে  বা পপুলার মানুষদেরকে অনেকে ভালোবাসে। তাদের একটা পোষ্টিং এর জন্য অনেকেই অনেক সময় অপেক্ষা করে । যখন তারা নতুন কোন পোষ্টিং দেয় তখন সেখানে লাইক বা কমেন্টের একটা ফ্লো বা ফ্লাড তৈরী হয়। এই যে: পপুলার দের পোষ্টিং এর জন্য অপেক্ষা করা বা তাদের পোষ্টিং এ লাইক কমেন্ট বা রিয়্যাক্ট করা বা শেয়ার করা এইগুলোকে রিয়্যাল ইন্টারএ্যাকশন বলে। 





আপনি যতোবার সোশাল মিডিয়া তে কারো প্রোফাইলে প্রবেশ করবেন আর কিছুক্ষন সময় ধরতে গেলে ৫ সেকেন্ডেস সময় অপেক্ষা করবেন তখনই সোশাল মিডিয়া র প্রোফাইলের মালিক এর একটি ইমপ্রেশন রেকর্ড হবে। আপনি েহয়তো ১ কোটি ফলোয়ার নিয়ে ঘুরতাছেন কিন্তু এরকম অনেক লোক আছে যাদের প্রতিদিন পৃথিবীতে ১০০ কোটির মতোও ইমপ্রেশন তৈরী হয় বা তৈরী হতে পারে। সো শুধু ফলোয়ার, লাইক, কমেন্ট এই সকলের উপর ভিত্তি করেই যে পপুলারিটি যাচাই করা হয় তা নয়,  রিয়্যাল ইন্টারএ্যাকশনের উপর ভিত্তি করেও পুপলারিটি যাচাই করা হতে পারে।  


আপনি একটা ম্যাসেজ বা পোষ্টিং লিখলেন। সেখানে আপনি যথাযথ নিয়ম মেনে পোষ্টিং দিলেন। আপনার পোষ্টিং টা অনেক মানুষ দেখতে পারলো কিন্তু তারা কোন লাইক বা কমেন্টস দিলো না।এখন আপনার জন্য কোনটা জরুরী? ম্যাসেজটা সবার কাছে সেন্ড করা নাকি গুটিকয়েক লাইক ফলোয়ার নিয়ে তার দাপট দেখানো। লাইক তো অনেক ভাবেই দেওয়া যায় পেইজে। যেমন: 

  • সোশাল মিডিয়া এপিআই কন্ট্রোলের মাধ্যমে  লাইক দেয়া যায়। 
  • সোশাল মিডিয়া এপিআই প্যানেলে মাধ্যমে লাইক দেয়া যায়। 
  • সোশাল মিডিয়া এক্সচেন্জ এর মাধ্যমে লাইক দেয়া যায়। 
  • অটোবট বা রোবট প্রোগ্রামের মাধ্যমে লাইক দেয়া যায়। 
  • হাজার হাজার ফেসবুক একাউন্ট তৈরী করে লাইক দেয়া যায়। 
  • আর্টিফিমিয়াল গ্ররপ তৈরী করেও লাইক দেয়া যায়। 
  • সোশাল মিডিয়া কম্যূনিটি তৈরী করে লাইক দেয়া যায়।
  •  হাজার হাজার এ্যাপ আছে আপনার লাইক বাড়িয়ে দেবে। 
  • ফেসবুক এড ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে লাইক বাড়ানো যায়। 


লাইক আসলো কিন্তু আপনার কন্টেন্ট টা কারো নজরে আসলো না। তাহলে আপনি কি লাভবান হবেন? ইন্টারনেট থেকে লাববান হবার প্রথম উপায় হইতাছে সততা। যেমন: এখণ সারা দেশের অনেক হাউজ ওয়াইফ বাসাতে বসে থেকে ফেসবুক পেজ তৈরী করে পন্য বা প্রোডাক্ট বানিয়ে সেল করতাচে। এইখানে ব্যাপারটা ইনোভিটিভ েএকটা ওয়েতে হয়েচে। একজন মানুষ যখন খুব বালো করে ফেসবুক ব্যবহার করা শিখলো, নার্সারী বা ছোটবেলা থেক েযতো বন্ধু আছে সবার সাথে কানেক্টেড হলো এবং তাকে যতো মানুষ চিনলো ততো মানুষকে সে ফেসবুক প্রোফাইলে নিয়ে আসলো এবং সবার সাথে সে একটা কানেকশন সেট আপ করে একটা ব্যবসা চালু করলো বা প্রোডাক্ট সেলস এর পন্য সাজালো- সেখানে তাকে সাহায্য করার জণ্য তার ছোটবেলার বন্ধরা বা স্কুলে বন্ধুরা বা কলেজের বন্ধুরা বা বিশ্ববিধ্যালয়  বা কর্মঝীবনের বন্ধুরাই তাকে সাকসেস করে দিলো। যে কোন মহিলার জন্য অনেক সময় বা অগাধ সময়টুকু যে সেভ করে ভালেঅ একটা পেজ তৈরী করে ব্যবসা শুরু করলো। এইখানে আপনার কোন টাকা লাগলো না। আপনার ছোটবেলার বন্ধু বা আপনার রিয়্যাল অডিয়েন্স থাকার কারনে আপনি সাকসসে পেয়ে গেলেন। এইখানে যদি আপনার কম্যুনিটি তে আপনার কোন খারাপ ইমেজ বা প্রভাব থাকে তাহলে আপনাকে যারা ভালোবাসে তাদেরকে নিয়েই আপনার আগাতে হবে। তাহলে সাকসেস আপনার হাতের মুঠোতে চলে আসবে। 







 সমাজে বা চলাফেরাতে সব মানুষ এক রকম হয় না। একক ধরনের মানুষ একক ধরনের। বিনা কারনে আপনাকে আ আপনার ইন্টারনেটে বাধা তৈরী করবে। আপনাকে ঝামেলয়া ফেলানোর চেষ্টা করবে। আপনাকে ফ্রি তে টাকা পয়সার লোভ দেখাবে। আর মেয়েদের বেলাতে যতো ধরনরে কু প্রস্তাব দেয়া যায় সবই দেবে। দিয়ে আপনাকে ঝামেলাতে ফেলে আপনার একটা ক্ষতি করে আপনরা কাছ থেকে বেনিফিট নেবার চেষ্টা করবে। ফলে আপনার মন ভেংগে যেতে পারে বা আপনি কষ্ট পেতে পারেন। তো সোশাল মিডিয়া ইন্টার‌্যাকশনের ক্ষেত্রে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে: কে আপনাকে অরিজিনালি সাপোর্ট দিতাছে? কেউ আপনাকে ব্যবহার করতাচে কিনা? আপনি কোথঅও টোপ হিসাবে ব্যবহৃত হইতাচেন কিনা? আপনি যদি কোথাও টোপ হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার আর কখনো সোশাল মিডিয়া তে ফিরে আসা হবে না। আর আপনি যদি কাউকে টোপে ফালাইতে চান তাহলে ওআপনি সোশাল মিডিয়া তে ফিরে আসতে পারবেন না। সোশাল মিডয়া এমন একটি বিষয় যা আপনাকে ধরে রাখতে হবে। আর দরে রাখার জন্য এইখানে কোনো খারাপ কাজ করা যাবে না।  এক ধরনের মানুষ আছে তারা যাই পাবে সেখানেই ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করবে। আপনি যদি কাউকে আদর করে ড্রয়িং রুমে বসতে বলেন: সে আপনার বেডরুমে যাইতে চাইবে। আপনি যদি তাকে মনের দু একটা দু:খের কথা বলেন সে আপনাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে বসব েকারন ব্যাডলি ইন্টারাপ্টেড সোশাল মিডিয়া তে। তাদের ধান্দা ই থাকে কিভাবে সোশালি মিডিয়া পারসন গুলোকে ঝামেলা বা বিপদে পেলানো যায় কারন তাদের ক্ষমতা নাই সোশাল মিডিয়াতে টিকে থাকার বা সোশাল মিডিয়া তে ইন্টার‌্যাক্ট হবার। 







মনে করেন এই মূহুর্তে আপনার মনটা খারাপ। ফেসবুকে কোন একটা কিছু দেখে আপনার মনটা অনেক ভালো হয়ে গেলো। আপনি সেই পোষ্টের সাতে সারাজীবন থাকতে চাইলেন। তখন আপনি সেখানে লাইক দিলেন বা ফলো করলনে পেজটাকে বা পেজের সাথে বা প্রোফাইলের সাথে রিয়্যাল ইন্টারএ্যাকশনে গেলেন। সেখানে আপনি সেই পেজ বা প্রোফাইলের জন্য লিডস হিসাবে বিবেচিত হবেন। ফেসবুক বা যে কোন সোশাল মিডিয়া তে ইন্টার‌্যাকশন টাই মেইন জিনিস। আপনি যদি কারো মনোযোগের আগ্রহে না আসতে পারেন তাহলে তো আপনি সেখানে  ব্যবসা করতে পারবেন না। লাইক বা ফলোয়ার বাড়ানোর জণ্য ফেসবুক আপনাকে কোন টাকা পয়সা বা ডলার দিবে না। উপরের ছবিতে ক্লিক কররে আপনি যে ওয়েসবাটে প্রবশে করবেন সেখানে আপনি  সোশাল মিডিয়া এনালআজের উপরে ভিত্তি করে িএকটা রেট বা রেটিও দেখতে পারবেন। যেটাকে বলা হয় পেইড প্রমোশন বা পোইড পোষ্টিং ইস্যু। আপনার যদি মনে চায় তাহরে আপনি মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল থাকা স্বাপেক্ষে বা আপনার যদি মার্চেন্ট পেন্টে সার্ভিস থাকে তাহলে এই রেটিং এর উপরে ভিত্তি করে পোষ্টিং দিতে পারবেন। মনে করেন: রবি ১০ মিনিটস স্কুল আপনার ফেসবুক প্রোফাইল টা লাইক করলেঅ। সে আপনার সাথে রিয়্যাল েইন্টার‌্যাকশনে আসতে চাইলো। সে আপনাকে অফার দিলো যে: আমি আপনাকে এতো পরিমান ডলার দিবো যদি আপনি আমার রবি ১০ মিনিটস স্কুল এ্যাপসটা আপনার প্রোফাইল থেকে পোষ্ট দেন- তাহলে এইটা হবে রিয়্যাল ইন্টার‌্যাকশনের ভিত্তিতে। কিন্তু এইখানে শর্ত অঅছে: দেশের ই কমার্স এবং ডিজিটাল আইসিটি আইন আপনাকে মেনে চলতে হবে। আপনার মনে চআলো আর আপনি যে কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে পেই্ড ক্যাম্পেইন প্রমোশন শুরু কররেন ব্যাপারটা সেরকম না।যেমন: ইদানিং আমাদের দেশের অনেকে ফেসবুক বা ইনষ্ট্রাগ্রামের ষ্টোরি তে পেইড প্রমোশন করাইতাছে এবং টাকা পয়সা বিনিময় করতাছে। এই ভ্যাপার গুলেঅ হইতাছে রিয়্যাল ইন্টার‌্যাকশনের ভিত্তিতে কিন্তু দেশের ইকমার্স  আইন ভেংগে। কারন ই কমার্স আইন মতোাবেক আপনি ইন্টারনেটে লেনাদেনা করতে চাইলে আপনাকে অতি অবশ্যই মার্চেন্ট পেমেন্ট সার্ভিস গ্রহন করতে হবে অন্যথায় আপনি কারো কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নিতে পারবেন না। তাতে করে আপনি দেশের আইন ভেংগে পেলআলেন কারন আইনে আছে: ইকমার্স পেমেন্ট সলু্যশন মার্চেন্ট পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করতে। 









No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

আমার ইউটিউব চ্যানেলে ৫০০০ ভিউজ থেকে ৩২০০০ মিনিটস এক মাসে।

 এক মাসে আমার চ্যানেলে ৩২০০০ মিনিটস। আমার নিজেরই বিশ্বাস হইতাছে না। ৫১০৫ ভিউজ থেকে আমি পেয়েছি ৩২০০০ মিনিটস। যদি ৬০ মিনিটস দিয়ে ভাগ করি ৫৩৩ ঘ...