Translate

Wednesday, January 20, 2021

My youtube channel impressions are 500K nearly.





Keep your mouse or cursor to the image or picture. Press right button. Download the images by save option. Now check the images and see my channel youtube videos impressions are 456K and my channel views are 100k. I have been started the channel 4 years ago. My channel username is: masudbcl. You can visit my channel also to check the videos and thumbnails. 




Yes. The thumbnail is the factor. This is the first reason where I had lost the impressions and click through rate.  But the matter is : if I make good graphics thumbnail that will cost some more MBs(Mega Byte). In our country 90% people uses mobile internet and paid internet. They are not able to use broadband and unlimited internet connection. Our country is failure to build up that society or system within the last 20 years of work or framework. Internet came to this country at 2000.



For that reason I made the text based thumbnail every time so the peoples of rural area can understand the thumbnails and works and can goes for the full video watch and I am success on there. An expert said my RPM is very much well.  I am a new youtuber. 








Now see the last 365 days statistics. Impressions: 358477 and views are 63795. I have been doing youtube SEO (Perhaps I am learning) for the last one year. The previous 3 years I was not alert every time about my youtube channel. Now a days I am some happy with my channel. Getting some views and thinking about to get improve day by day. Now my youtube channel masudbcl have monetization and I am thinking to do youtube video upload regular. Hope it will work with me fine. 









Total Views are only 5.3K. Regular I get 500-600 views now. I shall increase it day by day. If you like my statistics than feel free to visit my youtube channel masudbcl










See top right side custom range. I am happy with this views/revenue. I am trying to make popular of my channel.















 

Monday, January 18, 2021

Compliments about my youtube channel. Search me on youtube: masudbcl.

সদ্য পাওয়া ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশনের উপর ভিত্তি করে একটি ফোরামে ডিসকাসন করে ২টি কমপ্লিমেন্টস পাইলাম। আমার এখনো কোন পারসোনাল ক্যামেরা নাই। বলতে পারেন কখনো শখই উঠে নাই যে একটি ক্যামেরা কিনবো আর সেখানে ভিডিও মেক করবো। একসময় নাটক বা খন্ড নাটক বা ট্রাভেল কাহিণী বানানোর জন্য বা রেকর্ড করার জন্য ভিডিও ক্যামেরা কেনার কথা ভেবেছিলাম পর্যন্ত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর কেনা হয় নাই। তাছাড়া আমি যখন মুভি ক্যামরো কেনার চেষ্টা করেছি তখন একেকটি ক্যামেরার দাম ছিল প্রায় লাখ দুয়েক টাকা। আর এখন সেটা চলে এসেছে সাধ ও সাধ্যের ভেতরে। তবে চায়না মালের কোন ক্যামেরা আমি কিনবো না কখনোই। সে কথাই আলোচনা করতেছিলাম একটি ফোরামে: তখন ২/১ জন উত্তর দিলো যে: আপাতত আর ক্যামেরা কেনার দরকার নাই। তুমি তোমার এডসেন্সের উপার্জন দিয়ে ক্যামেরা কিনো। তো আমি বললাম যে: আমার তো ভিডিও সব স্ক্রিন রেকর্ডার দিয়ে করা। তো বললো যে কোন সমস্যা নাই: যেভাবে আছে করে যাও। পরে ক্যামেরা কিনতে পারবে। তো এইটা একটি কমপ্লিমেন্টস হয়ে গেলো আমার জন্য। 





কোন কমপ্লিমেন্টস পাবো সেই লক্ষ্যে তো আর চ্যানেল তৈরী করি নাই তবে চ্যানেল বানানোর পরে কমপ্লিমেন্টস পাইলে অবশ্যই ভালো লাগবে। তো আমিও সেই রকম ই ফিল করলাম। তাছাড়া যার কাছ থেকে কমপ্লিমেন্টস পাইলাম তিনি একজন ইউরোপিয়ান ভদ্রলোক। আমার চ্যানেলে ভিজিট করে প্রায় অনেকেই বলেছে কি কি ডেভেলপ করা লাগবে। যখন বলেছি যে আমার পারসোনাল ক্যামেরা নাই তখন আর কিছু বলতাছে না: চুপ করে গেছে। এখন আপনি বলতে পারেন যে: আমি আমার চ্যানেলে ধারনা কোথা থেকে পাইলাম? তার ডিটেইলস বলতাছি নীচে। 





আমি যখন এসইও রিলেটেড কাজ করি বায়ার বা ক্লায়েন্ট দের জন্য তখন আমাকে যে কোন কাজের জন্য ইন্টারনেটে সার্চ দিতে হয়।  ইন্টারনেটে সার্চ দেবার জন্য প্রথম মাধ্যম হলো গুগল সার্চ  ইন্জিন। গুগল সার্চ ইন্জিনে সার্চ দেবার পরে যে রেজাল্ট টা বের হয় সেটাকে গুগল সার্চ ইন্জিনের রেজাল্ট পেজের রেজাল্ট লিষ্ট  বলা হয়। তো সেখানে কিছু ইউটিউব ভিডিও ও দেয়া থাকতো। ইউটিউব ভিডিও গুলো অডিও এবং ফেস দেখানো ছাড়া হতো। সেখানে শুধূ মিউজিক দেয়া থাকতো এবং নেক্সট এবং  ইয়েস মেথডে যে কাজটা সার্চ দেয়া হতো সেই কাজটা দেয়া থাকতো বা এখনো দেয়া আছে। এই চ্যানেলগুলোকে সাবস্ক্রাইভ করে রাখতাম আর মনের মধ্যে এমন একটা আশা কাজ করতো যে : একসময় আমারও এরকম একটা চ্যানেল হবে যেখানে শুধূ কাজ দেয়া থাকবে আর সেগুলো গুগল সার্চ করে কাজগুলো পাবে এবং সেগুলো তারা ভিজিট করবে এবং একসময় আমারো ভিডিগুলো র‌্যাংকে আসবে আর আমি মনিটাইজেশন পাবো। এখন আমি মনিটাইজেশন পেয়ে গেছি কিন্তু এখনো গুগলের র‌্যাংকে আসতে পারি নাই। তবে ইচ্ছা এবং  চেষ্টা চলছে ।





আমি ভেবেছিলাম: শুরুতে আমার আরপিএম বুঝি খারাপ হইতাছে। কিন্তু ৪৬০০ ভিউতে ৫.৩৫ ডলারকে একজন প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজার স্কাইপে তে পারসোনাল ডিসকাসনে গ্রেট আরপিএম বলাতে বুকের মধ্যে সাহসের সঞ্চার হলো। বুঝতে পারলাম: আমি ঠিক পথেই আছি। হয়তো ভিউজ বাড়াতে পারলে সামনে দিনে দিনে আয় বা উপার্জন বাড়বে। নীচের ছবিতে দেখুন :  আমি মনিটাইজেশন এপরুভাল পাবার পর থেকে (জানুয়ারী 06 থেকে আজকে পর্যন্ত ১৭ ই জানুয়ারী) ১১/১২ দিনে আমার টোটাল ভিউজ এসেছে: ৪৬৬৫। আর আওয়ার এড হয়েছে: ৪৯৬.২ আওয়ারস। আর রেভিনিউ এড হইছে: ডলার ৫.৩৫। 





masudbcl  লিখে আপনি যদি ইউটিউবে সার্চ দেন তাহলে আপনি আমার ইউটিউব ভিডিও গুলো দেখতে পারবেন। তারপরে সেই ভিডিওগুলো যেগুলোর নীচে বাংলা টিউটোরিয়াল লিখা আছে সেগুলেঅ যাদ আপনি ফেসবুক বা ইমুতে শেয়ার করেন তাহলে আপনার কাছে থাকা কম বেশী যারা ইউটিউবের মাধ্যমে কাজ শিখে ডলার উপার্জন করতে চাইতাছে বা করতাছে তাদের জন্য বিশাল উপকার হবে কারন আমি কোন পেইড মেথড এর  ভিডিও বানাই না। আমি যে ভিডিও গুলো বানাই সেগুলো ফ্রি মেথডের। সো যে কেউ আমার ভিডিওগুলো পুরোপুরি দেখে তাহলে সে অনেক অনেক  কাজ শিখতে পারবে, মার্কেটপ্লেস রিলেটেড ভালো আইডিয়া পাবে এবং সেই মোতাবেক কাজ করে ডলারও উপার্জন করতে পারবে। আশা করি আমার ইউটিউব ভিডিওগুলো আপনি শেয়ার করতে ভুলবেন না। নীচের ছবিতে ক্লিক করে আমার চ্যানেলে ঢুকুন এবং যে ভিডিও টি ভালো লাগে আপনার কাছে সেটাই শেয়ার করুন। 









Friday, January 15, 2021

ইউটিউব মনিটাইজেশনের প্রথম ৭ দিন। ৩.৮৩ ডলার। ২২৬৯ ভিউজ।

 






একটু আগে একজনের ভিডিও দেখতেছিলাম যিনি বলতেছিলেন: ১০,০০০ ভিউজ এর জন্য উনারা ১ ডলার করে পাইতাছেন ইউটিউব মনিটাইজেশন এর জন্য। কিন্তু আমি আমার চ্যানেলে প্রথম ৮ দিনে পািইলাম ৩.৯৯ ডলার। প্রথম ৭ দিনে পেয়েছি ৩.৮৩ ডলার। আমি এখনো পুরোপুরি কাউকে জানাই নাই যে: আমার ইউটিউব চ্যানেলে মনিটাইজেশন আছে। ৩.৮৩ ডলারের জন্য লেগেছে ২২৬৯ ভিউজ। সেই হিসাবে ধরা যায় : ২৩৫০ ভিউজ এ আমি পেয়েছি ৪ ডলার এবং আমি একটু খশী। শুকরিয়া। দোয়ার করবেন যেনো: আমি আমার ইউটিউব চ্যানেলর মাধ্যমে সকল আশা পূরন করতে পারি। আমি ১ বছল ইউটিউব এরিএসইও শিখেছি। তারপরে একটি ১.৩০ ঘন্টার ভিডিও থেকে আওয়ারস পেয়েছি এবং আবেদন করার ১৮ ঘন্টার মধ্যে মনিটাইজেশন এপরুভাল ও পেয়েছি। 









প্রথম যে ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম তাহলো: ভিউজ জেনারেট করাটা মেইন ব্যাপার না। প্রধান বিষয় হইতাছে: একজন ভিউয়ার কে কিছু দেবার চেষ্টা করা। একজন ভিউয়ার যখন কারো চ্যানেলে ঢুকে তখণ সে দেখে: যে সেখান থেকে সে কিছু শিখতে পারতাছে কিনা? আর যদি সে বিনোদন চ্যানেলে ঢুকে তাহলে সে কেয়ার করবে যে: সে বিনোদন পাইতাছে  কিনা? তবে আমাদের দেশের ভিডিও যারা মেক করে বা বানায় তাদের সবাইকে দেখলাম হেভি হাই রেজ্যুলশন ভিডিও বানাতে। এতো হাই রেজ্যুলশন ভিডিও বানালে তো তার আয়তন হবার কথা অনেক বেশী। কোন ভিডিও এর গিগাবাইট যদি বেশী হয় তাহলে সেই ভিডিওটি পুরোটা কোন ভিউয়ার দেখবে না কারন আমাদের দেশ অনুন্নয়নশীল দেশ আর এখনকার প্রায় ৬ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার ণীচে বসবাস করে। দারিদ্রসীমার ণীচে বসবাস করলেও অনেকের কাছেই টাচ ফোন বা মোবাইল আছে। স্বভাবতই সে আসে ইন্টারনেটে- নাটক সিনেমা বা ভিডিও দেখার জন্য। এইখানে যদি সে হাই রেজ্যুলশনের ক্ষপ্পড়ে পড়ে তাহলে তো তার এমবি শেষ হয়ে যাবে মূহুর্তেই। সে ক্ষেত্রে সে আপনার চ্যানেলে বড়জোড় ১ মিনিট থাকতে পারে আর সে টেনে টেনে নাটক বা সিনেমা বা আপনার ভিডিও দেখবে। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার ভিডিও রেজ্যুলশন কমাতে পারেন তাহলে ধারনা করা যায় যে: ভিডিও ভিউজ বাড়বে। আপনাকে এমন ভাবে ভিডিও বানাতে হবে যেনো ১ গিগাবাইট ডাটা ব্যবহার করে একটি গরীব ঘরের মানুষ সারারাত বা সারাদিন বা ১০/১২ ঘন্টা আপনার ভিডিও দেখতে পারে। আর আপনি যদি এমন ভাবে ভিডিও বানান যে ভিডিও রেজু্লশন অনেক বেশী থাকে তখন আপনার ভিডিও তে ভিউজ আসবে আনলিমিটেড কিন্তু আনপরা ভিউয়ার বেশীক্ষন থাকবে না- ফলে আপনার ভিডিও এড ও শো হবে না আর আপনি তেমিন কোন রেভেনিউ বানাতে পারবেন না। 








চকচক করলেই সোনা হয় না- এই মেথড টা অবলম্বন করতে হবে। ইউটিউব ভিডিও এর ক্ষেত্রে একজন ভিউয়ার যদি ৩০ সেকেন্ডস আপনার ভিডিও দেখে তাহলেই সে আপনার ভিডিও ভিউয়ার হিসাবে কাউন্ট হবে। আপনার ভিডিও তে যদি ১ লক্ষ ভিউয়ার থাকে আর আপনার ভিডিও লেন্থ যদি থাকে ১ ঘন্টা তাহলে আপনার প্রায় ১লক্ষ ঘন্টা এড হবার কথা। আর যদি তা না পান তাহলে বুঝতে হবে যে: আপনার ভিউয়ার গুলো মিনিমাম ৩০ সেকেন্ডেস থাকতাছে আপনার ভিডিওতে। আর ৩০ সেকেন্ডস থাকলেই ভিডিও ভিউজ কাউন্ট হয়। 






আমার আর্টিকেল থেকে যদি আপনি কোন লেখা বা ছবি চুরি করেন তাহলে ঠিকই গুগলে ধরা খাবে কারন ব্লগারদের সব লেখা কপিরাইট আইনে  সিক্ত। আমার লেখা যদি ভালো তাহলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর আরো যদি জানতে চান বা শিখতে চান তাহলে দয়া করে আমার ইউটিউব চ্যানেলে সাথে থাকবেন। আমার ভিডিওগুলো দেখতে আপনার তেমন কোন এমবি খরচ হবে না। আপনাদের পেষবুকের প্রোফাইলে যদি গ্রামে গঞ্জের ছেলে বা মেয়েরা থাকে যারা কাজ শিখতে চাইতাচে বা যারা ইন্টারনেট থেকে ডলার উপার্জন করতে চাইতাছে তাদের কাউকে আমার চ্যানেলে কোন টাকা বা ডলার দিয়ে কাজ শিখতে হবে না। শুধূ নিয়মিত আমার ভিডিওগুলেঅ যদি দেখে বা চোখ রাখে আর যদি সবগুলো বাংলা টিউটোরিয়াল দেখে তাহলে একদম ই সহজ হবে তার জন্য ইন্টারনেটে থেকে ডলার উপার্জন। যে ব্যাপারগুলোতে আপনার সাপোর্ট দিবেন তাহলো তার কাজ করার জন্য একটি ভালো ডিভাইস আর ইন্টারনেট কানেকশন। তাহলে আপনার পরিচিত বা অপিরচিত গ্রামের সহজ সরল মানুষের জন্য আপনি একটা উপকার করে দিলেন। আমার ইউটিউব চ্যানেল থেকে যে ভিডিওটা আপনার ভালো লাগে সেটাই আপনি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করে দিবেন। তাহরে আপনার বন্ধুলিস্টে থাকা অনেকেই কিছু না কিছু কাজ শিখতে পারবে। 



Search me on Youtube: masudbcl


  




24gome Link Building. Create all of your social media & websites togethe...


Tuesday, January 12, 2021

Apply for Monetization Approval. কিভাবে ইউটিউব মনিটাইজেশণ এর জন্য আবেদন ...

একদম স্পেসিফিক্যালি জানেন কোন ভিডিও থেকে কতো উপার্জন করতাছেন ইউটিউবে?





আপনি একদম স্পেসিফিক্যালি জানতে পারবেন ইউটিউব এর কোন ভিডিও আপনার মনিটাইজেশন একাউন্টে কতো ডলার উপার্জন করতাছে: ফলে আপনি আপনার মনিটাইজ হয়ে যাওয়া চ্যানেলে সারা বিশ্বের যে কোন মানুষের যার চ্যাণেল মনিটাইজেশন হয় নাই্ তার ভিডিও আপলোড করে তার কতো ডলার উপার্জন হয়েছে তা জেনে তার শেষে মাস শেসে উপার্জন ও ভাগ ভাটোয়ারা করতে পারবেন। যেহেতু আমার চ্যানেল এসইও চ্যানেল তাই আমি বাংলাদেশের যে কারো কাছ থেকে এসইও ভিডিও নিয়ে আপলোড করে মাস শেষে দেখাতে পারবো যে তার ভিডিও এর জন্য আমার চ্যানেলে কতো ডলার উপার্জন হলো। সেই ভাবে যারা নাট্যকার বা ফ্যাশন মডেল তারা সবাই মিলে একজনের চ্যানেলেই ভিডিও  আপলোড করতে পারে বা ফ্যাশন জগতের ভিডিও গুলো ও একটি চ্যানেলেই আপলোড করতে পারে আর লভ্যাংশ ভাগ বাটোয়ারারও করতে পারে। ফ্রি ল্যান্সার রা ও সেম। এতে করে সকলের ই মেধার ব্যবহার হলো।  



শাহবাগ গনজাগরনের যেমন ইন্টারনেট গনজাগরন হিসাবে বিবেচিত আর সব ধরনের মানুষ একসাথে হয়ে সমস্বরে জয় বাংলা বলে রাজাকারদের ফাসি দিয়ে দিছে- সেরকম একটি ইউটিউব চ্যানেল আপনি যদি আপনার কম্যুনিটি থেকে তৈরী করেন আর সেখানে যদি সকল মানুষেল ভিডিও আপলোড থাকে বা  কন্ট্রিবিউশন থাকে এবং সেখানে যদি ১০০ জনের ১০০ ধরনের ভিডিও আপলোড করা যায় আর আপনি যদি সেটা ডিষ্ট্রিবিউশন করেন তাহলে আপনার চ্যানলের ভিডিও গুলো পপুলার হবে। তাছাড়া আলাদা আলাদা ভিডিও লিংকের মাধ্যমে আপনি চাইলে সারা দেশে সে সকল ভিডিও পপুলার করতে পারবেন। উপরের প্রথম ছবিতে দেখলে বুঝতে পারবেন যে: একদিনের টি ভিডিও তে আমার উপার্জন দেখাইতাছে তেমনি একদিনে যদি আপনি জনের ভিডিও আপলোড করে দেন তাহলে জনের যে কম্যুনিটি সে বা তারা আপনার চ্যানেলে ঢু মারবে, আপনার চ্যানেল কে সাবস্ক্রাইভ করবে এবং সেই সাথে রিলেটেড আরো অন্যান্য ভিডিও গুলো দেখবে। ফলে আপনার চ্যানেলে ভিডিও ভিউজ বাড়বে এবং আপনার উপার্জনের হারও বেড়ে যাবে। তবে হ্যা যেহেতু ইন্টারনেটে লেনাদেনার বিয়ষ আর বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি আইন আছে সে ক্ষেত্রে আপনাকে অতি অবশ্যই যা করতে হবে বিড বা ডিড সেটা আইন মোতাবেক করতে হবে। তাছাড়া ইন্টারনেটে লেনাদেনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ইকমার্স  পেমেন্ট বা মার্চেন্ট পেমেন্ট সার্ভিস আছে সেটা ব্যবহার করতে হবে। 



তাহলে আপনি যদি সকলের জন্য উদার হোন তাহলে বর্তমান বাংলাদেশে যারা মনিটাইজেশন দেবার কথা বলে সমানে বা দেদারসে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতাইয়া নিতাছে তাদের ব্যবসা বা চিটিংবাজি বন্ধ হবে। হয়তো তারা এমন কোথাও অর্থ ইনভেস্ট করতোছে যা রাষ্ট্রের সাথে যাইতাছে না। বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে ব্যবহ্রত হইতাছে। মনিটােইজেশন দেবার  কথা বলে ইউটিউব ইউজার কম্যুনিটি তৈরী করে আপনি  ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালির গুগল বা ইউটিউব কে ধোকা দিতে পারেন কিন্তু আপনি আপনরা কেয়ারিটির চেয়ে বেশী কখনো উপার্জন করতে পারবেন না। কারন তারা ঠিকই জানে যে আপনি ইন্টারনেটে কি কি শ্যাসেজ লেনাদেনা করতাছেণ। হয়তো উইজার পলিসির কথা বলে তারা বলে থাকতে পারে যে তারা কোন কিছু দেখে না বা দেখতাছে না। কিন্তু যেখানে সিকিউরিটি বা রিস্ক থ্রেড জেনারেট হইতাছে সেথানে তো আর তারা বলবে না যে কি করতাচে বা কি দেখতাছে? কি কি ভাবে বাংলাদেশে ইউটিউব মনিটাইজেশন আনার চেষ্টা চলতাচে বা হইতাছে: 


  • ফেসবুকে পেজ বা গ্ররপ তৈরী করে অর্থের বিনিময়ে ৪০০০ ঘন্টা এবং ১০০০ সাবস্ক্রাইভার এড করা হইতাছে যা মোটামুটি নীতিবরুদ্ব যদি ইউটিউব টের পায় তাহলে একসাথে সগুলো একাউন্ট ও ডিলেট করে দিতে পারে। 
  • একসাতে অপিরিচত দের নিয়ে কম্যুনিটি তৈরী করা হইতাছে এবং সেখানে ইউটিউব এর ভিডিও গুলো একজেন আরেকজনের টা দেখতাছে ফলে রিয়াল ইন্টারেষ্ট কাজ করতাছে না এবং ইউজার যথাযথ এড শো করাতে পারতাছে না বা রো ভ্যালুড এড শো করতাছে। এইখানে ভারবাল মার্কেটিং টা ওকে আছে কারন একজন আরেকজন কে দেখা হলে বলতে পারে যার যার চ্যানেলে ভিডিও গুলো দেখার কথা। কিন্তু কম্যুনিটি তৈরী করে ইনটেনশানলি এপুরভাল আনার ফরে সেই চ্যানেলগুলোর ব্যাপারে ফেসবুকে বা যে কোন সোশাল মিডিয়া র ডাটাবেজে রেকর্ড  থেকে যাইতাছে। 
  • বাংলাদেশের ই কমার্স ওয়েবসাইট গুলোতে সরাকরি এড দিয়ে ৪০০০ ঘন্টা বিক্রি করার বিজ্ঞাপন দিয়ে রাখতাছে এবং সেখানে তারা টাকা পয়সা লেনাদেনা করতাছে যা একসময় ইউটিউবের নজরে যাবে আর প্রতি মূহুর্তের কুকিজ বিবেচনা বা এনালািইসিস করে সেগুলো একসময় ধরা খাবে এবং চ্যানেল গুলো ডিজাবলড হয়ে যাইতে পারে। এক কথায় সেগুলো অরিজিনাল রুলস না। 
  • অনেকগুলো চ্যানেরে দেখা যাইতাছে চ্যানেলে ইউজার এক দেশে লোকেশন আরেক দেম্ েপ্রত্যেখটা কম্পিউটারের ভিডিও রেকর্ডিং লোকেশন বা ডিভাইস লোকেশন আছে। আপনি যে দেশে আছেন আপনি যদি সব ক্ষেত্রে সেই দেশের লোকশেণ ব্যবহার না করেন বা আপনার যদি কোন ধরনের বিড বা ডিডে না থাকে বা আপনার যদি মার্কেটপ্লেস থেকে কোন ইউটিউব শ্যানেজারকে হায়ারিং নোটিফিকেশন না থাকে তাহরে সেগুলোও ডিলেট বা ডিজাবলড হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। সে ক্ষেত্রে আপনি একটি অপার সম্বাবনা হারালেন। 









আমাদের দেশে চ্যানেল বা ইউটিউব মনিটাইজেশন নিয়ে যে ধরনের কাজ কারবার হইতাছে তাতে করে যে কোন সময় আমাদের দেশে ইউটিউব মনিটাইজার দিয়ে নিয়ে বড় সড় ধ্বস নামতে পারে। কারন ভিু্জ জেনারেট এবং মনিটাইজেশন এড করার ক্ষেত্রে আপনি শুধূ মাত্র এপিআই সার্ভিস বভ্যহার করতে পারবেন। এছাড়া আপনি সোমাল মিডিয়া প্রমোশন ছাড়া যে কোন ইনটেনশনার সার্ভিস ব্যবহার করবেন সেখানে আপনি ঝামেলাতে পড়ে যাইতে পারনে। আর সেই হিসাবে এট এ টাইমে কিছু সুবিধাভোগী লোকজন ও কামাইয়া নিতােছে যা পরে একসময় আফসোসরে কারন হয়ে দাড়াবে। আর এই সকল কারনে এড এর ভ্যালুও অনেক কমে যাইতাছে। (Advertiser based).  এইভাবে সিলভার প্লেট কা গোল্ডেন প্লেট সহ নানা ধরনের প্লেট ও জলে আসতাছে। কিন্তু ইন্টারনেটে ভালো কাজ করার দরুন আন্তর্জাতিক বিশ্বে যে ভ্যালু টা ছিলো যেটা সকলের ইউটিউব চ্যানলে এড ভ্যালূ হিসাবে আসার কথা ছিলো সেটা এমনতর ভাবে কমে যাইতাছে যা বলার মতো না। এইটা ইউটিউব ইউজার পলিসি না। ইউটিউবরে ইউজার পলিসি হইতাছে: আপনি আপনার ভিডিওগুলো আপলোড করার পরে আপনার ভিডিও কোয়ালিটি অনুযায়ী আপনার কাছে ফলোয়ার বা ভিউজ আসবে আর সেখান থেকে আপনি বেনিফিটেড হবেন।  এইখানে সারা দেশে পরিকল্পনা করে ইউটিউব কে ঠকানো চলতাছে আর ইউটিউব ও গনহারেেএড ভ্যালূ কমাইয়া দিয়ে চ্যানেরে উপার্জন কমাইয়া দিতাছে। 



শাহবাগন গনজাগরন ২০১৩ থেকে একটি জিনিস শিখেছিলাম: কোন কিছুতে সব সময় ক্যাটাগরাইজেশণ না করা। ইন্টারনেটে গনজাগরন বিরোধীরা এমন এমন ধরনের কার্যাবলী রচনা করে যেখানে সব সময় ই একটা ক্যাটাগরাইজেশণ চলে। ইন্টারনেট সবার জণ্য প্রযোজ্য। যার কাছে মোবিাইল  আছে যার ডাটা বা এমবি কেনার তো সামর্থ্য আছে সেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। তেমনি ইউটিউবেও এক ধরনরে ক্যাটাগরাইজেশন শুরু হয়ে গেছে। এই ক্যাটাগরাইজেশন কে আবার জয় বাংলা বিরোধী প্রজন্ম তাদরে বন্ধ্যাত্ব কাটানোর জন্য সমাজ হিসাবে ব্যবহার করে যেমন ফস করে বলে উঠবে: ইউটিউবের সমাজ। যা শুনবে তাতেই সমাজ শব্দটা লাগাইয়া দেয়া দেশবিরোধী দের ধর্ম। ইউটিউবের কোন সমাজ হয় না। ইউটিউবের সোসাইটি হয়। ইন্টারনেট বুঝতে না পারলে ইন্টারনেট ব্যবহার করা ছেড়ে দিন- শুধূ  শুধূ ঘোট বা ঝামেলা লাগানোর  চেষ্টা করবেন না। আমি ফুল টাইম ফ্রি ল্যান্সার- আমিও সীমিত আকারে ইন্টারনেট ব্যবহার হরি লাইক ১২ ঘন্টা। 



সমাজ শব্দটা ইন্টারনেটে অচল। আপনি বা আপনারা ইন্টারনেটে তথাকথিত সমাজ প্রতিষ্টা করার চেষ্টা করতাছেন সেটা বাংলাদেশে র সকলেই জানে কিন্তু সেটা কখনোই প্রতিষ্টিত হবে না- বরঞ্চ ইন্টারনেটে বাংলাদেশের অবস্থান বা পজিশন দিনে দিনে কমে যাবে। ইন্টারনেটে সমাজ চলে না- ইন্টারনেটে সোসাইটি চলে।  ইউটিউব বা ফেসবুক বা টুইটার বা ইনষ্ট্রাগ্রামের কোন সমাজ বালোদেশে চালু নাই আর চালু  হবেও না কখনো - সোসাইটি বা কম্যুনিটি আছে - সেগুলোই চলবে সারা জীবন ভর। কম্যুনিটি তৈরী করে সিলভার প্লেট উপার্জনকারীদের প্রতি অনুরোধ আপনি ইউটিউব মনিটাইজেশন করেই অর্থ উপার্জন করেন- দয়া করে ইউটিউবরে নাম ভাংগিয়ে লোকাল টাকা বা বিডিটর জন্য হাত পাইতেন না। দেখবেন একসময় বাংগালী আপনরা হাত কেটে ফালাইয়া দিবে। 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


Monday, January 11, 2021

Youtube Channel ভিত্তিক কোন গ্যাং এর হাতে পড়া বা না পড়া।


 



একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করতে আপনার কি কি লাগে চলেন আগে সেটা দেখে নেই: 

  • একটি সেফ এবং সিকিউরড মোবাইল বা ডিভাইস এবং ইন্টারনেট কানেকশন
  • একটি ফুল ভেরিফায়েড জিমেইল এড্রস
  • একটি জিমেইল দিয়ে তৈরী করা একটি ইউটিউব একাউন্ট
আপনার জিমেইল এবং ইউটিউব টি ভেরিফায়েড করে নিতে হবে যাতে কখনো হ্যাক হলে সেটা আপনি আবার ফেরত আনতে পারেন। 


কিভাবে ভেরিফায়েড করবেন জিমেইল এবং ইউটিউব? 
একদমই সহজ। আপনি যখন জিমেইল এবং ইউটিউব একাউন্ট তৈরী করবেন তখণ আপনি আনপরা মোবাইল নম্বরটা ভেরিফাই করে নিবেন। ব্যাস তাহলেই হয়ে গেলো ভেরিফিকেশন। 







সারা বিশ্বের যারা খুব পপুলার তারা সাধারনত নিজেদের সোশাল মিডিয়া নিজেরা মেইন টেইন করতে চায় না। কিন্তু ইন্টারনেটের দুনিয়াতে আপনি কখনোই কারো সাথে আপনার ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ড শেয়ার করতে পারবেন না্। এমনকি আপনার নামে যদি ১০/১২ টা একাউন্ট তৈরী করা থাকে সোশাল মিডিয়াতে সেগুলোর বিরুদ্বে রিপোর্ট করা আপনার ই দ্বায়িত্ব আর নয়তো আপনি প্রযুক্তি সচতেন মানুষ না আর বিখ্যাত বা স্মার্ট হতে গেলে আপনাকে  প্রযুক্তি বিষয়ক বিষয় গুলো আপনাকে নিজ হাতে মেইনটেইন করতে হবে আর নয়তো আপনি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ঝুকি তৈরী করতে পারেন। আপনার লগইন ডিটেইলস যদি আপনি নিজে না করে অন্য কাউকে দিয়ে করান তাহলে আপনি ইন্টারনেটের আইন ভেংগে ফেলাইলেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে অতি অবশ্যই টেকনোলজীর দ্বারস্থ হতে হবে। আপনাকে যদি কেউ হ্যাক বা হাইজ্যাক বা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করতে চায় তাহলে খুজে পেতে সেই সোশাল মিডিয়া গুলোর ফোরাম বা কমিউনিটি তে যদি আপনি উল্লেখ করেন বা সবিস্তারে যদি আপনি ইমেইল করেন সোশার মিডিয়া সিএইও দের কাছে তাহলেই সোশাল মিডিয়া টেকনোলজিকাল টিম আপনার সোশাল মিডিয়া একাউন্ট রিকভার করে দিবে যেখানে আপনি, আপনার ক্যারিয়ার , আপনার ইমেজ সব কিছু ওকে থাকবে। আপনি যদি পপুলার হোন তাহলে  চাইলেও   আপনি আপনার একাউন্ট ডিটেইলস কাউকে  দিতে পারবেন না। আপনি আপনার সোশাল মিডিয়া পেজ বা চ্যানেলে তাদেরকে বা যদি কোন প্রমোটার কে হায়ার করেন বা কোন ম্যানেজার বানাতে চান তাদেরকে সেই পর্যন্ত এক্সস দিতে পারবেন। কিন্তু তাকে যদি আপনি আপনার একাউন্টের লগইন ডিটেইলস দিয়ে দেন তাহলে নিজে স্বেচ্ছায় ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলড হয়ে গেলেন। 







বর্তমানে আমাদের দেশে ইউটিউব চ্যানেল ভিত্তিক একটি ব্যবসা শুরু হয়ে গেছে। যারা পপুলার তাদের ইউটিউব চ্যানেল কে মনিটাইজেশন করার কথা বলে ইউটিউব চ্যানেলে এবাউন্ট সেকসানে এমন এমন দেশ ব্যবহার করতাছে যেখানে সে কোনদিন যাবে না বা যাবার ইচ্ছা রাখবে না। ধরেন : আপনি ফেমাস। বাংলাদেশে পপুলার। আপনি বাংলাদেশেই আপনার ক্যারয়িারকে নিয়ে এগোতে চাইতাছেন। সেখানে আপনার নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল আছে যেখানে লোকেশন দেয়া আছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন আপনি হয়তো যুক্তরাষ্ট্র যাবার ইচ্ছা পোষন করতাছেন  না বা আপনি হয়তো যাবেন ই না। তাহলে যদি আপনার চ্যানেলে লোকেশন দেয়া থাকে যুক্তরাষ্ট্র তাহলে আপনি যাদের কাছ থেকে কাজ নিতাছেন তারা হয়তো ধরে নিবে যে: আপনি বাংলাদেশে নাই। তাহলে আপনি আপনার ন্যায্য কাজটি হারালেন কারন যে আপনাকে কাজ দিতে চাইতেছিলো সে আপনার চ্যানেল লোকেশন দেখে মিসগাইড হয়ে আপনাকে না দিয়ে অন্য আরেকজন অখ্যাত লোককে বা পারসন কে কাজ দিয়ে দিলো। এইখানে এই ধরনের কাজ হবার মূল কারন: আপনি নিজে আপনার চ্যানেল টা মেইন টেইন করতাছেন না যা আপনার  ক্যারিয়ারের জন্য রিস্ক। অসচেতনাতে যদি আপনি কখনো কোথাও  স্পাই রেকর্ডিং হয়ে থাকেন তাহলে হয়তো যে কোন মূহুর্তে
 সেগুলো যদি চ্যানেলে বা সোশাল মিডিয়াতে আপ করে দেয়া হয় তাহলে আপনার ক্যারিয়ারের জন্য ১২ টা বেজে যােইতে পারে - সে ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে সরাসরি সোশাল মিডিয়া হেড অফিসে কল করে জানিয়ে দেয়া বা তাদের সাহায্য নেয়া। যদি আপনি সোশাল মিডিয়া হেড অফিসকে বুঝাতে পারেন তাহলে আপনি যে কোন সোশাল মিডিয়া একাউন্ট ফেরত পাবেন। কেউ যদি আপনার একাউন্ট হ্যাক ও করে থাকে তাও ফেরত পাবেন। কেউ যদি আপনার একাউন্ট ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে থাকে তাও ফেরত পাবেন। এজ এ ওয়ার্ড  কমপ্লেইন করাটাই মেইন বিষয়। 



দেখা গেলো: আপনি একটা কম্যুনিটি তৈরী করতাছেন। সেখানে আপনি একা সব মানুষের একাউন্ট লগইন করতাছেন। ঘটনাক্রমে কেউই জানে না যে আপনি সন্ত্রাসী। আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ যেখানে বসে আপনি ব্যবহার করতাছেন সেখানে একে একে কম্যুনিটির সকল সদস্যদের রেকর্ড বা লগইন ডিটেইলস কুকিজ পাওয়া গেরো। ঘটনাক্রমে আপনি র‌্যাব পুলিশের কাছে তালিকাগ্রস্থ সন্ত্রাসী। আর বেচে থাকার জন্য হয়তো বা আপনি দেশের স্বনামধন লোকদের কে বা মেয়েদের কে ব্যবহার করতাছেন। রাষ্ট্রের কেউ জানলো না যে: আপনি বহির্দেশীয় সন্ত্রাসের সাথে জড়িত। আর আপনার কম্পিউচটারে আরো ১০০/২০০ জনের লগইন ডিটেইলস থাকার কারনে আপনি সেই সকল ১০০/২০০ জন মানুষকে সহ সন্ত্রাসী বনে গেলেন অথচ তারা নিস্পাপ কিন্তু  আপনার সাথে কানেকটিভিটি থাকার কারনে আপনি বুঝতেই পাররেন না যে: আপনার কম্পিউচটারের সবকিছু্ ট্রাক হইতাছে মাইক্রোসফট সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট দের দ্বারা ইন্টারনেটে বা মাইক্রোসফট নিজস্ব স্যাটেলাইটের মাধ্যমে। তাই অন্ততপক্ষে সোশাল মিডিয়া এবং ইমেইল এবং ওয়েবসাইট এইগুলোর সেনসিটিভ ডিটেইলস গুলো নিজেই মেইন টেইন করতে হবে। আর নয়তো অযাচিত ভাবে যে কোন সন্ত্রাসে সাথে তালিকাভুক্ত হয়ে যাইতে পারেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার ইন্টারনেট যেহেতু আমেরিকা থেকে আসে সেহেতু আপনাকে একটা জিনিস মনে রাখতে হবে যে: যুক্তরাষ্ট যে রকম নিয়ম কানুন মেনে চলে আপনি ওসেরকম নিয়ম কানুন মেনে চলার চেষ্টা করবেন। যেম: এস এস এন: Social Security Number ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে কেউ কোন লেনাদেনা করতে পারে না। তেমনি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আপনি জেনে রাখবেন আপনি যে কারো সাথে যে কোন ধরনের ডিলিংস এ যান না কেনো: তার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর আছে কিনা সেটা প্রথমে ভেরিফােই করে নিবেন। যদি না থাকে তাহলে কোটি টাকার অফার দিলেও আপনি নিতে পারবেন না কারন কোনক্রমে যদি সে অজানা অপরাধী হয় তখন আপনাকেও জেল খাটেতে হতে পারে। 

Friday, January 8, 2021

ইন্টারনেটে বাংলা লেখার অনুভুতি।

বাংলাদেশে একটা প্রজন্ম আছে যারা ইন্টারনেটে বাংলা লিখতে দেখলে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। তারা ব্যাপারটাকে ঘৃনার চোখে দেখে। অথচ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এই ব্যাপারে কোন আইন নাই যে : ইন্টারনেটে বাংলা লেখা যাবে না। আইনে আছে: দেশবিরোধী ,ধর্ম বিরোধী এবং রাষ্ট্রবিরোধী এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানপ্রাপ্ত লোককে অপমান করে সরাসরি কোন কথা লিখা যাবে না। ধর্মীয় ব্যাপারে ইংগিত পূর্ন ভাবেও লেখা যাবে না। চলেন দেখি: কোন কোন ধরনের মানুষ ইন্টারনেটে বাংলা লেখাকে ঘৃনা করে: 



  • যাদের মনের মধ্যে আজো দেশবিরোধী প্রজন্মের ভাষার প্রতি ভালোবাসা রয়ে গেছে তারা।
  • যারা পূর্ব বাংলাকে অন্য কিছু মনে করে থাকে তারা। পূর্ব বাংলা রেজিমেন্ট, পূর্ব বাংলা রাইফেলস , পূর্ব বাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি এইগুলো তো আর মিথ্যা কথা না। আমি মনে করি: পূর্ব বাংলা নাম থাকার কারনেই স্বাধীনতা যুদ্বে ভারত বাংলাদেশীদের কে অস্ত্র, অন্ন, বস্ত্র এবং অস্ত্রের ট্রেনিং দিয়ে সাহায্য করেছে। আর নয়তো বাংলা ভাষাতে কথা বলার কারনে বা বাংগালী হবার কারনেই সাহায্য করেছে। 
  •  যারা বাংলাদেশে বসবাস করে বাংলাদেশ কে এবং বাংলা ভাষাকে ঘৃনা করে। 
  • যারা এই বাংলায় অন্য দেশের ভাষা প্রতিষ্টিত (শতরু দেশের ভাষা) করতে চেয়েছিলো তারা (১৯৫২ সালের ২১শে ফেবরুয়ারী)। 
  • দেশবিরোধী জানোয়ার প্রজন্ম যাদের মাথাতে প্রচুর পরিমানে ডিষ্টার্ব আছে। 
  • যারা জাতিগতভাবে বাংলাদেশে বসবাস করে কিন্তু তারা কথা বলে ভিন্ন ভাষাতে। 
  • যারা মনে মনে আজো কল্পনা করে বাংলা অন্য কোন দেশ হয়ে যাবে তারা। 
  • যারা ইন্টারনেটে বাংলায় একসময় ধর্মবিরোধী কথা লিখতো তারা। 



ইন্টারনেটে যারা বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্টিত করার জন্য সংগ্রাম করে গেছে এবং গুগলের সাথে বাংলা কন্টেন্ট কে মনিটাইজেশন করতে সক্ষম হয়েছে তারা উপরে উল্লেখিত সব ধরনের প্রজন্মের বিরুদ্বে লড়াই করে জিতেছে। কিন্তু সর্বশেষ উল্লেখিত যে প্রজন্ম: যারা আইডন্টেফায়েড, যাদের বিরুদ্বে বাংলার রায় আছে যে : যারা স্বজ্ঞানে স্ব্ইচ্ছায় ইন্টারনেটে  মহান সৃষ্টিকর্তা বা তার নবীজিকে অপমান করে লেখালেখি করতো তাদের মধ্যে অনেকেই আজো জীবিত বলে ধারনা করা হয়। তাদেরকে ধর্মদ্রোহী বা রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যা দিয়ে ফাসির ব্যাপারে রায় দেয়া হয়েছিলো হেফাজতের মহাসম্মেলন থেকে - যা আজো বিচারের রায়ে সম্পূর্ন হয় নাই। যারা কাগজে লিখেছিলো বা যারা মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লিখেছিলো বা যারা ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের ব্লগে লিখেছিলো মহান রাব্বুল আলামিনের বিরুদ্বে- যারা স্বস্বীকৃত সারা দেশে তাদের ফাসির ব্যাপারে সারা দেশ একমত ছিলো। সব ধরনের ব্লগার রা কখনো সৃষ্টিকর্তা বা বেচে থাকার ধর্মের বিরুেদ্বে লেখে নি- যারা যারা লিখেছে বিভিন্ন ধরনের প্লাটফর্ম কে ব্যবহার করে তাদের কে চিহিৃত করে রাষ্ট্রীয় ভাবে ফাসির সমাধিতে নিয়ে যাওয়াটই আমার আজকের লেখার মূল লক্ষ্য। আমি নিয়মিত রোজা রাখি, সবসময়ই কোরবানির ঈদে কুরবানি দেই, নিয়মিত নামাজ পড়ার চেষ্টা করি ১/২/৩/৪/৫ ওয়াক্ত এবং আমি ঈমানে মোফাচ্ছের ও বিশ্বাস করি। বাংলাদেশ মুসলিম দেশ। আর এ দেশের মাতৃভাষা বাংলা। আপনাদের যদি ইন্টারনেটে বাংলা ভাষাকে ঘৃনা লাগে তাহলে আপনি দয়া করে এই দেশ ছেড়ে আপনার নিজস্ব দেশে চলে যান। সেখানে আপনারা অনেক ভালো করবেন।  




দেশবিরোধী প্রজন্ম কিভাবে আজো বহির্দেশীয় ভাষা প্রতিষ্টিত করার চেষ্টা করতাছে? 

যেমন: ধরেন: তারা প্রকাশ্য দিবালোকে মাউথ স্পিকার ব্যবহার করে অনেক সময় আমরা যে দেশ বা যে জাতিকে ঘৃনা করি তাদের ভাষাতে কথা বলা শুরু করে। আগে কখনো এতোটা উদ্বতপূর্ন আচরন দেখি নাই যতোটা বিগত ১০/১১ বছর যাবত দেখতাছি (বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ বা জাতীয়তা নিয়ে যারা রাজনীতি করে না তাদের কথাই বলতাছি)। আগে দেখেছি তারা গোপনে বা আড়ালে বা আবডালে তাদের নিজস্ব ভাষাতে  কথা বলতো- যাতে বাংলাদেশীরা কখনো না শুনে। কিন্তু থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরনের মাধ্যমে ৭১ এর দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) প্রকাশ্য দিবালোকে সারা বিশ্বের সামনে ফাসি কার্যকর করার পরে (কসাই কাদেরে ফাসি ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৩) তাদের অত্যাচার বেড়ে গেছে- তারা বুঝতেই পারতাছে না যে তাদের দেশের সকলের সামনে আমরা দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি)   কার্যকর করেছি- তাদের মাথা নুইয়ে দিয়েছি। তাদেরকে আগেও একবার বাংলাদেশী রা পরাস্ত করেছিলেঅ- ১৯৭১ এর যুদ্বে। মুচলেকা দিয়ে গেছে যে জীবনে আর কোনদিন এদিকে আসবে না। কিন্তু কুত্তার লেজ কি আর এতো সহজে সোজা হয়। আজো তারা তাদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করতাছে একদণ চিৎকার চেচামেচি বাহিণী দ্বারা । যাদের েএকমতা্র কাজ সারা দিন দেশের যে কোন ব্যাপার নিয়ে চিৎকার চোমেচি করা। প্রকাশ্য দিবালোকে বলতে পারে না বা লিখতেও পারে না- শুধূ পারে মনের আক্রোমে উপরের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করতে। উপরের দিকে অনেক সময় ফ্যানও থাকে। একটু চেষ্টা করে বাংলার বিদ্বেষীরা ঝুলে পড়লেই বাংলাদেশীদের জন্য অনেক কিছু সহজ হয়ে যাইতো। বাংলাদেশী বা বাংগালীরা এমনিতেই মারাত্মক পরিশ্রমী জাতি।






আপনি শুনলে অবাক হবেন যে: বাংলাদেশ নাম উচ্চারন করে বা বাংলাদেশ নাম ব্যবহার করে এরকম অনেক লোকেরআ বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই- কারন তারা চির বেহায়া বা চির ছ্যাচড়া। তারা সবসময়ই এদেশটাকে বেচে চলতে চায়। দুর্নীতি, চুরি, বাটপারি এদের নিত্য প্রয়োজণীয় কাজ কারবার।  আবার  সারা দেশে দেখবেন তাদের বইগুলোর উপরে লেখা থাকবে  যে সেই বইগুলো অন্য আরেক দেশের ভাষা থেকে অনুবাদ করা। এমন একটা দেশের ভাষা থেকে অনুবাদ করা যাদের আশে পাশে ১০০% মুসলিম দেশের অবস্থান। আর তারা তাদের নিজেদের চারদিকে না তাকিয়ে সরাসরি পৃথিবীর একমাত্র বৃহৎ হিন্দু রাষ্ট্র (মানুষ প্রায় ১৫০ কোটি) দ্বারা ঘেরা বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে থাকবে। (শালার এতো ছ্যাচড়াও মানুষ হয়- ছ্যাচড়ামির একটা লিমিট থাকার দরকার ছিলো।)  মনে পড়ে থানা শাহবাগ গনজাগরনের একটা স্লোগান:  "The Black devil of F akistan- GO back to F kistan". ফা কিস্তানের প্রেতাত্মা ফা কিস্তানে ফিরে যা! বাংলা তোর বাপ দাদাদের দেশ না। একটা কথা কখনো ভুলা যাবে না: বাংলার চারিদিকে পৃথিবীর অন্যতম সামরিক ক্ষমতাধর দেশের সেনাবাহিণী: ভারতীয় আর্মি।  জাতে হিন্দু হলেও: হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই, সবাই বলে যাই যাই। 





ইন্টারনেটে খুব ভালো আয় উপার্জন করার ক্ষেত্রে আমরা এদের (বাংলা বিদ্বেষীদের) কারনে  কি কি সমস্যায় পড়েছি? 

সারা বিশ্বে যারা ইন্টারনেট প্রোগামার তারা অনেক আগে থেকেই একটা সিদ্বান্তে উপনীত হয়েছিলো যে: যারা বাস্তব জীবনে বা প্রাত্যহিক জীবনে বাই সেক্সুয়াল তারা সারা দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ইন্টারনটে ব্যবহার করতে পারবে ১৫ মিনিট। আমরা যেদিন তাদের ‍ উপস্থিতি পাই ইন্টারনেটে সেদিন তাদেরকে আমরা বলি: তোমাদের কারনে আমাদের ইন্টারনেটে সমস্যায় পড়ি। তারা জিজ্ঞাসা করে যে: আমার কারা? তো আমরা উত্তর দেই যে : আমরা ইন্টারনেট প্রোগ্রামার। আমরা সারা বিশ্বের ইন্টারনেট ডিষ্ট্রিবিউশেনে কাজ করি। আমরা ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক প্রোগ্রামার বা আমরা ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া ডেভেলপার- তখনকার হিসাবে। তাও তারা সরতে রাজী হয় নাই দেখে পরে আবারো জিজ্ঞাসা করি যে: তোমাদের কাছে প্রিয় জিনিস কি? তো বলতাছে :বাই সেক্সুয়াল কাজ করা ( বো বুঝতে পারলাম যে: তারা মানুষ না সম্ভবত)। তো তখন বিভিন্ন দেশে এদের বিুরদ্বে প্রতিবাদ করা হয় যে: তাদের কারনে ইন্টারনেট প্রোগ্রামার দের সমস্যা হয়। তো তারা রাজী হয় যে: সারা দিনে তারা অনলি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। সেই হিসাবে বিশ্বের মিনিমাম ১০০ দেশের সব শহরে এই নিয়ম পালন করা হইতাছে। সাধারনত যারা বাই সেক্সুয়াল তারা সবসময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। তারা হঠাৎ হঠাৎ আসে: সোশাল মিডয়া ষ্ট্যাটাস আপডেট করে চলে যায় বা ইমেইল চেক করে অনলি।   ইন্টারনেট যেহেতু একটা ইনফিনিটিভ শক্তির আধার হিসাবে বিবেচনা করা হয় সে কারনে বাই সেক্সুয়ালদেরকে এইখান থেকে সবসময় দূরে থাকতে বলা হয়। আর নয়তো যারা এই বিশ্বে প্রথমদিন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে তারা আমরা ধারনা করি যে : তারা (বােই সেক্সুয়াল রা) হঠাৎ করে মানুষ থেকে পশুতে রুপান্তরিত হয়ে যাইতে পারে। কারন তারা পশুর চেয়েও অধম। পশুরাও কখনো বাই সেকস্সুয়াল সেক্স করে না। ধারনা করা হয় তারা টেষ্টটিউব। কারন মানুষের মাঝে Matter of Humanity বলে একটা বিষয় আছে যেই কারনে এই ধরনের ভুল সে একবারের বেশী দুইবার করতে পারে না স্বইচ্চায় বা স্বজ্ঞানে। প্রাপ্ত বয়স্কে একবার ভুল করলে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও মাফ করে দেয়।





বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে এদের পদচারনা শুরু হয় তখন আমাদের কাজ করবার দেখে মনে হয় তারা পরিকল্পনা করে যে তারা ইন্টারনেটে একটা গ্যানজাম করবে। আমাদের পরিকল্পনা ছিলো: এদশের সকল শিক্ষিত মানুষের সাথে ডলার কানেকটিভিটি থাকবে। হয়েছেও তাই। আমরা বলতে বুঝি যারা আমরা প্রথম থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। প্রথম বাংলাদেশে যে গ্যানজাম হয়: তা হলো বিভিন্ন ধরনের ল্যান্সিং প্রোগ্রাম: (ডু ল্যান্সার, স্কাই ল্যান্সার বা আরো অনেক ধরনরে বাল ছাল ল্যান্সার বলে বিপুল পরিমান টাকা হাতাইয়া নেয় একটি সংগবদ্ধ চক্র) প্রথম ধাক্কা ২০০৬ পর্যন্ত। তখনকার দিনে প্র্যেকটা ছেরে বা মেয়ে জনপ্রতি ৭/৮ লক্ষ( আমি ছাড়া) টাকা ধরা খায়। ভাবতে পারেন তখন চালের দাম ছিলো ৫/৬টাকা কেজি। ইন্টারনেট প্রজন্ম কে পংগু বানানোর ধান্ধা। তখন বর্তমানে যারা ইন্টারনেটের কথা বার্তা বলে বেড়ায় তারা ছিলো রাস্তাঘাটের পাতি মাস্তান। 





তারপরেও থেমে থাকে নাই বাংলাদেশীরা। বিপুল পরিক্রমায় এগিয়ে যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ সামরিক বাহিণীর ২ বছরের শাসন বলতে গেলে সারা দেশের ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপন করে দেয়। সারা দেশের ছেলে এবং মেয়েদেরকে ক্রমাগত ইন্টারনেটের সামনে বসিয়ে রাখতো এবং বাহিরে ছিলো কার্ফুর মতো। সেই সামরিক বাহিণী পরিকল্পনা করে ডিজিটাল বাংলাদেশ যার সকল প্রজক্টে এই ৫০ বছল স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে শেষ হবার কথা। সবগুলেঅ প্রজেক্ট আমি সকাল ৮টা তে ঘুরে দেখেছিলাম: গুনেছিলাম ৪৫ টা প্রজেক্ট যার সবগুলোই সাকসেসফুল এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন প্রজেক্ট: বর্তমানের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় যেটার প্রজেক্ট চলাকালীন নাম ছিলো : ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রনয়ন ও  জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান (PERP & FINIDC)। আর এখন তো সবাই যার যার ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইট থেকে দেখে নিতে পারতাছে যার যার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর। বিগত ২বছর ধরে এখন আর সেটা জাতিসংঘের প্রজেক্ট না। 





দ্বিতীয় ধাক্কা আসে : ইন্টারনেটে নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) প্রজন্মের উথ্থান। আমি ছোট বেলা থেকেই জানতাম যারা বাই সেক্সুয়াল তারা সাধারনত নাস্তিক হয়। কিন্তু কেউ প্রকাশ্যে বলতো না। ইন্টারনেটেও একটা প্রজন্ম সারা দেশের ফ্রি ল্যান্সার দেরকে থামানোর জন্য মানুসের মস্তিষ্কে আঘাত করার জন্য নাস্তিকধর্মী কথা লিখা শুরু করে (যা আমি কখনো পড়েও দেখি নাই ২ টা আর্টিকেল ছাড়া- আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে লিখি নাই কখনো বা জানতাম না।) ২০০৯/২০১০ সালে বাংলাদেশ সামরিক বাহিণীর ডিজিটাল বাংলাদেশে কাজ করার সুবাদে একজন এসবি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) অফিসার অনুরোধ করে বলে যে: তুমি ইন্টারনেটে কি কাজ করো্? তো বললাম যে: ডলারের কাজ করি। তো বলতাছে তোমাকে একটা ওয়েবসাইট এড্রস দেই, দেখে বা পড়ে আমাদেরকে বলবা যে: সেই ওয়েবসাইটটা যারা লেখালেখি করে তারা কি রকম? পরে পড়ে দেখলাম যে: তারা ধর্মবিরোধী কথা লিখে কিছুটা। যেহেতু ডলার বা রেমিটেন্স আনি সেহেতু আমার মোটামুটি ভালো একটা ভ্যালু ছিলো তাই মতামতটা এসবি কে জানাতে তারা বললো যে: ঠিক আছে : আমরাও তাই সন্দেহ করি। সম্পূর্ন পরিকল্পনা মাফিক বাংলাদেশে সমস্ত আধুনিক ছেলে বা মেয়েদের আড্ডা থানা শাহবাগ গনজাগরনরে আড্ডা কে ভাংগার জন্য এবং গনজাগরন কে ভন্ডুল করার জন্য বাংলাদেশে বসবারত কিছু ছ্যাচড়া এমন একটি কাজ করে যা আজো সারা বিশ্বে কলংকিত। শাহবাগে যারা আড্ডা দিতো তাদের বেশীর ভাগ ই আমার সাথে পরিচিত বা ইন্টারনেটে কানেক্টেড ছিলো। আমরা জীবনে কোনদিন সেই ধরনের কোন কথা শুনি নাই( আমি 1986 সাল থেকে শাহবাগ চিনি আর নিয়মিত আসা যাওয়া করি ১৯৯৮ সাল থেকে বা বসে আড্ডা দেই)। একটা সার্কেলের যদি কেউ খারাপ হয় তাহলে সেটা আগুণের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৩ সালে অনুষ্টেয় থানা শাহবাগের গনজাগরনর সম্পূর্ন পরিকল্পনা মাফিক একটা নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) গ্ররপ থাবা বাবা নামের একটি নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) ব্লগ লিখে শাহবাগে চলমান গনজাগরনরে মাঝে চালান করে যার কারনে সারা দেশের মানুষ তাৎক্ষনিক ভাবে জীবনেও ব্লগ না করা থানা শাহবাগের প্রায় কোটির উপরে মানুষজনের নেটওয়ার্ককে   ভুল বোঝে যে ভুল ভাংগাতে আজো এখনো চেস্টা করতে হইতাছে  সারা দেশের মানুষের কাছে।  





প্রথমে বলা হয়েছে: থানা শাহবাগের কেউ ব্লগ বা ব্লগিং বা ব্লগারের সাথে জড়িত না। সেকেন্ডলি না পেরে বলা হয়েছে: ”নাস্তিক না আস্তিক জানে মোর খোতা: তুই বলার কে?  থানা শাহবাগের গনজাগরনের যতো মানুষের সাথে মেলামেশা করেছি কেউ কোনদিন কোন ব্লগ নিয়ে আলোচনা করে নাই- বলতে গেলে তারা সারা দেশের গ্রাম বাংলার মানুষ । একমাত্র আলোচনার বিষয়বস্তু ছিলো: ফেসবুক । জীবনেও কোনদিন প্রমান পাই নাই ব্লগ নিয়ে কোন কিছু। আমার এই ব্লগ টা তখন চালু ছিলো। তখন আমি ইংরেজীতে ব্লগ পোষ্ট করতাম - ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং নিয়ে। তখন আইকানের (ICANN) একটা নিয়ম ভাংগার জণ্য আমার এই ব্লগ এড্রসটা (masudbcl.blogspot.com) ৭ বছর বন্ধ ছিলো এবং ২০১১ সালের ৭ বছর পরে ২০১৮ সালে আমি আমার এই ব্লগ (masudbcl.com) টা ফেরত পাই। আর এর মাঝে তৈরী হয়েছে বাংলা কন্টেন্ট মনিটেইজেশণ। বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি: ব্লগার ডট কম ওয়েব ২.০ প্রোগ্রামিং করতাম এসইও কাজ করার জন্য এবং একমাত্র শাহবাগ গনজাগরনের আগের সার্কেলে একমাত্র ব্লগ ছিলো আমার এবং সেখানে আমি কোনদিন কোন ধর্মবিরোধী কথা লিখি নাই। আমার লেখার বিষয়বস্তু ছিলো কিভাবে সাার বিশ্বের ছেলে বা মেয়েরা ফ্রিল্যান্সার হতে পারে এবং তা ইংরেজী ভাষাতে। যতোদূর জেনেছি: আমি কেনো সারা বিশ্বে ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস রিলেটেড কাজ ছড়ানোর চেষ্টা করেছি সেটা ছিলো আইকান থেকে শাস্তি পাবার মূল কারন এখনো আমার একটা জিমেইল ইন একটিভ (masudbcl@gmail.com). 





তো যেই খানকির পোলারা ইন্টারনেটে ব্লগার ডট কম প্লাটফরম ব্যবহার করে  রাজধানী ঢাকা শহরে কে কোন খান থেকে বসে ধর্মবিরোধী কথা লিখে সেরকম একটা ডিটেইলস রিপোর্ট কার কার কি আইপি, কে কোন ডিভাইস ব্যবহার করতাছে, কার কি অপারেটিং সিষ্টেম, কে কি কোন মোবাইল ইন্টারনেট বা ব্রডব্যান্ড কানেকশন ব্যবহার করতাছে- এরকম একটি রিপোর্ট এর কথা তখন শোনা যায়  এবং তারপর থেকে দেখি:  সেই খানকির ছাওয়াল রা বাই সেক্সুয়াল আর ইন্টারনেটে পিঠ দেখায় (মানে মনের চোখে দেখা যায়)। বয়স হয়ে যাবার পরেও সে বা তারা সাারাদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করে বসে বসে। তাদের প্রধান সমস্যা তারা বোধ করি বাংলাদেশের নাগরিক না কিন্তু তারা বাংলাদেশের প্রশাসনের কাছ থেকে একটা সেল্টার পায় বোধ করি নয়তো এতোদিন সেই সকল নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) ব্লগারদের ফাসি হয়ে যাবার কথা। এর পর থেকে তারা যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে  তখন তাদের পিঠ দেখা যায় এই বিশ্বে। এক কথায় যেহেতু তারা বাই সেক্সুয়াল এবং নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) প্রজন্ম মে বি: তাই ইন্টারনেটে বসলে তাদের পিঠের অংশ দেখা যায়। তারা সেই নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) কথা বার্তা লিখতো বাংলাতে। ফলে সারা দেশে যারা ইন্টারনেটে বাংলা লিখতো কবিতা, গল্প, ছন্দ তারা একটা বিশাল কষ্ট পায়। আমাকেও লিখতে বলতো গল্প বা ছড়া। আমি বলতাম: গুগলের মনিটাইজেশন আসুক তারপরে লিখবো। যেমন:এখণ লিখতাছি। আজো আমরা সারা বিশ্বে ইন্টারনেটে যারা নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) কথা লিখতো তাদের ফাসি কার্যকর করার দাবী জানাই। হেফাজতের কিছূ লোকজন এবং আরো সারা দেশের অনেকের সাথে কথা বলে শিওর হওয়া গেছে যে: সেই নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) কথা যারা লিখতো তাদেরকে যারা দেশের ভেতরে থেকে সেল্টার দিতাছে তারা নিশ্চিতভাবে জাহান্নামী। 


আর তৃতীয় ধাক্কা: বর্তমানে তৈরী হওয়া ইন্টারনেটে হ্যকাার গুরপ যারা পুরোদমে আইন প্রশাসনের সামনে বসে ইন্টারনেটে একেকসময় একেক খানে একেক দেশ হ্যাক করে যাইতাছে বা চেষ্টা করে যাইতাছে যেখানে বাংলোদেশ বা তার পতাকা প্রতিনিয়ত অবনমিত হয়ে যাইতাছে। হয়তো একদিন ইন্টারনেট বাংলাদেশ থেকে চলেই যাবে আর যারা বাংগালীর ক্ষত করার : ১৯৭১ এর দেশবিরোধী (ফাসি) প্রজন্ম তারা মনে মনে খুশিই হবে যে বাংগালীর একটা চিরস্থায়ী ক্ষতি করে দিতে পারলো তারা। যেমন: ১৯২.১৬৮.০.১ লিখে সার্চ দিলে আগে বাংলাদেশ পাওয়া যাইতো: বাংলোদেশের জন্য বরাদ্দকৃত আইপি এখন আর সেটা পাওয়া যায় না। 


শুনেছি (হাছা মিছা জানি না) : নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) কথা যারা লিখতো তাদের ব্যাপারে একটা তথ্য জেনেছিলাম: একদল ইউরোপিয়ান বা আমেরিকানদের ঢাকা শহরে অনেক অনেক সম্পত্তি ছিলো : যারা বিভিন্ন দেশ থেকে ঢাকা শহরে এসেছিলো এবং তারা তাদের প্রয়োজনে বিপুল পরিমান জায়গা জমি কিনেছিলো বেচে থাকার স্বার্থে। সেই নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) ব্লগার রা পরিকল্পনা করে সেই সকল জমি জায়গা তে বসে এই কাজ করেছিলো সেই সকল সম্পত্তিতে চিরস্থায়ী ভাবে  থাকার জন্য। পরে যখন অনুসন্ধান হয় তখন বের হয় যে : সম্পত্তিগুলোর মালিক ইউরোপিয়ান এবং আমেরিকান রা। অথচ বাংলাদেশে বসবাস করার জন্য তাদের যে প্রয়োজণীয় কাগজপত্র গুলো দরকার সেগুলো ছিলো।। আর জাতিসংগের কাছে ব্যাপারটা উল্লেখ করার পরে জাতিসংগ সিদ্বান্ত নিয়ে যাদের সম্পত্তি তাদেরকে সম্পত্তির যা দাম তা দিয়ে দেবার জন্য বিবচেনা করে। পরে বাংলাদেশে আইন তৈরী হয়: পুলিশ ভাড়াটিয়া আইন। এই আইন মোতাবেক বাংলাদেশ পুলিশ যে কোন সময় যে কোন বাড়ি ফ্লাট এবং তার ডিটেইলস পরীক্ষা করে দেখতে পারবে। এই আইন টা সত্য কিন্তু পুরো ঘটনাটা আমি কোথায় শুনেছি ঠিক মনে নাই আর সেই বিষয়ে ডিটেইলস তথ্যও নাই। তো আজো তারা সেই সকল বাড়ি, ঘর, বিল্ডিং এ বসে যারা সমানে ২ নম্বরি করে যাইতাছে আর এই দেশের সরকার আইন বা প্রশাসন যেনো দেখেও না দেখার ভান করে যাইতাছে যার প্রমান হইতাছে যারা নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) ব্লগ লিখেছিলো তাদের মধ্যে কাউকেও আজো ফাসি দেয় নাই। যার দাবী ছিলো হেফাজত এমং শাহবাগ গনজাগরনের সহ সকলের। বাংলাদেশের একটি ধর্মান্ধ গোষ্টী আজো ২০১৩ সালে থানা শাহবাগের গনজাগরনের বাংলা স্লোগান জয় বাংলা স্লোগানধারীদেরকে নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) বলে ফেলায়। অথচ জয় বাংলা কিন্তু বাংগালীর প্রানের স্লোগান। মাঝে মাঝে তারা শাহবাগকেও (ষেখানে কিন্তু একটি মাজার আছে যার নাম শাহবাগের মাজার বা হাইকোর্টের মাজার) নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) বলে ফেলায় কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক না।শাহবাগ কিন্তু একটি জায়গার নাম : থানা শাহবাগ। মাঝে মাঝে তারা গনজাগরনরে সকল ধর্ম বর্নের লোক কে কটু কথা বলতেও ছাড়ে নাই। সেই ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান দের সম্পত্তি যদি জাতিসংঘ নিয়ে থাকে তাহলে শুনেছি অদূর ভবিষ্যতে সেই সকল বিল্ডিং থেকে হলি কোরান বা হলি ইনজিল বই বিতরন করা হবে মুসলিম এবং খ্রীষ্টানদের জন্য। সেইখানে সেই সকল অভিশপ্ত জায়গাগুলোতে  আর কখনোই কোন ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান দের বংশধর রা বসবাস করতে পাবে না- তারা শুধূ তাদের জায়গা জমি ফ্লাট বাড়ির ন্যায্য দাম খুজে বেড়াবে বা থারা হয়তো সেগুলো জাতিসংগের কাছে সেল করে দিয়েছে বা সেল করে ণ্যায্য দাম পেয়ে গেছে বা পাবার অপেক্ষায় আছে। 


নাস্তিক (আস্তাগফিরুল্লাহ) কথা যারা লিখেছে তারা যদি ইন্টারনেটে শারিরীক প্রেশার না দিতো তাহলে যারা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার তারা হয়তো প্রত্যেকেই কোটিপতি হয়ে থাকতো।  


  


Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

Create Email Accounts with Bluehost Server. Create Email for unique doma...

#bluehost #emailaccounts #bluehostdomian #bluehostdomians