Translate

Thursday, September 23, 2021

একটি Youtube Video থেকে পাইলাম ৭৬ জন সাবস্ক্রাইভার।

 



উপরের ভিডিও তে দেখতে পারতাছেন: একটি ভিডিও থেকে আমি প্রায় 76 জন সাবস্ক্রাইভার পাইছি। টোটাল ভিউজ দেখাইতাছে: 3200 (মূলত: 3342) । আমি প্রায় 1000 ভিউজ কিনে এনেছি। আপনারা জানেন : পেইড ভিউজ এর সাথে ইউটিউব কখনো এড দেখায় না। সেই হিসাবে 2200 ভিউজ এর জন্য 55% হিসাবে আমি পাইছি : 11.49 ডলার।  বাকী 45% ইউটিউব কেটে রেখেছে। আপনি যদি সাবস্ক্রাইভার সংক্রান্ত কোন গ্যানজামে পড়েন তাহলে সেখানে এসইও হইতাছে: একটি নির্দিষ্ট ভিডিও নিয়ে আগানো : যেটা সবাই পছন্দ করতে পারে এবং সেখানে এসইও করা । তাতে সেই ভিডিও টা পপুলার হলে একটি ভিডিও থেকেই আপনি হাজার হাজার সাবস্ক্রাইভার পেতে পারেন। 



আমার এই টেকনিক টা ভালো লাগলে আপনি আমার ইউটিউব চ্যানেল টা সাবস্ক্রাইভ করে রাখতে পারেন :  masudbcl । অনেকে মনে করে লাইকফরলাইক বা যে কোন তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আমি সাবস্ কালেকশন করি। আসলে সেগুলো চ্যানেল ভিজিট এসইও এর জন্য করা। ইউটিউব এর সাথে হ্যাকারদের (০১ নভেম্বর ২০২১ থেকে হ্যাকারদের অত্যাচার অফ হবে কারন তারা আর ইউটিউব এ লগইন করতে পারবে না 2FA ছাড়া)  গ্যানজাম থাকার কারনে যে কোন তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট থেকে সাবস এড করা অনেক দুরুহ। ১০০০ সাবস কালেকশণ করলে ১০-২০ টা টিকতে পারে। যেমন: আমি বিগত ০৮ মাসে ১০০০ সাবস এসইও করে কিন্তু  এপিআই এসএমই থেকে আসা প্রায় ২৬০০০ সাবস টিকে নাই (ভবিষ্যেতে এড হবে)  : ইউটিউব এড করার সুযোগ দেয় কিন্তু হ্যাকার রা তা ডিলেট করে দেয়। ফলে এপিআই এসএমই ওয়েবসাইট গুলো থেকে সারা বিশ্বের ভিজিটর দেরকে চ্যানেল ভিজিট করানো যায়  : আপনি যদি লাইকফরলাইক ওয়েবসাইট থেকে কোন চ্যানেল কে সাবস করার জন্য লাইকফরলাইক ওয়েবসাইট থেকে ইউটিউব সাবস সেকসানে যান আর লাল রংয়ের সাবস বাটনে ক্লিক করেন আর নতুন পেজ ওপেন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন আর সেখানে আপনি সাবস বাটনে প্রেস করেন এবং পেজ বন্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন তাহলে এই পুরো প্রসেস টা শেষ হতে ১০-১৫ সেকেন্ড সময় লাগে। এসইও এর নিয়ম অনুযায়ী : বেসিকালি কোন লিংকে (ইউটিউব চ্যানেল লিংকও একটি লিংক) ১০-১৫ সেকেন্ড ষ্টে করলেই সেটা বেসকি অর্গানিক এসইও  ট্রাফিক তৈরী হয়। আর আপনি আপনার চ্যানেলে যতো বেশী ট্রাফিক আনবেন ততো বেশী আপনার চ্যানেল ইউটিউবের সার্চ ইন্জিনে বা ডাটাবেজে র‌্যাংকে থাকবে। 






Wednesday, September 22, 2021

ইউটিউব হ্যাকারদের রিমুভ করার জন্য 2FA (Two Factor Authentication).

 










২৩শে নভেম্বর আমার জন্মদিন। আমার জন্মদিনের মাস নভেম্বর ০১ , ২০২১ থেকে  2FA (Two Factor Authentication) ছাড়া ইউটিউব ষ্টুডিও প্রোগ্রামে কেউ লগইন করতে পারবে না। এখনই সেটা দেখাইতাছে ইউটিউব ষ্টুডিও প্রোগ্রামে। নতুন করে যারা আবেদন করতে যাইতাছে বা চাইতাছে তাদের কে এই ব্যাপারটা দেখাইতাছে- মনিটাইজেশণ সেকসানে।  ধারনা করা হাইতাছে : এই 2FA (Two Factor Authentication) রান করার জন্য ইউটিউবে কোন ধরনের হ্যাকার রা অবস্থান করতে পারবে না। ইউটিউব সারভার বা ডাটাবেজ সারভাবে আর কেউ লগইন করতে পারবে না। 








ইউটিউবের সাবস্ক্রাইভার এবং ভিউজ হ্যাকারদের ও থামানো যাবে নভেম্বর ০১ তারিখ হতে কারন  2FA (Two Factor Authentication) সেটা সেট আপ হবে ইউটিউবের সারভারে। আপনি যদি একজন চ্যানেল ম্যানেজার হয়ে থাকেন এবং এডিটর হয়ে থাকেন বা হিডেন ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে অতি অবশ্যই ২ ষ্টেপ ভেরিফিকেশন করে ইউটিউব ষ্টুডিও তে লগইন করতে হবে- আপনার পারসোনাল ডিটেইলষ দ্বারা কারন আপনি যদি নিজস্ব পারসোনাল ডিটেইলস ব্যবহার না করেন তাহলে চ্যানেল অনার এর সমস্যা হতে পারে। আর লগইন করার সময়ে আপনার আলাদা করে মোবাইল ভেরিফিকেশন করার কারনে জানা যাবে আপনার পুরো পরিচয়: কারন সকল মোবাইল নম্বর ই ভেরিফকেশন করে করতে হয়। 







সেই হিসাবে আপনার যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনি ইউটিউব ছেড়ে দিতে পারেন । বয়স ১৮ এর কম হলে আপনি আপনার বাবা বা মার নম্বর ব্যবহার করতে পারবেন হয়তো বা তারপরেও ভিডিও ভেরিফিকেশন লাগতে পারে। আর আপনার যদি লিগ্যাল মোবাইল নম্বর না থাকে তহালেও ইউটিউবে আপনার খেল খতম কারন বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সহজেই আপনাকে মনিটর করতে পারবে যে: আপনি কি ভেরিফায়েড নাকি নন ভেরিফায়েড। বাংলাদেশে বিদ্যমান ইউটিউবের সকল ধাপ্পাবাবজি ব্যবসা ও বন্ধ হতে পারে: হাজার হাজার টাকা নিয়ে মনিটাইজেশন এপরুভাল করে দিয়ে পরে আর ভিউজ আসলেও ডলার আসে না। রিসেন্টলি দেখলাম একজন আমরিকান এর চ্যানেলে ৪ মিলিয়ন ভিউজ এ ৪ ডলার। 


Youtube payment proof: 47k views= 216$

 



All total views are 70k views. Out of 70 k views 23k views are paid views from SMM panel. Youtube does not run ad with paid views. For that reason 70k - 23k = 47k views = 216$ is still now earning. Now a day for some videos I am getting per views 01 cents.  Search youtube: masudbcl and please subscribe.





Tuesday, September 21, 2021

Do not get so much personal on internet.





সারা দেশের সব মানুষ যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে তখন একটা জিনিস মাথাতে রাখা দরকার যে: মানুষজন ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে ব্রেইন দিয়ে, চোখ দিয়ে বা রেটিনা দিয়ে এবং দুই হাতের কিবোর্ড  দিয়ে বা মাউস দিয়ে। তাই এই বিশ্বে কেউ কখনো ইন্টারনেট শরীর দিয়ে ব্যবহার করে নাই। ইন্টারনেট নিয়ে শারিরীক কোন সম্পর্ক নাই। মানে ইন্টারনেটের এমনতর কোন মিনিং নাই যেখানে আপনি শারিরীক সম্পর্ক হিসাবে কাউন্ট করতে পারেন। যেমন: যে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে তার ব্যক্তিগত জীবনে উকি মারা বা ইন্টারনাল লাইফ খেয়াল করে দেখা সেটা একধরনের ইন্টারনেট ক্রাইম। এইটা শূধূ তারাই করতে পারে যারা  একই কম্যুনিটির সদস্য। যেমন: ধরেন যে আমি নাটক সিনেমা দেখতে পছন্দ করি। (একসময় মঞ্চ নাটকে কাজও করেছি) তাই নাটক সিনেমার সাথে যারা জড়িত তারা এই ব্যাপারটাতে ইন্টারফেয়ার করতে পারে। আপনার সাথে আমার ইন্টারনেটে পরিচয় বা আপনি আমাকে প্রথম দেখলেন ইন্টারনেটে: তখন আপনি আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঘাটাঘাটি বা অনুসন্ধান করতে শুরু করলেন সেটাকে একধরনের ইন্টারনেট ক্রাইম বলে। তথ্য অনুসন্ধানের জন্য স্বীকৃত ইন্টারনেটে সোসাইটি (যেমন: বন্ধু, পুলিশ বা ইনআরন্যাশনাল যে কোন অর্গানাইজেশণ) শুধূ এইটা করতে পারে। অন্য কেউ এই ধরনের কাজ করলে বুঝতে হবে যে : সে মানুষ না: সে এক ধরনরে টেষ্ট টিউব বা স্পেশিয়াল টাইপের টেষ্টটিউব যারা ইন্টারনেট বলতে এক ধরনের পিক্যুলিয়ার শারিরীক সম্পর্ক কে বোঝে। 


আমি পেশাতে ফ্রি ল্যান্সার বা ব্লগার বা ইউটিউবার। বাংলাদেশের যে কোন ফ্রি ল্যান্সার বা ব্লগার বা ইউটিউবার আমার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করতে পারবে, আমাকে নিয়ে অনুসন্ধানও করতে পারবে কারন আমরা একই পেশাগত। কিন্তু আপনি আমার সাথে পেশাগাত সোসাইটির কেউ না: তখন আপনি আমার ব্যক্তিগত জীবনে উকি মারতে পারবেন না ইন্টারনেট থেকে: এই ধরনের মানুষকে বলা হয় উইংকার। তারা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাদের আদ্যোপান্ত জানতে চায় যা এক ধরনের গর্হিত অপরাধ। এই ব্যাপারটা শুধূ মাত্র বিপরীত লিংগের জন্য প্রযোজ্য। আমি একজন পুরুষ: আমার ব্যাপারে একজন মেয়ে সম্পূর্ন জানার চেষ্টা করতে পারে কিন্তু অপর কোন পুরুষ বা দেখতে পুুরষ সম্পূর্ন জানার চেষ্টা করতে পারবে না কারন এতে তাদের : যারা জানার চেষ্টা করতাছে তাদের বাই কিউরিয়াস নেচার প্রকাশ হবে। কিউরিসিটি জাগলে আপনি সেটা ভাষাতে প্রকাশ করতে হবে। সোসাইটি তে আপনি আমার গার্জিয়ান হলে আপনি আমার ব্যাপারে নাক গলাতে পারবেন। কিন্তু আপনি আমাকে চিননে না বা জানেন না বা ইন্টারনেট আমাকে এক পলক দেখে আমার ব্যক্তিগত ব্যাপারে জানার চেষ্টা করলেন : সেই ধরনের ব্যাপারগুলো খারাপ। 



মানুষ ভালো খারাপ মিলিয়ে হয়। শুধূমাত্র ভালো হয় ফেরেশতারা। আর শুধুমাত্র খারাপ হয় শয়তানের জাতের লোকগুলো যেমন : দেশীবরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) গুলো প্রজন্ম। এদের কাজ হইতাছে ইন্টারনেটে বসে থেকে মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপারে নাক গলানো। যেহেতু পিক্যুলিয়ার সেহেতু তাদেরকে উইংকার ও বলা যায় না অনেক সময়। অনেকে বলে আজাব বা গজব। তাদের বাপ দাদা এবং তাদের ও বোধ করি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। তাদের কে বাংলাদেশে কে ইন্টারনেট ব্যবহার করার অনুমতি দিলো সেটাই খুজে পাওয়া যাইতাছে না কারন তারা দেশদ্রোহী। আর তাদের কে ইন্টারনেট কানেকশন দেয়া এক ধরনের রাষ্ট্রদ্রোহীতার শামিল। সেই ধরনের লোেকগুলোকে খুজে বের করে ফাসির আইন দেবার জন্য অুনরোধ করা হলো।  এই ধরনের উইংকার গুলো ইন্টারনেটে বসে থেকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের বারোটা বাজাইতাছে। বাংলাদেশের নাম বা সুনাম নষ্ট করে যাইতাছে যা এক ধরনের দেশ বিরোধী কার্যকলাপ। আর বাংলাদেশের আইন দেশবিরোধী তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। 



চুটকি : 

থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরন চলাকালীণ সময়ে একটি পিক্যুলিয়ার গ্ররপ এর সন্ধান পাওয়া গেলো (সেখানে সব মিলিয়ে 86 টি গ্ররপ ছিলো) যারা কোন ধরনের সত্যিকারের মানুষ না : যারা এক ধরনের স্পেয়িশাল টাইপের টেষ্টটিউব। তারা থানা শাহবাগে এসেছে অনেক মানুষের সম্মেলন দেখতে। একসাথে এতো মানুষের ইন্টারনেট গনজাগরন দেখে তারা আর বুঝতে পারতাছে না যে: কিভাবে কি হলো? তারা তাদের আড্ডা বা ডেরাতে ফিলে গেলো অন্য এলাকাতে। যাইয়া জিজ্ঞাসা করতাছে: ইন্টারনেট মানে কি? তাদের মধ্যে যে ওস্তাদ সে বলতাছে : ইন্টারনেট মানে সেক্সুয়াল রিলেশন। এইটা সারাি বিশ্বে সবাই করে। কারন ইন্টারনেট মানে ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক। তো সেক্সই একমাত্র ইন্টারন্যাশনার নেটওয়ার্ক।তো তখনো অবধি তাদের কাছে মে বি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কাকেনশন ছিলো না। তো ব্রবডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশণ তাদের কাছে আসার পরে তারা বলতাছে তারা ইন্টারনেটের মালিক। তো সারা দেশের সকলে জিজ্ঞাসা করলো : ভাই কিভাবে আপনারা ইন্টারনেটের মালিক ? তো তারা উত্তরে বলতাছে:  ইন্টারনেট সাগরের তলদেশ দিয়ে তারের মাধ্যমে বাংলাদেশে এসেছে। তাদের জন্ম হয়েছে টেষ্টটিউবে (ল্যাবরেটরিতে) জারের মধ্যে : দুটি পারদের দন্ডের মাধ্যমে (যেখানে ইলেকট্রিসিটি তারের মাধ্যমে ইলেকট্রিসিটি ট্রান্সফার করা হয়) বা বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে। তো সবাই বললো: সেই তার আর ইন্টারনেটের তার তো এক না। তো উত্তরে বলতাছ যে: তারা শুনেছে  সাগরের ণীচে পারদের তার আছে। তো পারদের তার বলতে বোঝানো হয়েছে: বাংলাদেশের তার ও টেলিফোন বোর্ডের ক্যাবল যেখানে টেলিফোনের নেটওয়ার্কের পারদের তার দেওয়া (আমার সন্দেহ বাংলাদেশের তার ও টেলিফোন বোরডের ডে ব্রডব্যান্ড ইনআরনেট কাকেনশন যেটা টেলিফোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করা হয় সেটা দিয়েই মূলত বাংলাদেশে সকল ধরনের হ্যাক হয় বা হয়েছে)। তো তারপরে বলা হলো: তাহলে তোরা টেলিফোন ব্যবহার কর : ইন্টারনেট ব্যবহার করিস না। কারন ইন্টারনেটের তারে আছে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক: আলোর চেয়েও দ্রুতগতি সম্পন্ন সূক্ষ কাচের কিছু বিষয়: এমনতর বিষয় সেই সূক্ষ তার খেয়ে ফেলাইলেও কারো কিছু হবে না। সবার শেষে জিজ্ঞাসা করা হলো: তোদের কি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর আছে? বলতাছে যে: বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নাই। তো একটি দেশে কি পরিমান দুর্নীতি হলে বা দুর্নীতি গ্রস্ত হলে : বৈধ জাতীয় পরচিয়পত্র নম্বর ছাড়াই স্পেশিয়াল টাইপের টেষ্টটিউব প্রজন্ম (যেহেতু তাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই) মোবাইল ইন্টারনেট বাদ দিয়ে ফাইবার অপটিক ক্যবাল নেটওয়ার্ক  ব্যবহার করা শুরু করে দিতে পারে যারা কিনা সারা দেশের জন্য গ্যানজাম বা গনজাগরনের সকল ব্রিলিয়াণ্ট বা স্কলারদের জন্য ও গ্যানজাম। 


#মানুষের জন্ম হয়েছে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে (আরশ) : সৃষ্টিকর্তার কুল শব্দের মাধ্যমে এবং একটি আত্মা হিসাবে। পৃথিবীতে সঠিক বাবা মার ভালোবাসার মাধ্যমে পৃথিবীতে আগমন ঘটে প্রত্যেকটি মানব সন্তানের সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে। পৃথিবীতে ইন্টারনেট শুধূ মানুষের জন্য প্রযোজ্য কারন এইটা একটি ব্রেইন ওয়ার্ক। বাংলাদেশ যেনো এর ব্যতিক্রম না হয়। 


#ইন্টারনেটের একমাত্র মালিক যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা। আর আপনার যদি সে ব্যাপারে কোন অস্বীকৃতি থাকে তাহলে আপনি নিজে ইন্টারনেট ডাউনলোড করে ব্যবহার করেন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর ব্রডব্যান্ড বা ব্যন্ডউইথ কিনে আনতে হবে না। আর আমেরিকা সহ সারা বিশ্বের ইউরোপ সহ : প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে কানেকটেড। সো বাংলাদেশের প্রতি অনুরোধ দয়া করে যারা মানুষ না (যার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নাই ১৮+) তাদের কে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দিকে ঠেলে দিবেন না। আপনার দেশে যদি  এমন কেউ থাকে যার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই  এবং সে বাংলাদেশের সমাজে আছে বা বসবাস করতাছে তাহলে তাকে সারা দেশের ৯ কোটি মানুষের সমাজ : মোবাইল ইন্টারনেট এর দিকে ঠেলে দিবেন: কারন সেটা মে বি দেশ ও জাতি সকলের জন্য ই সুবিধা। সো আপনাদের সমস্যা টুকুকে আপনারা মোবাইল ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে রাখবেন তাতে করে সারা বিশ্বে মানুষজন বাংলাদেশের কারো জন্য সমস্যা ফিল করবে না। একই সাথে আপনার দেশ হ্যাকার মুক্ত থাকবে কারন হ্যাকার রা শুধূ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ই হ্যাক করতে পারে।  


ফ্রিল্যান্সার/ব্লগার/ইউটিউবার: #masudbcl

Long Tail Keyword Suggestion Tool Tutorial | #seosoftware | Small #SEO T...

Monday, September 20, 2021

বাংলাদেশে ইন্টারনেটে নেগেটিভ ইউজার দের একটি চক্রান্ত।

আমরা সকলেই জানি ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেটে একটি গ্ররপ ছিলো যারা ইন্টারনেটে ধর্মবিরোধী লিখা লিখতো এবং তা নিয়ে অনেক মজা করতো। তাদের অনেকে নিজেদেরকে ব্লগার বলে আখ্যায়িত করতো। আর সারা দেশের অনেকে ধর্মীয় ভাবাবেগে তাদেরকে নাস্তিক ব্লগার বলে আখ্যায়িত করতো। এখনো অনেক খানে যারা ইন্টারনেটে বাংলা লিখে তাদেরকে নাস্তিক ব্লগার বা নাস্তিক বলতে দ্বিধাবোধ করে না। ইন্টারনেট যদিও ইংরেজী ভাষাতে চলে আর সেখানে বাংলা লেখা একটি দূরুহ বিষয় কিন্তু ইন্টারনেটে বাংলা লেখা মানেই কোন ধরনের নাস্তিকতা না। ইন্টারনেটে যদি কেউ ধর্মবিরোধী কোন কথা লিখে থাকে তাহলে তাকে নাস্তিক রাইটার বরে আখ্যায়িত করতে পারেন আপনি। মূলত ব্লগার  শব্দটা  একটি ইংরেজী শব্দ যা ইন্টারনেটে ডট কম নামে চলে যেমন: blogger.com 


তো এই ধরনের নাস্তিক রাইটার রা ইন্টারনেট থেকে শুরু হওয়া গনজাগরন ২০১৩ সালের মধ্যে পরিকল্পনা মাফিক একটি নাস্তিক ব্লগ চালান করে দেয় যেখানে গনজাগরনরে সৌন্দর্য নষ্ট হয় অনেক- অনেকে বলে গনজাগরন সেখানে থেমে যায় বা গনজাগরনের সকলেই কষ্ট পায়। অনেক বাংলার মানুষ জন কষ্ট পায়। শেষে রহস্য উদঘাটন হয় থানা শাহবাগের সার্কেল থেকে কেউ এটা লিখে নাই। একদল বিরোধী যারা দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), দেশবিরোধী (ফাসি) প্রজন্ম এইটা পরিকল্পনা করে সেট আপ করে যার কিছু প্রমানাদিও তখন জনসম্মুখে ওপেন করা হয়। যাই হোক: সারা জীবন ও যদি কেউ নাস্তিক থাকে তাহলে সে মৃত্যুকালে কালেমা বলতে পারে বা মনে করতে পারে। আর সারা জীবনও যদি কেউ ধর্ম পালন করে বিধাতের সহিত: তাহলে মৃত্যুকালে তার কালেমা নাও আসতে পারে। তাই সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ : মানুষের দোষ গোপন করা। কারন কেউ নাস্তিক না আস্তিক সেটা বিবেচনা করার দ্বায়িত্ব সৃষ্টিকর্তার। সেটা সৃষ্টিকর্তা বিবেচনা করবে কাল হাশরের দিন। মানুষ ধর্মের মালিক না: মানুষ ধর্ম  পালন করে। সেই প্রেক্ষিতে থানা শাহবাগের গনজাগরন বলেছিলো: ” নাস্তিক না আস্তিক জানে মোর খোদা: তুই বলার কে ”? 



গনজাগরন চলাকালীন সময়ে আমি হঠাৎ করে একম একটি নাস্তিক গ্ররপের চ্যালেন্জের মুখোমুখি হই ইণ্টারনেটে। আমি তখন দেখি তারা আদতে মানুষ না : টেস্টটিউব। তাই ভাবলাম ১০০ কোটি টেষ্টটিউব আসলেও কোন সমস্যা নাই কারন তারা আমাকে মারতে পারবে না। আমাকে বানিয়েছে সৃষ্টিকর্তা : সো আমাকে মারার মতো ক্ষমতাবান শুধূ উনিই বা উনার নির্দেশে হয়তো বা আজরাইল (আ:)। তাই ভয় না পেয়ে তাদের চ্যালেন্জ টাকে মোকাবেলা করলাম। যেদিন প্রথম ফাসি কার্যকর হয় দেশবিরোধী কসাই কাদেরের : সেদিন আমি শাহবাগে দন্ডায়মান: প্রোগ্রাম ছিলো: ফাসির উৎসবে জমবো সবাই। তার কিছুদিন পরেই  সেই গ্ররপের সাথে যোগাযোগ হয়: পরিকল্পনা মোতাবেক তাদের সাথে দেখাও করি এবং তারা তাদের সাথে থাকার জন্য অনুরোধ করি। আমি কিছু না বলে বলি: দেখা যাক কি হয়। একটা বড় সড় ক্ষতি হয়ে গেলো: তা হলো আমি যখন ঘুমের মধ্যে ছিলাম তখন তারা আমার গলায় বা ঘাড়ে চাপাতি রেখে ছবি তুলে তা দিয়ে সারা বিশ্বে ইন্টারনেটে আমার যারা পরিচিত তাদের কাছে পাঠানো শুরু করে এবং তাদের ব্লাকমেইল বা হ্যাক করার চেষ্টা শুরু করে। শুনেছি এখনো তারা সেই ছবিগুলো সব সময় মানুষজন দের কে মেইল করে পাঠায় আর থ্রেড দেবার চেষ্টা করে যাতে ফরেনার (যেহেতু আমি ফ্রি ল্যান্সার সেহেতু আমার হাজারো ক্লায়েন্ট) রা ভয় পেয়ে তাদের কে কাজ দেয় বা অর্থ দেয়। তো আমি কিছুটা বিপদে পড়ে গেলাম। আদতে তারা আমাকে মারতে পারবে না কারন তারা মানুষ  না (এক ধরনের টেষ্টটিউব)  : কিন্তু তাদের কে এই বুদ্বি কারা দিলো তা বুঝতাছি না? 



তারপরে আজ পর্যন্ত প্রায় 7/8 বছর কেটে গেছে: কিন্তু এখনো মনে হয় যে: ইন্টারনেটে বাংলাদেশের অনেক ব্যাপারে তারা এই ধরনের ঝামেলা করতাছে যেনো আন্তর্জাতিক বিশ্ব তাদেরকে মূল্যায়ণ করে কিন্তু বাস্তবে সকলেই তারা একটা বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে ইন্টারনেটে। আর এখণ আমি তাদরে কাছ থেকে মিনিমাম 100 মাইল দূরে আছে আর বাংলাদেশে ১০০ মাইল দূরে মানে ঢাকা : গাজীপুর: ময়মনসিংহ  প্রায় ৩-৫ কোটি মানুষের বসবাস। আদতে তারা আমাকে কিছু করতে পারবে না: কিন্তু বাস্তবে তারা যেনো ইণ্টারনেট থেকে কোন সুবিধা না পায় সেটা কিভাবে সেট আপ করা যায় তা আর বুঝতে পারতাছি না। ইন্টারনেটে এই গ্ররপটাকে খতরনাক গ্ররপ বলে চিনে সবাই্ এদের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। সো আশা করি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এদেরকে ইন্টারনেট থেকে বহিস্কৃত করবে। 



In this world: we are Jesus Christ follower runs our life by vision. SO we do not dare any thing. I have vision about the next 20 years: So I do not dare any thing. Jesus loves every one.


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl





বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে যাবে ।




যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোরনিয়া থেকে আসা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা বাংলাদেশের মার্কেটপ্লেস, আউটসোর্সিং এবং ফ্রিল্যান্সিং ইন্ডাষ্ট্রি এবং সোশাল মিডিয়া ইন্ডাষ্ট্রি গড়ে উঠেছে যেখান থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরী হয়েছে বা তৈরী হইতাছে। বর্তমানে ইন্টারনেট থেকে ডলার উপার্জন সকলের কাছেই একটি স্বপ্নের মতো। ইন্টারনেটে আমেরিকার ডলার ইনফিনিটিভ। সেই ক্ষেত্রে স্বপ্নের দেশ আমেরিকা তে পা না ফেলে বাংলাদেশে ঘরে বসে ডলার উপার্জন করা একটি বিশাল ব্যাপার বা বিশাল একটি কর্মযজ্ঞ হয়ে দাড়িয়েছে। ধারনা করা হয় বাংলাদেশ পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম বড় একটি ভারচুয়াল ষ্টেশন । সেইখানে সারা দেশের সমস্ত শিক্ষিত ছেলে বা মেয়েদের মেধা যেনো ব্যবহৃত না হয় সেজন্য স্বাধীনতা বিরোধী (ফাসি) বা দেশবিরোধী (ফাসি) একটি চক্র এবং তাদের প্রজন্ম খুবই একটিভ। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন খানে বা জায়গায় বেজায়গায় বলে বেড়াইতাছে যে: এইভাবে ডলার উপার্জন করলে বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে যাবে। শালার মগা কোথাকার: এইভাবে ডলার উপার্জন করাতে বাংলাদেশের ব্যাংক গুলো থেকে টাকা উত্তোলন করে সেগুলো লোকাল মার্কেটে খাটানো যায় যেখানে গরীব মানুষের দেশ বা মার্কেটগুলোতে লিক্যুইড কারেন্সী বৃদ্বি পায়। 


প্রথমত টাকা বাংলাদেশে র বাহিরে অচল। তবে স্বাধীনতা বিরোধী (ফাসি) বা দেশবিরোধী (ফাসি) একটি চক্র এবং তাদের প্রজন্ম বাংলাদেশের টাকা হয়তো ইন্ডিয়াতে নিয়ে যাইয়া রুপি বানায় আবার সেই রুপি পাকিস্তানে নিয়ে যাইয়া হয়তো রুপিয়া বানায় এবং সেই রুপিযা মে বি রাশিয়াতে নিয়ে যাইয়া রুবেল বানায় এবং সেগুলো দিয়ে অস্ত্র কেনা বেচা করে : তাদের জন্য সচল আছে। যাদেরকে এক কথায় দেশবিরোধী প্রজন্ম(ফাসি) বলা যায় বা রুপি/রুপিয়া/রুবেল কেনা বেচা করা গুরপ ও বলা যায় বা অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী ও বলা যায় : তাদের চোখে বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে যাইতে পারে। 



সচরাচর বাংলাদেশের যারা ইন্টারনেট থেকে ডলার উপার্জন করে বা ডলার উপার্জন করে যাইতাছে তারা সবাই শিক্ষিত: ফলে তারা যখন ডলার উপার্জন করে সেটা বাংলাদেশ সরকারের কাছে রেমিটেন্স হিসাবে আসে। সরকারের ভেতরে চোর বা চামার থাকার কারনে হয়তো সঠিক ভাবে জানা যায় না যে : বাংলাদেশে কতো পরিমান রেমিটেন্স আসে বা কি পরিমান রেমিটেন্স ইন্টারনেটে থেকে আসে : যেমন পাওয়া যায় নাই বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত ইন্টারনেটের তার যা দিয়ে সারা দেশের সব মানুষ ইন্টারনেটে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকটেড থাকার কথা।  তো দেশ চালায় গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার (ধরতে গেলে বিসিএস ক্যাডার রা। কোন রাজনৈতিক সরকার দেশ চালায় না। রাজনৈতিক প্রতিনিধি রা জনপ্রতিনিধ। সরকারের সিদ্বান্তগুলো জনগনের কাছে পৌছায়)।  দেয় আর গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ই দেয় ইন্টারনেটে আসা ডলার কে ক্যাশ করে আর প্রাইভেট ব্যাংকগুলো সেগুলোকে ক্যাশ করে উপার্জন কারীর হাতে দেয়। আর সেই সকল উপার্জন কারীরা সেগুলো নিত্য প্রয়োজনীয় মার্কেটে খরচ করে এবং শেষ করে। যেহেতু তারা চোরা কারবারী না: তাই টাকা চুরি করে তারা দেশের বাহিরে নিয়ে যায় না্ যখন দেশের বাহিরে যায় তখণ পাসপোর্ট এনডোর্স করে নিয়ে যায় বা ডুয়াল কারেন্সী হিসাবে নিয়ে যায় ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডে।



জোতদারী আর মজুতদারীর এই বাংলাদেশের সমাজে টাকা কে অনেক সময় গচ্ছীকৃত করে রাখা হয়। ফলে সাধারন গরীব মানুষের কষ্ট হয় অনেক বেশী। দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) এর একসময়কার চাহিদা ছিলো সব বাংগালীকে মাইরা ফালানো। আজো তারা সেই স্বপ্নই দেখে যাইতাছে যদিও তাদের বাপ দাদাদের ফাসির মাধ্যমে মাইরা ফালা ফালা করে ফেলা হয়েছে কিন্তু তাদের প্রজন্ম (ফাসি) তাদের বাপ দাদাদের শিখানো ভুলি ছাড়ে নাই। তাই সাধারন গরীব মানুষ যেনো অর্থ না পায় কাচাবাজর বা লোকাল মার্কেট থেকে: তারা যেনো ব্যবসা করে না চলতে পারে বা উপার্জন করে না চলতে পারে সেজন্য সারা দেশে তারা সরব তুলে: ডলার উপার্জন করলে সব টাকা শেষ হয়ে যাবে: ব্যাপারটা সত্য না। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সব ধরনের মানুষকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডলার উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে এবং সেই ডলার লোকাল মার্কেটে খরচ করতে অনুপ্রানিত ও করে থাকে: রেমিটেন্স যোদ্বা হিসাবে সম্মান ও দিয়ে থাকে। 



ফ্রি ল্যান্সার, আউটিসোর্সিং, মার্কেটপ্লেস এবং এফিলিয়েট এবং সাম্প্রতিককালে শুর ‍ুহওয়া মনিটাইজার রা সাধারনত উন্নত রুচির পরিচয় দিয়ে থাকে সবসময়। তারা যে ডলার উপার্জন করে থাকে তা তারা তাদের লোকাল ব্যাংকে নিয়ে আসে আর সেখান থেকে তারা তাদের মোবাইল ব্যাংকে নিয়ে আসে। সংখ্যার মাধ্যমে তারা চলা ফেরা করে। রেষ্টুরেন্টে খাবে : ক্যাশ টাকার বিল পে নাই : ক্রেডিট কার্ড এ বিল দেয়া হলো। কেনাকাটা করলেও শপিং কার্ডে বিল দিলাম। এইটা একটা প্রজন্ম ই গড়ে উঠেছে : ধারনা করা হয় ৬৪ জেলা সদরে প্রায় ২কোটি মানুষের প্রজন্ম। এরা কখনো ক্যাশ টাকা হাতায় না : এরা নিম্নে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে আর উধ্বে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে। শুধূমাত্র রাস্তা ঘাটে ভাড়া বা রিক্সা ভাড়া বা লোকাল কাচা বাজার করার সময় ক্যাশ টাকা লাগে এদের। সব খরচই এরা ইলেকট্রনিক ওয়েতে মেটায়। তাহলে যদি এই প্রজন্ম ক্যাশ টাকা না হাতায় তাহলে ক্যাশ টাকা শেষ হবে কি করে? এটিএম থেকে টাকা তুললেই সেই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) প্রজন্ম এর  মাথা খাারপ হয়ে যায় যে: বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে গেলো। আমি জানতে চাইতাছি : স্বাধীনতা বিরোধী (ফাসি) বা দেশবিরোধী (ফাসি) একটি চক্র বা দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চাদের (ফাসি) বাংলাদেশের কোন খতরনাক চক্রান্ত্র টাকার বা ক্যাশ নোটের মালিক বানিয়েছে বা কোথায় বাংলাদেশ সরকার ঘোষনা দিছে যে: বাংলাদেশের সব টাকার মালিক দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার প্রজন্ম। এই ধরনের কোন লিখিত ঘোষনা বা গ্যাজেট তো কোথাও দেখি না।  


এই সকল দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) র কাছে থেকে বাংলাদেশ কে রক্ষা করতে হরে : আইন প্রনয়ন করা দরকার যেনো: দেশবিরোধী দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) বাংলাদেশের কোন টাকা বা ব্যাংক নোটে হাত দিতে পারবে না। টাকা বা ব্যাংক নোটে হাত দিতে হলে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ধারী হতে হবে কারন টাকা তে বা ব্যাংক নোটে লেখা থাকে: গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। তো যে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর নাগরিক না সে তো এই টাকাতে হাত দিতে পারবে না বা টাচ করতে পারবে না। হাত দিলে বা টাচ করলে তাকে জেলখানাতে বা আইন পুলিশের গ্রেফতারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তাহলে এই দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) আর কখনো বাংলাদেশের টাকা বা ব্যাংক নোটে হাত দিতে পারবে না এবং আর কখনো বলতেও পারবে না যে: বাংলাদেশের সব টাকা শেষ হয়ে যাবে। স্বাধীনতা বিরোধী (ফাসি) রা বাংলাদেশের কোন কিছুরই মালিক না: নট ইভেন বাংলার আকাশ বা বাতাস। তাদের সামনে শুধূ একটাই পথ: ফাসি বা আত্মহত্যা। 


নোট : শুনেছি: রাজধানী ঢাকা শহরের একটি সংঘবদ্ব চক্রান্ত তাদের বাপ দাদাদের দেশ শতরু দেশ থেকে বিপুল পরিমান ২ নম্বর বা ডুপ্লিকেট ব্যাংক নোট ছাপিয়ে নিয়ে  এসেছে : বাংলাদেশে র টাকা এবং আমেরিকান ডলার যা দিয়ে ঢাকা শহরে তারা একটি মিথ্যা প্রজন্ম তৈরী করে রেখেছে।  দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) এর মূল সমস্যা হলো : তারা শতরু দেশ থেকে বাংলাদেশে এসেছে বাংলার আকাশ বাতাস বা বাংলার মেয়েদেরকে (যদিও সারা বাংলার মেয়েরা একণ অনেকটাই সরব তাদের বিুরদ্বে) জবর দখল পূর্বক ভোগ করার জন্য : কিন্তু তারা বাংলাতে ঢুকে আধ্যাত্মিক জগতে র ইন্টারনেট দখল বা ভোগ করতে যাইয়া  তারা যে জাতে কুত্তা তার স্বরুপ চিনাইয়া দিতাছে। তাই বাংলাদেশের ইন্টারনেট কে দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) মুক্ত দেখতে চাই যারা অশিক্ষিত নিরক্ষর আর ফস করে বলে উঠবে না : মেকাপ সুন্দরী রা সবচেয়ে সুন্দরী বা বাংলার টাকা সব শেষ হয়ে যাবে।  এক কথায় যার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নাই: সে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না। যেহেতু দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি)  জাতে কুত্তার মতো আর তারা যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করে: তাই দেখা যাবে ফট করে একদিন টোটাল বাংলাদেশ ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে যেটা হবে একটা বাংগালীর জন্য একটি অপূরনীয় ক্ষতি আর সেটা হবে একই সাথে দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) এর স্বপ্ন পূরন। তাই সময় থাকতে বাংলাদেশের সকলেই সতর্ক হয়ে যাবেন: দেশবিরোধী (ফাসি) দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) এর বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই, তাদের বৈধ ভোটার নম্বর ও নাই আর তারা বৈধ জাতীিয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া ইন্টারনেটও ব্যবহার  করতে পারবে না। প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে প্রতিবাদ করে উঠলে ইন্টারনেটের -ইন্ডাষ্ট্রি বাংলাদেশে টিকে যাবে: গবেটের মতো আর স্বপ্নের দেশ আমেরকিা তে যাইয়া  ৭০-৮০ ডিগ্রী েসেন্ট্রিগ্রেডে মরার কোন দরকার নাই। ডলার এখন ঘরে বসেই উপার্জন করা যায়: প্রয়োজন মেধা। যার মেধা নাই তার তো কিছুই করার নাই। 



যদি আমরিকান সরকার আপনাকে বা জয় বাংলা প্রজন্ম কে ইনভাইট করে নিয়ে যায় সেটা ভিন্ন কথা। যেমন বাংলাদেশের শাহবাগ গনজাগরন (২০১৩) কে আমেরিকার জাষ্টিস ডিপার্টমেন্ট মূল্যায়ন করেছে। 




 ফ্রি ল্যান্সার/ব্লগার/ইউটিউবার:  #masudbcl

Sunday, September 19, 2021

আমার বিরুদ্বে থাকা একটি সংঘবদ্ব চক্র।

 একটি সংঘবদ্ব চক্র পরিকল্পনা করে আমাকে একটি খারাপ সমাজের সাথে ইনভলব করার চেষ্টা করতাছে। রাজাকার (ফাসি) পন্থী একজন মহিলা আমাকে নিয়ে অনেক আজে বাজে ধারনা এবং কথা বলে যাইতাছে বিশ্বের বিভিন্ন খানে। যেহেতু সে রাজাকার (ফাসি) পন্থী সেহেতু তার ধারনা হইতাছে আমি বুঝি বাংগালী মেয়েকে ধর্ষন করতে ইচ্ছুক। কারন বাংলাদেশে রাজাকার (ফাসি) দের সমাজ বলতে ধর্ষনের সমাজই বোঝায়। সে যেহেতু রাজাকার (ফাসি) পন্থী তাই সে বিশ্বের অনেক খানে বলে বেড়াইতাছে যে: আমি বাংলাদেশের সমাজের সাথে ইনভলব হতে চাই কিন্তু ব্যাপারটা সত্য না।



আমরা যীশু খ্রীষ্টের অনুসারী রা একটা পন্থা বা নিয়ম ফলো করি সবসময়। সেটা হইতাছে আমরা কখনো কোন মেয়েকে ধর্ষনে বিশ্বাসী না এবং আমরা সমাজেও বিশ্বাসী না। আমরা যেটা বিশ্বাস করি হইতাছে ফ্রেন্ডশীপ, বন্ধুত্ব , রোমান্স এবং ভালোবাসা। সমাজ থেকে কোন মেয়েকে আমরা ভোগ করি না কারন আমরা মেয়েদের কে ভোগ্য পন্য মনে করি না। আমি যখন রিহ্যাব সেন্টারে ছিলাম তখনো আমরা যীশু বরাবর এবাদত বা প্রে করেছি এবং আমি ছোটবেলা থেকেই যীশুর অনুসারী। 



তো যীশূর ব্যাপারে অনুসারী হয়ে আমরা যেটা অনুধাবন করি সেটা হইতাছে শুধূ মাত্র সেই ধরনের মেয়ের সাথে মেলামেশা করতে পারবো যে আমাকে ভালোবাসবে বা যে আমার প্রেমিকা হতে স্বক্ষম (এক কথায় অবৈধ সামাজিক মেলামেশা বা বিবাহ বহির্ভূত বা বিবাহ হতে পারে এরকম যৌন সম্পর্ক ছাড়া কারো সাথে সম্পর্কে না জড়ানো) : আমি শুধূ তাদের সাথে মেলামেশা করতে পারবো। এর বাহিরে গেলে আমার ধারনা মোতাবেক আমার জন্য বিপদ হতে পারে। এর বাহিরে বলতে বোঝানো হইতাছে যে : আমি কখনো বাংলাদেশের তথাকথিত সমাজে ইনভলব হতে পারবো না। আর আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে কখনো বাংলাদেশের তথাকথিত নারী সংঘের সমাজকে এলাও করি না : আমার ব্যক্তিগত জীবনে বলতে পারেন নারী সংঘ সম্পর্কিত বাংলাদেশের সমাজটাকে আমি এক প্রকার ঘৃনা করি জীবনের অন্ত:স্থল থেকে কারন অবাধ যৌনাচার। 





তো সেই সংঘবদ্ব চক্রকে একটি ইউটিউব চ্যানেল দেখতে বলেবো যার নাম জীবনের জল। অনেক সময় ইউটিউবে এড দেখানো হয়: যে যীশূ ঘূমের মধ্যে এসে বুকে বা মাথাকে হাত ভুলিয়ে চলে যায়। আমরা সেটা বিশ্বািস করি বিধায় আমরা কখনো সমাজকে এলাও করতে পারি না। বাংলাদেশের সমাজে দেখেছি নারী এবং পুরুষের অবাধে মেলামেশা : যে যারে যেখানে মনে চায় বা যার যখন মনে চায় সমানে নারী কে ভোগ করার নাম সমাজ বলে বা বলে থাকে। এইটাকে আমি রাজাকার (ফাসি) পন্থী মন মানসিকতা বলে থাকি। রাজাকার (ফাসি) রা এবং তাদের প্রজন্ম রা নারীকে সবসময় ভোগ্যপন্য হিসাবে মনে করে থাকে (যেমন ৭১ এ মনে করেছে) যেখানে আমি মেয়েদের কে সম্মান করতে জানি। সেই রাজাকার (ফাসি) পন্থী মহিলা আমার এলাকাতে একটি কুচক্র গ্ররপ সেট আপ করেছে। আমি কয়েক বছর আগে রাজধানী ঢাকাতে ছিলাম: তখন সেই কুচক্রী মহিলা ময়শনসিংহে আমাদের এলাকাতে এসে তার অনুসারীদের নিয়ে একটি কুচক্র সেট আপ করে: যেখানে সে বলে  দিয়ে যায় : আমার সাথে যদি কোন মেয়ের শারিরীক সম্পর্ক হয় তাহলে সেই মেয়েকে ধরে নিয়ে থানা হাজতে বলার জন্য যে আমি তাকে ধর্ষন করেছি এবং আমার বীর্য/ডিএনএ কালেকশন করে থানা হাজতে প্রমান হিসাবে সাবমিট করার জন্য: যেনো বর্তমান আইনে ধর্ষনের সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা সেই রকম কোন ঝামেলাতে আমাকে ফাসানো যায়। সৌভাগ্য ক্রমে আমি সেটা জেনে যাই এবং এখনো আমি এতো পরিমান সতর্কতা অবলম্বন করেছি যেনো কোন মেয়ে আমাকে কোন প্রকার ফাদে না ফেলাতে পারে। 



ছোটবেলা থেকেই খুব ভালো করে খেয়াল করে দেখেছি: বাংলাদেশের সমাজে অধিকাংশ মেয়ে বা নারী আড়ালে বা প্রকাশ্যে রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) দ্বারা ধর্ষিত হয়ে আসতাছে। জানা মোতাবেক রাজাকার (ফাসি) রা এক ধরনের ভাইরাস (স্বাধনিতা যুদ্ব চলাকালীন ১০০ ধরনের বাংগালী মেয়েকে[ জানেন তো বাংগারী মেয়েরা ১০০ ধরনের হয়] ধর্ষন করার জন্য তারা এমন এক ভাইরাসের জন্ম দিয়েছে যে সেটার গততি প্রকৃতি আবিস্কার করা যাইতাছে না। এই ভ্যাপারে ডিটেইলস আরেকদিন বলবো) । মূলত তাদের জন্য এইডস বা পেনডেমিকের উৎপত্তি বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই সেই সমাজ থেকে আমি সবসময় ১০০% দূরে থাকার চেষ্টা করি। আমি খুব ভালো করে এই সমাজটাকে চিনি যেখানে অধিকাংশ নারী বা মেয়ে রা নীরবে নিস্পেষিত হয় কিন্তু সেই অমানুষরা হয়তো এই মেয়েদের কে ব্যবহার করে মানুষ হিসাবে থাকতে চায় কিন্তু বাস্তবে দেখা যাবে যে : তারা একধরনের কুত্তা। আসলে রাজাকার (ফাসি) রা এক ধরনের নাস্তিক তাই মানুষের চোখে ধর্মীয় অভিশাপ মোতাবেক : তারা কুত্তা হিসাবে ধরা দেয়। ছোটবেলা থেকেই জয় বাংলা বলতে পারি : তাই আমি যখণ কোন মেয়ের সাথে মেলামেশা তরি তখন প্রথমে তাকে জয় বাংলা বলতে বলি। যদি বলতে পারে তাহলে আমি আগাই বা বন্দুত্ব করি। এই যুদ্বে থাকার কারনে  (আমি আমার জীবনে প্রচুর নারী বন্ধু পেয়েছি (যারা সবাই জয় বাংলা বলতে পারেন) বলতে পারেন আমি ব্যক্তিগত জীবনে অতৃপ্ত না : কিন্তু ছোটবেলা  থেকে একটি নিয়্যত করেছিলাম যে : আমি মুসলিম ধর্মের নবীর নিয়মানুযায়ী ৪০ বছর বয়সে সংসার শুরু করবো। কিন্তু কোন কারনে সেটা আর সফল  হয়ে উঠে নাই- সেই কুচক্রী সংঘব্দব গ্ররপের কারনে। এখনো আমি অবিবাহিত, একা, ব্যাচেলর আছি এবং নারী খুজে বেড়াইতাছি: পাত্রী দেখা দেখি চলতাছে: হয়তো যে কোন সময়ে ডুপ্লিকেট হয়ে যাবো কিন্তু বয়সে হয়ে গেছে ৪২। 



তো সেই রাজাকার (ফাসি) পন্থী মহিলা এই কথাটা জানতো যে : আমি ৪০ বছর বয়স থেকে সংসার জীবন শুরু করতে চেষ্টা করবো। সেই মহিলা আদতে একটি কুত্তা (ণাস্তিক)। সে যেহেতু মানুষ না সেহেতু সে একটি সংসারকে সমাজ মনে করে আর সমাজকে ও সংসার মনে করে। তাই সে সবখানে বলে বেড়াইতাছে: যে আমার সার্টিফিকেট এজ এখনো ৪০ হয় নাই তাই বাংলাদেশে আমি সংসার শুরূ করতে পারবো না । স্কুলে থাকাকালীন আমি আমার বয়স কমিয়ে রেখেছিলাম ২ বছর স্কুলের স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী।  তো সেই মহিলা বলে বেড়াইতাছে যে:  আমি আমার বয়স ৪২ এবং সার্টিফিকেট এজ ৪০ হবার পরে বাংলাদেশের সমাজ পাবো কিন্তু আদতে আমি কোন সমাজ খুজতাছি না এবং দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), দেশবিরোধী (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম জড়িত আছে এরকম কোন সমাজ আমি খুজতাছি না : আমি একজন ভালো পাত্রী এবং ভালো মনের মেয়ে খুজতাছে যার কাছে সমাজ থাকবে না তবে স্বাধীনতা থাকবে: যে জয় বাংলা বলে তার দেশটাকে স্বাধীন করে ছাড়বে। এখন যে কেউ প্রশ্ন করতে পারে যে কিভাবে সম্ভব? আমি যেহেতু মুসলিম ধর্ম বিশ্বাস করি তাই মুসলিম ধর্মে থাকা সংসারের জন্য যে এবাদত সে এবাদত টা করেছি এবং আরো ১০/১১ জনের জন্যও করেছি। খোদার রহমতে সেই সকল ৮/৯ জনের বিয়ে অলরেডী কমপ্লিট। হয়তো কোন কারনে আমার দেরী হইতাছে তবে আমি বিশ্বাস করি যে কোন সময়ে হয়তো আমার জীবনের ইনিংস শুরু হয়ে যাইতে পারে। 



যে সমাজে রাজাকার (ফাসি) রা জীবীত অবস্থায় বসবাস করে আমি সেই সমাজ টাকে ঘৃনা করি। আমার কাছে সমাজ ফাসির যোগ্য আসামী। তো সেই সংঘবদ্ব চক্রকে বলি: আপনারা একটি মারাত্মক ভুল করতাছেন বা করেছেন যা হইতাছে: আমি কখনো সমাজকে এলাও করবো না এবং আমি সংঘবব্দ চক্রের পাতানো সমাজটাকে গ্রহন করবো না। থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরন (২০১৩) চলাকালীন সময়ে কুচক্রী গ্ররপের পরিকল্পনা মোতাবেক : দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), দেশবিরোধী (ফাসি) প্রজন্মের লোকজন বিগত ৮-৯-১০ বছল যাবত যেই মেয়েগেুলোকে ভোগ দখল করে যাইতাছে পরিকল্পনা মোতাবেক সেই মেয়েগুলোকে আমার হাতে ধরিয়ে দেবার যে পরিকল্পনা তা কখনো সফল হবে না। 


  • অনিরাপদ এবং অপরিচিত যৌন সম্পর্কে এইডসের বিস্তার ঘটে। 
  • সমাজে এইডসের বিস্তার অনেক বেশী। 
  • সমাজে যৌন সম্পর্কে কোন ধরনের কনডমের ধার দ্বারে না কেউ।
  •  এখন পর্যন্ত এইডসে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ কোটির ও বেশী। 
  • পৃথিবীতে প্রায় ৩৬ ধরনের এইডস আছে। বাংলাদেশে তার কয়েকটি পরীক্ষা বিদ্যমান।
  • অনিরাপদ এবং অপরিচিত ওরাল সেক্সে এসটিডি হয় অনেক সময়। (STD: Standard transmission Disease).
  • পৃথিবীতে এরকম কোন ধর্মগ্রন্থ নাই যেখানে সমাজকে বা  অবৈধ সামাজিক সেক্স কে বৈধতা দেয়া আছে (থাহলে বলা যায় প্রেম ভালোবাসা বা সম্পর্ক ছাড়া যে সকল সামাজিক সম্পর্ক তৈলী করে তারা নাস্তিক বা বডিলি নাস্তিক) । সবখানেই বলা আছে: যাকে ভালোবাসো, যে স্ত্রী বা যে বিশ্বস্ত প্রেমিকা শুধূমাত্র তার সাথেই সেফ সেক্স বা যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা। 
  • যাকে মনে চায় তার সাথে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করা (দেশবিরোধী রাজাকার (ফাসি) দের নিয়ম) : ক্ষমতার জোড়ে বা ছলে বলে কৌশলে মেয়েদের কে ট্যাপে ফেলে শারিরীক সম্পর্ক তৈরী করা বা বাংলাদেশের তথাকথিত সমাজের দাপটে বা নিয়মে অচেনা অজানা মেয়েদের সাথে শারিরীক সম্পর্ক তৈরী করে এইডসের বিস্তার ঘটানোতে কোন আগ্রহ নাই। 
 

শেষ কথার পরে একটি কথা থেকে যায় যা হলো: ভালোবাসা বা সম্পর্ক। সম্পর্কে অনেক কিছু জায়েজ মনে হলেও খেয়াল রাখতে হবে: ভালোবেসে ভালোবাসার মানুষকে যেনো অনিরাপদ ভাইরাস বা জীবানু না দেয়া হয়ে যায়। যাকে ভালোবাসেন তাকে রোগ বালাই মুক্ত রাখা এবং তার সারাজীবনের সুস্বাস্থ্য কামনা করা আপনার ভালোবাসার ধর্ম ও হবে বোধ করি। 



নোট: শুনেছি টেষ্টটিউব প্রজন্মের বলে এন্টিবডি ঠিকমতো জমে না বা  নাই। সেজন্য তারা সবসময় কনডম ছাড়া সেক্স বা যৌন সম্পর্ক করে। যার এন্টিবডি থাকবে না তার কি কোন রোগ বালাই হবে বা কোন রোগ বালাই জন্ম হবে? তবে ভাইরাস (যা মানুষের শরীরের গোস্তেকে আক্রমন করে) বা রক্তবাহিত রোগ হবে সেটা কনফারম। যাকে বর্তমান বিশ্বে বলা হইতাছে পেনডেমিক : তার মেজর কারন আমি মনে করি অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক।

 


ফ্রিল্যান্সার/ব্লগার/ইউটিউবার: #masudbcl


Per views 01 cent on Youtube Monetization Program. Keyword Research tool.

 


305 views = 2.68$. 2.68 x 100= 268 cents as a 55%. 
As a 45% : youtube taken: 2.19$
2.68+2.19= 4.87$
So far you can say: 305 views I have received 4.87$ or 487 cents
1.59 cents for per 1 view.





Search youtube: masudbcl and please subscribe & press the bell icon.






Saturday, September 18, 2021

Per Views 01 cent on Youtube. Subscribe youtube: masudbcl | Keyword competition Tool |



Total Views = 413
Paid views =100 ( You know paid views does not show the revenue ad)
So You can say 313 views = 2.68$
Payment stats are 1 day delayed. Some more will be add after 12 hours.
Now 313 views= 313 cents = 2.68$ x 100 cents= 268 cents

So I can say easily per views 1 cents. 
Subscribe Youtube: masudbcl

2.68$ as a 55% of payment. The other 45% is 2.19$. You know youtube takes 45% revenue.
Total = 2.68+2.19=4.87$
So far you can say : 313 views gave me 4.87$. As a 55% I got 2.68$






 

Small SEO Tools | Related Keywords Finder |


 

Thursday, September 16, 2021

দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) প্রজন্ম (ফাসি) ই বাংলাদেশে হ্যাকার প্রজন্ম।

 দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) প্রজন্ম (ফাসি) এর মূল চাহিদা ই হলো সবসময় বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি করা। বাংলাদেশে হ্যাকিং নিষিদ্ব থাকা সত্বেও এবং হ্যাকারদের বিরুদ্বে রাষ্ট্রীয় সাজার বিধান থাকলেও (সেনসিটিভ ইস্যু : যেমন বাংলাদেশ ব্যাংখ হ্যাকিং এর সাথে যদি কেউ জড়িত থাকে তাহলে তার ফাসির বিধান আছে) তারা সমানে সমাজে এক শ্রেনীর মানুষের সহায়তায় হ্যাকিং করে যাইতাছে। তাদেরকে যারা সাহায্য সহযোগতা করতাছে তারাও এক ধরনের দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) প্রজন্ম (ফাসি) এবং বা শতরু দেশের প্রজন্ম। তারা বাংলাদেশে শতরু দেশের পক্ষে অবস্থান করে, বাংলাদেশের তথ্য হ্যাক করে যাইতাছে ক্রমান্বয়ে। অনেক সময় তারা এনড্রয়েড অপারেটিং সিষ্টেম ও হ্যাক করে ফেলােইতাছে। ইউটিউব ষ্টুডিওেএনালাইটিকস সহ নানা ধরনের প্রোগা্রামের আপডেট গ্যানজাম লাগতাছে। ক্যিালিফোরনিয়া থেকে বরাদ্দ ইন্টারনেটে বাংলাদেমেল আপডেট গুলো থামাইয়া দিতাছে বা রান হতে দিতাছে না। অনেক সময় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন ও গ্যানজাম লাগাইয়া দিতাছে। তাদের একমাত্র কাজ হইতাছে: বাংলাদেশ কে নিরবিচ্চিন্ন হতে দিবে না। খুব সহজে তারা বাংলাদেশ কে আগাত েদেবে না। রাষ্ট্রের বেতরে তাদের হাত আচে: বৈধ নাগরিকত্বে এবং বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়াই তারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানকেশন ব্যবহার করে যাইতাছে আর ঝামেলাও করে যাইতাচে সব খানে। 


যখনি ভালো কোন প্রোগ্রাম বাংলাদেশে দাড়া হবার চেষ্টা করে সেটাকে নষ্ট করে দেবার ধান্ধা করে। অনলাইনে বা বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামের কথা বলে সাধারন মানুষের কেটে হাত ঢুকায় এবং ছলে বলে কৌশলে বিপুল পরিমান অর্থও তারা হাতাইয়া নিতাছে। তাদের কে যারা সাহায্য সহযোগিতা করতাছে একসময় তারা বাংগালীর অভিশাপে মানুষ থেকে চিরস্থায়ী ভাবে কুত্তা হয়ে যাইতে পারে (সেই সকল দেশবিরোধী হ্যাকার সহ)। হ্যাকার রা রাষ্ট্র এবং দেমের শতুর। তারা যখনি সুযোগ পায় মানুসেল কোন না কোন ক্ষতি করে। কারো ফেসবুক একাউন্ট হাতিয়ে নেওয়া বা কারো ইউটিউব একাউন্ট গাতিয়ে নেওয়া। কারো ক্রেডিট কার্ডের ইনফরমেশন চুরি করে যাওয়া বা ব্যাংক এমাউন্ট চুরি করা। বাংলাদেমে জাতয়ি পরিচয়পত্র থাকারপ রেও কিভাবে ঞ্যাকার রা মাথা খাটায় আমার টিক বুঝে আসতাছে না? তারা কি মাটির তল দিয়ে বা সাগরের তল দিয়ে আলাদা কোন ইন্টারনেট কাকেনশন নিয়ে এসেছ নাকি সিলিকন ভ্যালি থেকে। তাদের কে গ্রেফতারের আওতায় এনে বিপুলপ রিমান জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। আইন করা দরকার: জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া কেউ ইন্টারনেট ব্যভহার করতে পারবে না্। বাচ্চারা তাদের বাবা মাদের ইন্টারনেট ব্যবহার করবে।


ইদানিং কালে আমি এক নতুন ধরনের হ্যাকারদের উৎপাতে অতিষ্ট: প্রায় মারা যাবার দশা। তাদের অত্যাচার এতো কঠিন আমি কল্পনাও করি নাই। তারা ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইভার হ্যাকার। এতো এতো ব্যাপার থাকতে শেষ পর্যন্ত সাবস্ক্রাইবার হ্যাকার। আসলে নতুন নতুন সাবস্ক্রাইভার পাওয়া আনন্দ বা সুখের ব্যাপার যা এই দেশের দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি)  কুত্তার বাচ্চার প্রজন্ম (ফাসি) এর সহ্য হয় না বিধায় তারা এই ধরনের হ্যাকিং শুরু করেছে। আমার ছোট একটা চ্যানেল: একণ ২৫০০+ সাবস্ক্রাইভার: কিন্তু আপনি বিশ্বাস করবেন না প্রায় ২৩৫০০ সাবস্ক্রাইভার আমার চ্যানেরে এড হয়েছে: যা তারা ডিলেট করে দিয়েছে। তাদের মনে মনে ধারনা যে: তারা ইউটিউবের মালিক হয়ে গেছে: কিন্তু আদতে ইউটিউব একটি ইনকরপোরেশণ। এইটার মারিকানা যুক্তরাষ্ট্রের বেথর ছাড়া অন্য কোথাও বদল হয় না। 



 



 

Wednesday, September 15, 2021

ক্লায়েন্টের জন্য করা মনিটাইজেশন চ্যানেল: এপরুভাল পেয়ে গেলাম আজকে।

 



ক্লায়েন্টের জন্য করা কাজে মনিটাইজেশন পেয়ে গেলাম ০১ মাসে। আবেদন করার ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ক্লায়েন্ট এপরুভাল নোটিফিকেশন পেয়ে গেছে। উনার কাজ করেছি বিগত ১ থেকে দেড় বছর যাবত। এই ক্লায়েন্টর জন্য শুভকামনা। ক্লায়েন্টের চ্যানেল ভিজিট করে দেখতে পারেন: জয়স চ্যানেল। আমার নিজস্ব চ্যানেলের বাহিরে আমি এই চ্যানেলটির ম্যানেজার হিসাবে আছি। ক্লায়েন্ট খবুই ভালো এসইওও জানে এবং অনেক খুটি নাটিও জানে। আশা করি একসাথে ইউটিউব মনিটাইজেশনের জন্য ভালো কাজও করতে পারবো। 

বাংলাদেশে Like4like.org ওয়েবসাইটের ক্রেডিট পয়েন্ট বলতে কি বোঝেন?

Free Instagram Followers

 কোন হিজড়া  (নাউযুবিল্লাহ) কে যদি আপনি জিজ্ঞাসা করেন: তোর কাছে কি পয়েন্ট আছে? তাহলে সেটার উত্তরে সে যা দেখাতে তার ভাষাতে প্রকাশ করার মতো না। কারন সে পয়েন্ট বলতে সেটাই বোঝে। কোন পোলাখোর (নাউযুবিল্লাহ) কে যদি আপনি বলেন যে; তোর কাছে পয়েন্ট আছে তাহলেও সে একই জিনিস দেখাবে যা বলার মতো না। বাংলাদেশের সমাজে অনকে ধরনের খারাপ লোক আছে: কেউ কেউ আছে (নাউযুবিল্লাহ) টাইপের কাজ কারবার দিয়ে বেড়াবে: মানে তারা যখন যারে মনে চায় তার যারে ভালো লাগে তাকে দেখাবে বা দিয়ে বেড়াবে : কারন যুগের সাথে সাথে অনেক কিছু পরিবর্তন হবার সাথে সাথে সেক্সুয়াল অংগ ভংগির ও ধরন পাল্টে গেছে। বাংলাদেশে যারা হিজড়া (নাউযুবিল্লাহ) সেকরম মন মানসিকতার লোকজন কে যুক্ত রাষ্ট্রে বলা হয় : ট্রান্সজেন্ডার (নাউযুবিল্লাহ) । সেখানে অনেকেই নিজেদের লিংগ ও পরিবর্তন করে ফেলায়। 









তো যাই হোক: এই সব ধরনের লোকজনদেরকে একসাথে হিজড়া (নাউযুবিল্লাহ) সমাজ বলা হয়। যে সকল মেয়েরা পায়ুপথে সেক্স করে অভ্যস্ত তাদেরকে ও এই  েক্যাটাগরিতে ফেলানো হয় কারন ধর্মভিত্তিক মুসলিম বাংলাদেশে হিজড়া , পোলাখোর এবং মেয়েরা যারা নিজেদেরেক এক ধরনরে এ...হোল বরে পরিচয় দেয় এদের সবাইকে হিজড়া ক্যাটাগরিতে ফেলানো হয়: গনজাগরন চলাকালীন সময়ে যখন মিনিষ্ট্রি অফ জয় বাংলা গঠন করার প্রক্রিয়া চলতেছিলো তখন আমার মজা করে এদের নাম রাখি: মিনিষ্ট্রি অফ হিজড়া। আদতে এই ধরনরে সকল প্রকার লোক আমরা বাস্তব জগতে এবং ইন্টারনেট জগতে এভয়েড করে থাকি। আম িমনে করি এরা গোপনে টেষ্টটিউব প্রজন্ম কারন শুধুমাত্র টেষ্টটিউব বেবি তৈরী করার সময়ে ক্যারেকটারিসটিকস ঠিক করে দেয়া যায়।  আমি ষ্ট্রেইট প্রজন্মের মানুষ। আমার জীবনে নিজ জ্ঞানে স্বইচ্ছায় শুধূমাত্র মেয়ে ছাড়া অন্য কারো সাথে আমি সেক্সুয়ালি ইন্টারনেষ্টেড না। আমার বয়ষ ৪২ এবং বিশেষ করে বিগত ৩০ বছর ধরে আমি ষ্ট্রেইট। একজন মানুষেল সেক্সুয়াল ক্যারেকটারিসটিকসই নির্ধারন করা হয় ১৩ বছর বয়স থেকে। 


Free Facebook Likes 


 তো যে ঘটনাটা বলার জন্য কল দেয়া: আমার ইন্টারনেট থেকে জানা : ঠিক সঠিক কোন প্রমান নাই একদল নাস্তিক প্রজন্মের লোক কায়রো গনজাগরন ২০১১ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের ভেতর থেকে ঢাকা শহরে বসে থেকে (তাদরে বাপ দাদাদরা দেশবিরোধী (ফাসি) প্রজন্ম) মুসলিম গনজাগরন হবার কারন েতাদরে দেশের জন্য যা কিনা বাংলাদেশের শতরু রাষ্ট্র এর জন্য যে কোন একটি সুবিধা চায় যা কিনা মিশর দিতে অস্বীকৃতি জানায়: আদতে তারা ছিলো এই হিজড়া প্রজন্মের জন গোষ্ঠী। সুবিধাটি না পাবার কারনে তারা সরাসরি মুসিলম/খ্রীষ্টান ধর্মের বিরুদ্বে লেখালেখি করে যাতে সারা বিম্বের অনেক মুসলিম/খ্রীষ্টান জনগোষ্ঠী মনে কষ্ট পায়। শুধূ লিখেই তারা ক্ষান্ত হয় নাই সেটা কায়রো গনজাগরন চলাকালীন সময়ে প্রকাশও করে দেয়। আর প্রকাশ করে িদয়েও ক্ষান্ত হয় নি: সেটা আবার তারা ব্লগ থেকে ফেসবুকে শেয়ার করে সেখানে লাইক প্রমোশন ও করে। আর সেজন্য তারা এই লাইক ফর লাইক ওয়েবসাইট টি ব্যবহার করে বসে। 





তো আমি সেই গ্ররপটাকে খুজতেছিলাম যদি ধরতে পারি কিনা? তো অবশেষে মনে হয় পেয়ে গেলাম এবং দেখলাম যে: তারা ও হিজড়া প্রকৃতির ( নাউযুবিল্লাহ)। সেই সময়ে যখন তারা ইন্টারনেটে নাস্তিকতা করে তখন একজন মুসলিম হিসাবে কষ্ট পাই অনেক এবং চিন্তা করতেছিলাম যে: কিভাবে এদেরকে শায়েস্তা করা যায়? একটা পদ্বতি খুজে বের করার জন্য। যে পোষ্ঠিং টা নিয়ে সারা বিশ্বে লাইকফরলাইক সোসাইটির ভেতরে সমালোচনার ঝড় উঠে সেই পোষ্ঠিং টা আমার ও চোখে পড়ে। তবে আমি লাইক দেই নাই কারন আমি জানি লাইক দিলে কোথাও না কোথাও জীবনে ঝামেলা হবে। তবে সেটা বাংলা ভাষাতে দেখাইতেছিলো ফরে আমি একটু ভয় পাইলাম।  Like4like.org ওয়েবসাইট থেকে আপনি চাইলে আপনার ফেসবুকের পোষ্টিং সহ অনেক কিছুর সিগনাল এড করতে পারবেন। ফেসবুক পেজ লাইক বা ফেসবুক পোষ্টিং লািইক: এই রকম অনেক কিছু্ । 

Free Facebook Likes


বাংলাদেশের কিছু আলেম ওলামা মাওলানার সাথে কথা বললাম: বললো যে: এইটার অভিশাপ পড়বে। কারন ইন্টারনটে কে হযরত ঈসা (আ:) এর শক্তি মনে করা হয় শয়থানের প্রজন্মের বিরুদ্বে। সেই সময়কার একটি ফোরামে আলোচনাও হয় এই ভ্যাপারে সারা বিশ্ব থেকে: সিদ্বান্ত হয় যে: আমি যতোদিন বাংলাদেশে থাকবো বা আছি ততোদিন আমি এইটার প্রতিবাদ করবো। ওদেরকে ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে আমরা যার যার ধর্মের প্রতি অনুরাগ জানাবো যে: নাস্তিকগুরোকে আমরা খতম করতে পেরেছি বা গেট আউট করতে পেরেছি। নাস্তিক বলতে মূলত বোঝানো হয়: যারা কোন নভী বা কোন ধর্ম বা কোন গডই বিশ্বাস করে না। 



তো সেই ধরনের অসুস্থ একটি গ্ররপ দেখলাম ইন্টারনেটে Free Facebook Likes এর ওয়েভ বেজড নারভার কে হ্যাক করে এবং বাংলাদেশে আধিপত্য কিস্তারের চেষ্টা করে। কারন তারা যে নাস্তিক কথা বার্তা লিখেছে এবং সেটা Free Facebook Likes ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রচার করেছে সেজন্য সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে সেইখানে আটকে ফেলেচে। একবারপ ড়েছিলাম আপনি যদি প্রকাশ্য দিবালোকে নাস্তিকতা করেন তাহলে আপনি সেখানে আটকে যাবেন চিরকালের জন্য কারন দুনিয়াটা সৃষ্টিকর্তার । সো তার বিুরদ্বে বলার কোন সুযোগ বা স্কোপ নাই।  তো যারা এই কাজ করেছিলো তারা জাতে অনেকটা হিজড়া প্রকৃতিল। তারা একণ ইন্টারনেটে তাদের প য়েন্ট দেখায় যা খুবই ঘৃনার বা লজ্জার। আসুন আমরা সকলে মিলে সেই প্রজন্ম কে এভয়েড করি। 



Like4like.org ওয়েবসাইট কোন নাস্তিক দের ওয়েভসাইট না। এইটা খ্যীষ্টান ছেলে পেলেদের ওয়েভসাইট। এইখানে এপিআই এর সন্নিবেশ আছে। তাছাড়া এই ওয়েভসাইট ব্যবহার করে সারা দেশের অনেক অনেক ছেলে বা মেয়ে রা কাজ করে খাইতাছে। সেই সকল ব্যাপার নিয়ে আরেকদিন কথা বলবো। তারা সকলেই কাজ করতে পারবে কারন ওয়েভসাইট বা উপার্জনের কোন সমস্যা এই খানে নাই। তারা Like4like শব্দটার এবং এই ওয়েবসাইট থেকে উপার্জিত ক্রেডিট point একটা ব্যাড মিনিং করে : সেই ব্যাড মিনিং থেকে সকলেই সাবধান।

আমিও মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে সাহায্য সহযোগিতা চাই যেনো আমি এই গুরপটাকে ইন্টারনেট থেকে চিরতরে বহিস্কৃত করতে পারি। যারা সারা দেশে লাইক ফর লাইকের কাজ করে তাদের কোন সমস্যা নাই: শুধুমাত্র রাজধানী ঢাকা শহরের একটি গ্ররপই এইখানে নাস্তিক ধরনের কাজ কারবার করে: অনেক সময় তারা তাদের নিজেদের তৈরী বট প্রোগ্রাম চালায় যা সারা দেশের ইন্টারনেটের জন্য খুবই  ক্ষতিকর।  

There have two videos on top about like4like.org from my youtube channel. If you see you will understand fully about their working system.


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl

Saturday, September 11, 2021

Youtube Audience Retention or Youtube Retention & Channel Infraction বলতে কি বোঝেণ?

দুই ধরনের ক্যালকুলেশন আছে এইখানে। একটা আপনার ইউটিউব ভিডিও এর ভিজিটর রা কোথায় বা কোন মিনিটে আইসা থাইমা গেছে সেটা এবং তার গড় এভারেজ আর আরেকটা আছে: আপনার ইউটিউব ভিডিও এর ভিজিটর রা কতোক্ষন আপনার ভিডিও দেখতাছে সেটার একটা গড় এভারেজ। সবচেয়ে বড় ব্যাপার এই ধরনের প্রশ্ন গুলো গুগুলে খুব ভালো করে দেয়া থাকে উত্তর। মনে করেন: আপনি একটি ভিডিও মেক করেছেন ১০ মিনিট। এখন ভিডিও টা ১০ জন মানুষ দেখলো ৫ মিনিট করে। তাহলে সেটার অডিয়েন্স রিটেনশন হবে ৫ মিনিট। মানে ভিডিও লেন্থ বা দৈর্ঘ্য, কতোজান মানুষ দেখলো আর কতোক্ষন দেখলো: এই ০৩ টার গড় এভারেজ কে বলা হয় অডিয়েন্স রিটেনশন। আপনার যদি অডিণেস্ রিটেনশন ভালো হয়: তাহলে আপনার ভিডিও ফিচার বা সাজেষ্টেড সেকসানে যাবার সম্ভাবনা থাকে বেশী এই ধরনের ব্যাপার গুলো ইংরেজী ভাষার ভিডিও গুলোর ক্ষেত্রে বেশী ঘটে। অন্যান্য  ভাষাতেও থাকে তবে সেই ভাষার যে শব্দগুলো গুগল জানে বা  এ আই জানে সেগুলোও শুধু ব্যবহৃত হবে। তো আপনার যদি পছন্দের ইংরেজী ভিডিও  থাকে তাহলে আপনি সেখানে অডিয়েন্স রিটেনশন ঘটাতে পারেণ সহজেই। ইভেণ যদি আপনি ভিডিও প্লে বাটনে চাপ দিয়ে  ছেড়েও দিয়ে রাখেন তাহলে ও অডিয়েন্স রিটেনশন এড হবে।


Example:

You make a video= 10 minutes length.

500 peoples watch that video for 5 minutes each one.

Total videos watch time= 5 x 500 minutes = 2500 minutes

Videos watch time on hand= 500 peoples x 10 minutes= 5000 minutes

Peoples watched= 2500 minutes

 Total retention = 2500 minutes

On Average 2500/500= 5 minutes






ভিডিও যদি ফিচার হয় বা সাজেষ্টেড সেকসানে এড হয় তাহলে আপনি মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউজ পাবেন সারা বিশ্ব থেকে এবং হাজার হাজার ডলার ও পাবেন । তাই বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে আপনি সব সময়ই চাইবেন কমন শব্দগুলো ব্যবহার করার জন্য। তাতে আপনার ভিডিও বাংলা এলাকাতে বাংলা ভাষা ভাষীদের কাছে ফিচার হবার সম্ভাবনা বেশী থাকবে । একজন ইউটিউবারের সারাজীবনের স্বপ্ন থাকে সারা বিশ্বে একটি ভিডিওতে ফিচার হবার জন্য। আর একবার ফিচার হতে পারলে আপনার সাবস্ক্রাইভার, ভিউজ এবং অডিয়েন্স রিটেনশন এর জন্য লাইফ টাইম আর ভাবতে হবে না। ইউটিউবিং টা সারা বিশ্বের জন্য। এইখানে আলাদা ভাবে কোন নিয়ম নাই। বাংলাদেশে যেটা হয় দেখলাম: একটা ভিডিও মেক করার পরে একটি ভারচুয়াল কলিং হয় যেখানে অনেক সময় ইউটিউবের এলগরিদম বুঝতে পারে না যে কোথা থেকে আসলো ভিউজটি। ফলে সেখানে ইনফ্রাকশন বা শাস্তি বা পানিশমেন্ট সেট আপ হয় যা এনালাইজ করে বের না করা পর্যন্ত কোন ধরনের অন হোল্ড থাকলে যেমন ছুটবে না: তেমনি সেই চ্যানেল ইনফ্রাকশন না ছোটা পর্যন্ত ভালো উপার্জন ও করতে পারবে না। আবার দীর্ঘক্ষন বা দীর্ঘদিন ইনফ্রাকশন থাকার কোরনে যে কোন সময়ে যে কোন চ্যানেল ইউটিউবের এমেএলপি এর কারনে ডিলেটও হয়ে যাইতে পারে। 





তাছাড়া আরো একটি বড় কারন: বাংলাদেশী ইউটিউব সাবস্ক্রাইভ হ্যাকার রা ইউটিউবরে লোকাল ডাটাবেজে ঢুকে অনেক ধরনের নিজস্ব এলগরিদম সেট আপ করার চেষ্টা করে যার ফলে লোকাল হাই ভল্যুউম ইউটিউব ছ্যানেল গুলোকে সহজেই ইউটিউব এর এরগরিদম ইনফ্রাকশনে ফেলে দিতে পারে বা অলরেডী ইনফ্রাকটেড। যেমণ: ১০০কে ভিুউজ এ ১ ডলার আসে: এইটা একটা ইনফ্রাকশন। ইউটিউব এলগরিদম কারো সেট করা এলগরিদেম চলে না: সাময়িক ভাবে কোন কিছু দেখাতে পারে কিন্তু সবার শেষে এইটা ১০০% সত রেজাল্ট দেখাবে। বাংলাদেমের হাই ভল্যুউম চ্যানেলগুলোর ইনফ্রাকশন বা অন হোল্ডের আরো একটি বড় সড় কারন: ইউটিউব থেকে আসা বড় সড় কোন আপডেট বাংলাদেশের হ্যাকার রা যদি সাবমেরিকন ক্যাবলে আটকে রাখে তাহলেও সেটা যে কোন Youtuber এর স্বপ্ন ভংগের কারন হতে পারে।   



ইউটিউব কোন ধরনের বট/অটোবট ভিউজ এলাও করে না কখনোই: কোন ভাবেই এলাও করবে না। তাই কোন ধরনের ইউটিউব বট এ্যাপও রান করা যাবে না যদি বাংলাদেশের ইউটিউবার রা তাদের ইনফ্রাকশন ছুটাতে চায়। কয়েক বছর আগে: একজন কল দিয়ে বলেছিলো যে: বাংলাদেশের বুহল প্রচলিত মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্কস এর কিছু প্রোগ্রামার রা তাকে একটি স্পেশিয়াল  বট মেক করে দিছে যা দিয়ে সে ইউটিউবে বট ভিউজ রান করে: আমি উত্তর দিয়েছিলাম সেটা অপরাধ: রাষ্ট্রীয় ভাবে অপরাধ। এখন আর তারা কল দিলে বা নম্বর চাইলে রিসিভও করি না: কথাও বলতে চাই না: কারন আমি কোন অপরাধের আগে পিছে থাকতে চাই না। ইন্টারনেটে কোন মানুষের ক্ষতি করতে চাওয়াটাই একটা অপরাধ। তাই বাংলাদেশী ইউটিউবার দের ভিডিও গুলোতে তাদের অুনমতি ছাড়া বট ভিউজ বা ভিউজ দেয়াটা একটি হ্যাকার টাইপের অপরাধ। 



সোশাল মিডিয়া এক্সচেন্জ থেকে আপনি চ্যানেল মালিকের অনুমতি ছাড়া যদি ভিউজ দেন তাহলে সেটা বট ভিউজ হিসাবে কাউন্ট হবে ইজিলি কারন চ্যানেল মালিক যে সকল আইপি তে থাকেন বা যে সকল প্রোগ্রামিং বা ইন্টারনেট ওয়েভসাইট সফটওয়্যার ব্যবহার করেন সেগুলোর কোনটার সাথে সেগুলোর কোনটার সাথেই যারা ইনটেনশনাল ভিউজ দেন তাদের কুকিজ বা ডাটাগত কোন মিল পাওয়া যাবে না। ফলে এপিআই এলগরিদম সহজেই সেগুলোকে বট বিউজ হিসাবে কাউন্ট করবে এবং একইসাথে রিয়াল মানুষের ভিজিট থাকার (এসএমই ওয়েবসাইট থেকে) কারনে ভিউজ নম্বরও কমবে না। কারো অনুমতি ছাড়া কারো চ্যানেলে ভিউজ বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করা টা এক ধরনের এলগরিদম ব্রেক। আর এলগরিদম ব্রেক করাটা ও ইনফ্রাকশন। লিখিত অনুমতি থাকতে হবে যেনো ইন্টারনেটের বট প্রোগ্রাম গুলো বুজতে পারে যে: আপনি কাউকে কাজটা দিয়েছেন যেমন : মার্কেটপ্লেস ওয়েবসিইট যেখানে কাজের ডিষ্ট্রিবিউজশন হয় সেখান থেকে চাইলে ইন্টারনেটের বট সহজে ডাটাবেজের তথ্য কালেকশন করতে পারে আর তথ্যগত মিল থাকলে আপনি কখনো ইনফ্রাকশন খাবেন না।  এপিআই প্যানেল থেকে যদি আপনি প্রচুর পরিমানে ভিউজ কিনে থাকেন যেটা চ্যানেলে গড় এভারেজ রিয়াল (যারা সারচ করে চ্যানেলে আসে বা ভিডিও দেখে) ভিউজ এর থেকে একেবারে আকাশ পাতাল তফাত হযে যায় তাহলেও সেই চ্যানেলে ইনফ্রাকশন খেয়ে যাবে। তাই যদি প্যানেল থেকে কখনো ভিউজ কিনতে হয় মনিটাইজেশন থাকলে : তাহলে সটো খবুই অল্প পরিমানে কিনবেন যেনো সেটা রিয়াল ভিউজ এর সাথে একটা সমানুপাতিক অনুপাত রাথে লাইক ১:১০। 

 

[ইউটিউব থেকে কোন টাকা আসে না। ইউটিউব থেকে ডলার উপার্জন করা যায়। হয়তো ভবিষ্যতে বিটকয়েণ উপার্জন করবে মনিটাইজার রা।  আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইভ করতে ভুলবেন না। পুরো লেখাটি আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা এবং ইউটিউব যখন চালু হয় তখনকার সময়ের ষ্টাডি বা ফোরাম ডিসকাসনের উপরে ভিত্তি করে লেখা।]


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl

 



Thursday, September 9, 2021

Youtube Algorithm Breaking Metrics worked with my one video.

 



উপরের ছবিতে ক্লিক করলে দেখতে পারবেন যে: ইউটিউব পার ১০০০ এড ভিউজ এর জন্য ১৮ ডলার পর্যন্ত পে করে থাকে তবে প্রত্যেকটা এড ভ্যালিড আইপি থেকে দেখা থাকতে হবে। কিন্তু বেসিকালি ১০০০ এড ভিউজ এ কতো পাওয়া যায়: সেরকম একটি  ক্যালকুলেশন বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোরবিস দিয়েছে: আপনি যখন ভ্যালিড আইপি থেকে কারো ইউটিউব ভিডিও দেখবেন তখন এডও দেখতে পারবেন। কিন্তু হ্যাকারদের অত্যাচারে বিশ্বের বিভিন্ন খানে আইপি এড্রস ওকে থাকে না। তাছাড়া যারা ভিপিএন ব্যবসা করে তাদের কে তো আর আলাদা করে আইপি এড্রস বরাদ্দ দেয় না। তারা বিশ্বের বিভিন্ন গাধা টাইপের এলাকাতে  আইসা তাদের ভিপিএন সপটওয়্যার প্রমোট করে এবং সেখানকার আইপি এড্রস গুলো হ্যাকারদের সহযোগিতায় অন্যান্য দেশে বিক্রি করে থাকে। তাই বৈধ ভাবে যে ওয়েবসাইট ওপেন হয় সেখানে ভিপিএন ব্যবহার করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ (সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড) করা উচিত। বাংলাদেশে যদি হ্যাকার রা আস্তানা না গড়তে পারে তাহলে বাংলাদেশের আইপি গুলে পৃথিবীর সমস্ত ভিপিএন সফটওয়্যার বা হ্যাকার দের কাজে লাগে এরকম খানে ব্যবহৃত হতো না। ইউটিউব এর এড দেখাতে ব্যয় হতো এবং বাংলাদেশী ইউটিউবার রা লক্ষ লক্ষ ডলার উপার্জন করতে পারতো। 






ইউটিউবে ভালো উপার্জন করতে গেলে আপনাকে খুব ভালো করে ইউটিউবের এলগরিদম বুঝতে হবে : আমি ইউটিউবের পেমেন্ট পাওয়ার প্রমান সংক্রান্ত একটি ভিডিও বোধ করি ফোরবিস এর হিসাব অনুযায়ী এলগরিদম ব্রেক করতে পেরেছি। ফোরিবস বলতাছে: হ্যাকার সংক্রান্ত এলাকাগুলোতে ভালো মানুষের কাছে ভিডিও প্রমোট করে প্রতি ১০০০ ভিউজ এ পাওয়া যাবে: ৩ থেকে ৫ ডলার যেখান থেকে আপনাকে ৪৫% ইউটিউব কে দিয়ে দিতে হবে। আমি একটি ভিডিওতে পেয়েছি ২২৭২ ভিউজ এবং সেখানে আমার ৫৫% এসেছে ৭.৭৭ ডলার। তার সাথে আরো যদি ৪৫% এড করি (যা ইউটিউব কেটে নিয়ে যায়) তাহলে সেটা হলো : ৬.৩৫ ডলার। তাহলে মোট ২৩০০ ভিউজ এর জন্য পাইলাম: (১৪.১২ ডলার) ৬.১৩ ফার পার ১০০০। এলগরিদম যদি কোন এলাকাতে ব্রেকিং হয় তাহলে সেই এলাকার অনেক চ্যানেল র‌্যাংকে আসতে সাহায্য করে।



                                                           


যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারনেট সেবা প্রদানের পাশাপাশি আইপি এড্রস  প্রদান করে থাকে এবং স্পেসিফিক আইপি এড্রসের সাথে স্পেসিফিক তারও দিয়ে থাকে বলে দেখেছি। যদি বাংলাদেশের প্রত্যেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটি করে আইপি এড্রস থাকে যা যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক এসাইনড : তাহলেই বাংলাদেশীরা ইউটিউবে বাজিমাত করবে কারন ইউটিউবে যারা এড দেয় তারা আইপি থেকে এড ভিউজ কে কাউন্ট করে গুগল এডওয়ার্ডস বা ইউটিউব এড প্রোগ্রামের মাধ্যমে: এইটা আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলা। 




যদি আমার আর্টিকেলটি ভালো লাগে তাহলে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে দেখতে বা শেয়ার করতে এবং লাইক কমেন্ট ও সর্বোপরি  সাবস্ক্রাইভ করতে ভুলবেন না। 


Wednesday, September 8, 2021

সাহস করে সম্পন্ন করে ফেলাইলাম কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম।




যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই সারা বিশ্বের বন্ধু। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নেয়া উদ্যোগে এবং বিতরনে সারা বিশ্বের প্রান্তিক জনগোষ্টী  ভোগ করলো এই মর্ডানা টিকা নেয়া পদ্বতি (বাংলাদেশে গ্রাম এলাকায় বসে ভোগ করলাম এই টিকা) । গবেষকদের গবেষনা অনুযায়ী প্রায় ৯২ শতাংশ কার্যকরী মর্ডানাট টিকার দুটো ডোজ নেয়া আমি আজকে সম্পন্ন করলাম। বাংলাদেশ সরকার ঘোষনা করেছিলো: কেউ যদি টিকা না নেয় তাহলে সে বাসা থেকে বের হতে পারবে না বা দেশ থেকে বের হতে পারবে না। দুটো টিকা নেবার পরেই দেয়া হয় কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহনকারীদের আইডি কার্ড এবং সার্টিফিকেট। 



 



আমি প্রথমে সরকারের সুরক্ষা ওয়েবসেইটে নিবন্ধন করি। মোবাইলে এসএমএস আসতে দেরী হওয়াতে স্থানীয় পর্যায়ে শুরু হওয়া ওয়ার্ড পর্যায়ের নিবন্ধনে অংশগ্রহন করি এবং ভ্যাকসিনের টিকা নেই। প্রথম দিন একটু ভীড় থাকলে ও দ্বিতীয় ডোজের দিন আজকে তেমন ভীঢ় টের পেলাম না। প্রথম দিন শরীর একটু সামান্য জ্বর আসলেও আজকে তেমন কিছু হয় নাই।  



 


আমি মনে করি সকলকেই এইটা নিয়ে রাখতে হবে কারন জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তিক বাংলাদেশের সকল সুবিধা ভোগ করতে হলে বা দেশ থেকে বাহিরে যাবার প্রয়োজন হলে আপনাকে অতি অবশ্যই এই টিকার কার্ড  দেখাতে হবে আর নয়তো দেখা যাবে  সারা দেশের জন্য  বরাদ্দকৃত কোন সুবিধা যেমন ভোগ করা যাবে না তেমনি মনে চাইলে ই ফ্লাই ও করা যাবে না। কারন বর্তমানে কোভিড সিচুয়েশনে বিশ্বের কোন দেশই পেনডেমিক ডিজিজ একসপোর্ট করতে চাইবে না। সবচেয়ে ভালো হয় : যারা কোভিড টিকা নিয়েছে তাদের ডাটাবেজ দেশের সকল বন্দরে কানেকটেড করে রাখলে যেনো যে কারো জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে ভেরিফাই করা যায় যে: সে টিকা নিয়েছে নাকি নেয় নাই। বলা তো যায় না কার শরীরে কিভাবে এইটা দানা বেধে থাকবে আর কোথায় এইটা ট্রান্সফার হবে। কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন টিকা নেয়া থাকলে একটা সুরক্ষা নেয়া থাকে।





খুবই ভালো লেগেছে জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তিক এই কার্যক্রম। জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকরে আরো একধাপ এগোলো বাংলাদেশ। 

Vaccinated: #masudbcl                      #masudbclvaccinated                    #modernavaccinated

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

একটি Youtube Video থেকে পাইলাম ৭৬ জন সাবস্ক্রাইভার।

  উপরের ভিডিও তে দেখতে পারতাছেন: একটি ভিডিও থেকে আমি প্রায় 76 জন সাবস্ক্রাইভার পাইছি। টোটাল ভিউজ দেখাইতাছে: 3200 (মূলত: 3342) । আমি প্রায় 10...