Subscribe youtube

🎥 Subscribe to My YouTube Channel!

Loved this blog or post? Continue the journey with me on YouTube. Watch my latest videos and hit Subscribe to stay connected!

👉 Subscribe Now

Friday, September 3, 2021

একটি ছোট গল্প: আপনার ছেলেটি কি কুড়িয়ে পাওয়া?

 

ছোট গল্প: আপনার ছেলেটি কি কুড়িয়ে পাওয়া? 


একজন মুক্তিযোদ্বা যুদ্বের পরে বাংলাদেশ সরকারের এবং প্রশাসনের বিসিএস ক্যাডার হিাসবে জয়েণ করেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে (প্রসংগত উল্লেখ থাকে যে: কোন রাজাকার (ফাসি)  বা দেশদ্রোহীে (ফাসি) কে  বাংলাদেশ সরকারে বিসিএস ক্যাডার করা হয় নাই বা কোন ধরনের সরকারি আধাসরকারি এবং সরকারি স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্টানে কোন ধরনের চাকুরী দেয়া হয় নাই।) তো কিছুদনি চাকুরী করার পরে উনাকে প্রেষনে নিয়ে আসা হয় একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্টানে। সেখান থেকে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে উনাকে একটি আমেরিকান দেশে প্রেরন করা হয়। যুদ্বের পর পর ই বহু ধরনের রাজাকার (ফাসি) বা দেশদ্রোহীরা (ফাসি) বাংলার আনাচে কানাচে লুকিয়ে পড়ে। তার মধ্যে সবচেয়ে সাংঘাতিক গ্ররপখানি একটি রেলওয়ে সুইপার কোয়ার্টারে লুকিয়ে পড়ে এবং নীরবে বসবাস করতে থাকে। একসময় তাদের স্বরুপ উন্মোচিত হয়ে পড়ে এবং তারা ধরা পড়ে যায়। ফাসি দিতে যাইয়া দেখা যায় তাদের মধ্যে অনেকেই টেষ্টটিউব এবং এক ধরনের স্পেশিয়াল টেষ্টটিউব যাদেরকে ফাসি দিলে তারা নাস্তিক হবার দরুন কুত্তার মতো আকার ধারন করে। সিদ্বান্ত হয় : তাদেরকে হয় গলা কর্তন করে বা প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হবে। ভয়ে তারা সারা দেশের বিভিন্ন ধরনের মুক্তিযোদ্বাদের বিপদে ফালানো শুরু করে এবং পরিশেষে জানা যায় যে: তারা সরাসরি শয়তানের পুজারী বা শয়তানের সাথে কানেকটেড। যুদ্ব চলাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে সেই সকল টেষ্টটিউব রাজাকারে রা শয়তানের কথা শুনতে পারতো বা পারে এবং সেই কারনে শয়তানকেও রাজাকার (ফাসি) বা দেশদ্রোহী (Murder) হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। 


তো সেই মুক্তিযোদ্বা প্রেষনে কাজ শেষ করে দেশে আসেন এবং সাথে উনার সন্তানকে নিয়ে আসেন পারিবারিক সিদ্বান্ত অনুযায়ী। সন্তানের বয়স ৫/৬ বছর। সন্তানের মা বাংলাদেশ সরকারের বিসিএস ক্যাডার (তবে ফরেনার) নির্দেশে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য আরেক দেশে কর্মরত থাকেন। তো মুক্তিযোদ্বার সাথে গোল্ডেন কালারের ব্লন্ডি [পরবর্তীতে পরিকল্পনা মাফিক এখন পর্যন্ত 200 কালার চেন্জিং ইনজেকশন :মেলানিন পুশ করা হয় তার শরীরে) সন্তান  (সন্তানের মা অপূর্ব সুন্দরী ফরেনার হোয়াইট)  দেখে শয়তানের প্রজন্ম (জানেন ই তো শালার পোলাখোর বা গুয়াখোর) সেই মুক্তিযোদ্বাকে জিজ্ঞাসা করেন যে: সন্তান আসলো কোথা থেকে : তখন সেই মুক্তিযোদ্বা বলেণ যে: কুড়িয়ে পেয়েছেন কারন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে: এইধরনের রাজাকার গুলোকে (ফাসি) জাতে কুত্তা (ফাসি) যাদেরকে বাংলায় কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) বা কুত্তা রাজাকার (ফাসি) বলা হয়। এরা যদি মুক্তিযোদ্বার সন্তানের বা পৃথিবীতে সন্তান আসার প্রকৃত রহস্য জানতে পারে তাহলে হয়তো বা বাংলার প্রজন্মের এবং সারা বিশ্বের প্রজন্মের ক্ষতি হতে পারে তাছাড়া সেই মুক্তিযোদ্বা ও ফরেনার কোঠাতে মুক্তিযোদ্বা। যুদ্বের আগে আগে উনারা বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে আসেন ফরেনার কোঠাতে এবং অন্যান্য ফরেনারদের সাথে কমান্ডো হিসাবে জয় বাংলায় : বাংলার পক্ষে যুদ্ব করেন। তাই বাংগালীরা ভালোবেসে রেখে দেন এবং চলে যেতে বাধা দেন। কিন্তু উনাদের একটি স্বপ্ন ছিলো: তাদের ভালোবাসার সন্তান ফরেনে জন্ম হবে যেনো সন্তানের ফরেনার নাগরিকত্ব থাকে। 


তো সেই মুক্তিযোদ্বা ফরেনে থাকাবস্থায় একদিন কাজ শেষে বাড়ী ফেরার পথে দেখেন যে: উনার স্ত্রী যিনি সন্তান সম্ভবা ছিলেন তিনি প্রচন্ড প্রসব বেদনায় অস্থির হয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে পার্শবর্তী একটি পরিস্কার মাঠে সন্তানকে প্রস্রব করেছন এবং সন্তান সমেত সেইখানে শুয়ে আছেন মাঠে। তখন তাড়াতাড়ি করে উনি নবজাতক সন্তান আর তার মাকে (উনার স্ত্রী) নিয়ে একটি হাসপাতালে আসেন যেটা ছিলো জেল হাসপাতাল (তবে সাধারন মানুষেরা ও ব্যবহার করতে পারতো) এবং সেখানে নবজাতকের জ্ঞান ফিরে এবং জানালা দিয়ে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রথম চিৎকার করে উঠে। 


তো সেই মুক্তিযোদ্বা এই দেশের দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) যারা কিনা মানুষের জাত বলে গন্য না বর্তমানে (যারা মানুষরুপী দেশদ্রোহী (ফাসি) তাদের কে ফাসির কাষ্টে ঝুলানো হয়েছে বা তারা ফাসির অপেক্ষাতে আছে) তাদের প্রশ্ন শুনে বলেছেণ যে: আমার সন্তানকে কুড়িয়ে পাইছি আমি রাস্তার পাশে মাঠের ভেতরে। 


তাতেই এই দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) আজ অবধি সেই সন্তানকে এবং তার বাবাকে অত্যাচার করে যাইতাছে একজন গোল্ডেন  বল্ডি কে বাংলাদেশে পরিচয় দেবার জন্য : আদতে তাদের মূল ধান্ধা এই ফরেনার পরিবারকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ভোগ করার জন্য কিংবা সেই সন্তানের মাকে ভোগ করার জন্য্। থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সবাই একটা ব্যাপারে জানতে পারে যে: সৃষ্টিকর্তার সিদ্বান্ত জাতে কুত্তা কখনো কোন মানুষকে ভোগ করতে পারবে না। তারা সাধারনত টেষ্টটিউব কে ভোগ করতে পারবে। পরে সৌভাগ্যক্রমে জানা যায় যে: সেই সকল দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) কে বাংলাদেশ সেনাবাহিণী জাতীয় পরচিয়পত্র দেয় নাই এবং তাদের নাগরিকত্ব নাই এবং তাদের ভোটাধিকারও নাই। আর অমানষিক অত্যাচারে থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরনের নির্দেশে তাদের কোন েসাশাল মিডিয়া প্রোফাইল ও নাই।  মায়ের পেটে জন্মায় নাই দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এই সকল কে ধারারো দা দিয়ে কুপিয়ে বা জবাই করে হত্যা করে ফেলানো উচিত কারন তাদের সাথে যোগাযোগ আছে শয়তানের (যে কিনা সবচেয়ে বড় রাজাকারের দোসর ছিলো)। 


ঘটনাক্রমে জানা যায়: যার নাম ছিলো রাজাকার (ফাসি) তাকে এই কুড়িয়ে পাওয়া সন্তান ই তার ৬ বছর বয়সে ফরেনে একটি জায়গায় দাড়িয়ে  যীশু খ্রীষ্টের ক্ষমতায়  নিজ হাতে গুলি করে হত্যা করে (.24 Caliver Rivolver) আদতে যে কিনা একজন নাস্তিক জ্বীন ছিলো এবং তারা ১৩ ভাই ছিলো যাদের ০৭ ভাইকে পরে বাংলাদেশের ভেতরে জবাই করে কুত্তাকে দিয়ে তাদের নাড়ি ভুড়ি খাওয়ানো হয় এবং বাকী ০৫ জনকে হত্যা করা হয়: আফগানিস্তান - পা কিস্তান যুদ্ব চলকাালীন সময়ে। এক কথায় বলা যায়: যার নাম রাজাকার (ফাসি) সে আসলে আর জীবিত নাই এবং নাস্তিক জ্বীন হবার কারনে সে আর কোনদিন মানুষ হিসাবে পৃথিবীতে আসতে পারবে না। এখন বাকী আছে তালিকাগ্রস্থ রাজাকারদের (ফাসি) কার্যকর করা: ২৬শে মার্চ ২০১৯ সালে তাদরে তালিকা মোতাবেক গ্রেফতার করার কথা  এবং জেল হাজতে প্রেরন করার কথা কিন্তু সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে পেনডেমিক সিচুয়েশন শুরু। খুব শীঘ্রি হয়তো পেনডেমিক সিচুয়েশন  শেষ হবে এবং তালিকাগ্রস্থ রাজাকার (ফাসি) দের ফাসির কার্যক্রম শুরু হবে। 


জয় বাংলা বলে গল্পখানি শেষ করলাম। দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) মুক্ত বিশ্ব চাই। মুক্তিযোদ্বারা বীরি হিসাবে খেতাব প্রাপ্ত এবং কাদের সন্তানেরা ও বীর। এই দেশ শুধূমাত্র মুক্তিযোদ্বা এবং তাদের সন্তানদের হাতেই নিরাপদ। কোন মানুষ রুপী কুত্তা বা কোন মানুষরূপী হায়েনার কাছে না যাদের জয় বাংলা স্লোগান শুনলেই ডরে মুতে দেবার অবস্থা হয়।


আজো যখনি দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) যখন সেই মুক্তিযোদ্বাকে জিজ্ঞাসা করে কটাক্ষ করে যে আপনার সন্তান কি কুড়িয়ে পাওয়া: তখন সেই মুক্তিযোদ্বা মনে মনে উত্তর দেয়: আমার সন্তানখানি আমার ভালোবাসায় সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আমার প্রেমিকার গর্ভেই জন্ম যাকে প্রকৃত মানুষ বলা যায় আর মুখ দিয়ে বলে যে: হ্যা হ্যা আমার সন্তানকে আমি প্রথম কুড়িয়েই পেয়েছি এবং কুড়িয়ে পাওয়া। কারন যে সকল দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) জিজ্ঞাসা করে তাদরে জন্ম এক ধরনের বিশেষ প্রকারের টেষ্ট টিউবে এবং সেটা শতরু দেশের সীমানাতে এবং সেই কুপ্রজন্ম যেনো তার ভালোবাসার সন্তানকে না ধরতে পারে সেজন্য নীরবে তিনি তাদের কাছ থেকে ঘাত প্রতিঘাত এবং  আঘাত ও সহ্য করে যাইতাছেন। সেই ফরেনার মুক্তিযোদ্বা শুনেছিলেণ: বাংগালী বলে আদমের জাত না: ২৫ লক্ষ হাজার কোটি বছর [আর্য জাতি বলে গন্য] আগে  তাদের কে একজন পয়গম্বর সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে এক টিলা মাটি থেকে মৌখিক ভাবে পুনরায় তৈরী করেছেন (যাকে সৃষ্টিকর্তার সুন্নত [সেই পয়গম্বর সৃষ্টিকর্তার এই সুন্নত {সৃষ্টিকর্তা একখন্ড মাটি থেকে ই হয়রত আদম (আ:) এবং হযরত হাওওয়া (আ:) কে তৈরী করেছিলেন} খানি পালন করতে চেয়েছিলেন] হিসাবে আখ্যা যায়)। আদমের জাত হলে হয়তো মুক্তিযুদ্বভিত্তিক স্বাধীন বাংলাদেশে সকল মুক্তিযোদ্বাদের মতো উনারও  এতো অপমান সহ্য করতে হতো না [ সৃষ্টিকর্তার এই সুন্নতখানি [ সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ভালোবাসেন : আপনিও যদি সকল মানুষকে ভালোবাসেন তাহলে আপনি সৃষ্টিকর্তার সুনন্ত পালন করলেন] হয়তো মনোকষ্ট বা মনো দু:খ থেকে বলেছেন বোধ করি] - অনেক আগেই দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) দুনিয়া থেকে শেষ হয়ে যাইতো।  


এইটা একটি ছোট গল্প। কেউ কারো সাথে মেলানোর চেষ্টা করবেন না। 


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl






No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Translate