Translate

Tuesday, September 21, 2021

Do not get so much personal on internet.





সারা দেশের সব মানুষ যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে তখন একটা জিনিস মাথাতে রাখা দরকার যে: মানুষজন ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে ব্রেইন দিয়ে, চোখ দিয়ে বা রেটিনা দিয়ে এবং দুই হাতের কিবোর্ড  দিয়ে বা মাউস দিয়ে। তাই এই বিশ্বে কেউ কখনো ইন্টারনেট শরীর দিয়ে ব্যবহার করে নাই। ইন্টারনেট নিয়ে শারিরীক কোন সম্পর্ক নাই। মানে ইন্টারনেটের এমনতর কোন মিনিং নাই যেখানে আপনি শারিরীক সম্পর্ক হিসাবে কাউন্ট করতে পারেন। যেমন: যে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে তার ব্যক্তিগত জীবনে উকি মারা বা ইন্টারনাল লাইফ খেয়াল করে দেখা সেটা একধরনের ইন্টারনেট ক্রাইম। এইটা শূধূ তারাই করতে পারে যারা  একই কম্যুনিটির সদস্য। যেমন: ধরেন যে আমি নাটক সিনেমা দেখতে পছন্দ করি। (একসময় মঞ্চ নাটকে কাজও করেছি) তাই নাটক সিনেমার সাথে যারা জড়িত তারা এই ব্যাপারটাতে ইন্টারফেয়ার করতে পারে। আপনার সাথে আমার ইন্টারনেটে পরিচয় বা আপনি আমাকে প্রথম দেখলেন ইন্টারনেটে: তখন আপনি আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঘাটাঘাটি বা অনুসন্ধান করতে শুরু করলেন সেটাকে একধরনের ইন্টারনেট ক্রাইম বলে। তথ্য অনুসন্ধানের জন্য স্বীকৃত ইন্টারনেটে সোসাইটি (যেমন: বন্ধু, পুলিশ বা ইনআরন্যাশনাল যে কোন অর্গানাইজেশণ) শুধূ এইটা করতে পারে। অন্য কেউ এই ধরনের কাজ করলে বুঝতে হবে যে : সে মানুষ না: সে এক ধরনরে টেষ্ট টিউব বা স্পেশিয়াল টাইপের টেষ্টটিউব যারা ইন্টারনেট বলতে এক ধরনের পিক্যুলিয়ার শারিরীক সম্পর্ক কে বোঝে। 


আমি পেশাতে ফ্রি ল্যান্সার বা ব্লগার বা ইউটিউবার। বাংলাদেশের যে কোন ফ্রি ল্যান্সার বা ব্লগার বা ইউটিউবার আমার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করতে পারবে, আমাকে নিয়ে অনুসন্ধানও করতে পারবে কারন আমরা একই পেশাগত। কিন্তু আপনি আমার সাথে পেশাগাত সোসাইটির কেউ না: তখন আপনি আমার ব্যক্তিগত জীবনে উকি মারতে পারবেন না ইন্টারনেট থেকে: এই ধরনের মানুষকে বলা হয় উইংকার। তারা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাদের আদ্যোপান্ত জানতে চায় যা এক ধরনের গর্হিত অপরাধ। এই ব্যাপারটা শুধূ মাত্র বিপরীত লিংগের জন্য প্রযোজ্য। আমি একজন পুরুষ: আমার ব্যাপারে একজন মেয়ে সম্পূর্ন জানার চেষ্টা করতে পারে কিন্তু অপর কোন পুরুষ বা দেখতে পুুরষ সম্পূর্ন জানার চেষ্টা করতে পারবে না কারন এতে তাদের : যারা জানার চেষ্টা করতাছে তাদের বাই কিউরিয়াস নেচার প্রকাশ হবে। কিউরিসিটি জাগলে আপনি সেটা ভাষাতে প্রকাশ করতে হবে। সোসাইটি তে আপনি আমার গার্জিয়ান হলে আপনি আমার ব্যাপারে নাক গলাতে পারবেন। কিন্তু আপনি আমাকে চিননে না বা জানেন না বা ইন্টারনেট আমাকে এক পলক দেখে আমার ব্যক্তিগত ব্যাপারে জানার চেষ্টা করলেন : সেই ধরনের ব্যাপারগুলো খারাপ। 



মানুষ ভালো খারাপ মিলিয়ে হয়। শুধূমাত্র ভালো হয় ফেরেশতারা। আর শুধুমাত্র খারাপ হয় শয়তানের জাতের লোকগুলো যেমন : দেশীবরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) গুলো প্রজন্ম। এদের কাজ হইতাছে ইন্টারনেটে বসে থেকে মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপারে নাক গলানো। যেহেতু পিক্যুলিয়ার সেহেতু তাদেরকে উইংকার ও বলা যায় না অনেক সময়। অনেকে বলে আজাব বা গজব। তাদের বাপ দাদা এবং তাদের ও বোধ করি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। তাদের কে বাংলাদেশে কে ইন্টারনেট ব্যবহার করার অনুমতি দিলো সেটাই খুজে পাওয়া যাইতাছে না কারন তারা দেশদ্রোহী। আর তাদের কে ইন্টারনেট কানেকশন দেয়া এক ধরনের রাষ্ট্রদ্রোহীতার শামিল। সেই ধরনের লোেকগুলোকে খুজে বের করে ফাসির আইন দেবার জন্য অুনরোধ করা হলো।  এই ধরনের উইংকার গুলো ইন্টারনেটে বসে থেকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের বারোটা বাজাইতাছে। বাংলাদেশের নাম বা সুনাম নষ্ট করে যাইতাছে যা এক ধরনের দেশ বিরোধী কার্যকলাপ। আর বাংলাদেশের আইন দেশবিরোধী তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। 



চুটকি : 

থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরন চলাকালীণ সময়ে একটি পিক্যুলিয়ার গ্ররপ এর সন্ধান পাওয়া গেলো (সেখানে সব মিলিয়ে 86 টি গ্ররপ ছিলো) যারা কোন ধরনের সত্যিকারের মানুষ না : যারা এক ধরনের স্পেয়িশাল টাইপের টেষ্টটিউব। তারা থানা শাহবাগে এসেছে অনেক মানুষের সম্মেলন দেখতে। একসাথে এতো মানুষের ইন্টারনেট গনজাগরন দেখে তারা আর বুঝতে পারতাছে না যে: কিভাবে কি হলো? তারা তাদের আড্ডা বা ডেরাতে ফিলে গেলো অন্য এলাকাতে। যাইয়া জিজ্ঞাসা করতাছে: ইন্টারনেট মানে কি? তাদের মধ্যে যে ওস্তাদ সে বলতাছে : ইন্টারনেট মানে সেক্সুয়াল রিলেশন। এইটা সারাি বিশ্বে সবাই করে। কারন ইন্টারনেট মানে ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক। তো সেক্সই একমাত্র ইন্টারন্যাশনার নেটওয়ার্ক।তো তখনো অবধি তাদের কাছে মে বি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কাকেনশন ছিলো না। তো ব্রবডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশণ তাদের কাছে আসার পরে তারা বলতাছে তারা ইন্টারনেটের মালিক। তো সারা দেশের সকলে জিজ্ঞাসা করলো : ভাই কিভাবে আপনারা ইন্টারনেটের মালিক ? তো তারা উত্তরে বলতাছে:  ইন্টারনেট সাগরের তলদেশ দিয়ে তারের মাধ্যমে বাংলাদেশে এসেছে। তাদের জন্ম হয়েছে টেষ্টটিউবে (ল্যাবরেটরিতে) জারের মধ্যে : দুটি পারদের দন্ডের মাধ্যমে (যেখানে ইলেকট্রিসিটি তারের মাধ্যমে ইলেকট্রিসিটি ট্রান্সফার করা হয়) বা বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে। তো সবাই বললো: সেই তার আর ইন্টারনেটের তার তো এক না। তো উত্তরে বলতাছ যে: তারা শুনেছে  সাগরের ণীচে পারদের তার আছে। তো পারদের তার বলতে বোঝানো হয়েছে: বাংলাদেশের তার ও টেলিফোন বোর্ডের ক্যাবল যেখানে টেলিফোনের নেটওয়ার্কের পারদের তার দেওয়া (আমার সন্দেহ বাংলাদেশের তার ও টেলিফোন বোরডের ডে ব্রডব্যান্ড ইনআরনেট কাকেনশন যেটা টেলিফোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করা হয় সেটা দিয়েই মূলত বাংলাদেশে সকল ধরনের হ্যাক হয় বা হয়েছে)। তো তারপরে বলা হলো: তাহলে তোরা টেলিফোন ব্যবহার কর : ইন্টারনেট ব্যবহার করিস না। কারন ইন্টারনেটের তারে আছে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক: আলোর চেয়েও দ্রুতগতি সম্পন্ন সূক্ষ কাচের কিছু বিষয়: এমনতর বিষয় সেই সূক্ষ তার খেয়ে ফেলাইলেও কারো কিছু হবে না। সবার শেষে জিজ্ঞাসা করা হলো: তোদের কি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর আছে? বলতাছে যে: বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নাই। তো একটি দেশে কি পরিমান দুর্নীতি হলে বা দুর্নীতি গ্রস্ত হলে : বৈধ জাতীয় পরচিয়পত্র নম্বর ছাড়াই স্পেশিয়াল টাইপের টেষ্টটিউব প্রজন্ম (যেহেতু তাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই) মোবাইল ইন্টারনেট বাদ দিয়ে ফাইবার অপটিক ক্যবাল নেটওয়ার্ক  ব্যবহার করা শুরু করে দিতে পারে যারা কিনা সারা দেশের জন্য গ্যানজাম বা গনজাগরনের সকল ব্রিলিয়াণ্ট বা স্কলারদের জন্য ও গ্যানজাম। 


#মানুষের জন্ম হয়েছে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে (আরশ) : সৃষ্টিকর্তার কুল শব্দের মাধ্যমে এবং একটি আত্মা হিসাবে। পৃথিবীতে সঠিক বাবা মার ভালোবাসার মাধ্যমে পৃথিবীতে আগমন ঘটে প্রত্যেকটি মানব সন্তানের সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে। পৃথিবীতে ইন্টারনেট শুধূ মানুষের জন্য প্রযোজ্য কারন এইটা একটি ব্রেইন ওয়ার্ক। বাংলাদেশ যেনো এর ব্যতিক্রম না হয়। 


#ইন্টারনেটের একমাত্র মালিক যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা। আর আপনার যদি সে ব্যাপারে কোন অস্বীকৃতি থাকে তাহলে আপনি নিজে ইন্টারনেট ডাউনলোড করে ব্যবহার করেন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর ব্রডব্যান্ড বা ব্যন্ডউইথ কিনে আনতে হবে না। আর আমেরিকা সহ সারা বিশ্বের ইউরোপ সহ : প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে কানেকটেড। সো বাংলাদেশের প্রতি অনুরোধ দয়া করে যারা মানুষ না (যার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নাই ১৮+) তাদের কে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দিকে ঠেলে দিবেন না। আপনার দেশে যদি  এমন কেউ থাকে যার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই  এবং সে বাংলাদেশের সমাজে আছে বা বসবাস করতাছে তাহলে তাকে সারা দেশের ৯ কোটি মানুষের সমাজ : মোবাইল ইন্টারনেট এর দিকে ঠেলে দিবেন: কারন সেটা মে বি দেশ ও জাতি সকলের জন্য ই সুবিধা। সো আপনাদের সমস্যা টুকুকে আপনারা মোবাইল ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে রাখবেন তাতে করে সারা বিশ্বে মানুষজন বাংলাদেশের কারো জন্য সমস্যা ফিল করবে না। একই সাথে আপনার দেশ হ্যাকার মুক্ত থাকবে কারন হ্যাকার রা শুধূ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ই হ্যাক করতে পারে।  


ফ্রিল্যান্সার/ব্লগার/ইউটিউবার: #masudbcl

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl