Translate

Sunday, September 19, 2021

আমার বিরুদ্বে থাকা একটি সংঘবদ্ব চক্র।

 একটি সংঘবদ্ব চক্র পরিকল্পনা করে আমাকে একটি খারাপ সমাজের সাথে ইনভলব করার চেষ্টা করতাছে। রাজাকার (ফাসি) পন্থী একজন মহিলা আমাকে নিয়ে অনেক আজে বাজে ধারনা এবং কথা বলে যাইতাছে বিশ্বের বিভিন্ন খানে। যেহেতু সে রাজাকার (ফাসি) পন্থী সেহেতু তার ধারনা হইতাছে আমি বুঝি বাংগালী মেয়েকে ধর্ষন করতে ইচ্ছুক। কারন বাংলাদেশে রাজাকার (ফাসি) দের সমাজ বলতে ধর্ষনের সমাজই বোঝায়। সে যেহেতু রাজাকার (ফাসি) পন্থী তাই সে বিশ্বের অনেক খানে বলে বেড়াইতাছে যে: আমি বাংলাদেশের সমাজের সাথে ইনভলব হতে চাই কিন্তু ব্যাপারটা সত্য না।



আমরা যীশু খ্রীষ্টের অনুসারী রা একটা পন্থা বা নিয়ম ফলো করি সবসময়। সেটা হইতাছে আমরা কখনো কোন মেয়েকে ধর্ষনে বিশ্বাসী না এবং আমরা সমাজেও বিশ্বাসী না। আমরা যেটা বিশ্বাস করি হইতাছে ফ্রেন্ডশীপ, বন্ধুত্ব , রোমান্স এবং ভালোবাসা। সমাজ থেকে কোন মেয়েকে আমরা ভোগ করি না কারন আমরা মেয়েদের কে ভোগ্য পন্য মনে করি না। আমি যখন রিহ্যাব সেন্টারে ছিলাম তখনো আমরা যীশু বরাবর এবাদত বা প্রে করেছি এবং আমি ছোটবেলা থেকেই যীশুর অনুসারী। 



তো যীশূর ব্যাপারে অনুসারী হয়ে আমরা যেটা অনুধাবন করি সেটা হইতাছে শুধূ মাত্র সেই ধরনের মেয়ের সাথে মেলামেশা করতে পারবো যে আমাকে ভালোবাসবে বা যে আমার প্রেমিকা হতে স্বক্ষম (এক কথায় অবৈধ সামাজিক মেলামেশা বা বিবাহ বহির্ভূত বা বিবাহ হতে পারে এরকম যৌন সম্পর্ক ছাড়া কারো সাথে সম্পর্কে না জড়ানো) : আমি শুধূ তাদের সাথে মেলামেশা করতে পারবো। এর বাহিরে গেলে আমার ধারনা মোতাবেক আমার জন্য বিপদ হতে পারে। এর বাহিরে বলতে বোঝানো হইতাছে যে : আমি কখনো বাংলাদেশের তথাকথিত সমাজে ইনভলব হতে পারবো না। আর আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে কখনো বাংলাদেশের তথাকথিত নারী সংঘের সমাজকে এলাও করি না : আমার ব্যক্তিগত জীবনে বলতে পারেন নারী সংঘ সম্পর্কিত বাংলাদেশের সমাজটাকে আমি এক প্রকার ঘৃনা করি জীবনের অন্ত:স্থল থেকে কারন অবাধ যৌনাচার। 





তো সেই সংঘবদ্ব চক্রকে একটি ইউটিউব চ্যানেল দেখতে বলেবো যার নাম জীবনের জল। অনেক সময় ইউটিউবে এড দেখানো হয়: যে যীশূ ঘূমের মধ্যে এসে বুকে বা মাথাকে হাত ভুলিয়ে চলে যায়। আমরা সেটা বিশ্বািস করি বিধায় আমরা কখনো সমাজকে এলাও করতে পারি না। বাংলাদেশের সমাজে দেখেছি নারী এবং পুরুষের অবাধে মেলামেশা : যে যারে যেখানে মনে চায় বা যার যখন মনে চায় সমানে নারী কে ভোগ করার নাম সমাজ বলে বা বলে থাকে। এইটাকে আমি রাজাকার (ফাসি) পন্থী মন মানসিকতা বলে থাকি। রাজাকার (ফাসি) রা এবং তাদের প্রজন্ম রা নারীকে সবসময় ভোগ্যপন্য হিসাবে মনে করে থাকে (যেমন ৭১ এ মনে করেছে) যেখানে আমি মেয়েদের কে সম্মান করতে জানি। সেই রাজাকার (ফাসি) পন্থী মহিলা আমার এলাকাতে একটি কুচক্র গ্ররপ সেট আপ করেছে। আমি কয়েক বছর আগে রাজধানী ঢাকাতে ছিলাম: তখন সেই কুচক্রী মহিলা ময়শনসিংহে আমাদের এলাকাতে এসে তার অনুসারীদের নিয়ে একটি কুচক্র সেট আপ করে: যেখানে সে বলে  দিয়ে যায় : আমার সাথে যদি কোন মেয়ের শারিরীক সম্পর্ক হয় তাহলে সেই মেয়েকে ধরে নিয়ে থানা হাজতে বলার জন্য যে আমি তাকে ধর্ষন করেছি এবং আমার বীর্য/ডিএনএ কালেকশন করে থানা হাজতে প্রমান হিসাবে সাবমিট করার জন্য: যেনো বর্তমান আইনে ধর্ষনের সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা সেই রকম কোন ঝামেলাতে আমাকে ফাসানো যায়। সৌভাগ্য ক্রমে আমি সেটা জেনে যাই এবং এখনো আমি এতো পরিমান সতর্কতা অবলম্বন করেছি যেনো কোন মেয়ে আমাকে কোন প্রকার ফাদে না ফেলাতে পারে। 



ছোটবেলা থেকেই খুব ভালো করে খেয়াল করে দেখেছি: বাংলাদেশের সমাজে অধিকাংশ মেয়ে বা নারী আড়ালে বা প্রকাশ্যে রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) দ্বারা ধর্ষিত হয়ে আসতাছে। জানা মোতাবেক রাজাকার (ফাসি) রা এক ধরনের ভাইরাস (স্বাধনিতা যুদ্ব চলাকালীন ১০০ ধরনের বাংগালী মেয়েকে[ জানেন তো বাংগারী মেয়েরা ১০০ ধরনের হয়] ধর্ষন করার জন্য তারা এমন এক ভাইরাসের জন্ম দিয়েছে যে সেটার গততি প্রকৃতি আবিস্কার করা যাইতাছে না। এই ভ্যাপারে ডিটেইলস আরেকদিন বলবো) । মূলত তাদের জন্য এইডস বা পেনডেমিকের উৎপত্তি বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই সেই সমাজ থেকে আমি সবসময় ১০০% দূরে থাকার চেষ্টা করি। আমি খুব ভালো করে এই সমাজটাকে চিনি যেখানে অধিকাংশ নারী বা মেয়ে রা নীরবে নিস্পেষিত হয় কিন্তু সেই অমানুষরা হয়তো এই মেয়েদের কে ব্যবহার করে মানুষ হিসাবে থাকতে চায় কিন্তু বাস্তবে দেখা যাবে যে : তারা একধরনের কুত্তা। আসলে রাজাকার (ফাসি) রা এক ধরনের নাস্তিক তাই মানুষের চোখে ধর্মীয় অভিশাপ মোতাবেক : তারা কুত্তা হিসাবে ধরা দেয়। ছোটবেলা থেকেই জয় বাংলা বলতে পারি : তাই আমি যখণ কোন মেয়ের সাথে মেলামেশা তরি তখন প্রথমে তাকে জয় বাংলা বলতে বলি। যদি বলতে পারে তাহলে আমি আগাই বা বন্দুত্ব করি। এই যুদ্বে থাকার কারনে  (আমি আমার জীবনে প্রচুর নারী বন্ধু পেয়েছি (যারা সবাই জয় বাংলা বলতে পারেন) বলতে পারেন আমি ব্যক্তিগত জীবনে অতৃপ্ত না : কিন্তু ছোটবেলা  থেকে একটি নিয়্যত করেছিলাম যে : আমি মুসলিম ধর্মের নবীর নিয়মানুযায়ী ৪০ বছর বয়সে সংসার শুরু করবো। কিন্তু কোন কারনে সেটা আর সফল  হয়ে উঠে নাই- সেই কুচক্রী সংঘব্দব গ্ররপের কারনে। এখনো আমি অবিবাহিত, একা, ব্যাচেলর আছি এবং নারী খুজে বেড়াইতাছি: পাত্রী দেখা দেখি চলতাছে: হয়তো যে কোন সময়ে ডুপ্লিকেট হয়ে যাবো কিন্তু বয়সে হয়ে গেছে ৪২। 



তো সেই রাজাকার (ফাসি) পন্থী মহিলা এই কথাটা জানতো যে : আমি ৪০ বছর বয়স থেকে সংসার জীবন শুরু করতে চেষ্টা করবো। সেই মহিলা আদতে একটি কুত্তা (ণাস্তিক)। সে যেহেতু মানুষ না সেহেতু সে একটি সংসারকে সমাজ মনে করে আর সমাজকে ও সংসার মনে করে। তাই সে সবখানে বলে বেড়াইতাছে: যে আমার সার্টিফিকেট এজ এখনো ৪০ হয় নাই তাই বাংলাদেশে আমি সংসার শুরূ করতে পারবো না । স্কুলে থাকাকালীন আমি আমার বয়স কমিয়ে রেখেছিলাম ২ বছর স্কুলের স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী।  তো সেই মহিলা বলে বেড়াইতাছে যে:  আমি আমার বয়স ৪২ এবং সার্টিফিকেট এজ ৪০ হবার পরে বাংলাদেশের সমাজ পাবো কিন্তু আদতে আমি কোন সমাজ খুজতাছি না এবং দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), দেশবিরোধী (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম জড়িত আছে এরকম কোন সমাজ আমি খুজতাছি না : আমি একজন ভালো পাত্রী এবং ভালো মনের মেয়ে খুজতাছে যার কাছে সমাজ থাকবে না তবে স্বাধীনতা থাকবে: যে জয় বাংলা বলে তার দেশটাকে স্বাধীন করে ছাড়বে। এখন যে কেউ প্রশ্ন করতে পারে যে কিভাবে সম্ভব? আমি যেহেতু মুসলিম ধর্ম বিশ্বাস করি তাই মুসলিম ধর্মে থাকা সংসারের জন্য যে এবাদত সে এবাদত টা করেছি এবং আরো ১০/১১ জনের জন্যও করেছি। খোদার রহমতে সেই সকল ৮/৯ জনের বিয়ে অলরেডী কমপ্লিট। হয়তো কোন কারনে আমার দেরী হইতাছে তবে আমি বিশ্বাস করি যে কোন সময়ে হয়তো আমার জীবনের ইনিংস শুরু হয়ে যাইতে পারে। 



যে সমাজে রাজাকার (ফাসি) রা জীবীত অবস্থায় বসবাস করে আমি সেই সমাজ টাকে ঘৃনা করি। আমার কাছে সমাজ ফাসির যোগ্য আসামী। তো সেই সংঘবদ্ব চক্রকে বলি: আপনারা একটি মারাত্মক ভুল করতাছেন বা করেছেন যা হইতাছে: আমি কখনো সমাজকে এলাও করবো না এবং আমি সংঘবব্দ চক্রের পাতানো সমাজটাকে গ্রহন করবো না। থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরন (২০১৩) চলাকালীন সময়ে কুচক্রী গ্ররপের পরিকল্পনা মোতাবেক : দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), দেশবিরোধী (ফাসি) প্রজন্মের লোকজন বিগত ৮-৯-১০ বছল যাবত যেই মেয়েগেুলোকে ভোগ দখল করে যাইতাছে পরিকল্পনা মোতাবেক সেই মেয়েগুলোকে আমার হাতে ধরিয়ে দেবার যে পরিকল্পনা তা কখনো সফল হবে না। 


  • অনিরাপদ এবং অপরিচিত যৌন সম্পর্কে এইডসের বিস্তার ঘটে। 
  • সমাজে এইডসের বিস্তার অনেক বেশী। 
  • সমাজে যৌন সম্পর্কে কোন ধরনের কনডমের ধার দ্বারে না কেউ।
  •  এখন পর্যন্ত এইডসে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ কোটির ও বেশী। 
  • পৃথিবীতে প্রায় ৩৬ ধরনের এইডস আছে। বাংলাদেশে তার কয়েকটি পরীক্ষা বিদ্যমান।
  • অনিরাপদ এবং অপরিচিত ওরাল সেক্সে এসটিডি হয় অনেক সময়। (STD: Standard transmission Disease).
  • পৃথিবীতে এরকম কোন ধর্মগ্রন্থ নাই যেখানে সমাজকে বা  অবৈধ সামাজিক সেক্স কে বৈধতা দেয়া আছে (থাহলে বলা যায় প্রেম ভালোবাসা বা সম্পর্ক ছাড়া যে সকল সামাজিক সম্পর্ক তৈলী করে তারা নাস্তিক বা বডিলি নাস্তিক) । সবখানেই বলা আছে: যাকে ভালোবাসো, যে স্ত্রী বা যে বিশ্বস্ত প্রেমিকা শুধূমাত্র তার সাথেই সেফ সেক্স বা যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা। 
  • যাকে মনে চায় তার সাথে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করা (দেশবিরোধী রাজাকার (ফাসি) দের নিয়ম) : ক্ষমতার জোড়ে বা ছলে বলে কৌশলে মেয়েদের কে ট্যাপে ফেলে শারিরীক সম্পর্ক তৈরী করা বা বাংলাদেশের তথাকথিত সমাজের দাপটে বা নিয়মে অচেনা অজানা মেয়েদের সাথে শারিরীক সম্পর্ক তৈরী করে এইডসের বিস্তার ঘটানোতে কোন আগ্রহ নাই। 
 

শেষ কথার পরে একটি কথা থেকে যায় যা হলো: ভালোবাসা বা সম্পর্ক। সম্পর্কে অনেক কিছু জায়েজ মনে হলেও খেয়াল রাখতে হবে: ভালোবেসে ভালোবাসার মানুষকে যেনো অনিরাপদ ভাইরাস বা জীবানু না দেয়া হয়ে যায়। যাকে ভালোবাসেন তাকে রোগ বালাই মুক্ত রাখা এবং তার সারাজীবনের সুস্বাস্থ্য কামনা করা আপনার ভালোবাসার ধর্ম ও হবে বোধ করি। 



নোট: শুনেছি টেষ্টটিউব প্রজন্মের বলে এন্টিবডি ঠিকমতো জমে না বা  নাই। সেজন্য তারা সবসময় কনডম ছাড়া সেক্স বা যৌন সম্পর্ক করে। যার এন্টিবডি থাকবে না তার কি কোন রোগ বালাই হবে বা কোন রোগ বালাই জন্ম হবে? তবে ভাইরাস (যা মানুষের শরীরের গোস্তেকে আক্রমন করে) বা রক্তবাহিত রোগ হবে সেটা কনফারম। যাকে বর্তমান বিশ্বে বলা হইতাছে পেনডেমিক : তার মেজর কারন আমি মনে করি অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক।

 


ফ্রিল্যান্সার/ব্লগার/ইউটিউবার: #masudbcl


No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl