Translate

Tuesday, November 17, 2020

ওয়েবসাইট পেজ র‌্যাংক তৈরী করার উপায় কি কি?

Check Page Rank of your Web site pages instantly:

This page rank checking tool is powered by PRChecker.info service

 ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক বাড়ানো থাকলে কি উপকার হয় সেটা আগে জানা দরকার? পৃথিবীর যতো সব সার্চ ইন্জিন আছে সেগুলো আগে যেগুলেঅর পেজ র‌্যাংক ভালো থোকে সেই ধরনের ওয়েবসাইট গুলেঅ প্রথমে দেখায় বা সার্চ ইন্জিনের বট প্রথমে ভালো র‌্যাংকের ওয়েবসাইটের ডাটা গুলো প্রথমে বিবেচনা করে দেখে সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে দেখানোর জন্য। ভালো পেজ র‌্যাংকের ওয়েবসাইটে অতি অবশ্যই ভালেঅ পরিমান ট্রাফিক বা ভিজিটর বা সেলস আসবে। ওয়েবসাইটের সমস্ত ‍ কিছু যদি ইউনিক থাকে তাহলে একটা ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে তোলা অনেক সহজ হয়। যেমন: ওয়েবসেইটের টেমপ্লেট ইউনিক রাখা। ডুপ্লিকেটি টেমপ্লেট ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে আনা মোটামুটি ভালো কষ্ট। একই লাইসেন্সের ওয়েবসাইট টেমপ্লেট ২ টা ডোমেইনে এবং হোষ্টিং এ ব্যবহার করলে প্রথম যেটাতে সেটআপ দেয়া হয়েছে সেটা র‌্যাংকে আসবে।

 


  1. সাব ডোমেইন বেজড ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসতে বহু সময় লাগে। (https://masudbcl.blogspot.com)
  2. ফ্রি হোষ্টিং এর সার্ভার ব্যবহার করলে সেটাকে র‌্যাংক এ আনতে অনেক সময় লাগে। https://www.000webhost.com/free-domain-hosting  (চলবে)
  3. ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট ব্যবহার করলে সেটা র‌্যাংকে আসবে না। (কন্টেন্ট বেলতে বোঝানো হয়: টেকস্ট, ইমজে এবং ব্যানার ইত্যাদি)।
  4. ডুপ্লিকেট ইমেজ ব্যবহার করলে সেটা র‌্যাংকে আসবে না। 
  5. ব্ল্যাক হ্যাট এসইও ব্যবহার করলে সেই ওয়েবাইট র‌্যাংকে আসবে না। 
ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসার জন্য সবচেয়ে জররুী বিষয় হলো: ইউনিক থাকা। সবসময় সব ভ্যাপারে ইউনিক থাকা। আরো অনেক ব্যাপার আছে যার মধ্যে কিছুটা নীচে দেয়া হলো: 

  • প্রথমেই কখনো পেইড সফটওয়্যার ব্যবহার না করা। 
  • টাইটেল বা ট্যাগলাইন প্রায়শই পরিবর্তন করা।
  • টাইটেল এবং ট্যাগলাইন এ কিওয়ার্ড ব্যবহার করা।
  • প্রফেশনাল রাইটার দ্বারা ওয়েবসাইটের পেজ এর কন্টেন্ট গুলো রাইট করা। পারলে নিজে লেখা। অন্য কাউকে দিয়ে লেখালে ওয়েবসাইটের প্লাগারিজম বা কপিস্কেপ পরীক্ষা করে নেয়া। 
  • প্রফেশনাল কাউকে দিয়ে ইউনিক গ্রাফিক্স ডিজাইন করা। 
  • ওয়েবসাইট কন্টেন্ট যেনো এসইও কিওয়ার্ড বেজড হয়। 
  • ব্যানার বা গ্রাফিক্স গুলো যেনো অলটার ইমেজ এসইও এবং ক্যাপশন করা থাকে। ক্যাপশন লেখার সময়ে কি ওয়ার্ড ব্যবহার করা। 
  • সঠিকভাবে হোয়াইট হ্যাট এসইও এপ্লাই করা। (অন পেজ  এবং অফ পেজ অপটিমাইজেশন)।
  • সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন করা। সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন না থাকলে সেটা পেজে র‌্যাংকে আসবে না বা পেজ র‌্যাংকে আসতে সময় লাগবে অনেক। সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশণ মানে হইতাছে  প্রধান প্রধান সোশাল মিডিয়া গুলোতে ওয়েবসাইটের নামেেএকাউন্ট থাকা এবং নিয়মিত সেগুলো হালনাগাদ করা। 
  • ওয়েবসাইটের জন্য ফিড তৈরী করা কারন বিশ্বে অনেক রিডার আছে যারা ওয়েবসাইট আরএসএস এ পড়তে পছন্দ করা। 
  • ওয়েবসাইটেরে সাইট ম্যাপ তৈরী করে রাখা। 
  • ওয়েবসাইটের সকল পেজ একটিভ থাকা। 
  • ওয়েবসাইটের সকল মেন্যুবার কাজ করা। 
  • ওয়েবসাইটের কোন অসসম্পূর্ন ডাটা না থাকা। 
  • ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা করে মিনিমাম ৫ টা কিওয়ার্ড এড করা এবং সেগুলোকে র‌্যাংকে আনার চেষ্টা করা।
  • মাঝে মাঝে র‌্যাংকে থাকা কিওয়ার্ড কে পরিবর্তন করা। 
  • মেটা কিওয়ার্ডস এড করা। 
  • কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ড এনালাইসিস করে বের করা। 
  • কম্পিটিভি ওয়েবসাইট এনালাইসিস করে বের করা। 
  • ওয়েবসাইটের লোডিং স্প্রিড চেক করা।
  •  ওয়েবসােইটের ম্যাপ বা পেজ অপটিমাইজেশন করা। (কিছু এমবেড কোড এড করে রাখা)।
  • ওয়ার্ডপেসের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা পেজই আলাদা আলাদা করে অপটিমাইজেশন করা। 
মাঝে মাঝে কোন ওয়েবসাইটের শুধু হোম পেজ র‌্যাংকে চলে আসে এবং বাকী পেজ গুলো র‌্যাংকের বাহিরে থাকে বা কম বেশী থাকে। আপনার ওয়েবসাইটে যদি ৫টি পেজ থাকে তাহলে ৫ টি পেজকেই একইসাথে র‌্যাংকে আনার চেষ্টা করা। যেখানে যেখানে আপনি মূল ওয়েবসাইটের জন্য এসইও করবেন সেখানে সেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের অণ্যান্য পেজগুলোও সাবমিট করার চেষ্টা করবেন। অবশ্য ওয়েবসাইটে সাইটম্যাপ এড করা থাকলে সেগুলো আর আলাদা আলাদা করে পেজ র‌্যাংকে আনার চেষ্টা না করা। মাঝে মাঝে সাইটম্যাপের কল্যানে অটোমেটিকালি সব পেজই র‌্যাংক পেয়ে যায়।এইচটিএমএল বা পিএইচপি প্রোগ্রামিং এর উপরে ভিত্তি করে যে ওয়েবসাইট গুলো তৈরী হয় সেগুলো কে গুগলেল পেজ র‌্যাংকে আনা অনেক সহজ হয়। সবচেয়ে ভালো হয়: আপনি যে দেশকে টার্গেট করে আপনার ওয়েবসাইট বানাবেন বা বানাইতাছেন সে দেশের পপুলার সার্চ ইন্জিন কে টার্গেট করে হোয়াইট হ্যাট এসইও করলে সেই দেশের ট্রাফিক বা ভিজিটরের উপর ভিত্তি করে আপনার ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিনেে র‌্যাংকে আনতে পারবে। আর একেক সার্চ ইন্জিনের টপোলজী একেকরকম।আপনি ভালো র‌্যাংক এক্সপার্ট  হলে আপনি যে কোন সার্চ ইন্জিনেই আপনার ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে আনতে পারবেন। 

ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসলে আপনি কি কি সুবিধা পাবেন: 
  • ওয়েবসাইট কে সার্চ দিলে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিনের প্রথম দিকে দেখা যাবে। 
  • ওয়েবসাইট প্রথমে থাকলে ভালো পরিমান ভিজিটর বা ট্রাফিক আসবে। 
  • ওয়েবসাইট এর পজিশন ভালো থাকলে আপনার ওয়েবসাইট লিডস বেশী আসবে। 
  • শুধূ মাত্র কোয়ালিটি ব্যাকলিংকের উপর ভিত্তি করে আপনার ওয়েভসাইট কে আপনি র‌্যাংকে আনতে পারবেন না- সেই সাথে ভালো নাম্বারের ট্রাফিক ও লাগবে। 
তীব্র প্রতিযোগতিার এই যুগে আপনার ওয়েবসাইট কে সবসময় টপ র‌্যাংকে রাখতে হলে আপনাকে নিয়মিত হোয়াইট হ্যাট এসইও করতে হবে বা টপ লেবেলের এসইও এক্সপার্ট দের সাহায্য নিতে হবে। আপনি চাইলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এসইও মার্কেটপ্লেস থেকে প্রফেশনাল এবং কোয়ালিটি এসইও এক্সপার্ট হায়ার করতে পারবেন। সরাসরি প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন আমার এসইও এফিলিয়েট ষ্টোর থেকেও। আপনি চাইলে বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েন/পেপাল/ক্রেডিট কার্ডে র মাধ্যমে প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন। 



 

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

ফ্রি ল্যান্সার দের একটি আইডি কার্ড কখন দরকার ছিলো?

আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় দেশের শীর্ষস্থাণীয় ফ্রি ল্যান্সারদের কে ভার্চুয়াল আইডি কার্ড দেবার কথা ঘোষনা করেছে। অনলা...