Showing posts with label website page rank. Show all posts
Showing posts with label website page rank. Show all posts

Tuesday, November 17, 2020

ওয়েবসাইট পেজ র‌্যাংক তৈরী করার উপায় কি কি?

Check Page Rank of your Web site pages instantly:

This page rank checking tool is powered by PRChecker.info service

 ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক বাড়ানো থাকলে কি উপকার হয় সেটা আগে জানা দরকার? পৃথিবীর যতো সব সার্চ ইন্জিন আছে সেগুলো আগে যেগুলেঅর পেজ র‌্যাংক ভালো থোকে সেই ধরনের ওয়েবসাইট গুলেঅ প্রথমে দেখায় বা সার্চ ইন্জিনের বট প্রথমে ভালো র‌্যাংকের ওয়েবসাইটের ডাটা গুলো প্রথমে বিবেচনা করে দেখে সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে দেখানোর জন্য। ভালো পেজ র‌্যাংকের ওয়েবসাইটে অতি অবশ্যই ভালেঅ পরিমান ট্রাফিক বা ভিজিটর বা সেলস আসবে। ওয়েবসাইটের সমস্ত ‍ কিছু যদি ইউনিক থাকে তাহলে একটা ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে তোলা অনেক সহজ হয়। যেমন: ওয়েবসেইটের টেমপ্লেট ইউনিক রাখা। ডুপ্লিকেটি টেমপ্লেট ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে আনা মোটামুটি ভালো কষ্ট। একই লাইসেন্সের ওয়েবসাইট টেমপ্লেট ২ টা ডোমেইনে এবং হোষ্টিং এ ব্যবহার করলে প্রথম যেটাতে সেটআপ দেয়া হয়েছে সেটা র‌্যাংকে আসবে।

 


  1. সাব ডোমেইন বেজড ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসতে বহু সময় লাগে। (https://masudbcl.blogspot.com)
  2. ফ্রি হোষ্টিং এর সার্ভার ব্যবহার করলে সেটাকে র‌্যাংক এ আনতে অনেক সময় লাগে। https://www.000webhost.com/free-domain-hosting  (চলবে)
  3. ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট ব্যবহার করলে সেটা র‌্যাংকে আসবে না। (কন্টেন্ট বেলতে বোঝানো হয়: টেকস্ট, ইমজে এবং ব্যানার ইত্যাদি)।
  4. ডুপ্লিকেট ইমেজ ব্যবহার করলে সেটা র‌্যাংকে আসবে না। 
  5. ব্ল্যাক হ্যাট এসইও ব্যবহার করলে সেই ওয়েবাইট র‌্যাংকে আসবে না। 
ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসার জন্য সবচেয়ে জররুী বিষয় হলো: ইউনিক থাকা। সবসময় সব ভ্যাপারে ইউনিক থাকা। আরো অনেক ব্যাপার আছে যার মধ্যে কিছুটা নীচে দেয়া হলো: 

  • প্রথমেই কখনো পেইড সফটওয়্যার ব্যবহার না করা। 
  • টাইটেল বা ট্যাগলাইন প্রায়শই পরিবর্তন করা।
  • টাইটেল এবং ট্যাগলাইন এ কিওয়ার্ড ব্যবহার করা।
  • প্রফেশনাল রাইটার দ্বারা ওয়েবসাইটের পেজ এর কন্টেন্ট গুলো রাইট করা। পারলে নিজে লেখা। অন্য কাউকে দিয়ে লেখালে ওয়েবসাইটের প্লাগারিজম বা কপিস্কেপ পরীক্ষা করে নেয়া। 
  • প্রফেশনাল কাউকে দিয়ে ইউনিক গ্রাফিক্স ডিজাইন করা। 
  • ওয়েবসাইট কন্টেন্ট যেনো এসইও কিওয়ার্ড বেজড হয়। 
  • ব্যানার বা গ্রাফিক্স গুলো যেনো অলটার ইমেজ এসইও এবং ক্যাপশন করা থাকে। ক্যাপশন লেখার সময়ে কি ওয়ার্ড ব্যবহার করা। 
  • সঠিকভাবে হোয়াইট হ্যাট এসইও এপ্লাই করা। (অন পেজ  এবং অফ পেজ অপটিমাইজেশন)।
  • সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন করা। সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন না থাকলে সেটা পেজে র‌্যাংকে আসবে না বা পেজ র‌্যাংকে আসতে সময় লাগবে অনেক। সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশণ মানে হইতাছে  প্রধান প্রধান সোশাল মিডিয়া গুলোতে ওয়েবসাইটের নামেেএকাউন্ট থাকা এবং নিয়মিত সেগুলো হালনাগাদ করা। 
  • ওয়েবসাইটের জন্য ফিড তৈরী করা কারন বিশ্বে অনেক রিডার আছে যারা ওয়েবসাইট আরএসএস এ পড়তে পছন্দ করা। 
  • ওয়েবসাইটেরে সাইট ম্যাপ তৈরী করে রাখা। 
  • ওয়েবসাইটের সকল পেজ একটিভ থাকা। 
  • ওয়েবসাইটের সকল মেন্যুবার কাজ করা। 
  • ওয়েবসাইটের কোন অসসম্পূর্ন ডাটা না থাকা। 
  • ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা করে মিনিমাম ৫ টা কিওয়ার্ড এড করা এবং সেগুলোকে র‌্যাংকে আনার চেষ্টা করা।
  • মাঝে মাঝে র‌্যাংকে থাকা কিওয়ার্ড কে পরিবর্তন করা। 
  • মেটা কিওয়ার্ডস এড করা। 
  • কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ড এনালাইসিস করে বের করা। 
  • কম্পিটিভি ওয়েবসাইট এনালাইসিস করে বের করা। 
  • ওয়েবসাইটের লোডিং স্প্রিড চেক করা।
  •  ওয়েবসােইটের ম্যাপ বা পেজ অপটিমাইজেশন করা। (কিছু এমবেড কোড এড করে রাখা)।
  • ওয়ার্ডপেসের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা পেজই আলাদা আলাদা করে অপটিমাইজেশন করা। 
মাঝে মাঝে কোন ওয়েবসাইটের শুধু হোম পেজ র‌্যাংকে চলে আসে এবং বাকী পেজ গুলো র‌্যাংকের বাহিরে থাকে বা কম বেশী থাকে। আপনার ওয়েবসাইটে যদি ৫টি পেজ থাকে তাহলে ৫ টি পেজকেই একইসাথে র‌্যাংকে আনার চেষ্টা করা। যেখানে যেখানে আপনি মূল ওয়েবসাইটের জন্য এসইও করবেন সেখানে সেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের অণ্যান্য পেজগুলোও সাবমিট করার চেষ্টা করবেন। অবশ্য ওয়েবসাইটে সাইটম্যাপ এড করা থাকলে সেগুলো আর আলাদা আলাদা করে পেজ র‌্যাংকে আনার চেষ্টা না করা। মাঝে মাঝে সাইটম্যাপের কল্যানে অটোমেটিকালি সব পেজই র‌্যাংক পেয়ে যায়।এইচটিএমএল বা পিএইচপি প্রোগ্রামিং এর উপরে ভিত্তি করে যে ওয়েবসাইট গুলো তৈরী হয় সেগুলো কে গুগলেল পেজ র‌্যাংকে আনা অনেক সহজ হয়। সবচেয়ে ভালো হয়: আপনি যে দেশকে টার্গেট করে আপনার ওয়েবসাইট বানাবেন বা বানাইতাছেন সে দেশের পপুলার সার্চ ইন্জিন কে টার্গেট করে হোয়াইট হ্যাট এসইও করলে সেই দেশের ট্রাফিক বা ভিজিটরের উপর ভিত্তি করে আপনার ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিনেে র‌্যাংকে আনতে পারবে। আর একেক সার্চ ইন্জিনের টপোলজী একেকরকম।আপনি ভালো র‌্যাংক এক্সপার্ট  হলে আপনি যে কোন সার্চ ইন্জিনেই আপনার ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে আনতে পারবেন। 

ওয়েবসাইট র‌্যাংকে আসলে আপনি কি কি সুবিধা পাবেন: 
  • ওয়েবসাইট কে সার্চ দিলে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিনের প্রথম দিকে দেখা যাবে। 
  • ওয়েবসাইট প্রথমে থাকলে ভালো পরিমান ভিজিটর বা ট্রাফিক আসবে। 
  • ওয়েবসাইট এর পজিশন ভালো থাকলে আপনার ওয়েবসাইট লিডস বেশী আসবে। 
  • শুধূ মাত্র কোয়ালিটি ব্যাকলিংকের উপর ভিত্তি করে আপনার ওয়েভসাইট কে আপনি র‌্যাংকে আনতে পারবেন না- সেই সাথে ভালো নাম্বারের ট্রাফিক ও লাগবে। 
তীব্র প্রতিযোগতিার এই যুগে আপনার ওয়েবসাইট কে সবসময় টপ র‌্যাংকে রাখতে হলে আপনাকে নিয়মিত হোয়াইট হ্যাট এসইও করতে হবে বা টপ লেবেলের এসইও এক্সপার্ট দের সাহায্য নিতে হবে। আপনি চাইলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এসইও মার্কেটপ্লেস থেকে প্রফেশনাল এবং কোয়ালিটি এসইও এক্সপার্ট হায়ার করতে পারবেন। সরাসরি প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন আমার এসইও এফিলিয়েট ষ্টোর থেকেও। আপনি চাইলে বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েন/পেপাল/ক্রেডিট কার্ডে র মাধ্যমে প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন। 



 

Saturday, November 14, 2020

ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংকিং এর কিছু বিষয় বা টপোলজী।

গতকালকে আমরা জেনেছি ওয়েবসাইট পেজ র‌্যাংক বলতে কি বোঝেন? সেই সাথে ডিটেইলস আইডিয়া ও পেয়েছি কিভাবে ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক বাড়াতে হয়। আজকে আরো কিছু ডিটেইলস আলোচনা করবো যাতে আপনারা বুঝতে পারবেন কিভাবে একজন ক্লায়েন্ট বা বায়ারের রিয়েল ভাবে বেনিফিটেড করা যায়। তার আগে একটি উপমা ব্যবহার করবো। আমি কোন স্পেসিফিক ফ্রি ল্যান্সার কে আক্রমন করে কোন কথা বলবো না। আপনি শুধূ নিজের সাথে মেলানোর চেস্টা করবেন না। বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার অনেক লোভনীয় পেশা।  কারন কি ? উত্তর: এইখানে ফরেন রেমিটেন্স উপার্জন করা যায়। অবশ্যই ব্যাপারটা সত্যি। যারা বৈদিশিক শ্রমিক, যারা বিদেশে থাকে দেশ ছেড়ে, যারা গার্মেন্টস শ্রমিক এবং যারা এক্সপোর্ট- ইমপোর্ট  ব্যবসা করে তারা ও ফরেন রেমিটেন্স উপার্জন করে। সেজন্য বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে সম্মান দেয় প্রচুর পরিমািনে। 



কিন্তু একটা বিষয় কি জানেন? কারা দেশের বাহিরে থাকে- যাদের আপনাদের বাংলোদেশে থাকার যোগ্যতা নাই বা যারা আরো উন্নততর লাইফ ডিজারভ করে তারা। আপনি কি জানেন কারা বৈদিশিক শ্রমিক পেশায় নাম লিখায়?  যারা পারিবারিক ভাবে দুর্বল, গ্রামে বসবাস করে এবং যাদের জীবন যাপনে আরো বেশী অর্থ দরকার তারা দেশ ছেড়ে বিদেশ যাইয়া ভালো উপার্জন কররা চেষ্টা করে। ফলে তারা তাদের পরিবার পরিজন বৌ বাচ্চা ছেড়ে বিদেশ বিভুইয়ে পড়ে থাকে। আপনি কি জানেন কারা গার্মেন্টস শ্রমিক? যারা খেটে খাওয়া মানুষ- গ্রামে থাকলে কষ্টে থাকতো তারাই উন্নত জীবনের আশাতে মেগাসিটি গুলোতে এসে গার্মেন্টস এ শ্রমিক হিসাবে কাজ করে দেশের জণ্য অবদান রাখতাছে, নিজের জীবন চালাইতাছে এবং পরিবার পরজিনকেও সাহায্য করতাছে। এরা সকলেই বৈদিশিক মুদ্রা অর্জন করতাছে। আপনি কি জানেন একজন ফ্রি ল্যান্সার হতে গেলে একজন লোককে বা ব্যক্তিকে অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ করতে হয় না। শুধূ সেই স্পেসিফিক কোন ট্রেডে ভালো মানের এক্সপার্ট হলেই তাকে ফ্রি ল্যান্সার বলা যাবে কারন সে একটা বিষয়ে এক্সপার্ট। তো হিসাবে দেখা যাইতাছে আপনি যদি অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ করে ফ্রি ল্যান্সিং শুরু করে দেন তাহলে ব্যাপারটা অনেকের চোখে লাগবে, কারন অফিস আদালতগুলো চিরকালই থাকবে। । এইখানে যে কোন ওয়েবসাইট যে কোন সময়ে গায়েব হয়ে যাইতে পারে। যেমন: বহুল পরিচিত ওডেস্ক ডট কম এখন আর বাংলোদেশে ওপেন হয় না অথচ ওডেস্কের উপর ভরসা করে আমার মতো অনেকে সরকারি চাকুরী বা মন্ত্রনালয়ের চাকুরী বা সরকারি প্রজেক্টের চাকুরীই ছেড়ে দিয়ে ছিলো। 





ইন্টারনেট থেকে ডলার উপার্জনের পেশাটা শুধূ ঝড়ে পড়া মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ব ছিলো। কিন্তু এইখানে যে প্রজেক্টে ক্লাস ৮ পাস একজন এক্সপার্ট বিড করতাছে সেখানে মাষ্টার্স পাশ একজন পারসনও বিড করতাছে। তাহলে পড়াশোনা বা যোগ্যতার মূল্যায়ন টুকু রইলো কই। পড়াশোনা করে মাষ্টার্স পাশ করে ভালো মানের জব করবেন আর যারা পড়াশোনা শেষ করতে পারে নাই তারাই ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস / এফিলিয়েট জগতে নাম লেখাবেন এরকমই ধারনা ছিলো প্রথম দিকে অনেকের। যারা দেশের জণ্য রেমিটেন্স এনেছেন একবার তার নাম সারা জীবন বাংলাদেশের খাতাতে থাকবে এবং তার জন্য বিশ্বের অনেক দেশের সুযোগ সুবিধা কমে যাবে কারন একটি দেশের এ ক্লাস নাগরিক আরেকটি দেশে সেই সম্মান পাবে না্। যেমন: থাইল্যান্ডের ইনলাক সিনাওয়াত্রা- একসয় রাজকুমারী ছিলো কিন্তু এখন ইউরোপে পলাতক। তেমনি : আপনি যখন কিওয়ার্ড দিয়ে গুগলে সার্চ দিবেন তখন দেখবেন বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট সার্চ ইন্জিনের রেজাল্ট পেজে চলে এসেছে। অনেক ওয়েবসাইট ই বিরক্তির উদ্রেক করবে আপনার মনে- আপনি ভাববেন কিভাবে আসলো এই ওয়েবসাইট ওয়েবসাইটের ডিজাইন তেমন হাই ফাই না - কিন্তু ওয়েবসাইটের রাইটিং খুবই সুন্দর। এসইও কিওয়ার্ড বেজড। সার্চ ইন্জিন ওয়েবসাইট টাকে খুব ভালো লাইক করেছে এবং তাকে টপে জায়গাও দিয়েছে। 



যখণ কেউ কোন প্রজেক্টে বিড করে তখণ যে বায়ার সে দেখে কার সবচেয়ে বেশী কাজের অভিজ্ঞতা। কাকে দিয়ে ভালো করে কাজটি করানো যাবে। তেমনি যখন কোন মানুষ ইন্টারনেটে কোন বিষয়ে সার্চ করে তখন সে দেখে কোন ওয়েবসাইট থেকে তার ডাটাটা কালেক্ট করা গেছে। সেটাকে সার্চ ইন্জিনে ওয়েবসাইটের ভালো পজিশন বলে। আপনি খুব ভালো করে প্রচুর হাই ফাই করে ওয়েবসাইট ডিজাইন করলেন এবং গুগলের পেইড সার্চের সাহায্যে তাকে টপে দেখালেন কয়েকদিনের জন্য- সেটার আসরে তেমন কোন ভ্যালূ নাই। আবার যদি আপনি গুগলের এপিআই এর সাহয্য নিয়ে টপে এনে রাখতে চান সেটাতে আপনি  ভ্যালূ পাবেন। অনেক সময় যতো ধরনের ব্লাক হ্যাট এসইও সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি যদি কোন ওয়েবসাইট কে সামনে আইনা রাখেন তবে সেই ওয়েবসাইটের ভয়াবহ ক্ষতিও হতে পারে কারন ইন্টারনেট আপনার থেকে অনেক চালাক। সেই জণ্য ম্যানুয়ালি হোয়াইট হ্যাট এসইও করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের পজিশন বা র‌্যাংক বাড়াবেন দিনে দিনে। 





বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবসময় যে ফ্রি ল্যান্সার ডট কম বা এই রিলেটেড ওয়েবসাইট থাকবে তার কোন গ্যারান্টি নাই। যেমন: বহুল পরিচিত বৃহৎ আকারের ক্লিকব্যাংক ইন্ডাষ্ট্রি বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে। চলে গেছে গগুলের এবং ইউটিউবের মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম এবং এডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম ও। আরো অনেক ওয়েবসাইট ধরে ধীরে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে। যারা যে কোন একটা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করতাছেন : তাদেরকে বলি যে বিশ্বের যে কোন দেশের যে কোন হ্যাকার টিম যে কোন সময় চাইলে ফ্রি ল্যান্সার ডট কম বা যে কোন মার্কেটপ্লেসের দখল নিয়ে নিতে পারে বা এই সকল ওয়েবসাইটের মালিকরা মারাও যেতে পারেন , আপনার মাথাতে আকাশ ভেংগে পড়তে পারে বা ইউএসএ বন্ধও করে দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ হন তাহলে মাসে ২২/২৩ দিন অফিস করতেন- গতানুগতিক মানুষ যেভাবে জীবন চালাতো সেভাবে জীবন চালাতেন আর এই ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ইন্ডাস্ট্রিজ টা গ্রামের সাধারন ছেলে বা মেয়েরা বা যারা ঝড়ে পড়া ষ্টুডেন্ট তারাও করতে পারতো। অযথা একটা অযাচিত প্রেশারও তৈরী হতো না। এ্খন এই ইন্ডাষ্ট্রিড এ তীব্র ফাইট শুরু হয়ে গেছে  যেখানে টেকনিক কেনাবেচা শুরু হয়ে গেছে কিন্তু প্রধান প্রধান মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলো যে সারাজীবন থাকবে এরকম কোন ওয়াদা তারা করে নাই। এইগুলো সব ইউরোপিযান বা আমেরিকান ওয়েবসাইট। এদের উপরে ভরসা করে আপনি যদি আপনার জণ্য বরাদ্দকৃত যোগ্যতার পজিশনটাতে না বসেন তাহলে একসময় না একসময় আপনি মাষ্ট বি ধরা খাইতে পারেন। 

ঠিক সেরকম সার্চ ইন্জিনের রেজাল্ট পেজে কখন কোন ওয়েবসাইট টা কোন পজিশনে থাকবে তা নির্ধারন করে সার্চ ইন্জিনের কিছু টপোলজী বা হোয়াইট হ্যাট এসইও রিলেটেড কাজ। আজকে যে ওয়েবসাইট গুগলের প্রথম পেজে কালকে সে ওয়েবসাইট কে আপনি ২য় বা তৃতীয় পেজে পাইতে পারেন যাকে বলা হয়: সার্চ ইন্জিনে ওয়েবসাইট পজিশন ড্রপ বা ডাউন। আবার যদি আজেক এক পেজে বা কালকে আরেক পেজে এরকম হয় রেজাল্ট তাহলে বুঝতে হবে সেখানে আছে এমন কিছু প্যাারমিটার যা আপনাকে অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে হবে।  আবার নিয়মিত ওয়েবসাইট মনিটর  ও আপনাকে সাহায্য করবে যে কোন সার্চ  ইন্জিনে আপনার ওয়েবসাইট টাকে র‌্যাংক করার ব্যাপারে। রিলেটেড কি ওয়ার্ড ওয়েবসাইট পজিশন খুজে বের করা এবং সেখানকার কিওয়ার্ড গুলোকে আইডেন্টিফাই করে কি ওয়ার্ড কে র‌্যাংক করা বা পজিশন মুভমেন্ট করা ব্যাপারটাও আপনার অভিজ্ঞতা উপরে ডিপেন্ডস করবে।  যখন আপনি আপনার ওয়েব ব্রাউজারে গুগল ডট কম  লিখবেন তখণ যদি সেটা গুগল ডট কম ডট বিডি নামে বের হয় তাহলে বুঝতে হবে যে: এইখানে বাংলাদেশের একটা পাওয়ার আছে কারন সে যে রেজাল্ট টা দেখাইতাছে সেখান .বিডি (.bd) একটা ডোমেইন কন্ট্রোল ইস্যু ও আছে। যে রেজাল্ট টা বাংলাদেশে ১ নম্বর পেজে দেখাবে সেটা ইউএসএ বা  ইউরোপে ১ নম্বরে নাও দেখাতে পারে। কারন সে দেশের গুগলের ডোমেইন এক্সটেনশন এবং গুগলের ডোমেইন বেজড ডাটাবেজ বা কান্ট্রিওয়াইজ ডাটাবেজ টা ভিন্ন। তাই ক্লায়েন্ট বা বায়ার যে দেশের হবে আপনাকে সে দেশের সার্চ ইন্জিনের উপরে ভিত্তি করে হোয়াইট হ্যাট এসইও করতে হবে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের ওয়েবসাইট কে র‌্যাংক বা পজিশন করাতে। 



উপরের ছবি গুলো দেখবেন: আমি বিভিন্ন ভাবে কিওয়ার্ড এবং ডোমেইন সার্চ করেছি । আমার ইউজার নেম: masudbcl এবং আমি এই ব্লগের ডাইরেক্ট এবং রিডাইক্টে ডোমেইন দিয়ে সেটা আপনাদের বুঝানোর চেষ্টা করেছি। আমি এই ব্লগ এড্রস এবং masudbcl এই ইউজার নাম বা কিওয়ার্ড টা দিয়ে এখনো হোয়াইট হ্যাট এসইও করি নাই। তারপরেও   blogger masudbcl কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিয়ে সেটাকে আমি ৩য় পজিশনে দেখতে পেয়েছি।  তো আপনি যখন ক্রমান্বয়ে ব্লগ এবং কিওয়ার্ড  দিয়ে হোয়াইট হ্যাট এসইও করতে মুরু করবেন তখন প্রতিটা কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে সার্চ ইন্জিনে আপনার পজিশন আপ হবে। প্রতিনিয়ত এসইও করতে হয় যদি আপনি শুধূমাত্র একটি ওয়েভসাইট কে সার্চ ইন্জিনে র‌্যাংক করতে চান। একটি ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিনে র‌্যাংক করার জন্য যা যা করতে হয়: 

  • টাইটেল অপটিমাইজেশণ
  • আর্টিকেল অপটিমাইজেশন
  • অন পেজ এসইও
  • অফ পেজ এসইও
  • সার্চ ইন্জিন কম্পিপিটিভ এনালাইসিস (ওয়েবসাইট এবং কি ওয়ার্ড)
  • নিয়মিত কি ওয়ার্ডের পরিবর্তন (একসাথে ৫টার বেশী কিওয়ার্ড ব্যবহার না করা)।
  • টাইটেল এবং ডেসক্রিপন এসইও লেন্থ ওকে রাখা। 
  • কোন কিছু ডুপ্লিকেট না করা। 
  • ইমেজ অপটিমাইজেশন করা। 
ওয়েবসাইট র‌্যাংক বা পজিশন করার জন্য সবচেয়ে বেশী যেটা দরকার সেটা হলো সার্চ ইন্জিনে আমার আগে যে ওয়েবসাইট গুলো আছে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডে সার্চ দেবার পরে : 

  • তারা কি কি কিওয়ার্ড ব্যবহার করেছে।
  • তারা কোথায় কোথায় কোন কোন কিওয়ার্ডের উপরে ব্যাকলিংক করেছে। 
  • স্পেসিফিক কিছু টপোলজী আছে যেমন: এতোগুলো .এডু ব্যাকলিংক করা - এই ধরনের কাজ টুকু এড করা।
  • প্রথমত পেইড সফটওয়্যার বা পেইড ব্যাকলিংক ব্যবহার না করা্ না পারলে পরে সাহায্য নেয়া। 
  • গুগল পান্ডা বা পেংগুইন সুবিধা ব্যবহার না করা।  
অনেকে আছে আপনার ওয়েভসাইট এবং সার্চ ইন্জিন এনালাইসিস করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে বলে দেবে কি কি করলে আপনার ওয়েবসাইট সার্চ ইন্জিনের ভালো পজিশনে দেখাবে কিন্তু সেই সাথে আরো একটা ব্যাপার জানা থাকতে হবে যে: আমার সাথে যে ওয়েবসাইট গুলো ফাইট দিতাছে তাদের মালিকেরা প্রতিনিয়ত এসইও টপোলজী পরিবর্তন করতাছে। তাই প্রতিনিয়ত এসইও পরিবর্তনের বা আপডেটের যে ব্যাপার তার দিকেও নজর দিতে হবে। গুগলের ওয়েবমাষ্টার সেন্ট্রাল বা এনালাইটিকস বা ফোরাম বা ব্লগে নিয়মিত চোখ রাখলে আপনি অনেক কিছু বুঝতে পারবেন।  এসকল বিষয় নিয়ে অন্য আরেকদিন লেখা হবে। চোখ রাখবেন প্রতিনিয়ত। ভালো লাগলে অবশ্যই আমার ব্লগ বা ব্লগপোষ্ট টা শেয়ার করবেন। 

আপনার যদি খুব ভালো ধারনা থাকে এসইও র‌্যাংক ফ্যাক্টর হিসাবে বা আপনি যদি মনে করেন আপনি খুব ভালো মানের এক্সপার্ট তাহলে আপনি নির্দিদ্বায় নীচের মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনার এসইও সার্ভিস বা ফ্যাক্ট গুলোকে সেল করেত পারেন। ধারনা করা হয় পৃথিবীর প্রায় ১ মিলিয়ন হোয়াইট হ্যাট এসইও সেলার প্রায় দেড় মিলিয়ন সার্ভিস সলে করতাছে এই মার্কেটপ্লেসে। 


SEOClerks



Friday, November 13, 2020

ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক বলতে কি বোঝেন?

সার্চ ইন্জিন ওয়েবসাইট পেজ র‌্যাংককে -১০ এর মধ্যে মার্ক করে থাকে। পৃথিবীতে প্রচুর পরিমানে সার্চ ইন্জিন আছে। চাইলে আপনি নিজেও একটা সার্চ ইন্জিন বার তৈরী করে সহজেই আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ বা পেজে এড করতে পারেন। যদি আপনার এডসেন্স একাউন্ট থাকে তাহলে সেটা আপনার জন্য খুবই সহজ। আমার ব্লগে যারা নিয়মিত ভিজিটর তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার সাথে থাকার জন্য- আমার লেখা সময় নিয়ে ধৈর্য্য নিয়ে পড়ার জন্য। আপনি আমার ব্লগে ভিজিট করলে উপরে দেখতে পারবেন : একটা গুগল সার্চ বার। সেখানে যদি আপনি আপনার মনে যা চায় তাই সার্চ করেন তাহলে আপনি গুগলের সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে রেজাল্টাকারে দেখতে পারবেন। সেই রেজাল্ট পেজে যে রেজাল্ট দেখানো হয় তা অনেক সময় পেজ র‌্যাংকের উপরে ভিত্তি করে দেখানো হয়। যে ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক যতো বেশী সে ওয়েবসাইটের রেজাল্ট আগে দেখাবে কিওয়ার্ড (Keyword) বা কিওয়ার্ড ফ্রেজ (Keyword Phrase) এর উপর ভিত্তি করে। এইটা সার্চ ইন্জিনের একটা টপোলজী। আপনি যদি খুব ভালো এসইও অপটিমাইজার হতে চান বা খূব ভালো সার্চ ইন্জিন এক্সপার্ট হতে চান তাহলে আপনাকে অতি অবশ্যই ভালো  করে সার্চ ইন্জনের টপোলজীও বুঝতে হবে।  যে ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক যতো বেশী সে ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বা ভিজিটর ততো বেশী।  



যেমন: নীচে দেখেন ক্রমান্বয়ে কিছু ওয়েবসাইট বা পেজের পেজ র‌্যাংক দেয়া হলো। গুগল বা ফেসবুক বা যে কোন ওয়েবসাইটের। আমার ব্লগে যে ইমেজ বা ছবিগুলো দেয়া থাকে সেগুলো থাকে হাইপারলিংক করা। তো আপনি যদি ছবিগুলো দেখতে চান তাহলে অতি অবশ্যই আপনাকে রাইট বাটন ক্লিক করে সেভ ইমেজ নামে অপশন এ ক্লিক করে সেভ করে রাখতে হবে তবে অন্য কোথাও ব্যবহার করলে সেটা সাবধান: কারন আপনার প্রোফাইল বা পেজ বা ওয়েবসাইট বা ব্লগ কপিরাইট খাইতে পারে। আপনি যে কোন ওয়েবসাইটের লোগো ব্যবহার করতে পারবেন না কিন্তু সেই লোগো কে যদি আপনি স্ক্রিনশট হিসাবে ব্যবহার করেন তাহলে আপনাকে কেউ কপিরাইট ধরতে পারবে না। কারনটা পরে আরেকদিন ডিটেইলস বর্ননা করে জানাবো। 



কিছু ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংকের ছবি নীচে দেয়া হলো: 










পেজ র‌্যাংক (Page Rank)  সার্চ ইন্জিনের অন্যতম প্রধান টপোলজী। এই একটা কাজ দিয়ে আপনি অনেক অনেক প্রজেক্ট বা কাজ করতে পারবেন এসইও ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে। এই র‌্যাংক কিন্তু বাংলাদেশ পুলিশ বা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন র‌্যাংক কে বোঝানো হয় না। এই র‌্যাংক বলতে টোটাল সার্চ ইন্জিনের ডাটাবেজে কি কি র‌্যাংক বা পজিশেনের ওয়েবাসাইট বা লিষ্ট আছে তা বোঝানো হয়। ১০ মাত্রার পেজ র‌্যাংক যে কোন ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিন নিজেই অনেক সময় টপে রাখবে। আবার ১ মাত্রার ওয়েবসাইট কেও সে তারা ডাটাবেজে বা সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে দেখাতে কিন্তু ঠিক কতো নাম্বার পেজে দেখাবে তা নির্ভর করে : 

  • কি কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে সার্চ দেয়া হয়েছে ?
  • কি কিওয়ার্ড ফ্রেজ দিয়ে সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে সার্চ দেয়া হয়েছে ?
  • ওয়েবসাইটের অণপেজ এবং অফপজ অপটিমাইজেশন কমপ্লিট আছে কিনা? 
  • ওয়েবসাইটের সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন কমপ্লিট আছে কিনা? 
  • ওয়েবসাইটের কিওয়ার্ড অপটিমাইজেশন ওকে আছে কিনা?
  • ওয়েবসাইটের আর্টিকেল গুলো প্লাগারিজম বা কপিরাইট ফ্রি কিনা? 
যে ওয়েবসাইটের কোন র‌্যাংক নাই সেই ওয়েবসাইটের কোন একটা অংশ সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে দেখানো হতে পারে মাঝে মাঝে তবে সেখানে আলাদা একটা টপোলজী আছে। মুল টপোলজী হলো আপনার ফুল ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে আসতে হবে সেখানে আপনার টোটাল পেজুগলোও দেখাবে এবং আপনি অনবরত ট্রাফিক বা ভিজিটর বা সেশন পাইতে থাকবেন। আনলিমিটেড নাম্বার অফ ভিজিটরস আসতে থাকবে আপনার ওয়েবসাইটে যা দেখে আপনি অনেক খুশী হবেন। আপনি যে ইচ্ছা নিয়ে ওয়েবসাইট শুরু করেছেন তা পরিপূর্ন হবে। 



পেজ র‌্যাংক কে সাধারনত (PR)  নামে প্রকাশ করা হয় এসইও এর ভাষাতে। আপনি যদি ভালো পেজ র‌্যাংক এক্সপার্ট হতে চান তাহলে অতি অবশ্যই আপনাকে ভালো মানের হোয়াইট হ্যাট এসইও শিখতে হবে। পেজ র‌্যাংক করানরো জন্য প্রধান উপায় হইতাছে: প্রচুর পরিমানে হোয়াইট হ্যাট এসইও ব্যাকলিংক তৈরী করা। আর যারা সফটওয়্যার দিয়ে বিভিন্ন ধরেনর ব্যাকলিংক বা লিংকবিল্ডিং করে থাকে সেটা সাময়িক ভাবে পেজ টপে দেখারেও ব্ল্যাক হ্যাট এসইও হিসাবে বা গ্রে হ্যাট এসইও হিসাবে দেখানো হতে পারে বা একসময় ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিন নিষিদ্ব করে দিতে পারে। ফলে সেটা আর সার্চ ইন্জিনে দেখাবে না বা প্রথম ১০ পেজে দেখাবে না। সাধারনত যারা সার্চ ইন্জিনে সার্চ করে তার প্রথম ২/৩ পেজ পর্যন্ত  খুজে থাকে বা দেখে থাকে। কিন্তু যারা রিসার্চ করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারা অনেক দুল পর্যন্ত ২০/৩০ রেজাল্ট পেজ পর্যন্ত খুজে থাকে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর আনার জণ্য কি ওয়ার্ড বেজড আর্টিকেল এর কোন বিকল্প নাই। আর ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকে তোলার জন্য ব্যাকলিংক বা লিংকবিল্ডিং এর কোন বিকল্প নাই। কি কি ধরনের ব্যাকলিংক বা লিংকবিল্ডিং হতে পারে তার কিছু উদাহরন: 

  • ফোরাম প্রোফাইল ক্রিয়েশন।
  • ফোরাম পোষ্ট ।
  • ফোরাম পোষ্ট রিপ্লাই।
  • ব্লগ তৈরী।
  • ব্লগ কমেন্ট (রিলেটেড কিওয়ার্ড বেজড)।
  • ওয়েব ২.০ ব্লগ।
  • ওয়েব ২.০ ব্লগ লিংক হুইল।
  • লিংক হুইল।
  • সোশাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন।
  • সোশাল মিডিয়া বুকমার্ক।
  • ক্লাসিফায়েড ওয়েবসাইট পোষ্ট।
  • আর্টিকেল সাবমিশন।
  • প্রেস রিলিজ সাবমিশন। 
  • ডু ফলো অর নো ফলো ব্যাকলিংক অর লিংকবিল্ডিং
  • ইমেজ অপটিমাইজেশন 
  • দরকারি কি ওয়ার্ড ব্যাকলিংক  (র‌্যাংক)
  • উইকি ব্যাকলিংক বিভিন্ন ধরনের, ইত্যাদি।
আরো অসংখ্য টেকনিক আছে যা দিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক করাকে পারবেন। বিশ্বে অনেক অনেক ক্লায়েন্ট আছে যারা শুধূ তাদের ওয়েবসাইট পেজ র‌্যাংকের কাজ দিয়ে থাকে। আপনি ইচ্ছা করলে যে কোন মার্কেটপ্লেসে র ওয়েবসাইটে পেজ র‌্যাংকের  কাজ করতে পারেন।  আপনি একজন পেজ র‌্যাংকার হিসাবে এক্সপার্ট ও হতে পারবেন। আবার সময়ে সময়ে সারা বিশ্বের যে কোন ওয়েবসাইট কে চ্যালেন্জাকারে র‌্যাংকে আনতে পারবেন। সাধারনত সার্চ ইন্জিনের প্রথম ১০ পেজের ভেতরে নিজের ওয়েবসাইট থাকাকে ওয়েবসাইট  পেজ র‌্যাংক বলে। 

Page Rank Expert হিসাবে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে যদি আপনি ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে আপনি নীচের ইমেজ এ ক্লিক করে ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। মার্কেটপ্লেসের ব্যাপারে ডিটেইলস জানতে হলে আপনি ণীচের ইউটিউব ভিডিও টা পুরোপুরি দেখতে পারেন এবং নিশ্চিন্তে অনায়াসে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। এসওক্লার্ক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এসইও মার্কেটপ্লেস। এইখানে আপনি ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করে একজন সেলার হিসাবে আপনার কোয়ালিটি এসইও সার্ভিসগুলো সেল করা শুরু করে দিতে পারেন। 

                                                 
SEOClerks

Translate