Showing posts with label আউটসোর্সিং. Show all posts
Showing posts with label আউটসোর্সিং. Show all posts

Monday, November 30, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস জগতে একটি মার্ডার দেখা।

২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরনে সরাসরি অংশগ্রহন করতে পারি নাই কারন আমি একটু ব্যাকডেটেড ছিলাম। এখনো আমি কিছুটা সেকেলে মাইন্ডের। প্রায় ১ বছর ধরে ভাবতাছি নিজের গিগের ইমেজগুলো পরিবর্তন করবো তাও করা হইতাছে না। আমি খুব সিরিয়াস না হলেও বলতে পারেন মোটামুটি বা শখের ফ্রি ল্যান্সার।  গনজাগরনে সরাসরি শাহবাগে অংশগ্রহন না করলেও ময়মনসিংহে আমি শাহবাগ গনজাগরনের পক্ষে কাজ করি- সংঘটিত হবার চেষ্টা করি এবং কিছু কিছু পদক্ষেপে মুভমেন্টে ও করি। তো গনজাগরনের যারা বড় ভাই ব্রাদার তারা বলে যে : তোকে শেষ দিন হলেও থানা শাহবাগে আসতে হবে। আমি ২৫ শে অক্টোবর ২০১২ তে থানা শাহবাগ ছেড়ে ময়মনসিংহে চরে আসি তারপরে আবার ১৪ ই ডিসেম্বর ২০১৩ তে ফিরে আসি। আমার দ্বায়িত্ব ছিলো সারা দেশে একটি বলয় তৈরী করা শাহবাগ গনজাগরনের চতুর্দিকে। সেই হিসাবে গনজাগরনে অংশগ্রহন করার চেয়ে গনজাগরনের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করাতে বেশী  ইন্টারেষ্টেড ছিলাম যেনো সারা দেশ থেকে যে সকল ভাই ব্রাদার অংশগ্রহন করেছিলো তারা আবার শান্তিতে বা নিরাপদে তাদের বাসাতে ফিরে যেতে পারে। একেবারে মূল  কেন্দ্রে র সাথে যোগাযোগ না থাকলেও গনজাগরন সংক্রান্ত ব্যাপারে ২০১৩ সালের গনজাগরনে অংশগ্রহন করে অনেকেই নিহত হয়। ইন্টারনেটে থেকে তৈরী হওয়া গনজাগরনের সদস্যদেরকে যারা হত্যা করেছে বা যারা মূলে ছিলো বা পেছনে ছিলো আজকে তাদের খুব রমরমা অবস্থা। স্পেশিয়াল কিছু ভাই এর হত্যা মনের মধ্যে গেথে আছে : শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের দীপন ভাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সন্তান অভিজিত দা এবং তেজগাওয়ে সম্ভবত ওয়াসিফুর রহমান বাবু। সবচেয়ে ভয়াবহ মার্ডার বলতে গেলে অভিজিত হত্যা- এখনো তাদের ফাসির দাবী করি। এর তদন্তে আছে এফবিআই।  

একজন ফ্রি ল্যান্সারের মূল যে সম্পদ তা হইতাছে তার গ্যাজেটস। আমি ২০১৩ সালের ১৪ ই ডিসেম্বর থানা শাহবাগ গনজাগরন সভাস্থলে হাজির হই আমার ল্যাপটপ সহকারে। রাজাকার কসাই কাদেরর ফাসির উৎসব এ। ফাসি কার্যকর হবার পরে একটি বিজয় অনুষ্টান হয় সেখানে আমি ল্যাপটপ সহকারে উপস্থিত থাকি। তারপরে ঘোরাফেরার মধ্যে ২০১৩ সালের ১৭/১৮ ই ডিসেম্বর মিরপুর ১২ নম্বর থেকে একটা গুরড় কল আসে- ইন্টারনেটে ফেসবুকের গ্ররপে একটা এড দেখার সূত্র ধরে। তারপরে সেই গ্ররপের সাথে পরিচয় এবং কথা বার্তা। তারা আমার সাথে কথা বার্তা বলে অফার করলো তাদের সাথে থাকার জন্য। আমি ব্যাচেলর মানুষ- তাদের আদর আপ্যায়নে খুশী হয়ে থেকে গেলাম যদিও মেস লাইফ তারপরেও ফ্রি ল্যান্সিং করতে গেলে সংঘ বা প্রেমিকার ভালোবাসা দরকার হয়। সেই সেন্সে থাকা । আমার সাথে ল্যাপটপ থাকার কারন আমি তখন কাজ করি মার্কেটপ্লেসে তবে ইনকাম খুব বেশী হাই ফাই না আবার এতা খারাপও না যে চলতে পারবো না। ঢাকা শহরের একটা মেসে থাকলে সর্ব্বোচ্চ খরচ ৬০০০-১০০০০ টাকা। সেরকম ভাবে সৃষ্টিকর্তা আমাকে সহায়তা করতেছিলো। আমাকে আমার বাসা থেকে কখনোই কোন হাত খরচ দেয়া হতো না।  তারা আমাকে তেমন ফাইনানসিয়ালি হেল্প করতো না। তাছাড়া আমি সরকারি প্রজেক্টের চাকুরীও ছেড়ে দিছিলাম।২০০২-২০১১ পর্যন্ত পার্ট টাইম ফ্রি ল্যান্সিং এর পাশাপাশি জব এবং ২০১১ থেকে এখন পর্যন্ত ফুলটাইম করি। 


তো মিরপুর ১২ নম্বরে থেকে কাজ শুরু করার পরে আস্তে আস্তে একজন দুজন করে সংগী যোগাড় হওয়া শুরু হয়। মোটামুটি প্রথমে ১ জন, তারপরে ২/৩ জন করে ৫/৬ মাসের মাথাতে আমার গ্ররপের সংগী সংখ্যা দাড়ায় ৪/৫ জন। ২ জন জুনিয়র, ১ জন সিনিয়র আর দুইজন মেয়ে। মেয়েটা যে কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজ থেকে অনার্স/মাষ্টার্স পড়তেছিলো। থাকতো ডেমরাতে। কখনো দেখা হয় নাই। তো আমি লাইক ফর লাইক পয়েন্ট কেনাবেচা করতাম- আমি কিনে ক্লায়েন্টের সোশাল মিডিয়া প্রমোশনের কাজ করতাম। যখন সংগী বাড়তে শুরু করে আর তারা ডিমান্ড করে আমার সাথে কাজ করবে তখণ আমি আমার নেটওয়ার্ক বা পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করি। লাইক ফর লাইকের যারা ওয়ার্কার তারা ৫০% রিয়েল ইমেজ ব্যবহার করতো না। কিন্তু ক্লিকটা হতো রিয়েল এবং আর ইমপ্রেশন টা হতো রিয়েল আর লাইক গুলো আসতো সারা বিশ্ব থেকে। এইটা টেক্সাসের টেক ইউনিভার্সিটির একদল ছাত্রের একটা প্রজেক্ট। সেভাবেই কাজ শুরু করা। প্রথমে সোশাল মিডিয়া প্যানেল থেকে আমার ফেসবুক প্রোফাইলে ৩৫০০ ফ্রেন্ডস এড করি ১০/১২ ডলারের বিনিময়ে। হাই কোর্টের ভ্যাট ট্যাক্স  ডিভিশনের একজন আইনজীবি ছিলেন ফ্রি ল্যান্সার- উনার কাছ থেকে কিছু সাজেসনস নিয়ে আবারো কাজ শুরু করি। ক্লায়েন্ট দেরকে ফেসবুকে সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর অফার প্রমোট করি- যারা রাজী হতো তারা সরাসরি পেপালে পেমেন্ট করতো আর যারা রাজী হতো না কিন্তু কাজ দিতে রাজী থাকতো তাদেরকে নিয়ে আসতাম মার্কেটপ্লেসে। পেপালের ডলার ঢাকা শহরের যাদের ডলার দরকার ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দিতো তাদের সাথে যাইয়া সরাসরি দেখা করে সেল করে দিতাম। ল্যাপটপ ও নিয়ে যাইতাম অনেকখানে। কোথাও কোন খান থেকে কখনো কোন ডলারের ব্যাপারে কোন অভিযোগ আসে নাই। পারসোনাল পেপালে ডলার দিতাম উনি সেটা দেখে পরীক্ষা করে নগদ ক্যাশ টাকা দিতো এবং সেটা নিয়ে কাজ করতাম বা যারা ওয়ার্কার তাদেরকে দিয়ে দিতাম। আবার অনেক সময় যে কারো পেমেন্টবিডি একাউন্টে সেলও করে দিতাম। আমাদের দেশের একটা প্রধান সমস্যা অনেকই পেপালকে অবৈধ বলে- অবৈধ হলে তো আর ওয়েবসাইট ওপেন হতো না। পেপালের ওয়েবসাইট যেহেতু ওপেন হয় সেহেতু আপনি যেভাবেই ব্যবহার করেন না কেনো সেটা ষ্ট্রাগলিং ফ্রি ল্যানসিং এর জন্য লিগ্যাল ধরা হয়। 



আমার সেই হাই কোর্টের আইনজীবি ছিলো শাহবাগেরই বন্ধু। আমি তার সাথে বেশীর ভাগ সময় শাহবাগে দেখা করতাম। সে ছিলো একজন মেয়ে এবং আমাদের সম্পর্ক টা ছিলো বন্দুর মতোই। ফ্রি ল্যান্সিং এর সূত্রে পরিচয় ২০০৬ সাল থেকে। সে না থাকলও আমি থানা শাহবাগে যাইয়া বসে আড্ডা দিতাম। ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়, বুয়েট এবং ঢাকা মেডিকেল, পিজি হাসপাতাল, বারডেম এর কর্মচাঞ্চল্য ভালো লাগতো। থানা শাহবাগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সারা দেশের ছেলে মেয়েরা আসতো বসে আড্ডা  দিতো এবং  লালন চত্বরের লালনের আসর জমতো। আমার ধারনা হয় মিনিমাম ৫ লক্ষ লোকের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে থানা শাহবাগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বসে থাকার দরুন। তাই মাঝে মাঝে আইসা বসতাম বা মানুষের সাথে পরিচিত হতাম। ভাগ্য গুনে কয়েকজন ফ্রি ল্যান্সার বন্ধুও জুটে গেলো যারা থানা শাহবাগে আড্ডা দিতো। তারা ক্রেইগলিষ্টের মার্কেটিং করতো এবং এখন এডাল্ট ডেটিং নিয়ে কাজ করে এবং তারাও রেমিটেন্স আনে। বাংলাদেশ ব্যাংক তো আর জানে না কোন কোন কোম্পানী রেমিটেন্স দিতাছে কারন এডাল্ট ডেটিং এর সব কোম্পানীই পাইওনিয়ার বা স্ক্রিল এ পেমেন্ট দিতো। আর সেগুলো লোকালি সেল করা ছাড়াও  ব্যাংকেও উইথড্র দেয়া যাইতো। তো প্রথমেই স্মরন করবো সেই বন্ধুমহলের সাথে থেকে অভিজিত হত্যার খবর জানার ব্যাপারে।


২জন ফ্রি ল্যান্সার বন্ধু এডাল্ট ডেটিং এর আর আমার টিমের ৩ জন, আমি , আমার এক ছোট ভাই আর এক বড় ভাই (ডেমরা এলাকার) একুশে বইমেলার চলতেছিলো জয় কালী মন্দির গেটে, আমরা বসেছিলাম টিএসসি গেটের ভেতরে নাট্যমঞ্চে, মুক্তমঞ্চে। যারা সেখানে গেছে বা যাবার অভিজ্ঞতা আছে তারা সকলেই জানে সেখানে ছেলে পেলে রা বসে কি করে? যথারীতি আমারও তাই করতেছিলাম। তার আগে দিনের বেলাতে আমার একটা ডেট ছিলো। আমি আমার ডেট শেষ করে বন্ধুদেরকে কল দিলে থানা শাহবাগে দেখা হবে এরকম একটা সেটআপ করি। সবাই চলে আসলে সন্ধ্যার আগে আগে আমরা সেখানে বসে যাই আরো ৩/৪ হাজার ছেলে পেলে দের সাথে। পুরো নাট্যমঞ্চে অনেক মেয়েও ছিলো। আমরা বসে বসে তাদের মজা দেখতাম অনেক সময়। তারা তাদের বন্দুদের সাথে মজা করতো , চিৎকার চেচামেচি করতো আর সবচেয়ে ভালো লাগতো তাদের ড্যাশিং মুভমেন্ট। সেই হিসাবে ১ থেকে দেড় ঘন্টা মতোন আমরা সেই ২ নম্বর গেট এলাকার নাট্যমঞ্চে বসে আড্ড দেই। আমাদের কারোরই নলেজে ছিলো না যে তখন বইমেলা চলতেছিলো। কারন ইন্টারনেটের যুগে বই কিনে পড়ার মতো কোন অভিজ্ঞতা নাই্ ভালো না লাগলে বসে বসে পিডিএফ বুক পড়তাম। যারা মনিটাইজেশন করে তারা তো আর বই কিনে পড়ে না- একজন আরকেজনের লেখা পড়ে। 


তো আমার ৩জন, সেই এডাল্ট ফ্রি ল্যান্সার ২ বন্ধু, আর তাদের আরো ২ বন্ধু এই ৭ জন মিলে সেখানে আড্ডা দিয়ে - সমস্ত সিগারেট শেষ করে টিএসসি এর গেট দিয়ে বের হয়ে আসি- যেখানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকতে হতো। আমার পুরো মাথা টাল মাতাল লাগতেছিলো টায়ার্ড  এর কারনে। বের হয়েছি প্রায় ২/৩ টার দিকে আর ঢাকা শহরের ধুলো বালি এমনিতেই মানুষকে টায়ার্ড বানিয়ে দেয়। আমরা সাড়ে ৮টা নাগাদ বা তার আরো কিছু পরে হাটতে হাটতে চলে আসি শাহবাগের মোড়ে। তখণ লুংগি পড়া একজন লোক দৌড়ে কাছে আইসা আমাদেরকে বলতাছে: ভাইয়া ভাইয়া এইখানে এইখানে ২ টা হত্যা হয়েছে। মার্ডার । গলা কাটা। আমরা থেমে দাড়াই এবং বলি যে কোথায়? তো উত্তরে বলতাছে এই যে: টিএসসির কাছে। তো আমার উত্তর দিলাম যে: আমরা তো মাত্রই হেটে আসলাম। কিছু দেখলাম না তো কোন রক্ত বা কোন লাশ বা কোন হইচই। তো বলতাছে যে: এই মাত্রই হইছে। তো আমরা উত্তরে বললাম যে: তো আমারে বলতাছেন কেনো? থানা শাহবাগে যান সেখানে পুলিশ আছে তাদেরকে বলেন। আমার ঠিক সেই মুহুর্তে থানা শাহবাগের গেটের উল্টোদিকে দাড়িয়ে ছিলাম। তো বললাম: তো আপনি আমাদের কে বলতাছেন কেনো: থানাতে যান পুলিশকে বলেন। তো বলতাছে সেই লংগি পড়া দোকানদার মে বি: যে সে আমাদেরকে দেখে পুলিশ মনে করেছিলো। তো আমি টাল মাতালের মধ্যেও ভাবতেছিলাম যে: শালায় মনে হয় আমারে ইন্টারপোল ভেবেছে। (!)


তারপরে আমরা শাহবাগ থেকে হেটে হেটে ইষ্টার্ন প্লাজার সামনে হয়ে বাংলামোটর এর মোড়ে চলে আসি। সেখান থেকে বাসে উঠি ৯.১৫ এর দিকে এবং মেসে চলে আসি ১০ টা- সাড়ে ১০ টা নাগাদ। রুমে ঢুকতেই রুমের এক বড় ভাই বলতাছে: মাসুদ ভাই কিছু জানেন? আমি বললাম কি? তো উনি বুঝতে পেরেছে আমি মে বি কিছু শূনি নাই। তো বলতাছে যে: ল্যাপটপ খুলেন এবং সংবাদ পত্র বের করে দেখেন : আপনাদের একজন ব্লগারকে হত্যা করা হয়েছে (আমি একটু আউট থাকার কারনে ভুলে গিয়েছিরাম যে আমি শাহবাগে একটি হত্যা নিউজ শুনে এসেছি)  এবং তার স্ত্রী ও আক্রান্ত। আমি খবর পড়ে বুঝতে পারলাম বিজ্ঞান মনস্ক লেখক ডা: অভিজিত রায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যুক্তরাষ্ট্র এবং তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ডা: অজয় রায়। আমি অভিজিতের নাম কখনো তেমন শূনি নাই বা শুনলেও মনে নাই কিন্তু ডা: অজয় রায়ের কথা জানতাম। উনার কিছু কিছু লেখাও পড়েছি। বুঝতে পারলাম উনার বিজ্ঞান মনস্ক লেখা সম্ভবত কেউ পছন্দ করে নাই। তাই সরকারের ছত্র ছায়ায় বসে থেকে তাকে প্রকাশ্য দিবালোকে হাজার হাজার মানুষের সামনে কুপিয়ে হত্যা করেছে - কোন লোকজনও  তেমন ফেরাতে আসে নাই। তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হইতেছিলো বলে অনেকদিন- পরে পত্রিকা পড়ে জানলাম আর সে তার ছোটবেলার বেড়ে উঠার এলাকায় তাকে কেউ মেরে ফেলাবে এইটা সে বিশ্বাস করতে পারে নাই। 


ইন্টারনেট যেমন একটি গতিশীল মিডিয়া তেমনি ঢাকা শহর ও একটি পরিবর্তনশীল দুনিয়া- এই খানে একজন মানুষকে এক সেকেন্ড পরেও আর খুজে পাওয়া যায় না। সিসিটিভির ফুটেজ আছে কারা কারা অভিজিত কে হত্যা করেছে। ঢাকা শহরের প্রানকেন্দ্রে অবিস্থত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতে ডা: অভিজিত যাদেরকে বন্ধু ভেবেছে তারা হয়তো সেই সময়ে তাকে আর সেই সাপোর্ট দিতে পারে নাই।  তার আগে এবং পরে আরো দুটি মৃত্যু কিংবা খুন আমারে অনেক ভাবাইয়া তোলে: ১) শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের ণীচে থাকা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ডা: আজাদ আবুল কালামের ছেলে প্রকাশক দীপন  এবং ২) আরো একজন ভালো মনস্ক লেখক: ওয়াসিফুর রহমান। তাদের লিখিত ব্লগে কোন মনিটাইজেশণ ছিলো না। আমার বাবাও একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন এখণ অবসরপ্রাপ্ত। এই দুইটা হত্যাতে আমার কাছে মনে হয়েছে : তারা অভিজিত বা দীপন ভাই কে মারে নাই- তারা বোধ হয় আমাকেই মেরে ফেলেছে। অভিজিত ছোট বেলাতে ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয় আবাসিক এলাকাতে বসবাস করতো কারন তারা বাবা ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। কিছুদিন আগে তারা বাবা ডা: অজয় রায় ও মারা গেছেন। এখনো অভিজিতির লাশ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রাখা আছে। যতোদিন পর্যন্ত অভিজিত হত্যাকারী বা প্রধান পরিকল্পনাকারী সহ হত্যাকালীদের ফাসি কার্যকর না হবে ততোদিন পর্যন্ত অভিজিত লাশ কে দাফন বা সমাহিত করা হবে না- এইটা অভিজিতের পরিবারের  এবং  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের  সিদ্বান্ত।   

পরের দিন সকালে আমি সম্পূর্ন সুস্থ হই এবং মনের মধ্যে কষ্ট পাই। তার ২/১ টা লেখা পড়ি এবং দেখলাম যে: থানা শাহবাগে বিকালে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে। শাহবাগে বিরাট জনসমাগম হয় এবং অনেকখানে অনেক আড্ডা হয়। আমিও সেই আড্ডার মধ্যে থাকি বা অংশগ্রহন করি। ফলে থাদের অনেক খবর আসতো আমার কাছে। সেখানে যাই এবং প্রতিবাদ সভা বা মিছিলে অংশগ্রহন করি। পরে যাইয়া দেখি টিএসসি এর গেটে একটা বিশাল ছবি টাংগানো আছে অভিজিতের। আমি সেই খানে যাইয়া একটু থাইমা যাই কারন পত্রিকাতে দেখলাম লিখেছে ৩ নম্বর গেট তথা জয় কালী মন্দির গেটে হত্যা হইছে অভিজিত কিন্তু শাহবাগের লোকজন মোমবাতি জালাইতাছে  ২ নম্বর গেটে। পরে আমিও একটা মোমবাতি জালিয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্বা নিবেদন করলাম এবং সেখান থেকে হেটে হেটে ফিরে আসলাম।সেই প্রতিবাদ সভাটা আয়োজন করার ব্যাপারে পরে পত্রিকাতেও ছবি আসে অনেক।


ইন্টারনেটে বাংলা লেখা বা ব্লগ লেখা কোন অপরাধ না। বাংলাদেশে এমন কোন আইন নাই যে: ইন্টারনেটে বসে বাংলা লিখা যাবে না বা ব্লগ লেখা যাবে না। আইনে আছে: ইন্টারনেটে আপনি দেশ, জাতি, ধর্ম  বিরোধী কিছু লিখতে পারবেননা। মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কিনে নিজের মনের চাহিদা পূরনের জন্য। কারো যদি বাংলা লিখতে ভালোবাসে সে লিখবে। কারো যদি ব্লগ লিখতে ভালোবাসে সে লিখবে। এই ব্যাপারে আদালতের ও কোন এখতিয়ার নাই কাউকে বাধা দেবার জন্য। আদালত শুধূ অপরাধীর বিচার করতে পারে- কারো ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না। আমার এখনো বিশ্বাস হয় না: যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডা: অভিজিত কোন ধরনের খারাপ কিছু লিখতো। কারন দীপন একজন প্রকাশক ছিলো: তাকে যারা হত্যা করে তার  মেইন মোটিভ ই ছিলো যে: তাকে ধর্মবিরোধী বই প্রকাশ করতে বলা হয়েছিলো- সে করে নাই্ আরো একজন ছিলো লালমাটিয়ার প্রকাশক তিনিও রাজী হন নাই্। তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। অভিজিত যে নিজে সেই ব্লগ লিখতো বা নিজে লিখে যে বই প্রকাশ করেছিলো এইটা আমার বিশ্বাস না হবার কারন : আমি নিজেও বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক পরিবারের সন্তান। আমাদের একটি আলাদা সমাজ ব্যবস্থা আছে যেখানে খুব ভালো করে ধর্ম কর্ম শিক্ষা দেয়া হয়। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে যে: অভিজিতের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল হ্যাক করা হয়েছিলো, তার নামে মিথ্যা বা বানোয়াট ব্লগ লেখা হয়েছিলো এবং  শাহবাগ গনজাগরনের কর্মী হবার কারনে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে ইভেন তার নামের বইও অন্য একজন লিখে তার নামে প্রকাশ করা হয়েছে বলে আমার সন্দেহ হয়।  কারন আমরা জানি বিশ্ববিধ্যালয়ে শিক্ষক পরিবারের সন্তানেরা কেমন হয়। আদর্শ আর নৈতিকতার স্বাক্ষী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিবারের কোন সন্তান কোন খানে তাদের নৈতিকতা বিকায় না- পারহেপস আমি কখনো দেখি নাই। আমার বাবা সুদীর্ঘ ৪৫ বছর শিক্ষক ছিলেন আর আমিও কখনো ২ নম্বরি বা জোচ্চুরি করি নাই আমার লাইফে। 


তারপরে র কথা তে আসি। আমি যে রুমে বসে থেকে অভিজিতরে হত্যার খবর ইন্টারনেটে সংবাদপত্রে বসে পড়ি সেখানে থাকার আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। একই বিল্ডিং এর অন্য পাশে আরো একটি ফ্লাট খালি হয় এবং সেখানে মুভ করার চেষ্টা করি। ঠিক সে সময়ে অল্প পরিচিত একজন আইসা জুটে আমার গুরপের বা টিমের সাথে। তার মেস ছিলো অন্য আরেকপাশে বিল্ডিং এ। তার রুমে একদিন বা ২ দিন একজন বান্ধবীর সাথে ডেট করার দরুন সে চেপে বসে এবং সে বলে যে তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে আর্থিক সাহায্য করা বন্ধ করে দিছে। তার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনাও ঠিক নাই। সে তার বিশ্ববিধ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করতে পারতাছে না। তাকে কাজ শিখানোর জন্য এবং তাকে কিছু কাজ দেবার জন্য্ কাজ শেখার জণ্য সে আমাকে টাকাও অফার করতে চাইলো। তো আমি বললাম: এই ধরনের ব্যাপার স্যাপার তো বাংলাদেশে চালূ নাই্ কাউকে ফ্রি ল্যানসিং কাজ শিখিয়ে টাকা নেবার কোন উপায় নাই।  তো আমার সাথে যারা টিম মেম্বার তারা বললো যে ভাই: এই লোকটাকে নিয়েন না। তার এক চোখ পাথরের- আরেক চোখ এতোদিনে নষ্ট হয়ে যাবার কথা মানে অন্ধ ঘটিত প্রবলেমে। এই কথাটা বলার পরে তাকে কিছু কাজ দেখানোর ইচ্চা পোষন করি। তাকে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে টানা আটটি মাসে ৪ লক্ষ টাকার মতো কাজ দেই এবং তা পেমেন্টও করি। কারন আমার মনে স্থির ধারনা ছিলো; সে প্রাইভেট বিম্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়তো একসময় টাকা ফেরত দেবে। 



পরে দেখলাম তার রুচি অনেক ডাউন। প্রথমেই দেখলাম যে গার্মেন্টস এর পঞ্চম শ্রেনী পাশ মেয়েদের সাথে ছাদে বসে টাংকি মারে। ব্যাপারটা আমার ভালো লাগে নাই। মিরপুরের পুরোটা জুড়েই গার্মেন্টস । আমি সতর্ক হওয়া শুরু করে। মার্কেটপ্লেস থেকে তাকে আমি ১ টা কি ২ টা কাজ দেই কিন্তু বেশীর ভাগ সময়ে আমার সোশাল মিডিয়া বন্ধুদের সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কাজ করতো।আমি আস্তে আস্তে সতর্ক হওয়া শুরু করি। গার্মেন্টস এর মেয়েদেরকে আমি অবজ্ঞা করতাম না। তাদের সাথে আমিও হাই হ্যালো বলতাম কিন্তু আমি একটা লিমিটেশন বজায় রাখতাম। আমার দ্বিতীয় যে খারাপ লাগাটা হয় সেটা হলো: আমার টিমের প্রথম যে মেম্বার সে একাবরে গ্রাম থেকে আসা অনেক সহজ সরল মানুষ- সে যাকে পছন্দ করে সেই মেয়েকে এই এক চোখ অন্ধটা বিরক্ত করে। ফলে টিমের প্রধান সদস্য টেনশনে পড়ে যায় এবং আমি বুঝে ফেলি যে: আমার এই টিমটা টিকবে না। কারন ফ্রি ল্যান্সিং কখনো কনট্রাডিকশন (Contradiction) এর মধ্যে হয় না। তৃতীয়ত: একদিন ভোর বেলাতে সে আমার ল্যাপটপ এবং মোবাইল চুরি করে বসে। মেসের সকল সদস্য ঘুমে থেকে এবং সে মেসের দরজা খুলে ছাদের সাথে লাগোয়া দরজা খুলে ছাদে বসে চোরকে ইনষ্ট্রাকশন দিতাছিলো আর একদম ফজরের আজানের টাইমে দারোয়ানের  খোলা দরজা দিয়ে (তখণ সবাই নামাজ পড়তে যায় মসজিদে)  তার দেখানো পথে চোর আইসা ল্যাপটপ এবং মোবাইল আমার কানের কাছ থেকে নিয়ে যায়। আমি যখন ঘূমাতাম তখণ ল্যাপটপ আর মোবাইল আমার মাথার পাশেই থাকতো। আমি পুরো হতভম্ব এবং থ হয়ে যাই। মনে মনে বলি চোর নিয়ে কি আর ফ্রি ল্যান্সিং করা যায়। 


আশে পাশে খোজাখুজি শেষ করে সকাল হলে থানাতে যাই আমার সেই প্রথম সদস্য এবং এই চোর কে নিয়ে। থানার ওসি বলে জিডি লিখে নিয়ে আসেন। আমি বাহিরে যাইয়া জিডি লিখে নিয়ে আসার প রে বলতাছে: চোর আপনার চেনা জানা। আপনি কি চোরের নাম দিবেন জিডিতে নাতি সবাইকে সন্দেহের তালিকাতে রাখবেন। আমি বললাম: সেখানে সবাইকে সেন্দহের তালিাকতে রাখেণ। থানার ওসি বললো: জিডি করতে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর রাগবে। এই একটা কথা শুনে আমি এতো খুশী হলাম যে: আমার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর তো দিলামই সাথে আরো ২০০ টাকা দিলাম চা খাবার জন্য্ উনি টাকা নিতে চায় নাই- তো আমি বললাম ডলার কে ক্যাশ করা টাকা। আপনি চা খাইয়েন। তো উনি বললেন: যে আপনার মোবাইল নাম্বারট খোলা রাখবেন। আমি ওকে বলে চলে আসলাম। সেই ল্যাপটপে আমার  মিনিমাম ১৫০০ কমপ্লিটেড প্রজেক্টের ডাটা রয়ে গেছে। প্রথমে একটা মোবাইল কিনলাম অল্পদামে। তারপরে সীমগুলো রিপ্লেস করলাম। খুব দ্রুততার সাথে ফেসবুক এবং মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট ডিটেইলস গুলো পরিবর্তন করলাম এবং তারপরে আবার শুরু করার জন্য একটা ল্যাপটপ কেনার চিন্তা করলাম। বিকাশে থাকা সকল টাকা উইথড্র করলাম। তারপরে বাকী টাকা দার দেনা করে আবারো একটি ল্যাপটপ কিনে ফেলাইলাম। সেই মুহুর্তে অনলাইনে থাকা সারা বিশ্বের আমার সকল বন্ধুরা জেনে গেলো : ঢাকা শহর থেকে আমার ল্যাপটপ এবং মোবাইল চুরি হয়ে গেছে। হতভম্ব হয়ে গেছে অনেকে এবং প্রশ্ন করলো যে তোমরা কিভাবে কাজ করো বা করবা? 



আমি ১৯৯০ এর গনজাগরন আন্দোলনের সৈনিক। রাজাকার (ফাসি) বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত। হঠাৎ করে এক তালিকাগ্রস্থ রাজাকার (ফাসি ) দেখলাম সেই এলাকাতে- মিরপুর ১২ নম্বরে। যুদ্বের সময়ে সে মিরপুরে ১১ নম্বর থেকে বাংগালী জবাই করতো বলে শুনেছি। মিরপুর কামরাংগীরচর আর ময়মনসিংহ পর্যন্ত তার নেটওয়ার্ক ছিলো। তাকে দেখে আমার সেই এলাকাতে থাকার রুচিই নষ্ট হয়ে গেলো তাও দেখলাম মসজিদে ঢুকতাছে। আমার কষ্টার্জিত ডলার কে ক্যাশ করা টাকা আমি যে মসজিদের দানবাক্সে ফেলি সেই মসজিদে রাজাকারের (ফাসি) (খুবই চিকন প্রকৃতির লোক)  প্রবেশ দেখে আমি সেখানে থাকার টোটাল ইন্টারষ্টে হারিয়ে ফেলি। চিন্তা করি সেই এলাকা ছেড়ে দেবো। সম্ভবত আমার ধারে কাছের কিছু লোক বুঝেও ফেলে। একটা এলাকা থেকে তোর আর হঠাৎ করে বের হওয়া যায় না । তাই সুযোগ খুজতেছিলাম যে কিভাবে সেই এলাকা ছাড়া যায়। এর মধ্যেই আমার যে প্রথমে টিম মেম্বার সবচেয়ে ভালো সে: একদিন সন্ধ্যায় আইসা আমার কাছে কান্নাকাটি করতাছে। খুবই ভালো বন্ধুত্ব ছিলো। মাঝে মাঝে দেখেছি মন খারাপ করে থাকতে। আর যা উপার্জন করতো সব খরচ করে ফেলাইতো আমার সাথে। দুজনে বিভিন্ন খানে ঘুরে বেড়াতাম। আর খুব ভালো কাজও জানতো। দিনাজপুর, জয়পুরহাট, পটুয়াখালী বিভিন্ন খানেও গেছি। 



সেই ছেলে যখন কান্নাকাটি করতাছে তখন তাকে ভালো ভাবে জিজ্ঞাসা করাতেও কোন উত্তর দিলো না। মিরপুর থেকে কাছাকাছি একটা রাস্তা দিয়ে এয়ারেপোর্টের যেখানে বিমান নামে সেখানে যাইয়া বইসা আছে দেখলাম। সে যখন কান্নাকাটি করে  সন্ধ্যায়  তখণ আমি ৭ তালাতে একা নতুন নেয়া ফ্লাটে বসে কাজ করতেছিলাম। নি:শ্চুপ ছিলো এবং আমি গভীর মনোযোগেই কাজ করতেছিলাম। একটু ধাপাধাপি বা পাছড়াপাছড়ি শুনেছি কিন্তু আমল দেই নাই। ভেবেছি  হয়তো কেউ কোন ভারী জিনিসপত্র তুলতাছে। সেই ছেলেকে এয়ারপোর্ট থেকে ধরে নিয়ে আসি আমি এবং একজন ক্রিকেটার রংপুর থেকে আসা :তারপরে ১২টা থেকে সাড়ে ১২ টা নাগাদ ফ্ল্যাটে চলে আসি এবং এসে ঘুমাইয়া পড়ি। সেইভাবেই থাকতো ল্যাপটপ আর মোবাইল। কারন আমি জানি চোর আর দ্বিতীয় বার চুরি করবে না।  ঘুম ভাংগে পরদিন দুপুর পৌনে দুইটায় এবং একজন গার্মেন্টস কর্মী পুরুষ আইসা বলে যে : ৬ তালাতে একটা সুইসাইড হয়েছে। আমি একটু হতভম্ব এবং থ হয়ে গেলাম এবং নীচে যাইয়া দেখলাম, একটা মহিলা ঝুলতাছে ফ্যানের সাথে। আমার কাছে খূব বেশী পরিচিত মনে হলো না। পুলিশ আসলো এবং লাশ তুলে নিয়ে গেলো। যেই মহিলার বাসাতে এ ঘটনা ঘটেছে তারে জিজ্ঞাসা করলাম : বললো যে: এইখানে আর কোন অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয় নাই। লাশ নেবার সময়ে পুলিশের সাথেও দেখা হলো। ঢাকা মেডিকেল থেকে লাশ ফেরত আসার পরে লাশবাহী গাড়ি ও দেখলাম তার গ্রামের বাড়িতে রওনা হবার অপেক্ষায় আছে। গ্রামের বাড়ি বলেছিলো বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতির আশে পাশের কিশোরগঞ্জ গ্রামে।  তারপরে প্রায় ৩৮ দিন ছিলাম সেই এলাকাতে। পুলিশ আমাকে কোন জিজ্ঞাসাবাদ করে নাই। আমি নিজে থেকে নিজের সেফটি এবং সিকিউরিটির কারনে ডিএমপি কে ছদ্মনামে সবকিছু জানিয়ে একটা ইমেইল করে দিলাম। 


তারপরে আর সেই এলাকাতে কিভাবে থাকবো? সেই টিম মেম্বারই একদিন বিট্রে করে একটি ঘোট পাকিয়ে ফেললো সেই বছর ৩১ শে ডিসেম্বরের আগে ভাগে: কিছু লোক গায়ে হাত তুললো। সেই সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা সিটি কর্পোরেশন আইনের পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনের  ফরম ফিলাপ করতে বললো পুলিশ সবাইকে ঘোষনা দিয়ে। আমিও সেই ফরম খুজতে যাইয়া একটা ভয়াবহ বিপদের মধ্যে পড়ে গেলাম। তারা আমার গায়ে হাত তুললো আর আমি মনে মনে ভাবলাম পুলিশের আইন কার্যকর করতে যাইয়া কিছু মাইর খাইলাম - আশা করি বাংলাদেশ পুলিশই একদিন ব্যাপারটাকে সলভ করে দিবে। গায়ে হাত তোলার আগে মিরপুর ডিওএইচএস এর কিছু লোকজন ২০,০০০ টাকা চাইলো এবং বললো যে: ২০,০০০ টাকা দিলে ছেড়ে দিবে। আমি বললাম যে: ২০,০০০ টাকা দেওয়া আমার পক্ষে  সম্ভব না। তারপরে তারা কিছুটা কিম্বুত উপায়ে আমাকে ঝাড় ফুক করলো- মহিলারা যে রকম  ডাল রান্না করার সময়ে ডাবুর দিয়ে ঘোটায় সেরকম একটা কাঠের দন্ড দিয়ে। ঠিক কোন  ধর্ম মোতাবেক ঝাড় ফুক করলো তা ঠিক বোঝলাম না (পরে ২০১৬ সালে ফেব্রুয়ারীতে আমি চট্রগ্রাম যাই আন্দরকিল্লা লালখান বাজার এলাকাতে এবং সেখানে যাইয়া ঘুমাইয়া পড়ি। দেখলাম এক হুজুর আমার গায়ে হাত রেখে আমাকে ঝাড় ফুক করে দিতাছে এবং বুঝলাম আমি পূর্বের বিপদ থেকে বেচে যাবো। একটা সন্দেহ থেকে যায় বের হয়ে আসার পরে: আমি যেদিন আন্দরকিল্লা মসজিদে যাই সেদিন ছিলো শুক্রবার। স্পেশিয়াল কারন বশত সেদিন হাইকোর্ট থেকে রায় আসে বাংলাদেশ মুসলিম দেশ। তখন একটা মেয়েকে দেখলাম লালখান বাজারে ঘোরাগহুরি করতে যাকে আমি মিরপুর ১২ নম্বর বাজারেও দেখেছি। ব্যাপারটা টিক ঠাহর করতে পারলাম না) । পরে সেই হাই কোর্টের আইনজীবির সাথে সব কিছু শেয়ার করলাম এবং তাকে নিয়ে একদিন সেখানে গেলাম। সেই বিল্ডিং এর ম্যানেজার তা দেখে ভাবলো যে: আমি আবারো রুম ডেটিং করতে এসেছি এবং সে প্রচন্ড ক্ষেপে গেলো। শালাদের আচরনে যা আছিলো সব কিছু মিলে থানা শাহবাগের বড় ভাইদের কে জানালাম। তখন তারা সেখানে ২/৩ বার যাইয়া আমার ল্যাপটপ, কাপড়ে চোড়প, চেয়ার টেবিল যা ছিলো তা একদম কাছের ছোট ভাই মনে করে সবকিছু নিয়ে আইসা ডেমরাতে এক বাসাতে তুলে দিলো। বিরাট কষ্ট করেছেন  সেই বড় ভাই। এতো অমায়িক মানুষ আমার লাইফে আমি আর কখনো দেখি নাই।  আমার লাইফে বড় সড় সামর্থ্য হলে আমি উনাকে বড় সড় একটি গিফট দেবার চেষ্টা করবো। তখন পুলিশ প্রধান ছিলো আমার পরিচিত। সে আবার বোধ করি আমার আব্বাকে পুরো ব্যাপারটা জানায়। আমার বাবা নিজে জিনিস টা একাবার ভেরিফাই করে। বলে যে: উনি আমাকে নিয়ে মিরপুর ১২ নম্বর এ একবার যাবে। ডিএমপি ক েবলেন: আমি যদি দোষী হই তাহলে যেনো আব্বার চোখের সামনে থেকে ধরে নিয়ে যায়।  আমার আব্বা পরিচিত একজনের বাসাতে বেড়াতে যায় । আমি  আধাঘন্টা  থাকি এবং আব্বার কথা মতো মিরপুর ১০ নম্বর থেকে ( একজন বাযার ৪ মাস আমার কাছ থেকে এফিলিয়েট প্রোডাক্ট কিনে ফলে ১০০ ডলার জমা হয় এবং সেটা দিয়ে একটি স্যামসাং মোবাইল কিনি) এবং আব্বার সাথে মিরপুর ১ এ যাইয়া দেখা করি। তারপরে আমার আব্বা বুঝে যে: আমি কোন হত্যা বা কোন খারাপ কাজের সাথে জড়িত নাই। 



তার আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে সেই এক চোখ কানা (যে আমার কাছ থেকে কাজ শিখেছিলো) আমাকে ফেসবুকে বিনা কারনে (তার বলে টাকার হিসাব মিলে না্- তাকে মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট ও খুলে দিয়েছিলাম) আমাকে জবাই এর থ্রেড দিয়ে বসে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে ফেসবুক মেসেন্জারে । আমি তো পুরোপুরি থ। যারে ফ্রি কাজ শিখালাম, ৭/৮ মাস কাজ দিলাম - বিকাশ রেকর্ড আছে ৩/৪ লক্ষ টাকা দিলাম- সে বলে আমাকে মাইরা ফেলাবে (সৃষ্টির ও তো একটা নিয়ম আছে)]। সাথে সাথে শাহবাগের সেই বড় ভাই এবং তার বন্ধুদেরকে জানালাম : বললো যে:  একবার তো থানাতে জিডি এন্ট্রি করেছোই। শুধূ ডিএমপি কে জানাইয়া রাখো। পরে ডিএমপি তে সেটার স্ক্রিনশট নিয়ে একটা ইমেইল করে জানাইয়া রাখলাম।আর আব্বাকেও জানালাম। বললো টেনশন কইরো না। তাকে আমরা জেলে ভরবো। সব শেষে ২০১৬ সালের অক্টোবরে ময়মনসিংহে বাসাতে চলে আসলাম, বিগত কয়েক বছর যাবত বিল্ডিং এর কাজও কমপ্লিট করতাছি, আর পাশাপাশি ফ্রি ল্যান্সিং কাজও করতাছি। আর ৩ টা ফ্ল্যাটের কাজ বাকী আছে। এরই মধ্যে করোনারি শুরু। কিছুদিন আগে আমার ফেসবুক একাউন্টে লগইন করা যাইতেছিলো না। তখন বুঝতে পারলাম বিশ্বের যে কোন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণী আমার ফেসবুকের সকল তথ্য ডাউনলোড করে নিছে। সাধারনত গোয়েন্দা পুলিশ রা বিভিন্ন ওয়ার্ড লিখে সার্চ দেয় এবং সেরকম তথ্য না পাইলে একাউন্ট ফেরত দেয়। আমিও যথারীতি ফেরত পাইলাম। এখণ সেই তথ্য সেই গোয়েন্দা পুলিশ বা আন্তর্জাতিক পুলিশের কাছে। না জানি কি হয়। আমি ২০১৮ থেকে ব্লগ লিখতাছি। আমার অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করতাছি। আগেও লিখতাম ইংরেজীতে। ২০১১ সালে সেটা অফ হয়ে যায় এবং ২০১৭/২০১৮ সালে সেটা আবার ফেরত পাই যেটা এতোক্ষন আপনি পড়লেন। 

 


Tuesday, October 27, 2020

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিকমেনডশন বলতে কি বোঝেন?

 পজিটিভ রিকমেন্ডশন বলতে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ মনোভাব বোঝায়। এক লোক একদিন ঢাকা শহরে আমাকে বলতাছে ২০১৬ সালে যে ভাই- আগামী ৫ বছরে ঢাকা শহরের চেহারাই পাল্টে যাবে। আপনি আর ঢাকা শহরকে চিনতে পারবেন না। আমি যে কোন একটা কারনে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ময়মনসিংহে নিজের বাবার বাড়ীতে/বিল্ডিং এ আছি। তো আমি উত্তরে বললাম যে- ভাই ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে গেলে ও আমার কিছু করার নাই কারন আমি ইট পাথরের খাচাতে বন্দী ঢাকা শহরকে ভালোবাসি না- আমি ভালোবাসি ঢাকা শহরের আমার পরিচিত মানুষজনকে বা খেটে খাওয়া মানুষকে। আমার কাছে উন্নত দেশের নাগরিকত্বের ইনভাইটেশন (ইউরোপ/আমেরিকা) লেটার আছে। তো আমি প্রথম সুযোগেই চেষ্টা করবো বাংলাদেশ থেকে ফ্লাই করে চলে যাইতে- সে ক্ষেত্রে ঢাকা শহরকে আমি আর রিকমেন্ড করি না নিজের জন্য। তারপরেও যদি রাজধানী শহরে (নিজ মালিকানাধীন -দলিলসহ। তাছাড়া আমার রাজধানী শহরে নিজস্ব কোন সম্পদ ফ্ল্যাট/বাড়ি/বা প্লটের কোন দলির নাই । আমার বাবা  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক [ Retired. Professor. Abul Hossain  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন প্রফেসর আবুল হোসেন নাই। একজনই ছিলেন উনি আমার শ্রদ্বেয় এবং সম্মানিত বাবা] বিধায় এক টুকরো জমি (৫ শতাংশ) আছে রাজউকের [ গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার]  ঝিলমিলে (কেরানীগন্জ) - তাও বাবার নামে দলিল করা যা কখনো পরিবর্তন করা যাবে না। দলিল ছাড়া নিশ্চয়ই কেউই বিশ্বের কোথাও কেউ কোন সম্পদ আছে বললে বিশ্বাস করবে না- বলবে যে আলবত পাগলের প্রলাপ) নিজস্ব ফ্ল্যাট বা বাড়ি বানাতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে ভেবে দেখবো যে থাকতে পারি কিনা - কারন থাকার জণ্য আর ১০ জন শিক্ষিত লোকের মতো আমিও ইউরোপ আমেরিকার যে কোন শহরকে রিকমেন্ড করি নিজের জন্য। 

আজ পর্যন্ত- বাংলাদেশ সরকারকে শুনি নাই কখনো সারা দেশের সমস্ত মানুষকে একবেলা খাওয়াইতে। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে দেখলাম; ৫৫ বছর ঢাকা শহরে বসবাস করার পরেও এক লোক চলে যাইতাছে সব কিছু হারিয়ে- আর বলতাছে আমি ঢাকা শহরকে ভালোবাসলেও ইট পাথরের ঢাকা শহর আমাকে ভালোবাসে নাই। তাই থাকা বা বসবাস করার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রিকমেন্ড করি না। অনেকে হয়তো বলবেন- এইটা আপনি কি বললেন? আমি আসলে থাকার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রেফারেন্স করি না। বড়জোড় রেফারেন্স ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট- বিমান যাত্রা যাওয়া বা আসা করা। আমার কাছে সারা বিশ্বের যতো বায়ার বা ক্লায়েণ্ট রাজধানীতে ইনভেস্ট কারার কথা জিজ্ঞাসা করে: আমরা তখন চুপ থাকি বা তাদেরকে অন্য কোন উন্নত দেশের দিকে বা আফ্রিকান গরীব দেশের দিকে ঘুরাইয়া দেবার চেষ্টা করি (কারন ঢাকাকে অনেক সময় পরিত্যক্ত মনে হয়) কারন আমি চাই না আমার বায়ার বা ক্লায়েন্ট বড় অংকের ডলার ইনভেস্ট করতে আইসা এইখানে শারিরীক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাক বা মারা যাক।  আমার মতে : সামর্থ্য থাকলে গ্রামে যাইয়া বসবাস করা উচিত। এই ব্যাপারটাকে রিকমেন্ড বলা হয় বা আপনি চাইলে বলতে পারেন রেফারেন্স। এক হিসাবে দেখলাম : বাংলাদেশে ১৫ লক্ষ ফরেনার আছে। আমার মনে হয় কেউ একবার এখান থেকে বের হইলে আর ফেরত আসবে না একমাত্র আর্থিকভাবে যদি লাভবান না হয়।  [জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করলে দেখবেন ঢাকা শহরের কতো লোকের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই বা অবৈধ ভাবে বসবাস করতাছে]



ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিকমেনডশন বলতে সাধারনত কাজ কমপ্লিট করেছি এরকম বায়ার বা ক্লায়েন্ট দের  রেফারেন্স হিসাবে ২/৩ টি লাইন কে  রিকমেনডশন বলা হয়। এই রিকমেন্ডেশন থাকলে আপনি অনেক কাজ পাবেন।  ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আপনার প্রোফাইলে যদি পজিটিভ রিকমেনডশন থাকে তাহলে আপনি অনেক কাজ পাবার সম্ভাবনা রাখেন। একজন মানুষ যদি আপনার প্রোফাইলে কোন কাজ দেয় আর আপনি যদি সে সকল কাজ  ১০০% সততার সহিত সম্পূর্ন করেন তাহলে সে আপনার জণ্য ওয়েল উইশ করবে। সে চাইবে আপনি যেনো আরো অনেক ভালো ভালো কাজ পান। ভালো ভালো বা বড় অংকের প্রজেক্টের কাজ পাবার জন্য পজিটিভ রিভিউ এবং পজিটিভ রিকমেনডেশন এর কোন বিকল্প নাই। আপনি যতো পরিমান রিভিউ কামাতে পারবেন আপনার  ততো পরিমান বায়ার জুটবে। আর যদি আপনি পাগলের মতো কাজ করা শুরু করে দেন তাহলে আপনি ১/২ টা ব্যাড রিভিউ কাইয়া যাইতে পারেন। যদি ১/২ টাও ব্যাড রিভিউ জুটে যায় তাহলে আর কাজের ক্ষেত্রে আপনাকে কেউ ১ নম্বর প্রেফারেন্স দিবে না। সে আপনাকে সেকেন্ড ক্যাটাগরিতে রাখবে। আর বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজ করতে যাইয়া বিনা কারনে আপনার শত্রু জুটে যাবে। যেমন কয়েকদিন আগে একটি ঘটনার কথা বলি: 

একজন সুন্দরী মেয়ে ইন্টারনেটে তথাকথিত লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে কাজ শিখে একটি ব্যাচে বন্দী হয়ে। মেয়েটি মন মানসিকতা অনেক ভালো। সে যথারীতি টাকা দিয়ে এই ধরনের পেইড লাইভ ক্লাসে এনরোল হয় - ১৫০০০ টাকা খরচ করে। কয়েকটি চিটিং ক্লাস করানোর পরে মেয়েটিকে ছেড়ে দেয়া হয়। সে যথারীতি অথৈ সাগরে পড়ে যায়। আমার সাথে পরিচয় হয়। সে আমাকে এ টু জেড সব কিছু খুলে বলে। আমি তাকে মেন্টালি সাপোর্ট দেবার চেষ্টা করি। সে পরে ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করে এবং নিজে নিজে চেষ্টা করে একটা মার্কেটপ্লেসে কয়েকটা রিভিউ জোড়াগ করে ফেলে। কিন্তু সে যখন তার প্রোফাইলে রিভিউ পায় তখন তার ব্যাচমেটরা ঈর্ষান্বিত হয় এবং তাকে একজন জর্ডান বা এই ধরনের কোন দেশ থেকে হায়ার করে তার পরিচিত। কাজ করায় এবং যাবার সময়ে একটা ব্যাড রিকমেন্ডশন দিয়ে যায়। মেয়েটা ভেংগে পড়ে। সে কাস্টমার কেয়ারে কন্ট্রাক্ট করে এবং পরে সেই ছেলেটার রিকমেনডেশনটা ডিলেট হয়ে যায়। তো তার মন কারাপ হয়। প্রোফঅইলেও একটা দাগ পড়ে এবং তার নিজস্ব আইডি কার্ড  নাই। ফলে সে তার নিজস্ব প্রোফাইল ব্যবহার করে না। সে ব্যবহার করে তার মায়ের ডিটেইলস। এইভাবে সে প্রোফাইলের মাধ্যমে যা কিচু বালো করার চেষ্টা করতাছিলো তার থেকে লোকাল কাজ করেও তার ক্যারিয়ার চলতেছিলো। কিন্তু তাকে যে ধাক্কাটা দেয়া হরো প্রথমে ২ বার- একবার ১৫০০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়াতে যেখানে সে নিজে চেষ্টা করে ইউটিউব ভিডিও ঘেটে ঘেটে কাজ শিখেছে আর দ্বিতীয়ত  ব্যাডলি রিকমেন্ড করা- এই দুইটা বিষয়েই সে মার্ক করেছে এবং তার ক্যারিয়ারের উপরেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। 

তো একটা রিকমেনডেশন আপনাকে অনেক আগাইয়া দিবে। আপনাকে মানসিক ভাবে অনেক শক্তিশালী করবে। আপনি যতো বড় মাপের ফ্রি ল্যান্সার ই হোন না কেনো আপনি যদি পজিটিভ রিভিউ বা থাম্ব বা রিকমেনডেশন যদি আদায় না করতে পারেন বায়ার বা ক্লায়েন্টের কাছ থেকে- তাহলে আপনাকে কেউ তেমন ভ্যালু দিকে না। কারন টাকা আপনি যে কোন বাবেই উপার্জন করতে পারবেন কিন্তু পজিটিভলি কাউকে কাজের মাধ্যমে খুশী করে ইন্টারনেট মার্কেটপ্লেস থেকে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের রিভিউ যদি না পান তাহলে আর এইখানে আপনার কাজের কোন ভ্যালূ থাকবে না। আমরা যখন ২০০২ সালে প্রথম মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট দেখে থাকি তখন ধরে নেই যে এইটা ঝড়ে পড়া ইন্ডাস্ট্রির ছেলে বা মেয়েদের জন্য। তখন কার দিনে ২০০২-২০১১ সাল পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগত কে খুব বেশী দাম দেওয়া হতো না। সকলেই মনে করতো এইটা ফাতরা লোকদের ইন্ডাস্ট্রিজ বা ইন্টারনেটে নতুন করে কোন ধান্দাবাজদের চক্র। কারন তার আগেই ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন চার দলীয় ঐক্যজোটের ক্ষমতা থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের লোক টাকা পয়সা নিয়ে বাল ল্যান্সার, স্কাই ল্যান্সার, ডু ল্যান্সার টাইপের ক্লিকের ব্যবসা থাকাকলীন প্রচুর পরিমান লোকের প্রচুর পরিমান টাকা পয়সা হাতাইয়া নেবার কারনে বাংলাদেশের সমাজে ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড একটা খারাপ প্রভাব ছিলো। সেই প্রভাবটা দূর করতে অনেক অনেক সময় লেগেছে (ধরতে গেলে আপ টু ২০১৩)। যখন এই দেশে আবার সেই খারাপ প্রভাব টা দূর হলো তখন দেখা গেলো যে আবারো নতুন করে টাকা পয়সা নিয়ে ক্লাস করানো এবং ক্লাস নেবার লোকজনের উপদ্রব বেড়ে গেলো এবং সমানে সারা দেশ থেকে সহজ সরল কোমলমতি মানুষের পকেট থেকে টাকা নিয়ে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় আবারো  একটা খারাপ রিকমেনডশন তৈরী করা হলো।  যা দুর করার কোন ইচ্ছা এখন আর মনের মধ্যে কাজ করে না, এইটা তরুন বা নব্য ফ্রি ল্যান্সারদের দ্বায়িত্ব বলে মনে করি- বর্তমান চলমান সরকার যদি ডাক দিয়ে বড় সড় দ্বায়িত্ব ও ধরাইয়া দেয় তাও আমি সেটা রিজেক্ট করবো কারন এই দেশের জন্য কোন কিছু করার সাধ আসলে মিটে গেছে এই একটা ব্যাপার দেখার পরে যে - কাজ কাম শিখে অনার্স/মাষ্টার্স পাশ ছেলে বা মেয়েরা ইন্টারনেটে টাকা চাইয়া বেড়াইাতাছে।আর বর্তমানে রাজনৈতিক সরকার কেও আমি মন থেকে সাপোর্ট ও করি না- আমি সেই ঘরানার না। আমাকে যদি আবারো ভোট দিতে বলেন তাহলে আমি ভোট দেবার জন্য শাহবাগ গনজাগরনপন্থী রাজনৈতিক দলকে এবং তাদের প্রতীককে বেছে নিবো ভোট দেবার জন্য।    ফ্রিল্যান্সার / মার্কেটপ্লেস / আউটসোর্সিং জগতে একসময় বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা  বলে দিতো যে: বাংলাদেশী রা যেনো আবেদন না করে। এইটা অনেক বড় একটা অপমানের বিষয় ছিলো সারা দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য। ধরতে গেল বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ব্যাড রিকমেনডেশন। এর পরবর্তী ব্যাড রিকেমনডশন হইতাছে : বর্তমানে অনেক অনেক কোম্পানী বাংলাদেশে ছেড়ে চলে যাওয়া। যেমন: ক্লিকব্যাংক বা ইউটিউব মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম। এর পরের আরো বড় রিকমেনডেশন হইতাছে : বর্তমানে নামিধারী ফ্রি ল্যান্সার দের ইন্টারনেটে টাকা চেয়ে বেড়ানোর  ছলে বলে কৌশলে যে যার কাছ থেকে যেভাবে পারে সেভাবে টাকা আদায় করে যাইতাছে যা বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় বড় সড় প্রভাব ফেলাইতাছে। 

যে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ ভিউ বা পজিটিভ মেন্টালিটি থাকে তাহলে আপনি জীবেন অনেক লাভবান হবেন। পজিটিভ মেন্টালিটি না থাকলে আপনি পজিটিভলি কোন কাজ আদায় করতে পারবেন না বা কমপ্লিট ও হতে পারবেন না। গতানুগতিক মার্কেটপ্লেস গুলোতে আপনি শুধু ওয়ার্কার হয়ে কাজ করার সিষ্টেম ছিলো আগে। এখন যারা ওয়ার্কার তারাও প্রযোজনে বায়ার হতে পারবে।  এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে আপনি বায়ার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন বা সেলার হিসাবেও রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। বায়ার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি কয়েকটা অর্ডার সেল করার পরে যে ডলার জমবে সেটা দিয়ে আপনি প্রোডাক্ট ও কিনতে পারবেন। বায়ার হিসাবে আপনি যেমন সেলার কে পজিটিভ থাম্ব এবং গুড রিকমেনডেশন দিতে পারবেন তেমনি সেলার হিসাবেও আপনি বায়ার কে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডশন দিতে পারবেন। আপনার পজিটিভ থাম্বের উপরে ডিপেন্ডস করে ভবিষ্যতে কোন সেলার তার সাথে কাজ করবে কিনা তাও ঠিক করে নিতে পারবে। এছাড়াও এসইওক্লার্কে  আপনি সরাসরি ডলার আপলোড করে সার্ভিস কিনতে পারবেন। বায়ার রা যেমন সেলার দের পজিটিভ থাম্ব বা রিভিউ বা রিকমেনডেশন চেক করে তেমনি সেলার রাও বাযারদের পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডশন চেক করে থাকে- যারা কোয়ালিটি সেলার তারা। একটা রেসিং কার দিয়ে খুব দ্রুত গন্তব্যে পৌছার পর দেখা গেলো: কারটি ভেংগে গেছে। ফেরার কোন উপায় নাই। তো সেই হিসাবে একটি নরমাল কার দিয়ে যদি আপনি আস্তে আস্তে গন্তব্যে পৌছাতেন তাহলে আপনার ফেরারও উপায় থাকতো। ঠিক তেমনি মার্কেটপ্লেসে যদি আপনি তাড়াহুড়ো করে খবু দ্রুত কিছু করতে চান তাহলে হয়তো আপনি গন্তব্যে পৌছাবেন ঠিকই কিন্তু আপনার বাহন ভেংগে  যেতে পারে। আর যদি আপন িবুঝ শুণে আস্তে ধরে আগান তাহলে আপন  হয়তো সারাজীবন ই কাজ করতে পারবেন। আপনি আস্তে ধীরে আগান- প্রতিটা কাজ একুরেটলি কমপ্লিট করেন এবং ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাছ থেকে ১০০% রিকমেনডশন নিয়ে আগাণ।  আমার মতে:   আপনি যদি একুরেটলি কাজ করে থাকেন তাহলে আপনি ক্লাযেন্ট বা বায়ারের কাছে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডেশন চাইতে পারেন। এইখানে দোষের কিছু নাই। 

SEOClerks 

সব ফ্রি ল্যান্সার রা যা করবে আমাকেও যদি তাই করতে হয় তাহলে তো আমি আর সামনে আগাতে পারবো না। কারন ফ্রি ল্যান্সার ওয়ার্ল্ডে সামনে আগানোর মুল টিকস হইতাছে: আপনার নিজস্ব একটা টেকনিক। আপনি যদি আর ১০ জন ফ্রি ল্যান্সার কে ফলো করেন তাহলেও আপনি সফল হতে পারবেন কিন্তু আপনি হয়তো তৃপ্তি পাবেন না। কিন্তু আপনি যদি আপনার পারসোনাল একটি টেকনিক নিয়ে আগান তাহলে আপনি সফলতার সাথে সাথে তৃপ্তি ও পাবেন। ক্লায়েন্ট বা বায়ার বুঝবে না এরকম কোন টেকিনক অবলম্বন করে যদি ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে সাময়িক ভাবে ধোকা দিয়ে থাকেন তাহলে আপনি মনে রাখবেন যে আপনি আপনার দেশের পতাকাকে ধোকা দিলেন । পরবর্তীকালে ক্লায়েন্ট বা বায়ার আর কখনো বাংলাদেশী সেলারকে হায়ার করবে না কারন পতাকাট তার চোখে লেগে থাকবে। আর আপনি হয়তো ১০-১০০ উপার্জন করতে যাইয়া একটি ক্লায়েণ্ট কে ই নষ্ট করে দিলেন। সেই সাথে বাংলাদেশেল পতাকারও দুর্নাম ও বয়ে নিয়ে আসলেন। একজন সেলার বা ওয়ার্ক ার বা ইন্টারনেট প্রফেশনাল যখন সারা বিশ্বে কোন না কোন বায়ার বা ক্লায়েন্টের সাথে যে কোন প্রজেক্টে কাজ করে থাকে তখন তাকে কয়েকটা বিষয় মাথাতে রাখতে হয় যা পরবর্তীতে গুড রিকমেনডেশণ আনতে সাহায্য করে: 

  • আপনার প্রোফাইলের সব তথ্য রিয়েল কিনা?
  • সেকানে প্রদর্শিত বাংলাদেশের নাম বা সুনাম আপনি রক্ষা করতাছেন কিনা?
  • কাজাটাতে আপনার পারসোনাল বা দেশের কোন ক্ষতি হইতাছে কিনা?
  • আপনি কোন ধরনের চিটারি বা বাটপারির সাহায্যে ক্লায়েন্ট কে ধোকা দেবার চেষ্টা করতাছেন কিনা?
  • কাজটা আপনার প্রোফাইরেল জন্য গুড রিভিউ আনবে কিনা?
  • কাজটা আপনার প্রোফাইলের জন্য গুড রিকমেনডেশন আনবে কিনা?
  • আপনি কাজটা ১০০% একুরেটলি করতে পারবেন কিনা? 
  • কাজটা কমপ্লিট করার পরে আপনার দৈহিক, মানসিক বা শারিরীক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বা দৈশিক কোন ক্ষতি হবে কিনা?
  • একটা গুড রিভিউ বা পজিটিভ থাম্ব পাবার জন্য আপনি চাইলে একটু কমদামে হইলেও কাজ শুরু করতে পারেন বা কাজটা কমপ্লিট করতে পারেন। কার কাজের সাথে সাথে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডেশন ও অনকে মূল্য রাখে। 
  • যে ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতাছেন সে মার্কেটপ্লেসে ১০০% ভেরিফায়েড কিনা?
  • যদি কখনো ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে ক্রেডিট কার্ড এক্সস করতে হয় তাহলে সেটা পরবর্তীতে কোন সমস্যা আনবে কিনা?
  • আপনি কি মার্কেটপ্লেসে কোন ভ্যক্তিগত তথ্য আদান প্রদান করতাছেন কিনা? 
  • আপনি কিভাবে ক্লায়েন্ট কে পাইলেন কাজ শেষে জিজ্ঞাসা করে নেয়া?

Thursday, October 22, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে কি বোঝেন?

কোন পন্য বা প্রোডাক্ট কে যখন সারা বিশ্বের সবখানে ছড়িয়ে দেয়া হয় তাকে প্রমোশন বলে। যখন ইন্টারনেট এই বিশ্বে জনপ্রিয়  ছিলো না তখন যে কোন পন্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেবার জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে বিখ্যাত ফ্যাশন মডেল বা অভিনেতা অভিনেত্রীদের সাহায্য নেয়া হতো যাকে বলা হয় ব্রান্ড এম্বাসেডর - এখনো এই পদ্বতি খুব জনপ্রিয়। বিশ্বখ্যাত মডেল ক্যানডিস সোয়ানেপল এখনো আফ্রিকার মাদার টু মাদার অর্গানা্ইজেশনের ব্রান্ড এম্বাসেডর। মাততৃত্বকালীন সময়ে সতর্ক থাকা এবং গর্ভে মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন মডেল এই ব্যাপারে কাজ করে থাকে।  এছাড়াও বাংলাদেশের অনেক ফ্যাশণ মডেল আছে যারা বিভিন্ন পোশাক/ফ্রাশন/প্রসাধনী ব্রান্ডের এম্বাসেডর। তারা সেই সকল ব্রান্ডের প্রমোশেনের জন্য কাজ করে থাকে। কিন্তু ইন্টারনেট আসার পরে ব্রান্ড এম্বাসেডর শব্দটাতে কিছুটা ভাটা পড়ে যায়। ইন্টারনেটে যারা পপুলার তাদেরকে অনেক সময় ব্রান্ড এম্বাসেডরের কাজ করতে হয় এবং সব ক্ষেত্রেই ফ্রি বেশীরভাগ। যেমন : আপনার দ্বারা অনেক অনেক সফটওয়্যার বা পন্য প্রমোশন করানো হইতাছে যা আপনি আপনার বন্ধু, পাড়া, মহল্লা বা পরিচিত সবাইকে বলতাছেন বা বিভিন্ন সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করা হইতাছে। যেমন : ধরেন টিকটক। এইটা একটা চায়নিজ এ্যাপ এই বিশ্বের মধ্যে। চায়না মালে দেশ সয়লাব, পৃথিবীতে যতো পন্য বা প্রোডাক্ট আছে তার সব ডুপ্লিকেট পাবেন আপনি চায়নাতে, আর চাইনিজ যতো মাল আছে তার ডুপ্লিকেট পাবেন আপনি জিন্জিরাতে- এরকম একটা কথা আমাদের সময় থেকে প্রচলিত আছে। 

তো আজকে আমাদের দেশে দেখেন টিকটক ভিডিও নিয়ে কথা উঠেছে, টিকটক থেকে অবৈধ শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন চলতাছে করোনা কালীণ সময়ে < পুল পার্টি চলতাছে যা নিয়ে টিভি প্রতিবেদন ও এসেছে এবং সারা বিশ্বের বিভিন্ন খানে এইটাকে নিষিদ্বও করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনুরোধ করার পরেও আমেরিকার কোন কোম্পানী এই ব্যান্ড টাকে কিনতে রাজী হইতাছে না প্রাথমিক ভাবে যে সকল এ্যাপে টিকটক এর ভিডিও শেয়ার করা যায় তাদের মাঝ খান থেকে কেউ একজন কিনতে পারে বলে ধারনা করা হাইতাছে- অথচ চায়না এই এ্যাপটাকে আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা কোন ধরনের পেমেন্ট ছাড়াই প্রচার করে পপুলার করে তোলার চেষ্টা করতাছে। বাংলাতে( বাংলাদেশ সহ আরো ৭টি অংগরাজ্য) প্রায় ৪১ কোটি মানুষ বসবাস করে- তারা যদি কোন জিনিস এর প্রতি একবার আগ্রহ প্রকাশ করে তা তো পপুলার হবেই। বাংলাদেশে র টিকটক বিজনেস নিয়ে- বা টিকটকের অপব্যবহার নিয়ে হয়তো কয়েকদিন পরে আন্তর্জ াতিক ভাবে রি  রি ও পদে যাইতে পারে কিন্তু তারা আমাদের দেশে কোন ভাবে কোন রেফারেল সিষ্টেম দেয় নাই, কোন রেফারেল বোনাসও নাই, কোন রেফারেল পারেসেন্টেজ ও নাই, কোন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম ও নাই কোন ব্রান্ড এম্বাসেডর ও নাই- ফুদাই পোলাপানের মাথা নষ্ট হয়ে যাবার জোগাড়- ইভেন একুরেটলি ব্যবসাও তারা পাইতাছে না কারন যারা টিকটক ভিডিও বানাইতাছে তাদের সাথে ব্যবহৃত ডিভাইসের মালিকানা বা রেজিষ্ট্রেশনের বা সীম রেজিষ্ট্রেশনের ডাটাও মিলতাছে না আর টিকটকের মাথা খারাপ হয়ে যাবার দশা? কিন্তু এইখানে যদি রেজিষ্ট্রেশন বোনাস বা রেফারেল বোনাস বা রেফারেল % দেয়া থাকতো তাহলে আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা অনেক ব্যবসা বা উপার্জন করতে পারতো- সময়টা কাজে লাগতো। বিনা কারনে ভিডিও বানাইয়া মজা করার মাধ্যমে টিকটক যে সফটওয়্যার বা প্রমোশন চালাইতাছে সেখানেও তাদের আহামরি লাভ হইতাছে কিনা সন্দেহ? 

যে ভিডিও বানাইতাছে তারা ম্যাক্সিমাম বয়স ১৮-২৩ এর নীচে । বাংলাদেশে সম্প্রতি চালূ হয়েছে মোবাইল ডিভাইস ভেরিফিকেশন সিষ্টেম। কারো হাতে মোবাইল থাকলে তাদের সেটা ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। আর তার মাধ্যমে তারা আরো একটা ভেরিফায়েড সিষ্টেম ও পাবে। প্রত্যেকের মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন করার মাধ্যমে তার ভেরিফায়েড মোবাইল এবং ভেরিফায়েড নাম্বার সিষ্টেম যদি থাকে তাহলে তারা যে কোন কানে যে কোন প্রোডাক্ট বা পন্যের জন্য সহজে রেফারেল হতে পারবে। তাকে দিয়ে আপনি যে কোন ধরনের প্রোডাক্ট প্রমোশনও করতে পারবে। আরো অনেক ভিডিও শেয়ারিং সাইট আছে। টিকটকে ভিডিও বানাতে যে পদ্বতি ব্যবহার করতে হয় সেই একই পদ্বতি ব্যবহার করে যদি ইউটিউবেএ ভিডিও আপলোড করা যাইতো তাহলে হয়তো তারা ইউটিউবে ফ্রিডম মনিটাইজেশন পাইলেও যেখান থেকে তাদের ইনকাম হতো। টিকটকে ভিডিও আপলোড করার জন্য বা টিকটকে পপুলার হলে তো আর টিকটক আপনাকে পেমেন্ট দিবে না। আপন যতোক্ষন অনলাইনে আছেন বা সময় কাটাইতাছেন সেটাই টিকটকের লাভ। আর কেউ যদি বলে টিকটক করে টাকা পাওয়া যায় - তাহলে সেখানে নিশ্চিত দুই নম্বর পন্থা আছে। হয়তো কোন সংঘবদ্ব চক্র টিকটকের ইয়াং জেনারেশন প্রজন্ম কে নষ্ট করার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে নথিভুক্ত হবার আগেই তাদের মাথা খারাপ করে দেবার দশা করেছে। টিকটকে তো আর মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম নাই। টিকটকে আছে স্বল্প মাত্রার ভিডিও আপলোড পদ্বতি- যেখানে ভিডিও প্রমোশন করার জন্য অনেক ধরনের পদ্বতি ব্যবহার করা হয়। তাও এইখানে কোন ব্রান্ডের কোন প্রমো পর্যন্ত নাই। টিকটক কোম্পানী এই ধরনের কোন ঘোষনা নাই যে আপনি টিকটকের জন্য ভিডিও তৈরী করে বা টিকটকের জন্য ভিডিও আপলোড করে ডলার উপার্জন করতে পারেন। একজন আরেকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়াকে টাকা উপার্জন বলে না। আপনার সময়ের দাম আছে- আপনি যখন সময় ব্যয় করবেন তখন ভালো কোন প্রোগ্রামের জন্য সমষয় ব্যায় করুন যেখানে সময় ব্যয় করলে বা সেটার জন্য ভিডিও বানালে আপনি একই সাথে পপুলার ও হবেন আবার একইসাথে উপার্জন ও করতে পারবেন। আপনি যদি বলে থাকেন আপনি বড়লোক তারপরেও আপনাকে উপার্জনের চেষ্টাতে থাকতে হবে- নয়তো রাজার ভান্ডার ও ফুরিয়ে যাবে। 

টিকটকের জন্য যেভাবে শুটিং করেছেন ঠিক সেভাবে আপনি ইউটিউবের জন্য শুটিং করে ভিডিও আপলোড করবেন এবং আপনার চ্যানেলে যদি ৫ লক্ষ মিনিট এড হয় তাহলে আপনি ফ্রিডমের মনিটাইজশেন পাবেন। সাথে ৫ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। তারপরে আপনি ফ্রিডম প্রোগ্রাম কে মনিটাইজেশন করবেন সেটা আমি নীচে ভিডিও এর মাধ্যমে দেখাইয়া দেবো। ইউটিউবে চ্যানেল ওপেন করা একদম ফ্রি- ১০০% ফ্রি - এক টাকা বা এক ডলারও লাগবে না। আপনি শুধু মিথ্যা প্রতারিত হবেন না কোথাও। আপনার কাছে বেশী পরিমান টাকা থাকে ওয়াস্টেজ করার মতোন - তাহলে আপনি আমাদের দেশের গরীব মানুষকে যেভাবে পারবেন সেভাবেই অর্থ সাহায্য করবেন। আর ফ্রিডমে যদি আপনি মনিটাইজেশন করেন তাহলে ফ্রিডম প্রোগ্রামে আপনি ইউটিউব রেভিনিউ শেয়ার প্রোগ্রামে যতো উপার্জন করবেন তার ৬০% দিবে এবং ৪০% সে নিয়ে যাবে। এই ধরনের প্রোগ্রাম কে ইউটিউব এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বলে। 

 


আপনি যদি উপরের ব্যানারে ক্লিক করেন তাহলে আপনি ফ্রিডমের ইউটিউব চ্যানেলে প্রবেশর করবেন। তারপরে যদি আপনি তাদের ফুল ভিডিও গুলো দেখেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে কিভাবে কাজ করবেন। আর যদি সরাসরি ইউটিউব চ্যাণেল মনিটাইজেশণ এর জন্য আবেদন করতে চান তাহলে এইখানে ক্লিক করেন: ফ্রিডম মনিটাইজেশন

সাধারনত আমাদের বিশ্বে আপনি যদি কোন ওয়েবসাইটে কাউকে জয়েণ করানোর জন্য কোন % বা বোনাস পান তাহলে তাকে রেফারেল বোনাস বা রেফারেল % বলে থাকে। আর যদি আপনি নিয়মিত প্রোডাক্ট বিক্রি করে কোন ডলার বা উপার্জন পেয়ে থাকেন সেটাকে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বলে থাকে। রেফারেল টা সাধারনত ১ টাইম হয়ে থাকে আর এফিলিয়েট টা লাইফ টাইম হয়ে থাকে। যেমন : ধরেন আপনি একটা ওয়েবসাইটে জয়েন করেছেন। জয়েন করার পরে দেখতে পারলেন যে : ওয়েবসাইট আপনাকে বলতাছে যে - এইখানে যদি তুমি তোমার বন্ধুদের জয়েণ করাতে পারো তাহলে তুমি যতো বন্ধু জয়েন করবে তুমি তোমার বন্ধুর কাছ থেকে রেফালের বোনাস পাবা বা এককালীন জয়েনিং বোনাস পাবেন। জয়েনিং বোনাস মানে আপনার রেফারেল লিংক থেকে যদি কেউ রেজিষ্ট্রেশন করে আর আপনি যদি তার কাছ থেকে বোনাস পেয়ে থাকেন তাহলে সেটাকে রেফারেল বোনাস বলে থাকে।ধরেন আপনি খুব পপুলার : এখন একটা প্রোডাক্ট শপের সাথে আপনার যোগাযোগ হরো। তারা আপনাকে অফার দিলো যে- আপনি তো অনেক পপুলার। আপনার মাধ্যমে আমরা একটা প্রোডাক্ট প্রমোশন করতে চাই। আপনি আপনার পেজে বা প্রোফাইলে আমাদের এই প্রোডাক্টের ছবি পাবলিশ করবেন আর তার সাথে আপনি একটা কোড ও দেবেন। যারা যারা দোকানে আইসা আপনার সেই কোড টা বলবে আমরা তাকে যে কোন পন্যের উপরে ২০% ছাড় দেবোে। এইভাবে যতো লোক আসবে তাদেরকে ২০% ছাড় দেবো আর তারা যা কেনাকাটা করবে তার উপরে আপনাকে ১০% বোনাস দেবো। এই হইতাছে রেফারেল বোনাস বা রেফারেল সিষ্টেম। এইভাবে যদি আপনি নিজেকে পপুলার মনে করেন আর আপনার কাছে বালো কোন পন্য থাকে তাহলে আপনি যে কোন খানে সেই পোডাক্ট প্রমোশন করে উপার্জন করতে পারবেন। আর আপনি যদি ইন্টারনেটে কেনাকাটা করে থাকেন তাহলে আপনি ইন্টারনেটে সেই প্রোডাক্ট প্রমোশন কোড দিবেন আর আপনি ডিসকাউন্টও পেয়ে যাবেন আর পন্যের মালিকের সাথে বা প্রোডাক্ট ষ্টোরের সাথে আপনার যোগাযোগ থাকার কারনে আপনি একটা ছাড় পেয়ে যাবেন সব সময় লাইক সেই ১০%। আর আপনি শুধু সেইখানেই পন্য কেনাকাটা করবেন যেখানে আপনি নিজের জন্য আলাদা ছাড় বের করতে পারবেন। এইটা একটা ব্যবসায়িক টেকনিক- দোকান দার বা ইন্টারনেট প্রোডাক্ট ষ্টোর অনার যদি আপনাকে ছাড় দেয় তাহলে তো আর কিছু বলার নাই কিন্তু রেফারেল বোনাস টা ওয়ান টাইম বোনাস। রেফারেল বোনাস আপনি সারা জীবন পাবেন না। ওয়েবসাইট রেফারেল বোনাস সবসময় পাওয়া যাইতে পারে কিন্তু পোডাক্টের জন্য রেফারেল বোনাস টা একটা মৌসুমের জন্য পাওয়া যায়। 



বাংলাদেশে যতো পরিমান এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে তার মধ্যে এমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রামটা সবচেয়ে পপুলার। এফিলিয়েট প্রোগ্রামের সবেচেয়ে বড় বেনেফিট হলো আপিনি যখন কোন পন্য কে প্রমোশন করবেন বা সঠিক ভাবে এসইও করবেন সেটা  তে আপনি যতো পরিমান সেলস জেনারেট করবেন - যতোবার সেলস হবে ততোবার আপনি ৩% বোনাস পাবেন। এখন আপনি যদি এখানকার কোন পন্য কে সারা বিশ্বের অডিয়েন্সের সামনে প্রমোট করেন তাহলে আপনার অনেক পরিমান ভিজিটর আসবে আর আপনি যদি সেখানে সেলস জেনারেট করতে পারেন তাহলে আপনি যতোবার সেলস জেনারেট করবেন ততোবার পন্যের টোটাল দামের উপরে ৩% বেনিফিট পাবেন। ধরেন: একটা পন্যের দাম আছে ৩০০০ ডলার আপনি ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটে  বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যার  সাথে বা যাদের সাথে মেলামেশা করেন তাদের সামনে আপনি যদি এমাজন এফিলিয়েট প্রোগা্ম এ রেজিষ্ট্রেশন করে  একটা এফিলেয়েট লিংক সবখানে প্রমোশন করেন আর আপনি যদি সেই প্রোডাক্টের উপরে সেলস জেনারেট করে থাকেন তাহলে সেখানে সেলস এর উপরে ৩% (সাধারনত এমাজন ৩% সেলস কমিশন দিয়ে থাকে) কমিশণ পাবেন। ৩০০০ ডলারের ৩% কমিশন হলো: ৯০ ডলার। যে জণ্য আপনি চাইলে ভালো রকমের ব্লগ লিখে ব্লগ মনিটাইজশেন করতে পারেন বা একটা ওয়েবসাইট মেক করে সেখানে এমাজন ষ্টোর সেট আপ করেও সেলস জেনারেট করতে পারেন বা একটা এমাজন এফিলয়েট ষ্টোর তৈরী করে সেখানে আপনি সেলস জেনারেট করে প্রতি মাসে কয়েক হাজার ডলার উপার্জন করতে পারবেন। এমাজন এফিলিয়েট ষ্টোরে জয়েন করাটা একদম ফ্রি। আপনাকে ১ টাকা বা ১ ডলারও দিতে হবে না রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য। তবে আপনি যদি ওয়েবসাইট কিনে প্রোডাক্ট প্রমোশন করেন তাহলে আপনাকে ওয়েবসাইটের ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন এর দাম, ওয়েবসাইটে হোস্টিং এর দাম, ওয়েবসাইটে যে টেমপ্লেট আছে সেটার দাম এবং ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট ডাটা এন্ট্রি সেটার জন ্যহয়তো বা আপনাকে খরচ করতে হবে। তবে এমাজন প্রোডাক্ট প্রমোশন করার জণ্য আপনাকে এমাজন রিলেটেড টেমপ্লেট চয়েজ করতে হবে। তবেই আপনি ভালো রেজাল্ট পাবেন। আপনাকে সাথে ভালো মানের হোয়াইট হ্যাট এসইও ও শিখতে হবে। সেই ক্ষেত্রে যারা আন্তর্জাতিক ভাবে এসইও মাষ্টার তাদের ইউটিউব ভিডিও দেখে যাদ আপনি এসইও শিখেন তাহলে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ অনেক ভালো করতে পারবেন। দরকার ষ্টাডি, ব্রেইন এবং চেষ্টা আর এসইও। 

অনেক ওয়েবসাইট প্রোগ্রাম আছে পৃথিবীতে রেফালের জয়েণ এ বোনাস দেয় আবার এফিলিয়েট বোনাস ও দেয়। অনেক ওয়েবসাইট আছে রেফারেল বোনাস দেয় - কিন্তু এফিলিয়েট বোনাসের কোন সিষ্টেম নাই । আবার অনেক ওয়েবসাইট আছে এফিলিয়েট বোনাস দেয় কিন্তু রেফারেল কোন বোনাস দেয় না। কারন এফিলিয়েট মার্কেটিং টা হয় সারা জীবনের জন্য। যতোবার প্রোডাক্ট সেল করবেন বা যতোগুলো প্রোডাক্ট যতোবার সেল হবে ততোবার আপনার একাউন্টে % আইসা জমা হবে।

আমার একটা এফিলিয়েট ষ্টোর আছে যেখানে আমি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস সেল করে থাকি। সেখান  থেকে আপনি যতোবার প্রোডাক্ট কিনবেন ততোবার আমি ১০% বোনাস পাবো। আবার প্রোডাক্ট লিংক থেকে বা সাইন আপ পেজ থেকে যদি জয়েণ করেন তাহলে আপনাকে আমি রেফারেল হিসাবে পাবো কিন্তু কোন রেফারেল বোনাস পাবো না কারন এসইওক্লার্কের কোন রেফারেল বোনাস দেয়া হয় না কখনো।আমার রেফারেল লিংক থেকে যদি আপনি ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করেন তাহলে আমি কোন বোনাস পাবো না কখনোই। কিন্তু আপনি যদি আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে এইখানে বায়ার হোন আর সবসময় এসইও প্রোডাক্ট কেনাবেচা করে থাকেন তাহলে আপনার প্রতি কেনাকাটায় আমি ১০% পেয়ে থাকবো। ১০% এফিলিয়েট বোনাস দেয়া হয় সবসময়। আপনি চাইলে যে কারো প্রোডাক্ট কে এফিলিয়েট করতে পারবেন। কিভাবে করবেন তা একসময় দেখাইয়া দেবো। 

নোট : জানেন তো ব্লগার দের সকল পোষ্ট আমেরিকান ব্লগার কপিরাইট আইনে সিক্ত। যদি আপনি কোন রেখা কপি করতে চান তাহলে সোর্স এবং লিংক উল্লেখ করবেন। 

 





SEOClerks



Sunday, October 18, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/ আউটসোর্সিং জগতে পারসোনাল ক্লায়েন্ট বলতে কি বোঝায়?

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়েবসাইট গুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা বা সারা বিশ্বের ছেলে মেয়েরা প্রচুর পরিমানে পারসোনাল ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করে থাকে। এতে করে বাংলাদেশ সরকার সরাসরি রেমিটেন্স (যারা ইন্টারনেট ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের যে কোন প্রাইভেট ব্যাংকে/সরকারি ব্যাংকে ডলার উইথড্র করে থাকে তারা রেমিটেন্স দেয়। যেমন: নেটেলার থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংক বা স্ক্রিল থেকে ব্রাক ব্যাংক বা পেপাল থেকে ব্যাংক এশিয়াতে- কিন্তু এইটা একাউন্ট অনারের নিজস্ব ইচ্ছার উপরে ডিপেন্ডস করে কারন সে চাইলে পারস্পরিক সেলও করে দিতে পারে)। না পাইলেও ইন্টারনেট ব্যাংকে যতো পরিমান ট্রানজেকশন হয় সেখানে বাংলাদেশের নাম লেখা থাকে এবং একজন বাংলাদেশে বসে থেকে ইন্টারনেট ব্যাংকের মাধ্যমে পারস্পরিক সেন্ড মানি করে থাকে। প্রতিমূহুর্তে ট্রনজেকশন নাম্বার তৈরী হবার কারনে সংশ্লিষ্ট ইন্টারনেট ব্যাংকের ডাটাবেজে এবং ইন্টারনেট ব্যাংক যে দেশের সে দেশের তরফ থেকে নিশ্চিত অডিট হয় নয়তো ইন্টারনেট ব্যাংক তো আর ব্যবসা করতে পারতো না। সেখানে যদি তারা বাংলাদেশের নাম পেয়ে থাকে সেগুলো হয়তো আন্তর্জাতিক ভাবে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতাছে যা রেমিটেন্স থেকেও বেশী মর্যাদা বয়ে আনতাছে। পর পর পাচবার বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ হবার পরে যেখানে সারা বিশ্ব বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো সেখানে সারা বিশ্বের হর্তা কর্তা দের টেবিলে ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর কাজগপত্র প্রদান বা প্রদর্শন করা নিশ্চয়ই কম সম্মানের বিয়ষ না। এইটা ও অনেক বড় সম্মানের বিষয়। দুর্নীতিগ্রস্থ সরকার আর চিটার বাটপারদের কারনে যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেটিমেন্স চুরি হয়ে যায় সেখানে ফরেন রেমিটেন্স সেকসানে এতো পরিমান ট্রানজেকশন নিশ্চয়ই কম সম্মানের বিয়ষ না। 

কি কি ধরনের ইন্টারনেট ব্যাংক আছে যা সচরাচর সব বাংলাদেশী রা ব্যবহার করে থাকে: 



বাংলাদেশে সবচেয়ে পপুলার ইন্টারনেট ব্যাংক এর নাম পাইওনিয়ার। আর সারা বিশ্বে সবচেয়ে পপুলার ইন্টারনেট ব্যাংকের নাম পেপাল। বাংলাদেশে ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং জগতে এমন কেউ নাই যে পাইওনিয়ারের নাম জানে না। আবার এমন কোন ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার নাই যে পেপালের নাম জানে না। বিশ্বের সকল দেশের পেপালের ডোমেইন সেকসানে বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের নাম আছে। দুই দেশীয় বাংলাদেশীরা সারা বিশ্বে বিভিন্ন দেশের নাগরিক। সেখানে পেপালের ভেরিফায়েড একাউন্ট আছে অনেকের। ধরেন একজন মানুষ আছে: যে ইটালরি নাগরিক। ইটালীর নাগরিক হবার কারনে ইটালীর নাগরিকত্ব সুবিধার কারনে সে ইটালীর নামে পেপালের ভেরিফায়েড একাউন্ট এর মালিক। তাকে ইটালীয় ব্যাংকে পেপাল ডলার ক্যাশ করার সুযোগ দেয়। সেই ইটালীয় নাগরিকের পেপাল একাউন্টে যখন পেপাল ডলার জমা হয় তখন সেটাকে সে তার ব্যাংকে যদি উইথড্র দেয় তাহলে ইটালীয়ান সরকার তাকে সেটা ক্যাশ করে দেয়। তখন সেই ক্যাশ কৃত অর্থ সে খরচও করতে পারে বা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানিগ্রামের মাধ্যমে সারা বিশ্বে সেন্ড ও করতে পারে বা ডলার থাকা অবস্থায় সারা বিশ্বে র যে কোন পেপাল একাউন্টে সেন্ড ও করতে পারে বা যে সকল জায়গায় পেপাল লোগো দেয়া আছে সে সকল খানে ব্যবহার ও করতে পারে বা পেপাল যে মাষ্টারকার্ড দেয় তা দিয়ে সে কেনাকাটা করতে পারে বা গ্যাস পানি বিদ্যুৎ বিল দিতে পারে বা এটিএম থেকে ক্যাশ  উইথড্র করতে পারে। এখন যে বাংলাদেশী ইটালীয়ান নাগরিক আর যদি সেখানে তার পেপাল সুবিধা চালু করে রাখে, আর আপনি যদি সেটা ব্যবহার করে থাকেন যে কোন খান থেকে ডলার আনেন আর  বর্নিত সুবিধা অনুযায়ী সেগুলো খরচ করে ফেলেন তাহলে কি আপনার ডলার অবৈধ হয়ে গেলো নাকি বেধই থেকে গেলো। আপনি তো ইটালীয়ান নাগরিক। আপনার নিজের যোগ্যতায় আপনি ইটালীর নাগরিকত্ব পাইছেন। ইটালীয়ান সরকার আপনাকে ভেরিফায়েড পেপাল সুবিধা প্রদান করে থাকে। সেই সুবিধা আপনি ব্যবহার করে থাকেন তারপরেও কি আপনি তাকে কোন সেন্সে অবৈধ বলবেন? না এইটা কক্ষনোই অবৈধ না। 




পেপাল আন্তর্জাতিক অংগনে অনেক ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে। কোন দেশে যদি পেপাল চালু করা হয় তাহলে পেপাল সেখানে এক্সপেরিমেন্টাল অনেক কিছু করে থাকে। বাংলাদেশে বসে থেকে বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়ে যদি পেপাল একাউন্ট তৈরী করে ডলার রিসিভ করে এবং সেটা লেনাদেনাও করে আর  এ ক্ষেত্রে যদি সে দুই নম্বার ইনফরমেশ ব্যবহার করে থাকে তাতেও কোন সমস্যা হবে না কারন ডলার টা সে রিসিভ করেছে এবং ডলারটা সে সেন্ড করেছে। বা ডলারটাকে সে কারো কাছে সেল করেছে। আর এইটা পেপাল ইনকরপোরেশন জানে। যদি পেপাল বাধা দিতো তাহলে ব্যাপারটাকে অবৈধ বলা যাইতো।

যেহেতু পেপাল বাংলাদেশে ওপেন হয় আর সেখানে যে কোন পেপাল এমাউন্ট লেনাদেনা করা যায় সেহেতু এইটাকে বাংলাদেশে বৈধ বলা হবে। কারন বাংলাদেশে এতো পরিামন দুই নম্বর গিরি হয় যে - যা ইন্টারনেটে একটা ওয়েবসাইটে বা ওয়েবসাইটরে পেমেন্ট  সেকসানে আটকে থাকার বিয়ষ না। ইনকরপোরেশনের ওয়েবসাইটে কে কতো ডলার লেনাদেনা করতাছে তা যদি পেপাল বন্ধ করে দিতো - তাহলে সেটাকে দুই নম্বরি বলা যাইতো। আমেরিকান সুপ্রীম কোর্টের এক আইনজীবি আমার ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং এর ক্লায়েন্ট ছিলো। উনাকে যখন বলেছি বাংলাদেশে পেপাল ওপেন হয় এবং এইখানে যদি কোন দুই নম্বর বা ফেক ইনফরমেশন ব্যবহার করে কেউ একাউন্ট ওপেন করে আর লেণাদেনা করে সেটা কি বৈধ হবে বা বাংলাদেশের কোন সমস্যা হবে। পেপাল বিশ্বের  ১৯০ দেশে ব্যবসা করে থাকে। কায়রো গনজাগরনের পর থেকে বাংলাদেশে পেপাল ওপেন এবং ডলার লেনাদেনা করা যায় আর সারা বিশ্বে যারা বাংলাদেশী বহির্দেশীয় নাগরিক তাদের প্রত্যেকেরই বৈধ ভেরিফায়েড পেপাল একাউন্ট আছে । তো উনি জিজ্ঞাসা করলেন যে তোমারা কি পেপাল দিয়ে কেনাকাটা করতে পারো? আমি বলেছি হ্যা পারা যায়। রাউটিং হয় এইখানে। তো বলতাছে যে ঠিক আছে তাহলে তোমরা ব্যবহার করতে পারবা। এইটা কোন সমস্যা না কারন পেপাল বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং হইতাছে সেন্ড এন্ড রিসিভ মানি বাই ইউজিং এন ইমেইল (Send and Receive money by using an email) এর মেথড। তোমার যদি ইমেইল এড্রস থাকে আর তা দিয়ে যদি তুমি পেপাল একাউন্ট ওপেন করে ডলার রিসিভ করতে পারো এবং সেন্ড করতে পারো এবং রাউটিং ও করতে পারো তবে তোমার দেশে এইটা চালু আছে- তোমাদের অন্য কোথাও গ্যানজাম আছে। তুমি এইটা ব্যবহার করতে পারো এবং সেই ক্লায়েন্ট নিজেও হাজার হাজার পেপার ডলার লেনাদেনা করেছে  যেখানে তার একাউন্টে কোন সমস্যা হয় নাই। যারা ডলার সেন্ড করে থাকে তাদের একাউন্টে কোন সমস্যা হয় নাই। যারা ডলার রিসিভ করেছে তাদের একাউন্টে কোন সমস্যা হয় নাই। ডলার রিসিভ করে সেন্ড করেছে বা লোকালি সেল দিয়েছে বা পেমেন্টবিডি র মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্টানে সেল করেছে সেখানে কোন  সমস্যা হয় নাই সেখানে আপনি (আমি একটা স্পেপিসিক প্রজন্ম কে বলতাছি) বাংলাদেশে বসে থেকে বলতাছেন পেপাল বাংলাদেশে বৈধ নাই- আপনার তো বলা উচিত যে আপনার সামর্থ্য নাই। অথচ সম্প্রতি বাংলাদেশের ব্যাংক এশিয়া ও পেপাল রেমিটেন্স গ্রহন করতাছে। বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়েরা তো উন্নত দেশের বায়ার/ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে পেপাল রিসিভ করতাছে- বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে পেপালের কানেকশন না থাকার কারন বাংলাদেশ সরকার সেটা থেকে রেমিটেন্স বঞ্চিত হইতাছে (যদি বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশের ব্যাংকের সাথে পেপাল চালু থাকতো আর সেখানে বাংলাদেশী ছেলে বা মেয়েরা বাংলাদেশ ব্যাংক কে এভয়েড করতো তাহলে সেটা বাংলাদেশ সরকারকে রেমিটেন্স ফাকি দেয়া  বলা হতো।  পেপাল বাংলাদেশ ব্যাংককে এলাও ই করতাছে না সেখানে আপনি যদি বলে বসেন পেপাল ডলার লেনাদেনা করার ব্যাপারে  ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স ফাকি দিতাছে কথাটা যৌক্তিক হলো না কোনভাবেই- একধরনের খুরির আলাপ হইলো।)  কিন্তু পেপাল যে দেশের  সে দেশের সরকার তো রেমিটেন্স বা রেভিনিউ পাইতাছে।  পেপাল এর ডলার সেন্ড এবং রিসিভ সিষ্টেমে চলে -এইখানে শুধু সংখ্যা লেনাদেনা হয় ইন্টারনেটের ইমেইল ব্যাংকিং সিষ্টেমে। একসময় সারা দেশ থেকে হুন্ডি হয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আপনি ভারত বা পা.. কিস্তানে বা অন্য কোন দেশে পাচার করেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে হরিলুট করেছেন আর নগদ টাকার ঘাটতি তৈরী করেছেন- সারা দেশের মানুষের জনজীবনে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি তৈরী করেছেন- মানুষকে হিমশিম এ ফালাইছেন, ৭২/৭৩/৭৪ (প্রমান শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন) মতো দুর্ভিক্ষ তৈরী করেছেন বা প্রতিনিয়ত করে যাইতাছেণ, বাংলার মানুষ না খেয়ে রাস্তাতেও  ঘুমায়। অভাব অনোযোগের দুনিয়াতে যে যা পারে তা করতাছে- ইন্টারনেটে সংখ্যা পদ্বতির মাধ্যমে উপার্জন করে চলতাছে আর বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকগুলো সেটা ক্যাশ করে দিতাছে, মানুষকে বাচানেরা চেষ্টা করতাছে- সেখানেও এক শ্রেনীর মানুষজন ইন্টারনেটে বৈধভাবে লেনাদেনাকৃত ডলারের পেছনে লেগেছে। শালা শুয়োরের জাত- আগে তো তাও নগদ টাকা পয়সা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতো- এখণ নগদ টাকা পয়সা না পাইয়া সংখ্যা লইয়া দৌড়াদৌড়ি করতাছে (দেশের কুচক্রী মহল কে শুয়োরের বাচ্চা বলতাছি)। তোরা কি খেয়াল করে দেখছস নগদ টাকা বাদ দিয়ে তোর এখন ব্যাংকে আইসা জমাকৃত সংখ্যার পেছনে দৌড়াইতাছস। তোদের হালত ঠিক আছে তো। এখন যদি বাংলাদেশ থেকে চুরি হওয়া বা পাচার হওয়া সমস্ত অর্থ ফেরত আসে তখন কি তোরা আবার ফেরতকৃত অর্থের পেছনে দৌড়াদৌড়ি শুরু করবি। টাকা কি আসলেই তোদের দরকার নাকি এইখানে অন্য কোন ব্যাপার স্যাপার আছে- দিন রাত ২৪ ঘন্টা টাকা পয়সার প্রেশার কিভাবে যে বাংগালী নেয় তা এক খোদা মাবুদই জানে। তাও ভালো দেশটা সোমালিয়া হয়ে যায় নাই- সোমালিয়ার মুরভুমিতে তো মানুষ না খাইয়া মইরা কংকাল হইয়া পড়ে থাকে। বিশ্বে এমনও দেশ আছে? শালারা টাকার জন্য ও দৌড়ায় আবার সংখ্যার জন্য ও দৌড়ায়। আদৌ জানে কিনা সন্দেহ- বিডিটি মানে কি? 


যে পেপাল ডলার টা সেন্ড করতাছে তারা তো ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বৈধ নাগরিক। তাদের উপার্জন করা ডলারটা তো বৈধ। আর তারা নিশ্চয়ই তাদের দেশে সকল ভ্যাট, ট্যাক্স দিয়ে থাকে।  আর বাংলাদেশে  ফ্রি ল্যান্সার রা সে ডলার রিসিভ করতাছে যে কোন ধরনের একাউন্টে - নামে, বেনামে তৈরী করা একাউন্ট থেকে - আবার সেটা আপনি সেন্ড করেছেন বা সেল করেছেন এবং আপনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে বা যে কোন দেশের ব্যাংক থেকে তুলে খেয়েও ফেলেছেন এবং কোন দেশের সরকারই আপনাকে আটকায় নাই- সেটাকে আপনি যদি অবৈধ বলে থাকেন তাহলে আমাকে বলতে হবে যে- আপনার নিজের বাংলাদেশে বসবাস করার যোগ্যতা আছে কিনা : যেমন: নিম্নোক্ত ডকুমেন্টের কোনটা আপনার কাছে কিনা- 

  1. বৈধ জাতীয়পরিচয়পত্র
  2. ভোটার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার 
  3. ব্যাংক একাউন্টস 
  4. কোন জমি জমার দলিল 
  5. সরকারের ভ্যাট ট্যাক্স নাম্বার বা আপনি
  6. বাংলাদেশে কোন মেয়ের ভালোবাসার মানুষ।
কোন কিছু - এনিথিং। আগে নিজের বৈধতা যাচাই করেন তারপরে আপনি পেপালের পক্ষে বা বিপক্ষে বলবেন। এ ব্যাপারে বলার যোগ্যতা রাখে শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং । কারন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ বা কানেকশন নাই পেপাল ইনকরপোরেশনের। ধারনা করা হইতাছে শুধূমাত্র বাংলাদেশী ভেরিফায়েড ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং  ওয়ার্কার দের জন্য শুধূ পেপাল ফর ফ্রি ল্যান্সার ফ্যাসিলিটজ ওপেন হতে পারে। ইন্টারেনেট ব্যাংক বা ইমেইল ব্যাংকিং এর মূল হলো আপনার নামে একটা ইমেইল একাউন্ট। আর সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয় এইখানে লেনাদেনার জন্য। তবে বাংলাদেশের পার হেড আইপ না থাকার কারনে একটা বড় সড় লস রয়ে যাবে কারন বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়েরা যতো পেপাল ডলার লেনাদেনা করেছে তার সাথে বাংলাদেশে র আইপি রেকর্ড আছে কিন্তু পার হেড আইপি (আগে ছিলো পার হেড আইপি - কোন এক অজানা কারনে ২০১১ সালের পর থেকে ম্যাক্সিমাম ডিভাইসে তে ইন্টারনেট কানেকশনের ক্ষেত্রে পার হেড আইপ পাইতাছি না এখণ আর- হ্যাকারদের সুবিধা হয় কিনা খোদাই জানে। হ্যাকারদের বিরুদ্বে বাংলাদেশ দন্ডবিধির আইন আছে- মিনিমাম ৭ বছর জেল হতে পারে যে কোন হ্যাকারের এবং তা সশ্রম) না থাকার কারনে টোটাল ডলার টা হয়তো পার কান্ট্রি আইপি হিসাবে লিষ্টিং হবে। আর যদি আপনার কাছে অবৈধ মনে হয় তাহলে পেপাল ডট কমের ওয়েবসাইট বাংলাদেশ থেকে বন্ধ করে দিয়েন। যেহেতু পেপাল ডট কমের ওয়েবসাইট বাংলাদেশে চালু হয় সেহেতু এইটা বৈধ। যেমন : বিটকয়েনের সকল ওয়েবসাইট বাংলাদেশ থেকে চালু হয় এবং সারা  দেশের সবাই পারস্পরিক লেনাদেনা করে থাকে।[বাংলাদেশ ব্যাংক প্রজ্ঞাপন করে বিটকয়েনের লেনাদেনা বন্ধ রেখেছে কিন্তু তারপরেও ট্রান্সফারওয়াইজ বা বিকাশের মাধ্যমে বিটকয়েনের ডলার কে লেনাদেনা করতাছে[ফেসবুকে অনেক খানে পোষ্টিং দেখি বিটকয়েনের ডলার কে বিকাশে নেয়া] বুঝলাম না। আমার এখনো এ বিটকয়েনের কোন ডলার লেনাদেনা করার অভিজ্ঞতা নাই ব্লকচেইনের বা   বিটকয়েনের ওয়ালেটে]








কিন্তু বিটকয়েনের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন সম্পর্ক নাই। মানে আপনি বিটকয়েণ এবং পেপাল বাংলাদেশের ব্যাংকের সাথে বা বাংলাদেশের কোন প্রাইভেট ব্যাংকের (পেপালের ক্ষেত্রে  ব্যাংক এশিয়া ছাড়া) সাথে উইথড্র করতে পারবেন না। কিন্তু যেহেতু ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় সেহেতু আপনি এইটা ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন: পর্নো ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় না- সো এইটা অবৈধ। বাংলাদেশের এপিআই হ্যাক বা না থাকার কারনে শুনেছিলাম(?) যে বাংলাদেশে বিশ্বের অনেক সুবিধা ওপেন হয় না। এপিআই একটা জাভা স্ক্রিপ্ট টোকেন যা বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড কানেকশনের মেইন সার্ভারে রান করাতে হয়- জাভা স্ক্রিপ্ট কোড। সেটা রান করালেই এই সকল ফ্যাসিলিটজ বাংলাদেশে ওপেন হবে। হয়তো নিরক্ষর কিংবা দালাল রাজাকারের জ্ঞাতি গোষ্টী বাংলাদেশে জড়িত থাকার কারনে হয়তো বাংলাদেশের  এপিআই রান না করে আরেক দেশকে বা শত্ররু দেশকে আগে রাখার চেষ্টা করতাছে জোড় করে-  বাংলাদেশের এপিআই কথাটা শোনা কথা- হাছা মিছা জানি না। বাংলাদেশের সরকারে যে পরিমান দুর্নীতি তাতে এরকম কিছু হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। যতোটুকু জানি কোন দেশের জন্য ইন্টারনেট বরাদ্দ হলে সেখানে একটা এপিআই সুবিধা থাকবে। সেই এপিআই যদি কেউ ইচ্ছা করে  কোডাকারে রান না করে তাহলে সেটা ফাসির যোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হবে বলে মনে করি কারন এইটা রাষ্ট্রীয় সেনসিটিভ ইস্যু। 

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং জগতে কাজ করার পরে যদি কোন ক্লায়েন্ট বা যদি কোন ক্লায়েন্ট আপনাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট এর বাহিরে পেমেন্ট করতে চায় সেটাকে পারসোনাল ক্লায়েন্ট বলে। এই পারসোনাল ক্লায়েন্ট যে কোন ভাবে আসতে পারে। মার্কেটপ্লেস থেকে বের হয়ে আসতে পারে আপনার কাছে বা সোশাল মিডিয়া থেকেও আসতে পারে বা  সার্ভিস এসইও করার কারনেও আসতে পারে বা এপিআই প্যানেলে  নিজের ওয়ার্ক প্রমোট করার কারনেও আসতে পারে। এই সময় ক্লাযেন্টরা আপনাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে পেমেন্ট না করে যদি ব্যক্তিগতভাবে যে কোন ইন্টারনেট ব্যাংক ব্যবহার করে পেমেন্ট করে থাকে তাহলে সেটাকে পারসোনাল ক্লায়েন্ট পেমেন্ট বলে থাকে। ক্লায়েন্ট যে মেথডে আপনাকে কাজের ব্যাপার কনফার্ম করবে সেটাকেই আপনি মাধ্যম বলতে পারবেন- তবে পারসোনাল ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রে কেউ যদি আপনার সাথে চিট করে তাহলে সেটার লায়াবিলিটস আপনাকেই নিতে হবে।শুধূমাত্র ইউরোপ এবং আমেরিকান অনারবেল পারসোনালদেরকে আমি পারসোনাল ক্লায়েন্ট সেকসানে রাখি আমার ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেসের জগতে।  পারসোনাল ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার ব্যাপারে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কে আপনাকে পেমেন্ট করতাছে বা কাজ দিছে তা আপনি বুঝতে পারবেন, বলতে পাারবেন বা জানতে পারবেন। যে কেউ আপনাকে জিজ্ঞাসা করে যে আপনি কার সাথে ইন্টারনেটে কাজ করতাছেন তাহলে আপনি রেফারেন্স দিতে পারবেন। ১১ কোটি ভ্যালিড ভোটারদের বাংলাদেশে তথ্য বা প্রমানের কোন বিকল্প নাই। কারন ফ্রি ল্যান্সারদের (ইন্টারনেটে চোখে পড়া) এক হিসাবে দেখা গেছে আমার মাত্র ১৫ লক্ষ ছেলে বা মেয়ে সরাসরি ডলার উপার্জন করার চেস্টা করতাছি বা করে থাকি বা এখন পর্যন্ত করে থেকেছি। 

বর্তমান মার্কেটপ্লেস গুলোতে আপনি যখন কাজ করতাছেন- যে সকল মার্কেটপ্লেসের সাথে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট ট্রানজেকশণ সুবিধা ব্যবহার করে থাকে তাদেরকে বলতাছি- তাদের মার্কেটপ্লেসগুলোতে ম্যাক্সিমাম ক্লায়েন্টদের ছবি (ছবি , ডিটেইলস ইনফরমেশন থাকা টা ১০০% জরুরী কারন তারা একটা দেশের রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ফ্যাসিলিটজ ব্যবহার করে যেখানে সারা দেশের ১১ কোটি মানুষের হক জড়িত। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের নাগরিক এরকম যে কেউ বাংলাদেশের যে কোন ফ্রি ল্যান্সারকে কে ভেরিফাই (জিজ্ঞাসাবাদ) করতে পারে বিশেষ করে যারা রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ফ্যাসিলিটজ সরাসরি সুইফটের মাধ্যমে ব্যব্হার করে থাকে। আমরা থার্ড পার্টি পাইওনিয়ার ব্যবহার করে থাকি। ২০১১ সালের আগে যখন মার্কেটপ্লেস গুলো অনেক ভালো ছিরো তখন ক্লাযেন্টের অনেক ডিটেইলস পাওয়া যাইতো ফলে সে সময়কার ট্রানজেকশণ গুলো ওকে আছে কারন তখন বাংলাদেশীদের কোন ব্যাড রেপুটেশণ ছিলো না্ যেমন- ওডেস্ক বা ইল্যান্স। বিশ্বের ১ নম্বর মার্কেটপ্লেস। ওডেস্কের সাথে লেনাদেনাতে বাংলাদেশ সরকার কোন ঝামেলাতে পড়ে নাই কখনোই বলে শূনেছি বা দেখেছি তথ্য। সমস্যা শুরু হয়েছে যখণ মার্কেটপ্লেসগুলোতে পেমেন্ট দিয়ে কাজ করার মেথড শুরু হলো তখন থেকে- যখন বিড কিনে কাজ করতে হইতাছে। এই ধরনের কোন মেথড স্বয়ং আমেরিকাতেও আছে কিনা সন্দেহ। কাজ শিখেছি- ব্রেইন দিয়ে কাজ করবো বা সেল করবো সেখানে বিড কিনতে হবে কেনো আমাকে?) ফলে আপনি বুঝতে পারতাছেন না যে কার সাথে আপনি কাজ করতাছেন। আর পারসোনাল ক্লায়েন্টর সাথে ইন্টারনেটে কাজ করার কারনে আপনি জানতে পারতাছেন যে কে আপনাকে দিয়ে কাজ করাইতাছে, কে কোন খান থেকে আপনাকে কাজ দিতাছে , সে দেখতে কেমন , তার সোশাল মিডিয়া ইনফরমেশণ কি, তার পারসোনাল মোবাইল নাম্বার কি, সে কোথায় থাকে এই সকল। ফলে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় ফ্রি ল্যান্সার রা তাদের অবস্থান হারাইয়া ফেলতাছে। মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে যদিও বা ক্লায়েন্টের ১ টা ছবি দেয়া থাকে সেটা দিয়ে তো আর আপনি টোটাল প্রুফ করতে পারবেন না কারন এইটা গরীব বাংলাদেশের মানুষের সমাজ ব্যবস্থা। যে সকল মার্কেটপ্লেসের বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ নাই সে সকল মার্কেটপ্লেসের কথা এইখানে ভিন্ন। কারন পরিচিত মানুষজন আমাকে বার বারই আসক করে যে- যারা ফ্রিল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেসে কাজ করে তাদের ক্লায়েন্টরা কোন দেশের বা কোথা থেকে আসে- আমার উত্তর জানি না। তখন প্রত্যুত্তরে তারা বলে বা আসক করে তাহলে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সিষ্টেম ব্যবহার করতাছে কেমন করে - আমাদের উত্তর, আপনি বাংলাদেশ পুলিশ কে জিজ্ঞাসা করেন। আমার যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট ট্রানজকশন মেথড ব্যবহার করি না বা আমাদের ফ্রি ল্যান্সার /মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার রা ও এলাও করে না- তারা আমরা এই ঝামেলা থেকে মুক্ত কারন আমাদের পেমেন্ট আসে পেপাল বা ইন্টারনেট ব্যাংকগুলোতে যেমন : পাইওনিয়ার বা পেল্যূশন। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো এই ইন্টারনেটের ব্যাংকগুলোর সাথে লিপিবদ্ব। এরা থার্ড পার্টি। 

যেমন: আমি এসইওক্লার্কে কাজ করে থাকি। এসইওক্লার্কের নিজস্ব ব্যাংকিং সল্যুশন আছে নাম : পেল্যুশন।  যারা এসইও ক্লার্কের ফ্রি ল্যান্সার তারা সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে কোন উইথড্র দিতে পারবে না কারন তাদের নিজস্ব ব্যাংক থাকার কারনে তাদেরকে উইথড্র দিতে হবে পেল্যুশনে- অথবা তৃতীয় পক্ষ পাইওনিয়ারে। আর পাইওনিয়ারের সাথে কনট্রাক্ট আছে বাংলাদেশের। সম্প্রতি পাইওনিয়ারের কার্ড মালিকানাও পরিবর্তন হয়ে চলে এসেছে আয়ারল্যান্ডে- এখন যদি আপনার কার্ডে ছয় মাসে কোন লেনাদেনা না থাকে তবে আপনার কার্ড টা ডিএকটিভেট হয়ে গেছে বা যাবে আর আপনার কার্ডের সাথে জড়িত ব্যাংক একাউন্টে আপনি নিয়মিত ডলার উইথড্র করতে পারবেন। এখণ আর আগের মতো মাষ্ট বি কার্ড সাথে থাকা লাগবে না। কার্ড একাউন্ট থাকলেই লেনাদেনা করা যাবে। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এসইওক্লাক থেকে পাইওনিয়ারে রেমিটেন্স উইথড্র করে থাকি আগে ওডেস্কে কাজ করতাম- ২০১১ পর্যন্ত। তখন বিড কিনে কাজ করতে হতো না যেটা এখন বাংলাদেশের ব্যবসা ছেড়ে চলে গেছে। তারপর থেকে কাজ করি এমন মার্কেটপ্লেসগুলোতে যেগুলোতে বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সরাসরি উইথড্র সিষ্টেম নাই এবং  আমি ২০১১ সাল থেকে একজন  ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করে চলতাছি এবং এখন এফিলিঢেট মার্কেটিং করে থাকি। 

ওডেস্ক বা ইল্যান্স মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেলেও তারা যে ক্যাশ/রেমিটেন্স ট্রানজেকশন করেছে বাংলাদেশের সাথে তার প্রমান আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডাটাবেজে। কারন রেমিটেন্স এমন একটা বিয়ষ যে আনে সেই সরকারের সম্মানিত নাগরিক। তাছাড়া যে ব্যাংক ওডেস্ক বা ইল্যান্সের পক্ষ হয়ে তাদের দেশ থেকে বাংলাদেশে রেমিটেন্স সেন্ড করেছে সেখানেও ডিটেইলস আছে তা ছাড়া খোজ করলে আইএমএফ বা বিশ্ব ব্যাংকের ডাটাবেজেও পাওয়া যাবে কারন তাদের অনুমতি ছাড়া তো আর ডলার বাংলাদেশে তখন এড হয় নাই। পারলে আমেরিকান ব্যাংকের ও তথ্য পাওয়া যাবে কারন ডলারের মালিক তো আমেরিকা। তাই কোন ডলার কখন কোথায় যাইতাছে তা আমেরিকা নিশ্চয়ই ভালো করেই জানে। আমেরিকা যে সারা বিশ্বে প্রধান ক্ষমতাবান তার প্রমান হইতাছে তাদের কারেন্সী ডলার যা ছাড়া বিশ্ব এক ধরনের অচল। ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস জগতে কাজ করার দরুন আমাদের অনেক সময় মনে হয় সারা বিশ্বই বুঝি আমেরিকা আর ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, নেভাদা, নিউইয়র্ক, টেক্সাস এবং অন্যান্য অংগ রাজ্যগুলো মিলে হইতাছে ইউনাইটেড ষ্টেটস অফ আমেরিকা। 

আপনি যদি ডোমেইন রিডাইরেক্ট করা মেথডে দেখেন তাহলে দেখবেন যে : অডেস্ক এবং ইল্যান্স বাংলাদেশে রিডাইরেক্ট হয়। ODesk.com or Elance.com  তাহলে কি অরিজিনালি এই দুইটা মার্কেটপ্লেস কোথাও না কোথাও টিকে আছে বা বিশ্বের অন্য কোন দেশে কি ওপেন হয়? অডেস্ক এবং ইল্যান্সে যতোদিন আমি কাজ করেছি ততোদিন আমার অলওয়েজ রেটিং ছিলো ৫ ষ্টার। একদিন সন্ধ্যায় ঢাকার থানা শাহবাগে (একসাথে ২০-২৫ হাজার লোকের আড্ডা জমতো : পরীবাগ, বাংলামোটর, বাটা সিগনাল, এলিফ্যান্ট রোড, কাটাবন নিউমার্কেট, পলাশীর গেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়, বুয়েট, হাই কোর্ট মাজার, টিএসসি, দোয়েল চত্বর. মৎস্য ভবন, হাই কোর্ট প্রাংগন এবং থানা শাহবাগের মূল গনজাগরন প্রজন্ম চত্বর এবং সেই সাথে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, লালন চত্বর, ছবির হাট  মিলে একটা সোশাল মিডিয়া গনজাগরন হতো প্রতিদিন যাকে গনজাগরনের সুতিকাগার বলা হয়।যেখানে আমি প্রথম এসইওক্লার্ক  দেখি আমার হাতের টাচ মোবাইলে (সিম্ফনী এফ টি ৪০) ২০১১ সালে। এক প্রকারের জোড় করে ডিএমপি- ঢাকা মেট্রাপলিটন পুলিশ আমাদের এই আড্ডাটা বন্ধ করে দেয় পুরোপুরি ২০১৩ সালের ৩১ শে জুলাই বলতে গেলে- যেদিন শাহবাগ গনজাগরন বন্ধ ঘোষণা (শাহবাগ গনজাগরন বন্ধ হয় নাই কারন শাহবাগ গনজাগরনরে সব স্লোগান সত্যিতে পরিনত হয়েছে এবং হবে - সেদিন পর্যন্ত।  জানি না খোদা এই পুলিশকে কি দিয়ে বানাইছে- মানুষে যে কখনো কারো ক্ষতি করতে পারে তা আমি ডিএমপি পুলিশের কাছ থেকে প্রথম শিখেছি। অথচ এই পুলিশ ২০০৩ সালে রাস্তাতে দাড়িয়ে খাকি রংয়ের পোশাক পড়ে হাত পাততো ট্রাফিক পুলিশের মতো (যখন তাদের বেতন ছিলো ৩০০০/৫০০০ টাকা যা আজকে শিুরুতেই ৫২০০০ টাকা)- বাড়িতে তাদের খাবার দাবারের মতো টাকাও থাকতো  না তৎকালীন সময়ে আর আমরা ছাত্রাবস্থায় পকেটে যা থাকতো তা দিয়ে সাহায্য করতাম। গনজাগরনের আড্ডা বন্ধ হবার পরে বুঝেছিলাম নীল পোশাকধারী আধুনিক পুলিশকে ২০০৩ সালে পোশাক পরিবর্তনের সাপোর্ট দেয়া বা আধুনিক করাটা ঠিক হয় নাই কারন তারা সরকারী কর্মজীবি হয়ে দেশপ্রেমিকদের আড্ডা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলো বা হয়তো দিছে বা তারা হয়তো শুধূই পোশাকধারী ছিলো*) আড্ডা দেবার সময় আমার অল মার্কেটপ্লেস একাউন্ট হ্যাক হয় - ওডেস্ক, ইল্যান্স, ইমেইল: masudbcl@gmail.com   এবং তার সাথে সম্পৃক্ত একটি ব্লগস্পট। অনেক কষ্টে  ৭ বছর পরে শুধূ ব্লগস্পট টা রিকভার করতে পারলাম এইটা যেটাতে আপনি এতোক্ষন লেখা পড়লেন। 

জানেন তো ব্লগার দের সব পোষ্ট আমেরিকান কপিারাইট আইনে সিক্ত। আপনি কোন পোষ্ট কপি করলে সেখানে ওয়েবসাইট এড্রস এবং সোর্স টা উল্লেখ করে দিবেন। 



Example of Generation Square : Shahbagh Projonmo Chattor, Dhaka.





*  বাংলাদেশ পুলিশের একটা নির্দেশ পালন করতে যাইয়া (সিটি কর্পোরেশন আইন- পুলিশ ভাড়াটিয়া আইন) এর কাগজের কপি চাওয়াতে এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ভেতরে  ভেরিফিকেশণ করতে চাওয়াতে ২০১৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বরের আগে একদল অস্থানীয় (যার বা যাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই এবং বাংলাদেশে তারা কখনো ভেরিফিকেশন পাবে না) বৈধ/দালাল/রাজাকার প্রজন্মের কাছে মার ধোরের ও স্বীকার হই। পরে ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ডেমরা থানার আওতাধীন পাড়া ডগাইর এলাকা থেকে ডেমরা থানা পুলিশের কাছে পুলিশ ভাাড়টিয়া আইনের ফরম ফিলাপ করে ডিবি পুলিশের কাছে ভেরিফিকেশণ কমপ্লিট করি- ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর ব্যাপার সহ আমার সকল তথ্যাদির প্রায় ৪ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে আমি যে ফ্ল্যাটে থাকতাম সেখানে) উনি মুখ দিয়ে বলে যে ভেরিফায়েড কিন্তু এখনো ময়মনিসংহ সিটি কর্পোরেশনে আমার স্থায়ী ঠিকানার এড্রসে ভেরিফিকেশন লেটার টা পাই না। এমনিতেই আমি এই এলাকার কোন চিঠি পাই না সাধারনত সব কিছু ওকে থাকার কারনে। আমার ময়মনসিংহের স্থায়ী ঠিকানা ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনে র ডেমরা খানাধীন পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনের কাছে নথিভুক্ত। ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনে র ডেমরা খানাধীন পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনের ভেরিফিকেশণ লেটার টা পাইলে স্বাধীনতা বিরোধী এক দেশ বিরোধী গ্রুরপটাক খুব যুতসই একটা জবাব দিতে পারতাম। সংশ্লিষ্ট ডিবি পুলিশ এসইওক্লার্ক/পা্ইওনিয়ার/পেমেন্টবিডি/পেপাল সব কিছু খুব খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে আমার ল্যাপটপের টেবিলের পাশে বসে অনেক সময় নিয়ে এবং খুবই খুশী হয় সবকিছু দেখে বুঝে এবং ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার হিসাবে আমাকে আশীর্বাদও করে। 

তো এর পর থেকে ঠিক করেছি শুধূ নিজের জন্যই করবো। দেশ নিয়ে আর ভাববো না। গনজাগরনের বাংলাদেশে (৭১,৯০,২০১৩) যারা জয় বাংলা বলতে পারে তাদেরকে নিয়েই ভাববো। জয় বাংলা বলতে কোন শক্তি লাগে না- জয় বাংলা বলতে যা লাগে তার নাম হইতাছে সাহস। কারন জয় বাংলা শব্দটা হ্রদয়ের ভেতর থেকে আসে আর উচ্চারিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশে আর স্বাক্ষী থেকে যায় আকাশ বাতাস প্রকৃতি যা কিনা মহান খোদার সৃষ্টি। মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক- আমি জয় বাংলা র লোক। জয় বাংলা কোন বৈধ বা অবৈধ রাজনৈতিক দলের একক স্লোগন না- এইটা বাংলায় কথা বলে এরকম সমস্ত দানুষের প্রানের স্লোগান। আমি মনে করি যে মাউথ স্পিকার ছাড়া খালি মুখে জয় বাংলা বলতে পারে না সে মানুষ না। ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আমরা নিজেদেরকে জয় বাংলার ফ্রি ল্যান্সার বেলি কারন আমরা খঅলি মুখে যে কোন সময় যে কোন খানে জয় বাংলা বলতে পারি। আপনি পারেন তো? 

Saturday, October 17, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে অর্ডার বলতে কি বোঝেন?


ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে অর্ডার বলতে নতুন কাজ পাওয়াকে বোঝানো হয়। আপনি যদি নতুন কাজ পান যে কোন সময়ে তাহলে সেটাকে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং  অর্ডার বলা হয়। এইটা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কারদের ভাষা। এখন আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার হোন আর প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কাজের অর্ডার পান আর আপনার সাথে যদি এমন কোন লোক বা শক্তি থাকে যাদের বিরুদ্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার জন্য প্রতিমূহুর্তে অর্ডার কার্যকর করার জন্য পুলিশের উপরে প্রেশার আছে- আর পুলিশ যদি সেই আসামীকে খুজে বেড়ায় ফাসির অর্ডার কার্যকর করার জন্য, আর সে যদি আপনার কাছ থেকে প্রতিমূহুর্তে অর্ডার অর্ডার শোনে- তাহলে কি অবস্থা হতে পারে? 




যদি এরকম কোন সিচুয়েশন হয় আর আপনি সেই ফাসির আসামীকে বার বার ই বলেন যে ভাই ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর জগতে অর্ডার বলতে নতুন কাজ নতুন ডলার বা নতুন পজিটিভ রিভিউ বা এরকম আরো অনেক কিছু বোঝানো হয় আর তারপরেও যদি সে বলে যে সে ফাসির আসামী তাহলে কি রকম হতে পারে? আসলে অর্ডার শব্দটা শুনলে বাংলাদেশে কেউ না কেউ ভয় পায় তাহলে বুঝতে হবে সে কোন না কোন মামলা/হত্যামামলা/চাদাবাজি মামলা/দেশবিরোধী কোন কার্যকলাপের সাথে জড়িত আছে বা যে কোন ধরনের বড় সড় মামলার আসামী যেখানে তার রায় কার্যকর করা হবে। অনেকটা মজা করে কথাটা বললাম। আমাদের ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর জগতে অর্ডার বলতে যে কাজ বোঝানো হয় সেটা আমি উপরের ছবি থেকে বুঝাইয়া দিলাম। আমার এই ৫৫০ অর্ডার লিষ্ট যদি আপনি পরীক্ষা করেন বা একটি এক্সল শীট বানান তাহলে আমি নিশ্চিত আপনার ৫-১০ দিন সময় লাগবে কারন বিষয়গুলো অনেক ভাষ্ট (অর্ডার নম্বর, টাইটেল, বায়ারের ইউজারনেম, বায়ারের দেশ, ডেট এবং টাইম, কতো ডলার, রিভিউ, রিকমেনডশন এগুলোকে এক সাথে লিপিবদ্ব করাকে ভাষ্ট বললাম।) লুকোচুরি করে মার্কেটপ্লেস থেকে  বাংলাদেশের ভেতরেই থেকে একজন আরেকজনকে কাজ দিলাম ব্যাপারটা সেরকম না- প্রত্যেকটা অর্ডার সারা বিশ্বের সকল ফ্রি ল্যান্সারদের সাথে বিড করে জিতে আনতে হয়েছে বা সারা বিশ্বের যে কোন দেশের বায়ারের কাছে অর্ডার সেল করতে হয়েছে) আমি বাংলাদেশী কোন বায়ারের সাথে কোন কাজ করি নাই আগে। রিসেন্টলি আমার ৫ ডলারের অফারের আওতায় আমি অনেক বাংলাদেশী ফ্রি ল্যান্সার দের কাছে সার্ভিস সেল করেছি ২০-২৫ টা এবং তাদেরকে ফ্রি বায়ার প্রোফাইল ও মেক করে দিয়েছি। কিন্তু এর আগে প্রত্যেকটা অর্ডার আমাকে অনেক সুচারুভাবে কমপ্লিট করতে হয়েছে এবং আবার একমাত্র টার্গেট ছিলো যে কাজ কম করি বা ডলার কম পাই তাতে আফসোস নাই কিন্তু আমাকে যেনো কেউ  খারাপ রিভিউ না দেয়। আমি আরো একটা  জিনিস খুব ভালো করে মেইনটেইন করেছি - আমি কখনোই কাউকেই আমার এসইওক্লার্ক প্রোফাইল লগইন করতে দেই নাই এবং কেউ কখনোই আমার প্রোফাইলে ঢুকে কোন কাজ করতে পারে নাই, আমি অন্য কাউকে দিয়ে কখনো আমার প্রোফাইলে কাজ করাই নাই এবং কাউকে দিয়েও আমার কোন কাজ সাবমিট করাই নাই। সব কাজের অফার আমি নিজে রিসিভ করেছি, সব কাজ আমি নিজে বিড করে জিতে এনেছি, সব কাজ আমি নিজে ডিল করেছি এবং সব কাজ আমি নিজে সাবমিশন করেছি । যদি কেউ কাজ নেবার জন্য খুব বেশী জোড়াজুড়ি করেছে (কয়েকজন ছিলো যাদের কে দিয়ে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে পারসোনাল ক্লায়েন্টের কাজ করাতাম - ফেসবুক ফ্রেন্ডস বা স্কাইপে ফ্রেন্ডস বেশীর ভাগ) তখণ তাকে বা তাদেরকে আমার টোটাল কাজের ১০০% বুঝিয়ে দিয়েছি এবং একদম ১০০% নিখুত ভাবে বায়ায়কে কাজ বুঝিয়ে দিয়েছি তবে এরকম কেস ১০-১৫ টা পুরো ৫৫০ টা অর্ডারের মধ্যে আর ১০০ ভাগ টাইমেই (যদি আমি অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে থাকি ইন কেস) তাহলে আমি আমার বায়ারকে নোট দিয়ে ইনফর্ম করেছি যে- আমি আমার পরিচিত কাউকে বা টিম মেম্বার কাউকে দিয়ে করিয়েছি। যারা আগে কাষ্টমার কেয়ারে ছিলো তাদেরকেও ইনফর্ম করেছি যে আমি আমার কাজ বাহিরের ২/৩ জনকে দিয়ে করাতে পারবো কিনা- বলেছে পারবো তবে প্রোফাইল এক্সস যেনো কাউকে না দেই। তাই পালন করেছি। আর বায়াররা ও বলেছে - একুরেটলি কাজ ডেলিভারি দেয়াটাই বড় ব্যাপার। তুমি নিজে করো বা যাকে দিয়ে করাও। একসাথে অনেক কাজের প্রেশার থাকলে ২/৩ টা কাজ বাহিরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছি- একদম এ টু জেড কাজ দেখিয়ে দিয়েছি এবং কাজ আদায় করে নিয়েছি এবং ৪০% এর মতো কাজের টোটাল পেমেন্ট ও দিয়েছি। আমার প্রোফাইলে আসা ২/৩ টা কাজ বা ম্যাক্সিমাম ১০/১৫ টা কাজ যদি কাউকে দিয়ে আমি করাই এবং আমি নিজেই ফুল কাজ দেখাইয়া দেই আবার আমি ও যদি তাকে ৪০-৫০% পেমেন্ট ও দেই। একজন ওয়ার্কার যদি জোড় করে একজন ফ্রি ল্যান্সারের কিছু কাজ করে দেয় তাতে  কি সেই ফ্রিল্যান্সারের প্রোফাইল আরেকজনের হয়ে যাবে? কখনোই না। যার যার প্রোফাইল তার তার। ফ্রি ল্যান্সারদের কাজ ই তো বিড করে কাজ জেতা আর ১০/১২ জনকে দিয়ে কাজ করানো। আমার এসইওক্লার্ক প্রোফাইল টা আমার সম্পদ। এইখানে অন্য কারো কোন ভাগ নাই বা শেয়ার ও নাই। আমার প্রত্যেকটা রিভিউ অনেক কেয়ারফুলি আদায় করতে হয়েছে। টোটাল ৫৫০ অর্ডারের মধ্যে ৫৩০-৫৩৫ টা কাজই আমার নিজের করা ১০০%। ৫৫০ এর মধ্যে পজিটিভ রিভিউ ও আছে ২৯৯ টা। শুকরিয়া। প্রোফাইল বলতে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার ওয়েবসাইট ইউজার নেম প্রোফাইল ওয়েবসাইট লিংক কে বোঝানো হয়। 







যতো ধরনের প্রফেশনাল স রা কাজ করতে পারবে এখানে। আমি ধারনা করি আনুমানিক ১৫ লক্ষ সেলার আছে এইখানে। আপনিও হয়ে যান একজন সাকসসেফুল সেলার। এক টাকা বা এক ডলারও খরচ লাগবে না। 




এখন আমি ম্যাক্সিমাম টাইম এফিলিয়েট মার্কেটিং করি। এসইওক্লার্ক রিলেটেড সার্ভিসকে প্রমোট করি সারা বিশ্বে। আপনি যদি চান তাহলে আপনি আমার রেফারেল ব্যানার থেকে জয়েন করতে পারেন। আপনার একাউন্টে ৫ ডলারের একটা কুপন  কোড এড করবেন যদি আপনি কোন এসইও সার্ভিস কিনতে চান এবং আপনি আমার প্রোফাইল ভিজিট করে যে কোন একটা ৫ ডলারের কাজের অর্ডার দিতে পারেন। আপনি প্রথমেই একজন নিশ্চিত ফ্রি বায়ার হিসাবে কাজ শুরু করতে পারবেন। SEOClerks তবে এই অফার শুধু মাত্র তাদের জন্য যারা সারা জীবন ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজ করবে কারন ওয়েবসাইট বা মার্কেটপ্লেস এ যেনো সে বায়ার হয়ে উঠে- আর ভবিষ্যতে আপনি আপনার নিজের প্রয়োজনে বা দেশ বা দশের প্রয়োজনে যতো পরিমান এসইও সার্ভিস কিনবেন সেখান থেকে আমি ১০% বেনিফিট পাবো। জানেন তো এইওক্লার্ক  পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এসইওষ্টোর।   আপনার কোন লস হবে না কারন এসইওক্লার্ক ২০% সারচার্জ কাটে প্রত্যেকটা অর্ডার থেকে। 

সম্পূর্ন ফ্রি বাংলা টিউটোরিয়াল। এইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেস। ১ টাকাও লাগবে না ১ ডলারও খরচ করতে হয় না এইখানে রেজিষ্ট্রেশন করতে। বিড করতে কোন টাকা বা ডলার লাগে না। একবার রেজিষ্ট্রেশন করে ৮টি মার্কেটপ্লেসের সদস্য হতে পারবেন। নামে এসইওক্লার্ক হলেও আপনি যে কোন প্রফেশন নিয়ে কাজ করতে পারবেন। 





Translate