মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কিছু রেটিং নিচে দেয়া হলো।
- যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের ক্লায়েন্ট : এ ক্লাস
- মধ্যপ্রাচ্যের ক্লায়েন্ট: বি ক্লাস
- আফ্রিকা এবং এশিয়ান ক্লায়েন্ট: থার্ড ক্লাস ক্লায়েন্ট।
Welcome to Masudbcl's Blog! Your ultimate resource for mastering white hat SEO techniques, optimizing YouTube content, and enhancing social media marketing. Unlock the secrets of digital marketing with Masudbcl. Learn how to drive traffic, increase engagement, and monetize your YouTube channel effectively.
Loved this blog or post? Continue the journey with me on YouTube. Watch my latest videos and hit Subscribe to stay connected!
👉 Subscribe Nowমার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কিছু রেটিং নিচে দেয়া হলো।
ইন্টারনেটে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ক্লায়েন্ট দের বিহেভিয়ার মাঝে মাঝে অনেক ভালো ও হয়, আবার মাঝে মাঝে অনেক খারাপ ও হয়। তবে প্রফেশনালিজম এমন এক ব্যাপার যেখানে ক্লায়েন্টর সাধ্য নাই আপনাকে খারাপ রিভিউ দিবে। মার্কেটপ্লেস ক্লায়েন্টের ব্যবহারের ব্যাপারে আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো আজকে। প্রথম ৪.৫ ষ্টার রিভিউ পাই ইল্যান্স মার্কেটপ্লেসে। নিয়মিত ভাবে ৫ ষ্টার রেটিং পাবার পরে হঠাৎ করে একটা ৪.৫ ষ্টার রিভিউ আপনাকে থামাইয়া দিতে পারে। আমার ক্ষেত্রে ও তেমন হলো একবার। কেনো সাধারন মানুষ মনে চাইলেই ক্লায়েন্ট হতে পারে না। মার্কেটপ্লেস নিজে আপনার কাছে যাবে বিজ্ঞাপন আকারে- আর আপনি আপনার ব্যবসা প্রমোট করার জন্য মার্কেটপ্লেসের সাহায্য নিয়ে থাকবেন। আপনি আপনার ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকার দরুন কয়েকজন প্রফেশনাল হায়ার করে তাদেরকে ইন্টারনেটে কাজ দিয়ে রাখলেন। আপনার খুব বড় সড় কোন কোম্পানী আছে মনে করেন। তাহলে সেই কোম্পানী তে ইন্টারনেট প্রমোশনের জন্য আপনি মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট থেকে কিছু ফ্রি ল্যান্সার হায়ার করলেন। তারা আপনার নির্দেশ মোতাবেক আপনার কাজ গুলো করা শুরু করলো। আপনি যদি নিজেই নিজেকে ক্লায়েন্ট মনে করে তাকেন তাহলে আপনাকে মার্কেটপ্লেস কখনো ক্লায়েণ্ট বলবে না। কারন কারন থাকা স্বাপেক্ষে বা প্রয়োজন তাকা স্বাপেক্ষে মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্ট তৈরী হয়। এক ব্যক্কলের কাহিণী বললে আপনার পুরো জিনিসটা আরো ক্লিয়ার হবে।
ঘটনাটা কাল্পনিক। ঘটনার সাথে আপনি নিজেকে মেলানেরা চেষ্টা করবেন না।
২০১১ সালে একদিন থানা শাহবাগে র আড্ডাতে বসে আড্ডা দিতাছি। তখন হিজড়া টাইপের এক লোক আইসা বসলো। দেখে কেমন জানি একটা খারাপ ফিলিংস হলো। তারপরেও জিজ্ঞাসা করলাম যে এই লোক কে? তো সে কাছে আইসা বলতাছে যে: আপনি কি করেন? তো আমিিউত্তর দিলাম যে: আমি ফ্রি ল্যান্সার। আউটসোর্সিং এর কাজ করি। তো বলতাছে: কোন ওয়েবসাইট। তো আমি বললাম যে: ইল্যান্স এবং ওডেস্ক। কিভাবে কাজ করে ওয়েবসাইট গুলো। ডিটেইলস জানালাম। তার প্রশ্ন করার ষ্টাইল দেখে থানা শাহবাগের বড় বাই বোনেরা তারে বললো যে: তুই এই দেশের সবচেয়ে বড় হিজড়া সেই লোককে সে লোক আামকে ক্রমাগত প্রশ্ন করতাছিলো। তো শেষে বলতাছে যে: আমিও একজন ক্লায়েন্ট হেবা। তো আমি জিজ্ঞাসা করলাম যে: আপনার কিসের ব্যবসা? তো বলতাছে: তার হিজড়াঘটিত ব্যবসা। তো আমি বললাম যে: এই ধরনের কোন কাজ তো ওডেস্কে বা ইল্যান্সে বা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে নাই। তো সে উত্তর দিতাছে যে: সে এই দরনের স্কোপ তৈরী েকরবে। তো আমি বলতাছি: কারন কি? তো বলতাছে যে সে আমেরিকা কে ঘৃনা করে। আমেরিকান এই সকল টেকনোলজী সে বাংলাদেশে চলতে দেবে না। সে এই টেকনোলজী বদলে দেবে। আমি বললাম: কারন ? তো সে বলতাছে: সে স্বাধীনতাযুদ্বের বিরুদ্বে অবস্থান করে। তো বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়েদের উপকার সে হইতে দেবে না। তারপরে বললাম যে: তুই তো বাংলোদেশ থেকে কোন কেডিট কার্ড পাবি না? তাহলে তুই মার্কেটপ্লেসের ক্লায়েন্ট হবি কি করে? তো সে উত্তরে বলতাচে: তার জন্ম পা কিস্তানে। সে পা কিস্তানী পে পাল ব্যবহার করে ক্রায়েন্ট হবে। তো আমি উত্তরে বললাম: তুই এই দেশে শুধূ দেশবিরোধী(ফাসি) বা রাজাকার (ফাসি) বা দালাল (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্মের ক্লায়েন্ট হতে পারবি। জয় বাংলা বা স্বাধীন বাংলা ছেলে পেলেদের ক্লায়েন্ট শূধূ ইউরোপ আমেরিকাই হবে কারন সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে বানাইছেও সুন্দর আর তাদরে ব্যবসা পাতিও অনেক বড় সড়। তারা এমনতেই বড়লোক। ক্লায়েন্ট হইতে প্রথম যে যোগ্যতাটুকু লাগে তা হইতাছে বড়লোক হওয়া। মনে চাইলাম আর ক্লায়েন্ট হয়ে গেলাম: ভ্যাপারটা এতো সোজা না। কারন ইন্টারনেট তোর চেয়ে অনেক বেশী বুঝে এবং সে জানে ইন্টারনেটে কার কি ইনটেনশন? তারপরে সে চলে গেলো আর তার হাটা চলা এবং চলা ফেরা দেখে তাকে উপাধি দেয়া হলো: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হিজড়া। আর তার সাথে যারা মিশবে তারা ও হবে হিজড়া কোয়ালিটি।
ক্লায়েন্ট বা বায়ারের উপর ভিত্তি করে চলে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট। এফিলিয়েট টাইপের ওয়েবসাইটগুলোতে ক্লায়েন্ট বা বায়ার থাকে না। অফিস আদালতে যেমন কাজ করতে হয় তেমন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ও পুংখানুপূংখ ভাবে কাজ করতে হয়। যদি আপনি এইখানে ঠিকমতো কাজ না করেন তাহলে আপনি এইখানে ব্যাড রিভিউ বা রিমার্কস খাইতে পারেন। আর একবার যদি কারো কপালে ব্যাড রিমার্কস জুটে তাহলে আর সেটা রিকভার করা যায় না। ব্যাড রিভিউ বা ব্যাড রিমার্কস কে অনেকটা লাল কালি বলা চলে এই খানে। বাংলোদেশে বহুল প্রচলিত মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলো সব আমেরিকান ষ্ট্রাটিজী অনুযায়ী চলে কারন সবগুলোতেই ডলারে উইথড্র চলে। শুধূ বাংলাদেশী টাকার উপরে ভিত্তি করে কোন মার্কেটপ্লেস এখনো তৈরী হয় নাই। অনেক ক্লাসিফায়েড ওয়েবসাইট বা দারাজ টাইপের ওয়েবসাইট সেই চাহিদা টুকটাক পূরন করার চেষ্টা করতাছে। বাংলাদেশী ছেলে রা বা মেয়েরা আমেরিকান মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ক্লায়েন্ট হওয়া এক ধরনের হাস্যকর কারন যারা ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বায়ার বা ক্লায়েণ্ট তাদের প্রত্যেকের এতো পরিমান সম্পদ বা সুবিধা আছে যা বলার মতো না যেটাকে আমার বলি মার্কেটপ্লেস ক্লায়েন্ট ওয়ার্ল্ড। তাদের সাথে যদি আপনি প্রতিযোগিতা বা রেস করতে চান তাহলে আপনার এই দেশে বা স্থাবর অস্থাবর যা আছে সব বেচে দিতে হবে।
(চলবে)
যখণ প্রথম ফ্রি ল্যান্সার আউটসোর্সিং ই্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে তখনি এক ধরনের লোকের রোষানলে পড়ে যায় এই ইন্ডাষ্ট্রিজ। কিভাবে একজন আরেকজন কে সাহায্য করা যায় - কিভাবে এই ইন্ডাষ্ট্রিজটা বাংলাদেশে দাড় করানো যায় বা কিভাবে পাড়া বা মহল্লাতে ছড়াইয়া ছিটাইয়া যায় সেটাই ছিলো প্রধান চেষ্টা। মানুষজন খেটে না খেটে বা কষ্ট করে বা একজন আরকেজনকে হাত ধরে বলতে গেলে এই ইন্ডাষ্ট্রিজটা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। কাজ শিখায় এবং কাজ শিখতে সাহায্য করে। পারস্পরিক একটা কম্প্রো্মাইজের মাধ্যমে সবাই একসাথে হয়ে কাজ করে- ডলার উপার্জন করে এবং ডলার রেমিটেন্স আনতে সাহায্য করে। কেউ কাউকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখে নাই। ২০১১ পর্যন্ত আমার কখনোই মনে হয় নাই যে: আমাকে কেউ ঝামেরাতে েপলাতে পারে বা কষ্ট দিতে পারে। একসাথে সব একাউন্ট হারিয়ে ফেলি ২০১১ সালের একদিনে হ্যাকারদের আক্রমনে। বাংলাদেশী হ্যাকার- নাম দিয়েছিলো “সোনিয়া।” আরো ডিটেইলেস খোজ খবর নিয়ে জানলাম যে: তারা এদশের দালাল/রাজাকার প্রজন্ম কর্তৃক সমর্থিত একটি শক্তি। বাংলাদেশে রেমিটেন্স আসাটা তারা পছন্দ করতাছে না। তাদেরকে ভাগ ভাটোয়ারা দিতে হবে। আমি তখন মনে মনে বললাম: দালাল/রাজাকার প্রজন্ম ছাড়া তো আর কারো পক্ষে সম্ভব না একজন আরকেজনের ক্ষতি করা। বিনা কারনে একজন আরকেজনের ক্ষতি থেকেই তো তৈলিী হয়েছিলো ৭১ এর স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ব। জাতে বাংগালী কারো না করো তো ইন্ধন ছিলো- নয়তো এতো বড় গনহত্যা কিভাবে তৈরী হয়? প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকে ট্যাংক এনে বাংলাদেশে রেখে সমর সাজিয়ে অতর্কিতে হামলা - মূদূ পরিকল্পনা মাফিকই হয়েছে। মুক্তিযোদ্বারা যেমন পরিকল্পনা মাফিক ছক কষে যুদ্বে অংশগ্রহন করে জিতেছে তেমনি দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধীরা ও একটা পরিকল্পনা করেই বাংলাদেশে গনহত্যা রচনা করেছিলো। যেই গনহত্যার বিচার আজো প্রলম্বিত আকারে চলতাছে- ৪৯ বছল পরেও এখনো অনেক দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধী রা ঝীবিত - কারো না কারো ইংগিত, প্রচ্ছন্ন সাহায্য তো অবশ্যই আছে। তো এখণ ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোসিং এর জগত টা হয়ে গেছে কমপ্লিকেটেড অনেক। একজন আরেকজনের বিরুদ্বে বিনা কারনে লেগে যাইতাছে- যা কখনোই কাম্য ছিলো না।
শুনেছি একদল রাজাকার যারা ৭১ এ সবচেয়ে কমবয়সী ছিলো ১০-১২ বা ১২-১৬ বা ১৬-১৮ বছর বয়ষী স্বজ্ঞানে স্বইচ্চায় ১৯৭১ এ বাংগালীদেরকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করে নাই, যারা দালাল রাজাকারের বা দেশবিরোধীদের সন্তান ছিলো, প্লাষ্টিক সার্জারী করে প্রত্যেকেই তাদের নিজস্ব বয়স কমিয়ে রেখেছে ১০ থেকে ১২ বছর যার বয়স ৬৫ বছর তারে দেখলে মনে হবে ৫৫ বছর এরকম করে রেখেছে তারাই নাকি এদেশের ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং নিয়ে ঘোট তৈরী করতাছে। কারন তারা এই দেশের এই উন্নয়নটাকে সহ্য করতে পারতাছে না। বাংগালী জাতে মেধাবী- আর এইখানে বাংগালী অতি অবশ্যই উন্নতি করবে- তাই না পেড়ে তারা বাংগালীদের বিুরদ্বে লেগেছে। দেখবেন খুব বড় বড় লেকচার দিবে কিন্তু তাদের বৈধ নাগরিকত্ব নাই বাংলাদেশে বসবাস করার। জাতীয় পরিচয়পত্র নাই কিংবা ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার নাই। কিন্তু কথা বলবে একেবারে দেশের রাজার মতো। তাদের কথা বার্তা শুনলে যে কেউ হাসাহাসি শুরু করবে। শুনেছি তারা বলে বেড়ায় যে বাংলাদেশে এমপি বা মন্ত্রী হতে নাকি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে না- এরকম ধারনা পোষন করে চলে।
তো আমি ভাবতাম: ঝঞ্জা বিক্ষুব্দ দেশ বাংলাদেশ। ১০০ হাত মাটির নীচে পুতে রাখলেও ঠিকই সঠিক পথটা খুজে বের করে নিবে। আজকে ১৩/১৪ বছর পরে এখন সারা দেশের লোকজন জানে যে এইটা একটা ইন্ডাষ্ট্রিজ বা ডলারও জেনারেট করতাছে বা প্রতিনিয়ত রেমিটেন্স ও আসতোছে তবে কিনা তা অনেক সময় অনেকের মনেই অনেক সন্দেহের জন্ম দিতাছে। নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াই সমানে যার যার বাবা বা মায়ের নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল ভেরিফিকেশন করে কাজ করে যাইতাছে। যারা আগে ইনকাম ট্যাক্স দিতো এখন তাদের নামে রেমিটেন্স আসতাছে। ফলে সরকারের ভেতরে তৈরী হইতাছে জটিলতা। এক সময় এই দেশটা ছিলো ভারতীয় পূর্ব বাংলা। বাংলা ভাষাতে কথা বলার পরেও এইখানে শুরূ হলো পূর্ব সামথিং এর গ্যানজাম। যা ৭১ এ পুরোপুরি ফিনিশ হবার পরেও জীবিত দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধীরা সদ্য ঘটিত বাংলাদেশের উন্নতি সহ্য করতে না পেরে ধ্বংসের লীলায় মেতে উঠলো। তারই প্রতিক্রিয়ায় এখন দেখা যাইতাছে- ইনকাম ট্যাক্সধারী লোক রেমিটেন্স নিয়ে আসতাছে তারপরে আবার ইনকাম ট্যাক্স ও দিতাছে। জানা মোতাবেক: যারা রেমিটেন্স উপার্জন করে তাদের কে রেমিটেন্সের উপরে কোন ট্যাক্স দিতে হয় না্ সাধারনত রেমিটেন্সের উপরে ট্যাক্স দিতে হয় না। ট্যাক্স দিতে হয় আভ্যন্তরীন আয় উপার্জনের উপরে। যেমন: বিগত অনকে বছর বাংলাদেশের লোকাল একটা এজন্সীর মাধ্যমে পেপাল ডলার উপার্জন করার পরে সেখানে এজেন্সীকে চার্জ দিতে হয়েছে ৫%, প্রতিবার মানি রিসিভ করার সময়ে ট্রানজেকশন নাম্বারও তৈরী হয়েছে। সেই এজেন্সী আবার ইনকাম ট্যাক্স বা ভ্যাটও দিতাছে আবার যে ব্যাংকের কাছে পেপাল ডলার সেল দিতাছে সেটাকে সেই ব্যাংক রেমিটেন্স আকারে নিতাছে। তাহলে একটি প্রতিষ্টানও ইনকাম ট্যাকস ও দিলো, আবার ভ্যাটও দিলো আবার রেমিটেন্সেও এড হলো। কি তামাশার এক দেশ- বাংলাদেশ!
ফ্রি ল্যান্সার রা ও আগে পারস্পরিক অনেক হেল্প করতো একজন আরকেজনকে। এখন সারাক্ষনই ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়: কে কখন কাকে কোথায় কোন েকারন ছাড়াই বাশ না দেয়। ১০/১২০০০ একসাথে হয়ে ক্রমান্বয়ে রিপোর্ট দিতে দিতে ফেসুবকের েপোষ্টিংও ডিলেট করে দেয়। বিনাকারনে মার্কেটপ্লেসে হায়ার করে ব্যাড রিপোর্টও দেয়। সমানে রিপার্ট দিতে থাকে কন্টিনিউয়াসলি। ভিপিএন দ্বারা ফরেন একাউন্ট মেক করে নিজেই নিজেদেরকে ক্ষতি করে যাইতাছে। নিজেরাই নিজেদের দেশে মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্ট হয়ে যাইতাছ্ েযে দেশের পৌনে ছয় কোটি মানুষ দৈনিক আয় রোজগার করে খোয় সে দেশের সাধারন মানূষ যদি হঠাৎ করে নিজেদেরকে বায়ার বলে ফেলায় তাহলে যারা ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বায়ার বা ক্লায়েন্ট তারা কই যাবে। কোন মুক্তিযোদ্বার সন্তান বা জয় বাংলার সন্তান কি একজন আরকেজনের ক্ষতি করতাছে বলে মনে করেন? যারা েএকজন আরকেজনের উন্নতি দেখতে পারতাছে না তাদের শরীরের রক্তের ভিতরে রয়ে গেছে সেই ৭১ এর দেশবিরোধীদের রক্তের ধারা। জয় বাংলার ছেলে পেলেদের উন্নতি দেখলে তাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। কিভাবে সেই ছেরেটাকে ধ্বংস করা যায় বা তার ঝীবনটার সর্বনাশ করা যায়- এইটাই থাকে তাদের একমাত্র িদ্বিধা। বিনাকারনে লক্ষ লক্ষ রিপোর্ট মেরে আমার ২/৩ টা ওয়েবসেইট কে স্পাম মার্ক করে দিছে। হাজার হাজার ছেরে পেলে দের প্রোফাইল বা ভিডিও চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ ডিলেট করে দিতাছে। একজন কে আসক করেছিলাম: বলতাছে রিপোর্ট খাওয়া ভালো। মার্কেটপ্লেসের যারা মালিক তারা রিপোর্ট এনালাইসিস করতে পারে বিধায় সারা দেশের সব ফ্রি ল্যান্সার রা টিকে আছে। মার্কেটপ্লেসের যে ওয়েবসাইট তাদের ফ্রি ল্যান্সারদের কাছ থেকে % খায প্রতি সেকেন্ডে- তাই এইখানে কোটি কোটি রিপোর্ট মারলেও লাভ হবে না। ফেসবুকের রিপোর্ট হয়তো কাজে দেয়।
তো এই ধরনের ব্যবহার যাদের তারা তো আর কম্পোমাইজ মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার না। তারা হইতাছে ধ্বংসাত্মক মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার। তাদের মন মানসিকতা ইন্টারনটে বিরোধী। তাদের এই ধরনের কার্যাবলীতে একদিন হয়তো বাংলাদেশ তেকে ইন্টারনেট বন্ধও হয়ে যাইতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশেই ফুল ফেজ ইন্টারনটে নাই। যারা কম্প্রোমাইজিং মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার- তারা কখনোই একজন আরকেজনের ক্ষতি করবে না। তারা সবসময় ই চাইবে অপরে ও ভালো করুক আর নিজেরও ভালো হোক। ডলার উপার্জন কররেই ফ্রি ল্যান্সার হওয়া যায় না- ভালো মানের ফ্রি ল্যান্সার হতে গেলে ভালো কমেপ্রামাইজ মাইন্ডের ও হতে হয়। কম্প্রোমাইজ মাইন্ডের একজন ফ্রি ল্যান্সার সবসময় আপনার ভালো কামনা করবে এবং আপনাকে ভালো পথ দেখাইয়া দিবে।
৭১ এ দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার প্রজন্মের হাতে ইন্টারনেট সুবিধাটা প্রদান করলো কে বা কারা? তারা তো তাদের বাপ দাদাদের রক্তের বাহিরে না। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া তারা যেনো ইন্টারনেট ব্যবহার না করতে পারে সেই আইন করা উচিত। যদি এই আইন কার্যকর করা হয় তাহলে একজন দিনমুজরও যে কিনা সারা দিন খাটা খাটনি করে সে ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার ভীড়ে তার মন মতো কিছু কাজ করতে পারবে। এই রকম ভাবে বৈধ জাতীয় পরিছয়পত্র নম্বার ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারনে বাংলাদেশ হয়ে যাইতে পারে দেশী/বিদেশী হ্যাকার দের আখড়া যা আপনি পরে আর কখনো কন্ট্রোল করতে পারবেন না। ইদানিং কালে অনেকের প্রোফিইলেই দেখা যায়- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছেলে রা বা মেয়েরা ঢাকা তে আইসা তাদের সোশাল মিডিয়া বন্ধুদের সাথে হ্যাং আউট করতাছে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে এবং আরো কতো ধরনের তথ্য হাতাইয়া নিতাছে তা বোধ হয় এক মাবুদই জানে। সো বড় সড় বিপদে পড়ার আগেই সতর্ক হওয়া উচিত। ফ্রি ল্যান্সারদের ও অথি অবশ্য নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েই কাজ করা উচিত নয়তো একটা অযাচিত ফাইট শুরু হয়ে যায় যে কোন মার্কেটপ্লেসে। অনেকদিন আগে আপওয়ার্কে একদিন দেখেছিলাম যে েএকজন রাষ্ট্রীয় সচিব ফ্রি ল্যানসিং করতাছে এবং তার প্রোফাইল। পরে কয়েক বছর যাবারপ রে বুঝতে পারলাম যে: সেটা হয়তো তার ছেলে বা মেয়ে করতাছে। এই ধরনের ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে অপরাধ। যে সকল মার্কেটপ্লেসে আমরা কাজ করি সে সকল মার্কেটপ্লেস নিশ্চয়ই বলে দেয়া নাই যে: আপনি আপনার বাবা বা মায়ের আইডি দিয়ে কাজ করতে পারেন। সুকৌশলে সেই দেশবিরোধী চক্র আমাদের দেশের সোসিও ইকোনমিক্যাল সিষ্টেমে একটা ঝামেরা লাগাইয়া দিতাছে। পরে এইগুলো বিশালাকারের ফাইন হিসাবে দাড়া হইতে পারে। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দারা হয়তো ক্লায়েন্ বা বায়ার সেজে তথ্য হাতাইয়া নিতাছে যা বাংলাদেশী কম্পোমাইজিং ফ্রি ল্যাণ্সারদের জণ্য আরো বড় আঘাত হিসাবে দেখা দিতে পারে।
আপনি যদি ইউরোপ আমেরিকা অলরেডী ভিজিট করে থাকেন তাহলে দেখবেন বিভিন্ন ছোট ছোট শহরে আমাদের দেশের কাচাবাজারের মতোন তাদের মার্কেট জমে যেখানে তারা বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র কেনা বেচা করে থাকে। যে কেউ তাদের পন্য সেখানে সেল করে থাকে। আর বাকীরা সেখান থেকে কেনাকাটা করে থাকে। এরকম প্রেসগুলোকে বিভিন্ন শহরে শহরে মার্কেটপ্লেস বলে থাকে। সেই মার্কেটপ্লেস ধারনা টা যখন অনলাইনে স্থাপিত হয় সেটাকে অনলাইন মার্কেটপ্লেস বলে। বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি প্রতিষ্টান এবং সাধারন জিনিস পত্র ও অনলাইনে সমাহার হয় এবং সেগুলোকে মার্কেটপ্লেস বলে পরিচিত করা হয়। ওয়েবসাইটে যখন কেনা বেচা হয় এবং সেটা যখন ওয়েবসাইটের কোন পেমেন্ট প্রসেসর প্রসেস করে থাকে তাকে রেভিনিউ মানি বলে যদি একই দেশের ওয়েবসাইট এবং পেমেন্ট প্রসেসর হয়। যেমন: পেপাল একটি পেমেন্ট প্রসেসর। পেমেন্ট প্রসেসরের মূল কাজ হলো ইন্টারনেটের লেনাদেনাকে সহজলভ্য করে তোলা। অনেকাংশে তারা ভ্যাট, ট্যাক্স নির্ধারন করে থাকে বা নিজেরাই দিয়ে দেয় বা পন্যের মূল্য পরিশোধের সময় এড করে দেয় এবং যে পন্য কিনবে অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে তাকে সেই ভ্যাট ট্যাক্স এবং আরো কিছু % থাকলে সেটা পরিশোধ করতে হয়।
ফ্রিল্যান্সাররা মেধা কেনা বেচা করে থাকে। এক দেশের ফ্রি ল্যান্সার কে আরেক দেশের বায়ার বা ক্লায়েন্ট হায়ার করে থাকে। এই মেধা কেনা বেচার মধ্যে যখন আপনি একই দেশের মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট এবং পেমেন্ট প্রসেসর (পেপাল) ব্যবহার করবেন তখন সেটা ওয়েবসাইট মালিকের জন্য হবে রেভিনিউ আর যে উপার্জন করবে এবং সে যদি অন্য আরেক দেশের নাগরিক হয় তখন সেটাকে বলা হবে রেমিটেন্স। আপনার জণ্য যেটা রেমিটেন্স - ওয়েবসাইটের মালিকের জণ্য সেটা রেভিনিউ। সেই রেভিনিউ এর উপরে ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের মালিককে সেই দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভ্যাট ট্যাক্স দিতে হবে। যেমন আমাদের দেশের মার্কেটপ্লেস ওযেবসাইট আছে ২/৩ টা যেমন: কাজকি বা বিল্যান্সার। এরা যখন আমাদের দেশের মুদ্রাতে কারেন্সী কালেক্ট করবে তখন তাদেরকে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্যাট, ট্যাক্স দিতে হবে কিন্তু তারা যখন কোন না কোন দেশের সেলার বা ওয়ার্কারকে পেমেন্ট দিবে ডলারে- সেটা সেই দেশের সরকারের জণ্য রেমিটেন্স হিসাবে এড হবে। ভাবতে পারেন: আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা অন্য আরেক দেশের ছেলে বা মেয়েকে রেমিটেন্স ও দিতে পারে। আমরা ফ্রি ল্যান্সার রা কোথায় চলে যাইতাছি। আমার কাছে অনেক সময় মনে হয় শান্তি তে কাজ করার জন্য ফ্রি ল্যান্সার রা পৃথিবীর বাহিরে একটা আলাদা স্পেসশিপ বানিয়ে নিবে যেখান বৌ / গাফ্রে সহ বসবাস করবে এবং ৫ বছরের কমে পৃথিবীতে ফেরত আসা যাবে না। এরকম একেকটা ওয়ার্কষ্টেশন পৃথিবীকে দিন রাত ২৪ ঘন্টা পদক্ষিন করবে আর ফ্রি ল্যান্সার রা সেখানে বসে কাজ করবে।
ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর কাজের ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি ব্যাংকে যে পেমেন্ট হয় বা ওয়েবসাইট থেকে পাইওনিয়ার বা যে কোন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ব্যাংকে ডলার আইসা ক্যাশ টাকাতে কনভার্ট হয় সেটাকে রেমিটেন্স মানি বলা হয় উইথড্র করার পরে। যে ডলার টা এড হয় সেটাকে রেমিটেন্স ডলার বলা হয়। সুইফট ট্রনাজকেশন/ ব্যাংক টু ব্যাংক এর মাধ্যমে যে ডলার ব্যাংক টু ব্যাংক মেথডে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে এড হয় (ডলার/ইউরো/পাউন্ড) সেটাকে প্রাইভেট ব্যাংক রেমিটেন্স বলা হয়। প্রাইভেট ব্যাংকের নিজস্ব সুইফট কোড বা আইবিএন নাম্বার আছে যা দ্বারা সে সারা বিশ্বের যে কোন ব্যাংক থেকে যে কোন মুদ্রাতে কারেনসী রিসিভ করতে পারবে আবার সেটা ক্যাশ টাকাতে কনভার্ট করেও দিতে পারবে - এইটা প্রাইভেট ব্যাংকের নিজস্ব ক্ষমতা। আবার বাংলাদেশ ব্যাংকেও হয়তো আলাদা করে কোন না কোন রেমিটেন্স এড হয়। প্রাইভেট ব্যাংকের রেমিটেন্স কে তো আর নিশ্চয়ই বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স হিসাবে দেখানো হয় না। বাংলাদেশের রেমিটেন্স বলতে সকল ব্যাংকের রেমিটেন্স বোঝানো হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স বলতে কি বোঝানো হয়ে থাকে - শুধূ মাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকে যাদের একাউন্ট আছে তাদের রেমিটেন্স নাকি সকল ব্যাংকের রেমিটেন্স এক সাথে?
যেমন: আমি যে মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকি সেটা থেকে রেমিটেন্স আমরা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আনতে পারবো যেমন: পাইওনিয়ার বা পেল্যুশন। পাইওনিয়ারে ডলার উইথড্র দেবো সেটা পাইওনিয়ারে এড হবার পরে পাইওনিয়ার থেকে পাইওনিয়ার ব্যাংক উইথড্র মেথডে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে এড দেবো : যেমন: ইষ্টার্ন ব্যাংক ব্যবহার করি আমি। আমি এসইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করি -সেখানে থেকে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে উইথড্র দেয়া যায় না, কারন তাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে নাম পেল্যুশন। কিন্তু এসইওক্লার্ক থেকে আমি পাইওনিয়ারে বা পেল্যুশনে নেই- তারপরে পাইওনিয়ার বা পেল্যুশন দিয়ে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংক ইষ্টার্ন ব্যাংকে আনি, এইটা প্রাইভেট ব্যাংকের রেমিটেন্স। আর যারা সরাসরি ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট থেকে উইথড্র দেয়: যেমন: ফ্রি ল্যান্সার ডট কম, আপওয়ার্কস ডট কম- যে সকল ওয়েবসাইট থেকে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে (যেমন: ডাচ বাংলা ব্যাংক বা সিটি ব্যাংক বা এ ধরনের যে কোন ব্যাংক) সরাসরি সুইফটের মাধ্যমে (যেমন: ডিবিবিএল এর সুইফট কোড: DBBLBDDH100 উইথড্র করে সেটাকে কি বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স বলে নাকি বাংলাদেশের রেমিটেন্স বলে - ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং খাতে। রেমিটেন্স নিয়ে এইখানে ৩ টা শব্দ পাওয়া গেলো:
যে যে উপায়ে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়েবসাইট থেকে উপার্জন উইথড্র করা যায়:
ইন্টারনেট/ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে ব্যক্তিগত তথ্য আপনার সামনে আসলে সেটাকে এভয়েড করে রাখতে হয়। কারন ইন্টারনেটে কারো ব্যক্তিগত তথ্য দেখাকে চুরি বা চোরের চরিত্র হিসাবে বর্ননা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রাইভেট ব্যাংক যারা হ্যাক করেছে বা করে প্রতিনিয়ত (যদি) - সরকার তাদেরকে প্রজ্ঞাপন, আদেশ বা নির্দেশ দিয়ে বলে নেই যে : তোমাদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংক বা প্রাইভেট ব্যাংক বা আন্তর্জাতিক হ্যাক করার অনুমতি দেয়া হলো । খুবই স্পর্শকাতর বিষয় হবার কারনে এই ধরনের হ্যাকারদের সব্বোচ্চ শাস্তি ফাসি হতে পারে। বর্তমান বাংলাদেশ ও বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া কাউকে বসবাস করার অনুমতি দেয় না (জানা মোতাবেক: বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে এদেরকে আইডেন্টফাই করা হয়েছে। সারা দেশেও তাদেরকে আইডেন্টিফাই প্রক্রিয়া চলতাছে।) যারা বাংলাদেশের বাহিরে থেকে আইসা বসবাস করে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট দেশের কাজগপত্র এবং বাংলাদেশে বসবাসের বৈধ অনুমতি পত্র দেখাতে হয় এবং তারপরে বসবাস করার অনুমতি দেয়া হয়। আর যারা আশে পাশের দেশ থেকে আইসা বসবাস করতাছে তাদের বৈধতা পরীক্ষা করে দেখাতে হয়। মনে করেন : সন্ত্রাসী তকমা আছে এরকম একটি দেশের লোকজন বাংলাদেশে আইসা বাংলাদেশের প্রশাসনকে ঘুষ দেবার বিনিময়ে বাংলাদেশে বসবাস করে যাইতাছে কিছু টাকা পয়সা পাবার লোভে বাংলাদেশের প্রশাসন বা এর একশ্রেনীর লোক (ধারনা করা হয় তাদের বাপ দাদারা দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার ছিলো অথবা তারা তাদের বাপ দাদাদের ভুল মনে করে) ও তাদেরকে চুপিসারে সাহায্য করে যাইতাছে (আপনি যদি নিজেও পরীক্ষা করে দেখেন তাহলে দেখবেন আপনার আশে পাশে অনেকেই আছে যারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং যাদের বৈধ জাতীয় পরিপয়পত্র নাই)।। আর তারা এই দেশের ভেতরে বসে হয়তো গনহারে খারাপ কাজ করে যাইতাছে - আপনি সেটা দেখে চুপ থাকতে পারবেন না - আপনাকে তার প্রতিবাদ করতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার ঘোষনা দিছে- আশে পাশের দেশ থেকে যারা বাংলাদেশে এসেছে তাদের প্রত্যেকের বৈধতা যাচাই করা হবে। কিন্তু ইন্টারনেটে আপনি কাজ করতে করতে হঠাৎ করে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কোন গোপন তথ্য আপনার সামনে চলে আসলো তাহলে আপনি কি করবেন? সততার পরিচয় হইতাছে আপনি সাথে সাথে সেটা ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে জানাবেন এবং এটাও জানাবেন যে: আপনি কোন তথ্য দেখেণ নাই বা সেভ করেন নাই। আর আমাদের দেশে থেকে যােরা ব্যাংক/ইন্টারনেট/সোশাল মিডিয়া হ্যাক করতাছে বা হ্যাকিং করে যাইতাছে তাদেরকে আমরা চোর বলতে পারি কারন যারা হ্যাকার তারা তাদের চোহারা দেখায় না- তারা প্রকাশ্য দিবালোকে সংবাদ সম্মেলন করে বলতে বলেন যে : তারা হ্যাকার। দেখবেন বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে কোথায় পাঠায়? হ্যাকিং এর কোন বৈধতা নাই ইন্টারনেটে এবং সরকারে। হ্যাকার রা মূলত মানুষের সব তথ্য খূজে বেড়ায় এবং দেখে বেড়ায়। যদি ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশন দেখে ফেলে বা দেখে বেড়ায় তখণ তারা সেটা হ্যাক করার চেষ্টা করে। যদি তারা কখনো কারো ক্রেডিট কার্ড নম্বর দেখে ফেলায় তাহলে সেটা তারা নম্বর খুজার সফটওয়্যারে দিয়ে-যদি মেলাতে পারে তাহলে টাইম খুজবে যে কতোদিন পর্যন্ত মেয়াদ আছে- সেটাও পেয়ে গেলে বলবে যে আপনার ভেরিফিকেশন কোড টা দেন, আর ভেরিফিকেশন কোড টা আমরা সহজেই বলে দেই- পিন নাম্বারটাদেই না সাধারনত। ভেরিফিকেশন কোড তো : ০০০-৯৯৯ পর্যন্ত , সেই হিসাবে ১০০০ বার চেষ্টা করলে যে কেউ যে কারো নম্বর খুজে বের করে ফেলাইতে পারে। আমার যদি মাষ্টারকার্ড থাকে আর যদি প্রথম ৪টা সিরিয়ালে (ধরেন: আমার সিরিয়াল ৫২১৬। ৫২ সিরিয়ালের সকল কার্ড নাম্বার খুজে বের করে তাদের যতো নাম্বার আছে সেগুলো হ্যাকার রা যদি তাদের জন্য প্রযোজ্য সফটওয়্যার গুলো দিয়ে চেষ্টা করে থাকে তাহলে তো যে কোন ক্রেডিট কার্ড ১৬ ডিজিটের নাম্বার বের করা একেবারেই সহজ) থেকে আমি যদি সব নম্বর সম্বলিত কোন লিষ্ট খুজে পাই তাহলে কি তার ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করতে খুব বেশী কষ্ট হবে।
সম্প্রতি আমার যে ফেসবুক একাউন্ট টা লগইন করতে পারতাছি না সেটার মধ্যে আমার ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশণ লোড করা ছিলো। এখন আর সেটা ব্যবহার করতে পারতাছি না কারন আমার ফেসবুক একাউন্ট টা লগইন হইতাছে না। থানাতে জিডি এন্ট্রি করেছি- র্যাব এর তথ্য প্রযুক্তি ডিভিশনের সাহায্য চেয়েছি। আর ফেসবুকেও এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি জমা দিয়েছি। এখনো তার রিকভার করতে পারি নাই। চেষ্টা চলছে। আগে আমার কিছু ব্লগ পোষ্ট বা লেখাতে আমি উল্লেখ করেছিলাম যে: আমি ২০০২ থেকে ফেসবুক ডট কম ব্যবহার করতাছি। ব্যাপারটা ২০০৪ থেকে হবে। আমার যে একাউন্টের লগইন আমি হারিয়ে ফেলেছি সেটা আমি ২০০৬ থেকে ব্যবহার করি। মানুষের ঘরে উকি মারা আর মানুষের তথ্য দেখা একই ধরনের ব্যাপার। বিশ্বে বহুত ধরনের হ্যাকার আছে। তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হ্যাকার বা চোর হইতাছে যারা ইন্টারনেট ব্যাংকগুলোর তথ্য দেখে বেড়ায়। যুদ্বে পরাজিত হবার পরে দালাল/রাজাকারে রা /দেশ বিরোধীরা যেমন চুরি করে বাংলাদেশে ঢুকেছিলো (তাদের তো দরকার ছিলো পা ক হানাদার বাহিণীর সাথে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া) তেমনি হ্যাকার রা সারা বিশ্বে মানুষের তথ্য চুরি করে দেখে বেড়ায়। সবাই জানে চোরের কোন ধর্ম নাই্ আর তাই তাদেরকে আমার মতে - গুলি করে বা ক্রসফায়ার করে মাইরা ফালানো উচিত। মানুষের তথ্য বা দেশের তথ্য চুরি করার অপরাধে তাদেরকে চোরের সমাজেই রাখতে হবে । চোরের কোন ধর্ম নাই- তাই তাকে বলা যায় নাস্তিক। আর নাস্তিকদের ফাসির ব্যাপারে সারা বাংলার সবাই একমত।
বাংলাদেশে যতো পরিমান ক্রেডিট কার্ড প্রসেসর আছে- একটা পর্যায়ে তো একটা ক্রেডিট কার্ডের অনেক কিছু জানতে পারে। যার সফটওয়্যার সে না জানলেও যে বানিয়েছে সে তো জানবে সফটওয়্যারের গোপন ব্যাপারের মাধ্যমে যে কার কার ক্রেডিট কার্ড এক্সস হইতাছে। যার ওয়েবসাইট সে না জানলেও ও যে ওয়েবাসইটে ই কমার্স অপশন এড করবে বা মুলত যার প্লাগইন মূলত সেও তো স্পর্শকাতর অনেক তথ্য জানতে পারে। আমার মতে বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনাকাটা না করাটাই ভালো। ডেবিট কার্ড বা লোকালি ভ্যালিড ব্যাংকের কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করাটা ভালো। ২০০৪-২০০৫ সালে আমি যখন এপটেক ওয়ার্ল্ডওয়াইডে প্রোগ্রামিং করি তখন একটা এসাউনমেন্টে সেলস এবং ষ্টক রিলেটেড একটা ওয়েবসাইট বানাতে যাইয়া যখন ইকমার্সের সল্যূশন করি থাকি বুঝতে পারি যে কেভাবে ক্রেডিট কার্ড এক্সস করতে হয়। কিভাবে প্রোগ্রামিং এর সাথে ক্রেডিট কার্ড প্রসেসিং সিষ্টেম কে এড করতে হয়- কিভাবে পস মেশিনে ক্রেডিট কার্ড কে কাজে লাগাতে হয় আর কিভাবে তার িডটেইরষ ডাটাও খুজে বের করতে হয়। তবে এটিএম এ এক্সস কৃত কার্ডের পুল ডিটেইরস কখনো বুঝি নাই। এইখানে হ্যাকারদের যে ব্যাপারগুলো মেনশন করেছি তার সবই আমি নিজে ষ্টাডি করে জেনেছি এবং ইংরেজী মুভি দেখে দেখে জেনেছি। আমি আমার জীবনে কখনো কোথাও হ্যাক করি নাই এবং হ্যাকার রিলেটেড প্রোগ্রামারদের সাতে জড়াই নাই। অনেক সময় অনেক হাজার হাজার ইনভাইটেশন ছিলো- তারপরেও জগিত হই নাই কারন আমি জানি ব্যাপারটা অসততার একটা ব্যাপার। আমার জীবনে আমি যখনি কোন হ্যাকারদেরে দেখেছি বা জেনেছি বা উপলব্দি করেছি ততোই তাদের কাছ থেকে সবসময় দূরে থেকেছি। বাংলাদেশের বিগত দিনে হ্যাকারদের উপদ্রবে যে একটা জিনিস আমি বরতে পারি তা হইতাছে ম্যাক নাম্বার। প্রত্যেক ডিভাইসের একটা করে পারসোনাল শ্যাক নাম্বার থাকে যাকে অপারেটিং সিষ্টেমের নাম্বার ও বলা হয় অনেক সময়। হ্যাকারদের ধরার জণ্য যে জিনিস টা সবচেয়ে বেশী দরকার তা হইতাছে ম্যাক নাম্বার। সেই শ্যাক নাম্বার আইডেন্টফাই করতে পারলে যে সেলস সেন্টার এগুলো সেল করেছে সে সেলস সেন্টারগুলো তে খোজ নিলে জানা যাবে যে কে সেই ডিভাইসটা বাই করেছে তারপরে সে অনুযায়ী তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনরে আওতায় আনা যাবে। ভ্যাপারটা অতীব সহজ যদি থাকে ম্যাক ট্রেসার ডিভাইস।
Mac Changing Software Free Download:
আমার জানা মোতাবেক এইটা একদমই নিষেধ। ধরেন: আপনার একটা ফেসবুক পেজ আছে যেখানে ১ কোটি লাইক আছে। আপনি সেটা টাকার বিনিময়ে একজনের কাছে সেল করে দিলেন এবং তাকে আপনার ফুল লগইন ডিটেইরলও দিয়ে দিলেন- এই ব্যাপারটা অবৈধ। আমাদের দেশে হাজার হাজার ছেলে বা মেয়ে তাদের ফেসবকু একাউন্ট, পেজ, গ্ররপ, ইউটিউব চ্যানেল কেনা বেচা করে থাকে যা লিগ্যাল না। আপনি যদি তাদের পুরো টার্মস এবং ডিটেইলস পড়ে দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন যে: এইটা নিষেধ। কিন্তু আপনি চাইলে যে কাউকে আপনার ফেসবুক পেজ বা ফেসবুক গ্রুপের এক্সস দিতে পারেন। সেটা লিগ্যাল কারন যে কাউকে আপনি আপনার পেজ বা গ্ররপের এডমিন হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন। এমনকি ইউটিউব চ্যানেলেও আপনি ম্যানেজার নিয়োগ করতে পারেন। কিন্তু সরাসরি একাউন্ট কেনা বেচা করা লিগ্যাল হবে না কারন আমি বাস্তবে পড়ে দেখেছি এই ধরনের আইন গুলো। সোশাল মিডিয়াতে যদি আপনার উপস্থিতি বা লেনাদেনা ১০০% একুরেট না হয় তাহলে আপনি যে কোন উন্নত দেশে প্রবেশ করতে যাইয়া বাধা পাবেন কারন জানেন ই তো এইগুলো সবই আমেরিকান টেকনোলজীতে (ইন্টারনেট-সিলিকন ভ্যালি, ডিভাইস [ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, পামটপ, পিডিএ, এন্ড্রয়েড, আইফোন], অপারেটিং সিষ্টেম-উইন্ডোজ বা ম্যাক বা লিনাস্ক বা উবুন্টু, সফটওয়্যার বা যে কোন ধরনের ইন্টারনেট টেকনোলজীতে) আপনার ব্যবহার বা উপস্থিতি কেমন বা কে কি করতাছে বা কোন আইডি কি করতাছে তা জানাটা আমেরিকান টোকনোলজীষ্টদের জন্য অসম্ভব কিছু না। কে ইন্টারনেটে বসে কোথায় কি করতাছে তা তাদের জন্য বের করা কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিটেরই ব্যাপার?
তাহলে কি ইন্টারনেট/ ফ্রি ল্যান্সার/ মার্কেটপ্লেস / আউটসোর্সিং / সোশাল মিডিয়া একাউন্ট কেনা বেচা একদমই করতে পারবেন না?
প্রোগ্রামার বা ডেভেলপার রা অনেক সময় এপিআই এর অনুমতি নিয়ে এক সাথে অনেক একাউন্ট তৈরী করতে পারে । তারা তাদের একাউন্ট গুলো এমন ভাবে তৈরী করে যাতে পরবর্তীতে যে কেউ যে কারো মনমতো একাউন্ট গুলো সাজিয়ে নিতে পারে। ইভেন মোবাইল ভেরিফিকেশণ ও করা থাকে না। অনেক সময় সোশাল মিডিয়া ডেভেলপার রা তাদের নিজস্ব কাজের প্রয়োজনে কয়েক শো একাউন্ট তৈরী করে সেগুলোকে পরে শুধূ মাত্র নিম্নতম পারিশ্রামিকে সেল করে দেয়। অভিজ্ঞতা থেকে বলা। সেটা সোশাল মিডিয়া প্যানেল এর মালিকেরা ব্যবহার করে থাকে তার কাজের প্রয়োজনে এবং সোশাল মিডিয়ার প্রয়োজেন সেল ও করে দেয়। মনে করেন : পৃথিবীর কোন একটা শহরে সোশাল মিডিয়া র একটি প্রোগ্রাম আছে। সেখানে যারা অংশগ্রহন করবে তাদের সকলকে সেই সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম একটি করে সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গিফট করবে। তখন সেই সোশাল মিডিয়া র যারা ডেভেলপার তাদেরকে বলবে: তারা একটি এক্সল ফাইলে সেই তৈরী করা সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গুলো যা ডেভেলপার রা আগে ব্যবহার করেছিলো সেগুলো দিয়ে দিবে। যারা প্রোগ্রোমে অংশগ্রহন করেছে তারা প্রত্যেকেই একটি করে একাউন্ট পাবে: প্রত্যেকেই যার যার নিজের মতো করে তাৎক্ষকি ভাবে একা্উন্ট গুলো গুছিয়ে নিজের মনের মতো করে ইউজার নেম, ইমেইল, পাসওয়ার্ড এবং ফটো সব পরিবর্তন করে ব্যবহার করা শুরু করবে এবং সোশাল মিডিয়ার যে প্রোগ্রাম তা সাকসেসফুল করবে। এখণ আপনি যদি বাংলাদেশে বসে থেকে বলেন যে: আপনার ১০টা একাউন্ট বা ফেসবুক পেজ বা গ্ররপ লাগবে আর সেগুলো যদি কোন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী/ধর্মীয় জিহাদি বা টেরোরিষ্ট টাইপের লোকজন [যদি তারা অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে বসবাস করে থাকে] তৈরী করে দেয়- যাদের ইন্টারনেট একটিভিটজ খুবই খারাপ যারা কখনোই কোন ভালো কাজ করে না বা যদি তারা হ্যাকার হয় তাহলে কি আপনার একাউন্ট টা সেফ থাকবে? আন্তর্জাতিক ভাবে তার উত্তর হইতাছে না। বাংলাদেশ বলেছে আন্তর্জাতিক ভাবে যে: তারা কোন সন্ত্রাসী বা জিহাদি বা টেরোরিষ্ট টাইপের লোকজন কে পালে না বা রাখে না। তাহলে যে বা যাদের সাথে আপনি ইন্টারনেটে লেনাদেনা করতাছে তারা যদি প্রাপ্তবয়ষ্ক হয় আর তারা যদি বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক না হয় (যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র বা বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর না থাকে) তাহলে কি আপনি ধর্মীয় জংগিবাদ বা সন্ত্রাসীদের সহযোগিতা করে চলতাছেন না? অনেকটা আড়ালে আপনি তাই করে যাইতাছেন কারন এই দেশে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া লেনাদেনা করা যে কোন ধরনের রিস্কই বহন করে চলে। আপনি যখন ইন্টারনেটে কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করবেন বা সেখানে কো্ন একাউন্ট ওপেন করবেন তখণ প্রথম যে ডাটা টা কালেকশন হবে তার নাম হইতাছে ডিভাইসের ম্যাক এড্রস। যে কোন প্রয়োজনে যে কোন গোয়েন্দা সংস্থা বের করে ফেলাইতে পারবে যে : একাউন্টটা কোন ম্যাক এড্রস থেকে তৈরী হয়েছে এবং সেই ম্যাক থেকে আর কি কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এগুলো যারা খুবই ভয়াবহ মাত্রার শক্তিশালী প্রোগ্রামার তাদের জন্য আশা করি ব্যাপার না। আর সহজে জানতে পারা কারনে যে: আপনি কোন ম্যাক এড্রস থেকে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন আর তার সাথে আরো কি কি খারাপ কাজ করতাছেন তার সকলই রেকর্ড থাকে। আপনি যদি একটা ডেস্কটপ টানা ৫০ বছর ও ব্যবহার করেন তারপরেও সেখানকার সকল ডাটা মাদারবোর্ডে ০+১ বাইনারী ডাটাকারে বা মেশিন ল্যাংগুয়েজ আকারে সেভ থাকবে। আর সেই ক্ষেত্রে একাউন্ট কেনা বেচার পরেও যদি আপনি সোশাল মিডিয়া ম্যাসেন্জারে ন্যুড হোন (বর্তমানে বাংলাদেশের ফেসবুকে যে ন্যুড ভিডিও ক্যামেরা সেক্স শুরু হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে বলা) আর কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা যদি সোশাল মিডিয়া ভিডিও ডাটাবেজে পরীক্ষা করে আপনাকে পেয়ে যায় - তাহলে কি আপনাকে সেই দেশ ভিজিট করতে দেবে বা আপনি কি কখনো সেই দেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন? কখনো পারবেন না কারন আপনি সরাসরি আইনের স্বীকার হয়ে যাবেন। আপনার যদি কয়েক দেশের ও নাগরিকত্ব থাকে তারপেরে ও আপনি সেই সকল দেশে কখনো ঢুকতে পারবেন না যে সকল দেশে সোশাল মিডিয়া একটিভিটজ পরীক্ষা করা হয়। আপনার যদি আইডি ডুপ্লিকেট তাকে তারপরেও আপনার ফেস বা ভিডিও ইন্টারফেজে রেকর্ডিং ডাটাবেজ পরীক্ষা করলে সব কিছ জানা যাবে বা দেখা যাবে। ন্যুড ক্যামেরা সেক্স করার জন্য আলাদা ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া স্বাপেক্ষে ন্যুড ক্যামেরা ওয়েবসাইটে ক্যাম সেক্স (বর্তমানে বাংলাদেশে পর্নো ওয়েবসাইট এবং ক্যাম সাইটগুলো নিষিদ্ব) করতে পারবেন এবং সেই ব্যাপারে মানি বা অর্থও কালেকশন করতে পারবেন (এইখানকার সব অর্থ রেমিটেন্স আকারে বা যে কোন ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমেও আনা যাবে)। কিন্তু আপনি যদি ফেসবুক, টুইটার, পিনটারেষ্ট, ইনষ্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব প্রাইভেট লাইভ এই সকল খানে ন্যুড হয়ে যান তাহলে আপনি তাৎক্ষনিক ভাবে সোশাল মিডিয়ার চোখে অপরাধী বলে গন্য হবেন এবং সোশাল মিডিয়া চেস্টা করবে আপনাকে যে কোন ভাবে আইনের হাতে তুলে দিতে- নয়তো সোশাল মিডিয়া কোম্পানী গুলো ইন্টারনেটের আদালতে বা ফেডারেলের আদালতের গ্যাড়াকলে পড়ে যাবে এবং বিপুল পরিমানে অর্থ লস বা জরিমানা গুনতে হবে। সোশাল মিডিয়া তে ন্যুড হওয়া আমেরিকান আইনে নিষেধ।
Video Sharing Apps: Imo/Whats app/Viber এইগুলোতে যদি কেউ তার প্রেমিক বা বয়ফ্রেন্ডের সামনে বা স্বামীর সামনে ন্যুড হয় সে বা তারা আইনের আওতায় পড়বে না কারন সে এ্যাপসুগলো ভিডিও শেয়ারিং এ্যাপস। তারা সেই ভাবে পারমিটেড। কিন্তু সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গুলোতে যদি কেউ ন্যুড হয়ে যায়- তাহলে সেটা আমেরকিান ইন্টারনেট আইনে দন্ডনীয় অপরাধ হতে পারে। আর সোশাল মিডিয়া (ফেসবুক, টুইটার, পিনটারেষ্ট, ইনষ্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব প্রাইভেট লাইভ) তে যারা প্রফেশনালি এই কাজ করতাছে ন্যুড হয়ে: তাদের জন্য সমূহ বিপদ থাকতে পারে বা তারা কখনেই কোন উন্নত দেশের জণ্য বিবেচিত হবে না কারন যখনই আপনি উন্নত দেশে প্রবেশ বা নাগরিকত্বের চেষ্টা করবেন তখনই সেই দেশের কর্তৃপক্ষ আপনার সোশাল মিডিয়াতে সকল ধরনের একটিভিটজ বা ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখবে। আর সে হিসাবে তাদের দেশে প্রবেশে বাধা দিতে একটু ও দ্বিধা বোধ করবে না- বাংলাদেশে এখনো এই ধরনের কোন আইন তৈরী হয় নাই। তাহলে অজানা অশিক্ষাতে না জেনে এই দেশের যতো মেয়ে এই ধরনের কাজ করতাছে তাদেরকে একটা ব্যাপারে নলেজে আনা দরকার যে:: এইগুলো সোশাল মিডিয়ার সার্ভার বা ডাটাবেজে থেকে যাইতাছে - কারন ইন্টারনেটে ০ এবং ১ মেথডে জেনারেট হওয়া ডাটা কোথাও না কোথাও অতি অবশ্যই রেকর্ড থেকে যাইতাছে। ইন্টারনেটে তৈরী হওয়া ডাটা কখনো ১০০% ডিলেট করা যাবে না তেমনি ইন্টারনেট ছাড়া কম্পিউটারে ও যদি আপনি কিছু করে থাকেন সেটাও মাদার বোর্ডের যে কোন চিপে থেকে যাবে। ইন্টারনেটে যারা ওয়েব ক্যামেরা সেক্স করে থাকে তাদের জন্য আলাদা ওয়েব ক্যাম সোসাইটি ওয়েবসাইট আছে। নীচে ইন্টারনেটের মেসেন্জার থেকে নেয়া স্ক্রীনশট: যেখানে একজন বাংগালী মেয়ে বলতাছে বাংলাদেশে অনেক অনেক মেয়ে সোশাল মিডিয়া ফেসবুক মেসেন্জার গুলোতে ন্যুড হইতাছে টাকার বিনিময়ে। সেখানে তার একাউন্ট তো রিস্কের মুখে আছেই সেই সাথে সে তার সমাজ ব্যবস্থা সহ আরো অনেক কিছুকেই অপরাধের মুখে বা রিস্কের মুখে ঠেলে দিতাছে। ক্যাম সেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশে গড়ে উঠতাছে কিন্তু সেটা বৈধ উপায়ে গড়ে উঠতাছে না।
পজিটিভ রিকমেন্ডশন বলতে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ মনোভাব বোঝায়। এক লোক একদিন ঢাকা শহরে আমাকে বলতাছে ২০১৬ সালে যে ভাই- আগামী ৫ বছরে ঢাকা শহরের চেহারাই পাল্টে যাবে। আপনি আর ঢাকা শহরকে চিনতে পারবেন না। আমি যে কোন একটা কারনে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ময়মনসিংহে নিজের বাবার বাড়ীতে/বিল্ডিং এ আছি। তো আমি উত্তরে বললাম যে- ভাই ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে গেলে ও আমার কিছু করার নাই কারন আমি ইট পাথরের খাচাতে বন্দী ঢাকা শহরকে ভালোবাসি না- আমি ভালোবাসি ঢাকা শহরের আমার পরিচিত মানুষজনকে বা খেটে খাওয়া মানুষকে। আমার কাছে উন্নত দেশের নাগরিকত্বের ইনভাইটেশন (ইউরোপ/আমেরিকা) লেটার আছে। তো আমি প্রথম সুযোগেই চেষ্টা করবো বাংলাদেশ থেকে ফ্লাই করে চলে যাইতে- সে ক্ষেত্রে ঢাকা শহরকে আমি আর রিকমেন্ড করি না নিজের জন্য। তারপরেও যদি রাজধানী শহরে (নিজ মালিকানাধীন -দলিলসহ। তাছাড়া আমার রাজধানী শহরে নিজস্ব কোন সম্পদ ফ্ল্যাট/বাড়ি/বা প্লটের কোন দলির নাই । আমার বাবা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক [ Retired. Professor. Abul Hossain বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন প্রফেসর আবুল হোসেন নাই। একজনই ছিলেন উনি আমার শ্রদ্বেয় এবং সম্মানিত বাবা] বিধায় এক টুকরো জমি (৫ শতাংশ) আছে রাজউকের [ গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার] ঝিলমিলে (কেরানীগন্জ) - তাও বাবার নামে দলিল করা যা কখনো পরিবর্তন করা যাবে না। দলিল ছাড়া নিশ্চয়ই কেউই বিশ্বের কোথাও কেউ কোন সম্পদ আছে বললে বিশ্বাস করবে না- বলবে যে আলবত পাগলের প্রলাপ।) নিজস্ব ফ্ল্যাট বা বাড়ি বানাতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে ভেবে দেখবো যে থাকতে পারি কিনা - কারন থাকার জণ্য আর ১০ জন শিক্ষিত লোকের মতো আমিও ইউরোপ আমেরিকার যে কোন শহরকে রিকমেন্ড করি নিজের জন্য।
আজ পর্যন্ত- বাংলাদেশ সরকারকে শুনি নাই কখনো সারা দেশের সমস্ত মানুষকে একবেলা খাওয়াইতে। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে দেখলাম; ৫৫ বছর ঢাকা শহরে বসবাস করার পরেও এক লোক চলে যাইতাছে সব কিছু হারিয়ে- আর বলতাছে আমি ঢাকা শহরকে ভালোবাসলেও ইট পাথরের ঢাকা শহর আমাকে ভালোবাসে নাই। তাই থাকা বা বসবাস করার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রিকমেন্ড করি না। অনেকে হয়তো বলবেন- এইটা আপনি কি বললেন? আমি আসলে থাকার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রেফারেন্স করি না। বড়জোড় রেফারেন্স ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট- বিমান যাত্রা যাওয়া বা আসা করা। আমার কাছে সারা বিশ্বের যতো বায়ার বা ক্লায়েণ্ট রাজধানীতে ইনভেস্ট কারার কথা জিজ্ঞাসা করে: আমরা তখন চুপ থাকি বা তাদেরকে অন্য কোন উন্নত দেশের দিকে বা আফ্রিকান গরীব দেশের দিকে ঘুরাইয়া দেবার চেষ্টা করি (কারন ঢাকাকে অনেক সময় পরিত্যক্ত মনে হয়) কারন আমি চাই না আমার বায়ার বা ক্লায়েন্ট বড় অংকের ডলার ইনভেস্ট করতে আইসা এইখানে শারিরীক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাক বা মারা যাক। আমার মতে : সামর্থ্য থাকলে গ্রামে যাইয়া বসবাস করা উচিত। এই ব্যাপারটাকে রিকমেন্ড বলা হয় বা আপনি চাইলে বলতে পারেন রেফারেন্স। এক হিসাবে দেখলাম : বাংলাদেশে ১৫ লক্ষ ফরেনার আছে। আমার মনে হয় কেউ একবার এখান থেকে বের হইলে আর ফেরত আসবে না একমাত্র আর্থিকভাবে যদি লাভবান না হয়। [জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করলে দেখবেন ঢাকা শহরের কতো লোকের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই বা অবৈধ ভাবে বসবাস করতাছে]
ইন্টারনেটে এখন অনেক খানে পজিটিভ থাম্বের ব্যবহার আছে। যে কোন পোষ্টের নীচে অনেক সময় থাম্ব ব্যাপারটা দেখা যায়। আবার অনেকখানে অনেক ওয়েবসাইটে আছে এই থাম্ব ব্যাপারটা। এইটাকে বাংলাদেশে অনেক সময় বাল (যা মানুষ আংগুল দিয়ে ক্রিটিসাইজ করার জন্য ব্যবহার করে) যার মিনিং খারাপ সেরকম বোঝানো হতো। বেসিকালি থাম্ব আপ বলতে বোঝানো হয় যে : ব্যাপারটা ভালো। আর থাম্ব ডাউন বলতে বোঝানো হয় ব্যাপারটা খারাপ। আর ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সাধারনত গ্রিন এবং রেড কালার দ্বারা থাম্ব আপ এবং ডাউন বোঝানো হয়। ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং রিলেটেড কোন ওয়েবসাইটে যদি আপনি কাজ করিয়ে সন্তুষ্ট হোন তাহলে সেখানে আপনোকে থাম্ব আপ বা গ্রিন থাম্ব দিতে হবে আর যদি আপনি পছন্দ না করেন তাহলে রেড থাম্ব বা খারাপ বলতে পারেন। তবে একজন পারফেক্ট প্রফেশনালস কখনো কাউকে খারাপ থাম্ব বা রেড থাম্ব বা ডাউন থাম্ব দিবে না। কারন যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে তারা সাধারনত খেটে খায়- বুদ্বি বা পরামর্শ করে সঠিক কাজটা সঠিক ভাবে উপার্জন করার চেষ্টা করে। যার থাম্ব বেশী থাকে তার কাজ পাবার সম্ভাবরা বেশী থাকে। সেই সাথে যার রিকমেনডশন ও বেশী থাকে তারও কাজ পাবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে।