Subscribe youtube

🎥 Subscribe to My YouTube Channel!

Loved this blog or post? Continue the journey with me on YouTube. Watch my latest videos and hit Subscribe to stay connected!

👉 Subscribe Now
Showing posts with label মার্কেটপ্লেস. Show all posts
Showing posts with label মার্কেটপ্লেস. Show all posts

Tuesday, December 22, 2020

মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ক্লায়েন্টদের বিহেভিয়ার কেমন থাকে? দ্বিতীয় পর্ব।

 মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কিছু রেটিং নিচে দেয়া হলো। 

  • যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের ক্লায়েন্ট : এ ক্লাস
  • মধ্যপ্রাচ্যের ক্লায়েন্ট: বি ক্লাস
  • আফ্রিকা এবং এশিয়ান ক্লায়েন্ট: থার্ড ক্লাস ক্লায়েন্ট। 



যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের ক্লাযেন্টদের মধ্যে সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা দেখেছি তা হইতাছে: কাজের মূল্যায়ন করা। আপনি যাই করেন বা যতোটাই করেন সে আপনাকে একটা ‍মূল্যায়ন করবে। কেনো তারা পৃথিবীর সেরা জাতি তাদের এই একটা বিহেভিয়ার থেকেই বোঝা যায়। মার্কেটপ্লেসে পরিচয় হবার পরে আপনি সততার সহিত যতোটা চেষ্টা করবেন সে আপনাকে ঠিক ততোটাই মূল্যায়ণ করবে। সো তাদের কাছে কখনো নিরাশ হইতে হয় না। ইউরোপিয়ান রা ও সেম মেন্টালিটি। এখণ আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে যাইয়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহন করেন আর সেখানে ক্লায়েন্ট সেজে বসে বাংলাদেশীদের কাজ দেয়া শুরু করেন তাহলে সেটা আমেরিকান বায়ার বা যুক্তরাষ্ট্রের বায়ার হলো না সেটা হবে পরিকল্পিতভাবে ফেইক বায়ার। আপনি যে রকম আপনি ঠিক সে রকম বায়ার দের কাছেই পড়বেন কারন দুনিয়াতে একজন মানুষের সাথে আরেকজন মানুষের বন্ধুত্বে যেমন আচার ব্যবহার একটা মূখ্য ব্যবহার তেমনি মার্কেটপ্লেসেও আপনার পরিচয় বা ব্যবহার ঠিক সেরকম ভূমিকা রাখবে। ধরেন সারা বিশ্বে বাংলাদেশী রা নাগরিক হিসাবে আছে। বাংলাদেশে যে রকম চলে অন্যায়, অবিচার বা দুর্নীতি বা দলীয় করন, সে রকম দলীয় করনের অংশ হিসাবে আপনি দেশের দলের কাছ থেকে প্রচুর পরিমানে অর্থ  নিলেন আর সেটা কে আপনি আপনার পরিচিত বাংলাদেশী ফ্রি ল্যান্সার দেরকে হায়ার করলেন আর দলীয়করনের খাতাতে তার নাম লেখাইয়া দিলেন: যেমনটা আমরা ইদানিং দেখি অনেক ফ্রি ল্যান্সার রা  রাজনৈতিক সরকার কে তেল মারতে ব্যস্ত। মার্কেটপ্লেসে আপনি একটা পরিকল্পিত খ্রীষ্টান ইউজার নেম ব্যবহার করলেন আর ভেতরে আপনি সবকিছু আপনার বাপ মার দেয়া ঠিকানা বা নাম ব্যবহার করলেন। সেখানে আপনি যখন মার্কেটপ্লেসে কোন জব পোষ্ট করবেন তখন যারা আবেদন করবে তারা আপনার ইউজার নেম আর আপনি যে দেশে বসবাস করেন সেই দেশের ফ্ল্যাগটা দেখলো আর ধরেই নিলো যে: আপনি ইউরোপ বা আমেরিকার ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করতাছেন আর বলেও বেড়াইতাছেন । কিন্তু বাস্তবে আপনি জানেন না সেই ইউজার নেম এবং ফ্লাগের আড়ালে যে লোকটা আছে সে দেখতে কেমন বা কোন দেশী? কি তার ডিটেইলস আর কেনোই বা সে এই ধরনের কাজ করতাছে। 









যাকে আপনি ক্লাযেন্ট বললেন তাকে আপনি চিনলেন না । সে ক্ষেত্রে আপনাকে বলতে হবে যে: আপনি একটা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে কাজ করেন। অথচ দুনিয়াতে এমন কোন কাজ নাই যেখানে শ্রমিক তার মালিকে কে চিনে না। একমাত্র ধর্মীয় কাজ সৃষ্টিকর্তাকে না দেখে বিশ্বাস করা। পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া বা দুনিয়াতে ধর্মীয় কাজ কারবার করা এবং কাল হাশরের দিন তার বদলা নেওয়া এইটা ধর্মের জন্যই সাজে। কিন্তু মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে আপনি চিনলেন না ক্লাযেন্ট কেমন বা আপনি জানেন না ক্লাযেন্টের ডিটেইলস- সেখঅনে যদি মিনিমাম ক্লাযেন্টের চেহারাও না দেয়া থাকে আর আপনি যদি না জেনে শুধূ মাত্র টাকা পয়সা বা ডলারের লোভে কাজ করে থাকেন তাহলে  ব্যাপারটা আপনার যদি চিন্তা চেতনা বা দেমাগে আঘাত লাগতে পারে। উপরের ছবিটা খেয়াল করলে দেখতে পারবেন যে: সেখানে ফেসবুকের মার্কেটপ্লেস দেখাইতাছে। যে কোন কিছু কেনা কাটা করা বা নিজস্ব মেধাও আপনি সেল করতে পারবেন। আপনার ফ্রি ল্যান্সার বা আউটিসোর্সিং রিলেটেড যতো কাজ জানা আচে সব আপনি এইখানে সেল করতে পারবেন। আপনার বাগানের আম টমেটো থেকে শুরু করে একেবারে এসইও সার্ভিস যাই মনে চায় তাই আপনি সেল করতে পারবেন।এখন আপনার যদি মাথাতে ডিষ্টার্ব থাকে তাহলে আপনি সবসময় চিৎকার চেচামেচি করবেন আর ভলতে থাকবে এইটা ভূয়া সেইটা ভূয়া বো এইটা দুই নাম্বার বা সেইটা দুই নাম্বার। আসলে যতোক্ষন পর্যন্ত আইনত আপনাকে কোব কাজে বাধা বা হুশিয়ারি দেয়া না হবে ততোক্ষন পর্যন্ত অনেক কিছুই বৈধ।ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে কিভাবে পন্য লিষ্টিং করতে হয় তা আমি পরে দেখাবো। ব্রগের সাথে থাকুন- দেখতে পারবেন। 




আফ্রিকার মধ্যে যেগুলো বড়লোক দেশ যেমন: সাউথ আফ্রিকা, মিশর, লিবিয়া তারা বাদে অন্যান্য সকল দেশগুলোতে ভীষন মাত্রায় করাপশন। যেমন: নাইজেরিয়ার পৃথিবীর এক নম্বর দুর্নীীতগ্রস্থ দেশ। অন্যান্য দেশ গুলোর ক্লায়েন্ট আপনাকে  দিয়ে কাজ করাবে কিন্তু ঠিকমতো পেমেন্ট দিবে না। গড়িমসি করবে বা ঝামেরা করবে অথবা ব্যাড রিকমেন্ডশন দিবে। কারন তাদের দেশ গুলো প্রকৃতই অভাবগ্রস্থ। সহজে তারা কোন টাকা পয়সা খরচ করতে চায় না। কিন্তু সাউথ আফ্রিকা সাদা চামড়ার দেশ। সেখানে হাজার হাজার ক্লাযেন্ট আছে দেখেছি ভালো্, মিশরের ক্লায়েন্ট ও দেখেছি ভালো ব্যবহার করে। এশিযার ক্লাযেন্টদের মধ্যে মুসলিম দেশ গুলো এবং মধ্যপ্রাচ্যের ক্লাযেন্ট রা চমতকার ব্যবহার করে অনলাইনে। পারস্পরিক মিউটুয়ালিজম টা খুব  ফাইন। কিন্তু খাচ্চড় এর ছ্যাচ্চড় সব ক্লাযেন্ট দেখলাম বৌদ্বদের মধ্যে- তাদেরকে কোন ভাবেই স্যাটিসফাই করা যায় না। তাই আমি কখনোই তাদের সাথে কোন কাজ করি না। এদের চেয়ে আফ্রিকান রা ভারো কারন তারা মুখ পুটে বরে দিবে যে: তারা গরীব। আর এশিয়ার বৌদ্বগুলো  ষ্টার মানের কাজ করলেও রেটিং দিবে ১ ষ্টার এবং সেখানেই বোঝা যায় তাদের মেন্টালিটি। তাদের যদি চোক আর মুখ বা নাক ভোতা না থাকতো তাহলে বোধ হয় তারা নিজেদেরেক একেবারে ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বলেই পরিচয় দিয়ে ফেলাইতো। 

(চলবে)

Monday, December 21, 2020

মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ক্লায়েন্টদের বিহেভিয়ার কেমন থাকে?

ইন্টারনেটে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ক্লায়েন্ট দের বিহেভিয়ার মাঝে মাঝে অনেক ভালো ও হয়, আবার মাঝে মাঝে অনেক খারাপ ও হয়। তবে প্রফেশনালিজম এমন এক ব্যাপার যেখানে ক্লায়েন্টর সাধ্য নাই আপনাকে খারাপ রিভিউ দিবে। মার্কেটপ্লেস ক্লায়েন্টের ব্যবহারের ব্যাপারে আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো আজকে। প্রথম ৪.৫ ষ্টার রিভিউ পাই ইল্যান্স মার্কেটপ্লেসে। নিয়মিত ভাবে ৫ ষ্টার রেটিং পাবার পরে হঠাৎ করে একটা ৪.৫ ষ্টার রিভিউ আপনাকে থামাইয়া দিতে পারে। আমার ক্ষেত্রে ও তেমন হলো একবার। কেনো সাধারন মানুষ মনে চাইলেই ক্লায়েন্ট হতে পারে না। মার্কেটপ্লেস নিজে আপনার কাছে যাবে বিজ্ঞাপন আকারে- আর আপনি আপনার ব্যবসা প্রমোট করার জন্য মার্কেটপ্লেসের সাহায্য নিয়ে থাকবেন। আপনি আপনার ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকার দরুন কয়েকজন প্রফেশনাল  হায়ার করে তাদেরকে ইন্টারনেটে কাজ দিয়ে রাখলেন। আপনার খুব বড় সড় কোন কোম্পানী আছে মনে করেন। তাহলে সেই কোম্পানী তে ইন্টারনেট প্রমোশনের জন্য আপনি মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট থেকে কিছু ফ্রি ল্যান্সার হায়ার করলেন।  তারা আপনার নির্দেশ  মোতাবেক  আপনার কাজ গুলো করা শুরু করলো। আপনি যদি নিজেই নিজেকে ক্লায়েন্ট মনে করে তাকেন তাহলে আপনাকে মার্কেটপ্লেস কখনো ক্লায়েণ্ট বলবে না। কারন কারন থাকা স্বাপেক্ষে বা প্রয়োজন তাকা স্বাপেক্ষে মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্ট তৈরী হয়। এক ব্যক্কলের কাহিণী বললে আপনার পুরো জিনিসটা আরো ক্লিয়ার হবে। 



ঘটনাটা কাল্পনিক। ঘটনার সাথে আপনি নিজেকে মেলানেরা চেষ্টা করবেন না। 

২০১১ সালে একদিন থানা শাহবাগে র আড্ডাতে বসে আড্ডা দিতাছি। তখন হিজড়া টাইপের এক লোক আইসা বসলো। দেখে কেমন জানি একটা খারাপ ফিলিংস হলো। তারপরেও জিজ্ঞাসা করলাম যে এই লোক কে? তো সে কাছে আইসা বলতাছে যে: আপনি কি করেন? তো আমিিউত্তর দিলাম যে: আমি ফ্রি ল্যান্সার। আউটসোর্সিং এর কাজ করি। তো বলতাছে: কোন ওয়েবসাইট। তো আমি বললাম যে: ইল্যান্স এবং ওডেস্ক। কিভাবে কাজ করে ওয়েবসাইট গুলো। ডিটেইলস জানালাম। তার প্রশ্ন করার ষ্টাইল দেখে থানা শাহবাগের বড় বাই বোনেরা তারে বললো যে: তুই এই দেশের সবচেয়ে  বড় হিজড়া সেই লোককে সে লোক আামকে ক্রমাগত প্রশ্ন করতাছিলো। তো শেষে বলতাছে যে: আমিও একজন ক্লায়েন্ট হেবা। তো আমি জিজ্ঞাসা করলাম যে: আপনার কিসের ব্যবসা? তো বলতাছে: তার হিজড়াঘটিত ব্যবসা। তো আমি বললাম যে: এই ধরনের কোন কাজ তো ওডেস্কে বা ইল্যান্সে বা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে নাই। তো সে উত্তর দিতাছে যে: সে এই দরনের স্কোপ তৈরী েকরবে। তো আমি বলতাছি: কারন কি? তো বলতাছে যে সে আমেরিকা কে ঘৃনা করে। আমেরিকান এই সকল টেকনোলজী সে বাংলাদেশে চলতে দেবে না। সে এই টেকনোলজী বদলে দেবে। আমি বললাম: কারন ? তো সে বলতাছে: সে স্বাধীনতাযুদ্বের বিরুদ্বে অবস্থান করে। তো বাংলাদেশের ছেলে বা মেয়েদের উপকার সে হইতে দেবে না। তারপরে বললাম যে: তুই তো বাংলোদেশ থেকে কোন কেডিট কার্ড পাবি না? তাহলে তুই মার্কেটপ্লেসের ক্লায়েন্ট হবি কি করে? তো সে উত্তরে বলতাচে: তার জন্ম পা কিস্তানে। সে পা কিস্তানী পে পাল ব্যবহার করে ক্রায়েন্ট হবে। তো আমি উত্তরে বললাম: তুই এই দেশে শুধূ দেশবিরোধী(ফাসি) বা রাজাকার (ফাসি) বা দালাল (ফাসি)  এবং তাদের প্রজন্মের ক্লায়েন্ট হতে পারবি। জয় বাংলা বা স্বাধীন বাংলা ছেলে পেলেদের ক্লায়েন্ট শূধূ ইউরোপ আমেরিকাই হবে কারন সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে বানাইছেও  সুন্দর আর তাদরে ব্যবসা পাতিও অনেক বড় সড়। তারা এমনতেই বড়লোক। ক্লায়েন্ট হইতে প্রথম যে যোগ্যতাটুকু লাগে তা হইতাছে বড়লোক হওয়া। মনে চাইলাম আর ক্লায়েন্ট হয়ে গেলাম: ভ্যাপারটা এতো সোজা না। কারন ইন্টারনেট তোর চেয়ে অনেক বেশী বুঝে এবং সে জানে ইন্টারনেটে কার কি ইনটেনশন? তারপরে সে চলে গেলো আর তার হাটা চলা এবং চলা ফেরা দেখে তাকে উপাধি দেয়া হলো: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হিজড়া। আর তার সাথে যারা মিশবে তারা ও হবে হিজড়া কোয়ালিটি।  



ক্লায়েন্ট  বা বায়ারের উপর ভিত্তি করে চলে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট। এফিলিয়েট টাইপের ওয়েবসাইটগুলোতে ক্লায়েন্ট বা বায়ার থাকে না। অফিস আদালতে যেমন কাজ করতে হয় তেমন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ও পুংখানুপূংখ ভাবে কাজ করতে হয়। যদি আপনি এইখানে ঠিকমতো কাজ না করেন তাহলে আপনি এইখানে ব্যাড রিভিউ বা রিমার্কস খাইতে পারেন। আর একবার যদি কারো কপালে ব্যাড রিমার্কস জুটে তাহলে আর সেটা রিকভার করা যায় না। ব্যাড রিভিউ বা ব্যাড রিমার্কস কে অনেকটা লাল কালি বলা চলে এই খানে। বাংলোদেশে বহুল প্রচলিত মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলো সব আমেরিকান ষ্ট্রাটিজী অনুযায়ী চলে কারন সবগুলোতেই ডলারে উইথড্র চলে। শুধূ বাংলাদেশী টাকার উপরে ভিত্তি করে কোন মার্কেটপ্লেস এখনো তৈরী হয় নাই। অনেক ক্লাসিফায়েড ওয়েবসাইট বা দারাজ টাইপের ওয়েবসাইট সেই চাহিদা টুকটাক পূরন করার চেষ্টা করতাছে। বাংলাদেশী ছেলে রা বা মেয়েরা আমেরিকান মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ক্লায়েন্ট হওয়া এক ধরনের হাস্যকর কারন যারা ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বায়ার বা ক্লায়েণ্ট তাদের প্রত্যেকের এতো পরিমান সম্পদ বা সুবিধা আছে যা বলার মতো না যেটাকে আমার বলি মার্কেটপ্লেস ক্লায়েন্ট ওয়ার্ল্ড। তাদের সাথে যদি আপনি প্রতিযোগিতা বা রেস করতে চান তাহলে আপনার এই দেশে বা স্থাবর অস্থাবর যা আছে সব বেচে  দিতে হবে। 


(চলবে)


Wednesday, November 18, 2020

কম্প্রোমাইজ মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার (Freelancer Compromise) বলতে কি বোঝেন?

যখণ প্রথম ফ্রি ল্যান্সার আউটসোর্সিং ই্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে তখনি এক ধরনের লোকের রোষানলে পড়ে যায় এই ইন্ডাষ্ট্রিজ। কিভাবে একজন আরেকজন কে সাহায্য করা যায় - কিভাবে এই ইন্ডাষ্ট্রিজটা বাংলাদেশে দাড় করানো যায় বা কিভাবে পাড়া বা মহল্লাতে ছড়াইয়া ছিটাইয়া যায় সেটাই ছিলো প্রধান ‍চেষ্টা। মানুষজন খেটে না খেটে বা কষ্ট করে বা একজন আরকেজনকে হাত ধরে বলতে গেলে এই ইন্ডাষ্ট্রিজটা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। কাজ শিখায় এবং কাজ শিখতে সাহায্য করে। পারস্পরিক একটা কম্প্রো্মাইজের মাধ্যমে সবাই একসাথে হয়ে কাজ করে- ডলার উপার্জন করে এবং ডলার রেমিটেন্স আনতে সাহায্য করে। কেউ কাউকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখে নাই। ২০১১ পর্যন্ত আমার কখনোই মনে হয় নাই যে: আমাকে কেউ ঝামেরাতে েপলাতে পারে বা কষ্ট দিতে পারে। একসাথে সব একাউন্ট হারিয়ে ফেলি ২০১১ সালের একদিনে হ্যাকারদের আক্রমনে। বাংলাদেশী হ্যাকার- নাম দিয়েছিলো “সোনিয়া।” আরো ডিটেইলেস খোজ খবর নিয়ে জানলাম যে: তারা এদশের দালাল/রাজাকার প্রজন্ম কর্তৃক সমর্থিত একটি শক্তি। বাংলাদেশে রেমিটেন্স আসাটা তারা পছন্দ করতাছে না। তাদেরকে ভাগ ভাটোয়ারা দিতে হবে। আমি তখন মনে মনে বললাম: দালাল/রাজাকার প্রজন্ম ছাড়া তো আর কারো পক্ষে সম্ভব না একজন আরকেজনের ক্ষতি করা। বিনা কারনে একজন আরকেজনের ক্ষতি থেকেই তো তৈলিী হয়েছিলো ৭১ এর স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ব। জাতে বাংগালী কারো না করো তো ইন্ধন ছিলো- নয়তো এতো বড় গনহত্যা কিভাবে তৈরী হয়? প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকে ট্যাংক এনে বাংলাদেশে রেখে সমর সাজিয়ে অতর্কিতে হামলা - মূদূ পরিকল্পনা মাফিকই হয়েছে। মুক্তিযোদ্বারা যেমন পরিকল্পনা মাফিক ছক কষে যুদ্বে অংশগ্রহন করে জিতেছে তেমনি দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধীরা ও একটা পরিকল্পনা করেই বাংলাদেশে গনহত্যা রচনা করেছিলো। যেই গনহত্যার বিচার আজো প্রলম্বিত আকারে চলতাছে- ৪৯ বছল পরেও এখনো অনেক দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধী রা ঝীবিত - কারো না কারো ইংগিত, প্রচ্ছন্ন সাহায্য তো অবশ্যই আছে। তো এখণ ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোসিং এর জগত টা হয়ে গেছে কমপ্লিকেটেড অনেক। একজন আরেকজনের বিরুদ্বে বিনা কারনে  লেগে যাইতাছে- যা কখনোই কাম্য ছিলো না। 


শুনেছি একদল রাজাকার যারা ৭১ এ সবচেয়ে কমবয়সী ছিলো ১০-১২ বা ১২-১৬ বা ১৬-১৮ বছর বয়ষী স্বজ্ঞানে স্বইচ্চায় ১৯৭১ এ বাংগালীদেরকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করে নাই, যারা দালাল রাজাকারের বা দেশবিরোধীদের সন্তান ছিলো, প্লাষ্টিক সার্জারী করে প্রত্যেকেই তাদের নিজস্ব বয়স কমিয়ে রেখেছে ১০ থেকে ১২ বছর যার বয়স ৬৫ বছর তারে দেখলে মনে হবে ৫৫ বছর এরকম করে রেখেছে তারাই নাকি এদেশের ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং নিয়ে ঘোট তৈরী করতাছে। কারন তারা এই দেশের এই উন্নয়নটাকে সহ্য করতে পারতাছে না। বাংগালী জাতে মেধাবী- আর এইখানে বাংগালী অতি অবশ্যই উন্নতি করবে- তাই না পেড়ে তারা বাংগালীদের বিুরদ্বে লেগেছে। দেখবেন খুব বড় বড় লেকচার দিবে কিন্তু তাদের বৈধ নাগরিকত্ব নাই বাংলাদেশে বসবাস করার। জাতীয় পরিচয়পত্র নাই কিংবা ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার  নাই। কিন্তু কথা বলবে একেবারে দেশের রাজার মতো। তাদের কথা বার্তা শুনলে যে কেউ হাসাহাসি শুরু করবে। শুনেছি তারা বলে বেড়ায় যে বাংলাদেশে এমপি বা মন্ত্রী হতে নাকি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে না- এরকম ধারনা পোষন করে চলে। 


তো আমি ভাবতাম: ঝঞ্জা বিক্ষুব্দ দেশ বাংলাদেশ। ১০০ হাত মাটির নীচে পুতে রাখলেও ঠিকই সঠিক পথটা খুজে বের করে নিবে। আজকে ১৩/১৪ বছর পরে এখন সারা দেশের লোকজন জানে যে এইটা একটা ইন্ডাষ্ট্রিজ বা ডলারও জেনারেট করতাছে বা প্রতিনিয়ত রেমিটেন্স ও আসতোছে তবে কিনা তা অনেক সময় অনেকের মনেই অনেক সন্দেহের জন্ম দিতাছে। নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াই সমানে যার যার বাবা বা মায়ের নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল ভেরিফিকেশন করে কাজ করে যাইতাছে। যারা আগে ইনকাম ট্যাক্স দিতো এখন তাদের নামে রেমিটেন্স আসতাছে। ফলে সরকারের ভেতরে তৈরী হইতাছে জটিলতা। এক সময় এই দেশটা ছিলো ভারতীয় পূর্ব বাংলা। বাংলা ভাষাতে কথা বলার পরেও এইখানে শুরূ হলো পূর্ব সামথিং এর গ্যানজাম। যা ৭১ এ পুরোপুরি ফিনিশ হবার পরেও জীবিত দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধীরা সদ্য ঘটিত বাংলাদেশের উন্নতি সহ্য করতে না পেরে ধ্বংসের লীলায় মেতে উঠলো। তারই প্রতিক্রিয়ায় এখন দেখা যাইতাছে- ইনকাম ট্যাক্সধারী লোক রেমিটেন্স নিয়ে আসতাছে তারপরে আবার ইনকাম ট্যাক্স ও দিতাছে। জানা মোতাবেক: যারা রেমিটেন্স উপার্জন করে তাদের কে রেমিটেন্সের উপরে কোন ট্যাক্স দিতে হয় না্ সাধারনত রেমিটেন্সের ‍উপরে ট্যাক্স দিতে হয় না। ট্যাক্স দিতে হয় আভ্যন্তরীন আয় উপার্জনের উপরে। যেমন: বিগত অনকে বছর বাংলাদেশের লোকাল একটা এজন্সীর মাধ্যমে পেপাল ডলার উপার্জন করার পরে সেখানে এজেন্সীকে চার্জ দিতে হয়েছে ৫%, প্রতিবার মানি রিসিভ করার সময়ে ট্রানজেকশন নাম্বারও তৈরী হয়েছে। সেই এজেন্সী আবার ইনকাম ট্যাক্স বা ভ্যাটও দিতাছে আবার যে ব্যাংকের কাছে পেপাল ডলার সেল দিতাছে সেটাকে সেই ব্যাংক রেমিটেন্স আকারে নিতাছে। তাহলে একটি প্রতিষ্টানও ইনকাম ট্যাকস ‍ ও দিলো, আবার ভ্যাটও দিলো আবার রেমিটেন্সেও এড হলো। কি তামাশার এক দেশ- বাংলাদেশ!


ফ্রি ল্যান্সার রা ও আগে পারস্পরিক অনেক হেল্প করতো একজন আরকেজনকে। এখন সারাক্ষনই ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়: কে কখন কাকে কোথায় কোন েকারন ছাড়াই বাশ না দেয়। ১০/১২০০০ একসাথে হয়ে ক্রমান্বয়ে রিপোর্ট দিতে দিতে ফেসুবকের েপোষ্টিংও ডিলেট করে দেয়। বিনাকারনে মার্কেটপ্লেসে হায়ার করে ব্যাড রিপোর্টও দেয়। সমানে রিপার্ট দিতে থাকে কন্টিনিউয়াসলি। ভিপিএন দ্বারা ফরেন একাউন্ট মেক করে নিজেই নিজেদেরকে ক্ষতি করে যাইতাছে। নিজেরাই নিজেদের দেশে মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্ট হয়ে যাইতাছ্ েযে দেশের পৌনে ছয় কোটি মানুষ দৈনিক আয় রোজগার করে খোয় সে দেশের সাধারন মানূষ যদি হঠাৎ করে নিজেদেরকে বায়ার বলে ফেলায় তাহলে যারা ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বায়ার বা ক্লায়েন্ট তারা কই যাবে। কোন মুক্তিযোদ্বার সন্তান বা জয় বাংলার সন্তান কি একজন আরকেজনের ক্ষতি করতাছে বলে মনে করেন? যারা েএকজন আরকেজনের উন্নতি দেখতে পারতাছে না তাদের শরীরের রক্তের ভিতরে রয়ে গেছে সেই ৭১ এর দেশবিরোধীদের রক্তের ধারা। জয় বাংলার ছেলে পেলেদের উন্নতি দেখলে তাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। কিভাবে সেই ছেরেটাকে ধ্বংস করা যায় বা তার ঝীবনটার সর্বনাশ করা যায়- এইটাই থাকে তাদের একমাত্র িদ্বিধা। বিনাকারনে লক্ষ লক্ষ রিপোর্ট মেরে আমার ২/৩ টা ওয়েবসেইট কে স্পাম মার্ক করে দিছে। হাজার হাজার ছেরে পেলে দের প্রোফাইল বা ভিডিও চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ ডিলেট করে দিতাছে। একজন কে আসক করেছিলাম: বলতাছে রিপোর্ট খাওয়া ভালো। মার্কেটপ্লেসের যারা  মালিক তারা রিপোর্ট এনালাইসিস করতে পারে বিধায় সারা দেশের সব ফ্রি ল্যান্সার রা টিকে আছে।  মার্কেটপ্লেসের যে ওয়েবসাইট তাদের ফ্রি ল্যান্সারদের কাছ থেকে % খায প্রতি সেকেন্ডে- তাই এইখানে কোটি কোটি রিপোর্ট মারলেও লাভ হবে না। ফেসবুকের রিপোর্ট হয়তো কাজে দেয়। 


তো এই ধরনের ব্যবহার যাদের তারা তো আর কম্পোমাইজ মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার না। তারা হইতাছে ধ্বংসাত্মক মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার। তাদের মন মানসিকতা ইন্টারনটে বিরোধী। তাদের এই ধরনের কার্যাবলীতে একদিন হয়তো বাংলাদেশ তেকে ইন্টারনেট বন্ধও হয়ে যাইতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশেই ফুল ফেজ ইন্টারনটে নাই। যারা কম্প্রোমাইজিং মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার- তারা কখনোই একজন আরকেজনের ক্ষতি করবে না। তারা সবসময় ই চাইবে অপরে ও ভালো করুক আর নিজেরও ভালো হোক। ডলার ‍ উপার্জন কররেই ফ্রি ল্যান্সার হওয়া যায় না- ভালো মানের ফ্রি ল্যান্সার হতে গেলে ভালো কমেপ্রামাইজ মাইন্ডের ও হতে হয়। কম্প্রোমাইজ মাইন্ডের একজন ফ্রি ল্যান্সার সবসময় আপনার ভালো কামনা করবে এবং আপনাকে ভালো পথ দেখাইয়া দিবে। 


৭১ এ দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার প্রজন্মের হাতে ইন্টারনেট সুবিধাটা প্রদান করলো কে বা কারা? তারা তো তাদের বাপ দাদাদের রক্তের বাহিরে না। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া তারা যেনো ইন্টারনেট ব্যবহার না করতে পারে সেই আইন করা উচিত। যদি এই আইন কার্যকর করা হয় তাহলে একজন দিনমুজরও যে কিনা সারা দিন খাটা  খাটনি করে সে ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার ভীড়ে তার মন মতো কিছু কাজ করতে পারবে। এই রকম ভাবে বৈধ জাতীয় পরিছয়পত্র নম্বার ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারনে বাংলাদেশ হয়ে যাইতে পারে দেশী/বিদেশী হ্যাকার দের আখড়া যা আপনি পরে আর কখনো কন্ট্রোল করতে পারবেন না। ইদানিং কালে অনেকের প্রোফিইলেই দেখা যায়- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছেলে রা বা মেয়েরা ঢাকা তে আইসা তাদের সোশাল মিডিয়া বন্ধুদের সাথে হ্যাং আউট করতাছে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে এবং আরো কতো ধরনের তথ্য হাতাইয়া নিতাছে তা বোধ হয় এক মাবুদই জানে। সো বড় সড় বিপদে পড়ার আগেই সতর্ক হওয়া উচিত। ফ্রি ল্যান্সারদের ও অথি অবশ্য নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েই কাজ করা উচিত নয়তো একটা অযাচিত ফাইট শুরু হয়ে যায় যে কোন মার্কেটপ্লেসে। অনেকদিন আগে আপওয়ার্কে একদিন দেখেছিলাম যে েএকজন রাষ্ট্রীয় সচিব ফ্রি ল্যানসিং করতাছে এবং তার প্রোফাইল। পরে কয়েক বছর যাবারপ রে বুঝতে পারলাম যে: সেটা হয়তো তার ছেলে বা মেয়ে করতাছে। এই ধরনের ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে অপরাধ। যে সকল মার্কেটপ্লেসে আমরা কাজ করি সে সকল মার্কেটপ্লেস নিশ্চয়ই বলে দেয়া নাই যে: আপনি আপনার বাবা বা মায়ের আইডি দিয়ে কাজ করতে পারেন। সুকৌশলে সেই দেশবিরোধী চক্র আমাদের দেশের সোসিও ইকোনমিক্যাল সিষ্টেমে একটা ঝামেরা লাগাইয়া দিতাছে। পরে এইগুলো বিশালাকারের ফাইন হিসাবে দাড়া হইতে পারে। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দারা হয়তো ক্লায়েন্ বা বায়ার সেজে তথ্য হাতাইয়া নিতাছে যা বাংলাদেশী কম্পোমাইজিং ফ্রি ল্যাণ্সারদের জণ্য আরো বড় আঘাত হিসাবে দেখা দিতে পারে। 


Thursday, November 12, 2020

অনলাইন ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের রেমিটেন্স এবং ব্যাংকের রেমিটেন্স বলতে কি বোঝেন?

আপনি যদি ইউরোপ আমেরিকা অলরেডী ভিজিট করে থাকেন তাহলে দেখবেন বিভিন্ন ছোট ছোট শহরে আমাদের দেশের কাচাবাজারের মতোন তাদের মার্কেট জমে যেখানে তারা বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র কেনা বেচা করে থাকে। যে কেউ তাদের পন্য সেখানে সেল করে থাকে। আর বাকীরা সেখান থেকে কেনাকাটা করে থাকে। এরকম প্রেসগুলোকে বিভিন্ন শহরে শহরে মার্কেটপ্লেস বলে থাকে। সেই মার্কেটপ্লেস ধারনা টা যখন অনলাইনে স্থাপিত হয় সেটাকে অনলাইন মার্কেটপ্লেস বলে। বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি প্রতিষ্টান এবং সাধারন জিনিস পত্র ও অনলাইনে সমাহার হয় এবং সেগুলোকে মার্কেটপ্লেস বলে পরিচিত করা হয়। ওয়েবসাইটে যখন কেনা বেচা হয় এবং সেটা যখন ওয়েবসাইটের কোন পেমেন্ট প্রসেসর প্রসেস করে থাকে তাকে রেভিনিউ মানি বলে যদি একই দেশের ওয়েবসাইট এবং পেমেন্ট প্রসেসর হয়। যেমন: পেপাল একটি পেমেন্ট প্রসেসর। পেমেন্ট প্রসেসরের মূল কাজ হলো ইন্টারনেটের লেনাদেনাকে সহজলভ্য করে তোলা। অনেকাংশে তারা ভ্যাট, ট্যাক্স নির্ধারন করে থাকে বা নিজেরাই দিয়ে দেয় বা পন্যের মূল্য পরিশোধের সময় এড করে দেয় এবং যে পন্য কিনবে অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে তাকে সেই ভ্যাট ট্যাক্স এবং আরো কিছু % থাকলে সেটা পরিশোধ করতে হয়। 


ফ্রিল্যান্সাররা মেধা কেনা বেচা করে থাকে। এক দেশের ফ্রি ল্যান্সার কে আরেক দেশের বায়ার বা ক্লায়েন্ট হায়ার করে থাকে। এই মেধা কেনা বেচার মধ্যে যখন আপনি একই দেশের মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট এবং পেমেন্ট প্রসেসর (পেপাল) ব্যবহার করবেন তখন সেটা ওয়েবসাইট মালিকের জন্য হবে রেভিনিউ আর যে উপার্জন করবে এবং সে যদি অন্য আরেক দেশের নাগরিক হয় তখন সেটাকে বলা হবে রেমিটেন্স। আপনার জণ্য যেটা রেমিটেন্স - ওয়েবসাইটের মালিকের জণ্য সেটা রেভিনিউ। সেই রেভিনিউ এর উপরে ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের মালিককে সেই দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভ্যাট ট্যাক্স দিতে হবে। যেমন আমাদের দেশের মার্কেটপ্লেস ওযেবসাইট আছে ২/৩ টা যেমন: কাজকি বা বিল্যান্সার। এরা যখন আমাদের দেশের মুদ্রাতে কারেন্সী কালেক্ট করবে তখন তাদেরকে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্যাট, ট্যাক্স দিতে হবে কিন্তু তারা যখন কোন না কোন দেশের সেলার বা ওয়ার্কারকে পেমেন্ট দিবে ডলারে- সেটা সেই দেশের সরকারের জণ্য রেমিটেন্স হিসাবে এড হবে। ভাবতে পারেন: আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা অন্য আরেক দেশের ছেলে বা মেয়েকে রেমিটেন্স ও দিতে পারে। আমরা ফ্রি ল্যান্সার রা কোথায় চলে যাইতাছি। আমার কাছে অনেক সময় মনে হয় শান্তি তে কাজ করার জন্য ফ্রি ল্যান্সার রা পৃথিবীর বাহিরে একটা আলাদা স্পেসশিপ বানিয়ে নিবে যেখান বৌ / গাফ্রে সহ বসবাস করবে এবং ৫ বছরের কমে পৃথিবীতে ফেরত আসা যাবে না। এরকম একেকটা ওয়ার্কষ্টেশন পৃথিবীকে দিন রাত ২৪ ঘন্টা পদক্ষিন করবে আর ফ্রি ল্যান্সার রা সেখানে বসে কাজ করবে।




ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর কাজের ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি ব্যাংকে  যে পেমেন্ট হয় বা ওয়েবসাইট থেকে পাইওনিয়ার বা যে কোন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ব্যাংকে ডলার আইসা ক্যাশ টাকাতে কনভার্ট হয় সেটাকে রেমিটেন্স মানি বলা হয় উইথড্র করার পরে। যে ডলার টা এড হয় সেটাকে রেমিটেন্স ডলার বলা হয়। সুইফট ট্রনাজকেশন/ ব্যাংক টু ব্যাংক এর মাধ্যমে যে ডলার ব্যাংক টু ব্যাংক মেথডে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে এড হয় (ডলার/ইউরো/পাউন্ড) সেটাকে প্রাইভেট ব্যাংক রেমিটেন্স বলা হয়। প্রাইভেট ব্যাংকের নিজস্ব সুইফট কোড বা আইবিএন নাম্বার আছে যা দ্বারা সে সারা বিশ্বের যে কোন ব্যাংক থেকে যে কোন মুদ্রাতে কারেনসী রিসিভ করতে পারবে আবার সেটা ক্যাশ টাকাতে কনভার্ট করেও দিতে পারবে - এইটা প্রাইভেট ব্যাংকের নিজস্ব ক্ষমতা। আবার বাংলাদেশ ব্যাংকেও হয়তো আলাদা করে কোন না কোন রেমিটেন্স এড হয়। প্রাইভেট ব্যাংকের রেমিটেন্স কে তো আর নিশ্চয়ই বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স হিসাবে দেখানো হয় না। বাংলাদেশের রেমিটেন্স বলতে সকল ব্যাংকের রেমিটেন্স বোঝানো হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স বলতে কি বোঝানো হয়ে থাকে - শুধূ মাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকে যাদের একাউন্ট আছে তাদের রেমিটেন্স নাকি সকল ব্যাংকের রেমিটেন্স এক সাথে?




যেমন: আমি যে মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকি সেটা থেকে রেমিটেন্স আমরা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আনতে পারবো যেমন: পাইওনিয়ার বা পেল্যুশন। পাইওনিয়ারে ডলার উইথড্র দেবো সেটা পাইওনিয়ারে এড হবার পরে পাইওনিয়ার থেকে পাইওনিয়ার ব্যাংক উইথড্র মেথডে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে এড দেবো : যেমন: ইষ্টার্ন ব্যাংক ব্যবহার করি আমি। আমি এসইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করি -সেখানে থেকে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে উইথড্র দেয়া যায় না, কারন তাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে নাম পেল্যুশন। কিন্তু এসইওক্লার্ক থেকে আমি পাইওনিয়ারে বা পেল্যুশনে নেই- তারপরে পাইওনিয়ার বা পেল্যুশন দিয়ে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংক ইষ্টার্ন ব্যাংকে আনি, এইটা প্রাইভেট ব্যাংকের রেমিটেন্স। আর যারা সরাসরি ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট থেকে উইথড্র দেয়: যেমন: ফ্রি ল্যান্সার ডট কম, আপওয়ার্কস ডট কম- যে সকল ওয়েবসাইট থেকে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে (যেমন: ডাচ বাংলা ব্যাংক বা সিটি ব্যাংক বা এ ধরনের যে কোন ব্যাংক) সরাসরি সুইফটের মাধ্যমে (যেমন: ডিবিবিএল এর সুইফট কোড: DBBLBDDH100  উইথড্র করে সেটাকে কি বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স বলে নাকি বাংলাদেশের রেমিটেন্স বলে - ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং খাতে। রেমিটেন্স নিয়ে এইখানে ৩ টা শব্দ পাওয়া গেলো: 

  1. বাংলাদেশের রেমিটেন্স
  2. বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স
  3. প্রাইভেট ব্যাংকের রেমিটেন্স


বাংলাদেশের রেমিটেন্স এর খাতে যদি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কাররা এড হয় তাহলে তাদেরকে দেশের নাগরিক ডাটাবেজে (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়) পেশা: ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার হিসাবে নিবন্ধিত করতে হবে- এতে করে সারা বিশ্বে তারা আরো বেশী পরিমান সমাদৃত হবে। 

যে যে উপায়ে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়েবসাইট থেকে উপার্জন উইথড্র করা যায়: 

  1. ইন্টারনেটে ব্যাংকিং গেটওয়ে যেমন: পেপাল বা স্ক্রিল বা নেটেলার  বা ওয়েবমানি বা পারফেক্ট মানি
  2. ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার যেমন: পাইওনিয়ার কার্ড একাউন্ট থেকে যে কোন ব্যাংক একাউন্ট, পাইওনিয়ার ব্যাংক একাউন্ট টু যে কোন ব্যাংক একাউন্ট। 
  3. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি (DBBLBDDH 100) মেথডে পেমেন্ট উইথড্র করা যেটা ২০১১ সালের আগে আমি করতাম ওডেস্ক বা ইল্যান্স থেকে। 
  4. ব্যাংক চেক বা কুরিয়ার চেক বা ই-চেক। 
  5. পে ড্রাফট কুরিয়ার। 
  6. ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানি গ্রাম। বিশ্বে অনেক ওয়েবসাইট আছে এই দুইটাতে পেমেন্ট উইথড্র দেয়। 


২০১১ সালের পর থেকে আমার কাছে একটা বিষয়ে অনেক খটকা লাগে (আমি ২০০২ সাল থেকে পার্ট টাইম ফ্রি ল্যানসিং করতাম)   : ডেবিট (+) ক্রেডিট (-) অথবা ডেবিট (-) ক্রেডিট (+)। আমার কাছে সবসময় ই মনে হয় ২০১১ পর্যন্ত আমি যতো লেনাদেনা সুইফট( ওডেস্ক থেকে উইথড্র, ইল্যান্স থেকে উইথড্র বা ফিবার) করেছি সেখানে ডেবিট কে (+) ক্রেডিট কে  (-) হিসাবে দেখানো হয়েছে কিন্তু এখন তো দেখি : ডেবিট (-) ক্রেডিট (+) । এ জন্য ২০১১ সালে শেয়ার বাজার কেলেংকারি বা শেয়ার মার্কেট এর সাথে তদানীন্তন ব্যাংক গুলো হ্যাক বা ঝামেলা হবার কারনে আমি আর কখনো সুইফট ট্রানজেকশন করি নাই (কারন সারা দেশের অনেক মানুষের ক্ষতি হয়েছে শেয়ার মার্কেটের হ্যাকারদের আক্রমনে। তখন নিজেকে সেভ রাখার জন্য পারসোনাল সুইফট ট্রানজেকশন বন্ধ করে দেই। তাছাড়া সেই সময় আমিও একসাথে আমার সব মার্কেটপ্লেস একাউন্টের লগইন ডিটেইলস হ্যাক হয়ে যায়। এই ব্লগটাও হ্যাক হয়েছিলো যা ০৭ বছর পরে ফেরত পাই)  । ২০১৮/১৯ সালে শুধু ফ্রি ল্যান্সারদের খাতাতে নাম রাখার জন্য (আগেও ছিলো  ২০১১ পর্যন্ত ডাচ বাংলা ব্যাংকে রেমিটেন্স রেকর্ড) পরিচিত আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২/১ জনের অনুরোধে মার্কেটপ্লেস থেকে পাইওনিয়ার, পাইওনিয়ার থেকে প্রাইভেট ব্যাংক উইথড্র করে এনে রেখেছি বা খরচ করেছি। আমি সবসময় ই পেপালবিডি ডট কম এর সার্ভিস ব্যবহার করি ডলারের লেনাদেনা করার জন্য। খটকা নিয়ে কোন কাজ আমি করি না। খটকাতে থাকতেও ভালো লাগে না। 



বর্তমানে সূদূর আমেরিকা থেকে মাষ্টারকার্ডের অফিস ও চলে এসেছে বাংলাদেশে। আপনার নামে যদি মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে কোন ব্যালান্স জমা হয় সেটা কিন্তু আপনি উপরোল্লেখিত ১-৬ যে কোন উপায়ে তুলতে পারবেন (আপনার মার্কেটপ্লেসে থাকা স্বাপেক্ষে)। আপনি যতোক্ষন পর্যন্ত সেটা কোন একটা মেথডে উইথড্র না দেবেন সেটা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে আপনার উপার্জন হিসাবে জমা থাকবে। আপনি যদি চান তাহলে আপনার পছন্দনীয় যে কোন একটা মেথডে তুলে নিতে পারবেন। যেমন: ধরেন এসইওক্লার্কের নিজস্ব পেমেন্ট পদ্বতি আছে - পেল্যুশন বা পেপাল হাইপারওয়ালেট। 








আপনার এসইওক্লার্কে এমাউন্ট যখন আপনি পেল্যুশনে উইথড্র দেবেন তখন সেটা আপনি পেল্যুশনে রিসিভ করার পরে যে কোন দেশের ব্যাংকে (পেল্যুশন এপুরভ করার স্বাপেক্ষে) ট্রান্সফার করতে পারবেন। ধরেন: আপনার যদি স্কটল্যান্ড বা ব্রিটেন বা আফ্রিকা বা ইউএসএ বা ইউরোপ এর যে কোন দেশের ব্যাংকের সাথে অপশোর পেমেন্ট একাউন্ট থাকে বা অনলাইন ব্যাংকিং একাউন্ট থাকে তাহলে আপনি পেল্যূশেনর এমাউন্ট সহজে অন্য যেকোন দেশের ব্যাংকে উইথড্র দিতে পারবেন পেল্যুশনের ভেরিফিকেশন স্বাপেক্ষে। বাংলাদেশ ব্যাংক বা প্রাইভেট ব্যাংক এর সাহায্য /দরকার লাগবে না।



Friday, November 6, 2020

ইন্টারনেট /ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে ব্যক্তিগত তথ্য আরেকজনকে দেখানো ঠিক কিনা?

ইন্টারনেট/ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে  ব্যক্তিগত  তথ্য আপনার সামনে আসলে সেটাকে এভয়েড করে রাখতে হয়। কারন ইন্টারনেটে কারো ব্যক্তিগত তথ্য দেখাকে চুরি বা চোরের চরিত্র হিসাবে বর্ননা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রাইভেট ব্যাংক যারা হ্যাক করেছে বা করে প্রতিনিয়ত (যদি) - সরকার তাদেরকে প্রজ্ঞাপন, আদেশ বা নির্দেশ দিয়ে বলে নেই যে : তোমাদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংক বা প্রাইভেট ব্যাংক বা আন্তর্জাতিক হ্যাক করার অনুমতি দেয়া হলো । খুবই স্পর্শকাতর বিষয় হবার কারনে এই ধরনের হ্যাকারদের সব্বোচ্চ শাস্তি ফাসি হতে পারে।   বর্তমান বাংলাদেশ ও বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া কাউকে বসবাস করার অনুমতি দেয় না (জানা মোতাবেক: বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে এদেরকে আইডেন্টফাই করা হয়েছে। সারা দেশেও তাদেরকে আইডেন্টিফাই প্রক্রিয়া চলতাছে।) যারা বাংলাদেশের বাহিরে থেকে আইসা বসবাস করে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট দেশের কাজগপত্র এবং বাংলাদেশে বসবাসের বৈধ অনুমতি পত্র দেখাতে হয় এবং তারপরে বসবাস করার অনুমতি দেয়া হয়। আর যারা আশে পাশের দেশ থেকে আইসা বসবাস করতাছে তাদের বৈধতা পরীক্ষা করে দেখাতে হয়। মনে করেন : সন্ত্রাসী তকমা আছে এরকম একটি দেশের লোকজন বাংলাদেশে আইসা বাংলাদেশের প্রশাসনকে ঘুষ দেবার বিনিময়ে বাংলাদেশে বসবাস করে যাইতাছে কিছু টাকা পয়সা পাবার লোভে বাংলাদেশের প্রশাসন বা এর একশ্রেনীর লোক (ধারনা করা হয় তাদের বাপ দাদারা দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার ছিলো অথবা তারা তাদের বাপ দাদাদের ভুল মনে করে) ও তাদেরকে চুপিসারে সাহায্য করে যাইতাছে (আপনি যদি নিজেও পরীক্ষা করে দেখেন তাহলে দেখবেন আপনার আশে পাশে অনেকেই আছে যারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং যাদের বৈধ জাতীয় পরিপয়পত্র নাই)।। আর তারা এই দেশের ভেতরে বসে হয়তো গনহারে খারাপ কাজ করে যাইতাছে - আপনি সেটা দেখে চুপ থাকতে পারবেন না - আপনাকে তার প্রতিবাদ করতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার ঘোষনা দিছে- আশে পাশের দেশ থেকে যারা বাংলাদেশে এসেছে তাদের প্রত্যেকের বৈধতা যাচাই করা হবে। কিন্তু ইন্টারনেটে আপনি কাজ করতে করতে হঠাৎ করে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কোন গোপন তথ্য  আপনার সামনে চলে আসলো তাহলে আপনি কি করবেন? সততার পরিচয় হইতাছে আপনি সাথে সাথে সেটা ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে জানাবেন এবং এটাও জানাবেন যে: আপনি কোন তথ্য দেখেণ নাই বা সেভ করেন নাই। আর আমাদের দেশে থেকে যােরা ব্যাংক/ইন্টারনেট/সোশাল মিডিয়া হ্যাক করতাছে বা হ্যাকিং করে যাইতাছে তাদেরকে আমরা চোর বলতে পারি কারন যারা হ্যাকার তারা তাদের চোহারা দেখায় না- তারা প্রকাশ্য দিবালোকে সংবাদ সম্মেলন করে বলতে বলেন যে : তারা হ্যাকার। দেখবেন বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে কোথায় পাঠায়? হ্যাকিং এর কোন বৈধতা নাই ইন্টারনেটে এবং সরকারে। হ্যাকার রা মূলত মানুষের সব তথ্য খূজে বেড়ায় এবং দেখে বেড়ায়। যদি ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশন দেখে ফেলে বা দেখে বেড়ায় তখণ তারা সেটা হ্যাক করার চেষ্টা করে। যদি তারা কখনো কারো ক্রেডিট কার্ড নম্বর দেখে ফেলায় তাহলে সেটা তারা নম্বর খুজার সফটওয়্যারে দিয়ে-যদি মেলাতে পারে তাহলে টাইম খুজবে যে কতোদিন পর্যন্ত মেয়াদ আছে- সেটাও পেয়ে গেলে বলবে যে আপনার ভেরিফিকেশন কোড টা দেন, আর ভেরিফিকেশন কোড টা আমরা সহজেই বলে দেই- পিন নাম্বারটাদেই না সাধারনত। ভেরিফিকেশন কোড তো : ০০০-৯৯৯ পর্যন্ত , সেই হিসাবে ১০০০ বার চেষ্টা করলে যে কেউ যে কারো নম্বর খুজে বের করে ফেলাইতে পারে। আমার যদি মাষ্টারকার্ড থাকে আর যদি প্রথম ৪টা সিরিয়ালে (ধরেন: আমার সিরিয়াল ৫২১৬। ৫২ সিরিয়ালের সকল কার্ড নাম্বার খুজে বের করে তাদের যতো নাম্বার আছে সেগুলো হ্যাকার রা যদি তাদের জন্য প্রযোজ্য সফটওয়্যার গুলো দিয়ে চেষ্টা করে থাকে তাহলে তো যে কোন ক্রেডিট কার্ড ১৬ ডিজিটের নাম্বার বের করা একেবারেই সহজ) থেকে আমি যদি সব নম্বর সম্বলিত কোন লিষ্ট খুজে পাই তাহলে কি তার ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করতে খুব বেশী কষ্ট হবে। 



সম্প্রতি আমার যে ফেসবুক একাউন্ট টা লগইন করতে পারতাছি না সেটার মধ্যে আমার ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশণ লোড করা ছিলো। এখন আর সেটা ব্যবহার করতে পারতাছি না কারন আমার ফেসবুক একাউন্ট টা লগইন হইতাছে না। থানাতে জিডি এন্ট্রি করেছি- র‌্যাব এর তথ্য প্রযুক্তি ডিভিশনের সাহায্য চেয়েছি। আর ফেসবুকেও এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি জমা দিয়েছি। এখনো তার রিকভার করতে পারি নাই। চেষ্টা চলছে। আগে আমার কিছু ব্লগ পোষ্ট বা লেখাতে আমি উল্লেখ করেছিলাম যে: আমি ২০০২ থেকে ফেসবুক ডট কম ব্যবহার করতাছি। ব্যাপারটা ২০০৪ থেকে হবে। আমার যে একাউন্টের লগইন আমি হারিয়ে ফেলেছি সেটা আমি ২০০৬ থেকে ব্যবহার করি। মানুষের ঘরে উকি মারা আর মানুষের তথ্য দেখা একই ধরনের ব্যাপার। বিশ্বে বহুত ধরনের হ্যাকার আছে। তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হ্যাকার বা চোর হইতাছে যারা ইন্টারনেট ব্যাংকগুলোর তথ্য দেখে বেড়ায়। যুদ্বে পরাজিত হবার পরে দালাল/রাজাকারে রা /দেশ বিরোধীরা যেমন চুরি করে বাংলাদেশে ঢুকেছিলো (তাদের তো দরকার ছিলো পা ক হানাদার বাহিণীর সাথে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া) তেমনি হ্যাকার রা সারা বিশ্বে মানুষের তথ্য চুরি করে দেখে বেড়ায়। সবাই জানে চোরের কোন ধর্ম নাই্ আর তাই তাদেরকে আমার মতে - গুলি করে বা ক্রসফায়ার করে মাইরা ফালানো উচিত। মানুষের তথ্য বা দেশের তথ্য চুরি করার অপরাধে তাদেরকে চোরের সমাজেই রাখতে হবে । চোরের কোন ধর্ম নাই- তাই তাকে বলা যায় নাস্তিক। আর নাস্তিকদের ফাসির ব্যাপারে সারা বাংলার সবাই একমত।


বাংলাদেশে যতো পরিমান ক্রেডিট কার্ড প্রসেসর আছে- একটা পর্যায়ে তো একটা ক্রেডিট কার্ডের অনেক কিছু জানতে পারে। যার সফটওয়্যার সে না জানলেও যে বানিয়েছে সে তো জানবে সফটওয়্যারের গোপন ব্যাপারের মাধ্যমে যে কার কার ক্রেডিট কার্ড এক্সস হইতাছে। যার ওয়েবসাইট সে না জানলেও ও যে ওয়েবাসইটে ই কমার্স অপশন এড করবে বা মুলত যার প্লাগইন মূলত সেও তো স্পর্শকাতর অনেক তথ্য জানতে পারে। আমার মতে বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনাকাটা না করাটাই ভালো। ডেবিট কার্ড বা লোকালি ভ্যালিড ব্যাংকের কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করাটা ভালো। ২০০৪-২০০৫ সালে আমি যখন এপটেক ওয়ার্ল্ডওয়াইডে প্রোগ্রামিং করি তখন একটা এসাউনমেন্টে সেলস এবং ষ্টক রিলেটেড একটা ওয়েবসাইট বানাতে যাইয়া যখন ইকমার্সের সল্যূশন করি থাকি বুঝতে পারি যে কেভাবে ক্রেডিট কার্ড এক্সস করতে হয়। কিভাবে প্রোগ্রামিং এর সাথে ক্রেডিট কার্ড প্রসেসিং সিষ্টেম কে এড করতে হয়- কিভাবে পস মেশিনে ক্রেডিট কার্ড কে কাজে লাগাতে হয় আর কিভাবে তার িডটেইরষ ডাটাও খুজে বের করতে হয়। তবে এটিএম এ এক্সস কৃত কার্ডের পুল ডিটেইরস কখনো বুঝি নাই।  এইখানে  হ্যাকারদের যে ব্যাপারগুলো মেনশন করেছি তার সবই আমি নিজে ষ্টাডি করে জেনেছি এবং ইংরেজী মুভি দেখে দেখে জেনেছি। আমি আমার জীবনে কখনো কোথাও হ্যাক করি নাই এবং হ্যাকার রিলেটেড প্রোগ্রামারদের সাতে জড়াই নাই। অনেক সময় অনেক হাজার হাজার ইনভাইটেশন ছিলো- তারপরেও জগিত হই নাই কারন আমি জানি ব্যাপারটা অসততার একটা ব্যাপার। আমার জীবনে আমি যখনি কোন হ্যাকারদেরে দেখেছি বা জেনেছি বা উপলব্দি করেছি ততোই তাদের কাছ থেকে সবসময় দূরে থেকেছি। বাংলাদেশের বিগত দিনে হ্যাকারদের উপদ্রবে যে একটা জিনিস আমি বরতে পারি তা হইতাছে ম্যাক নাম্বার। প্রত্যেক ডিভাইসের একটা করে পারসোনাল শ্যাক নাম্বার থাকে যাকে অপারেটিং সিষ্টেমের নাম্বার ও বলা হয় অনেক সময়। হ্যাকারদের ধরার জণ্য যে জিনিস টা সবচেয়ে বেশী দরকার তা হইতাছে ম্যাক নাম্বার। সেই শ্যাক নাম্বার আইডেন্টফাই করতে পারলে যে সেলস সেন্টার এগুলো সেল করেছে সে সেলস সেন্টারগুলো তে খোজ নিলে জানা যাবে যে কে সেই ডিভাইসটা বাই করেছে তারপরে সে অনুযায়ী তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনরে আওতায় আনা যাবে। ভ্যাপারটা অতীব সহজ যদি থাকে ম্যাক ট্রেসার ডিভাইস।

Mac Changing Software Free Download:



হ্যাকার রা মিনিমাম কিছু টেকনিক জানে ব্যাপারটা সত্য। যেমন ধরেন: হ্যাকার রা তাদের হ্যাকিং টেকনোলজী বা নলেজ খাটাতে খাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা যেকোন ব্যাংকের ব্যাংকিং সফটওয়্যার পর্যন্ত যাইতে পারে। এখন: ব্যাংকের পক্ষ থেকে যদি কোন অসাধু চক্র থাকে, যারা ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে দেয় বা আপনার পাসওয়ার্ড টা যদি খুবই সহজ হয় বা আপনার ইউজার নেমটা যদি তাদের জানা থাকে তাহলে এইটা একদম হ্যাকারদের জন্য ডাল ভাতের ব্যাপার হয়ে দাড়াবে। তবে আপনি দেখতে পারবেন যে কোথাকার ডলার বা টাকা কোথায় গেছে বা কোন একাউন্টে যাইয়া এড হইছে। তেমনি মেশানারি ল্যাংগুয়েজ প্রক্রিয়ায় কোথাও না কোতাও টোটার ডাটা টা থেকে যাইতাছে। কো কখণ কোথা থেকে কনো ম্যাক এড্রস থেকে কোন ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করে কোন এলাকা থেকে কোন কখন কোন খানে কতো টাকা বা ডলার চুরি করতাছে তার একটা ডিটেইলস রিপোর্ট যার কাছে পাবেন তার নাম হইতাছে সিষ্টেম। বিশ্বের সব দেশের ব্যাংকিং খাত হ্যাকারদের আশংকা মুক্ত। আর বাংলাদেশের সমস্ত খাত আছে হ্যাক বা হ্যাকিং যুক্ত- হ্যাকিং না হবার প্রথম যে কন্ডিশন শক্তিশালী ইন্টারনেট নেটওয়ার্কিং সিষ্টেম- পার হেড আইপি যা দ্বারা ডিভাইস কে  শক্তিশালী ওয়েতে প্রটেক্ট করা হয় সেটাই নাই আমাদের দেশে। ফলে যে কোন হ্যাকার যে কোন ভাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট হ্যাক করে সেখানে ম্যাক এড্রস চেন্জ করে শক্তিশালী ভিপিএন দ্বারা যদি ম্যাসেজ দেয় যে আমি অমুক দেশ থেকে: তাহলে বাংলোদেমের যে সেকিউরিটি তাতে তারা বলবে যে অমুক দেশ থেকে হ্যাক করে নিয়ে গেছে । আসলে কোথায় নিয়ে গেছে সেটা আর কেউ না জানলে তো মিনিমাম অপারেটিং সিষ্টেম জানে - ইন্টারনটে থাকার কারনে উপরে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিট ও জানে বা মেশানারি ল্যাংগুয়েজ ও জানে বা এসওএস কলিং সিষ্টেম ও জানে। এজ এ ওয়ার্ড-  বাংলাদেশ সরকারের জন্য কোন কিছুই অজানা নয়- অজানা শুধু সততাটুকু- মানে কিভাবে তারা সত হবে সেই জিনিসটা তারা ভূলে গেছে। আমার ঝীবেন আমি কখনো কোন হ্যাকিং নলেজ শিখি নাই এবং কখেনো কোথাও হ্যাক করার চেষ্টা করি নাই। ঝীবেন কখনো কারো পাসওয়ার্ড জানার ও চেষ্টা করি নাই। আমার সে ভ্যাপারে সামান্য তম নলেজও নাই। 




সবচেয়ে বড় হ্যাকার হইতাছে সেই সকল চোর বাটপারের দল যারা জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়াই বাংলাদেশের আইন পুলিশকে হাত করে অবৈধ ভাবে বসবাস করে যাইতাছে। বাংলাদেশ এমন এক দেশ যেখানে টাকার জন্য মা মাটি মাতৃকার দেশ বাংলাদেশের সাথে বাংলাদেশীরা গাদ্দারী করতে পিছপা হয় না। এজন্য ৭১ এর যুদ্ব চলাকালে বাংলার অনেকেই হাত মিলিয়েছিলো পা ক হানাদার বাহিনীর সাথে- যাদেরকে আমরা বাংগালী রাজাকার বলে থাকি- যাদের ফাসির বিরুদ্বে রায় আছে অনেক আর কার্যকর ও হইতাছে অনেক। মুক্তিযুদ্ব ভিত্তিক স্বাধীন বাংলাদেশে অনেক দালাল রাজাকার বিগত ৪৯ বছর ধরে  ছলে বলে কৌশলে বসে আছে যাদের এই দেশে বসবাস করার কোন বৈধতা নাই আর সমানে বাংলাদেশ টাকে হ্যাক করে যাইতাছে বাংলাদেশের তথ্য বা ইনফরমেশর সব শতরু রাষ্ট্রকে ট্রান্সফার করে। জয় বাংলার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা থাকলো বাংলাদেশ যেনো  সকল ধরনের হ্যাকার এবং সকল ধরনের হ্যাকিং মুক্ত থাকে। সামনের বছরই স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী। তার আগেই বাংলাদেশ ধুয়ে মুছে পরিস্কার হয়ে যাক।

হ্যাকার রা রাষ্ট্রীয় ভাবে অপরাধী। আর অপরাধের সাজা ফিরিয়ে দেয়া হয় না কখনো। অপরাধীকে দুনিয়া ত্যাগের আগেই তার জন্য প্রযোজ্য শাস্তি ভোগ করতে হয় যা এই দুনিয়ার নিয়ম। 


 

Thursday, November 5, 2020

ইন্টারনেট/ ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং/সোশাল মিডিয়া জগতে একাউন্ট কেনা বেচা করা ঠিক কিনা?

আমার জানা মোতাবেক এইটা একদমই নিষেধ। ধরেন: আপনার একটা ফেসবুক পেজ আছে যেখানে ১ কোটি লাইক আছে। আপনি সেটা টাকার বিনিময়ে একজনের কাছে সেল করে দিলেন এবং তাকে আপনার ফুল লগইন ডিটেইরলও  দিয়ে দিলেন- এই ব্যাপারটা অবৈধ। আমাদের দেশে হাজার হাজার ছেলে বা মেয়ে তাদের ফেসবকু একাউন্ট, পেজ, গ্ররপ, ইউটিউব চ্যানেল কেনা বেচা করে থাকে যা লিগ্যাল না। আপনি যদি তাদের পুরো টার্মস এবং ডিটেইলস পড়ে দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন যে: এইটা নিষেধ। কিন্তু আপনি চাইলে যে কাউকে আপনার ফেসবুক পেজ বা ফেসবুক গ্রুপের এক্সস দিতে পারেন। সেটা লিগ্যাল কারন যে কাউকে আপনি আপনার পেজ বা গ্ররপের এডমিন হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন। এমনকি ইউটিউব চ্যানেলেও আপনি ম্যানেজার নিয়োগ করতে পারেন। কিন্তু সরাসরি একাউন্ট কেনা বেচা করা লিগ্যাল হবে না কারন আমি বাস্তবে পড়ে দেখেছি এই ধরনের আইন গুলো। সোশাল মিডিয়াতে যদি আপনার উপস্থিতি বা লেনাদেনা ১০০% একুরেট না হয় তাহলে আপনি যে কোন উন্নত দেশে প্রবেশ করতে যাইয়া বাধা পাবেন কারন জানেন ই তো এইগুলো সবই আমেরিকান টেকনোলজীতে (ইন্টারনেট-সিলিকন ভ্যালি, ডিভাইস [ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, পামটপ, পিডিএ, এন্ড্রয়েড, আইফোন], অপারেটিং সিষ্টেম-উইন্ডোজ বা ম্যাক বা লিনাস্ক বা উবুন্টু, সফটওয়্যার বা যে কোন ধরনের ইন্টারনেট টেকনোলজীতে) আপনার ব্যবহার বা উপস্থিতি কেমন বা কে কি করতাছে বা কোন আইডি কি করতাছে তা জানাটা আমেরিকান টোকনোলজীষ্টদের জন্য অসম্ভব কিছু না। কে ইন্টারনেটে বসে কোথায় কি করতাছে তা তাদের জন্য বের করা কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিটেরই ব্যাপার?







তাহলে কি ইন্টারনেট/ ফ্রি ল্যান্সার/ মার্কেটপ্লেস / আউটসোর্সিং / সোশাল মিডিয়া একাউন্ট কেনা বেচা একদমই করতে পারবেন না?

প্রোগ্রামার বা ডেভেলপার রা অনেক সময় এপিআই এর অনুমতি নিয়ে এক সাথে অনেক একাউন্ট তৈরী করতে পারে । তারা তাদের একাউন্ট গুলো এমন ভাবে তৈরী করে যাতে পরবর্তীতে যে কেউ যে কারো মনমতো একাউন্ট গুলো সাজিয়ে নিতে পারে। ইভেন মোবাইল ভেরিফিকেশণ ও করা থাকে না। অনেক সময় সোশাল মিডিয়া ডেভেলপার রা তাদের নিজস্ব কাজের প্রয়োজনে কয়েক শো একাউন্ট তৈরী করে সেগুলোকে পরে শুধূ মাত্র নিম্নতম পারিশ্রামিকে সেল করে দেয়।  অভিজ্ঞতা থেকে বলা। সেটা সোশাল মিডিয়া প্যানেল এর মালিকেরা ব্যবহার করে থাকে তার কাজের প্রয়োজনে এবং সোশাল মিডিয়ার প্রয়োজেন সেল ও করে দেয়। মনে করেন : পৃথিবীর কোন একটা শহরে সোশাল মিডিয়া র একটি প্রোগ্রাম আছে। সেখানে যারা অংশগ্রহন করবে তাদের সকলকে সেই সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম একটি করে সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গিফট করবে। তখন সেই সোশাল মিডিয়া র যারা ডেভেলপার তাদেরকে বলবে: তারা একটি এক্সল ফাইলে সেই তৈরী করা সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গুলো যা ডেভেলপার রা আগে ব্যবহার করেছিলো সেগুলো দিয়ে দিবে। যারা প্রোগ্রোমে অংশগ্রহন করেছে তারা প্রত্যেকেই একটি করে একাউন্ট পাবে: প্রত্যেকেই যার যার নিজের মতো করে তাৎক্ষকি ভাবে একা্উন্ট গুলো গুছিয়ে নিজের মনের মতো করে ইউজার নেম, ইমেইল, পাসওয়ার্ড এবং ফটো সব পরিবর্তন করে ব্যবহার করা শুরু করবে এবং সোশাল মিডিয়ার যে প্রোগ্রাম তা সাকসেসফুল করবে। এখণ আপনি যদি বাংলাদেশে বসে থেকে বলেন যে: আপনার ১০টা একাউন্ট বা ফেসবুক পেজ বা গ্ররপ লাগবে আর সেগুলো যদি কোন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী/ধর্মীয় জিহাদি বা টেরোরিষ্ট টাইপের লোকজন [যদি তারা অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে বসবাস করে থাকে] তৈরী করে দেয়- যাদের ইন্টারনেট একটিভিটজ খুবই খারাপ যারা কখনোই কোন ভালো কাজ করে না বা যদি তারা হ্যাকার হয় তাহলে কি আপনার একাউন্ট টা সেফ থাকবে? আন্তর্জাতিক ভাবে তার উত্তর হইতাছে না। বাংলাদেশ বলেছে আন্তর্জাতিক ভাবে যে: তারা কোন সন্ত্রাসী বা জিহাদি বা টেরোরিষ্ট টাইপের লোকজন কে পালে না বা রাখে না। তাহলে যে বা যাদের সাথে আপনি ইন্টারনেটে লেনাদেনা করতাছে তারা যদি প্রাপ্তবয়ষ্ক হয় আর তারা যদি বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক না হয় (যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র বা বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর না থাকে) তাহলে কি আপনি ধর্মীয় জংগিবাদ বা সন্ত্রাসীদের সহযোগিতা করে চলতাছেন না? অনেকটা আড়ালে আপনি তাই করে যাইতাছেন কারন এই দেশে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া লেনাদেনা করা যে কোন ধরনের রিস্কই বহন করে চলে। আপনি যখন ইন্টারনেটে কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করবেন বা সেখানে কো্ন একাউন্ট ওপেন করবেন তখণ প্রথম যে ডাটা টা কালেকশন হবে তার নাম হইতাছে ডিভাইসের ম্যাক এড্রস। যে কোন প্রয়োজনে যে কোন গোয়েন্দা সংস্থা বের করে ফেলাইতে পারবে যে : একাউন্টটা কোন ম্যাক এড্রস থেকে তৈরী হয়েছে এবং সেই ম্যাক থেকে আর কি কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এগুলো যারা খুবই  ভয়াবহ মাত্রার শক্তিশালী প্রোগ্রামার তাদের জন্য আশা করি ব্যাপার না। আর সহজে জানতে পারা কারনে যে: আপনি কোন ম্যাক এড্রস থেকে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন আর তার সাথে আরো কি কি খারাপ কাজ করতাছেন তার সকলই রেকর্ড থাকে। আপনি যদি একটা ডেস্কটপ টানা ৫০ বছর ও ব্যবহার করেন তারপরেও সেখানকার সকল ডাটা মাদারবোর্ডে ০+১ বাইনারী ডাটাকারে বা মেশিন ল্যাংগুয়েজ আকারে সেভ থাকবে। আর সেই ক্ষেত্রে একাউন্ট কেনা বেচার পরেও যদি আপনি সোশাল মিডিয়া ম্যাসেন্জারে ন্যুড হোন (বর্তমানে বাংলাদেশের ফেসবুকে যে ন্যুড ভিডিও ক্যামেরা সেক্স শুরু হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে বলা) আর কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা যদি সোশাল মিডিয়া ভিডিও ডাটাবেজে পরীক্ষা করে আপনাকে পেয়ে যায় - তাহলে কি আপনাকে সেই দেশ ভিজিট করতে দেবে বা আপনি কি কখনো সেই দেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন? কখনো পারবেন না কারন আপনি সরাসরি আইনের স্বীকার হয়ে যাবেন। আপনার যদি কয়েক দেশের ও নাগরিকত্ব থাকে তারপেরে ও আপনি সেই সকল দেশে কখনো ঢুকতে পারবেন না যে সকল দেশে সোশাল মিডিয়া একটিভিটজ পরীক্ষা করা হয়। আপনার যদি আইডি ডুপ্লিকেট তাকে তারপরেও আপনার ফেস বা ভিডিও ইন্টারফেজে রেকর্ডিং ডাটাবেজ পরীক্ষা করলে সব কিছ জানা যাবে বা দেখা যাবে। ন্যুড ক্যামেরা সেক্স করার জন্য আলাদা ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া স্বাপেক্ষে ন্যুড ক্যামেরা ওয়েবসাইটে ক্যাম সেক্স (বর্তমানে বাংলাদেশে পর্নো ওয়েবসাইট এবং ক্যাম সাইটগুলো নিষিদ্ব) করতে পারবেন এবং সেই ব্যাপারে মানি বা অর্থও কালেকশন করতে পারবেন (এইখানকার সব অর্থ রেমিটেন্স আকারে বা যে কোন ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমেও আনা যাবে)। কিন্তু আপনি যদি ফেসবুক, টুইটার, পিনটারেষ্ট, ইনষ্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব প্রাইভেট লাইভ এই সকল খানে ন্যুড হয়ে যান তাহলে আপনি তাৎক্ষনিক ভাবে সোশাল মিডিয়ার চোখে অপরাধী বলে গন্য হবেন এবং সোশাল মিডিয়া চেস্টা করবে আপনাকে যে কোন ভাবে আইনের হাতে তুলে দিতে- নয়তো সোশাল মিডিয়া কোম্পানী গুলো ইন্টারনেটের  আদালতে বা ফেডারেলের আদালতের গ্যাড়াকলে পড়ে যাবে এবং বিপুল পরিমানে অর্থ লস বা জরিমানা গুনতে হবে। সোশাল মিডিয়া তে ন্যুড হওয়া আমেরিকান আইনে নিষেধ। 

Video Sharing Apps: Imo/Whats app/Viber এইগুলোতে যদি কেউ তার প্রেমিক বা বয়ফ্রেন্ডের সামনে বা স্বামীর সামনে ন্যুড হয় সে বা তারা আইনের আওতায় পড়বে না কারন সে এ্যাপসুগলো ভিডিও শেয়ারিং এ্যাপস। তারা সেই ভাবে পারমিটেড। কিন্তু সোশাল মিডিয়া একাউন্ট গুলোতে যদি কেউ ন্যুড হয়ে যায়- তাহলে সেটা আমেরকিান ইন্টারনেট আইনে দন্ডনীয় অপরাধ হতে পারে। আর সোশাল মিডিয়া (ফেসবুক, টুইটার, পিনটারেষ্ট, ইনষ্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব প্রাইভেট লাইভ) তে যারা প্রফেশনালি এই কাজ করতাছে ন্যুড হয়ে: তাদের জন্য সমূহ বিপদ থাকতে পারে বা তারা কখনেই কোন উন্নত দেশের জণ্য বিবেচিত হবে না কারন যখনই আপনি উন্নত দেশে প্রবেশ বা নাগরিকত্বের চেষ্টা করবেন তখনই সেই দেশের কর্তৃপক্ষ আপনার সোশাল মিডিয়াতে সকল ধরনের একটিভিটজ বা ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখবে। আর সে হিসাবে তাদের দেশে প্রবেশে বাধা দিতে একটু ও দ্বিধা বোধ করবে না- বাংলাদেশে এখনো এই ধরনের কোন আইন তৈরী হয় নাই। তাহলে অজানা অশিক্ষাতে না জেনে এই দেশের যতো মেয়ে এই ধরনের কাজ করতাছে তাদেরকে একটা ব্যাপারে নলেজে আনা দরকার যে:: এইগুলো সোশাল মিডিয়ার সার্ভার বা ডাটাবেজে থেকে যাইতাছে - কারন ইন্টারনেটে ০ এবং ১ মেথডে জেনারেট হওয়া ডাটা কোথাও না কোথাও অতি অবশ্যই রেকর্ড থেকে যাইতাছে। ইন্টারনেটে তৈরী হওয়া ডাটা কখনো ১০০% ডিলেট করা যাবে না তেমনি ইন্টারনেট ছাড়া কম্পিউটারে ও যদি আপনি কিছু করে থাকেন সেটাও মাদার বোর্ডের যে কোন চিপে থেকে যাবে। ইন্টারনেটে যারা ওয়েব ক্যামেরা সেক্স করে থাকে তাদের জন্য আলাদা ওয়েব ক্যাম সোসাইটি ওয়েবসাইট আছে।  নীচে ইন্টারনেটের মেসেন্জার থেকে নেয়া স্ক্রীনশট: যেখানে একজন বাংগালী মেয়ে বলতাছে বাংলাদেশে অনেক অনেক মেয়ে সোশাল মিডিয়া ফেসবুক মেসেন্জার গুলোতে ন্যুড হইতাছে টাকার বিনিময়ে। সেখানে তার একাউন্ট তো রিস্কের মুখে আছেই সেই সাথে সে তার সমাজ ব্যবস্থা সহ আরো অনেক কিছুকেই অপরাধের মুখে বা রিস্কের মুখে ঠেলে দিতাছে। ক্যাম সেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশে গড়ে উঠতাছে কিন্তু সেটা বৈধ উপায়ে গড়ে উঠতাছে না। 



সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সকল ধরনের ক্যাম সেক্স ওয়েবসাইট পর্নো ওয়েবসাইট গুলোর সাথে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই দেশের সোশাল মিডিয়া গুলোতে মেয়েদের সাথে খারাপ বা পায়ুপথে সেক্স করার (জঘন্য।আইন/মেডিকেলে/ধর্মে নিষেধ) চটি গল্প এবং লাইভ কাহিণী পর্যন্ত শোনা যায় কিন্তু বাস্তবে সেক্স না করে ইন্টারনেটে লাইভ ক্যামেরা শেয়ারিং এ্যাপসুগলোতে ন্যুড হওয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেট ওয়েভ ক্যাম ইন্ডাষ্ট্রিজ গুলো ব্যবহার করে কোটি কোটি ডলার উপার্জনের পথগুলো পরিকল্পনা মাফিক বন্ধ করে দিছে। নীচে একটা উদাহরন দেখানো হলো যে ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় কিন্তু তাদের ক্যাম সেকসান বাংলাদেশ থেকে বন্ধ করে দিছে। আমি চাই না কেউ এ ধরনের কাজ প্রফেশনালি দেখাক - বা করুক বা এভাবে ডলার উপার্জন করুক। কিন্তু আমি চাইতাছি যেনো সকলেই সঠিক পথটা জানুক।




ইন্টারনেটে ফেসবুকে এই সকল দেখে মনে হইতাছে বাংলাদেশের বাবা বা মা রা কি শিক্ষা দিতাছে? ফ্যামিলিগত শিক্ষার জোড় টা কোথায়? কারো কি কোন রুচিতে বাধে না। বাংলাদেশ সরকারের আইন জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের বিনিময়ে এবং বায়োমেট্রিক্স করে মোবাইল নম্বর গ্রহন করা আর তারপরে ডিভাইস ভেরিফিকেশন করে বাংলাদেশে ফেসবুকে কি ঢালাও ভাবে খারাপ খারাপ চটিগল্প পড়ানো হয়? সরকার কি এক ধরনের বৈধতা দিয়ে দিলো নাকি এদের। এই জন্য কি রাত দিন খেটে ফোনেটিক মেথডে বিজয় বা বাংলা লেখার পদ্বতি আবিস্কার করেছিলো বাংলাদেশের ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের প্রোগ্রামাররা। দিনভর বা রাতভর আপনার ছেলে বা মেয়ে রা আপনার নামে ব্যবহৃত সীম বা নম্বর ব্যবহার করে এই ধরনের খারাপ কাজ বা সোশাল মিডিয়া ক্রাইম করে যাইতাছে। আপনার কি আপনার সন্তানের প্রতি পুরোটা দৃষ্টি আছে। ব্যাপারটা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে খেয়াল করা উচিত। এই ধরনের সোশাল মিডিয়া একাউন্ট, পেজ বা গ্ররপ যেনো তৈরী না হয় সে ব্যাপারে পুরোপুরি খেয়াল রাখা উচিত। সেই সাথে ১৮ বছরের নীচে কোন ছেলে বা মেয়ে যেন যৈৗন সম্পর্কে লিপ্ত না হয় সে ব্যাপারেও বাবা মায়েদের ১০০% খেয়াল রাখা উচিত যাকে বলা হয় একুরেট যৌন শিক্ষা। [ বাংলাদেশের সমাজে এখনো রাজাকাররা (ফাসি) জীবিত আর সকলেই জানে রাজাকার রা বাংলাদেশের সমাজে ভাইরাস। খেয়াল রাখতে হবে আপনার মেয়ে বা ছেলে যেনো জীবনের শুরুতেই যেনো এইডস কে রিসিভ না করে  বসে। তাকে জন্ম দেয়াটাই শুধূ আপনার দ্বায়িত্ব না- তাকে দেখ ভলো করা আর তাকে জীবন ভর ভালো পথে রাখা দুইটাই আপনার দ্বায়িত্ব।] 

খেয়াল রাখতে হবে যদি আপনি ক্রাইম করে থাকেন তাহলে একদিন না একদিন আপনার বিচার হবে। ১৯৭২ এ তথাকথিত সাধারন ক্ষমা পাওয়া রাজাকারকেও ৪৩ বছর পরে শাহবাগ গনজাগরনের আন্দোলনের মাধ্যমে ফাসিতে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে কারন তারা ছিলো ক্রিমিনাল। আর ইন্টারনেটে ফেসুবকে বাংলা চটি লিখা-  এইটা সোশাল মিডিয়া ক্রাইম। ইন্টারনেটে বসে ফেসবুকে সেক্স ষ্টোরী লেখাটা আমেরিকান ফেসবুকের আইনে ক্রাইমের পর্যায়ে পড়ে। আর অপরাধী কখনো কোন খানে ছাড় পায় না। 

ফ্রি ল্যান্সার রা যে সকল মার্কেটপ্লেসে কাজ করে সে সকল মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট সেল করা ওআইনত দন্ডনীয় অপরাধ। আপনি যদি ইউএসএ তে বসবাস করতেন আর এই ধরনের খারাপ কাজ (একাউন্ট কেনাবেচা) র কাজ করতেন তাহলে সাথে সাথেই আপনার জেল জরিমানা হয়ে যাইতো। আপনি কখনোই কোন ধরনের একাউন্ট কেনা বেচা করতে পারবেন না আপনাকে অতি অবশ্যই  একাউন্ট ক্লোজ সেকসানের সাহায্য নিতে হবে যদি আপনি কোন মার্কেটপ্লেসের কাজ সম্পূর্ন করে থাকেন। আর যদি আপনার একাউন্ট ওপেন করার পরে ভালো না লাগে তাহলে আপনি অতি অবশ্যই আপনাকে সেটা ডিজাবল করে দিতে হবে। ফেসবুকেও একাউন্ট ডিজাবলড করে দেবার নিয়ম আছে। বাংলাদেশের একটা প্রখ্যাত মার্কেটপ্লেসে কিভাবে আমি একাউন্ট বন্ধ করে দিছি সে ব্যাপারে ণীচে একটা ইউটিউব ভিডিও দিতাছি- দেখে নিবেন। 


বিখ্যাত অনলাইন মার্কেটপ্লেস এসইও ক্লার্কের সেটিংস পেজের নীচে এরকম একটা অপশন আছে। একাউন্ট লক অর একাউন্ট  সাসপেন্ড। আপনি যদি আর ব্যবহার না করতে চান বা আপনার যদি ২/৩ টা একাউন্ট থাকে তাহলে আপনি সেখানে নিজে থেকে একটা সাসপেন্ড বা সাসপেন্ড রিক্যুয়েস্ট করতে পারেন। আপনার একাউন্ট যদি আপনি নিজে থেকে সাসপেন্ড করে ফেলেন তাহলে আর সেটা দেখাবে না মার্কেটপ্লেসের ইউজার হিসাবে। 

SEOClerks

Tuesday, October 27, 2020

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিকমেনডশন বলতে কি বোঝেন?

 পজিটিভ রিকমেন্ডশন বলতে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ মনোভাব বোঝায়। এক লোক একদিন ঢাকা শহরে আমাকে বলতাছে ২০১৬ সালে যে ভাই- আগামী ৫ বছরে ঢাকা শহরের চেহারাই পাল্টে যাবে। আপনি আর ঢাকা শহরকে চিনতে পারবেন না। আমি যে কোন একটা কারনে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ময়মনসিংহে নিজের বাবার বাড়ীতে/বিল্ডিং এ আছি। তো আমি উত্তরে বললাম যে- ভাই ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে গেলে ও আমার কিছু করার নাই কারন আমি ইট পাথরের খাচাতে বন্দী ঢাকা শহরকে ভালোবাসি না- আমি ভালোবাসি ঢাকা শহরের আমার পরিচিত মানুষজনকে বা খেটে খাওয়া মানুষকে। আমার কাছে উন্নত দেশের নাগরিকত্বের ইনভাইটেশন (ইউরোপ/আমেরিকা) লেটার আছে। তো আমি প্রথম সুযোগেই চেষ্টা করবো বাংলাদেশ থেকে ফ্লাই করে চলে যাইতে- সে ক্ষেত্রে ঢাকা শহরকে আমি আর রিকমেন্ড করি না নিজের জন্য। তারপরেও যদি রাজধানী শহরে (নিজ মালিকানাধীন -দলিলসহ। তাছাড়া আমার রাজধানী শহরে নিজস্ব কোন সম্পদ ফ্ল্যাট/বাড়ি/বা প্লটের কোন দলির নাই । আমার বাবা  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক [ Retired. Professor. Abul Hossain  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন প্রফেসর আবুল হোসেন নাই। একজনই ছিলেন উনি আমার শ্রদ্বেয় এবং সম্মানিত বাবা] বিধায় এক টুকরো জমি (৫ শতাংশ) আছে রাজউকের [ গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার]  ঝিলমিলে (কেরানীগন্জ) - তাও বাবার নামে দলিল করা যা কখনো পরিবর্তন করা যাবে না। দলিল ছাড়া নিশ্চয়ই কেউই বিশ্বের কোথাও কেউ কোন সম্পদ আছে বললে বিশ্বাস করবে না- বলবে যে আলবত পাগলের প্রলাপ।) নিজস্ব ফ্ল্যাট বা বাড়ি বানাতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে ভেবে দেখবো যে থাকতে পারি কিনা - কারন থাকার জণ্য আর ১০ জন শিক্ষিত লোকের মতো আমিও ইউরোপ আমেরিকার যে কোন শহরকে রিকমেন্ড করি নিজের জন্য। 

আজ পর্যন্ত- বাংলাদেশ সরকারকে শুনি নাই কখনো সারা দেশের সমস্ত মানুষকে একবেলা খাওয়াইতে। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে দেখলাম; ৫৫ বছর ঢাকা শহরে বসবাস করার পরেও এক লোক চলে যাইতাছে সব কিছু হারিয়ে- আর বলতাছে আমি ঢাকা শহরকে ভালোবাসলেও ইট পাথরের ঢাকা শহর আমাকে ভালোবাসে নাই। তাই থাকা বা বসবাস করার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রিকমেন্ড করি না। অনেকে হয়তো বলবেন- এইটা আপনি কি বললেন? আমি আসলে থাকার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রেফারেন্স করি না। বড়জোড় রেফারেন্স ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট- বিমান যাত্রা যাওয়া বা আসা করা। আমার কাছে সারা বিশ্বের যতো বায়ার বা ক্লায়েণ্ট রাজধানীতে ইনভেস্ট কারার কথা জিজ্ঞাসা করে: আমরা তখন চুপ থাকি বা তাদেরকে অন্য কোন উন্নত দেশের দিকে বা আফ্রিকান গরীব দেশের দিকে ঘুরাইয়া দেবার চেষ্টা করি (কারন ঢাকাকে অনেক সময় পরিত্যক্ত মনে হয়) কারন আমি চাই না আমার বায়ার বা ক্লায়েন্ট বড় অংকের ডলার ইনভেস্ট করতে আইসা এইখানে শারিরীক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাক বা মারা যাক।  আমার মতে : সামর্থ্য থাকলে গ্রামে যাইয়া বসবাস করা উচিত। এই ব্যাপারটাকে রিকমেন্ড বলা হয় বা আপনি চাইলে বলতে পারেন রেফারেন্স। এক হিসাবে দেখলাম : বাংলাদেশে ১৫ লক্ষ ফরেনার আছে। আমার মনে হয় কেউ একবার এখান থেকে বের হইলে আর ফেরত আসবে না একমাত্র আর্থিকভাবে যদি লাভবান না হয়।  [জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করলে দেখবেন ঢাকা শহরের কতো লোকের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই বা অবৈধ ভাবে বসবাস করতাছে]



ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিকমেনডশন বলতে সাধারনত কাজ কমপ্লিট করেছি এরকম বায়ার বা ক্লায়েন্ট দের  রেফারেন্স হিসাবে ২/৩ টি লাইন কে  রিকমেনডশন বলা হয়। এই রিকমেন্ডেশন থাকলে আপনি অনেক কাজ পাবেন।  ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আপনার প্রোফাইলে যদি পজিটিভ রিকমেনডশন থাকে তাহলে আপনি অনেক কাজ পাবার সম্ভাবনা রাখেন। একজন মানুষ যদি আপনার প্রোফাইলে কোন কাজ দেয় আর আপনি যদি সে সকল কাজ  ১০০% সততার সহিত সম্পূর্ন করেন তাহলে সে আপনার জণ্য ওয়েল উইশ করবে। সে চাইবে আপনি যেনো আরো অনেক ভালো ভালো কাজ পান। ভালো ভালো বা বড় অংকের প্রজেক্টের কাজ পাবার জন্য পজিটিভ রিভিউ এবং পজিটিভ রিকমেনডেশন এর কোন বিকল্প নাই। আপনি যতো পরিমান রিভিউ কামাতে পারবেন আপনার  ততো পরিমান বায়ার জুটবে। আর যদি আপনি পাগলের মতো কাজ করা শুরু করে দেন তাহলে আপনি ১/২ টা ব্যাড রিভিউ কাইয়া যাইতে পারেন। যদি ১/২ টাও ব্যাড রিভিউ জুটে যায় তাহলে আর কাজের ক্ষেত্রে আপনাকে কেউ ১ নম্বর প্রেফারেন্স দিবে না। সে আপনাকে সেকেন্ড ক্যাটাগরিতে রাখবে। আর বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজ করতে যাইয়া বিনা কারনে আপনার শত্রু জুটে যাবে। যেমন কয়েকদিন আগে একটি ঘটনার কথা বলি: 

একজন সুন্দরী মেয়ে ইন্টারনেটে তথাকথিত লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে কাজ শিখে একটি ব্যাচে বন্দী হয়ে। মেয়েটি মন মানসিকতা অনেক ভালো। সে যথারীতি টাকা দিয়ে এই ধরনের পেইড লাইভ ক্লাসে এনরোল হয় - ১৫০০০ টাকা খরচ করে। কয়েকটি চিটিং ক্লাস করানোর পরে মেয়েটিকে ছেড়ে দেয়া হয়। সে যথারীতি অথৈ সাগরে পড়ে যায়। আমার সাথে পরিচয় হয়। সে আমাকে এ টু জেড সব কিছু খুলে বলে। আমি তাকে মেন্টালি সাপোর্ট দেবার চেষ্টা করি। সে পরে ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করে এবং নিজে নিজে চেষ্টা করে একটা মার্কেটপ্লেসে কয়েকটা রিভিউ জোড়াগ করে ফেলে। কিন্তু সে যখন তার প্রোফাইলে রিভিউ পায় তখন তার ব্যাচমেটরা ঈর্ষান্বিত হয় এবং তাকে একজন জর্ডান বা এই ধরনের কোন দেশ থেকে হায়ার করে তার পরিচিত। কাজ করায় এবং যাবার সময়ে একটা ব্যাড রিকমেন্ডশন দিয়ে যায়। মেয়েটা ভেংগে পড়ে। সে কাস্টমার কেয়ারে কন্ট্রাক্ট করে এবং পরে সেই ছেলেটার রিকমেনডেশনটা ডিলেট হয়ে যায়। তো তার মন কারাপ হয়। প্রোফঅইলেও একটা দাগ পড়ে এবং তার নিজস্ব আইডি কার্ড  নাই। ফলে সে তার নিজস্ব প্রোফাইল ব্যবহার করে না। সে ব্যবহার করে তার মায়ের ডিটেইলস। এইভাবে সে প্রোফাইলের মাধ্যমে যা কিচু বালো করার চেষ্টা করতাছিলো তার থেকে লোকাল কাজ করেও তার ক্যারিয়ার চলতেছিলো। কিন্তু তাকে যে ধাক্কাটা দেয়া হরো প্রথমে ২ বার- একবার ১৫০০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়াতে যেখানে সে নিজে চেষ্টা করে ইউটিউব ভিডিও ঘেটে ঘেটে কাজ শিখেছে আর দ্বিতীয়ত  ব্যাডলি রিকমেন্ড করা- এই দুইটা বিষয়েই সে মার্ক করেছে এবং তার ক্যারিয়ারের উপরেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। 

তো একটা রিকমেনডেশন আপনাকে অনেক আগাইয়া দিবে। আপনাকে মানসিক ভাবে অনেক শক্তিশালী করবে। আপনি যতো বড় মাপের ফ্রি ল্যান্সার ই হোন না কেনো আপনি যদি পজিটিভ রিভিউ বা থাম্ব বা রিকমেনডেশন যদি আদায় না করতে পারেন বায়ার বা ক্লায়েন্টের কাছ থেকে- তাহলে আপনাকে কেউ তেমন ভ্যালু দিকে না। কারন টাকা আপনি যে কোন বাবেই উপার্জন করতে পারবেন কিন্তু পজিটিভলি কাউকে কাজের মাধ্যমে খুশী করে ইন্টারনেট মার্কেটপ্লেস থেকে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের রিভিউ যদি না পান তাহলে আর এইখানে আপনার কাজের কোন ভ্যালূ থাকবে না। আমরা যখন ২০০২ সালে প্রথম মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট দেখে থাকি তখন ধরে নেই যে এইটা ঝড়ে পড়া ইন্ডাস্ট্রির ছেলে বা মেয়েদের জন্য। তখন কার দিনে ২০০২-২০১১ সাল পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগত কে খুব বেশী দাম দেওয়া হতো না। সকলেই মনে করতো এইটা ফাতরা লোকদের ইন্ডাস্ট্রিজ বা ইন্টারনেটে নতুন করে কোন ধান্দাবাজদের চক্র। কারন তার আগেই ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন চার দলীয় ঐক্যজোটের ক্ষমতা থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের লোক টাকা পয়সা নিয়ে বাল ল্যান্সার, স্কাই ল্যান্সার, ডু ল্যান্সার টাইপের ক্লিকের ব্যবসা থাকাকলীন প্রচুর পরিমান লোকের প্রচুর পরিমান টাকা পয়সা হাতাইয়া নেবার কারনে বাংলাদেশের সমাজে ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড একটা খারাপ প্রভাব ছিলো। সেই প্রভাবটা দূর করতে অনেক অনেক সময় লেগেছে (ধরতে গেলে আপ টু ২০১৩)। যখন এই দেশে আবার সেই খারাপ প্রভাব টা দূর হলো তখন দেখা গেলো যে আবারো নতুন করে টাকা পয়সা নিয়ে ক্লাস করানো এবং ক্লাস নেবার লোকজনের উপদ্রব বেড়ে গেলো এবং সমানে সারা দেশ থেকে সহজ সরল কোমলমতি মানুষের পকেট থেকে টাকা নিয়ে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় আবারো  একটা খারাপ রিকমেনডশন তৈরী করা হলো।  যা দুর করার কোন ইচ্ছা এখন আর মনের মধ্যে কাজ করে না, এইটা তরুন বা নব্য ফ্রি ল্যান্সারদের দ্বায়িত্ব বলে মনে করি- বর্তমান চলমান সরকার যদি ডাক দিয়ে বড় সড় দ্বায়িত্ব ও ধরাইয়া দেয় তাও আমি সেটা রিজেক্ট করবো কারন এই দেশের জন্য কোন কিছু করার সাধ আসলে মিটে গেছে এই একটা ব্যাপার দেখার পরে যে - কাজ কাম শিখে অনার্স/মাষ্টার্স পাশ ছেলে বা মেয়েরা ইন্টারনেটে টাকা চাইয়া বেড়াইাতাছে।আর বর্তমানে রাজনৈতিক সরকার কেও আমি মন থেকে সাপোর্ট ও করি না- আমি সেই ঘরানার না। আমাকে যদি আবারো ভোট দিতে বলেন তাহলে আমি ভোট দেবার জন্য শাহবাগ গনজাগরনপন্থী রাজনৈতিক দলকে এবং তাদের প্রতীককে বেছে নিবো ভোট দেবার জন্য।    ফ্রিল্যান্সার / মার্কেটপ্লেস / আউটসোর্সিং জগতে একসময় বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা  বলে দিতো যে: বাংলাদেশী রা যেনো আবেদন না করে। এইটা অনেক বড় একটা অপমানের বিষয় ছিলো সারা দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য। ধরতে গেল বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ব্যাড রিকমেনডেশন। এর পরবর্তী ব্যাড রিকেমনডশন হইতাছে : বর্তমানে অনেক অনেক কোম্পানী বাংলাদেশে ছেড়ে চলে যাওয়া। যেমন: ক্লিকব্যাংক বা ইউটিউব মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম। এর পরের আরো বড় রিকমেনডেশন হইতাছে : বর্তমানে নামিধারী ফ্রি ল্যান্সার দের ইন্টারনেটে টাকা চেয়ে বেড়ানোর  ছলে বলে কৌশলে যে যার কাছ থেকে যেভাবে পারে সেভাবে টাকা আদায় করে যাইতাছে যা বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় বড় সড় প্রভাব ফেলাইতাছে। 

যে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ ভিউ বা পজিটিভ মেন্টালিটি থাকে তাহলে আপনি জীবেন অনেক লাভবান হবেন। পজিটিভ মেন্টালিটি না থাকলে আপনি পজিটিভলি কোন কাজ আদায় করতে পারবেন না বা কমপ্লিট ও হতে পারবেন না। গতানুগতিক মার্কেটপ্লেস গুলোতে আপনি শুধু ওয়ার্কার হয়ে কাজ করার সিষ্টেম ছিলো আগে। এখন যারা ওয়ার্কার তারাও প্রযোজনে বায়ার হতে পারবে।  এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে আপনি বায়ার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন বা সেলার হিসাবেও রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। বায়ার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি কয়েকটা অর্ডার সেল করার পরে যে ডলার জমবে সেটা দিয়ে আপনি প্রোডাক্ট ও কিনতে পারবেন। বায়ার হিসাবে আপনি যেমন সেলার কে পজিটিভ থাম্ব এবং গুড রিকমেনডেশন দিতে পারবেন তেমনি সেলার হিসাবেও আপনি বায়ার কে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডশন দিতে পারবেন। আপনার পজিটিভ থাম্বের উপরে ডিপেন্ডস করে ভবিষ্যতে কোন সেলার তার সাথে কাজ করবে কিনা তাও ঠিক করে নিতে পারবে। এছাড়াও এসইওক্লার্কে  আপনি সরাসরি ডলার আপলোড করে সার্ভিস কিনতে পারবেন। বায়ার রা যেমন সেলার দের পজিটিভ থাম্ব বা রিভিউ বা রিকমেনডেশন চেক করে তেমনি সেলার রাও বাযারদের পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডশন চেক করে থাকে- যারা কোয়ালিটি সেলার তারা। একটা রেসিং কার দিয়ে খুব দ্রুত গন্তব্যে পৌছার পর দেখা গেলো: কারটি ভেংগে গেছে। ফেরার কোন উপায় নাই। তো সেই হিসাবে একটি নরমাল কার দিয়ে যদি আপনি আস্তে আস্তে গন্তব্যে পৌছাতেন তাহলে আপনার ফেরারও উপায় থাকতো। ঠিক তেমনি মার্কেটপ্লেসে যদি আপনি তাড়াহুড়ো করে খবু দ্রুত কিছু করতে চান তাহলে হয়তো আপনি গন্তব্যে পৌছাবেন ঠিকই কিন্তু আপনার বাহন ভেংগে  যেতে পারে। আর যদি আপন িবুঝ শুণে আস্তে ধরে আগান তাহলে আপন  হয়তো সারাজীবন ই কাজ করতে পারবেন। আপনি আস্তে ধীরে আগান- প্রতিটা কাজ একুরেটলি কমপ্লিট করেন এবং ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাছ থেকে ১০০% রিকমেনডশন নিয়ে আগাণ।  আমার মতে:   আপনি যদি একুরেটলি কাজ করে থাকেন তাহলে আপনি ক্লাযেন্ট বা বায়ারের কাছে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডেশন চাইতে পারেন। এইখানে দোষের কিছু নাই। 

SEOClerks 

সব ফ্রি ল্যান্সার রা যা করবে আমাকেও যদি তাই করতে হয় তাহলে তো আমি আর সামনে আগাতে পারবো না। কারন ফ্রি ল্যান্সার ওয়ার্ল্ডে সামনে আগানোর মুল টিকস হইতাছে: আপনার নিজস্ব একটা টেকনিক। আপনি যদি আর ১০ জন ফ্রি ল্যান্সার কে ফলো করেন তাহলেও আপনি সফল হতে পারবেন কিন্তু আপনি হয়তো তৃপ্তি পাবেন না। কিন্তু আপনি যদি আপনার পারসোনাল একটি টেকনিক নিয়ে আগান তাহলে আপনি সফলতার সাথে সাথে তৃপ্তি ও পাবেন। ক্লায়েন্ট বা বায়ার বুঝবে না এরকম কোন টেকিনক অবলম্বন করে যদি ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে সাময়িক ভাবে ধোকা দিয়ে থাকেন তাহলে আপনি মনে রাখবেন যে আপনি আপনার দেশের পতাকাকে ধোকা দিলেন । পরবর্তীকালে ক্লায়েন্ট বা বায়ার আর কখনো বাংলাদেশী সেলারকে হায়ার করবে না কারন পতাকাট তার চোখে লেগে থাকবে। আর আপনি হয়তো ১০-১০০ উপার্জন করতে যাইয়া একটি ক্লায়েণ্ট কে ই নষ্ট করে দিলেন। সেই সাথে বাংলাদেশেল পতাকারও দুর্নাম ও বয়ে নিয়ে আসলেন। একজন সেলার বা ওয়ার্ক ার বা ইন্টারনেট প্রফেশনাল যখন সারা বিশ্বে কোন না কোন বায়ার বা ক্লায়েন্টের সাথে যে কোন প্রজেক্টে কাজ করে থাকে তখন তাকে কয়েকটা বিষয় মাথাতে রাখতে হয় যা পরবর্তীতে গুড রিকমেনডেশণ আনতে সাহায্য করে: 

  • আপনার প্রোফাইলের সব তথ্য রিয়েল কিনা?
  • সেকানে প্রদর্শিত বাংলাদেশের নাম বা সুনাম আপনি রক্ষা করতাছেন কিনা?
  • কাজাটাতে আপনার পারসোনাল বা দেশের কোন ক্ষতি হইতাছে কিনা?
  • আপনি কোন ধরনের চিটারি বা বাটপারির সাহায্যে ক্লায়েন্ট কে ধোকা দেবার চেষ্টা করতাছেন কিনা?
  • কাজটা আপনার প্রোফাইরেল জন্য গুড রিভিউ আনবে কিনা?
  • কাজটা আপনার প্রোফাইলের জন্য গুড রিকমেনডেশন আনবে কিনা?
  • আপনি কাজটা ১০০% একুরেটলি করতে পারবেন কিনা? 
  • কাজটা কমপ্লিট করার পরে আপনার দৈহিক, মানসিক বা শারিরীক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বা দৈশিক কোন ক্ষতি হবে কিনা?
  • একটা গুড রিভিউ বা পজিটিভ থাম্ব পাবার জন্য আপনি চাইলে একটু কমদামে হইলেও কাজ শুরু করতে পারেন বা কাজটা কমপ্লিট করতে পারেন। কার কাজের সাথে সাথে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডেশন ও অনকে মূল্য রাখে। 
  • যে ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতাছেন সে মার্কেটপ্লেসে ১০০% ভেরিফায়েড কিনা?
  • যদি কখনো ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে ক্রেডিট কার্ড এক্সস করতে হয় তাহলে সেটা পরবর্তীতে কোন সমস্যা আনবে কিনা?
  • আপনি কি মার্কেটপ্লেসে কোন ভ্যক্তিগত তথ্য আদান প্রদান করতাছেন কিনা? 
  • আপনি কিভাবে ক্লায়েন্ট কে পাইলেন কাজ শেষে জিজ্ঞাসা করে নেয়া?

Sunday, October 25, 2020

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ থাম্ব বলতে কি বোঝেন?

ইন্টারনেটে এখন অনেক খানে পজিটিভ থাম্বের ব্যবহার আছে। যে কোন পোষ্টের নীচে অনেক সময় থাম্ব ব্যাপারটা দেখা যায়। আবার অনেকখানে অনেক ওয়েবসাইটে আছে এই থাম্ব ব্যাপারটা। এইটাকে বাংলাদেশে অনেক সময় বাল (যা মানুষ আংগুল দিয়ে ক্রিটিসাইজ করার জন্য ব্যবহার করে) যার মিনিং খারাপ সেরকম বোঝানো হতো। বেসিকালি থাম্ব আপ বলতে বোঝানো হয় যে : ব্যাপারটা ভালো। আর থাম্ব ডাউন বলতে বোঝানো হয় ব্যাপারটা খারাপ। আর ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সাধারনত গ্রিন এবং রেড কালার দ্বারা থাম্ব আপ এবং ডাউন বোঝানো হয়। ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং রিলেটেড কোন ওয়েবসাইটে যদি আপনি কাজ করিয়ে সন্তুষ্ট হোন তাহলে সেখানে আপনোকে থাম্ব আপ বা গ্রিন থাম্ব দিতে হবে আর যদি আপনি পছন্দ না করেন তাহলে রেড থাম্ব বা খারাপ বলতে পারেন। তবে একজন পারফেক্ট প্রফেশনালস কখনো কাউকে খারাপ থাম্ব বা রেড থাম্ব বা ডাউন থাম্ব দিবে না। কারন যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে তারা সাধারনত খেটে খায়- বুদ্বি বা পরামর্শ করে সঠিক কাজটা সঠিক ভাবে উপার্জন করার চেষ্টা করে। যার থাম্ব বেশী থাকে তার কাজ পাবার সম্ভাবরা বেশী থাকে। সেই সাথে যার রিকমেনডশন ও বেশী থাকে তারও কাজ পাবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। 




এইখানে দেখেন পজিটিভ রেটিংস হিসাবে প্রমান শো করা আছে। ইন্টারনেটে যারা খুব ভালো হাই লেভেলের সেলার তাদের প্রায় হাজার হাজার রিভিউ আছে। বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সারদের পজিটিভ তাম্বের সাথে - বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কোন সম্পর্ক নাই। একটা ব্যক্তিগত প্রোফাইলে যদি ৩০০ থাম্ব বা পজিটিভ রিভিউ আসে তার মানে এই না যে- সে এই দেশের বিরাট কিছু। সে তার প্রোফাইলে নিয়মিত কাজ করার জন্য সারা বিশ্বের বায়ার রা তাকে পজিটিভ থাম্ব দিছে যেখানে সে যেনো আরো অনেক ভালো কাজ পায় বা সেই সেলারের জন্য অনেক শুভ কামনা  করে থাকে। আরো যারা বিরাট ভালো করে তাদেরকে বায়ার রা রিকমেনডশন করে থাকে লিখিত ভাবে যেনো তাকে আরো অন্যান্য সবাই কাজ দেয়। 


সেলার রা যে কাজ পায় তার উপরে যে রিভিউ দেয় তাকে সেলার স রিভিউ বলে বা পজিটিভ রিভিউ বলে। এক দল পাগলের সাথে একবার কথা হইতেছিলো: বলতাছে মাসুদ ভাই যদি ৩০০ রিভিউ এর মালিক হয় তাহলে মাসুদ ভাই এই দেশের বিরাট লোক হয়ে যাবে। তো আমি উত্তরে বললাম: কেনো ভাই আমি বিরাট লোক হবো কেনো? এ দেশে তো হাজার হাজার সেলার আছে যারা প্রায় ২০০০/৩০০০/৪০০০ রিভিউ আছে বা পজিটিভ রেটিংস আছে এবং তারা বাংলা মায়ের সন্তান। তারা বিরাট বা প্রধান লোক হবে। তো সে বলতাছে তারা তো আর রাজনীতি করে না। তো আমি বললাম: আমিও তো কোন রাজণীতি করি না (শাহবাগ গনজাগরন পন্থী রাজেনৈতিক দলগুলোকে সাপোর্ট। করি) তারপরে সেই পাগল অফ গেছে এবং বলতাছে তাহলে কোন মাসুদ এর কথা সে শুনেছে ( মানে সে মনে হয় অন্য কোন মাসুদের কথা শুনেছে যে এই দেশে বড় কিছু হতে চায়) । তো আমি বলেছি পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ মাসুদ আছে আপনি হয়তো অন্য কারো কথা শুনেছেন। আর এসইওক্লার্কে আমার ইউজার নাম সেঞ্চুরিয়ন।

বেসিকালি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিভিউ খুব গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার। আপনার যদি ১ টিও ব্যাড রিভিউ পরে তাহলেও আপনার প্রোফাইলের বড় সড় ক্ষতি হতে পারে। আপনি চাইলে ও কোন বড় ধরনের কাজ পাবেন না। এইখানে নীচে একজনের রিভিউ দেখেন প্রায় ৭৮০০০ রিভিউ আছে যা কিনা এককথায় বিশ্বের সেরা মানের ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে প্রমান করে থাকে এই ইউজার কে। এরকম হাজার হাজার ফ্রি ল্যান্সার আছে সারা বিশ্বে। পজিটিভ থাম্ব কোন রাজনৈতিক ইস্যু না- এইটা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিভিউ বলতে কাজের ভালো সুনাম আছে বোঝানো হয়। সেলার ভালো কাজ জানে বা পারে সেটাও বুঝানো হয়।  


আপনি ভালো কাজ জানেন বা আপনার কাজের ভালো রেটিং আছে বা আপনি যে কোন সার্ভিস কে ভালো করে প্রমোট করতে পারেন তাকে পজিটিভ রিমার্কস দ্বারা প্রকাশ করা হয়। প্রত্যেকটা  মার্কেটপ্লেসে আলাদা আলাদা করে পজিটিভ রিভিউ ডিজাইন করা হয়। এইখানে যদি আপনি একজন বায়ার হিসাবে কাজ করতে যান তাহলে আপনাকে খুব ভালো করে সেলারস রিভিউ চেক করতে হবে। যেহেতু এখনকার দিনে ক্রেডিট কার্ড খুবই সহজ আর যে কেউ চাইলে যে কোন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ইন্টারনেটে থেকে প্রডাক্ট কিনতে পারে সেহেতু এইখানে আপনি যখনি কোন সার্ভিস কেনার জন্য এনরোল করবেন তখণি আপনাকে খেয়াল করতে হবে যে - আপনি কি রিয়েল সেলারের সাথে ডিল করতাছেন কিনা? ভিপিএন ব্যবহার করে এবং ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে আপনি যে কোন দেশের বায়ার হয়ে যাইতে পারেন (বোধ করি। আমার কাছে প্রমান নাই কিন্তু ধারনা করি)। কিন্তু এসইও ক্লার্ক ওয়েবসাইটে ভিপিএন ব্যবহার করলে কোন কুপন এড করা যায় না। সেই হিসাবে বলা যায় যে: অন্ততপক্ষে এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে ভিপিএন ব্যবহার করে কেউ ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একাউন্ট লোড করতে পারবে না। কিন্তু অন্যান্য ওয়েবসাইটে ভিসিসি (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) কিনে মার্কেটপ্লেসের ক্লায়েন্ট সেজে ভিসিসি র দেয়া ডিটেইলস ব্যবহার করে যদি কেউ ক্লায়েন্ট একাউন্ট মেক করে যে কোন দেশের পতাকা দিয়ে এবং যদি সে তার পরিকল্পনা মোতাবেক পছন্দণীয় সেলার কে হায়ারও করে থাকে একর পর এক - তাহলে সেখানে এক ধরনরে ফেইকইজমের তৈরী হইতাছে যা হয়তো আমাদের দেশের অনকে তথ্য প্রযুক্তিবিদ বুঝতে পারবে না। উপরে আমার যে ২৯৯ রিভিউ তা আমি অনেক কষ্টে রাত দিন খাটাখাটি করে তৈরী করেছি ৫+ বছরে। এসইওক্লার্কের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডাইরেক্ট উইথড্র কোন প্রসেস নাই। মানে এইখানে উপার্জিত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে আনা যাবে না কিন্তু পাইওনিয়ারে/পেপালে/পেল্যুশনে লোড করা যাবে বা পাইওনিয়ার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়ে আসা যাবে। তাহলে - অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে যদি ভিসিসি এড করা যায় আর সেখান থেকে যদি সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার উইথড্র করা যায়- তাহলে সেখানে কি সরকারের কোন ক্ষতি হইতাছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখতে হবে? ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কিনলে আপনাকে ফুল ডিটেইলস ইনফরমেশেন দিবে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড সেলার ওয়েবসাইট। সেখানে আপনি প্রথম নাম, শেষ নাম, যে দেশের ভিসিসি কিনবেন সেই দেশের নাম, ঠিকানা সব কিছু ইন ডিটেইলস প্রদান করে যা আপনি ইন্টারনেটে ব্যবহার করতে পারবেন যে কোন ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য- অনেক সময় দেখলাম ফোন নাম্বার সহ দিয়ে থাকে। কয়েকদিন আগে আমি আমার জীবনের প্রথম ভিসিসি কার্ড পাই ২৫ ডলারের মূল্যের - একটা সোশাল মিডিয়া প্যানেলে আপডেটও করি সেই ভিসিসি ব্যবহার করে এবং সেই ডলাল লোড হয় এবং সেই সোশাল মিডিয়া প্যানেলে এপিআই আছে। এপিআই আছে এরকম কোন ওয়েবসাইট ভিসিসি এর ক্ষেত্রে কোন ভুল করবে না। সেই ডলার আমি ব্যবহার ও করলাম। একখানে রিভিউ দিলাম - সেটা থেকে ২৫ ডলার উপার্জন করেছি। 




আমাদের দেশের যে কোন মার্কেটপ্লেসে আমাদের দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা এই ধরনের কিছু করতাছে কিনা- নীরবে বা আড়ালে (অনেকেই অনেক ভালো ভালো কাজ জানে)

  • মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ভিসিসি (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) কে এড করা যায় কিনা?
  • (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) ব্যবহার করে ডলার এড করা যায় কিনা? 
  • ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কেনার পরে তার সাথে দেয়া ডিটেইলস কি ব্যবহার করতাছে কিনা - মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে। 
  • প্রথমেই মোবাইল এবং ইমেইল ভেরিফিকেশন করতে হয় কিনা?  যদি করে থাকে তাহলে এইখানে বিশাল একটা ডলার লস হইতাছে। কারন কয়েকদিন আগে দেখলাম এক ওয়েবসাইটে ১০০ ডলার ভিসিসির দাম: ৩৫০ ডলার। এইখানে অনেক বড় লস হয় ভিসিসি কিনতে গেলে। 
এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে প্রথমেই রেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনাকে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করতে হবে। তাছাড়া আপনি এখন আর সহজে ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনাকে বাকী সব ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করে পরে সামনে আগাতে হবে- যদি চায় তাহলে। এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে আপনি বিটকয়েন, ইথারিয়াম এবং লাইট কয়েন দ্বারা ও কেনাকাটা করতে পারবেন যে কোন এসইও সার্ভিস কিন্তু বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েনে উইথড্র করতে পারবেন না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য কোন মার্কেটপ্লেস থেকে বিটকয়েণ দ্বারা কোন সার্ভিস কেনা যায় না। ইন্টারনেটে বিটকয়েণ বা ব্লকচেইন এক্সপ্ট করে না এরকম কোন নামী দামী ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্টানই নাই বলতে গেলে সারা বিশ্বে। এখন ফেসবুকও লিরা নামে তাদের  নিজস্ব ক্রিপ্টো কারেন্সী আনতাছে সারা বিশ্বে। যতোদূর জানি ভিপিএন ছাড়া ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড মনে হয় আমাদের দেশের ছেলে পেলে রা ব্যবহার করে না। সে ক্ষেত্রে যে দেশের ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড তারা কিনে সেই দেশের ভিপিএন যদি তারা ব্যবহার করে তাহলে তাার সহজে যে কোন মার্কেটপ্লেসে নিজেদেরকে ফরেন বায়ার বা ক্লায়েন্ট বলে পরিচয় দিতে পারবে- যদি রেজিষ্ট্রেশন করে থাকে (ব্যাপারটা যদি)। আর সে হিসাবে তারা ফেইক সার্ভিস কিনে যে কোন ওয়ার্কারকে রিভিউ ও দিতে পারবে এবং তাকে বাস্তব জীবনে ব্যবহার ও করতে পারবে। সবটাই আমার ধারনা- কারন বাস্তবে আমার হাতে কোন প্রমান নাই। কারন আমি নিজেই আমার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একই দেশ থেকে আরেকজন ওয়ার্কারকে আমি হায়ার করেছি ফ্রি ল্যান্সার ডট কম ওয়েবসাইটে। আর এসইওক্লার্কে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করে কোন ধরনের কুপন এড করতে পারবেন না - কারন আমার যখন কাউকে কোন কুপন অফার করি আর তার কাছে যদি ভিপিএন থাকে তাহলে সেখানে কুপন টা কাজ করে না। সে হিসাবে বলে দেয়া যায় যে-  পৃথিবীতে সবচেয়ে ভালো মার্কেটপ্লেস এইওক্লার্ক। প্রায় ১৫ লক্ষ সেলার আছে রেজষ্ট্রার্ড যারা তাদের সার্ভিস সেল করে যাইতাছে। সেখানে প্রতি মূহুর্তে চেষ্টা করে ভালো একটা কাজ করা বা রিভিউ আনা আমার জন্য বিরাট ব্যাপার আর আমার কাছে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজের মূল্যায়ন হইতাছে সততা। তো আপনি ও ফ্রি রেজষ্ট্রিশন করে একটা ভালো মানের সার্ভিস তৈরী করে  সমানে সেলস শুর করেন আর পজিটিভ রিভিউ আনতে থাকেন। দেখবেন কাজ করে আপনার কতোটা ভালো লাগে। 

পজিটিভ রিভিউ আনার জন্য আপনি যদি পরিকল্পিতভাবে কারো সার্ভিস ক্রমাগত কিনে থাকেন তাহলে যার সার্ভিস ক্রমাগাত কিনলেন এবং তাকে রিভিউ দিলেণ সে হয়তো কিছুটা আশ্চর্য হবে কিন্তু তার সাইড থেকে সে কোন ভুল করলো না। কিন্তু যার কাছ থেকে সার্ভিস কিনলেন এবং সে যদি জেনে থাকে তাহলে এইখানে একটা ফেইকইজম তৈরী হয়ে গেলো। এইখানে যদি আপনি সরকার বা জনগনকে ধোকা দেন তাহলে আপনি সেই আরাম বা সততাটুকু পাবেন না। আমি এসইওক্লার্কে আমার যে কোন রেফারেল কে আমি ৫ ডলার এর কুপন দিতে পারি যাতে সে এসইওক্লার্ক সার্ভিস কিনতে ভবিষ্যতে ইন্টারেষ্টেড হয়। যাকে ৫ ডলারের কুপন দিবো সে সেটা উইথড্র করতে পারবে না। তাকে অতি অবশ্যই আমার কাছ থেকে একটা সার্ভিস কিনতে হবে। আমার প্রোফাইলে দেয়া আছে এরকম যে কোন ৫ ডলারের সার্ভিস সে আমার কাছ থেকে কিনতে পারবে। আর যদি আমি তার অর্ডার দেয়া কাজটা ভালো করে সম্পূর্ন  করে দিতে পারি আর সে দি আমাকে পজিটিভ থাম্ব দেয় এইখানে দোষের কিছু নাই। কারন যে ৫ ডলারের কুপন নিয়ে একটা কাজ কমপ্লিট করিয়েছে সে একটা পজিটিভ থাম্ব দিতেই পারে বা সেলার হিসাবে আমি চাইতেই পারি। এইটা এসইওক্লার্কের প্রমোশণ। 

কিন্তু আপনি যদি একজন সেলারের সাথে চুক্তি করেন যে- আপনি আপনার নিজস্ব ক্রেডিট কার্ড দিয়ে তার কাছ থেকে একটা সার্ভিস কিনবেন  ১০০ বার এবং ১০০ বার তাকে পজিটিভ থাম্ব দিবেন আর মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের বাহিরে তার সাথে ইলিগ্যাল লেনাদেনা করে ফেইক পজিটিভ রিভিউ দেন তাহলে সেটা হবে খারাপ বা দুই নম্বর গিরি। কারন যখন আপনি কারো কাছ থেকে আপনার নিজের পয়সা বা ডলার দিয়ে সার্ভিস কিনবেন তখন সেখানে আপনাকে ১০০ ভাগ সততার পরিচয় দিতে হবে। ইভেন আপনি চাইলেই পরিচিত কারো কাছ থেকে সার্ভিস কিনতে পারবেন না। আপনাকে সার্ভিস কেনার ক্ষে্ত্রে সততার পরিচয় দিতে হবে। আপনি যতোবার সার্ভিস কিনবেন ততোবারই আপনাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট অনুযায়ী রাইট ক্যাটাগরি তে সার্ভিস সার্চ করে কিনতে হবে বা ওয়ার্কারদের ক্ষেত্রে আপনি মনে চাইলেই পরিকল্পিত ভাবে প্রতিবার ই একজনকে শুধু হায়ার করতে পারবেন না। আপনাকে প্রতিবার জবের জন্য পোষ্ট করতে হবে- যারা বিড করবে তাদের মধ্যে সেরা জনকে খুজে বের করে কাজ দিতে হবে। যেমন মনে করেন: আমি মার্কেটপ্লেসের একজন বায়ার। আর আপনি একজন ওয়ার্কার। Marketplace Website এর বাহিরে আপনার সাথে আর্থিকভাবে চুক্তি করলাম আর আমার সাথে আরো ১০ জন আছে। আমরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক। সেই হিসাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ আছে। তো আপনি আমার সাথে বাহিরে কন্ট্রাক্ট করলেন আর তারপরে আমাকে ভালো অংকের টাকা পয়সা দিলেন আর আমাকে বললেন যে আমার ১০ জন বন্ধুর মাধমে ১০ দেশের ক্লায়েন্ট একাউন্ট তৈরী করে আপনাকে ১০ টা কাজের জন্য ওয়ান বাই ওয়ান হায়ার করতে। তারপরে আপনার একাউন্টে ১০ টা কাজের রিভিউ যুক্ত হলো এবং ১০ টা পজিটিভ থাম্বও এড হলো। সেই টা সততার সাথে পজিটিভ রিভিউ ইনকাম হবে না। পজিটিভ রিভিউ ইনকাম হবে তখন যখন কোন ওয়ার্কার নিজে চেষ্টা করে জব খুজে বের করবে তারপরে সেখানে বিড করবে বা কাজের জন্য আবেদন করবে এবং তারপরে সেখানে সে জবের জণ্য যোগ্যতা অনুযায়ী সিলেক্ট হবে এবং সঠিক ভাবে কাজ করবে এবং ক্লায়েন্ট আপনার কাজে খুশী হয়ে নিজের মন থেকে আপনাকে পজিটিভ রিভিউ দিবে - এইটাকে বলা হয় বা হবে অনেষ্ট পজিটিভ রিভিউ। এই রকম পজিটিভ রিভিউ যাদের আছে তারা ই আসল ফ্রি ল্যান্সার। 

ফেইকইজম করে তো আমিও আপনাকে কয়েক হাজার পজিটিভ রিভিউ পাওয়াইয়া দিতে পারবো - বাংলাদেশ সরকার বাল ও কিছু জানতে পারবে না- তাতে তো আর আপনি অরিজিনাল ফ্রি ল্যান্সার হতে পারলেন না।  আসলে যারা বাযার বা সত ক্লায়েন্ট তাদের কিছু ক্যাটাগরি আছে যেমন: সে বেসিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মতো আচরন করবে। একটা জব যদি আপনি তৈরী করেন আর সেখান কার লিংক যদি আপনি স্কাইপে বা মেসেন্জারে দিয়ে থাকেন তাহলে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের যে ট্রাফিক ট্রাকার আছে সে সহজেই বলে দিতে পারবে যে আপনি ইনটেনশনালি একজনকে ওয়ার্কার হিসাবে হায়ার করেছেন যা পূর্ব থেকে নির্ধারিত। কিন্তু এইভাবে হাযার করার জন্য আপনি মার্কেটপ্লেস ব্ল্যাকলিষ্টেড বায়ার হবেন।

এসইওক্লার্ক প্রমোশনের কাজ পাবার পর থেকে আমি বাংলাদেশী ছেলে বা মেয়ে যারা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কে
টপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার জগতে চেষ্টা করতাছে তাদেরকে এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইট এ রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে ফ্রি তাকে ৫ ডলার কুপন দিয়ে তার কাছে একটা সার্ভিস সেল করে থাকি (আমি চাইলে সারা বিশ্বে প্রমোশন করতে পারবো ৫ ডলারের কুপনের যে আমার কাছ তেকে একটা এসইও সার্ভিস কিনতে আগ্রহী হবে তাকেই দিতে পারবো)। সব মিলিয়ে বিগত ৩/৪ বছরে ২৫ জন কে পাইছি (এমনিতে অনেক রেজিষ্ট্রেশন হয় সবাইকে অফার করি না) যারা আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিস্ট্রেশন করে আমার কাছ থেকে ৫ ডলারের সার্ভিস কিনেছে- ধরা যাক ১০০ ডলার আমি এইভাবে রেফারেলে সার্ভিস সেল করে উপার্জন করেছি। এছাড়া আমার রেফারেল লিংকের প্রমোশন আছে প্রথম দিন থেকেই।আছে এফিলিয়েট ষ্টোর : এসইওলিষ্টলি। এছাড়াও আছে বায়ার হিসাবে পজিটিভ রিভিউ পাওয়া। সেলার হিসাবে সার্ভিস সেল করে পজিটিভ রিভিউ পাওয়া। এছাড়াও জব সেকসান থেকে আবেদন করে কাজ কমপ্লিট করে রিভিউ পাওয়া। একেকটা রিভিউ এর জন্য দিন রাত পরিশ্রম করতে হয় । একেকটা ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে ১০০% কাজ দ্বারা স্যাটিসফায়েড করে রিভিউ আনতে হয়। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি হঠাৎ করে আইসা বলেন যে আপনার ৫০০০ রিভিউ আছে তখন আপনার প্রোফাইল টা ঘেটে দেখতে হবে যে:

  • আপনি কোন ধরনরে ছল চাতুরীর আশ্রয় নিয়েছেন কিনা?
  • মার্কেটপ্লেস কে আপনি ধোকা দেবার চেষ্টা করতাছেণ কিনা বা করেছেন কিনা? 
  • আপনি পরিকল্পিতভাবে নিজে নিজে বা গ্ররপ আকারে ডলার আপলোড করে আবার ডাউনলোড করতাছেন কিনা?
  • আপনার  প্রোফাইল দ্বারা উপার্জিত ডলার ১০০% একুরেটি কিনা বা সেটা ১০০% রেমিটেন্স কিনা? 
এরকম হাজারো বিষয়ের উপরে ডিপেন্ডস করে আপনাকে পজিটিভ রিভিউ অনার বলা হবে বা আপনাকে পজটিভ রিভিউ আর্নার বলা হবে। আমি এখন এফিলিয়েট স্টোর নিয়ে বেশীর ভাগ সময় কাজ করে থাকি কিন্তু আমার ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে যতোগুলো পজিটিভ থাম্ব পেয়েছি ততোগুলো ই অনেষ্টলি পেয়েছি এবং প্রয়োজেন ক্লায়েন্টের সাথে আনডারষ্টেনিডং করে হাজার হাজার ডলারের কাজ ছেড়ে দিয়েছি কাজ কমপ্লিট করার পরেও (Mutual Cancellation) যদি পজিটিভ থাম্ব দিতে রাজী না হয়েছে বা যদি বলেছে ব্যাড রিভিউজ দিবে- তাহলে সেই কাজই আমি ছেড়ে দিতাম। কারন আমি বলতাম- ডলার সারা জীবনই উপার্জন করতে পারবো কিন্তু একটা ব্যাড রিভিউজ আমার জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াবে। যদিও আপনি কোন কাজ একুরেটলি করার পরেও যদি কেউ আপনাকে ব্যাড রিভিউজ দেয় তাহলে এসইওক্লার্কে রিক্যুয়েষ্ট করলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তারা সেই অর্ডার টা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ব্যাড রিভিউজ টা ডিলেট করে দিবে। এসইওক্লার্কের আরো অনেক ফাটাফাটি বিষয় আছে যা ধীরে ধরে বলা হবে- আমার অভিজ্ঞতা থেকে। 

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কাররা রিভিউ বলতে একটা সার্টিফিকেট বোঝায়। একসময় যখন ওডেস্কে কাজ করতাম তখন ক্লায়েন্টের অল ইনফরমেশন পাওয়া যেতো। এখন ক্লায়েন্টের অল ডিটেইলস পাওয়া যায় না কোথাও কোন মার্কেটপ্লেসে বেশীর ভাগ সময়ে। এইখানে টিকে থাকাটাই সবচেয়ে বড় কথা। আপনি চাইলে আপনার সকল ক্লায়েন্ট কে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে নিয়ে যাইয়াও কাজ করতে পারবেন সে ক্ষেত্রে মার্কেটপ্লেস আপনার কাছে ঠকে গেলো- এক কথায় আপনার উপকার করতে আইসা ধরা খাইয়া গেলো। সাধারনত মার্কেটপ্লেস গুলোকে ১০%-২০% দিতে হয় প্রতি ১ ডলারে। আপনি নিজে যদি দেবার মেন্টালিটি না তৈরী করেন তাহলে আপনাকে ফরেনার বায়ার বা  ক্লায়েন্টরা কিভাবে দেবে? এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়াবহ কাজ হলো : মানুষের কাছ থেকে বা মানুষের পকেট থেকে ডলার আদায় করা। আর মার্কেটপ্লেসে বসে থেকে নিজের কাজের সুনাম বা রিভিউ বা রিকমেনডশন দিয়ে যে কোন দেশের ক্লায়েন্ট বা বায়ারের পকেট থেকে ডলার বের করে আনা - এইটাকে আপনি যা তা আলাপ বলে মনে করতে পারেন না। আমাদের দেশে সেই সকল ছেলে বা মেয়েরা খুবই সৌভাগ্যবান - যাদের বাবা এবং মা বা পরিবারের সদস্য রা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে প্রতিষ্টিত করার জন্য খুবই সুন্দর করে ওয়ার্কষ্টেশন বানাইয়া দিছে যারা মনোযোগ দিয়ে কাজ করতাছে- নিজের, বাবা এবং মার এবং সারা দেশের নাম উজ্জ্বল করতাছে এবং একই সাথে রেমিটেন্স নিয়ে আসতাছে। আর তারা প্রকৃতই দুর্ভাগ্যবান যারা কাজ জানার পরেও পরিবার বা দেশ থেকে সুযোগ বের করে কাজ করতে পারতাছে না। জ্ঞান এমন এক জিনিস যা আপনাকে দাবড়াবে সব সময়। আর অজ্ঞতা/নিরক্ষরতা/মূর্খতা এমন এক জিনিস যা আপনাকে বিরক্ত করবে সব সময়। তো আমাদের দেশে যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগত সম্পর্কে অজ্ঞ তারা আরো বেীশ পরিমান পড়াশোনা করে জিনিসগুলো জানবেন এবং আপনার চোখে যদি কোন কিছু ধরা পড়ে তাহলে আপনি আইন পুলিশের সাহায্য নিবেন। কারন আপনি তো আর জানেন না যে- কে কখন কোন দেশ থেকে আপনাকে কখন হায়ার করতাছে? কেউ যদি বলে সে বাংলাদেশের বায়ার বা ক্লায়েন্ট এবং ক্লায়েন্ট বা বায়ার বাংলাদেশেই পাওয়া যায় তাহলে মনে রাখতে হবে যে- বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের গরীবতম দেশ। এইখানে প্রায় ৫-৬ কোটি মানুষ দৈনিক রোজগার করে চলে। এইখানে গুটিকয়েক মানুষ বায়ার হতে পারে যা একটি পাড়া বা মহল্লার চাহিদা পূরন করতে সক্ষম কিন্তু সারা দেশে/ ভারতীয় ৭টি অংগরাজ্য সহ তথাকথিত ২ কোটি ফ্রি ল্যান্সার হতে চাওয়া বাংগালী জাতির  খোরাক হতে হলে ৪৫০-৫০০ কোটি ইহুদি, খ্রীষ্টানদের দ্বারস্থ হতেই হবে কারন তারাই প্রকৃত বায়ার - প্রকৃত ক্লায়েন্ট। তারাই ডলার ইউরো পাউন্ডের মালিক। আপনার কাজ দ্বারা তাদের পকেট থেকে যখন আপনি ডলার ইউরো বা পাউন্ড উপার্জন করতে পারবেন তখনি আপনি প্রকৃত উপার্জন করতে পারবেন আর তার কাছ তেকে যদি রিভিউ পান তাহলে বুঝতে হবে যে আপনি একটা রিয়েল রিভিউ পাইছেন। যারা ছলে বলে কৌশলে রিভিউ এর দাপট দেখাইতাছে বা প্রোফাইলের দাপট দেখাইতাছে তাদের মনে রাখতে হবে যে- তাদের প্রোফাইলের সততার স্বাদটুকু কতোটুকু। কারন ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। 

SEOClerks






ব্যক্তি হিসাবে এখানে যদি কেউ ১ ডলার ও সতভাবে উপার্জন না করে এইখানে তার কোন দাম নাই। এইখানে একমাত্র দাম আছে সরকারি পৃষ্টপোষকতার। ব্যক্তি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পৃষ্টপোষকতা এইখানে ২ নম্বরগিরি বাড়িয়ে তুলবে। সরকারি পৃষ্টপোষকতা বলতে সারা দেশের মানুষ এখনো ব্রডব্যান্ডের আওতায় আসে নাই। আজকে ২০ বছর বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ডের। সারা দেশে এর সুফল পৌছাতে পারলে আরো বেশী পরিমান রেমিটেন্স আনা সম্ভব হবে- সম্ভব হবে আলাদা মুদ্রানীতি গ্রহন করতে ও।  Christinae (ক্রিষ্টিনি) নামের একজন মহিলা বায়ার (ওডেস্ক) যার বর্তমান বয়স হবে ৬৫-৭০+ এর মধ্যে - যে কিনা আমেরিকার ফ্লোরিডাতে বসবাস করে- উনি আমাকে ২০১০-১১ সালে বড় মাপের একটা প্রজেক্টের কাজ দিয়েছিলেন যেখান থেকে আমি বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসের কাজ ছেড়ে দিয়ে উনার প্রজেক্টের মাধ্যমে ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সিং এ নাম লেখাই। তার আগে পার্টটাইম করেছি ২০০২-২০১১। ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সার হবার পরে উনিই প্রথম আমাকে পজিটিভ রিভিউ দেন। উনার কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে। উনার প্রজেক্ট কমপ্লিট করার পরে বলেছিলেন যে- উনি আমার জন্য একটা বোনাস বাজেট রেখেছেন যা ফ্লোরিডাতে উনার অফিসে বাস্তবে যাইয়া গ্রহন করতে হবে। এরকম আরো অসংখ্য ক্লাযেণ্টের পজিটিভ ডিটেইলস পওয়াও সম্ভব এবং সৌভাগ্য আমার হয়েছে। 

Translate