Subscribe youtube

🎥 Subscribe to My YouTube Channel!

Loved this blog or post? Continue the journey with me on YouTube. Watch my latest videos and hit Subscribe to stay connected!

👉 Subscribe Now
Showing posts with label ফ্রিল্যান্সার. Show all posts
Showing posts with label ফ্রিল্যান্সার. Show all posts

Wednesday, November 18, 2020

কম্প্রোমাইজ মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার (Freelancer Compromise) বলতে কি বোঝেন?

যখণ প্রথম ফ্রি ল্যান্সার আউটসোর্সিং ই্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে তখনি এক ধরনের লোকের রোষানলে পড়ে যায় এই ইন্ডাষ্ট্রিজ। কিভাবে একজন আরেকজন কে সাহায্য করা যায় - কিভাবে এই ইন্ডাষ্ট্রিজটা বাংলাদেশে দাড় করানো যায় বা কিভাবে পাড়া বা মহল্লাতে ছড়াইয়া ছিটাইয়া যায় সেটাই ছিলো প্রধান ‍চেষ্টা। মানুষজন খেটে না খেটে বা কষ্ট করে বা একজন আরকেজনকে হাত ধরে বলতে গেলে এই ইন্ডাষ্ট্রিজটা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। কাজ শিখায় এবং কাজ শিখতে সাহায্য করে। পারস্পরিক একটা কম্প্রো্মাইজের মাধ্যমে সবাই একসাথে হয়ে কাজ করে- ডলার উপার্জন করে এবং ডলার রেমিটেন্স আনতে সাহায্য করে। কেউ কাউকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখে নাই। ২০১১ পর্যন্ত আমার কখনোই মনে হয় নাই যে: আমাকে কেউ ঝামেরাতে েপলাতে পারে বা কষ্ট দিতে পারে। একসাথে সব একাউন্ট হারিয়ে ফেলি ২০১১ সালের একদিনে হ্যাকারদের আক্রমনে। বাংলাদেশী হ্যাকার- নাম দিয়েছিলো “সোনিয়া।” আরো ডিটেইলেস খোজ খবর নিয়ে জানলাম যে: তারা এদশের দালাল/রাজাকার প্রজন্ম কর্তৃক সমর্থিত একটি শক্তি। বাংলাদেশে রেমিটেন্স আসাটা তারা পছন্দ করতাছে না। তাদেরকে ভাগ ভাটোয়ারা দিতে হবে। আমি তখন মনে মনে বললাম: দালাল/রাজাকার প্রজন্ম ছাড়া তো আর কারো পক্ষে সম্ভব না একজন আরকেজনের ক্ষতি করা। বিনা কারনে একজন আরকেজনের ক্ষতি থেকেই তো তৈলিী হয়েছিলো ৭১ এর স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ব। জাতে বাংগালী কারো না করো তো ইন্ধন ছিলো- নয়তো এতো বড় গনহত্যা কিভাবে তৈরী হয়? প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকে ট্যাংক এনে বাংলাদেশে রেখে সমর সাজিয়ে অতর্কিতে হামলা - মূদূ পরিকল্পনা মাফিকই হয়েছে। মুক্তিযোদ্বারা যেমন পরিকল্পনা মাফিক ছক কষে যুদ্বে অংশগ্রহন করে জিতেছে তেমনি দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধীরা ও একটা পরিকল্পনা করেই বাংলাদেশে গনহত্যা রচনা করেছিলো। যেই গনহত্যার বিচার আজো প্রলম্বিত আকারে চলতাছে- ৪৯ বছল পরেও এখনো অনেক দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধী রা ঝীবিত - কারো না কারো ইংগিত, প্রচ্ছন্ন সাহায্য তো অবশ্যই আছে। তো এখণ ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোসিং এর জগত টা হয়ে গেছে কমপ্লিকেটেড অনেক। একজন আরেকজনের বিরুদ্বে বিনা কারনে  লেগে যাইতাছে- যা কখনোই কাম্য ছিলো না। 


শুনেছি একদল রাজাকার যারা ৭১ এ সবচেয়ে কমবয়সী ছিলো ১০-১২ বা ১২-১৬ বা ১৬-১৮ বছর বয়ষী স্বজ্ঞানে স্বইচ্চায় ১৯৭১ এ বাংগালীদেরকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করে নাই, যারা দালাল রাজাকারের বা দেশবিরোধীদের সন্তান ছিলো, প্লাষ্টিক সার্জারী করে প্রত্যেকেই তাদের নিজস্ব বয়স কমিয়ে রেখেছে ১০ থেকে ১২ বছর যার বয়স ৬৫ বছর তারে দেখলে মনে হবে ৫৫ বছর এরকম করে রেখেছে তারাই নাকি এদেশের ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং নিয়ে ঘোট তৈরী করতাছে। কারন তারা এই দেশের এই উন্নয়নটাকে সহ্য করতে পারতাছে না। বাংগালী জাতে মেধাবী- আর এইখানে বাংগালী অতি অবশ্যই উন্নতি করবে- তাই না পেড়ে তারা বাংগালীদের বিুরদ্বে লেগেছে। দেখবেন খুব বড় বড় লেকচার দিবে কিন্তু তাদের বৈধ নাগরিকত্ব নাই বাংলাদেশে বসবাস করার। জাতীয় পরিচয়পত্র নাই কিংবা ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার  নাই। কিন্তু কথা বলবে একেবারে দেশের রাজার মতো। তাদের কথা বার্তা শুনলে যে কেউ হাসাহাসি শুরু করবে। শুনেছি তারা বলে বেড়ায় যে বাংলাদেশে এমপি বা মন্ত্রী হতে নাকি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে না- এরকম ধারনা পোষন করে চলে। 


তো আমি ভাবতাম: ঝঞ্জা বিক্ষুব্দ দেশ বাংলাদেশ। ১০০ হাত মাটির নীচে পুতে রাখলেও ঠিকই সঠিক পথটা খুজে বের করে নিবে। আজকে ১৩/১৪ বছর পরে এখন সারা দেশের লোকজন জানে যে এইটা একটা ইন্ডাষ্ট্রিজ বা ডলারও জেনারেট করতাছে বা প্রতিনিয়ত রেমিটেন্স ও আসতোছে তবে কিনা তা অনেক সময় অনেকের মনেই অনেক সন্দেহের জন্ম দিতাছে। নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াই সমানে যার যার বাবা বা মায়ের নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল ভেরিফিকেশন করে কাজ করে যাইতাছে। যারা আগে ইনকাম ট্যাক্স দিতো এখন তাদের নামে রেমিটেন্স আসতাছে। ফলে সরকারের ভেতরে তৈরী হইতাছে জটিলতা। এক সময় এই দেশটা ছিলো ভারতীয় পূর্ব বাংলা। বাংলা ভাষাতে কথা বলার পরেও এইখানে শুরূ হলো পূর্ব সামথিং এর গ্যানজাম। যা ৭১ এ পুরোপুরি ফিনিশ হবার পরেও জীবিত দালাল/রাজাকার/দেশবিরোধীরা সদ্য ঘটিত বাংলাদেশের উন্নতি সহ্য করতে না পেরে ধ্বংসের লীলায় মেতে উঠলো। তারই প্রতিক্রিয়ায় এখন দেখা যাইতাছে- ইনকাম ট্যাক্সধারী লোক রেমিটেন্স নিয়ে আসতাছে তারপরে আবার ইনকাম ট্যাক্স ও দিতাছে। জানা মোতাবেক: যারা রেমিটেন্স উপার্জন করে তাদের কে রেমিটেন্সের উপরে কোন ট্যাক্স দিতে হয় না্ সাধারনত রেমিটেন্সের ‍উপরে ট্যাক্স দিতে হয় না। ট্যাক্স দিতে হয় আভ্যন্তরীন আয় উপার্জনের উপরে। যেমন: বিগত অনকে বছর বাংলাদেশের লোকাল একটা এজন্সীর মাধ্যমে পেপাল ডলার উপার্জন করার পরে সেখানে এজেন্সীকে চার্জ দিতে হয়েছে ৫%, প্রতিবার মানি রিসিভ করার সময়ে ট্রানজেকশন নাম্বারও তৈরী হয়েছে। সেই এজেন্সী আবার ইনকাম ট্যাক্স বা ভ্যাটও দিতাছে আবার যে ব্যাংকের কাছে পেপাল ডলার সেল দিতাছে সেটাকে সেই ব্যাংক রেমিটেন্স আকারে নিতাছে। তাহলে একটি প্রতিষ্টানও ইনকাম ট্যাকস ‍ ও দিলো, আবার ভ্যাটও দিলো আবার রেমিটেন্সেও এড হলো। কি তামাশার এক দেশ- বাংলাদেশ!


ফ্রি ল্যান্সার রা ও আগে পারস্পরিক অনেক হেল্প করতো একজন আরকেজনকে। এখন সারাক্ষনই ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়: কে কখন কাকে কোথায় কোন েকারন ছাড়াই বাশ না দেয়। ১০/১২০০০ একসাথে হয়ে ক্রমান্বয়ে রিপোর্ট দিতে দিতে ফেসুবকের েপোষ্টিংও ডিলেট করে দেয়। বিনাকারনে মার্কেটপ্লেসে হায়ার করে ব্যাড রিপোর্টও দেয়। সমানে রিপার্ট দিতে থাকে কন্টিনিউয়াসলি। ভিপিএন দ্বারা ফরেন একাউন্ট মেক করে নিজেই নিজেদেরকে ক্ষতি করে যাইতাছে। নিজেরাই নিজেদের দেশে মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্ট হয়ে যাইতাছ্ েযে দেশের পৌনে ছয় কোটি মানুষ দৈনিক আয় রোজগার করে খোয় সে দেশের সাধারন মানূষ যদি হঠাৎ করে নিজেদেরকে বায়ার বলে ফেলায় তাহলে যারা ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান বায়ার বা ক্লায়েন্ট তারা কই যাবে। কোন মুক্তিযোদ্বার সন্তান বা জয় বাংলার সন্তান কি একজন আরকেজনের ক্ষতি করতাছে বলে মনে করেন? যারা েএকজন আরকেজনের উন্নতি দেখতে পারতাছে না তাদের শরীরের রক্তের ভিতরে রয়ে গেছে সেই ৭১ এর দেশবিরোধীদের রক্তের ধারা। জয় বাংলার ছেলে পেলেদের উন্নতি দেখলে তাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। কিভাবে সেই ছেরেটাকে ধ্বংস করা যায় বা তার ঝীবনটার সর্বনাশ করা যায়- এইটাই থাকে তাদের একমাত্র িদ্বিধা। বিনাকারনে লক্ষ লক্ষ রিপোর্ট মেরে আমার ২/৩ টা ওয়েবসেইট কে স্পাম মার্ক করে দিছে। হাজার হাজার ছেরে পেলে দের প্রোফাইল বা ভিডিও চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ ডিলেট করে দিতাছে। একজন কে আসক করেছিলাম: বলতাছে রিপোর্ট খাওয়া ভালো। মার্কেটপ্লেসের যারা  মালিক তারা রিপোর্ট এনালাইসিস করতে পারে বিধায় সারা দেশের সব ফ্রি ল্যান্সার রা টিকে আছে।  মার্কেটপ্লেসের যে ওয়েবসাইট তাদের ফ্রি ল্যান্সারদের কাছ থেকে % খায প্রতি সেকেন্ডে- তাই এইখানে কোটি কোটি রিপোর্ট মারলেও লাভ হবে না। ফেসবুকের রিপোর্ট হয়তো কাজে দেয়। 


তো এই ধরনের ব্যবহার যাদের তারা তো আর কম্পোমাইজ মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার না। তারা হইতাছে ধ্বংসাত্মক মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার। তাদের মন মানসিকতা ইন্টারনটে বিরোধী। তাদের এই ধরনের কার্যাবলীতে একদিন হয়তো বাংলাদেশ তেকে ইন্টারনেট বন্ধও হয়ে যাইতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশেই ফুল ফেজ ইন্টারনটে নাই। যারা কম্প্রোমাইজিং মাইন্ডের ফ্রি ল্যান্সার- তারা কখনোই একজন আরকেজনের ক্ষতি করবে না। তারা সবসময় ই চাইবে অপরে ও ভালো করুক আর নিজেরও ভালো হোক। ডলার ‍ উপার্জন কররেই ফ্রি ল্যান্সার হওয়া যায় না- ভালো মানের ফ্রি ল্যান্সার হতে গেলে ভালো কমেপ্রামাইজ মাইন্ডের ও হতে হয়। কম্প্রোমাইজ মাইন্ডের একজন ফ্রি ল্যান্সার সবসময় আপনার ভালো কামনা করবে এবং আপনাকে ভালো পথ দেখাইয়া দিবে। 


৭১ এ দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার প্রজন্মের হাতে ইন্টারনেট সুবিধাটা প্রদান করলো কে বা কারা? তারা তো তাদের বাপ দাদাদের রক্তের বাহিরে না। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া তারা যেনো ইন্টারনেট ব্যবহার না করতে পারে সেই আইন করা উচিত। যদি এই আইন কার্যকর করা হয় তাহলে একজন দিনমুজরও যে কিনা সারা দিন খাটা  খাটনি করে সে ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার ভীড়ে তার মন মতো কিছু কাজ করতে পারবে। এই রকম ভাবে বৈধ জাতীয় পরিছয়পত্র নম্বার ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারনে বাংলাদেশ হয়ে যাইতে পারে দেশী/বিদেশী হ্যাকার দের আখড়া যা আপনি পরে আর কখনো কন্ট্রোল করতে পারবেন না। ইদানিং কালে অনেকের প্রোফিইলেই দেখা যায়- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছেলে রা বা মেয়েরা ঢাকা তে আইসা তাদের সোশাল মিডিয়া বন্ধুদের সাথে হ্যাং আউট করতাছে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে এবং আরো কতো ধরনের তথ্য হাতাইয়া নিতাছে তা বোধ হয় এক মাবুদই জানে। সো বড় সড় বিপদে পড়ার আগেই সতর্ক হওয়া উচিত। ফ্রি ল্যান্সারদের ও অথি অবশ্য নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েই কাজ করা উচিত নয়তো একটা অযাচিত ফাইট শুরু হয়ে যায় যে কোন মার্কেটপ্লেসে। অনেকদিন আগে আপওয়ার্কে একদিন দেখেছিলাম যে েএকজন রাষ্ট্রীয় সচিব ফ্রি ল্যানসিং করতাছে এবং তার প্রোফাইল। পরে কয়েক বছর যাবারপ রে বুঝতে পারলাম যে: সেটা হয়তো তার ছেলে বা মেয়ে করতাছে। এই ধরনের ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে অপরাধ। যে সকল মার্কেটপ্লেসে আমরা কাজ করি সে সকল মার্কেটপ্লেস নিশ্চয়ই বলে দেয়া নাই যে: আপনি আপনার বাবা বা মায়ের আইডি দিয়ে কাজ করতে পারেন। সুকৌশলে সেই দেশবিরোধী চক্র আমাদের দেশের সোসিও ইকোনমিক্যাল সিষ্টেমে একটা ঝামেরা লাগাইয়া দিতাছে। পরে এইগুলো বিশালাকারের ফাইন হিসাবে দাড়া হইতে পারে। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দারা হয়তো ক্লায়েন্ বা বায়ার সেজে তথ্য হাতাইয়া নিতাছে যা বাংলাদেশী কম্পোমাইজিং ফ্রি ল্যাণ্সারদের জণ্য আরো বড় আঘাত হিসাবে দেখা দিতে পারে। 


Thursday, November 12, 2020

অনলাইন ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের রেমিটেন্স এবং ব্যাংকের রেমিটেন্স বলতে কি বোঝেন?

আপনি যদি ইউরোপ আমেরিকা অলরেডী ভিজিট করে থাকেন তাহলে দেখবেন বিভিন্ন ছোট ছোট শহরে আমাদের দেশের কাচাবাজারের মতোন তাদের মার্কেট জমে যেখানে তারা বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র কেনা বেচা করে থাকে। যে কেউ তাদের পন্য সেখানে সেল করে থাকে। আর বাকীরা সেখান থেকে কেনাকাটা করে থাকে। এরকম প্রেসগুলোকে বিভিন্ন শহরে শহরে মার্কেটপ্লেস বলে থাকে। সেই মার্কেটপ্লেস ধারনা টা যখন অনলাইনে স্থাপিত হয় সেটাকে অনলাইন মার্কেটপ্লেস বলে। বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি প্রতিষ্টান এবং সাধারন জিনিস পত্র ও অনলাইনে সমাহার হয় এবং সেগুলোকে মার্কেটপ্লেস বলে পরিচিত করা হয়। ওয়েবসাইটে যখন কেনা বেচা হয় এবং সেটা যখন ওয়েবসাইটের কোন পেমেন্ট প্রসেসর প্রসেস করে থাকে তাকে রেভিনিউ মানি বলে যদি একই দেশের ওয়েবসাইট এবং পেমেন্ট প্রসেসর হয়। যেমন: পেপাল একটি পেমেন্ট প্রসেসর। পেমেন্ট প্রসেসরের মূল কাজ হলো ইন্টারনেটের লেনাদেনাকে সহজলভ্য করে তোলা। অনেকাংশে তারা ভ্যাট, ট্যাক্স নির্ধারন করে থাকে বা নিজেরাই দিয়ে দেয় বা পন্যের মূল্য পরিশোধের সময় এড করে দেয় এবং যে পন্য কিনবে অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে তাকে সেই ভ্যাট ট্যাক্স এবং আরো কিছু % থাকলে সেটা পরিশোধ করতে হয়। 


ফ্রিল্যান্সাররা মেধা কেনা বেচা করে থাকে। এক দেশের ফ্রি ল্যান্সার কে আরেক দেশের বায়ার বা ক্লায়েন্ট হায়ার করে থাকে। এই মেধা কেনা বেচার মধ্যে যখন আপনি একই দেশের মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট এবং পেমেন্ট প্রসেসর (পেপাল) ব্যবহার করবেন তখন সেটা ওয়েবসাইট মালিকের জন্য হবে রেভিনিউ আর যে উপার্জন করবে এবং সে যদি অন্য আরেক দেশের নাগরিক হয় তখন সেটাকে বলা হবে রেমিটেন্স। আপনার জণ্য যেটা রেমিটেন্স - ওয়েবসাইটের মালিকের জণ্য সেটা রেভিনিউ। সেই রেভিনিউ এর উপরে ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের মালিককে সেই দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভ্যাট ট্যাক্স দিতে হবে। যেমন আমাদের দেশের মার্কেটপ্লেস ওযেবসাইট আছে ২/৩ টা যেমন: কাজকি বা বিল্যান্সার। এরা যখন আমাদের দেশের মুদ্রাতে কারেন্সী কালেক্ট করবে তখন তাদেরকে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্যাট, ট্যাক্স দিতে হবে কিন্তু তারা যখন কোন না কোন দেশের সেলার বা ওয়ার্কারকে পেমেন্ট দিবে ডলারে- সেটা সেই দেশের সরকারের জণ্য রেমিটেন্স হিসাবে এড হবে। ভাবতে পারেন: আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা অন্য আরেক দেশের ছেলে বা মেয়েকে রেমিটেন্স ও দিতে পারে। আমরা ফ্রি ল্যান্সার রা কোথায় চলে যাইতাছি। আমার কাছে অনেক সময় মনে হয় শান্তি তে কাজ করার জন্য ফ্রি ল্যান্সার রা পৃথিবীর বাহিরে একটা আলাদা স্পেসশিপ বানিয়ে নিবে যেখান বৌ / গাফ্রে সহ বসবাস করবে এবং ৫ বছরের কমে পৃথিবীতে ফেরত আসা যাবে না। এরকম একেকটা ওয়ার্কষ্টেশন পৃথিবীকে দিন রাত ২৪ ঘন্টা পদক্ষিন করবে আর ফ্রি ল্যান্সার রা সেখানে বসে কাজ করবে।




ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং এর কাজের ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি ব্যাংকে  যে পেমেন্ট হয় বা ওয়েবসাইট থেকে পাইওনিয়ার বা যে কোন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ব্যাংকে ডলার আইসা ক্যাশ টাকাতে কনভার্ট হয় সেটাকে রেমিটেন্স মানি বলা হয় উইথড্র করার পরে। যে ডলার টা এড হয় সেটাকে রেমিটেন্স ডলার বলা হয়। সুইফট ট্রনাজকেশন/ ব্যাংক টু ব্যাংক এর মাধ্যমে যে ডলার ব্যাংক টু ব্যাংক মেথডে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে এড হয় (ডলার/ইউরো/পাউন্ড) সেটাকে প্রাইভেট ব্যাংক রেমিটেন্স বলা হয়। প্রাইভেট ব্যাংকের নিজস্ব সুইফট কোড বা আইবিএন নাম্বার আছে যা দ্বারা সে সারা বিশ্বের যে কোন ব্যাংক থেকে যে কোন মুদ্রাতে কারেনসী রিসিভ করতে পারবে আবার সেটা ক্যাশ টাকাতে কনভার্ট করেও দিতে পারবে - এইটা প্রাইভেট ব্যাংকের নিজস্ব ক্ষমতা। আবার বাংলাদেশ ব্যাংকেও হয়তো আলাদা করে কোন না কোন রেমিটেন্স এড হয়। প্রাইভেট ব্যাংকের রেমিটেন্স কে তো আর নিশ্চয়ই বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স হিসাবে দেখানো হয় না। বাংলাদেশের রেমিটেন্স বলতে সকল ব্যাংকের রেমিটেন্স বোঝানো হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স বলতে কি বোঝানো হয়ে থাকে - শুধূ মাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকে যাদের একাউন্ট আছে তাদের রেমিটেন্স নাকি সকল ব্যাংকের রেমিটেন্স এক সাথে?




যেমন: আমি যে মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকি সেটা থেকে রেমিটেন্স আমরা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আনতে পারবো যেমন: পাইওনিয়ার বা পেল্যুশন। পাইওনিয়ারে ডলার উইথড্র দেবো সেটা পাইওনিয়ারে এড হবার পরে পাইওনিয়ার থেকে পাইওনিয়ার ব্যাংক উইথড্র মেথডে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে এড দেবো : যেমন: ইষ্টার্ন ব্যাংক ব্যবহার করি আমি। আমি এসইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করি -সেখানে থেকে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে উইথড্র দেয়া যায় না, কারন তাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে নাম পেল্যুশন। কিন্তু এসইওক্লার্ক থেকে আমি পাইওনিয়ারে বা পেল্যুশনে নেই- তারপরে পাইওনিয়ার বা পেল্যুশন দিয়ে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংক ইষ্টার্ন ব্যাংকে আনি, এইটা প্রাইভেট ব্যাংকের রেমিটেন্স। আর যারা সরাসরি ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট থেকে উইথড্র দেয়: যেমন: ফ্রি ল্যান্সার ডট কম, আপওয়ার্কস ডট কম- যে সকল ওয়েবসাইট থেকে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে (যেমন: ডাচ বাংলা ব্যাংক বা সিটি ব্যাংক বা এ ধরনের যে কোন ব্যাংক) সরাসরি সুইফটের মাধ্যমে (যেমন: ডিবিবিএল এর সুইফট কোড: DBBLBDDH100  উইথড্র করে সেটাকে কি বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স বলে নাকি বাংলাদেশের রেমিটেন্স বলে - ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং খাতে। রেমিটেন্স নিয়ে এইখানে ৩ টা শব্দ পাওয়া গেলো: 

  1. বাংলাদেশের রেমিটেন্স
  2. বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স
  3. প্রাইভেট ব্যাংকের রেমিটেন্স


বাংলাদেশের রেমিটেন্স এর খাতে যদি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কাররা এড হয় তাহলে তাদেরকে দেশের নাগরিক ডাটাবেজে (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়) পেশা: ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার বা আউটসোর্সিং ওয়ার্কার হিসাবে নিবন্ধিত করতে হবে- এতে করে সারা বিশ্বে তারা আরো বেশী পরিমান সমাদৃত হবে। 

যে যে উপায়ে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়েবসাইট থেকে উপার্জন উইথড্র করা যায়: 

  1. ইন্টারনেটে ব্যাংকিং গেটওয়ে যেমন: পেপাল বা স্ক্রিল বা নেটেলার  বা ওয়েবমানি বা পারফেক্ট মানি
  2. ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার যেমন: পাইওনিয়ার কার্ড একাউন্ট থেকে যে কোন ব্যাংক একাউন্ট, পাইওনিয়ার ব্যাংক একাউন্ট টু যে কোন ব্যাংক একাউন্ট। 
  3. মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি (DBBLBDDH 100) মেথডে পেমেন্ট উইথড্র করা যেটা ২০১১ সালের আগে আমি করতাম ওডেস্ক বা ইল্যান্স থেকে। 
  4. ব্যাংক চেক বা কুরিয়ার চেক বা ই-চেক। 
  5. পে ড্রাফট কুরিয়ার। 
  6. ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানি গ্রাম। বিশ্বে অনেক ওয়েবসাইট আছে এই দুইটাতে পেমেন্ট উইথড্র দেয়। 


২০১১ সালের পর থেকে আমার কাছে একটা বিষয়ে অনেক খটকা লাগে (আমি ২০০২ সাল থেকে পার্ট টাইম ফ্রি ল্যানসিং করতাম)   : ডেবিট (+) ক্রেডিট (-) অথবা ডেবিট (-) ক্রেডিট (+)। আমার কাছে সবসময় ই মনে হয় ২০১১ পর্যন্ত আমি যতো লেনাদেনা সুইফট( ওডেস্ক থেকে উইথড্র, ইল্যান্স থেকে উইথড্র বা ফিবার) করেছি সেখানে ডেবিট কে (+) ক্রেডিট কে  (-) হিসাবে দেখানো হয়েছে কিন্তু এখন তো দেখি : ডেবিট (-) ক্রেডিট (+) । এ জন্য ২০১১ সালে শেয়ার বাজার কেলেংকারি বা শেয়ার মার্কেট এর সাথে তদানীন্তন ব্যাংক গুলো হ্যাক বা ঝামেলা হবার কারনে আমি আর কখনো সুইফট ট্রানজেকশন করি নাই (কারন সারা দেশের অনেক মানুষের ক্ষতি হয়েছে শেয়ার মার্কেটের হ্যাকারদের আক্রমনে। তখন নিজেকে সেভ রাখার জন্য পারসোনাল সুইফট ট্রানজেকশন বন্ধ করে দেই। তাছাড়া সেই সময় আমিও একসাথে আমার সব মার্কেটপ্লেস একাউন্টের লগইন ডিটেইলস হ্যাক হয়ে যায়। এই ব্লগটাও হ্যাক হয়েছিলো যা ০৭ বছর পরে ফেরত পাই)  । ২০১৮/১৯ সালে শুধু ফ্রি ল্যান্সারদের খাতাতে নাম রাখার জন্য (আগেও ছিলো  ২০১১ পর্যন্ত ডাচ বাংলা ব্যাংকে রেমিটেন্স রেকর্ড) পরিচিত আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২/১ জনের অনুরোধে মার্কেটপ্লেস থেকে পাইওনিয়ার, পাইওনিয়ার থেকে প্রাইভেট ব্যাংক উইথড্র করে এনে রেখেছি বা খরচ করেছি। আমি সবসময় ই পেপালবিডি ডট কম এর সার্ভিস ব্যবহার করি ডলারের লেনাদেনা করার জন্য। খটকা নিয়ে কোন কাজ আমি করি না। খটকাতে থাকতেও ভালো লাগে না। 



বর্তমানে সূদূর আমেরিকা থেকে মাষ্টারকার্ডের অফিস ও চলে এসেছে বাংলাদেশে। আপনার নামে যদি মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে কোন ব্যালান্স জমা হয় সেটা কিন্তু আপনি উপরোল্লেখিত ১-৬ যে কোন উপায়ে তুলতে পারবেন (আপনার মার্কেটপ্লেসে থাকা স্বাপেক্ষে)। আপনি যতোক্ষন পর্যন্ত সেটা কোন একটা মেথডে উইথড্র না দেবেন সেটা মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে আপনার উপার্জন হিসাবে জমা থাকবে। আপনি যদি চান তাহলে আপনার পছন্দনীয় যে কোন একটা মেথডে তুলে নিতে পারবেন। যেমন: ধরেন এসইওক্লার্কের নিজস্ব পেমেন্ট পদ্বতি আছে - পেল্যুশন বা পেপাল হাইপারওয়ালেট। 








আপনার এসইওক্লার্কে এমাউন্ট যখন আপনি পেল্যুশনে উইথড্র দেবেন তখন সেটা আপনি পেল্যুশনে রিসিভ করার পরে যে কোন দেশের ব্যাংকে (পেল্যুশন এপুরভ করার স্বাপেক্ষে) ট্রান্সফার করতে পারবেন। ধরেন: আপনার যদি স্কটল্যান্ড বা ব্রিটেন বা আফ্রিকা বা ইউএসএ বা ইউরোপ এর যে কোন দেশের ব্যাংকের সাথে অপশোর পেমেন্ট একাউন্ট থাকে বা অনলাইন ব্যাংকিং একাউন্ট থাকে তাহলে আপনি পেল্যূশেনর এমাউন্ট সহজে অন্য যেকোন দেশের ব্যাংকে উইথড্র দিতে পারবেন পেল্যুশনের ভেরিফিকেশন স্বাপেক্ষে। বাংলাদেশ ব্যাংক বা প্রাইভেট ব্যাংক এর সাহায্য /দরকার লাগবে না।



Tuesday, October 27, 2020

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিকমেনডশন বলতে কি বোঝেন?

 পজিটিভ রিকমেন্ডশন বলতে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ মনোভাব বোঝায়। এক লোক একদিন ঢাকা শহরে আমাকে বলতাছে ২০১৬ সালে যে ভাই- আগামী ৫ বছরে ঢাকা শহরের চেহারাই পাল্টে যাবে। আপনি আর ঢাকা শহরকে চিনতে পারবেন না। আমি যে কোন একটা কারনে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ময়মনসিংহে নিজের বাবার বাড়ীতে/বিল্ডিং এ আছি। তো আমি উত্তরে বললাম যে- ভাই ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে গেলে ও আমার কিছু করার নাই কারন আমি ইট পাথরের খাচাতে বন্দী ঢাকা শহরকে ভালোবাসি না- আমি ভালোবাসি ঢাকা শহরের আমার পরিচিত মানুষজনকে বা খেটে খাওয়া মানুষকে। আমার কাছে উন্নত দেশের নাগরিকত্বের ইনভাইটেশন (ইউরোপ/আমেরিকা) লেটার আছে। তো আমি প্রথম সুযোগেই চেষ্টা করবো বাংলাদেশ থেকে ফ্লাই করে চলে যাইতে- সে ক্ষেত্রে ঢাকা শহরকে আমি আর রিকমেন্ড করি না নিজের জন্য। তারপরেও যদি রাজধানী শহরে (নিজ মালিকানাধীন -দলিলসহ। তাছাড়া আমার রাজধানী শহরে নিজস্ব কোন সম্পদ ফ্ল্যাট/বাড়ি/বা প্লটের কোন দলির নাই । আমার বাবা  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক [ Retired. Professor. Abul Hossain  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন প্রফেসর আবুল হোসেন নাই। একজনই ছিলেন উনি আমার শ্রদ্বেয় এবং সম্মানিত বাবা] বিধায় এক টুকরো জমি (৫ শতাংশ) আছে রাজউকের [ গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার]  ঝিলমিলে (কেরানীগন্জ) - তাও বাবার নামে দলিল করা যা কখনো পরিবর্তন করা যাবে না। দলিল ছাড়া নিশ্চয়ই কেউই বিশ্বের কোথাও কেউ কোন সম্পদ আছে বললে বিশ্বাস করবে না- বলবে যে আলবত পাগলের প্রলাপ) নিজস্ব ফ্ল্যাট বা বাড়ি বানাতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে ভেবে দেখবো যে থাকতে পারি কিনা - কারন থাকার জণ্য আর ১০ জন শিক্ষিত লোকের মতো আমিও ইউরোপ আমেরিকার যে কোন শহরকে রিকমেন্ড করি নিজের জন্য। 

আজ পর্যন্ত- বাংলাদেশ সরকারকে শুনি নাই কখনো সারা দেশের সমস্ত মানুষকে একবেলা খাওয়াইতে। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে দেখলাম; ৫৫ বছর ঢাকা শহরে বসবাস করার পরেও এক লোক চলে যাইতাছে সব কিছু হারিয়ে- আর বলতাছে আমি ঢাকা শহরকে ভালোবাসলেও ইট পাথরের ঢাকা শহর আমাকে ভালোবাসে নাই। তাই থাকা বা বসবাস করার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রিকমেন্ড করি না। অনেকে হয়তো বলবেন- এইটা আপনি কি বললেন? আমি আসলে থাকার জন্য এখন আর ঢাকা শহরকে রেফারেন্স করি না। বড়জোড় রেফারেন্স ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট- বিমান যাত্রা যাওয়া বা আসা করা। আমার কাছে সারা বিশ্বের যতো বায়ার বা ক্লায়েণ্ট রাজধানীতে ইনভেস্ট কারার কথা জিজ্ঞাসা করে: আমরা তখন চুপ থাকি বা তাদেরকে অন্য কোন উন্নত দেশের দিকে বা আফ্রিকান গরীব দেশের দিকে ঘুরাইয়া দেবার চেষ্টা করি (কারন ঢাকাকে অনেক সময় পরিত্যক্ত মনে হয়) কারন আমি চাই না আমার বায়ার বা ক্লায়েন্ট বড় অংকের ডলার ইনভেস্ট করতে আইসা এইখানে শারিরীক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাক বা মারা যাক।  আমার মতে : সামর্থ্য থাকলে গ্রামে যাইয়া বসবাস করা উচিত। এই ব্যাপারটাকে রিকমেন্ড বলা হয় বা আপনি চাইলে বলতে পারেন রেফারেন্স। এক হিসাবে দেখলাম : বাংলাদেশে ১৫ লক্ষ ফরেনার আছে। আমার মনে হয় কেউ একবার এখান থেকে বের হইলে আর ফেরত আসবে না একমাত্র আর্থিকভাবে যদি লাভবান না হয়।  [জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করলে দেখবেন ঢাকা শহরের কতো লোকের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই বা অবৈধ ভাবে বসবাস করতাছে]



ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিকমেনডশন বলতে সাধারনত কাজ কমপ্লিট করেছি এরকম বায়ার বা ক্লায়েন্ট দের  রেফারেন্স হিসাবে ২/৩ টি লাইন কে  রিকমেনডশন বলা হয়। এই রিকমেন্ডেশন থাকলে আপনি অনেক কাজ পাবেন।  ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে আপনার প্রোফাইলে যদি পজিটিভ রিকমেনডশন থাকে তাহলে আপনি অনেক কাজ পাবার সম্ভাবনা রাখেন। একজন মানুষ যদি আপনার প্রোফাইলে কোন কাজ দেয় আর আপনি যদি সে সকল কাজ  ১০০% সততার সহিত সম্পূর্ন করেন তাহলে সে আপনার জণ্য ওয়েল উইশ করবে। সে চাইবে আপনি যেনো আরো অনেক ভালো ভালো কাজ পান। ভালো ভালো বা বড় অংকের প্রজেক্টের কাজ পাবার জন্য পজিটিভ রিভিউ এবং পজিটিভ রিকমেনডেশন এর কোন বিকল্প নাই। আপনি যতো পরিমান রিভিউ কামাতে পারবেন আপনার  ততো পরিমান বায়ার জুটবে। আর যদি আপনি পাগলের মতো কাজ করা শুরু করে দেন তাহলে আপনি ১/২ টা ব্যাড রিভিউ কাইয়া যাইতে পারেন। যদি ১/২ টাও ব্যাড রিভিউ জুটে যায় তাহলে আর কাজের ক্ষেত্রে আপনাকে কেউ ১ নম্বর প্রেফারেন্স দিবে না। সে আপনাকে সেকেন্ড ক্যাটাগরিতে রাখবে। আর বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজ করতে যাইয়া বিনা কারনে আপনার শত্রু জুটে যাবে। যেমন কয়েকদিন আগে একটি ঘটনার কথা বলি: 

একজন সুন্দরী মেয়ে ইন্টারনেটে তথাকথিত লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে কাজ শিখে একটি ব্যাচে বন্দী হয়ে। মেয়েটি মন মানসিকতা অনেক ভালো। সে যথারীতি টাকা দিয়ে এই ধরনের পেইড লাইভ ক্লাসে এনরোল হয় - ১৫০০০ টাকা খরচ করে। কয়েকটি চিটিং ক্লাস করানোর পরে মেয়েটিকে ছেড়ে দেয়া হয়। সে যথারীতি অথৈ সাগরে পড়ে যায়। আমার সাথে পরিচয় হয়। সে আমাকে এ টু জেড সব কিছু খুলে বলে। আমি তাকে মেন্টালি সাপোর্ট দেবার চেষ্টা করি। সে পরে ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করে এবং নিজে নিজে চেষ্টা করে একটা মার্কেটপ্লেসে কয়েকটা রিভিউ জোড়াগ করে ফেলে। কিন্তু সে যখন তার প্রোফাইলে রিভিউ পায় তখন তার ব্যাচমেটরা ঈর্ষান্বিত হয় এবং তাকে একজন জর্ডান বা এই ধরনের কোন দেশ থেকে হায়ার করে তার পরিচিত। কাজ করায় এবং যাবার সময়ে একটা ব্যাড রিকমেন্ডশন দিয়ে যায়। মেয়েটা ভেংগে পড়ে। সে কাস্টমার কেয়ারে কন্ট্রাক্ট করে এবং পরে সেই ছেলেটার রিকমেনডেশনটা ডিলেট হয়ে যায়। তো তার মন কারাপ হয়। প্রোফঅইলেও একটা দাগ পড়ে এবং তার নিজস্ব আইডি কার্ড  নাই। ফলে সে তার নিজস্ব প্রোফাইল ব্যবহার করে না। সে ব্যবহার করে তার মায়ের ডিটেইলস। এইভাবে সে প্রোফাইলের মাধ্যমে যা কিচু বালো করার চেষ্টা করতাছিলো তার থেকে লোকাল কাজ করেও তার ক্যারিয়ার চলতেছিলো। কিন্তু তাকে যে ধাক্কাটা দেয়া হরো প্রথমে ২ বার- একবার ১৫০০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়াতে যেখানে সে নিজে চেষ্টা করে ইউটিউব ভিডিও ঘেটে ঘেটে কাজ শিখেছে আর দ্বিতীয়ত  ব্যাডলি রিকমেন্ড করা- এই দুইটা বিষয়েই সে মার্ক করেছে এবং তার ক্যারিয়ারের উপরেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। 

তো একটা রিকমেনডেশন আপনাকে অনেক আগাইয়া দিবে। আপনাকে মানসিক ভাবে অনেক শক্তিশালী করবে। আপনি যতো বড় মাপের ফ্রি ল্যান্সার ই হোন না কেনো আপনি যদি পজিটিভ রিভিউ বা থাম্ব বা রিকমেনডেশন যদি আদায় না করতে পারেন বায়ার বা ক্লায়েন্টের কাছ থেকে- তাহলে আপনাকে কেউ তেমন ভ্যালু দিকে না। কারন টাকা আপনি যে কোন বাবেই উপার্জন করতে পারবেন কিন্তু পজিটিভলি কাউকে কাজের মাধ্যমে খুশী করে ইন্টারনেট মার্কেটপ্লেস থেকে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের রিভিউ যদি না পান তাহলে আর এইখানে আপনার কাজের কোন ভ্যালূ থাকবে না। আমরা যখন ২০০২ সালে প্রথম মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট দেখে থাকি তখন ধরে নেই যে এইটা ঝড়ে পড়া ইন্ডাস্ট্রির ছেলে বা মেয়েদের জন্য। তখন কার দিনে ২০০২-২০১১ সাল পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগত কে খুব বেশী দাম দেওয়া হতো না। সকলেই মনে করতো এইটা ফাতরা লোকদের ইন্ডাস্ট্রিজ বা ইন্টারনেটে নতুন করে কোন ধান্দাবাজদের চক্র। কারন তার আগেই ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন চার দলীয় ঐক্যজোটের ক্ষমতা থাকাকালীন বিভিন্ন ধরনের লোক টাকা পয়সা নিয়ে বাল ল্যান্সার, স্কাই ল্যান্সার, ডু ল্যান্সার টাইপের ক্লিকের ব্যবসা থাকাকলীন প্রচুর পরিমান লোকের প্রচুর পরিমান টাকা পয়সা হাতাইয়া নেবার কারনে বাংলাদেশের সমাজে ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড একটা খারাপ প্রভাব ছিলো। সেই প্রভাবটা দূর করতে অনেক অনেক সময় লেগেছে (ধরতে গেলে আপ টু ২০১৩)। যখন এই দেশে আবার সেই খারাপ প্রভাব টা দূর হলো তখন দেখা গেলো যে আবারো নতুন করে টাকা পয়সা নিয়ে ক্লাস করানো এবং ক্লাস নেবার লোকজনের উপদ্রব বেড়ে গেলো এবং সমানে সারা দেশ থেকে সহজ সরল কোমলমতি মানুষের পকেট থেকে টাকা নিয়ে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় আবারো  একটা খারাপ রিকমেনডশন তৈরী করা হলো।  যা দুর করার কোন ইচ্ছা এখন আর মনের মধ্যে কাজ করে না, এইটা তরুন বা নব্য ফ্রি ল্যান্সারদের দ্বায়িত্ব বলে মনে করি- বর্তমান চলমান সরকার যদি ডাক দিয়ে বড় সড় দ্বায়িত্ব ও ধরাইয়া দেয় তাও আমি সেটা রিজেক্ট করবো কারন এই দেশের জন্য কোন কিছু করার সাধ আসলে মিটে গেছে এই একটা ব্যাপার দেখার পরে যে - কাজ কাম শিখে অনার্স/মাষ্টার্স পাশ ছেলে বা মেয়েরা ইন্টারনেটে টাকা চাইয়া বেড়াইাতাছে।আর বর্তমানে রাজনৈতিক সরকার কেও আমি মন থেকে সাপোর্ট ও করি না- আমি সেই ঘরানার না। আমাকে যদি আবারো ভোট দিতে বলেন তাহলে আমি ভোট দেবার জন্য শাহবাগ গনজাগরনপন্থী রাজনৈতিক দলকে এবং তাদের প্রতীককে বেছে নিবো ভোট দেবার জন্য।    ফ্রিল্যান্সার / মার্কেটপ্লেস / আউটসোর্সিং জগতে একসময় বায়ার বা ক্লায়েন্ট রা  বলে দিতো যে: বাংলাদেশী রা যেনো আবেদন না করে। এইটা অনেক বড় একটা অপমানের বিষয় ছিলো সারা দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য। ধরতে গেল বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ব্যাড রিকমেনডেশন। এর পরবর্তী ব্যাড রিকেমনডশন হইতাছে : বর্তমানে অনেক অনেক কোম্পানী বাংলাদেশে ছেড়ে চলে যাওয়া। যেমন: ক্লিকব্যাংক বা ইউটিউব মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম। এর পরের আরো বড় রিকমেনডেশন হইতাছে : বর্তমানে নামিধারী ফ্রি ল্যান্সার দের ইন্টারনেটে টাকা চেয়ে বেড়ানোর  ছলে বলে কৌশলে যে যার কাছ থেকে যেভাবে পারে সেভাবে টাকা আদায় করে যাইতাছে যা বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় বড় সড় প্রভাব ফেলাইতাছে। 

যে কোন ব্যাপারে আপনার পজিটিভ ভিউ বা পজিটিভ মেন্টালিটি থাকে তাহলে আপনি জীবেন অনেক লাভবান হবেন। পজিটিভ মেন্টালিটি না থাকলে আপনি পজিটিভলি কোন কাজ আদায় করতে পারবেন না বা কমপ্লিট ও হতে পারবেন না। গতানুগতিক মার্কেটপ্লেস গুলোতে আপনি শুধু ওয়ার্কার হয়ে কাজ করার সিষ্টেম ছিলো আগে। এখন যারা ওয়ার্কার তারাও প্রযোজনে বায়ার হতে পারবে।  এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে আপনি বায়ার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন বা সেলার হিসাবেও রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। বায়ার হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি কয়েকটা অর্ডার সেল করার পরে যে ডলার জমবে সেটা দিয়ে আপনি প্রোডাক্ট ও কিনতে পারবেন। বায়ার হিসাবে আপনি যেমন সেলার কে পজিটিভ থাম্ব এবং গুড রিকমেনডেশন দিতে পারবেন তেমনি সেলার হিসাবেও আপনি বায়ার কে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডশন দিতে পারবেন। আপনার পজিটিভ থাম্বের উপরে ডিপেন্ডস করে ভবিষ্যতে কোন সেলার তার সাথে কাজ করবে কিনা তাও ঠিক করে নিতে পারবে। এছাড়াও এসইওক্লার্কে  আপনি সরাসরি ডলার আপলোড করে সার্ভিস কিনতে পারবেন। বায়ার রা যেমন সেলার দের পজিটিভ থাম্ব বা রিভিউ বা রিকমেনডেশন চেক করে তেমনি সেলার রাও বাযারদের পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডশন চেক করে থাকে- যারা কোয়ালিটি সেলার তারা। একটা রেসিং কার দিয়ে খুব দ্রুত গন্তব্যে পৌছার পর দেখা গেলো: কারটি ভেংগে গেছে। ফেরার কোন উপায় নাই। তো সেই হিসাবে একটি নরমাল কার দিয়ে যদি আপনি আস্তে আস্তে গন্তব্যে পৌছাতেন তাহলে আপনার ফেরারও উপায় থাকতো। ঠিক তেমনি মার্কেটপ্লেসে যদি আপনি তাড়াহুড়ো করে খবু দ্রুত কিছু করতে চান তাহলে হয়তো আপনি গন্তব্যে পৌছাবেন ঠিকই কিন্তু আপনার বাহন ভেংগে  যেতে পারে। আর যদি আপন িবুঝ শুণে আস্তে ধরে আগান তাহলে আপন  হয়তো সারাজীবন ই কাজ করতে পারবেন। আপনি আস্তে ধীরে আগান- প্রতিটা কাজ একুরেটলি কমপ্লিট করেন এবং ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাছ থেকে ১০০% রিকমেনডশন নিয়ে আগাণ।  আমার মতে:   আপনি যদি একুরেটলি কাজ করে থাকেন তাহলে আপনি ক্লাযেন্ট বা বায়ারের কাছে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডেশন চাইতে পারেন। এইখানে দোষের কিছু নাই। 

SEOClerks 

সব ফ্রি ল্যান্সার রা যা করবে আমাকেও যদি তাই করতে হয় তাহলে তো আমি আর সামনে আগাতে পারবো না। কারন ফ্রি ল্যান্সার ওয়ার্ল্ডে সামনে আগানোর মুল টিকস হইতাছে: আপনার নিজস্ব একটা টেকনিক। আপনি যদি আর ১০ জন ফ্রি ল্যান্সার কে ফলো করেন তাহলেও আপনি সফল হতে পারবেন কিন্তু আপনি হয়তো তৃপ্তি পাবেন না। কিন্তু আপনি যদি আপনার পারসোনাল একটি টেকনিক নিয়ে আগান তাহলে আপনি সফলতার সাথে সাথে তৃপ্তি ও পাবেন। ক্লায়েন্ট বা বায়ার বুঝবে না এরকম কোন টেকিনক অবলম্বন করে যদি ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে সাময়িক ভাবে ধোকা দিয়ে থাকেন তাহলে আপনি মনে রাখবেন যে আপনি আপনার দেশের পতাকাকে ধোকা দিলেন । পরবর্তীকালে ক্লায়েন্ট বা বায়ার আর কখনো বাংলাদেশী সেলারকে হায়ার করবে না কারন পতাকাট তার চোখে লেগে থাকবে। আর আপনি হয়তো ১০-১০০ উপার্জন করতে যাইয়া একটি ক্লায়েণ্ট কে ই নষ্ট করে দিলেন। সেই সাথে বাংলাদেশেল পতাকারও দুর্নাম ও বয়ে নিয়ে আসলেন। একজন সেলার বা ওয়ার্ক ার বা ইন্টারনেট প্রফেশনাল যখন সারা বিশ্বে কোন না কোন বায়ার বা ক্লায়েন্টের সাথে যে কোন প্রজেক্টে কাজ করে থাকে তখন তাকে কয়েকটা বিষয় মাথাতে রাখতে হয় যা পরবর্তীতে গুড রিকমেনডেশণ আনতে সাহায্য করে: 

  • আপনার প্রোফাইলের সব তথ্য রিয়েল কিনা?
  • সেকানে প্রদর্শিত বাংলাদেশের নাম বা সুনাম আপনি রক্ষা করতাছেন কিনা?
  • কাজাটাতে আপনার পারসোনাল বা দেশের কোন ক্ষতি হইতাছে কিনা?
  • আপনি কোন ধরনের চিটারি বা বাটপারির সাহায্যে ক্লায়েন্ট কে ধোকা দেবার চেষ্টা করতাছেন কিনা?
  • কাজটা আপনার প্রোফাইরেল জন্য গুড রিভিউ আনবে কিনা?
  • কাজটা আপনার প্রোফাইলের জন্য গুড রিকমেনডেশন আনবে কিনা?
  • আপনি কাজটা ১০০% একুরেটলি করতে পারবেন কিনা? 
  • কাজটা কমপ্লিট করার পরে আপনার দৈহিক, মানসিক বা শারিরীক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বা দৈশিক কোন ক্ষতি হবে কিনা?
  • একটা গুড রিভিউ বা পজিটিভ থাম্ব পাবার জন্য আপনি চাইলে একটু কমদামে হইলেও কাজ শুরু করতে পারেন বা কাজটা কমপ্লিট করতে পারেন। কার কাজের সাথে সাথে পজিটিভ থাম্ব বা গুড রিকমেনডেশন ও অনকে মূল্য রাখে। 
  • যে ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতাছেন সে মার্কেটপ্লেসে ১০০% ভেরিফায়েড কিনা?
  • যদি কখনো ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে ক্রেডিট কার্ড এক্সস করতে হয় তাহলে সেটা পরবর্তীতে কোন সমস্যা আনবে কিনা?
  • আপনি কি মার্কেটপ্লেসে কোন ভ্যক্তিগত তথ্য আদান প্রদান করতাছেন কিনা? 
  • আপনি কিভাবে ক্লায়েন্ট কে পাইলেন কাজ শেষে জিজ্ঞাসা করে নেয়া?

Sunday, October 25, 2020

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ থাম্ব বলতে কি বোঝেন?

ইন্টারনেটে এখন অনেক খানে পজিটিভ থাম্বের ব্যবহার আছে। যে কোন পোষ্টের নীচে অনেক সময় থাম্ব ব্যাপারটা দেখা যায়। আবার অনেকখানে অনেক ওয়েবসাইটে আছে এই থাম্ব ব্যাপারটা। এইটাকে বাংলাদেশে অনেক সময় বাল (যা মানুষ আংগুল দিয়ে ক্রিটিসাইজ করার জন্য ব্যবহার করে) যার মিনিং খারাপ সেরকম বোঝানো হতো। বেসিকালি থাম্ব আপ বলতে বোঝানো হয় যে : ব্যাপারটা ভালো। আর থাম্ব ডাউন বলতে বোঝানো হয় ব্যাপারটা খারাপ। আর ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সাধারনত গ্রিন এবং রেড কালার দ্বারা থাম্ব আপ এবং ডাউন বোঝানো হয়। ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং রিলেটেড কোন ওয়েবসাইটে যদি আপনি কাজ করিয়ে সন্তুষ্ট হোন তাহলে সেখানে আপনোকে থাম্ব আপ বা গ্রিন থাম্ব দিতে হবে আর যদি আপনি পছন্দ না করেন তাহলে রেড থাম্ব বা খারাপ বলতে পারেন। তবে একজন পারফেক্ট প্রফেশনালস কখনো কাউকে খারাপ থাম্ব বা রেড থাম্ব বা ডাউন থাম্ব দিবে না। কারন যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে তারা সাধারনত খেটে খায়- বুদ্বি বা পরামর্শ করে সঠিক কাজটা সঠিক ভাবে উপার্জন করার চেষ্টা করে। যার থাম্ব বেশী থাকে তার কাজ পাবার সম্ভাবরা বেশী থাকে। সেই সাথে যার রিকমেনডশন ও বেশী থাকে তারও কাজ পাবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। 




এইখানে দেখেন পজিটিভ রেটিংস হিসাবে প্রমান শো করা আছে। ইন্টারনেটে যারা খুব ভালো হাই লেভেলের সেলার তাদের প্রায় হাজার হাজার রিভিউ আছে। বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সারদের পজিটিভ তাম্বের সাথে - বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কোন সম্পর্ক নাই। একটা ব্যক্তিগত প্রোফাইলে যদি ৩০০ থাম্ব বা পজিটিভ রিভিউ আসে তার মানে এই না যে- সে এই দেশের বিরাট কিছু। সে তার প্রোফাইলে নিয়মিত কাজ করার জন্য সারা বিশ্বের বায়ার রা তাকে পজিটিভ থাম্ব দিছে যেখানে সে যেনো আরো অনেক ভালো কাজ পায় বা সেই সেলারের জন্য অনেক শুভ কামনা  করে থাকে। আরো যারা বিরাট ভালো করে তাদেরকে বায়ার রা রিকমেনডশন করে থাকে লিখিত ভাবে যেনো তাকে আরো অন্যান্য সবাই কাজ দেয়। 


সেলার রা যে কাজ পায় তার উপরে যে রিভিউ দেয় তাকে সেলার স রিভিউ বলে বা পজিটিভ রিভিউ বলে। এক দল পাগলের সাথে একবার কথা হইতেছিলো: বলতাছে মাসুদ ভাই যদি ৩০০ রিভিউ এর মালিক হয় তাহলে মাসুদ ভাই এই দেশের বিরাট লোক হয়ে যাবে। তো আমি উত্তরে বললাম: কেনো ভাই আমি বিরাট লোক হবো কেনো? এ দেশে তো হাজার হাজার সেলার আছে যারা প্রায় ২০০০/৩০০০/৪০০০ রিভিউ আছে বা পজিটিভ রেটিংস আছে এবং তারা বাংলা মায়ের সন্তান। তারা বিরাট বা প্রধান লোক হবে। তো সে বলতাছে তারা তো আর রাজনীতি করে না। তো আমি বললাম: আমিও তো কোন রাজণীতি করি না (শাহবাগ গনজাগরন পন্থী রাজেনৈতিক দলগুলোকে সাপোর্ট। করি) তারপরে সেই পাগল অফ গেছে এবং বলতাছে তাহলে কোন মাসুদ এর কথা সে শুনেছে ( মানে সে মনে হয় অন্য কোন মাসুদের কথা শুনেছে যে এই দেশে বড় কিছু হতে চায়) । তো আমি বলেছি পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ মাসুদ আছে আপনি হয়তো অন্য কারো কথা শুনেছেন। আর এসইওক্লার্কে আমার ইউজার নাম সেঞ্চুরিয়ন

বেসিকালি ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিভিউ খুব গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার। আপনার যদি ১ টিও ব্যাড রিভিউ পরে তাহলেও আপনার প্রোফাইলের বড় সড় ক্ষতি হতে পারে। আপনি চাইলে ও কোন বড় ধরনের কাজ পাবেন না। এইখানে নীচে একজনের রিভিউ দেখেন প্রায় ৭৮০০০ রিভিউ আছে যা কিনা এককথায় বিশ্বের সেরা মানের ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে প্রমান করে থাকে এই ইউজার কে। এরকম হাজার হাজার ফ্রি ল্যান্সার আছে সারা বিশ্বে। পজিটিভ থাম্ব কোন রাজনৈতিক ইস্যু না- এইটা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে পজিটিভ রিভিউ বলতে কাজের ভালো সুনাম আছে বোঝানো হয়। সেলার ভালো কাজ জানে বা পারে সেটাও বুঝানো হয়।  


আপনি ভালো কাজ জানেন বা আপনার কাজের ভালো রেটিং আছে বা আপনি যে কোন সার্ভিস কে ভালো করে প্রমোট করতে পারেন তাকে পজিটিভ রিমার্কস দ্বারা প্রকাশ করা হয়। প্রত্যেকটা  মার্কেটপ্লেসে আলাদা আলাদা করে পজিটিভ রিভিউ ডিজাইন করা হয়। এইখানে যদি আপনি একজন বায়ার হিসাবে কাজ করতে যান তাহলে আপনাকে খুব ভালো করে সেলারস রিভিউ চেক করতে হবে। যেহেতু এখনকার দিনে ক্রেডিট কার্ড খুবই সহজ আর যে কেউ চাইলে যে কোন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ইন্টারনেটে থেকে প্রডাক্ট কিনতে পারে সেহেতু এইখানে আপনি যখনি কোন সার্ভিস কেনার জন্য এনরোল করবেন তখণি আপনাকে খেয়াল করতে হবে যে - আপনি কি রিয়েল সেলারের সাথে ডিল করতাছেন কিনা? ভিপিএন ব্যবহার করে এবং ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে আপনি যে কোন দেশের বায়ার হয়ে যাইতে পারেন (বোধ করি। আমার কাছে প্রমান নাই কিন্তু ধারনা করি)। কিন্তু এসইও ক্লার্ক ওয়েবসাইটে ভিপিএন ব্যবহার করলে কোন কুপন এড করা যায় না। সেই হিসাবে বলা যায় যে: অন্ততপক্ষে এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে ভিপিএন ব্যবহার করে কেউ ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একাউন্ট লোড করতে পারবে না। কিন্তু অন্যান্য ওয়েবসাইটে ভিসিসি (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) কিনে মার্কেটপ্লেসের ক্লায়েন্ট সেজে ভিসিসি র দেয়া ডিটেইলস ব্যবহার করে যদি কেউ ক্লায়েন্ট একাউন্ট মেক করে যে কোন দেশের পতাকা দিয়ে এবং যদি সে তার পরিকল্পনা মোতাবেক পছন্দণীয় সেলার কে হায়ারও করে থাকে একর পর এক - তাহলে সেখানে এক ধরনরে ফেইকইজমের তৈরী হইতাছে যা হয়তো আমাদের দেশের অনকে তথ্য প্রযুক্তিবিদ বুঝতে পারবে না। উপরে আমার যে ২৯৯ রিভিউ তা আমি অনেক কষ্টে রাত দিন খাটাখাটি করে তৈরী করেছি ৫+ বছরে। এসইওক্লার্কের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডাইরেক্ট উইথড্র কোন প্রসেস নাই। মানে এইখানে উপার্জিত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে আনা যাবে না কিন্তু পাইওনিয়ারে/পেপালে/পেল্যুশনে লোড করা যাবে বা পাইওনিয়ার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়ে আসা যাবে। তাহলে - অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে যদি ভিসিসি এড করা যায় আর সেখান থেকে যদি সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার উইথড্র করা যায়- তাহলে সেখানে কি সরকারের কোন ক্ষতি হইতাছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখতে হবে? ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কিনলে আপনাকে ফুল ডিটেইলস ইনফরমেশেন দিবে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড সেলার ওয়েবসাইট। সেখানে আপনি প্রথম নাম, শেষ নাম, যে দেশের ভিসিসি কিনবেন সেই দেশের নাম, ঠিকানা সব কিছু ইন ডিটেইলস প্রদান করে যা আপনি ইন্টারনেটে ব্যবহার করতে পারবেন যে কোন ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য- অনেক সময় দেখলাম ফোন নাম্বার সহ দিয়ে থাকে। কয়েকদিন আগে আমি আমার জীবনের প্রথম ভিসিসি কার্ড পাই ২৫ ডলারের মূল্যের - একটা সোশাল মিডিয়া প্যানেলে আপডেটও করি সেই ভিসিসি ব্যবহার করে এবং সেই ডলাল লোড হয় এবং সেই সোশাল মিডিয়া প্যানেলে এপিআই আছে। এপিআই আছে এরকম কোন ওয়েবসাইট ভিসিসি এর ক্ষেত্রে কোন ভুল করবে না। সেই ডলার আমি ব্যবহার ও করলাম। একখানে রিভিউ দিলাম - সেটা থেকে ২৫ ডলার উপার্জন করেছি। 




আমাদের দেশের যে কোন মার্কেটপ্লেসে আমাদের দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা এই ধরনের কিছু করতাছে কিনা- নীরবে বা আড়ালে (অনেকেই অনেক ভালো ভালো কাজ জানে)

  • মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে ভিসিসি (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) কে এড করা যায় কিনা?
  • (ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড) ব্যবহার করে ডলার এড করা যায় কিনা? 
  • ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কেনার পরে তার সাথে দেয়া ডিটেইলস কি ব্যবহার করতাছে কিনা - মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে। 
  • প্রথমেই মোবাইল এবং ইমেইল ভেরিফিকেশন করতে হয় কিনা?  যদি করে থাকে তাহলে এইখানে বিশাল একটা ডলার লস হইতাছে। কারন কয়েকদিন আগে দেখলাম এক ওয়েবসাইটে ১০০ ডলার ভিসিসির দাম: ৩৫০ ডলার। এইখানে অনেক বড় লস হয় ভিসিসি কিনতে গেলে। 
এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে প্রথমেই রেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনাকে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করতে হবে। তাছাড়া আপনি এখন আর সহজে ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনাকে বাকী সব ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করে পরে সামনে আগাতে হবে- যদি চায় তাহলে। এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে আপনি বিটকয়েন, ইথারিয়াম এবং লাইট কয়েন দ্বারা ও কেনাকাটা করতে পারবেন যে কোন এসইও সার্ভিস কিন্তু বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েনে উইথড্র করতে পারবেন না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য কোন মার্কেটপ্লেস থেকে বিটকয়েণ দ্বারা কোন সার্ভিস কেনা যায় না। ইন্টারনেটে বিটকয়েণ বা ব্লকচেইন এক্সপ্ট করে না এরকম কোন নামী দামী ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্টানই নাই বলতে গেলে সারা বিশ্বে। এখন ফেসবুকও লিরা নামে তাদের  নিজস্ব ক্রিপ্টো কারেন্সী আনতাছে সারা বিশ্বে। যতোদূর জানি ভিপিএন ছাড়া ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড মনে হয় আমাদের দেশের ছেলে পেলে রা ব্যবহার করে না। সে ক্ষেত্রে যে দেশের ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড তারা কিনে সেই দেশের ভিপিএন যদি তারা ব্যবহার করে তাহলে তাার সহজে যে কোন মার্কেটপ্লেসে নিজেদেরকে ফরেন বায়ার বা ক্লায়েন্ট বলে পরিচয় দিতে পারবে- যদি রেজিষ্ট্রেশন করে থাকে (ব্যাপারটা যদি)। আর সে হিসাবে তারা ফেইক সার্ভিস কিনে যে কোন ওয়ার্কারকে রিভিউ ও দিতে পারবে এবং তাকে বাস্তব জীবনে ব্যবহার ও করতে পারবে। সবটাই আমার ধারনা- কারন বাস্তবে আমার হাতে কোন প্রমান নাই। কারন আমি নিজেই আমার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একই দেশ থেকে আরেকজন ওয়ার্কারকে আমি হায়ার করেছি ফ্রি ল্যান্সার ডট কম ওয়েবসাইটে। আর এসইওক্লার্কে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করে কোন ধরনের কুপন এড করতে পারবেন না - কারন আমার যখন কাউকে কোন কুপন অফার করি আর তার কাছে যদি ভিপিএন থাকে তাহলে সেখানে কুপন টা কাজ করে না। সে হিসাবে বলে দেয়া যায় যে-  পৃথিবীতে সবচেয়ে ভালো মার্কেটপ্লেস এইওক্লার্ক। প্রায় ১৫ লক্ষ সেলার আছে রেজষ্ট্রার্ড যারা তাদের সার্ভিস সেল করে যাইতাছে। সেখানে প্রতি মূহুর্তে চেষ্টা করে ভালো একটা কাজ করা বা রিভিউ আনা আমার জন্য বিরাট ব্যাপার আর আমার কাছে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে কাজের মূল্যায়ন হইতাছে সততা। তো আপনি ও ফ্রি রেজষ্ট্রিশন করে একটা ভালো মানের সার্ভিস তৈরী করে  সমানে সেলস শুর করেন আর পজিটিভ রিভিউ আনতে থাকেন। দেখবেন কাজ করে আপনার কতোটা ভালো লাগে। 

পজিটিভ রিভিউ আনার জন্য আপনি যদি পরিকল্পিতভাবে কারো সার্ভিস ক্রমাগত কিনে থাকেন তাহলে যার সার্ভিস ক্রমাগাত কিনলেন এবং তাকে রিভিউ দিলেণ সে হয়তো কিছুটা আশ্চর্য হবে কিন্তু তার সাইড থেকে সে কোন ভুল করলো না। কিন্তু যার কাছ থেকে সার্ভিস কিনলেন এবং সে যদি জেনে থাকে তাহলে এইখানে একটা ফেইকইজম তৈরী হয়ে গেলো। এইখানে যদি আপনি সরকার বা জনগনকে ধোকা দেন তাহলে আপনি সেই আরাম বা সততাটুকু পাবেন না। আমি এসইওক্লার্কে আমার যে কোন রেফারেল কে আমি ৫ ডলার এর কুপন দিতে পারি যাতে সে এসইওক্লার্ক সার্ভিস কিনতে ভবিষ্যতে ইন্টারেষ্টেড হয়। যাকে ৫ ডলারের কুপন দিবো সে সেটা উইথড্র করতে পারবে না। তাকে অতি অবশ্যই আমার কাছ থেকে একটা সার্ভিস কিনতে হবে। আমার প্রোফাইলে দেয়া আছে এরকম যে কোন ৫ ডলারের সার্ভিস সে আমার কাছ থেকে কিনতে পারবে। আর যদি আমি তার অর্ডার দেয়া কাজটা ভালো করে সম্পূর্ন  করে দিতে পারি আর সে দি আমাকে পজিটিভ থাম্ব দেয় এইখানে দোষের কিছু নাই। কারন যে ৫ ডলারের কুপন নিয়ে একটা কাজ কমপ্লিট করিয়েছে সে একটা পজিটিভ থাম্ব দিতেই পারে বা সেলার হিসাবে আমি চাইতেই পারি। এইটা এসইওক্লার্কের প্রমোশণ। 

কিন্তু আপনি যদি একজন সেলারের সাথে চুক্তি করেন যে- আপনি আপনার নিজস্ব ক্রেডিট কার্ড দিয়ে তার কাছ থেকে একটা সার্ভিস কিনবেন  ১০০ বার এবং ১০০ বার তাকে পজিটিভ থাম্ব দিবেন আর মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের বাহিরে তার সাথে ইলিগ্যাল লেনাদেনা করে ফেইক পজিটিভ রিভিউ দেন তাহলে সেটা হবে খারাপ বা দুই নম্বর গিরি। কারন যখন আপনি কারো কাছ থেকে আপনার নিজের পয়সা বা ডলার দিয়ে সার্ভিস কিনবেন তখন সেখানে আপনাকে ১০০ ভাগ সততার পরিচয় দিতে হবে। ইভেন আপনি চাইলেই পরিচিত কারো কাছ থেকে সার্ভিস কিনতে পারবেন না। আপনাকে সার্ভিস কেনার ক্ষে্ত্রে সততার পরিচয় দিতে হবে। আপনি যতোবার সার্ভিস কিনবেন ততোবারই আপনাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট অনুযায়ী রাইট ক্যাটাগরি তে সার্ভিস সার্চ করে কিনতে হবে বা ওয়ার্কারদের ক্ষেত্রে আপনি মনে চাইলেই পরিকল্পিত ভাবে প্রতিবার ই একজনকে শুধু হায়ার করতে পারবেন না। আপনাকে প্রতিবার জবের জন্য পোষ্ট করতে হবে- যারা বিড করবে তাদের মধ্যে সেরা জনকে খুজে বের করে কাজ দিতে হবে। যেমন মনে করেন: আমি মার্কেটপ্লেসের একজন বায়ার। আর আপনি একজন ওয়ার্কার। Marketplace Website এর বাহিরে আপনার সাথে আর্থিকভাবে চুক্তি করলাম আর আমার সাথে আরো ১০ জন আছে। আমরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক। সেই হিসাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ আছে। তো আপনি আমার সাথে বাহিরে কন্ট্রাক্ট করলেন আর তারপরে আমাকে ভালো অংকের টাকা পয়সা দিলেন আর আমাকে বললেন যে আমার ১০ জন বন্ধুর মাধমে ১০ দেশের ক্লায়েন্ট একাউন্ট তৈরী করে আপনাকে ১০ টা কাজের জন্য ওয়ান বাই ওয়ান হায়ার করতে। তারপরে আপনার একাউন্টে ১০ টা কাজের রিভিউ যুক্ত হলো এবং ১০ টা পজিটিভ থাম্বও এড হলো। সেই টা সততার সাথে পজিটিভ রিভিউ ইনকাম হবে না। পজিটিভ রিভিউ ইনকাম হবে তখন যখন কোন ওয়ার্কার নিজে চেষ্টা করে জব খুজে বের করবে তারপরে সেখানে বিড করবে বা কাজের জন্য আবেদন করবে এবং তারপরে সেখানে সে জবের জণ্য যোগ্যতা অনুযায়ী সিলেক্ট হবে এবং সঠিক ভাবে কাজ করবে এবং ক্লায়েন্ট আপনার কাজে খুশী হয়ে নিজের মন থেকে আপনাকে পজিটিভ রিভিউ দিবে - এইটাকে বলা হয় বা হবে অনেষ্ট পজিটিভ রিভিউ। এই রকম পজিটিভ রিভিউ যাদের আছে তারা ই আসল ফ্রি ল্যান্সার। 

ফেইকইজম করে তো আমিও আপনাকে কয়েক হাজার পজিটিভ রিভিউ পাওয়াইয়া দিতে পারবো - বাংলাদেশ সরকার বাল ও কিছু জানতে পারবে না- তাতে তো আর আপনি অরিজিনাল ফ্রি ল্যান্সার হতে পারলেন না।  আসলে যারা বাযার বা সত ক্লায়েন্ট তাদের কিছু ক্যাটাগরি আছে যেমন: সে বেসিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মতো আচরন করবে। একটা জব যদি আপনি তৈরী করেন আর সেখান কার লিংক যদি আপনি স্কাইপে বা মেসেন্জারে দিয়ে থাকেন তাহলে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের যে ট্রাফিক ট্রাকার আছে সে সহজেই বলে দিতে পারবে যে আপনি ইনটেনশনালি একজনকে ওয়ার্কার হিসাবে হায়ার করেছেন যা পূর্ব থেকে নির্ধারিত। কিন্তু এইভাবে হাযার করার জন্য আপনি মার্কেটপ্লেস ব্ল্যাকলিষ্টেড বায়ার হবেন।

এসইওক্লার্ক প্রমোশনের কাজ পাবার পর থেকে আমি বাংলাদেশী ছেলে বা মেয়ে যারা ফ্রি ল্যান্সার/মার্কে
টপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কার জগতে চেষ্টা করতাছে তাদেরকে এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইট এ রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে ফ্রি তাকে ৫ ডলার কুপন দিয়ে তার কাছে একটা সার্ভিস সেল করে থাকি (আমি চাইলে সারা বিশ্বে প্রমোশন করতে পারবো ৫ ডলারের কুপনের যে আমার কাছ তেকে একটা এসইও সার্ভিস কিনতে আগ্রহী হবে তাকেই দিতে পারবো)। সব মিলিয়ে বিগত ৩/৪ বছরে ২৫ জন কে পাইছি (এমনিতে অনেক রেজিষ্ট্রেশন হয় সবাইকে অফার করি না) যারা আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিস্ট্রেশন করে আমার কাছ থেকে ৫ ডলারের সার্ভিস কিনেছে- ধরা যাক ১০০ ডলার আমি এইভাবে রেফারেলে সার্ভিস সেল করে উপার্জন করেছি। এছাড়া আমার রেফারেল লিংকের প্রমোশন আছে প্রথম দিন থেকেই।আছে এফিলিয়েট ষ্টোর : এসইওলিষ্টলি। এছাড়াও আছে বায়ার হিসাবে পজিটিভ রিভিউ পাওয়া। সেলার হিসাবে সার্ভিস সেল করে পজিটিভ রিভিউ পাওয়া। এছাড়াও জব সেকসান থেকে আবেদন করে কাজ কমপ্লিট করে রিভিউ পাওয়া। একেকটা রিভিউ এর জন্য দিন রাত পরিশ্রম করতে হয় । একেকটা ক্লায়েন্ট বা বায়ারকে ১০০% কাজ দ্বারা স্যাটিসফায়েড করে রিভিউ আনতে হয়। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি হঠাৎ করে আইসা বলেন যে আপনার ৫০০০ রিভিউ আছে তখন আপনার প্রোফাইল টা ঘেটে দেখতে হবে যে:

  • আপনি কোন ধরনরে ছল চাতুরীর আশ্রয় নিয়েছেন কিনা?
  • মার্কেটপ্লেস কে আপনি ধোকা দেবার চেষ্টা করতাছেণ কিনা বা করেছেন কিনা? 
  • আপনি পরিকল্পিতভাবে নিজে নিজে বা গ্ররপ আকারে ডলার আপলোড করে আবার ডাউনলোড করতাছেন কিনা?
  • আপনার  প্রোফাইল দ্বারা উপার্জিত ডলার ১০০% একুরেটি কিনা বা সেটা ১০০% রেমিটেন্স কিনা? 
এরকম হাজারো বিষয়ের উপরে ডিপেন্ডস করে আপনাকে পজিটিভ রিভিউ অনার বলা হবে বা আপনাকে পজটিভ রিভিউ আর্নার বলা হবে। আমি এখন এফিলিয়েট স্টোর নিয়ে বেশীর ভাগ সময় কাজ করে থাকি কিন্তু আমার ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে যতোগুলো পজিটিভ থাম্ব পেয়েছি ততোগুলো ই অনেষ্টলি পেয়েছি এবং প্রয়োজেন ক্লায়েন্টের সাথে আনডারষ্টেনিডং করে হাজার হাজার ডলারের কাজ ছেড়ে দিয়েছি কাজ কমপ্লিট করার পরেও (Mutual Cancellation) যদি পজিটিভ থাম্ব দিতে রাজী না হয়েছে বা যদি বলেছে ব্যাড রিভিউজ দিবে- তাহলে সেই কাজই আমি ছেড়ে দিতাম। কারন আমি বলতাম- ডলার সারা জীবনই উপার্জন করতে পারবো কিন্তু একটা ব্যাড রিভিউজ আমার জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াবে। যদিও আপনি কোন কাজ একুরেটলি করার পরেও যদি কেউ আপনাকে ব্যাড রিভিউজ দেয় তাহলে এসইওক্লার্কে রিক্যুয়েষ্ট করলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তারা সেই অর্ডার টা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ব্যাড রিভিউজ টা ডিলেট করে দিবে। এসইওক্লার্কের আরো অনেক ফাটাফাটি বিষয় আছে যা ধীরে ধরে বলা হবে- আমার অভিজ্ঞতা থেকে। 

ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়ার্কাররা রিভিউ বলতে একটা সার্টিফিকেট বোঝায়। একসময় যখন ওডেস্কে কাজ করতাম তখন ক্লায়েন্টের অল ইনফরমেশন পাওয়া যেতো। এখন ক্লায়েন্টের অল ডিটেইলস পাওয়া যায় না কোথাও কোন মার্কেটপ্লেসে বেশীর ভাগ সময়ে। এইখানে টিকে থাকাটাই সবচেয়ে বড় কথা। আপনি চাইলে আপনার সকল ক্লায়েন্ট কে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে নিয়ে যাইয়াও কাজ করতে পারবেন সে ক্ষেত্রে মার্কেটপ্লেস আপনার কাছে ঠকে গেলো- এক কথায় আপনার উপকার করতে আইসা ধরা খাইয়া গেলো। সাধারনত মার্কেটপ্লেস গুলোকে ১০%-২০% দিতে হয় প্রতি ১ ডলারে। আপনি নিজে যদি দেবার মেন্টালিটি না তৈরী করেন তাহলে আপনাকে ফরেনার বায়ার বা  ক্লায়েন্টরা কিভাবে দেবে? এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়াবহ কাজ হলো : মানুষের কাছ থেকে বা মানুষের পকেট থেকে ডলার আদায় করা। আর মার্কেটপ্লেসে বসে থেকে নিজের কাজের সুনাম বা রিভিউ বা রিকমেনডশন দিয়ে যে কোন দেশের ক্লায়েন্ট বা বায়ারের পকেট থেকে ডলার বের করে আনা - এইটাকে আপনি যা তা আলাপ বলে মনে করতে পারেন না। আমাদের দেশে সেই সকল ছেলে বা মেয়েরা খুবই সৌভাগ্যবান - যাদের বাবা এবং মা বা পরিবারের সদস্য রা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে প্রতিষ্টিত করার জন্য খুবই সুন্দর করে ওয়ার্কষ্টেশন বানাইয়া দিছে যারা মনোযোগ দিয়ে কাজ করতাছে- নিজের, বাবা এবং মার এবং সারা দেশের নাম উজ্জ্বল করতাছে এবং একই সাথে রেমিটেন্স নিয়ে আসতাছে। আর তারা প্রকৃতই দুর্ভাগ্যবান যারা কাজ জানার পরেও পরিবার বা দেশ থেকে সুযোগ বের করে কাজ করতে পারতাছে না। জ্ঞান এমন এক জিনিস যা আপনাকে দাবড়াবে সব সময়। আর অজ্ঞতা/নিরক্ষরতা/মূর্খতা এমন এক জিনিস যা আপনাকে বিরক্ত করবে সব সময়। তো আমাদের দেশে যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগত সম্পর্কে অজ্ঞ তারা আরো বেীশ পরিমান পড়াশোনা করে জিনিসগুলো জানবেন এবং আপনার চোখে যদি কোন কিছু ধরা পড়ে তাহলে আপনি আইন পুলিশের সাহায্য নিবেন। কারন আপনি তো আর জানেন না যে- কে কখন কোন দেশ থেকে আপনাকে কখন হায়ার করতাছে? কেউ যদি বলে সে বাংলাদেশের বায়ার বা ক্লায়েন্ট এবং ক্লায়েন্ট বা বায়ার বাংলাদেশেই পাওয়া যায় তাহলে মনে রাখতে হবে যে- বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের গরীবতম দেশ। এইখানে প্রায় ৫-৬ কোটি মানুষ দৈনিক রোজগার করে চলে। এইখানে গুটিকয়েক মানুষ বায়ার হতে পারে যা একটি পাড়া বা মহল্লার চাহিদা পূরন করতে সক্ষম কিন্তু সারা দেশে/ ভারতীয় ৭টি অংগরাজ্য সহ তথাকথিত ২ কোটি ফ্রি ল্যান্সার হতে চাওয়া বাংগালী জাতির  খোরাক হতে হলে ৪৫০-৫০০ কোটি ইহুদি, খ্রীষ্টানদের দ্বারস্থ হতেই হবে কারন তারাই প্রকৃত বায়ার - প্রকৃত ক্লায়েন্ট। তারাই ডলার ইউরো পাউন্ডের মালিক। আপনার কাজ দ্বারা তাদের পকেট থেকে যখন আপনি ডলার ইউরো বা পাউন্ড উপার্জন করতে পারবেন তখনি আপনি প্রকৃত উপার্জন করতে পারবেন আর তার কাছ তেকে যদি রিভিউ পান তাহলে বুঝতে হবে যে আপনি একটা রিয়েল রিভিউ পাইছেন। যারা ছলে বলে কৌশলে রিভিউ এর দাপট দেখাইতাছে বা প্রোফাইলের দাপট দেখাইতাছে তাদের মনে রাখতে হবে যে- তাদের প্রোফাইলের সততার স্বাদটুকু কতোটুকু। কারন ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। 

SEOClerks






ব্যক্তি হিসাবে এখানে যদি কেউ ১ ডলার ও সতভাবে উপার্জন না করে এইখানে তার কোন দাম নাই। এইখানে একমাত্র দাম আছে সরকারি পৃষ্টপোষকতার। ব্যক্তি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পৃষ্টপোষকতা এইখানে ২ নম্বরগিরি বাড়িয়ে তুলবে। সরকারি পৃষ্টপোষকতা বলতে সারা দেশের মানুষ এখনো ব্রডব্যান্ডের আওতায় আসে নাই। আজকে ২০ বছর বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ডের। সারা দেশে এর সুফল পৌছাতে পারলে আরো বেশী পরিমান রেমিটেন্স আনা সম্ভব হবে- সম্ভব হবে আলাদা মুদ্রানীতি গ্রহন করতে ও।  Christinae (ক্রিষ্টিনি) নামের একজন মহিলা বায়ার (ওডেস্ক) যার বর্তমান বয়স হবে ৬৫-৭০+ এর মধ্যে - যে কিনা আমেরিকার ফ্লোরিডাতে বসবাস করে- উনি আমাকে ২০১০-১১ সালে বড় মাপের একটা প্রজেক্টের কাজ দিয়েছিলেন যেখান থেকে আমি বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসের কাজ ছেড়ে দিয়ে উনার প্রজেক্টের মাধ্যমে ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সিং এ নাম লেখাই। তার আগে পার্টটাইম করেছি ২০০২-২০১১। ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সার হবার পরে উনিই প্রথম আমাকে পজিটিভ রিভিউ দেন। উনার কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে। উনার প্রজেক্ট কমপ্লিট করার পরে বলেছিলেন যে- উনি আমার জন্য একটা বোনাস বাজেট রেখেছেন যা ফ্লোরিডাতে উনার অফিসে বাস্তবে যাইয়া গ্রহন করতে হবে। এরকম আরো অসংখ্য ক্লাযেণ্টের পজিটিভ ডিটেইলস পওয়াও সম্ভব এবং সৌভাগ্য আমার হয়েছে। 

Thursday, October 22, 2020

ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে কি বোঝেন?

কোন পন্য বা প্রোডাক্ট কে যখন সারা বিশ্বের সবখানে ছড়িয়ে দেয়া হয় তাকে প্রমোশন বলে। যখন ইন্টারনেট এই বিশ্বে জনপ্রিয়  ছিলো না তখন যে কোন পন্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেবার জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে বিখ্যাত ফ্যাশন মডেল বা অভিনেতা অভিনেত্রীদের সাহায্য নেয়া হতো যাকে বলা হয় ব্রান্ড এম্বাসেডর - এখনো এই পদ্বতি খুব জনপ্রিয়। বিশ্বখ্যাত মডেল ক্যানডিস সোয়ানেপল এখনো আফ্রিকার মাদার টু মাদার অর্গানা্ইজেশনের ব্রান্ড এম্বাসেডর। মাততৃত্বকালীন সময়ে সতর্ক থাকা এবং গর্ভে মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন মডেল এই ব্যাপারে কাজ করে থাকে।  এছাড়াও বাংলাদেশের অনেক ফ্যাশণ মডেল আছে যারা বিভিন্ন পোশাক/ফ্রাশন/প্রসাধনী ব্রান্ডের এম্বাসেডর। তারা সেই সকল ব্রান্ডের প্রমোশেনের জন্য কাজ করে থাকে। কিন্তু ইন্টারনেট আসার পরে ব্রান্ড এম্বাসেডর শব্দটাতে কিছুটা ভাটা পড়ে যায়। ইন্টারনেটে যারা পপুলার তাদেরকে অনেক সময় ব্রান্ড এম্বাসেডরের কাজ করতে হয় এবং সব ক্ষেত্রেই ফ্রি বেশীরভাগ। যেমন : আপনার দ্বারা অনেক অনেক সফটওয়্যার বা পন্য প্রমোশন করানো হইতাছে যা আপনি আপনার বন্ধু, পাড়া, মহল্লা বা পরিচিত সবাইকে বলতাছেন বা বিভিন্ন সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করা হইতাছে। যেমন : ধরেন টিকটক। এইটা একটা চায়নিজ এ্যাপ এই বিশ্বের মধ্যে। চায়না মালে দেশ সয়লাব, পৃথিবীতে যতো পন্য বা প্রোডাক্ট আছে তার সব ডুপ্লিকেট পাবেন আপনি চায়নাতে, আর চাইনিজ যতো মাল আছে তার ডুপ্লিকেট পাবেন আপনি জিন্জিরাতে- এরকম একটা কথা আমাদের সময় থেকে প্রচলিত আছে। 

তো আজকে আমাদের দেশে দেখেন টিকটক ভিডিও নিয়ে কথা উঠেছে, টিকটক থেকে অবৈধ শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন চলতাছে করোনা কালীণ সময়ে < পুল পার্টি চলতাছে যা নিয়ে টিভি প্রতিবেদন ও এসেছে এবং সারা বিশ্বের বিভিন্ন খানে এইটাকে নিষিদ্বও করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনুরোধ করার পরেও আমেরিকার কোন কোম্পানী এই ব্যান্ড টাকে কিনতে রাজী হইতাছে না প্রাথমিক ভাবে যে সকল এ্যাপে টিকটক এর ভিডিও শেয়ার করা যায় তাদের মাঝ খান থেকে কেউ একজন কিনতে পারে বলে ধারনা করা হাইতাছে- অথচ চায়না এই এ্যাপটাকে আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা কোন ধরনের পেমেন্ট ছাড়াই প্রচার করে পপুলার করে তোলার চেষ্টা করতাছে। বাংলাতে( বাংলাদেশ সহ আরো ৭টি অংগরাজ্য) প্রায় ৪১ কোটি মানুষ বসবাস করে- তারা যদি কোন জিনিস এর প্রতি একবার আগ্রহ প্রকাশ করে তা তো পপুলার হবেই। বাংলাদেশে র টিকটক বিজনেস নিয়ে- বা টিকটকের অপব্যবহার নিয়ে হয়তো কয়েকদিন পরে আন্তর্জ াতিক ভাবে রি  রি ও পদে যাইতে পারে কিন্তু তারা আমাদের দেশে কোন ভাবে কোন রেফারেল সিষ্টেম দেয় নাই, কোন রেফারেল বোনাসও নাই, কোন রেফারেল পারেসেন্টেজ ও নাই, কোন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম ও নাই কোন ব্রান্ড এম্বাসেডর ও নাই- ফুদাই পোলাপানের মাথা নষ্ট হয়ে যাবার জোগাড়- ইভেন একুরেটলি ব্যবসাও তারা পাইতাছে না কারন যারা টিকটক ভিডিও বানাইতাছে তাদের সাথে ব্যবহৃত ডিভাইসের মালিকানা বা রেজিষ্ট্রেশনের বা সীম রেজিষ্ট্রেশনের ডাটাও মিলতাছে না আর টিকটকের মাথা খারাপ হয়ে যাবার দশা? কিন্তু এইখানে যদি রেজিষ্ট্রেশন বোনাস বা রেফারেল বোনাস বা রেফারেল % দেয়া থাকতো তাহলে আমাদের দেশের ছেলে বা মেয়েরা অনেক ব্যবসা বা উপার্জন করতে পারতো- সময়টা কাজে লাগতো। বিনা কারনে ভিডিও বানাইয়া মজা করার মাধ্যমে টিকটক যে সফটওয়্যার বা প্রমোশন চালাইতাছে সেখানেও তাদের আহামরি লাভ হইতাছে কিনা সন্দেহ? 

যে ভিডিও বানাইতাছে তারা ম্যাক্সিমাম বয়স ১৮-২৩ এর নীচে । বাংলাদেশে সম্প্রতি চালূ হয়েছে মোবাইল ডিভাইস ভেরিফিকেশন সিষ্টেম। কারো হাতে মোবাইল থাকলে তাদের সেটা ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। আর তার মাধ্যমে তারা আরো একটা ভেরিফায়েড সিষ্টেম ও পাবে। প্রত্যেকের মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন করার মাধ্যমে তার ভেরিফায়েড মোবাইল এবং ভেরিফায়েড নাম্বার সিষ্টেম যদি থাকে তাহলে তারা যে কোন কানে যে কোন প্রোডাক্ট বা পন্যের জন্য সহজে রেফারেল হতে পারবে। তাকে দিয়ে আপনি যে কোন ধরনের প্রোডাক্ট প্রমোশনও করতে পারবে। আরো অনেক ভিডিও শেয়ারিং সাইট আছে। টিকটকে ভিডিও বানাতে যে পদ্বতি ব্যবহার করতে হয় সেই একই পদ্বতি ব্যবহার করে যদি ইউটিউবেএ ভিডিও আপলোড করা যাইতো তাহলে হয়তো তারা ইউটিউবে ফ্রিডম মনিটাইজেশন পাইলেও যেখান থেকে তাদের ইনকাম হতো। টিকটকে ভিডিও আপলোড করার জন্য বা টিকটকে পপুলার হলে তো আর টিকটক আপনাকে পেমেন্ট দিবে না। আপন যতোক্ষন অনলাইনে আছেন বা সময় কাটাইতাছেন সেটাই টিকটকের লাভ। আর কেউ যদি বলে টিকটক করে টাকা পাওয়া যায় - তাহলে সেখানে নিশ্চিত দুই নম্বর পন্থা আছে। হয়তো কোন সংঘবদ্ব চক্র টিকটকের ইয়াং জেনারেশন প্রজন্ম কে নষ্ট করার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে নথিভুক্ত হবার আগেই তাদের মাথা খারাপ করে দেবার দশা করেছে। টিকটকে তো আর মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম নাই। টিকটকে আছে স্বল্প মাত্রার ভিডিও আপলোড পদ্বতি- যেখানে ভিডিও প্রমোশন করার জন্য অনেক ধরনের পদ্বতি ব্যবহার করা হয়। তাও এইখানে কোন ব্রান্ডের কোন প্রমো পর্যন্ত নাই। টিকটক কোম্পানী এই ধরনের কোন ঘোষনা নাই যে আপনি টিকটকের জন্য ভিডিও তৈরী করে বা টিকটকের জন্য ভিডিও আপলোড করে ডলার উপার্জন করতে পারেন। একজন আরেকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়াকে টাকা উপার্জন বলে না। আপনার সময়ের দাম আছে- আপনি যখন সময় ব্যয় করবেন তখন ভালো কোন প্রোগ্রামের জন্য সমষয় ব্যায় করুন যেখানে সময় ব্যয় করলে বা সেটার জন্য ভিডিও বানালে আপনি একই সাথে পপুলার ও হবেন আবার একইসাথে উপার্জন ও করতে পারবেন। আপনি যদি বলে থাকেন আপনি বড়লোক তারপরেও আপনাকে উপার্জনের চেষ্টাতে থাকতে হবে- নয়তো রাজার ভান্ডার ও ফুরিয়ে যাবে। 

টিকটকের জন্য যেভাবে শুটিং করেছেন ঠিক সেভাবে আপনি ইউটিউবের জন্য শুটিং করে ভিডিও আপলোড করবেন এবং আপনার চ্যানেলে যদি ৫ লক্ষ মিনিট এড হয় তাহলে আপনি ফ্রিডমের মনিটাইজশেন পাবেন। সাথে ৫ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। তারপরে আপনি ফ্রিডম প্রোগ্রাম কে মনিটাইজেশন করবেন সেটা আমি নীচে ভিডিও এর মাধ্যমে দেখাইয়া দেবো। ইউটিউবে চ্যানেল ওপেন করা একদম ফ্রি- ১০০% ফ্রি - এক টাকা বা এক ডলারও লাগবে না। আপনি শুধু মিথ্যা প্রতারিত হবেন না কোথাও। আপনার কাছে বেশী পরিমান টাকা থাকে ওয়াস্টেজ করার মতোন - তাহলে আপনি আমাদের দেশের গরীব মানুষকে যেভাবে পারবেন সেভাবেই অর্থ সাহায্য করবেন। আর ফ্রিডমে যদি আপনি মনিটাইজেশন করেন তাহলে ফ্রিডম প্রোগ্রামে আপনি ইউটিউব রেভিনিউ শেয়ার প্রোগ্রামে যতো উপার্জন করবেন তার ৬০% দিবে এবং ৪০% সে নিয়ে যাবে। এই ধরনের প্রোগ্রাম কে ইউটিউব এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বলে। 

 


আপনি যদি উপরের ব্যানারে ক্লিক করেন তাহলে আপনি ফ্রিডমের ইউটিউব চ্যানেলে প্রবেশর করবেন। তারপরে যদি আপনি তাদের ফুল ভিডিও গুলো দেখেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে কিভাবে কাজ করবেন। আর যদি সরাসরি ইউটিউব চ্যাণেল মনিটাইজেশণ এর জন্য আবেদন করতে চান তাহলে এইখানে ক্লিক করেন: ফ্রিডম মনিটাইজেশন

সাধারনত আমাদের বিশ্বে আপনি যদি কোন ওয়েবসাইটে কাউকে জয়েণ করানোর জন্য কোন % বা বোনাস পান তাহলে তাকে রেফারেল বোনাস বা রেফারেল % বলে থাকে। আর যদি আপনি নিয়মিত প্রোডাক্ট বিক্রি করে কোন ডলার বা উপার্জন পেয়ে থাকেন সেটাকে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম বলে থাকে। রেফারেল টা সাধারনত ১ টাইম হয়ে থাকে আর এফিলিয়েট টা লাইফ টাইম হয়ে থাকে। যেমন : ধরেন আপনি একটা ওয়েবসাইটে জয়েন করেছেন। জয়েন করার পরে দেখতে পারলেন যে : ওয়েবসাইট আপনাকে বলতাছে যে - এইখানে যদি তুমি তোমার বন্ধুদের জয়েণ করাতে পারো তাহলে তুমি যতো বন্ধু জয়েন করবে তুমি তোমার বন্ধুর কাছ থেকে রেফালের বোনাস পাবা বা এককালীন জয়েনিং বোনাস পাবেন। জয়েনিং বোনাস মানে আপনার রেফারেল লিংক থেকে যদি কেউ রেজিষ্ট্রেশন করে আর আপনি যদি তার কাছ থেকে বোনাস পেয়ে থাকেন তাহলে সেটাকে রেফারেল বোনাস বলে থাকে।ধরেন আপনি খুব পপুলার : এখন একটা প্রোডাক্ট শপের সাথে আপনার যোগাযোগ হরো। তারা আপনাকে অফার দিলো যে- আপনি তো অনেক পপুলার। আপনার মাধ্যমে আমরা একটা প্রোডাক্ট প্রমোশন করতে চাই। আপনি আপনার পেজে বা প্রোফাইলে আমাদের এই প্রোডাক্টের ছবি পাবলিশ করবেন আর তার সাথে আপনি একটা কোড ও দেবেন। যারা যারা দোকানে আইসা আপনার সেই কোড টা বলবে আমরা তাকে যে কোন পন্যের উপরে ২০% ছাড় দেবোে। এইভাবে যতো লোক আসবে তাদেরকে ২০% ছাড় দেবো আর তারা যা কেনাকাটা করবে তার উপরে আপনাকে ১০% বোনাস দেবো। এই হইতাছে রেফারেল বোনাস বা রেফারেল সিষ্টেম। এইভাবে যদি আপনি নিজেকে পপুলার মনে করেন আর আপনার কাছে বালো কোন পন্য থাকে তাহলে আপনি যে কোন খানে সেই পোডাক্ট প্রমোশন করে উপার্জন করতে পারবেন। আর আপনি যদি ইন্টারনেটে কেনাকাটা করে থাকেন তাহলে আপনি ইন্টারনেটে সেই প্রোডাক্ট প্রমোশন কোড দিবেন আর আপনি ডিসকাউন্টও পেয়ে যাবেন আর পন্যের মালিকের সাথে বা প্রোডাক্ট ষ্টোরের সাথে আপনার যোগাযোগ থাকার কারনে আপনি একটা ছাড় পেয়ে যাবেন সব সময় লাইক সেই ১০%। আর আপনি শুধু সেইখানেই পন্য কেনাকাটা করবেন যেখানে আপনি নিজের জন্য আলাদা ছাড় বের করতে পারবেন। এইটা একটা ব্যবসায়িক টেকনিক- দোকান দার বা ইন্টারনেট প্রোডাক্ট ষ্টোর অনার যদি আপনাকে ছাড় দেয় তাহলে তো আর কিছু বলার নাই কিন্তু রেফারেল বোনাস টা ওয়ান টাইম বোনাস। রেফারেল বোনাস আপনি সারা জীবন পাবেন না। ওয়েবসাইট রেফারেল বোনাস সবসময় পাওয়া যাইতে পারে কিন্তু পোডাক্টের জন্য রেফারেল বোনাস টা একটা মৌসুমের জন্য পাওয়া যায়। 



বাংলাদেশে যতো পরিমান এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে তার মধ্যে এমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রামটা সবচেয়ে পপুলার। এফিলিয়েট প্রোগ্রামের সবেচেয়ে বড় বেনেফিট হলো আপিনি যখন কোন পন্য কে প্রমোশন করবেন বা সঠিক ভাবে এসইও করবেন সেটা  তে আপনি যতো পরিমান সেলস জেনারেট করবেন - যতোবার সেলস হবে ততোবার আপনি ৩% বোনাস পাবেন। এখন আপনি যদি এখানকার কোন পন্য কে সারা বিশ্বের অডিয়েন্সের সামনে প্রমোট করেন তাহলে আপনার অনেক পরিমান ভিজিটর আসবে আর আপনি যদি সেখানে সেলস জেনারেট করতে পারেন তাহলে আপনি যতোবার সেলস জেনারেট করবেন ততোবার পন্যের টোটাল দামের উপরে ৩% বেনিফিট পাবেন। ধরেন: একটা পন্যের দাম আছে ৩০০০ ডলার আপনি ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটে  বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যার  সাথে বা যাদের সাথে মেলামেশা করেন তাদের সামনে আপনি যদি এমাজন এফিলিয়েট প্রোগা্ম এ রেজিষ্ট্রেশন করে  একটা এফিলেয়েট লিংক সবখানে প্রমোশন করেন আর আপনি যদি সেই প্রোডাক্টের উপরে সেলস জেনারেট করে থাকেন তাহলে সেখানে সেলস এর উপরে ৩% (সাধারনত এমাজন ৩% সেলস কমিশন দিয়ে থাকে) কমিশণ পাবেন। ৩০০০ ডলারের ৩% কমিশন হলো: ৯০ ডলার। যে জণ্য আপনি চাইলে ভালো রকমের ব্লগ লিখে ব্লগ মনিটাইজশেন করতে পারেন বা একটা ওয়েবসাইট মেক করে সেখানে এমাজন ষ্টোর সেট আপ করেও সেলস জেনারেট করতে পারেন বা একটা এমাজন এফিলয়েট ষ্টোর তৈরী করে সেখানে আপনি সেলস জেনারেট করে প্রতি মাসে কয়েক হাজার ডলার উপার্জন করতে পারবেন। এমাজন এফিলিয়েট ষ্টোরে জয়েন করাটা একদম ফ্রি। আপনাকে ১ টাকা বা ১ ডলারও দিতে হবে না রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য। তবে আপনি যদি ওয়েবসাইট কিনে প্রোডাক্ট প্রমোশন করেন তাহলে আপনাকে ওয়েবসাইটের ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন এর দাম, ওয়েবসাইটে হোস্টিং এর দাম, ওয়েবসাইটে যে টেমপ্লেট আছে সেটার দাম এবং ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট ডাটা এন্ট্রি সেটার জন ্যহয়তো বা আপনাকে খরচ করতে হবে। তবে এমাজন প্রোডাক্ট প্রমোশন করার জণ্য আপনাকে এমাজন রিলেটেড টেমপ্লেট চয়েজ করতে হবে। তবেই আপনি ভালো রেজাল্ট পাবেন। আপনাকে সাথে ভালো মানের হোয়াইট হ্যাট এসইও ও শিখতে হবে। সেই ক্ষেত্রে যারা আন্তর্জাতিক ভাবে এসইও মাষ্টার তাদের ইউটিউব ভিডিও দেখে যাদ আপনি এসইও শিখেন তাহলে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ অনেক ভালো করতে পারবেন। দরকার ষ্টাডি, ব্রেইন এবং চেষ্টা আর এসইও। 

অনেক ওয়েবসাইট প্রোগ্রাম আছে পৃথিবীতে রেফালের জয়েণ এ বোনাস দেয় আবার এফিলিয়েট বোনাস ও দেয়। অনেক ওয়েবসাইট আছে রেফারেল বোনাস দেয় - কিন্তু এফিলিয়েট বোনাসের কোন সিষ্টেম নাই । আবার অনেক ওয়েবসাইট আছে এফিলিয়েট বোনাস দেয় কিন্তু রেফারেল কোন বোনাস দেয় না। কারন এফিলিয়েট মার্কেটিং টা হয় সারা জীবনের জন্য। যতোবার প্রোডাক্ট সেল করবেন বা যতোগুলো প্রোডাক্ট যতোবার সেল হবে ততোবার আপনার একাউন্টে % আইসা জমা হবে।

আমার একটা এফিলিয়েট ষ্টোর আছে যেখানে আমি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস সেল করে থাকি। সেখান  থেকে আপনি যতোবার প্রোডাক্ট কিনবেন ততোবার আমি ১০% বোনাস পাবো। আবার প্রোডাক্ট লিংক থেকে বা সাইন আপ পেজ থেকে যদি জয়েণ করেন তাহলে আপনাকে আমি রেফারেল হিসাবে পাবো কিন্তু কোন রেফারেল বোনাস পাবো না কারন এসইওক্লার্কের কোন রেফারেল বোনাস দেয়া হয় না কখনো।আমার রেফারেল লিংক থেকে যদি আপনি ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করেন তাহলে আমি কোন বোনাস পাবো না কখনোই। কিন্তু আপনি যদি আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে এইখানে বায়ার হোন আর সবসময় এসইও প্রোডাক্ট কেনাবেচা করে থাকেন তাহলে আপনার প্রতি কেনাকাটায় আমি ১০% পেয়ে থাকবো। ১০% এফিলিয়েট বোনাস দেয়া হয় সবসময়। আপনি চাইলে যে কারো প্রোডাক্ট কে এফিলিয়েট করতে পারবেন। কিভাবে করবেন তা একসময় দেখাইয়া দেবো। 

নোট : জানেন তো ব্লগার দের সকল পোষ্ট আমেরিকান ব্লগার কপিরাইট আইনে সিক্ত। যদি আপনি কোন রেখা কপি করতে চান তাহলে সোর্স এবং লিংক উল্লেখ করবেন। 

 





SEOClerks



Tuesday, May 5, 2020

forums.com.একটি মিরাকল ফোরাম ওয়েবসাইট।

কয়েকদিন আগে আমি একা একা বসে ভাবতেছিলাম যে- বাংলাদেশে একটা ভালো ফ্রি ল্যান্সার দের ফোরাম দরেকার । তারপরে দেখলাম একজন আমাকে ইমেইল সেন্ড করেছে একটা ফোরামে জয়েন করার জন্য। ফোরাম টা দেখে খুবই ভালো লাগলো- কারন এইটাতে অনেক এসইও  করার অপশন আছে। আমার কাছে ভালো লেগেছে এবং আমি রেজিষ্ট্রেশন করে েএকটা পোষ্টিং ও দিয়েছি। কিছু এসইও বা যে কোন প্রশ্নের উত্তর ও দেয়া যায়। 






এখানে ভিডিওতে আপনি ক্লিয়ারলি দেখতে পারবেন যে- কিভাবে ওয়েবসাইটটাতে জয়েন করা যায় এবং আরো কিভাবে আপানর প্রোফাইলকে সাজাবেন এবং কিভাবে আর্টিকেল তৈরী করবেন বা পোষ্ট করবেন। এখানে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো- যারা আছে তোরা কোয়ালিটি ইউজার। আপনি এখানে যে কোন বিষয়ে ডিটেইলস পোষ্টিং করতে পারেন যা দেখে অনেকেই উপকৃত হবেন।  যারা একদম নির্দ্বিধায় আপনার কাছ থেকে উপকার পাবে এবং ফ্রি ল্যান্সিং শিখতে পারবে যার জন্য তাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না। উপরে  েযইমেজ আছে সেখানে যদি আপনি ক্লিক করেন তাহলে সরাসরি ওয়েভসাইটে ঢুকে যাবেন। 

Translate