Translate

Monday, October 12, 2020

White Hat SEO- Keyword Research.

 White Hat SEO- Off Page Optimization- DO Follow and No Follow Hyperlink - গতকালকে আলোচনা করা হয়েছিলো- এইখানে বাকী সব মেথড এবং টেকিনিকগুলো ভিডিও আকারে দেখানো হবে আমার  ইউটিউব চ্যানেলে। আপনি আমার চ্যানেলে নিয়মিত চোখ রাখলে ডু ফলো এবং নো ফলো হাইপারলিংক মেথড গুলো পুরোপুরি দেখতে পারবেন। সেগুলো যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইট এপ্লাই করেন তাহলে আপনি অটোমেটিক অনেক ভিজিটর বা ট্রাফিক আনতে পারবেন।আজকে কি ওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করবো। আশা করি উপকৃত হবেন। আমার ব্লগ পোষ্ট যদি ভালো লাগে তাহলে অতি অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর আপনার যদি কিছু বলার থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।

সোশাল মিডিয়া জগতে সবচেয়ে দরকারী বিষয় হলো  সঠিক কি ওয়ার্ড রিসার্চ বা এনলাইসিস। আপনি যদি সঠিক ভাবে কি ওয়ার্ড রিসার্চ বা এনালাইসিস না করতে পারেন তাহলে আপনি হ্যাশট্যাগ করতে পারবেন না। সোশাল মিডিয়া কে অনেকেই অনেক ভাবে ভাগ করে থাকে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বা পেশা অনুযায়ী। পেশা অনুযায়ী ভাগ করলে আপনাকে অতি অবশ্যই আপনার দেশের অন্যান্য পেশাজীবিদের ফলো করতে হবে। ফলো করলে তারা যে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সেটা আপনার চোখে লাগবে এবং প্রয়োজনীয় মূহুর্তে আপনি সেটা ব্যবহার করতে পারবেন সময়মতো। আর যদি আপনি অন্যান্য পেশাজীবিদের হ্যাম ট্যাগ গুলো ফলো না করেন তাহলে আপনার সোশাল মিডিয়া পোষ্টিং এর ভিউজ কম আসতে পারে। 

 

A post shared by Masudul Hasan (@masudbcl) on




# এর সাথে যখণ কোন কিওয়ার্ড কে এড করা হয় সেটাকে হ্যাশট্যাগ বলা হয়। যেমন উপরের পোষ্টিং এর দেখবেন: # এর সাথে ব্লগার শব্দটা এড করে সোশাল মিডিয়া তে ঠিক কতোবার হ্যাশ ট্যাগ ব্লগার ব্যবহার করা হয়েছে তা দেখা গেলো। এখন যদি আপনি সেই একই ট্যাগ ব্যবহার করতে চান ইনষ্ট্রাগ্রাম পোষ্টিং এ তাহলে ইনষ্ট্রাগ্রামে যখন কেউ ব্লগার লিখে সার্চ দিবে তখন আপনার পোষ্টিংটা ও সেই সিরিয়ালে দেখাবে। যার ফলে আপনার পোষ্টিংটা সার্চ লিষ্টে আসবে। আর যদি সেখানে বেশী পরিমান রিয়েল লাইক বা এপিআই লাইক থাকে তাহলে সেটা রিয়েল মানুষ বা এপিআই ডেভেলপার রিলেটেড যারা আছে তাদের সামনে দেখাবে এবং তারা পোষ্টিংটা ও দেখবে। হ্যাশট্যাগের পরে সোশাল সিগনাল কে বিবেচনা করা হয় সোশাল মিডিয়া সার্চ ইন্জিনে কোন পোষ্ট শো করার জন্য। সোশাল মিডিয়া সিগনাল বলতে কি কি বোঝানো হয়:
  1. লাইক ( সব ধরনের লাইক বা পোষ্টিং লাইক)
  2. কমেন্ট
  3. শেয়ার
  4. ডেসক্রিপশন (মাইনর)
এখণ আপনি একটা পোষ্টিং জেনারেট করলেন কি ওয়ার্ড  রিসার্চ করে তার সাথে আপনি হ্যাশট্যাগ এড করলেন - সেই কিওয়ার্ডের ভল্যুম হাই আছে- গ্লোবাল বা লোকালি- সেই হাই ভল্যুম কি ওয়ার্ডের সাথে একটা হ্যাশট্যাগ মেক করে আপনি সোশাল  মিডিয়া তে পোষ্ট করলেন তাহলে সেখানে আপনি সার্চ ইন্জিনের সাপোর্ট ও পাবেন। সোশাল মিডিয়ারি নিজস্ব সার্চ ডাটাবেজ থাকা সত্বেও অনেক সময় অনেকেই একই হ্যাশ ট্যাগ বাহিরে ও বিভিন্ন সার্চ ইন্জিনে সার্চ করে থাকে। তখন সার্চ ইন্জিন সোশাল মিডিয়া ডাটাবেজের সাহায্য নিয়ে অরিজিনালি যেটা পপুলার সেটা কে দেখাইয়া থাকে বা যেখানে একুরেটলি হোয়াইট হ্যাট এসইও পলিসি পালন করা হয়েছে সেটা দেখাবে। এইটাকে আপনি ডাবল এসইও বলতে পারেন। আবার অনেক সময় অনেক আন্দোলন থেকে অনেক হ্যাশট্যাগ কে পপুলার করা যায়। যেমন :  এখন সারা দেশে ধর্ষন বিরোধী আন্দোলনের দানা জমাট বাধতাছে যেখানে ধর্ষকদের ক্রসফায়ারের আইন চাওয়া হইতাছে। তাহলে : এইখানে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন: #crossfireforrapist। মোদ্দা কথা দরকারি একটা কি ওয়ার্ডের সাথে হ্যাশ টা এড করে দিলে ই সেটা হ্যাশট্যাগ হয়ে যায় তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি হাই ভল্যুম কি ওয়ার্ডের সাথে হ্যাশট্যাগ এড করা। এইটা একদম পারমানেন্টলি ব্যবহার করতে বলাতছি না তবে আমার দেয়া সাজেসনস। 

আপনি যখণ কোন ওয়েবসাইট তৈরী করার পরিকল্পনা করবেন তখণ আপনাকে প্রথমে কিছু কি ওয়ার্ড
সিলেক্ট করতে হবে যাতে আপনার ওয়েবসাইটটাকে কিছু কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে গুগল সার্চ ইন্জিন বা যে কোন সার্চ ইন্জিনের প্রথম দিকে যেনো আসে। কারন কোন কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনি যখন কোন ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিনের প্রথমে দেখতে পারবেন সেটা হইতাছে সবচেয়ে ভালো এসইও করা ওয়েবসাইট যেকানে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আসবে এবং আপনার সেলস ও ভালো হবে। একটা কি ওয়ার্ড সার্চ করার পরে যে অপশন গুলো আসবে সেখানে অনেকগুলো বিষয় থাকে যা নীচের ছবির মাধ্যমে দেখতে পারবেন। 






উপরের ছবি দুটোতে দেখবেন যে- আপনি ব্লগার নামে সার্চ করার পরে গুগল সার্চ ইন্জিনে কি এসেছে? গুগল সার্চ ইন্জিন আপনাকে ব্লগার কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে সার্চ রেজাল্ট দেখাচ্ছে। ১৩৭০০০০০০০ - বলতে গেলে ১৩৭ কোটি ব্লগার রিলেটেড ডাটাবেজ দেখাইতাছে। যা ভারতের টোটাল নাগরিকের চেয়ে ও সংখ্যায় বেশী। তাহলে  এইখানে আমরা বুঝতে পারলাম যে সার্চ ইন্জিনের ক্ষেত্রে কি ওয়ার্ড কি ?  পাশে এও দেখাইতাছে ব্লগার ডট কম গুগলের সিষ্টার কনসার্ন- সিষ্টার কোম্পানী। 











উপরের ছবিগুলোতে সব কিছু দেখানো আছে কিভাবে আপনি গুগলের এডওয়ার্ডে ঢুকে কি ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন। আপনি যখন কোন ওয়েবসাইট বানাবেন তখণ আপনি সর্ব্বোচ্চ ৫ টি কি ওয়ার্ড চয়েজ করবেন। এই ৫ টি কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনার ওয়েবসাইট কে সার্চ ইন্জিনের র‌্যাংক করানোর চেষ্টা করবেন। 

সার্চ ইন্জন র‌্যাংক কি? 
যখন কোন কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে কোন স্পেসিফিক ওয়েবসাইট কে গুগলেল প্রথম পেজে পাওয়া যায় সেটাকে বেসকিালি সার্চ ইন্জিন র‌্যাংক বলে।এখণ আপনি নিজেকে দিয়ে বিচার করবেন যে: কোন বিষয়ে গুগলে সার্চ করলে আপনি নিজে কতো পেজ পর্যন্ত ভিজিট করেন। যেমন: আমি সাধারনত প্রথম ১০ পাতা দেখি যে কি কি টপিকস বা সার্চ রেজাল্ট পাওয়া যায়। অনেকেই আছে ২/৩ পাতা দেখে মোটামুটি। কিন্তু যে সকল এসইও সফটওয়্যার বা টুলস আছে সেগুলো যখন কোন রেজাল্ট কে শো করে তা ১০ পাতা পর্যন্ত শো করে। সো আপনার কি ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে যদি আপনার ওয়েবসাইট টা প্রথম ১০ পেজে থেকে থাকে তাহলে  সেটাকে সার্চ ইন্জিন র‌্যাংক বলা হয়। এইখানে আরো অনেকেই ানেক ধরনের টপোলজি এড করবে কিন্তু তারপরেও এইটা কে সার্চ ইন্জন র‌্যাংকিং বলা যাবে। 

আপনি নতুন কোন ওয়েবসাইট মেক করার সময় যে কি ওয়ার্ড গুলো মাথাতে নিবেন সেগুলো যদি হাই ভল্যুম এবং লো কম্পিটিশন বেজড এ হয় তাহলে আপনি সেগুলোকে সহজেই র‌্যাংক করাতে পারবেন তবে বলতে পারেন একদম ১০০% অনেষ্ট হোয়াইট হ্যাট এসইও পলিসি আপনি যদি মেক করেন আর সারা জীবন যদি ট্রাফিক বা ভিজিটর পাইতে চান তাহলে  আপনাকে মিনিমাম ৩ - ৪ মাস হোয়াইট হ্যাট এসইও করতে হবে। ট্রাফিক রিসার্চ কে অনেকেই অন পেজ অপটিাইজেশন বলে কারন অন পেজ অপটিমাইজেশনে পরীক্ষা করে দেখা হয় যে- কি ওয়ার্ডের উপির ভিত্তি করে লেখা আপনার ওয়েবসাইটরে কন্টেন্ট একুরেট নাকি ডুপ্লিকেট। আর যারা কখনোই ডুপ্লিকেসির আশ্রয় নেয় না তারা কি ওয়ার্ড রিসার্চ বা এনালাইসিস কে অপ পেজ অপটিমাইজেশন বলে। তবে আমার মতে এইটা অন পেজ অপটিমাইজেশন। 

কিওয়ার্ড বেজড আর্টিকেল লেখার নিয়ম: 

প্রথমে যে ৫ টি কি ওয়ার্ড চয়েজ করেছেন: সেই ৫ টি কিওয়ার্ডকে নিয়ে যদি আপনি সব এসইও করেন তাহলেই আপনার ওয়েবসাইট র‌্যাংক এ চলে আসবে। (আপনি যদি পেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইট সাময়িক ভাবে প্রথম পেজে দেখালেও সার্চ ইন্জিন আপনাকে ব্ল্যাক লিষ্টে ফেলে দেবে কারন  সার্চ ইন্জিন যানে যে আপনি পেইড সফটওয়্যার ব্যভহার করতাছেন এবং আপনি আপনার আশানুরুপ রেজাল্ট টা পাবেন না।  ১ নম্বরে যাওয়া টা প্রথম ব্যাপার না -লাইফ টাইম টিকে থাকাটা প্রধান ব্যাপার সার্চ ইন্জিনের কাছে)  ওয়েবসাইটরে ভালো পেজ র‌্যাংক পাওয়াকে ও ওয়েবসাইট র‌্যাংক বলা হয়। পরিবর্তিত টেকনোলজীতে ওয়েবসাইট র‌্যাংক পদ্বতি বদলে যাইতাছে। তারপরেও ওয়েবসাইটের র‌্যাংকের একটা ভালো  ভ্যালূ এখনো এসইও ইন্জনিয়ারদের মধ্যে রয়ে গেছে। একটা ওয়েবসাইট অনেকগুলো পেজের সমন্বয়ে তৈরী হয়। আর প্রত্যেকটা পেজকে একটা ওয়েবপেজ বলে। একটা ওয়েবপেজের অনেকগুলো ডাটা থাকে। টেক্সট+ইমেজ+ভিডিও+গ্রাফিক্স। এইখানে একটা ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করানোর প্রধান উপায় হইতাছে তার সব কিছু ইউনিক থাকা। ইভেন ইউটিউব থেকেও কোন ডাটা (এমবেড কোড) ব্যবহার না করা- ওয়েবসাইটে ভিডিও প্লেয়ার এড করে শুধূ ওয়েবসাইটের জন্য একটা ভিডিও তৈরী করা, সমস্ত ইমেজ ইউনিক থাকা, সমস্ত টেক্সট একুরেটলি লেখা। এই লেখাটার ক্ষেত্রে আপনি কয়েকটা ষ্টেপ ব্যবহার করতে পারেন যেটা এসইও সহজে ক্যাচ করবে। যেমন: ১৫০ শব্দ, ৩০০ শব্দ, ৫০০ শব্দ বা ১০০০ শব্দ ভিত্তিক আর্টিকেল । এই শব্দচয়নের বেলাতে যেটা খেয়াল রাখতে হবে - প্রতি ১৫০ ওয়ার্ডে  আপনার কি ওয়ার্ড টা একবার ব্যবহার করতে হবে। সেই ক্ষেত্রে ৩০০ শব্দের মধ্যে দুইবার,  ৫০০ শব্দের মধ্যে ৩ বার আর ১০০০ শব্দের মধ্যে ৫ বার। এইভাবে যদি আপনি ৫ টা কি ওয়ার্ডকেই ব্যবহার করেন আর হাইপার লিংক করার  ক্ষেত্রে একটা ওয়েবসাইট প্রতি ১৫০ শব্দ পর পর ব্যবহার করেন তাহলে আপনি ভালো রেজাল্ট পাবেন বলে আশা করি। এইখানে আরো কিছু নিয়ম কানুন বা ব্যাপার স্যাপার আছে যা পরবর্তীতে আলোচনা করবো। যেমন: আমার কি ওয়ার্ড যদি হয় ব্লগার তাহলে ১০০০ শব্দের মধ্যে আমি ব্লগার কি ওয়ার্ড টা অনলি ৫ বার ব্যবহার করবো। আর যে ওয়েবসাইট টা এই কি ওয়ার্ডের সাথে হাইপারলিংক করবো সেটার পেজ র‌্যাংক যেনো ভালো হয় ।

১৫/২০ দিন আগে নেয়া একটি ডোমেইনের পেজ র‌্যাংক এখন ১ দেখাইতাছে এবং ডোমেইন টা রিডাইরেক্ট করা। রিডাইরক্টে ডোমেইনকে এতো দ্রুত পেজ র‌্যাংক ১ এ আনা আমার জন্য একটা চমক। আমাকে যারা ভালোবাসেন আমার ব্লগের সাথে থাকবেন এবং আমাকে উৎসাহ দিবেন। আপনাদের শুভকামনাতে এগিয়ে যাইতে চাই অনেকদূর।





পরবর্তীতে আলোচনা করবো- সার্চ  ইন্জিন পেইড এডস। আপনার যদি ব্লগ পড়তে ভালো না লাগে  আর আপনি যদি আমার পোষ্টিং গুলো আমার ইমেইলে পাইতে চান তাহলে উপরে রাইট সাইডে ইমেইল সাবস্ক্রাইভ করে নিতে পারেন। ই মেইল দেবার পরে আপনার কাছে একটা কনফার্মেশন ই মেইল যাবে। সেটাতে ক্লিক কররে আমার পরবর্তী সকল পোষ্ট আপনার ইমেইল ইনবক্সে ফিড আকারে চলে যাবে। 


নোট  : পৃথিবীতে যতো ব্লগার ব্লগ আছে    প্রত্যেকটা ব্লগের নতুন         পোষ্টিং হবার সাথে সাথেই তা  আমেরকিান  কপিরাইট আইনে সিক্ত হয়ে যায়। তাই কপি করা থেকে সাবধান। 

 
 

(চলবে)


No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.