ময়মনসিংহে যে জায়গাটায় বসবাস করি সেখানকার জমিটা আমরা কিনি ১৯৮৬ সালে। ঠিকানাটা নীচে এড করে দেয়া হলো: গুগল ম্যাপ এ দেয়া আছে ঠিকানা।
এ জমির দলিল আমাদের হাতেই আছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের ভুমি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট এও ডিটেইলস দেয়া আছে। আয়কর, ভ্যাট, ট্যাক্স, রিটার্ন , খাজনা এবং সিটি কর্পোরেশনের বিল, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ সবকিছু ওকে আছে। প্রতিনিয়তই বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি র বিল পরিশোধ করা হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। বিল্ডিং এর ভাড়াটিয়ার অল ডিটেইলও আছে। ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের ডেমরা এলাকাতে থাকাকলীন পুরিশ ভাড়াটিয়া আইনের মাধ্যমে ভেরিফায়েড করা এই ঠিকানাটি। আমারা বাবা প্রাক্তন বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল সায়েন্স ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক, কৃষি অনুষদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিধ্যালয়। নাম: প্রফেসর ডা: মো: আবুল হোসেন। সদ্য আমাদের আরেক সাইডের বিল্ডিং এর ৩ তালা পর্যন্ত ছাড় ঢালাই হয়েছে। এখণ ভেতরে ফিনিশিং এর কাজ চলতাছে। এবার কাজ শুরু করার আগে আমার বাবা বলতেছিলেঅ- বর্ষাতে বিল্ডিং এর কাজ করা ভালো কারন বৃষ্টি সুবিধা টুকু পাওয়া যায়। গতকালকের আগের রাতে এতো ভয়াবহ বৃষ্টি হয়েছে যে দেখে আমার ই ভয় লেগে গেছিলো যাতে বলে একেবারে ভারী বর্ষন। দোয়া করবেন সবাই যেনো আমরা ঠিক ঠাক আমাদের বিল্ডিং এর সকল কাজ শেষ করতে পারি।