— Md Masudul Hasan (@masudbcl) February 29, 2020
Welcome to Masudbcl's Blog! Your ultimate resource for mastering white hat SEO techniques, optimizing YouTube content, and enhancing social media marketing. Unlock the secrets of digital marketing with Masudbcl. Learn how to drive traffic, increase engagement, and monetize your YouTube channel effectively.
Saturday, February 29, 2020
Thursday, February 27, 2020
অর্ডার বলতে কি বোঝেন?
যে কোন মার্কেটপ্লেসে নতুন করে কাজ পাওয়াকে অর্ডার বলে। আমরা সাধারনত যে ধরনের মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে কাজ করি সেগুলোর মধ্যে রয়েছে-
এছাড়াও রয়েছে আরো হাজার হাজার ওয়েবসাইট। যে যে মার্কেটপ্লেসে কাজ করে এবং যার কাছে যে মার্কেটপ্লেস ভালো লাগে। আপনার যদি একটা মার্কেটপ্লেসে একবার সেট আপ হয়ে যায় তবে দেখা যায় সেখান থেকে ক্রমাগত কাজ পাওয়া সহজ হয়ে যায়। একটা মার্কেটপ্লেসের যতো ল আছে সব লই পালন করা লাগবে নয়তো সেই মার্কেটপ্লেসে আপনার একাউন্ট ওকে থাকবে না। মার্কেটপ্লেসে আপনাকে ক্লায়েন্ট বা বায়ারের সমস্ত রুলস মেনে কাজ করতে হবে। আমি ২০১১ পর্যন্ত ওডেস্ক, ইল্যান্স এবং ফ্রি ল্যান্সার ডট কম এবং গুরু ডট কমে কাজ করেছি। কিন্তু এখন বিগত ০৯ বছর যাবত শুধু SEOClerk এ কাজ করতাছি। কি কি সুবিধা আছে SEOClerk চলেন তা একবার দেখে নেই:
- SEOClerk মার্কেটপ্লেসে আপনি একাধারে একজন বায়ার, একজন সেলার এবং একজন ট্রেডার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। বায়ার হিসাবে আপনি যে কারো সার্ভিস কিনতে পারবেন ব্যালান্স এভেইলেবল থাকা স্বাপেক্ষে। ব্যালান্স এভেইলেবল না থাকলে আপনি তাৎক্ষনিক ভাবে ব্যালান্স আপলোড করে নিতে পারবেন ক্রেডিট কার্ড বা পেপাল ডট কম বা বিটকয়েনের মাধ্যমে। বিটকয়েনের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের লেনাদেনা করা নিষেধ। কিন্তু বাংলাদেশের ভেতরে অনেকেই বিটকয়েন পারস্পরিক লেনাদেনা করে থাকে। পারস্পরিক লেনাদেনা মে বি নিষেধ না। বিটকয়েন রিলেটেড অনেক এক্সচেন্জার ও আছে বাংলাদেশে। বিটকয়েনের ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সতকর্তা । কোন দেশ এইটার অস্তিত্ব সীকার না করলেও দিনে দিনে এইটার জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। যতোদূর বোঝা যাইতাছে বিটকয়েণ নিজেই একটা ব্যাংকিং সিষ্টেম যা অনেক দেশেই লেনাদেনা করা যায় এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা যায়।SEOClerk মার্কেটপ্লেসে ও আপনি বিটকয়েন ব্যবহার করে প্রোডাক্ট কিনতে পারবে কিন্তু আপনি আপনার উপার্জিত অর্থ SEOClerk মার্কেটপ্লেস থেকে বিটকয়েনে উইথড্র করতে পারবেন না। SEOClerk মার্কেটপ্লেসে যদি আপনার উপার্জিত ডলার থাকে সেটাকে ও আপনি ব্যবহার করতে পারবেন প্রোডাক্ট কিনার ক্ষেত্রে। নীচে কিছু উদাহরন দেখানো হলো:
-
আপনি শুধু বিটকয়েন আপলোড করতে পারবেন কিন্তু আপনি আপনার উপার্জন বিটকয়েনে ইউথড্র করতে পারবেন না। রাজধানী ঢাকা এবং সারা বাংলাদেশে অনেক ধরনের বিটকয়েণ ওয়েবসাইট আছে যেখানে বাংরাদেশের ব্যাংক, লোকাল ব্যাংক, প্রাইভেট ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংক ব্যভহার করে কেনাকাটা এবং লেনাদেনা করা যায়। SEOClerk মার্কেটপ্লেসে আপনি শুধু বিটকয়েন/ইথারিয়াম/লাইটকয়েন (BTC/ETH/LTC)আপলোড করে সমপরিমান ডলারের সার্ভিস কিনতে পারবেন। SEOClerk মার্কেটপ্লেসের সাথে বাংলাদেশের কোন ধরনের ব্যাংকিং কানেকশন নাই। মানে SEOClerk মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি ডাইরেক্ট বাংলাদেশের কোন ব্যাংকে কোন উইথড্র করতে পারবেন না কিংবা কোন মোবাইল ব্যাংকিং ও করতে পারবেন না। SEOClerk মার্কেটপ্লেস আমেরিকান মালিকানাধীন মার্কেটপ্লেস। কিন্তু অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের সাথে সরাসরি বাংরাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে উথড্র ফ্রাসিলিটিজ আছে বা ইদানিং মোবাইল ব্যাংকের ফ্যাসিলিটজ আছে।
- SEOClerk মার্কেটপ্লেসে বা যেকোন মার্কেটপ্লেসে আপনি যখন কোন কাজ কিনতে যাবেন তখন সেটাকে অর্ডার নামে অভিহিত করা হয়। আপনি যখন কোন কাজ পাবেন সেটাকেও অর্ডার নামে অভিহিত করা হয়। প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেসে একটা অর্ডারের নাম বা নাম্বার থাকে। সেটা একটা কোড দ্বারা প্রকাশ করা হয়। আপনাকে সেই অর্ডার নাম্বার মোতাবেক ই কাজ করতে হবে। কখনো যদি কোন ক্লায়েন্টের সাথে কোন সমষ্যা হয় তাহলে আপনাকে সেই অর্ডার নাম্বার মোতাবেক ই যোগাযোগ করতে হবে এবং সেই মোতাবেকই কাজ করতে হবে।
- SEOClerk মার্কেটপ্লেসে ট্রেড নামের একটা অপশন আছে যেখানে আপনি যে কোন ভাবে যে কোন ক্লায়েন্টের সাথে কন্ট্রাক্ট করে কাজের ব্যাপারে ডিটেইলস আলোচনা করে আপনি নতুন কাজের অর্ডার নিতে পারবেন।
- SEOClerk মার্কেটপ্লেসে কাষ্টম অর্ডার নামের একটা ফাংশন আছে যেখানে আপনি যে কোন সেলার কে যে কোন কাজের উপরে ভিত্তি করে যে কোন ধরনের কাষ্টম অর্ডার দিতে পারবেন।
- প্রাইভেট অর্ডার : অনেক ধরনের মার্কেটপ্লেসে স্পেফিক্যাল যে কোন একজন সেলার বা ওয়ার্কার কে মেনশন করে একটা জব পোষ্ট করা হয় তাদেরকে প্রাইভেট অর্ডার নামে মেনশন করা হয়। সেই অর্ডারগুলো তে সেই মেনশন করা সেলার ছাড়া আর কেউ এপ্লাই করতে পারে না।
- বোনাস অর্ডার: একজন ক্লায়েন্টের কাজ করে দেবার পরে সে যদি খুশী হয়ে একই কাজ আবারো অর্ডার দেয় তাহলে সেটাকে বোনাস অর্ডার বলে।
আপনার যদি এই ব্যাপারে আরো কিছু ডিটেইলস জানতে চান তাহলে যোগাযোগ করবেন আমি যতোটা পারি সমাধান দেবার চেষ্টা করবো। আর SEOClerk মার্কেটপ্লেসের ব্যাপারে ডিটেইলস নীচে দেয়া আছে ভিডিও েটিউটোরিয়ালে। এখানে আপনাকে এক টাকাও খরচ করতে হবে না। অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে আপনাকে টাকা খরচ করে তারপরে বিড কিনে কাজ করতে হবে তারপরেও গ্যারান্টি নাই যে আপনি কাজ পাবেন কিনা? আর SEOClerk মার্কেটপ্লেসে বিড করতে বা সার্ভিস বানাতে কোন টাকা/ডলার খরচ করতে হবে না । একদম এক টাকাও খরচ না করে আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন এবং ডলার উপার্জন শুরু করতে পারবেন। একসাথে ০৮ টি মার্কেটপ্লেসের রেজিষ্ট্রেশন পাওয়া যায়। আপনার চাহিদা মতো যেটাতে ভালো লাগে সেটাতেই কাজ করতে পারবেন। আর ডলার উইথড্র করার ভ্যাপারে আপনি পাবেন ৩টা পেমেন্ট মেথডের সুবিধা।
আপনার যদি ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে ইচ্ছা না করে এবং আপনি যদি সরাসরি আমার ওয়েবসাইট থেকে জয়েন করতে চান তাহলে িনীচের ইমেজে ক্লিক করেন এবং রেজিষ্ট্রেশন করেন ফ্রি তে। আর ৫ ডলারের কোন সার্ভিস যদি আপনার আমার কাছ েথেকে নেয়ার মতো থাকে তাহলে আপনি আমার রেপারেলে জয়েন করে আমার কাছ থেকে ৫ ডলারের কুপন নিয়ে সেই সার্ভিস টা কিনে নিতে পারেন। ৫ ডলার বোনাস।
Wednesday, February 26, 2020
ইউটিউব ভিউজ এর কিছু খুটিনাটি?
আমরা অনেকেই ইদানিং মনে করতাছি নিজস্ব একটা চ্যানেল ওপেন করে ৪০০০ ঘন্টা এড করলেই আমার চ্যানেলটা মনিটাইজেশন এর উপযোগী হবে। কিন্তু একটা জিনিস ভেবে রাখা দরকার যে- এই মূহুর্তে গুগল ইউটিউব মনিটাইজেশন বাংলাদেশ থেকে অফ করে দিছে সো এখন আপনাকে অন্যান্য মনিটাইজেশন এর সাহায্য নিতে হবে। এখানে প্রকাশ থাকে যে- সবচেয়ে ভালো নেটওয়ার্ক -গুগল ইউটিউব মনিটাইজেশন থেকেও- ফ্রিডম ডট টিএম। (http://www.freedom.tm)
আপনার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইভার থাকতে হবে ৫০০০। আর সর্বশেষ মাসে ৫ লক্ষ মিনিট ওয়াচ টাইম থাকতে হবে। এখন আসি কিভাবে ওয়াচ টাইম এড হয়? আপনি যখন কোন ইউটিউব ভিডিওতে মিনিমাম ৩০ সেকেন্ডস চোখ রাখবেন তখনই আপনি একজন ভিউয়ার হয়ে যাবেন। ক্ষেত্রবিশেষে এইটা ১ মিনিট ও হইতে পারে কারন ভিডিও এর দৈর্ঘ্য যদি ১ ঘন্টা বা তারো বেশী হয় তাহলে ১টা ভিউজ কাউন্ট হইতে পারে সেকেন্ডের কম বেশী হইতে পারে। আপনি কিভাবে আপনার ইউটিউব ভিডিও তে ভিউয়ারস বাড়াবেন বা এড করবেন সেই ব্যাপারে আমার একটা ব্লগ পোষ্ট আছে - যদি পড়ে নেন তাহলে খুটিনাটি অনকে কিছু বুঝে যাবেন। ব্লগ এড্রেস: ইউটিউব ভিউজ
এখন আসেন ইউটিউব ভিউজ এর মাধ্যমে কিভাবে আপনার ডলার উপার্জন হবে?
আপনি যদি মনে করে থাকেন শুধু ভিউজ বাড়লেই আপনার উপার্জন হবে ব্যাপারটা সঠিক না। আপনার উপার্জন হবে তখনই যখন একজন ভিজিটার আপনার ভিডিও এর ভেতরে থাকা বা স্থাপন করা ইউটিউব এড বা এডভারটাইজ এ ক্লিক করবে বা ভিজিট করবে তখন আপনার একটা উপার্জন আইসা জমা হবে। ।এখন যদি আমার একটা ভিডিও তে আমি ১ মিলিয়ন ভিউজ এড করলাম বা কোন ধরনের টেকিনক ছাড়াই এক মিলিয়ন ভিউজ পেয়ে গেলাম আর সেখানে থেকে কোন এড ক্লিক হলো না বা এড ভিজিট হলো না তাহলে তো আমার মনিটাইজেশন একাউন্টে কোন ডলার বা সেন্ট এড হবে না। আর আমার ১ মিলিয়ন ভিউজ এর মধ্যে যদি ১ লাখ ও ক্লিক করে ভিডিও এর মধ্যে প্রদর্শন করা এড এ তাহলে ও সেখানে আপনার ভালো উপার্জন হবে। যদি একটি ক্লিকের মূল্য ১০ সেন্ট হয়ে তাকে তাহলে ১ লাখ ক্লিকের জন্য আপনি পেয়ে যাবেন:
১০ সেন্ট * ১ লাখ ক্লিক= ১০০০০ ডলার । এখন যদি এড এর প্রাইজ আরো বেশী হয় ধরেন ৩০ সেন্ট বা ৩০ ডলার তাহলে আপনার উপার্জনের লেভেল কেমন হবে?
এখন আসেন প্রেক্ষাপট বিবেচনা করি?
প্রথমে ভাবতে হবে যে আমার ভিডিও এর ভিজিটর কারা? তারা কি ধরনের এড পছন্দ করে? এখন মনে করেন আপনি ইউটিউবে নাটক বানাচ্ছেন। এখন আপনার নাটকের ভিজিটর সকল ধরনরে মানুষ কিন্তু আপনি আপনার নাটকের জন্য এড সেট আপ করলেন স্পেন বা আফ্রিকান কোন এড। তাহলে কি সেটাতে ক্লিক আসবে বা ভিজিট হবে। মিনিমাম ১০০ সেকেন্ড থাকতে হয় কোন ওয়েবসাইট বা এ্যাপে আপনার মনিটা্জইজেশনের ভিজিটর হইতে হলে । বাংলাদেশী নাটকের ভিজিটর বাংলাদেশীরা। সেক্ষেত্রে আপনাকে এড সেট আপ করতে হবে গুড়া সাবান বা কাপড় ধোয়ার সাবান বা কাচা বাজার বা লবন বা এই ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় এড এর। তাহলে সেই এড টা দর্শক রা ভিজিট করবে এবং সেটা আপনার জন্য লাভজনক হবে। আবার এখন যদি বাংলাদেশী কোম্পানী বা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানী গুলো এড ই না দেয় তাহলে তো আপনি আরো বিপদে পড়বেন। যেমন ইন্টারনেটে কাজ করা অবস্থায় সেদিন দেখলাম সারিকা সাবরিনের নাটকের এড যা নাটকের প্রমোশনাল ডিপার্টমেন্ট সেট আপ করেছে এডওয়ার্ডস এ বাংলাদেশ লোকেশন দিয়ে। যার ফলে এক নাটকের ভেতরে অন্য এক নাটকের প্রমো দেখে তা দেখতে ইন্টারেষ্টেড হই। নাটকের নাম : An Affair.
যেহেতু গুগলের এড মনিটাইজেশন এখন আর বাংলাদেশ কে এপ্রুবাল দিতাছে না এবং গুগলেল চেয়ে বড় নেটওয়ার্ক এখন ফ্রিডম নেটওয়ার্ক সে ক্ষেত্রে পারফেক্ট রেজাল্ট পাইতে হলে আপনাকে মাষ্ট বি ফ্রিডমের এডভার্টাইজার হতে হবে। সেটা আরো একদিন ডিটেইলস আলোচনা করবো।
এছাড়াও অনেক অনেক মনিটাইজেশন চ্যানেল আছে যেখানে আপনি আপনার চ্যানলে রেজিষ্ট্রেশন করে সহজেই মনিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন । তবে সব কিছু দেখে আপনি যদি সততার সহিত কাজ করেন তাহলে আপনি মাষ্ট বি বেনিফিটেড হবেন। সকল মনিটাইজশেন চ্যানেল নিয়ে আরো একদিন ডিটেইলস আলোচনা করবো। কোনটাতে কিভাবে আবেদন করবেন?
আপনার প্রোডাক্ট যদি ইন্টারন্যাশনাল হয় তাহলে আপনি এখন এড্ওয়ার্ডের সাহায্য নিতে পারেন। আর যদি আপনি লোকাল এডর্ভার্টাইজার হোন তাহলে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে এই মূহুর্তে ইউটিউব মনিটাইজেশন এর এপ্রুভাল আর পাওয়া যাইতাছে না। সো আপনার এড কি কারেন্ট লোকেশেন শো হইতাছে? যদি কোন ক্ষতি হয় আপনার চ্যানেল বা ব্রান্ডের। আর গুগল কিংবা ইউটিউব নিশ্চয়ই এতো বোকা না যে আমরা সমানে ভিউজ কিনবো আর তারা সেখানে মনিটাইজেশন রান করে যাবে? মনিটাইজেশন এ গেইনার হবার মেইন উপায়ই হইতাছে সততা। যদি আপনি সোশাল মিডিয়া প্যাণেল ব্যবহার করেন আর আপনার ভিডিওতে মিলিয়ন ইভেন বিলিয়ন ভিউজ ও জেনারেট করেন তাহলে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে ইউটিউব জানে যে আপনি কোথা থেকে ভিু্জ আনলেন। যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়া এক্সচেন্জ ও ব্যবহার করেন তাহলেও আপনাকে মনে রাখতে হবে যে ইউটিউব কিংবা গুগল জানে যে আপনি কোথা থেকে ভিউজ জেনারেট করে আনতাছেন। সো অনেষ্ট ওয়ে হইতাছে ইউটিউব এসইও করা। ইউটিউব এসইও করে আপনি যদি আপনার মনিটাইজ করা চ্যানলে হাজার হাজার ভিউজ জেনারটে করতে পারেন তাহলে এইটা ক্লিয়ারলি বলা যাবে যে আপনি লক্ষ ডলার উপার্জন করতে পারবনে সহজেই। আর গুগল কিংবা ইউটিউব এইটা সহজেই জানে যে আপনি ইউটিউব বা গুগলে ঠিক কোতাকার লোকেশন ব্যবহার করতাছেন এবং এট এ টাইমে আমাদের দেশর সকল চ্যানলে ও তারা অফ করে দিতে পারে যদি তারা দেখে যে আপনি ফল্ট করে চলতাছেন। এক কথায়েএইকানে চালাকি করার কোন উপায় নাই। আর যদি কারো চ্যানেল একেবারে অফ করে দেয়া হয় সেক্ষেত্রে তার ভিডিও কন্টেন্ট কেন ব্যান্ড করে দেয়াও অসম্ভব কিছু না। আর আমার বিডিও কন্টেন্ট যদি নাটকে সিনেমার নায়ক নায়িকা ও হয়ে তাকে তাহলে সেক্ষেত্রে তাদের ইউটিউব বা গুগল ডট কম ইমজে চিরকালের জন্য খারাপ হয়ে যাইতে পারে। সো চলেন সবাই সততার সহিত ফ্রিডম ডট টিএম ব্যবহার করি তাহলে হয়তো এই মূহুর্তকার আপনার ক্ষতি টা পোষাইয়া নেয়া যাইতে পারে। গুগল এডসেন্সের ক্ষেত্রে এই ধরনরে কোন সমস্যা পরিলক্ষিত হয় নাই। আপনি যখনই ইন্টারনেটে আসেন বা ব্যহার করেন আর চেক ইন দেন বা ব্রাউজার ওপেন করেন তখন প্রোগ্রামাররা রা তো মিনিমাম জানতে পারবে যে আপনি কোথা থেকে ইন্টারনেট কানেক্টেড হইতাছেন?
Monday, February 24, 2020
Sunday, February 23, 2020
Subscribe to:
Posts (Atom)