Subscribe youtube

🎥 Subscribe to My YouTube Channel!

Loved this blog or post? Continue the journey with me on YouTube. Watch my latest videos and hit Subscribe to stay connected!

👉 Subscribe Now
Showing posts with label রাস্তার কুত্তাকে কু্ত্তাই থাকতেদিন. Show all posts
Showing posts with label রাস্তার কুত্তাকে কু্ত্তাই থাকতেদিন. Show all posts

Sunday, September 5, 2021

যে কুত্তা তাকে কুত্তাই থাকতে দিন।জোড় করে মানুষ বানানোর দরকার নাই।

আমাদের মনের চোখে অনেকেই অনেক সময় কুত্তার রুপ ধারন করে যেমন: থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরনের মাধ্যমে দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে কুত্তা বা কুত্তার বাচ্চা হিসাবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। আপনি হয়তো বিশ্বাসই করবেন না: বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মনের মানুষদের আখড়া : শাহবাগের ছেলে বা মেয়েরা আদতেই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে কুত্তা বা কুত্তার বাচ্চা হিসাবে দেখেছে। তারা কোন ভাবেই তাদেরকে মানুষ হিসাবে দেখতে পারে নাই। যখন এই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কথা বলে উঠেছে তখণ তারা দেখেছে কুত্তা বা কুত্তার বাচ্চা কথা বলতাছে যা একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু বিবেকের চোখ যদি একবার কুত্তা হিসাবে দেখে তাহলে তো আর সেটা কোনদিন সারবে না: একমাত্র মৃত্যু বরন করার মাধ্যমে সেটার সমাধান: মানে যারা মানুষের মনের চোখে বা বিবেকের চোখে কুত্তা হয়ে যায় তাদের জন্য মরনই ভালো। শুনেছিলাম এই ধরনের লোকজনেরা সকলে একসাথে আত্মহত্যা করবে যাদের বাংলাদেশে বৈধ নাগরিকত্ব নাই এবং তাদের ভোটাধিকারও  নাই। শালারা আজো জায়গা বা বেজায়গাতে কুত্তা র রুপ ধারন করে বসবাস করতাছে। 


অনেক ছোট বেলাতে অনেক মুসলিম হাদিসের বই পড়েছি। যেমন: 

বোখারী শরীফ, তারগিব, তিরমিজী, মেশকাত এবং আরো কিছু। হাদিসে কুদসীর ও একটি বই পড়েছি। বেহেশতী জেওর এবং বেহেশতীর কুন্জীও পড়েছি। মাধ্যমেক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে আরবী সাহিত্য ও পড়েছি স্কুলের ক্লাসে ৬ষ্ট ও ৭ম শ্রেনীতে পাঠ্য বই হিসাবে। আমার বাবা মা ও অনেক ধার্মিক মুসলিম ধর্মে। আরো অনেক বই ও পড়েছি: সময় পাস করার জন্য বা জানার জন্য। তো একখানে একটি হাদিসে পড়েছিলাম : কেউ যদি দুনিয়াতে থেকে সৃষ্টিকর্তাকে অবিশ্বাস করে তবে মহান রাব্বুল আলামিন সেই ব্যক্তি কে সেই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রানীদের রুপ ধারন করে (নাস্তিকতার শাস্তি)। তো বাংলাদেশে নিকৃষ্ট প্রানীদের মধ্যে অনেকে কুকুরকে গন্য করে যেমন: রাস্তার কুকুর আগাড়ে বা বাগাড়ে যাতায়াত করে: ডাষ্টবিনে চলাফেরা করে: গায়ে ময়লা লেগে থাকে এবং আরো অনেক সময় আরো অনেক নোংরা খানে যাতায়াত করে ফলে তাদেরকে নোংরা বলা হয়। 



দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) ছিলো সবচেয়ে বড় নাস্তিক। বাংলায় খেয়ে , বাংলায় পড়ে , বাংলা ভাষা উচ্চারন করে, বাংলা মায়ের গর্ভে জন্মগ্রহন করে , বাংলার আলো বাতাস গায়ে মেখে বড় হয়ে উঠে সমুদ্র পাড়ের বাংলার বিরোীধতা করেছিলো ১৯৭১ এ যারা আজো ভুল করে কখনো প্রকাশ্য দিবালোকে নিজেদেরকে জয় বাংলার মুক্তিযোদ্বা বলতে পারে না। আমরা সকলেই জানি দেশপ্রেম ঈমানের অংগ। আর আপনি যদি ঈমানের কোন একটি স্তরে বসবাস না করতে পারেন তাহলে আপনি হয়ে যাবেন নাস্তিক। অনেকে বলে ঈমানের স্তর আছে ৭০ টি আবার অনেকে বলে এইটাতে আছে ৭৭টি। তো এর মধ্যে সবগুলো স্তর ই আপনার দুনিয়াতে জীবন থাকাকালীন এবং দুনিয়াতে অবস্থানকালীন বা মাটিতে অবস্থার উপরে ডিপেন্ডস। এখন আপনি যদি মাটিকে ভালোনা বাসেন এবং বাংলার মাটির বিরোধিতা করে থাকেন তাহলে তো আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে নাস্তিক আর সেই হিসাবে আপনি সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ মোতাবেক বা সেই হাদিস মোতাবেক কুত্তা বা সবচেয়ে বড় কুত্তা। কারন মাটিতে অবস্থান না করলে মানে জীবিত না থাকরে তো আর আপনি মানুষ থাকলেন না এবং সেখানে যদি মারা যান তাহলে তো আর ঈমান বজায় রাখার কথা আসলো না। তাই জীবিতাবস্থায় সবচেয়ে বড় ঈমানের স্তর মানুষের জন্য: দেশপ্রেম।  


আরো যারা বাংলার বিরোধীতা করে বা আজো বাংলায় দাড়িয়ে শতরু দেশ প্রতিষ্টার স্বপ্ন দেখে : শতরু দেশকে ভালোবাসে তারা সবাই দেশদ্রোহী ও নাস্তিক  কারন তারা দেশবিরোধী। আর বাংলাদেশের আইন মোতাবকে যারা দেশদ্রোহী : দেশদ্রোহীতার সাথে জড়িত তার সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। বাংলাদেশের চতুর্দিকে ভারত : ভারতেরও রাষ্ট্রভাষা বাংলা। বাংলায় কথা বলি আমরা সবাই। সেই হিসাবে আপনি যদি বাংলার বিরোীধতাকারী হোন তাহলে আপনার জেনে রাখা দরকার যে: এইটা আগে পূর্ব বাংলা ছিলো যার ম্যাপ এখনো গুগলে বর্তমান।  






তাই এই দেশে স্থানে বেস্থানে : আগাড়ে বাগাড়ে চিপা চাপাতে যখনি আপনি কাউকে মনের চোখে বা বিবেকের চোখে কুত্তা হিসাবে দেখবেন তখনি তার জাতীয়তা ভেরিফাই করবেন এবং জয় বাংলা বলতে বলবেন। যদি কারো জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে আর এই রকম কুত্তার মতো আচরন করে তাহলে বুঝবেন তারা দেশদ্রোহী (দেশপ্রেম ঈমানের অংগ)। তাই তাকে কুত্তার মতো দেখাইতাছে। যাকে মহান রাব্বুল আলামিন কুত্তার মতো রপ দিতাছে আপনি যদি তাকে মানুষ বানাতে যান বা মানুষ বানানোর চেষ্টা করেন তাহলে বুঝতে হবে যে: আপনি সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্বে চলে যাইতাছেন আর তার বিরুদ্বে বা উনার বিরুদ্বে গেলে ঈমান ধরে রাখার কোন উপায় নাই। দেশদ্রোহীদের শাস্তি হিসাবে মহান রাব্বুল আলামিন এই কুত্তা রুপ ধারন করেছেন। আপনার কাজ হবে তাকে এভয়েড করে চলা। আপনি আপনার মনুষ্যত্বের গুনে তাকে মানুষ বানাতে যাবেন না। কারন তাতে করে আপনার নিজের জীবনের ক্ষতি হতে পারে : হয়তো কাল হাশরের দিনে আপনি ক্ষমা পাবেন না দেশের মুক্তিযোদ্বা বা মুক্তিযোদ্বা প্রজন্মের বদ দোয়া থেকে। তাই যে কুত্তা তাকে কুত্তাই থাকতে দিন। সারা দেশের সবাই জানে বাংলাদেশের কুত্তার জায়গা হলো রাস্তা। তাই কুত্তা রুপী মানুষ বা কুত্তার বাচ্চাগুলো কে রাস্তাতেই নিক্ষেপ করবেন। তারা রাস্তাতেই বসবাস করবে এইটাই বাংলায় দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে কুত্তা বা কুত্তার বাচ্চা দের নিয়তি। 



মহান রাব্বুল আলামিন যে পশু কুকর বানয়েছেণ যেমন অ্যালসেশিয়ান বা বাংলায় যাকে আমরা বলি বাঘা তাকে আদর করুন, ভালোবাসুন কারন সেও সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। তাকে আপনি যাই শিক্ষা দেবেন সে তাই করবে। ঘর পাহারা দিতে দিবেন সে ঘর পাহারা দিবে। শিকারী বানাবেন সে শিকারে সাহায্য করবে। কিন্তু যে সকল দেশবিরোধী (ফাসি) বা দেশবিরোধীদের প্রজন্ম (ফাসি) কুত্তা রুপ ধারন করে তাকে কখনোই মানুস বানানোর চেষ্টা করবেন না। এতে আমি মনে করি সৃষ্টিকর্তা তার বিধান ঠিক রাখার জন্য বড় সড় ভূমিকম্প  দিয়ে দিতে পারেন। 


ব্লগার : জয় বাংলা :  masudbcl

Do not forget me to subscribe on youtube:

Translate