Thursday, September 16, 2021

দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) প্রজন্ম (ফাসি) ই বাংলাদেশে হ্যাকার প্রজন্ম।

 দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) প্রজন্ম (ফাসি) এর মূল চাহিদা ই হলো সবসময় বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি করা। বাংলাদেশে হ্যাকিং নিষিদ্ব থাকা সত্বেও এবং হ্যাকারদের বিরুদ্বে রাষ্ট্রীয় সাজার বিধান থাকলেও (সেনসিটিভ ইস্যু : যেমন বাংলাদেশ ব্যাংখ হ্যাকিং এর সাথে যদি কেউ জড়িত থাকে তাহলে তার ফাসির বিধান আছে) তারা সমানে সমাজে এক শ্রেনীর মানুষের সহায়তায় হ্যাকিং করে যাইতাছে। তাদেরকে যারা সাহায্য সহযোগতা করতাছে তারাও এক ধরনের দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) প্রজন্ম (ফাসি) এবং বা শতরু দেশের প্রজন্ম। তারা বাংলাদেশে শতরু দেশের পক্ষে অবস্থান করে, বাংলাদেশের তথ্য হ্যাক করে যাইতাছে ক্রমান্বয়ে। অনেক সময় তারা এনড্রয়েড অপারেটিং সিষ্টেম ও হ্যাক করে ফেলােইতাছে। ইউটিউব ষ্টুডিওেএনালাইটিকস সহ নানা ধরনের প্রোগা্রামের আপডেট গ্যানজাম লাগতাছে। ক্যিালিফোরনিয়া থেকে বরাদ্দ ইন্টারনেটে বাংলাদেমেল আপডেট গুলো থামাইয়া দিতাছে বা রান হতে দিতাছে না। অনেক সময় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন ও গ্যানজাম লাগাইয়া দিতাছে। তাদের একমাত্র কাজ হইতাছে: বাংলাদেশ কে নিরবিচ্চিন্ন হতে দিবে না। খুব সহজে তারা বাংলাদেশ কে আগাত েদেবে না। রাষ্ট্রের বেতরে তাদের হাত আচে: বৈধ নাগরিকত্বে এবং বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়াই তারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানকেশন ব্যবহার করে যাইতাছে আর ঝামেলাও করে যাইতাচে সব খানে। 


যখনি ভালো কোন প্রোগ্রাম বাংলাদেশে দাড়া হবার চেষ্টা করে সেটাকে নষ্ট করে দেবার ধান্ধা করে। অনলাইনে বা বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামের কথা বলে সাধারন মানুষের কেটে হাত ঢুকায় এবং ছলে বলে কৌশলে বিপুল পরিমান অর্থও তারা হাতাইয়া নিতাছে। তাদের কে যারা সাহায্য সহযোগিতা করতাছে একসময় তারা বাংগালীর অভিশাপে মানুষ থেকে চিরস্থায়ী ভাবে কুত্তা হয়ে যাইতে পারে (সেই সকল দেশবিরোধী হ্যাকার সহ)। হ্যাকার রা রাষ্ট্র এবং দেমের শতুর। তারা যখনি সুযোগ পায় মানুসেল কোন না কোন ক্ষতি করে। কারো ফেসবুক একাউন্ট হাতিয়ে নেওয়া বা কারো ইউটিউব একাউন্ট গাতিয়ে নেওয়া। কারো ক্রেডিট কার্ডের ইনফরমেশন চুরি করে যাওয়া বা ব্যাংক এমাউন্ট চুরি করা। বাংলাদেমে জাতয়ি পরিচয়পত্র থাকারপ রেও কিভাবে ঞ্যাকার রা মাথা খাটায় আমার টিক বুঝে আসতাছে না? তারা কি মাটির তল দিয়ে বা সাগরের তল দিয়ে আলাদা কোন ইন্টারনেট কাকেনশন নিয়ে এসেছ নাকি সিলিকন ভ্যালি থেকে। তাদের কে গ্রেফতারের আওতায় এনে বিপুলপ রিমান জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। আইন করা দরকার: জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া কেউ ইন্টারনেট ব্যভহার করতে পারবে না্। বাচ্চারা তাদের বাবা মাদের ইন্টারনেট ব্যবহার করবে।


ইদানিং কালে আমি এক নতুন ধরনের হ্যাকারদের উৎপাতে অতিষ্ট: প্রায় মারা যাবার দশা। তাদের অত্যাচার এতো কঠিন আমি কল্পনাও করি নাই। তারা ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইভার হ্যাকার। এতো এতো ব্যাপার থাকতে শেষ পর্যন্ত সাবস্ক্রাইবার হ্যাকার। আসলে নতুন নতুন সাবস্ক্রাইভার পাওয়া আনন্দ বা সুখের ব্যাপার যা এই দেশের দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি)  কুত্তার বাচ্চার প্রজন্ম (ফাসি) এর সহ্য হয় না বিধায় তারা এই ধরনের হ্যাকিং শুরু করেছে। আমার ছোট একটা চ্যানেল: একণ ২৫০০+ সাবস্ক্রাইভার: কিন্তু আপনি বিশ্বাস করবেন না প্রায় ২৩৫০০ সাবস্ক্রাইভার আমার চ্যানেরে এড হয়েছে: যা তারা ডিলেট করে দিয়েছে। তাদের মনে মনে ধারনা যে: তারা ইউটিউবের মালিক হয়ে গেছে: কিন্তু আদতে ইউটিউব একটি ইনকরপোরেশণ। এইটার মারিকানা যুক্তরাষ্ট্রের বেথর ছাড়া অন্য কোথাও বদল হয় না। 



 



 

Wednesday, September 15, 2021

ক্লায়েন্টের জন্য করা মনিটাইজেশন চ্যানেল: এপরুভাল পেয়ে গেলাম আজকে।

 



ক্লায়েন্টের জন্য করা কাজে মনিটাইজেশন পেয়ে গেলাম ০১ মাসে। আবেদন করার ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ক্লায়েন্ট এপরুভাল নোটিফিকেশন পেয়ে গেছে। উনার কাজ করেছি বিগত ১ থেকে দেড় বছর যাবত। এই ক্লায়েন্টর জন্য শুভকামনা। ক্লায়েন্টের চ্যানেল ভিজিট করে দেখতে পারেন: জয়স চ্যানেল। আমার নিজস্ব চ্যানেলের বাহিরে আমি এই চ্যানেলটির ম্যানেজার হিসাবে আছি। ক্লায়েন্ট খবুই ভালো এসইওও জানে এবং অনেক খুটি নাটিও জানে। আশা করি একসাথে ইউটিউব মনিটাইজেশনের জন্য ভালো কাজও করতে পারবো। 

বাংলাদেশে Like4like.org ওয়েবসাইটের ক্রেডিট পয়েন্ট বলতে কি বোঝেন?

Free Instagram Followers

 কোন হিজড়া  (নাউযুবিল্লাহ) কে যদি আপনি জিজ্ঞাসা করেন: তোর কাছে কি পয়েন্ট আছে? তাহলে সেটার উত্তরে সে যা দেখাতে তার ভাষাতে প্রকাশ করার মতো না। কারন সে পয়েন্ট বলতে সেটাই বোঝে। কোন পোলাখোর (নাউযুবিল্লাহ) কে যদি আপনি বলেন যে; তোর কাছে পয়েন্ট আছে তাহলেও সে একই জিনিস দেখাবে যা বলার মতো না। বাংলাদেশের সমাজে অনকে ধরনের খারাপ লোক আছে: কেউ কেউ আছে (নাউযুবিল্লাহ) টাইপের কাজ কারবার দিয়ে বেড়াবে: মানে তারা যখন যারে মনে চায় তার যারে ভালো লাগে তাকে দেখাবে বা দিয়ে বেড়াবে : কারন যুগের সাথে সাথে অনেক কিছু পরিবর্তন হবার সাথে সাথে সেক্সুয়াল অংগ ভংগির ও ধরন পাল্টে গেছে। বাংলাদেশে যারা হিজড়া (নাউযুবিল্লাহ) সেকরম মন মানসিকতার লোকজন কে যুক্ত রাষ্ট্রে বলা হয় : ট্রান্সজেন্ডার (নাউযুবিল্লাহ) । সেখানে অনেকেই নিজেদের লিংগ ও পরিবর্তন করে ফেলায়। 









তো যাই হোক: এই সব ধরনের লোকজনদেরকে একসাথে হিজড়া (নাউযুবিল্লাহ) সমাজ বলা হয়। যে সকল মেয়েরা পায়ুপথে সেক্স করে অভ্যস্ত তাদেরকে ও এই  েক্যাটাগরিতে ফেলানো হয় কারন ধর্মভিত্তিক মুসলিম বাংলাদেশে হিজড়া , পোলাখোর এবং মেয়েরা যারা নিজেদেরেক এক ধরনরে এ...হোল বরে পরিচয় দেয় এদের সবাইকে হিজড়া ক্যাটাগরিতে ফেলানো হয়: গনজাগরন চলাকালীন সময়ে যখন মিনিষ্ট্রি অফ জয় বাংলা গঠন করার প্রক্রিয়া চলতেছিলো তখন আমার মজা করে এদের নাম রাখি: মিনিষ্ট্রি অফ হিজড়া। আদতে এই ধরনরে সকল প্রকার লোক আমরা বাস্তব জগতে এবং ইন্টারনেট জগতে এভয়েড করে থাকি। আম িমনে করি এরা গোপনে টেষ্টটিউব প্রজন্ম কারন শুধুমাত্র টেষ্টটিউব বেবি তৈরী করার সময়ে ক্যারেকটারিসটিকস ঠিক করে দেয়া যায়।  আমি ষ্ট্রেইট প্রজন্মের মানুষ। আমার জীবনে নিজ জ্ঞানে স্বইচ্ছায় শুধূমাত্র মেয়ে ছাড়া অন্য কারো সাথে আমি সেক্সুয়ালি ইন্টারনেষ্টেড না। আমার বয়ষ ৪২ এবং বিশেষ করে বিগত ৩০ বছর ধরে আমি ষ্ট্রেইট। একজন মানুষেল সেক্সুয়াল ক্যারেকটারিসটিকসই নির্ধারন করা হয় ১৩ বছর বয়স থেকে। 


Free Facebook Likes 


 তো যে ঘটনাটা বলার জন্য কল দেয়া: আমার ইন্টারনেট থেকে জানা : ঠিক সঠিক কোন প্রমান নাই একদল নাস্তিক প্রজন্মের লোক কায়রো গনজাগরন ২০১১ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের ভেতর থেকে ঢাকা শহরে বসে থেকে (তাদরে বাপ দাদাদরা দেশবিরোধী (ফাসি) প্রজন্ম) মুসলিম গনজাগরন হবার কারন েতাদরে দেশের জন্য যা কিনা বাংলাদেশের শতরু রাষ্ট্র এর জন্য যে কোন একটি সুবিধা চায় যা কিনা মিশর দিতে অস্বীকৃতি জানায়: আদতে তারা ছিলো এই হিজড়া প্রজন্মের জন গোষ্ঠী। সুবিধাটি না পাবার কারনে তারা সরাসরি মুসিলম/খ্রীষ্টান ধর্মের বিরুদ্বে লেখালেখি করে যাতে সারা বিম্বের অনেক মুসলিম/খ্রীষ্টান জনগোষ্ঠী মনে কষ্ট পায়। শুধূ লিখেই তারা ক্ষান্ত হয় নাই সেটা কায়রো গনজাগরন চলাকালীন সময়ে প্রকাশও করে দেয়। আর প্রকাশ করে িদয়েও ক্ষান্ত হয় নি: সেটা আবার তারা ব্লগ থেকে ফেসবুকে শেয়ার করে সেখানে লাইক প্রমোশন ও করে। আর সেজন্য তারা এই লাইক ফর লাইক ওয়েবসাইট টি ব্যবহার করে বসে। 





তো আমি সেই গ্ররপটাকে খুজতেছিলাম যদি ধরতে পারি কিনা? তো অবশেষে মনে হয় পেয়ে গেলাম এবং দেখলাম যে: তারা ও হিজড়া প্রকৃতির ( নাউযুবিল্লাহ)। সেই সময়ে যখন তারা ইন্টারনেটে নাস্তিকতা করে তখন একজন মুসলিম হিসাবে কষ্ট পাই অনেক এবং চিন্তা করতেছিলাম যে: কিভাবে এদেরকে শায়েস্তা করা যায়? একটা পদ্বতি খুজে বের করার জন্য। যে পোষ্ঠিং টা নিয়ে সারা বিশ্বে লাইকফরলাইক সোসাইটির ভেতরে সমালোচনার ঝড় উঠে সেই পোষ্ঠিং টা আমার ও চোখে পড়ে। তবে আমি লাইক দেই নাই কারন আমি জানি লাইক দিলে কোথাও না কোথাও জীবনে ঝামেলা হবে। তবে সেটা বাংলা ভাষাতে দেখাইতেছিলো ফরে আমি একটু ভয় পাইলাম।  Like4like.org ওয়েবসাইট থেকে আপনি চাইলে আপনার ফেসবুকের পোষ্টিং সহ অনেক কিছুর সিগনাল এড করতে পারবেন। ফেসবুক পেজ লাইক বা ফেসবুক পোষ্টিং লািইক: এই রকম অনেক কিছু্ । 

Free Facebook Likes


বাংলাদেশের কিছু আলেম ওলামা মাওলানার সাথে কথা বললাম: বললো যে: এইটার অভিশাপ পড়বে। কারন ইন্টারনটে কে হযরত ঈসা (আ:) এর শক্তি মনে করা হয় শয়থানের প্রজন্মের বিরুদ্বে। সেই সময়কার একটি ফোরামে আলোচনাও হয় এই ভ্যাপারে সারা বিশ্ব থেকে: সিদ্বান্ত হয় যে: আমি যতোদিন বাংলাদেশে থাকবো বা আছি ততোদিন আমি এইটার প্রতিবাদ করবো। ওদেরকে ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে আমরা যার যার ধর্মের প্রতি অনুরাগ জানাবো যে: নাস্তিকগুরোকে আমরা খতম করতে পেরেছি বা গেট আউট করতে পেরেছি। নাস্তিক বলতে মূলত বোঝানো হয়: যারা কোন নভী বা কোন ধর্ম বা কোন গডই বিশ্বাস করে না। 



তো সেই ধরনের অসুস্থ একটি গ্ররপ দেখলাম ইন্টারনেটে Free Facebook Likes এর ওয়েভ বেজড নারভার কে হ্যাক করে এবং বাংলাদেশে আধিপত্য কিস্তারের চেষ্টা করে। কারন তারা যে নাস্তিক কথা বার্তা লিখেছে এবং সেটা Free Facebook Likes ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রচার করেছে সেজন্য সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে সেইখানে আটকে ফেলেচে। একবারপ ড়েছিলাম আপনি যদি প্রকাশ্য দিবালোকে নাস্তিকতা করেন তাহলে আপনি সেখানে আটকে যাবেন চিরকালের জন্য কারন দুনিয়াটা সৃষ্টিকর্তার । সো তার বিুরদ্বে বলার কোন সুযোগ বা স্কোপ নাই।  তো যারা এই কাজ করেছিলো তারা জাতে অনেকটা হিজড়া প্রকৃতিল। তারা একণ ইন্টারনেটে তাদের প য়েন্ট দেখায় যা খুবই ঘৃনার বা লজ্জার। আসুন আমরা সকলে মিলে সেই প্রজন্ম কে এভয়েড করি। 



Like4like.org ওয়েবসাইট কোন নাস্তিক দের ওয়েভসাইট না। এইটা খ্যীষ্টান ছেলে পেলেদের ওয়েভসাইট। এইখানে এপিআই এর সন্নিবেশ আছে। তাছাড়া এই ওয়েভসাইট ব্যবহার করে সারা দেশের অনেক অনেক ছেলে বা মেয়ে রা কাজ করে খাইতাছে। সেই সকল ব্যাপার নিয়ে আরেকদিন কথা বলবো। তারা সকলেই কাজ করতে পারবে কারন ওয়েভসাইট বা উপার্জনের কোন সমস্যা এই খানে নাই। তারা Like4like শব্দটার এবং এই ওয়েবসাইট থেকে উপার্জিত ক্রেডিট point একটা ব্যাড মিনিং করে : সেই ব্যাড মিনিং থেকে সকলেই সাবধান।

আমিও মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে সাহায্য সহযোগিতা চাই যেনো আমি এই গুরপটাকে ইন্টারনেট থেকে চিরতরে বহিস্কৃত করতে পারি। যারা সারা দেশে লাইক ফর লাইকের কাজ করে তাদের কোন সমস্যা নাই: শুধুমাত্র রাজধানী ঢাকা শহরের একটি গ্ররপই এইখানে নাস্তিক ধরনের কাজ কারবার করে: অনেক সময় তারা তাদের নিজেদের তৈরী বট প্রোগ্রাম চালায় যা সারা দেশের ইন্টারনেটের জন্য খুবই  ক্ষতিকর।  

There have two videos on top about like4like.org from my youtube channel. If you see you will understand fully about their working system.


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl

Saturday, September 11, 2021

Youtube Audience Retention or Youtube Retention & Channel Infraction বলতে কি বোঝেণ?

দুই ধরনের ক্যালকুলেশন আছে এইখানে। একটা আপনার ইউটিউব ভিডিও এর ভিজিটর রা কোথায় বা কোন মিনিটে আইসা থাইমা গেছে সেটা এবং তার গড় এভারেজ আর আরেকটা আছে: আপনার ইউটিউব ভিডিও এর ভিজিটর রা কতোক্ষন আপনার ভিডিও দেখতাছে সেটার একটা গড় এভারেজ। সবচেয়ে বড় ব্যাপার এই ধরনের প্রশ্ন গুলো গুগুলে খুব ভালো করে দেয়া থাকে উত্তর। মনে করেন: আপনি একটি ভিডিও মেক করেছেন ১০ মিনিট। এখন ভিডিও টা ১০ জন মানুষ দেখলো ৫ মিনিট করে। তাহলে সেটার অডিয়েন্স রিটেনশন হবে ৫ মিনিট। মানে ভিডিও লেন্থ বা দৈর্ঘ্য, কতোজান মানুষ দেখলো আর কতোক্ষন দেখলো: এই ০৩ টার গড় এভারেজ কে বলা হয় অডিয়েন্স রিটেনশন। আপনার যদি অডিণেস্ রিটেনশন ভালো হয়: তাহলে আপনার ভিডিও ফিচার বা সাজেষ্টেড সেকসানে যাবার সম্ভাবনা থাকে বেশী এই ধরনের ব্যাপার গুলো ইংরেজী ভাষার ভিডিও গুলোর ক্ষেত্রে বেশী ঘটে। অন্যান্য  ভাষাতেও থাকে তবে সেই ভাষার যে শব্দগুলো গুগল জানে বা  এ আই জানে সেগুলোও শুধু ব্যবহৃত হবে। তো আপনার যদি পছন্দের ইংরেজী ভিডিও  থাকে তাহলে আপনি সেখানে অডিয়েন্স রিটেনশন ঘটাতে পারেণ সহজেই। ইভেণ যদি আপনি ভিডিও প্লে বাটনে চাপ দিয়ে  ছেড়েও দিয়ে রাখেন তাহলে ও অডিয়েন্স রিটেনশন এড হবে।


Example:

You make a video= 10 minutes length.

500 peoples watch that video for 5 minutes each one.

Total videos watch time= 5 x 500 minutes = 2500 minutes

Videos watch time on hand= 500 peoples x 10 minutes= 5000 minutes

Peoples watched= 2500 minutes

 Total retention = 2500 minutes

On Average 2500/500= 5 minutes






ভিডিও যদি ফিচার হয় বা সাজেষ্টেড সেকসানে এড হয় তাহলে আপনি মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউজ পাবেন সারা বিশ্ব থেকে এবং হাজার হাজার ডলার ও পাবেন । তাই বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে আপনি সব সময়ই চাইবেন কমন শব্দগুলো ব্যবহার করার জন্য। তাতে আপনার ভিডিও বাংলা এলাকাতে বাংলা ভাষা ভাষীদের কাছে ফিচার হবার সম্ভাবনা বেশী থাকবে । একজন ইউটিউবারের সারাজীবনের স্বপ্ন থাকে সারা বিশ্বে একটি ভিডিওতে ফিচার হবার জন্য। আর একবার ফিচার হতে পারলে আপনার সাবস্ক্রাইভার, ভিউজ এবং অডিয়েন্স রিটেনশন এর জন্য লাইফ টাইম আর ভাবতে হবে না। ইউটিউবিং টা সারা বিশ্বের জন্য। এইখানে আলাদা ভাবে কোন নিয়ম নাই। বাংলাদেশে যেটা হয় দেখলাম: একটা ভিডিও মেক করার পরে একটি ভারচুয়াল কলিং হয় যেখানে অনেক সময় ইউটিউবের এলগরিদম বুঝতে পারে না যে কোথা থেকে আসলো ভিউজটি। ফলে সেখানে ইনফ্রাকশন বা শাস্তি বা পানিশমেন্ট সেট আপ হয় যা এনালাইজ করে বের না করা পর্যন্ত কোন ধরনের অন হোল্ড থাকলে যেমন ছুটবে না: তেমনি সেই চ্যানেল ইনফ্রাকশন না ছোটা পর্যন্ত ভালো উপার্জন ও করতে পারবে না। আবার দীর্ঘক্ষন বা দীর্ঘদিন ইনফ্রাকশন থাকার কোরনে যে কোন সময়ে যে কোন চ্যানেল ইউটিউবের এমেএলপি এর কারনে ডিলেটও হয়ে যাইতে পারে। 





তাছাড়া আরো একটি বড় কারন: বাংলাদেশী ইউটিউব সাবস্ক্রাইভ হ্যাকার রা ইউটিউবরে লোকাল ডাটাবেজে ঢুকে অনেক ধরনের নিজস্ব এলগরিদম সেট আপ করার চেষ্টা করে যার ফলে লোকাল হাই ভল্যুউম ইউটিউব ছ্যানেল গুলোকে সহজেই ইউটিউব এর এরগরিদম ইনফ্রাকশনে ফেলে দিতে পারে বা অলরেডী ইনফ্রাকটেড। যেমণ: ১০০কে ভিুউজ এ ১ ডলার আসে: এইটা একটা ইনফ্রাকশন। ইউটিউব এলগরিদম কারো সেট করা এলগরিদেম চলে না: সাময়িক ভাবে কোন কিছু দেখাতে পারে কিন্তু সবার শেষে এইটা ১০০% সত রেজাল্ট দেখাবে। বাংলাদেমের হাই ভল্যুউম চ্যানেলগুলোর ইনফ্রাকশন বা অন হোল্ডের আরো একটি বড় সড় কারন: ইউটিউব থেকে আসা বড় সড় কোন আপডেট বাংলাদেশের হ্যাকার রা যদি সাবমেরিকন ক্যাবলে আটকে রাখে তাহলেও সেটা যে কোন Youtuber এর স্বপ্ন ভংগের কারন হতে পারে।   



ইউটিউব কোন ধরনের বট/অটোবট ভিউজ এলাও করে না কখনোই: কোন ভাবেই এলাও করবে না। তাই কোন ধরনের ইউটিউব বট এ্যাপও রান করা যাবে না যদি বাংলাদেশের ইউটিউবার রা তাদের ইনফ্রাকশন ছুটাতে চায়। কয়েক বছর আগে: একজন কল দিয়ে বলেছিলো যে: বাংলাদেশের বুহল প্রচলিত মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্কস এর কিছু প্রোগ্রামার রা তাকে একটি স্পেশিয়াল  বট মেক করে দিছে যা দিয়ে সে ইউটিউবে বট ভিউজ রান করে: আমি উত্তর দিয়েছিলাম সেটা অপরাধ: রাষ্ট্রীয় ভাবে অপরাধ। এখন আর তারা কল দিলে বা নম্বর চাইলে রিসিভও করি না: কথাও বলতে চাই না: কারন আমি কোন অপরাধের আগে পিছে থাকতে চাই না। ইন্টারনেটে কোন মানুষের ক্ষতি করতে চাওয়াটাই একটা অপরাধ। তাই বাংলাদেশী ইউটিউবার দের ভিডিও গুলোতে তাদের অুনমতি ছাড়া বট ভিউজ বা ভিউজ দেয়াটা একটি হ্যাকার টাইপের অপরাধ। 



সোশাল মিডিয়া এক্সচেন্জ থেকে আপনি চ্যানেল মালিকের অনুমতি ছাড়া যদি ভিউজ দেন তাহলে সেটা বট ভিউজ হিসাবে কাউন্ট হবে ইজিলি কারন চ্যানেল মালিক যে সকল আইপি তে থাকেন বা যে সকল প্রোগ্রামিং বা ইন্টারনেট ওয়েভসাইট সফটওয়্যার ব্যবহার করেন সেগুলোর কোনটার সাথে সেগুলোর কোনটার সাথেই যারা ইনটেনশনাল ভিউজ দেন তাদের কুকিজ বা ডাটাগত কোন মিল পাওয়া যাবে না। ফলে এপিআই এলগরিদম সহজেই সেগুলোকে বট বিউজ হিসাবে কাউন্ট করবে এবং একইসাথে রিয়াল মানুষের ভিজিট থাকার (এসএমই ওয়েবসাইট থেকে) কারনে ভিউজ নম্বরও কমবে না। কারো অনুমতি ছাড়া কারো চ্যানেলে ভিউজ বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করা টা এক ধরনের এলগরিদম ব্রেক। আর এলগরিদম ব্রেক করাটা ও ইনফ্রাকশন। লিখিত অনুমতি থাকতে হবে যেনো ইন্টারনেটের বট প্রোগ্রাম গুলো বুজতে পারে যে: আপনি কাউকে কাজটা দিয়েছেন যেমন : মার্কেটপ্লেস ওয়েবসিইট যেখানে কাজের ডিষ্ট্রিবিউজশন হয় সেখান থেকে চাইলে ইন্টারনেটের বট সহজে ডাটাবেজের তথ্য কালেকশন করতে পারে আর তথ্যগত মিল থাকলে আপনি কখনো ইনফ্রাকশন খাবেন না।  এপিআই প্যানেল থেকে যদি আপনি প্রচুর পরিমানে ভিউজ কিনে থাকেন যেটা চ্যানেলে গড় এভারেজ রিয়াল (যারা সারচ করে চ্যানেলে আসে বা ভিডিও দেখে) ভিউজ এর থেকে একেবারে আকাশ পাতাল তফাত হযে যায় তাহলেও সেই চ্যানেলে ইনফ্রাকশন খেয়ে যাবে। তাই যদি প্যানেল থেকে কখনো ভিউজ কিনতে হয় মনিটাইজেশন থাকলে : তাহলে সটো খবুই অল্প পরিমানে কিনবেন যেনো সেটা রিয়াল ভিউজ এর সাথে একটা সমানুপাতিক অনুপাত রাথে লাইক ১:১০। 

 

[ইউটিউব থেকে কোন টাকা আসে না। ইউটিউব থেকে ডলার উপার্জন করা যায়। হয়তো ভবিষ্যতে বিটকয়েণ উপার্জন করবে মনিটাইজার রা।  আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইভ করতে ভুলবেন না। পুরো লেখাটি আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা এবং ইউটিউব যখন চালু হয় তখনকার সময়ের ষ্টাডি বা ফোরাম ডিসকাসনের উপরে ভিত্তি করে লেখা।]


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl

 



Thursday, September 9, 2021

Youtube Algorithm Breaking Metrics worked with my one video.

 



উপরের ছবিতে ক্লিক করলে দেখতে পারবেন যে: ইউটিউব পার ১০০০ এড ভিউজ এর জন্য ১৮ ডলার পর্যন্ত পে করে থাকে তবে প্রত্যেকটা এড ভ্যালিড আইপি থেকে দেখা থাকতে হবে। কিন্তু বেসিকালি ১০০০ এড ভিউজ এ কতো পাওয়া যায়: সেরকম একটি  ক্যালকুলেশন বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোরবিস দিয়েছে: আপনি যখন ভ্যালিড আইপি থেকে কারো ইউটিউব ভিডিও দেখবেন তখন এডও দেখতে পারবেন। কিন্তু হ্যাকারদের অত্যাচারে বিশ্বের বিভিন্ন খানে আইপি এড্রস ওকে থাকে না। তাছাড়া যারা ভিপিএন ব্যবসা করে তাদের কে তো আর আলাদা করে আইপি এড্রস বরাদ্দ দেয় না। তারা বিশ্বের বিভিন্ন গাধা টাইপের এলাকাতে  আইসা তাদের ভিপিএন সপটওয়্যার প্রমোট করে এবং সেখানকার আইপি এড্রস গুলো হ্যাকারদের সহযোগিতায় অন্যান্য দেশে বিক্রি করে থাকে। তাই বৈধ ভাবে যে ওয়েবসাইট ওপেন হয় সেখানে ভিপিএন ব্যবহার করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ (সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড) করা উচিত। বাংলাদেশে যদি হ্যাকার রা আস্তানা না গড়তে পারে তাহলে বাংলাদেশের আইপি গুলে পৃথিবীর সমস্ত ভিপিএন সফটওয়্যার বা হ্যাকার দের কাজে লাগে এরকম খানে ব্যবহৃত হতো না। ইউটিউব এর এড দেখাতে ব্যয় হতো এবং বাংলাদেশী ইউটিউবার রা লক্ষ লক্ষ ডলার উপার্জন করতে পারতো। 






ইউটিউবে ভালো উপার্জন করতে গেলে আপনাকে খুব ভালো করে ইউটিউবের এলগরিদম বুঝতে হবে : আমি ইউটিউবের পেমেন্ট পাওয়ার প্রমান সংক্রান্ত একটি ভিডিও বোধ করি ফোরবিস এর হিসাব অনুযায়ী এলগরিদম ব্রেক করতে পেরেছি। ফোরিবস বলতাছে: হ্যাকার সংক্রান্ত এলাকাগুলোতে ভালো মানুষের কাছে ভিডিও প্রমোট করে প্রতি ১০০০ ভিউজ এ পাওয়া যাবে: ৩ থেকে ৫ ডলার যেখান থেকে আপনাকে ৪৫% ইউটিউব কে দিয়ে দিতে হবে। আমি একটি ভিডিওতে পেয়েছি ২২৭২ ভিউজ এবং সেখানে আমার ৫৫% এসেছে ৭.৭৭ ডলার। তার সাথে আরো যদি ৪৫% এড করি (যা ইউটিউব কেটে নিয়ে যায়) তাহলে সেটা হলো : ৬.৩৫ ডলার। তাহলে মোট ২৩০০ ভিউজ এর জন্য পাইলাম: (১৪.১২ ডলার) ৬.১৩ ফার পার ১০০০। এলগরিদম যদি কোন এলাকাতে ব্রেকিং হয় তাহলে সেই এলাকার অনেক চ্যানেল র‌্যাংকে আসতে সাহায্য করে।



                                                           


যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারনেট সেবা প্রদানের পাশাপাশি আইপি এড্রস  প্রদান করে থাকে এবং স্পেসিফিক আইপি এড্রসের সাথে স্পেসিফিক তারও দিয়ে থাকে বলে দেখেছি। যদি বাংলাদেশের প্রত্যেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটি করে আইপি এড্রস থাকে যা যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক এসাইনড : তাহলেই বাংলাদেশীরা ইউটিউবে বাজিমাত করবে কারন ইউটিউবে যারা এড দেয় তারা আইপি থেকে এড ভিউজ কে কাউন্ট করে গুগল এডওয়ার্ডস বা ইউটিউব এড প্রোগ্রামের মাধ্যমে: এইটা আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলা। 




যদি আমার আর্টিকেলটি ভালো লাগে তাহলে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে দেখতে বা শেয়ার করতে এবং লাইক কমেন্ট ও সর্বোপরি  সাবস্ক্রাইভ করতে ভুলবেন না। 


Wednesday, September 8, 2021

সাহস করে সম্পন্ন করে ফেলাইলাম কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম।




যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই সারা বিশ্বের বন্ধু। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নেয়া উদ্যোগে এবং বিতরনে সারা বিশ্বের প্রান্তিক জনগোষ্টী  ভোগ করলো এই মর্ডানা টিকা নেয়া পদ্বতি (বাংলাদেশে গ্রাম এলাকায় বসে ভোগ করলাম এই টিকা) । গবেষকদের গবেষনা অনুযায়ী প্রায় ৯২ শতাংশ কার্যকরী মর্ডানাট টিকার দুটো ডোজ নেয়া আমি আজকে সম্পন্ন করলাম। বাংলাদেশ সরকার ঘোষনা করেছিলো: কেউ যদি টিকা না নেয় তাহলে সে বাসা থেকে বের হতে পারবে না বা দেশ থেকে বের হতে পারবে না। দুটো টিকা নেবার পরেই দেয়া হয় কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহনকারীদের আইডি কার্ড এবং সার্টিফিকেট। 



 



আমি প্রথমে সরকারের সুরক্ষা ওয়েবসেইটে নিবন্ধন করি। মোবাইলে এসএমএস আসতে দেরী হওয়াতে স্থানীয় পর্যায়ে শুরু হওয়া ওয়ার্ড পর্যায়ের নিবন্ধনে অংশগ্রহন করি এবং ভ্যাকসিনের টিকা নেই। প্রথম দিন একটু ভীড় থাকলে ও দ্বিতীয় ডোজের দিন আজকে তেমন ভীঢ় টের পেলাম না। প্রথম দিন শরীর একটু সামান্য জ্বর আসলেও আজকে তেমন কিছু হয় নাই।  



 


আমি মনে করি সকলকেই এইটা নিয়ে রাখতে হবে কারন জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তিক বাংলাদেশের সকল সুবিধা ভোগ করতে হলে বা দেশ থেকে বাহিরে যাবার প্রয়োজন হলে আপনাকে অতি অবশ্যই এই টিকার কার্ড  দেখাতে হবে আর নয়তো দেখা যাবে  সারা দেশের জন্য  বরাদ্দকৃত কোন সুবিধা যেমন ভোগ করা যাবে না তেমনি মনে চাইলে ই ফ্লাই ও করা যাবে না। কারন বর্তমানে কোভিড সিচুয়েশনে বিশ্বের কোন দেশই পেনডেমিক ডিজিজ একসপোর্ট করতে চাইবে না। সবচেয়ে ভালো হয় : যারা কোভিড টিকা নিয়েছে তাদের ডাটাবেজ দেশের সকল বন্দরে কানেকটেড করে রাখলে যেনো যে কারো জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে ভেরিফাই করা যায় যে: সে টিকা নিয়েছে নাকি নেয় নাই। বলা তো যায় না কার শরীরে কিভাবে এইটা দানা বেধে থাকবে আর কোথায় এইটা ট্রান্সফার হবে। কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন টিকা নেয়া থাকলে একটা সুরক্ষা নেয়া থাকে।





খুবই ভালো লেগেছে জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তিক এই কার্যক্রম। জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকরে আরো একধাপ এগোলো বাংলাদেশ। 

Vaccinated: #masudbcl                      #masudbclvaccinated                    #modernavaccinated

Keyeord research tool.


 

Tuesday, September 7, 2021

ইউটিউবের ট্রাফিক বলতে কি বুঝেন?

 



সহজ ভাষাতে ট্রাফিক বলতে বোঝানো হয় : রোড ঘাটে গাড়িদের ভীড়। ইউটিউবে ট্রাফিক বলতে গুগল বুঝে যে: একটি ইউটিউবের প্লেলিষ্ট থেকে একজন ভিজিটর যখন একটি ভিডিও তে প্রবেশ করে তখন সেটাকে একটি ট্রাফিক বলা হয়। কিন্তু ইন্টারনেটের এর ভাষাতে ট্রাফিকের সংজ্ঞা ভিন্ন। 




এসইও এর ভাষাতে ট্রাফিক বলতে বোঝানো হয় : একটি সুনির্দিষ্ট আইপি এড্রস   থেকে (Example: https://192.168.0.1 [IP location/IP Trace = Radius]) যে কোন একটি ওয়েবসাইটে ঢুকে কিছুক্ষন অবস্থান করা বা ভিজিট করাকে একটি আইপি ট্রাফিক  হিসাবে কাউন্ট করা হয়।  


বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আছে ইন্টারনেটে: 
  • এসইও ট্রাফিক
  • ইন্টারনেট ট্রাফিক
  • ওয়েবসাইট ট্রাফিক
আপনি যদি অনেক অনেক দামী ভিপিএন কাকেটেড করে ক্রমাগত ইউটিউব ভিজিট করতে থাকেন তাহলে ইউটিউব এর ডাটাবেজ বা সারভার আপনার ম্যাক এড্রস কে আইন্টেফাই করবে এবং দেখবে পরীক্ষা করে যে: আপনি ইনটেনশনালি ভ্যাপারটা করতাছেন কিনা: এইটা শুধূ ইউটিউবরে বৈশিষ্ট্র না: এইটা যে কোন আমেরিকান কোম্পানীর বৈশিষ্ট্য: ডুপ্রিকেসির কোন দাম এইখানে নাই। কিন্তু বিভিন্ন প্রকারের দামী দামী ভিপিএন কানেকটেড করে যদি আলাদা আলাদা করে ইউটিউব চ্যাণেল ভিজিট করে থাকনে তাহলে ইউটিউব সেই আইপি এড্রস গুগলোকে কাউন্ট করবে বা আইপি ভিজিট হিসাবে কাউন্ট করবে। একজন মানুষ যদি ক্রমাগত এ্কটি ভিপিএন থেক ে১০/১২ টা ইউটিউব চ্যানেল ভিজিট করে থাকে তাহলে সেই ভিপিএন এর রেকর্ড টা ১০/১২ টা চ্যানেলে একই থাকবে। আবার আপনি যদি বিভিন্ন ইউটিউব ছ্যানেলে বিভিন্ন ভিপিএন সফটওয়্যারের বিভিন্ন আইপি বা একই ভিপিএন সফটওয়্যারের বিভিন্ন আইপি দ্বারা ভিজিট করেন তহারে সেটার ও রেকর্ড থাকবে। এক কতায় ইউটিউব আপনার আইপি এর সব কিছুই ট্রাক করে দেকবে কোথাও কোন সদ্হে জনক আছে কিনা: আর ইনটেনশনাল যে কোন কিছুই সন্দেহ জনক। যেমন : ধরেন ১০/১২ হাজার লোক পরিকল্পনা করে একটি ইউটিউব ছ্যানেল ভিপিএন দ্বার ভিজিট করলো তখন সেখান কার রেডিয়াস চেক করে দেখা হবে যে: ঠিক কতো দূরত্ব থেকে পরিকল্পনা করে হাজার হাজার লোক একটি ইউটিউব চ্যানেল ভিজিট করে দেখতাছে। তখন সেই চ্যানেলটাকে ব্যান্ড করতে দিব্ধাবোধ করবে না। এখন সেভারেল ভিপিএন সেভারেল মোবাইল ডিভাইস এবং সেভারেল আইপি কালেকশন কোথায় হয় বলতে পারেন: নিশ্চিত ভাবে সেটা সোশাল মিডিয়া এক্সচেন্জ (যেমন: লাইক ফর লাইক)। আপ িকি জানেন কেনো ইউটিউব আপনাকে ট্রাক করবে : কারন ভিপিএন দ্বারা ইউটিউব ব্যাবহার করার কোন দরকার নাই। ইউটিউব সবখানেই ওপেন। লাইক ফর লাইক ওয়েবসাইটে যদি আপনি সেভারেল ভিপিএন সেভারেল আইপি এবং সেভারেল মোবাইল ডিভাইস এবং সেভারেল লোকেশন থেকে ভিজট করেন তাহলে ইউটিউব সেগুলোকে ট্রাক করবে : রেডিয়াস চেক করে দেখবেেএবং যদি সাবস্ক্রাইভ করে আনসাবস্ক্রাইভ করে দেন তাহলে স্বভাবতই ইউটিউব সেটার গতিবিধি বুঝতে না পেরে সেই চ্যানেলটাকে স্পেশিয়াল ভ্যালু দেবে। কারন শুধূ ইউটিউব না যে কোন আমেরিাকন য়েভসাইট আপনি যখন ক্ষতি করতে যাইবনে তখন সেটার ভ্যালু বাড়িয়ে দেবে। কারন আমেরিকান রা বিশ্বাস করে: যীশূ খ্রীষ্টের দুনিয়ার নাম হইতাছে ইন্টারনেট।  


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl

Translate