Translate

Saturday, May 1, 2021

ফ্রি ল্যান্সার বা আউটেসোর্সিং জগতে র কিছূ নিয়ম বা বাধাদরা।

#ফ্রিল্যান্সিং এবং #আউটসোর্সিং জগতে আপনি যদে মনে করেন কোন গড ফাদার আছে তাহলে আপনি ভূল করতে পারেন। এইখানে কোন গড ফাদার নাই। এইখানে আপনি যদি মনে করেন কোন সমাজ আছে যা পালন করলে বা মানলে আপনি লাভবান হবেন তাহলেও আপনি ভূল করবেন। ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং জগতের মার্কেটপ্লেস ওয়েবাসইট গুলো সম্পূর্নই 99% বেশীর ভাগ বিদেশী মালিকানাধীন। এইখানে বাংলাদেশের কোন আধিপত্য নাই। এইখানে প্রচুর পরিমানে বাংলাদেশী কাজ করে থাকতে পারে কিন্তু তার মানে এই না যে : বাংলাদেশ কোন ধরনের লভ্যাংশের মালিক। একটি #ফ্রিল্যান্সার #মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট তার ক্লায়েন্ট এবং সেলার ম্যানজে করার জন্য নিজে #এসইও করে। ইন্টারন্যাশনাল প্রমোশন করে সব সময়। সেখানে ওয়েবসাইটের যারা মালিক তারা সবসময় ই ওয়েবসাইটের প্রমোশণ  নিয়ে কাজ করে। #মার্কেটপ্লেস ওয়েবাসইটের মালিক এর কাজ হলো: বায়ার কে ডেকে নিয়ে আসা আর তার কাছ থেকে কাজ নিয়ে সেটা সেলারদেরকে বুঝিয়ে দেয়া। সব কিছুই অটোমিটক: #MLP : #Machine #Learning #Program দ্বারা সেট আপ করা। শুধূ ক্রিটিকাল সমস্যা গুলো এডমিন রা নিজেরা সমাধান করে। 



সো্ কেউ যদি বলে যে : এইখানে একটি সমাজ আছে সেখানে অনেক লাভবান হওয়া যাবে: সেটা বিশ্বাস করা যাবে না। কারন আপনার কাছে মূলত মনে হতে পারে যে: আপনি লাভবান হইতাছেণ কিন্তু বাস্ববত আপনি সেখান থেকে লাভবান হতে পারবেন না কারন এইটা বাংলাদেশের নিজস্ব মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট না। যেমন ধরেন: আপনি ৫০,০০০ টাকা দিয়ে কিছু না জেনে না বুঝে যে কোন এক খান থেকে কোর্স করলেন। যাকে ৫০,০০০ টাকা দিলেন তার কিছুই আপনি যাচাই কররেণ না : সে 

১) সরকার নির্ধারিত আইটি প্রতিষ্টান কিনা?

২) তার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর আছে  কিনা?

৩) সে দেশের  প্রচলিত আইনে আপনার কাছ থেকে টাকা নিতে পারে কিনা?

৪) তার প্রতিষ্টানের লাইসেন্স আছে কিনা? 

৫) সে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে পরিপক্ক কিনা? 


সে আপনাকে সম্ভাবনার অপার দুয়ার হিসাবে একটা #মার্কেটপ্লেস দেখাইয়া দিলো যেখানে সে আর কোন কাজ পাইতাছে না এবং আপনিও। মার্কেটপ্লেসে কাজ পাবার লায়াবিলিটিজ যদি কেউ না নেয় তাহলে কি লাভ হবে - এতো এতো টাকা দিয়ে কোর্স করে যদি আপনি নিয়মতি কাজ না পান। আর কোর্সের সার্টিফিকেট যদি সরকার নির্ধারিত না হয় তাহলে  কি আপনার ব্যক্তিগত জীবনে কোন কাজ হবে। হাজার হাজার ছেলে বা মেয়ে অভিযোগের ঢালি নিয়ে ঘুরতাছে সারা দেশে : যে তারা অনেক অনেক অনেক টাকা বা পয়সা দিয়ে কাজ শিখেছে কিন্তু এখন আর কাজ পাইতাছে না। তার মানে বোঝা যাইতাছে যে: ষংঘবদ্ব একটি চক্র ঘুরাফেরা বা চলাফেরা করতাছে যাদের কাজ হইতাছে বিপুল অংকের টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়া। একসময় হয়তো তারা দেশ থেকে চায়নিজ বা শতরু দেশে চলেও যাবে লুকোছাপা করে। তখণ হয়তো বাংলাদেশ সরকার পড়বে বেকায়দা সিচুয়েশেন।  কারন সারা দেশের অনেক মানুষ এখনি অভিযোগ করতাছে বা বদ দোয়া দিতাছে: তারা যেনো কবরে শান্তি না পায় বা জান্নাত যেনো না যায়। সেদিন এক মেয়েকে দেখরাম এই রকম অভিযোগ করতাছে। 


ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং জগতের ওয়েবসাইট গুলোতে মূল নাম গোপন রেখে যে কোন খ্রীষ্টান ইহুদি নামে র একাউন্ট ওপেন করে বায়ার সেজে কাজ দেয়া যায় বা কাজ যদি দেয় তাহলে কিন্তু আপনি তেমন ধরতে পারবেন না। কারন ওয়েবসাইটের মালিকের দরকার ডলার। সারা বিশ্বের শ্রমিক ভাইরা যদি যার যার কর্মের দেশে অবস্থান করে সেই সেই দেশের আইপি এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে একটি খ্রীষ্টান/ইহুদি নাম ওপেন করে আর সেরকম একটি প্রোফাইল বানায় আর সে যদি ক্রমাগত বাংলাদেশে থেকে সেলারদের কাছ থেকে সারভিস কিনতে থাকে (পরিকল্পনা মোতাবেক। আরো হয়তো অনেক ধরনের উপায় আছে যেমন: যারা বিদেশের পারমান্টে নাগরিক তাদের ডিটেইলস কারেকশন করে আপনি াবয়ার প্রোফাইল মেক করে আপনার পারসোনল ভারচুয়াল ক্রেডিট কার্ড বা রেগুলার ক্রেডিট কারড এক্সস করতাছেন যেখানে বিল হইতাছে সেই লোকের নামে আর সুবিদা নিতাছেন আপনি ইচ্ছা করে। এইগুলেঅ কিন্তু সম্ভাবনা: উড়িয়ে দেয়া যায় না কারন এখন কার িদনে ম্যাক্সিমাম বায়ারের ছবিই খুজে পাওয়া যায় না] আপনি কিন্তু বুঝতে পারবেন না যে: কে কে আপনার কাছ থেকে সারভিস কিনতাছে? কারন যে শ্রমিক অষ্ট্রেলিয়া থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতাছে সে রেজিস্ট্রেশন করা মাত্রই কিন্তু তাকে অষ্ট্রেলিয়ান আইপি থেকে  অষ্ট্রেলিয়ার ফ্লাগ থেকে ভেরিফায়েড দেখাবে। যে সকল ওয়েবসাইটের সাথে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকের সরাসরি লেনাদেনা আছে সেই সকল ক্ষেত্রে কিন্তু যে কেউ ঝামেলায় পড়ে যাইতে পারে। কারন কোন ক্রমে যদি কোন ফ্রি ল্যান্সিং এক্টিভিটিজ সরকারের কুনজরে পড়ে বা সরকার যদি সন্দেহ করে থাকে তাহলে সরকার প্রথমে দেখবে যে: বাংলাদেশের সরকারের কোন লস আছে কিনা?  ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং জগতের অনেক ওয়েবসাইট গুলোতে (যাদের সাথে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকের সরাসরি উইথঢ্র আছে : যাদের নাই তাদের কথা ভিন্ন) অনেক সময় বায়ার প্রোফাইল ভিডিও ভেরিফিকেশন হয় না। আবার যদি কোন ওয়েবসাইট হ্যাকারদের কন্ট্রোলে থাকে তাহলে হয়তো সেই ওয়েবসাইট গুলোতে ভালো মানুষেরা ঢুকলে তাদের ভিডিও ভেরিফিকেশন হইতে পারে আবার যদি তাদের মতো মানুষ ঢুকে থাকে তাহলে সেখানে ভিডিও ভেরিফিকেশন হবে না বা চাইবে না। তারা সব সময় নিজেদেরকে আলাদা ভাববে। তারা মনে করবে নিজে নিজে যে: তারা ইন্টারনেটে একটি সোসাইটি প্রতিষ্টা করার চেষ্টাতে আছে। 



ইন্টারনেট তো মানুষের জন্য প্রযোজ্য। ইন্টারনেট কিন্তু সবাইকে এলাও করে না । সামর্থ্য  থাকা সত্বেও ইন্টারনেটে কিন্তু সবাই অনেক সময় বিচরন করতে পারে না।  আর যারা একসাথে দলবদ্ব ভাবে বসবাস করতাছে আর বলতাছে : তারা ইন্টারনেটে একটি নতুন সোসাইটি গঠন করবে তাদেরকে প্রথম প্রশ্ন: আপনাদের সবার কি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র আছে? যারা অমানুষ তাদের কিন্তু বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। সো অমানুষকে নিয়ে আপনি যদি ইন্টারনেটে সোসাইটি মেক করতে চান : তাতে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। দেখা যাবে ইন্টারনেট বাংলাদেশ থেকে সীমিত (আশংকা) করে দিতে পারে (কার ফেসবুকে ব্যাপক পরিমান মেয়ে ইদানিং ন্যুড সেক্সের ও অফার দেয়) বা সীমিতও (আশংকা) হয়ে যাইতে পারে।  যেমন: আফ্রিকার অনেক এলাকা থেকে ইন্টারনেট অফ করে দেওয়া আছে। যারা  বড় আকারের বেলুন দিয়ে ইন্টারনেট দিতো আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে তারা ও তাদের পরিকল্পনা ঘুটাইয়া দিতাছে। কারন ইন্টারনেটে আপনাকে মাষ্ট বি ভালো কাজ করতে হবে: কোন খারাপ ধরনের কাজ করলে হয়তো আমেরিকান সরকার বলবে এই দেশে ইন্টারনেট কে লিমিটেড করে দাও। সীমিত ভাবে সরকারকে বা সরকারি প্রতিষ্টানকে দিয়ে রাখবে বা কিছু  ভালো মানুষ  ছাড়া আর কেউই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না। ইন্টারনেট কিন্তু বাংলাদেশ সরকার- আমেরিকান সরকারের কাছ থেকে কিনে আনে : নিজে নিজে ডাউনলোড করে না বা নিজে নিজে উৎপন্ন করে না। 


গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করা বাংলাদেশে আমার কাছে দেশদ্রোহিতার সামিল (Minimum: আপনাকে ভোটার রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরন করা থাকতে হবে বা অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর আছে সেরকম)আর সকলেই জানে দেশদ্রোহিতার সব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। ফরেনার হলে আপনাকে অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট ধারী হতে হবে। তা্ই বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ফরেনার হলে ফরেনার পাসপোর্ট দ্বারা আপনাকে সত ও সততার সহিত ফ্রি ল্যান্সার বা ফ্রি ল্যান্সিং করতে হবে।  যে কোন একটি বিষয়ে স্কিলড হতে হবে। তারপরে অনেষ্টলি প্রোফাইল তৈরী করে সেটা দিয়ে কাজের জন্য আবেদন করে যাইতে হবে। একসময় হায়ার হয়ে যাবেন। কাজের টেকনিক বুজে ফেলাইবেন। তখণ নিয়মিত কাজ পাবেন। এখণ আপনি যদি বলেণ: এইখানে সমাজ আছে  বা ইন্টারনেট থেকে ডলার উপার্জন করতে গেলে খারাপ কাজ করতে হবে: খারাপ পরিবেশে যাইতে হবে বা খারাপের সাথে থাকতে হবে: তাহলে বুঝতে হবে এইখানে ঘাপলা আছে এবং বড় সড় ঘাপলা আছে। মনে করেন/ধরেন উদাহরন স্বরুপ: একটি ওয়েবসাইট যার সাথে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রিজার্ভের সংযোগ আছে : সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে ব্যাংকে উইথড্র দিতাছে কিন্তু সেটা এক ধরনরে হ্যাকিং মানি বা ডুপ্লিকেট মানি যেখানে বাংলাদেশ সরকারের ক্রমাগত লস হইতাছে তাহলে কিন্তু সেখানে যারা কাজ করতাছে সবাই দেশদ্রোহিতার বা রাষ্ট্র দ্রোহিতার সামিল যার ম্যাক্সিমাম শাস্তি মৃত্যুদন্ড। আপনি যদি হ্যাকার হয়ে থাকেন বা রাষ্ট্রের সেনসিটিভ ইস্যুর কারন হয়ে দাড়ান যা বাংলাদেশ বিরোধী কাজ জড়িত থাকেন তখন কিন্তু বাংলাদেশ সরকার আপনার বিুরদ্বে চলে যাবে এবং আপনাকে আপনার দলসহ দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে দ্বিধাবোধ করবে না- সাথে যারা জড়িত/সহায়তাকারী থাকবে তারা ও হয়তো ফ্রি যাবজ্জীবন জেল পেয়ে যাবে।  বাংলাদেশে আইন সবচেয়ে শক্তিশালী। 



সেজন্য আমি নতুনদের কে এমনতর মার্কেটপ্লেস কাজ করতে বলি : যার সাথে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকের সরাসরি কোন যোগাযোগ বা ্ উইথড্র সিষ্টেম নাই। কারন যে গুলোর আছে সেগুলো অনেক সময় অনেক খানে সন্দেহের উদ্রেক করে। আমি একজন তথ্য প্রযুক্তি বিদ হিসাবে (ইনফরমেশণ সিষ্টেম ম্যানেজমেন্ট ডিপ্লোমা: ২০০৫ অনলাইন এক্সাম ক্যালিফোরনিয়া) অনেক সময় সন্দেহ প্রকাশ করি বিভিন্ন সময়: আমি প্রায় ২০ বছর ধরে ইন্টারনটে ব্যবহার করি। আমার এই খানে মাঝে মাঝে কিছুটা খটকা লাগে।  যখন মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট প্রথমে বের হয় তখনি বলা হয় অবশ্যই তৃতীয় পক্ষ পেমেন্ট সিষ্টেম ব্যবহার করতে। যেমন: পেপাল, এলার্টপে, পাইওনিয়াল বা স্ক্রিল, ওয়েবমানি বা পারফেক্ট মানি। যখন প্রথম বের হয় তখন এই ধরনের আইন ই চোখে লাগে। আমি ব্যবহার করি পেপাল এবং পাইওনিয়ার। ২০০৯-২০১-২০১১ সালে ব্যবহার করেছি ওডেস্ক থেকে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংক। তারপরে আবেদন করে পাইওনিয়ার কার্ড না পাইতে পাইতে ব্যবহার করেছি পেপাল এবং এখণ করতাছি পাইওনিয়ার (অধিক সুবিধাদি নিয়ে)। 


পরিশিষে আপনাকে অনুরোধ করবো আপনি আমার ইউটিউব চ্যানেল ঘুরে দেখতে পারেন যেটা দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে: কোন ধরনরে মার্কেটপ্লেসে কাজ করা ঠিক হবে। 







search me on youtube : #masudbcl


No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.