Subscribe youtube

🎥 Subscribe to My YouTube Channel!

Loved this blog or post? Continue the journey with me on YouTube. Watch my latest videos and hit Subscribe to stay connected!

👉 Subscribe Now
Showing posts with label জয় বাংলা. Show all posts
Showing posts with label জয় বাংলা. Show all posts

Wednesday, May 19, 2021

জয় বাংলা বিরোধী একটি গ্ররপের কাহিনী।

[এটি একটি গল্পাকারে লেখা। অনেক অংশই নিজস্ব রিসার্চ বা অুনসন্ধান থেকে লেখা। আপনার খটকা লাগলে নিজে থেকে তথ্য অনুসন্ধঅন করে নিবেন। পুরো ঘটনার সাথে যেখানে মিলবে না সেখানে বাস্তবের সাথে মেলানোর চেষ্টা করবেন না]


Do not judge the post contents at below 18 age. 


ঢাকা শহরের একটি স্বনামধন্য এলাকা। হঠাৎ করে কয়েক লক্ষ ছেলে পেলে একসাথে হয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম থেকে: যার নাম #শাহবাগ #গনজাগরন ২০১৩। সেখানে কয়েক লক্ষ ছেলে এবং মেয়েরা সারা দেশে একটি সঠিক জনমত গঠনে স্বক্ষম হয় এবং তার বদৌলতে তারা #দেশবিরোধী(ফাসি), #দালাল(ফাসি) , #রাজাকার(ফাসি) এর রায় আনতে স্বক্ষম হয় এবং ফাসিও দিয়ে ফেলায়। সোশাল মিডিয়া থেকে একটি #গনজাগরনের মাধ্যমে একটি অসম্ভব কে সম্ভব করে ফেলানো সম্ভব হয়; তা  দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং কার্যকর। 





দেখেছি, বুঝেছি, শুনেছি এবং ধারনা করতাছি: 

দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এই রায় কার্যকর করার পরে একটি গ্ররপ যারা তাদের #প্রজন্ম(ফাসি) তারা ভীষন কষ্ট পায়। তারা ঢাকা শহরের এর একটি এলাকা তে একটি বস্তিতে বসে থেকে ভয়াবহ প্রতিজ্ঞা করে যে: তারা এর প্রতিশোধ নেবে। প্রতিশোধের নেশাতে তাদের মাথা চাড়া দিয়ে উঠে। তারা একটি তালিকা তৈরী করে এবং সেই তালিকা মোতাবেক তারা অনেকের নাম লিপিবদ্ব করে যে তাদের কে মেরে ফেলাবে এবং সেই সংক্রান্ত ঘোষনা ও থ্রেড ও তারা দিয়ে দেয়। সেগুলো সামাজিক যোগাযোগর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সারা দেশে তাদের ব্যাপারে এলার্ট জারি করা হয় এবং সকলেই সতর্ক ও  হয়ে যায়। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়। শুনেছি সেই সময়ে অনেক অপরিচিত লোকজন বাংলাদেশে ঢুকেছে বিভিন্ন পথে এবং অবৈধ ভাবে। 





প্রথমেই জানা যায় এবং ধারনা করা যায় (কারন তারা বাংলাদেশে বসবাস করে কিন্তু জয় বাংলা বলতে পারে না) : তারা #টেষ্টটিউব চাইল্ড। মানে পুরোপুরি মানুষ না। তো বুদ্বি হলো যে : তারা যেহেতু #টেষ্টটিউব সেহেতু একটু সতর্ক হয়ে চললেই হবে। যারা #জয়বাংলার সন্তান তারা একটু সতর্কতা গ্রহন করলো। তারপরে প্রশ্ন উঠলো যে: তারা যেহেতু টেষ্টটিউব চাইল্ড : তারা কি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র পাবে বা তারা কি বাংলাদেশে বসবাস করতে পারবে। তো জানা গেলো বা ধারনা করা গেলো : ছবিসহ ভোটার তালিকা ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রনয়ন এই বিভাগ টি তখন সরকারের প্রজেক্ট  ছিলো- এখণ এটি সরকারের অধিদপ্তর। তাই তারা শীক্তশালী একটি আইন তৈরী করতে পারে নাই্ আর সেই সুযোগে টেষ্টটিউব দের ফিংগারপ্রিন্ট এড না হলেও বা তারা তাদের ঘৃনাবোধ থেকে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজে থেকে এড না হওয়ার পরেও : তারা বাংলাদেশে থেকে যাওয়া সুযোগ পায়। 



(শোনা কথা: কোন প্রমান নাই নীচের প্যারাটার ব্যাপারে )

বাংলাদেশে থেকে যাওয়ার সুযোগ পাইলেও অনেক মহল থেকে তাদের জাতীয়তা চাওয়া হলো। তো তারা তাদের বাপ দাদোদের দেশ দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) দের দেশ থেকে  সম্ভবত মিথ্যা একটি গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয়পত্র শো করলো। বাংলাদেশ এর প্রশাসন (?) তাই দেখে তাদেরকে থেকে যাবার পারমিশন দিলো মনে হয় (কারন জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া একটি প্রজন্ম কিভাবে বসবাস করে বাংলাদেশে) তারন তাদের মনে ভয় ছিলো যে: শাহবাগ গনাজগরন ২০১৩ এর সামাজিক যোগাযোগের আন্দোলন বাংলাদেশের ক্ষমতা পট পরিবর্তন করে ফেলাতে পারে। এই ব্যাপারটা তরুন প্রজ্ন্ম কে ভাবিয়ে তুললো। কারন শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ থেকে যে সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখানো হয় তা সারা দেশের অনেককে খুশী করে তুলে কিন্তু দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) দের মাথা খারাপ হয়ে যায় কারন তাদের বা তাদের দোসর দের চুরি চামারি বা দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে। পরে আন্তর্জাতিক ভাবে খবর নিয়ে জানা যায় যে: সেই গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয়পত্র যা টেষ্টটিউবরা (if available) সাবমিট করেছিলো তা ভুয়া। আর এই দিকে জাতীয় পরিচয়পত্র অধিদপ্তর (২০১৮) ও তৈরী হয়ে যায়: তৈরী হয়ে যায় নিজস্ব আইন। এখণ প্রশ্ন হলো:  সেই সকল ভুয়া টেষ্টটিউব ধারী (If available) লোকজন কি এখনো ঢাকা সহ সারা দেশের বাংলাদেশে আছে বা বসবাস করতাছে। তারা ঠিক কোন মেথডে বাংলাদেশে আছে বা রয়ে গেছে তা যদি জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করা হতো তাহলে হয়তো বাংলাদেশ থেকে পেনডেমিক সংক্রমন কমানো যাবে।  কারন তারা যদি অন্যদেশ থেকে বাংলাদেশে এসে থাকে (illegal access) তাহলে তাদের দ্বারা এই রোগটা সংক্রমতি হবার সম্ভাবনা আছে ১০০%। 





উপলব্দি:

সময় এসেছে জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করার । করোনা কালীন এই সময়ে আইন করা দরকার এবং কার্যকর করা দরকার যেনো বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া : বৈধ জাতীয় পরিচপত্র (include voter number must) ছাড়া কেউ বসবাস করতে পারবে না। আর যদি সেরকম কেউ বসবাস করে থাকে আর তারা যদি চাইনীজ (Because the virus has been transmitted from china: everybody is saying that) টাইপের হয় তাহলে তো আর রেহাই নাই বোধহয় : কারন এইটা তাদের জন্য  একটা এম্বিশনও  হতে পারে যে তারা একটি নিজস্ব রেডিয়ান্ট নিয়ে বাংলাদেশে অবাধে বিচরন করতাছে (এই পেনডেমিকের সময়েও থেমে নেই সারা দেশ জুড়ে যৌন কর্ম) আর সমানে এই রোগটাকে বিস্তার করে যাইতাছে। যেহেতু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলার পরেও এখন মানুষ জন অবাধে মেলামেশা করতাছে সেহেতু এই ব্যাপারটা সারা দেশের সবখানে সঠিক মাত্রাতে আঘাত হানতে পারে। ঢাকা শহরে অধিক জনসংখ্যার শহর হবার কারনে যে কোন মূহুর্তে যদি আঘাত হানে : তাহলে প্রায় লক্ষ থেকে কোটি লোক প্রান হারাতে পারে। তাই পরিস্থিতি সামাল দেবার জন্য: ১৮+ যে  কেউ যেনো রাজধানী ঢাকা শহরে এবং পুরো বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া বসবাস না করতে পারে সেটা পুংখানুপুংখ ভাবে যাচাই করা উচিত। 



সবচেয়ে বড় বিষয় এরা খালি মুখে জয় বাংলা বলতে পারে না। মানে ঠোটে মুখে এবং তাদের পৃথিবীর কোন দেশের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। ধারনা করা যায়: তারা দেখতে অনেকটা বৌদ্বদের মতো। যাকে বলা যায়: হয়তো বৈৗদ্ব জারজ। তার মাঝে এখণ এসছে ইন্ডিয়ান রেডিয়ান্ট। এই দুইটা মিলে যদি একসাথে হয় তাহলে কি অবস্থা হইতে  পারে? জয় বাংলা বিরোধী দের চক্রান্তও হতে পারে। ১৯৭১ এ তো তারা সব বাংগালী  কে  মেরে ফেলাতে চেয়েছিলো-  এখনো তো তাদের সেই স্বাদ থাকতে পারে। তাই এখন থেকে নিজ দ্বায়িত্বে তাদের কে এই দেশ থেকে হটিয়ে দেয়া উচিত বা শিকড় উপড়ে  ফেলানো উচিত। 


তাদের কিছু বৈশিষ্ট : 

  • তারা দেখতে কিছুটা বৌদ্ব দের মতো। মানে চাইনিজ আর কি? 
  • তারা বাংলা বলতে পারলেও বা বুঝতে পারলেও তারা বাংলা লিখতে পারে না বা পড়তে পারে না। 
  • তাদের কোন দেশের জাতীয়তা নাই। 
  • তারা একটি কুপথ প্রদর্শন করে। 
  • তারা খালি মুখে জয় বাংলা বলতে পারে না। 

পেনডেমিক মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে এক্ষুনি এই জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করে ফেলানো উচিত। বাংলাদেশে বসবাস করতে হলে আপনাকে কোন না কোন দেশের বৈধ নাগরিক হতে হবে। আর নয়তো গুড বাই বাংলাদেশ বলতে হবে আপনাকে। ছোটবেলাতে যখন ভাইরাস ফিভারের টিকা (লাইফটাইম গ্যারান্টেড) নিয়েছি তখন শুনেছিলাম: বৌদ্বরা এক ধরনরে নাস্তিক। কারন তারা আমাদের ইহুদি, খ্রীষ্টান এবং মুসলিম ধর্মের কোন নবীকে মানে না বা ফলো করে না এবং কোন ধরমও ফলো করে না। তারা তাদের নিজস্ব ধর্ম গুরু কে ফলো করে যেটা সারা বিশ্বে জেরুজালেম ভিত্তিক বা কাবা ভিত্তিক কোন ধর্মের অনুসারীরা ব্যবহার করে না। আরো একটা কথা শুনেছিলাম ধর্মীয় সেন্সে  : বৌদ্বরা  সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক কোন নবীজি র ধর্ম অনুসরন (জেরুজালেম বা হলি কাবা) না করাতে তাদের মাধ্যমে রোগ বিস্তারের কাহিনী ঘটানো সম্ভব। 

লেখাটি আমার নিজস্ব গবেষনা রিসার্চ , ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী লেখা: ২টি ব্যাপারে সচেতনতা তৈরী করার জন্য। 

  • পেনডেমিকের সময়ে আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া কারো সাথে মেলামেশা না করা। 
  • দেশে বৈধ নাগরিকের বসবাস নিশ্চত করা। জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকর করা।
[আমি বাংলাদেশর সরকারের কোন বিভাগ থেকে তথ্য নিয়ে লেখাটি লিখি নাই আর সেজন্য আমি নিজে অনুসন্ধান করি নাই। চাইলে আপনি অনুসন্ধান করে নিতে পারেন। ]

#Freelancer/ #Blogger / #Youtuber : #masudbcl
Search me on youtube: masudbcl 

Tuesday, September 29, 2020

১৯৯০ সালে রাজাকারের সামনে দাড়িয়ে জয় বাংলা বলা। এখনো বলি: জয় বাংলা।

 ১৯৯০ সালের গনজাগরনের আগে গনজাগরনের দামাম বাজতেছিলো। আমি তখন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবার নেয়া শিক্ষক কোয়ার্টারে থাকি। আমার বাবা উচ্চ শিক্ষার্থে তখন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় , বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরি কমিশন, কৃষি মন্ত্রনালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অনুমতি স্বাপেক্ষে ইউএসএ তে হায়ার ষ্টাডিজ এর জণ্য গিয়েছিলেন। একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের অতি অবশ্যই অনার্স +মাষ্টার্স সার্টিফিকেট থাকবে যা বিশ্ববিধ্যালয় প্রদান করে থাকে, একজন বিশ্ববিধ্যালয়ে শিক্ষকের অবশ্যই গেজেট থাকবে রাষ্ট্রীয় গেজেটে একজন শিক্ষক হিসাবে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের এবং বিশ্ববিধ্যালয় মন্জুরি কমিশনের এপরুভাল থাকবে একজন শিক্ষকের নিয়োগ হিসাবে , সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিধ্যালয়ে রেজিষ্ট্রার সেকসানে, এডমিন সেকসান, ডীন অফিস এবং বিভাগীয় অফিসের কাছে অল ডিটেইলস থাকবে। একজন শিক্ষক যখন উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশে যায় তখন সেটাকে এডুকেশন লিভ বলে- সেই সময়ে বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষক তার স্কলারশীপের উপরে ডিপেন্ডস করে ২টাই পাইতো - তার রেগুলার বেতন+ভাতা এবং তার স্কলারশীপেরও  বেতন। রেগুলার বেতন+ভাতা তার বিশ্ববিধ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে থাকবে- প্রত্যেকটা পাবলিক বিশ্ববিধ্যালয়ের সাথে কোন না কোন সরকারি ব্যাংকের রেজিষ্ট্রেশন থাকে। শিক্ষা, সরকারি এবং মন্ত্রনালয় তথা সরকারি সমস্ত কিছু ডিলস করার জন্য। সে হিসাবে একজন বিশ্ববিধ্যালয়ের শিক্ষকের একটি ফুল ফেজ ব্যাংক একাউন্টও থাকবে। সেই সময়ে আমার আব্বা প্রতি মাসের আগে থেকে সই করা চেক রেখে যাইতো এবং আমি বিশ্ববিধ্যালয়ের ব্যাংকে যাইয়া বেতন তুলে নিয়ে আসতাম।  ১৯৯০ সালে প্রতি মাসের বাবার দেয়া মাসিক খরচ ২০-২৫ হাজার টাকার অনেক দাম ছিলো। ২০,০০০ টাকা দিয়ে আমাদের পরিবারের সব কিছু সুন্দর করে চলে যাইতো (বাকী টাকা বাবার প্রভিডেন্ড ফান্ড, পেনশন ফান্ড এ জমা থাকতো)। ময়মনসিংহে আমার মা সব কিছু সুন্দর করে ম্যানেজ করে নিতেন। তখন আস্তে আস্তে ব্যাংক গুলোকে ডিজিটাল হতে দেখেছি। রেজিষ্ট্রারের নথি দেখে ক্যাশ ডেলিভারি নেয়া থেকে শুরু করে- ব্যাংকে দাড়িয়ে থেকে টোকেন নেয়া এবং সেই টোকেনের বিপরীতে ক্যাশ কাউন্টার থেকে ক্যাশ রিসিভ করা- এরকম অনেক পরিবর্তন ই চোখের সামনে দেখেছি। মাষ্টার্স লিডিং টু পিএইচডি স্কলারশীপের জণ্য আপনাকে ৬/৭ বছরের শিক্ষা ছুটি নিতে হতো তখনকার সময়ে। আবার আপনি যতোবার পোষ্ট পিএইচডি করবেন ততোবার ২ বছর করে ছুটি থাকবে। তো সেই সময়ে স্কুলের জীবনে আব্বা বিদেশে থাকার কারনে বাসার সব কাজ আমাকেই করতে হতো আর আমি ও ঘোরাফেররা সুযোগ পাইতাম বিস্তর। সেই হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে  অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীরা আমাকে অনেক আদর করতো। যেখানে সেখানে তাদরে সাথে দেখা হতো। তারাও তাদের বাবা মা ছাড়া খ্যাম্পাসে থাকতো। আর আমিও আব্বা বিদেশে শিক্ষাছুটিতে থাকাকালীন একা থাকতাম মায়ের সাথে।হলের অনেক বড় বোনেরা আমাকে সরাসরি হলের ভেতরে নিয়ে যাইতো। ছোট ছিলাম বিধায় হলের ভেতর ডুকতে কোন সমস্যা হতো না। খুব কাছ থেকে হলের মেয়েদেরে জীবন যাপনের ষ্টাইল ও দেখেছি। বিশাল হলে ১০০-১৫০ মেয়ের বসবাস থাকতো। বাসাতে টিএন্ডটি ফোন বা বিশ্ববিধ্যালয়ের নিজস্ব ফোন থাকার কারনে যে কোন সময়ে যে কাউকে কল দেয়া যাইতো। পড়াশোনার কারনে অনেক সময় ঢাকা শহরের অনেকরে সাথে কথা হতো টিএন্ড টি ফোনে। সেই সময়ে আমার বাবা আমাকে প্রথম কম্পিউটার দেখান যাকে বলা হয় ব্রিফকেস কম্পিউটার। যাই হোক - আশে পাশের এলাকাতে তখন অনেকের সাথেই কম বেশী পপুলার ছিলাম।  বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা আশে পাশের অনেক কেই পড়াশোনা করাতো। টিউশ্যুনি পড়াতো। সেই হিসাবে আমাকেও অনেক ছাত্র- ছাত্রীরা অনেক সময় পড়া দেখাইয়া দিতো। ১৯৯০ সালের গনাজগরনের দামামা বেজে উঠার ঠিক কিছু দিন আগে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিধ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে একটা প্রোগ্রাম অনুষ্টিত হয়েছিলো ।সেই অডিটোরিয়াম ছিলো উপমহাদেশের সেরা অডিরোটিয়াম। প্রায় ২০০০-২৫০০ লোক বসে প্রোগ্রাম দেখতে পারতো। আর দাড়িয়ে বসে মিলে প্রায় ৫০০০ লোক যে কোন প্রোগ্রাম দেখতে পারতো। তখন রাজাকরদের ফাসির ব্যাপারে সারা দেশে ছেলে পেলে রা একসাথে হওয়া শুরু করেছে। 

তালিকাগ্রস্থ রাজাকারদের ফাসির দাবীতে তখন সারাদেশে উত্তাল হবার দশা। ফাসি হবেই কণফার্ম রাজাকারদের। বিশ্ববিধ্যালয় সংরক্ষিত এলাকা হবার দরুন এইখানে সব ধরনের মানুষের যাতায়াত বন্ধ ছিলো। কিন্তু যুদ্বের সময়কার একটা গনকবর থাকার কারনে রাজাকারদের একটা মুভমেন্ট বা দাপট ছিলো। রাজাকারের সন্তানেরা অনেক সময় মাঝরাতে বিশ্ববিধ্যালয়ের মেয়েদেরকে অপহরন করার চেষ্টা করতো বা শ্লীলতাহানি করতো। জায়গায় জায়গায় ধর্ষন রাজাকারের সন্তানদের জণ্য খুব সহজ স্বাভাবিক ছিলো। আর আইনের হাত থেকে পার পেয়ে যাওয়াও তাদের জণ্য খুবই সহজ ছিলো তখন। কিন্তু অভিশাপ এমন এক জিনিস যা যে কারো জীবনে আঘাত হানতে পারে। আমি এক বা একাধিক রাজাকারের সন্তানকে চিনি যারা সমানে গা ফ্রে পাল্টাইতাছে কিন্তু ২৫/৩০/৩৫/ বছর যৌনকর্ম করার পরেও তাদের সন্তানাদি হয় না। তখন মেয়েদের পেটে অনেক সময় ধর্ষনের কারনে গোস্তের মাংসপিন্ড হতো (পরে পত্রিকাতে দেখেছি বা শুনেছি)। ঠিক সেই রকম একটা সময়ে একটা তালিকা গ্রস্থ রাজাকার গ্রুপ বিশ্ববিধ্যালয়ের ভেতরে নড়াচড়া করতো। নিজেদেরকে মিথ্যা শিক্ষক বলে পরিচয় দিতো। আমার সামনে একবার বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র- ছাত্রীরা একজন নামধারী মিথ্যুক শিক্ষক কে খসাইয়া/ঠাসাইয়া থাপ্প ড় মারে আর বলে যে- মাসুদ এই জানোয়ার গুলোরে চিইনা রাখ। সময়ে বলতে পারবি সারা দেশে যে এরা দেশদ্রোহী। ২/৩ জন ছাত্র মিলে একজন নামধারী শিক্ষককে এমন মাইরই দিলো (তার নামে কিছুই নাই না গেজেট, না মন্জুরী কমিশনের অনুমতি, না নিয়োগপত্র, না অনার্স/মাষ্টার্সের সার্টিফিকেট বা এমন কিছু যার কারনে সে নিজেকে শিক্ষক বলতে পারে বা পারতো) কিছুই নাই। নাথিং। দেখতে ক্লিন সেভড হয়ে থাকতো। শুনেছি স্বাধীনতা যুদ্বের আগে ঢাকা শহরে রিক্সা চালাতো। সে বিশ্ববিধ্যালয়ের আশে পাশে ঘুরাফেরা করতো। তো সেই লোক একদিন কৃষি বিশ্ববিধ্যালয়ে গনজাগরনের আগে একটা জয় বাংলা রিলেটেড প্রোগ্রামে বাধা দিতাছিলো। জয় বাংলার প্রোগ্রাম সে হতে দিবে না। বিশ্ববিধ্যালয়ের ছেলেরা সেই লোককে থাপ্পড় দেবার কারনে আমার মনে ছিলো তার চেহারাটা। টোটাল অডিটোরিয়াম যখন ভরে থাকতো তখন সব লা্ইট নিভাইয়া দেয়া হতো। তখন আমাকেও বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র- ছাত্রীরা বাসা থেকে আইসা নিয়া যায় তাদের জয় বাংলা প্রোগ্রাম দেখার জন্য্। পরে সে দেখি অডিটোরিয়ামের  ভেতরে বসে আছে একটা মহিলাকে নিয়ে- সেই মহিলা যাকে আমার বাবা এবং অন্যান্য মুরব্বীরা খারাপ মহিলা বলেছিলো- ইংলিশ রোড জনসন রোড বা নারায়নগন্জ টানবাজারের পতিতা ছিলো বলে শুনেছি। একজন রাজাকার পন্থী মহিলা যে কিনা পতিতা সেও এবং সেই দাড়িবিহীন রাজাকার (দাড়ি থাকলেই যে রাজাকার হবে এমন কোন কথা নাই। পৃথিবীতে সব নবীজির দাড়ি ছিলো। সব ধর্মে ই দাড়ি রাখা সুন্নতের পর্যায়ে পড়ে।  প্রখ্যাত রাজাকার সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ক্লিসন সেভড ছিলো ) একসাথে বসে ছিলো আলো আধারীর মাঝে। বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা বলতাছিলো যে কোন রাজাকার থাকলে তারা প্রোগ্রাম শুরু করবে না- ষ্টেজ প্রোগা্ম। আর রাজাকারেরা বলতাছিলো যে প্রকাশ্য দিবালোকে জয় বাংলা না বলতে পারলে তারা সেই প্রোগ্রাম হতে দেবে না। বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র রাজণীতিতে তখনকার সময়ে অস্ত্রের জনজনানি থাকার কারনে আমি স্পষ্টতই  বুঝতে পারতেছিলাম যে- রাজাকারদের কাছেও অস্ত্র আছে আরা বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্রনেতাদের কাছেও অস্ত্র আছে। রাথভল গোলাগুলি আমার কাছে অনেকটাই হেভিটুয়াটেড ছিলো- গোলাগুলির শব্দ শুনতে শুনতে অনেক রাত গুমিয়েছিতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা তো মেধাবী ছিলো-সেখানেও তারা ব্রেইন খাটালো। কারন মাঝখানে অনেক সাধারন ছাত্র ছাত্রীরা বসে ছিলো অডিয়েন্সে। তো বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী তো বুঝেনই- বাঘের শক্তি গায়ে নিয়ে চলে। রাজাকারের মোত কুত্তার সাথে কি আর তারা এইভাবে লাগবে? তাছাড়া তখন এতো পরিমান মার্ডার হতো ছাত্র রাজনীতিতে- সে সাধারন ছাত্র ছাত্রীরা ভালোবেসে জয় বাংলা বলবেই কিন্তু এরকম  সিচুয়েশনে নিউট্রাল বাঙালী হয়ে থাকবে। যারা ছাত্র রীজণীতির সাথে জড়িত- তারা প্রথমে নিজেরাই সবার সামনে যাইয়া বলতে চাইলো। তো তখন কিছু ছাত্র -ছাত্রী যারা আমার সাথে পরিচিত তারা নিজেরা না বলে ১০ বছর বয়সের আমাকে ষ্টেজে তুলে দিলো আর বলে দিলো ষ্টেজের পর্দা ফালানো মাঝখানের  যে জায়গা সেখানে যাইয়া দাড়াবা - আর গলার সব জোড় দিয়ে বলবা জয় বাংলা। তোমার একবার বলাতে যদি না যায় রাজাকারেরা অডিয়েন্স ছেড়ে- তাহলে তাদেরকে গুলি করে হত্যা করবো বা জবাই করবো। আমি নির্ভয়ে উঠে গেলাম কারন সেই সময় কার বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা আমাকে আপন ছোট ভাই এর মতো আদর করতো। আমি  ডিমেতালে সিড়ি দিয়ে উঠে গেলাম আর বিশাল ষ্টেজের মাঝখানে যেয়ে দাড়ালাম।


   


 আমার সামনে শুূধ সাউন্ডবক্স আর লাইট এর ট্রে, আধো অন্ধকার - আমি সেখানে দাড়িয়ে সামনে তাকালাম আর বুক ভরে নি:শ্বাস নিলাম আর মন খুলে বললাম- ”জয় বাংলা”। আমি জানি না ঠিক কোথা থেকে আমি জয় বাংলা বলেছি কিন্তু আমি জানতাম ইচ্চা করলেই মন ভরে জয় বাংলা বলা যায়। বলার ঠিক পরেই দেখলাম - সেই শুয়োরের বাচ্চা কুত্তার বাচ্চা রাজাকার আর তার গুয়া মারা বউ বা মহিলা বসে থাকার আসন ছেড়ে ধীরে ধীরে অডিটোরিয়ামের বাহিরের দিকে চলে যাইতাছে আর সারা অডিটোরিয়াম জয় বাংলার ভালোবাসায় উত্তাল হয়ে উঠেছে। রাজাকারেরা ভেবেছিলো যে- সে সময়কার ছাত্র ছাত্রীরা জয় বাংলা বলতে পারবে না আর আমার মতো অল্প বয়সের ছেলে রা ও বুঝি জয় বাংলা বরতে পারবে না। তারপর কয়েকদিন পরেই শুরু হয় গনজাগরনের জয় বাংলা র উত্তাল আন্দোলন -১৯৯০ এর গনজাগরন আন্দোলন। 

সেদিনকার সে ঘটনার সময়ে আমি আবাসিক এলাকার পরিচিত কাউকে দেখি নাই আমার আশে পাশে। কারন অনুষআগুলো অনেক সময় রেষ্ট্রিকটেড ওয়েতে হতো। অনেক রাত বা মধ্য রাত পর্যন্ত বিশ্ববিধ্যালয়ের ছেলে বো মেয়েরা নাটক, গান, আড্ডা বা ফূর্তি করতো । তাদের অনুষ্টানগুলো তখনকার সময়ে দেখার মতো। ১ে৯৯৮ সালে আমরা চলে আসি আমাদের নিজেদের বাসাতে- ২০ নং ওয়ার্ডে। এইখানে আমরা জমি কিনে রাখি ১৯৮৬ সাল থেকে। পরে আব্বা ততোদিন বিদেশ থেকে চলে আসেন এবং এইখানে ৫ তালা ফাউন্ডেশন  দিয়ে ১ তালা পর্য্ত করতে পারে। আমার বাবা ছিলো ভয়াবহ রকমের সৎ মানুষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে যদি তিনি কোন দুই নাম্বারি করতেন বা প্রজেক্ট ডিল করতেন তাহলে এতোদিনে উনার ঢাকা শহরে কয়েকটা ১০ তালা বিল্ডিং থাকতো। কিন্তু শুধু মাত্র সত থাকার কারনে (উনিিউপভেঅগ করতেন পরীক্ষক, নিরীক্ষক- সারা দেশের যতোগুলো কুষি কলেজ ছিলো সেগুলোতে বা যেখানে যেখানে কৃষি রিলেটেড বিষয় ছিলো সেথানে আর বাসাতে বসে থেকে বেশীর ভাগ সময় সমস্ত বিশ্বদ্যিালয় ছাত্র ছাত্রীদের ইয়ার/টার্ম  পরীক্ষার খাতা  দেখতেন)।যে সকল বঢ় ভাই বা বোনরো হাতে ধরে জয় বাংলা বলতে শিখিয়েছেন - তাদেরকে বলতে হয় যে তাদের শিক্ষাটা প্রকৃত।আজো ভরতে পারি যে কোন সময়ে যে কোন খানে দাড়িয়ে- জয় বাংলা

ঘটনাটা যদি আপনার কাছে বিশ্বাস না হয়  তাহলে ধরে নিবেন এইটা জয় বাংলা বলার একটা কাহিনী। 


 

Saturday, August 29, 2020

৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম দালাল রাজাকার পালতে আমি রাজী নই।

স্বাধীনতা যুদ্বে যাদের দেশবিরোধী ভুমিকা ছিলো তাদেরকে আমরা জয় বাংলা বিরোধী শক্তি বা দালাল রাজাকার বলে থাকি। বাংলায় বসবাস করে বাংলা ভাষাতে কথা বলে বাংলাদেশের বিরোধিতা করা - ব্যাপারটা পৃথিবীর ৮ম আশ্চর্যের মধ্যে পড়ে। মাতৃভাষাকে ভালোবাসে না এরকম কোন মানুষ পৃথিবীতে নাই। প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ মাতৃভাষাতে বেড়ে উঠে- এবং ধর্ম কর্ম ও পালন করে থাকে। যে ভাষাতে ধর্মীয় কার্যকলাপ করলো সেই ভাষার বিরোধী হয়ে আতাত করে তৈরী করা গনহত্যা -সত্যিই বিস্ময়ের এবং কষ্টের। বিশ্বে সকল গনহত্যা কে স্মরন করে একটা দিন জাতিসংঘ পালন করে থাকে। কিন্তু যুদ্বের ভয়াবহতা বিবেচনা করে ৭১ এ সংঘটিত বাংলার গনহত্যাকে আলাদা করে স্বীকৃতি দেবার জন্য একটি মহল বহু দিন ধরে চেষ্টা চালাইয়া যাইতাছে। গনহত্যা বিশ্বের একেকদেশে একেক সময় সংঘটিত হয়েছে যার যার দেশের স্থান/কাল/পাত্র ভেদে যুদ্বের  পরিমন্ডলে। যুদ্বে গনহত্যা সবচেয়ে ভয়াবহ নৃশংসতার প্রমান হিসাবে থাকে। তেমনি বাংলাদেশে সংঘটিত গনহত্যায়   অংশগ্রহন করেছিলো পা ক হানাদার বাহিনী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, পা ক হানাদার বাহিনীর সমমনা মানুষগুলো বা দলগুলো, বাংলাদেশী দালাল, রাজাকার এবং আরো কিছু অপশক্তি। এতো শক্তির বিরুদ্বে লড়াই করে জিতে ছিলো বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্বারা। আর তাদের প্রজন্মের সন্তানেরা ও সেই অকুতোভয় সন্তানের মতো বেচে আছে আজো। মুক্তিযোদ্বারা যুদ্বের কারনে  দানবীয় রুপ ধারন করতে পারে। শুনেছি যুদ্ব চলাকালীন মুক্তিযোদ্বারা যে সকল পাক হানাদার বাহিণীর সদস্য আর দালাল রাজাকার বাহিনীর লোকজনকে গনহারে মেরেছে তাদেরও কবর বা গনকবর আছে  এই  দেশের মাটির নীচে (দোয়া করি যেনো ৮৮ বা ৯৮ এর বণ্যার পানির তোড়ে তাদের লাশ গুলো ভেসে চলে যায়)   - কারন যুদ্ব চলাকালীন সময়ে শুধূ বাংগালীই মারা যাই নাই- বহু (উল্লেখযোগ্য সংখ্যাক পা ক হানাদার, দালাল, রাজাকার মরেছেও) আর  যাবার আগে মুচলেকা দিয়ে গেছে যে আর কোনদিন বাংগালীর সংগে যুদ্ব লাগবে না। মাফও চেয়েছে। গনহত্যার জন্য পা ক হানাদার বাহিণীকে বলা হয়েছিলো যেনো ক্ষমা চায়- কিন্তু তারা জাতিগত ভাবে কিছু প্লেকার্ড প্রদর্শন বা বিবৃতির মাধমে ক্ষমা চেয়েছে কিন্তু আন্তর্জাতিক ভাবে জাতিসংঘের কাছে এখনো ক্ষমা চায় নাই ৭১ এ সংঘটিত বাংগালী গনহত্যার জন্য। পা কিস্তান যেনো আন্তর্জাতিক অংঘনে লিখিত ভাবে  ক্ষমা চায় ১৯৭১ এর গনহত্যার জন্য, সে ব্যাপারে মুভমেন্ট করা উচিত। বিশ্বের একেক দেশে একেকদিন গনহত্যার দিন বিবেচিত হয়। এ পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ  গনহত্যা আমার কাছে মনে হয় - ইসরায়েলে একসাথে ৬০ লক্ষ লোককে হত্যাি করা হয়েছিলো- যাকে হলোকাষ্ট বলে ডাকা হয়। আর এখণ কয়েকদিন আগে দেখলাম- ইসরায়েল বিশ্বের দ্বিতীয় সামরিক পরাশক্তি ডাকা হয়। ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় পাওয়ার বা বন্ধু হইতাছে আমেরিকা। তাদের সমস্ত নাগরিক সামরিক বাহিনীর ট্রেনিং প্রাপ্ত- বৃদ্ব এবং বাচ্চা কাচ্চা ছাড়া- যেনো যুদ্ব লাগলে প্রয়োজনে সকলে দেশের জন্য প্রান দিতে পারে সে জন্য সকলেই একসাথে যেনো লড়াই করতে পারে। সম্পৃতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এডমিনিষ্ট্রেশন এর সহায়তায় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষনা করা হয়েছে। পৃথিবীর সকল নবীজির জন্য তীর্থস্থান হিসাবে বিবেচিত - জেরুজালেম কে ইসরায়েলের রাজধানী বিবেচনা করায় আমি  ব্যক্তিগতভাবে অনেক খুশী হয়েছি। বাংলাদেশ থেকে না পারলেও ইচ্ছা আছে ভবিষ্যতে অন্য কোন দেশের নাগরিকত্ব গ্রহন করে একবার ভিজিট করার জন্য- হাদিসে আছে বলে শুনেছি- নবীজি বলেছেন- যদি সামর্থ্য থাকে একবার যেনো জেরুজালেম ভিজিট করে এবং সখোনে যেনো পারলে জেরুজালেম মসজিদে ২ রাকাত নফল নামাজ পড়ে।  


স্বাধীনতা যুদ্ব চলাকালীন যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায় নাই, যারা বাংলা ভাষার স্বাধীনতা চায় নাই তাদেরকেই বাংলা ভাষা বিরোধী শক্তি হিসাবে বিবেচনা করা যাবে সহজেই। সারা বিশ্বে বৃটিশদের শাসন ছিলো- বলা হইতো ব্রিটিশদের স্বাধীনতার সূর্য কখনো অস্ত যাইতো না। তো ব্রিটিশরা যখন যে দেশকে স্বাধীন ঘোসনা করেছে সেখানে একটা ব্যাপার খেয়াল করা গেছে যে- তারা ভাষার ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করেছে। যেমন- হিন্দী তে কথা বলে হিন্দুস্তান, উ র্দু তে কথা বলে উ র্দুস্তান, আফগান ভাষাতে বলে আফগানিস্তান, মালয় ভাষাতে কথা বলে মালয়েশিয়া, মালে ভাষাতে কথা বলে মালদ্বীপ, ভুটানিজ ভাষাতে কথা বলে ভুটান, নেপালিজ ভাষাতে কথা বলে নেপাল এরকম আরো অনেক দেশ ই ভাষার ভিত্তিতে ভাগ হয়েছে। শুধূমাত্র ২ টা দেশে একটা ভিন্নতা রয়ে  গেছে। ভারত এবং স্পেন। ভারতের  অনেক  রাজ্যের অনেক লোকজন বাংলা ভাষাতে কথা বলে কিন্তু দেশ হিসাবে পালন করে ইন্ডিয়াকে। আবার স্পেনের ভেতর ২টা ভাষা ব্যভহৃত হয়- কাতালুনিয়া অংগ রাজ্যের ভাষা কাতালুনিয়ানিজ আর স্পেনের ভাষা স্পেনিশ। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ কিন্তু ভাষার ভিন্নতার কারনে কাতালুনিয়ার রাজধানী হিসাবে বিবেচতি হয় বার্সেলোনা। ভাষার ভিন্ন্তা থাকা সত্বেও স্পেনের লোকজন এক দেশে এক পতাকা তলেই বসবাস করে। আর আমাদের ২ দেশে ভাষা এক হলেও আমরা বসবাস করি ২ দেশে- ভারতের রাষ্ট্রভাষা অবশ্য হিন্দী- এমন কোন ভারতীয় খুজে পাওয়া যাবে না যে হিন্দী জানে না কিন্তু আঞ্চলিক ভাবে তারা অনেক রাজ্যে বাংলা ভাষাকে প্রধান ভাষা হিসাবে ব্যবহার করে থাকে। স্বাধীনতা যুদ্ব চলাকালে ভারতীয় বাংগালীরা আমাদেরকে সীমাহীন সাহায্য করেছে। থাকার জায়গা দিয়েছে, ট্রেনিং ক্যাম্প দিয়েছে, অস্ত্র জোগাড় করে  দিছে, ট্রেনিংপ্রাপ্ত করে যুদ্বে অংশগ্রহন করে জিততেও সাহায্য করেছ, সম্মিলিত ভাবে যুদ্বে  অংশগ্রহন করেছে পা ক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্বে। হানাদারকে চিরতরে বাংলা থেকে হঠাতে সাহায্য করেছে। বাংলাদেশ আসলে বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্বা এবং ভারতীয় বাংগালীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে। স্বাধীনতা যুদ্ব শেষে যারা যারা সেই দেশে থাকতে চেয়েছে শুনেছি তাদেরকে থাকতে ও দিয়েছে আবার এখনো মুক্তিযুদ্বে ব্যবহৃত অনেক অনেক ট্রেনিং ক্যাম্পকে অক্ষত করে রাখা আছে যেনো যে কোন বাংগালী যেয়ে দেখতে পারে । ৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্বে যদি কেউ ভারতীয় বাংগালী এবং ভারতীয় সেনাবাহিণীর ভুমিকা এবং সাহায্য কে অস্বীকার করে তাহলে তাদেরকে ভারতীয় রাজাকার বললে ভুল হবে না। একসাথে বাংলা ভাষাতে কথা বলে এরকম সকলে মিলেই প্রতিহিত করেছিলো পা ক হানাদার বাহিনী আর দালাল রাজাকার গুলোকে যাদের ফাসির কার্যক্রম বর্তমানে চলতাছে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী। বাংলাদেশের তিন দিকেই ভারতীয় বাংগালী এবং ভারতীয় বাংলা রাজ্য দ্বারা বেষ্টিত। মাঝখানে বাংলাদেশ। অনেকটা দেশের ভেতরে দেশ- যেমন ইটালীর ভেতের অবস্থিত ভ্যাটিকান সিটি আর ভারতের ভেতরে অবস্থিত বাংলাদেশ নামক লাল সবুজের একটি দেশ। বর্তমানে ভারতীয় সামরিক বাহিণীর শীক্ত সারা বিশ্বে প্রশংসিত- রিসেন্টলি তারা সামরিক চুক্তি করেছে অস্ত্র লেনাদেনার ব্যাপারে- ইসরোয়েল এবং ইউএসএ এর সাথে।  রিসেন্টলি তাদের মধ্যে এড হয়েছে পারমানবিক শক্তিধর নেভী শিপ বা জাহাজ। 

শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ শেষ হবার পরে যখন নিয়মিত হারে রাজাকারদের ফাসির আয়োজন আর কার্যকারিতা চলতোছে তখন এক রাজাকার এর সাথে কথোপকথন চলতাছে আমার একদিন। আমি কয়েকজন তালিকাগ্রস্থ রাজাকারকে চিনি (যাদের সাথে আমার কোন রক্তের সম্পর্ক নাই এবং আত্মীয়তার সম্পর্কও নাই) মানে তাদের নাম বিভিন্ন লিষ্টিতে আছে। বলতাছে- তারা তো দালাল, রাজাকার দেশবিরোধী- তাদের একদিন ফাসি হবে এবং তাদের বিরুদ্বে ফাসির রায়ও এসেছে। তো আমি কি সেই রায় সাপোর্ট করি কিনা? আমি প্রথমে হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে জয় বাংলা বললাম  এবং তারপরে বললাম- আসি সাপোর্ট তো করিই বরঞ্চ আমি চেয়েছিলাম একদিন প্রকাশ্য দিবালোকে সব রাজাকারকে রাজ পথে ফাসি দিয়ে দিতে বা ল্যাম্পপোষ্টে ঝুলাইয়া ফাসি কার্যকর করতে বা প্রকাশ্য দিবালোকে সব গুলোকে এক সিরিয়ালে দাড় করিয়ে গুলি করে মাইরা ফালাইতে বা প্রকাশ্য দিবালোকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিতে? তো সে উত্তরে বলতাছে- তাদের কোন ক্ষমা নাই তারা তো ফাসি খাবেই কিন্তু তাদের একটা অনুরোধ আছে। আমি বললাম - দালাল রাজাকার দের কোন অুনরোধের দাম দেওয়া নিষেধ আছে। তোর অুনরোধ শোনার আমার দরকার নাই। তো বলতাছে ভাই শেষ একটা প্রশ্ন ছিলো জানবার- যে তাদের বংশধরদের কি হবে? তো আমি বললাম আমার মতে  তাদের বংশধরদের নূন্যতম বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বাতিল করে দিতে হবে। কারন শাহবাগ গনজাগরনের একটি ডায়ালগ আছে- “প্রজন্ম রাজাকার, গোষ্টী সহ করবো মার্ডার “। মানে বলা যায় গনজাগরনের শক্তি যেদিন এ দেশে ক্ষমতায় বসবে বা বাংলা জমির শাসন  ক্ষমতা  পাবে সেদিন সম্ভবত প্রজন্ম রাজাকার, প্রজন্ম দালাল, প্রজন্ম পা ক হানাদার বাহিণী গায়েব হয়ে যাবে। তো সেই রাজাকার বলতাছে- তাদেরকে কি পালা সম্ভব? আমি সাফ সাফ উত্তর দিয়ে জানিয়ে দিলাম- তাদেরকে পালা সম্ভব না। 

আমি রাজাকারের কথোপকথন শূনে একটু ভাবলাম- যে বা যারা কিনা বাংলাতে কথা বলে ৭১ এ বাংলা ভাষা বা বাংলা দেশ বা বাংলাদেশীদের বিরুদ্বে লড়াই করতে দ্বিধাবোধ করে নাই- তারা জানে যে তাদের নিশ্চিত মৃত্যু যদি তারা পরাজিত হয় -তারপরে দেশ স্বাধীন হবার পরে থাদের অনেকেই বেচে থাকলো- বলতে গেলে সব রকমের সুবিধা নিয়ে বেচে ছিলো- তারা আবার শাহবাগ গনজাগরনের পরে রাজাকারের ফাসি কার্যকর হবার পরে তারা তাদের নিশ্চিত ফাসি জেনে তাদের বংশদরদের কথা বিবেচনা করতাছে- কি আজব আর তাজ্জব? যেই দেশটাকে তারা এক সময় ঘৃনা করলো সেই দেশেরে ভেতরে আবার তারা তাদের বংশধরদের জণ্য চিন্তা ভাবনা করতাছে- তাদেরকে খাইতে, শুইতে, চলতে, ফিরতে দেয়া হয় আবার তারা ঘর সংসার সমাজও করতে পারলো কিন্তু তাদেরকে শুধু সরকারি/আধা সরকারি/স্বায়ত্বশাসিত চাকুরী দেয়া হলো না বা তাদেরকে সরকারি নির্ধারিত কোন ভাতাও দেয়া হলো না  (এই একটা পয়েন্টে আমি বাংলাদেশ অনেষ্টি পেয়েছি)-  এই নিয়ে তাদেরকে ভাবতেও দেখেছি। (যেমন আজো এই দেশে এমন কোন দালাল/রাজাকার নাই যে ঠোটে মুখে বলতে পারবে যে একাত্তরে তারা দেশবিরোধী ছিলো-যদি সাহস থাকে তবে তারা যেনো সকল ধরনরে ঠিভি ক্যামেরার সামনে বলে দেয় যে তাার ৭১ এ দালাল/রাজাকার ছিলো - পরে দেকবেন দেশবাসী কি বলে) দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে থেকে রাজাকারেরা সব সুবিধা পেয়ে গেলো- ইভেন মুক্তিযোদ্বা না হয়েও এ দেশের অনেক সুবিধা নিয়ে বেছে থাকলো এবং আনন্দ ফুর্তি করে যাইতাছে এর কারন কি? তারা তো তাদের তথাকথিত পুর্ব পা কিস্তান বানানোর জন্য বা রাখার জন্য  বাংলাদেশের বিরুদ্বে যুদ্ব করলো- তারা আবার স্বাধীন বাংলাদেশে বেচেও থাকলো- সব সুযোগ সুবিধা গ্রহন করলো- অক্সিজেন নিলো, কাপড় চোপড় কিনে পড়লো- আয়োজন করে বিয়েও করলো- সন্তান হইলো নাকি ধার করে নিয়ে আসলো বা থাকতে পারলো- তাদরেকে এতো ধরনের সুবিধাটা দিলো কে? নিশ্চয়ই প্রশাসনের ভেতরে তাদের বড় সড় হাত ছিলো যাতে করে তারা তাদের সমস্ত সুবিধা আদায় করে নিতে পারলো। শুনেছি রাজাকারেরা চিরস্থায়ী জাহান্নামি - বাংগালীর অভিশাপে সেজন্য কি দুনিয়াটা/দেশটা তাদের কাছে বেহেশত হয়ে গেলো নাকি?  দালাল রাজাকারেরা তো দেশবিরোধী ছিলো এবং বাংলাদেশটাকে স্বর্গ হিসাবে ব্যবহার করে গেলো- কিন্তু তাদের প্রজন্ম কে কখনো এদেশে স্বর্গ হিসাবে থাকতে দেয়া হবে না। জয় বাংলায় যতোটুকু ক্ষমতা আছে তা দিয়ে তাদের জন্য নরক গুলজার বানাবো বা বানিয়ে রাখবো । বিশ্বে সমস্ত ধরনের গনহত্যার বিচার হয়েছে এবং বিচারে তাদের মৃত্যুদন্ড ফাসির রায় এসেছে। সব দেশেই গনহত্যার বিচার হয়- বাংলাদশেও শুরু হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের প্রজন্ম কে পালতে স্বক্ষম না কারন আমার শরীরের ভিতরে অবস্থানকারী জয় বাংলার অস্তিত্ব- সে সায় দিবে না এবং আমি পারবোও না। 

শাহবাগ গনজাগরন থেকে রাজাকারদের কে হায়েনা, কুত্তা, শুয়োর এবং রক্তচোষা প্রানীর সাথে তুলনা করা হয়েছে-   তাদেরকে চশমখোর ও বলা হয়েছে। তাদেরকে আরো বলা হয়েছে অমানুষ। সো তাদের সন্তানেরা বা বংশধরেরা আর কতোটুকু মানুষ হবে- হয়তো তারা মানুষের রুপ ধারন করতে পারবে আর চান্স পাইলেই তারা আবারো ছোবল দেবার চেষ্টা করবে। দেশটাকে আবারো পা কিস্তান বানানোর ধান্ধা করবে। মুক্তিযোদ্বাদের কথায় বলতে হয়- কথা বলি বাংলা ভাষায় - আইসা বলে পূর্ব সামথিং।  সেই সকল মুক্তিযোদ্বাদের জন্য দুনিয়া এবং আখেরাত  ২ টাই হেভেন - যারা দেশ স্বাধীন করে বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী এলাকাতে (পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ) পরিস্তার সুষ্ট সুন্দর বাতাসে বসে তার  প্রেমিকা /পাড়া প্রতিবেশীদের কথা ভাবতাছে আর নীরবে তাদের সাথে আত্মার সম্মেলনে ব্যস্ত আছে আর ভাবতাছে। তারা এই দেশ থেকে শত্রু কে খেদাইয়া দিছে এবং তারা মাথা নত করে এ দেশে ছেড়ে চলে গেছে আর মুচলেকা দিয়ে গেছে যে আর কোনদিন আসবে না বাংগালীর সাথে যুদ্ব করতে। আমি কিছু মুক্তিযোদ্বা আংকেলকে কে অনেক কাছ থেকে দেখেছি- তারা আসলেই মহান, ফেরেশতাদের মতো তাদের ভেতরটা। পরিস্কার, ধবধবে সাদা এবং শান্তির এক বিরাট আধার। দেশ স্বাধীন হবার পরে- তারা ক্লান্ত ছিলো, হয়তো তারা বিষন্ন ছিলো- তাদের আত্মীয় স্বজন কে হারিয়ে তারা হয়তো একটা কষ্টের মধ্যে পড়ে গেছিলো হয়তো তারা আধারে পড়ে গেছিলো- বেচে থাকাকে আবারো নতুন যুদ্ব হিসাবে গ্রহন করেছে এবং শাহবাগ গনজাগরনের মাধ্যমে সময় এসেছে এদেশে মুক্তিযোদ্বাদেরকে নতুন করে সম্মানিত করার জন্য। ৪৩ বছর পরে দাগ কাটা রাজাকারদের গলা কাটা ফাসি কার্যকর করার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্বাদেরকে আমরা সম্মানিত করেছি - কিন্তু আরো বড় সম্মানিত করতে পারবো যদি তাদের বুকে জমে থাকা কষ্টটাকে লাঘব করার জন্য , তাদের অসমাপ্ত কাজগুলোকে সমাপ্ত করতে দেবার মাধ্যমে বা তাদের মরে যাওয়া বন্ধুদের স্বপ্ন কে বাস্তবায়ন করার জন্য একজোট হই- পৃথিবীতে সব স্বপ্নেরই দাম আছে। সবার স্বপ্নই সত্যি হওয়া উচিত। সামনের বছর বিজয়ের ৫০ বছর পুর্তি- স্বাধীনতা এবং বিজয়ের রজত জয়ন্তী। এই রজত জয়ন্তী ক্ষনে আমি আমার এই দেশটাকে মুক্তিযোদ্বাদের পায়ের কাছে রেখে দিলাম যেনো তারা এই দেশটাকে তাদের নিজেদের মন মতো ব্যবহার করতে পারে। দেশটা তাদেরই- নিঝুম রাতে নির্ঘুম অবস্থায় কাধে রাইফেল বা বুকে ষ্টেনগান নিয়ে শাপ , ঝোপ, পোকা মাকড় কোন কিছুর পরোয়া না করে শতরুদের বিরুদ্বে অতর্কিতে ঝাপিয়ে পড়ে বিজয়কে ছিনিয়ে এনেছে। বাংলাদেশ ততোদিন বিশ্বে এ ক্লাস দেশ হতে পারবে না যতোদিন জীবিত এবং মৃত মুক্তিযোদ্বাদের সম্মিলিত স্বপ্ন কে বাস্তবাযন করার চেষ্টা শুরু না হবে। আমি সেই স্বপ্নগুলোকে খুজে ফিরে একসাথে করে বাস্তাবয়নের জণ্য অনুরোধ করবো এ দেশের সকল বাংলা মায়ের সন্তানদের এবং তাদেরকে যারা জীবনের তোয়াক্কা না করে থানা শাহবাগে একসাথে পৃথিবীর সেরা একটা রেভুল্যূশনের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্বাদেরকে আকাশ সম সম্মান দিয়ে বাংলার জয় বাংলা কে অক্ষত করে রেখেছেন । রাজাকার সে তো খালি মুখে জয় বাংলাই বলতে পারে না- এইখানে তাদের প্রজন্ম পালার কথা আসে কি করে- তাদেরকে তো জিহবা টেনে ছিড়ে ফেলা উচিত যেনো তারা কিছু না খাইতে পারে এই মুক্তিযুদ্ব ভিত্তিক স্বাধীন বাংলাদেশে। জয় বাংলার দেশে আমাদের তো হয়রত আজরাইল (আ:) এর সাথে বন্ধুত্ব করা উচিত যেনো দালাল/রাজাকরের বংশধর রা এই দেশে ঠিকমতো অক্সিজেন ও না নিতে পারে। দালাল রাজাকার দের থেকে তাদের সন্তানেরা আরো বেশী ভয়ংকর কারন তারা তাদের বাপ দাদার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখে রেখেছে - তাদের বাপ দাদারা যা এপ্লাই করে আজো অনেকখানে জীবিত আছে -আর তাদের সন্তানদের কে বাংলার বিরুদ্বে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত করে যাইতাছে। তাদের বিরুদ্বে জয় বাংলার প্রজন্মের যুদ্বটা আরো বিশদ- কারন জয় বাংলায় ভয় নাই। তাদেরকে ভয় না পেয়ে শুধু মাত্র জয় বাংলাকে সংগী করেই আপনি এ যুদ্ব জয় লাভ করতে পারবেন কারন ঐ একটাই- প্রজন্ম দালাল রাজাকার বা দেশবিরোধীরা কখনো এই দেশে খালি মুখে জয় বাংলা বলতে পারে না। আর পারলেও সেটা তার জীবন রক্ষার জন্য- এই দেশটাকে ভালোবেসে বলতে পারবে না। 

আত্মার কোন মরন নাই। আত্মা অবিনশ্বর। থানা শাহবাগ গনজাগরন থেকে বলা হয়েছে- রাজাকাররা অমানুষ। অনেক খানে দেখেছি রাজাকারদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভোটাধিকারও নাই।তাহলে তারা বাংলাদেশে বেচে আছে কি করে- তাদেরকে কারা সাহায্য করতাছে? যারা সাহায্য করতাছে তারা কি মানুষ? সব মানুষের বিচার হবে হাশরের দিনে- আর যদি দালাল রাজাকারো অমানুষ হয় তাহলে তাদের সাথে আত্মার জগতে যুদ্ব করার কিছু নাই। মুক্তিযোদ্বারাও অবিণশ্বর। দেশকে ভালোবেসে দেশের জন্য প্রান দিয়ে গেছে এবং আত্মার জগত থেকে আমাদেরকে দেখতাছেন প্রতি সেকেন্ডে। একদিন সকলেরই বিচার হবে। নিজের বুকে হাত দিয়ে প্রশ্ন করে দেখি - আমার দ্বারা এই দেশের মুক্তিযোদ্বারা কতোটুকু সম্মানিত হচ্ছেন? নাকি অজান্তেই দালাল/রাজাকার বা তাদের বংশধরদের আমরা সহায়তা করে যাইতাছি। 

অনেক রাজাকারকে বলতে শুনেছি মুক্তিযোদ্বারা ৭১ এ আজরাইলের রুপ ধরেছিলো। হয়রত আজরাইল (আ:) ভালোবেসেছিলো বলেই তারা আজরাইল (আ:) এর রুপ পেয়েছিলো সম্ভবত। তো এখনো তারা আজরাইলের (আ:) ক্ষমতা নিয়েই বসে আছে। তারা যদি চায় তাহলে দালাল রাজাকার এবং তাদের প্রজন্ম মুক্ত বাংলাদেশ গড়াটা একদিনের ব্যাপার। 

জয় বাংলাই চির ক্ষমতাবান এই বাংলার রাজত্বে। 


Saturday, May 30, 2020

একটি মানসিক অত্যাচার। আন্দোলন, সাফল্য, রাজাকারের ফাসি এবং জয় বাংলা।

[গল্পের চরিত্রের সাথে যদি কারো মিল থাকে তাহলে স্বজ্ঞানে স্বইচ্ছায় সেটাকে এভয়েড করে যাবেন এবং গল্পের সাথে আপনি নিজেকে মেলানোর চেষ্টা করবেন না। গল্পটা কাল্পনিক]

১৯৯০ সালে গনজাগরন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একটি ১০/১১ বছর বয়সের সুন্দর একটি ছেলে একটি ওরাল সেক্সুয়াল মেয়েদের গ্রুপের দ্বারা ধর্ষিত হয়। মেয়েগুলোর বয়স ছিলো ২২/২৩। এই ব্যাপারটা সেই ছেলেটার মনের মধ্যে দাগ কেটে যায়। মেয়েগুলো ছেলেটাকে পরিপূর্ন ভাবে ধর্ষন করে নাই কিন্তু ছেলেটা একটা মানসিক অশান্তিতে পড়ে যায়। সে যা চিন্তা করে মেয়েগুলো তা শুনতে পাইতো। ছেলেটা সেই বয়স থেকেই রাজাকার বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত। রাজাকার গোলাম আযম, রাজাকার দেলোয়ার হোসনে সাঈদী এবং  রাজাকার মতিউর রহমান নিজামী এর ফাসির দাবীতে সারা বাংলা উত্তাল। মারা গেছে শহীদ নূর হোসেন- যার গায়ে এবং পিঠে লিখা ছিলো- ”স্বৈরাচার নিপাত যাক, গনতন্তু মুক্তি হোক”। তৈরী হলো একাত্তারের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি- স্বেচ্চায় জয়েণ করলো সেই  ছেলেটা অল্পবয়স্ক হিসাবে। তার পরেই এই বিপদ- একদল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে ছেলেটাকে আন্দোলনের রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে একটা রুমে বন্দী করে এবং তাকে ওরাল সেক্সের মাধ্যমে সাইকোলজিক্যাল টর্চার করে। ছেলেটা ব্যাপারটা মন থেকে ভুলতে পারে না। তারপর থেকে সেই ছেলেটা একটা মানসিক সমস্যার মধ্যে পড়লো। ছেলেটা যা যা চিন্তা করে মেয়েগুলো তাই তাই শুনতে পারে- এক ধরনের রেসপন্স এর ব্যাপার স্যাপার শুরু হয়ে গেলো। একদিন ছেলেটা নিজেকে পরীক্ষা করলো এবং মনে মনে সেই মেয়েগুলোর সাথে কথা বলে দিন তারিখ ঠিক করে দেখা করলো- বাস্তবে কোন যোগাযোগ না করে। পরে দেখলো মেয়েগুলো সত্যিই সেই খানে এসে দাড়িয়ে আছে কিন্তু বাস্তবে কোন যোগাযোগ হয় নাই। কোন টেলিফোন  বা কথা বার্তা নাই। এমনিতেই ইথারনেটের মতো যোগাযোগ করে ছেলেটা মেয়েদের সামনে দাড়িয়ে ব্যাপারটা বলে দিলো যে সে একটা মানসিক অশান্তিতে আছে এবং সে এইটা এনজয় করতাছে না। মেয়েগুলো ব্যাপারটাতে সিরিয়াসলি নিলো এবং কিছুটা হতচকিতও হয়ে গেলো। ভাবলো ছেলেটা যেহেতু সরাসরি জিজ্ঞাসা করলো সেহেতু সরাসরি উত্তর দেয়াই ভালো। কিন্ত ছেলেটা যখন বললো যে সে ব্যাপারটা এনজয় করতাছে না- তখন মেয়েগুলো হতচকিত হয়ে গেলো। অসম বয়সী একটা সম্পর্ক আনফিনিশড অবস্থায় থেকে গেলো- হয়তো মেয়েগুলো ভেবেছিলো ছেলেটার সাথে তারা সেক্স করবে। তাদের সে কাজটা আনফিনিশড থাকার কারনে দুই জনেই অসম্পূর্ন একটা সম্পর্কে পড়ে গেলো। তারপরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো। ১৯৯২ সালে মারা গেলো শহীদ জননী জাহানার ইমাম

রাজাকারের ফাসির দাবীতে আন্দোলন স্তিমিত হয়ে গেলো অনেকটা। ২০০১ সালের দিকে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের জগতে প্রবেশ করার পরে ছেলেটার মনের মধ্যে জমে থাকা ইচ্চাটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো। সে মেয়েটাকে ইন্টারনেটে খুজে বের করার চেষ্টা কলেো কিন্তু কোন হদিস পাইলো না। ছেলেটার যতোটুকু মনে হলো মেয়েটা বিয়ে শাদী করে তার জামাইকে নিয়ে দেশের বাহিরে চলে গেছে। তাই আর সেদিকে না এগিয়ে অণ্য আরেকটা অসম্পূর্ন কাজের ব্যাপারে (দালাল রাজাকারের ফাসি) - সেই ব্যাপারে সারা বিশ্বে বাঙালী প্রজন্ম কে এক করার চেষ্টা করলো এবং সম্মতি আদায় করতে থাকলো। সকলেই সম্মতি দিলো। টানা ১০/১১ বছর সম্পতি আদায় করার পরে হঠাৎ এরই মধ্যে একদিন শাহবাগ গনজাগরনের আন্দোলনের ডাক পড়লো। ছেলেটা যেইখানে পূর্ববর্তী গনজাগরনের সাইকোলজ্যিকাল টর্চারের খপ্পড়ে পড়েছিলো- সে সেখানেই থাকলো এবং সারা দেশের মানুষকে সংগঠিত করার পেছনে সময় ব্যয় করতে থাকলো। শাহবাগ গনজাগরনের তুমুল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রাজাকারের ফাসির দাবীতে সমস্ত শক্তি ব্যয় করা হলো এবং পরিশেষে প্রথম ফাসি কসাই কাদেরের ফাসি কার্যকর করা হলো। সেই ১৯৯২ সোলে জাহানার ইমাম মারা যাবার পর থেকে এই ২০১৩ সাল পর্যন্ত ছেলেটা সেই সাইকোলজিক্যাল সমস্যায় পড়ে নাই- মানে ছেলেটা যা ভাবতো বা চিন্তা করতো মেয়েটা তা শুনতে পারতো না। এর মাঝে ছেলেটার আবারো সেই আধা ভৌতিক টাইপের সমস্যাটা শুরু হলো (ছেলেটা যখন একা থাকে তখন এই ব্যাপারটা হয় কিন্তু যখন অনেক মানুষের সাথে থাক তখন এই ব্যাপারটা আর কাজ করে না)- ছেলেটা যা চিন্তা করে মেয়েটা শুনতে পারে এবং কিন্তু বিবাহতিা হবার কারনে রেসপন্স করে না। এখন তো ছেলেটা মনে মনে ভাবতাছে কি পাগলই হয়ে গেলো নাকি? মাঝে মাঝে একা একাও কথা বলতো নেশা পানি খেয়ে। কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করলো যে এইটা কি কোন সমস্যা? সকলেই উত্তর দিলো যে না এইটা কোন সমস্যা না। তোর মাঝে কোন পাগলামি আছে কিনা? তো ছেলেটা বললো যে না কোন পাগলামি নাই? তাহলে অনেকেই বললো যে একা একা কথা বলাটা কোন পাগলের লক্ষন না। এইটা মানসিক কিংবা শারিরিক যন্ত্রনা থেকে ও হইতে পারে। তারপরেও ছেলেটা কয়েকজনকে পরীক্ষা করতে বললো- তো বলতাছে না কোন সমস্যা নাই। ছেলেটার মনের খচখচানি আর যায় না- সে চিন্তা করতে লোগলো কেনো মেয়েটা তার কথা শুনবে (সর্বশেষ মেয়েটা ছেলেটার কাছ থেকে অনকে তথ্য নিছে- ছেলেটার কয়টা গার্ল ফ্রেন্ড আচে- সে কয়টা গার্ল ফেন্ডের সাথে শারিরীক সম্পর্কে  লিপ্ত হেইছে, সেই মেয়েটার কথা মনে পড়ে কিনা)  তার কি নিজস্ব কোন জগত নাই ? নিজস্ব কোন স্বাধীনতা নাই ? তার মনের জগতে অপর আরকেজন মানুষ কেনো বিচরন করবে? তার আগেও ১৯৮৬/৮৭ সালে আরো ২ টা মেয়ে কর্তৃক ছেলেটা অরালি এবং সাইকোলজিক্যালি টর্চার হয়েছিলো। ১৯৯২ সালে রাজাকারের ফাসির আন্দোলন শুরু হবার পরে এবং ২০০১ সালে পুনারয় সংঘটিত হবার আগে পর্যন্ত ছেলেটার মনের ভেতরে যে পরিকল্পনাটা ঘুর খাইতো সেই পরিকল্পনাগুলো তারা ক্যাচ করতো ফলে কোন ভাবেই রাজাকারের ফাসি কার্যকর করা যাইতছিলো না। ১৯৮৬/৮৭ সালে যে টর্চার সেটা ছিলো জামাত শিবির পন্থীদের টর্চার। আর ১৯৯১/৯২ সালে যে টর্চার সেটা ছিলো মুক্তমনা মেয়েদের টর্চার। ১৯৮৬ -১৯৯২ ছিলো ছেলেটার জন্য কারন আইডেন্টিফিকেশন, আর ১৯৯২ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ছিলো ছেলেটা সারা দেশে গোপনে সংগঠিত হবার প্রেরনায়- যে আবারো দাড়াতে পারলে নিশ্চিত রাজাকারের ফাসি হবে এবং হয়েছেও তাই। 

কসাই কাদেরের ফাসি কার্যকর হবার পর থেকে এবং নিয়মিত ফাসির রায় কার্যকর করার প্রেক্ষিতে ছেলেটা মনে মনে সুখী হইতে লাগলো কারন তার অনেকদিনের স্বপ্ন বাস্তবয়ান হইতাছে- রাজাকারদের ফাসি হইতাছে। সেই আগেকার অত্যাচারের প্রেক্ষাপটে ছেলেটা খুবই ভালো একজন মনোরোগ বিশেষেজ্ঞের সাহায্য নিলো এবং ক্লোজ ডোর মিটিং এ সব কথা খুলে বললো তো ডাক্তার এক বছরের জন্য ঔষুধ দিলো এবং বললো- তেমন কোন সমস্যা নাই। সেই ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিরাতে ঠিকমতো না ঘুমানেরা জন্য মনের মধ্যে একটা প্রেশার তৈরী হয়েছে -যার ফলস্বরুপ মাঝে ামঝে স্পেস পাইলে তুম একা একা কথা বলো বা মনের মাঝে অন্য কারো কথা শুনতে পাও- এটাকে তুমি হেলুসিনেসন হিসাবে ধরে নাও, আর ছেরেটাও পূর্ব থেকে এরকমই ভাবতো। আর এখন তো মানুস ইউটিউবে বা ফেসবুকে বা যে কোন সোশাল  মিডিয়াতে ক্যামেররা সমানে দাড়িয়ে একা একা কথা বলে, (একা একা অনেকেই মুকাভিনয়ও করে),  যাদেরকে আমার সোশাল মিডিয়া কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বলে থাক। ছেলেটা প্রথম দিন থেকেই ইন্টারনেট এর সাথে জড়িত এবং বুঝতে পারলো তার অনেক দিনের ইচ্চা পুরন করার জন্য এই ধরনের একটা ঝামেলার মধ্যে সে পড়েছিলো। 

টানা ১ বছর ডাক্তারের দেয়া  ঔষুধ খেয়ে ছেলেটা এখন ৯৯.৯০% ভালো এবং ধীরে ধীরে তার স্বাস্থ্য অনকে অনেক ভালো হয়েছে। একবার ঘুমালে টানা ১২ ঘন্টা ঘুমাতে পারে এবং ধীরে ধীরে সে নিজেকে আত্মস্থ করে নিতে পেরেছে।  এখন স্বল্প আকারে মাঝে মাঝে একা থাকলে বা বদ্ধ রুমে থাকলে একাকি আনমনে কথা বলে উঠে ৯ানেকটা কবিতা বা গল্প রচনা করার মতো) আর যদি কেউ থাকে তাহলে মনে মনে ভাবে - যাই ভাবার তাই যাই আসে অটোমেটিক মনের মধ্যে- তাই?

ছেলেটা একটা পর্যায়ে ভাবতেছিলো রাজাকারদের পরিকল্পনা কতো ডেন্জারাস ছিলো যে জয় বাংলা বলতে পারা ছোট্ট শিশুটা র মনের মধ্যে সাইকোলজিক্যাল প্রেশার তৈরী করে রাজাকারের ফাসির আন্দোলন বানচাল করতে যাইয়া আজকে তারা প্রতিদিনিই ফাসি নিতাছে। আরো ১১ হাজার রাজাাকরের তালিকা  প্রকাশমান - সারা দেশের তালিকাগ্রস্থ রাজাকারের ফাসির দাবীতে অপেক্ষমান এখনো সেই ছেলেটা। আশা করে দেশবাসী সকল রাজাাকরের ফাসি সম্পূর্ন করে নতুন করে একটি নতুন বাংলাদেশ তৈরী বা রচনা করবে যেখানে কোন মানুষ কোন ধরনের কষ্ট পাবে না। ছেলেটা স্পষ্টত বুঝতে পেরেছে ১৯৮৬/৮৭ সালে সংঘটিত জামাত শিবিরের ২ টা মেয়ে কর্তৃক অরাল টর্চার থেকে পুরোপুরি শান্তি মিলবে  এই দেশে র সকলা রাজাকার - তালিকাগ্রস্থ সহ এর ফাসি কার্যকর হবার মধ্য দিয়ে? 

এই পুরোটা আন্দোলনে েছেলেটার মনের মধ্যে থেকে সাহস শক্তি যুগয়েছে যে মেয়ে সে একজন সমবয়সী সোনালী চুলের বিদেশীনি যাকে ছেরেটা ছোটবেলা থেকেই ভালোবাসে। সেই মেয়েটাও এই আন্দোলনের শরীক ছিলো - যে গল্প হবে আরেকদিন?

পরিশেষে: জয় বাংলা একটা প্রানের ভাষা যা কোন ধরনের শারিরীক মানসিক প্রেশার তৈরী করা ছাড়ােই এমনিতেই অটোমেটিক বের হয়ে আসে।

Translate