Showing posts with label মাষ্টারকার্ড. Show all posts
Showing posts with label মাষ্টারকার্ড. Show all posts

Friday, October 2, 2020

পাইওনিয়ার- এক ধরনের আইডি কার্ড ফ্রি ল্যান্সারদের জন্য।

বাংলাদেশের ইন্টারনেট, ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস জগতের সাথে যারাই জড়িত আছে তারে কাছে পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড এক ধরনের পরিচয়পত্রের মতো। যার কাছে পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড আছে তারা নিজেদেরেকে জায়গায় বা বে জায়গায় ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে পরিচয় দিতে কুন্ঠাবোধ করে না। কারন তারা জানে যে- একটা আমেরিকান কোম্পানীর দেয়া পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড এ নিজের নাম খোদাই করে থাকা এবং কখনো কোথাও ভেরিফকেশন হলে সেটা দেখানো বা প্রদর্শন করা- আমাদের দেশের ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেসের জগতে অনেক বড় সড় স্মার্টনেস। 


যারা হ্যাকার তারা নিজদেরকে লুকাইয়া রাখে। তারা কখনো নিজেদের চোহার প্রদর্শন করতে পছন্দ করে না। এমন কি তারা প্রকাশ্য দিবালোকে নিজের  নাম ও উচ্চারন করতে পারে না। বাংলাদেশে এমন কোন হেডম নাই যে প্রকাশ্য দিবালোকে সবার সামনে আইসা দাড়াইয়া বলবে মুখ দিয়ে বা লিপস দিয়ে সাউন্ড করে বলবে যে - সে হ্যাকার। কারন যে বা যারা হ্যাকার তারা জানে যে- বলা মাত্রই তাদেরকে চলে যাইতে হবে শ্রী ঘরে (জেলখানাতে) । যদি রাষ্ট্রীয় সেনসিটিভ লেভেলের হ্যাকার হয়ে থাকে তাহলে রাষ্ট্র তাকে ফাসি দিতে ও কুন্ঠাবোধ করবে না। যেমন ধরেন  :(যদি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকার। যদি কেউ বাংলাদেশে বসে থেকে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাক করে যায় -আর তাকে যদি আইন বা পুলিশ ধরতে পারে তাহলে তার নিশ্চিত ফাসি বা ক্রস ফায়ার হবে কারন বাংলাদেশ ব্যাংক গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্পদ। সারা দেশের ১১ কোটি ভোটারের হক আছে সেখানে। সব মানুষের হক সম্বলিত কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাংক যদি কেউ হ্যাক করে থাকে আর টিভি ক্যামেরা বা সাংবাদিক দের সামনে আইসা বলতে পারে তাহলে দেখবেন সাথে সাথে সে ক্রসফায়ারের স্বীকার হবে রাষ্ট্রের আইন বা পুলিশের মাধ্যমে। মৃত্যূই হবে তার একমাত্র শাস্তি। এই ঘটনার মাধ্যমে বলতে চাইতাছি যে- হ্যাকারদের কোন আইডেন্টিফিকেশন থাকে না। ঠিক যেমনটা আমাদের দেশের চোরদের হয়। চোরেরা চুরি করার পরে তাদের কোন চিহ্ন বা প্রমান রাখতে চায় না। তেমনি হ্যাকার রা হ্যাক করার পরে তাদের কোন চিহ্ন রাখতে চায় না। 


কিন্ত মার্কেটপ্লেস জগতে ফ্রি ল্যান্সার রা সবসময় একটা আইডি নিয়ে চলে। যেমন: আমার যদি ওডেস্কে/এসইওক্লার্কে একাউন্ট থাকে তাহলে ওডেস্ক/SEOClerk প্রোফাইল লিংক ই আমার আই ডি। আবার ২০০২-২০১১ সাল পর্যন্ত অনেক কে দেখেছি ওডেস্কের/ইল্যান্সের/ফ্রিল্যান্সার ডট কমের ট্রানজেকশন রেকর্ড পেনড্রাইভে করে নিয়ে ঘুরে বেড়াতো। যখন জিজ্ঞাসা করা হতো - তখন পকেট থেকে পেনড্রাইভ বের করে পুলিশকে দেখানো হতো। বাংলাদেশে এতো সহজে ফ্রি ল্যান্সার বা আউটসোর্সিং ইন্ড্রাষ্ট্রিজ তৈরী হয় নাই। অনেক অনেক ছেলে পেলে দেরকে তাদের উপার্জিত ডলার থেকে বাংলাদেশী লোকাল পুলিশদেরকে বসাইয়া চা সিগারেট খাওয়ানো সহ - তাদেরকে বোঝানো হয়েছে যে - ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস কি এবং বাংলাদেশীরা সেখানে কিভাবে কাজ করে? তাদের মধ্যে বলতে গেলে রেমিটেন্স আনার আগে পর্যন্ত আমার যথেষ্ট পরিমান কষ্ট হয়েছে। কারন আমার প্রথম রেমিটেন্স আসে বোধ করি ২০০৭/২০০৮ সালের দিকে। তার আগে পর্যন্ত আমার পাইওনিয়ার কার্ড রিসিভ করতে পারি নাই। পাইওনিয়ার একাউন্ট আছে কিন্তু কার্ড বার বার ই সেন্ড করতাছে কিন্তু বাংলাদেশের পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে পাইতেছিলাম না। রেমিটেন্স আসার পরে আর সেটা নিয়ে ভাবতে হতো না। কারন বাংলাদেশ সরকার জানতো কারা কারা রেমিটেন্স আনতো? রেমিটেন্স আনার পরে ও অনেকদিন কার্ড পাই নাই এর মধ্যে পাইওনিয়ার কার্ড একাউন্ট থেকে পাইওনিয়ার ব্যাংক একাউন্ট হয়েছে। বাংলাদেশে তথা বিশ্বের সকল দেশের সকল ব্যাংকের সাথে তাদের কানেকশন বা কম্যুনিকেশন হয়েছে এবং পাইওনিয়ারে প্রায় ১৫ বার সেন্ড করার পরে ২০১৮ সালে আমি আমার নিজের বাসার  ঠিকানাতে ডিএইচ এল এর মাধ্যমে কার্ড রিসিভ করেছি যাকে  ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয়পত্র বলা হয়ে থাকে। এখন রেমিটেন্স একাউন্ট থাকলে আর পাইওনিয়ার কার্ডের কি দরকার- পাইওনিয়ার তো এখন ব্যাংক একাউন্ট ই প্রোভাইড করতাছে। আর যারা পাইওনিয়ারের সাথে লোকাল ব্যাংক একাউন্ট ওপেন করেছে তাদের একাউন্ট অলওয়েজ একটিভ থাকবে আবার পলিসি না বদলানো পর্যন্ত। 


ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ন ওযেবসাইট। সকল মার্কেটপ্লেস চলতাছে এক রকম ভাবে আর একটি নির্দিষ্ট মার্কেটপ্লেস আলাদা নিয়ম নিয়ে চলতাছে যা একটি ষ্টক এক্সচেন্জের সাথে লিপিবদ্ব। ষ্টক এক্সচেন্জ থেকে যে ডলার বাংলাদেশে এড হবে তা নিশ্চয়ই ফ্রি ল্যান্সার দের রেমিটেন্স বা মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স হিসাবে বিবেচিত হবে না। মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স এর হিসাব বা ভ্যালূ টা ভিন্ন। ২০১১ সালের আগে একদিন ইন্টারনটে এক আমেরিকান বায়ারের সাথে কথা বলতেছিলাম। বোধ করি ২০০৬/২০০৭ সাল হবে। উনি আমাকে স্পষ্টত এবং ক্লিয়ারলি বললেন : ষ্টক এক্সচেন্জে রিলেটেড ওয়েবসাইট এবং মার্কেটপ্লেস সম্পূর্ন  ভিন্ন। ষ্টক এক্সচেন্জে যারা কাজ করে তাদেরকে ট্রেডার বা ব্রোকার বা ব্রোকারেজ হাউজ বলা হয়। এইখানে ষ্টক এক্সচেন্জে অনেকে মুদ্রা ইনভেষ্ট করে লাভবান হয় আবার অনেকে ব্রেইন ইনভেষ্ট করে লাভবান হয়। আমার কোন কাজের মাধ্যমে যদি ষ্টক এক্সচেন্জ লাভবান হয় তাহলে সেটাকে শেয়ার ব্যবসা বলা হবে আর যারা পার্টিসিপেট করবে বা কন্টেন্ট শেয়ার করবে বা আরো লোকজনকে ডেকে আনবে বা আরো ডলার উপার্জন করার চেষ্টা করবে তাদেরকে সকলকেই ষ্টক এক্সচেন্জ ট্রেডার/ব্রোকার/ব্রোকারেজ হাউজ বলা হবে। আর শুধুমাত্র ব্রেইন সেল করে বা মেধার প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট এক বা একাধিক ওয়েবসাইটের কাজের মাধ্যমে( মার্কেটপ্লেস) যে ডলার এক দেশের সরকারের অনুমতি প্রাপ্ত কোম্পানীর কাছে থেকে আরেক দেশের সরকারের কাছে আইসা সুইফট ট্রানজেকশনের মাধ্যমে সরকারের কাছে জমা হবে সেটাকেই  এখানে রেমিটেন্স  বলা হবে। আমদানী রপ্তানীর ক্ষেত্রে রেমিটেন্স খুব ভালো ভুমিকা পালন করে থাকে। সেই আমেরিকান ভদ্রলোককে দেখলাম যে- (ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের ক্ষেত্রে)  উনি ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফারকেও  রেমিটেন্স বলতে নারাজ (আমেরিকান লোক আমেরিকার ব্যাংকে দাড়িয়ে আমেরিকান ডলারে বাংলাদেশে ব্যাংকে ডলরা সেন্ড করবে সেটাকেও উনি রেমিটেন্স বলে নাই- বলেছেন ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার)  ।  শুধুমাত্র পাইওনিয়ার বা ওডেস্ক বা ইল্যান্স  বা এসইওক্লার্ক (এসইওক্লার্ক এর নিজস্ব ব্যাংক থাকাতে তারাে কোন ধরনের সরাসরি ব্যাংকে উইথড্র এলাও করে না। এইওক্লার্ক এর নিজ্স্ব ব্যাংকের নাম পেল্যুশন। এরকম কোম্পানীগুলো যারা আমেরিকান বা ইউরোপিয়ার সরকারের সাথে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের নামে রেজিষ্ট্রেশনকৃত - শুধু তারা কর্তৃক প্রদেয় অর্থকেই ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জিত রেমিটেন্স বলতাছেন। যে সকল ক্যাটাগরি বাংলাদেশে রেমিটেন্স এনে থাকে: 

  • বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিক
  • বিদেশে অবস্থানরত  দ্বৈত নাগরিক
  • আমদানী রপ্তানী বানিজ্য থেকে লাভ
  • গার্মেন্টস থেকে উপার্জিত অর্থ
  • ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জিত অর্থ
যে ষ্টক এক্সচেন্জ রিলেটেড মার্কেটপ্লেসর টাইপের ওয়েবসাইটের কথা বললাম সেখানে আমি একটা ট্রানজেকশন করেছিলাম বাংলাদেশের আরেকজন ফ্রি ল্যান্সারের সাথে। সে আমাকে ৮০ ডলার পে করে একটা কাজের জন্য অত্র ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। সেটা আমার একাউন্টে আইসা এড হয় ৭২ ডলার হিসাবে সকল চার্জ কাটার পরে। তারপরে সেটা রেগুলার রেটে বাংলাদেশ ব্যাংকে উইথড্র করা হয়। যখন উইথড্র রিক্যুয়েষ্ট করা হয় তখন একটা প্রাইজ দেখানো হয়। কিন্তু যখন ট্রানজেকশন কে ডিক্লাইন করা হয় তখন তাদের ওয়েবসাইটের শেয়ারের দাম কম থাকাতে সেটা আমার সাইটে আমার জন্য ৫ ডলার লস হিসাবে দেখায়। পরে আমি বূঝতে পারি যে- যে ষ্টক এক্সচেন্জের সাথে এই ওয়েবসাইট টা জড়িত সেই ওয়েবসাইট থেকে আমোকে চার্জ কেটে নিলো। পরে আমার এই ট্রানজেকশন মানি টা বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সারের কাছে ফেরত যায় এবং বিনা কারনে আমার কাছ থেকে প্রথমত ১ ডলার এবং পরে আরো ৫ ডলার কেটে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকটা বাংলাদেশের টেলিফোন বা গ্যাসের বা বিদ্যুতের ভৌতিক বিলের মতো। আমার কাছে টোটাল প্রমান এবং ভিডিও রেকর্ড করে রাখা আছে। পরে আমি সেই ওয়েবসাইট থেকে আমার একাউন্টও  ডিলেট  করে ফেলি। 

বাংলাদেশে যারা প্রথম দিকের ফ্রি ল্যান্সার - যারা প্রথম দিন থেকে রেমিটেন্স আনতাছে তাদের অনেকেই এখন খারাপ অবস্থায় আছে।সে একসময় দেশের জন্য রেমিটেন্স এনেছে। তার এক সময় সারারাত জেগে থাকার যে পরিশ্রম বা কাজ করাটা - সেটা ঘুনে ধরা বংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় ধীরে ধীরে ইন্টারনটে কে প্রতিষ্টিত করতে সাহায্য করেছে। বর্তমানে ইন্টারনটে ছাড়া কোন শিক্ষিত মানুষকে কল্পনাও করা যায় না। সে সময়ে বা অসময়ে এই ইন্টারনটে বা ব্যবহার করবেই। যাদের কারনে এই রেমিটেন্স ইন্ডাষ্ট্রিজ কে গড়ে তোলা হয়েছে তাদেরকে আগে সম্মানিত করতে হবে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা থেকে। তাই গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব রা যে ফ্রি ল্যান্সার ডাটাবেজ তৈরী করার উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাহায্য নিয়ে- সেখানে একজন মানুষকে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগতে ততোটাই মূল্যায়ন করার দাবী জানাই যতো আগে সে রেমিটেন্স এনেছে। কারন যতো আগে বাংলাদেশ সরকারের সাথে রেমিটেন্স এনেছে তার ততো হাড় ভাংগা- মাজা ভাংগা পরিশ্রম হয়েছে। ইন্টারনটে বাংলাদেশ কে প্রতিষ্টিত করা এবং  বাংলাদেশের সমাজের ও সকল খারাপ কে ভেংগে চুরে ইন্টারনেটের আলোকে ফুটিয়ে তোলা। হয়তো অনেকেই এখন কুপোকাত হয়ে আছে। অনেকেই অনেক খানে অনেক কষ্টে আছে। তাদেরকে মূল্যায়ণ করার সময়ে এসেছে। যে কোন ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগত থেকে যে ডলার রেমিটেন্স হিসাবে এড হয়েছে সে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের ওয়ার্কারকে আগে যে সকল লোন সুবিধার কথা বলা হইতাছে স্বল্প সুদে বা বিনা সুদে ( জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়ি)  তাদেরকে আগে মূল্যায়ন করাে হোক এইটাই দাবী। যারা ষ্টক এক্সচেন্জ রিলেটেড ওয়েবসাইট থেকে ডলার এনে বাংলাদেশ সরকারের কাছে এড করতাছেন তারা ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগতে রেমিটেন্স আনতাছেন না -তারা অন্য আরেক ক্যাটাগরিতে রেমিটেন্স আনতাছেন। ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স বলতে তাদেরকে বোঝানো হবে যারা ইউরোপ এবং আমেরিকার সরকারদের কাছে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের কোম্পানী হিসাবে নথিভুক্ত আছে। আপনি  ষ্টক এক্সচেন্জের সাতে জড়িত মার্কেটপ্লেস কে  রেমিটেন্স বললেও বোধ করি বিশ্বের সেরা সেরা জার্নাল বা ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগতের বিভিন্ন ধরনের কোম্পানী তাদেরকে সেটা বলবে না। কারন সে ওয়েবসাইট টি একটি দেশের সরকারের কাছে ষ্টক এক্সচেন্জ রিলেটেড ওয়েবসাইট হিসাবে নিবন্ধিত। এখন সেই দেশ থেকে যদি ডলার সেন্ড করে তাহলেই তো সেটা আর ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স হবে না। ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স হবার প্রধান শর্ত হইতাছে- যারা ডলার সেন্ড করবে তারা ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগতে ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান সরকারের ডাটাবেজে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের কোম্পানী হিসাবে নিবন্বিত থাকবে।এরকম কোম্পানীল পাঠানো অর্থকে ফ্রি ল্যান্সার/আউটসোর্সার/ মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স বলা হবে। 

২০১১ সালের পর থেকে অনেক কিছুই পাল্টে গেছে। এখন যে কাউকে লাম ছাম বুঝাইয়া ফেলালেও যারা পুরাতন বা অনেক আগে থেকে কাজ করতাছে তাদেরকে তো আর লাম ছাম বুঝাইয়া কোন লাভ নাই। 




Friday, September 25, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। বাংলাদেশে কি কি ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং?

 কি কি ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস আছে বাংলাদেশে -

যখন প্রথম প্রথম কাজ শুরু করি  ফ্রি ল্যান্সার রিলেডেট মার্কেটপ্লেসে- তখন প্রথম আমরা যে জিনিসটার অভাব বোধ করি তা হইতাছে ডলার রিসিভ করা এবং পারস্পরিক সেন্ড মানি এবং রিসিভ মানি - যে কোন ব্যাংক বা যে কোন মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে। তখন কোনো উপায় না পেয়ে বাস্তবে পারস্পরিক লেনাদেনা করতে হতো বা এস এ পরিবহনে টাকা পয়সা লেনাদেনা করতে হতো নির্দিষ্ট টাকার বা চার্জের বিনিময়ে। মোবাইলের কল চার্জ ছিলো ৭ টাকা মিনিট। আমি রবি ব্যবহার করতাম তখন চার্জ ছিলো; ৬.৯০ পয়সা পার মিনিট। তারপরেও হাজার হাজার ছেলে পেলে হাজার হাজার টাকা খরচ করে মোবাইলে কথা বলতো এই ফ্রি ল্যানসার এবং আউটসোর্সিং ইন্ডাষ্ট্রিজ কে প্রতিষ্টিত করার জন্য। ২০০২ সাল থেকে শুরু হওয়া ষ্ট্রাগলে সরকারি সহযোগিতা আসে ২০১১ সালের (কায়রো গনজাগরনের সময়কালে- যতোদূর শুনেছি কায়রো গনজাগরনের সরাসরি নির্দেশ ছিলো বাংলাদেশের ফ্রি ল্রান্সারদের সাহায্য করা অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য) দিকে। তার আগে পর্যন্ত ফ্রি ল্যান্সার রা সরকারের চরম অবহেলার স্বীকার থাকে। কোন ভাবেই সরকারের কোন মন্ত্রনালয়ের তেমন কোন সহযোগিতা পাওয়া যাইতো না। অনেক কষ্ট করে শুধু ইন্টারনেট ম্যানেজ করেই চলতে হতো। ইন্টারনেট যেখানে থাকতো সেখানে ফ্রি ল্যান্সারদের আড্ড বসতো। আজকে যারা নিজেদেরকে ফ্রি ল্যান্সার জগতের হেডম বলে ঘোষণা করে - তারা মনে হয় ২০০২-২০১১ সাল পর্যন্ত নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতো আর বিছানায় প্রস্রাব করতো। একসময় এই ইন্ডাষ্ট্রিজ  এষ্টাবলিশ হবে আর সারা দেশের সকল ছেলে মেয়েরা কাজ করবে বা ডলার উপার্জন করবে এইটা ছিলো প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশী শিক্ষিত জগতের স্বপ্ন। আজকে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে অনেকটা। এস এ পরিবহনের মাধ্যমে একজন আরেকজন কে খরচের টাকা পাঠাতো বা ইন্টারনেটের বিল পাঠাতো বা মোবাইলের খরচ পাঠাতো এক জেলা থেকে আরেক জেলা তে। সরকারি দিনে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সেই টাকা পাওয়া যাইতো আর ছুটির দিন হলে ২/৩ দিন দেরী হতো। প্রথমে এস এ পরিবহনের লোকাল অফিস থেকে কল দেয়া হতো। তারপরে বাসা থেকে বের হয়ে সেই টাকা যদি কোথাও ডলার বেচা হয়ে থাকে - তাহলে সেটা তুলে আনতাম। মানে আমি কখনো কারো কাছ থেকে এস এ পরিবহনে ডলার বেচার টাকা ছাড়া অন্য কোন টাকা রিসিভ করি নাই (আরো ছিলো সাথে সুন্দরবন কুরিয়ার)। তখন বসে বসে ভাবতাম - হাতে মোবাইল আছে কিন্তু ব্যাংক নাই। তখনো ডাচ বাংলা ব্যাংক চালু ছিলো। কিন্তু অনেক খরচ স্বাপেক্ষ ব্যাপার ছিলো। আরো একটা উপায় ছিলো- মোবাইলের ফ্লেক্সি কার্ডের নাম্বার। ধরেন একজনের কাছ থেকে ১০ ডলার কিনলাম। তাকে টাকা দিতে হবে ৭০০। তখন ডলারের রেট ছিলো ৭০ টাকা করে। এখন তাকে পেমেন্ট দেবার জন্য তাকে মোবাইলের কার্ড নাম্বার কিনে দিতাম। মোবাইলের দোকানে যাইয়া ৩০০ টাাকর ২ টা কার্ড আর ১০০ টাকার ১ টা কার্ড কিনে আনলাম। তারপরে সেই কার্ড ঘষে যে নাম্বার যাকে রিচার্জের নাম্বার বলা হতো - সেটা স্কাইপে বা ইমেইলে বা মোবাইলের ম্যাসেজের মাধ্যমে তা সেন্ড করা হতো একজন আরকেজনকে। ফলে পেমেন্ট হয়ে যাইতো। অনেক ভাবে চেষ্টা করেও তখন সরকারি লোকজনের কোন টনক নড়ানো যায় নাই্। আর এখন যখন কিছু কিছু  লোকজন সাথে ঠ্যাটা রাজনীতিবিদ দের যখন এই ব্যাপারে কথা বলতে দেখি তখন অনেক সময় গলা ভরে বমি বের হয়ে আসতে চায় যে- যে লোক এক ডলারও উপার্জন করতে পারে নাই সে হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে বড় বড় কথা বলতে দ্বিধাবোধ করে না। তারা বোধ হয় ভুলে যায় যে- ফ্রিল্যান্সার টা লোকাল কোন ব্যাপার না। এইটা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাপার। এইখানে  রেমিটেন্স কে ক্যাশ করা হয়। একসময় মোবাইল ব্যাংক নিয়ে ভাবতাম আর আজকে মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি মোবাইল ব্যাংকে ক্যাশ উইথড্র করতে পারে মার্কেটপ্লেসের ফ্রি ল্যান্সার রা। তবে মাঝে মাঝে প্রশ্ন ও জাগে যে- ঠিক কিভাবে মোবাইল ব্যাংকিং এর সাথে মার্কেটপ্লেসের এপিআইকে কাজ করানো হলো। আমরা যখন আগে দেখেছি ফ্রি ল্যান্সার বা ওডেস্ক সহ অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে যে- ইটিএস ETS or SWIFT মেথডে বাংলাদেশ ব্যাংক কে এড করাতেই বহুত বেগ পাইতে হইছে। বহুত বেগ। ধরতে গেলে খেয়ে না খেয়ে টানা ৫/৬ বছর খাটতে হয়েছে। আর যারা খেটেছে তারা মে বি আজকে বহুত শান্তি পাইতাছে যখন সারা দেশের অনেক অনেক ছেলে মেয়েরা ডলার উপার্জন করতাছে। হয়তো আপনি একটা শান্তি পাইতাছেন কিন্তু আমি একটা অশান্তিতে থাকি প্রায়শই যখন শুনি যে- রেমিটেন্স হ্যাকের ব্যাপারে এফবি আই এর তদন্ত চলতাছে (আমি ব্যক্তিগতভাবে খখনো কোন হ্যাক কির নাই বা পারিও না এইটা)। ২০০২- থেকে আজ পর্যন্ত যতো ফ্রি ল্যান্সার যতো ডলার  এনেছে বৈধ ভাবে  তারা সকলেই রেমিটেন্স উপার্জন করেছে বা দেশের জন্য সুনাম এনেছে। আপনি ঠিক তখনই এই সেক্টরে মাথা খাটাতে পারবেন যখন আপনি নিজেও ১/২ ডলার রেমিটেন্স আনতে পারবেন। অনেকের মার্কেটপ্লেস একাউন্ট হ্যাক হতে পারে - তাদের ফুল ডিটেইলস ও পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে কিন্তু তাদের নামে আসা রেমিটেন্স এর রেকর্ড কে তো আর পরিবর্তন করতে পারবেন না। যদি বাংলাদেশে হ্যাকিং এর জোড়ে তা পরিবর্তন করতে স্বক্ষম হোন তাহলে সেটা বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকেও পাওয়া যাবে। আর যদি বিশ্ব ব্যাংক ও আপনাকে ডাটা না দেয় তাহলে আমেরিকান ব্যাংক একাউন্ট - যে ব্যাংক আপনার নামে রেমিটেন্স ইস্যু করেছে সেখানে আপনার নাম, ফুল ডিটেইলস এবং একটা ট্রানজেকশন নাম্বার রেকর্ড করে রেখেছে- যাতে দুই দেশের যে কোন কাজে সেটা ব্যবহার করতে পারে। ডলার তো আমেরিকার নিজস্ব মুদ্রা। সেটা সারা বিশ্বের সবাই ব্যবহার করে যেটা আমেরিকার নিজস্ব ক্ষমতা। আর সেই ক্ষমতা ভাংগার মতো ক্ষমতা এখনো অন্য কারো তৈরী হয় নাই। যদি কেউ সেটা ভাংতে পারে বলে ধারনা করা হইতাছে- সেটা হইতাছে বিটকয়েন- যা ইতোমধ্যে ডলার হিসাবে নিজেকে দেখায়। তাই ফ্রি ল্যান্সার ইন্ডাষ্ট্রিজ এর প্রথম দিন থেকেই যারা বাংলাদেশে রেমিটেন্সে এনেছে সেই দিন থেকে যারা রেমিটন্সে এক্সচেন্জ করেছে ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস রিলেটেড কোম্পানী থেকে- তারা সবাই ফ্রি ল্যান্সার (যেমন, ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফিভার, নাইনটিনাইন ডিজাইন- আপওয়ার্ক তো এসেছে মাত্র ৫ বছর)।তবে ঠিক কিভাবে আপওয়ার্ক থেকে মোবাইল ব্যাংক বিকাশ বা রকেটে টাকা ট্রান্সফার হয় ব্যাপারটা আমার কাছে ক্লিয়ার না (আমি বাইনারি (০ এবং ১ প্রোগ্রামিং কোডিং বা ক্যালকুলেশন, মেশিন এবং অপারেটিং বা সপটওয়্যার রিলেটেড ৩ ধরনের প্রোগ্রামই  শিখেছিলাম ১৯৯৩ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত। এখন আর তেমন মনে নাই) বাংলাদেশে যদি কোন সমাবেশ হয় ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড সেখানে ডলার উপার্জন করে রেমিটেন্স হিসাবে বাংলাদেশে আনতে পারে নাই এরকম কাউকে ইনভাইট করা হবে না কখনোই। যারা সবচেয়ে বেশী সফল রেমিটেন্স উপার্জন করেছে তারাই হবে সেরা।

বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং এ রেমিটেন্স উইথড্র  (আপওয়ার্ক  থেকে বিকাশ বা রকেট) করা যাইতাছে আর অন্যদিকে বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকের একাউন্টে ইন্টারন্যাশনাল মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড এড করে ডলার কে টাকাতে কনভার্টও করা যাইতাছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড বা পাইওনিয়ার টাইপের যতো কার্ড আছে তা যদি আপনি বিকাশে (বা এরকম আরো যতো মোবাইল কোম্পানী) এড করেন তাহলে আপনি সহজেই ডলারকে ক্যাশ করতে পারবেন। তবে বুদ্বিমানের কাজ হইতাছে আমার মতে এড না করা। কারন বিকাশ বা রকেটের এখন পর্যন্ত   বিকাশ বা রকেটের কোন ইন্টারণ্যাশনাল সার্টিফিকেশন চোখে পড়ে নাই আর এইগুলো লোকাল ব্যাংকের পলিসি। সেখানে আপনি আপনার ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড এক্সেস করতাছেন এবং যদি হ্যাকাররা পস মেশিনের  তথ্য বের করতে পারে তাহলে কি লোকাল ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং এ্যাপ এর সমস্ত তথ্য বা গ্রাহকের তথ্য কি বের করতে পারবেন না - যদি কোনভাবে এক্সেস পায়। শুধু মাত্র লোকালি ভ্যালিড মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড এড করে দেখতে পারেন এবং তাও ডেবিট কার্ড অনলি। যাতে আপনি কোথাও কোন কারনে কোন ভাবে হ্যাক হলে  আপনার ডেবিট কার্ডে থাকা ডলার ই চুরি হবে আর যে পরিমান ডলার ছিলো সেই পরিমানই নিতে পারবে। কিন্তু ক্রেডিট কার্ডে যদি আপনার ডলার হ্যাক হয় তাহলে আপনার যে পর্যন্ত লিমিট আছে (যদি আপনার লিমিট থাকে ১২০০০ ডলার তাহলে ১২০০০ ডলারই গায়েব হয়ে যাইতে পারে)সেই পর্যন্ত অদৃশ্য হয়ে যাইতে পারে হ্যাকার ধরলে। আর আন্তর্জাতিক ভাবে যতোটা জানি আপনার কেডিট কার্ড হ্যাক হইলেও আপনাকে প্রতি মাসের নির্দিষ্ট টাইমে সেই  বিল দিতে হবে ব্যাংকে। 



আমাকে একদিন কথা প্রসংগে একদল ফ্রি ল্যান্সার বলতাছে- ভাইয়া আপনাকে বাংলাদেশের প্রত্যেক টিভি থেকে একটা সম্বর্ধনা দেয়া হবে কারন আপনি একদমই ফ্রি এবং ফ্রেশ ভাবে মানুষকে সাহায্য করে থাকেন, আপনি অনেকদিন থেকে  ফ্রি ল্যান্সার জগতের সাথে জড়িত আছেন আর আপনি কারো কাছ থেকে কখনো কোন খানে টাকা পয়সা চান নাই । আমি উত্তরে বলেছিলাম- নেম এবং ফেম এর জন্য কারো উপকার করি না। পূন্য বা নেকী হবে বিধায়ই মানুষের উপকার করে থাকি। যে দেশের টিভি বা রেডিও স্বাধীনতা বিরোধী বা দেশ বিরোধী দের গুড নিউজ একেবরে ফলাও করে প্রচার করে (১৯৯০-২০০৬ পর্যন্ত) সে দেশের টিভি ক্যামেরাগুলোতে বা নিউজ পেপার গুলোতে আমি মো: মাসুদুল হাসান  কখনো আমার ফেস দেখাতে চাই না কারন কাল হাশরের দিন সৃষ্টিকর্তার কাছে জবাবদিহি করতে হবে যে শয়তানের বংশধর যা করেছে তুমিও তো তাই করে আসলা। তাই প্রয়োজনে তৈরী হয়েছে সোশাল মিডিয়া ক্যামেরা বা ভিডিও ক্যামেরা। সো আমাদের ক্যামেরা ইন্টারনেটেই বিদ্যমান। আমার বাস্তব জীবনের এই সকল ক্যামেরা দরকার নাই যে সকল ক্যামেরা বা টিভি ক্যামেরা স্যাটেলাইটের কল্যানে একেবারে শতরু দেশের গভীর মরুভুমির ভেতর থেকেও শতরুরা বসে দেখতে যায়। আমরা যদি কখনো কোন সম্মেলন করি তবে সেটা শুধূ সোশাল মিডিয়া ক্যামেরা ভিত্তিক ই সম্মেলন হবে আর আল্টিমেটলি পরবর্তী সম্মেলনের মেইন ফোকাসই হবে পেপাল যেনো অন্তত পক্ষে  শুদু ফ্রি ল্যান্সারদের জন্য হলেও বাংলাদেশে চালু হয়। আমাদের  ও টিভি আছে যেমন ইউটিউব টিভি। তো উত্তরে বলতাছে যে ভাই অপমানিত হলাম। আমি বললাম যে দেশে মুক্তিযোদ্বারা চিরকালই অবহেলিত আর যে দেশের মুক্তিযোদ্বার এখনৈা প্রথম শ্রেনীর নাগরকিত্ব পায় নাই সেদেশে আমি নিজেকে প্রচার করে নাম কামাতে চাই না কারন হজম হবে না। যদি কখনো দেখি যে মুক্তিযোদ্বারা এ ক্লাস সিটিজেনশিপ পেয়েছে (মুক্তিযোদ্বা বলতে তাকেই বোঝানো হয় যে খালি গলায় ৭১ এর ২৫ শে মার্চ  থেকে ১৬ ই ডিসেম্বরের মধ্যে জয় বাংলা বলেছে)। আগে মুক্তিযোদ্বার সম্মানিত হোক পরে নিজেকে সম্মানিত করবো।   প্রয়োজনে এই দেশ ছেড়ে অন্য দেশে যাইয়া নিজেকে সম্মানিত করবো। কয়েকদিন আগে সেই ভাবে সম্মান ও পাইলাম।(আমার এক ক্লায়েন্টেএর ওয়েবসাইটে সোশাল মিডিয়া মার্কেটার হিসাবে আমার নাম লিষ্টিং করা আর উনাকে টিভিতে ডেকেছিলো সাক্ষাৎকার নেবার জন্য- তখন বুঝেছি এইটা আমার পাওনা ছিলো)। বাংলাদেশে পার মিনিট ৬টাকা ৯০ মিনিট পয়সা হারে ২০০২ সালের একটেল থেকে শুরু করে এখণ পার সেকেন্ড এক পয়সা হারে রবি- এয়ারটেল মোবাইল নাম্বারে কথা বলা যায়। একবার ভেবে দেখেছেন সেই সময়কার গ্রাম বাংলার ফ্রি ল্যান্সার রা যারা শুধূ মোবাইল কানেকশনের উপর ভিত্তি করে ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে জেনে তাৎক্ষনিক ভাবে দেশ ছেড়ে চলে যাইয়া ইউরোপ আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়ে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ করতাছে তারা আজকে কেমন তারা  কেমন পজিশনে আছে।আর আজকে পার সেকেন্ড ১ পয়সা হারে কথা বলা যায়, সব কিছু দেয়া আছে ইউটিউবে আর তারপরেও লোকজন টাকা দিয়ে কাজ শিখে লোকাল ল্যানসিং প্রথা শুরু করেছে- কি এক আকাশ পাতাল তফাত। আমরা যেখানেই ছিলাম সেখানেই আছি- মাঝে জমা হয়েছে শুধু জ্ঞান, বয়স,  উপার্জন এবং ব্যালান্স। 


Translate