Showing posts with label payment. Show all posts
Showing posts with label payment. Show all posts

Saturday, July 10, 2021

First payment from Youtube Partnership Program (YPP). Please watch the full video.

 



First time payment from youtube. 
Video channel create: January 2017
Regular video upload: January 2020.
Monetization Approval: 06th January 2021. 
Views after monetization: 40,000 (10,000 paid)
Revenue: 165$ (As 55%- Paid 87$) 
Previously have on adsense: 21$
Available now on adsense: 108$



Saturday, January 2, 2021

বাংলাদেশের নিজস্ব একটা ইন্টারনেট পেমেন্ট পদ্বতি। বিডি পে বা বাংলা পে।

কালের বিবর্তনে ক্রমান্বয়ে ইন্টারনেটের পেমেন্ট সিষ্টেমের আমূল পরিবর্তন হইতাছে। মনে আছে যখন ওডেস্ক থেকে প্রথম পাইজা বা এলার্টপে এর মাধ্যমে ডলার উত্তোলন করি ১০ ডলার : তখন চিন্তা করতেছিলাম যে এইটা কি মেথড? অনেকেই তখন ডলার কে ক্যাশ করে ফেলাইছিলো। ফলে আমি আর চিন্তা করি নাই। কারন দেখেছি চোখের সামেন ইন্টারনেটে বা ওয়েব ক্যামেররা স্বাক্ষাৎকারে যে: সারা বিশ্বের ছেলে বা মেয়েরা ওডেস্ক থেকে বা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ডলার এলার্ট পে তে আনতো এবং সেটা আবার ব্যাংকে ক্যাশ করতো। তখণ আমাদের মনে একটা আশা জাগে: আমরা ও যদি ইন্টারনেটে উপার্জন শুরু করি তাহলে আমরাও তো ডলার কে ক্যাশ করে চলতে পারবো। প্রথম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো বিদেশে অবস্থানরত বাংগালী বড় ভাই বোনেরা। সারা দেশে আমরা যারা ফ্রি ল্যান্সার কে পেশা হিসাবে নেবার চিন্তা করতাছি বা চেষ্টা করতাছি তাদেরকে জনে জনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কল দিলো বাংগালী বড় ভাই বোনেরা আর বললো যে: তোমরা এলার্ট পে ডলার উপার্জন করো। আমরা তোমাদের কাছে থেকে সেন্ড মানি মেথডে ডলার কিনে নিয়ে যাবো। আমরা তোমাদেরকে ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে পেমেন্ট দেবো বাংলা ক্যাশে। 



আমাদের মধ্যে অনেকেই অফারটা লুফে নিলো এবং বললো যে তারা এই ব্যাপারে সমস্ত কিছু ব্যবস্থা করবে এবং আমরা যেনো ভালো করে কাজ করি ইন্টারনেটে। সেন্ড এন্ড রিসিভ মানি বাই ইউজিং এর ইমেইল (Send and Receive Money by using an Email) । একটি মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে আপনি লেনাদেনা করতে পারতাছেন এখন যার নাম বিকাশ বা রকেট। তেমনি একটি ইমেইলের মাধ্যমে আপনি যখণ লেনাদেনা করতাছেন সেটাকে ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ছাড়া তো আর ইমেইল ব্যবহার করা যায় না তাই সেটাকে ইমেইল ব্যাংকিং ও বলা হতে থাকে সবখানে। প্রথম যেদিন এলার্টপে তে ২ বা ১০ ডলার উইথড্র করি সেদিনকার আনন্দ বলে বোঝাতে পারবো না? অনেকেই উৎসাহ দিলো যে লেগে থাকো- একদিন সাড়া পড়বেই। আজ সারা দেশে সাড়া পড়ে গেছে ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং নিয়ে। অনেকে আশাতীত উন্নতি ও সাধন করে ফেলাইছে কিন্তু অতীব দু:খের বিষয় আজো বাংলাদেশের নিজস্ব পেমেন্ট পদ্বতি তৈরী হয় নাই এখনো। সামর্থ্য থাকলেও হয়তো চেষ্টা এবং আন্তরিকতার অভাব আর প্রয়োজনে নতুন কোন রাজনৈতিক সরকার সেট আপ করে হলেও প্রতি মুহুর্তে ফ্রি ল্যান্সারদের যা প্রয়োজণীয় তা ব্যবস্থা করা উচিত। 



বর্তমান রাজনৈতিক সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিলো : বাংলাদেশে পেপাল চালু- সেই প্রতিশ্রুতি তারা রক্ষা করতে পারে নাই। আর এখন তো বাংলাদেশ সরকারই বোধ করি পেপালের সাথে বিটকয়েনের এটাচমেন্ট টা স্বাভাববিক ভাবে নেবে না। তাছাড়া পেপাল পুরোপুরি বাংলাদেশে না আসার পেছনে আমি মনে করি ইন্টারনেট ইনফ্রাষ্ট্রাকচারে গন্ডগোল আছে বাংলাদেশে। 



একটা জিনিস আমাদের শতবাগ মনে রাখতে হবে যে: রাজনৈতিক সরকার কিন্তু গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার না। রাজনৈতিক সরকার উঠে এসেছে জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে (যদিও ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর নির্বাচনে কেউ ভোটই দিতে পারে নাই) - জনগন যদি তার প্রতি আস্থা সরিয়ে নেয় দেখবেন তার পরের দিনই তারা রাস্তাতে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে। রাজনৈতিক সরকার বাংলাদেশ সরকারের কোন নিয়মিত বেতনভুক্ত না (রাজনৈতিক সরকার ভেংগে গেলেই আর তাদেরকে অনিয়মিত বেতন বা ভাতা দেয়া হবে না)।। তাদেরকে এক ধরনের ভাতা দিয়ে রাখা হয় (কারন রাজনৈতিক নির্বাচনে পরাজিত হলে তাদের আর কোন বেতন ভাতা কার্যকর হয় না। যেহেতু এইটা সাময়িক প্রনোদনা তাই এইটাকে ভাতা বলা হয়। ) গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিদ্বান্তুগলো জনগনের কাছে পৌছানোর জন্য।  



আজকে যদি মহামান্য রাষ্ট্রপতি বা বাংলাদেশের হাই কোর্ট (উচ্চ আদালত) বা নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বিগত নির্বাচনকে অবৈধ বলে বা যে কোন সময় বর্তমানের রাজনৈতিক সরকারকে অবৈধ বলে পরের দিনই তারা রাস্তাতে নেমে যাবে , মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াবে ভোটরে জন্য যেনো তারা আবারো নির্বাচনের মাধ্যমে তথাকথিত ক্ষমতায় (মানুষের সেবা করাকে ও এখনকার বিশ্বে ক্ষমতা বলে মনে করা হয়) আসতে পারে। তাহলে টিকে থাকলো কারা? গনপপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যারা আমলা বা সচিব বা আইনজীবি বা কর্মকর্তা বা অফিসার তারাই তো আসল। কারন তাদের তো পদে যাইতে কোন নির্বাচনের দরকার লাগে নাই। তারা তাদের মেধার জোড়ে এই পর্যন্ত এসেছে আর তাদের সিদ্বান্তগুলোই জনগেনর কাছে পৌছায় রাজনৈতিকি এমপি রা। তো এই ব্যাপারটা যতোক্ষন ক্লিয়ার না হবে সমস্ত ফ্রি ল্যান্সার দের কাছে ততোক্ষন রাজনৈতিক লোকজন সুবিধা কামাইয়া নিয়া যাবে।



 দেখেছেন তো সারা দেশের কোন রাজনৈতিক নেতা কর্মী কিন্তু গরীব নাই। স্বাধীনতার পর থেকে যতো রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় এসেছে প্রত্যেকে শুধু নিজ দলের নেতা কর্মীদের উপকারই করেছে। কেই গনহারে আম জনতার জন্য করে না। যদি করতো তাহলে দেখতেন দেশ আজকে সোনা দিয়ে মুড়ানো থাকতো। দেশের কাড়ি কাড়ি লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার হতো না। প্রতিদিন ব্যাংকারদেরেকে হ্যাকারদের ভয় দেখানো হতো না। কোটি কোটি অর্থ পাচার করে রাজনৈতিক ক্ষমতাসীন রা আমোদে বা ফূর্তিতে মেতে উঠতো না। বিগত কয়েক বছরে টিভি বা পত্রিকার সাংবাদিক রা যে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের তথ্য দিতাছে তা ভেরিফায়েড তথ্যই। তো আমাদের দেশের ফ্রি ল্যান্সার রা দেখেন কতো পরিমান বোকা যে: না জেনে বা না বুঝে ক্রমাগতই আমেরিকার ব্যক্তিগত প্রতিষ্টানকে উন্নতি করে যাইতাছে আর দেশের ও চোর বাটপারদের পকেট ভারী  করে দিতাছে।  একসময়েল বহুল প্রচলিত সেই  এলার্টপে এখণ বন্ধ হয়ে গেছে।  





২০ বছর ধরে ইন্টারনেট ব্যবহার করি আমি এবং আমি আমার ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি : সম্পূর্ন পরিকল্পনা করে এলার্টপে বা পাইজাকে বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছে। পাইজার সাথে বাংলাদেশের ব্যাংক এশিয়ার কানেকটিভিটি ছিলো। যুক্তরাষ্ট্রের  জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট বন্ধ করে দিয়েছে এই ওয়েবসাইট। একটি উদাহরন দিয়ে বুঝিয়ে দেই আপনাকে। ঘটনার সাথে নিজেকে মেলানোর চেষ্টা করবেন না দয়া করে। মনে করেন:  এক দেশ আরেক দশেকে সন্ত্রাসবাদে সহায়তার জন্য পাইজার ব্যবহার করেছে বা এলার্টপে এর ব্যবহার করেছে। এলার্টপে পরিবর্তন হয়েই পাইজা নামে চলেছে অনেকদিন। সন্ত্রাসে ব্যবহৃত অর্থ হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের কানে গেছে তথ্য প্রমান সহ। ব্যাস দিয়েছে বন্ধ করে। তো টেকনোলজী যদি নিজের উপকারে ব্যবহৃত না হয় তাহলে সেটা বুমেরাং হয়ে ধরা দেবে। যেমন মনে করেন : দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) বাংলাদেশে বেচে থাকার স্বার্থে  বা বাংলাদেশে সুবিধা আদায় করার স্বার্থে  বাংলাদেশ কে এখন ভালোবাসে কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্বের সময়ে কিন্তু তারা বাংলাদেশে বিপক্ষে থেকে গনহত্যা বা গনধর্ষনের মতো বিশাল অপরাধ করেছে যার একমাত্র শাস্তি মৃত্যু। 



নিজস্ব একটি মার্কেটপ্লেস বা নিজস্ব একটি ইন্টারনেট পেমেন্ট পদ্বতি তৈরী না হবার মূল কারন যে : সিষ্টেম টাতে এই মেথড গুলো একটিভেট হয় সেই ধরনের ইন্টারনেট সিষ্টেম বোধ করি বাংলাদেশে নাই বা বাংলাদেশ কোন এক কারনে প্রয়োজণীয় অনুমতি পাইতাছে না আর লোক লজ্জার ভয়ে সরকার বা প্রশাসন হয়তো এগুলো প্রকাশ ও করতাছে না। বাংলাদেশে এতো এতো ব্রিলিয়ান্ট কিন্তু একজন ফ্রি ল্যান্সার যেনো যে কোন সময়ে যেকোন দেশের ক্লায়েন্ট বা বায়ারের কাছ থেকে পেমেন্ট নিতে পারে তার কোন সমাধান নাই - আজকে ইন্টারনেটের ২০ বছর + বাংলাদেশে। সব সময় ই মনে হয় যে: ৭১ এর দেশবিরোধী (ফাসি) দের মোত ইন্টারনেটেও মনে হয় কোন দেশবিরোধী প্রজন্ম বসে আছে যাদের অণ্যতম এবং প্রধান কাজ হইতাছে ১৪ ই ডিসেম্বর এর মতো (১৯৭১ এর ১৪ ই ডিসেম্বর বিজয়ের ঠিক আগে ক্ষনে সমস্ত মেধাদেরকে হত্যা করা হয়েছিলো যরা নাম শহীদ বুদ্বিজীবি হত্যা দিবস যা আজো পৃথিবীতে অন্যতম গনহত্যা বলে স্বীকৃত)  বাংলাদেশীদের প্রধান প্রধান আইডয়া গুলো (স্বভাবতগুনেই বাংলাদেশীরা প্রচন্ড মেধাবী কারন এইখানে ১০০ জাতের সংমিশ্রন আছে যারা একেকজন দেখতে এককজরকম) কালেকশন করে সেগুলো বিদেশে পাচার করে (নির্দিষ্ট ২/১ টি দেশ যারা আমাদের শতরু হিসাবেই বিবেচিত) তাদেরকে আগে বাড়ানোর চেষ্টা করা হইতাছে যা অনেকের চোখে ধরা পড়ে গেছে।



সেই ২০০২-২০১১ পর্যন্ত এলার্টপে বা পাইজা সেল করা হয়েছে সারা দেশের এলার্ট পে বা পাইজা বায়ার দের কাছে। সেন্ড মানি মেথডে একজন আরকেজন কে পেমেন্ট দিয়েছে এবং লোকাল এসএ পরিবহন মেথডে/মোবাইল ফ্লেক্সি মেথডে একজন আরকেজনকে ক্যাশ পেমেন্ট ও দিছে। সেইটা এস এ পরিবহনের নিকট বৈধ ছিলো। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভেরিফিকেশনেও অনেক সহজ ছিলো। রাষ্ট্র কর্তৃক কোন বাধা দেয়া হয় নাই। আমি সর্ব্বোচ্চ সেল করেছি এলার্ট পে তে বছরে ১০০ ডলার। তখনো পেপাল বাংলাদেশে ওপেন করা যাইতো না। মিশরের গনজাগরন ২০১১ থেকে বাংলাদেশে পেপালের ওয়েবসাইট ওপেন করা যাইতাছে এবং পারস্পরিক লেনাদেনাও করা যাইতাছে। আমি যতোবার এলার্টপে সেল করেছি ততোবারই ফ্রি ল্যান্সারদের কাছে সেল করেছি:  তখনকার দিনে দেশের স্বনামধণ্য ফ্রি ল্যান্সারদের কাছে সেল করেছি। আপনি নিশ্চয়ই তাদেরকে সন্ত্রাসী বলবেন না। আর এলার্ট পে ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে গেলেও তাদরে ডাটাবজে তো আর বন্ধ হয়ে যায় নাই। এইটা কানাডিয়ান ব্যাংক হবার কারনে আপনি এখনো খুজলে তাদের কাছে ডাটাবেজ পাবেন আর সেখানেই উল্লেখ করা থাকবে যদি বাংলাদেশ থেকে কেউ কখনো কোন খারাপ কাজে এলার্ট পে বা পাইজাকে ব্যবহার করেছে কিনা?



আমি ২০১১ পর্যন্ত পার্ট টাইম ফ্রি ল্যান্সিং করেছি। আমি নিজে কাজ শিখা এবং শিখোনোর চেস্টা করতাম বেশী। সব মিলিয়ে ২০০২-২০১১ পর্যন্ত বছরেও আমার ১০০ ডলারের বেশী আসতো না। আর এখন ২০১১ সালের পর থেকে ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সার হিসাবে: দৈনিকই অনেক সময় ১০০ ডলার উপার্জন হয়। 



মিশরের কায়রো গনজাগরনের ছেলে পেলে রা অুনরোধ করে আমাদের কে পেপাল ফ্যাসিলিটজ ওপেন করে দেয়। এ ক্ষেত্রে ব্যাপারটা পুরোপুরি চালু করতে বাংলাদেশ সরকার পুরোপুরিই ব্যার্থ। একটা দেশে এতো এতো ফ্রি ল্যান্সার থাকার পরেও পেপাল তাদের ব্যবসা চালু করতাছে না: ব্যাপারটা কি আপনার মনে সন্দেহ জাগায় না যে ঠিক কি কারনে পেপাল বাংলোদেশে তাদের ফুল ফেজ অপারশেণ চালূ করতাছে না? নিশ্চয়ই কোন না কোন কারন আছে। মিশরের গনজাগরনের র ছেলে বা মেয়েদের আহবানে আমরা একসাথে দাড়িয়েছিলাম তাদের আন্দোলনে সামর্থ্য জানিয়ে: তারা আমাদের কাছে জানতে চায় তোমরা কি চাও? আমরা বলি : পেপাল ফ্যাসিলিটিজ চাই। তারা পেপাল কে বলে: বাংলাদেশ মুসলিম দেশ। বাংলাদেশ কে পেপালের সুবিধা দাও। বাংলাদেশের বিজনেস সেকসানে পেপাল ওপেন হয় এবং এখনো সবাই ব্যবহার করতাছে। যারা বিদেশে বাংলাদেশের নাগরিক তাদের সকলের ভেরিফায়েড পেপাল একাউন্ট আছে একজন বাংলাদেশী হিসাবে। তাহলে একজন বাংলাদেশী যে বাংলাদেশের নাগরিক তার নেই কেনো? ২০০৬ সাল থেকে পাইওনিয়ার চালূ হওয়াতে পেপালের দু:খ অনেকটাই ঘুচে যায়। যুক্তরাষ্ট্র কোন ব্যাপারে আপনার সাথে তখনই বিট্রে করবে যখন আপনার সাথে সন্ত্রাস বা সন্ত্রাসবাদের যোগযোগ থাকবে - দীর্ঘদিন ধরে দাবী জানানোর পরেও এবং প্রায় ২ কোটি মানুষ ইন্টারনেট লেনাদেনার সাথে জড়িত থাকার পরেও পেপালের ফুল ফেস বাংলাদেশে কেনো চালু হইতাছে না তা আসলে বোধগম্য নয় কারো কাছে? যে কয়েকটা উপায়ে লিগ্যালি বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সার রা পেপাল ব্যবহার করতাছে: 

  • পরিচিত কেউ বা আত্মীয় স্বজন যারা দেশের বাহিরে থাকে নাগরিক হিসাবে (ভেরিফায়েড) তাদের নামে তৈরী করা পেপাল ব্যবহার করা। তাদের যদি ক্রেডিট কার্ড ভেরিফায়েড করা থাকে তাহলে সেই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেও পেপালের ডলার বাংলাদেশের যে কোন এটিএম থেকে উইথড্র করা যাবে । (ভিসা বা মাষ্টারকার্ড লোগো)।
  • বর্তমানে মালয়েশিয়া সহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের টোটাল ডিটেইলস দেয়া যায় যেখানে আপনি ভেরিফায়েড বিজনেস একাউন্টের মালিক হয়ে কাজ করতে পারবেন বা ডলার লেনাদেনা করতে পারবেন। 
  • সেই বিজনেস সেকসানের সাথে পাইওনিয়ার এর লেনাদেনা করতে পারবেন। 
  • জুম নামক একটি তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আপনি পেপাল ডলার লেনাদেনা করতে পারবেন কিন্তু এইখানে তৃতীয় পক্ষের সাথে আপনার কেডিট কার্ড এক্সস করতে হয়।
  •  বাংলাদেশ সরকারের অনুমতিপ্রাপ্ত পেমন্টেবিডি (আর্থিক প্রতিষ্টান) থেকে ব্যবহার করতে পারেন। 
  • ফরেনার রা বলে যেকোন ইমেইল দিয়ে একটা এড্রস বানিয়ে নিলেই হলো যদি সেটা কাজ করে তাহলে ওকে। কারন এইখানে ঠিকানা বা ভেরিফিকেশন টা প্রধান ব্যাপার না - প্রধান ব্যাপার হইতাছে লিকুইড কারেন্সী ডলার আপনার কাছে আছে কিনা বা এসছে কিনা আর আপনি সেটা সেন্ড/উইথড্র করতে পেরেছেন কিনা? 
  • পেপাল ডলারের যদি লেনাদেনা হয়ে থাকে তাহলে ভেরিফােয়েড বা আনভেরিফায়েড ডলারের কোন তারতম্য নাই। এইখানে মূল ব্যাপার হলো লিকুইড ডলার টা আপনি রিসিভ করতে পেরেছেন কিনা (Send and Receive Money by using an Email)  ? যদি রিসিভ করে থাকেন তাহলে সেটা আপনার ডলার। আপনি যদি সেটা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উইথড্র করতে চান তাহরে রাষ্ট্রীয় নথি হিসাবে আপনার একাউন্ট ভেরিফায়েড হতে হবে। কিন্তু আপনি যদি পারসোনালি সেন্ড মানি বা রিসিভ মানি করেন তাহলে সেখানে লিুকইড ডলার এমাউন্ট টাই মেইন। কারন সেখানে রাষ্ট্রের অনুমতি লাগে না। সেখানে পেপালের অনুমতি লাগে।  



ক্যালিফোর্নিয়ার ব্লগারস রেভুল্যশন, মিশরের কায়রো গনজাগরন, শাহবাগের গনজাগরন ২০১৩, কাতালুনিয়ার গনজাগরন ২০১৭, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমেরিকান রিপাবলিকান পলিটিকাল পার্টির ক্রমাগত গনজাগরন এর মতো বাংলাদেশের ও দরকার আরো একটি বড় সড় গনজাগরন যেখানে ইন্টারনেটের সকল সমস্যার সমাধান আনা যাবে - একটি বড় সড় পাবলিক মিটিং এর মাধ্যমে সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষন করে। শাহবাগ গনজাগরনের পরে এই দেশের বড় ভাইরা বলেছিলো: তোদের যদি আরো কোন দাবী দাওয়া থাকে তাহলে তোরা মানিক মিয়া এভিনিউ তে একসাথে হয়ে সেই দাবী দাওয়া সারা বিশ্বে পেশ কর দেখবি পেপালের মতো ব্যাংক বাংলাদেশে চালু হয়ে যাবে বা বাংলাদেশের নিজস্ব কোন ইন্টারনেট পেমেন্ট গেটওয়ে তৈরী হয়ে যাবে। না হবার তো কারন নাই্ । প্রয়োজন সততা ও নিষ্ঠা।  আমি বাংলাদেশের একটি ফাইনান্সিয়াল প্রতিষ্টানের ইন্টারনেট পেমেন্ট গেটওয়ে পেপাল ব্যবহার করি ২০১১ থেকে (মাঝে অনেকদিন মার্কেটপ্লেস থেকে ব্যাংক সুইফট ট্রনাজকেশন ও ব্যবহার করেছি আর এখন ব্যবহার করি পাইওনিয়ার ও অনেক সময়। সুইফট এবং পাইওনিয়ার কোন ভ্যাট, ট্যাক্স দেই না আমি কারন আমার ইনকাম ততো হাই ফাই নাআর তাছাড়া আমরা সেন্ড মানি মেথড ব্যবহার করি সারা দেশের একজন আরেকজনের সাথে।)  যেখানে প্রতিমূহুর্তে  ভ্যাট, ট্যাক্স দিতে হয় বা প্রতিবছর ফাইনান্সিয়াল অডিট ও দিতে হয়। অন্য কোন দেশের সুবিধার জন্য বাংলাদেশীদেরকে যদি বঞ্চিত করা হয় তাহলে কেউ বুঝুক আর না বুঝুক ইন্টারনেট প্রোগ্রামার রা ঠিকই বুজে যাবে- হয়তো সঠিক ভাবে বুঝাতে পারবে না। 


বাংলাদেশের নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যাংক যদি তৈরী হয় তার কি নাম দেয়া যাইতে পারে: 

বিডি পে অর বাংলা পে। 




Monday, December 14, 2020

পেমেন্ট (Payment) শব্দটা নিয়ে কিছু কথা।

পেমেন্ট (Payment) শব্দটা একটা ইংরেজী শব্দ যার বাংলা অর্থ দাড়ায় প্রদান। আমাদের দেশে অনেকেই আছে ব্যাংকের সংখ্যাকে পাত্তা দিতে চায় না। বিশ্ব এখন এমন এক দৌড়গোড়ায় এসে দাড়িয়েছে যে: আপনি নগদ টাকা বা নগদ নোট বা নগদ ক্যাশ টাকার নোট ছাড়াই সারা দুনিয়াতে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। আপনার কাছে একটি মাষ্টারকার্ড  থাকে আর যদি সেখানে আপনার ব্যালান্স থাকে তাহলে আপনি সেটা দিয়েই সারা বিশ্বের অনেকখানে ঘুরতে পারবেন- এমনকি পারসোনাল বিমান হায়ার করলে ও সেটার পেমেন্ট ও আপনি ইলেকট্রিন্সিক পেমেন্ট সিষ্টেমে দিতে পারবেন। (আমাদের দেশে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিষ্টেম এবং ইন্টারনেট পেমেন্ট সিষ্টেম নিয়ে একটি ডিফারেন্স থিংকিং কাজ করে সবসময়- যেমন ধরেন ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টে ঢুকে আপনি লেনাদেনা করবেন ইন্টারনেটে- এইটাকে অনলাইন ব্যাংকিং বলা হয়। আবার মনে করেন: ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাষ্টারকার্ড দিয়ে আপনি কেনাকাটা বা লেনাদেনা করবেন সেটাকে ইলেকট্রনিক্স পেমেন্ট সিষ্টেম বলা হয়। ইন্টারনেট পেমেন্ট সিষ্টেম বা ইন্টারনেট ব্যাংক বলতে পেপাল, স্ক্রিল এই ধরনের ব্যাংকগুলোকে বোঝানো হয়।)    তাছাড়া আরো যেমন: 


  • রেষ্টুরেন্টে আপনি নগদ প্রদান না করে আপনার মাষ্টারকার্ড দিয়ে বিল দিতে পারেন। 
  • আপনি ভিসা সেন্টারে ভিসিা ফি দিতে পারবেন  মাষ্টারকার্ড দিয়ে। 
  • আপনি এয়ালাইনস টিকেট ফি ও দিতে পারবেন মাষ্টারকার্ড দিয়ে। 
  • আপনি রোড ঘাটের ট্যাক্সি ফি বা যানবাহনের ফি ও দিতে পারবেন মাষ্টারকার্ড দিয়ে। 
  • আপনি হোটেলের বিল ও দিতে পারবেন মাষ্টারকার্ড দিয়ে। 
  • আপনি মোবাইল ব্যাংকে ও মাষ্টারকার্ড দিয়ে টাকা এড করতে পারবেন। 
  • নিত্য প্রয়োজণীয় সকল জিনিসপত্রাদি কেনাকাটা করতে পারবেন আপনি মোবাইল ব্যাংক দিয়ে। 


এতো এতো সকল সুবিধা তৈরী হওয়ার কারনে এক শ্রেনীর মানুষ এখন সংখ্যা চোরে পরিনত হয়েছে। এদেশের গরীব অশিক্ষিত বা নিরক্ষর বা অর্ধশিক্ষিত বা অল্পশিক্ষিত প্রায় ৬ কোটি মানুষ এই ব্যাপারটা তেমন রিয়্যালাইজেশন করতে পারে না। আমি একদিন এক দেশবিরোধী (ফাসি) এর সন্তানকে বলতে শুনেছি: সাধারন মানুষের সামনে সে বলতাছে যে সে এখন আর টাকা চুরি করে না- সে সংখ্যা চুরি করে বিভিন্ন খান থেকে- সাধারন মানুষকে ইন্টারনেটে ফাদে ফেলে ইন্টারনেট কে ব্যবহার করে সবখান থেকে চুরি করে যাইতাছে। তাকে ইন্টারনেট সুবিধা কে দেয় বলাতে সে উত্তর দেয়: স্থানীয় আইএসপি তাকে সাহায্য করে। সে ভাগ বাটোয়ারা করে। আর পুলিশি সুবিধা কে প্রদান করে। তো সে উত্তরে বলতাছে: পুলিশকেও সে ভাগ বাটোয়ারা দেয়। তো শিক্ষিত পুলিশ তাকে সাহায্য করবে ডিজিট চুরির ব্যাপারে- ব্যাপারটা আমার বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় নাই। পরে বাংলাদেশ পুলিশের ২/১ জনকে জিজ্ঞাসা করাতে বলতাছে যে: তারা সরকারি গেজেটপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার না। নিজেরা নিজেরা র‌্যাব বা পুলিশের পোষাক তৈরী করে বাংলাদেশের সমাজে নিজেদেরকে ভূয়া র‌্যাব বা পুলিশ হিসাবে পরিচয় দেয়। পরে টিভি সংবাদে ও অনেকভাবে দেখলাম : তারা বিভিন্নখানে প্রেফতারও হয়েছে অনেকে। 





সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে যে: দেশবিরোধী দালাল (ফাসি) বা রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম - বাংলা পড়তে পারে না, লিখতে পারে না কিন্তু তারা চুরি চামারি করার সুবিধার্থে ইন্টারনেট পেমেন্ট সিষ্টেম/অনলাইন পেমেন্ট সিষ্টেম টা বুঝে গেছে ্বা শিখে গেছে আর যদি গরীব মানুষ জিজ্ঞাসা করে তাহলে বলতে শিখেছে: চুরি চামারি করার সুবিধার্থে হাজারের চেয়ে মিলিয়ন ছোট বা হাজারের চেয়ে লক্ষ ছোট বা হাজারের চেয়ে কোটি ছোট । কারন বলাতে তারা বলতাছে: 



মানুষ জন ১ কোটি লিখতে গেলে ১ এর পরে কোটি লিখে। কিন্তু হাজার লিখতে গেলে ১ পরে ৩ টা শূন্য লিখে যেমন: ১০০০ । বাংলাদেশে ১০০০ সংখ্যার চেয়ে বড় ব্যাংক নোট আর নাই । তাই লক্ষ, কোটি, মিলিয়ন বা বিলিয়ন ফিগার গুলো হাজারের চেয়ে কম দামী। তাই মিলিয়ন ডলার চুরি করলে সমস্যা নাই কিন্তু হাজার টাকা চুরি করলে সমস্যা আছে। মূলত হাজার আসতাছে সংখ্যার পরে তিন শূন্য, লক্ষ আসতাছে সংখ্যার পরে ৫ শূন্য, কোটি আসতাছে  সংখ্যার পরে ৭ শূন্য বা মিলিয়ন আসতাছে সংখ্যার পরে সংখ্যার পরে ৬ শূন্য বা বিলিয়ন আসতাছে সংখ্যার পরে ৯ শূন্য। 


ইন্টারনেট ব্যাংকে পেমেন্ট পদ্বতি: 


ইন্টারনেট থেকে যখন কোন পেমেন্ট পদ্বতি কোন দেশের সরকারি/বেসরকারি ব্যাংকে ঢুকে তখন সেটাকে ইন্টারনেট থেকে ব্যাংক পেমেন্ট পদ্বতি বলে। এই পদ্বতিকে ইংরেজীতে বলা হয় (ETS- Electronic Transaction System)। (এই ইটিএস তৈরী করেছে যুক্তরাষ্ট্র ডলারের ক্ষেত্রে। বিশ্বের সব উন্নত দেশের নিজস্ব ইটিএস আছে বোধ করি যেমন: পাউন্ড বা ইউরোর ক্ষেত্রেও । বিশ্বের কখন কোন দেশে কতো ডলার ঢুকেছে বা কতো ডলার কোথায় যাইতাছে বা কোন কোন দেশে কোন কোন ব্যাংক একাউন্টে যাইতাছে -কোন কোন পারপোজে যাইতাছে তার সব প্রমান এই ETS- Electronic Transaction System এ আছে। তার উপরে কে কোন অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করেছে, কে কোন ধরনের ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে বা কে কোন দেশ থেকে বসে কোন কোন দেশে কতো কতো ডলার চুরি করতাছে বা আদান প্রদান বা লেনাদেনা করেছে বা করতাছে তার ডিটেইলস রেকর্ডও আছে বা পাওয়া যাবে। যেমন: ধরেন অপারেটিং সিষ্টেম তৈরী করেছে মাইক্রোসফট। আবার মাইক্রোসফটের নিজস্ব স্যাটেলাইটও আছে। আবার জানা মোতাবেক কি বোর্ডের কি তে আংগুলের ছাপ দিতে হয়। মানুষ তো আর গ্লাভস পরে কি বোর্ডে চাপ দেয় না, সেখানেও আংগুলের ছাপ লেগে থাকে)। 



যেমন: সারা বিশ্বের সব  দেশে ইন্টারনেট আছে। দ্রুতগতিতে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ডাটা ট্রান্সফার করা যায় বলে সারা বিশ্বে ব্যাংক টু ব্যাংক পেমেন্ট পদ্বতির ট্রানজেকশন পিরিয়ড কমাইয়া দিছে ইন্টারনটে। আগে যেখানে এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকের পেমেন্ট এ সময় লাগতো ৩০ দিন এখণ সেখানে সময় লাগে ২/৩ দিন। মানুষ জন স্বভাবতই ইন্টারনেটে বসে থেকে যার যার ব্যাংক একাউন্টে লগইন বা সাইন ইন করতে পারে আর সহজেই পেমেন্ট দিয়ে দিতে পারে একজন আরেকজনকে(অনলাইন পেমেন্ট সিষ্টেম)। পৃথিবীর সমস্ত ব্যাংকের ইন্টারনেট পেমেন্ট পদ্বতি/অনলাইন পেমেন্ট সিষ্টেম আছে যাকে ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা অনেকেই অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা বলে। বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেট পেমেন্ট পদ্বতি (অনলাইন পেমেন্ট সিষ্টেম) র মধ্যে আছে: 

  • ইন্টারনেট টু ব্যাংক পেমেন্ট পদ্বতি।
  • ব্যাংক টু ব্যাংক পেমেন্ট পদ্বতি।
  • ব্যাংক টু পারসন পেমেন্ট পদ্বতি।
  • পারসন টু পারসন েইন্টারনেট পেমেন্ট পদ্বতি।

একটা জিনিস ভেবে আমার খুব হাসি পাইছে এই দেশের ভেতরে ১৯৭১ এ দেশ স্বাধীন হবার পরে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্বারা দালাল (ফাসি) , রাজাকার (ফাসি) দেরকে যখন আবোরো দেখে বাংলাদেশে তখন দেখে যে তারা একটি কুৎসিত উপায় প্রদর্শন করতাছে মানে গে সোসাইটির কথা বলে যা শুনে মুক্তিযোদ্বার ঘৃনাতে মুখ ফিরিয়ে নেয়। মানে দেশবিরোধীরা বোঝাতে চেয়েছিলো যুদ্ব চলাকালীন তারা সব ধরনরে সেক্স বা খারাপ কাজ করেছে । যেমন: 


  • পুরুষের সাথে পুরুষের সেক্স (নাউযুবিল্লাহ) (পুরুষ নির্যাতন আইনের সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড।)
  • একদল পুরুষ মিলে একটি নারীকে ধর্ষন করা।(৭১ ধর্ষকদের ফাসির আইন কার্যকর হোক)।
  • একদল পুরুষ একদল নারীকে ধর্ষন করা। (৭১ ধর্ষকদের ফাসির আইন কার্যকর হোক)।
  • সকলে একসাথে উলংগ হয়ে বাংলার মা বোনকে ধর্ষন করা।  (৭১ ধর্ষকদের ফাসির আইন কার্যকর হোক)।
  • বাংলার মেয়েদের কে সারা রাত বা উপুর্যপরি ধর্ষন করা । (৭১ ধর্ষকদের ফাসির আইন কার্যকর হোক)।
  • বাংলার মেয়েদের সাথে জোড় পূর্বক বা বলপূর্বক পায়ুপথে সেক্স করা। (৭১ ধর্ষকদের ফাসির আইন কার্যকর হোক)


শুনেছি তাদেরকে যখণ জিজ্ঞাসা করা হয়: তোরা কেনো এই ধরনের কাজ করেছিস। তো তারা উত্তরে বলেছে টাকার জন্য। তাদেরকে পা ক হানাদার বাহিনী বলেছিলো যে তারা যদি যুদ্বে জিততে পারস তাহলে এই দেশের সব টাকা তারা পাবে। তো তারা আজো সেই চিন্তাতেই রয়ে গেছে। সময়ে এদেশের অনেকে রাজাকার (ফাসি) কে পা ধরে সালামও করেছে (সংবাদসূত্র- পত্রিকা) , রাজাকার (ফাসি কে) মন্ত্রীর মর্যাদা পর্যন্ত দিছে। থানা শাহবাগে অুনষ্ঠিত গনজাগরনরে পরে একটা আশ্চর্য ব্যাপার খেয়াল করে দেখা গেলো যে: দালাল (ফাসি) বা রাজাকার(ফাসি) র প্রজন্ম নগদ টাকার পিছ ছেড়ে দেয়। তারা ইন্টারনেট পেমেন্ট পদ্বতি/(অনলাইন পেমেন্ট সিষ্টেম) (ফ্রি ল্যান্সার রা ছাড়া) নিয়ে লেগে যায়। তাদের মধ্যে অনেকেই এখন আর নগদ টাকার জন্য ঘুরা ঘুরি করে না কারন বাংলাদেশের মানুষের ট্রানজেকশন সিষ্টেমই পরিবর্তন হয়ে যাইতাছে( গ্রাম বাংলা পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা)। তাহলে কি বলতে পারেন যে: নগদ টাকা গুলো কোথায় আছে/ দেশে আছে নাকি পাচার হয়ে গেছে (!) । 



(আমি এইখানে ফ্রি ল্রান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং জগতের যারা কাজ করে তাদেরকে মেনশন করে বলি নাই। ফ্রি ল্রান্সার রা এই দেশের এক নম্বর নাগরিক।)




বাংলাদেশের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে দেশের বিভিন্ন খানে তারা আইএসপি এর সুবিধা ব্যবহার করে ইন্টারনেটে চিটারি বাটপারি ২ নম্বরি বা হ্যাকিং বানিজ্য ও শুরু করে। প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের দুর্বলতা বলা হলো এই কারনে যে: তারা যাদের কে আইএসপি লাইসেন্স দিছে তাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র আছে কিনা তা ভেরিফাই করে নাই আর ডিজিটাল আইসিটি আইনের সঠিক প্রয়োগ না থাকায় অনেক আইএসপির মালিক তাদের কাস্টমারদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ভেরিফাই না করেই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে যাইতাছে যেমন: রাজধানী ঢাকা শহরে বিভিন্ন দেশের লোকজন আইসা বসবাস করতাছে এবং নির্বিঘ্নে তারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন (কোন ধরনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন ছাড়া নিজেদেরকে শুধূ মাত্র ফরেনার বলে এবং তাদের দেশের রেফারেন্সের কথা বলে) বাসাতে/ ফ্লাটে নিয়ে ব্যবহার করতাছে। বেশী টাকার লোভে আইএসপি গুলো এই অসাধু ব্যবসার সাথে জড়িত হইতাছে আর আমার ষ্টাডি মোতাবেক ব্রডব্যান্ড (তারের কানেকশন) ছাড়া আপনি কখনো হ্যাকড হইতে পারেন না যদি আপনার সমস্ত সিকিউরিটি সিষ্টেম ওকে থাকে। [আরো একটি ধারনা: কোথাও যদি ব্রডব্যান্ড (তার) এর ইন্টারনেট কানেকশন না থাকে তাহলে আপনি সেখানে হ্যাকারদের উপস্থিতি টের পাবেন না বলে ই আমি ধারনা করি। এইখানে অনেক ধরনের ক্যাবলের মাঢে টেরিফোনের তারের যে ক্যাবল বা তার সেটা ব্যবহার করে হ্যাকার রা মেইন কম্পিউচটার পর্যন্ত চলে আসতে পারে। ফাইবরা অপটিক ক্যবলের কথা বললেও সেখানে তারের ভেতরে এই টেলিফোন তারের মিক্সার থাকতে পারে বা তারের যে প্লাষ্টিক কানেকটিভিট সেখানেও কোন ব্যাপার থাকতে পারে। এই ধারনা টা করার কারন: এইভাবে স্বাধীনতা যুদ্বের সময় বাংলাদেশের সমস্ত টেলিফোন গুলোতে আড়ি পাতা হতো।] এই জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময় সাজেষ্ট করবো যে: হ্যাকারদের হাত থেকে বাংলাদেশের সকল তথ্য কে সেভ করার জন্য আপনি আপনার অফিসে রাউটার পর্যন্ত শুধূ খ্যাবল কানেক্টিভিটি করবেন আর বাকীগুলো ওয়াই ফাই সেট আপে রাখবেন যেটাকে আমরা ব্রডব্যান্ড ওয়ারল্যাস ইন্টারনেট কানেকশন বলি: মোদ্দা কথা আপনার পিসি পর্যন্ত তারের কানেকশন না থাকলে আপনি হ্যাক না হবার সম্ভাবনা ৯৯%। 




মনে করেন: আমার যদি কোন পেমেন্ট বাকী থাকে সেটা বাংলাদেশে আমার নামে থাকা যে কোন ব্যাংক একাউন্টে আইসা জমা হবে। মনে করেন : আমাকে কেউ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পেমেন্ট করলো ইন্টারনেট ব্যাংকিং পেমেন্ট/(অনলাইন পেমেন্ট সিষ্টেম) সিষ্টেমের মাধ্যমে। সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকের ম্যানুয়াল এপরুভাল সেকসানে আইসা আটকে গেলো। আপনার ক্ষমতা বা অধিকার না থাকা সত্বেও আপনি সেই পেমেন্ট আটকে রাখলেন এবং ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং সিষ্টেমের নিয়ম মোতাবেক আমার নামে থাকা দেশের ভেতরে কোন প্রাইভেট ব্যাংকে আইসা জমে নাই এবং আমার প্রাইভেট ব্যাংকের ট্রানজেকশন রেকর্ডে সেটা দেখায় নাই। ক্ষমতা বলা হইতাছে : আপনি যদি বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক না হোন তাহলে বাংলাদেশের কোন ব্যাপারে তদন্ত করা বা খোজ খবর করা আপনার ক্ষমতার মধ্যে পড়ে না। আর এইখানে আপনার কোন অধিকারও কাজে লাগে না। সেটা আমার প্রাইভেট ব্যাংকে না আসার কারন যে আমার নামে পেমেন্ট সেন্ড করেছে সে কোন  ট্রানজেকশন সাকসেসফুল  রিপোর্ট পায় নাই- তাহলে সেই পেমেন্ট আমার নামে এই বিশ্বে দেখাবে না। সেই পেমেন্ট সমুদায় আকারে যে সেন্ডার তার কাছে ফেরত যাবে। আপনি হয়তো জানেন না যে: জমে থাকা ডলারের উপরে বিশ্বের প্রত্যেক ব্যাংক কে একটি নির্দিষ্ট হারে সুদ দিতে হয়। যেমন: ধরেন আমার নামে ১ মিলিয়ন ডলার আছে। একমাস পরেই সেটা হয়ে যাবে: ১.১ মিলিয়ণ । ২ মাস পরে হবে ১.১ মিলিয়ন ডলারের ১০%। এইভাবে আপনি যদি কোন পেমেন্ট আটকে রাখেণ তাহলে সেই জমে থাকা ডলারে উপরে প্রতিনিয়ত সুদ জমা হবে এবং সেই সুদের টাকাটা যে ব্যাংক সেন্ড করতাছে সেই ব্যাংক যেভাবেই পারে আপনার কাছ থেকে কেটে নেবে। কারন তার পাঠানো ট্রানজেকশন সাকসেসফুল হয় নাই। তো সেই ব্যাংক তার মালিককে হয়তো ডলার ফেরত দিয়ে দেবে (সেন্ডারকে) আর যেখানে জমে থাকা ডলার আছে সেখানে পদ্বতিগত ভাবে সুদের % কেটে নিয়ে যাবে আর যার নামে এসেছিলো ডলার (রিসিভার) সে হয়তো আশাতেই থেকে যাবে। (পৃথিবীর সমস্ত ভ্যাকই জমে থাকা ডলারের উপরে সুদ প্রদান করে। বাংলাদেশ ও তার ব্যতিক্রম না)। 



আমার নামে যে ৩ টা ব্যাংক পেমেন্ট একাউন্ট এবং কয়েকটা বিকাশ একাউন্ট (আগে ছিলো ৩টা এখণ ১টা) আছে বাংলাদেশে (ডাচ বাংলা ব্যাংকে ২ টা এবং ইষ্টার্ন ব্যাংকে সেখানে যদি আপনি সার্চ করেন তাহলে আপনি সর্ব্বোচ্চ ১ লক্ষ ডলার বা ১ কোটি টাকার লেনাদেনার রেকর্ড পাবেন যার ১০০% ই ফ্রি ল্যান্সিং করে উপার্জন করা এবং খরচ করা)। বাস্তবে এর বাহিরে বাংলাদেশ ব্যাংকে বা কোন প্রাইভেট ব্যাংকে আমার নামে আর কোন পেমেন্ট নোটিফিকেশণ আমি পাই নাই কখনো আর বাহিরেরে দেশ থেকে কেউ যদি আমার নামে পেমেন্ট সেন্ড করেও থাকে তার কোন ইনষ্ট্রাকশন চিঠি বা লেটার বা কপি বা ইমেইল কোন ধরনের নোটিফিকেশন আমার কাছে নাই। যদিও আমার সবচেয়ে দরকারি জিমেইল একাউন্ট হ্যাক হয়ে যায় ২০১০/১১ সালে যা আজো ফেরত পাই নাই : masudbcl@gmail.com। উপরের প্যারাতে আমি ব্যাংক এর কথা উদাহরন হিসাবে ব্যবহার করেছি। এইটা আমার পারসোনাল ব্লগ। আমি আমার অভিজ্ঞতা বা ধারনা গুলো পারসোনালি শেয়ার করি। আপনি কোথাও না বুঝতে পারলে দয়া করে কমেন্টস এ জানাবেন। আমি শুধরে নেবো।  আমার যতো পেমেন্ট তা ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট বা মার্কেটপ্লেসে আমাকে নোটিফিকেশন আকারে জানানো হয় এবং তার পরে আমি সেটার টেক কেয়ার করি। প্রয়োজনে প্রমান ও রেখে দেই। এখন আপনি যদি আন্দাজি আইসা চিল্লাচিল্লি করেন : ভাই ভাই আপনার নামে কোটি কোটি টাকা আইসা জমা হইছে যার কোন নোটিফিকেশন আমার কাছে নাই তাহলে লোকজন আপনারে কইবো পাগল; আপনার জন্য পাগলা গারদে সিটও রিজার্ভ করবো আর আমার হবে কাজের ডিষ্টার্ব। 


ফ্রি ল্যান্সার রা contact, contract, notification, payment notification ছাড়া এক পাও নড়ে না। আমার যতো পেমেন্ট নোটিফিকেশন তা আমার ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং ওয়েবসাইটে আছে এবং ইমেইল গুলোতে আছে। সেগুলোই আমার জণ্য বিশ্বাসযোগ্য। 


আপনার নামে যদি বাংলাদেশের ব্যাংকে বা প্রাইভেট ব্যাংকে কোন ব্যালান্স থাকে (সুইফট/রেমিটেন্স/সার্টিফিকেট/বন্ড ইত্যাদি আকারে) সেটা আপনার ব্যক্তিগত একাউন্টে আসার আগে পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে থাকবে। তবে আপনি যদি সময়মতো না পান তাহলে জমে থাকা অর্থের উপরে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিনিয়ত বা প্রতিমাসে যে সুদ দেয় তাদের গ্রাহকদেরকে: আপনিও সেই হারেই সেটা পাবেন একসাথে সমুদয় অর্থের সাথে -  কারন এইটা আইন। 


[যার এমাউন্ট তারে যদি আপনি নেশাখোর ভাবেন বা মানসিক ভাবে অসুস্থও ভাবেন তাহলে নেশামুক্ত জীবনে ফেরত আসা পরে বা সেই সময়েই দিলেও তাকে সেই সমুদয় অর্থ সুদ সহকারে দেয়া হবে । কারন নেশাখোর বা নেশা করাটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আর প্রধানত যে পেমেন্ট দিছে তার কাছে এইটা কোন ইস্যু না। আপনি যদি কোস সুইফট/রেমিটেন্স উপার্জন কারীকে মানসিক ভাবে অসুস্থ বলেন তাহলে সমস্ত দেশের লোকেরা আপনাকে পাগল বলবে। কারন কোন মানসিক ভাবে অসুস্থ লোকের পক্ষে সুইফঠ বা রেমিটেন্স উপার্জন করা সম্ভব না।  আবার তাকে যদি আপনি মানসিক ভাবে অসুস্থ মনে করেন তাহলে দেখতে হবে মেডিকেল সায়েন্স কি বলে? একেকজন মানুষের মেন্টালিটি এককরকম। আমার মেন্টালিটির সাথে যদি আপনার মিল না পাই তাহলে আপনাকে আমি মানসিক ভাবে অসুস্থ বলতে পারি কিন্ত দেখতে হবে যে: সেই মানুষ সমাজে চলাফেরা করতে পারে কিনা, ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করে কিনা ক্ষুধা লাগলে , কাপড় চোপড়ের ঠিক ঠাক আছে কিনা, মানুষের সাথে মেলামেশা করতে পারে কিনা, মেয়েবন্ধুদের সাথে ফান করে কিনা? কারন যে মনাসিকভাবে অসুস্থ সে এমন এমন কাজ করবে যা আপনি সাধারন মানুষ হিসাবে কল্পনাও করতে পারবেন না। ৫০ জন মিলে যদি একজনকে অসুস্থ বলে তাহলে কিন্তু সে অসুস্থ না। একজন ডাক্তার যদি সরাসরি বলে থাকে তাহলে সেখানে একটি ইস্যু হতে পারে । আবার ডাক্তার যদি পরিকল্পনা মাফিক (টাকা খেয়ে) বলে তাকে বা চোরদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বলে থাকে তাহলেও সেটা তদন্তের বিষয়। এই দু্টা কথা কেনো বললাম; কারন পত্রিকাতে পড়েছি অনেক সময় অনেক ব্যাংক  থেকে ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগ সাজশে পরিকল্পিতভাবে যার পেমেন্ট তাকে নেশাখোর বা মানসিকভাবে অসুস্থ বলে সব টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে যায়।] 
 


মানুষের আশা আকাংখার দাম আছে। জন্তু জানোয়ার এর আশা আকাংখার তেমন দাম থাকে না মানুষের জগতে। কারন মানুষ যে কোন সময়ে যে কোন জন্তু জানোয়ার কে মেরে ফেলাইতে পারে। বাংলাদেশের মানুষেরও আশা আকাংখার দাম আছে। ২০১০/১১ সাল থেকে এই বাংলাদেশ ব্যাংক একটি পদ্বতি সুইফট (ফ্রি ল্যান্সার দের সাথে) ট্রানজেকশন সিষ্টেমের অনুমতি দেবার পর থেকে বাংলাদেশের মানুষের নিত্য প্রয়োজণীয় জিনিস পত্রের দাম বেড়ে যাইতাছে। আপনি হয়তো ব্যাপারটাকে কাকতলীয় বলবেন: কিন্তু ব্যাপারটা সারা দেশের অনেকের মধ্যেই সন্দেহের উদ্রেক ঘটাইতাছে। কারন মানুষ জনের কষ্ট হইতাছে। ১০ টাকা কেজি চাল এখন ৬০ টাকা। ২ টাকা কেজি লবন এখন ৩০ টাকা। ১০ টাকা লিটার সয়াবিন এখন ১০০টাকা। বিভিন্ন ভাবে বাংলাদেশের জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকায় আমাকে একদিন বাংলোদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক বড় ভাই ২০১১ সালে বলেছিলো: ফ্রি ল্যান্সার রিলেটেড সব কিছু শোনার পরে- বলতাছে তোরা কি হ্যাকার? মানে ফ্রি ল্যান্সারদেরকে উনারা হ্যাকার মিন করেছে। আমি সাথে সাথে আমার ইন্টারনেটে থেকে উপার্জিত অর্থের সুইফট ট্রানজেকশন বন্ধ করে দেই (২০১১ থেকে)। আমি লেনাদেনার ক্ষেত্রে পেমেন্ট বিডি ব্যবহার করি এবং পাইওনয়িার ব্যবহার করি। আমি সুদে আমার নিজস্ব ব্যাংক একাউন্টে রিসিভ করে সেটা আমি পারসোনালি গরীব মানুষকে দিয়ে দিতে পারবো কিন্তু ফ্রি ল্যান্সিং করার কারনে কেউ আমাদের কে হ্যাকার বলবে সেটা আমি মেনে নিতে পারবো না। সেই কারনে আমার উপার্জন ও অনেক কম কিন্তু সেই দিনের সেই কথাটা আমার গায়ে লেগে আছে। জিনিসপত্রের দাম ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকায় সেই বড় ভাই এর কথানুসারে মনে হয় অনেক সময়: ফ্রি ল্যান্সার রা যেই পরিমান ডলার সুইফট এ লেনাদেনা করতাছে সেই পরিমান ডলার বোধ হয় বাংলাদেশের কাচাবাজারে আগে ভর্তুকি দেয়া হতো - এখণ মে বি দেয়া হয় না সেই কারনে দিনে দিনে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাইতাছে। 




পেমেন্টবিডি বাংলাদেশের গুটিকয়েক ফ্রি ল্যান্সার দের তৈরী করা একটি পারসোনাল ইন্টারনেট ব্যাংকের মতো। তারা ডলার কেনা এবং বেচা করে। পকেটে টাকা থাকলে কম দামে ডলার কিনে আর টাকা না থাকলে বেশী দামে সেল করে দেয় ফ্রি ল্যান্সার দের মধ্যে।আমি ও তাদের সাথে লেনাদেনা করি বিগত ২০১৩/১৪ সাল থেকে। তাদের সাথে আমার কোন পেমেন্ট মিস যায় নাই আজ পর্যন্ত। 










Sunday, November 15, 2020

এসইওক্লার্কের ১৩১ তম পেমেন্ট পাইওনিয়ারে রিসিভ এর অভিজ্ঞতা।



এসইওক্লার্ক থেকে পেমেন্ট পাইওনিয়ারে আসতে সর্ব্বোচ্চ সময় নিবে ১৪ বিজনেস ডে’স। শুক্রবার , শনিবার এবং আমেরিকার সরকারি ছুটির দিন বাদে এই সময় কাউন্ট হয়। এসইওক্লার্ক থেকে পেপালের মাধ্যমে পেমেন্ট নিলে তাৎক্ষনিক ভাবে বা ৪ মিনিটের মধ্যে পাওয়া যায়। সারা দেশেই আমরা একজন আরেকজনের কাছ থেকে পেপালের ডলার কেনাবেচা করে থাকি এইখানে কোন রাস্ট্রীয় অনুমতির প্রয়োজন নাই কারন এইগুলো ফ্রি ল্যান্সারদের ফ্যাসিলিটিজ। তাছাড়াও সেল করা যাবে বাংলাদেশের স্বনামধণ্য পেপাল ডলার কেনাবেচার প্রতিষ্টান পেপালবিডি থেকে বা সাম্প্রতিক কালে ব্যাংক এশিয়া এবং জুম ও পেপালের পেমেন্ট রিসিভ করতে সাহায্য করে থাকে। বিজনেস একাউন্ট সেকসানে বাংলাদেশের নাম পাওয়া যায়। বিজনেস সেকসানে অনেকেই বাংলাদেশ দিয়ে ব্যবহার করে থাকে। আবার অনেকেই আছে মার্চেন্ট পেপাল একাউন্ট, বেনামে পেপাল একাউন্ট এবং বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজন বা পরিচিত অপরিচিত যারা দেশের বাহিরে থাকে তাদের পেপাল একাউন্ট ও ব্যবহার করে থাকে।


 


এসইওক্লার্ক  একটা মার্কেটপ্লেস। এইখানে আপনি সার্ভিস সেল করে বা জবের জণ্য বিড করে আবেদন করে নিজে হায়ারড হয়ে কাজ করেন বা উপার্জন করেন। আপনার উপার্জন এসইওক্লার্কে রেভিনিউ হিসাবে জমা হবে । শুধূ এসইওক্লার্ক না যে কোন মার্কেটপ্লেসে যদি আপনি কাজ করে উপার্জন করে থাকেন আর সেটা আপনি পেপাল এর মাধ্যমে উইথড্র করে থাকেন তাহলে এক শ্রেনীর লোক আইসা বলবে - ওতো পেপালে উপার্জন করে। আরে পেপাল তো বাংলাদেশে নাই বা পেপালে লেনাদেনা করা ঠিক না ( কিন্তু পেপাল ওয়েবসাইট তার ডোমেইন এক্সটেনসহ বাংলাদেশে ওপেন হয়- মূলত কেনো ওপেন হয় না সেটা বোঝার চেষ্টা করতে হবে)। এইখানে এসইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেস পর্যন্ত আপনার উপার্জন বৈধ আছে তাদের হিসাবে। আর পেপালে ডলার তুললে সেটাকে তারা এক নি:শ্বাসে অবৈধ বলে ফেলাতে দ্বিধাবোধ করবে না। অথচ খোজ নিলে জানতে পারবেন যে এই ধরনের কমেন্ট করতাছে তার জাতীয় পরিচয়পত্র নাই বা বাংলাদেশে বসবাসের কোন বৈধতা নাই। হয়তো দেখা গেলো পরিকল্পনা করে কোন এক খানে পেপাল কে আটকে রাখা হয়েছে আর বলে বেড়ানো হইতাছে পেপাল বাংলাদেশে নাই পেপালের ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ওপেন হয় এবং সেখানে লগইন করে কাজ কারবার বা লেনাদেনাও করা যায়। বিশ্বের সব দেশের বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের নাম আছে। তাহলে দেখা যাইতাছে এইখানে যে সমস্যাটা রয়ে গেছে সেটা টেকনিক্যাল। যেমন: বাংলাদেশের প্রত্যেক  ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর পারসোনাল কোন আইপ এড্রস নাই। তাহলে দেখা যাইতাছে পার হেড আইপি না থাকার কারনে হয়তো এই সিষ্টেম টা কাজ করতাছে না। কারন জানা মোতাবেক : একটা আইপি থেকে একটাই পেপাল একাউন্ট ওপেন করা যায়। আর যদি ডাইনামিকের (আইপি)    আলোচনা করে তাহলে সেখানে পেপালের ব্যবসায়িক পলিসি লস হতে পারে। (নীচের ছবিতে দেখেন .বিডি এক্সটেনশন আছে। চালূ না করে নিশ্চয়ই .বিডি ডোমেইন দেয় নাই পেপালের মতো আন্তর্জাতিক মানি ট্রানজেকশন সিষ্টেম)।





পেপালের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন কানেকশন নাই। সকলেই যেটা গনহারে ব্যবহার করে সেটাকে সকলেই বৈধ বলে। এসইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেস থেকে বাংলাদেশে বসে থেকে পেপাল এড্রস ব্যবহার করার কারনে এসইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেসের উপার্জন কখনো অবৈধ হবে না। এইখানে একটা কথা যে: আপনি এসইওক্লার্ক মার্কেটপ্লেস থেকে যদি পাইওনিয়ার বা পেল্যুশন  বা হাইপারওয়ালেট ব্যবহার করে উইথড্র করেন তাহলে সেখানে বাংলাদেশ সরকার রেমিটেন্স পাবে। আর যদি আপনি পেপাল ব্যবহার করে উইথড্র করেন তাহলে সেখানে বাংলাদেশ সরকার রেমিটেন্স পাবে না। এইটাই তফাত। এই কারনে কারো উপার্জন অবৈধ হবে না। যার মনে চায় সে বাংলাদেশ সরকার কে রেমিটেন্স দেবে- যার মনে চায় দিবে না। এই ধরনের কোন আইন নাই বাংলাদেশে যে : প্রত্যেক নাগরিক কে রেমিটেন্স দিতেই হবে। আর এই ধরনের কোন আইনও নাই বাংলাদেশে যে আপনি নামে/বেনামে/ক্লায়েন্ট/বায়ার/মার্চেন্ট/বিজনেস/বন্ধু/পরিচিত জনদের পেপাল একাউন্ট ব্যবহার হরতে পারবেন না। বাংলাদেশে হাজারো লোক অবৈধ ভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া ছাড়া বসবাস করে যাইতাছে - বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বার নাই বা বৈধ ভোটার নম্বর ও নাই।। তারা আয়কর, ভ্যাট, ট্যাক্স, রিটার্ন, খাজনা কিছুই দেয় না। ইভেন গ্যাস, পানি, বিদ্যুতের লাইন ও হাজার হাজার লোক অবৈধ ভাবে ব্যবহার করতাছে - তাদের ব্যাপারেও সরকারের কোন নজরদারী নাই।একজনের জমি দখল করে আরেকজন গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ লাইন সেট আপ করে অবৈধ ভাবে ব্যবহার করে যাইতাছে আর যে প্রকৃত মালিক তাকে ঝামেলায় ফেলাতে চাইতাছে। একজনের তৈরী করা বিল্ডিং অবৈধ ভাবে দখল করে আরেকজন ব্যবহার করতাছে- নামে বা বেনামে জাতীয় পরিচয়পত্র নাই, বৈধ ভোটার তালিকাতে নামও নাই আবার ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনেও তাদের ভেরিফিকেশণ নাই আর মুখে বা পেছনে সততার আলাপ চু...য় বা চু...য়া যাইতাছে।  বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের কোন আইন নাই যে: বাংলাদেশে বসে থেকে পেপাল ব্যবহার করা যাবে না। এদেশে যদি ক্ষমতার দাপট থেকে যায় তাহলে ফ্রি ল্যান্সার দেরও একটা ক্ষমতার দাপট থাকবে সবসময়। কারন ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্সও আনে আবার নিজের সুবিধার জণ্য পেপাল ও ব্যবহার করে। পেপাল একটা ইন্টারনেট ব্যাংক- শুধুমাত্র ইন্টারনেট প্রফেশনাল রাই সেটা ব্যবহার করবে।। যেখানে থেকে ডলার লেনাদেনা করলে লেনাদেনা হয় বাংলাদেশের আইপিতে এবং এখানে সরকারের কোন রেমিটেন্স লস হয় না কারন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেপালের সাথে কোন কানেক্টিভিটি ই নাই। হয়তো রিস্ক বা সাসপিসিয়িাস মিনিং করে তারা। আমার আজকের উইথড্র ডিটেইলস টা এসইওক্লার্ক থেকে পাইওনিয়ারে। 



SEOclerk এর পেমেন্ট সাধারনত তাদের প্রধান কোম্পানী থেকে ইস্যু করা হয়। ইস্যু করার সাথে সাথে একটি ইমেইল পাওয়া যায়। আপনার যে ইমেইল দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করা সেই ইমেইল ইনবক্সে পাওয়া যায়। তারপরে সেখান থেকে আপনি আপনার এসইওক্লার্ক একাউন্টের রেভিনিউ সেকসানে দেখবেন। সেখানে আপনার আপডেট দেখানো হবে। আপনি কোন মেথডে পেমেন্ট রিসিভ করেছেন সেটা এইখানে ১০০% ক্লিয়ারলি মেনশন করা থাকবে। আপনি জানেন আপনি কোন মেথয়ে উইথড্র দিয়েছেন? পেপাল/পাইওনিয়ার/হাইপারওয়ালেট বা পেল্যুশন। তখন আপনি সেটা আপনার একাউন্ট ব্যালান্স সেকসান থেকে  ক্লিয়ার হয়ে নিবেন। 



একাউন্ট ব্যালান্স সেকসান থেকে উইথড্র রিক্যুয়েস্ট করার পরে  সেটা আপনার পাইওনিয়ার একাউন্টে দেখাবে : কি ধরনের লোড আপনি নিতে চান। রেগুলার অর ইমিডিয়েট। রেগুলার পেমন্ট রিসিভ পদ্বতি নিবে ২ ডলার চার্জ এবং ইমিডিয়েট ডলার লোড পদ্বতি নিবে ৫ ডলার চার্জ। ইমিডিয়েট পদ্বতি শুধু তারাই ব্যবহার করে যাদের মার্কেটপ্লেস একাউন্ট আছে এবং সেখানে ভালো মানের ডলার আছে এবং হঠাৎ করেই ডলারের প্রয়োজন। মনে করেন আপনি কোথাও ঘুরতে গেছেন। কোন এয়ারপোর্টে বসে থেকে আপনি ডলারের সংকটে পড়েছেন। আপনার সাথে পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড আছে। এখন আপনি মার্কেটপ্লেস থেকৈ উইথড্র দিলেন: সেটা ২/৩/৪ দিন পরে আপনার একাউন্টে টাচ করবে। আপনার একাউন্টে টাচ করার পরে আপনি যদি ইমিডিয়েট লোড নেন তাহলে সেটা দ্রুত আপনার পাইওনিয়ার একাউন্টে আসবে। তারপরে আপনি সেটা এয়ারপোর্ট বা বিশ্বের যে কোন দেশের এটিএম  বুথ মাষ্টারকার্ড থেকে উইথড্র করতে পারবেন। (নেগেটিভ একটা উদাহরন:  এখণ আপনি যদি ডলার চুরি করে সেটাকে বাইপাস ওয়েতে [হ্যাকার রা ইন্টারনেটে যে পদ্বতি অনুসরন করে তাকে বাইপাস ওয়েব বলে] পাইওনিয়ার কে ধোকা দেবার চেষ্টা করেন তাহলে হয়তো পাইওনিয়ার একাউন্টে আপনার ব্যালান্স দেখাবে ঠিকই - কিন্তু যখন আপনি উইথড্র করতে যাবেন তখন সেটা টোটাল কার্ডকেই ডিজাবলড করে দেবে- ব্যালান্স দেবে তো দূরের কথা) তাই সততার সাথে যে ইনকাম তা ঝামেলা করার কোন ক্ষমতা কারো নাই। অসতাতার যে ইনকাম তা পদে পদেই বিপদ। আমার ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং জীবনে (২০০২ - ২০২০) ব্যাংকে ডলার এড করা আর গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মোতাবেক  সেটাকে লোকাল মানিতে কনভার্ট করতে যাইয়া আজ পর্যন্ত কোন বাধা পাই নাই- শুকরিয়া। 




পাইওনিয়ারে মানি টা টাচ করার পরে আপনি তাড়াহুড়ো করে ইমিডিয়েট পদ্বতি সিলেকশন না করলেও পারবেন। আপনার যদি খুব তাড়া হুড়ো থাকে তাহলে সেটা আপনি ইমডিয়েট লোড হিসাবে নিতে পারেন। আর আপনার যদি একেবারেই তাড়া না থাকে তাহলে আপনি জেনারেল বা রেগুলার লোড নিবেন। যতোবার আপনি পাইওনিয়ার থেকে লোড নিবেন ততোবারই আপনি এই অপশনটা সিলেক্ট করবেন। প্রতিবারই এই সুযোগ দেয়া হয় যে আপনি কোন টা সিলেক্ট করবেন। জেনারেল অপশন সিলেক্ট করার পরে সেটা ২/৩  বিজনেস ডে’স সময় নিয়ে পাইওনিয়ার একাউন্টে আইসা এড হবে। 

                                 

এখানে ছবি তে দেখেন প্রথমে আমার ব্যালান্সে আইসা এড হয়েছে : ৫৫.৫০ ডলার। আমি এসইওক্লার্ক থেকে উইথড্র দিছি ৬০.৫০ ডলার। রেগুলার ডলার লোড পদ্বতি কেটে নিছে: ২ ডলার চার্জ। আর নভেম্বর মাসে একাউন্ট মেইনটেইনস চার্জ কেটে নিছে: ৩ ডলার। সব মিলিয়ে আমার একাউন্টে এভইলেবল থাকলো ৫৫.৫০ ডলার যা আমি বাংলাদেশে আমার লোকাল প্রাইভট ব্যাংকে উইথড্র দিছি। উইথড্র দেবার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে: আপনি যে দিন উইথড্র দিবেন সেদিনকার বাংলাদেশ ব্যাংকে যে ডলারের এক্সচেন্জ রেট তাই দেখাবে সেই ভাবেই আপনি আপনার পেমেন্ট পাবেন। এসইওক্লার্ক থেকে পাইওনিয়ারে ডলার আসতে আমার সময়ে লেগেছে ৩/৪ বিজনেস ডেস। আর পাইওনিয়ারে সেটা এভেইলেবল হতে সময় লেগেছে ২ দিন। সব মিলিয়ে ১ সপ্তাহ। আর এখন পাইওনিয়ার থেকে লোকাল ব্যাংকে উইথড্র দিলে সেটা প্রসেস হতে সময় লাগবে ২+২ বিজনেস ডেস। পাইওনিয়ার সাইড থেকে প্রসেসড বললে যে কোন সময়ে সেটা বাংলাদেশে আপনার লোকাল প্রাইভেট ব্যাংকে আইসা এড হবে। 




আগে যখন সুইফট ট্রানজেকশন করতাম ২০১১ পর্যন্ত (২০১১ সালের পরে আমি কোন সুইফট ট্রানজকেশন করি নাই কোন ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংকে) তখণ উইথড্র দিতাম: বাংলাদেশের সময়ে বৃহস্পতিবারে। সেটা শুক্র এবং শনিবার বিশ্বের ব্যাংক খোলা থাকার কারনে প্রসেস হয়ে যেতো। আর বাংলাদেশে র লোকাল বা প্রাইভেট ব্যাংকে এড হতে সময় লাগতো ৫ বিজনেস ডে। রবিবার থেকে বৃহস্প্রতিবার। এক বৃহস্প্রতিবারে ওডেস্ক/ইল্যান্স/ফ্রি ল্যান্সার ডট কম থেকে উইথড্র দিলে আরেক বৃহস্প্রতিবারে ডাচ বাংলা ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে ঢাকা শহরের ফার্মগেট বা শাহবাগ বা মোহাম্মদপুর বা যে কোন এটিএম এ ব্যবহার করে উইথড্র করে খরচ করতাম যা আমার সার্কেলে- যারা আমাকে চিনতো তখনকার দিনে- তাদের মধ্যে হাজারো তরুনকে ফ্রি ল্যান্সার হতে সাহায্য করেছে। আরেকদিন শেয়ার করবো কিভাবে পাইওনিয়ার থেকে বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংকে ডলার এস এড হয়।







Translate