Friday, December 4, 2020

(Internet Affect) ইন্টারনেটের কল্যানে একটি মাথানষ্ট রাজাকারের গল্প (কল্পকাহিণী)।

[এইটা একটা কল্পকাহিনী। কেউ নিজেকে মেলানোর চেষ্টা করবেন না]


এক মাথা নষ্ট রাজাকার (ফাসি) যার বয়স বর্তমানে প্রায় ৯৭ বছর সে প্রায়শই ক্ষনে ক্ষনে ভূলে যায় যে তার বয়স ৯৭ বছর। সে টেষ্টটিউবে জন্ম। ১৯৪০ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের আগে সে ঘুরতে ঘুরতে  জাপান থেকে বাংলাদেশে চলে আসে। সে অশিক্ষিত এবং নিরক্ষর। দেখতেও জাপানিজ দের মতো। জাপানের হিরোশিমা যখন আক্রান্ত হয় তখন সে চায়না তে চলে আসে। তারপরে চায়না তেকে চায়না পা কিস্তান বর্ডার দিয়ে পা কিস্তান। তারপরে ইন্ডিয়া এবং ভারত হয়ে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের দক্ষিনে আর দেশ নাই বিধায় সে বাংলাদেশেই থেকে যাবার পরিকল্পনা করে। সে যেহেতু জারজ তাই তার  নিজস্ব কোন সেন্স অফ হিউমার ছিলো না। সে চিন্তা করলো কিভাবে বাংলাদেশে সেটেলড হওয়া যায়। সেই হিসাবে সে গুলিস্তান থেকে শুরু করে তৎকালীন ইংলিশ রোড, জনসন রোড থেকে নারায়নগঞ্জের টানাবাজারের পতিতালয়ে যাতায়াত শুরু করলো। তখনকার দিনে অনেক পতিতার সাথে তার খাতির হয়ে গেলো। সে একটি রিক্সা চালাতো। সে সেই রিক্সাতে করে তখনকার দিনের পতিাগুলোকে ঢাকা শহরের ভেতরে আনা নেওয়া করতো। এইভাবে তার সাথে কয়েকজনের খুব ভালো খাতির হয়ে যায়। 


তো তখন আমেরিকার সাথে ভিয়েতনামের তুমুল যুদ্ব চলতাছে। সকলেই জানি আমরা ১৯৫৫-১৯৭৫ পর্যন্ত আমেরিকা এবং ভিয়েতনাম যুদ্ব করেছে। তারপরে ৫০ বছরের চুক্তিতে  যুদ্ব বিরতি। ধারনা করা হইতছে আর ৫ বছরের মধ্যে আবারো তাদের মধ্যে যুদ্ব শুরু হতে পারে। চায়না বা ইরান ইস্যুতে আমেরিকা যে কোন সময় আক্রমন বা আগ্রাসী আক্রমন চালাতে পারে বলেও অনেকের ধারনা করা। বংগোপসাগর সহ ভারত সাগর বা আরব সাগরে ইউএসএ রনতরীদের উপস্থিতিও প্রায়শই খেয়াল করা যায়। 


১৯৫৫ সালের দিকে সেই  জাপানিজ দালাল/রাজাকার (ফাসি) একটা বড় সড় প্রস্তাব পায়। ভিয়েতনাম যুদ্বে নাস্তানাবুদ হওয়া এবং সেই সময়ে আরে কিছু যুদ্ব শুরু হওয়া বা চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ থেকে মাগী সাপ্লায়ের দ্বায়িত্ব পায়। সেই হিসাবে যে তার সাথে পরিচিত যে সকল পতিতা ছিলো ঢাকা শহরে সেই সকল পতিতাতদেরকে বড় সড় টাকার লোভ দেখায়। ফলে তারা রাজী হয়ে যায়। সে পা কিস্তানী চর এবং আরো কিছু দেশের দালালের মাধ্যমে কোনঠাসা হয়ে যাওয়া ভিয়েতনামের সৈন্যদেরকে মাগী সাপ্লাই শুরু করে এবং এর বিনিমেয় সে ভালো টাকা ইনকাম করে নেয়। বলতে গেলে বাংলাদেশে এবং ঢাকা শহরে তাকে এক নামে সবাই দালাল নামে চিনে। আর  সংক্ষেপে তাকে বলো হতো জাপানিজ দালাল নামে। সে এরকম করে ঘুরত ঘুরতে মিরপুরে এক টুকরো জায়তা পায় বেচে থাকার জন্য তখনকার দিনে তো আর এতোকিছু ভেরিফিকেশন হতো না। সহজ সরল বাংগালীরা না বুঝে শুধূ মাত্র টাকা পয়সার লোভে জমি বিক্রি করে দেয় আর সুবিধাভোগী সেই দালাল তার নামে বা বেনামে জমি কেনা শুরু করে। শুনেছি তার সেই জমি কেনার সূত্র ধরেই বলে বাংলাদেশে র জমি জমাতে দালাল শব্দটা ব্যবহৃত হয় যাকে সেই দালাল (ফাসি) নিজের প্রতি সম্মান মনে করে। মাগীদের দালালের ২টা কন্ডিশন থাকবে: 

১) তার কাছে বান্ধা মাগী থাকবে। (Listed & know Prostitutes)

২) প্রত্যেকবার সে আর্থিক ভাবে বেনিফিটেড হবে। 


বাংলাদেশের জমি জমার দলিলে দালাল শব্দটা এসছে এক ভিন্ন আংগিকে। ব্রিটিশ লর্ডরা যখন অবিভক্ত বাংলা ছেড়ে চলে যায় তখন একবার ব্রিটিশ এক মহিলার মালিকানাধীন চা বাগানে আইসা হাজির হয় ব্রিটিশ লর্ড বাহিনী। তারা ব্রিটিশ মহিলাকে বলে তাদের সাথে ব্রিটেনে ফেরত যাইতে হবে। ব্রিটিশ মহিলাকে সব শুনে বলে যে ঠিক আছে সে তার মালিকানাধীন সব জমি তার চা বাগানের শ্রমিকদের লিখে দিয়ে যাইতে চায়। তা শুনে ব্রিটিশ লর্ড সবাইকে ডাকতে বললো। ব্রিটিশ মহিলাকে সবাইকে ডাক দিলো এবং সবাই এক সারি ধরে বসে গেলো। লর্ড তাদের সবাইকে দেখলো এবং এ্ও দেখলো যে চা বাগানের শ্রমিকেরা ব্রিটিশ মহিলাকে যা বলে তাই শুনতাছে। যদি উঠতে  বলে তাহলে দাড়ায় যদি বসতে বলে তাহলে বসে। তখন ব্রিটিশ মহিলা সব পেপার বের করে ব্রিটিশ লর্ড কে জিজ্ঞাসা করে যে: কোন আইন মোতাবেক তাদেরকে জমি লিখে দিবো। তো ব্রিটিশ লর্ডদের ক্ষমতা ছিলো আইন তৈরী করার। তাই বলতাছে: যে তুমি এই আইনটার নাম দাও : ডল অল (Doll All)। তো ব্রিটিশ মহিলা পেপার রেডী করে সেই চা বাগানের শ্রমিকদের দান করলো আর বললো যে: তোমাদেরকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা  করে যে কোন আইন মোতাবেক তুমি জমির মালিক হয়েছো তখন তোমরা বলবা যে আইনের নাম : ডল অল (Doll All)। 

(শোনা কথা: বিশ্বাস করার আগে ভেরিফাই করে নিবেন)

কিন্তু একজন বাংগালী পরবর্তী কালে এতো পরিমান নিরক্ষর ছিলো যে: সে একসাথে লিখে ফেলায় ডলঅল (DollAll) এবং আরেকজন উচ্চারন করে দালাল। এই কারনে অবিভক্ত বাংলার সেই সময় থেকে এই আইনের নাম ছিলো ডল অল (Doll All) আর ৭১ এর মুক্তিযুদ্বের পর থেকে ব্রিটিশ মহিলাকে সহ তখনকার দিনের ব্রিটিশ রা যেই জায়গাগুলোর মালিক ছিলো সেগুলোকে মার্ক  করা হয় ডল অল (Doll All) নামে কিন্তু একজন বাংগালীর ভুলে সেইগুলোর নাম এখন দালাল আইন। বেসিক্যালি দালাল আইনের ক্ষমতা দেখায় সেই জাপানিজ রাজাকার (ফাসি)। সে মনে করে যে: সে ছিলো বাংলার সবচেয়ে বড় দালাল(ফাসি)। তাহলে দালাল আইন মে বি তার নামেই তৈরী করা। এজন্য বর্তমান বাংলাদেশে যে সকল ভুমি আইন চালূ আছে তার মধ্যে দালাল ডল অল (Doll All) আইনের জমিগুলোই একসময় ব্রিটিশ ভারতীয় মালিকানাধনি জমি। আরো আছে বাংলাদেশ আইন বা ভুমি আইন। 


৭১ এ এই লোক দেশবিরোধী ছিলো। টাকা এবং মাগীর নেশাতে তার মাথা খারাপ হয়ে যায় এবং বাংলাদেশে প্রচুর পরিমানে মানুষকে সে হত্যা এবং জবাই করে এবং দেশ স্বাধীন হবার পরে সে কুৎসিত একটা উপায় বেছে নেয়ে বেচে থাকার জন্য। তারপর থেকে সে ফন্দি ফিকির করতাছে যে : সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হবে। তার মাথাতে ডিসটার্ব। সে বার বার বলতাছে দেশবিরোধী মহিলারা তাকে কথা দিছে তাকে রাষ্ট্রপতি বানাবে। তো সকলেই বলতাছে: সেই মহিলাগুলো কই। তো বলতাছে আছে। কোথায় আছে। তোর সাথে যোগাযোগ আছে। বলতাচে যোগাযোগ নাই। বেশী টাকার লোভে ৭১ এর আগে সেই মহিলাগুলো ঢাকা শহরের বিভিন্ন মহিলা হোষ্টেলে যাইয়া মহিলাদেরকে টাকা দেবার লোভ করে ভিয়েতনামের যুদ্বে ভিয়েতানামের সৈন্যদের জন্য সাপ্লাই করে। তারা নিজেরাই দালার সেজে ব্যবসা শুরু করে ফলে তার সাথে আর যোগাযোগ নাই। বর্তমানের ইডেন, ঢাকা কলেজ বা লালমাটিয়া কলেজ বা তেজগাও কলেজ - এরকম খান থেকে তারা মেয়েদেরকে  ভিয়েতনাম যুদ্বে সৈন্যদের ফূর্তি করার জণ্য টাকার বিনিমেয়ে বিক্রি করে দিতো। তখন থেকে আর তার সাথে যোগাযোগ নাই। তো বলতাছে তুই আর চেষ্টা করস নাই রাষ্ট্রপতি হতে। সে বলতাছে চেষ্টা করেছিলো কিন্তু বাংলাদেশ গোয়েন্দা সংস্থা বলেছে যে: তার নামে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট নাই। আসলে কি আছে? বলতাছে যে নাই। দেশ স্বাধীন হবার আগে সে ছিলো রিক্সচালক আর দেশ স্বাধীন হবার পরেসে দালাল/রাজাকার নামে পরিচিত। তো তোকে বাংগালী কেনো জবাই করলো না এখনো। বলতাছে ৯০ এর গসজাগরনের আগে সে পলাতক ছিলো। কিন্তু ৯০ এর গনজাগরনের সামরিক শাসনের পতণের ফলে তার রাষ্ট্রপতি হবার সুযোগ ছিলো। কিন্তু জয় বাংলার লোকজন একজন বিচারপতিকে নিয়োগ দেয়। তারপর থেকৈ আজকে ৩০ বছর। এখন তো তোর বয়স ৯৭ বছর। তুই নিজেকে রাষ্ট্রপতি ভাবিস কি করে? বাংলাদেশে কি শিক্ষিত লোকের অভাব পড়েছে। তো বলতাছে তার মাথার ঠিক নাই। পাবনা মানসিক হাতপাতালে ছিলো। তার সবসময়ই ৯০ এর কথা মনে পড়ে। 


সবশেষে বোঝা গেলো সে একজন টেষ্টিটিউব। সে প্রায় ১ লাখ বাংলার মা বোনকে ধর্ষন করেছে এখন পর্যন্ত এবং তার কোন সন্তান হয় নাই। টেষ্ট টিউব দের সন্তান ধারন ক্ষমতা হয় না অনেক সময়। তো তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তোর তো মৃত্যুর বয়স হয়েছে। তুই তো যে কোন সময় মারা যাবি? তোর কবর দেয়া হবে কোথায়? তো সে একটা গ্রামের নাম বলতাছে যে সেখানে সে কবর নিতে চায়। কারন জিজ্ঞাসা করলে বলে যে: সেই তিতাস এবং মেঘনার পাড়ে সে সবচেয়ে বেশী মানুষকে হত্যা করেছে। আমরা কেমন নিমকহারামের দেশে বসবাস করি যে: আজকে স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরেও তারা জীবিত আছে। যাদের জীবিত থাকার কোন মানে বা কারন নাই। বরঞ্চ ২০১৩ সালে শাহবাগের গনজাগরন থেকে শুনেছি - তাদেরকে ডাকা হয়েছে ভাইরাস নামে। আর এইচ আই ভিও একটা ভাইরাস আবার বর্ত মানে পেনিডেমিক ও একটা ভাইরাস। আমার কাছে তো মনে হয়: টেষ্টটিউব রাজাকারদের সাথে বাংলার মেয়েমানুষের শারিরীক সম্পর্ক থাকার কারনেও বিশ্বে এই রোগের উৎপত্তি হতে পারে। বিশ্বের সকল দেশে র দেশবিরোধী দের তাৎক্ষনিক ভাবে মেরে ফেলা হয় বা প্রকাশ্য দিবালোকে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় বা ওপেন ক্রসফায়ারের মাধ্যমে মেরে ফেলা হয়। বাংগালী কি এখনো স্বাধীনতার ৫০ বছরে পা দিয়েও দালাল/রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পারবে না? কি এক দেশ।


ইন্টারনেটের ক্যলানে ২০০০ সাল থেকে বাংলার ছেলে বা মেয়েরা নানাবিধ কারনে ঘর থেকে বের হওয়া কমিয়ে দিয়েছে। তার আগে পর্যন্ত বাংলার রোড ঘাট পথ প্রান্তর সবসময় ভরা থাকতো। তাকে যুদ্বের পরে জাপানে কল করা হয়েছিলো। সে সেখানে কয়েক বছর থেকে ফিরে এসে বলে যে: সে পেণসিলভেনিয়াতে ছিলো। আবার সে নিজেকে বিশ্বব্যিধালয়ের ফলস শিক্ষক ও বলে থাকে মাঝে মাঝে যাকে বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঠাটাইয়া থাপ্পড় মারে। তার নামে বিশ্ববিধ্যালয় মন্জুরি কমিশনে কোন নিয়োগ পত্র নাই। তার নামে কোন বিশ্ববিধ্যালয়ের নিয়োগ পত্রও নাই। ভেবেছিলো বাংলার মানুষকে ধোকা দিয়ে সে পার পেয়ে যাবে। কিন্তু শাহবাগ গনজাগরন ভিত্তিক বাংলাদেশ অতিশয় চালাক। তারা ঠিকই খুজে খুজে বের কের ফেলেছে যে এই লোকের কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা নাই। এবং সে বাংলা পড়তেও পারে না আবার লিখতেও পারে না। তো এই লোকের এখনো প্রায়শই মাথা খারাপ হয়ে যায় আর প্রায়শই বলে উঠে যে প্রেসিডেন্ট হবে সে প্রেসিডেন্ট হবে। অথচ প্রেসিডেন্ট হবার জন্য অবশ্যই ২ টা উপায়ের একটা উপায়ে থাকতে হবে: 


১) আপনাকে অতি অবশ্যই নির্বাচিত জন প্রতিনিধি হতে হবে। মানে এম পি হয়ে সংসদে আসতে হবে। তারপরে সংসদের মিনিমাম ১৫১ আসনের সদস্যদের অনুমতি নিয়ে তারপরে গনপ্রজাত্নত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রেসিডেন্ট হতে হবে। 

২) অথবা বাংলাদেশে কোন প্রকার ক্রাইসিস হলে এবং রাজনৈতিক সরকার ফল ডাউন হলে সমস্ত ধরনের সরকারি আইনজীবিরা মিলে যাকে প্রেসিডেন্ট বানাবে সেই অন্তবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হতে পারবে। পুনরায় ভোট গ্রহনের পরে রাজণেতিক সরকার এসে সেই পদে নতুন লোক দিতে পারবে। যখন বাংলাদেশ সরকার নিয়োগ দিবে তখন সেই নিয়োগপ্রাপ্ত লোকের বয়স ম্যাক্সিমাম ৬৫ হতে হবে  এবং সরকারি রানিং চাকুরীজীবি হতে হবে (বর্তমানে সরাকরি আইনজীবিদের চাকুরীর বয়স ৭০ বছর) কারন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ৫ বছর মেয়াদে। 


তো সেই দালালের (ফাসি) মেইন চিন্তাই ছিলো যে রাস্তার লোকজনকে বা আন্দোলনে কে ইস্যু করে সে বাংলোদেশের প্রেসিডেন্ট হয়ে যাবে। কিন্তু সঠিকভাবে আইন না জানার কারনে জনসম্মুক্ষে প্রকাশ্য দিবালোকে সকলের সামনে বেয়াদবী করে বসে। সাম্প্রতিককালে সংঘটিত ২০১৩ শাহবাগ গনজাগরন কেও সে পুজি করে বসে অনেকসময় কারন সে ছিলো রিক্সাচালক। অমানুষিক পরিশ্রম করতো সে আর রাস্তার সব মানুষকে আপন ভাবতো। সেই জণ্য থানা শাহবাগের গনজাগরনের মানুষজনকেও সে আপন মনে করে জয় বাংলা বলা ছাড়াই। যখন গনজাগরন জয় বাংলা বলে উঠেছে তখন সে পালাইছে। মুক্তিযোদ্দাদের দেইখাই সব রাজাকার মরে যাবার কথা ছিলো কিন্তু ৭১ এ প্রত্যেকটা মানুষকে জবাই করার কারনে মনে হয় তারা জনপ্রতি ৫ মিনিট করে হায়াত পাইছে আর সেই হায়াত তারা এখন ভোগ করতাছে - কারন নয়তো সেই ধরনের দালাল/রাজাকার যারা ফাসির যোগ্য তারা এখনো বেচে থাকে কি করে? মুক্তিযুদ্বে নিহত হওয়া জয় বাংলার প্রজন্ম তাদের বিচারের দাবী রেখেছিলো আমাদের হাতে আর আমরা সেখানে নামকাওয়াস্তে স্বার্থক্(রাজাকারদের ফাসি কার্যকরের মাধ্যমে) । 


পুরোপুরি স্বার্থক হবে যদি স্বাধীনতা দিবস ২০২১ এ- ৫০ বছরের আগে সারা দেশ সম্পূর্ন রুপে দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম মুক্ত হয়। আর নয়তো বাংগালী অরক্ষিত রয়ে গেলো। সেই আগেকার মতো- পূর্ব বাংলার মতো। তখণ যেমন ভারত বাচিয়েছিলো এখনো কোন বিপদ হলে ভারতই বাচাবে। পৃথিবীর প্রথম ১০ টি দেশের সামরিক বাহিণীর লিষ্টে ভারতের নাম আছে। আর তাদের সাথে আছে বর্তমানে ইসরায়েল আর্মি এবং ইউএসএ আর্মির অস্ত্র ও গোলাবারুদের সাপোর্ট। সময় এসছে পুনরায় জয় বাংলা বলে একদিনে সব দেশবিরোধী দের খতম করে দেয়া। বর্তমানে তুমুল জনপ্রিয় তুরন প্রজন্ম কি পারবে সে স্বপ্ন টা পেূরন করতে? 


বি:দ্র: এই ধরনের তালিকাগ্রস্থ লিষ্টেড দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারদের (ফাসি) বিরুদ্বে যুদ্ব করে আমরা সারা দেশে ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস ইন্ডাষ্ট্রিজ গড়ে তুলেছি্‌।একেকজনের এককধরনের রিয়্যাকশন হতো। আমার জণ্য যেটা হয়েছে সেটা জয় বাংলা বলা। 


নোট: টেষ্টটিউব রাজাকার (ফাসি) বলেছি বলে ভাববেন না যে: সব রাজাকারই (ফাসি) টেষ্টটিউব না। সব রাজাকার (ফাসি) এবং দালাল (ফাসি) এবং দেশবিরোধী (ফাসি) মধ্যে ম্যাক্সিমামই ছিলো মানুষ রুপী জানোয়ার বা হায়েনা। অনেক টাকার লোভে এবং সুন্দরী টাইপের মহিলা মাগীদের সাথে সম্ভোেগের লোভে তারা বাংলার সাথে বিট্রে করতে রাজী হয়। সব ধরনের দেশদ্রোহীদের কে সাতে সাথেই মারা হয় যেমন: দ্বিথীয় বিশ্বযুদ্বের হিটলার কে যুদ্ব শেষ হবার আগেই মেরে ফেলা হয়েছিলো। একদম ১০০% দালাল রাজাকার দেশবিরোধী মুক্ত স্বদেশ চাই। 

Bo3 Zombies High Round Attempts And Fun With Friends On Playstation 4 Li...



#livestream #bo3 #bo3zombies #playstation4
#callofdutyopp  #cod #zombies #shadowsofevil
#zombieshighround #ps4 #callodduty #zombies #zombie #ps4live

Jays Channel



#YouTubechannel
#channel
#video
#videos
#videostowatch

Thursday, December 3, 2020

Instructables Link Building. White Hat SEO. Off Page Optimization.


#instructables #whitehatSEO #offpageoptimization #linkbuilding

Viral Vavoom Ads - Advertising Achieves Prosperity


#YouTubechannel
#channel
#video
#videos
#videostowatch

ইন্টারনেট থেকে তৈরী হওয়া হেফাজতের গনজাগরন এবং সাথে আরো কিছু কথা।

আলেম, ওলামা, মাওলানা দেখলেই সহজে মানুষের মনে ভক্তি, শ্রদ্বা জেগে উঠে। মানুষজন তাকে শ্রদ্বা জানাতে চায়। তার সাথে হাত মিলায়। সালাম দেয় বা কথা বলে। কিন্তু কোন আলেম বা ওলামা বা মাওলানা আপনার চোখের সামনে কোন খারাপ কাজ বা ধর্ম বিরোধী (সাধারনত একজন আলেম খারাপ কাজ করতে পারে না) কাজ করে তাহলে আপনি তার প্রতি খুব স্বভাবতই শ্রদ্বা হারিয়ে ফেলবেন। কারন শ্রদ্বা রাখার মতো কাজ সে করে নাই হয়তো বা আপনার সামনে। একসময় বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গুটি কয়েক আলেম ওলামা মাওলানাদের ব্যাপারে ২/৩ টা খারাপ কথা শোনা যাইতো। ২/৩ টা খারাপ কাজের কথাও শোনা যাইতো। কিন্তু বন্যায় পানির তোড়ে যেমন সব ময়লা ভেসে যায় সাগরে সেরকম সারা দেশের আলেম ওলামা মাওলানাদের সমন্বিত আমলের গুনে সব খারাপ ভেসে যাইতো আর পরবর্তীতে তারা সব কিছু ঠিক করে ফেলাইতো। সেরকম ভাবে ইদানিং ও বিভিন্ন মাদ্রাসায় মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক বলাৎকারের ঘটনা বা একেবারে ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের উপর ধর্ষনের ঘটনাও পত্রিকাতে আসে কম বেশী। এতোকিছু হবার পরেও বাংলাদেশের সকলের মনে আলেম ওলামা মাওলানাদের বিষয়ে একটি শ্রদ্বাবোধ সকলের ই কাজ করে। কিন্তু একটা বিষয় জেনে রাখা দরকার- এখণ ইন্টারনেটের যুগ। কোন একটা বিষয় বুলেটের গতিতে চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়া টা এখণ এক সেকেন্ডের বিয়ষ। একসময় অজপাড়া গা ছিলো- মসজিদ মাদ্রাসার আভ্যন্তরীন বিষয়গুলো মানুষের নজরে আসতে অনেক সময় লাগতো। আর এখণ ইন্টারনেটের কল্যানে মসজিদ মাদ্রাসা বিষয়ক অনেক কিছু খুব সহজে জানতে পারে মানুষজন। বিশেষ করে হেফাজতের গনজাগরন চলাকালীন সময়ে সারা বিশ্বের একটা নজর ছিলো শাপলা চত্বরে। ফলে যে কোন বিষয় সহজেই মানুষের চোখে লেগে যায় দ্রুততার সহিত। ধারনা করা হয় হেফাজতের গনজাগরন প্রায় ১ কোটি লোকের সমাবেশ হইছে যা গিনিজ বুক অফ রেকর্ড স এ জায়গা করে নিয়েছে। 


হেফাজতের গনজাগরনে যারা অংশ গ্রহন করেছে তারা সব বৈধ ভোটার এবং বৈধ নাগরিক। বাংলাদেশে শতভাগ সুষ্ট নির্বাচন হলে হেফাজতে সহ সকল ধর্ম প্রান মুসুল্লীদের ভোট আছে মিনিমাম তিন ভাগের এক ভাগ। শতভাগ পরিস্কার নির্বাচন হলে মুসলিম ধর্মীয় রজিনৈতিক দলগুলো ৪০-৪৫ টা সংসদীয় সিট পেতে পারে মিনিমাম । চট্রগাম , ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, চাদপুর, লক্ষীপুর এবং উত্তরবংগের কয়েকটা জেলাতে হেফাজতের ভালো দাপট আছে। সেখানে তাদের সাপোর্ট করা দল অনায়াসে জেতার মতো পরিস্থিতি রাখে যদি সকল ধরনের মুসলিম দলগুলো একজোট হয়ে যায়। হেফাজতের ক্ষমতাও আছে সকল ধরনের মুসলিম দলগুলোকে একসাথে করে একটি ভালো নির্বাচন তৈরী করা, অংশগ্রহন করা এবং দেশের বিভিন্ন খান থেকে জিতে এসে জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিত্ব করা। হয়তো একসময় তাদেরকে দেখাও যাবে এবং আমরা হয়তো দেশের বাহিরে বসে থেকে সারা দেশের সংসদ সদস্য হিসাবে হেফাজত পন্থী রাজনৈতিক নেতাদের অংশ গ্রহন বা তেজোদ্দীপ্ক ভাষণও শুনবো। হেফাজতের ইসলামের আন্দোলনের কারনেই বাংলাদেশ আজ মুসলিম দেশ মাননীয় হাই কোর্টের রায় অনুযায়ী। এই হেফাজত ইসলামের গনজাগরন ও মুসলিম গনজাগরন নামে পরিচিতি সারা বিশ্বে - বাংলাদেশ মুসলিম গনজাগরন। এই গনজাগরনরে পরে বাংলাদেশের অনেক ধর্মীয় পন্থাকে বেধাত ঘোষনা করেছে কারন হেফাজতেরে লোকজন সারা দিন যে আমল করে তাই আপনি করে শেষ করতে পারবেন না। সৃষ্টিকর্তা, নবী, জান্নাত লাভ করার জণ্য হেফাজত নির্দেশিত একটি পথই যথেষ্ট বলে মনে করি- যার নাম হেফাজতের তরিকা বলেও খ্যাত অনেকখানে। আমাদের আজকের বিশ্বে দেড়শো কোটি মুসলিম ১৫০ টা উপায় বা পন্থা অবলম্বন করে চলে ফরে এই নানাবিদ বিভেদ আর মতৈক্য। সকল ধরনের সুন্নতপন্থী লোকদের একটি পতাকার ছায়ায় থাকা উচিত তাতে আমি মনে করি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নাগরিক যারা মুসলিম তাদের মান সম্মান মর্যাদা আরো অনেক উপরে উঠবে। 




হেফাজতের গনজাগরনের অনেক মুসলিম দলের লোকজনও  অংশগ্রহন করেছিলো। সারা দেশের শাহবাগের গনজাগরনের বলয় তৈরী করার সময় হেফাজতের গনজাগরনে অংশগ্রহন করার আহবানও  ছিলো। আমি তখণ ময়মনসিংহের বড় মসজিদে অনুষ্টিত তাদের একটি সভা এবং সমাবেশ এ অংশগ্রহন করি। সেদিন শাহবাগ গনজাগরনের তেমন কোন প্রোগ্রাম ছিলো না বোধ করি। ভালো লেগেছে একজন মুসলিম হিসাবে হেফাজতের গনজাগরনের সাথে নিজেকে জড়িত রাখতে পেরেছি। আমার বাবা উদারপন্থী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবার পরেও ধর্মীয় পন্থা হিসাবে ১৯৯০ সালের পর থেকেই তাবলীগের সাথে জড়িত। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকাতে ছিলাম বা বসবাস করতাম। আমি ১৯৯০ থেকে কমবেশী মঞ্চ নাটকের সাথে বা তাদের কাজের সাথে জড়িত ছিলাম- সেই জন্য তাবলীগের লোকজনের অনেক কটু কথাও শোনতাম। অনেকে গায়ে হাত তুলতে পর্যন্ত উদ্যত হতো। কারন তাদের চোখে নাটক সিনেমা একেবারে হারাম। আবার সময়ে সময়ে সারা বিশ্বের যতো তাবলীগের লোকজন আসতো তাদের সাথে দেখাও করতাম। বাসার কাছের মসজিদে, তাদের সাথে সালাম কালাম বিনিময় ও করতাম আবার বাসা থেকে তৈরী করা খাবারও তাদেরকে মসজিদে নিয়ে যাইয়া খাওয়াইতাম। আমাদের আবাসিক এলাকার বাসাতে সারা বিশ্বের সকল মুসলিম দেশের মেয়েরা তাবলীগের জামাত অনুসারে আসতো আর ২/৩ দিন করে থাকতো। তারা যেহেতু বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ থেকে আসতো তাই তাদেরকে ভিআইপি মর্যাদায় রাখা হতো বাংলাদেশে। অনেক মুসলিম দেশের পরীর মতো সুন্দরে মেয়েরা কাছে ডেকে আদর করতো বয়স কম থাকার কারনে এবং  বিশ্বের সব দেশের চকলেট মিমি খাওয়ার সৌভাগ্যও হতো। ১৯৯০ সালে বয়স ছিলো ১০। ১৩/১৪ বছর বয়স পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেয়েদের সাথে কথা বলার সৌভাগ্য ও হয়েছে।

  

আমাদের বাসাতে ছোটবেলা থেকেই টিভি বা ডিশ বা স্যাটেলাইট কানেকশন ছিলো না। ধর্মীয় সমাজ ব্যবস্থা বলতে যা বোঝানো হতো তাই ছিলো। অনেক সময় বিটিভির দরকারি প্রোগ্রামগুলো মানুষের বাসাতে যাইয়া শুনতে হতো বা দেখতে হতো। অনেকেই সাদরে বসে দেখতে দিতো আবার অনেকেই কিছুটা পারিবারিক সিক্রেসী দেখাতো। পাবলিক বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষেকের বাসাতে টিভি বা রেডিও বা ডিশ বা স্যাটেলাইট নাই ব্যাপারটা অনেকেই  খুব রিয়্যাক্ট করতো। অন্ততপক্ষে তখনকার দিনের উত্তাল ১৯৯০ পরবর্তী গনজাগরনের প্রত্যেকটা দিনের খোজ খবর নেয়া বা সেই সাথে থাকা একটা বিরাট ব্যাপার ছিলো কিন্ত আমার বাবার একমাত্র কাজ ছিলো মন  দিয়ে সারা দেশের পরীক্ষা নিরীক্ষার খাতা দেখা আর সকাল হলে বিশ্ববিদ্যালয় যাবার আগে বাংলাদেশের পত্রিকাটা এ টু জেড দেখা। এখনো আমার আব্বা (এখন অবশ্য আমার আব্বা ইউটিউব পুরো পুরি দেখতে পারে এবং খুজে খুজে খবর ও বের করতে পারে) পত্রিকাটা এ টু জেড পড়ে শেষ করতে পারে।  ১৯৯৮ সালে আমি বাসা থেকে বের হয়ে হলে পাড়ি জমাই এবং আমার জীবনের সেরা স্বাধীনতা টুকু উপভোগ করি। 



ধর্মীয় যাতাকলের বাহিরে যে আরো একটি জীবন আছে সেটা বুঝতে পারি। ধর্মটা যে জোর জবরদস্তীর ব্যাপার না সেটাও বুঝতে পারি। আবার ঈমানহারা হওয়া যাবে না সেটাও সেন্সে থাকে। সব মিলিয়ে মডারেট একটি মুসলিম ফিলিংস আমার সাথে থাকে। ১৯৯৮ সালেই আমরা আমাদের বাকৃবি আবাসিক এলাকার বাসভবন ছেড়ে নিজস্ব বাসভবনে চলে আসি (বর্তমানে ২০ নম্বর ওয়ার্ডে - মসিক ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে)। এইখানে আসারপরে বাসাতে তাবলীগের মহিলারা ১৯৯০ সাল থেকে সপ্তাহে একদিন এসে এক জায়গায় বসে তালিম করতো। ব্যাপারটা সেই সময়ে এমব্রেসিং এর মতো একটা ব্যাপার হলেও যেহেতু বাবা মা এলাও করে তাই আর কিছু বলতে পারি নাই। প্রতিবাদ করলে বলতো তুমি নিজে বাসা বানিয়ে নাও সেখানে তোমার মন মতো চইলো বা থাইকো।  ১৯৯৮ সালে নিজেরা বিল্ডিং এর কাজ শুরু করে একতালা বানানোর পরে কাজ থেমে যায়। সেই একতালাতেই ২০০৬ সালে সম্ভবত আবারো শুরু করে এই প্রতি সপ্তাহে একবার করে মহিলাদের তাবলীগের তালিম করার রেওয়াজ। কিছুটা পিছু হটে গেলাম এবং একটু হতভম্বও হয়ে গেলাম। সবচেয়ে অবাক লাগলো যে আমি তখন পুরোপুরি একজন যুবক। এরকম একজন যুবকের অবিবাহিত সিচুয়েশনে সেখানে বা সেই বাসাতে তাবলীগের মহিলাদের একসাথে হয়ে তালিম করাটা কতোটুকু যৌক্তিযুক্ত। পরে দেখলাম এদের কোন নিজস্ব হুশ জ্ঞান নাই। তারা তাবলীগের জন্য জীবন ও দিয়ে দিতে প্রস্তুত। থাকি বাবার বাড়িতে - প্রতিবাদ করলে আবারো বলতাছে যে তুমি নিজে বিল্ডিং করে নাও আর সেখানে তুমি তোমার মন মতো থাকো। 


১৯৯০ সালে যখণ প্রতিবাদ করেছি  তখন স্যাটেলাইট বা ডিশ কানেকশণ না দিলেও দিয়েছিলো কম্পিউটার। তখন সাদা কালো উইন্ডোজ ছিলো। সেটা ১৯৯৪ সালে আইসা রংগিন উইন্ডোজ হয়। তখন আমি নবম দশম শ্রেনীতে উচ্চতর গনিতের বিপরীতে কম্পিউটার সায়েন্স নেই এবং এসএসসি তে ভালো মার্কস পাই। তারপরে ২০০৩-২০০৪ সালে  বিশ্ববদ্যিালয় পড়া না চুকাতে পেরে আবারো এপটেক ওয়ার্ল্ডওয়াইডে ভর্তি হই এবং ১৬-১৮ মাসের একটা এসোসিয়েটস কোর্স শেষ করি। এর মাঝেই ফ্রি ল্যান্সিং এর নেশাতে পাইয়া বসে। টুকটাক উপার্জন ও করতে থাকি। তারপরে আবারো ডেস্কটপ কম্পিউটার কিনে দেয় ২০০৬ সালে এবং সেখানে বসেই ফ্রি ল্যান্সিং এর যাত্রা শুরু। সেই থেকে আজ পর্যন্ত কাজ করে যাইতাছি অবিরত। মাঝে শাহবাগ গনজাগরন চলাকালীন সময়ে ইউরোপের নাগরিকত্ব পাবার মতো অফারও পেয়েছি এবং সেই অফার আজো বলবত আছে। ইচ্ছা আছে এখণ বিয়ে শাদী করে পাত্রী নিয়ে পাড়ি জমাবো। স্থাণীয় মহিলাদের সেই তাবলীগের মহিলাদের প্রোগ্রাম ক্রমাগত চলতেই আছে । শুনেছি কোন খানে বালেগ পুরুষ থাকলে এবং অবিবাহিত থাকলে সেখানে মুসলিম ধর্মের অন্যান্য মহিলাদের যাতায়াত নিষেধ। ফলে তাদের এই অত্যাচারে আমি আরো বেশী নাটক সিনেমা প্রবন হয়ে উঠি। যখনি তারা আমাাদের বাসাতে আইসা বাংলা বা অন্য কোন ভাষাতে তালিম করতো (সপ্তাহে একদিন) তখনি আমি আমার নিজরে বাসাতে সংসার করার প্রতি আগ্রহ হারাইয়া ফেলি। মনে মনে ভাবতে থাকি অন্য কোন মেয়ে কি সহজে আমার পরিবারের সাথে মানাইয়া চলতে পারবে? বা কোন মেয়ে কি সহজে রাজী হবে। আমার জীবনে আমার পরিবারের সামনে আমার বাসাতে আমি কোন মেয়ের সাথে রুম ডেটিং করতে পারে নাই। তাবলীগের ভাষাতে এইটাকে বলা হবে নাউযুবিল্লাহ। কিন্তু হেফাজতের গনজাগরন সারা দেশে মেয়েদের মনে একটা দোলা দিয়ে গেছে। একটা পরিবর্তন তৈরী করে দিয়ে গেছে।  


২০১৩ সালের হেফাজত গনজাগরনরে পরে এই আন্দোলন দেখে রং পরিবর্তন হয়ে যাওয়া অনেক মেয়েই সংসারের প্রতি আমাকে আগ্রহী করে তুলে। আমি নিজে ও পাত্রী দেখতে ইন্টারেষ্টেড হই। এখণ বিগত ১বছর যাবত করোনা শুরু হবার পর থেকে পা্ত্রী দেখা হইতাছে এবং যে কোন সময় হয়তো একট সুখবর বা সু সংবাদ দিতেও পারবো।  চেষ্টা চলতাছে। ফ্রি ল্যান্সার দের বিয়ে হয় না ব্যাপারটা সত্য না। একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে আমার কাছে কয়েকটা মেয়েরই প্রস্তাব এসেছে। ইন্টারনেট থেকে তৈরী হওয়া হেফাজতরে গনজাগরন ও বাংলাদেশের মেয়েদের মাথাতে হিজাব/ষ্টাইলিশ হিজাব দিয়ে গেছে। অনেক মেয়েকেই সুন্দর সুন্দর বোরখাতে আবদ্দ করে গেছে। অনেক মেয়েদের মনে অনেক পরিবর্তন এনেছে। মডারেট মুসলিম মেয়েদেরকে সারা বিশ্বের সকল ধর্মে র লোকজনই পছন্দ করে যারা লিবারেল এবং ফ্রিডম। হেফাজতের ইসলামের গনজাগরনের পরে সারা দেশে তাবলীগের আর কোন প্রয়োজনীয়তা আমি ব্যক্তিগতভাবে ফিল করি না। আমার কাছে মনে হয় আলেম, ওলামা , মাওলানা ছাড়া আর কারো মুখে হাদিস বা কোরানের কথা মানায় না। একজন আলেম একটি ওয়াজ করে যে হাদিসের কথা বলবে আর তাতে যে তাছিড় পড়বে একজন সাধারন শিক্ষিত মানুষ সে কথা বললে কোন লাভ হবে না- মানুষ কিছুক্ষন পরেই ভুলে যাবে। ধর্মীয় সহী  রক্ষার্থে বাংলাদেশে আইন হওয়া উচিত যে : আলেম, ওলামা, মাওলানা বা মোহাদ্দেস ছাড়া আর কেউ ধর্মীয় দাওয়াত দিতে পারবে না বা হাদিসের কথা বলতে পারবে না কারন এইটা বলতে একটা যোগ্যতা লাগে। মনে চাইলো আর বলে দিলাম- ধর্মটা নিশ্চয় ই এতো ঠুনকো না। 

একসময় বিশ্বের অনেক দেশে তাবলীগের প্রচলন ছিলো। এখন আর সেরকম নাই। অনেক মুসলিমে দেশেও তাবলীগ নিষিদ্ব। যেমন: কুয়েত । স্বয়ং সৌদি আরবের মসজিদেও তাবলীগের লোকজন দেরকে থাকতে দেওয়া হয় না বলে শুনেছি। যে পন্থা গুলো ধীরে ধীরে বিলু্প্ত হয়ে যাইতাছে সে পন্থা গুলোকে আকড়ে ধরে রাখাকেই ধর্মীয় গোড়ামি বলে। হয়রত মোহাম্মদ মোস্তফা (আ:) যা যা করে গেছেন তা তা করাকেই সুন্নত বলা হয়। কিন্তু নব্যূয়তের বানী প্রকাশের ব্যাপারে উনি আলেম ওলামা মাওলানাদেরকে তার ওয়ারিশ করে গেছেন । সে হিসাবে সাধারন শিক্ষিত মানুষ নিজে ধর্ম  কর্ম  পালন করাটা ভালো কিন্তু ধর্মের কথা তারা না বলে আলেম ওলামাদের কাছ থেকে শোনাটা ভালো বলে আমি মনে করি। 


যে পন্থাগুলো সৌদি আরবেও প্রচলন নাই সে পন্থা গুলো বাংলাদেশে ও প্রচলন না থাকাটা ভালো মনে করি।   আপনি যদি কোথাও কোন খানে ধর্মীয় ফেতনা ফ্যাসাদ তৈরী করেন তাহলে সেখানে শয়তানের আবির্ভাব ঘটবে। আপনি যদি শয়তানের তরিকা ফলো করেন তাহলে আপনার মাঝে নানা ধরনের গোমরাহী তৈরী হবে। শয়তানের নির্দেশিত পথকে আপনার কাছে সহীহ মনে হবে। মানুষের উপর জোড় জবরদোস্তী করা, মানুষের কাছে টাকা পয়সা ভিক্ষা চাওয়া, সামর্থ্য  থাকা সত্বেও কাজ না করা, মানুষের সহায় সম্বল সম্পদের দিকে দেয়া বা কুনজর দেয়া , মানুষের ক্ষতি করার চিন্তা করা, মানুষের অর্থ  সম্পদের উপরে জোড় জবড়দস্তী করা . মানুষকে জোড় করে ধর্ম  পালন করানোর চেষ্টা করা, প্যাচে বা ঝামেলায় ফেলানো বা সর্বদা  অশান্তিতে থাকা, কোন সিদ্বান্ত জোড় করে চাপাইয়া এইগুলো হইতাছে  শয়তানের নির্দেশিত পথ বা শয়তানের অনুসরন করা। অনেক সময় শয়তান মানুষের রপ ধরে মানুষকে ধোকা দেয়। আর যদি কোনখানে ধর্মীয় ফেতনা ফ্যাসাদ তৈরী করে তাহলে সেখানে শয়তান সেখানকার শয়তানির কারনে সেখানে শয়থান একটা নেক সূরত ধারন করার চেষ্টা করে এবং মানুষকে ধোকা দেবার চেষ্টা করে। 


রাজধানী ঢাকা শহরের একটি সার্কেলে থেকে একটি কথা শুনতেছিলাম। যেই সার্কেল থেকে কথা শুনতেছিলাম সেই সার্কেল র ছেলে মেয়েরা ছিলো প্রজন্ড রকম খারাপ। ধর্মীয় কোন প্রথা তাদের মধ্যে ছিলো না। তারা প্রায়শই বলতো যে তারা যখন কুকাজ করে  বা কুচরিত্রের কাজ করে তখন তারা একটা বৃদ্ব লোককে দেখে। পরে অনেক ভাবে আলোচনা করে ডিসকাস করে শেষে বুঝতে পারলাম যে স্বয়ং শয়তান নিজে সেখানে একজন সুন্নতধারী মানুষের রুপ ধরার চেষ্টা করে। আরো অনেক খানে পড়াশোনা করে জানতে পারলাম যে: শয়তান যার যার মানুষের পেছনে পায়ুপথের কাছ পর্যন্ত উচ্চ মাটি থেকে। সেই হিসাবে ২.৫ ফিট বা ৩ ফিট। পরে আরো কয়েকখানে দেখলাম যে: অনেকে শয়তান কে ফোর ফিট বলে সম্বোধন করে। এই ফোর ফিট বলতে উল্টা পা বৈশিষ্ট্র সম্পূর্ন বলে। পরে আরো বুঝতে পারলাম যে শয়তানের উচ্চতা ২.৫ ফিট এবং তার পা উল্টো। সো সেই গ্ররপটাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে: তোমরা কি পুরোপুরি কোন সুন্নতধারী মানুষকে দেখো নাকি হাফ দেখো। তো উত্তরে তারা বলতাছে তারা শুধূ মুখ দাড়ি আর বুক দেখে । তো আমি বললাম যে তোমরা তা পা দেখার চেষ্টা করো্। বলতাছে নাই্। বললাম: পেট -বলতাছে নাই। তো পরে বুঝালাম যে এইটা স্বয়ং শয়তান নিজে একটা সুন্নতের সুরুত ধরার চেষ্টা করে পুরোপুরি ধরতে পারে না। সৃষ্টিকর্তার লানতের কারনে সে মুখের ‍রুপ ধারন করলে পা খুজে পাওয়া যায় না এরকম। যাকে প্রথমেই বলে শুরু করেছি যে: স্বয়ং শয়তান নেক সুরুতে ধোকা দেয়। মুসলিম ধর্মেও শয়তানের ধোকা থেকে বেচে থাকার কঠিন নির্দেশ আছে। 


এখন আমাদের পুরো বিল্ডিংই ওযাই ফাই করা। বাংলাদেশের লোকজনই এখন ইন্টারনেটের ক্যলানে টিভি দেখাও ছেড়ে দিয়েছে। হেফাজতের গনজাগরন এবং শাহবাগের গনজাগরন ও সারা বিশ্বে দেখানো হয়েছে স্যাটেলাইটের কল্যানে বা ইন্টারনেটের কল্যানে। আমার বাবা ও এখন অনেক টা মডারেট এবং লিবারেল। আমাকে প্রায়শই তাগাদা দেন বিয়ে শাদীর ব্যাপারে- আমিও অনেকটা চেষ্টা করে যাইতাছি । কিন্তু ছোটবেলাতে যখন তাবলীগের যাতাকল কাজ করতো তখন চোখে মুখে অনেকসময় দিশেহারা বোধ করতাম। তখণকার সময়ে মসিজদে একজন সৌদি প্রিন্সের কাছে ওয়াদা করেছিলাম যে: আমি ১২০ দিন (মান্নত) সময় দেবো তাবলীগে। সেই হিসাবে ২০১৭-২০১৮ সালে সকল ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে শুধূ মোবাইল এবং ইন্টারনেট কে সাথে নিয়ে বের হয়ে যাই তাবলীতের লোকজনের সাথে। আমি সব মসজিদের বারান্দাতে বা বাহিরে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্ডারের কাজ কমপ্লিট করেছি মোবাইল ইন্টারনটে দিয়ে। কোথাও কোন মোবাইল চুরি হয় নাই। ২০১৩ সালের হেফাজত গনজাগরনের পর থেকে তাবলীগের লোকজন কয়েক ধাপে বিভিক্ত হয়ে যায়। সারা দেশের মসজিদে তারা মারামারি এবং হাতাহাতি করে এবং একটা ন্যক্করজনক (এক কথায় তাবলীগ সারা দেশের মানুষের শ্রদ্বা হারিয়ে ফেলায়) পরিস্থিতি তারা সৃষ্টি করে। সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে  আমার বাবাকে আমি গাইড করতে পারি এবং উনি সবচেয়ে ভদ্রতার তরকিাতেই এখন টুক টাক জড়িত আছেন। কিন্তু আশ্চর্য হলাম সারা বিশ্বে যখন বলতাছে এই শীতের মধ্যে করোনার প্রকোপ বাড়তে পারে ঠিক সেই সময়ে তারা আবারো তালিম বা ওয়াজ শুরু করার পায়তারা করতাছে বা করে যাইতাছে অলরেডী। করোনার পেনিডেমিক তো এখনো শুরু হয় নাই বাংলাদেশে। বাংলাদেমে শুধু রোগ ধরা পড়েছে বলা যায়। পেনিডেমিক তো শুরু হবে সামনে বোধ করি। কারন শুনেছি যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ধরা পড়ে প্রায় ২০১৩ সালে মারা যায় ৪০০০+। এখণ মারা যাইতাছে প্রতিদিন ১২০০-১৫০০ সরকারি হিসাব মোতাবেক। আর এখন বাংলাদেশে মাত্র ধরা পড়েছে। যদি হঠাৎ করে পেনডেমিক শুরু হয় তাহলে কি কোন উপায় আছে?


সরকারের প্রজ্ঞাপনে সরাসরি নিষেধ আছে ওয়াজ এবং তালিমের ব্যাপারে। কিন্তু তালিম এবং ওয়াজপন্থীরা রীতিমতো তারা সভা শুরু করে দিছে। এই ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে লাইভে এসে করা যাইতো। তালিম এবং ওয়াজ তারা লাইভে এসে করতে পারতো। সেখান থেকে যদি করোনা উপদ্রব শুরু হয় তাহলে তার দ্বায় দ্বায়িত্ব কে নেবে? আমি ব্যক্তিগতভাবে তাবলীগ কে পছন্দ করি না । কিন্তু আমার বাবা বা বোনেরা জড়িত থাকার কারনে সরাসরি প্রতিবাদও করি না। যখনি বাসাতে আগে ২০০০ সালের আগে তাবলীগের মহিলারা একসাথে হইতো তখনি আমি বাসা থেকে বের হয়ে চলে যাইতাম সিনেমা হল্ দুপুরের শোতে সিনেমা দেখা হয়েছে প্রায় ২০০- ধরতে গেলে প্রায় ৪ বছর। আর এখণ সেই সময়ে বসে বসে ইন্টারনেটে সিমেনা বা ইউটিউব নাটক ও দেখা হয়। কারন আমি এই জিনসগুলোর তেমন ভিত্তি খুজে পাই না। আমি ভিত্তি  খুজে পাই: ৫টা নির্দেশে- কালেমা, নামাজ , রোজ, হজ্ব এবং যাকাতে। আমি স্কেল জীবনে ক্লাসে প্রায় ২ বছর আরবী কে বাংলা এবং বাংলা কে ইংরেজী এবং ইংরেজী কে আরবী করে আরবী শিক্ষা পড়েছি। আবার অনেক সময়: আরবী থেকে ইংরেজী বা ইংরেজী থেকে আরবী করেছি। অনেক অনেক হাদিসের বইও পড়েছি কোথাও অত্যাচার বা ঝুলুম কে প্রাধান্য দেয়া হয় নাই। অত্যাচার বা জুলুম কে সরাসরি নাস্তিকতার কাতারে রাখা হয়েছে। শুনেছি স্বয়ং  নবীজিও যুদ্বের ময়দান ছাড়া বিধর্মীদেরকে মারতেন না বা কোন অত্যাচার ঝুলূম করতেন না। আর বর্তমানের নেক সুরুতে ধোকার মতো ধর্মীয় ব্যবসায়ীরা কতো ধরনের আজাব গজবের সৃষ্টি করে তা এই গ্রাম বাংলার সকলেই জানে। 


কয়েকদিন আগে এক লোক আইসা বলতাছে ভাই সুদ খাওয়া তো হারাম? ব্যাংকে জমে থাকা খুবই অল্প কিছু টাকার উপরে সুদ আসে সে সেটাকে হারাম বলতাছে। আমি বললাম ব্যাংকে জমে থাকার সম্পদের উপরে যে % বা সুদ আসে সেটা আমার কাছে বৈধ কারন আমি নিজে তা রিসিভ করে সেটা গরীব মানুষকে নিজের হাতে দেবো। সেটা আমি নিজে খাবো না আর আমি সেটা অন্য কাউকে আমার হয়ে দেবার কথাও বলবো না। ব্যাংকের দ্বায়িত্ব ব্যাংক পালন করবে : যার % তাকে দিয়ে দিবে আর যে % রিসিভ করবে সে তার যাকে মনে চায় তাকে দান করবে। তো প্রতিমাসে আমার প্রাইভেট ব্যাংক থেকে সুদ রিসিভ করি আর সেই টাকাটা গরীব মানুষকে দিয়ে দেবার চেষ্টা করি। আমি ঘুষ, উপহার বা উপঢৌকন কে হারাম মনে করি। সৃষ্টিকর্তা এবং তার নবীজির কথা বলে টাকা বা পয়সা নেওয়াকে হারাম মনে করি। পরে সেই লোক বলতাছে- তাহলে আমার হিসাব ঠিক আছে। ব্যাংকে আমার নামে বরাদ্দকৃত টাকা থেকে যে সুদ জমা হবে তা আমার কাছে আসবে এবং আমি তা রিসিভ করবো এবং তারপরে সেটা আমি একদমই  খেটে খাওয়া গরীব মানুষ যারা কিনা রাস্তার পাশে বসবাস করে তাদের কে বা যারা দুই বেলা খাইতে পারে না তাদের কে দান করে দিবো। 


হেফাজত কো রাজনৈতিক সংগঠন না কিন্তু ধর্মীয় তরিকা হিসাবে তারা জমে গেছে। তাদের প্রতি শ্রদ্বা থেকেই গত নির্বাচনে বা প্রহসনের নির্বাচনে আমি হাতপাখা তে ভোট দিয়েছিলাম কিন্তু আইসা শুনি দেশের কোন লোকই ভোট দিতে পারে নাই। একধরনর জোড় জবরদস্তী করে নির্বাচন কারচুপি হয়েছে। কিছু বলি নাই কারন আমি নিজেই দেখেছি সকাল ১১ টার দিকে কেউ নাই ভোটকেন্দ্রে। তারপরেও আশা করি হেফাজত সে রকম সততার জীবন যাপন করে সেরকম একটি সততার নির্বাচন সামনে আসবে এবং ইন্টারনেটে কাজ করা সকল ফ্রি ল্যান্সার রাও ভোট দিবে বা দিতে পারবে। 



Wednesday, December 2, 2020

কি এক ক্ষমতা ? ছবিসহ ভোটার তালিকা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ফিংগারপ্রিন্ট এসসমেন্ট আইডিয়া (আমার ধারনা)।

থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরন ২০১৩ এর কতোবড় ক্ষমতা ভেবে দেখেন যে: তারা সারা দেশের দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম কে মাটি থেকে তুলে বিল্ডিং এর বিরুদ্বে লাগিয়ে দিয়েছে- একটা বিল্ডিং তৈরী হয় ইট বালু রড সিমেন্ট দ্বারা। আর মাটি থেকে পৃথিবীর সমস্ত জীব জন্তুর উৎপত্তি ধরতে গেলে। ১৯৭১ এর দালাল (ফাসি) এবং রাজাকারে রা (ফাসি) এখন আর আগের মতো বাংলার মাটিকে ভালোবাসে না( তারা বাংলাদেশ কে ঘৃনা করে প্রথম থেকেই কিন্তু বেচে থাকার জন্য মাটিকে ভালোবাসতো বোধ করি)। ভালোবাসে তারা ইট বালু রড সিমেন্ট এর তৈরী খাচাকে যার ফলে চলে গেছে এমন এক লেভেলে যেখান থেকে আর কখনো ফিরে আসা যাবে না। এইটাকে বলা হয় বস্তুগত বিদ্যা। বস্তু কে ক্ষমতা মনে করে। বস্তুর ভেতরে প্রান নাই। আর তাই বস্তুকে যারা ভালোবাসে তারা ধীরে ধীরে নাস্তিক হয়ে যায়।  



 

 ইদানিং দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম কাগজের নোটের পেছনে আর দৌড়ায় না। সকলেই বুঝে ফেলাইছে বাংলাদেশ চলে ০ এবং ১ এর উপর দিয়ে - সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে। ডিজিটাল নাম্বার বা ০ এবং ১ এর সমন্বয়ে তৈরী ব্যাংকিং এর সিষ্টেমেরে প্রতি তাদের নজর থাকে- যদি হ্যাক করা যায় সেই ধান্ধাতে। অথচ ঘেটে দেখবেন তারা (দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম) কিন্তু ধর্ম ও বিশ্বাস করে না পরিপূর্নভাবে। শুণ্য এক দুনিয়ার সৃষ্টিকর্তা একজনই মালিক- এইটা একটা মেথড বা তত্ত্ব যার উপরে ভিত্তি করে বাইনারি ডিজিটাল পদ্বতি তৈরী করা হয়েছে বলে ধারনা করা হয়। একসময় যখণ দুনিয়াতে মানুষ ছিলো না তখন সৃষ্টিকর্তার এই দুনিয়াটা শুণ্য ছিলো আর সেটার একচ্ছত্র অধিপতি বা মালিক এখন পর্যন্ত - সৃষ্টিকর্তা। এখন দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম যে কিনা পদ্বতিগত ভাবে নাস্তিক (কারন নাস্তিক না হলে  তো এতোগুলো সহজ সরল সাধারন বাংগালীকে মাইরা ফালানো সম্ভব হতো না) তারা ও এখণ সেই ০ এবং ১ কে বিশ্বাস করা শুরু করেছে- অথচ ধারনা করতে পারি তারা কখনো ক্ষমা পাবে না।  


যেই ইন্টারনেট ইনফিনিটিভ (Infinitive)  বার্তা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় সেই ইন্টারনটে ও তারা বিশ্বাস করে ফেলাইতাছে। আর এই ইনফিনিটিভ (Infinitive) ব্যাপারটাকে বিশ্বাস করে ইন্টারনেটে তারা তাদের জাত (তারা যে শয়তানের বংশধর - নিশ্চি করে বলে দেয়া যায় চিরস্থায়ী জাহান্নামী ) তা তারা বুঝাইয়া দিছে বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বের লোকজনদেরকে। 


আচ্ছা মনে করেন এই মূহুর্তে যে সকল দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম বেচে আছে তারা যদি মানুষ না হয়ে টেষ্টটিউব বা কোন ধরনের স্পেশাল টেষ্টটিউব প্রজন্ম হয়ে থাকে (কারন তাদেরকে তো আমরা শয়তানের প্রজন্ম বলে থাকি) তাহলে চায়না যে দাবী করলো সেখানে একটা যুক্তি পাওয়া যাবে কারন যদি সে আর্টিফিশিয়ালি ইন্টলিজেন্স হিসাবে খ্যাত টেষ্টটিউব প্রজন্ম হয়ে থাকে আর সাধারন মানুষের সাথে যৌনকর্ম করে থাকে তাহলেও বোধ করি এই অজানা ডিজিজগুলোর উৎপত্তি হতে পারে যেমন: করোনা, এইডস বা ক্যানসার। এইগুলোর তো সঠিক প্রতিষেধক বের করা যাইতাছে না। তাই আমাদের দেশের সকলের ই এ ব্যাপারে ভয়াবহ সতর্ক হওয়া উচিত। এইখানে প্রশ্ন থাকে  যে এইদেশে দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম দের বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই কেনো? তারা তো সব সুবিধাই পাইতাছে- থাকতাছে, খাইতাছে বা চলতাছে। (শুনেছি একাত্তরের দেশবিরোধী প্রজন্ম কে স্থানীয় বা নিকটবর্তী জেলখানা থেকে খাবার সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে ফাসি হবার আগে পর্যন্ত বা স্বেচ্চায় আত্মহত্যা করার আগে পর্যন্ত)। তা হলে কি তাদের ফিংগারপ্রিন্ট এসেসমেন্ট (Fingerprint Assessment)  হয় না ?


ফিংগারপ্রিন্ট এসসমন্টে (Fingerprint Assessment) বলতে বোঝানো হয়- ইন্টারনেটে কম্পিউটারে বা প্রোগ্রামিং এ বা সফটওয়্যারের মাধ্যমে একজন মানুষের আংগুলের ছাপের সাথে বহির্ভাগে রক্ত এবং কয়েক লেভেলের আংগুলের ছাপ এবং হাড্ডি  এর এনাটমি পর্যন্ত খুজে বের করে সারা বিশ্বের ডিএনএন ডাটাবেজের সাথে ম্যাচ করে সঠিক আইডেন্টফিকেশন খুজে বের করা। (১৯৯৪/৯৫/৯৬ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রনীত কম্পিউটার সায়েন্স মাধ্যমিক লেভেলে এবং  পরবর্তীতে ইনফরমেশণ সিষ্টেম ম্যানেজমেন্ট ২০০৪-২০০৫ এবং ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা থেকে বোঝেছি)। আমাদের দেশে যাদের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভোটার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার আছে তাদের ফিংগারপ্রিন্ট এসেসমেন্ট (Fingerprint Assessment) হয় মিনিমাম ৪/৫ লেভেল পর্যন্ত সর্ব্বোচ্চ লেভেল হয় ১২ পর্যন্ত, আরো অনেক বেশী পর্যন্তও আছে বলেই পড়েছি। শূনেছি দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্মদের ফিংগারপ্রিন্ট এসসমেন্ট  হয় অনলি ওযান লেভেল পরে আর হয় না। তাহলে বোধ করি তারা আর প্রকৃত মানুষ না। সে কারনেই শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ তাদের (দালাল (ফাসি) এবং রাজাকার (ফাসি) এবং ৭১ এর দেশবিরোধী প্রজন্ম কে শুয়োরের বাচ্চা বা কুত্তার বাচ্চা বলে অভিহিত করেছিলো। 


এই ফিংগারপ্রিন্ট এসেসমেন্ট (Fingerprint Assessment) লেবেলের বাকীগুলোকে হিডেন রাখা হয় যাতে ভবিষ্যতে কোন অনাকাংখিত ঝামেলা তৈরী হলে সামাল দেয়া যায়। এই ধরনের অবৈধ নাগরিকগুলোকে জীবিত কবর দিয়ে ফেলানো উচিত। তাতে বাংলাদেশ প্রকৃতই স্বাধীন হতো। এই ধরনের প্রজন্ম যদি থেকে থাকে তাহলে  দয়া করে তাদেরকে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেবেন না। তাতে দেশ জাতি এবং আপনার নিজেরও অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। বাংলাদেশ এমন এক দেশ যে কিনা বিগত ৪৯ বছর ধরে নিজেই নিজেকে কষ্ট দিয়ে যাইতাছে। এইটা গুনাহ- বলতে গেলে কবীরা গুনাহ। 

Top 10 Best Hotels in Los Angeles, California

Tuesday, December 1, 2020

Collect Tweet Link from a Tweet.


আপনার ওয়েবসাইট গুগলে টপ র‌্যাংকে বা টপ পেজে থাকলে কি কি সুবিধা পাবেন?

 গুগলের টপ র‌্যাংক বলতে বোঝানো হয় প্রথম পেজে ১ থেকে ১০ এর ভেতরে থাকা।  আর টপ পেজ বলতে সাধারনত ১-১০ এর মধ্যে বোঝায়। কেউ কেউ ১-৩ পেজ পর্যন্ত বোঝায়। সাধারনত কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেবার পরে আপনার রেজাল্ট টা যদি প্রথম পেজে দেখায় তাহলে বুঝতে হবে যে আপনি গুগলের টপ র‌্যাংকে আছেন। যেমন আমি আমার নিজস্ব কিওয়ার্ড র‌্যাংক নিয়ে কাজ করি। কোন একটা কারনে ইন্টারনেটে নেয়া আমার কিওয়ার্ড টা পপুলার বলে আমার কাছে মনে হয়। আমি চাই আমার কিওয়ার্ড নিয়ে সার্চ দিলে কেউ যেনো আমাকে প্রথম পেজেই পাইয়া যায়। ফেসবুক থেকে সংঘটিত একটি আন্দোলনের সাথে সমর্থন দেয়া এবং তাদের প্রোগ্রামের েপাষ্টিং দেবার প্রেক্ষাপটে আমি একদিন ফেসবুকের ভেতরে একটা ফাংশনে দেখতে পাই যে: অনেকেই আমাকে ফলো করতাছে যাকে দেখানো হয়েছে: পোষ্টিং ফলোয়ার। কোন প্রোফাইল না বা কোন পেজ না। আমি কখন কি পোষ্টিং করবো তা দেখানো হবে। তখণ আমি সেই কি ওয়ার্ড টা নিয়ে কাজ করার একটা প্রয়োজণীয়তা অনুভব করি। অন্ততপক্ষে ইন্টারনেটে যেনো আমাকে কেউ খুজে পায় সেজন্য এই ব্যাপারটা জরুরী ছিলো। আমি যে ইউজার নেমটার উপরে ভিত্তি করে পপুলার হই তা হইতাছে: masudbcl



এইখানে উপরের ছবিটা ভিজিট করে দেখেন যে: আমি আমার ইউজারনেম নিয়ে সার্চ দিয়েছি এবং আমার এই ব্লগ বা ওয়েবসাইট এড্রস টা প্রথমে দেখাইতাছে। তাহলে আমার কি ওয়ার্ড যদি হয় masudbcl তাহলে কিওয়ার্ড অনুযায়ী আমার ওয়েবসাইটের পজিশণ প্রথম পেজের প্রথম স্থানে যেটাকে গুগলের টপ র‌্যাংক বলা যাবে। এখন যদি আপনার কিওয়ার্ড ভিন্ন হয় আর সেটা যদি গুগলের প্রথম পেজে না দেখায় তাহলে তাকে গুগলের টপ র‌্যাংকে আছে বলা যাবে না। 



এখন কোন কিওয়ার্ড  দিয়ে সার্চ দেবার পরে যদি সেই কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে যে সার্চ রেজাল্ট আসবে সেটা যদি প্রথম ১০ পেজের রেজাল্টে না দেখায় তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার ওয়েবসাইট আপনার কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে গুগলের টপ পেজ র‌্যাংকে আসে নাই। ইন্টারনেট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বেসিক এই বিষযগুলো যদি আপনি না জানেন তাহলে সহজেই আপনি বিভ্রান্ত হবেন। আপনাকে অতি অবশ্যই এই সকল বেসিক কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। যেমন ধরেন: আপনি একটা রেষ্টুরেন্টে খাইতে গেলেন এবং সেখানে যাইয়া এই ভ্যাপারটা শুনলেন যে একটা ওয়েবসাইট গুগলের টপ র‌্যাংকে আছে। কিন্তু আপনি কিছুই বুঝলেন না। ফিরে এসে মনে মনে ভাবলেন লোকটা বোধহয় গুগলের টপ র‌্যাংকে আছে। সার্চ দিলেন: আর তাকে আপনি খুজে পাইলেণ না। মিথ্যা কিছু অনুমান করে বিভ্রান্ত হলেন। 

একটা ওয়েবসাইট গুগলের টপ র‌্যাংকে থাকলে  এবং টপ পেজ র‌্যাংকে থাকলে আপনি কি কি সুবিধা পাবেন: 
  • আপনার কিওয়ার্ড যদি পুপলার হয় তাহলে আনলিমিটেড ট্রাফিক বা ভিজিটর বা সেলস বা লিডস পাবেন। 
  • আপনার কি ওয়ার্ড যদি পপুলার নাও হয় তারপরেও আপনার নিজস্ব মার্কেটিং এর জোড়ে আনলিমিটেড ট্রাফিক বা ভিজিটর বা সেলস পাবেন।
  • আপনার ওয়েবসাইট যদি ই কমার্স ওয়েবসাইট হয় তাহলে ভালো সেলস পাবেন। 
  • আপনার ওয়েবসাইট যদি পপুলার হয় তাহলে আপনি বালো টি এ এবং ডি এ এর উপরে ভিত্তি করে ভালো দামের ব্যাকলিংক অফার করতে পাবেন। 
  • আপনি আপনার ওয়েবসাইটরে উপরে ভালো লিডস পাবেন।
  • আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিকের উপর ভিত্তি করে টিএ বা ডিএ বাড়লে সেখানেও আপনি ভালো দামে ব্যাকলিংক অপার করতে পারবেন। 
  • নিয়মিত হোয়াইট হ্যাট এসইও করতে থাকলে ওয়েবসাইটের পেজ র‌্যাংক বাড়বে দিনে দিনে। 
  • যতো পরিমান ভিজিটর আসবে ততো পরিমান আপনার ব্যবসা হবে। 
  • আপনার ওয়েবসাইটের সাথে থাকা সোশাল মিডিয়া প্লাগইন বা সোশাল মিডিয়া আইকন গুলোতে ভিজিটরের উপস্থিতি বাড়বে, সোশাল মিডিয়া প্রেজেন্স বাড়বে এবং সোশাল মিডিয়া এক্টিভিটিজ বাড়বে। 
  • ওয়েবসাইটের কন্টাক্ট ফরম থেকে আপনার সাথে যোগাযোগ বাড়বে। 
  • ওয়েবসাইটের নিয়মিত আপডেট আপনার পেজ র‌্যাংক বাড়াতে সহাহায্য করবে। 
  • সহজে সারা বিশ্বের আপনার পরিচিত লোকজন আপনাকে বা আপনার ব্যবসাকে খুজে পাবে। 
  • যদি কোন টপ পপুলার কি ওয়ার্ড হয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে প্রতিটা ব্যাকলিংক এর জন্য আপনি ১০০০ ডলার চার্জ ও চাইতে পারবেন। যেমন: ওয়াশিংটন পোষ্টে যাদের একাউন্ট আছে সেখানে যদি আপনি একটা ব্যাকলিংক করেন প্রায় হাজার ডলার চার্জ নেবে। 
এককথায় গুগলের টপ র‌্যাংকে থাকা আপনার ব্যবসার জন্য সবচেয়ে ভালো্ সেই সাতে কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ড এবং কম্পিটিটিভ ওয়েবসাইট খুজে বরে করা, সেগুলোর কি ওয়ার্ড কে এনালাইস করা, তারা কোথায় কোথায় লিংক বিল্ডিং করেছে সেটা খুজে বরে করা আর সেই মোতাবেক আপনার কিওয়ার্ড গুলোকে ল্যাংকে আনার চেষ্টা করা- এইগুলোই বর্তমানের এসইও জগতে সবচেয়ে বড় সড় কাজের মধ্রে একটি। আপনি যে কোন পেইড সফটওয়্যার বা গুগলের পান্ডা পেংগুইন বা এই ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করেও র‌্যাংকে আনতে পারবেন কিন্তু ইন্টারনেট পেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করার কারনে আপনাকে ব্ল্যাকলিষ্টে রাখতে পারে। মনে রাখতে হবে গুগল মানে ইন্টারনেট না- গুগল ইন্টারনেটে অবস্থান করা একটি কোম্পানী। ইন্টারনেট যদি কাউকে ব্লাকলিষ্টে ফালায় তাহলে তার আর ইন্টারনেটে ব্যবসা করা হবে না। তো সতর্ক থাকতে হবে এই ধরনের কাজগুলো করার ক্ষেত্রে। সবসময় একটা মেশিন বা একই ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করবেন এসইও করার ক্ষেত্রে তাহলে অন্তত আপনার ডিভাইস ডিটেইলস ঠিক থাকবে আর আপনার অনেক অনাকাংখিত ঝামেলা ও কমে যাবে। 

Translate