Thursday, September 24, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। IBNS- Internet Banking Network system or Internal Banking Network system.

 IBNS- Internet Banking Network system or Internal Banking Network system - ভয়াবহ রকমের ভালো সুবিধা সম্বলিত একটি সিষ্টেম যা বাংলাদেশের ভেতরে যে কোন সময়ে যে কোন খানে থাকলে আপনি যে কোন প্রাইভেট ব্যাংকের যে কাউকে একটি নির্দিষ্ট পরিমানের মধ্যে টাকা পাঠাতে পারবেন। মনে করেন: একজন বাংলাদেশের কুষ্টিয়া মীরপুর উপজেলাতে যাইয়া একটা বিপদে পড়ে আপনাকে কল দিলো। তার ধারে কাছে এটিএম বুথ আছে কিন্তু আপনরা একাউন্টে কোন টাকা নাই। মানে আপনি টাকা তুলতে স্বক্ষম না এটিএম থেকে। এখন আপনি ঢাকাতে আপনার কোন বন্ধুকে কল দিয়ে বললেন যে - দোস্ত তোর ইন্টারনেট ব্যাংক একাউন্টে ঢুক এবং আমার একাউন্টে এই পরিমান টাকা ট্রান্সফার কর। আমি তোকে নেকস্ট টাইম ইন্টারনেটের মাধ্যমে পে করে দেবো। তখন সেই বন্ধু ইন্টারনেটে ব্যাংকের দেয়া ওয়েবসাইটে লগইন করলো এবং সেই কুষ্টিয়ার মীরপুরে দাড়াইয়া থাকা বন্ধুর ব্যাংক একাউন্টে টাকা সেন্ড করলো এবং সেই বন্ধু নিকটস্থ ব্যোংকের এটিএম থেকে মানি উইথড্র করলো আর আপনি যদি পুরো ব্যাপারটা চোখের সামনে দেখে তাকেন আর ঠিকমতো ইন্টারনেট না বুঝেণ তাহলে আপনি সহজেই যে কাউকে হ্যাকার বলে ফেলাইতে পারেন। এইটা সেন্ড মানি অপশন। এইখানে সারা দেশের ১০০ এর মতো প্রাইভেট ব্যাংকের একাউন্ট হোল্ডার রা যে কোন সময়ে যে কোন প্রাইভেট ব্যাংকের যে কাউকে বা ম্যাক্সিমাম ব্যাংকের যে কোন লোককে আপনি টাকা সেন্ড করতে পারবেন। এইখানে যে পদ্বতিটা কাজ করেছে তার নামই হইতাছে আইবিএনএস। এর মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট পরিমানের একাউন্টে আপনি যতো মনে চায় ততোই ট্রান্সফার করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে যদি আপনি কোথাও কাউকে পেমেন্ট ও করতে চান তাও করতে পারবেন। তবে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে সরকারের ভ্যাট ট্যাক্সিএর ভ্যাপার থাকে বলে সরকার যেনো না টকে সেজন্য আপনি যাকে কাজের বিনিময়ে পেমেন্ট করবেন তার একাউন্টে পেমেন্ট করবেন।আপনি যদি ব্রাক ভ্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যহার করে থাকেন তাহলে আপনি ব্যাক ব্যাংকের ওয়েবাসইটে ইন্টারনেট ব্যবহার কের সারা দেশের যে কাউকে যে কোন সময় যে কোন বিকাশ একাউন্টেও টাকা পাঠাতে পারবেন। কারন বিকাশ হইতাছে ব্রাক ব্যাংকের মোবািইল ব্যাংকিং সিষ্টেম। এখণ আপনি যদি ব্যাপারটা দেখে থাকেন আর মনে করেন যে লোকটা হ্যাকার- তাহলে সেটা ভুল হবে। হ্যাকার কারা বা কি ধরনের তা আগের পোষ্টিং গুলোতে আলোচনা করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে হ্যাকার রা সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় দুই ভাবেই অপরাধী। এইভাবে আপনি যে কোন প্রাইভেট ব্যাংক ব্যবহার করে একই গোত্রীয় বা সমজাতীয় বা সমমনা সম্পন্ন ব্যাংকগুলোতে আপনি পেমেন্ট বা লেনাদেনা করতে পারবেন। এখন আবার এ্যাপ থেকেও করা যায়। আপনি যদি ডাচ বাংলা ব্যাংকের এ্যাপ ব্যবহার করেন তাহলে এ্যাপে লগইন করে আপনি যে কোন সময়ে যে কাউকে ডিবিবিএল এর  ব্যাংক একাউন্টে বা যে কোন কার্ড নাম্বারে বা যে কোন রয়্যালিটি কার্ডে বা  ডিবিবিএল এর মোবাইল  ব্যাংকিং এ যে কাউকে টাকা পাঠাতে পারবেন। তবে রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত এমাউন্টের ভেতরে হতে হবে। সেন্ড মানি সেকসানে আমি পেমেন্ট করার জন্য ডিবিবিএল  এ্যাপটা ব্যবহার করে থাকি। তবে এই আইবিএনএস সেকসানে একটা ব্যাপার - আমি যে কোন ব্যাংকের ওয়েবসাইট পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করে অন্য যে কোন ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং এ টাকা সেন্ড করতে পারবো না। সেই সুবিধা এখনো চালু হয় নাই। তবে যাদের কাছেই বিকাশ/রকেট একাউন্ট আছে তারা তাদের ধারে কাছের যে কারো কাছে যদি সেই ব্যাংকের মোবাইল মানি ট্রানজেকশন সিষ্টেম থাকে তাহলে মানি রিসিভ করেত পারেন। আমাদের সোসাইটি তে এরকম বহুত লোক আছে যারা শুধু ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে। তারা কোন ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে তা জানা থাকলে আপনি আপনার  নির্দিষ্ট পরিমান পেমেন্ট গুলো সেই রিলেটেড মোবাইল ব্যাংকিং এ রিসিভ করতে পারবেন। 


বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকের এই সুবিধাটা অনেক দিন ধরেই আমার কাম্য ছিলো। কিন্তু চালূ হইতে অনেক দেরী হলো। আমি যে কারো ডিবিবিএল একাউন্টে যে কাউকে যে কোন সময় যে কোন খানে তার একাউন্টে মানি  সেন্ড করতে পারবো। ধরেন- আপনার একটা ডেবিট কার্ড একাউন্ট আছে- সেটাতে আপনি ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করার কারনে আপনি যে কারো কাছ থেকে ইন্টারনেট আই বিএনএস সিষ্টেম ব্যবহার করে টাকা বা মানি রিসিভ করতে পারবেন। তারপরে সেটা আপনি যে কোন ওয়েবসাইটে ইন্টারন্যাশেনাল ডেবিট কার্ড হলে তার নাম্বার ব্যবহার করে কেনাকাটা বা পেমন্টে করতে পারবেন। আর আপনি যদি মনে করেন যে আপনি কেনাকাটা বা পেমেন্ট করবেন না তাহলে আপনি সেটা ক্যাশ উইথড্র করতে পারবেন এটিএম থেকে। আবারা অনেক ব্যাংকের এটিএম  এ দাড়িয়ে থেকেই যে কাউকে আপনি পেমেন্ট করতে পারবেন একই ব্যাংকের সুবিধা ব্যবহার করে। আপনার কাছে যদি কোন ব্যাংক একাউন্ট বা এটিএম কার্ড নাম্বার থাকে তাহলে আপনি একই ব্যাংকের যে কাউকে যদি সেই কার্ড নাম্বার দেন আর অপর ব্যক্তি যদি এটিএম মেশিণে দাড়িয়ে থেকে তার এটিএম কার্ড কে এক্সেস করে থাকেন এবং সেই নাম্বারের কার্ড ব্যবহার করে যদি আপনি চান তাহলে যে কাএক সংশ্লিষ্ট ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট সেন্ড করতে পারবেন। একটা  উদাহরন দ্বারা ব্যাপারটা বুঝাইয়া দেই।ধরেন: আপনি ঢাকা শহরের ডেমরাতে আছেন। আর অপর আরেকজন আছে ময়মনসিংহ সদরে। আপনারা দুইজন বন্ধু। আপনি কোন কারনবশত ময়মনসিংহে এসেছেন। কিন্তু বাসা থেকে বরে হয়ে দেখলেণ যে আপনার একাউন্টে বা কার্ডে কোন টাকা জমা নাই। তো আপনি আপনার বন্দুকে কল দিলেন যে দোস্ত তুমি তোমার এটিএমে যাও এবং আমার একাউন্টে কিছু টাকা সেন্ড করো। আপনার মোবাইল ইন্টারনেট ব্যাংকিং এ এসএমএস সার্ভিস এড করা আছে। আপনার বন্ধু ডেমরাতে তার ব্যাংক একাউন্ট রিলেটেড এটিএম মেশিনে গেলো। তারপরে সে তার কার্ড কে এক্সস করে এটিএম মানি ট্রান্সফার সিষ্টেম ব্যবহার করে আপনার একাউন্টে টাকা সেন্ড করলো কিছু। সেটা আপনার ব্যাংক একাউন্টে এড হলো। তারপরে ব্যাংক কর্তৃক অটোমেটিক এসএমএস সিষ্টেমের মাধ্যমে সেটা আপনার একাউন্টে এড হলো এবং আপনাকে একটা এসএমএসর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হলো। তারপরে আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ দেখে আপনি আপনার নিকটস্থ এটিএম বুথে ঢুকলেন এবং মানি ক্যাশ উইথড্র করে বের হয়ে আসলেনেআর যে বন্ধু টাকা সেন্ড করেছে সে শুধূ এটিএম দাড়িয়ে থেকে মানি সেন্ড করে তার ক্যাশ ব্যালান্স চেক করে বের হয়ে আসলো- এই দুইজনের কাউকেই আপনি হ্যাকার বলে ধারনা করতে পারবেন না। কারন তারা লিগ্যাল ট্রানজেকশন সিষ্টেম ব্যবহার করেছে।


আবার একই ভাবে ধরেন যে আপনি যে কোন খানে দাড়িয়ে আছেন। আর আপনার একটা পেমেন্ট ক্যাশ ইন হয়ে আপনার একাউন্টে এড হলো। আপনি পেমেন্ট টা পাইতেন কোন খানে। পেমেন্ট টা আপনি আশাও করতে ছিলেন। সো যেই লোকের কাছে আপনি পেমেন্ট পাবেন সেই লোকের কাছে আপনি  কলও দিয়েছিলেন। তো আপনার সময় না থাকাতে আপনি বাসা থেকে বের হয়ে আসলেন এবং ঠিক সেই সময়ে আপনি দেখলেণ যে আপনার একাউন্টে টাকা বা পয়সা এড হয়েছে। তো আপনি এটিএমে ঢুকলেন এবং আপনি আপনার খ্যাশ টাকা উইথড্র করলেন- এইখানেও আপনাকে কেউ হ্যাকার বা হ্যাকিং বলে সন্দেহ করবে না কারন আপনি লিগ্যাল ট্রানজেকশন করেছেন। এখন আপনি মনভুলে কাউকে আপনার ব্যাংক একাউন্ট দিয়ে রেখেছন বা একদল হ্যাকার ব্যাংক ঘেটে ঘেটে আপনার নাম ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার এবং একাউন্ট নাম্বার ও বের করে ফেলাইলো। এখন সেই হ্যাকারার রাষ্ট্রীয় দাগী আসামী এবং তার বিরুদ্বে অনেক ধরনের মামলা আছে।কিন্তু সে নিজেকে বাচানরো জন্য এদশের আইন পুলিশের কাছ থেকে আপনার ক্ষমতা বা পাওয়ার টাকে ব্যবহার করার  জন্য চিন্তা করলো। তখন সে পরিকল্পনা মোতাবেক আপনার একাউন্ট নাম্বার এড করে আপনার একাউন্টে টাকা এড করলো। আপনি যথারীতি মোবাইলে এসএমএস পেলেন আর ঠিক সেই মুহুর্তে সেই হ্যাকার আপনার সাথে ফিজিক্যাল কন্ট্রাক্টে চলে আসলো। আপনি তখন থেকেই অপরাদী হিসাবে গন্য হওয়া শুরু করলেন। বাংলাদেশের ১৯/২০ ধরনের গোয়েনআ বা পুলিশ আপনাকে অপরাদীদের সাহায্য কারী হিসাবে বিবেচনা করা শুরু করলো। আপনি খুশী মেন সেই হ্যাকারের সাথে মেলামেশা করে তাকে বিমাল বড়লোক মনে করে (যদি আপনি মেয়ে হয়ে থাকনে আর হ্যাকারটা ছেলে হয়ে থাকে) তাহলে আপনি তাদের সাতে ডেটও করে আসলেন যার বিরুদ্বে মামলা আছে বা দাগী আসামী ঘটিত প্রমান আছে - তখন আইন এবং পুলিশ আপনাদের দজনকেও থানা পুলিশ বা জেল হাজতে ভরবে। কারন বাংলাদেশের আইনে অপরাধীকে সাহায্য করার জণ্য জেল জরিমানার শাস্তির বিধান আছে। এই ধরনের বুল তখনই হতে পারে যখন আপনি কোথাও কোন সাহায্যের জন্য আবেদন করেন নাই বা আপনার সমস্ত ডিটেইলস প্রকাশ করেন নাই যাতে যে কেউ যে কোন সময় আপনাকে পেমেন্ট সেন্ড করতে পারবে - তখন আপনার প্রথম দ্বায়িত্ব হলো বাংক কে জিজ্ঞাসা করা যে পেমেন্ট টা আপনার নামে কে স্ডে কেরেছ? তখন ব্যাংখ অপর সাইডের ডিটেইলস আপনাকে জানাবে। যদি না জানাতে পারে তাহলে একাউন্টের মালিক হিসাবে আপনার উচিত হবে সেই ব্যালান্স টা টাচ না করা এবং কোন ধরনের আন নোওন পারসনের সাথে কোন নিউ কন্ট্রাক্টে না যাওয়া। ধরেন আপনি একজন মেয়ে। আর হ্যাকার একজন ইন্টারন্যাশনাল অপরাধী। যেস আপনাকে পেমন্টে করে আপনার সাথে কন্ট্রাক্ট করলো আপনার সাথে সময় ব্যবয় করবে কয়েকদিন এবং এর জন্য সে আপনাকে থাইল্যান্ড নিয়ে গেলো ঘুরতে। থাইল্যান্ড পুলিশের খাতাতে সেই লোকের বিরুদ্বে হ্যাকার রিলেটেড অপরাধের রেকর্ড আছে- তখন সেই দেশের পুলিশ আপনাদের বিরুদ্বে অপরাধ রেকর্ড করে তা থাইল্যান্ডের পুলিশের বা গোয়েন্দা সংস্তার মাধ্যমে থাইল্যান্ড সামরিক বাহিণী, ইন্টারপোল এবং বাংলাদেশ পুলিশকে জানিয়ে  দিলো। তো আন্তর্জাতিক ভাবে আপনি বিনা কারনে অপরাধীর তালিকাতে চলে গেলেন সামান্য কিছু টাকা পয়সার লোভে আর অপরাধীকে সাজা বা শাস্তি পাইতেই হবে তা সে যতো পরিমান ধুর্ত শেয়ানাই হোক না কেনো- একদিন সে আইনের খপ্পড়ে পড়বেই। বুঝেণই তো এইটা বাংলাদেশ। এই দেশে ৭১ এ ফা ক হানাদার বাহিণী এবং দালাল রাজাকারেরা ফাসির দন্ডের মতো অপরাধ করেছে। ফাসি বললেও কম হবে- কারন এককজন দালাল রাজাকার আল বদর, আল শাসম দের গ্রুপ কয়েক লাখ মানুষকে ও হত্যা করেছে (৩০ লক্ষ জয় বাংলা প্রজন্মের লাশের হাড্ডি ই পাওয়া গেছে- আর কতো মানুষ নদীর স্রোতের বানে ভেসে গেছে বা জায়গা খুড়ে গভীর করে লাশ মাটি পাচা দিছে তার তো কোন ইয়ত্তা নাই)- সো সেই দেশে তারা স্বাধীনতা র পরেও প্রায় ৪৩ বছর জীবিত ছিলো ধূর্ত শেয়ানার মতো। তারপরেও শাহবাগ গনজাগরন আন্দোলন ২০১৩ ষংঘটিত হবার মাধ্যমে তাদেরকে ফাসির কাষ্টে ঝুলানোও হলো। তো আপনি তো সামান্য হ্যাকারদের খপ্পড়ে পড়েছেন হয়তো বা একজন মেয়ে হয়েই। তো আপনাকে তো প্রথমে ভেরিফঅই করতে হবে েয- লোকাটা কে বা কোন দেশের? তার কি জাতীয় পরিচয়পত্র আছে কিনা বা সে কোন দেশের লোক বা সে কি কোন অপরাধী কিনা বা সে কি অন্য কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে এসছে কিনা বা তার কি কোন লিগ্যালিটি আছে কিনা? আপনি না জেনেই তার সাথে মেলামেশা করলেণ আর আইন পুলিশের অপরাধেল খাতাতে নাম লিখালেন। কথায় আচে- দশ দিন চোরের তো একদিন পুলিশের- আর পুলিশের এক দিনই যথেষ্ট।না জেনে শুধূ মাত্র আইবিএনএস এর মাধ্যমে পারসোনাল ব্যাংক একাউন্টের  পেমেন্ট রিসিভ করে আপনি যাদের সাথে ইলিগ্যাল কন্ট্রাক্টে যাইতাছেন তাদের কারনে আপনাকে জেলেও যাইতে হতে পারে। এই ধরনের ব্যাপারগুলো আগে লিগ্যাল ক্যাশ টাকাতে রুপান্তরিত হতো কিন্তু এখণ ডিজিটাল বাংরাদেশের যুগের কারনে যে কেউ যে কাউকে টাকা দিতে পারতাছে। আপনি যদি কোন অনভেরিফায়েড পারসনের সাথে ও ঘুরাফের াকরনে তাতেও আপনাকে  আইন পুলিশ সন্দেহ করবে। 


আর আপনি যদি জেনে শুনে কোন রাষ্ট্রীয় হ্যাকারের সাথে মেলামেশা করে থাকেন তাহলে আপনার ফাসি কেউ ঠেকাতে পারবে না। কারন এইটা রাষ্ট্রীয় অপরাধ। আর কেন্ট্রীয় রিজার্ভ ব্যাংকে র সাথে অবৈধ যোগাযোগ থাকার কারনে আপনাকে একদিন না একদিন আইন পুলিশ ধরবে এবং আপনার গলাতে ফাসির দড়ি পড়াবে। কারন যে পরিমান হ্যাক হয়েছে বা আগে হয়েছে সেগুলো যদি বিবেচনায় আনা হয় আর সেগুলেঅ যদি সরাকরি লোন হয়ে তাকে তাহলে সেগুলোর দায়ভার যেয়ে পড়বে তরুন প্রজন্মের উপরে। আর তরুন প্রজন্ম সেই লোন নিয়ে তাদের জীবন শুরু করবে। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন এই দেশের বিশোল লোনের বোঝা আমাদের উপরে চাপাইয়া দেবার চেষ্টা করা হতো আর আমরা মাঝে মাঝে বাবতাম যে কিভাবে এই লোনের ডলার/পাউন্ড/ইউরো শোধ করবো। আর পন্থা খুজে বের করেত যাইয়া বেশীর ভাগ লোকই যারা অত্যন্ত মেধাবী তারা দেশ ছেড়ে চলে যায় আর রেমিটেন্স পাঠানোর শুরু করে এবং এই দেশের রিনের বোঝা আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে। কিন্তু এখন কার দিনে হ্যাকারদের কারনে অনেক সময় ই মনে হয় যে কবে জানি বাংলাদেশ বড় সড় লোনের এবং ঘাটতির দিকে চলে যায় তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানে। অনেকেই ভাবতাছে যে - সেন্ড মানির কারনে আপনার হয়তো কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু আপনি যার সাথে লেনাদেনা করতাছেন সে যদি রাষ্ট্রীয় ক্রিমিনাল হয়ে থাকে তাহলে এইখানে আপনি অপরাধী। কোন ভাবেই আপনি এর দায় দ্বায়িত্ব এড়াতে পারবেন না। 

একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে অনকে আগে। শুনেছি বন্ধুদের মুখে। এই দেশে যারা দালাল রাজাকারের বংশ ধর মানে দালাল রাজাকারদের সন্তান তারা হঠা] করে কোন এক খান থেকে ভালো অংকের এবং বড় াংকের টাকা পয়সা পায় তারপরে তারা আমাদের দেশর হােই সোসাইটির কিছু কলগার্ল এবং প্রষ্টিটিউটের  সাথে কন্ট্রাক্টে আসে যে- তারা প্রথমে এই মেয়েগুলোর সাথে খুবই উচ্চ পরিমানা টাকা পয়সা দিয়ে ফুর্তি আমোদ করবে আর তারপরে একটা নির্দিষ্ট সময়- মানে ধরেন সাত বছর পরে সেই মেয়েগুলোকে জয় বাংলা সংক্রান্তা পোলাপানের  দিকে ছেলে দিবে। যদি জয় বাংলার পোলাপান রা ভুল করে তাহলে তাার জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াই এই দেশে এমপি হবার চেষ্টা করবে এবং ঘুষ দিয়ে নির্বাচন কমিশন কে হাতানোর চেষ্টা করবে। তো আমি প্রথমে মনে মনে ভোবলাম যে- জয় বাংলার পোলাপান এতো বোকা না যে দালাল রাজাকারদের ছুড়ে ফেলা বা আস্তাকুড়ে থাকা প্রষ্টিটিউট দের  সাতে যাইয়া ফষ্টি নষ্টি করবে আর দ্বিতীয়ত ঘুস দিয়ে হয়তো নির্বাচনের রেজাল্ট পরিবর্তন করতে পারবে কিন্তু বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ছাড়া আপনি নির্বাচেন মনোনয়ন বা সিলেকশন পাবেন না এইটা কনফার্ম। আপনাকে চ্যালেন্জ করে বলতে পারি যে- এই দেশের ভেতরে আপনার যদি কোন বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনি কখনোইেএই দেশের ভেতরে মন্ত্রী /এমপি হতে পারবেন না। আর তারপরেও যদি আনপার কাচে প্রমান থাকে যে বাংলাদেমে এমন কেউ আছে যে ভোটার নাম্বার ছাড়া এম পি হয়েছে - আপনি প্রমান উপস্থাপন করেন- দেখবেন সরকার তাৎক্ষনিক ভাবে সেই এমপি কে বহিস্তার করে থাকবে। আর আপনি যদি বাংলাদেশ সরকারের একজন এম পি হয়ে থাকেন আর আপনার যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে- তাহলে আপনার যদি সাহস থাকে তাহলে আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে বলবেন- দেখবেন জাষ্ট  িকিছু মিনিটের মধ্যে আপনার এম পি পদ থাকবেন না। আর এইভাবে  সত্যিই যদি আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া এম পি ভেবে থাকেন নিজেকে তাহলে বুঝতে হবে যে- আপনি কোন গভীর ঘড়যন্ত্রের মাঝে আছেন যার শেষ পরিনাম মৃত্যু বা ফাসি। কার অবৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া আপনি যদি রাষ্ট্রীয় ডেকোরেশনে বসবাস করে থাকেন তাহলে তো আপনার সব্বোচ্চ  শাস্তি হবে এই টা কনফার্ম। আর বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যানে কার কার জাতীয় পরিচয়পত্র ভৈধ আর কার কার জাতীয় পরিচয়পত্র অবৈধ - তা জানা এক সেকেন্ডের ব্যাপার। আর তারপরেও যদি আপনি নিজেকে সামথিং কিছু মনে করেন তাহলে আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে (টিভি ক্যামেরা এবং সাংবাদিকদের সামনে এবং আইন পুলিশের সামনে) বলবেন যে- আপনার বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নাই- বাকীটা আল্লাহ ভরসা।


আমরা একখানে বলে থাকি যে- সেন্ড মানির কোন হিসাব নাই। সেইটা বৈধ ট্রানজকেশনের ক্ষেত্রে। আমি যাকে মানি সেন্ড করবো তার যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে আর আমার ও যদি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে তাহলে এইখানে  কোন হিসাব নাই বা আইন নাই। কারন আমরা দুইজনেই রাষ্ট্রের বৈধ নাগিরক। কিন্তু আমাকে যে মানি সেন্ড করলো তার যদি বাংলাদেশে বৈধ নাগরিকত্ব না থাকে তাহলে সাথে সাথে ই আইন এবং পুলিশ ধরে বসবে এবং গ্রেফতারের আওতায় রাখবে। তাই যারা বুদ্বিমান তারা যে কোন আননোওন ট্রানজেকশনের ডিটেইলসটা প্রথমে ব্যাংক থেকে  জেনে নেবে এবং তারপরে সে খরচ করবে। ব্যাংক থেকে আসা ট্রানজেকশনে যেটা সন্দেহ হবে সেই পরিমান ট্রানজেকশন একাউন্টেই রেখে দিতে হবে বা আইন পুলিশেকে জানাইয়া নিতে হবে যে আমার একাউন্টে কোন  অভৈধ ট্রানজেকশন হয়েছে কিনা- যদি বলে যে নািই তাহলে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। কারন ব্যাংকের সফটও্য়্যার জানে আপনি কোথা থেকে মানি রিসিভ করতাছেন। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে যে- এই সকল ক্ষেত্রে আপনার সাথে যদি কোন অবৈধ যোগাযোগ থাকে তাহলে আপনি আইনরে চোখে অপরাধী। আর আমাকে যদি আইন পুলিশ বাধা দেয় আর আপনি যদি আমার আপন লোকও হয়ে তাকেন তাহলেও আমি কখনো আপনাকে বাচাতে যাবো না। কারন আমি রাষ্ট্রের আইন পুলিশের প্রতি শ্রদ্বাশীল। আর আপনি আপনার সাজা ভোগ করবেনই- কারন এইটা বাংলাদেশ দন্ডবিধি এবং আইন যা ভাংগার ক্ষমতা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কারো নাই।  

নোট: আমার ইন্টারনেট জীবনে আমি কখনোই কোন ধরনের ব্যাংক হ্যাক করি নাই কারন এই ব্যাপারে আমি তেমন কিছুই জানি না- আমি এই ধরনের কোন ব্যাংক হ্যাকিং রিলেটেড প্রোগ্রামও (সফটওয়্যার বা ইন্টারনেট) জানি না। আমি আমার ২০ বছরের ইন্টারনেট জীবনে কখেনো কোথাও কনো দেশেই ব্যাংক একাউন্ট বা ভ্যাংক ব্যালান্স হ্যাক হতে সাহায্য করি নাই আর এরকম কোন গ্রুপ আমি বাস্তবে  বা ্ইন্টারনেটেও  চিনি না। ২০০৬ সাল পর্যন্ত লিগ্যালি বাংলা ক্যাশে আমার ইন্টারনেটে লেনাদেনার পরিমান সব্বোর্চ্চ ১ কোটি-দেড় কোটি টাকা যারা পুরোটাই ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস বা আউটসোর্সিং কাজের হিসাবে- যা আমার নামে বরাদ্দকৃত বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্ট গুলোতে  ষ্টেটমেন্ট চেক কররে পাওয়া যাবে। জাতীয় পরিচয়পত্র নােই এরকম কারো সাথেই আমি কখনোই কোন লেনাদেনা করি নাই। হয়তো আর কয়েক মাস বা ভচর পরে আমরা সঠিক ফ্রি ল্রান্সার রা এদেশ থাকবো না- হয়তো আমরা ইউরোপ আমেরিকার ভেতের বইসা থাইকা উপার্জন করবো যার বিস্তারিত বাংলাদেশ সরকার জানবে না কিন্তু যে জিনিসটা শিখে গেলাম বা শিখাতে চাইলাম তার নাম হইতাছে সততা। আর সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ইউরোপিয়ান/আমেরিকান যে কোন একটা দেশে  যাবার ইনভাইটেশন আছে (পাসপোর্ট আছে- অন এরাইভেল ভিসা প্রোগ্রাম ও আছে) ইনভাইটেশন লেটার নিয়ে আরো একটা কনফার্মেশন এর জন্য অপেক্ষায় আছি। তবে যেখানেই থাকি বা যেভাবেই থাকি- বাংলাদেশের সততা কামনা করি এবং করবো।

টু বি কন্টিনিউ

Approve Facebook Group Members and Posts.




Wednesday, September 23, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। ইন্টারনেটে হ্যাকারদের অত্যাচার কে রুখে দিন।

আমাদের দেশে ইন্টারনেটে এখন অন্যতম আতংক হ্যাকার গ্রুপ। যারা হ্যাকার তাদের মেন্টালিটি ঘাটলেই বোঝা যায় তারা মানুষের জাতের মধ্যে পড়ে না। উন্নত বিশ্বে প্রোগ্রামারদের মধ্যে এই নেগেটিভ প্রোগ্রামিং এর আয়োজন করা হয় মাঝে মাঝে জানার জন্য যে একটি জাতি বা একটি দেশ বা একটি শহর বা একটি বিভাগে যে ইনফরমেশন টেকনোলজী ইন্ডাষ্ট্রিজ আছে সেখানে কি কি ধরনের হ্যাক হতে পারে - তা জানার জন্য। যেটাকে উন্নত বিশ্বে হ্যাকাথন বা তাদের ব্যবহৃত প্রোগ্রাম গুলো কি কি ধরনের হতে পারে তা জানার চেষ্টা করা হয়। তা দেখে- বাংলাদেশের কিছু উজবুক যদি মনে করে যে- হ্যাকার রা বৈধ আর সে কারনে তারা সমানেই হ্যাক করে যাবে - তাহলে তাদের চেয়ে মগা এবং দাগী আসামী আর কখনো জন্মাবে না। একজন আইনের লোকের সাথে কথা বলে জানা গেলো- কেউ যদি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাংকে হ্যাক করার চেষ্টা করে- রাষ্ট্রীয় সেনসিটিভ ইস্যু হবার কারনে তার সব্বোর্চ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদন্ড। কারন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্পদ। কোন রাজনৈতিক দলও যদি সেটাকে অবৈধ ভাবে ব্যবহার করে তবে তাদের জন্য একই শাস্তি বলবৎ থাকবে। কারন এইটা কোন বৈধ কাজ না। বাংলাদেশ সরকারের দনডবিধিতে হ্যাকারদের বিরুদ্বে আইন আছে। হ্যাকারদেরকে ধরতে পারলে ‍নূন্যতম ৭ বছরের শাস্তির বিধান আছে। এখন যদি আপনি মনে করেন যে- হ্যাকাররা বৈধ- তাহলে আপনি ভুল করবেন। কারন এ সংক্রান্ত ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি আইন ও আছে। যদি ধরতে পারে তাহলে স্বাক্ষাৎ জেল। আর যদি ধরতে না পারে তাহলে বাংলাদেশীদের অভিশাপ থাকবে সারা জীবন- কারন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ব্যাংক - এই দেশের ১০ কোটি ভোটারের সম্পদ। আমার মতে- হ্যাকাররা এক ধরনের চোর। কারন তারা প্রকাশ্য দিবালোকে টিভি ক্যামেরার সামনে দাড়িয়ে বলতে পারবে না যে - তারা হ্যাকার। কারন তারাও জানে যে- তারা অপরাধী।এখণ যদি কেউ অন্য কারো ফেসবুক একাউন্টও হ্যাক করে থাকে তাকেও ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি আইনের আওতায় আনা হবে। তাৎক্ষনিত ভাবে আপনি যদি অভিযোগ করেন আর আপনি যদি ধরা পড়েন হ্যাক করে- তাহলে আর উপায় নাই মেথড এ চলে যাইতে হবে। আপনি যদি মিনিমাম হ্যাকার ও হন আর তথ্য প্রযুক্তি আইন কে বুড়ো আঙুল দেখাতে চান তাহলে আপনি নিজে বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি সকসান এবং বা বাংলাদেশ র‌্যাব এর ডিজিটাল তথ্য প্রযু্ক্তি সেকসানে জানান- তাহলে আপনি বূজতে পারবেন যেেএইটা বৈধ বা অবৈধ? আমাদের বাংলাদেমেল সমাজে আগে যেমন চোর রা চুরি করতো বা চুরি করে বসবাস করতো সে রকম হ্যাকারদের কেও আমি চোর বলেই অভিহিত করবো কারন তারা কখনো নিজেদের অরিজিনাল নাম ঠিকানা প্রকাশ করে না? বাংলাদেশে একটা কথা প্রচলিত আছে- “চোরের কোন ধর্ম নাই”। সো সেই হিসাবে বলা যায় যে- আমাদের দেশের হ্যাকারগুলো এক ধরনের নাস্তিকও কারন আমরা সবাই জানি নাস্তিক বলা হয় যার কোন ধর্ম নাই তাকে। 


আমাদের দেশে হ্যাকারদের কে এক প্রকার ঘৃনা করা হয়। কারন হ্যাকরার আমাদের জন্য আতংক। আমরা অলওয়েজ তাদেরকে নিয়ে একটা আতংকে থাকি। যারা  এক্সপার্ট তারা কোন ভয়ে থাকে না। আগে যখন হ্যাকিং হইতো তখন ইন্টারনেটে সিকিউরিটি সিষ্টেম অনেক দুর্বল ছিলো। ফলে সহজেই হ্যাকারার পার পেয়ে যাইতো। নরমালি পাসওয়ার্ড মেক করে সেটা মনে রাখতে হতো। আবার লিখে রাখলেও কোথাও না কোথাও চুরির ভয় থাকতো। কিন্তু এইভাবে মনে রাখা ঠেকানোর জন্য ওয়েবসাইট বা এ্যাপ বা সফটওয়্যার রিলেটেড পাসওয়ার্ড মেকিং শুরু হলো। সেখান থেকে পাসওয়ার্ড হ্যাকিং শুরু হলো। অনবরত হ্যাকিং এর নিউজ। আর মাঝে মাঝে সারা বিশ্বে ব্যাংক হ্যাকিং এর নিউজ ছিলো ২০১১ পর্যন্ত নিয়মিত আপডেট। ২০১১ সাল থেকে ব্যাপারটা অনেক আপডেট হয়ে গেলো- ২ ফ্যাক্টর অথেনটিকেশণ সিষ্টেম পাসওয়ার্ড চালু হবার পরে অনেকেই হাফ ছেড়ে বাচলো। মোবাইল ভেরিফিকেশন সিষ্টেম বর্তমানে ইন্টারনট ব্যবহারকারীদেরকে অনেক সেফ রেখেছে। আরো এসেছে ফেইস আইডেণ্টফিকেশন, ফিংগারপ্রিণ্ট আইডেন্টিফিকেশন, কিউ আর কোড, অথেনটিকেশণ- এই ধরনের উন্নত প্রযুক্ত এখণ সবকিছুকে একেবারে বিশাল শক্তিশালী করে রেখেছে।  আমি একবার ২০০৬ সালে আমার প্রথম ফেসবুক একাউন্ট টা হারিয়েছি। আমার প্রথম ফেসবুক একাউন্টে প্রায় ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি বন্ধু/গ্রপ/ফ্রেন্ড  কানেকশন ছিলো প্রোফাইলটাতে  (তখণ ৫০০০ বন্ধুর মতো কোন লিমিটেশন ছিলো না) । আর সেটা থেকেই যুগোপযুগী অনেক কাজের সাথে জড়িত হই। সে একাউন্ট টা হ্যাক বা হারানোর মূল কারন ছিলো: একটা ইন্টারনেটরে আন্দোলনের সাথে জড়িত থাকা- নাম: Want Punishment Liberation war criminal of Bangladesh.২০০৩ সালে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের গ্রুপের সাথে জড়িত থাকার কারনে একটা  থ্রেড খাই যে ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করা হবে। আমি একটু ভাবনায় পড়ে গেলাম। সাথে সাথে প্রায় সেইম নাম দিয়ে আরেকটা ফেসবুক একাউন্ট ওপেন করে সেই গ্রুপের সাথে নিজেকে এড করাইয়া রাখি যাতে প্রথম একাউন্ট টা হারাইয়া ফেলাইলে দ্বিতীয় একাউন্ট দিয়ে কাজ চালাতে পারি।  অনেক হাত ঘুরে সেই  প্রথম একাউন্ট  টা এখনো একটিভ আছে এবং সেই একাউন্ট টা ঠিকই হ্যাক হয়। চট্রগ্রাম থেকে একজন ইন্টারনেট হ্যাকার আমাকে থ্রেড দিয়ে আমার প্রথম ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করে। আমি তখন দ্বিতীয় একাউন্ট রান করা শুরু করি এবং সেটা আজো একটিভ আছে। আমার এখন কার একাউন্টের বয়স ধরতে গেলে ১৩ বছর + মাসুদবিসিএল বা masudbcl পরে এই আন্দোলণ টাই সফলতার মুখ দেখে- থানা শাহবাগে র গনজাগরন ২০১৩ সালে- যা সারা বিশ্বে এক বিরাট বিস্ময় হয়ে আছে। ৪৩ বছর পরে প্রকাশ্য দিবালোকে দেশদ্রোহীদের/দালাল/রাজাকারদের ফাসিতে ঝুলাইয়া দেয়া সম্ভব হয় জয় বাংলার ক্ষমতাবলে।

আজকে এতোদিন পরে আইসা দেখি (২০ বছর ব্যবহার করার পরে) ফেসবুকের বেটা টেষ্টিং ফেইজ শেষ হয়েছে।   আমার প্রথম একাউন্টটাতে অনেক অনেক বন্ধু ছিলো। পৃথিবীর সব বড় বড় ফেসবুক গ্রুপের সাথে যোগাযোগ ছিলো এবং আমি সদস্য ছিলাম। অনেক অনেক বেশী মজা করতাম। লক্ষ লক্ষ মেয়ের সাথে পরিচিত হয়েছি ফেসবুক থেকে। তাদের কথা যেমন আজো আমার মনে আছে- আমি নিশ্চিত তাদেরও আমার কথা একইভাবে মনে আছে। ফেসবুক ডট কম থেকে বাস্তবে পরিচিত হয়ে বা ইন্টারনেট লাইভ ক্যামেরার মাধ্যমে আমরা যে কতো মজা করেছি, হ্যাং আউট করেছি- তা এখনকার সময়ের পোলাপানেরা করতে পারে নাই- এইটা আমরা ১০০% নিশ্চিত। তখন কার দিনে এতো রাফ টাফ ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করা যাইতো না। পর্নোগ্রাফি বা  ন্যুডিটি এলাও ছিলো না। গনজারগন চলাকালীণ সময়ে সারা বিশ্বের জন্য একটা আইনের কথা শুনেছি-  "Picture method fu....ing system is not available for this country of Bangladesh."  তারপরে আমি অনেক ভেবে চিন্তে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করা শুরু করি কারন আমি আমার এখনকার রানিং একাউন্ট টা হারাতে পারবো না। তাছাড়া আমি মূলত আমার ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং এর কাজের জন্যই ব্যবহার করে  থাকি ফেসবুক সহ অণ্যান্য সকল সামাজিক যোগাযোগের জন্য। মাঝে মাঝে আপডেট দেই। বিগত ২০ বছর আমি বুঝিই নাই লাইক বা ফলোয়ার এর কি ব্যাপার? আমি আমার পারসোনাল কোন বন্ধুদেরকে এলাও ই করি নাই আমার ফেসবুক প্রোফাইলে। মাঝে ভালো সময় মতো আমার আইডিটা ১০০% ভেরিফায়েড করে নেই। এখন আর একাউন্ট নিয়ে তেমন ভয় পাই না। কিন্তু এখন একাউন্টে অনেক বন্ধুরা এবং পরিচিত জনরা এড হইতাছে- সেজন্য কোন ছবি দিলে মোটামুঠি ৪০/৫০+ লাইক আসে। আমার পরিচিত বন্ধুর সংখ্যা বড়জোড় ২০০-৩০০ এখন। আস্তে আস্তে সারা বিশ্বের ফ্রেন্ডরা যারা একাউন্ট হারাবে তাদের ছবি এবং ফ্রেন্ড শীপ রিমুভ করে নতুন বন্ধুদেরকে এড করে নেবো। 



হ্যাকার হতে পারে কিন্তু ট্যালেন্ট। যত্ন করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকিং হওয়া টাকা রিটার্ন আসতে পারে।

পত্র পত্রিকা পড়ে যতো ধরনের হ্যাকার দেখেছি তাদেরকে নিম্নের কয়েক টা ভাগে ভাগ করা যায়:

  • রেমিটেন্স হ্যাকার 
  • রিজার্ভ  হ্যাকার 
  • ব্যাংক হ্যাকার 
  • প্রাইভেট ব্যাংক হ্যাকার 
  • ব্যাংক একাউন্ট হ্যাকার 
  • ক্রেডিট কার্ড হ্যাকার
  • ডিভাইস হ্যাকার
  • এটিএম হ্যাকার 
একবার ২০০৭ সাল ইন্টারনেটে বসে কাজ করতেছিলাম। এক আফ্রিকান ছেলে আমাকে একটা নোটপ্যাড দিলো ইন্টারনেটে। আমি সেটা রিসিভ করে দেখি - হাজার হাজার ক্রেডিট কার্ড নাম্বার যা তাদের দোকানে ব্যবহৃত পজ মেশিন থেকে সে কালেক্ট করেছে। আমি বললাম এইটা তুমি আমাকে দিলা কেনো? তো সে বলতাছে- সে গরীব মানুষ। আমার দ্বারা সে উপকৃত হয়েছে। এই নোট প্যড টা থেকে আমি যখন যেই ক্রেডিট কার্ড নাম্বার মনে চায় সেটা নিয়ে ইন্টারনেটে বা অনলাইনে কেনাকাটা করতে পারবো। তখনো পর্যন্ত অনলাইনে ডলার উপার্জন করা এবং সেটা কে ইন্টারনেট ব্যাংকে নিয়ে আসা  এবং সেটাকে পরিবর্তন করে নগদ টাকাতে কনভার্ট করা- সেটাই ছিলো ইন্টারনেটে মানি সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা। তখন ক্রেডিট কার্ড পাওয়া এবং সেটা ইন্টারনেটে ব্যবহার করা এ যেনো বিরাট এক স্বপ্ন িছিলো- কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে আমি সততা বজায় রেখে চলি। তাই সেই আফ্রিকান ছেলেটার সেই নোটপ্যাডটা আমি কম্পিউটার থেকে ডিলেট কের দিয়ে তাকে বললাম যে- ভাই এইগুলো চুরি। আশা করি আপনি আর কখনো ইন্টারনেটে এগুলো বিলাবেন না আর আপনার দোকানের বা শো রুমের পস মেশিনের ডাটাবেজেও হাত দিবেন না। এই ঘটনা থেকে একটা জিনিস শিখলাম যে- যে সকল শো রুমে পস মেশিনে কার্ড এক্সেস করতে বলে সেই সকল শো রুমের  পস মেশিন গুলো যদি  ডিভাইস হ্যাকারদের কাছে যায় তাহলে তো নিশ্চিত ধরা এবং এইজন্য অনলাইনে কেনা কাটার কার্ড গুলোতে খুব বেশী পরিমান টাকা রাখতে হয় না। যতোটুকু দরকার ততোটুকু লোড করে রাখলেই এনাফ। ধরেন আপনার একটা ক্রেডিট কার্ড আছে যেখানে আপনি বিশাল অংকের টাকা লোড করে রেখেছেন। তো আপনি সেই কার্ডটা এয়ারপোর্টে বা বিভিন্ন খানে এক্সস করলেন। তাতে আপনি যে কোন এক সময় পস মেশিনের কি বোর্ডে আপনার গোপন পিন নাম্বারটা ব্যবহার করেছেন। তখন সেই ডিভাইসটাতে যে কোন একখানে গোপন পিন নাম্বারটা সেভ হয়ে থাকার কথা- একোবার আপনি এড়িয়ে চলতে পারেন না? 

ইদানীং কালের একটা ইউটিউব ভিডিওতে দেখলাম যে কিভাবে এটিএম মেশিন হ্যাক করে সমানে লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি করতাছে। দেখে আমি একটু হতবাক হয়েছি যে এইটা কিভাবে সম্ভব? ইন্টারনেটে হ্যাকারদের কাছ থেকে দূরে থাকার প্রধান উপায় হলো কোন অপরিচিত লিংক ওপেন না করা, কোন  অপিরিচিত ইমেইল ওপেন না করা এবং অপিরিচিত ইমেইলে থাকা লিংক কে ওপেন না করা। ইউটিউব, উইকিপিডিয়া বা পরিচিত বা ট্রাস্টেড বিশ্বব্যাপী সেরকম লিংক গুলো আপনি ওপেন করতে পারেন। খুব সহজ কোন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। অতি অবশ্যই মোবাইল নাম্বার দ্বারা ভেরিফিকেশন সিষ্টেম ব্যবহার করবেন। এমন ভাবে সেটিংস থেকে সব ওয়েবসাইটের ফাংশন একটিভেট করবেন যাতে যতোবার আপনি লগইন করবেন ততোবার আপনার মোবাইলে কোড  নাম্বার আসবে। সেই কোড নাম্বার ছাড়া  আপনি সেই ওয়েবসাইটের একাউন্টে লগ ইন করতে পারবে না। আমার মতে যতো ব্যাংক আছে এবং যতো ব্যাংক অফিসার আছে তারা যদি এই মোবািইল ভেরিফিকেশন সিষ্টেম ব্যবহার করে তাতে করে রিস্ক অনেক কমে যাবে। মোবাইল ভেরিফিকেশণ সিষ্টেমের এই একটা সুবিধা যে আপনি চাইলেও আপনার মোবাইলে কোড না আসা পর্যন্ত সফটওয়্যারে লগইন করতে পারতাছেন না। আবার পাইরেটেড উইন্ডোজ এর মধ্যে আপনি এন্ট্রি ভাইরাস দিয়ে রাখেন সেটা হবে হ্যাকারদের আড্ডা। যদি মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন সিষ্টেম চালু থাকে তাহলে আপনি যতোবার কম্পিউটার থেকে উঠে যাবেন ততোবারই আপনি কুকিজ  বা টেম্পোরারী পাসওয়ার্ড পরিস্কার করে উঠবেন। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের কল্যানে হ্যাকাররা একোবরে আইএসপি পর্যন্ত অবস্থান করে। সো আপনি যদি সফটওয়্যারে লগইন করার সময়ে নিজেই নিজের পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন তাহলে সেটা কুকিজ  বা টেম্পোরারী পাসওয়ার্ডে থেকে যাবে। ফলে হ্যাকাররা সহজেই আপনি সফটওয়্যারে প্রবেশ করার সাথে সাথেই তারা ও প্রবেশ করতে পারবে। কিন্তু আপনি যদি মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই সিষ্টেম টা অন রাখেন তাহলে আপনি লগইন করার পরে আপনার মেশিন থেকে কুকিজ কালেক্ট করে যখন হ্যাকাররা লগইন করতে যাবে তখণ তার মোবাইল ভেরিফিকেশনের খপ্পড়ে পড়বে। ফলে তারা আর আপনার ইউজার নেম দিয়ে ব্যাংকের সফটওয়্যারে ঢুকতে পারবে না আর আপনার ইউজার নেম এর এগইনেষ্টে কোন হ্যাকের রেকর্ড ্ও এড হবে না। এই ব্যাপারে স্থানীয় আইএসপি ব্যবসায়ীদের সাথেও হ্যাকারদের সংযোগ থাকতে পারে। কারন কোন হ্যাকার গ্রুপ যদি কোন ব্যাংক কে টার্গেট করে তাহলে প্রথমে সে দেখবে যে কোন ব্রডব্যান্ডের আইএসপি ব্যবহার করতাছে আর তাদের ডিটেইলস টা কি? রাস্তার পাশে গড়ে উঠা আইএসপি বা যত্র তত্র তারের সংযোগে আইএসপি এর ডিভাইস হ্যাক করা মনে হয়  না এক্সপার্ট হ্যাকারদের জন্য কোন ব্যাপার। আমি অনেক সময় ব্যাংকে গেলে দেখি যে- ক্যাশ অফিসার রা তাদের ষফটওয়্যারে সরাসরি লগইন করতাছে। কিন্তু একটু আগে সে তার ডেস্কে বা ডিভাইসে ছিলো না। সে সময়ের মধ্যে যদি হ্যাকার এসে বসে থাকে তাহলে সে আপনি আপনার সফটওয়্যারে পাসওয়ার্ড দেবার সাথে সাথেই  কুকজি বা টেম্প ফাইলের মাধ্যমে সেও পেয়ে যাবে। যতোদূর জানি - যে কোন পাসওয়ার্ডই টেস্প ফাইলের রুপ নিয়ে থাকতে পারে। 

আমি দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারনে হ্যাকারদের কিছু কিছু আচরন ধরতে পারি। আমার জীবনে আমি হ্যাকিং রিলেটেড কোন প্রোগ্রাম শিখি নাই। কিন্তু অন্যান্য প্রোগ্রাম শিখার পরে আমি অনেক সময় বুঝতে পারি যে- তারা কোন ধরনের আচরন করে। আমি দেখেছি আমার ডিটেইলস যখন হ্যাক করার চেষ্টা করতো তখন তারা আগে থেকে আমার ডেস্কটপে আইসা ঘাপটি মাইরা বইসা থাকতো। পরে আমি যখন কম্পিউটারে বসতাম ২০০৬-২০১১ পর্যন্ত আমি ইন্টারনেট ডিসকানেক্ট করে ১০০ সেকেন্ডস অপেক্ষা করতাম বা পোষ্ট প্রোগ্রাম ব্যবহার করতাম। ৪ সেকেন্ড ডিভাইসের পাওয়ার বাটন ধরে রাখতাম এবং ১০০ সেকেন্ডস পরে কম্পিউটার বা ইন্টারনটে নরমালি ওপেন করতাম। বাংলাদেশে হ্যাকিং ঠেকানোর প্রথম এবং প্রধান উপায়- বিশ্বমানের নিজস্ব অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করা। তাতে যারা হ্যাকার তারা প্রথমে অপারেটিং সিস্টেমের গ্যানজামে পড়বে। তারপরে সেটার সাথে কম্পাটিবল করে ভালো ইন্টারনেট সিষ্টেম ডেভেলপ করা। রাষ্ট্রায়ত্ত শুধু ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য একটা আলাদা টপ সিকিউরড ইন্টারনেট সিষ্টেম ব্যবহার করা যেমন বাংলালায়নের মতো। ওয়াই ফাই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সিষ্টেম। আপনি যদি সহজ সরল রাস্তার পাশের অবস্থান করা আইএসপি দিয়ে সরকারি ব্যাংক এর ইন্টারনটে চালান তাহলে তো আপনার ব্যাংকের হ্যাকিং কেউ ঠেকাতে পারবে না। কারন সহজ সরল মানের আইএসপি গুলো থেকে যে কোন উপায়ে হ্যাকার রা কানেকশন ডিটেইলস জেনে আপনার ব্যাংকের সফটওয়্যারে ঢুকা একদম ই সহজ।  আর যদি একবার ব্যাংকের ভেতরে ঢুকতে পারে আর ডলার বা রিজার্ভ চুরি করতে পারে আর নিয়মিত সেটা পরিবর্তন করে ডলারকে বাংলা ক্যাশ করে বলবে রেমিটেন্স আর টাকা কে ডলারে মেক করে বলবে সুইফট ট্রানজকেশন বা ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রানজেকশন। এই্ভাবে রাষ্ট্রীয় হিসাব নিকাশ পরিবর্তন করা একেবারে ওয়ান টু এর ব্যাপার ই হ্যাকারদের কাছে। 


তো জনজীবনে হ্যাকারদের অত্যাচার অনেক । কিছুদিন আগে ডিবিবিএল এর বুথে যাইয়া দেখি হ্যাকারদের ভয় রিলেটেড নোট টাংগাইয়া রেখেছে। তখন বুঝতে পারলাম যে এই দেশের ইন্টারনেট ব্যবহার ওকে নাই - সেই জন্য তারা এখনো হ্যাকারদের খপ্পড়ে পড়ে বা ভয় পায়। আপনারা আগে সিষ্টেমের ডেভেলপ করেন- হ্যাকাররা আপনার বালও  ফালাইতে পারবে না। আর যদি আপনি ইচ্ছা করে সিষ্টেম লস রাখেণ বা ইনসিকিউরড রাখেন তাহলে বোঝা যাবে যে- সেখানে আপনারও  শেয়ার আছে বোধ করি। আগে নিজে ভালো তো জগত ভালো। আপ ভালো তো জগত ভালো। সো জনজীবনে হ্যাকারদের ভয় না দেখিয়ে আপনার টোটাল সিষ্টেম ওকে করে ফেলান এবং গোপন তথ্যাদি গোপন রাখার চেয়ে যে সকল ভেরিফিকেশন সিষ্টেম আছে সেগুলোই ব্যবহার করেন। হ্যাকারকে আপনি এক্সস দিলেই তারা এক্সেস পাবে। তারা যেনো এক্সেস না পায় সেই ভাবে আপনার ইনফ্রাষ্ট্রাকচার সাজাতে হবে। তাতে আপনি দুই নাম্বারি করলেও আপনার সিষ্টেম দুই নাম্বারি করবে না। আশা করি এ যাবত কালে বাংলাদেশে সংঘটিত সকল ধরনের হ্যাকার দের আইনের আওতায় আনা যাবে। প্রয়োজনে ইন্টারপোলের সাহায্য নিয়ে তাদেরকে তাদের প্রাপ্য শাস্তির ব্যবস্থা করেত হবে এবং হ্যাককৃত এমাউন্ট কে ফেরত আনতে হবে। যে কোন একটা মহল মাষ্ট বি জানে যে - কে বা কারা হ্যাক এর সাথে জড়িত? কারন ইন্টারনেট, সফটওয়্যার, ডিভাইস , অপারেটিং সিষ্টেম এইগুলো  সব চলে ০ এবং ১ বাইনারি মেথডের মাধ্যমে । সো যারা হ্যাক করেছে তাদের ট্রেসিং আছে। শুধু সত ইচ্চাটাই যথেষ্ট। 

আপনি যদি জেনে থাকেন কেউ একজন হ্যাকার এবং আপনার কাছে যদি সুনির্দিষ্ট প্রমান থাকে তাহলে আপনার প্রথম দ্বায়িত্ব হইতাছে সেটা আইন ও পুলিশ কে জানিয়ে দেয়া। আর দ্বিতীয় দ্বায়িত্ব হইতাছে তাদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট করা। বাংলাদেশে ইন্টারনেটে যে কোন হ্যাকারদের বিরুদ্বে আইন আছে। সো আপনি যদি তাকে জেনে শূনে সাহায্য করে থাকেন তাহলে আপনিও আইনের চোখে আসামী। বাংলাদেশে সব ধরনের গোয়েন্দা বা পুলিশ যেহেতু হ্যাকারদের বিুরদ্বে একজোট আছে সো আপনার যদি কিছু জানা  তাকে তাহলে আপনি অতি অবশ্যই র‌্যাব এর ডিজিটাল আইসসিটি সেকসানে জানাবেন, বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি সেকসানে জানাতে পারেন বা বাংলোদেশ পুলিশের ৯৯৯ এর সাাহয্য নিতে পারেন বা তথ্য প্রযুক্তি আইনের সাহায্য নিবেন। 


(ভালো লাগলে পার্ট ৪ আসবে )

Babu Khaicho? | DJ Maruf | Ruhul | Subha | Shreya | Bangla New Song 2020...



#বাবুখাইছো

#babukhaiso

Tuesday, September 22, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। অনলাইনের লেনাদেনার প্রকারভেদ।


ইউএসএ তে ১৩ বছর বয়সের সবাইকে স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করতে দেয়া হয়। ধরতে গেলে সেটা বাচ্চাদেরই এ্যাপ। সব বাচ্চা কাচ্চা যারা ইন্টারনেটে আসতে চায় তারা পারিবারিক ভাবে অনুমতি পায় স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করার জণ্য ১৩ বছর বয়স থেকে। প্রাপ্তবয়স্ক যারা তারাও ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু ১২ ক্লাস পাশ করার আগে পর্যন্ত পুরোপুরি নেট ব্যবহার করতে দেয়া হয় কারন এত করে মেধার অবমূল্যায়ণ হয়। কিন্তু আমাদের দেশে বয়স ১৮ হবার আগেই তাদের বাবা মা রা তাদের সন্তানদের হাতে মোবাইল তুলে দিতাছেন। সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হবার আগেই তাকে বা তাদেরকে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করে দিতাছেন আপনার নামে বা আপনার জন্য বরাদ্দকৃত জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার দিয়ে। আর তাতে যদি আপার সন্তানেরা কোথাও কোন অপরাধে জড়িত হয় তা  আপনার নামে লিষ্টিং হবে। কারন আমাদের দেশে ১৮ বছর বয়সের আগে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া হয় না। আর জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া আপনি ১৮ বছর বয়সের আগে মোবাইল ভেরিফিকেশন করতে পারবেন না। আর মোবাইল ভেরিফিকেশন না করতে পারলে আপনি মোবাইল নাম্বার সুবিধা পাইতাছেন না। তাহলে তো হিসাবে দেখা যাইতাছে যে- একজন শিক্ষিত সচেতন নাগরিক হিসাবে আপনি নিজেই আপনার সন্তানের ভবিষ্যত কে অন্ধকার করে দিতাছেন। কারন ইন্টারনেট এতো পরিমান একটা গতিশীল মিডিয়া যেটার কোন শেষ নাই।  মহাসাগরের কোন নাবিক একা একা বসে থাকার মতো। ফলে একটা সময় বাচ্চা কাচ্চাদেরকে  ডিপ্রেশন আকড়ে ধরবে এবং আত্মহননের পথ বেছে নিতে তারা দ্বিধা বোধ করবে না। এখনই শোনা যাইতাছে যে- ঢাকা শহরে বা ঢাকা বিভাগে ডিপ্রেশনের কারনে প্রতি ঘন্টায় ১ জন করে মেয়ে আত্মহত্যা করতাছে। যারা ইন্টারটে থেকে প্রাপ্তবয়ষ্ক হবার আগেই যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হইতাছে তারা যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হবার সময়ে নিরাপদ যৌন সম্পর্ক রিলেটেড কনডম বা সেফ সেক্স ব্যবহার  করতাছে না আর পরবর্তী সেক্সুয়াল রিলেশেন ইষ্টাবলিশ করার কারনে একজন আরেকজন কে ছেড়ে যাইতে একটুও দ্বিধাবোধ করতাছে না। ফলে অপরিনত বয়সেই আপনি আপনার সন্তানকে নিজ হাতে গলা টিপে মেরে ফেলােইলেন প্রযুক্তির কারনে। 

প্রযুক্তির খারাপ এবং ভালো ২ টা দিকই আছে। ইন্টারনেট একটা প্রযুক্তি এবং বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক প্রযু্ক্তি। ৩৬০০০ কিলোমিটার উপর থেকে বা ১ লক্ষ কিলোমিটার উপর থেকে ব্রডব্যান্ড কালেকশণ করে তা সিলিকন ভ্যালি ক্যালিফোর্নিয়াি ইউএসএ থেকে সারা বিশ্বে ছড়াইয়া দেবার মাধ্যমে ইন্টারনেট তার একচেটিয়া প্রাধান্য টিকাইয়া রেখেছে। এক কথায় আমেরিকা এই বিশ্বে তাদের একচেটিয়া ক্ষমতা টিকাইয়া রেখেছে। ভেবে দেখেন আমেরিকা যদি বলে সারা বিশ্বে এক সপ্তাহ ইন্টারনেট বন্ধ- তাহলে আপনি বা আপনার চারিপাশ বা আপনার দেশের অবস্থা কি হতে পারে? যেখানে আমেরিকাই ১৮ বছর বয়স হবার আগে তাদের ছেলে মেয়েকে পুরো দমে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেয় না সেখানে আপনি সচেতন পিতা মাতা হয়ে কিভাবে আপনার ছেলে বা মেয়ের হাতে ১৮ বছর বয়স হবার আগেই লক্ষ টাকা দামের মোবাইল টাচফোন হাতে ধরাইয়া দিতাছেন, আপনার নামে সিম রেজিষ্ট্রেশন করে । পার ইউজার পলিসি অনুযায়ী আপনি তো অলরেডী ইন্টারনেটে অপরাধী হয়ে যাইতাছেন? কারন মোবাইল ডিভাইস এবং মোবাইল নাম্বার তো আপনার নামে রেজিষ্ট্রেশন করা। এখণ সারা বিশ্বে ডিভাইস ট্রাকিং বা ইন্টারনেট  ট্রাকিং সিষ্টেমে আপনার সন্তানেরা আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে ভেরিফাই করা মোবাইল নাম্বার দিয়ে কেনা মোবাইল ইন্টারনেটে যতো কাজ করতাছে তা সংশ্লিষ্ট মোবাইল কোম্পানী লিষ্টিং করতাছে যাকে বলা হয় মিনিমাম ব্রাউজিং হিষ্টোরি রেকর্ড বা আপনার ডিভাইসের সকল কিছু রেকর্ড করতাছে আর আমেরিকা ও তো রেকর্ড করতাছে আর আপনাকে তো তারা কপিরাইট বা এ ধরনের যে কোন আইনে ফালাইয়া দিতে পারে। কারন একজনের মোবাইল আরকেজন ব্যবহার করা এবং একজনের মোবাইল নাম্বার আরকেজন ব্যবহার করা এইটাতো আইনসম্মত হলো না। যদি  ইন্টারনেট আইনে থাকে প্রাপ্তবয়স্ক না হলে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না তাহলে তো আপনি ইন্টারনেটের জগতে অলরেডী অপরাধ করতাছেন আপনার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের হাতে ইন্টারনেট তুলে দিয়ে। মোবাইল নাম্বার দিয়ে ইন্টারনেট এ ফেসবুক একাউন্ট ওপেন করা যায় আর বাংলাদেশে মোবাইল নাম্বার পাইতে গেলে আপনার বয়স হতে হবে ১৮ বছর। তাহলে তো আপনি নিজেই এইখানে আইন ভংগ করতাছেন (কারন ফেসবুকে আপনার ছেলে বা মেয়ে তাদের নিজস্ব নাম এবং অল ফেইক ডিটেইলস ব্যবহার করতাছে এবং সেখানে ব্যবহৃত মোতাইল নাম্বারটি আপনার নামে রেজিষ্ট্রেশন করা। আর ফেসবুকের কাছে নিশ্চয়ই বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ডাটাবেজ আছে আর চাইলে তারা যে কান মোবাইল কোম্পানীর রেজিষ্ট্রেশনকৃত ডাটাবেজ ও পরীক্ষা করে নিতাছে বোধকরি)।এখন এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আপনাকে অবশ্যই আনপার নিজের নামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করতে হবে যেমন ইউরোপ আমেরিকাতে প্রত্যেক বাসাতে আইপি বেজড কানেকশন দেয়া আছে। সেটা আপনি ওয়াই ফাই করে ব্যবহার করে সন্তানের পড়াশোনা সংক্রান্ত খোজ খবর নিতে পারেন। কিন্তু এই ব্যাপারে ইন্টারনেটের কোনো অথরিটি যদি খোজ খবর করে যে কেনো আপনি অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের হাতে ইন্টারনেট তুলে দিতাছেন তখন কি জবাব দেবে দেশ বা সরকার? আশে পাশের সব দেশে কি করোনার কারনে ইন্টারনেটে বা অনলাইনে ক্লাস ব পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। বাংলাদেশ সরকার কি টাকার বিনিময়ে গৃহশিক্ষকদের অনলাইনে ক্লাস নেবার অনুমতি দিয়ে দিছে বা এই সংক্রান্ত আইন বা ধাার কি পাশ হইছে? যেখানে সরকার নিজেই কোচিং বা প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে দিতে চাইতাছে সেখানে সরকারি অনুমতি ছাড়াই গৃহশিক্ষকেরা অনলাইনে ক্লাস এবং মাসিক টাকাও নেয়া শুরু করেছে। অনলাইনে টাকা চাওয়া তো বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৪২০ ধারা লংঘন হয় এবং সেখানে প্রতি অনলাইন শিক্ষকের তো জেল জরিমানা ও হতে পারে। 

করোনা পরিস্থিতর কারনে অনেক মানুষেরই উপার্জন কম এখন। সেই হিসাবে বাড়ি বাড়ি তে বসে অনলাইনে ক্লাস শুরু করা এবং সেই ভাবে আবার প্রতি ছাত্র ছাত্রীদের কাছে অণলাইনে পড়ানো বাবাদ টাকা চাওয়া - ব্যাপারটা কতোটুকু যৌক্তিযুক্ত। করোনা পরিস্থিতি কতোদিন থাকবে তা তো আর গ্যারান্টি দিয়ে বেলা যাবে না। সে ক্ষেত্রে আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ব্যাপারটার প্রতি অনীহা প্রকাশ করলাম। একেবারে যেটা না হলে চলবে না সেটা দিলে মে বি ভালো হবে। কারন করোনা পরিস্থিতির কারনে অনেকে চাকুরী বাকুরী ছেড়ে ঘরে বসে আছে। আপনারা নিজেরাই আপনার সন্তানদের দ্বায়িত্ব নেয়া শুরু করেন কারন আপনি তো আর না পড়ে পাশ করে আসেন নাই। এই ফাকে সচরাচর চান্স লাভার বাংগালী অনলাইন গৃহশিক্ষকদের কোটিপতি বানানো ছেড়ে দেন। তারাও কিছুটা কষ্ট করুক। এখণ তো আর গৃহশিক্ষককে গায়ে গতরে খেটে ক্লাস করাতে হচ্ছে না । সে ক্ষেত্রে সে অনেক কম নিতে পারে। আবার ছাত্র ছাত্রীরাও পড়াশোনার মাঝে না থাকলে তাদের মেধার ঘাটতি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সরকার একটা ণীতিমালা করে দিতে পারে যে- সব্বোচ্চ এই পরিমান টাকা চাইতে পারে। এর বেশী চাইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। যে কথাটা দিয়ে শুরু করতেছিলাম - আপনি হয়তো বলতে পারেন যে- আপনার বাচ্চা কাচ্চা পড়াশোনা হবে কি করে? ইন্টারনেটে কি হয় বা না হয় সেটা রেগুলার ই ট্রাকিংকরা হতে পারে। ফেসবুক লাইভে অনলাইন ক্লাস নেয়া শুরু হয়েছে। এইখানে কি ফেসবুকের নীতিগত অনুমতি আছে কারন এইখানে তো টাকা পয়সার লেনাদেনা হইতাছে। ফেসবুকের প্রোগ্রাম ব্যবহার (ফেসবুক লাইভ ম্যাসেন্জার) করে আপনি ইন্টারনটে থেকে টাকা পয়সা লেনাদেনা করতাছেন-এইটা ফেসবুক জেনে যদি কোন ধরনের এ্যাকশন নেয়া শুরু করে তাহলে কি আপনি রেহাই পাবেন সরকারি বা তাদের জরিমানা থেকে? কারন আমার জানা মোতাবেক আপনাকে নিজস্ব প্রোগ্রাম বা প্লাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে এই ধরনের ক্ষেত্রে। যেমন: ল্যান, ম্যান, ওয়্যান সেক্টর বা ফ্যাক্টরে। আপনি জুম ব্যবহার করে সারা দেশে বাচ্চা কাচ্চা দের ক্লাস করাইতাছেন। এ ক্ষেত্রে জুম কোম্পানীর কি নীতিগত অনুমতি আছে কারন এইখানে তো জুম কোম্পানীর নীতমালাও লংঘিত হতে পারে (আর সেটা জুম না হয়ে স্কাইপে হলো না কেনো? ভিডিও শেয়ারিং প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার বা এ্যাপ তো আছে। সারা দেশে এক যোগে বা সারা বিশ্বে এক যোগে জুমের ব্যবহার টা সন্দেহ জনক যেমনটা সনেদ্হজনক এক যোগে কে ৯৫ মাস্ক ব্যবহারের- আরো তো অনেক ধরনের মাস্ক আছে সেগুলো র নাম তো উচ্চারিত হতে পারতো)। কারন আপনি তো জুম কর্তৃক নির্ধারিত বা ফেসবুক কর্তৃক নির্ধারিত কোন উপায়ে পেমেন্ট বা লেনাদেনা করতাছেন না। একসময় তো তারা ইনভেষ্টিগেশন করবে বা কেউ না কেউ হয়তো তাদের কোম্পানী বরাবরে অভিযোগ করবে ।তখন তো তারা বাংলাদেশের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করবে বা করতে পারে যদি তাদের সিষ্টেম কে মিসইউজ করা হয়। 


অনলাইনে টাকা পয়সা লেনাদেনাকে অনেক সময় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্ক্যাম মেথড বলা হয়। আন্তর্জাতিক ভাবে আমাদের  এই অনলাইন পড়াশোনাকে নিশ্চিত ভাবে স্ক্যাম হিসাবে ধরবে। কারন নিয়ম ছিলো - জুম কোম্পানীর সাথে চুক্তি করে নেয়া তারপরে তাদের নির্ধারিত উপায়ে লেনাদেনা করা বা ট্রানজেকশন করা। তাতে করে ব্যাপারটাতে দুই পক্ষেরই একটা ট্রানজেকশন থাকতো এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে লেনাদেনা করার কারনে দুইজনই ই ইন্টারনেটের ণীতিমালা মেনে চলতো। এই স্ক্যাম পদ্বতি এড়ানোর জন্যই আমরা ইন্টারনেটে ইন্টারনেটের ব্যাংক গুলো ব্যবহার করে থাকি : যেমন: পেপাল, স্ক্রিল,ওয়েবমানি, পারফেক্টামনি, নেটেলার, পাইওনিয়ার  ইত্যাদ। যারা ইন্টারনেটে টাকা চায় তাদেরকেও একধরনের স্ক্যামার নামে অভিহিত করা হয় কারন অনেক ধরনের তথ্যই হয়তো ইন্টারনেটে পাবলিশ হয়ে যাইতাছে। কোন ছাত্র বা ছাত্রী কখন কাকে কোথায় কোন পেমেন্ট মেথডে পেমেন্ট করতাছে সেরকম তথ্যগুলো আপডেট হইতাছে আর সেগুলো সংশ্লিষ্ট ইন্টারনেট কোম্পানীর ডাটাবেজেও রক্ষিত হচ্ছে। ইন্টারনেটে যেমন দিন রাত ২৪ ঘন্টা  ইন্টারনেট প্রফেশনাল রা বসে থাকে তেমনি হ্যাকারও উৎ পেতে থাকে।  এই  সকল ট্রানজেকশন নাম্বার দিয়ে সে হয়তো ভবিষ্যতে বড় সড় ধরনের হ্যাকিং এর চেষ্টাও করতে পারে। আর ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটের ডাটাবেজ আপডেট করার জন্য সব সময় টেক্সট বট বা ইমেজ বট তো একটিভ আছেই যাদের প্রধান কাজ হলো সোশাল মিডিয়া বা ইন্টারনেটে যে কোন টেক্সট বা ইমেজ নতুনাকারে আসলে সেটা লিপিবদ্ব করে ফেলানো সংশ্লিষ্ট ডাটাবেজে। সেগুলোও পরে প্রমান হিসাবে কাজে লাগতে পারে। মনে চাইলাম আর ইন্টারনেটে কিছু একটা শুরু করে দিলাম ব্যাপারটা সেরকম না। আপনার মনে চাইলে আপনি ইউটিউবে সার্চ দিয়ে যে কোন ভিডিও দেখতে পারেন কিন্তু আপনার মনে চাইলেই আপনি ইন্টারনেটে যে কোন একটা পদ্বতি শুরু করে দিতে পারেন না। আপনাকে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। যেমন:  ফ্রি ল্যান্সার রা ফেডারেল সরকারের অুনমতি নিয়ে আমিরেকিাতে মার্কেটপ্লেসের ব্যবসা শুরু করেছিলো। তো আপনিও যদি নিজে একটা মার্কেটপ্লেস বানাতে চান তাহলে আপনাকেও ফেডারেল সরকারের যে ল বা  আইন  আছে এ সংক্রান্ত ব্যাপারে তা  মেনে বা পালন করে চলতে হবে। আবার  বাংলাদেশে   অনেক অশিক্ষিত বা নিরক্ষর তো মার্কেটপ্লেস বলতে ইন্টারনেটের কোন ওয়েবসাইট কে বুঝে না- তারা বুঝে থাকে বাস্তবের রাস্তার দুই ধারে থাকা দোকান পাট গুলোকে। এক নিরক্ষর আমাকে বলতোছে যে- ভাই মার্কেটপ্লেস বলতে কি বোঝেন? আমি উত্তর দিলাম- অনলাইনে এক টা বিশেষ ধরনরে ওয়েবসাইট কে মার্কেটপ্লেস বলা হয় যেখানে আপনি আপনার মেধা বা সার্ভিস বা প্রোডাক্ট সেল করে ডলার বা মুদ্রা উপার্জন করতে পারবেন। তো সেই অশিক্ষিত আমাকে উত্তর দিতাছে- বলতাছে মার্কেট বলতে তো অনকে দোকান বোঝানো হয় আর প্লেস বলতে তো জায়গা বোঝানো হয়। তো মার্কেটপ্লেস বলতে তো অনেক দোকান পাট বোঝানো হয় যেগুলো মার্কেটে থাকে বা যে কোন জায়গায় থাকে  বা রাস্তার দুই ধারে তৈরী হয় আমাদের । তো আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে ভাই তাহলে আপনি মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জন করা বলতে কি বোঝেন? সারা দেশে সরকার যে বলতাছে ফ্রি ল্যান্সার রা মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জন  করতাছে, সরকারি রেমিটেন্স আনতাছে বা দেশের অর্থনীতিতে কিচু দিতাছে - এইগুলো বলতে কি বোঝেন?     সেই অশিক্ষিত লোক বলতাছে বা উত্তর দিতাছে- যতো মার্কেট এবং যতো দোকান আছে সমস্ত দোকান থেকে অবৈধ ভাবে টাকা পয়সা আদায় করা বা ভিক্ষা করাকে মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জন করা বোঝায়। পরে আমি বললাম যে ভাই- মার্কেটপ্লেস একটা এভ্রিভিয়েশন - যারা অনলাইনে একটা ওয়েবসাইটে একসাতে হয়ে মেধা কেনা বেচা করে এবং অনলাইন রিলেটেড কাজ কারবার করে তাকে মার্কেটপ্লেস বলে। এইটাকে আপনি মার্কেট +প্লেস হিসাবে ইংরেজী অক্ষর হিসাবে বিবেচনা করলে কোন লাভ হবে না। কারন সারা বিশ্ব যেটা বুঝে আপনিও সেটা বোঝার চেষ্টা করেন। তো শেষে বুঝলাম যে- তারা বাংলাদেশ কে বিশ্বাস করে না বোধকরি - এজন্য বাংলাদেশের মার্কেটপ্লেস রিলেটেড এই একটা ইন্ডাষ্ট্রিল ভুল বাল ব্যাখ্যা দাড় করিয়ে জনমনে ফ্যাসিলিটিজ বা বিভ্রান্তি তৈরী করার চেষ্টা করতাছে। যেমন: ফ্রি ল্যান্সার ডট কম একটা মার্কেটপ্লেস বা আপওয়ার্কস ডট কম একটা মার্কেটপ্লেস বা এসইওক্লাক ডট কম একটা মার্কেটপ্লেস। 

Sunday, September 20, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন।

ইন্টারনেটে একটা কথা আছে- ইন্টারনেটে  বসে থেকে আপনি পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত যা যা লাগে সবই পাবেন কিন্তু পাবেন না শুধুমাত্র কোন মানুষকে বাস্তবে স্পর্শ করার স্বাদ। ইন্টারনেট থেকে কোন মানুষের সাথে পরিচয় হলে তাকে বাস্তব জগতে ডাক দিয়ে বাস্তবে দেখা করে তাকে স্পর্শ করে দেখতে হবে যে- সেই মানুষটা সত্যি কিনা? প্রথম দিকে ইন্টারনেট কমুনিটি গড়ে তোলাটা একদমই সহজ ছিলো না। মানুষকে তার নানাবিধ সামাজিক বাধা অতিক্রান্ত করে ইন্টারনেটে ইউজ্যাবল হতে হয়েছে। প্রথম প্রথম তো ডেস্কটপ কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাইতো এবং সেটা তো আর সাথে করে ঘুরে বেড়ানো যাইতো না। ফলে দেখা যাইতো- একখান থেকে আরেকখানে যাইয়া অন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহার করতে হলে পাসওয়ার্ড গুলোকে মাথাতে রাখতে হতো। সেগুলো মনে করে অন্য আরেকজনের কম্পিউচটারে ব্যবহার করে ব্যবহার শেসে কুকিজ বা মেমোরিস পরিস্কার করে তারপরে ব্রাউজার হিষ্টোরি পরিস্কার করে সেখান থেকে বিদায় নিতে হতো। আর নয়তো একটা টেনশন থাইকা যাইতো কোন কিছু হ্যাক হয় কিনা? বা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়ে যায় কিনা? বা অন্য কেউ পেয়ে যায় কিনা? খুবই ইনসিককিউরড একটা ব্যাপার। কিন্তু তারপরেও ইন্টারনেট কে সামনে আগাইয়া নিয়া যাবার চেষ্টা করা। ইন্টারনেট যখন বাংলাদেশে প্রথম প্রবেশ করে তখন প্রতিদিনই এই দেশে দরকারি দরকারি খুন খারাপি হতো। পিক্যুলিয়ার এক সমাজ ব্যবস্থায় ২০০১-২০০৬ সালে দেশবিরোধী রাজাকারেরা বাংলাদেশের সরকারে স্থান পেয়ে যায় যা ১৯৭২ সাল থেকে করতে দিতো না কেউ। আগে গবেষনা হইতো কিভাবে জামাত শিবির দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসেন জিতে যায় বা এইটা কিভাবে সম্ভব? মানুষ নিশ্চয়ই দেশবেরাীধদেরকে ভোট দেয় না। এরপরে ২০০১ সালে বি এন পির অধীনে চারদলীয় সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশে এক ন্যক্কর জনক অধ্যায় শুরু করে। যার নাম চারদলীয় ঐক্যজোট- সেই সময়ে এই ঔক্যজোটের কারনে জামাত হাত মেলায় বি এন পির সাথে সরকার গঠন করার জন্য আর তার জণ্য তাার চেয়ে বসে মন্ত্রী পদ পর্যন্ত। পরে বি এন পি সেখানে সম্মতি দিয়ে বসে। সারা দেশে ঘৃনার রি রি উঠে যায়। বি এন পি কে সবাই কম বেশী পছন্দ করতো কারন তারা বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ নিয়ে রাজনীতি করতো। জাতীয়তা ব্যাপারটা প্রত্যেক বাংলাদেশী দের সাথে যায়। কোন বাংলাদেশী লোক জাতীয়তা ছাড়া নিজেকে ভাবতে পারে না -একমাত্র যারা নাগরিকত্ব নিয়ে বসবাস করে তারা ছাড়া। যারা অন্যান্য দেশের নাগরিক এবং সম্পূর্ন বৈধভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভোটার হিসাবে বসবাস করে তারা ছাড়া কম বেশী সকল ধরনের বাংলাদেশী ভোটারের মধ্যে এই ভ্যাপারটা কাজ করতো যাকে বলা হয় বাংলাদেশী জাতীয়তা। সেই জিনিসটাই বি এন পি ২০০১ সালে সরকার গঠন করার সময়ে বিক্রি করে ফেলে। পা কিস্তানের ক্ষমতা বিশ্বাসকারী   এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী রাজেনৈতিক দল জামায়েতে ইসলাম কে সাথে নিয়ে এবং তাদেরকে মন্ত্রী পদের আশ্বাস দিয়ে দেশ বিরোধী এক সরকার গঠন করে। হেন খারাপ কাজ নাই যা এই চারদলীয় সরকারের আমলে হয় নাই (২০০১-২০০৬)। জামায়েতে ইসলাম এমন এক রাজনৈতিক দল যাদের বিশ্বের সব মুসলিম দেশে শাখা আছে বলে শুনেছি এবং পা কিস্তান ছিলো তাদের  হেড কোয়ার্টার। আর সেই সময়ে ২০০২ থেকে মুরু হয় সাইথ ইষ্ট এশিয়াতে ভয়াবহ আগ্রাসন (ইউএসআর্মির অপারেশন আল কায়েদা এবং তালেবানের বিরুদ্বে -৯/১১ আক্রমনের কারনে যেখানে পা কিস্তান এর সন্ত্রাসী জন গোষ্ঠী সরাসরি জড়িত ছিলো। এই ভয়াবহ আক্রমনের টাইপে বাংলাদেশে ও সারা দিন বোমা হামলার আতংক থাকতো ২০০১-২০০৬ সালে। সারা দেশে এক যোগে জংগী দের সিরিজ বোমা হামলা, সারা দেশের আদালত প্রাংগনে বোমা হামরা, যখন যেখানে মনে চায় সেখানে বোমা হামলা- এই ধরনের কারনে সারাক্ষন মাথা গুজে ইন্টারনেটে পড়াশোনা করাটাই আমার মোত অনেকে শ্রেয় মনে করে। আর আমার ঘন্টা ৬০ টাকা হারে বা ঘন্টা ৪৫ টাকা হারে সা্েবিার ক্যাফে গুলোতে ভীড় জমাতাম। চেষ্টা করতাম কোন কোন সাইবার ক্যাফের মালিক কতোটুকু সুযোগ সুবিধঅ দেয় তার জন্য। সেই সময়ে পুরো নেপথ্যে বসে দেমে আদিপত্য স্থঅপন করে বি এন পির এক নাম্বার যুগ্ম মহাসচিব - তারেক রহমান। বনানীতে হাওয়া ভবন নামের এক বাসভবনে বসে সারা দেশে ত্রাস এবং সন্ত্রাসের এবং চাদাবাজির রাজত্ব কায়েম করে এই তারেক রহমান যার বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বাতিল করেছে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলোদেশ সরকার। বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে পা কিস্তানী রাজনৈতিক দল এবং দেশবিরোধী (৭১ এ যাদের ভুমিকা ছিলো শতভাগ দেশবিরোধী) তাদের সাথে আতাত করে সরকার গঠন করে তা অনেকের কাছেই আজো বিষ্ময় হয়ে আছে? মানুষজন অন্যতম প্রধান এই রাজনৈতিক দলের প্রতি পুরোপুরি আস্থা হারায়। সারা দেশের এই সন্ত্রাস এবং চাদাবাজি কন্ট্রোল করে ২০০৩ সালে তৈরী হওয়া বর্তমানের র‌্যাপিড এ্যকশন ব্যাটালিয়ন টিম যার নাম র‌্যাব। আমি র‌্যাব বাংলাদেশ কে সবসময়ই সাপোর্ট করবো তাদের আদর্শ আর নীতির কারনে এবং তারা সন্ত্রাস এবং চাদাবাজ দমনে ১০০ বাগ সফলতা পেয়েছে। আমি মনে করি তারা বাংলাদেশে কোন মানবাধিকার বিরোধী কার্য কলাপ করে নাই। এখনো বাংলাদেশে এমন কোন হ্যাডম নাই যে বা যারা র‌্যাব কে ভয় পায় না। আর ইন্টারনেটের র‌্যাব এর ডিজিটাল ইউনিটের সাফল্য সবচেয়ে বেশী। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি যে আেইন শুনেছি সেটাও তারা পুরোপুরি কন্ট্রোল করে। যদি আমাদের দেশে পার হেড ইউজার আইপি থাকতো আর অপরাধ দমনের সব ক্রিমিনাল দমনের সব সফটওয়্যার দেয়া হতো- তাহলে  চ্যালেন্জ বা গ্যারান্টি  দিয়ে বলতে পারি যে বাংলাদেশে ইন্টারনেটে কেউ কোন ধরনের অপরাধ করে পার পাইতো না্। আইপ ট্রাকিং করে সাথে সাথেই সকল ধরনের চিটার বাটপার বা ২ নাম্বার গুলোকে বা হ্যাকারগুলোকে গ্রেফতার করতো এক সেকেন্ডেই। সফটওয়্যার ডিজাইন বা ডেভেলপ রিলেটেডে যতোটুকু পড়াশোনাই করেছি সেখানে দেখেছি - অপরাদ দমনের সমস্ত সফটওয়্যার ই পার ডেহ আইপি বেজড এ কাজ করে। এছাড়া ম্যাক আইডেন্টফিকেশন রিলেটেড যে টেকনোলজী সেটা ট্রাকিং করে গ্রেফতার করতে অনেক উচ্চ ক্ষমতার স্যাটেলাইট সাপোর্ট ও লাগে বা লাগতে পারে।


২০০১-২০০৬ সালেল পুরো সময়টাই ছিলো সারা দেশ যোগে বোমা হামলার আতংক। পা কিস্তানে এবং আফগানিস্তানে ইউএসএ আর্মির দুন্ধমার আক্রমনের কারনে  সন্তাসীরা মুহ্য মুহ্য বোমা হামলা চালাতো পা কিস্তান এবং আফগানিস্তানে। তার দেখাদেখি বাংলাদেশে বসবাসরত পা কিস্তানী মন মানসিকতাসম্পন্ন মানুষ গুলোকে দেখা গেলো বিনা কারনেই  সারা দেশে বোমাবাজি বা আত্মঘাতী বোমা হামলার মতো দুর্দশ ঘটনাও ঘটাতে মুরু করলো। ভাবখানা এমন যে- পা কিস্তান দোষ করেছে আমেরিকার টুইন টাওয়ারে  বোমা হামলা করে  তো বাংলাদেশ বাকী থাকবে কেনো? বাংলাদেশেও আক্রমন শুরু করে তালেবান বা আল কায়েদা রিলেটেড কিছু সন্ত্রাসী জংগি গোষ্ঠী। সে সময়কার পত্রিকা গুলো ঘাটলে দেখা যাবে বি এন পি, তারেক রহমান এবং থার সাথে আল কায়েদা দের সাথে যোগসূত্র এবং আরো অনেক ভয়াবহ সন্ত্রাসীদের সাথে যোগাযোগ বা ঢাকাকে একটি আখড়া পালন করা। ঢাকা এয়ারপোর্ট সাউথ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম বড় ট্রানজিট স্টেশন হওয়াতে শুনেছি সেই সময় অনেক আমেরিকান বা ইউরোপিয়ানদ সৈন্য দের যাত্রা বিরতি হতো ঢাকাতে। তারা কয়েক ঘন্ট বা কিচু মিনিট অবস্থঅন করে আবার রওয়ানা  হতো আফগানিস্তানে। অপারেশন এ আফগানিস্তান এবং পা কিস্তান দুই দেশকেই টার্গেট করা হয় এবং মূলত ক্যাম্প স্থাপন করা হয় আফগানিস্তানে। সুদীর্ঘ যুদ্ব শেষে এখন আফগানিস্তান থেকে সব সৈন্য সরাইয়া নেবার ঘোষনা দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন বা আমেরকান প্রশাসন। যুদ্ব শেষ হলৌ আফগানিস্তানে আছে পৃথিবীর  ভয়াবহ এবং দুর্ধষ তম পুলিশ- এফবিআই অফিস। আরেকেখানে আচে যেটা হলো- কাতার। তো সেই সময়ে ইন্টারনেট সাইবার খ্যাপেতে বসেও চিন্তা করতে হতো যে এই বুঝি আমাদের উপরে বোমা হামরা হলো- কিছুক্ষন পরে হয়তো লাশ হয়ে পড়ে থাকতে হইতে পারে। সারা দেশের বোমা হামলার কারনে লাশের স্তুপ আর গননা করে শেষ করার মতো না। সেই সময় কার সরকার বোধ করি চেয়েছিলো ইন্টারনটে যেনো বাংলোদেশে না থাকে। আমি আজো মনে করি - ইন্টারনেট যদি তখন বাংলাদেশে না থাকতো তাহলে ইউরোপ আমেরিকান পুলিশকে জানানো্ই যাইতো না যে- বাংলাদেশ একটি দেশ আর প্রায় ৩০-৪০ কোটি মানুষ এই এলাকাতে বাংলাতে কথা বলে এবং এরা জাতে বাংলোদেশী বা ভারতীয় বাংগালী। আমার মনে হয়- ২০০১-২০০৬ সালের যে জংগী বোমা হামলা- তার মূল কারন হইতাচে ৪০-৪৫ কোটি বাংলা ভাষা ভাষী মানুষের সিমপ্যাথি কামানো আর নয়তো সন্ত্রাসের বিরুদ্বে প্রেসিডেন্ট বুশের যে আক্রমন ছিলো তাতে এই এলাকার ২/১ টা সন্ত্রাসী দেশগুলো কে খুজে পাওয়া যাইতো কিনা সন্দেহ? এই ভালো  মানুষদের দেশ বাংলাদেশ এবং ভারত তখন বিশ্বে জানান দিতে পেরেছিলো যে-- এইখানে একেবারে সাধারন মানের নিরেট ভদ্র টাইপের ভালো মানুষদের বসবাসও আছে যারা গেষ্ট পাইলে যা আছে তাই দিয়ে আপ্যায়ন করে এবং যতোটা পারে ততোটা মনে থেকে সাহায্য ও করে। জানি না এখনো এই ৪১ কোটি বাংগালীদের ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে কিনা (শুনেছি বাংলাদেশ এবং ভারত মিলে তালিকাবদ্ধ ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৪১ কোটি -ভুল ও হতে পারে কম বেশী। ? মোবাইল টাওয়ারের কল্যানে বড়লোক এবং মধ্যবিত্ত সবার জন্যই এই বাংলোদেশ এবং আশে পাশের সেভেন সিষ্টারস খ্যাত ভারতের সাত পাহাড়ের বাংগালীদের মাঝে সবখানে ইন্টারনেট সুবিধা আছে- কিন্তু সবাই ব্যবহার করে কিনা ব্যাপারটা ঠিক জানা নাই। 


তো ভেবে দেখেন সব মানুষ ইন্টারনটে ব্যবহার করবে এই কারন বোমা হামলাকে ও ভয় পাই নাই। প্রয়োজনে সাইবার ক্যাফের মাটার নামাইয়া দেয়া হতো তারপরে ও সারা দেশের ছেলে রা এক যোগে যে প্ল্যান করে যে তারা ইন্টারনেট কে প্রতিষ্টিত করে ছাড়বেই তা আজকে সফল। বর্তমানে বাংলাদেশের সব সৌখিন মানুষই ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে কম বেশী । গ্রামের বৃদ্ব মানুষ ও তার চোখের সামনে মোবাইল  বা ল্যাপটপে দূর দেশে তার সন্তানকে দেখে যখন আনন্দে চোখের পানি ফালায় তখন আমরা বুঝতে পারি যে- আমরা যে যুদ্ব শুরু করেছিলাম অলিখিথ ভাবে সারা দেশে ইন্টারনেট কে ইষ্টাবলিশ করার জন্য - সে যুদ্বে আমরা সফল। আজকে দেশের সবখানে ইন্টারনেটে আছে। ২০০৬ সাল পর্যন্ত সন্ত্রাসের রাজত্ব শেষ হবার পরে শুরু হয় বাংলাদেশ সোবাহিণীর দেশ শাসন বা দেশ কন্ট্রোল। তখন ঢাকা শহর ছেড়ে চলে আসি ময়মনসিংহ নিজের বাসাতে। তারপরে স্থানীয় ভাবে নতুন একটা কম্পিউটার কিনে স্থানীয় ভাবে ব্রডব্যান্ড  ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে শুরু করি সারা দেশের ছেলে পেলে দের যাকে পাই তাকেই ওডেস্ক , পিটিসি এবং গুগলের এডসেন্স ব্যাপারে বলা। প্রথমে বরতে হইতো- ইন্টারনেট তেকে ডলার উপার্জন করা যায়। তো লোকজন ভাবতো েনতুন কোনি ঘাপলঅ আসলেঅ কিনা? কারন ২০০১-২০০৬ সালে তথাকথিত ডু ল্যান্সার টাইপের লোকজন এমন টাইপের ব্যবসা শুরু করে যেখা ন সারা দেশের অনেক অনেক মানুষ কম বেশী টাকা পয়সা হারিয়ে ধরা খেযে সামাজিক ভাবে খারাপ সিচুয়েশনে পড়ে যায়। একদণ স্বার্থান্বেষী লোক ডু ল্যান্সার, স্কাই ল্যান্সার টাইপের এড ক্লিক ব্যবসা করে দেশের লক্ণ কোটি মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে দেশ ছেড়ে চলে যায় এবং পুচ্রর পরিমান মানুষ বিপদে পড়ে যায়। তখন কার দিনে ৬/৭/৮ লক্ষ টাকা মানে বর্তমানে প্রায় কোটি টাকার সম পরিমান। তাদের মধ্যে অনেককেই আজো রাস্তা ঘাটে দাড়িয়ে আহাজারি করতে শোনা যায়। না জেনে না বুঝে তখন কার দিনে র মানুষ সহজ সরল বিশ্বাসে পিটিসি টাইপের এড ক্লিকের কথা বলে এবং বেশী লাভ দেবার কথা বলে মানুষকে ঠকানো শুরু করে। র‌্যাব পুলিশ তাদেরকে ধরতে পারার আগেই তাার বিফুল অংকের টাকা হাতাইয়া নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে যায় যারা মূলত এই চিটিং বা াবটপারি টাইপের ব্যবসা করেছিলো। সেটা ছিলো চারদলীয় ঐক্যজোটের আমলে ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং জগতের উপরে প্রথম আঘাত যে আগাত কে আজো কাভার করা যায় নাই। ৫ লক।ন টাকা দিলে ১৫/২০ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে এরকম একটা চিটারি বাটপারি হয় তখনকার দিনের কারা বংগালীদের মধ্যে। গ্রামের সহজ সরল তরুন যুবকদের কে ইন্টারনেটের চটকদার ব্যাপার স্যাপার দেখাইয়া বিুপল অংকের টাকা পয়সা হাতাইয়া নেয় সেই সময়কার স্বার্থান্বেষী মহল। যারা হয়তো আজো গোেপনে চোখের পাানি ফালায় অনেক পরিমান অর্থ পার পার পরিবার থেকে কালেকশন করে হারানোর ফলে। কয়লা ধুইলে তো আর ময়লা যায় না- সেই হিসাবে জারজ গুলোর স্বভাব চরিত্র আজো যায় নাই। তাদের জন্য সমবেদনা যারা সেই সময়ে টাকা হারিয়েছে। ৪৩ বছর পরে যদি দেশবিরোধী স্বাধীনতাবিরোধী দালাল রাজাকারদের ফাসির কাষ্টে ঝুলিয়ে দেয়া যায় তাহলে হয়তো একদিন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারও তাদের টাকা ফেরত দেবার ব্যবস্থা করবে। ইন্টারনেট কে যারা কলংকিং করতে চেয়েছিলো তারা বোধ করি রেহােই পাবে ান। ইন্টারনেট নিজেই একদিন তার জবাব দেবে। যেমন দিতাচে আজকালকার বাংলাদেশ। সব মানুষের হাতেই টাচ ফোন- মনে চাইলেই যে কাউকে ভেরিফিকেশন করার মতো সমস্ত সিষ্টেম এখণ হাতের মুঠোতে। আমাদের দেশে এখণ যারা সবচেয়ে সচেতন তারা প্রথমেই অপরিচিত কারো সাথে মেলামেশা করার আগে বা চেনা থাকলেও জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার জোগাড় করে এবং ইন্টারনেট থেকে ভেরিফিকেশন করার চেষ্টা করে বা নিকটস্থ বা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন এর অফিস থেকে জেনে নেয়। েইন্টারনেটের কল্যানে সবকিছুই এখন অনেক সহজ। আমেরিকাতে এই নাম্বার টাকে ভরা হয় সোশাল সিকিউরিটি নাম্বার। এসএসএন   নাম্বার চাড়া আমেরিকাতে কোন মানুষ কারো  সাতে কোন ধরেনর ডিলিংস করে না। আমেরিকাতে সব দেশের মানুষই বসবাস করে আর বাংলাদেশে সব দেশের মানুষের ফেস কাটিং পাওয়া যায়্ কেউ দেখতে ইউরোপিয়ান আবার কেউবা দেকেত আমেরিকান দের মতো। তো আমাদেরও উচিত জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ভেরিফাই করে নতুন মানুষজনের সাথে মেলামেশা করে। খোজ নিলে হয়তো জানা যাবে যে - দেশের অনেক নামকরা লোকজেনর জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার নাম্বার নাই। তারা হয়তো অন্য দেশের পরিচয় নিয়ে হয়তো বা বাংলাদেশে  অনেকের চোখকে ধুলো দিয়ে বসবাস করে  যাইতাছে। 


২০০৬ সালে ইন্টারনেটে ওপেন করা আমার কিছূ একাউন্ট এখনো একটিভ আছে। যেমন:

skype: masudbcl

email: masud502@hotmail.com

আমি সেই সকল চিটার বাটপার দের কখনো কোন টাকা পয়সা দেই নাই। আমাকে ২০০৬ সালের আগেই এক আমেরিকান বায়ার শিখিয়েছিলো যে- ইন্টারনটে যেই তোমার কাছে অগ্রীম টাকা চাইবে সেই ফেইক। সো আমি তার কতা পালন করেছি এবং আজ পর্যন্ত কোথাও কোন টাকা পয়সা ধরা খাই নাই। 

২য় পর্ব

Saturday, September 19, 2020

পেপাল ডট কম নিয়ে আমার কিছু অভিজ্ঞতা এবং আমার মতে কেনো চালু হইতাছে না পেপাল বাংলাদেশে।

বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত অনেক নতুন নতুন আইন পাশ হইতাছে। যেমন: অর্পিত সম্পত্তি আইন, ত্যাজ্য সম্পত্তি আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন , জাতীয় পরিচয়পত্র আইন এবং আরো অনকে ভালো ভালো আইন। আইনের শাসন বলবৎ থাকলে অনেক ধরনের খারাপ কাজ থেকে নিজেকে ফেরত রাখা যায়। তেমনি আরো একটা আইন হবার দরকার ছিলো যে- পার হেড আইপি থাকার আইন। প্রত্যেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর একটা আইপি এড্রস থাকবে। আমাদের দেশে যদি ৩.৫ কোটি ফেসবুক একাউন্ট থাকে আর যদি মিনিমাম ২ কোটি মানুষও ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে তাহলে মিনিমাম ২ কোটি আইপি এড্রেস থাকার কথা ছিলো। উন্নত বিশ্বে অনকে কোম্পনাী আছে যারা পার হেড ইউজার আআপি এড্রেস এ ইন্টারনটে ব্যবহার করে থাকে। আমরা বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করি কিন্তু আমাদের প্রত্যেকর আলাদা কোন আইপি এড্রেস নাই ইভেন আমাদের মধ্যে অনেকে জানেই না যে - কিভাবে পার হেড আই পি সিষ্টেম কাজ করে। আমার দেখা অনুযায়ী-  পেপাল ডট কম পার হেড আইপ এড্রস বেজড এ কাজ করে থাকে (আপনার ডিভাইসে যদি ইউনিক আই পি না থাকে (যে সকল দেশে চালু আছে তাদের ক্ষেত্রে) তাহলে সেখানে পেপাল রেজিষ্ট্রেশন নাও হতে পারে। আমরা আমাদের দেশে আই এসপি থেকে ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে ব্যবহার করে থাকি এবং সেখানে ২/৩/৪ টি মাত্র আই পি এড্রেস থাকে)। আগে যখন প্রথম দেখেছি তখন দেখেছি যে- প্রত্যেক ব্যবহারকারীর একটি আই পি  এড্রেস না থাকলে সেখানে পেপাল ডট কম ওপেন করা যাইতো না। আমার যখন আমার ক্লায়েন্টদের অুনরোধ করতাম যে আমাদের জন্য আলাদা করে একটা পেপাল একাউন্ট মেক করে দেন- তখন আমাদের ক্লায়েন্টরা  বলতো যে তাদের ডিভাইসের আই পি অলরেডী ব্যবহৃত হয়ে গেছে ফলে আর কোন খান  থেকে কোন আইপি ব্যবহার করার কোন উপায় নাই। ল্যান্ড লাইন বা ব্রডব্যন্ড ইন্টারনেট কানকেশনে একসময় আইপি ছাড়া ইন্টারনেট কানেক্টেড ই হতো না। বাংলাদেশে এতো পরিমান ইউজার আর এতো এতো ফরেন রেমিটেন্স ঢুকতাছে প্রতি মূহুর্তে- সেখানে আমাদের দেশে পেপাল নাই ব্যাপারটা জানি কেমন দেখায় বা শোনায়? আমরা এর আগে একবার বসন্ত জাগরন বলে খ্যাত কায়রো গন জাগরনরে সাথে সম্মতি জানিয়ে বাংলাদেশে পেপাল ডট কম ওয়েবসাইট ওপেন করার মতো পারমশিন বা অনুমতি পেয়েছিলাম - যেনো আমরা পেপাল ডট কম ব্রাউজারে ওপেন করে দেখতে পারি। আমার যতোটুকু মনে পড়ে - ২০১১ সালে কায়রো গনজাগরন চলাকালীন সময়ে মুসলিম দেশ হিসাবে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো যে- তোমরা ইন্টারনেটে কি কি ফ্যাসিলিটজ চাও? তো আমাদের মধ্যে অনেকেই ইন্টারনেটে বসে থেকে উত্তর দিয়েছিলো যে - মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই। আমরা পেপাল সুবিধা চাই। তো কায়রো গনজাগরনরে ছেলে মেয়েরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়েছিলো যে- তারা পেপাল ডট কম কে জানিয়েছে আমাদের দেশে এই সুবিধা ওপেন করার জন্য। তার কিছুদিন পরেই (সেই ২০১১ সালে)  আমরা পেপাল ডট কম ব্রাউজারে ওপেন করে লগইন করতে পারি। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে আমরা পারসোনাল সেকসানে পেপাল ডট কম রেজিষ্ট্রেশন করার অনুমতি পাই নাই। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি আমাদের প্রত্যেকের আলাদা ইউজার আই পি না থাকার কারনে আমাদের দেশে পেপাল ডট কম চালু হইতাছে না কারন এতে করে তাদের ব্যবসায়িক পলিসি যদি রক্ষা না হয় তাহলে কি তারা মশা মারতে আসবে বাংলাদেশে? ফ্রি ল্যান্সার জগতে প্রত্যেকটা ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশনের প্রথম নিয়মই হইতাছে ওয়ান পিসি ওয়ান আইপি ওয়ান ইউজার একাউন্ট। আই এস পি তে কয়েকটা আই পি থাকার কারনে আর মোবাইল ইন্টারনেট গুলোতে যতোবার লগইন ততোবার নিউ আই পি টাইপ পলিসি থাকার কারনে রেজিষ্ট্রেশন গুলো এলাও হয় বোধ করি? আর নয়তো তাদের টার্মস এ লেখাই থাকে একটা কম্পিউটার বা একটা আই পি এড্রস থেকে একজনকেই রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য?


২০০২ সালে একদিন সিলেট শহরের শাহী ঈদগাহ এলাকার এক সাইবার ক্যাফেতে বসে ছিলাম। তো বিভিন্ন ধরনের ম্যাসেন্জারে হওয়া বন্ধুত্বে এক দল মেয়ে একবার অুনরোধ করলো ইন্টারনেটে বসে থেকে যে ( ইন্টারনেটে তাদের দেয়া একটি কাজ শেষে)- আমি যেনো তাদেরকে আমার পেপাল একাউন্ট এড্রেস দেই। আমি পেপাল ডট কম ওপেন করতে যাইয়া দেখলাম যে বাংলাদেশ নাই। তো বলতাছে যে- তুমি যেখানে বসবাস করো সেখানে যদি পেপাল না থাকে তাহলে তো এইটা চরম ব্যাকডেটেড দেশ। তো আমি বললাম- বাংলাদেশ আসলে নতুন একটা দেশ। দেশটা এখনো সব কিছু গুছিয়ে উঠতে পারে নাই। আশা করি নিকট ভবিষ্যেতে বা অদূর ভবিষ্যতে চালূ হবে পেপাল এই দেশেও। তো আমি আবার দেখলাম ইন্ডিয়া এভেইলেবল। তো আমি জিজ্ঞাসা করলাম যে- যদি ইন্ডিয়া দিয়ে ওপেন করি আর তোমাকে দেই পেপাল এড্রেস তাহলে কি হবে? তো তারা বলতাছে যে- তুমি ট্রাই করে দেখো। আমি ট্রাই করে দেশ ইন্ডিয়া ব্যবহার করে (তখন ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পোলাপান বাংলাদেশে ওপেন ই চলাফেরা করতো। আমার সাথে ২/১ জনের খাতিরও ছিলো । সেই সুবাদে জিজ্ঞাসা করে নিলাম যে- যদি ভারত ব্যবহার করে একটা পেপাল ডট কম একাউন্ট ওপেন করি তাহলে কি কোন সমস্যা হবে? বলতাছে- ভারতীয় ব্যাংকে র সাথে যদি কানেকশন না থাকে তাহলে কোন সমস্যা নাই।) তো আমি দেখলাম পেপাল ইন্ডিয়ার সাথে তখনো ভারতীয় ব্যাংকের কোন কানেকশন দেখাচ্ছে না আরা আমারো ভারতীয় ব্যাংকে তখন পর্যন্ত কোন ব্যাংক একাউন্ট ও নাই। তো ওপেন করে আমার সেই আমেরকিার বন্ধুদেরকে দিলাম যারা মেসেন্জারে অপেক্ষায় ছিলো- ডলার পাঠানোর আগেই সেই ভারতীয় পেপাল একাউন্ট লকড হয়ে গেলো। তো পরে বলতাছে যে- তোমার পেমেন্ট ডিউ থাকলো। তুমি বাস্তবে ইউএসএ তে আইসা পেমেন্ট রিসিভ করো। তারপরে তারা আমাকে একটা জুনিয়র মেয়ের কাছে ফরওয়ার্ড করলো এবং তার  কিছুদিন পরেই ওডেস্ক ওপেন হলো বিশ্বে। সেখানেও পেমেন্ট মেথড হিসাবে পেপাল ডট কম এবং সাথে আরো কিছু দেয়া ছিলো। খোজ নিয়ে দেখলাম পেপাল ডট কম বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাংক এবং ইন্টারনেটেও তারা দানবীয় ব্যাংক। বর্তমানে ভারতীয় রা ফ্রি ল্যান্সার সেকসানে আলাদা করে পেপাল ডট কম ওপেন করতে পারে এবং আবার তাদের ষ্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার সাথে সরাসরি পেপাল ডট কম উইথড্র সেকসান চালূ আছে। সেই ছিলো ২০০২, আর আজকে উল্টে গেছে ২০২০ এখনো পেপাল বাংলাদেশে পুরোপুরি চালু ই হয় নাই। 

২০১১ সালে র পর থেকে পেপালের ভেতরে বাংলাদেশ অনেকটা আস্তে আস্তে আগাতে শুরু করে। এখন বিশ্বের অনেক দেশের বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের নাম পাওয়া যায়। সেই সকল সুবিধা। ২ ধরনের নাগরিকেরাই ব্যবহার করতে শুরু করলো। ১) যারা বাংলাদেশী বৈদিশিক নাগরিক এবং ২)যারা প্রকৃতই বাংলাদেশী নাগরিক।   




এই ২ ধরনের নাগরিকেরাই বাংলাদেশ থেকে একাউন্ট ওপেন করার কারনে পেপাল অনেকসময় অনেক ধরনের সমস্যা করতো। সবাই যে ভাবে একাউন্ট ওপেন করে বা ইউজ করে সেভাবে কখনো দেখি নাই যে - পেপাল, পেপাল পারসোনাল বা বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের ব্যাংক উইথড্র সেকসান দেখাইতাছে। কখনোই নাই। অনেকেই  অনেক ধরনের পলিসি ব্যবহার করে রেমিটেন্স হিসাবে বাংলাদেশে এড করাইতাছে। যে সকল পদ্বতিতে তারা পেপাল দিয়ে বাংলাদেশের জন্য রেমিটেন্স জেনারেট করেছে পেপাল থেকে তার মধ্যে কয়েকটা আমার জানা মোতাবেক (আমার ইন্টারনেট নাড়াচাড়া বা দেখার উপরে ভিত্তি করে। আমি সরাসরি কোন প্রমান দিতে পারবো না)  

  1. অন্য কোন দেশে আমার যদি কোন বন্ধু থাকে তার নামে ফুল একাউন্ট ডিটেইলস ব্যবহার করে তার নাগিরকত্ব দেশের ব্যাংক একাউন্ট  ব্যবহার করে পেপাল থেকে সেখানে উইথড্র এবং  তার ফরেন ব্যাংক একাউন্ট থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে ট্রান্সফার (সুইফট ট্রানজেকসান- ব্যাংক টু ব্যাক)
  2. শুধু বন্ধু বলে কথা না- যে কোন দেশে পাড়া, প্রতিবেশী, আত্মীয় স্বজন, ভাই, বোন এবং বা যে কোন পরিবারের আত্মীয় স্বজন আছে তাদের ফুল ডিটেইলস কালেকশন করে তাদের নামে ভেরিফায়েড পেপাল ডট কম একাউন্ট ওপেন করা এবং তাদের ব্যাংক একাউন্ট কানেক্টেড করা এবং সেখানে পেপাল ডলার উইথড্র করা এবং সেটা বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকগুলোতে রেমিটেন্স হিসাবে এড করা বা রিসিভ করা। 
  3.  পরিচিত জন ছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে বা অফলাইনের মাধ্যমে যে কোন দেশের ছেলে পেলে দের সাথে কন্টাক্টে  এবং কন্ট্রাক্টে যাওয়া এবং নির্দিষ্ট পরিমান ডলারের বিনিময়ে বা পেমেন্টর বিনিময়ে তাদের ফুল ডিটেইলস ব্যবহার করে তাদের পেপাল থেকে তাদের ব্যাংকে উইথড্র করা এবং তাদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে বা বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংক গুলোতে রেমিটেন্স হিসাবে এড করা। (সব দেশেই ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু আছে)। 
  4. PayPal Logo
  5. বিশ্বের ১০০ ও বেশী দেশে বসবাস করা বাংলাদেশী পারমানেন্ট নাগরিক যারা কখনোই বাংলাদেশে আসে নাই  এবং বাংলাদেশের ব্যাপারে জানতে এগার বা যারাই অনলাইনে বাংলাদেশের ব্যাপারে জানতে এগার তাদের শো করা আগ্রহ কে পুজি করে তাদের ভেরিফায়েড পেপাল ডিটেইলস ব্যবহার করা এবং তাদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংক গুলোতে রেমিটেন্স ট্রান্সফার করা (ব্যাংক টু ব্যাংক)।
  6. বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করা বাংলাদেশী শ্রমিকেরা তাদের দেশ থেকে নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে। এমনকি সাময়িক নাগরিকত্ব বা ক্রেডিট কার্ড এ ব্যাপারগুলো কে ব্যবহার করে সেই দেশে তার নামে ভেরিফায়েড পেপাল ডট কম ব্যবহার করে সেগুলোকে বিভিন্ন ব্যাংকে উইথড্র দিয়ে তা বাংলাদেশে ব্যাংক টু ব্যাংক রেমিটেন্স হিসাবে এড করা। 
  7. যে কোন দেশের বিজনেস একাউন্ট মেক করে সেখানে বাংলাদেশী ক্রেডিট কার্ড কে এড করে বাংলাদেশী প্রাইভেট ব্যাংককে ভেরিফায়েড করা এবং সরাসরি পেপাল ডট কম একাউন্ট থেকে তাদের প্রাইভেট ব্যাংক একাউন্টে ডলার বা রেমিটন্সে এড করা। পেপালের বিজনেস সেকসানে বাংলাদেশের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক একাউন্ট এবং ক্রেডিট কার্ড কে এড করা এবং সেটাকে ভেরিফিকেশনের জন্য ব্যবহার করে সরাসরি বাংলাদেশের প্রাইভেট ব্যাংকে এড করা বা যোগ করা। 
  8. সারা বিশ্বের যে সকল দেশের বিজনেস সেকাসনে পেপালে বাংলাদেশের নাম এন্ট্রি করা আছে সেখানে বাংলাদেশের ছেলে মেয়েদের বিজনেস সেকসানে একটি বা দুইটি দেশের ফুল ডিটেইলস একাউন্ট ব্যবহার করে পেপাল ডলার কালেক্ট করা এবং সেগুলো এক খান থেকে আরেকখানে ট্রান্সফার করা বা এক দেশে থেকে আরেক দেশে কন্টিনিউয়াস ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার করে এক দেশের রেমিটেন্স কে আরেক দেশের রেমিটেন্স কনভার্ট করা বা এই ধরনের কিছু কাজও যা আমি ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতে পড়েছি বা বের করেছি। অনুসন্ধানের জন্য এগুলোকে পসিবিলিটি হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। 
  9. সবচেয়ে বেশী যেটা হয়েছে সেটা হলো - পেপাল + পাইওনিয়ার ফ্রেন্ডশীপ। পেপালে বিজনেস একাউন্ট তৈরী করে সেখানে পাইওনিয়ার একাউন্ট ডিটেইলস দিয়ে ভেরিফাই করা। পাইওনিয়ারে একাউন্ট ওপেন করলে  আপনি ব্যাংক অফ আমেরিকার একটা একাউন্ট পাবেন বা জার্মানীর একটা ব্যাংক একাউন্ট পাবেন  যেটা ফুল ব্যবহার করে আপনি পেপাল বিজেনস একাউন্ট কে ভেরিফাই করে ফেলাইতে পারেন। তারপরে সেই ভেরিফায়েড একাউন্ট থেকে পাইওনিয়ারে ডলার তুলে সেটাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রাইভেট ব্যাংকে রেমিটেন্স হিসাবে রিসিভ করা - এই কাজটা আমাদের দেশে অনেকেই করেছে। 
উপরের একটা উপায়ও আমি পারসোনালি ব্যবহার করি নাই কখনো। কারন আমি দেখেছি সবগুলো পন্থাতেই বাংলাদেশ কে বাই পাস করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে যেহেতু পেপালের কোন ফাইনানিস্য়াল ম্যাটার নাই সে ক্ষেত্রে সেকন্ডোরি ভেরিফিকেশনের যাইয়া বাংলাদেশ এই ডলার গুলোকে ধরতে পারবে যে তারা এইখানে ডিফল্টার। তনণ সেখানে বাংলাদেশের লস হতে পারে। যে সকল বাংলা মায়ের সন্তানেরা অনেক সাহসী তাদের কথা ভিন্ন। এদশের ইতিহাস ঘেটে দেখা গেছে- কাউকে না কাউকে সবসময় ই রিস্ক নিতে হয় একটি সঠিক পন্থার বাংলাদেশ তৈরী করার জন্য। 
PayPal Acceptance Mark

২০০৬ সালে আবারো ঢাকাতে কয়েক বন্ধু মিলে একটা পেপাল ডট কম একাউন্ট ওপেন করলাম আবারো ভারতের ঠিকানা ব্যবহার করে। সেখানে ২০/২১ ডলার আনার সাথে সাথেই একাউন্ট লকড হয়ে গেলো। তখন কার সময়ে কিছু নামকরা ফ্রি ল্যান্সারদের সাথে কথা বললাম এবং তারা  বললো ভাই এভাবেই রেখে দিন। আমি বললাম ওকে। প্রায় ১২/১৩ বছর পরে কয়েক দিন আগে সেই একাউন্টের ডিটেইলস দিলাম পাসওয়ার্ড সহ ভারতীয় ছেলেপেলেদেরকে।  তারা আমার ফুল ডিটেইলস পরিবর্তন করে তাদের নামে একাউন্ট ভেরিফািই ও করে ফেলাইছে।  একাউন্ট টা ভারতীয় একজন নাগরিক এখন তার নিজের নামে মাষ্টারকার্ড দিয়ে ভেরিফায়েড করে রেখেছে। 

এর মাঝে অনেকবার চেষ্টা করেছি একটা পেপাল একাউন্ট ম্যানেজ করার জন্য। পারি নাই। ফলে ওডেস্ক, ইল্যান্স এবং মে বি ফিভার থেকেও সুইফট ট্রানজকেশনের মাধ্যমে সুইফট আনা শুরু করি। কাজ করি মার্কেটপ্লেসে আর রিসিভ করি বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ডাচ বাংলা ব্যাংকে (ময়মনসিংহ- ১৫৬.১০১.০০১১৪৩৯- এইখানে অল রেমিটেন্স রেকর্ড আছে)। হঠাৎ করে ২০১১ সালে আমার সবগুলো ফ্রি ল্যান্সার একাউন্ট হ্যাক হয়। ফলে আমার ভীষন মন খারাপ হয়। আমি আগে পার্ট টাইমার ফ্রি ল্যান্সার ছিলাম সাথে সাথে জব করতাম ঢাকাতে বিভিন্ন প্রাইভেট ফার্মে। কিন্তু ২০১১ সালে সব কিছু হ্যাক হয়ে যাবার পরে আবার নতুন করে শুরু করি এবং তখন বাংলাদেশ ব্যাংক ও এভয়েড করা শুরু করি। ব্যবহার করতে শুরু করি পেপমেন্টবিডি বা পেপালবিডি ডট কম। পেমেন্টবিডি বা পেপালবিডি তে ডলার সেন্ড করার জন্য প্রথমে একটা পেপাল একাউন্ট এর দরকার পড়লো। তখন পরিচিত যাদের পেপাল একাউন্ট পাইতাম তাদের একাউন্টে ডলার রিসিভ করা শুরু করি এবং সমস্ত ডলারই পেমেন্টবিডি বা যারা পরিচিত/ইন্টারনেটে যাদের দরকার তাদের কাছে  সেল করে থাকি। বাংলাদেশের একজন আইনজীবি তার পাইওনিয়ার ভেরিফিকেশন একাউন্ট দিলো ২০১২/১৩ সালের দিকে - তার একাউন্ট ও ব্যবহার করা শুরু করি। একসময় তার একাউন্টে লিমিট শেষ হয়ে যায়। এর মাঝেই এক ক্লায়েন্ট পেলাম আমেরিকান সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি। তাকে পুরো ব্যাপারটা খুলে বলাতে উনি ডিটেইলস জেনে একটা উপায় বলে দিলেন যে- এভাবে ব্যবহার করো - কোন দেশেরই ক্ষতি হবে না। তারপরে তার দেখানো নিয়ম অনুযায়ী অনেক দিন ব্যবহার করলাম পেপাল। শুধূ এফএনএফ রিসিভ করতাম আর সেন্ড মানি করতাম। ফলে আমার ব্যবহৃত একাউন্ট গুলো কখনো ডিলেট হতো না। তারপরে বিশ্বের অন্য আরেক দেশের বিজনেস সেকসান ইউজ করে একটা একাউন্ট ওপেন করি বাংলাদেশের ফুল ডিটেইলস দিয়ে- সেখানে তারা একটা লিমিট দেয় বছরে ৩২০০ ডলার। সেই লিমিট শেষ হয়ে যাবার পরে তারা নোটিশ দেয় যে- বাংলাদেশে তাদের এই মুহুর্তে অপারেশন নাই। যখন শুরু করবে তখন তারা আমার একাউন্ট টি ভেরিফাই করে দিবে (বাংলাদেশে যদি অপারেশন না থাকে তাহলে ইন্টারনেটে আমার বাংলাদেশী ডিটেইলস নিলো কেনো- প্রতি ট্রনাজকেশনে ২.৫% + ট্রনাজেকশন নিতে হতো। তারপরে   ই কমার্স ব্যবসার জন্য পেপাল মার্চেন্টের সাহায্য নেই এবং অনেকদিন লেনাদেনা করে থাকি। পেপাল পারসোনাল সেকসানে বাংলাদেশ না থাকার কারনে অনেকেই অনেক সমস্যায় পতিত হোন। এখন সর্বশেষ যে ক্লায়েন্টের সাথ কাজ করতাছি , উনাকে সব কিছু খুলে বলি। উনিও সবকিছু জেনে  কথা বলেন  পেপাল এর কাষ্টমার কেয়ারে। শেষে পেপাল কাষ্টমার কেয়ার আমার ওয়েবাসইটে ব্যবহার করার জন্য একটা ভেরিফায়েড বিজনেস একাউন্ট ব্যবহার করার অনুমতি দেয়। অনেকদিন থেকেই পেপাল ভেরিফায়েড বিজনেস একাউন্ট ব্যবহার করার ইচ্ছা চিলো। শেষে অনুমতি পাইলাম। 

আমি কক্ষনো পেপালের কোন ডলার কে কোন ব্যাংকে উইথড্র দেবার চেষ্টা করি নাই- সেটা বাংলাদেশে হোক বা বাহিরেই হোক। এরই মাঝে  অনেকবার বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাক হয়েছে, প্রাইভেট ব্যাংক হ্যাক হয়েছে, রিজার্ভ চুরি হয়েছে, রেমিটেন্স চুরি হয়েছে বা বিদেশী রিজার্ভ ও চুরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অংগনে বাংলাদেশ হয়েছে কলংকিত। সকল হ্যাকারদের হদিস না পাবার (এফবিআই তদন্ত থাকার) কারনে বাংলাদেশ ব্যাংকের  রেমিটেন্স সার্ভিস ব্যবহার করি না এখনো তেমন।  অনেক মার্কেটপ্লেস থেকেও যখন হাতের কাছে যে পেপাল একাউন্ট পেয়েছি সেটা দিয়েই উইথড্র দিয়েছি যাতে করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকারগুলো র সাথে আমাদের নাম উচ্চারিত না হয়। পরে একটা মহলের নির্দেশে আবারো ২০১৯ সালে রেমিটেন্স আনি এবং রেকর্ড রাখি। এখন আবারো নিয়মিত ক্লায়েন্টের দেয়া ভেরিফায়েড পেপাল ডট কম একাউন্ট ব্যবহার করি এবং পেমেন্টবিডি বা পেপালবিডি ফার্মের সাহায্যে এক্সচেন্জে করে নেই। পরিবর্তিত বাংলাদেশে বা ডিজিটাল বাংলাদেশে আমরা হ্যাকার নই, আমরা ফ্রি ল্যান্সার, আউটসোর্সিং ওয়ার্কার, এফিলিয়েট মার্কেটার । যারা ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করি- তারা আমরা কখনো রেমিটেন্স না দিতে পারলেও দেশের কোন ক্ষতি করি না- নিজের পকেট ভরি। দেশের উপকার আর কয়জন ই বা করে- যারা করেছে তারা তো করেছে ৭১ এ জয় বংলা খ্যাত মুক্তিযোদ্বারাই। 




SEOClerks

Friday, September 18, 2020

White Hat SEO- Off Page optimization- Social Media (Example: Facebook) Marketing . Part - 04। সোশাল মিডিয়া প্যানেলের অল খুটি নাটি।

আমার ব্লগে যারা নতুন ভিজিট করতে আসে তাদেরকে অলওয়েজ স্বাগতম। এইখানে আমি  ফ্রি ল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, মার্কেটপ্লেস এবং আরো কিছু সমসমায়িক বিষয় নিয়ে লিখি। আমার ব্লগটা নিয়মতি লেখার  ইচ্ছা আছে- প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু সময় ব্যয় করে। পরে ধীরে ধীরে ব্লগ কে আরো প্রফেশনাল রুপ দেবো। আমি বিশ্বাস করি যারা আমার ব্লগ নিয়মিত ভিজিট করেন তাদের কারো না কোর কোন না কোন বাবে উপাকর হবে সেই জন্যই লিখে থাকি। আমি আমার জানারপ রিধিকে আরো বাড়াতে চাই। তাই ব্লগে আপনাদের কমেন্টস আশা করি। এইখানে কমেন্টস করতে হলে জিমেইল লগইন করে করতে হয়। এইখানে জিমেইল দিয়ে লগইন করলে কখনোই আপনার জিমেইল বা গুগল ডট কম একাউন্ট হ্যাক হবে না কারন ব্লগার ডট কম বা ব্লগস্পট সম্পূর্ন ই গুগলের ব্যক্তিগত সম্পদ। গুগলের যতো সার্ভিস আচে সমস্ত সার্ভিস আপনি একটি ইমেইল দিয়ে ই ব্যভহার করতে পারবেন। কিন্তু গগুরেল মতো দেখতে এরকম কোন সার্ভিস এ সহজে আপনি ই মেইল অথেনটিক করবেন না। তাহলে আপনার একাউন্টে র এক্সস যে কেউ পরিবর্তন করার চষ্টো করতে পারে। কারন হ্যাকাররা সবসময় চতুর্দিকে উৎ পেতে তাকে। আমাদের দেশের সামাজিক ব্যবস্থার খারাপ লোকদের মতো। একটা মেয়ে যখন রাস্তা দিয়ে একা একা হেটে যায় তার দিকে সব ধরনের মানুষ যেমন একবার হলেও ঘুরে তাকায় তেমনি ইন্টারনেটে যারা দরকারি, গুরুত্বপূর্ন তাদের চারপাশেও হ্যাকার রা সবসময় উৎ পেতে থাকে- যেনো কোন না কোন ভাবে আপনার কোন না কোন ক্ষতি করতে পারে। আমার আরো অনেক আগে থেকেই ব্লগ লেখার ইচ্ছা ছিলো (২০০৬ থেকে) - স্পেফিক্যালি এই ব্লগার ব্লগ টাই। বাংলাদেশের সমাজে দালাল/ রাজাকারেরা পরিকল্পনা মোতাবেক (আমি এই ধারনা পোষন করি)  একটা অপূরনীয় ক্ষতি করে দিয়ে গেছে যা হাইতাছে তারা বাংলাদেশের সব ধরনের সমাজে যাইয়া বলে বেড়াইছে ব্লগার রা নাস্তিককিন্তু আদতে ব্লগার ডট কম একটা ওয়েবসাইট ঠিকানাএকটা ওয়েবসাইট এর ঠিকানা কখনো নাস্তিক হতে পারে না । সেই কারনে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আমরা ফ্রি ল্যান্সাররা  সাত বছর ঘ্যাপ নিলাম মানুষকে বোঝানোর জন্য যে -  ব্লগ আসলে লেখালেখি করার একটা স্পেস (ফ্রি ল্যান্সাররা সবাই মিলে তখন ইন্টারনেটে বৈঠক করে আমরা এই সিদ্বান্ত নিয়েছি যে- এইটা আমাদের খুবই দরকারি এসইও ফ্যাক্টর- সো এই ব্লগের ব্যাপারটাকে ওকে করতে হবে। ওয়েব ২.০ ব্লগ ছাগা কোন ওয়েবসাইট কে র‌্যাংকিং করা বা রাখা তখন একটু হলেও কষ্টকর ছিলো। এইখানে আপনার যদি জিমেইল এড্রেস থাকে তাহলে আপনি বিনামূল্যে ব্লগার ডট কম একাউন্ট খুলে বা ওপেন করে আপনিও যা মনে চায় রিখতে পারেন। এই ব্যাপারে আপনি আমার একটা ভিডিও আছে- সেটা পুরোপুরি দেখতে পারেন। আশা করি আপনার  ভুল ধারনা ভেংগে যাবে। আর এর মাঝে বাংলাদেশের সমাজে বা সমাজব্যবস্থায় ব্লগার রা যে নাস্তিক না তা আমরা প্রমান করতে পেরেছি কারন ব্লগার ডট কম একটা ডিজিটাল ডায়েরীর মতোন। এইখানে আপনি যদি ধর্মবিরোধী কথা লিখেন তাহলে আপনি নাস্তিক ব্লগার হিসাবে গন্য হবেন যেমন আপনি যদি  নিউজপ্রিন্ট পত্রিকায় ধর্মবিরোধী কথা বার্তা লিখেন তাহলে এইখানে নিউজপ্রিন্টের কোন দোষ যেমন নাই- তেমনি ব্লগার ডট কমে আপনি যদি ধর্মবিরোধী কথা লিখেন তাহলে এইখানে ব্লগার ডট কমের বা ব্লগার দের কোন সমস্যা নাই - যে বা যারা ধর্মবিরোধী কথা বার্তা লিখেছিলো ব্লগার ডট কমে এবং লিখে থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরন -  ২০১৩ সালে থানা শাহবাগে অনুষ্টিত তরুন প্রজন্মের গনজাগরন কে টার্গেট করে - ঈর্ষান্তিত হয়ে, পন্ড করার জন্য  তাদেরকে আপনি নাস্তিক ব্লগার বলতে পারেন। ব্যাপারটা ছিলো এক ধরনের হাস্যকর - সমসাময়িক আন্দোলনের জোয়ার হিসাবে তরুন প্রজন্মের গনজাগরনে পরিকল্পিতভাবে ধর্মবিরোধী ব্লগ লিখে বা পাবলিশ করে সারা দেশের মানুষকে ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়াইয়া দিছে তেমনি আশাতে বুক বাধা বাংগালীদের আশা বিফলে যায় নাই- বিচার হয়েছে রাজাকারের প্রকাশ্য দিবালোকে ধরতে গেলে- ফাসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করা হয়েছে। দালাল রাজাকার দের চক্রান্ত বললাম কারন শুধূ মাত্র দালাল রাজাকার প্রজন্ম ই মন থেকে থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরন কে এখনো এলাও করে নাই (অনেক খানে দেখেছি   থানা শঅহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরনরে ছেলে মেয়েদেরকে রাস্তার ফকির বলেছে বা ভিখারি বলেছে বা এমনকি  রাস্তার কুত্তা ও বলেছে [শুনে কষ্ট পেয়েছি যে যারা বীর বাংগালীর সন্তান তাদেরকে গালি গালাজ করেছে - একদিন বিচার হবে। ৪৩ বছর পরে যদি রাজাকারকে ফাসিতে ঝুলাইতে পারে তাহলে বাংলাদেশের এ ক্লাস নাগরিকদের কে যারা ফকির/ভিখারী/রাস্তার কুত্তা বলে গালি গালাজ দিয়েছে তাদেরও  বিচার হবে)। এছাড়া সারা দেশের মাুনষ গনজাগরনের সাথে প্রকাশ্যে বা মনে মনে জয় বাংলা বলে সম্মতি জ্ঞাপন করেছে।  আমি আজো সেই সকল নাস্তিক ব্লগারদের ফাসি চাই সামাজিক ভাবে  বা আইনগত ভাবে যারা ধর্মের বিরুদ্বে লিখেছিলো আর নাম দিয়েছিরো পিুক্যলিয়ার বাবা (তথাকথিত থাবা বাবা নাস্তিক ব্লগ বিষয়ে বলতাছি)। এখনো এ বিষয় নিয়ে সার্চ দিলে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। 


আমি আসলে বিশ্বাস করি না যে কোন শিক্ষিত ছেলে  ইন্টারনেটে বসে ধর্মবিরোধী কথা লিখেছে - কারন ইন্টারনেট একটা অসীম ব্যাপার এর মতো। আর যারা শিক্ষিত তারা অতি অবশ্যিই জানে যে ইনফিনিটিভ মানে কি? । কারন যতোগুলো লোককে নাস্তিক ব্লগার বলে হত্যা করা হয়েছে- তাদের কাউকেই কখনো শোনা যায় নাই যে অণ্য কারো সামনে বসে লিখেছে। এখন যদি আমি ছদ্ম নামে ব্লগ লিখে আপনার নামে চালান করে দেই তাহলে কি সেটা তে আপনাকে  মিন করা হবে। আপনাকে তো বুঝতে হবে বা জানতে হবে যে কে কোথা থেকে কিভাবে এই ব্যাপারটা লিখেছে। চাইলে আপনি আমার ইন্টারনেট এবং ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ হ্যাক করে আমার ফুল ডিটেইলস ব্যবহার করেও লিখতে পারেন। আপনি হ্যাক করে আমার কম্পিউটারে ঢুকে আমার বিুরদ্বে লিখে দিলেন তাহলে কি প্রমান হয়ে গেলো যে আমি খারাপ? এখন অবশ্য অনেক উন্নত টেকনোলজী এসেছে যার বদৌলতে র‌্যাব বা পুলিশ সাথে সাথেই কনফার্ম  হতে পারে যে- ডিভাইসে কোন হ্যাক হয়েছে কিনা এবং তারা নিজেরা সে সময় সেগুলো কিছু লিখেছে কিনা- স্পেফিক্যালি ফেসবুক এবং ব্লগার ডট কম এই দুইটার বিষয়ে কন্ট্রোল আছে র‌্যাব-পুলিশের। তারা চাইলে যে কোন সময়ে যে কোন পোষ্টিং ডিলেট করে দিতে পারে - তাার এখন এই ক্ষমতা অর্জন করে নিয়েছে। প্রথমে পোষ্টিং ডিলেট করা হবে তারপরে সতর্ক করা হবে এবং ফাইনালি এ্যাকশন নেয়া হবে এইটাই সঠিক নিয়ম। আর যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই বা জারজ তাদের বিুরদ্বে কিভাবে এ্যাকশন নিবে সেটা তারাই ভালো জানে। যার জাতীয় পরিচয়পত্র আছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকারও আছে। বাংলাদেশ কে অনেক সময় হ্যাকারদের স্বর্গরাজ্য বলা হইতো কারন বাংলাদেশে পার হেড ইউজার আইপি এড্রেস নাই যার কারনে বোধ করি পেপাল এখনো বাংরাদেশে তাদের অপারেশন চালু করতে পারে নাই আর অদূর ভবিষ্যতে চালু করে কিনা সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানে। 


আশা করি বর্তমান প্রজন্মের সকলেই এই ব্যাপারটা উপলব্দি করে সারা দেশের মানুষের সাথে সুর মেলাবেন এবং তথকথিত থাবা বাবা নামক নাস্তিক ব্লগারদের ফাসির দাবী জানাবেন।  কারন ইন্টারনেটে আপনি ধর্ম বা রাষ্ট্র বিরোধী কোন কিছু লিখতে পারবেন না। রাষ্ট্রবিরোধী কিছু লিখলে আপনাকে জেলখানাতে যাইতে হবে। আর ধর্মবিরোধী কোন কিছু লিখলে ধর্ম ভীরু বাংলাদেশীরা নিশ্চিত আপনাকে ফাসি দেবে। এই ব্যাপারটা তাৎক্ষনিক ভাবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়াইয়া দেবার চেষ্টা করা হয়েছিলো। কিন্তু যারা সপ্রতিভ ইন্টারনেট ব্যবহার কারী এবং চালাক বা সুশিক্ষিত তারা তাৎক্ষনিক ভাবে সে ব্যাপারটার প্রতিবাদ জানায় এবং সোশাল মিডিয়া তে ভাইরাল হওয়া পোষ্টিং গুলেোতে রিপোর্টিং দেয়া শুরু করে এবং কিছু ক্ষনের মধ্যেই সেই ব্লগটাকে এবং রিলেটেড পোষ্টেং গুলোকে ইন্টারনেট থেকে  ডিলেট করে ফেলানো সম্ভব হয়। এইখানে সেই সোশাল মিডিয়া ফ্যাক্টরটাকে বিবেচনা করার জন্য বলা হলো।

অপার সম্ভাবনাময় ব্লগার ইন্ডাষ্ট্রিজ টাকে ধ্বংস করার জণ্য এই পরিকল্পনা করা হয়েছিলো বলেও আমার কাছে মনে হয়- যেনো এই দেশের কোমল মতি ছেলে  মেয়েরা ব্লগ লিখে মনিটােইজেশন না করতে পারে এবং রেমিটেন্স হিসাবে ডলার উপার্জন করতে না পারে (কারন পুরো ব্যাপারটা দিয়ে অংশগ্রহন করা বা ব্লগ মনিটাইজেশন শুরু করা একদমই ফ্রি) । এ দেশের এখনো এমন অনেক  লোক আছে- যারা প্রকাশ্য দিবালোকে বাংলা বলা বা লিখা কখনো পছন্দ করে না। তারা তাদের দেশের ভাষাকেই ভালোবাসে - আমাদের দেশের ভাষাকে তারা এমন পরিমান ঘৃনা করে যে আপনি যদি ইন্টারনেটে বাংলা লিখেন তাহলে সাথে সাথেই তাার প্রতিবাদ করে উঠবে কিন্তু বাস্তবে সেটা মুখ দিয়ে বলার মতো সাহস পাবে না। যদি মুখ দিয়ে বলতো যে তারা বাংলাদেমেল মাতৃভাষা বাংলা ভাষাকে ঘৃনা করে তাহলে সাতে সাথে তাদের বিুরদ্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া যাইতো - আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর ভাষা কে অপমান করার জন্য। বাংলাদেশে বসবাস করে- বাংলাদেশী হিসাবে বসবাস করে- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নিয়ে বসবাস করে অন্য কোন দেশের বিশেষ করে শত্রু দেশের ভাষাকে ভালোবাসার কোন উপায় নাই। আপনার যদি বাংলা ছাড়া শতরু দেশের  ভাষাকে ভালো লাগে তাহলে আপনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে অন্য দেশেল নাগিরকত্ব গ্রহন করে সেই দেশের ভাষাকে নিয়ে বলতে তাকনে - কেউ কিছূ বলবে না। কিন্তু আপনি বাংলাদেশী হয়ে থাকলে আপনাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতি সম্মান রেখে চলতে হবে কারন সেটা আইন। কেনো এই ঘটনাটা উল্লেখ করা হলো: যখন এই কাহিনীটা হয় তখন আমরা ইন্টারনেটে বসে ছিলাম এবং ফ্রি ল্যানসিং রিলেটেড কাজ করতেছিলাম। যখণ এই ধরনের পোষ্ট দেখি তখন প্রথম আমি যে কাজটা করে থাকি তা হইতাছে রিপোর্টিং-ফেসবুক এবং অণ্যান্য সোশাল মিডিয়ার কর্তৃপক্ষকে জানানো যে- এইখানে একটা বাজে বা খারাপ ব্যাপার সংঘটিত হয়েছে। আর সবাইকে অুনরোধ করা ও যে এই ব্যাপারটার বিরুদ্বে রিপোর্টিং করার জণ্য - আর যারা জানতে চেয়েছে যে ভাই কি করবো- তখন তাদেরকে বলেছি যে- কন্টিনিউয়াস রিপোর্ট  করার জন্য যেনো খুব দ্রুত এই পোষ্ঠিং গুলোকে  ডিলেট কের দেয়া যায়। এইটা একটা অভিজ্ঞতা সোশাল মিডিয়া তে - যা আপনাদের শেয়ার করলাম। আপনাদেরকেও  সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করার সময় বিচক্ষন হতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যেনো আপনার জণ্য রাষ্ট্র বা দেশের বা ধর্মের যেনো কোন ক্ষত না হয়।  


ধরেন আপনি ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং করেন। এখণ একদল লোক ধর্মবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী আপনাকে অনেক টাকার লোভ দেখালো সেটাকে ভাইরাল বা পাবলি করে দেবার জন্য। আপনি সারা বিশ্বে সেটাকে পাবলিশ করার জণ্য যে কোন একটা সোশাল মিডিয়া টেকনিক কে এপ্লাই করলেন যা নিয়ম মতো ঠিক হলো না। টাকার জন্য আপনি রাষ্ট্র বিরোধী বা ধর্মবিরোধী কোন লেখাকে মার্কেটিং করতে পারবেন না। সেটা বাংলোদেশী হয় বা আন্তর্জাতিক ভাবে হোক। আপনি কোন ধরনের পোষ্টিং এর রিলেটেড অফার পাইলেই প্রথমেই আপনার কাজ হবে সেটাকে রিপোটিং করা এবং এভয়েড করে যাওয়া। আপনি যদি সেটাকে রিপোটিং করার জন্য প্রথমেই শেয়ার করা মূরু করেন তাহলে সেটাকে ইন্টারনেট থেকে ডিলেট করতে অনেক কষ্ট করতে হবে। কিন্তু আপনি যদি সেটাকে লিংক সেভ করে পিকচার বা ইমেজ আকারে শেয়ার করেন তাহলে সেই সোশাল মিডিয়া পোষ্টিং টা শক্তিশালী হলেঅ না সোশালা মিডিয়া সিগনাল জেনারেট হবার কারনে আর আপনি সেই পোষ্টিং টাতে কমেন্টস করেও জানাতে পারেন যে পোষ্টিং টা ডিলেট করার জণ্য। তারপরেও যদি আপনি স্ক্রিনশট নিয়ে শেয়ার করাতে কাজ না হয় তাহলে আপনি বাংলাদেশ পুলিশের সিআইড সেকসানে  বা বাংলাদেশ র‌্যাবের ডিজিটাল আইসিটি সেকসানে জানাতে পারেন। তাতে করে আপনি একটা সোশাল দ্বায়িত্ব পালন করলেন। আ্র এইটা আপনার কর্তব্য। আপনি যে কোন নরমাল সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং অফারকে গ্রহন করতে পারেন। তাৎক্ষনিক ভাবে ব্যাপারটা সারা বিশ্বে ছড়াইয়া দেবার যে প্ল্যান ছিলো তা ছিলো সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং রিলেটেড কোন গ্রুপের ব্যাপার। যখন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ইন্টারনেট সরকারের প্রতি আহবান বা ানুরোধ জানানো হয়েছে- তখন তাার উত্তর দিয়েছে যে ব্যাপারটা সারা বিশ্বের সোশাল মিডিয়া থেকে রিমুভ করে দেয়া হয়েছে। সেজন্য গনজাগরন কে আপনি কলংকিত করতে পারবেন না- কারন এই ঘটনাটা ছিলো গাজাগরনরে জণ্য একটা কলংক। 


আজকে যে বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চেয়েছি সেটা হইতাচে ইন্টারনেটের যে কোন ওয়েবসাইট থেকে সোশাল মিডিয়া সিগনাল কেনাটা সেইফ কিনা? এইটা আসলে ডিপেন্ডস করবে আপনার অভিজ্ঞতার উপরে। আপনি অনেক সশয় সোশাল মিডিয়া রিলেটেড ওয়েবসাইট দেখরেই বুঝতে পারবেন যে কোনটা ফেইক আর কোনটা রিয়্যাল। েএখণ আপনি গুগলে সার্চ করে দেখলেন যে অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা ইন্টারনেটে সোশাল মিডিয়া সিগনাল সেল করে থাকে। আপনি ২/১ টা ওয়েবসাইট ঘাটাঘাটি করে  অর্ডার দিলেন এবং কিছুক্ষন  পরেই আপনি আপনার  পোষ্টিং এ বা পেজে লাইক পাওয়া শুরু করলেন। আমি আমার পুরো ৪ টা লেখাতেই শুধূ মাত্র ফেসবুক পেজ এবং পোষ্টিং লাইককে এক্সাম্পল হিসাবে ধরে  লিখেছি। আপনি এইটাকে যে কোন সোশাল মিডিয়া সিগনালের সাথেই কমপ্য়োর করতে পারেন। আর যদি আলাদা করে কোন সিগনালের ভ্যাপারে ডিটেিইলস জানতে পারেন তাহলে আমাকে ইমেইল বা কন্ট্রাক্ট করে জানাবেন- আমি সেটা পরবর্তীতে লেখার চেষ্টা করবো। 


একটা ওয়েবসাইটে আপনি লাইকের অর্ডার দিলেন আর সে ওয়েবাসইট আপনাকে ঠিক ঠাক মতো সেটা ডেলিভারি দিয়ে দিলো। আর আরেকটা ওয়েবসাইটে আপনি অর্ডার দিলেন কিন্তু তারা আপনাকে  ছবি চাড়া সব লাইক ডেলিভারি দিয়ে চলে গেলে। এইখানে আপনি বুঝতে পারবেন যে-  একটা ওয়েবসাইট আপনাকে ফেইক ডেলিভারি দিয়েছে কারন তাদের সাথে এপিআই এর কোন যোগাযোগ নাই । আবার আরকেটা ওয়েবসাইট যেটা আপনাকে অল রিয়েল ডেলিভারি দিয়েছে সেখানে আপনি বুঝতে পারবেন যে তারা অনেকটাই ভালো কারন তারা সোশাল মিডিয়া ডেভেলপার প্যানেল সাহায্য নিয়েছেন। যেমন: আরো একটা কাহিণী মনে পড়ে গেলো। ২০১৩ সালে আমাকে একদল হ্যাকার চ্যালেন্জ করলো যে- আমার ফেসবুক প্রোফাইলে ১৫০০ ফ্রেন্ডস এর প্লেসে ৫০০০ ফ্রেন্ডস এড করে দেখালে তারা আমাকে আর বিরক্ত করবে না। তো আমি একটা সোশাল মিডিয়া প্যানেলে সাহায্য নিলাম- সেখানে প্রায় ইউরোপ এবং আমেরিকা থেকে ৩৫০০ ফ্রেন্ডস এর অর্ডার দিলাম। এপিআই প্যানেল ছিলো। ১২-১৫ ডলার চার্জ কেটে নিলো এবং কিূছক্ষনের মধ্যেই আমার ফেসবুক প্রোফাইলে ৫০০০ ফ্রেন্ড এড হয়ে গেলো। তো আমি সেই সকল রিয়েল প্যেন্ডস গুলো এড হবার ফলে সোশাল মিডিয়া প্যানেলের এডমিন কে জানালাম তখন তারা বললো যে - ওকে । বলে তাার সেই সার্ভিস টা বাংলাদেশে থেকে অফ করে িদলো। আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না- সেই ৩৫০০ প্রোফাইল যারা এড হয়েছে তাার প্রথ্যেকেই আমার ক্লায়েন্ট কোয়ারিটির। অলরেডী ১০ জন আমাকে সেই পরিমান কাজও দিয়েছে আবার সেই পরিমান েপমেন্টও  দিয়ে থাকে যা আমরা লোকালি পেমেন্ট বিডিএর মাধ্যমে রিসিভ করে তাকি বা লোকালি বাই সেল করে ফেলাই। শুনেছি সেই লোক বলে আজো বিশ্বাস করে না যে- সোশাল মিডিয়া প্যানেল থেকৈ আমার েফসবুক েফ্রন্ডস এড হয়েছে। সে  অশিক্ষিত আর নিরক্ষর বরে আমি তার সাথে রাগতে যাই নাই। কারন শিক্ষিত মানুষকে বোঝানো যায়- যে অশিক্ষিত তাকে কিভাবে বুঝাবো? নিকট গত প্রমান হিসাবে আপনি নীচের ইমজেগুলো দেকরে বুঝতে পারবেন যে- গ্রুপে ফ্রেন্ডস এড করা বা ইভেন্টে ফেুসবুক প্রোফই্ল এড করা এপিআই সার্ভারের মাধ্যমে একদম সহজ। আপনি হয়তো বলতে পারেন যে- ভাইয়া ফ্যানেলে যে প্রাইজ আর ওয়েবসা্িটে যে প্রাইজ তা  তো সেম না। একটা ওয়েবসাইট মেইন টেইন করা আ্র একটা প্যানেলের সাথে ভালেঅ সম্পর্ক রাখা, সার্ভিস তৈরী করা, ক্যাশকে ডলারে কনভার্ট করে আপলোড করা বা ডলার এ পেমেন্ট রিসিভ করা, পেমেন্ট কোম্পানীর পারমিশন আদায় করা (যেমন: পেপাল) , অর্ডার রিসভ করা, অর্ডার প্লেস করা, ভালো সার্ভিস খুজে বের করা এবং ভালো প্যানেল থেকে অর্ডার নেয়া বা প্লেস করা এবং সেগুলোকে ক্লায়েন্টের কাছে এপ্রুভ করা- ্রকেম অনেক ভ্যাপার আছে। নিয়মিত ডেভেলপার কস্ট দেয়া ওয়েবসাইট, ডোমেইন কষ্ট দেয়া, হোষ্টিং কষ্ট দেয়া, এসইও করানো আর ক্লায়েন্টের ডিটেইলস বা সিক্রেট কে সেভ করা এরকম হাজার হাজার ব্যাপার আছে বলেই প্রাইজ য়ো হয় অনকে বেশী পরিমানে আর তাতে ইউরোপ বা আমেরিকান ক্লায়েন্টরা তেমন কিছু মনে করে না কারন তারা জানে যে আমরা গরীব আর এগুলো মেইনটেইন করার ও ব্যাপার আছে অনেক।  








উপরের চিত্রের ছয়টা ছবি যদি আপনি দেখেন তাহলে আপনি এমন কিচু টার্ম পাবেন যা আপনি প্রথমে বুঝতে পারবেন না। সেজন্য নীচে আমি টার্ম গুলোর ডিটেইলস লিখে দেবো। আর সবার ণীচের ছবিটা দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে - আমি কিভাবে আমার ফেসবুক প্রোফইলে ফ্রেন্ডস এড করেছি কারন এতাদিন আমার প্রোফাইরে আমার পরিচিত কোন ফ্রেন্ডস ছিলো না। এখণ আস্তে আস্তে ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান যারা াতদের প্রোফাইল ডিলেট করে দিতাছে বা বন্ধ হয়ে যাইতাছে তাদেরকে আমার ফ্রেন্ডলিষ্ট থেকে অফ করে দিয়ে আমারপ রিচিত ভাই ব্রাদারদেরকে এড করতাছি। আর আপনি যদি সোশাল মিডিয়া প্যানেল েএ সিগানালের ব্যভসা করতে চান তাহলে আপনি উপরে ছবিতে ক্লিক করে ওয়েবসাইটে  সরাসরি রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন তাতে আপনার  প্রতি  অর্ডার থেকে আমার বেনিফিট হবে সবসময় সর্ব্বোচ্চ ১০%। এই সার্ভার টা দিয়ে আমি আমার সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং কে কন্ট্রোল করে থাকি এবং অশেষ শুকরিয়া যে আমি আমার নিয়মিত হাত খরচ চালাতে পারতাছি। 


K= 1000. (K মানে কিলোগ্রাম। প্রতি ১০০০ কে সোশাল মিডিয়া সার্ভারে কে হিসাবে প্রকাশ করা হয়)
Max= Maximum. (সর্ব্বোচ্চ বোঝানো হয়)
Max 50K=  Maximum 50000. মানে যেখানে আপনি অর্ডার সেট করবেন সেটাতে আপনি ম্যাক্সিমাম ৫০০০০ সিগনার পাবেন এড করতে। 

30 dasy Refill Guarantee=  যদি ৩০ দিনের ভেতরে কোন সিগনাল ড্রপ হয় তাহলে আপনি সেটা রিকভারি করতে পারবেন।  
Instant= সাথে সাথেই সিগনাল এড করা। 
20k/day=  20000/Day প্রতিদিন ২০০০০ সিগনাল এড করা সম্ভব হবে। 
Real Likes= All original like action. সম্পূর্ন রিয়েল পদ্বতির এ্যাকশণ । মানুষজন বাস্তবে লাইক দিবে কিন্তু ছবি নাও তাকতে পারে। 

180 Days Refill Guarantee=  ১৮০ দিনের মধ্যে কোন সিগনাল ড্রপ হলে ফেরত পাওয়া যাবে মানে রিকভারি হবে। 
0-8 hours=  ০-৮ ঘন্টার মধ্যে শূরু হবে। 
Life time Guarantee= সারা জীবেনর জণ্য সিগনাল । কোন ড্রপ হবে না। ড্রপ হলে সেটা সার্ভার দেখবে। 
Worldwide= সারা বিশ্ব। 
LQ= Low Quality খুবই নিম্নমানের কোয়ালিটি। 
Super Instant=  খুব দ্রুত এড করে দেয়া হবে। 
No Refill= যদি সিগনার ড্রপ হয় তাহলে কোন রিফিল দেয়া হবে না। 

এরকম আরো অনেক অনেক ফাংমণ আচে যা ঠিকঠাক মতো বুজতে পারলে মাসে আপনি কোটি টাকাও উপার্জন করতে পারবেন তবে কিনা  স্পেফিক্যালি আপনি বাংলাদেশের জণ্য তেমন কোন সার্ভিস খুজে পাবেন না। কিছূ কিছূ সার্ভারে আছে বাংলাদেশ রিলেটেড সার্ভিস বা মাঝে মাঝে ওপেন হয়। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন যে - বাংলাদেশের সোশাল মিডিয়া ইন্ট্রাষ্টিজ ফেইক ইন্ড্রাষ্ট্রি- তাহলে বুঝতে হবে যে বাংলাদেশের এপিআইটা কারো না কারো কােছে আছে হ্যাকড হয়েছে বা সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যাপারটা বুঝতে পারতাছে না ফলে এক্টিভেট পারতাছে না । বাংলাদেশের সোশাল মিডিয়া এপিআই থেকে আপন বলে দিতে পারবেন যে আপনি এপিআই সার্ভিস টা সোশাল মিডিয়া প্যানেল তেক ব্যবহার করতে পারবেন কিনা ? আর যদি না থাকে তাহলে পুনরায়  এই ব্যাপারে একটা আন্দোলন করে বা সোশাল মিডিয়া প্যানেলে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে বাংলাদেশ েএপিআই ফাংশন টা এপ্রুভ করে নেয়া যাবে তাতে করে যে কোন দেশের যে কোন সোশাল মিডিয়া মার্কেটার আইসা বাংলাদেশে তাদের সার্ভিস কে প্রমোট করতে পারবে বা শুধূ বাংলাদেশীদের কে তাদের সোশাল মিডিয়া প্রোডাক্টস দেখাতে পারবে। যেমন টার্গেটেড অনেক সার্ভিস ও এড আছে। যেমন: 





তারপরে ও যদি আপনার কাছে মনে হয় যে- আপনি সোশাল মিডিয়ার দুনিয়াতে ফেইক উজমের স্বীকরা হইতাছেণ তাহলে সেই টেকিনক টা এপ্লাই করতে হবে যেখানে বলা আছে যে- আপন িআপনার লাইক বা কমেন্টস দেয়া লোকজনের সাতে বাস্তবে কল বা ভিীডও চ্যাট করে দেখার চেষ্টা করবেন।এইখানে ধোকা দেয়া টা খুবই সহজ কারন এইখানে এমন অনেক ব্যাপার স্যাপার  আছে যা যে কোন দেশের সরকারও বুঝতে পারবে না। আর যেহেতু ওয়েবসাইট ওপেন হয় সো এইটা ১০০% লিগ্যাল এবং একটিভ সার্ভিস। আমার ও একটা সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং সার্ভিস ওয়েবসাইট আছে SMMCart  যেটার ডোমেইন বা হোষ্টিং আমার নামে আর পেমেন্ট মথেড ভেরিফাই করা আমেরিকান পেমেন্ট কোম্পানীর কাছ থেকে। এইখানে আমি সোশাল মিডিয়া প্যাণেল থেকে সার্ভিস নিয়ে সেল করে তাকি কিন্তু বাংরাদেশে কোন প্রোডাক্ট আমি সেল করি না এবং বাংলাদেশের কোন পেমেন্ট মেথডে আমি এড করি না। আমি শুধু আমেরিকান পেমেন্ট মেথড পেপাল ব্যবহার করে থাকি এবং পেপাল ডট কমে র সাথে বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন সম্পর্ক নাই। মানে পোল ডট কমের ডলার কে রেমিটেন্স বা সুইফট বা ইটিএস হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে এড করা যায় নাই। একজন ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে ইন্টারনেটে ব্যবসা করার আন্তর্জাতিক অধিকার সবারই আছে আর যে দেশের পেমেন্ট মেথড ব্যভহার করবেন সেই পেমেন্ট মেথডের এপ্রুরভাল থাকতে হবে তবে বোধ করি বাংলাদেশে এই  ধরনের ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে অতি  অবশ্যই ই কমার্স লাইসেন্স গ্রহন করতে হতে পারে যেখানে আপনি ক্রেডিট কার্ড পেমেন্ট নিতে পারবেন। 

আর আপনি যদি এই সোশাল মিডিয়া প্যানেল ছাড়া অন্য কোন সোশাল মিডিয়া প্যানেল ব্যভহার করতে চান তাহলে আপনি সেটা আগে তেকে ভেরিফাই করে পরে ব্যবহার করতে হবে। সোশাল মিডিয়া প্যানেল গুলো সাধারনত ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কারদের জন্য।আশা করি আমার এই ৪ টা লেখা যে কাউকে মিনিমাম জ্ঞান সম্প্ন হলেও সারা বিশ্বে সোশাল মিডিয়া মার্কেটার হিসাবে অনলাইন সোশাল মিডিয়া ক্যারিয়ার চালু করতে সহায়তা হবে। এ বিষয়ে একটা ভিডিও আমার ইউটিউব চ্যানেল  আসবে  সামনে -যেখানে আমি হাতে কলমে সবকিছু দেখাবো আপনাকে। একটাকাও খরচ লাগবে না আপনার যদি আপনি একজন সোশাল মিডিয়া মার্কেটার হিসাবে আনপার ক্যারিয়ার শুরু করতে চান। কিভাবে আপনি প্যানেলে ডলার এড করবেন এবং কিভাবে আপনি সবকিছু শুরু করবেন সেগুলো সবই দেখানো হবে। নীচে আমার ইউটিউব চ্যানলে সাবস্ক্রােইভ করে সাথেই থাকবেন। এই সোশাল মিডিয়্যা প্যানেলে সিগনালগুলো সত্যি বলতে কি শুধূ হোয়াইট হ্যাট এসইও, অফ পেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য ভালো কাজে লাগে।   

বাংলাদেশের আইপ এড্রস : ১৯২.১৬৮.০.১ আমার জানা মোতাবেক প্রত্যেক আই পি এড্রসের সাথে একটা এপিআই  থাকে - তাহলে বাংলোদেশের এপিআই টা গেলো কই? আর বাংলাদেশ রিলেটেড সার্ভিস গুলো সোশাল মিডিয়া প্যানেলে বা সার্ভারে দেখাবে না কেনো? কোনো হিডেন সমস্যা রয়ে গেলো কি? 



Copyright : Blogger masudbcl


Translate