Showing posts with label পাইওনিয়ার. Show all posts
Showing posts with label পাইওনিয়ার. Show all posts

Thursday, October 1, 2020

পাইওনিয়ার- ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং জগতে একটি বিশ্বস্ত নাম।

  পাইওনিয়ার যাত্রা শুরু করে ২০০৫ সালে। যখন ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস জগত শুরু হয় তখন প্রথম যে জিনিসটা সকলেরে কাছে প্রয়োজন হয় তা হইতাচে রিল্যায়াবল বা ট্রাস্টেড পেমেন্ট মেথড। 


২০০২ সালে যখন ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং জগত টা বাংলাদেশে রান করে সর্বপ্রথম ওডেস্কের মাধ্যমে তখন প্রথম দেখা যায় পেপাল এবং এলার্টপে নামের দুইটা ইন্টারনেট ব্যাংকিং। ব্যাংক চেক পলিসিও ছিলো। অনেক অনেক বার অুনরোধ করা হয় মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোকে- ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন বা মানি গ্রামের মতো প্রোগ্রামগুলোকে এড করারর জন্য। কিন্তু তাদের মন ভেজানো যায় নাই। তারা কোনভাবেই সেটা এড করবে না। যতোবার বলা হয় ততোবারই বলা হয়েছে যে- এইটা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সম্ভব। পেপাল আমেরিকান ব্যাংকে কোম্পানী এবং এলার্টপে কানাডিয়ান ব্যাংকিং কোম্পানী ছিলো। অনেক অনেক মার্কেটপ্লেস আছে এখন পর্যন্ত যারা সম্পূর্ন গ্রাহকের উপর ভিত্তি করে তাদের কোম্পানী বা প্রোগ্রাম চালু করে। তেমনি ওডেস্ক ও মতামতের আয়োজন করে পেপাল, এলার্ট পে, ব্যাংকে চেক পদ্বতি চালু করে। আমেরিকান রা চেক পদ্বতির সাথে অনেক পরিচিত ছিলো। কারন তারা প্রায়শই পে চেক পাইয়া থাকে। আর সেটা তাদের দেশের সরকার থেকে দেয়া হয়- যে কোন বিপদে আমেরিকানরা পে চেক পাইয়া অভ্যস্ত। তাদের দেশের সরকার তাদেরকে সাহায্য করে তাকে আর আমাদের দেশের লোকজন জনগনের হত মাইরা খাইয়া ফালায়। এইজন্য ই আজকে বাংলাদেশের মতো  অজো পাড়া গায়ের মধ্যেও বাংলাদেশী ছেলে বা মেয়েরা ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং এর কাজ করে যাইতাছে। পেপাল আমাদের দেশে চালু ছিলো না তখন- বলতে গেলে ওয়েবসাইট ই এক্সেস করা যাইতো না।  আর এলার্টপে ওপেন হতো। মনে পড়ে - ওডেস্কে আমার প্রথম উপার্জন ছিলো ২ ডলার এবং ১০ বা ১৫ ডলার হবার পরে ওডেস্ক থেকে এলার্ট পে তে ট্রান্সফার করা যাইতো। তারপরে এলার্ট পে থেকে সারা দেশের যাদের লাগতো বা যারা ইউরোপিয়ান আমেরিকান নাগরিক তারা কিনে নিয়া যাইতো - এক কথায় সাহায্য করতো কারন তারা তাদের ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান ব্যাংক একাউন্টে  সেটা উইথড্র করতে পারতো এবং সেটা আমাদের জন্য অনেক শোভন হতো। এইভাবে ২০০৫ সালে পাইওনিয়ার নামের আরেক জায়ান্ট কোম্পানীর আবির্ভাব ঘটে যারা আজো সারা বিশ্বে সমানতালে সার্ভিস দিয়ে যাইতাছে। এই পৃথিবীতে এমন কোন ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার নাই যাদের পারসোনাল পাইওনিয়ার একাউন্ট নাই।  

এলার্টপে পরে পরিবর্তিত হয়ে পাইজা তে নাম নেয়। পাইজা  নাম নেবার ফলে অনেক সময় অনেক বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়। যখন কোন প্রজেক্ট হাতে থাকে আর সেটা যদি অনেক ডিপ প্রকৃতির প্রজেক্ট হয়ে থাকে  তাহলে কাজ করার সময়ে  অনেক সময় পারস্পরিক নতুন নতুন মানুষের সাথে যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। এতে করে অনেক সময় কাজের জন্য বাড়তি একটা স্প্রিড পাওয়া যাইতো। অনেককেই ফ্রিতে কাজ শিখানো হতো বা শিখাতে হতো সারা দেশের যারা বড় মাপের ফ্রি ল্যান্সার তাদের নির্দেশ অনুসারে। তো যখন কোন মেয়েকে অনলাইনে (ইন্টারনেটে বিভিন্ন ম্যাসেন্জারের সাহায্যে) কাজ শিখানো হতো ফ্রি তে আর মার্কেটপ্লেস একাউন্ট ওপেন করার পরে যখন পেমেন্ট সল্যুশন নিয়ে কথা হতো তখন অনেক সময় মন ভূলে বলা হতো- পেমেন্টর জন্য পাইজা খূলে ফেলো। কোন মেয়ে যদি আগে থেকে না জানতো তাহলে সে সেই সময় শরমে পড়ে যাইতো। ফলে পরে আবার তাকে ভুল শোধরাইয়া বলতে হতো যে- পাইজা আসলে একটা ব্যাংক একাউন্ট। এই মূহুর্তে  এইটা ইউএসএ জাষ্টিস ডিপোর্টমেন্ট বন্ধ করে রেখেছে। ফলে একসময়কার জনপ্রিয় ব্যাংক আজকে বন্ধ হয়ে গেছে। পায়জার সাথে বাংলাদেশে ব্যাংক  এশিয়ার সরাসরি যোগাযোগ ছিলো - মানে এফিলিয়েট ছিলো। সেই মার্ক করা ব্যাংকের সাথে এখন আবার পেপালের রেমিটেন্স আনা হইতাছে। যদি পাইজার সাথে কানেক্টেড থাকার কারনে  ব্যাংক এশিয়ার নামও ডিপার্টমেন্ট অফ জাষ্টিসে থেকে থাকে তাহলে সেটা পেপাল এপরুভাল পাবার ক্ষেত্রে বাধা বা অন্তরায় হয়ে দাড়ায় কিনা কোন ভাবে সেটা ভেবে দেখতে হবে। যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে সকল ফ্রি ল্যান্সারের স্বার্থে ব্যাংক এশিয়ার উচিত হবে পেপালের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা। কারন ফ্রি ল্যান্সার রা  পেপাল এপরুভাল পাবার জণ্য চেষ্টা করে যাইতাছে এবং শুধূমাত্র ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য হলেও যেনো পেপাল চালু হয় সেজন্য অনেকেই চেষ্টা করে যাইতাছে। তবে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক বুথ থাকার কারনে এবং এটিএম এবং ব্রাঞ্চ থাকার কারনে ডাচ বাংলা ব্যাংক হবে সকলের কাছেই ১ নাম্বার চয়েজ। তবে ব্যাংক এশিয়ার স্বাধীন মাষ্টারকার্ড  প্রোগ্রামটা প্রশংসার দাবীদার। অনেক ফ্রি ল্যান্সার দের অনেক ভালো রকমের উপকার করেছে ব্যাংক এশিয়ার স্বাধীন মাষ্টারকার্ড এবং ঈষ্টার্ন ব্যাংকের আকুয়া মাষ্টার কার্ডপাইওনিয়ারের সাথেও মাষ্টারকার্ডের যোগাযোগ আছে। পাইওনিয়ার মাষ্টার কার্ডের মাধ্যমে আপনি মাষ্টারকার্ড লোগো সম্বলিত বিশ্বের যে কোন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারবেন, যে কোন এটিএম থেকে বা বুথ থেকে যে কোন দেশের মুদ্রা তুলতে পারবেন। 

Payoneer Mastercard  সুবিধা নিয়ে অনেকেই সারা বিশ্বে বিভিন্ন খানে আগে ব্যবহার করেছে। প্রথম দিকে বাংলাদেশের যে কোন প্রাইভেট ব্যাংকে দাড়িয়ে থেকে পাইওনিয়ারে মানি সেন্ড করা যাইতো নিয়মিত ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সপার হিসাবে। পারস্পরিক মানি লেনা দেনা এবং সকল ধরনের পেমেন্ট নেওয়া, বিজনেস পেমেন্ট নেওয়া এবং সেন্ড মানি সেন্ড মানি সেন্ড করা সহজ হয়েছে। ধরেন আমার কাছে পাইওনিয়ার কার্ড আছে। আপনি জার্মাণীতে আছেন । আপনার এই মূহুর্তে টাাকা দরকার যা এক সপ্তাহের মধ্যে আপনার খাবারের খরচ জোটাতে হবে। বিদেশে কোন বিপদের মাঝে আপনি আছেনি। আপনি বাংলাদেমে কল  দিয়ে বললেন ডে- তার পআওিনিয়ার একাউন্টে ৫০,০০০ টাকা সেন্ড করে দিতে। আপনার নিকটস্থ লোক ব্যাংকে গেলো এবং আপনার পাইওনিয়ারের দেয়া ব্যাংক একাউন্টে ৫০,০০০ টাকা ব্যাংক টু ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন করলো। আপনি ৩/৪ দিনের মদ্যে সে টাাকা ডলার হিসাবে আপনার পাইওনিয়ার একাউন্টে পেয়ে গেলেন। এখানে আপনি আমেরিকান একটা ব্যাংক একাউন্টের ফ্যাসিলিটজ ব্যবহার করে লেনাদেনা টা সম্পূর্ন করলেন এবং বাংলাদেশ তার প্রাপ্ত সুবিধাদি থেকে বঞ্চিত হবে কারন বাংলাদেশ সরকার সাথে সাথে সেইটা এনডোর্স করতে পারে নাই বা যে ব্যাংক আপনি টাকা সেন্ড করেছন সেই ব্যাংক এনডোর্স ফ্যাসিলিটজ নাও দিতে পারে বাংলাদেশকে। তার উপরে সেখানে মাষ্টারকার্ড লোগো আছে। সেই লোগো দিয়ে যে মানুষটা বিপদে আছে সেই মানুষটা তার নিজস্ব খাবারের ব্যবস্থা করে ফেলাইলো। ঠিক যে নিয়মে ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট এক্সচেনজ হয়- সেই  নিয়মটা হয়তো এইখানে প্রযোজ্য হয় নাই কারন যে ব্যাংক টাকা পাঠানো হয়েছে ডলারে কনভার্ট
করার জন্য সেই ব্যাংক হয়তো নিয়মিত মানের ব্যাংক না বা অনলি রেমিটেন্স কালেকশন করার ব্যাংক বা বাংলাদেশ সরকারের সাথে তালিকাভুক্ত না। এই দেশে লক্ষ কোটি লোক চুরি/বিাটপারি/দালালি করে চলে। বাংলাদেশের মধ্যে রাজধানী মহর সবচেয়ে বড় চিটার বাটপার দের শহর বলা হতো একসময়। সেই চিটার বাটপার দের থেকেও বড় চিটার বাটপার আমি দেখেছি ময়মনসিংহে -একটা লোকাল এলাকাতে। এখানকার একটা তারিকাগ্রস্থ জ্ঞাতি গোষ্টী  এতো পরিমান ধুরন্দর যে- স্থানীয় আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণীও অনেক সশয় হিম শিম খেয়ে যায়। ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে র যতো ধরনের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণীর সদদ্য রা আছেন তারা যদি নিরবিচ্ছিন্ন সার্ভিস দিয়ে যাইতো তাহলে হয়তো এই মাপেরে ধুরন্ধর দেখা হইতো না(যারা ্রকম ক্যাটাগরির তাদের ম্যাক্সিমাম লোকেরই জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। বর্তমান সরকারের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধিদপ্তর - জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ। জাতীয় পরিচয়পত্র এখন আর কোন প্রজেক্ট নাই।এইটা এখন সরকারি অধিদপ্তর। তাই আপনার উচিত হবে নিজ দ্বায়িত্বে জাতীয় পরিচয়পত্র আইন জেনে তা কার্যকর করে ফেলানো। 

আপনার যদি জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনি কখনোই পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড পাবেন না। কারন পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড এর জন্য আবেদন করতে গেলে আপনাকে অতি অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া এদেশে এখন অনেক কাজই হইতাছে না। যেমন: 

  • জমি- জমা, ফ্ল্যাট বাড়ির দলিল পত্রাদি লেখা। বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে হবে না। 
  • বিয়ে/কাবিন/নিকাহ/শাদী- প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আপনাকে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে নয়তো কাবিন নামা পাবেন না। 
  • সিটি কর্পোরেশন বা বিভাগীয় সদর এলাকাতে আপনি পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনে ভেরিফায়েড না হলে সিটি িএলাকাতে আপনি বসবাস করতে পারবেন না। আপনার যদি  প্রাপ্ত বয়স্কে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনি দেশের সকল সুবিধা থেকে  বঞ্চিত হবেন। 
  • এককথায় আপনাকে বহিরাগত বা অন্য দেশী হিসাবে বিবেচনা করা হবে। 
পাইওনিয়ার একাউন্ট ওপেন করা থাকলে আপনি একজন পাইওনিযার একাউন্ট অনার হয়ে আপনি আরকেজন পাইওনিয়ার একাউন্টে মানি সেন্ড করতে পারবেন। তবে অনেকসময় ১০০০ ডলার লেনাদেনা না হলে একজন আরেকজনকে সেন্ড মানি করতে দেয় না। আপনি মার্কেটপ্লেস থেকে হাজারো ডলার উপার্জন করে সেটা আপনার দেশের বাহিরে অবিস্থত বন্ধুকে দিয়ে দিলেন তার পাইওনিয়ার একাউন্টে এবং আপনি তার বাসো থেকে বা তার স্ত্রীর কাছ থেকে নগদ ক্যাশ টাকা নিয়ে নিলেন বা আপনি যাকে টাকা পাঠালেন সে কল দিয়ে তার বাসাতে বলে দিলো যে - আপনাকে নগত টাকা পেমেন্ট করে দিতে। এইখানে বাংলাদেশ সরকার বিকেটা ট্রনাজেকশন রেকর্ড মিস করলো এবং সামান্য কিছু রেমিটেন্স ও হয়তো মিস করলো। কারন আপনি যদি আপনার ফ্রেন্ডের পাইওনিয়ার একাউন্টে ডলার সেন্ড না করে আপনি যদি সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে উইথড্র করতেন তাহলে হয়তো বাংরাদেশ সরকার সে রেমিটেন্স থেকে বঞ্চিত হলো। আবার ফরেন ট্রানেজেকশন হবার কারনে বৈদিশিক সরকার আপনার সে ফ্রেন্ডের কাছে পাঠানো ডলারের ট্রানজেকশন রেকর্ড রাখবে এবং প্রয়োজেন বছর শেষে হয়তো কিছু আর্থিক বা ফাইনান্সিয়াল ফ্যাসিলিটজ ও আদায় করতে পারে কারন সব ব্যাংকের তো একই কাজ- ব্যবসা করা। তেমনি পাইওনিয়ারও ইন্টারনেট বেজড একটা ব্যবসায়িক ব্যাংক যারা সাার বিশ্ব জুড়ে ব্যবসা করতাছে। পাইওনিয়ার কে একসময় প্রমোট করা হতো প্রচুর ফ্রি ল্যান্সার দের মাধ্যমে। আমাদের দেশে এখণ যদি কোন ছেলে মেয়ের কাছে (বয়স ২৩ হবার পরে) বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে ও তার কাছে তার বাবার বা মায়ের নামে তৈরী করা পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড আপনি পাবেন খোজ করলে। পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ডে যদি আপনি কোন লেনাদেনা করে না থাকেন তাহলে শুধূ আপনার নাম এবং ডিটেইলস টা বৈদিশিক সরকার এবং তাদের ডাটাবেজে নথিভুক্ত থাকবে। আজকে থেকে পাইওনিয়ারের নতুন ঘোষনা এসেছে- যারা বিগত ছয় মাসে কোন ধরনের লেনাদেনা করে নাই তাদের কার্ড বাতিল করা হবে কারন একটা কার্ড তৈরী করা থেকে শুরু করে মেইন টেই করার জন্য প্রচুর খরচ করতে হয় কার্ড প্রদানকারী কোম্পানীকে। আর বর্তমানের নিউইয়র্ক পাইওনিয়ারের কার্ড প্রদানকারী সার্ভিস সংস্থা পরিবর্তন হয়ে সেটা চলে গেছে আয়ারল্যান্ডের একটা সংস্থর কাছে। তাই অনেক ধরনরে পরিবর্তন আসতাছে। একই সাথে - এ যাবত কালে যাদের পাইওনিয়ার শুধু কার্ড নেয়া ছিলো কিন্তু তাদের কো লেনাদেনা রেকর্ড নাই তাদের আর কার্ডের কোন ভ্যালূ থাকলো না। কার্ড থাকুক বা না থাকুক পাইওণিয়ার একাউন্ট থাকবে সকলের ই। আর যাদের ব্যাংক একাউন্ট আছে তারা ব্যাংক একাউন্টও রেমিটেন্স আনতে পারবে অতি সহজে।  আর যদি লেনাদেনার রেকর্ড থাকে তাহলে যে দেলে সাথে লেনাদেনা আছে সেই দেশের সাথে তার অল ডিটেইলসে রেকর্ড থাকবে। 
 





আর আপনার যদি পাইওনিয়ার একাউন্টের সাথে ব্যাংক একাউন্ট এড করা থাকে তাহলে আপনি নিয়মিত বিরতিতে রেমিটেন্স আনতে পারবেন একই নিয়মে। করোনার কারনে অনেকের ই লেনাদেনা কম আছে সে ক্ষেত্রে তাদের  কার্ডে যদি শেষ ছয় মাসের কোন লেনাদেনা না থাকে তাহলে সেই কার্ডটি আয়ারল্যান্ডের কার্ড  ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী ডিএকটিভেট করে দেবে কারন এত করে তাদের প্রচুর পরিমানের খরচ বেচে যাবে। আবার আপনার যদি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি আবার কার্ড অর্ডার  িদিয়ে নিয়ে  আসতে পারবেন এবং প্রয়োজন মতো সারা বিশ্বে ব্যবহার ও করতে পারবেন। 








(To Be continue)

Thursday, July 30, 2020

ইন্টারনেট পেমেন্ট গেটওয়ে।

আমাদের দেশে বিগত ১০/১১ বছরের সীমাহীন দুর্নীতি বা ব্যাংক ডাকাতি, চুরি, বাটপারি, গ্রাহকের তথ্য, একাউন্ট চুরি বা ব্যালান্স চুরি বা বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স না পাওয়া, টাকা পয়সা লাপাত্তা হয়ে যাওয়া সহ নানা ধরনের খবর পেপার পত্রিকাতে  অহরহ পাওয়া গেছে অনেক বছর যাবত। এখন যাদের আত্মীয় স্বজন আছে দেশের বাহিরে আর যারা নিয়মিত বিরতিতে ডলার /ইউরো/ পাউন্ড সেন্ড করে তারা হয়তো অনকে সময় জানেও না যে তাদের আত্মীয় স্বজন রা দেশের ভেতরে থেকে ডলার /ইউরো/ পাউন্ড রিসিভ করে  কিন্তু দেশে বসে থেকে নানা ধরনের চিটার বাটপার দের কারনে কেউ কেউ অনেক সময় কোন টাকা পয়সা ক্যাশ করতে পারে না। খুবই পপুলার ছিলো ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানিগ্রাম। সেগুলোর ব্যাপারে তেমন কোন দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায় নাই। তারপরেও ডে বাই ডে তাদের পপুলারিটি কমে যাইতাছে। এখন নিয়ম করেছে সোনালী ব্যাংক বা বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়েনের ১৬ ডিজিটের পিন নাম্বার দিলে সেটা ফেরত আসে কিছুক্ষন পরে- ব্যাপারটা আমার কাছে একটু কনফিউশন লাগলো। আমার কাছে থাকা পিন নাম্বার যদি আমি দিয়ে দেই আর ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানিগ্রাম এর গোপন পিন নাম্বার যদি আমি দিয়ে দেই তাহলে সেটার ভেরিফিকেশন বা সেটা যে আমার মানি তার প্রমান থাকে কি করে?  যদি এজন্টরা তুলে নিয়ে যায়।  একসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে হ্যাকারদের সীমাহীন হ্যাকিং রাজত্ব, প্রাইভেট ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি বা আরো নানাবিধ কারনে যদি আমার নামে অজানা কোন সোর্স থেকে কোন অর্থ আসে আর সেটা যদি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগ সাজশে গায়েব হয়ে যায় তবে তার কোন সোর্স থাকবে না কারন আমাদের দেশ এখনো এতোটা সত হয়ে উঠে নাই। রাস্তাতে যদি ২/৫০০ টাকার নোট পড়ে থাকে তাতেই যে কেউ তা তুলে পকেটে ভরে ফেলাইতে দ্বিধাবোধ করবে না। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যতো প্রাইভেট ব্যাংক আছে তাদেরও নিজস্ব সুইফট কোড আছে। কিন্তু সরকারের তীব্র নজরদারীর কারনে হয়তো অনেকেই তাদের জন্য পাঠানো অর্থ ক্যাশ হিসাবে তোলা সম্ভব হয়ে উঠে না (ব্যাংক কর্মকর্তারা আটকে দেয় বা নানা ধরনের পেপার বা ডকুমেন্টস চেয়ে বসে)। পেপার পত্রিকাতে দেখে দেখে এসব বোঝা হয়ে গেছে অনেকরেই। অনেক অভিযোগ দেখেছি বিদেশ থেকে অর্থ এসেছে- যে মালিক সে ক্যাশ করেছে তার ব্যাংকের কর্মকর্তা লোকাল নেতা/ সন্ত্রাসী/ চাদাবাজদের লেলিয়ে দিয়েছে আর ব্যাংক থেকে সেই অর্থ নিয়ে তারা আর বাড়ি পর্যন্ত যাইতে পারে নাই। যারা হ্যাকার তারা সহজেই কোন ব্যাংকে কার কাছে কতো টাকা আছে তার তথ্য হাতিয়ে নেয় । আরো যদি কোন ব্যাংকের ভেতর থেকেহ্যাকারদের কে কেউ সাহায্য করে থাকে তাহলে তো কেল্লাফতে- গ্রাহকের আর রেহাই নাই। আমাদের দেশের সব খানে দুর্নীত রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে থাকার কারনে আর সমাজ নামক একটা পিকুইলিয়ার মেটাবলিজম থাকার কারনে সারা দেশের অনেক কে তাদের প্রাপ্ত অর্থ থেকে অনেক ভাবে বঞ্চিত করা হয়। 

আগে ফ্রি ল্যান্সার রা ব্যাংকে রেমিটেন্স তুলতে গেলে ব্যাংকের ম্যানেজার দাড়িয়ে সম্মান জানাতো আর এখন রেমিটেন্স তুলতে গেলে হাজারো প্রশ্নবানে জর্জরিত করা হয় অনেক সময় যদি বড় অংকের অর্থ হয়। আপনি যদি না জানেন বা না চিনেন এমন কাউকে অর্থ পাঠান তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্রের বৈধ ফটোকপি দিতে হবে। এই পর্যন্ত পুরো লেখাটাই আমি পেপার পত্রিকা পড়ে বা দেখে লিখেছি। ব্যাংকগুলোতে সীমাহীন ডাকাতি বা ব্যাংক রিজার্ভ চুরি এই সরকারের সবচেয়ে বড় পরাজয় এবং এর কারনে এদেশের গরীব মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম প্রায় আকাশ চুম্বী। কালকেও এক লোকের সাথে কথা হইলো এক খানে বসে- বলতাছে কতোদিন পোলাও এর চালের ভাত খাইনা তা ঠিক জানি না।  ২০০৭/০৮/০৯ সালে একজন গরীব মানুষের ১০০ টাকায় তার সংসারের খরচ চলতো দৈনিক আর এখণ একজন গরীব মানুষ দৈনিক ৫০০ টাকা খরচ করেও দৈনিক তাদের সংসারের খরচ চালাতে পারে না, আর প্রতিদিন তাদের ৫০০ করে জুটেও না। কি অভাগার এক দেশ এইটা কেউ বুঝেই না আর কেউ জানেও না কি কারনে এতো কষ্ট জনজীবনে বা গরীব মানুষদের। দেশ স্বাধীন করে মুক্তিযোদ্বাদের প্রজন্ম এতো কষ্ট করবে তা যেমন কেউ কল্পনারও করে নাই তেমনি স্বাধীন বাংলাদেশে কেউ বা কাউকে এতো কষ্ট করতে হবে তাও বোধ হয় গরীব মানুষ কখনো ভাবে নাই। 


বর্তমানে অনেক অনেক ইন্টারনেট ব্যাংক আছে যেখানে এখন আর টাকা পয়সা সহজে মার যায় না। ”ইন্টারনেট ব্যাংক বলতে সেন্ড এবং রিসিভ মানি বাই এন ইমেইল”- যেমন নেটেলার, ওয়েবমানি, পারফেক্টমানি পাইওনিয়ার, বিটকয়েণ বা আরো কিছু ব্যাংকিং যেখানে আমার উপার্জিত অর্থ টা আমার ইমেইল একাউন্টে শো করবে এবং আমি ছাড়া অন্য কেউ দেখতে পারবে না। যদি বাংলাদেশ ব্যাংকে আমার অর্থ জমা থাকে তাহলে বাংলাদেশ সরকার বা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চাইলেই সেটা দেখতে পারবে বা নড়াচড়াও করতে পারবে যদি প্রাইভেট  ব্যাংকে থাকে তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিজস্ব ক্ষমতাবলে যে কোন সময় যে কোন ব্যাংকের সফটওয়্যারে ঢুকে দেখতে পারবে যে গ্রাহকের একাউন্ট এ কতো টাকা জমা আছে। কিন্তু যদি ইন্টারনেটে ব্যাংকে কোন অর্থ জমা থাকে সেটা ইমেইলের একাউন্ট যার সে ছাড়া অণ্য কেউ জানতে পারবে না। যখন সে উইথড্র করবে তখন উইথড্র কৃত এমাউন্ট টা শুধু জানা যাবে - তার বেশী আর কিছু জানা যাবে না। ইহুদি ,খ্রীষ্টানরা খুবই সত এবং তাদের সততার কারনে তারা তাদের ইন্টারনেটের  ব্যাংকের ইনফরমেশন কখনো পাবলিকলি শো করবে না। 

আমাকে যদি এই বিশ্বে কখনো কেউ ডলার রিসিভ করার কথা বলে তাহলে প্রথমেই  আমি বলবো যে আমাকে যেনো পেপাল ডট কম, পাইওনিয়ার ডট কম, নেটেলার ডট কম বা ওয়েবমানি ডট কম বা পারফেক্ট মানি ডট কম এই ধরনের ইন্টারনেট পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ডলার দেয়। পেপাল ডট কমের সাথে ব্যাংক এশিয়ার যোগাযোগ থাকার কারনে পেপালের ডলার কে এখন সহজেই ক্যাশ করা যায় বা পেমেন্ট বিডি থেকেও ক্যাশ করা যায় বা আরো কিছু বৈধ উপায় আছে লাইক মালয়েশিয়ার সরকারি ব্যাংক ব্যবহার করে তোলা যায় বা সাইপ্রাসের একাউন্টে পাইওনিযার ব্যবহার করেও উইথড্র করা যায়। কয়েকদিন আগে পাইওনিয়ার যখন বন্ধ ছিলো তখন অনেকেই তাদের একাউন্টে থাকা অর্থ এর ব্যাপারে আশংকা প্রকাশ করে বলেছিলো- তাদের একাউন্টে ১০০০০- ১০০০০০ ডলার জমা আছে যেখানে তাদের পাইওনিয়ারের প্রতি আস্থা এবং নির্ভরশীলতা টের পাওয়া যায় যে অর্থ কোন বাংলাদেশী একাউন্টে জমা থাকলে বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক সেটা জানতে পারতো এবং প্রয়োজনে লিুকইড কারেন্সী হিসাবে খরচও করতে পারতো। কিন্তু রিজার্ব চুরি বা ব্যাংক ডাকাতি বা হ্যাকার দের অত্যাচারের কারনে ফ্রি ল্যান্সার রা তাদের ইন্টারনেট ব্যাংকেই ডলার রাখতে খুশী হয়। কারন সে ক্ষেত্রে কাউকে জানাতে হয় না যে আমার নামে কতো ডলার জমা আছে এবং একই সাথে আমার যখণ যতো মনে চায় আমি তুলে আনতে পারি বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স হিসাবে এবং মন মতো এনে খরচ ও করতে পারি। এইটাকেই ফ্রি ল্যান্সার দের স্বাধীনতা বলা হয়- যাক বলা হয় উপার্জন থাকলে খরচের স্বাধীনতা। বাংলাদেশে পার হেড/আই পি না থাকার কারনে বিশ্বের অনেক কোম্পানী ই এখানে ব্যবসা করার আগ্রহ প্রকাশ করে না যাদের ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা পেমেন্ট গেটওয়ে আছে। আবার অনেকে শুরু করে দিয়েছে যেমন নেটেলার, পারফেক্ট মানি, ওয়েবমানি, স্ক্রিল। তো আপনি যদি এগুলোর ব্যাপারে পুরোপুরি ধারনা রেখে থাকেন তাহলে আপনার জণ্য বাংলাদেশের ব্যাংক গুলোর হ্যাকার এবং তাদের চোখ রাঙানি পুরোপুরি উপেক্ষা করা যাবে এবং এ ক্ষেত্রে আমি শুদু ইহুদি খ্রষ্টিান মালিকানাধীন ব্যাংকই ব্যবহার করতে বলি যেমন পাইওনিয়ার - আমিরেকিানদের কোম্পানী আর সবাই জানে আমেরিকা খ্রীষ্টান দেশ। এই সকল ইন্টারনেট ব্যাংক তেকে আপনি সহজেই পেমেন্ট বাংলাদেশের যে কোন বালো মানের প্রাইভেট ব্যাংকে আইনা জমা করতে পারবেন।  পাইওনিয়ার একাউন্ট ওপেন করলে আপনি সহজেই ব্যাংক অফ আমেরিকারও একটি একাউন্টের অনার হয়ে যাবেন এবং আপনার জমে থাকা অর্থ  আমেরিকান সরকার বা পাইওনিয়ার ও চাইলে লিকুইড কারেন্সী হিসাবে তাদের জরুরী প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে- আপনার জমানো ডলারের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকবে। বাংলাদেশ সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি আর জন জীবনের অসহ্য যন্ত্রনা আর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি আর বাংলাদেশ ব্যাংকের চোখ রাঙানি উপক্ষো করে নিজের জমানো অর্থ- ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং করে জমানো অর্থ পাইওনিয়ারের মতো সকল ধরনের ইন্টারনেট ব্যাংকে সহজে সেভ করে রাখা যায়  তবে অবশ্যই আপনাকে ১০০% সিকিউরিটি মেইনটেইন করতে হবে কারন ইন্টারনেটে আনলিমিটেড নাম্বার হ্যাকার রা বসবাস করে থাকে। 

বাংলাদেশে সকল ধরনের ফ্রি ল্রান্সারদের কাছে সবচেয়ে পপুলার পাইওনিয়ার পেমেন্ট সল্যুশন। 



সামনের দিন গুলোতে পপুলার হবে পেল্যুশন হাইপার ওেয়ালেট পেপাল সল্যুশন।  এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের নিজস্ব কোন পেমেন্ট সল্যুশন তৈরী হয় নাই যাতে সব ধরনের পেমেন্ট একটা গেটওয়ে তে রিসিভ করা যাবে। জানিনা সামনে পরবর্তী নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হইলে সকল ধরনের পেমেন্ট সুবিধা বাংলাদেশে চালু হয় কিনা যাতে যে কেউ বিশ্বের যে কান জায়গা থেকে যে কারো কাছ থেকে যে কোন পেমেন্ট মেথডে তার প্রাপ্ত অর্থ এবং ড্রাফট, সার্টিফিকেট মানি বা সব কিছু্ই একসাথে রিসিভ করা যাবে। 

Translate