Translate

Thursday, July 30, 2020

ইন্টারনেট পেমেন্ট গেটওয়ে।

আমাদের দেশে বিগত ১০/১১ বছরের সীমাহীন দুর্নীতি বা ব্যাংক ডাকাতি, চুরি, বাটপারি, গ্রাহকের তথ্য, একাউন্ট চুরি বা ব্যালান্স চুরি বা বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্স না পাওয়া, টাকা পয়সা লাপাত্তা হয়ে যাওয়া সহ নানা ধরনের খবর পেপার পত্রিকাতে  অহরহ পাওয়া গেছে অনেক বছর যাবত। এখন যাদের আত্মীয় স্বজন আছে দেশের বাহিরে আর যারা নিয়মিত বিরতিতে ডলার /ইউরো/ পাউন্ড সেন্ড করে তারা হয়তো অনকে সময় জানেও না যে তাদের আত্মীয় স্বজন রা দেশের ভেতরে থেকে ডলার /ইউরো/ পাউন্ড রিসিভ করে  কিন্তু দেশে বসে থেকে নানা ধরনের চিটার বাটপার দের কারনে কেউ কেউ অনেক সময় কোন টাকা পয়সা ক্যাশ করতে পারে না। খুবই পপুলার ছিলো ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানিগ্রাম। সেগুলোর ব্যাপারে তেমন কোন দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায় নাই। তারপরেও ডে বাই ডে তাদের পপুলারিটি কমে যাইতাছে। এখন নিয়ম করেছে সোনালী ব্যাংক বা বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়েনের ১৬ ডিজিটের পিন নাম্বার দিলে সেটা ফেরত আসে কিছুক্ষন পরে- ব্যাপারটা আমার কাছে একটু কনফিউশন লাগলো। আমার কাছে থাকা পিন নাম্বার যদি আমি দিয়ে দেই আর ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানিগ্রাম এর গোপন পিন নাম্বার যদি আমি দিয়ে দেই তাহলে সেটার ভেরিফিকেশন বা সেটা যে আমার মানি তার প্রমান থাকে কি করে?  যদি এজন্টরা তুলে নিয়ে যায়।  একসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে হ্যাকারদের সীমাহীন হ্যাকিং রাজত্ব, প্রাইভেট ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি বা আরো নানাবিধ কারনে যদি আমার নামে অজানা কোন সোর্স থেকে কোন অর্থ আসে আর সেটা যদি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগ সাজশে গায়েব হয়ে যায় তবে তার কোন সোর্স থাকবে না কারন আমাদের দেশ এখনো এতোটা সত হয়ে উঠে নাই। রাস্তাতে যদি ২/৫০০ টাকার নোট পড়ে থাকে তাতেই যে কেউ তা তুলে পকেটে ভরে ফেলাইতে দ্বিধাবোধ করবে না। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যতো প্রাইভেট ব্যাংক আছে তাদেরও নিজস্ব সুইফট কোড আছে। কিন্তু সরকারের তীব্র নজরদারীর কারনে হয়তো অনেকেই তাদের জন্য পাঠানো অর্থ ক্যাশ হিসাবে তোলা সম্ভব হয়ে উঠে না (ব্যাংক কর্মকর্তারা আটকে দেয় বা নানা ধরনের পেপার বা ডকুমেন্টস চেয়ে বসে)। পেপার পত্রিকাতে দেখে দেখে এসব বোঝা হয়ে গেছে অনেকরেই। অনেক অভিযোগ দেখেছি বিদেশ থেকে অর্থ এসেছে- যে মালিক সে ক্যাশ করেছে তার ব্যাংকের কর্মকর্তা লোকাল নেতা/ সন্ত্রাসী/ চাদাবাজদের লেলিয়ে দিয়েছে আর ব্যাংক থেকে সেই অর্থ নিয়ে তারা আর বাড়ি পর্যন্ত যাইতে পারে নাই। যারা হ্যাকার তারা সহজেই কোন ব্যাংকে কার কাছে কতো টাকা আছে তার তথ্য হাতিয়ে নেয় । আরো যদি কোন ব্যাংকের ভেতর থেকেহ্যাকারদের কে কেউ সাহায্য করে থাকে তাহলে তো কেল্লাফতে- গ্রাহকের আর রেহাই নাই। আমাদের দেশের সব খানে দুর্নীত রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে থাকার কারনে আর সমাজ নামক একটা পিকুইলিয়ার মেটাবলিজম থাকার কারনে সারা দেশের অনেক কে তাদের প্রাপ্ত অর্থ থেকে অনেক ভাবে বঞ্চিত করা হয়। 

আগে ফ্রি ল্যান্সার রা ব্যাংকে রেমিটেন্স তুলতে গেলে ব্যাংকের ম্যানেজার দাড়িয়ে সম্মান জানাতো আর এখন রেমিটেন্স তুলতে গেলে হাজারো প্রশ্নবানে জর্জরিত করা হয় অনেক সময় যদি বড় অংকের অর্থ হয়। আপনি যদি না জানেন বা না চিনেন এমন কাউকে অর্থ পাঠান তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্রের বৈধ ফটোকপি দিতে হবে। এই পর্যন্ত পুরো লেখাটাই আমি পেপার পত্রিকা পড়ে বা দেখে লিখেছি। ব্যাংকগুলোতে সীমাহীন ডাকাতি বা ব্যাংক রিজার্ভ চুরি এই সরকারের সবচেয়ে বড় পরাজয় এবং এর কারনে এদেশের গরীব মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম প্রায় আকাশ চুম্বী। কালকেও এক লোকের সাথে কথা হইলো এক খানে বসে- বলতাছে কতোদিন পোলাও এর চালের ভাত খাইনা তা ঠিক জানি না।  ২০০৭/০৮/০৯ সালে একজন গরীব মানুষের ১০০ টাকায় তার সংসারের খরচ চলতো দৈনিক আর এখণ একজন গরীব মানুষ দৈনিক ৫০০ টাকা খরচ করেও দৈনিক তাদের সংসারের খরচ চালাতে পারে না, আর প্রতিদিন তাদের ৫০০ করে জুটেও না। কি অভাগার এক দেশ এইটা কেউ বুঝেই না আর কেউ জানেও না কি কারনে এতো কষ্ট জনজীবনে বা গরীব মানুষদের। দেশ স্বাধীন করে মুক্তিযোদ্বাদের প্রজন্ম এতো কষ্ট করবে তা যেমন কেউ কল্পনারও করে নাই তেমনি স্বাধীন বাংলাদেশে কেউ বা কাউকে এতো কষ্ট করতে হবে তাও বোধ হয় গরীব মানুষ কখনো ভাবে নাই। 


বর্তমানে অনেক অনেক ইন্টারনেট ব্যাংক আছে যেখানে এখন আর টাকা পয়সা সহজে মার যায় না। ”ইন্টারনেট ব্যাংক বলতে সেন্ড এবং রিসিভ মানি বাই এন ইমেইল”- যেমন নেটেলার, ওয়েবমানি, পারফেক্টমানি পাইওনিয়ার, বিটকয়েণ বা আরো কিছু ব্যাংকিং যেখানে আমার উপার্জিত অর্থ টা আমার ইমেইল একাউন্টে শো করবে এবং আমি ছাড়া অন্য কেউ দেখতে পারবে না। যদি বাংলাদেশ ব্যাংকে আমার অর্থ জমা থাকে তাহলে বাংলাদেশ সরকার বা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চাইলেই সেটা দেখতে পারবে বা নড়াচড়াও করতে পারবে যদি প্রাইভেট  ব্যাংকে থাকে তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিজস্ব ক্ষমতাবলে যে কোন সময় যে কোন ব্যাংকের সফটওয়্যারে ঢুকে দেখতে পারবে যে গ্রাহকের একাউন্ট এ কতো টাকা জমা আছে। কিন্তু যদি ইন্টারনেটে ব্যাংকে কোন অর্থ জমা থাকে সেটা ইমেইলের একাউন্ট যার সে ছাড়া অণ্য কেউ জানতে পারবে না। যখন সে উইথড্র করবে তখন উইথড্র কৃত এমাউন্ট টা শুধু জানা যাবে - তার বেশী আর কিছু জানা যাবে না। ইহুদি ,খ্রীষ্টানরা খুবই সত এবং তাদের সততার কারনে তারা তাদের ইন্টারনেটের  ব্যাংকের ইনফরমেশন কখনো পাবলিকলি শো করবে না। 

আমাকে যদি এই বিশ্বে কখনো কেউ ডলার রিসিভ করার কথা বলে তাহলে প্রথমেই  আমি বলবো যে আমাকে যেনো পেপাল ডট কম, পাইওনিয়ার ডট কম, নেটেলার ডট কম বা ওয়েবমানি ডট কম বা পারফেক্ট মানি ডট কম এই ধরনের ইন্টারনেট পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ডলার দেয়। পেপাল ডট কমের সাথে ব্যাংক এশিয়ার যোগাযোগ থাকার কারনে পেপালের ডলার কে এখন সহজেই ক্যাশ করা যায় বা পেমেন্ট বিডি থেকেও ক্যাশ করা যায় বা আরো কিছু বৈধ উপায় আছে লাইক মালয়েশিয়ার সরকারি ব্যাংক ব্যবহার করে তোলা যায় বা সাইপ্রাসের একাউন্টে পাইওনিযার ব্যবহার করেও উইথড্র করা যায়। কয়েকদিন আগে পাইওনিয়ার যখন বন্ধ ছিলো তখন অনেকেই তাদের একাউন্টে থাকা অর্থ এর ব্যাপারে আশংকা প্রকাশ করে বলেছিলো- তাদের একাউন্টে ১০০০০- ১০০০০০ ডলার জমা আছে যেখানে তাদের পাইওনিয়ারের প্রতি আস্থা এবং নির্ভরশীলতা টের পাওয়া যায় যে অর্থ কোন বাংলাদেশী একাউন্টে জমা থাকলে বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক সেটা জানতে পারতো এবং প্রয়োজনে লিুকইড কারেন্সী হিসাবে খরচও করতে পারতো। কিন্তু রিজার্ব চুরি বা ব্যাংক ডাকাতি বা হ্যাকার দের অত্যাচারের কারনে ফ্রি ল্যান্সার রা তাদের ইন্টারনেট ব্যাংকেই ডলার রাখতে খুশী হয়। কারন সে ক্ষেত্রে কাউকে জানাতে হয় না যে আমার নামে কতো ডলার জমা আছে এবং একই সাথে আমার যখণ যতো মনে চায় আমি তুলে আনতে পারি বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স হিসাবে এবং মন মতো এনে খরচ ও করতে পারি। এইটাকেই ফ্রি ল্যান্সার দের স্বাধীনতা বলা হয়- যাক বলা হয় উপার্জন থাকলে খরচের স্বাধীনতা। বাংলাদেশে পার হেড/আই পি না থাকার কারনে বিশ্বের অনেক কোম্পানী ই এখানে ব্যবসা করার আগ্রহ প্রকাশ করে না যাদের ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা পেমেন্ট গেটওয়ে আছে। আবার অনেকে শুরু করে দিয়েছে যেমন নেটেলার, পারফেক্ট মানি, ওয়েবমানি, স্ক্রিল। তো আপনি যদি এগুলোর ব্যাপারে পুরোপুরি ধারনা রেখে থাকেন তাহলে আপনার জণ্য বাংলাদেশের ব্যাংক গুলোর হ্যাকার এবং তাদের চোখ রাঙানি পুরোপুরি উপেক্ষা করা যাবে এবং এ ক্ষেত্রে আমি শুদু ইহুদি খ্রষ্টিান মালিকানাধীন ব্যাংকই ব্যবহার করতে বলি যেমন পাইওনিয়ার - আমিরেকিানদের কোম্পানী আর সবাই জানে আমেরিকা খ্রীষ্টান দেশ। এই সকল ইন্টারনেট ব্যাংক তেকে আপনি সহজেই পেমেন্ট বাংলাদেশের যে কোন বালো মানের প্রাইভেট ব্যাংকে আইনা জমা করতে পারবেন।  পাইওনিয়ার একাউন্ট ওপেন করলে আপনি সহজেই ব্যাংক অফ আমেরিকারও একটি একাউন্টের অনার হয়ে যাবেন এবং আপনার জমে থাকা অর্থ  আমেরিকান সরকার বা পাইওনিয়ার ও চাইলে লিকুইড কারেন্সী হিসাবে তাদের জরুরী প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে- আপনার জমানো ডলারের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকবে। বাংলাদেশ সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি আর জন জীবনের অসহ্য যন্ত্রনা আর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি আর বাংলাদেশ ব্যাংকের চোখ রাঙানি উপক্ষো করে নিজের জমানো অর্থ- ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং করে জমানো অর্থ পাইওনিয়ারের মতো সকল ধরনের ইন্টারনেট ব্যাংকে সহজে সেভ করে রাখা যায়  তবে অবশ্যই আপনাকে ১০০% সিকিউরিটি মেইনটেইন করতে হবে কারন ইন্টারনেটে আনলিমিটেড নাম্বার হ্যাকার রা বসবাস করে থাকে। 

বাংলাদেশে সকল ধরনের ফ্রি ল্রান্সারদের কাছে সবচেয়ে পপুলার পাইওনিয়ার পেমেন্ট সল্যুশন। 



সামনের দিন গুলোতে পপুলার হবে পেল্যুশন হাইপার ওেয়ালেট পেপাল সল্যুশন।  এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের নিজস্ব কোন পেমেন্ট সল্যুশন তৈরী হয় নাই যাতে সব ধরনের পেমেন্ট একটা গেটওয়ে তে রিসিভ করা যাবে। জানিনা সামনে পরবর্তী নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হইলে সকল ধরনের পেমেন্ট সুবিধা বাংলাদেশে চালু হয় কিনা যাতে যে কেউ বিশ্বের যে কান জায়গা থেকে যে কারো কাছ থেকে যে কোন পেমেন্ট মেথডে তার প্রাপ্ত অর্থ এবং ড্রাফট, সার্টিফিকেট মানি বা সব কিছু্ই একসাথে রিসিভ করা যাবে। 

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl