Saturday, September 11, 2021

Youtube Audience Retention or Youtube Retention & Channel Infraction বলতে কি বোঝেণ?

দুই ধরনের ক্যালকুলেশন আছে এইখানে। একটা আপনার ইউটিউব ভিডিও এর ভিজিটর রা কোথায় বা কোন মিনিটে আইসা থাইমা গেছে সেটা এবং তার গড় এভারেজ আর আরেকটা আছে: আপনার ইউটিউব ভিডিও এর ভিজিটর রা কতোক্ষন আপনার ভিডিও দেখতাছে সেটার একটা গড় এভারেজ। সবচেয়ে বড় ব্যাপার এই ধরনের প্রশ্ন গুলো গুগুলে খুব ভালো করে দেয়া থাকে উত্তর। মনে করেন: আপনি একটি ভিডিও মেক করেছেন ১০ মিনিট। এখন ভিডিও টা ১০ জন মানুষ দেখলো ৫ মিনিট করে। তাহলে সেটার অডিয়েন্স রিটেনশন হবে ৫ মিনিট। মানে ভিডিও লেন্থ বা দৈর্ঘ্য, কতোজান মানুষ দেখলো আর কতোক্ষন দেখলো: এই ০৩ টার গড় এভারেজ কে বলা হয় অডিয়েন্স রিটেনশন। আপনার যদি অডিণেস্ রিটেনশন ভালো হয়: তাহলে আপনার ভিডিও ফিচার বা সাজেষ্টেড সেকসানে যাবার সম্ভাবনা থাকে বেশী এই ধরনের ব্যাপার গুলো ইংরেজী ভাষার ভিডিও গুলোর ক্ষেত্রে বেশী ঘটে। অন্যান্য  ভাষাতেও থাকে তবে সেই ভাষার যে শব্দগুলো গুগল জানে বা  এ আই জানে সেগুলোও শুধু ব্যবহৃত হবে। তো আপনার যদি পছন্দের ইংরেজী ভিডিও  থাকে তাহলে আপনি সেখানে অডিয়েন্স রিটেনশন ঘটাতে পারেণ সহজেই। ইভেণ যদি আপনি ভিডিও প্লে বাটনে চাপ দিয়ে  ছেড়েও দিয়ে রাখেন তাহলে ও অডিয়েন্স রিটেনশন এড হবে।


Example:

You make a video= 10 minutes length.

500 peoples watch that video for 5 minutes each one.

Total videos watch time= 5 x 500 minutes = 2500 minutes

Videos watch time on hand= 500 peoples x 10 minutes= 5000 minutes

Peoples watched= 2500 minutes

 Total retention = 2500 minutes

On Average 2500/500= 5 minutes






ভিডিও যদি ফিচার হয় বা সাজেষ্টেড সেকসানে এড হয় তাহলে আপনি মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউজ পাবেন সারা বিশ্ব থেকে এবং হাজার হাজার ডলার ও পাবেন । তাই বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে আপনি সব সময়ই চাইবেন কমন শব্দগুলো ব্যবহার করার জন্য। তাতে আপনার ভিডিও বাংলা এলাকাতে বাংলা ভাষা ভাষীদের কাছে ফিচার হবার সম্ভাবনা বেশী থাকবে । একজন ইউটিউবারের সারাজীবনের স্বপ্ন থাকে সারা বিশ্বে একটি ভিডিওতে ফিচার হবার জন্য। আর একবার ফিচার হতে পারলে আপনার সাবস্ক্রাইভার, ভিউজ এবং অডিয়েন্স রিটেনশন এর জন্য লাইফ টাইম আর ভাবতে হবে না। ইউটিউবিং টা সারা বিশ্বের জন্য। এইখানে আলাদা ভাবে কোন নিয়ম নাই। বাংলাদেশে যেটা হয় দেখলাম: একটা ভিডিও মেক করার পরে একটি ভারচুয়াল কলিং হয় যেখানে অনেক সময় ইউটিউবের এলগরিদম বুঝতে পারে না যে কোথা থেকে আসলো ভিউজটি। ফলে সেখানে ইনফ্রাকশন বা শাস্তি বা পানিশমেন্ট সেট আপ হয় যা এনালাইজ করে বের না করা পর্যন্ত কোন ধরনের অন হোল্ড থাকলে যেমন ছুটবে না: তেমনি সেই চ্যানেল ইনফ্রাকশন না ছোটা পর্যন্ত ভালো উপার্জন ও করতে পারবে না। আবার দীর্ঘক্ষন বা দীর্ঘদিন ইনফ্রাকশন থাকার কোরনে যে কোন সময়ে যে কোন চ্যানেল ইউটিউবের এমেএলপি এর কারনে ডিলেটও হয়ে যাইতে পারে। 





তাছাড়া আরো একটি বড় কারন: বাংলাদেশী ইউটিউব সাবস্ক্রাইভ হ্যাকার রা ইউটিউবরে লোকাল ডাটাবেজে ঢুকে অনেক ধরনের নিজস্ব এলগরিদম সেট আপ করার চেষ্টা করে যার ফলে লোকাল হাই ভল্যুউম ইউটিউব ছ্যানেল গুলোকে সহজেই ইউটিউব এর এরগরিদম ইনফ্রাকশনে ফেলে দিতে পারে বা অলরেডী ইনফ্রাকটেড। যেমণ: ১০০কে ভিুউজ এ ১ ডলার আসে: এইটা একটা ইনফ্রাকশন। ইউটিউব এলগরিদম কারো সেট করা এলগরিদেম চলে না: সাময়িক ভাবে কোন কিছু দেখাতে পারে কিন্তু সবার শেষে এইটা ১০০% সত রেজাল্ট দেখাবে। বাংলাদেমের হাই ভল্যুউম চ্যানেলগুলোর ইনফ্রাকশন বা অন হোল্ডের আরো একটি বড় সড় কারন: ইউটিউব থেকে আসা বড় সড় কোন আপডেট বাংলাদেশের হ্যাকার রা যদি সাবমেরিকন ক্যাবলে আটকে রাখে তাহলেও সেটা যে কোন Youtuber এর স্বপ্ন ভংগের কারন হতে পারে।   



ইউটিউব কোন ধরনের বট/অটোবট ভিউজ এলাও করে না কখনোই: কোন ভাবেই এলাও করবে না। তাই কোন ধরনের ইউটিউব বট এ্যাপও রান করা যাবে না যদি বাংলাদেশের ইউটিউবার রা তাদের ইনফ্রাকশন ছুটাতে চায়। কয়েক বছর আগে: একজন কল দিয়ে বলেছিলো যে: বাংলাদেশের বুহল প্রচলিত মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্কস এর কিছু প্রোগ্রামার রা তাকে একটি স্পেশিয়াল  বট মেক করে দিছে যা দিয়ে সে ইউটিউবে বট ভিউজ রান করে: আমি উত্তর দিয়েছিলাম সেটা অপরাধ: রাষ্ট্রীয় ভাবে অপরাধ। এখন আর তারা কল দিলে বা নম্বর চাইলে রিসিভও করি না: কথাও বলতে চাই না: কারন আমি কোন অপরাধের আগে পিছে থাকতে চাই না। ইন্টারনেটে কোন মানুষের ক্ষতি করতে চাওয়াটাই একটা অপরাধ। তাই বাংলাদেশী ইউটিউবার দের ভিডিও গুলোতে তাদের অুনমতি ছাড়া বট ভিউজ বা ভিউজ দেয়াটা একটি হ্যাকার টাইপের অপরাধ। 



সোশাল মিডিয়া এক্সচেন্জ থেকে আপনি চ্যানেল মালিকের অনুমতি ছাড়া যদি ভিউজ দেন তাহলে সেটা বট ভিউজ হিসাবে কাউন্ট হবে ইজিলি কারন চ্যানেল মালিক যে সকল আইপি তে থাকেন বা যে সকল প্রোগ্রামিং বা ইন্টারনেট ওয়েভসাইট সফটওয়্যার ব্যবহার করেন সেগুলোর কোনটার সাথে সেগুলোর কোনটার সাথেই যারা ইনটেনশনাল ভিউজ দেন তাদের কুকিজ বা ডাটাগত কোন মিল পাওয়া যাবে না। ফলে এপিআই এলগরিদম সহজেই সেগুলোকে বট বিউজ হিসাবে কাউন্ট করবে এবং একইসাথে রিয়াল মানুষের ভিজিট থাকার (এসএমই ওয়েবসাইট থেকে) কারনে ভিউজ নম্বরও কমবে না। কারো অনুমতি ছাড়া কারো চ্যানেলে ভিউজ বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করা টা এক ধরনের এলগরিদম ব্রেক। আর এলগরিদম ব্রেক করাটা ও ইনফ্রাকশন। লিখিত অনুমতি থাকতে হবে যেনো ইন্টারনেটের বট প্রোগ্রাম গুলো বুজতে পারে যে: আপনি কাউকে কাজটা দিয়েছেন যেমন : মার্কেটপ্লেস ওয়েবসিইট যেখানে কাজের ডিষ্ট্রিবিউজশন হয় সেখান থেকে চাইলে ইন্টারনেটের বট সহজে ডাটাবেজের তথ্য কালেকশন করতে পারে আর তথ্যগত মিল থাকলে আপনি কখনো ইনফ্রাকশন খাবেন না।  এপিআই প্যানেল থেকে যদি আপনি প্রচুর পরিমানে ভিউজ কিনে থাকেন যেটা চ্যানেলে গড় এভারেজ রিয়াল (যারা সারচ করে চ্যানেলে আসে বা ভিডিও দেখে) ভিউজ এর থেকে একেবারে আকাশ পাতাল তফাত হযে যায় তাহলেও সেই চ্যানেলে ইনফ্রাকশন খেয়ে যাবে। তাই যদি প্যানেল থেকে কখনো ভিউজ কিনতে হয় মনিটাইজেশন থাকলে : তাহলে সটো খবুই অল্প পরিমানে কিনবেন যেনো সেটা রিয়াল ভিউজ এর সাথে একটা সমানুপাতিক অনুপাত রাথে লাইক ১:১০। 

 

[ইউটিউব থেকে কোন টাকা আসে না। ইউটিউব থেকে ডলার উপার্জন করা যায়। হয়তো ভবিষ্যতে বিটকয়েণ উপার্জন করবে মনিটাইজার রা।  আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইভ করতে ভুলবেন না। পুরো লেখাটি আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা এবং ইউটিউব যখন চালু হয় তখনকার সময়ের ষ্টাডি বা ফোরাম ডিসকাসনের উপরে ভিত্তি করে লেখা।]


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl

 



Thursday, September 9, 2021

Youtube Algorithm Breaking Metrics worked with my one video.

 



উপরের ছবিতে ক্লিক করলে দেখতে পারবেন যে: ইউটিউব পার ১০০০ এড ভিউজ এর জন্য ১৮ ডলার পর্যন্ত পে করে থাকে তবে প্রত্যেকটা এড ভ্যালিড আইপি থেকে দেখা থাকতে হবে। কিন্তু বেসিকালি ১০০০ এড ভিউজ এ কতো পাওয়া যায়: সেরকম একটি  ক্যালকুলেশন বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোরবিস দিয়েছে: আপনি যখন ভ্যালিড আইপি থেকে কারো ইউটিউব ভিডিও দেখবেন তখন এডও দেখতে পারবেন। কিন্তু হ্যাকারদের অত্যাচারে বিশ্বের বিভিন্ন খানে আইপি এড্রস ওকে থাকে না। তাছাড়া যারা ভিপিএন ব্যবসা করে তাদের কে তো আর আলাদা করে আইপি এড্রস বরাদ্দ দেয় না। তারা বিশ্বের বিভিন্ন গাধা টাইপের এলাকাতে  আইসা তাদের ভিপিএন সপটওয়্যার প্রমোট করে এবং সেখানকার আইপি এড্রস গুলো হ্যাকারদের সহযোগিতায় অন্যান্য দেশে বিক্রি করে থাকে। তাই বৈধ ভাবে যে ওয়েবসাইট ওপেন হয় সেখানে ভিপিএন ব্যবহার করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ (সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড) করা উচিত। বাংলাদেশে যদি হ্যাকার রা আস্তানা না গড়তে পারে তাহলে বাংলাদেশের আইপি গুলে পৃথিবীর সমস্ত ভিপিএন সফটওয়্যার বা হ্যাকার দের কাজে লাগে এরকম খানে ব্যবহৃত হতো না। ইউটিউব এর এড দেখাতে ব্যয় হতো এবং বাংলাদেশী ইউটিউবার রা লক্ষ লক্ষ ডলার উপার্জন করতে পারতো। 






ইউটিউবে ভালো উপার্জন করতে গেলে আপনাকে খুব ভালো করে ইউটিউবের এলগরিদম বুঝতে হবে : আমি ইউটিউবের পেমেন্ট পাওয়ার প্রমান সংক্রান্ত একটি ভিডিও বোধ করি ফোরবিস এর হিসাব অনুযায়ী এলগরিদম ব্রেক করতে পেরেছি। ফোরিবস বলতাছে: হ্যাকার সংক্রান্ত এলাকাগুলোতে ভালো মানুষের কাছে ভিডিও প্রমোট করে প্রতি ১০০০ ভিউজ এ পাওয়া যাবে: ৩ থেকে ৫ ডলার যেখান থেকে আপনাকে ৪৫% ইউটিউব কে দিয়ে দিতে হবে। আমি একটি ভিডিওতে পেয়েছি ২২৭২ ভিউজ এবং সেখানে আমার ৫৫% এসেছে ৭.৭৭ ডলার। তার সাথে আরো যদি ৪৫% এড করি (যা ইউটিউব কেটে নিয়ে যায়) তাহলে সেটা হলো : ৬.৩৫ ডলার। তাহলে মোট ২৩০০ ভিউজ এর জন্য পাইলাম: (১৪.১২ ডলার) ৬.১৩ ফার পার ১০০০। এলগরিদম যদি কোন এলাকাতে ব্রেকিং হয় তাহলে সেই এলাকার অনেক চ্যানেল র‌্যাংকে আসতে সাহায্য করে।



                                                           


যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারনেট সেবা প্রদানের পাশাপাশি আইপি এড্রস  প্রদান করে থাকে এবং স্পেসিফিক আইপি এড্রসের সাথে স্পেসিফিক তারও দিয়ে থাকে বলে দেখেছি। যদি বাংলাদেশের প্রত্যেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটি করে আইপি এড্রস থাকে যা যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক এসাইনড : তাহলেই বাংলাদেশীরা ইউটিউবে বাজিমাত করবে কারন ইউটিউবে যারা এড দেয় তারা আইপি থেকে এড ভিউজ কে কাউন্ট করে গুগল এডওয়ার্ডস বা ইউটিউব এড প্রোগ্রামের মাধ্যমে: এইটা আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলা। 




যদি আমার আর্টিকেলটি ভালো লাগে তাহলে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে দেখতে বা শেয়ার করতে এবং লাইক কমেন্ট ও সর্বোপরি  সাবস্ক্রাইভ করতে ভুলবেন না। 


Wednesday, September 8, 2021

সাহস করে সম্পন্ন করে ফেলাইলাম কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম।




যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই সারা বিশ্বের বন্ধু। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নেয়া উদ্যোগে এবং বিতরনে সারা বিশ্বের প্রান্তিক জনগোষ্টী  ভোগ করলো এই মর্ডানা টিকা নেয়া পদ্বতি (বাংলাদেশে গ্রাম এলাকায় বসে ভোগ করলাম এই টিকা) । গবেষকদের গবেষনা অনুযায়ী প্রায় ৯২ শতাংশ কার্যকরী মর্ডানাট টিকার দুটো ডোজ নেয়া আমি আজকে সম্পন্ন করলাম। বাংলাদেশ সরকার ঘোষনা করেছিলো: কেউ যদি টিকা না নেয় তাহলে সে বাসা থেকে বের হতে পারবে না বা দেশ থেকে বের হতে পারবে না। দুটো টিকা নেবার পরেই দেয়া হয় কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহনকারীদের আইডি কার্ড এবং সার্টিফিকেট। 



 



আমি প্রথমে সরকারের সুরক্ষা ওয়েবসেইটে নিবন্ধন করি। মোবাইলে এসএমএস আসতে দেরী হওয়াতে স্থানীয় পর্যায়ে শুরু হওয়া ওয়ার্ড পর্যায়ের নিবন্ধনে অংশগ্রহন করি এবং ভ্যাকসিনের টিকা নেই। প্রথম দিন একটু ভীড় থাকলে ও দ্বিতীয় ডোজের দিন আজকে তেমন ভীঢ় টের পেলাম না। প্রথম দিন শরীর একটু সামান্য জ্বর আসলেও আজকে তেমন কিছু হয় নাই।  



 


আমি মনে করি সকলকেই এইটা নিয়ে রাখতে হবে কারন জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তিক বাংলাদেশের সকল সুবিধা ভোগ করতে হলে বা দেশ থেকে বাহিরে যাবার প্রয়োজন হলে আপনাকে অতি অবশ্যই এই টিকার কার্ড  দেখাতে হবে আর নয়তো দেখা যাবে  সারা দেশের জন্য  বরাদ্দকৃত কোন সুবিধা যেমন ভোগ করা যাবে না তেমনি মনে চাইলে ই ফ্লাই ও করা যাবে না। কারন বর্তমানে কোভিড সিচুয়েশনে বিশ্বের কোন দেশই পেনডেমিক ডিজিজ একসপোর্ট করতে চাইবে না। সবচেয়ে ভালো হয় : যারা কোভিড টিকা নিয়েছে তাদের ডাটাবেজ দেশের সকল বন্দরে কানেকটেড করে রাখলে যেনো যে কারো জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে ভেরিফাই করা যায় যে: সে টিকা নিয়েছে নাকি নেয় নাই। বলা তো যায় না কার শরীরে কিভাবে এইটা দানা বেধে থাকবে আর কোথায় এইটা ট্রান্সফার হবে। কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন টিকা নেয়া থাকলে একটা সুরক্ষা নেয়া থাকে।





খুবই ভালো লেগেছে জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তিক এই কার্যক্রম। জাতীয় পরিচয়পত্র আইন কার্যকরে আরো একধাপ এগোলো বাংলাদেশ। 

Vaccinated: #masudbcl                      #masudbclvaccinated                    #modernavaccinated

Keyeord research tool.


 

Tuesday, September 7, 2021

ইউটিউবের ট্রাফিক বলতে কি বুঝেন?

 



সহজ ভাষাতে ট্রাফিক বলতে বোঝানো হয় : রোড ঘাটে গাড়িদের ভীড়। ইউটিউবে ট্রাফিক বলতে গুগল বুঝে যে: একটি ইউটিউবের প্লেলিষ্ট থেকে একজন ভিজিটর যখন একটি ভিডিও তে প্রবেশ করে তখন সেটাকে একটি ট্রাফিক বলা হয়। কিন্তু ইন্টারনেটের এর ভাষাতে ট্রাফিকের সংজ্ঞা ভিন্ন। 




এসইও এর ভাষাতে ট্রাফিক বলতে বোঝানো হয় : একটি সুনির্দিষ্ট আইপি এড্রস   থেকে (Example: https://192.168.0.1 [IP location/IP Trace = Radius]) যে কোন একটি ওয়েবসাইটে ঢুকে কিছুক্ষন অবস্থান করা বা ভিজিট করাকে একটি আইপি ট্রাফিক  হিসাবে কাউন্ট করা হয়।  


বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আছে ইন্টারনেটে: 
  • এসইও ট্রাফিক
  • ইন্টারনেট ট্রাফিক
  • ওয়েবসাইট ট্রাফিক
আপনি যদি অনেক অনেক দামী ভিপিএন কাকেটেড করে ক্রমাগত ইউটিউব ভিজিট করতে থাকেন তাহলে ইউটিউব এর ডাটাবেজ বা সারভার আপনার ম্যাক এড্রস কে আইন্টেফাই করবে এবং দেখবে পরীক্ষা করে যে: আপনি ইনটেনশনালি ভ্যাপারটা করতাছেন কিনা: এইটা শুধূ ইউটিউবরে বৈশিষ্ট্র না: এইটা যে কোন আমেরিকান কোম্পানীর বৈশিষ্ট্য: ডুপ্রিকেসির কোন দাম এইখানে নাই। কিন্তু বিভিন্ন প্রকারের দামী দামী ভিপিএন কানেকটেড করে যদি আলাদা আলাদা করে ইউটিউব চ্যাণেল ভিজিট করে থাকনে তাহলে ইউটিউব সেই আইপি এড্রস গুগলোকে কাউন্ট করবে বা আইপি ভিজিট হিসাবে কাউন্ট করবে। একজন মানুষ যদি ক্রমাগত এ্কটি ভিপিএন থেক ে১০/১২ টা ইউটিউব চ্যানেল ভিজিট করে থাকে তাহলে সেই ভিপিএন এর রেকর্ড টা ১০/১২ টা চ্যানেলে একই থাকবে। আবার আপনি যদি বিভিন্ন ইউটিউব ছ্যানেলে বিভিন্ন ভিপিএন সফটওয়্যারের বিভিন্ন আইপি বা একই ভিপিএন সফটওয়্যারের বিভিন্ন আইপি দ্বারা ভিজিট করেন তহারে সেটার ও রেকর্ড থাকবে। এক কতায় ইউটিউব আপনার আইপি এর সব কিছুই ট্রাক করে দেকবে কোথাও কোন সদ্হে জনক আছে কিনা: আর ইনটেনশনাল যে কোন কিছুই সন্দেহ জনক। যেমন : ধরেন ১০/১২ হাজার লোক পরিকল্পনা করে একটি ইউটিউব ছ্যানেল ভিপিএন দ্বার ভিজিট করলো তখন সেখান কার রেডিয়াস চেক করে দেখা হবে যে: ঠিক কতো দূরত্ব থেকে পরিকল্পনা করে হাজার হাজার লোক একটি ইউটিউব চ্যানেল ভিজিট করে দেখতাছে। তখন সেই চ্যানেলটাকে ব্যান্ড করতে দিব্ধাবোধ করবে না। এখন সেভারেল ভিপিএন সেভারেল মোবাইল ডিভাইস এবং সেভারেল আইপি কালেকশন কোথায় হয় বলতে পারেন: নিশ্চিত ভাবে সেটা সোশাল মিডিয়া এক্সচেন্জ (যেমন: লাইক ফর লাইক)। আপ িকি জানেন কেনো ইউটিউব আপনাকে ট্রাক করবে : কারন ভিপিএন দ্বারা ইউটিউব ব্যাবহার করার কোন দরকার নাই। ইউটিউব সবখানেই ওপেন। লাইক ফর লাইক ওয়েবসাইটে যদি আপনি সেভারেল ভিপিএন সেভারেল আইপি এবং সেভারেল মোবাইল ডিভাইস এবং সেভারেল লোকেশন থেকে ভিজট করেন তাহলে ইউটিউব সেগুলোকে ট্রাক করবে : রেডিয়াস চেক করে দেখবেেএবং যদি সাবস্ক্রাইভ করে আনসাবস্ক্রাইভ করে দেন তাহলে স্বভাবতই ইউটিউব সেটার গতিবিধি বুঝতে না পেরে সেই চ্যানেলটাকে স্পেশিয়াল ভ্যালু দেবে। কারন শুধূ ইউটিউব না যে কোন আমেরিাকন য়েভসাইট আপনি যখন ক্ষতি করতে যাইবনে তখন সেটার ভ্যালু বাড়িয়ে দেবে। কারন আমেরিকান রা বিশ্বাস করে: যীশূ খ্রীষ্টের দুনিয়ার নাম হইতাছে ইন্টারনেট।  


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl

Sunday, September 5, 2021

যে কুত্তা তাকে কুত্তাই থাকতে দিন।জোড় করে মানুষ বানানোর দরকার নাই।

আমাদের মনের চোখে অনেকেই অনেক সময় কুত্তার রুপ ধারন করে যেমন: থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরনের মাধ্যমে দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে কুত্তা বা কুত্তার বাচ্চা হিসাবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। আপনি হয়তো বিশ্বাসই করবেন না: বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মনের মানুষদের আখড়া : শাহবাগের ছেলে বা মেয়েরা আদতেই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে কুত্তা বা কুত্তার বাচ্চা হিসাবে দেখেছে। তারা কোন ভাবেই তাদেরকে মানুষ হিসাবে দেখতে পারে নাই। যখন এই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কথা বলে উঠেছে তখণ তারা দেখেছে কুত্তা বা কুত্তার বাচ্চা কথা বলতাছে যা একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু বিবেকের চোখ যদি একবার কুত্তা হিসাবে দেখে তাহলে তো আর সেটা কোনদিন সারবে না: একমাত্র মৃত্যু বরন করার মাধ্যমে সেটার সমাধান: মানে যারা মানুষের মনের চোখে বা বিবেকের চোখে কুত্তা হয়ে যায় তাদের জন্য মরনই ভালো। শুনেছিলাম এই ধরনের লোকজনেরা সকলে একসাথে আত্মহত্যা করবে যাদের বাংলাদেশে বৈধ নাগরিকত্ব নাই এবং তাদের ভোটাধিকারও  নাই। শালারা আজো জায়গা বা বেজায়গাতে কুত্তা র রুপ ধারন করে বসবাস করতাছে। 


অনেক ছোট বেলাতে অনেক মুসলিম হাদিসের বই পড়েছি। যেমন: 

বোখারী শরীফ, তারগিব, তিরমিজী, মেশকাত এবং আরো কিছু। হাদিসে কুদসীর ও একটি বই পড়েছি। বেহেশতী জেওর এবং বেহেশতীর কুন্জীও পড়েছি। মাধ্যমেক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে আরবী সাহিত্য ও পড়েছি স্কুলের ক্লাসে ৬ষ্ট ও ৭ম শ্রেনীতে পাঠ্য বই হিসাবে। আমার বাবা মা ও অনেক ধার্মিক মুসলিম ধর্মে। আরো অনেক বই ও পড়েছি: সময় পাস করার জন্য বা জানার জন্য। তো একখানে একটি হাদিসে পড়েছিলাম : কেউ যদি দুনিয়াতে থেকে সৃষ্টিকর্তাকে অবিশ্বাস করে তবে মহান রাব্বুল আলামিন সেই ব্যক্তি কে সেই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রানীদের রুপ ধারন করে (নাস্তিকতার শাস্তি)। তো বাংলাদেশে নিকৃষ্ট প্রানীদের মধ্যে অনেকে কুকুরকে গন্য করে যেমন: রাস্তার কুকুর আগাড়ে বা বাগাড়ে যাতায়াত করে: ডাষ্টবিনে চলাফেরা করে: গায়ে ময়লা লেগে থাকে এবং আরো অনেক সময় আরো অনেক নোংরা খানে যাতায়াত করে ফলে তাদেরকে নোংরা বলা হয়। 



দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) ছিলো সবচেয়ে বড় নাস্তিক। বাংলায় খেয়ে , বাংলায় পড়ে , বাংলা ভাষা উচ্চারন করে, বাংলা মায়ের গর্ভে জন্মগ্রহন করে , বাংলার আলো বাতাস গায়ে মেখে বড় হয়ে উঠে সমুদ্র পাড়ের বাংলার বিরোীধতা করেছিলো ১৯৭১ এ যারা আজো ভুল করে কখনো প্রকাশ্য দিবালোকে নিজেদেরকে জয় বাংলার মুক্তিযোদ্বা বলতে পারে না। আমরা সকলেই জানি দেশপ্রেম ঈমানের অংগ। আর আপনি যদি ঈমানের কোন একটি স্তরে বসবাস না করতে পারেন তাহলে আপনি হয়ে যাবেন নাস্তিক। অনেকে বলে ঈমানের স্তর আছে ৭০ টি আবার অনেকে বলে এইটাতে আছে ৭৭টি। তো এর মধ্যে সবগুলো স্তর ই আপনার দুনিয়াতে জীবন থাকাকালীন এবং দুনিয়াতে অবস্থানকালীন বা মাটিতে অবস্থার উপরে ডিপেন্ডস। এখন আপনি যদি মাটিকে ভালোনা বাসেন এবং বাংলার মাটির বিরোধিতা করে থাকেন তাহলে তো আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে নাস্তিক আর সেই হিসাবে আপনি সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ মোতাবেক বা সেই হাদিস মোতাবেক কুত্তা বা সবচেয়ে বড় কুত্তা। কারন মাটিতে অবস্থান না করলে মানে জীবিত না থাকরে তো আর আপনি মানুষ থাকলেন না এবং সেখানে যদি মারা যান তাহলে তো আর ঈমান বজায় রাখার কথা আসলো না। তাই জীবিতাবস্থায় সবচেয়ে বড় ঈমানের স্তর মানুষের জন্য: দেশপ্রেম।  


আরো যারা বাংলার বিরোধীতা করে বা আজো বাংলায় দাড়িয়ে শতরু দেশ প্রতিষ্টার স্বপ্ন দেখে : শতরু দেশকে ভালোবাসে তারা সবাই দেশদ্রোহী ও নাস্তিক  কারন তারা দেশবিরোধী। আর বাংলাদেশের আইন মোতাবকে যারা দেশদ্রোহী : দেশদ্রোহীতার সাথে জড়িত তার সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। বাংলাদেশের চতুর্দিকে ভারত : ভারতেরও রাষ্ট্রভাষা বাংলা। বাংলায় কথা বলি আমরা সবাই। সেই হিসাবে আপনি যদি বাংলার বিরোীধতাকারী হোন তাহলে আপনার জেনে রাখা দরকার যে: এইটা আগে পূর্ব বাংলা ছিলো যার ম্যাপ এখনো গুগলে বর্তমান।  






তাই এই দেশে স্থানে বেস্থানে : আগাড়ে বাগাড়ে চিপা চাপাতে যখনি আপনি কাউকে মনের চোখে বা বিবেকের চোখে কুত্তা হিসাবে দেখবেন তখনি তার জাতীয়তা ভেরিফাই করবেন এবং জয় বাংলা বলতে বলবেন। যদি কারো জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে আর এই রকম কুত্তার মতো আচরন করে তাহলে বুঝবেন তারা দেশদ্রোহী (দেশপ্রেম ঈমানের অংগ)। তাই তাকে কুত্তার মতো দেখাইতাছে। যাকে মহান রাব্বুল আলামিন কুত্তার মতো রপ দিতাছে আপনি যদি তাকে মানুষ বানাতে যান বা মানুষ বানানোর চেষ্টা করেন তাহলে বুঝতে হবে যে: আপনি সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্বে চলে যাইতাছেন আর তার বিরুদ্বে বা উনার বিরুদ্বে গেলে ঈমান ধরে রাখার কোন উপায় নাই। দেশদ্রোহীদের শাস্তি হিসাবে মহান রাব্বুল আলামিন এই কুত্তা রুপ ধারন করেছেন। আপনার কাজ হবে তাকে এভয়েড করে চলা। আপনি আপনার মনুষ্যত্বের গুনে তাকে মানুষ বানাতে যাবেন না। কারন তাতে করে আপনার নিজের জীবনের ক্ষতি হতে পারে : হয়তো কাল হাশরের দিনে আপনি ক্ষমা পাবেন না দেশের মুক্তিযোদ্বা বা মুক্তিযোদ্বা প্রজন্মের বদ দোয়া থেকে। তাই যে কুত্তা তাকে কুত্তাই থাকতে দিন। সারা দেশের সবাই জানে বাংলাদেশের কুত্তার জায়গা হলো রাস্তা। তাই কুত্তা রুপী মানুষ বা কুত্তার বাচ্চাগুলো কে রাস্তাতেই নিক্ষেপ করবেন। তারা রাস্তাতেই বসবাস করবে এইটাই বাংলায় দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে কুত্তা বা কুত্তার বাচ্চা দের নিয়তি। 



মহান রাব্বুল আলামিন যে পশু কুকর বানয়েছেণ যেমন অ্যালসেশিয়ান বা বাংলায় যাকে আমরা বলি বাঘা তাকে আদর করুন, ভালোবাসুন কারন সেও সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। তাকে আপনি যাই শিক্ষা দেবেন সে তাই করবে। ঘর পাহারা দিতে দিবেন সে ঘর পাহারা দিবে। শিকারী বানাবেন সে শিকারে সাহায্য করবে। কিন্তু যে সকল দেশবিরোধী (ফাসি) বা দেশবিরোধীদের প্রজন্ম (ফাসি) কুত্তা রুপ ধারন করে তাকে কখনোই মানুস বানানোর চেষ্টা করবেন না। এতে আমি মনে করি সৃষ্টিকর্তা তার বিধান ঠিক রাখার জন্য বড় সড় ভূমিকম্প  দিয়ে দিতে পারেন। 


ব্লগার : জয় বাংলা :  masudbcl

Do not forget me to subscribe on youtube:

Saturday, September 4, 2021

একটি ছোট গল্প: দেশবিরোধী (ফাসি) দের খতর নাক চক্রান্ত: একজন সুবোধ বালকের অপরিসীম কষ্টের কথা।

 ঘটনাটি রুপকার্থে বা ছোট গল্প হিসাবে লেখা। আশা করি কেউ বাস্তবের সাথে মেলানোর চেষ্টা করবেন না। 



১৯৯০ সালের গনজাগরন পরেই এই দেশের দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) বুঝতে পারে যে: তাদের অচিরেই ফাসি হবে। তাই কে কিভাবে বাচবে তার একটা হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। কাগজ পত্র ছাড়াই নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক দাবী কর া বা ভোটার তালিকায় নাম না থাকা সত্বেও দেশের অনেক উচ্চ পজিশনে উঠে যাওয়া : এরকম অনেক ব্যাপার ষ্যাপার ঘটতে শুরু করে। ১৯৯০ সালে গনজাগরনে যারা জয় বাংলা বলেছিলো তারাই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) টার্গেটে পড়ে যায়। তারা টার্গেট অনুযায়ী অনেক কে হত্যা গুম করে যেনো তাদের প্রধান পরিচয় প্রকাশ না পায় বা গনজাগরনের গন আন্দোলনের মুখে ফাসি না হয়ে যায়। তখনকার দিনের জয় বাংলা প্রজন্ম ও বলে : শেষ দেখা দেখে নিবে। ফাসি তোদেরকে দিবোই। সেখানেও একটি সূক্ষ চক্রান্ত (তাৎক্ষিনিক ভাবে দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে হত্যা করা যায় নাই) থেকে যায় যা সফলতায় আসতে আসতে প্রায় ২৩ বছর সময় লেগে যায়। ২০১৩ সালে শাহবাগ গনজাগরনের আগে আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এর মাধ্যমে ফাসির রায় কার্যকর করারর জন্য একটি গনসমর্থন এর প্রয়োজন হয় এবং সফলতার সহিত দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে ফাসিও দেয়া যায়। 



১৯৯০ সালে একজন মুক্তিযোদ্বার সন্তানের বয়স ছিলো ১০ বছর। সেও স্বজ্ঞানে স্বইচ্ছায় স্বাধীনতা যুদ্ব বিরোধী দের ফাসির দাবীতে উত্তাল হওয়া বাংলাদেশের  90 এর গন   আন্দোলনে শরীখ হয় এবং জয় বাংলা স্লোগান দেয়। তখণ কিছু মহিলা তাকে মিছিলের মাঝে দেখে রাখে এবং পর পর ২ টা আক্রমন করে । ১) একজন কুখ্যাত রাজাকারের (ফাসি) গ্যাং এর মাধ্যমে দেখতে শুনতে অনেক সুন্দর ছেলেটাকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত  শারিরীক ভাবে লাঞ্চনা বা বলাৎকারের (সবাই জানে দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) গুখোর বা গুয়াখোর বা পোলাখোর) স্বীকার করে (৪-১০ বার) [ছেলেটি এখন পর্যন্ত ১০+ বারের ও বেশী তার রক্ত  পরীক্ষা করেছে এবং সৌভাগ্যক্রমে তার কোন রোগ বালাই হয় নাই]। সম্প্রতি সেই কুখ্যাত রাজাকার আদালতে স্বীকারোক্তি ও দিয়েছে যে: সে ১৯৯০-৯২ সালে তার নির্দেশে একটি ছেলেকে বলাৎকারের ঘোষনা দেয়  এবং যারা বলাৎকার করেছে তাদেরকে সহ আদালত পুরুষ নির্যাতন আইনে ফাসির দন্ডাদেশ প্রদান করে। যারা বলাৎকার করে তারা সবাই প্রাপ্তবয়ষ্ক ছিলো। 



দ্বিতয়ি আরেকটি ভযাবহ গ্যানজাম করে যার মানে হইতাছে: প্রায় ১৩১০ কোটি টাকা নেয় বিগত ৩০ বছরে  একটি মেয়েকে পরিকল্পনা করে শতরু দেশের ভেতর থেকে টেষ্টটিউব হিসাবে বানিয়ে নিয়ে আসে। সে আদতে কোন মানুষ না। সেই মেয়েকে এবং দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) কে ভরন পোষন করার জণ্য ছেলেটার বাসা থেকে পরিকল্পনা করে একটি খতর নাক চক্রান্ত: দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি)  প্রায় ১৩১০ কোটি টাকা আদায় করে সেই পরিবারের কাছ থেকে- ঢাকা শহরে ৩০ টি বাড়ী এবং প্রায় ৩০০ টি ফ্লাট তারা দখলে ওরেখেছে বিগত ৩০ বছর যাবত। ছেলেটি যে রকম মেয়ে পছন্দ করে সে রকম করে তাদের দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) প্রজন্ম একটি ল্যাবরেটরিতে টেষ্টটিউব হিসাবে বানানো হয়েছিলো (টেষ্টটিউব প্রজন্মের ক্যারেকটারিসটিকস গুলো নিজে নিজে সেট আপ করা যায় যেমন: মেয়েটার চোখ কেমন হবে বা লম্বা কেমন হবে বা গায়ের রং কেমন হবে) এই জাতীয়। তাকে এই পুরো দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি)  ভোগ করে কিন্তু তার কোন বাচ্চা হয় নাই কখনো কারন যে সকল ইনগ্রিডিয়েন্টস ব্যবহার করা হয় সেখানে মেয়েটার গর্ভ ধারন ক্ষমতা কে নষ্ট করে রাখা হয়। সৌভাগ্যক্রমে  জানা যায়: মেয়েটি পেনডেমিক ভাইরাসে আক্রান্ত এবং তার পালক বাবা ও কয়েকদিন আগে মারা গেছে পেনডেমিক ভাইরাসে। তাই ছেলেটি এখণ অনেক টাই সুস্থ বোধ করে দীর্ঘ  ৩০-৩২ বছর জয় বাংলার পক্ষে যুদ্ব করার পরে। মেয়েটিকে শতরু দেশ থেকে পরিকল্পনা করে টেষ্টটিউব বানানো হয়েছিলো: জয় বাংলা বলা সেই ছোট ছেলেটাকে ঘায়েল করার জন্য: বাংগালীর ভালোবাসাতে পারে নাই। 



একই সময় সেই খতর নাক চক্রান্ত কারী গ্ররপ : একই এলাকাতে আরো বড় একটি চক্রান্ত গড়ে তোলে যাকে বলা হয়: ব্যাংক হ্যাকার গ্ররপ। তারা সুদীর্ঘ  ৩০ বছর যাবত বাংলাদেশ সরকারের নানাবিধ  ব্যাংক এর অর্থ  চুরি চামারি করে যাইতাছে। ইদানিং তাদের চুরি চামারি হয় ডিজিটালি। দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি)  এমন একটি প্রজন্ম যারা কখনোই বাংলাদেশের কোন উপকার করতে পারবে না কারন তারা এই দেশে বেচেই আছে বাংলাদেশের ক।সতি করার জন্য। আর তাদের সেই চক্রান্তে নাস্তানাবুদ জয় বাংলার গরীভ দুখী প্রজন্ম কে বলতে গেলে সাহায্য সহযোগতিা করে আসতাছে খ্রীষ্টান বা খ্যাথলিক খ্রীষ্টান প্রজন্মই।যেমন আজো বাংলাদেশ প্রতিদিন সাহায্য পায় ডলার ইউরো বা পাউন্ডের। হয়তো সেগুলো গরীব মানুষের হাত পর্যন্ত যায় না: কিন্তু সেই সকল গরীব মানুষেরাই আজো টিকিয়ে রেখেছে জয় বাংলাকে আর দুই হাতে অঘাধে ভিক্ষা দেবার মাধ্যমে।  



সবচেয়ে বড় যে জেতা হয় তা হলো: ছেলেটি ১৯৯২ সালে একটি অপরুপ সুন্দরী মেয়ের সাথে শারিরীক সম্পর্ক করতে স্বক্ষম হয়। আর ঠিক সেই সময় সে অন্য আরেকটি অপরুপ সুন্দরী মেয়ের ভালোবাসাতে লিপ্ত হয়।একটি ফরসা সুন্দরী ফরেনার ব্লন্ডি মেয়ের সাথে ছেলেটার সম্পর্ক হয় ১৯৯২ সালে : ০৬ বছর মনে মনে যোগাযোগ থাকার পরে বা সম্পর্ক থাকার পরে : ১৯৯৮ সালে একবার মিলন হয় প্রেমিক- প্রেমিকার [মুক্তিযোদ্বাদের সামনে এবং একবার মিলনেই তারা জয় বাংলার দোয়ায় একটি সন্তান পেয়ে যায় সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে ভালোবাসার মারফত : ভালোবাসার এক ফাকই যথেষ্ট: সেখানে সন্তানের বয়স আজকে 21/22 বছর] প্রকৃত ভালোবাসায় ঈশ্বর থাকে। মুক্তিযোদ্বাদের পরিকল্পনাতেই ২জন একসাথে হয়েছিলো। পুরো কষ্টটাই স্বার্থক হয় যখন সে পিতা হিসাবে নিজেকে এই বিশ্বে আত্মপ্রকাশ করতে স্বক্ষম হয়। 


খতরনাক চক্রান্ত কারীরা আজো একটিভ। তাদের বাধা দেবার কারনে সেই ছেলেটি তার সন্তানের মার সাথে মিলিত হয়ে সংসার করতে স্বক্ষম হয় নি। ফরেন থেকে যতো অর্থ পয়সা পাঠানো হয়েছে তার সবই দেশবিরোধী (ফাসি), দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) রা ভোগ করেছে এবং আজো ভোগ করে যাইতাছে। শেষে ছেলেটি তার প্রেমিকাকে অপর একটি ভালো প্রেমিকের হাতে ন্যাস্ত করে যেখানে সে অলরেডী আরো সন্তানের মা  হয়ে গেছে। আর প্রথম সন্তানও  তড়ি ঘড়ি আকারে তার বাবার নির্দেশে  বিয়ে করে সন্তানের মা হয়ে নিজেকে মানুষ প্রমান করে ফেলেছে।  এখণ সেই মুক্তিযোদ্বা সহ সকলের একটিই আশা: এই খতরনাক চক্রান্তকারীদের সবারই ফাসি হবে এবং বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্টিত হবে। 


জয় বাংলায় একটি অসীম শক্তি আছে। জয় বাংলা বলতে পারাতেও একটি ভালোবাসা আছে বা ভালোবাসা কাজ করে। ছেলেটির প্রথম যে প্রেমিকা সে আজো ছেলেটির সুখবর শোনার জন্য অপেক্ষা করে এবং আজো হয়তো রোজকার ভোরের মতোই দোয়া করে রাজধানী ঢাকা শহরের কোথাও না কোথাও বসে। ছেলেটিও বলে: জয় বাংলা বলতে পারাটাই এক বিরাট সুখবর।  এখনো বেচে আছে: এখনো জয় বাংলা বলতে পারে। হয়তো জয় বাংলা বাচাবেও অনেকদিন। অনেক হিসাব কিতাব বাকী এখনো।মুক্তিযোদ্বারা দোয়া করলে সবই হয়। বাংলাদেশ টা মুক্তিযোদ্বাদের হবে: সেই আশাতেই বেচে আছে জয় বাংলার  অনেকে। 


#masudbcl

Friday, September 3, 2021

একটি ছোট গল্প: আপনার ছেলেটি কি কুড়িয়ে পাওয়া?

 

ছোট গল্প: আপনার ছেলেটি কি কুড়িয়ে পাওয়া? 


একজন মুক্তিযোদ্বা যুদ্বের পরে বাংলাদেশ সরকারের এবং প্রশাসনের বিসিএস ক্যাডার হিাসবে জয়েণ করেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে (প্রসংগত উল্লেখ থাকে যে: কোন রাজাকার (ফাসি)  বা দেশদ্রোহীে (ফাসি) কে  বাংলাদেশ সরকারে বিসিএস ক্যাডার করা হয় নাই বা কোন ধরনের সরকারি আধাসরকারি এবং সরকারি স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্টানে কোন ধরনের চাকুরী দেয়া হয় নাই।) তো কিছুদনি চাকুরী করার পরে উনাকে প্রেষনে নিয়ে আসা হয় একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্টানে। সেখান থেকে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে উনাকে একটি আমেরিকান দেশে প্রেরন করা হয়। যুদ্বের পর পর ই বহু ধরনের রাজাকার (ফাসি) বা দেশদ্রোহীরা (ফাসি) বাংলার আনাচে কানাচে লুকিয়ে পড়ে। তার মধ্যে সবচেয়ে সাংঘাতিক গ্ররপখানি একটি রেলওয়ে সুইপার কোয়ার্টারে লুকিয়ে পড়ে এবং নীরবে বসবাস করতে থাকে। একসময় তাদের স্বরুপ উন্মোচিত হয়ে পড়ে এবং তারা ধরা পড়ে যায়। ফাসি দিতে যাইয়া দেখা যায় তাদের মধ্যে অনেকেই টেষ্টটিউব এবং এক ধরনের স্পেশিয়াল টেষ্টটিউব যাদেরকে ফাসি দিলে তারা নাস্তিক হবার দরুন কুত্তার মতো আকার ধারন করে। সিদ্বান্ত হয় : তাদেরকে হয় গলা কর্তন করে বা প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হবে। ভয়ে তারা সারা দেশের বিভিন্ন ধরনের মুক্তিযোদ্বাদের বিপদে ফালানো শুরু করে এবং পরিশেষে জানা যায় যে: তারা সরাসরি শয়তানের পুজারী বা শয়তানের সাথে কানেকটেড। যুদ্ব চলাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে সেই সকল টেষ্টটিউব রাজাকারে রা শয়তানের কথা শুনতে পারতো বা পারে এবং সেই কারনে শয়তানকেও রাজাকার (ফাসি) বা দেশদ্রোহী (Murder) হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। 


তো সেই মুক্তিযোদ্বা প্রেষনে কাজ শেষ করে দেশে আসেন এবং সাথে উনার সন্তানকে নিয়ে আসেন পারিবারিক সিদ্বান্ত অনুযায়ী। সন্তানের বয়স ৫/৬ বছর। সন্তানের মা বাংলাদেশ সরকারের বিসিএস ক্যাডার (তবে ফরেনার) নির্দেশে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য আরেক দেশে কর্মরত থাকেন। তো মুক্তিযোদ্বার সাথে গোল্ডেন কালারের ব্লন্ডি [পরবর্তীতে পরিকল্পনা মাফিক এখন পর্যন্ত 200 কালার চেন্জিং ইনজেকশন :মেলানিন পুশ করা হয় তার শরীরে) সন্তান  (সন্তানের মা অপূর্ব সুন্দরী ফরেনার হোয়াইট)  দেখে শয়তানের প্রজন্ম (জানেন ই তো শালার পোলাখোর বা গুয়াখোর) সেই মুক্তিযোদ্বাকে জিজ্ঞাসা করেন যে: সন্তান আসলো কোথা থেকে : তখন সেই মুক্তিযোদ্বা বলেণ যে: কুড়িয়ে পেয়েছেন কারন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে: এইধরনের রাজাকার গুলোকে (ফাসি) জাতে কুত্তা (ফাসি) যাদেরকে বাংলায় কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) বা কুত্তা রাজাকার (ফাসি) বলা হয়। এরা যদি মুক্তিযোদ্বার সন্তানের বা পৃথিবীতে সন্তান আসার প্রকৃত রহস্য জানতে পারে তাহলে হয়তো বা বাংলার প্রজন্মের এবং সারা বিশ্বের প্রজন্মের ক্ষতি হতে পারে তাছাড়া সেই মুক্তিযোদ্বা ও ফরেনার কোঠাতে মুক্তিযোদ্বা। যুদ্বের আগে আগে উনারা বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে আসেন ফরেনার কোঠাতে এবং অন্যান্য ফরেনারদের সাথে কমান্ডো হিসাবে জয় বাংলায় : বাংলার পক্ষে যুদ্ব করেন। তাই বাংগালীরা ভালোবেসে রেখে দেন এবং চলে যেতে বাধা দেন। কিন্তু উনাদের একটি স্বপ্ন ছিলো: তাদের ভালোবাসার সন্তান ফরেনে জন্ম হবে যেনো সন্তানের ফরেনার নাগরিকত্ব থাকে। 


তো সেই মুক্তিযোদ্বা ফরেনে থাকাবস্থায় একদিন কাজ শেষে বাড়ী ফেরার পথে দেখেন যে: উনার স্ত্রী যিনি সন্তান সম্ভবা ছিলেন তিনি প্রচন্ড প্রসব বেদনায় অস্থির হয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে পার্শবর্তী একটি পরিস্কার মাঠে সন্তানকে প্রস্রব করেছন এবং সন্তান সমেত সেইখানে শুয়ে আছেন মাঠে। তখন তাড়াতাড়ি করে উনি নবজাতক সন্তান আর তার মাকে (উনার স্ত্রী) নিয়ে একটি হাসপাতালে আসেন যেটা ছিলো জেল হাসপাতাল (তবে সাধারন মানুষেরা ও ব্যবহার করতে পারতো) এবং সেখানে নবজাতকের জ্ঞান ফিরে এবং জানালা দিয়ে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রথম চিৎকার করে উঠে। 


তো সেই মুক্তিযোদ্বা এই দেশের দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চা (ফাসি) যারা কিনা মানুষের জাত বলে গন্য না বর্তমানে (যারা মানুষরুপী দেশদ্রোহী (ফাসি) তাদের কে ফাসির কাষ্টে ঝুলানো হয়েছে বা তারা ফাসির অপেক্ষাতে আছে) তাদের প্রশ্ন শুনে বলেছেণ যে: আমার সন্তানকে কুড়িয়ে পাইছি আমি রাস্তার পাশে মাঠের ভেতরে। 


তাতেই এই দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) আজ অবধি সেই সন্তানকে এবং তার বাবাকে অত্যাচার করে যাইতাছে একজন গোল্ডেন  বল্ডি কে বাংলাদেশে পরিচয় দেবার জন্য : আদতে তাদের মূল ধান্ধা এই ফরেনার পরিবারকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ভোগ করার জন্য কিংবা সেই সন্তানের মাকে ভোগ করার জন্য্। থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সবাই একটা ব্যাপারে জানতে পারে যে: সৃষ্টিকর্তার সিদ্বান্ত জাতে কুত্তা কখনো কোন মানুষকে ভোগ করতে পারবে না। তারা সাধারনত টেষ্টটিউব কে ভোগ করতে পারবে। পরে সৌভাগ্যক্রমে জানা যায় যে: সেই সকল দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) কে বাংলাদেশ সেনাবাহিণী জাতীয় পরচিয়পত্র দেয় নাই এবং তাদের নাগরিকত্ব নাই এবং তাদের ভোটাধিকারও নাই। আর অমানষিক অত্যাচারে থানা শাহবাগে অনুষ্টিত গনজাগরনের নির্দেশে তাদের কোন েসাশাল মিডিয়া প্রোফাইল ও নাই।  মায়ের পেটে জন্মায় নাই দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এই সকল কে ধারারো দা দিয়ে কুপিয়ে বা জবাই করে হত্যা করে ফেলানো উচিত কারন তাদের সাথে যোগাযোগ আছে শয়তানের (যে কিনা সবচেয়ে বড় রাজাকারের দোসর ছিলো)। 


ঘটনাক্রমে জানা যায়: যার নাম ছিলো রাজাকার (ফাসি) তাকে এই কুড়িয়ে পাওয়া সন্তান ই তার ৬ বছর বয়সে ফরেনে একটি জায়গায় দাড়িয়ে  যীশু খ্রীষ্টের ক্ষমতায়  নিজ হাতে গুলি করে হত্যা করে (.24 Caliver Rivolver) আদতে যে কিনা একজন নাস্তিক জ্বীন ছিলো এবং তারা ১৩ ভাই ছিলো যাদের ০৭ ভাইকে পরে বাংলাদেশের ভেতরে জবাই করে কুত্তাকে দিয়ে তাদের নাড়ি ভুড়ি খাওয়ানো হয় এবং বাকী ০৫ জনকে হত্যা করা হয়: আফগানিস্তান - পা কিস্তান যুদ্ব চলকাালীন সময়ে। এক কথায় বলা যায়: যার নাম রাজাকার (ফাসি) সে আসলে আর জীবিত নাই এবং নাস্তিক জ্বীন হবার কারনে সে আর কোনদিন মানুষ হিসাবে পৃথিবীতে আসতে পারবে না। এখন বাকী আছে তালিকাগ্রস্থ রাজাকারদের (ফাসি) কার্যকর করা: ২৬শে মার্চ ২০১৯ সালে তাদরে তালিকা মোতাবেক গ্রেফতার করার কথা  এবং জেল হাজতে প্রেরন করার কথা কিন্তু সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে পেনডেমিক সিচুয়েশন শুরু। খুব শীঘ্রি হয়তো পেনডেমিক সিচুয়েশন  শেষ হবে এবং তালিকাগ্রস্থ রাজাকার (ফাসি) দের ফাসির কার্যক্রম শুরু হবে। 


জয় বাংলা বলে গল্পখানি শেষ করলাম। দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) মুক্ত বিশ্ব চাই। মুক্তিযোদ্বারা বীরি হিসাবে খেতাব প্রাপ্ত এবং কাদের সন্তানেরা ও বীর। এই দেশ শুধূমাত্র মুক্তিযোদ্বা এবং তাদের সন্তানদের হাতেই নিরাপদ। কোন মানুষ রুপী কুত্তা বা কোন মানুষরূপী হায়েনার কাছে না যাদের জয় বাংলা স্লোগান শুনলেই ডরে মুতে দেবার অবস্থা হয়।


আজো যখনি দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) যখন সেই মুক্তিযোদ্বাকে জিজ্ঞাসা করে কটাক্ষ করে যে আপনার সন্তান কি কুড়িয়ে পাওয়া: তখন সেই মুক্তিযোদ্বা মনে মনে উত্তর দেয়: আমার সন্তানখানি আমার ভালোবাসায় সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আমার প্রেমিকার গর্ভেই জন্ম যাকে প্রকৃত মানুষ বলা যায় আর মুখ দিয়ে বলে যে: হ্যা হ্যা আমার সন্তানকে আমি প্রথম কুড়িয়েই পেয়েছি এবং কুড়িয়ে পাওয়া। কারন যে সকল দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) জিজ্ঞাসা করে তাদরে জন্ম এক ধরনের বিশেষ প্রকারের টেষ্ট টিউবে এবং সেটা শতরু দেশের সীমানাতে এবং সেই কুপ্রজন্ম যেনো তার ভালোবাসার সন্তানকে না ধরতে পারে সেজন্য নীরবে তিনি তাদের কাছ থেকে ঘাত প্রতিঘাত এবং  আঘাত ও সহ্য করে যাইতাছেন। সেই ফরেনার মুক্তিযোদ্বা শুনেছিলেণ: বাংগালী বলে আদমের জাত না: ২৫ লক্ষ হাজার কোটি বছর [আর্য জাতি বলে গন্য] আগে  তাদের কে একজন পয়গম্বর সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে এক টিলা মাটি থেকে মৌখিক ভাবে পুনরায় তৈরী করেছেন (যাকে সৃষ্টিকর্তার সুন্নত [সেই পয়গম্বর সৃষ্টিকর্তার এই সুন্নত {সৃষ্টিকর্তা একখন্ড মাটি থেকে ই হয়রত আদম (আ:) এবং হযরত হাওওয়া (আ:) কে তৈরী করেছিলেন} খানি পালন করতে চেয়েছিলেন] হিসাবে আখ্যা যায়)। আদমের জাত হলে হয়তো মুক্তিযুদ্বভিত্তিক স্বাধীন বাংলাদেশে সকল মুক্তিযোদ্বাদের মতো উনারও  এতো অপমান সহ্য করতে হতো না [ সৃষ্টিকর্তার এই সুন্নতখানি [ সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ভালোবাসেন : আপনিও যদি সকল মানুষকে ভালোবাসেন তাহলে আপনি সৃষ্টিকর্তার সুনন্ত পালন করলেন] হয়তো মনোকষ্ট বা মনো দু:খ থেকে বলেছেন বোধ করি] - অনেক আগেই দালাল (ফাসি), রাজাকার (ফাসি), কুত্তার বাচ্চার (ফাসি) এবং তাদের প্রজন্ম (ফাসি) দুনিয়া থেকে শেষ হয়ে যাইতো।  


এইটা একটি ছোট গল্প। কেউ কারো সাথে মেলানোর চেষ্টা করবেন না। 


Freelancer/Blogger/Youtuber: #masudbcl






Keywords Suggestions Tool.

 


Thursday, September 2, 2021

Subscribers নিয়ে একদল হ্যাকারের চ্যালেন্জ। এখন উতরে যাবার অপেক্ষায় আছি।

 







সাবস্ক্রাইভার নিয়ে একদল হ্যাকারের অত্যাচারে পড়েছি আমি প্রায় বিগত চার বছর যাবত।  মনিটাইজেশণ পাইতে ১০০০ সাবস্ক্রাইভার লাগে। আমি মনিটাইজেশণ পাবারপ রে তারা আবার চ্যালেন্জ করে। এখণ আমি চ্যালেন্ড উতরে যাবার অপেক্ষাতে আছি। কারন মনিটাইজেশণ পাবার পরে আমার টোটাল সাবস এখন 877। আর অলটোটাল সাবস নম্বর 2400 এর কাছাকাছি। যেহেতু হ্যাকার রা নাস্তিক এবং অশিক্ষিত সেহেতু তাদেরকে আর বোঝানো যাইতাচে না যে: ১০০০ সাবস এর পরে আমার কাছে ১৪০০ সাবস আছে বেশী(শুকরিয়া)। তাই আলাদা করে বিগত ০৮ মাসে যে: 877 সাবস পাইছি সেখানে 1000 সাবস এড করার অপেক্ষাতে আছি। 




উপরের ছবিতে আপনি আমার যে ষ্ট্যাটস দেখতাছেন: সেখানে আমি বলতে পারি বাংলাদেশের অনেক ইউটিউবার বিভ্রান্তির মধ্যে আছে। কারন আমি হ্যাশট্যাগ মেথড ব্যবহার পেয়েছি 63000 ভিউজ= 182 ডলার। আপনি এখান থেকে 20000 ভিউজ বাদ দিতে পারেন কারন পেইড ভিউজ এর সাথে ইউটিউব কখনো এডভারটাইজার দের এড দেখায় না। সেহতেু এইখানে আপনি বলতে পারেন 43000 ভিউজ এ এসছে : 182 ডলার। গড়ে প্রতি হাজারে 4+ ডলার। আপনি যদি গুগলে সারচ দেন তাহলে দেখতে পারবেন যে: ইউটিউব প্রতি ১০০০ বিউজ এ এই মূহুর্তে 3-5 ডলার পে করতাছে। পেমেন্ট টা আসে আসলে এড ভিউজ থেকে। প্রতি ১০০০ ভিউজ এ ইউটিউব যেখানে যেখানে আইপি পাবে সেখানে এড শো করবে। তাহলে ধারনা করা যায় যে: ইউটিউব প্রতি ১০০০ এ প্রায় ৩০০ আইপি পায় আমাদের দেশে বা আমাদের সাব কন্টিন্টোল জোনে। কারন গুগলের সারচ রেজাল্ট গুলো সাব কন্টিনেন্টাল জোন বেজড এ হয় বা কন্টিনেন্টাল জোন বেজড হয়। এইটা কয়েকদিন আগে ছিলো 6-8 ডলার। একন হয়তো গড়পড়তা রেটিও কমে গেছে। তবে এইটা বলা যায়: যাদের মিনিমাম ১০০০ ভিউজ এ ৪ ডলার নাই তার মনিটাইজেশ একটিভ নাই ১০০% কারন গুগলের সারচ রেজাল্ট তো আর মিথ্যা কথা বলবে না। 



এখণ প্রশ্ন থেকে যায় যাদের ১০০ ভিউজ এ ৩-৫ ডলরা আসতাছে না তারা আসলে কিসের পেমেন্ট পাইতাছে বা যাদের প্রতি ১ লক্ষ ভিউজ এ ১ ডলার আসতাছে তারাই বা কিসের পেমেন্ট পাইতাছে?0হলফ করে না বলতে পারলে ও বা প্রমান সহ না বলতে পারলেও আমার ইন্টারনেট অভিজ্ঞতার (২০ বছর) উপরে ভিত্তি করে বলতে পারি যে: আপনার যারা ১ লক্ষ ভিউজ এ ১ ডলার পাইতাছেন তারা আসলে ইমপ্রেশন এর পেমেন্ট পাইতাছেন। ইউটিউব এ বাংলাদেশে একমাত্র সোশাল ভিডিও মিডিয়া যারা ইমপ্রেশন এর উপরে ভিত্তি করে পেমেন্ট দেয় বোধ করি। যেহেতু এডভারটাইজার দের এড আইপি এর উপরে ভিত্তি করে দেখায় বা কাউন্ট হয় আর যেহেতু বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি ব্রডব্যান্ড ইউজার আছে এবং প্রত্যেকের যদি একটি করে আইপি থাকতো তাহলে একটা এড ২ কোটি আইপি তে ভিজিট হতো এবং ২কোটি সেন্টস জেনারেট করতো যার ৫৫% মনিটাইজার এর থাকতো আর ৪৫% ইউটিউব নিয়ে যাইতো। তাহলে দেখা যাক : 

২কোটি সেন্টস= 20000000/100 সেন্টস (কারন ১০০ সেন্টস ১ ডলার) = 200000/২লক্ষ ডলার যার ৫৫% ১১০০০০ ডলার থাকতো এট এ টাইমে। তাহলে ঘাপলা গুলো কোথায় রয়ে গেছে বা আছে : কারন এডওয়ার্ডস এ যারা ক্যাম্পেইন সেট আপ করে তাদের কে তো দেখলাম ০.০১ সেন্ট এর ণীচে এড সেট আপ করতে পারে নাইউটিউবে যদি আপনি এড দেখাতে চান তাহলে আপনাকে দুইটা মেথডের সাহায্য নিতে হবে

সারা দেশে ১কোটি ব্রডব্যান্ড ইউজার বাসা বাড়িতে থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তাদের প্রত্যেকে যদি ১টি করে আইপি থাকতো তাহলে যে কোন ভিডিও দেখার সাথে সাথেই সেই ইউটিউব চ্যানেলের নামে ১টি সেন্ট এড হয়ে যাইতো। যদি ১০ ভাগের ১ ভাগ ও ধরা হইেো তাহলেও 0.001 সেন্ট এড হইতো। তাহলে দেখেন ১টি ভিডিও যেটা পপুলার হইতাছে সেটা যদি ১কোটি বার ও দেখা হয় আর যদি 0.001 হিসাবে ও পেমেন্ট  পায়া যাইতো: তাহলেও প্রায়10000 ডলার আসতো যার ৫৫% হিসাবে একজন মনিটাইজার প্রায় ৫৫০০ ডলার পাইতো্ তো একজন ইউটিউবার এর যদি দিনে ৫৫০০ ডররা উপার্জন থাকতো তাহরে সে কতো বড় রোক হইেো আর তার দ্বারা বাংলাদেশের সমাজ বা সংসারের বা পাড়া প্রতিবেশী /ভাই ব্রাদার/সিষ্টার গাফ্রেদের কতো উপকার হতো? সারা বিশ্বের সবখানে প্রতে্যকটি ব্রডব্যান্ড কানেকশনের সাথে ১টি করে আইপি এড্রস থাকে তাহলে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত আইপি গুলো কোথায় বা কারা ব্যবহার করতাছে। হ্যাকারদের ব্যবহারের জন্য তো কোন আইপি যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনে আনা হয় নাই। আপামর জনসাধারনের ব্যবহারের জন্যই তো আনা হয়েছে।  



বাংলাদেশের ইন্টারনেট কে বাংলাদেশের হ্যাকার মুক্ত করে ডাইনামিক আইপি সিষ্টেম থেকে বের করে যদি ষ্ট্রাটিক আইপি সিষ্টেমে রাখা যাইতো তাহলে এদেশের মনিটাইজার রা বোধ করি চাদে যাইয়া বারবিকিউ করতো। আমার ভিউজ কম আসলেও আমি হ্যাপি বা সুখী। কিন্তু আমার সাবস হ্যাকার দের আক্রমনে ক্রমাগত উঠানামা করে। তারা একবার আইসা সাবস করে (সংঘবদ্ব চক্র) আবার আরকেবার যাইয়া আনবাসব করে। আমার ইউটিউব চ্যানেলটি আমি বাংলাদেশের যে কোন সর্ব্বোচ্চ কোর্টের পরিচিত আইনজীবিদের নির্দেশে তৈরী করেছি- টোটাল এসইও টা দেকানোর জন্য/ বাংলাদেশের সকল শ্রেনীর মানুষের ইউটিউব নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করার জন্য।  তাই যারাই আমার চ্যানেলের পরিকল্পিত ভাবে সাবস উঠা নামা  বা যে কোন ধরনের ক্ষতি করে যাইতাছেন তদের কে একদিন কারাগারে এবং যদি হ্যাকিং এর সাথে জড়িত থাকেন তাহলে নিশ্চিত থাকেন ফাসির কাষ্টে ঝূলতে হবে : তাই আগে থেকেই সতর্ক করে দিলাম। 

Translate