Tuesday, August 18, 2020

সমাজ সব মানুষের জন্য প্রযোজ্য না। আইন এবং ধর্ম সকলের জন্য প্রযোজ্য।

আমাদের দেশে (বাংলাদেশে) যদি কেউ সমাজ পালন না করে তাহলে তাকে অনেক সময় অসামাজিক বলে গালি গালাজ করা হয়। কিন্তু যদি কেউ আইন পালন না করে বা ধর্ম পালন না করে তাহলে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহী বা ধর্মদ্রোহী বলে গালি গালাজ করা হয়। ধর্ম পালন না করার নাম হইতাছে ধর্মীয় নাস্তিকতা- যার কোন ভ্যালু বাংলাদেশে নাই। বাংলাদেশ মুসলিম দেশ। আপনাকে অবশ্যই স্বীকৃত ধর্ম পালন করে থাকতে হবে বা বসবাস করতে হবে- যেমন মুসলিম, খ্রীষ্টান বা ই্হুদি বা হিন্দু ধর্ম। মুসলিম ধর্ম প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ। ৫ শতাংশ মানুষ হিন্দু এবং ১ শতাংশ বা তার চেয়েও কম শতাংশ মানুষ খ্রীষ্টান ধর্ম পালন করে থাকে।  আর আইন হইতাছে অবশ্য পালনীয় বা অবশ্য কর্তব্য বিষয়। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যে আইন আছে সে আইন মোতাবেক আপনাকে বাংলাদেশে বসবাস করতে হবে এবং যিদি দেখেন কোথাও আইন ভংগ হয়েছে বা হইতাছে তাহলে আপনাকে অবশ্যই তা সংশ্লিষ্ট পুলিশ বা থানাকে অবহিত করতে হবে। যদি আপনি সেটা পালন না করেন তাহলে আপনি আইন কে অমান্য করলেন। বিশেষ করে জনপ্রতিনিধিদের অন্যতম প্রধান দ্বায়িত্ব হইতাছে কোথায় কোথায় আইন ভংগ হইতাছে তা সাথে সাথে র‌্যাব বা পুলিশকে জানানো- যদি আপনি না জানান বা না জানিয়ে থাকেন তাহলে আপনি সরাসরি আইন কে অমান্য করলেণ বা ভংগ করলেন। 


২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনে (শুনেছি) আছে- ৭১ এর ঘাতক, দালাল বা রাজাকারেরা অপরাধী- তাদের সবাইকে সংশ্লিষ্ট থানা বা আদালতে আত্মসমর্পন করতে বলা হয়েছে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছেও তালিকা আছে কোথায় কোন দেশবিরোধী বসবাস করে? এখন যদি আপনি দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার/ঘাতক হয়ে থাকেন তাহলে আপনার উপরে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম নির্দেশ হইতাছে আদালতে আত্মসমর্পন করা- আর যদি আপনি মনে করেন যে আপনি বা আপনারা আদালতে আত্ম সমর্পন করবেন না- সমাজে দাপট দেখাবেন বা সমাজে বাহাদুরি করে বেচে থাকবেন বা ছলে বলে কৌশলে বেচে থাকবেনে তাহলে আপনি আইন অমান্য করলেন এবং একসময় আপনার বিচার হবে যেমন স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরে দেশবেরাধী রাজাকারের ফাসি হয়েছে  এবং নিত্য নিয়মিত ফাসি হইতাছে। যে সকল রাজাকারেরা বাহিরে আছে বা জীবিত আছে আর আপনি যদি আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হয়ে থাকেন এবং আপনি তালিকাগ্রস্থ রাজাকরদের কে গ্রেফতার করে জেলখানাতে না নিয়ে রাখেন - আপনার হাতে অর্ডার বা ক্ষমতা থাকা সত্বেও আপনি যদি তা পালন না করে থাকেন তাহলে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হয়ে আপনিও আইন ভেংগে ফেলাইলেন। আইন মোতাবেক রাজাকারদের একমাত্র এবং শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ জেল- কিন্তু যদি তারা বাহিরে থাকে বা জীবিত থাকে এবং বাংলাদেশ সমাজের সাথে মেলামেশা করে থাকে তাহলে বাংলাদেশ সামজব্যবস্থাও এখানে অপরাধী। এইখানে বাংলাদেশ সমাজব্যবস্থার উচিত হবে রাজাকারদের ধরে বেধে আদালতে পাঠাইয়া দেয়া (যদি আপনার জানা থাকে যে কে বা কারা কারা রাজাকার)। 


সমাজের ব্যাপারে কোন ধর্মীয় বা আইন গত বিশাল বাধ্য বাধকতা নাই। শুধূ বলা আছে আপনাকে সুশীল সমাজের সাথে বসবাস করতে হবে- ভদ্রভাবে বসবাস করতে হবে। অশালীন কোন কথা বলা যাবে না- কাউকে কু প্রস্তাব দেয়া যাবে না- প্রকাশ্য দিবালোকে শিষ্টাচার ভংগ করা যাবে না (আপনার মনে চাইলো আপনি উলংগ হয়ে ঘোরাফেরা শুরু করলেন এই ধরনের কিছু করতে পারবেন না ) এই ধরনের ব্যাপার গুলো যা একজন শিক্ষিত ভদ্র মানুষ অনায়াসে এবং সহজে  এবং সহজাত প্রবনতা বশত মেনে থাকে এবং মেনে ই চলা ফেরা করে থাকে। আর এই দেশে দেশ বিরোধীরা যে কাল্পনিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলো বা জায়গায় জায়গায় যে সকল খারাপ সমাজ ব্যবস্থার কথা শোনা যায় সেগুলো পালন করতে গেলে স্পষ্টত ধর্মীয় বাধা নিষেধ আছে এবং নবীজিদের রেফারেন্স ও আছে যেনো পালন না করা হয়ে থাকে এবং আইনতও নিষেধ আছে যেমন বাংলাদেশে বিডিএসএম (বাইসেক্সুয়ালিটি অনেকখানে আছে) গ্রোথ করতাছে অনেক খানে কিন্তু এই ব্যাপারে মুসলিম, হিন্দু, খ্রীষ্টান এবং ইহুদি ধর্ম থেকে স্পষ্টত নিষেধ আছে আবার আইন মোতাবেক ও নিষেধ আছে যেনো কেউ কোথাও কোন কারনে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত না হানে- ধর্ম ভিত্তিক মুসলিম বাংলাদেশে এই গুলো ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করার মতোন। আবার স্পষ্টত নিষেধ আছে ধর্মে এবং মেডিকেল সায়েন্সে- কুকুরের মতোন সেক্স না করতে এবং কুকর, শিয়াল, মুরগী, গরু, ছাগল এদের সাথে সেক্স না করতে। বিশ্বে অনেক পিক্যুলিয়ার মানুষ আছে যাদের মধ্যে অনেকেই (খবুই কম - কোটিতে ১ জনের মতো) পশুর প্রতি সেক্স অনুভব করে বা করতে ইন্টারেষ্টেড হয় যা ১০০% নিষেধ আছে সকল ধর্মে আর এই সাথে এও বলে দেয়া আছে এই ধরনের পরিবেশ পরিস্থিতি এড়াইয়া চলার জন্য। সম্প্রতি বাংলাদেমে পর্নো সাইট বন্ধ হবার আগে একটা ওয়েবসাইটে দেখেছিলাম যে- যে সকল মানুষ বা মনুষরুপী লোকজন পশু র সাথে সেক্স করার ব্যাপারে চিন্তা করে বা করে তাকে তাদেরকে আলাদো গোত্রে রাখা হয়েছে- তাদেরকে মানুষ হিসাবে অভিহিতি করতে নিষেধ করা আছে। 


যাই হোক সমাজে অনেক খারাপ কাজ হয়ে থাকে- জুয়া খেলা হয়, সুদ ঘুষের লোনাদেনা হয় বা ভেজাল কেনা বেচা হয়ে থাকে কিন্তু সকলকে নিষেধ করার পরেও সকলের মধ্যে অনেকেই খারাপ কাজ করে যাইতাছে। তাই সমাজে যে সকল খারাপ কাজ হয় সেগুলো পালন করার ব্যাপারে আইনগত বা ধর্মীয় আদেশ নাই বা কোথাও লিখা নাই। লেখা আছে আপনি আইনগত ভাবে বৈধ ভাবে বসবাস করবেন এবং ধর্ম মেনে চলবেন। ধর্মীয় আলেম বা মাওলানা ও যদি বা সমজিদের ইমাম ও যদি আপনাকে খারাপ কাজ করতে বলে বা সমাজে খারাপ হইতে বলে আপনাকে অতি অবশ্যই সেই নিষেধ অমান্য করতে হবে আর নয়তো আপনি কাফের, নাস্তিক হয়ে যাইতে পারেন। এও স্পষ্ট বলা আছে- কুফরী কালাম যারা করে তারা কোনদিন ই জান্নাতে যাইতে পারবে না। এ দেশের সমাজে যেহেতু অনেক খারাপ কাজ সংঘটিত হয়ে থাকে সেহেতু আমাকে বা আপনাকে এমন ভাবে চলতে হবে যেনো সমাজে কোন থারাপ কাজের রেকর্ড না থাকে বা খারাপ কাজ করা না হয়ে থাকে আবার আইন এবং ধর্মও যেনো কোথাও অবহলিত না হয় আমার আমার/আপনার জন্য। তাই আমার মতে সমাজে শিষ্টাচার বজায় রাখা জরুরী কিন্তু সমাজ মানাটা কোনো জরুরী বিষয় না। সমাজে ধর্মকে অবহেলা করবো না বা আইন ভাংবো না- এতোটুকুই যথেষ্ট। :)


আমি মানুষ। সমাজবদ্ধ ভাবে বসবাস করবে বলা হয়েছে - সমাজকে মানতে বলা হয় নাই এবং সমাজ মানতে আমি রাজী না। আমি ধর্ম এবং আইন মানতে রাজী এবং মানবো এবং মেনেও চলবো এবং মেনেও চলতাছি যেদনি থেকে বুঝ হয়েছে সেদিন থেকে। 

Monday, August 17, 2020

টেষ্ট টিউব চাইল্ড দের কি সিক্সথ সেন্স (আই কিউ) কাজ করে?

একজন মানুষ আমার কাছে প্রায়শই আসে আর আমাকে জিজ্ঞাসা করে : সে প্রায় ৩০ বছর ধরে যৌনকর্ম করতাছে কিন্তু তার কোন বাচ্চা হয় না- কারন কি? তো আমি তাকে উত্তর দিলাম- তুই  সম্ভবত একজন টেষ্টটিউব চাইল্ড - টেষ্ট টিউব চাইল্ডদেরকে কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা হয় বলে তাদের প্রজনন ক্ষমতা অনেক সময় কাজ করে না। সেই জন্য তাদের বাচ্চা হয় না। এবং এ ব্যাপারে কারো কিছু করার নাই। এইটা উপর ওয়ালার বিষয়। এই খানে সেই পুরুষের বীর্য দিয়েও ল্যাবরেটরি তে কিছু করা যাবে না কারন সে নিজে টেষ্টটিউব চাইল্ড হবার কারনে তার সেই বীর্য ক্ষমতা কোন কাজ করে না অনেকসময়। তবে সে যদি কাউকে একক ভাবে ভালোবেসে থাকে তাহলে তাদের জন্য সমাধান একটাই- তার স্ত্রী যদি মানুষ হয় তাহলে তার স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সাথে যৌন কর্ম করতে হবে এর ফলে সে এক সময় প্রেগন্যান্ট হইতে পারে (যেটা মুসলিম ধর্মে নিষেধ)। আর যদি তার স্ত্রী অন্য কোন পুরুষের সাথে যৌনকর্ম করতে রাজী না হয় তাহলে সেই মেয়েকে অণ্য কারো বীর্য কে সাথে নিয়ে 

ল্যাবরেটরিতে টেষ্টটিউব চাইল্ড তৈরী করে প্রেগন্যান্ট হতে হবে। আসলে মানুষ তো আসে সৃষ্টিকর্তার দরবার থেকে।  মুসলিম ধর্ম পালন করে যতোটুকু বুঝি-  মহাজাগতিক বিশ্ব তৈরী হবার আগেই সৃষ্টিকর্তা তার কুল শব্দের মাধ্যমে মানুষকে লওহে মাহফুজে তৈরী করে রেখেছিলেন। দুনিয়াতে সঠিক বাবা মার মাধ্যমে - সঠিক বাবা মার ভালোবাসার মাধ্যমে তাদেরকে পৃথিবীতে স্বাগতম জানায় সৃষ্টিকর্তার বিশ্ব। বাবার ভালোবাসায় মায়ের গর্ভে জন্ম হয় সন্তানের। ১০ মাস ১০ দিন পেটে ধরে মা সেই সন্তানকে নিয়ে আসেন পৃথিবীতে। তারপরে সেই মায়ের বুকের দুগ্ধ পান করতে হয় টানা ২ বছর। আর এভাবেই সন্তানেরা পৃথিবীতে বড় থেকে বড় হতে থাকে। শুনেছি- পবিত্র কোরানে অনেক ডিটেইলস ভাবে বলে দেয়া আছে কিভাবে মানুষের জন্ম হয় পৃথিবীতে? 

পৃথিবীতে মানুষৈর সাথে মানুষের যে ভালোবাসা বা বন্ধুত্বের সম্পর্ক- সেই ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব শুনেছি লওহে মাহফুজ  থেকে তৈরী হয়েছে কারন সেখানে আমরা একসাথে ছিলাম? তারপরে সৃষ্টিকর্তার মনসায় সঠিক বামা সিলেকসনের মাধ্যমে তিনি আমাদেরকে বাবার ভালোবাসায় মায়ের গর্ভে জন্ম দিয়েছেন এবং সেই সাথে মায়ের সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ১০ মাস ১০ মিন মায়ের গর্ভে অন্ধকার জগতে বসবাস করে এই পৃথিবীতে আমাদের আগমন ঘটেছে আর তারপরে ২ বছর শুধু মায়েরে বুকের দুধ পান করেই আমাদের জীবনের সূচনা হয়েছে। আর যারা টেষ্ট টিউবে জন্মগ্রহন করে তাদেরকে ল্যাবরেটরি থেকে মায়ের গর্ভে প্রতিস্থাপন করা হয়  এবং এইখানে মানুষের হাতের ছোয়া থাকার কারনে অনেক সময় কৃত্রিম উপায়ে জন্মগ্রহন করা বাচ্চার অনেক ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে তার মধ্যে একটা এরকম যে সে  প্রাপ্ত বয়সে বিবাহিত জীবনে বাচ্চা প্রদানে সক্ষম হয় না। তারপরেও সৃষ্টিকর্তার দুনিয়াতেও এরকম থাকতে পারে অনেক বা যদি পৃথিবীতে ক্রমান্বয়ে কেউ থারাপ কাজ করে তাকে তাহলে তাদেরকে বা সেই জুটিকে সৃষ্টিকর্তা বাচ্চা নাও উপহার দিতে পারেন। এরকম ক্ষেত্রে শুনেছি অনেকেই ভারতে সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া এক গবেষনায় দেখা গেছে- সেখানে গরীব মহিলারা  কৃত্রিম উপায়ে টেষ্টটিউব চাইল্ডকে গ্রহন করে- যাদের সন্তান হয় না তাদের বীর্যের মাধ্যমে- প্রথমে স্বামী এবং স্ত্রীর বীর্য কালেকশন করা হয় এবং তারপরে সেইগুলোকে ল্যাবরেটিতে টেষ্টটিউব সেল বানানোর পরে সেইটাকে ভারতীয় গরীব মহিলারা গর্ভে  ধারন করে এবং  এর বিনিময়ে তারা যে পারিশ্যামিক পান তার পরিমান প্রায় মিনিমাম ৩০০০০ ডলারের মতোন। টেষ্ট টিউব চাইল্ডের ব্যাপারে সব ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা কি তা আমি ঠিক জানি না বুঝি না কিন্তু আমি মনে করি এইটা এক ধরনের দুর্ভাগ্য যদি কোন হতভাগা স্বমী স্ত্রী এর বাচ্চা না হয়? 

সৃষ্টিকর্তার সিলেকসনে- বাবার ভালোবাসায় মায়ের গর্ভে জন্ম গ্রহন করাটা এক বিরাট সৌভাগ্যের  ব্যাপার - আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান মনে করি। এই পৃথিবীতে মানুষকে নিয়ে অনেক গবেষণা করা হয় - আছে লাইফ সায়েন্স নামের এক সায়েন্স ও । যেখানে জীবন কে নিয়ে গবেষনা করা হয়। বাংলাদেশে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সিলেট সরকারি বেটেরিনারি কলেজ (বর্তমানে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), সিলেট সরকারি মেডিকেল কলেজ এবং রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ একসময় অন্তর্ভূক্ত ছিলো। আমিও একসময় ছাত্র ছিলাম সিসভেক এর- ফ্যাকাল্টি অফ লাইফ সায়েন্স , শাবিপ্রবি এর। 

আগেকার দিনের মুরব্বীদের বলতে শুনেছি যে- যদি বাচ্চা না হয় তাহলে সেটা সৃষ্টিকর্তার রাজী না হিসাবে ধরে নিয়ে সংসার করে যাওয়া। অনেক সময় শয়তানও মানুষের রুপ ধরার চেষ্টা করে বলে শুনেছি। জীন রাও অনেক সময় অনেক খানে মানুষের রুপ ধরতে পারে।। তাই সঠিক ভাবে মানুষ হিসাবে  জন্ম গ্রহন করা এবং মনুষ্যত্ব নিয়ে বাচতে পারা এক বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। আশা করি পৃথিবীতে মানুষেরই জয় হবে- অমানুষের না। 

রাব্বুল আলামিন কোরানে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন একখানে- “ নিশ্চয়ই তিনি জ্বীন এবং ইনসানকে তৈরী করেছি শুধুমাত্র তার এবাদত করার জন্য।” সো জ্বীন এবং ইনসান ছাড়া আর কোন পদ্বতিতে জন্মগ্রহন মনে হয় না সৃষ্টিকর্তার ৬৫০০০ মাখলুকাত স্বাভাবকি ভাবে নেবে তারপরেও এই বিশ্বে সকল মানুষের মতামতের উপরে ভিত্তি করে অনেক খানে অনেক পদ্বতি গড়ে উঠেছে যাকে অনেকেই পিক্যুলিয়ার বলে উঠে। মানুষেল সাথে মানুষেল যেটা কাজ করে সেটা হইতাছে ভালোবাসা বা বন্ধুত্ব যা কৃত্রিম উপায়ে মানুসেল মধ্যে কাজ কের কিনা সন্দেহ!!!(প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ)।



আমার মনে একটা প্রশ্ন জাগে অনেক সময় - বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে - টেষ্টটিউব চাইল্ডদেরকি সিক্সথ সেন্স কাজ করে কিনা? আমার কাছে উত্তর হইতাছে না- আমার অভিজ্ঞসা থেকে যে না- টেস।ট টিউব চাইল্ডদের সিক্সথ সেন্স কাজ করে না বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে? 

Saturday, August 15, 2020

নাটক: টোনা টুনি রাগ করো না। বাংলা নাটক। রওনক হাসান এবং রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।

 


নাটকের প্রধান দুটি চরিত্র রওনক হাসান এবং মিথিলা। টোনা টুনির মতোই তাদের সংসার। নাটকে রওনক হাসান একজন অভিনেতা হবার স্বপ্নে বিভোর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। রওনক হাসানের অভিনয় মান সম্পন্ন অভিনয়। আর মিথিলাও একবারে খারাপ না। নাটকে তার সবুজ কালারের চোখ দৃষ্টি কাড়ার মতোন। সম্প্রতি শুরু হওয়া তার নতুন সংসারের প্রতি শুভ কামনা। নাটকে রওনক হাসানের  অভিনয়ের মাধ্যমে একটা জিনিস স্পষ্টত ফুটে উঠেছে: বাংলাদেশের সমাজে অভিনয়ের তেমন কোন ভ্যালু দেওয়া হয় না। আর অভিনেতাদেরকে তো নাই। শুধু অভিনেত্রীদের জোরেই অনেক সময় নাটেক চলে যায়। তারকাদের এমন একটা ব্যাপার যে তারা বুঝি ফেরেশতাদের মতো- কোন দোষ করতে পারবে না। কিছুদিন আগে মিথিলাকে নিয়ে লেখালেখি খুবই খারাপ এবং বাজে একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যা থেকে সম্ভবত সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপা তাকে রেহাই করেছে। সে সংবাদ মিডিয়াতে অভিযোগও উথ্থাপন করেছে যে- তাকে ভার্চুয়াল লাইফে ধর্ষন করা হয়েছে। তারপর তার কাছ থেকে এতো ভালো অভিনয় সত্যি ই মনে রাখার মতো। নাটকে রওনক হাসান যা বলতে চেয়েছে নাটক বা সিনেমার অভিনেতাদের একটা লাইফ বা সামাজিক মর্যাদা যা কখনোই দেয়া হয় না এ দেশের সমাজে। আপনি সহজেই খেয়াল করে দেখবেন যে- আপনি চাইলেই চুরি করতে পারবেন। আপনি চাইলেই রাহাজানি করতে পারবেন। আপনি চাইলেই দুই নাম্বার গিরি করতে পারবেন বা আপনি চাইলেই খারাপ পথে - ক্যাসিনো বা জুয়া বানিজ্য করে বড়লোক হয়ে যেতে পারবেন কিন্তু অসৎ অবস্থায় আপনি চাইলেই সত হতে পারবেন না। আপনি চাইলেই ভালো মানের একজন অভিনেতা হতে পারবেন না। বর্তমানে ইউরোপ আমেরিকাতে বিলিওনিয়ারদের রো চলতাছে- এখন আর আগের মতো বিলিওনিয়ার দেরকে আশ্চর্যের চোখে দেখা হয় না কারন বিলিওনিয়ার হওয়া ব্যাপারটা অনেকের কাছেই এখন সহজ বলে মনে হয়। কিন্তু অভিনেতাদের অভিনয় প্রতি মুহূর্তে আশ্চর্য জাগাইয়া তোলে কারন প্রতিটা চরিত্রে অভিনেতা দের খুব মনোযোগ দিয়ে অভিনয় করতে হয়। চাইলেই পৃথিবীতে যে কেউ অভিনয় করতে পারবে না। আপনি অভিনেতাদেরকে একজন পেশাদার শিল্পী হিসাবে মাষ্ট বি সম্মান জানাতে পারেন- তাদেরকে অবহেলার চোখে আপনি দেখতে পারেন না। অভিনেতা অভিনেত্রী মানেই খারাপ একটা জগত- এই ধরনের মন মানসিকতা থেকে আপনাকে আমাকে সবাইকে বের হয়ে আসতে হবে। সমাজে আড়ালে আবডালে লোক চক্ষুর অন্তরালে আপনি আমি কতোটা ভালো তা উপরওয়ালা খুব ভালোই জানে। বর্তমানে ইউটিউব মনিটাইজেশনের জগতে প্রত্যেক অভিনেতা অভিনেত্রী ই একজন ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং ওয়ার্কার কারন তাদের প্রানবন্ত অভিনয়ের কারনে প্রতি সেকেন্ডে ডলার জেনারেট হইতাছে যা বাংলাদেশের জণ্য রেমিটেন্স বয়ে আনতাছে যাকে যে কোন দেশের জন্য ১ নম্বর সিটিজেন বলা হয়ে থাকে। আপনি হইতে পারেন বড়লোক বা কোটিপতি বা অনেক বড় লোক কিন্তু আপনি এ দেশের জন্য রেমিটেন্স উপার্জন কারী না ও হতে পারেন। 

করোনা কালীন পরিস্থিতির কারনে আমাদের দেশের অনেকের অবস্থাই খারাপ হয়ে গেছে। আমরা এমন এক সরকার ব্যবস্থায় বসবাস করি যেখানে সাধারন মানুষের মতো শিক্ষিত মানুষদেরকেও অবহেলা করা হয়েছে। এই দেশকে বলে ইউরোপ আমেরিকার সাথে তুলনা করা হয় অথচ ইউরোপ আমেরিকান রা তো করোনা শুরু হবার সাথে সাথে তাদের সরকারের কাছ থেকে পে চেক পেয়ে গেছে এবং ইচ্ছা মতোন খরচের স্বাধীনতাও পেয়ে গেছে আর আমাদের দেশের অভিনেতা অভিনেত্রী সহ শিক্ষিত বেকার ছেলে পেলে ( কর্পোরেশন /প্রাইভেট অফিসে কর্মরত কাউকে মিনিমাম মাসে ১০ হাজার টাকার মতোন অনুদান ও দেয়া হইতাছে না) এ কেমন পিক্যুউলিয়ার দেশ রে বাবা?  বাংলা মায়ের সন্তানেরা বাংলা মায়ের আরো সিনিয়র সন্তানের দ্বারা স্বাধীন হওয়া দেশে অমানষিক মানসিক এবং সামাজিক যন্ত্রনা বয়ে নিয়ে যাইতাছে বা বেড়াইতাছে। আমার কাছে এর একমাত্র সমাধান- একজন জয় বাংলা মুক্তিযোদ্বাকে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব দেয়া- স্বাধীনতা যুদ্বে একজন জয় বাংলা মুক্তিযোদ্বা জীবনের রিস্ক নিয়ে যেবাবে দেশকে স্বধীন করেছে ঠিক সেভাবে তারােই পারবে দেশের প্রজন্ম কে সামনে নিয়ে আগাইতে এবং তাদের মুখে তাদের পরিবার সহ ৩ বেলা খাবারের নিশ্চয়তা দিতে কারন তার মধ্যে আছে সুবিবেচনা আর সুবিচারের মনোভাব। 

Friday, August 14, 2020

বিরোধীদের অত্যাচার- আর কাহাতক। প্রেক্ষাপট ১৯৯০ -২০১৩/২০২০।

১৯৯০ সালের গনজাগরনের সময় আমার বয়স ছিলো ১০/১১.। আমি তখন কিশোর। কিশোর বয়স থেকেই আমি জয় বাংলা বলতে পছন্দ করি। সামরিক সরকারের পতন বা স্বৈরাচার সরকারের পতনের আন্দোলনের সময়ে দাবী উঠেছিলো ”রাজাকারের ফাসি চাই।” ্সেই সময়ে রাজাকারের ফাসি কার্যকর হয় নাই এবং এমনকি তাদেরকে গ্রেফতারও করা হয় নাই। শ্রদ্বা জানাই সেই সকল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রীদের যারা সেই সময়ে এই আন্দোলন গড়ে তুলেছিলো যেটাকে দেশবিরোধী কুচক্রী মহল দু:সাহসিক বলে অভিহিত করেছিলো। স্বৈরাচার সামরিক শাসক এবং শাসনের পতন ঘটলো এবং গনতান্ত্রিক পদ্বতির সরকার উঠে আসলো কিন্তু বিবাদ বাদলো একখানে - দেশবিরোধী কুচক্রী মহল জামাত শিবির চক্র সংসদ কিছু আসন পেয়ে বসলো (আমি আজো বিশ্বাস করি না এই দেশের মানুষ জামাত শিবির বা রাজাকার পন্থীদের ভোট দিছে বা দিতে পারে)  । এমনকি এমন একটা অবস্থা তৈরী হলো যে তাদের সাপোর্ট ছাড়া সরকার গঠন করতে বেত পেতে হইতছিলো তখনকার রাজনৈতক দলগুলোর [ভেবে দেখবার মতো বিষয়] । সংসদ গঠন করতে লাগে ১৫১/১৫২ আসনের জোট। শেষে তারা জোট বেধেও গেলো। শুরু হলো জামাত শিবির রাজাকারদের এবং কুচক্রী দেশ বিরোধী মহলের অত্যাচার যেখানে সরকার অনেকটাই চুপ করে বসে থাকতো আর তামাশা দেখতো। সেই সময়ে গলাকাটা বা পা কাটা বা হাত পায়ের রগ কাটা আতংক ভর করতো সারাদেশে এবং অনেক পরিচিত অপরিচিত মহলের লোকজনের ও হাত/পা/গলা কাটাও গেলো। অনেকে মারাও গেলো। ১৯৯৫ সালে ক্ষমতার পালাবদলে অনেকেই ভাবলো যে- এইবার বুঝি দালাল রাজাকারদের ফাসি হবে। গনআন্দোলনের ফসল ঘরে তোলা যাবে। কিন্তু কোন এক অজানা কারনে সেই সরকারের আমলেও দালাল রাজাকার, দেশবিরোধী কুচক্রী মহলের সবাইকে ফাসির কাষ্টে ঝুলানো গেলো না। সেই সময়ে খুব শক্তিশালী সাপোর্ট ছিলো এশিয়াতে - ইউএসএ আর্মি এর উপস্থিতি যারা অণ্যায়ের পক্ষে সবসময় লড়াই করে। ২০০১ সালের নির্বাচনে ভয়াবহ এক আকার ধারন করলো-এইবার একবারে দেশবিরোধী চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো এবং সরাসরি জাতীয় সংসদের শিল্পমন্ত্রী র পদ ও পেয়ে বসলো। সারা দেশে শুরু হলো অসন্তোষ। যেভাবেই হোক এই দেশবিরোধী চক্রকে থামাতে হবে এবং তাদের ফাসির রায় কার্যকর করতে হবে। শুরু হলো নতুন করে আন্দোলণ এবং পথচলা। আর এই আন্দোলন সেই সময়ে টিকাইয়া রাখলো ইন্টারনেট। ১৯৯০ এর গন জাগরন- গন আন্দোলনের দাবী- দালাল রাজাকারের ফাসি চাই - ইন্টারনেটে সঠিক পরিস্কার সুন্দর মনমানসিকতার লোকজনের মধ্যে এক দৃঢ় বন্ধন তৈরী করলো সময়ের দাবী অনুযায়ী। সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি সকলেই আস্থা হারালো। ক্ষমতার জন্য করতে পারে না এমন কোন কাজ তারা করে নাই। প্রকাশ্য দিবালোকে রাজাকারের পা ধরে ক্ষমা চাওয়া বা পাতলা ফিনফিনে সেক্সী শাড়ি কাপড় পরে রাজাকারের সাথে মিটিং করা- গোল টেবিল বৈঠক করা এইগুলো সব বিভিন্ন পত্রিকার পাতাতে এখনো ছাপা আছে। কারো মনে সন্দেহ হইলে সেই সময়কার প্রত্যেকটা পত্রিকা আপনি অনলাইনে চেক করে দেখতে পারেন। নিউজ গুলো বা সেই সময়কার যারা বড় ভাই তাদের সাথে আলোচনা করে দেখতে পারেন। ২০০৭/০৮ সালে প্রথমবারের মতো নেমে আসলো গনতান্ত্রিক বাংলাদেশে সামরিক শাসন- মঈনুদ্দিন ফখরুদ্দিন শাসন। যা আমার মতে ১৯৯০ সালের পরে সবচেয়ে ভালো সরকার। সেই সময়ে বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো ছিলো। কোন রাজনৈতিক নেতার ই কোন সাহস ছিলো না তাদের বিরুদ্বে লড়াই করার। তৈরী করে দিয়ে গেলো পৃথিবীর ইতিহাসে সঠিক একটি ভোটার তালিকা- ৮ কোটি ভোটারের সমন্বয়ে- ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রনয়ন এবং  জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান। ২০০৯ সালের নির্বাচনের পর ৪ বছর অতিবাহিত হবার পরেও আশা আকাংখা এবং প্রত্যাশার প্রতিফলন না হওয়াতে জমে উঠলো  ইন্টারনেট ভিত্তিক সেই সুস্থ মানুষদের সহযোগে গনজাগরন। শাহবাগ গনজাগরন যা আজো যারা অংশগ্রহন করেছে এবং যারা সাপোর্ট করেছে তাদের বুকে আজো শিহরন জাগায়। গড়ে তুললো একটি কম্যুনিটি। গড়ে তুললো একটি ইতিহাস। কিন্তু  স্লো বিচার কাজ শুরু হবার কারনে শুরু হলো ফাসি কার্যকর এর ধরি গতি। রাজাকারের ফাসির কার্য ই শুরু হয় ২০১০/২০১১ সালে- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সেখানে আবার স্লো বিচার প্রসেস। 


১৯৯০ সালের আন্দোলনে তৈরী হওয়া দাবী- রাজাকার দেলোয়ার হোসনে সাঈদী, রাজাকার গোলাম আজম এবং রাজাকার মতিউর রহমান নিজামী এর ফাসি এবং বিচার কার্যকর হবার কারনে ১৯৯০ এর আন্দোলনে অংশগ্রহন করা অনেকেই শান্ত হইলো। দীর্ঘ ২৩ বছরে সেই দাবী কার্যকর হলো। আরো খুশী হলো বাংলাদেশ সরকারে মধ্যে জামায়েতে ইসলামের নিবন্ধন বাতিল হওয়াতে এবং জামাত শিবিরের রাজণীতি নিষিদ্ব হওয়াতে। ১৯৭২ সাল থেকে দেশবিরোধী জামাত শিবির চক্রের সাথে যারা জড়িত ছিলো যে কোন সময়ে যে কোন পরিস্থিতিতে- তারাও হারালো গন মানুষের আস্থা। ২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরন এমন একটি আন্দোলন যা সারা বাংলাদেশের মানুষকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছিলো- মানুষের মনে নতুন আশার আলো জাগিয়ে তুললো কিন্তু দেশ পড়ে গেলো দুর্ভোগে। সীমাহীন  দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির কারনে আমি আজো এই সরকারের মুচলেকা দিয়ে পদত্যাগ আহবান করি।  ১০ টাকার চালের দাম হয়ে গেলো ৫০ টাকা, পেয়াজ, আলু , রসুন , তেল সবকিছুর দাম বৃদ্বি হওয়াতে সাধারন মানুষের জীবনে নেমে আসলো  চরম দুর্ভোগ (এই করোনাকালীন সময়েও নাই প্রতি মাসে সরকারের তরফ থেকে গরীব মানুষের জন্য এবং বেসরকারি চাকুরজীবীদের জন্য  প্রতি মাসের কোন বরাদ্দ ( এই দেশেকে যে সকল দেশের সাথে তুলনা করা হয় তাদেরকে তো পেনিডেমিক শুরু হবার সাথে সাথে দিয়ে দেওয়া হছে পে চেক যাতে তারা কাজ না করেও খােইতে পারে বা চলতে পারে- আর আমাদের দেশ শুরু হয়েছে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে টাকা পয়সা কামানোর ধান্দা [পত্রিকাতে দেখলাম লেখা] ।  এখন আর একজন গরীব মানুষের ৫০০ টাকাতেও ৩ বেলা চলে না। প্রতিদিন জুটে না কাজও । তারপরেও মানুষ চোখ মুখ বুঝে খেয়ে না খেয়ে একটি পরিস্কার সুষ্ট সুন্দর সাধারন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নতুন সরকার প্রতিষ্টা করার মাধ্যমে তাদের অভাব দুর্ভোগ এবং দুর্ভাগ্য গোচানোর আশাতে আছে। যা উপহার দিতে পারে শুধূ মাত্র পরিস্কার এবং কোন ধরনের অভিযোগ মুক্ত জাতীয় নির্বাচন। 

পূর্ববর্তী সকল রাজনৈতিক লোকগুলোর কারো না কারো সাথে ছিলো দেশবিরোধী দের অনেক আতাত। ২০০১-২০০৬ সালে পাক হানাদার বাহিণীর রাজাকার মতিউর রহমান কে দেয়া হয় শিল্পমন্ত্রীর পদ যা সারা দেশে ঘৃনার উদ্বেগ করে। দাবী উঠে পরবর্তী সরকার আসলে পতাকার পরিবর্তনের। দাবী উঠে যুদ্ব চলাকালীন সময়ে ব্যবহৃত মুক্তিযোদ্বাদের পতাকাকে জাতীয় পতাকা হিসাবে সম্মান দেবার। শিল্পমন্ত্রী নিজামীর গাড়িতে লাল সবুজের পতাকা-   এর চেয়ে বড় পতাকার অবমাননা আর কখনো বাংলাদেশে হয় নাই। সেই জন্য ই বোধ করি (যারা এ সুযোগ করে দিয়েছিলো) আর কখনো তারা ক্ষমতার স্বাদ গ্রহন করতে পারবে না। একটি ভুলই সারা জীবনের কান্না হিসাবে থাকবে। তবে অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল হবার কারনে এবং বিগত ৫ বছর সংসদে না থাকার কারনে বাংলাদেশের অনেকেই প্রনীত জন নিরাপত্তা বিষয়ক আইনগুলো যাচাই বাছাই করার জন্য তাদেরকে অনেক সময় বিরোধী দলে চায় কিন্তু নতুন তৈরী হওয়া শাহবাগ গনজাগরন পন্থী রাজণেতিক দলগুলো সেখানে তেমন কোন সম্মতি জ্ঞাপন করে না। যারা ইতিহান তৈরী করলো- প্রকাশ্য দিবালোকে রাজাকার কে ফাসিতে ঝুলাইয়া দিলো (যা কিনা আগে কেউ করে দেখাইতে পারে নাই) তারাই আসলে জানে দেশকে কিভাবে পরিচালিত করতে হবে। তারা তাদের মাতৃভূমি তে তৈরী করেছে নতুন রাজনৈতিক দল। অন্য কোন দেশ থেকে অন্য কোন রাজণেতিক মতাদর্শে পরিচালিত হয় নাই কখনোই। তারা তৈরীই হয়েছে গনজাগরনের তুমুল আন্দোলনের গন আন্দোলনের মূহুর্তে। তাদেরও আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটবে। কারন রেভ্যুলুশ্যন তৈরী ই হয় ইতিহাস তৈরী করার জন্য। তারা ও বসে আসে ইতিহাস রচনা করার জন্য। সমাধান দিতে পারে একটি সঠিক সুষ্ট নির্বাচন। তারাই একমাত্র পারসান যারা খালি মুখে সুর করে বলতে পারে জয় বাংলা। জয় বাংলা একটি শক্তি যা খালি মুখে উচ্চারন করতে সাহস এবং সত সাহস লাগে। 

বস্তাপচা রাজনীতি আর একই প্যাচাল বার বার কানের মধ্যে তুলো ঘুজতে বাধ্য করে। এইটা এক ধরনের অত্যাচারের মতোনও আমার জীবনে। আমি আমার ব্যক্তিগত ধ্যান ধারনার বাংলাদেশকে শাহবাগ গনজাগরনপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোকে  দিয়ে দিয়েছি মন থেকে কোন ধরনের বিনিময় ছাড়াই। আর আমি এই আশাবাদও ব্যক্ত করি একজন অবলোকক হিসাবে- একজন জয় বাংলা পন্থী মুক্তিযোদ্বা যে কিনা জয় বাংলা বলে স্বাধীনতা যুদ্বে অংশগ্রহন করেছে- স্ত্রী, প্রেমিকা, আত্মীয়, পরিবার পরিজন ছেড়ে দেশ রক্ষার জন্য যুদ্বে অংশগ্রহন করেছে এবং বীর বিক্রমে সেই যুদ্ব জিতে আজো স্বাধীন বাংলাদেশে বসে আছে- সেই ধরনের একজন জয় বাংলা র মুক্তিযোদ্বাকে আমি এদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই। আমি চাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিষয়ক সচিবালয় একজন মুক্তিযোদ্বাকে দেশের ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেবে (প্রয়োজনে টেকনোক্রাট কোটাতে হলেও) এবং একই সাথে টেকনোক্রাট কোটাতে অন্যান্য মুক্তিযোদ্বাদের কে মন্ত্রী বানিয়ে সরাসরি মন্ত্রীসভা তৈরী করবে। শাহবাগ গনজাগরনের অংশগ্রহনরত ছেলে মেয়েদের আশা আকাংখার প্রতিফলন হিসাবে তারা গনজাগরন পন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটি সঠিক সুন্দর সরকার গঠন করবে (এমপি হিসাবে) যেখানে আরো অন্যান্য মেধাবী মুক্তিযোদ্বাদেরকে সকল ধরনের সংসদীয় কমিটিতে নিয়োগ করবে এবং গনজাগরনপন্থী ছেলে মেয়েরা সারাদেশ থেকে তাদের জাতীয় সংসদ প্রতিনিধিত্ব কারী এমপি পদ গুলো বাগিয়ে নিয়ে আসবে এবং মুক্তিযুদ্ব চলাকালীন জয় বাংলা বলে জীবন দেওয়া মুক্তিযোদ্বাদের এবং জীবিত মুক্তিযোদ্বাদের স্বপ্ন গুলো একসাথে করে একটি সরকার ব্যবস্থা  তৈরী করে দেশের সকল মানুষের মুখে হাসি ফুটাবে। 

জয় বাংলা বলে যুদ্বে অংশগ্রহন করা, রাইফেল কাধে নিয়ে সারারাত দেশ পাহারা দেয়া বা শুত্রুদের বুকে গুলি চালানো  একজন মুক্তিযোদ্বাকে আমি বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই। 

Tuesday, August 11, 2020

ইন্টারনেটে শয়তান একটা সংঘবদ্ব চক্র।

 শয়তানের কাজ হইতাছে যে কোন খানে একটা সংঘবদ্ব চক্র তৈরী করে সেখানে একটা ঝামেলা বা অযাচিত কিছু একটা তৈরী করা। শুনেছি শয়তান বলে ইহুদি দের সাথে পারে না বা পেরে উঠে না। ১৯৯০ সালের গনজাগরনের  প্রেক্ষাপটে কথা বা স্লোগান প্রায়শই শোনা যাইতো- সামওয়ান----দী, বাংলার ইহুদি। তখনকার সময়ে দাবী উঠেছিলো কুখ্যাত রাজাকারদের ফাসির দাবী যা পরবর্তীতে আরো একটা গনজাগরনের মাধ্যমে সেটা সম্পূর্ন হয়ে উঠে যাকে বলা হয় শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩। 


যাদের কথা বলতেছিলাম - সংঘবদ্ব চক্রদের কাজ হইতাছে দেশে চরম বিশৃংখলা তৈরী করা। তেমনি একটা শয়তানি চক্র এখন ইন্টারনেটে বিরাজ করতাছে। এদের কাজ হইতাছে সহজ সরল মন মানসিকতা সম্পন্ন ছেলে মেয়েদের মাথা কিনে খাইয়া ফেলা। কাজ শেখা, অল্পদিনে কোটিপতি হওয়া, চাইলেই ফ্রি ল্যান্সার বানাইয়া দেয়া, সিবি, ডিভিডি, প্যাকেজ কোর্স সেল, ইউটিউব কোর্স সেল বা আরো কিছু পিডিএফ বা এই ধরনের ব্যাপার স্যাপার যার ফলে  ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা  বাসাতে যাইতয়া গ্যানজাম করে অর্থ সংগ্রহ করে আর সেই ছেলে মেয়েরা কয়েকদিন পরে যখন প্রতারক চক্রের কাছে ধরা খায় তখন তারা  বাসা থেকে চরম প্রেশারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা বন্ধ করে দেয় বা কষ্ট পায়। 


ইন্টারনেট একটা সীমাহীন সাগরের মতো। আমি কয়েকদিন আগে এক ওয়েবসাইটে এক চার্চের ভদ্রলোকের এবাদত দেখতেছিলাম- শুনেছি তিনি প্রায় ৫৭ দিন পানিতে ভেসেছিলেন মেক্সিকো থেকে আমেরিকাতে  আসার সময়ে এবং শুধু পানি খেয়েই তিনি বেচে ছিলেন। তো ইন্টারনেটের সেই সীমাহীন সাগরের মতো জ্ঞানের পরিধিকে থামাইয়া দেয় প্রথমেই যে কেউ ইন্টারনেটে  আসে আর তাকে তার পরিধি থেকে সরাইয়া দেবার ফলে সে অনেক বড় সড় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়।  এইখানে কোন ক্যাটাগরাইজেশন করা যায় না। রাষ্ট্রীয় বিধি নিষেধ মেনে আপনি যা খুশী তাই করতে পারবেন ইন্টারনেটে কারন এইখানে সোসাইটি বা কম্যুনিটি আছে। ধরেন-

  • আপনি চাইলে  সারাদিন পড়াশোনা করতে পারবেন- ইন্টারনেটে রাইব্রেরীর অভাব নাই
  • আপনি চাইলে   সারাদিন চাইলে মুভি দেখতে পারবেন তারন ইন্টারনেটে নিয়মিত রিলিজ প্রাপ্ত মুভি দেখা যায়।
  • সারাদিন আপনি  চাইলে গান শুনতে পারবেন- চাইলে আপনি অনেক পুরাতান পুরাতন গান বের করে শুনতে পারবেন। এমনকি কয়েক দশক আগের গান ও পাওয়া যাবে। 
  • সারাদিন ফ্রি ল্রান্সার বা আউটসোর্সিং বা মার্কেটপ্লেসে পারসোনাল কাজ ও করতে পারবেন। 
  • সারাদিন আপনি চাইলে আপনার াফিসের কাজ ও করতে পারবেন।
  • সারাদিন আপনি গ্রাফিক্স বা ডিজাইন বা ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন। 
  • আপনি চাইলে সারাদিন খেলা দেখতে পারেন অনেক লাইভ চ্যানেল আছে।
  • আপনি চাইলে সারাদিন আপনার প্রেমিকার সাথে গল্প বা ভিডিও চ্যাট ও করতে পারবেন। 
তো এইখানে কাজের কোন শেষ নাই। এইখানে সবাই একেকভাবে নিজেকে গুছিয়ে উপস্থাপন করে।আবার এককজন এককভাবে ব্যবহার করতে চায়। অনেকেই অনেক কাজ শিখতে আসে, ঠকে আবার খুব কম সংখ্যক ই না চাইতেও অনেক কিছু পাইয়া যায় মানে অপ্রত্যাশিত ভাবে অনেক কাজ শিখে যায়। এখন কার সময়ে শতকরা ১০ % ফ্রি ল্যান্সার আছে ইন্টারনেটে যারা ফ্রি তাদের ট্রিকস এবং টেকনিক বিলাইয়া যাইতাছে। আর বাকী সবাই টাকা কামানোতে বা তাবিজ কবজ বিক্রি করাতে ব্যস্ত। ছলে বলে কৌশলে ইন্টারনেট থেকে অর্থ কামানোর ছলে সহজ সরল কচি কচি পোলাপান বা ইয়াং ইয়াং পোলাপানদের কাছ থেকে বিশাল অংকের টাকা তারা প্রতিনিয়ত হাতাইয়া নিয়া যাইতাছে যা দেখে অনেক সময় বোঝা যায় বা মনে হয় তারা রাষ্ট্রের কোন ইশারাতে বা প্রকাশ্য সেল্টারে এই ধরনের কাজ করতাছে। নয়তো প্রকাশ্য দিবালোকে বিকাশ বা রকেট নাম্বার দিয়ে টাকা আদায় করে ভূয়ামি /চিটারি /বাটপারি করতে পারতো না। রাষ্ট্রের কেউ না কেউ তাদের সেল্টার দেয় এবং তারা মোটা অংকের ঘুষ বা গিফট পায় যার ফলে এই ধরনের হাজার হাজার অকেজো এবং অপদার্থ গুলো ইন্টারনেটে টাকা কামানোর চেষ্টা করে। সরাসরি একটা ইউটিউব চ্যানেল খুলে বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে টাাকা নিয়ে, লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে  কাজ শিখানো শুরু করে দেয় এবং দেখা যায় বেশীর ভাগ সময়েই ছেলে এবং মেয়েরা প্রতারিত হইতাছে। ইন্টারনেটে একটা অগাধ সাগরের মতোন। এইখানে প্রথমেই যদি কেউ আইসা প্রতারিত হয় তাহলে তার বা তাদের মনটা  নিশ্চিতই ভেংগে যায়। সে একটা অপার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সময় করে আগে পড়ে লেখা পড়া বাদ দিয়ে ইন্টারনেটে আইসা কাজ শিখার নামে টাকা বিকাশ / রকেটের মাধ্যমে দিয়ে প্রতারিতে হলো। এই দ্বায়িত্ব টা কে নিবে? সরকার? সে যে মনটা খারাপ হইলো বা কষ্ট পাইলো এই ব্যাপারটা কেও দেখলো না। অনেকেই অনেক খানে থানা পুলিশে অভিযোগ করেছে তাতেও তাদের কোন হুশ হইতাছে না। সে যে প্রথমেই ইন্টারনেটে আইসা কাদলো বা কষ্ট পাইলো সেটা রাষ্ট্র দেখেও না দেখার ভান করে যাইতাছে। এ দেশ তো সেই ১৯৭২ সাল থেকেই মুক্তিযোদ্বাদের কে অবহেলা আর কষ্টের মধ্যে রেখেছে ( মুক্তিযোদ্বারা এখনো এই দেশের শুধু মাত্র মুক্তিযোদ্বা ভিত্তিক কোন রাজনৈতিক সরকার গঠন করতে পারে নাই। এখনো তারা এদেশের এ ক্লাস সিটিজেনশীপ বা ভিভিআইপি সিটিজেনশীপও পায় নাই। যারা পায় তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯% এ অ মুক্তিযোদ্বা বা  তাদের বংশধর। ) সে রকম ইন্টােরনেটেও সেই ধরনের দেশ বিরোধী চক্র বাংলাদেশে অনেক অনেক পরিমান গড়ে উঠেছে যারা খুব সহজে অবলীলায় মানুষকে ইন্টারনেটে ধোকা দিয়ে বেড়াইতাছে। মানুষকে ধোকা দিয়ে সে নিজেও চোরের খাতাতে নাম লিখাইতাছে আর যাকে ধোকা দিতাছে তাকে ইন্টারনেট রিলেটেড একটা কষ্ট দিয়ে দিলো। ইন্টারনেটে ডলার প্রযোজ্য এবং ইন্টারনেটে ডলার আনলিমিটিড। সেই আনলিমিটেড রিসোর্স রেখে তারা সীমাবদ্ধ টাকার পেছনে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দিছে। পাগলের মতো কোর্স বিক্রি করার ম্যাসেজ সেন্ড করে বেড়াইতাছে। একেকটা কোর্স সেল করার মাধ্যমে তারা আবার কিছু % ও পাইতাছে। আবার গুগল এ্যাপ ষ্টোর থেকে এ্যাপ ডাউনলোড করে সারাদিনে ১০০/২০০ টাকা উপার্জনের লোভ দেখাইতাছে। খুবই স্মার্ট ছেলে মেয়েদের কেও দেখতাছি এমন এমন ধরনের কাজ করতে যা কখনো কেউ কল্পনাও করতে পারে নাই। তারা হয়তো তাদের স্মার্টনেসকে ভালো কোন মার্কেটপ্লেসে কাজে লাগাইলে  অনেক ভালো হ্যান্ডসাম ইনকাম বা উপার্জন করতে পারতো। কিন্তু প্রতারিত হয়ে টাকার জন্য মারামারি শুরু করেছে। একসময় হয়তো বড় আকারের কোন গ্যানজাম লেগে যাবে এবং তারপরে সেটা আউট অব কন্ট্রোলে চলে যাবে। কারন আমেরিকা বা ইউএসএ ব্রডব্রান্ড ইন্টারনেট সাপ্লাই দেয় শুধু- ইন্টারনেটে কোন ধরনের উপার্জনের গ্যারান্টি দেয় না। ইন্টারনেটে উপার্জনের গ্যারান্টি দেয় তথ্য ভিত্তিক রিসার্চ এনালাইসিস এবং ফ্রি ইউটিউব ভিডিও রিসোর্স- যা দেখা শোনা পালন করা প্রত্যেকটা ইন্টারনেট মানুষের একান্ত কর্তব্য। যদি আপনি গুগণ সার্চ না করতে পারেন বা যদি আপনি ইউটিউব ভিডিও সার্চ না করতে পারেন তাহলে আপনি কখনোই ইন্টারনেট থেকে ভালো কিছু পাবেন না। যদি আপনার বা ্পনাদের ইন্টারনেটে চিটার বাটপারি করার ঈচ্ছা থাকে তাহলে আপনি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মতো মেট্রাপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরী করে  সারাদেশে আপনি ভুয়া লাইভ ক্লাস বা ভূয়ামি করতে পারেন তারন আপনাদেরকে এদেশর রাষ্ট্র একটা প্রচ্ছন্ন সেল্টার দেয় ইন্টারনেটে সকল ধরনের মানুষ আসা যাওয়া করে। আমরা চিন্তা করি যার হাতেই স্মার্ট ফোন আছে তার হাতেই ইন্টারনেট ধরাইয়া দেওয়া। সব ধরনরে মানুষের মেন্টালিটি িএক রকম না। একজন সুশিক্ষিত এবং স্বশিক্ষিত মানুষ যদি ইন্টারনেটে ঢুকে প্রথমেই যদি টাকা পয়সা চাওয়া গ্রুপের গাতে পড়ে যায় তাহলে উনার মন মানসিকতা বদলে যাবে। সেটা ইন্টারনেটের জন্য, জাতির জন্য, প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হয়ে গেলো। আর যেহেতু এই টাকা চাওয়া চক্রটা দেশেই বসবাস করে এবং দেশেই তাদের সবচুরি বাটপারি বা লেনাদেনা - সেহেতু তারা সরকারি সেল্টার নিয়ে আলাদা করে ওয়াই ফাই ম্যান - মেট্রাপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরী করে ইন্ট্রানেট ব্যভহার করে এই সকল কাজ করাবর করতে পারে। ইন্টারনেট না- ব্যাপারটার নাম ইন্ট্রানেট। ল্যান, ম্যান ওয়ান এর সিরিয়াল এ শুধ ম্যান েসিষ্টেম বভ্যহার করে। তাহলে আর এই চক্রটা ইন্টারনেটে আসবে না- মানুষের ক্ষতিও করতে পারবে না আর সাধারন মানূষ জন ক্ষতির স্বীকার হইতে পারবে না। ইন্টারনেট যেহেতু মহাসাগরের মতো সেখানে হয়তো এই ধরনের চিটার বাটপাররা বেশীদিন টিকতে পারবে না কিন্তু একটা ভ্যাপার মনে রাখতে হবে মহাসাগরের ভেতরে যদি আপনি একটা প্লাষ্টিকের বোতল ও ফেলান সেটা প্রায় ৫০ বছর ধরে পচবে এবং সাগরকে ধূষিত করার চেষ্টা করবে। আর এসকল ক্ষেত্রে সরকার নতুন আইনও জারি করেছে দেখলাম- যথাযোগ্য অনুমতি ছাড়া ইন্টারনেটে কারো কাচে টাকা না চাইতে। এই চক্রটা যদি ইন্ট্রানেট ফ্যাসিলিটজ ব্যভহার করে তাহলে তাদের যা যা দরকার তা তারা করতে পারবে। ক।লাস নেয়া, টাকা পয়সা লেনাদেনা করা বা আরো কিছু চাইলে ২/৩ টা ওয়েবসাইটের কাছ থেকেও তারা এই অনুমতি নিতে পারে। এই চক্রটা যদি ফুলটাইম ইন্টারনেটে বসে থাকে তাহলে নতুন যারা ভালো ামনুষ তারা ইন্টারনেটে আইসা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।  আমি সবসময় ই বলি- “ আপনি কখনোই ইন্টারনেটে কাউকে কোন টাকা পয়সা প্রদান করবেন না।”

যে শয়তান চক্র ইন্টারনেটে দেশের ভালো ভালো ছেলে মেয়েদেরকে ধোকা দিতাছে বা ফাকিবাজি করতাছে সেই চক্রটা দেশ বিরোদী দের সন্তানদের চক্র যাকে প্রথমেই বলেছি শয়তানি চক্র। তাদের হাত থেকে বেচে থাকার একমাত্র মন্ত্র- ইন্টারনেটে আপনি কা্িুকে টাকা দিবেন না এব ংকারো কাচে টাকা চাইবেনও না। আপনি যদি কারো কাচে টাকা চান বা কাউকে না জেনে টাকা দেন তাহলে প্রথমেই আপনি একটা বাধো পাবেন যা আপনাকে সারা বিশ্বের আরো ২১৯ টা দেশের মুদ্রা অর্জনে বাধা পাবেন। আপনার ব্রেইনে আর অন্য কিছু কাজ করবে না। ফলে আপনি অণ্যান্য দেশের মুদ্রা অর্জনে বাধা পাবেন বা রেমিটেন্স অর্জনে বাধা পাবেন। 

কয়েকদিন আগে দেখলাম একটা আইনের ডিটেইলস-   বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৪২০ ধারা মোতাবেক- ইন্টারনেটে অযাচিতভাবে কারো কাছ থেকে টাকা চাওয়া ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড হইতে পারে। 

Buy Real Instagram Video Views - SMMCart

Buy Real Instagram Video Views - SMMCart: ☑ Real Instagram Video Views
☑ Full Video Views
☑ 100% Satisfaction guaranteed.
☑ Best Price Guarantee
☑ Manual and Non Drop
☑ Express Delivery.
☑ Your password will not be necessary
☑ Replenishment Guarantee
☑ High quality.
☑ 24/7 Customer Support.
⌛ I will be able to complete your order most time in 48-72 Hour
☏ Connect for details my Skype id: live:info_1064143

#BuyInstagramVideoViews
#BuyInstagramViews
#BuyInstagramViewsForVideoFast
#BuyInstagramViewsForYourVideos,
#BuyRealInstagramVideoViewsCheapFast
#InstantCheap
#RealInstagramVideoViews
#smmcart
#instagramviews
#instagrammarketing
#instagramvideoviews
#instagramtips
#instagramforbusiness
#IGViews
#IGVideo
#IGVideoViews
#igtv
#InstagramTV
#InstagramTVViews

Friday, August 7, 2020

বাংলা নাটক। ইউটিউব ডট কমে ফ্রি দেখা যায়। কোন টাকা খরচ হয় না।

বাংলা নাটকের একনিষ্ঠ ভক্ত আমি। সময় পাইলেই অনেক নাটক দেখি। ঈদের আগের রাত থেকে কালকে পর্যন্ত প্রায় ২০ টি নাটক দেখলাম ইউটিউব  ডট কমে। একজন অশিক্ষিত লোকের সাথে কথা হইতেছিলো কয়েকদিন আগে- বলতাছে আগে তো নাটক দেখলে টাকা দিতে হতো মানে টিকেট প্রাইজ? এখন তো নাটক দেখলে আর টাকা দিতে হয় না। এখন তো ডিশ এন্টেনা দিয়ে ফ্রি প্যাকেজ নাটক দেখা যায় বা ইউটিউবে ও ফ্রি দেখা যায় (কয়েকজনকে আবার দেখলাম আমার বাবার কাছে নালিশ ও দিতে যে - স্যার আপনার ছেলে ফ্রি ইন্টারনেটে নাটক দেখে। আব্বা আমাকে ডিটেইলস বলার আগেই আমি আব্বাকে ইউটিউব পুরোটা বুঝাইয়া দিলাম এবং কিভাবে কিভাবে ভিডিও সার্চ করে দেখতে হয় তাও দেখাইয়া দিলাম এবং বুঝাইয়া দিলাম পুরেপুরি যে ইউটিউব ভিডিও দেখতে কোন টাকা খরচ হয় না- যা খরচ হয় সেটা মোবাইলের এমবি এবং চার্জ। এখণ আব্বা নিয়মিত লাইভ টিভি চ্যানেলের সংসবাদও দেখতে পারে আবার বিবিসি টাও শুনতে পারে এবং খুশী। সেই ব্যক্কলগুলো মনে হয় আমার বাবার কাছে নালিশ দিয়ে ব্যক্কল হয়ে গেছে)। সম্প্রতি আবার ‍ শুরু হয়েছে ইউটিউব ডট কমে বাংলা নাটক দেখার হিড়িক। যাদের আনলিমিডেট ওয়ােই ফাই বা ইন্টারনেট আছে তারা ই শুধু ইউটিউবে নাটক দেখতে পারে। কারন সেখানে এমবি খরচের কোন ব্যাপার নাই- আবার অনেকের ও আছে আনলিমিটডে ওয়াই ফাই। কিন্তু গ্রামে গঞ্জের ছেলে মেয়েরা এমবি কিনে দেখতে হয় যদি স্যাটেলাইটে বা ডিশ কানেকশন দিয়ে দেখতে হয়। আমি ও কয়েকদিন আগে একটা নাটক এমবি দিয়ে দেখলাম ৪০০ মেগাবাইটের মতো খরচ হয় একটা নাটক দেখতে। আর এক গিগাবাইট ডাটা কিনলাম ২/৩ দিন আগে- প্রায় ৪৬ টাকা নিলো। এইখানে মোবাইলের ইন্টারনেটের তো রমরমা ব্যবসা চলতাছে কারন গ্রামের ছেলে মেয়েরা শহরের ছেলে মেয়েদের কালচার সহজেই দেখতে চায় এবং এইটা একটা ক্রেজিনেসের ব্যবসা। 


আমার একটা নিজস্ব গবেষা ইউটিউবরে নাটক দেখে দেখে যে এরা এতো টাকা কোথা থেকে ম্যানেজ করে? নাটকের প্রডিউসার, ডাইরেক্টর, ক্যমারা, লাইট, প্রোডাকশন বা শুটিং হাউসের খরচ বা ভাড়া এবং নায়ক নায়িকা বা অভিনেতা অভিনেত্রীদের খরচ সব মিলে একটা নাটক বানাতে যদি ২/৩ দিন লাগে তাহলে তো খরচ প্রায় ৩/৪ লাখ বের হয়ে যাবার কথা নুন্যতম ( আমার অনেকদিন আঘে মঞ্চ নাটক করার অভিজ্ঞতা আছে) । আর যদি থাকে আউটডোর তাহলে তো আরো বেশী খরচ। কিন্তু একটা নাটক থেকে কি সেই পরিমান মনিটাইজেশন ভিউজ এবং উপার্জন আসে। একেকজনের প্রায় ২০০+ ইউটিউব নাটক আছে। এতো বিশাল পরিমান নাটকের শতকরা ৭০-৮০% এই দেখা যায় ইউটিউবের মনিটাইজেশন। এককটা নাটকে ভিউজ আসে প্রায় কয়েক মিলিয়ন। তো সেই হিসাবে তাদের টোটাল মনিটাইজেশন এর উপার্জন কতো আসে বা তারা টোটাল কতো লাভবান হলো সেই বিষয়টা অজানাই থেকে যায়। নাকি ইউটিউব আনলিমিটেড ফ্যাসিলিটজ পাইছে দেখে সমানেই নাটক বানাইতাছে আর আপলোড করতাছে আর ভবিষ্যত পরিকল্পনা করতাছে । সেদিন এক নায়িকার খবর পড়ে দেখলাম সে বলে গাড়ি কিনেছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা দিয়ে তাও ২টা গাড়ি। এতো বিশাল অংকের টাকা তারা ম্যানেজ করে কিভাবে? বেশীর ভাগ সময়ে তো দেখা যায় একই শুটিং হাইজ ব্যবহার করে আর গতবাধা কাহিণী দিয়ে নাটক নির্মান চলতাছে। আধুনিক কালচারের ভীড়ে রুচিশীলতার আর খোজ পাওয়া যায় না। যে নাটকগুলো আমরা আগে দেখতাম টিভি সেটের সামনে বসে যেমন- একান্নবর্তী বা ৬৯ বা এই সব দিন রাত্রি যা কোয়ালিটি দেখায় বা কোয়ালিটি সম্পন্ন নাটক বানায় যা সারাজীবন চোখে লেগে থাকবে সেইগুলো আর এখন চোখে পড়ে না। তবে গুনী অভিনেতা অভিনেত্রীদের ভীড়ে কিছু কাজ বা নাটক পাওয়া যায় খুব ভালো মানের। কিন্তু সেটা কালে ভদ্রে। একসময় তো মানুষ ইউটিউব দেখাই ছেড়ে দেবে। তখন এই নাটকগুলো ব্যবসা করবে কি করে? হয়তো ইউটিউব পেইড ভারসন হয়ে যেতে পারে বা ক্লাসিক ভারসন হয়ে যেতে পারে যেখানে প্রতি মাসে পেইড আকারে ইউটিউব ব্যবহার করেত হইতে পারে। এখন তো আরো অলটারনেটিভও আসতাছে। ভিমিও, ডেইলিমোটন বা আরো অনেক ভিডিও ষ্ট্রিমিং সার্ভিস। 


যে পরিমান বাংলা নাটকে প্রতিদিন ইউটিউবে আপলোড হয় সেই পরিমান অনুমতিপত্র বা ছাড়পত্র কি সবার আগে (বার্তা বিভাগ বা তথ্য বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট বিভাগ - তথ্য মন্ত্রনালয়)। যদি কখনো তারা জিজ্ঞাসাবাদ করে যে সব নাটকের ছাড়পত্র আছে কিনা বা সব নাটকের অভিনেতা অভিনেত্রীদের পেমেন্ট ক্লিয়ার আছে কিনা, সমস্ত শুটিং হাউজের বিল পরিশোধ আছে কিনা- তাহলে নাটকের ডাইরেক্টর বা প্রডিউসার রা দিতে পারবে তো? আমার মনে হয়- সব কিছু একটা ফাইল আকারে রাখতে হবে অবশ্যই যেনো যে কোন ধরনের ভেরিফিকেশনে সব ‍কিছু সহজে খুজে পাওয়া যায়। ভালো নির্মাতা হলে তো অতি অবশ্যই সব কিছু রেডী রাখবেন। সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে টিকটক অপুকে- দেখা যাবে একসময় কোন ধরনের খুত পাইলে ইউটিউবেও সেই ধরনের অপারেশন শুরু হতে পারে। আর যদি  এডাল্ট বা এই ধরনের কোন ঝামেলা হয় তাহলে তো দেখা যাবে যে কোন সময় দেশে বড় সড় গ্যানজাম লেগে যেতে পারে? সো বুঝে শুনে ভালো কোয়ালিটি সম্পন্ন নাটক রিলিজ দিতে হবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধমে? কলকাতার মুভি সার্চ দিলে ইউটিউবে পওয়া যায় না অনেক সময়। আর বাংলাদেশে একই মুভি বা নাটক ১০/১২ টা চ্যানেল থেকেও আপলোড দিতে দেখা যায়। পুরাতন দিনের গান ১০/১২ টা চ্যানলে থেকে আপলোড দেখা যায় আবার সেখানে মনিটাইজেশন ও চালু দেখা যায়। ইদানিং মনিটাইজেশনের ব্যাপারে বাংলাদেশ তেকে আবেদন নিষেধ থাকা সত্বেও অনেক লোকেশন পরিবর্তন করে মিথ্যা কথা বলে ইউটিউব মনিটাইজেশনে লোকেশন পরিবর্তন করে মনিটাইজেশন চালূ রেখে ভিউজ বা উপার্জন করে যাইতাছে। আমার যদি মনিটাইজেশন এপ্রুভাল না থাকে আর আমি যদি লোকেশন পরিবর্তন করে ভিডিও আপলোড কেরি তাহলে কি আমার ডিভাইস লোকেশন বা আইএসপি রেকর্ড থেকে যাইতাছে না- আর সেটা কি এক ধরনের চুরি হয়ে যাইতাছে না গুগল ইনকরপোরেশনের সাথে? ভালেঅ করে ভেবে দেখবেন। আর ইউটিউব মনিটাইজেশন বন্ধ থাকার পরেও আপনি যদি ব্যানড লোকেশন থেকে ভিডিও আপলোড দেন তাহলে কি সেটা আইন ভাংগার সামিল হয়ে যাইতাছে না? 

ভালো স্পন্সর জোগাড় করে ভালো মানের নাটক তৈরী করে নিজেও ভালো মানের এমাউন্ট মেক করেন আর দর্শকদের কেও ভালো মানের কাজ দেখার সুযোগ করে দিন। দেশে অনেক নাট্যাভিনেতা আছে (মঞ্চ) যারা ইউটিউবে ভালো মানের কাজ দেখতে চায়। আগে দেখেছি এ্যাপস এ ভিডিও চ্যাট করা যায় ১ গিগাবিইটে এক সপ্তাহ। আর একটা ৪০ মিনিটের নাটক দেখলে যদি ৪০০ মেগাবাইট খরচ হয় তাহলে আর মানুষ নাটক দেখবে কেমন করে? এতো বেশী মেগাবাইট আয়তন সম্পন্ন ভিডিও বা মুভি যদি আপলোড করেন তাহলে তো আর ্তো বেশী এমবি খরচ করে লোকজন নাটক দেখবে না। ইউটিউবে নাটকের জন্য আলাদা ক্যামেরা সেট আছে যেখানে নাটকের কোয়ালিট হবে উন্নত আর আয়তনে হবে কম এবং যেটা দেখতে এমবিও খরচ হবে কম। ভালো মানের নির্মাতাদের কে দেখেছি সেই সকল ক্যামেরা সেট ই ব্যবহার করতে। আর যারা ভালো এসইও জানে তারা তো চাইলে দৈনিক ১ বিলিয়ন ভিউজ দিতে পারবে? কোথা থেকে ভিডিও ভিউজ আসতাছে তা দেখার জন্য আপনাকে অবশ্যই ইউটিউব ষ্টুডিওেএ্যাপস ডাউনলোড করে দেখতে হবে। 


Youtube Studio Google Apps



বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট আছে প্রায় ১ কোটি। কিন্তু ৫০ লাখেরই বেশী আছে অফিস আদালতে যেখানে বসে ইউটিউব দেখার কোন জো নাই। আর বাসা বাড়ীতে আছে বোধ করি ৫০ লাখ। সো সেভাবেই ইউটিউব ভিডিও গুলো মকে করতে হবে যেনো রুট লেভেলে গরীব মানুষ যাদের ভালো মানের মোবাইল আছে  তারাও যেনো দেখতে পারে। ইদানিং কালের ইউটিউব নাটক এতো দ্রুত গতিতে আগাইতাছে যাতে মনে হইতাছে আগেকার ২ এক্স লেভেলের বেড সিন দেখতে খুব বেশী সময় লাগবে না মনে হয়। অনেকেই অভিযোগ করে পরিবারের সকলকে নিয়ে ইউটিউব এ নাটক দেখার কোন উপায় নাই। কোয়ালিটি ভালো হলে কোয়ানটিটি কমে যায় কিন্তু কোয়ানটিটি বেশী হলে কোয়ালিটিও কমে যায়। বর্তমানের বাংলাদেশে উন্নয়নের এতো বড় জোয়ার লেগেছে যে- বেশী র্বষ্টি হলে যেমন ঢাকা মেগা শহরের ধানমন্ডি এলাকা ডুবে যায়- তেমনি ২০১১ সালে যেখানে সারা দেশে ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট পৌছে যাবার কথা সেখানে সেটা আজো লুকোচুরি রয়ে গেছে? 

Wednesday, August 5, 2020

Payelia Payel. পায়েলিয়া পায়েল কে ডাকা হচ্ছে জাতীয় ক্রাশ হিসাবে।




একে তো সুন্দরী তার উপরে ড্যাশিং স্মার্ট- মনে হয় খুব দ্রুতই থাকে নিয়ে যাবে খ্যাতির স্বর্নশিখরে। আরো রয়েছে ইউটিউব এর খ্যাতি, ছোট পর্দার জনপ্রিয়তা আর টিকটক।

Saturday, August 1, 2020

Wordpress Employment Form তৈরীর অভিজ্ঞতা।

ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটে একটা বড় সড় কাজ করে দিতে হয়েছে বিগত ২৪ ঘন্টাতে। ভাবলাম কিভাবে শেয়ার করা যায় সবার সাথে? তাই রেগুলার ব্লগ লেখার কথা মাথাতে আসলো- ভাবলাম এক্সপেরিয়েন্স টা শেয়ার করি। কাজটা ছিলো - এমপ্লয়মেন্ট ফর্ম তৈরী। ওয়েবসাইটে যারা সাইট ভিীজট করবে তাার অনলাইনে ক্লায়েন্টের কাছে জবের জন্য আবেদন করবে। আমি অনেক আগে  প্রোগাগ্রামিং শিখেছিলাম। ঘাটতে ঘাটতে অনকে কিছু চোখে ভাসতেছিলো। মনে মনে পুরাতন দিনের সমঋতিচারন করতেছিলাম প্রোগ্রামিং এবং আউটসোর্সিং রিলেটেড। অনেকের কাছেই ব্যাপারটা একেবারে পানির মতোই সহজ। আমি সচরাচর হোয়াইট হ্যাট এসইও নিয়ে কাজ করি । এডিশনালি সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং নিয়ে কাজ করি।ওয়ার্ডপ্রেস বেজড ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শিখা আছে। আগে অনকে ওয়েভসাইট ডিজাইনিং এর কাজ করেছি। আর এখণ সেগুলেঅ ঝালাই করতাছি। এই এতো বছর পরে ওয়ার্ডপ্রেস ডিজাইনের কাজ করতে যাইয়া যা বুঝতে পারলাম WP Builder  আগে যেমন সুন্দর ছিলো  এখনো তেমন সুন্দর আছে যা ব্যবহার করে ইডিলি ওয়োর্ড প্রেস ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট করা যায় অনেকেই আবার দেখলাম নাল থিম ব্যবহার করে বা লাইসেন্স ছাড়া  থিম ব্যবহার করে যেখানে হ্যাকারদের হ্যাকিং  একেবারে সহজ হয়ে যায়। আবার অনেকেই ক্রাকড থিম ব্যবহার করে সেখানেও হ্যাকারা ইজিলি ঘুরে বেড়ায়। আপনি যখনি কোন ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর কাজ করবেন আপনাকে অতি অবশ্যই ক্লায়েন্ট সিকিউরিটি এর ব্যাপারটা মাথাতে রাখতে হবে। যেনো কোন হ্যাকার আপনার ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট হ্যাক না করতে পারে। যাই হোক এমপ্লয়মেন্ট ফরম বানাতে যাইয়া যে যে প্লাগইন গুলারে চেষ্টা করলাম তারমধ্যে রয়েছে -

সবগুলোর ভেতরে সবার শেষে Visual Form Builder দিয়ে কাজ করাতে ক্লায়েন্টের ডিমান্ড ফিলআপ হলো। ক্লায়েন্ট চাইতেছিলো এমন একটা সেট আপ যেখানে ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটে যে কেউ জব এপ্লিকেশন ফরম ফিলাপ করবে সে ফরম টা সম্পূর্ন করার পরে সেও একটা নোটিফিকেশন পাবে এবং ওয়েবসাইটের যে মালিক সেও একটা নোটিফিকেশন পাবে। আমার ইচ্ছা ছিলো ফ্রি একটা প্লাগইন ব্যবহার করে সমস্যাটার সমাধান করা। প্রথমে একটা ফরম মেক করে দিছি - We Forms দিয়ে ফরমটা মেক করার পরে যখন নতুন কেউ আইসা ফরম ফিলাপ করতাছে তখন আর ক্লায়েন্ট কোন নোটিফিকেশন পাইতেছিলো না। এপ্লাই অনলাইন দিয়েও চেষ্টা করলাম কিন্তু নোটিফিকেশন পাইতেছিলো না। ফলে আরো সার্চ করার প্রয়োজন পড়লো। ফাইনালি পাইয়া গেলাম ভিজ্যুয়াল ফরম বিল্ডার। অনেকক্ষন সময় নিয়ে যত্ন করে পুরো ফরম টা ফিলাম করে একটা টেক্সট ফরম পুরন করলাম এবং সেটা ইমেইল ইনবক্সে আসলো এবং বুঝলাম যে কাজটা সম্পূর্ন হয়েছে। ক্লায়েন্ট কেও আপডেট দিলাম। তো ফাইনালি ২৪ ঘন্টার ভেতরেই কাজটা করে ফেলাইতে পারলাম আর ভাবলাম যে একমনে চেষ্টা কররে এখনো কাজ করা সম্ভব। 









      Translate