Monday, September 7, 2020

প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা।

প্রথম যখন কম্পিউটার দেখি তখন ১৯৯২/৯৩ সাল। বাংলাদেশ কৃষি বিম্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক- উনাদের বাসাতে সেই সময় কার ফ্লপি ব্যবহার করা কম্পিউটার নিয়া আসে। সৌভাগ্যবশত আমার বাবাও আমাকে একটা কম্পিউটার এনে দেন যেটাকে ফ্লপি ড্রাইভের সাহায্যে সেট আপ দিয়ে ব্যবহার করা যেতো। আমিও খুব মনোযোগের সহিত সেটাকে ব্যবহার করা শিখে গেলাম এবং সেই সময়ে সেটাকে ব্রিফকেস কম্পিউটার নামে অভিহিত করা হতো। আমি তখন আরো একটা বিশাল সুযোগ পাইলাম যাকে বলা হয় সেই সময়কার গোল্ডেন স্কোপ। স্কুলে হায়ার ম্যাথ যেখানে ম্যানডাটরি ছিলো সেখানে সেটাকে ঐচ্ছিক করা হয় এবং মাধ্যমিক ‍ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে সেখানে কম্পিউটার সায়েন্স কেও ঐচ্ছিক করা হয়। তখনকার সেই সুযোগ টা আমি কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। নবম শ্রেনীতে প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় হায়ার ম্যাথে আমি মাত্র ৫৬ মার্কস পাই এবং বুঝতে পারি যে এইটাতে সম্বভত আমি লেটার মার্কস তুলতে পারবো না। পরে আমি সেটা পরিবর্তন করে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে নেই। টানা ২ বছর ৪ মাস সেটা পড়ে মোটামুটি লেটার মার্কস সহ আরো ভালো মার্কস পাই যা আমার টোটাল নাম্বারে অনেক সাহায্য করে। কম্পিউটার সায়েন্সে যে ধরনের ম্যাথ বা ক্যালকুলেশন ছিলো তা পরবর্তীতে ২০০৮/০৯ সালে নির্বাচন কমিশনে কাজ করতে যাইয়া টের পাই একটা - এএফআইস (AFIS- Advanced Fingerprint Interface System) যা প্রত্যেক মানুষের ভোটার আইডি কার্ডের পিছনে কালো রংয়ের অংশে এবং মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের প্রথমে একটা স্পেশাল কোড দিয়ে দেয়া থাকে। এইটা স্ক্যান করে প্রোগ্রামার রা তার সমস্ত তথ্য বের করে নিতে পারবে। যেমন- IATA (International Air Transport Authority) আপনি বিশ্বের যতোগুলো এয়ারপোর্টে যাবেন এবং পাসপোর্ট এক্সেস করবেন আইইটিএ এর ডাটাবেজে সেটা থাকে কারন তারা সেটা ট্রাক করতে পারে ম্যাক কম্পিউটারের মাধ্যমে। সে ধরনের প্রোগ্রামিং শিখেছিলাম আমি যখন নবম /দশম শ্রেনীতে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ে থাকি। আর তার সাথে ছিলো খুবই জটিল বাইনারি (অকটেন, ডেসিমাল, হেক্সাডেসিমাল) পদ্বতির প্রোগ্রামিং এবং কোডিং। ম্যাথ এক্সামে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে না দিলেও - এই কম্পিউটার সায়েন্সে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দেয়- বাইনারি পদ্বতির ক্যালকুলেশন গুলো বের করা জন্য। তখন অলরেডী স্কুলের কম্পিউটার ল্রাবরেটিরী ও স্থাপন করা হয় এবং টানা ২ বছর আমরা সেই ল্যাবরেটরি তে কম্পিউটার রিলেটেড ক্লাস করি এবং পড়াশোনাও করি। তখন ডেস্কটপ কম্পিউটার সাথে উইন্ডোজ ৯৫- মনে রাখার মতো বিষয়। আর যখন ফাইনাল পরীক্ষা দেই তখন অলরেডী  উইন্ডোজ ৯৮ নিয়ে সারিা বিশ্বে কাজ শুরু হয়ে গেছে কিভাবে এবং কখন আসবে আর কেমনতর ভাবে আসবে? স্কুলে হায়ার ম্যাথ না নেবার কারনে অনেকেই আমাদেরকে ক্রিটিসাইজ করতো অনেক সময়- বলতো হায়ার ম্যাথ ছাড়া কি আর স্কুল পাশ হয় নাকি- কিন্তু সেই তারাই আজকে এই করোনা পরিস্থিতিতে কম্পিউটার বা ইন্টারনেট টেকনোলজীর কাছে হার মেনে বাসাতে বসেই তাদের অফিসিয়াল কার্যক্রম চালিয়ে যাইতাছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি- স্কুলে হায়ার ম্যাথ না করিয়ে সেখানে আরো আধুনিক ইন্টারনেট বা কম্পিউটার টেকনোলজী শিখানো উচিত। আমরা আমাদের স্কুলে ১০/১১ জনের মতো কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশোনা করি এবং এস.এস.সি তে ভালো মার্কস নিয়ে পাশ করি। আমাদের সেই সময়কার চেষ্টা ই হয়তো আজকে সারা দেশে কম্পিউটারের বিস্তারে বা যুগের পরিবর্তন করতে অনকে সাহায্য করেছে। সেই সময় কার হায়ার ম্যাথ করা লোকগুলো হয়তো গতানুগতিক ধারাতেই যুদ্ব  করে যাইতাছে।

তারপরে উইন্ডোজ ৯৮/মিলিনিয়াম/উইন্ডোজ ২০০০/ উইন্ডোজ সার্ভার/উইন্ডোজ এনটি এরকম নানা ধরনের প্রোগ্রামের সহিত দিন দিন আপডেট হইতে থাকলো। তিন ধরনের কম্পিউটারের কথা সবসময় শুনতাম-

  • ডেস্কটপ- টেবিলের উপরে রেখে যে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
  • ল্যাপটপ- কোলের উপরে রেখে যে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
  • পিডিএ- পারসোনাল ডিজিটাল এসিট্যান্স ( যা বর্তমানে টাচ ফোনকে বলা যায় )।
২০০৫ / ০৬ সালের দিকে প্রথম দেখি ল্যাপটপ কম্পিউটার। বড় বড় ধনী লোক যারা তারা ব্রিফকেসের মতো কিছু একটা নিয়ে ঘুরে বেড়াইতো। বা তখনকার দিনে যারা থুব দরকারি কাজ করতো তারা এই ব্রিফকেস কম্পিউটার বা এক ধরনের ল্যাপটপ কম্পিউটার নিয়ে ঘুরে বেড়াতো। ২/১ খানে দেখার সুযোগ পেয়েছি। ততোদিনে সারা দেশে বিস্তর কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে- মানুষ জনকে ইনকারেজ করতে হতো কম্পিউটার ব্যবহার করার জন্য। যারা বড়লোক তারা প্রত্যেকেই ব্যাপারটাকে ততোদিনে ড্রয়িং রুমের ফ্যাশন  হিসাবে নিয়ে নিয়েছে। ব্যবহার করতে পারুক বা না পারুক তারা তাদের কম্পিউটারে শো- তাদের ড্রয়িং রুমে দেখাতো। তারপরে আস্তে আস্তে সেটা বেডরুমের দিকে আসতে শুরু করে বা ষ্টাডি রুমের দিকে। তারপরে কয়েক বছর সেটাকে বেডরুমে রাখা হতো এবং এখন বিগত ৭/৮ বছর যাবত সবাই ল্যাপটপ কম্পিউটার কে তাদের বেডরুমে জায়গা দিয়ে দিয়েছে। অনেকের জন্য ঘরের বউ এর সতীন হিসাবে বিবেচিত হয়ে গেছে তবে যাদের বৌরা শিক্ষিত তারা ও প্রত্যেকেই ১/২ টা ল্যাপটপ কম্পিউটারের মালিক। ২০০৫/২০০৬ সালের দিকে ২/১ খানে ল্যাপটপ কম্পিউটা টাচ করার সুযোগ পাই। সে সময় আমি এপটেক ওয়ার্ল্ডওয়াইড থেকে ১৬-১৮ মাসের সম্মিলিত একটা কোর্স ( ডিপ্লোমা ইন ইনফরমেশন সিষ্টেম ম্যানেজমেন্ট) শেষ করি এবং সেখানেই আমি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার দেখতে পাই। মাঝে মাঝে ক্লাস শেষে বসে থাকতাম এবং কম্পিউটার রিলেটেড ম্যাগাজিন বা  ল্যাব এ থাকলে অনেক ধরনরে লোকজন বা মানুষ আসতো সেই এপটেক অফিসে- সেখানে অনেকের হাতে ল্যাপটপ দেখতে পাই এবং ২/১ জনের  কাছ থেকে আমি ল্যাপটপ নিয়ে দেখে থাকি এবং প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার টাচ করে দেখার সুযোগ পাই।

তারপরে থেকে তক্কে তক্কে ছিলাম যে কিভাবে ল্যাপটপ কম্পিউটার রিলেটেড একটা কাজে নিজেকে ইনভলব করা যায়। ২০০৬ সালে রামপুরা বনশ্রী আবাসিক এলাকাতে একটা আইটি ফার্মে  কাজ করতে যাইয়া আবারো এক গার্মেন্টস মালিকের কাছে ল্যাপটপ কম্পিউটার দেখতে পাই। সেটা মাঝে মাঝে ব্যবহার ও করতাম। সে প্রায়শই নিয়ে আসতো  এবং আরজে ৪৫ কান্ক্টের দিয়ে সেটা আমাকে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ দিতো। বনানীতে তার গার্মেন্টস আছে এবং সেই প্রথম আমাকে হাতে ধরে ল্যাপটপ কম্পিউটার এর কাজ শিখায়। তার বড় ভাই সে গার্মেন্টস এর মালিক এবং তিনি আমাকে আইটি ফার্মে নিয়োগ দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন তার ছোট ভাই এর কাছ থেকে ল্যাপটপ কম্পিউটার টা ভালো করে শিখে নেবার জন্য।  এরকম নি:স্বার্থ ভাবে কাউকে এরকম উপদেশ দিতে আর দেখি নাই যা পরবর্তী জীবনে অনেক বড় কাজে দিলো। তখন প্রথম বাংলা সফটওয়্যার বানানোর কাজ চলতাছে ফোনেটিক, অভ্র, বিজয়, একুশে, প্রভাত বা এরকম আরো কিছু সফটওয়্যার ইনজিনিয়ার রা একসাথে কাজ চালাচ্ছিলো । সময় পাইলেই তাদের সভা সেমিনার গুলোতে যোগাযোগ করতাম এবং সেখানেও ম্যাক্সিমামা টাইমে  ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে প্রোজেক্টরের ব্যবহার করে বড় স্ক্রিনে অনেক কিছু দেখা বা শেখার সুযোগ করে দেয়। তারপরে দেশে বাংলা সফটওয়্যারের আবির্ভাব ঘটে এবং সারা দেশে কম্পিউটারে বাংলা লেখার এবং শেখার ও একটা ধুম পড়ে যায়। দেশের রাজেনৈতিক অবস্থা পরিবর্তনের স্বাপেক্ষে তখন আবারো ময়মনিসংহে নিজের বাসাতে চলে আসতে হয়। দ্বিতীয় বারের মতো বাবার কাছে একটা ডেস্কটপ কম্পিউটার পাই। শুরু হয় ওয়ান ইলেভেন এবং মাইনাস টু রিলেটেড গ্যানজাম যার নাম মঈনুদ্দিন ফখরুদ্দিন। আমার দেখা বাংলাদশের সেরা ভালো সময়। বাসাতে বসে ডেস্কটপ কম্পিউটার পাইলাম আর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন ও পাইলাম। বসে বসে অনেক কাজ শিখলাম আর ফ্রি ল্যানসিং এবং আউটসোর্সিং এর অনেক কাজও শিখলাম এবং করলাম। ফরেনার বা ফরেন বায়ার রা বিনামূল্যে কাজ শিখাতো। যে সকল মেসেনজারে তখন কাজ শিখতাম-

  • উইন্ডোজ লাইভ
  • মাইক্রোসফট মেসেন্জার
  • ইয়াহু
  • স্কাইপে
তবে আমার কাছে খুবই ভালো লাগতো লাইভ ম্যাসেন্জার। সেটাতে সবচেয়ে বেশী ফিচার ছিলো। সে সময়ে ব্যবহার করা বা ওপেন করা একটা স্কাইপে একাউন্ট এখনো আমি ব্যবহার করি- skype: masudbcl  একদম নীচে দেয়া একটা একটা বাটন আছে সেখানে ক্লিক করলে আপনি আমার স্কাইপে তে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। 

ওয়ান ইলেভেনের সময় ছিলো ২ বছর। ২ বছর দেশের সকল রথী মহারথীকে হাউস জেল তৈরী করে বন্দী করে রাখা হয় এব ংবাংলাদেশ সেনাবাহিণী সারা দেশে খুবই তৎপরতা চালায়। সকল ধরনের রাজনৈতিক গ্যানজাম বন্ধ ছিলো। অনেককে ধরে ধরে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটানো হয়। আমার মতে সেই দুই বছর দেশ খুব ভালো ছিলো।  সেই সময়ে বাংলাদেশ সরকারের নেয়া প্রজেক্ট- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এর ভোটার তালিকা হালনাগাদে ইউএনডিপি প্রজেক্টে কাজ করার জন্য সিলেক্টেড হই। তার আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিণীর কাছে ভোটার তালিকা তে লিপিবদ্ব হই এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ও পেয়ে যাই খুব দ্রুত। সে সময়ে সেনাবাহিণীর সৈনিক বা অফিসারদের দেখলাম একসাথে সারিবদ্বভাবে বসে থেকে ল্যাপটপ কম্পিউটার দিয়ে  ভোটার তালিকা তৈরী করতে। তাই বুঝতে পারলাম যে আমাকেও ভোটার তালিকা তৈরীর কাজ ল্যাপটপ দিয়ে করতে হবে । নির্বাচন কমিশন সবিচালয়ের প্রজেক্ট অফিস থেকৈ এপয়েন্টমন্টে নিয়ে ট্রেনিংএ যাই এবং ট্রেনিং শেষে ১২-১৫ টা ল্যাপটপ নিয়ে ফিল্ডে কাজ করতে হবে বুঝতে পারলাম। সিটিসেল জুম দিয়ে প্রতিদিন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে রিপোর্টিং করতে হবে বুঝতে পারলাম। আমার দ্বায়িত্ব পড়লো ময়মসিংহ জেলাতে। ময়মনসিংহ শহরে আমাদের নিজস্ব বাসা - এখানে ২০ নং ওয়ার্ডে। নিয়োগপত্র নিয়ে ময়মনসিংহ শহরে আসলাম। বিভাগীয় কমিশনারের কাছে নিয়োগপত্র দিয়ে লোকাল ট্রেনিং এর আয়োজন করলাম ডিসি অডিটোরিয়ামে। সেখানে লোকালি ময়মনসিংহ নির্বাচন কমিশন থেকে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এবং টিম লিঢারদেরকে ট্রেনিং দিয়ে সবকিছু বুঝাইয়া দেয়া হলো। সেই সাথে নির্বাচন কমিশন থেকে আসা ল্যাপটপ ও পেয়ে গেলাম পার হেড একটা করে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর দের ল্যাপটপ ছিলো টিম লিডারের দ্বায়িত্বে আর একটা পারসোনাল ল্যাপটপ আমি পাইলাম নির্বাচন কর্মকর্তার অনুমতি স্বাপেক্ষে  সার্বক্ষনিক ব্যবহার করার জন্য। ময়মনসিংহে আমি ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল এবং ভালুকা এই ৩ টা উপজেলাতে কাজ করি। ৩ টা উপজেলাতেই আমি গাড়ে ঝুলিয়ে নিয়ে যাইতাম ল্যাপটপ কম্পিউটার। সিটিসেল জুম ব্যবহার করে প্রতিদিন রিপোর্ট সেন্ড করতাম নির্বাচন কমিশন  সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে- উপজেলার ভোটার তারিকা নিবন্ধনের হালনাগাদ।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের  দেওয়া ল্যাপটপ টি ছিলো ডেলের। সেই ভারী এবং সেই শক্ত। মাঠ পর্যায়ে ছেলে পেলে দেরকে দেখেছি একজন আরকেজনের সাথে ল্যাপটপ নিয়ে ছোড়াছুড়ি করতে। আমারো হাত থেকে পড়ে গেছিলো ২/৩ বার কিন্তু তেমন কিছু হয়  নাই। জাতিসংগের ইউএনডিপির অর্থায়নের প্রজেক্ট, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের প্রজেক্ট, ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রনয়ন ও জাতীয় পরিচয়পত্র এর প্রজেক্টে নিজেকে ইনভলব রাখতে পেরে যার পর নাই খুশী হয়েছিলা, সেই সাথে আমি পেয়েছিলাম ল্যাপটপ ব্যবহারের ফুল ফেস সুযোগ। সেই থেকে শুরু- আজো ল্যাপটপ কম্পিউটার আমার সংগী তবে আমার প্রিয় ব্যান্ড এইচ পি - ডেল এবং এইচ পি এই দুইটা দিয়ে যতো মনে চায় ততো ব্যবহার করার একটা মজা পেয়েছি। যে কোন সময়ে যে কোন খানে বসে ল্যাপটপে কাজ করা এবং গ্রামে গঞ্জ এলাকার মানুষের অবাক হয়ে তাকিয়ে  থাকা - এই ব্যাপারটাও অনেক এনজয় করেছি। আমি যখন ফুলটাইম ল্যাপটপ ব্যবহার করি তখন শতকরা ১% ও ও কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা ল্যাপটপ ব্যবহার করে কিনা সন্দেহ। একদিন থানা শঅহবাগে কয়েকজন বড় ভাই এর সাথে দাড়াইয়া ছিলাম। তখন একটা সুন্দরী স্মার্ট মেয়েকে দেখলাম- শাহবাগ থেকে বাটা সিগন্যালের দিকে যাইতাছে এবং হেটে হেটে সে একহাতে ল্যাপটপ কম্পিউটার রেখে আরেকহাতের আঙুলে ল্যাপটপ কম্পিউটারের স্ক্রিন ব্যবহার করতাছে। মেয়েটা ফেস পরিচিত ছিলো। আর সচরাচর ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে প্রাইভেট কারের সামনে পেছনে বাকেটে (যেখানে ইন্জিন বা লাগেজ রাখে তার ঢাকনা) উপুর হয়ে অনেক অনেক মেয়েকে দেখেছি ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহার করতে রাস্তাতে নিজের গাড়ীর উপর দাড়িয়ে দাড়িয়ে(তখন রাস্তা ঘাট মোটামুটি ফাকাই ছিলো- ছিলো বাংলালায়ন, কিউবি বা ওলোর মতো স্মার্ট ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি) - কখনো কোথাও কোন কাজ না পারলে সেখানে একটা গ্যানজামের মতো তৈরী হতো এবং দাড়িয়ে পড়ে সেই সমস্যার সমাধান করে পরে যাইতে হতো (ল্যাপটপ, ইন্টারটে, ওয়েবসাইট সংক্রান্ত)- বোধ করি সেই সকল স্মার্ট মেয়েরা আজকে ইউরোপ আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা। আর আজকাল কার দিনে যদি কেউ শুনে যে- ল্যাপটপ নিয়ে উপুর হয়ে বসে কাজ করতাছে- যে কোন বদমাইশ এইটার মিনিং করবে নিশ্চিত উল্টা।

বাংলাদেশে অনেকেই ল্যাপটপের একটা উল্টা মিনিং করে থাকে যার কোন মানে নাই। ল্যাপটপ একটা কম্পিউটার ডিভাইস যা শুধূ কম্পিউটার ব্যবহারের জণ্যই ব্যবহৃত হয়। আমি যে প্রজেক্টে কাজ করেছিলাম সেটা এখন সরকারের অধিদপ্তর। যার নাম জাতীয় পরিচয়পত্র অনু বিভাগ- যেখান থেকৈ জাতীয় পরিচয়পত্র এনরোলমেন্ট করা হয়। শেষ খবরে দেখেছি সেটার পরিচালকের নামও আমার নামে- বাংলাদেশ মিলিটারির একজন জাদরেল অফিসার- বিগ্রেডিয়ার মাসুদ। উনিই্ এখন প্রধান কাকে কাকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হবে বা না হবে সে ব্যাপারে সিদ্বান্ত নেবার জন্য। 

Sunday, September 6, 2020

ভার্চুয়াল লাইফ এবং রিয়্যাল লাইফের যোগাযোগ বলতে সাধারনত কি বুঝি ? আমার ২০ বছরের ইন্টারনেট ব্যবহার অভিজ্ঞতা থেকে।

একসময় মানুষ ইশারা ইংগিতে যোগাযোগ করতো। আদিকাল থেকে যখন জংলি মানুষ চলাফেরা করতো তখন মানুষ ইশারা ইংগিতের মাধ্যমে যোগযোগ করতো। চোখে চোখেও যোগাযোগ করতো আর নিত্য প্রয়োজণীয় চাহিদা মিটাতো। তারপরে আসে আকাআকি মেথড। মাটিতে বা বালূতে বা গাছে আকাআকি করে প্রয়োজনীয় সংকেত বিনিময় এবং একজন আরেকজনের সাথে কথা বলার চেষ্টা। তারপরে আসে শব্দ মেথড। মানুষ শব্দ করতে শেখে পশু পাখিকে শব্দ করতে শুনে এবং শুনে শুনে মানুষ কিছু না কিছূ তথ্য বিনিময় করতে শেখে। এইভাবে তৈরী হয় ইথার  বা বোধ করি প্রথম দিন থেকে ইথার প্রচলন ছিলো। ইথার বলতে যা বুঝি- একজন মানুষের মনের কথা আরেকজন বুজতে পারা বা শুনতে পারা এইটাকে ইথার বলে। ইথারনেট নামক একটা শব্দ ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারের সাথে পাওয়া যায়-ে ইন্টারনেটে কানেক্টেভিটি র সময়ে অনেক সময় দেখা যায়। ছোটবেলায় হুমায়ুন আহমেদের গল্পের বইয়ে প্রথম ইথারের কথা জানতে পারি। মনে মনে কাউকে ভাবা বা চিন্তা করা, তার মনের সাথে কানেক্টেড হওয়া এবং তার সাথে বাস্তাবে দেখা স্বাক্ষাৎ করা এই ব্যাপারগুলো ইথার কানেকশনের মধ্যে পড়ে। একসময় আসে মানুষের লেখার প্রচলন। মানুষ চিঠি লিখতে শিখে- মানুষের সাথে মানুষের শব্দ, ভাষার ব্যবহার বেড়ে যায় এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষার ব্যাপক প্রচলন ঘটে। পরিপূর্ন ভাষা এবং লিখা মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ধীরে ধীরে মানুষ যন্ত্র আবিস্কার করতে শেখে। সেই যন্ত্রের মাধ্যমে মানুষ তার সম্পর্ক ও যোগাযোগ কে আরো অধিকতর উচ্চতায় নিয়ে যায়। যেমন টেলিভিশন। তারপরে মানুষ মোবাইলে যোগাযোগ করতে শেখে। আস্তে আস্তে আরো গতিশীল হয় যোগাযোগের মাধ্যম। মাঝে একসময় মানুষ যখন লিখতে শিখে তখন কবুতরের পায়ে চিঠি লিখে এক খান থেকে আরেকখানে পাঠাতো বা আরো কিছু পাখি ব্যবহার হতো। তারো আগে মানুষ যখন কথা বলতে শিখে তখন কবুতর বা যে কোন ট্রেনিং প্রাপ্ত পাখিকে কথা বলে দিতো অনেক তারপরে সে নির্দিষ্ট কানে যাইয়া সে কথাটা বলে দিতো বা শিখাইয়া দিতো। এখন এসেছে ইন্টারনেট। কথা বলার সাথে সাথে পারস্পরিক দেখা স্বাক্ষাৎ ও হয়ে যাইতাছে অডিও এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে। বর্তমানের করোনা পরিস্থিতি বাংলাদেশের প্রত্যেক রথী মহারথীকে ইন্টারনেটে অডিও ভিডিও কলে জয়েন করতে বাধ্য করেছে যারা একসময় নাক ছিটকাতো ইন্টারনেটে ভিডিও কলের কথা শোনলে তারা এখন ভিডিও কলের মাধ্যমে ঘরে বসে অফিস করে টাকা রোজগার করে ইনকাম করে সংসার চালাইতাছে। যারা ইন্টারনেটে ক্যাম প্রফেশণাল বা এডাল্ট ক্যাম প্রফেশনাল (বাংলাদেশে এই ধরনের ওয়েবসাইট গুলো বন্ধ কয়েখ বছল যাবত) হিসাবে কাজ করতো সেই ২০০০ সাল থেকে- বাংলাদেশের শিক্ষিত জগতের শতকরা ৯০% মানুষ তাদেরকে ঘৃনা করতো যে অদ্ভুত এক উপায়ে তারা উপার্জন করতাছে আর আজকে যখন সারা বিশ্বের মানুষ ঘরে বসে ইন্টারনেটে ভিডিও কলের মাধ্যমে অফিস আদালতে সব মিটিং বা কাজ সরতাছে- তখন ক্যাম প্রফেশনাল বা এডাল্ট ক্যাম প্রফেশনাল রা রা তাদেরকে ঘৃনা না করে বরঞ্চ খুশী যে ভিডিও কলিং কমিউনিটি অনেক বড় হয়েছে।

বর্তমানে বলা হয়ে থাকে ভার্চুয়াল জগত। এই ব্যাপারটা কে সবাই গুলাইয়া ফেলায় অনেক সময় দেখলাম। ভার্চূয়াল জগত এবং ইন্টারনেটের জগতের মধ্যে যথেস্ট প্রার্থক্য আছে। ইন্টারনেট জগতে সহজে যে কেউ যে কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারে। বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় ইন্টারনেট একটি অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যমে। আমি একটা প্রেমিক এবং প্রেমিকার সম্পর্কের মাধ্যমে এই যোগাযোগের ধারনা টা বোঝানোর চেস্টা করবো। মানুষ আসলে সবাই সব ধরনের যোগাযোগ কে বোঝার চেষ্টা করে না। তারা চিন্তা করে তাদের যোগাযোগটাই প্রধান। কিন্তু অপর সাইডের মানুষ কি ধরনের যোগাযোগ পছন্দ করে তা কখনো জাষ্টিফাই/জাজমেন্ট করতে চায় না। সব সময় নিজের ধারনাটা আরেকজনের উপরে চাপাইয়া দেবার চেষ্টা করে। যদি যুক্তি না থাকে সেখানে তাহলে সেটা পুরোটাই অনর্থক। মনে করেন একটা ছেলে গভীর রাতে একটা মেয়েকে স্বপ্ন দেখলো এবং তার পরের দিন সে সত্যিই মেয়েটাকে দেখে ফেলাইলো - এইটাকে বলা হয় দৈবাৎ বা হঠাৎ করে। অদৃষ্টের ইশারা বা ভাগ্যের লিখন হিসাবে ব্যাপারটা  বর্ননা করা যায়। আর যদি মেয়েটাও একই স্বপ্ন দেখে তাহলে বোঝা যাবে যে - এইখানে ভাগ্যের একটা ইশারা আছে। দ্বিতীয়ত- ইন্টারনেটে একটা মেয়েকে ভালো লাগলো- তাকে ম্যাসেজ দিলাম- সে রিপ্লাই দিলো- তার সাথে যোগাযোগ হলো- কথাবার্তা হলো - রিয়েল লাইফে তার সাথে কথা হলো মোবাইলে এবং বাস্তাবে দেখা স্বাক্ষাৎ হলো এইটাকে বলা হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থেকে দেখা বা পরিচয়। তারপরে যদি কোন সম্পর্ক ডেভেলপ করে সেটা বাস্তব জগতে সম্পর্কের ডেভেলডন্টে হিসাবে বিবেচিত হয়। 

ইন্টারনেট থেকে যদি কাউকে ভালো লাগে আর তখন পারস্পরিক যে যোগাযোগ তৈরী করার চেষ্টা করা হয় সেটাকে বলা হয় ভার্চুয়াল কানেক্টেভিটি বা ইথারনেট। মূলত ইথারের যোগাযোগকে ভার্চূয়াল জগত বলে। মনে করেন এক খানে বসে আছি- হঠাৎ করে একটা মেয়ের ছবি মনের চোখে ভেসে উঠলো। সে আমার কথা শূনতে পারে কিনা সেই হিসাবে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে- তুমি কোথায় থাকো বা তোমার মোবাইল নাম্বারটা দাও। সে তার মোবাইল নাম্বারটা দিলো এবং আমি টুকে নিয়ে তার সাথে কথা বললাম এবং বাস্তাবে তার সাথে দেখা করার জন্য ইন্টারেষ্টেড হলাম - এইটাকে ভার্চূয়াল জগত থেকে পরিচয় বলে। আর আমার মনের সাথে আরেকটা মেয়েল মনের যোগাযোগ হলো তাকে ভার্চুয়াল কানেক্টিভিটি বলে।  একজন মানুষ যখন আরেকজনকে ভালোবাসে সেটাকে ভালোবাসার জগত বলে। ভার্চুয়াল জগত থেকে ভালোবাসার জগতের সৃষ্টি হয়। ইন্টারনেটে থেকে যদি কেউ ভার্চুয়াল জগতে বিচরন করে আর যদি তার মনের আশা পূর্ন না হয় তাহলে সটো তার মনের উপরে একটা ভালো ইমপ্যাক্ট তৈরী করে যার প্রবাব বা রেশ থাকতে পারে অনেক বছর। একটা মানুষ যদি বর্তমানে প্রচলিত মেথডে হঠাৎ করে পপুলার হয়ে যায় আর যদি সে বাংলাদেশের সো কলড সমাজ ব্যবস্থায় বসবাস করে তাহলে এই হঠাৎ ভার্চুয়াল হওয়াটা তার জন্য মৃত্যুর কারন ও হতে পারে যেমন আমরা অনেক সময় দেখে থাকি আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা খুব সাবধারন সাধারন কারনেও আত্মহত্যা করে থাকে। কয়েকদিন আগে দেখলাম - ঢাকা শহরে প্রতি ঘন্টায় গড়ে একজন  মেয়ে আত্মহত্যা করে থাকে - এই সকল ব্যাপারের পিছনে ভার্চুয়াল জগত ও অনেকটা দায়ী। না জেনে কাউকে কখনো ভার্চুয়াল জগতে আমন্ত্রন জানানো ঠিক না, হঠা] করে কাউকে পপুরার করে দেয়া ঠিক না- তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। বর্তমান বাংলাদেশে হাজারো কারনে মানুষ ভার্চূয়াল জগতে প্রবেশ হইতাছে। একজন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ বা কানেক্টেড হইতাছে ভার্চুয়াল জগতে। হঠাৎ করে আমি একটা কথা বললাম আরেকজন সেটার রেসপন্স করলো কিন্তু সে আমার সামনে নাই- সে আমার মনের কথা শুনতে পেরেছে এই ব্যাপারগুলোকে ইথারের জগতের ভার্চূয়াল কানেক্টিভিটি বলে।ভার্চুয়াল জগতে শুধুমাত্র বিপরীত লিংগের প্রতি রেসপন্স দিতে হয়। আবার ভার্চূয়াল জগতে মনের চোখে একজন কে দেখলাম - তাকে ভালো লাগলো তার সাথে বাস্তবে দেখা করলাম আর তার সাথে প্রেম হলো  এই ব্যাপারটাকে ভার্চুয়াল জগত থেকে প্রেম বলে বা ভার্চুয়াল জগত থেকে শুরু হওয়া প্রেম বলে।  

সৃষ্টির প্রথম থেকেই মানুষের ভাব জগতের যে আনাগোনা বা লেনাদেনা তাকে যোগাযোগের মাধ্যম বলা হয়। সব ধরনের যোগাযোগ ই সব ধরনরে মানুষের জন্য প্রযোজ্য। ইন্টারনেট এবং ভার্চুয়াল দুইটা ভিন্ন ভিন্ন ইংরেজী শব্দ, দুইটার মিনিং ও আলাদা। আমাদের দেশে মাঝে মাঝে দুইটাকে এক করে ফেলা হয়। ইন্টারনেটের জগত ব্রডব্যান্ড, ওয়াই ফাই বা মোবাইল ইন্টারনেট এইগুলো র উপরে ডিন্ডেস করে তৈরী হয়। আর ভার্চুয়াল জগত টা মানুষের মনের ভেতর থেকৈ তৈরী হয়। ভার্চুয়াল জগতে অনেক অলী আউলিয়ারা ও চলাফেরা করে। আমরা যকণ প্রথম ভার্চুয়াল জগত টাকে অনুধাবন করতে শিখি তখণ থেকৈই বড় ভাইরা বলতো ভার্চুয়াল জগতে খুব বেশী গ্যানজাম করবি না - কারন এরকম মনের জগতে বা ভার্চুয়াল জগতে অনকে সময় অনেক সাধূ সন্নাসী বা অলি আউলিয়ারা বসবাস করে বা চলাফেরা করে। এখন যদি এই সব না শুনে খুব বেশী গ্যানজাম করস তাহলে হয়তো বদদোয়াতে পড়তে পারস তাতে হয়তো তোর হিতে বিপরীত হতে পারে, ক্ষতি হতে পারে। তোর এবং তোর সাথে সকলের। সো এইখানে যতো পারস চুপচাপ থাকবি। কারন এই মনো জাগতে বা ভার্চুয়াল জগতে বা চুপচাপ থাকার জগতে- 

  • মানুষ জন এবাদত কের যেখানে তার ডিষ্টার্ব হতে পারে। 
  • জীবিত নবী, অলি, আউলিয়াদের পদচারনা থাকতে পারে যেখানে মানুণের বিপদ হতে পারে। তাদের বদদোয়াতে অভাব বা দুর্ভিক্ষ নেমে আসতে পারে। 
  • স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করে যেখানে তাদের বিরক্ত হতে পারে। 
  • হাসপাতালে বা ঘরে অসুস্থ রোগী থাকতে পারে যেখানে তাদের কষ্ট হতে পারে। 
  • বৃদ্ব মানুষ যারা বিভিন্ন সময় আরাম করে তাদেরও বিরক্ত হতে পারে। 
ভার্চুয়াল জগত টা একটা অসীম ব্যাপার- সীমাহীন আকাশ বা মহাসাগরের মতো যাকে কখনো কন্ট্রোল করা যায় না। মানুষের মরে জগতটাকেই ভার্চুয়াল ঝগত হিসাবে ধরা হয়। মন সীমাহীন একটা ভ্যাপার। সেটা কন্ট্রোল করার ছেষ্টা করাটা ঠিক না । মনের উপরে কারো জোড় খাটে না। মানুষের মনের রং এককসময় একক আকার ধারন করে। মানুসেল একক সময় এককটা উড়াল পারে। মানুষের মনের উপরে কারো জোড় খাটে না। মনটা যার- সিদ্বান্ত টা তার। ভার্চুয়াল জগত থেকে ইন্টারনেটে আসা যায়। যদি আমি খুব ভালো চিত্রশিল্পী হয়ে থাকি- তাহলে মনের জগতে কাউকে দেখার সাথে সাথেই তার ছবি এক সেটা ইন্টারনেটে পিকচার সার্চে দিয়ে তাকে বরে করে ফেলতে পারি যদি সে ইন্টারনেটে এভেইলেবল থাকে। যারা সম্পূর্নই মনের জগতে বিচরন করে তাদরেকে ইন্টারনেট বিশ্ব এখনো ক্যোপচার করতে পারে নাই। আমি এমন অনকেকেই চিনি যারা অনেক শিক্ষিত তারা এখনো ইন্টারনেট ব্যভহার করে না। তো আমি তাদের মধ্য থেকে ২/১ জনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম- তারা বলতাছে আমরা আমাদের মনের জগত টাকে হারাতে চাই না। আমরা যারা বন্ধু তারা একটা মনের জগতে বসবাস করি। আমরা একে অপরকে দেখে থাকি। তোরা যেটাকে ভার্চুয়াল জগত বলে থাকস। তখন আমি বুঝতে পারলা, যে ইন্টারনেট টা তাদের দরকার নাই। আসলেই যারা ভার্চুয়াল জগতে সবসাস করে তাদের জন্য ইন্টারনেট না হইলেও চলে। আবার অনেকে দেখেছি খারাপ শারিরীক সম্পর্কের জগতে বসবাস করে- ইন্টারনেট দুনিয়াতে তাদের জন্য ইন্টারনেট ব্যভহার কে সীমিত করা হয়েছে। তাদেরকে দৈনিক শুধু ১৫ মিনিট ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেয়া হয়। এখণ আপনি যদি মনে করেন সেই ধরনের মানুষকে সারাদিন ইন্টারনেট দিয়ে রাখবেন তাহলে আপনি সারা বিশ্বের নিয়ম রক্ষা করলেন না। যে কোন ধরনের অনিয়মের কারনে মানুষ জন ভার্চুয়াল হয়ে যাইতে পারে।  এখখানে একদিন পড়েছিলাম- সঠিক মনে নাই কোথায় পড়ে ছিলাম- যে ভার্চুয়াল হয়ে যাওয়া মানে হইতাছে মৃত্যুর পূর্ব মূহুর্ত। ভার্চুয়াল জগেত শুধুমাত্র একটা ছেরে একটা মেয়ের সাথেই কথা বলবে বা যোগাযোগ করতে পারে কারন একটা আদমের সাথে একটা হাওয়া (আ:) এর দুনিয়াতে দেখা হবার আগে শুধু ভার্চুয়াল জগত টাই ছিলো। দুজন দুজনকে মনের জগত থেকৈ দেখতেছিলো এবং একজন আরেকজনের জন্য দোয়া করতেছিলেন এবং একসময় একজন আরেকজনকে পেয়েও যান।এইখান থেকে মনের জগতের মিল- কথাটাও ইস্টাবলিশ হয়ে যায়।  সেই সুনন্ত টা রক্ষা করার জন্যই একখানে দেখেছিলাম যে-একজন পুরুষ ভার্চুয়ালি একজন মহিলার সাথেই শুধু কথা বার্তা বলবে। মেয়েদের গর্ভবতী হবার ক্ষমতা থেকে ভার্চুয়াল জগতে েএকজন আরেকজনের সাথে কথা বললে সেটা মেয়েরা তাদের নিজস্ব ক্ষমতাবলে সামাল দিতে পারে। ভার্চুয়ালি কক্ষনো একজন ছেলে আরেকজন ছেলের সাথে কথা বলা  বা একজন মেয়ে আরেকজনে মেয়েল সাথে কানেক্টেড হওয়া ঠিক না- সেটা লাইফ রিস্ক হিসাবে বিবেচিত হবে । শুনেছি ভার্চুয়াল জগতে েএকজন পুরুষের সাথে যদি আরেকজন মহিলার যোগাযোগ না হয় তাহলে ভার্চুয়াল জগতে বিচরন কারী যতো ধরনের আধ্যাত্মিক আত্মা বা ব্যাপার ষ্যাপার আছে তারা  সবাই ক্ষেপে যায়। তাার আধ্যাত্মিক জগতের আত্মা- তারা ক্ষেপে গেলে তো নিজরে জন্য সমূহ বিপদ। আমি নিজে ব্যাক্তিগতভাবে  ভার্চুয়াল জগতে হয়রত আদম (আ:) এবং হয়রত হাওয়া (আ:) এর সুন্নত অনুযায়ী শুদূ মাত্র আমার বিপরীত লিংগের একজন মহিলার সাথেই কানেক্টেড থাকতে চাই। (এট এ টাইমে একজনই। একজনের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে আরেকজনের সাথে কানেক্টেড থাকতে চাই কিন্তু আমি কখনো ভার্চুয়াল জগতে অন্য কোন পুরুষের সাথে কানেক্টেড তাকতে চাই না কারন আমার সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন- ষ্ট্রেইট) ।

বর্তমান ইন্টারনেট জগতটাতে আমরা যে যে জগতটাতে বিচরন করে থাকি সেগুলো হলো-
  • ভার্চুয়াল জগত (মনের জগত)
  • ইন্টারনেট জগত (আধুনিক বিশ্বে যোগাযোগর জগত)
  • রিয়েল লাইফ (বাস্তব জগত)।
সাধু, সন্নাসী, অলি, আউলিয়া এরা বেশীর ভাগ সময়েই ভার্চুয়াল জগতে বিচরন করে এমনকি মৃত আত্মাও। আত্মা তো আর কখনো মরে না। আত্মা তো এক সময় সৃষ্টিকর্তার কাছে ছিলো- সঠিক বাবা মায়ের সঠিক ভালোবাসর মাধ্যমে পৃথিবীতে এসেছে আবার সঠিক ভাবে জীবন যাপন করে একটা সময় পৃথিবী ছেড়ে চলে ও যাবে। কাল হাশরের দিন সৃষ্টিকর্তা আবারো একসাথে করবেন আত্মা এবং শরীরকে। তারপরে শুরু হবে হিসাব এবং জান্নাত জাহান্নামের ফয়সালা। কোন সমস্যা সমাধানের নিমিত্তে যদি সারা দেশে কখনো কোন ভার্চুয়াল গ্যানজাম লেগে যায় সেখানে ভাচুয়াল জগতে বিচরন কারী সাধূ, সন্নাসী এবং জীবিত বা মৃত আত্মারাও তেমন কিছু মনে করবে না কারন এইখানে একটা সমস্যা সমাধানের নিমিত্তে কিছু মানুষ ভার্চুয়াল হয়ে গেছে । শুনেছি শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ ও সারা দেশের মানুষের জন্য ভার্চুয়াল  আত্মার  মিলনস্থলে পরিনত হয়েছিলো। জীবিত আত্মার সম্মেলনের সাথে অনেক মৃত আত্মার ও সম্মেলন হয়েছিলো বিশেষ করে যারা জয় বাংলা বলে মারা গেছিলো তারা বোধ করি শাহবাগ গনজাগরনের গর্জনে পুনরায় জীবিত হয়ে উঠেছিলো এবং আত্মিক এক জগত তৈরী করে দিয়ে গেছে সারা বিশ্বে বিস্ময় সৃষ্টিকারী গজাগরন ২০১৩। 

ভার্চুয়াল বা ভার্চুয়াল জগত শব্দটা অনেক সময় ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয় কিন্তু আমি আমার ২০ বছরের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকেই এইভাবেই নিজেকে আলোকপাত করি এবং আমার পক্ষে আমার এই সাজানো বর্ননা থেকে বের হওয়া সম্ভব না্ । আমার সাথে যারা চলাফেরা করে বা আমাকে যারা ভালোবাসে বা আমাকে যারা ফলো করে তাদের কাছে ক্লিয়ার থাকার জন্যই আমার এই লেখা। 

তাহলে যে তিনটা জগতের কথা বললাম- সেটার একটা সংক্ষিপ্ত রুপ দেখি। 
  • ভার্চুয়াল লাইফ- মনের সাথে মনের যোগাযোগ। (মনের চোখে দেখতে পাওয়া বা সৃষ্টিগত নানা ব্যাপার স্যাপার কিংবা যে কোন কারনে একে অপরের কাছাকািছি চলে আসা)
  • ইন্টারনেটের জগত- ইমেইল, মেসেন্জার, ওয়েবসাইট, এ্যাপ. মোবাইল, কল, সামাজিক যোগাযোগের যতো  মাধ্যমে আছে সবগুলোকে একসাথে বলতে পারি ইন্টারনেটের জগত।
  • বাস্তব জগত - বাস্তবে সামনা সামনি দাড় হওয়া, চোখাচোখি হওয়া , হাত ধরা, সম্পর্কে জড়িত হওয়া, সংসার করা এইটা বাস্তব জগত বলে থাকি আমি। 
এইখানে সৃষ্টি জগতের আরো বহু ব্যাপার স্যাপার থাকতে পারে- এককজন এককভাবে বলে থাকতে পারে। আমার ১৯৯৩/৯৪/৯৫ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রনীত কম্পিউটার সায়েন্স কোর্স  কমপ্লিট করা, ডিস্ক অপারেটিং সিষ্টেমের কম্পিউটার ব্যবহার করা (বসে বসে প্যারা গেম খেলা আর সাদা কালো স্ক্রিনে লেখালেখি করা, বায়োস প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করা, রঙ্গিন জগতের কম্পিউটারের আবির্ভাব উইন্ডোজ ৯৫ ব্যবহার করা শুরু করা, ইন্টারনেটের প্রথম দিন থেকে ব্যবহার করা, এপটেক ওয়ার্ল্ডওয়াইড থেকে ২০০৪/২০০৫ সালে ইণফরমেশণ সিষ্টেম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করা ১৬-১৮ মাস) , ২০০৩-২০১১ পার্ট টাইম ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং করা এবং ২০১১ থেকে পুরোদমে ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং এর সাথে জড়িত থাকা থেকে আজ পর্যন্ত- এই টোটাল অভিজ্ঞতার আলোকেই আমি এই ক্ল্যারিফাই করেছি । আমি আপনাকে আমার ক্লারিফিকেশন বোঝাতে চাইতাছি না- আমি চাইতাছি আমার ফ্যান ফলোয়ার রা এবং আমার ভালোবাসার মানুষগুলো আমার ক্লারিফিকেশন টা বুঝতে পারে। 

নোট: চোখের সামনে সাদা কালো কম্পিউটার কে রঙ্গিন হতে দেখা এবং তখন কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করা - আমার সারা জীবনের অবিস্মরনীয় রেকর্ড হয়ে থাকবে। সেটা ছিলো ১৯৯৫ বা তৎ পরবর্তী সময় (সেই সময়ে এশিয়াতে ইরাক টু আফগানিস্তান ভয়াবহ যুদ্বের সুচনা হয়- পত্রিকা থেকে জানা। ১৯৮০ থেকে শুরু হওয়া যুদ্বের এক্সটেনশন। পরে সেটা ২০০৬ পর্যন্ত গড়ায় এবং সাউথ এশিয়ার ২/১ টা দেশকে জনমের শিক্ষাও দেয়) । তখন আমার বাবা (অধ্যাপক আবুল হোসেন, মৃক্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ, কৃষি অনুষদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে ২০১৭ থেকে অবসরে)বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবার সুবাদে আমি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাস করতাম শিক্ষক কোয়ার্টারে। তারপরে ১৯৯৮ সালে চলে আসি আমাদের নিজস্ব বাসাতে ২০ নং ওয়ার্ডে- বর্তমানে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এলাকাতে। মানুষ যখন কোন সৃষ্টি অবলোকন করে তখন মানুষ সেই খানে অবস্থান করে। ধরেন মানুষ যদি পূর্নগ্রাস চন্দ্রগ্রহন বা সুর্যগ্রহনের সৌন্দর্য অবলোকন করে তাহলে মানুষ সেই জায়গাটার কথা মনে রাখে। তেমনি আমার ক্ষেত্রেও  উইন্ডোজ ৯৫ আগমন দেখেছিলাম বাংলাদেশ কৃষি বিম্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকার বাবার বাসাতে নিজের বেড রুমে বাবার দেয়া কম্পিউটারে (ব্রিফকেস কম্পিউটার) বসে। পুরোটাই একটা ইতিহাস- এখন সেইটা ভেংগে ফেলার অর্ডার এসেছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ কৃষি বিম্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকার সব কোয়ার্টার এবং বিল্ডিং ভেংগে ফেলার এবং নতুন করে ডিজাইন করে তৈরী করার অনুমতি চলে এসেছে। সকল পুরাতন কোয়ার্টার এবং বিল্ডিং ভেংগে ফেলার জন্য সরকার সিদ্বান্ত নিয়েছে বলে জানলাম, বরাদ্দও চলে এসেছে। শুনেছি এই কোয়ার্টার এবং বিশ্ববিধ্যালয় বিল্ডিং গুলো বলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের সময় তৈরী হওয়া। সেইগুলোর বয়স এখন প্রায় ৮০ বছর। কথাগুলো বলার কারন ইন্টারনেট রঙ্গিন জগতের প্রতিনিধিত্ব করে আর এই রঙ্গিন গ্রাফিক্স জগত তৈরী হয়েছে উইন্ডোজ ৯৫ কে ঘিরে ধরে রেখে। সেই হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় টা মনের সাথে গেথে আছে। বাকৃবি এর ভেতরে সেই সময়ে ব্যবহৃত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের রানওয়ে নাকি এখনো বিদ্যমান আমবাগান এলাকা দিয়ে। ইন্টারনেটে বসবাস করার কারনেই আমরা ম্যাক্সিমাম সময়ে ভার্চুয়াল হয়ে যাই বলে এখনকার দিনে সবাই ধারনা করে থাকে। 

ব্লগে ভিজিট করে বা পোষ্টিং শেয়ার করে সাথে থাকার জন্য অনুরোধ থাকলো। 

Saturday, September 5, 2020

২য় পর্যায়ে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডে উপার্জন ২৫ ডলার। রিভিউ লিখে ডলার উপার্জন করুন।

আমি আমার ইমেইল গুলো ঠিকমতো চেক করতে পারি না রেগুলার। অনেক অনেক অফার আসে যা কেডিট কার্ড থাকলে ফিলাপ করে প্রতিদিন কয়েক ডলার উপার্জন করা যায়। ইস্টার্ন ব্যাংকের আকুয়া মাষ্টারকার্ড ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট কার্ড ফ্যাসিলিটজ প্রদান করে থাকে। এইভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ২৫ ডলার বোনাস েরিসিভ করতে কোন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে হয় নাই। তবে এর আগে একদিন মাইক্রোসফট বিং এর এডভার্টাইজিং সেকসানে ১০০ ডলার বোনাস পেয়েছিলাম এডভার্টাইজ করার জন্য এবং সাকসেসফুললি করেছিলামও । তো সেরকমই একদিন ইমেইল পরীক্ষা করতেছিলাম- তো দেখলাম যে ২৫ ডলার বোনাসের একটা অফার দেখাইতাছে একটা রিভিউ সাইট জয়েন এবং রিভিউ সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য। রিভিউ লিখে দিলে ২৫ ডলার বোনাস পাওয়া যাবে। প্রথমে বিশ্বাস করি নাই- পিরে চিন্তা করলাম চেষ্টা করে দেখি। সেই থেকে ক্লিক করা এবং জয়েন করা। 


রেজিষ্ট্রেশন করলাম এবং পরে প্রোফাইল ও তৈরী করলাম। তারপরে এমন একটা প্রোডাক্ট পছন্দ করলাম যা আমি আগে ব্যবহার করেছি। মন থেকে সততার সহিত একটা রিভিউ লিখলাম এবং বলতাছে যে - কিছুদিনের মধ্যেই জানানো হবে। 



কিছুদিন পরে প্রোফাইলে নোটিফিকেশন পাইলাম এবং ক্লেইম করলাম ডলার। এর আগে ৫ ডলার 
ভার্চুয়াল ক্রেডিট উপার্জনের রেকর্ড আছে। সেটা থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে এইখানে ২৫ ডলার ক্লেইম করলাম এবং নীচে ছবির মাধ্যমে দেখানো হলো যে কিভাবে ক্লেইম করলাম। 






পন্য কেনার আগে পর্যন্ত তো কিছু বলা যায় না। ২৫ ডলার ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডে এড হবার পরে সেটা দিয়ে কিছু না কেনা পর্যন্ত তো স্বস্তি র নিশ্বাস ফেলা যাইতাছে না। একবার ভাবলাম বিকাশ এ্যাপে এই ভার্চূয়াল ক্রেডিট কার্ড টা এড করে দেখি- বিকাশে ২০০০ টাকা এড হবে। পরে আবার ভাবলাম বাংলাদেশ যে পরিমান সমস্যার দেশ-এইখানে কি করতে কি কইরা ফেলাবে পরে না জানি কোন বিপদে পড়ে যাই। সেজন্য বুদ্বি করে একটা ওয়েবসাইট -যেখানে নিয়মিত ডলার খরচ করি সেখানে এই ডলার টা আপলোড করি এবং দেখলাম সেটা ব্যালান্সে এড হয়ে গেলো। পরে তো সেই খুশী হইলাম এবং চিন্তা করলাম যে এখণ থেকে নিয়মিত রিভিউ লিখে ডলার উপার্জন করে সেটা ভার্চূয়াল ক্রেডিট কার্ড ব্যালান্সে এড করবো। 

Friday, September 4, 2020

ডিজিটাল মিডিয়ায় প্রথম সাড়া জাগানো মডেল তিন্নীর অকালপ্রয়ানের বিচার হয় নােই আজো।

বাংলাদেশে প্রায় ৪৩ বছর পরে যুদ্বাপরাধী এবং তালিকাগ্রস্থ দালাল রাজাকারদের ফাসির রায় হয়েছে এবং তা কার্যকর ও হইতাছে। তো এতো বছর পরে আজো বাংলাদেশের ডিজিটাল মিডিয়া জগতের প্রথম সাড়া ফেলানো স্মরনীয় মডেল তিন্নী হত্যার বিচার হবে - এই দাবীই জানাই। 


 

Thursday, September 3, 2020

গৃহশিক্ষক। কেমন পড়েছি এবং আমার নিজের অভিজ্ঞতা।

গৃহশিক্ষক কালচার টা আমাদের জমানার আগে তেমন ছিলো না। শিক্ষকরা ক্লাসেই সব কিছু পড়াইয়া দিতো ফলে আলাদা করে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়াশোনা করতে হতো না। আমাদের সময়ে আমি শুনেছি- স্কুলের টিচাররা বলে তাদের হক নষ্ট করতাছে আলাদা করে ষ্টাডি করতাছে এবং নিজের সাথে যোচ্চুরি করে বা নিজের সাথে প্রতারনা করে- কারন সে ১০০% দেখাইতো না বা পড়াইতো না। আমাদের স্কুলে যারা ব্যাক বেঞ্চার তারা কখনো গৃহশিক্ষক এর কাছে পড়তো না। কারন তাদের স্থানীয় ভালো জায়গা জমি থাকলেও তাদের হাতে ক্যাশ টাকা কম থাকতো অলওয়েজ। সময়টা ছিলো ১৯৮৬-১৯৯৮, যে সময়কার গল্পটা লিখতে বসেছি। 

আসল ঘটনাটা বলতে হলে বলতে হয়- ১৯৯০ সালের গনজাগরন সংঘটিত হবার পরে এবং তথাকথিত নামমাত্র গনতান্ত্রিক ব্যবস্থার সরকার গঠিত হবার ফলে (পুরো গনতান্ত্রিক পদ্বতির সরকার বলা যাবে না কারন তখনতার দিনে সংসদে বসে ছিলো স্বধিীনতা বিরোধী, দেশ বিরোধী এবং পা কিস্তান পন্থী রাজনৈতিক দল যাদের হেড অফিস ছিলো পা কিস্তানে)। ফলে শুরু হয় দেশে অসহনীয় পরিস্থিতি। হরতাল, অবরোধ এবং যান বাহন ভাংচুর, জনজীবনে অস্থিরতা এবং অসহযোগ আন্দোলন, আমদানী রপ্তানীতে ভাটা, মারামারি, খূনোখুনি এবং বহু রকমের গ্যানজাম বা ঝামেলার কারনে জিনিস পত্রের দাম বাড়তে শুরু করে এবং অন্যান্য পেশাজীবীদের মতো শিক্ষকরাও তাদের বাড়তি উপার্জনের জন্য ক্লাসের বাহিরে বাসাতে যেয়ে যেয়ে পড়াশোনা শুরু করেন বা ব্যাচে পড়ানো শুরু করেন। আর কোচিং এর ব্যাপারটা প্রথম থেকেই অনকেটা জামাত শিবির পন্থী ছেলেপেলেদের (বর্তমানে নিষিদ্ব) হাতে ছিলো। তখণকার সময়ে ময়মনসিংহ শহরের এলাকা কেওয়াটখালী  কে ৭ নং ওয়ার্ড  এ নামকরন করা হয়। উপজেলা পরিষদ কে ভেংগে ময়মনসিংহ পৌরসভা গঠন করা হয় এবং পুরো ময়মনসিংহ শহরের গুরুত্বপূর্ন এলাকাকে তার আওতাধীন করা হয়। তার মাঝে পড়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয। তখনতার দিনের সাত নম্বর ওয়ার্ড বর্তমানের ১৯/২০/২১ নং ওয়ার্ড। আর সিটি কর্পোরেশনে র আওতায় এখন এই এলাকার নাম ২১ নম্বর ওয়ার্ড - আমি যেখানে থাকি সেখানে আর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকা হয় ২১ নং ওয়ার্ড। ২০ নং ওয়ার্ডে আমাদের জায়গা জমি ছিলো ১৯৮০ সাল থেকে। সেখানেই বর্তমানে বিল্ডিং করে আমাদের বসবাস। তো  স্থানীয় পর্যায়ে আমরা অনেকেই জায়গা জমি রাখার কারনে স্থানীয় অনেক শিক্ষক যারা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাই স্কুলের শিক্ষক ছিলেন তাদের সাথে ভালো একটা খাতির হয় এবং আমরা তাদের কাছে  অালাদা করে পড়ার সিদ্বান্ত নেই যাকে বলা হয় গৃহশিক্ষক। এইখানে বর্তমানের ২০ নং ওয়ার্ড এবং তৎকালীণ ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দেশবিরোধী জামাত শিবির পন্তী একটা কোচিং সেন্টার ছিলো- সেখানে কিছূ কিছু ছেলে মেয়ে পড়াশোনা করতে আসতো এবং অনেকক্ষন সময় নিয়ে কোচিং করতো। তখনকার দিনে কোচিং এ অনেক ধরনের খারাপ কাজ হতো- কোচিং এর নামে ডেটিং, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুুয়া ছেলে এবং কোচিং এর মেয়েকে অপ্রীতিকর অবস্থায় পাওয়া, কোচিং এ পড়তে আইসা প্রেগন্যান্ট হয়ে যাওয়া, ছাত্রী শিক্ষক পালিয়ে বিয়ে করা বা  কোচিং এর টিচারকে বাসাতে নিয়ে যাইয়া একসাথে দুই কাজ করে ফেলা- প্রেম এবং পড়াশোনা। তো এই রকম ১৯৯০ সালের গনজাগরনের অংশগ্রহন করার কারনে অনেকসময় রেকী করতে আসতাম জয় বাংলার পক্ষ থেকে যে- আমার পরিচিত কোন কোন মেয়েটা কোন কোন খানে কি ধরনের কার্যকলাপে জড়িত আছে  এবং তা গোপনও রাখতাম। শুধূ নিজে নিজে সতর্ক থাকতাম কারন তখনকার সেনসিটিভ বয়সে কোন কথা বললে কার মনে কি আঘাত লাগে তা আর সহজে বোঝা যাইতো না। 

আমার জীবনের প্রথম  গৃহশিক্ষক ছিলেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মোটামুটি ভালো মনোযোগ দিয়ে পড়াইতো আর আমারও মোটামুটি ভালো লাগতো কারন উনি ছোটভাই মনে করেই পড়াইতো। ক্লাস ৫ এ বৃত্তি দেবার সুযোগটা মিস করে ফেলি- মনটা একটু খারাপ হয়। সেই ছাত্র ভাইটি বুঝতে পারে এবং আমাকে পড়ানো ছেড়ে দেয়। খুব কাছেই মেয়েদের হল থাকার কারনে এক বড় বোন প্রায়শই বাসাতে আসতো এবং আমাদের পরিবারের সাথে ভালো মেলামেশা ছিলো - সেজন্য উনিও আমাকে কযেকদিন পড়ান। ছোট থাকার কারনে মেয়েদের হলে উনার রুমে পর্যন্ত আমার যাতায়াত ছিলো। দেখতাম - কয়েকজন মেয়ে একসাথে কয়েকটা রুমে ভাগাভাগি করে থাকতেন। তারপরে কয়েকদিন পরে উনার পরীক্ষা শুরু হয়ে যাবার কারনে আমাকে আর পড়াতে পারবেন না বলে দেন। ফলে আমার আরো একজন গৃহশিক্ষকের প্রয়োজন পড়ে। আসলে সবকিছুই ম্যাক্সিমাম স্কুলের ক্লাসে দেখানো হতো কিন্তু দুষ্ট থাকার কারনে ক্লাসে পুরো মনোযোগ বসানো যাইতো না। তার সাথে নিয়মিত কার্টূন দেখা, সেবা প্রকাশণীর গল্পের বই পড়া,  হুমায়ুন আহমেদের গল্পের বই পড়া এবং প্রাপ্তবয়স্কদের বই ও লুকিয়ে লুকিয়ে পড়ার কারনে ক্লাসে মনোযোগ ছিলো কম। আমার রোল অলওয়েজ ১১-২০ এর মধ্যে থাকতো। তারপরে হঠাৎ করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকাতে আমরা যে বিল্ডিং এ ছিলাম (বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলো বলে আবাসিক এলাকাতে থাকা হতো ১৯৯৮ পর্যন্ত, তারপরে ১৯৯৯ সালে চলে আসি বর্তমানের ২০ নং ওয়ার্ডে, সিটি কর্পোরেশন এলাকাতে)  তার পাশের বিল্ডিং এ এক বছর জুনিয়র এক মেয়ের সাথে তাদের বাসাতে এক টিচারের কাছে একসাথে পড়ার সুযোগ হয়। একজন টিচারের কাছেই সব সাবজেক্ট পড়া যাইতো। উনি ঘন্টা দুয়েক সময় নিয়ে পড়াতো। তাছাড়া স্কুলে উনি মেইনলি আরবীর শিক্ষকও ছিলেন। আর আমারও ৬ষ্ট শ্রেনীতে আরবী ছিলো। ভালো করে আরবী শিক্ষা বোঝার জন্য আরবী ইংরেজী করতাম- সেটাকে বাংলা- বাংলাকে আবার আরবী করতাম বা আরবী কে বাংলা তে লিখতাম এবং ভালো করে এই টা করার জন্য আমার অনেক ভালো রেজাল্ট আসে আরবীতে - মোটামুটি ১০০ তে ৯০ এর বেশী মার্কস পাইতাম বা ধারে কাছে থাকতাম। ৭ম শ্রেণীতেও আমার আরবী ছিলো। মেয়েদের জন্য ছিলো গার্হস্থ্য বিজ্ঞান। স্কুলের সেই শিক্ষক অনেক মোনযোগ দিয়ে পড়াইতে কিন্তু তার পাশাপাশি বাসাতে পারসোনাল ষ্টাডি রুমে আমি আরো একজন শিক্ষকের কাছে অংক টা পড়তাম আলাদা করে। এইভাবে পরের বছর ও আমার রুমে অন্য আরো একজন অংকের টিচার আসতেন। ক্লাস এইটে উঠে শুরু হয় একসাথে কয়েকজন টিচারের কাছে ব্যাচ করে পড়া। 

সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যাচে স্যারের কাছে পড়তে যাওয়া যে কোন ব্যাচমেটের  বাসাতে- সাধারনত ডাইনিং টেবিলে বসে পড়া হইতো। যদি স্যারদের বাসাতে পড়তে হতো তাও ডাইনিং টেবিলে ব্যাচ আকারে পড়ানো হতো। এককটা ব্যাচে ৫-৬ জন। একটা ডাইনিং টেবিলে ৫/৬ জনের বেীশ বসা যাইতো না। অষ্টম শ্রেনীর ফাইনাল পরীক্ষার পরেও বৃত্তি পরীক্ষার জন্য পড়তে হইলো একজন বিশ্ববদ্যিালয় ছাত্রের কাছে। সাথে ছিলো অংকের স্যার। ভালো করে পড়তে পারি নাই ফলে বৃত্তি পরীক্ষা দিলেও বৃত্তি পাই নাই। নবম শ্রেনীর উঠার সাথে সাথে শুরু হয়ে যায়- ২টা স্যারের কাছে নিয়মিত পড়া- একজন অংকের স্যার আরেকজন ইংরেজীর স্যার। মোটামুটি ১ম ক্লাস নাম্বার সবসময় ধরে রাখতাম। স্কুলে দুষ্টামি করা বা পরীক্ষার হলে টুক টাক দেখা, হলে বন্ধুদেরকে ম্যাক্সিমাম টাইমে খাতা দিয়ে দেওয়া এবং মাঝে মাঝে এক্সচেন্জ করে উত্তর লেখা, এই সকল ছিলো স্কুলের টার্ম পরীক্ষাতে  খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু কোন ইয়ার চ্যান্ড বা ফাইনার পরীক্ষায় ঘাড় গুরানোর মতো কোন উপায় ছিলো না। যা পারতাম তাই লিখে আসতাম কারন ফাইনাল পরীক্ষা গুলো ছিলো ভয়ে প্যান্ট ভিজাইয়া ফেলার মতো অবস্থায় বসে পরীক্ষা দিয়ে দেওয়া কারন নকল করা বা ধরা পড়লে সরাসরি ১ বছর লস সো স্কুলের প্রত্যেক বছরে ফাইনাল পরীক্ষা ছিলো ১০০% ঝামেলামুক্ত। মন ভরে পরীক্ষার খাতাতে লিখা এবং শেষে  রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা করা -খুব একটা টেনশনের টাইম ছিলো। আমাদের স্কুলে পরীক্ষাতে খাতা দেয়া তো ফলে একুরেটলি জানা যাইতো কোথায় ভুল করেছি বা কি কি ভুল করেছি। চাইলে অনেক সময় ফাইনাল পরীক্ষার খাতাও বের করে দেখা যাইতো। আমার মনে পড়ে - সাময়িকী পরীক্ষাতে মাঝে মাঝে হেল্প নিলে স্যারেরা কিছু বলতো না। কিন্তু ফাইনাল পরীক্ষাতে কোথাও কোন ভুল করলে বা সাউন্ড করলে স্যারেরা নাম্বার কেটে দিতো বা টুকে রাখতো এবং পরে লেখা শেস হলে , পরীক্ষা শেষ হলে বা হলে খাতা গোছানোর সময় হলে বসে মার্ক করে দিতো কোন খাতা থেকে কতো নাম্বার কাটতে হবে। 

আমি ১৯৯৬ সারে এসএসসি পাশ করি যার প্রস্তুতি শুরু হয় ১৯৯৪ সাল থেকে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এ আগে থেকে ঘোষনা দেয়া হয়ে যে ১৯৯৬ সালে প্রশ্নব্যাংক কাজ করবে না। প্রশ্নব্যাংক কাজ না করার কারনে ৫০০ অবজেকটিভ সুবিধা আমরা হারাইয়া ফেলি। ফলে এককটা সাবজেক্টের জন্য প্রায় ১ লক্ষ এমসিকিউ পড়তে হয় মিনিমাম( আমি ফলো করতাম ষ্টার অবজেকটিভ গাইড) , যার ফলে রেজাল্ট ডেভেলপ করার জণ্য যে বাই ডে পরিশ্রম শুরু করতে হয় এবং ১০ম শ্রেনীতে টেষ্ট শেষ হবার পরে খূব ভালো করে ট্রাই করা শুরু করি। সারা দেশের যতো নামকরা বিদ্যালয় আছে তাদের সকল প্রশ্নের সলভ করি এবং এইটা বুঝি যে প্রশ্ন তো সেরা সেরা বিদ্যালয়ের স্যারেরা করবেই তাই গুরুত্ব পূর্ন  বিদ্যালয় গুলো সলভ করা শুরু করি এবং ভালো রেজাল্ট ও পাই। স্কুলের ফাইনালে এস এসসিতে মোটামুটি ৯৫% কমন ফালাইতে সক্ষম হই। কিন্তু এমসিকিউতে যাইয়া একটু বিপদে পড়ে যাই। ৪০/৪১/৪২/৪৩ টা নিশ্চিত পারার পরে কয়েকটা কনফিউশন হিসাবে পেনসিল দিয়ে টুকাইয়া রাখতে হতো। তারপরে আশে পাশে একটু হেল্প নিয়ে -২/১ জনকে জিজ্ঞাসা করলে বাকীটা মিলানো যাইতো কারন বাংলাদেশের প্রথমবারের মতোন প্রতি সাবজেক্টে ১ লক্ষ এমসিকিউ পড়তে হতো মিনিমাম যা আজকাল কার দিনে সৃজনশীল পদ্বতিতে  দাড়াইছে। যে কয়টা এমসিকিউ পারতাম না সে কয়টা শেষ ১০ মিনিটে আশে পাশে ২/১ জন কে আসক করে কনফার্ম  হয়ে নিছি। প্র্রথমবারের মতো আনলিমিটেড এমসিকিউ পদ্বতিতে পরীক্ষা হবার কারনে স্যারোরও একটু রিল্যাক্স দিতো শেষ ১০ মিনিট।   ধরা যায় সাবজেক্ট প্রতি ১/২ মার্ক নিশ্চিত সাহায্যি নিছি কিন্তু শেষ ১০ মিনিট স্যারেরা একটু লুস দেবার কারনে একেবারে একজন আরকেজনকে জিজ্ঞাসা করার কারনে মাছের বাজারেও রুপান্তরিত হতো মাঝে মাঝে। যে যাকে যেই সাহায্য করতো- সেই সাহায্য টা আমি শুনে অনেকসময় নিশ্চিত হয়ে নিতাম। এমনও হয়েছে একজন আরেকজনকে ইচ্ছা করে ভুল বলতো। যা শুনে মিলাতে যাইয়া শিওরে উঠতে হতো। স্কুলের এক্সামে যে ২ জন বন্ধুর কাছে সাাহয্য পেয়েছি ধরতে গেলে সাবজেক্ট প্রতি ১/২ - তাদের একজন এখন উত্তরাতে গাড়ির ব্যবসা করতাছে এবং আরেকজন বৃটেনে রোবোটিক্স টেকনোলজী নিয়ে পড়াশোনা করেছে। স্কুলের টেষ্টে মার্ক পেয়েছিলাম ৮০৮ কিন্তু ফাইনালে আইসা মার্ক পাইলাম ৭৮৮ ( ষ্টার মার্কস প্রথম ডিভিশন)  ২০ মার্ক কমে  গেলো এবং রেকর্ড ও হয়ে গেলো একমাত্র আমার মার্ক কমে গেছে টেষ্টের থেকে- সকলের টা বেড়েছে আর আমারটা কমেছে। ১০টা সাবজেক্টে ১/২ করে যে হেল্প টা নিছি সেটা মে বি খোদা কাউণ্ট করে নাই কারন সকলের ই স্কুলের টেষ্ট থেকে ভালো রেজাল্ট হয় আর নয়তো মিনিমাম সমান সমান ছিলো। 

ভেবেছিলাম স্কুলের প্রাইভেট গুলো শেসে এইচএসসিতে এসে একটু শান্তি পাবো কারন কে বি হাই স্কুল এবং কে বি আই কলেজ দুইটাই খুব বিখ্যাত ছিলো। কিন্তু এসএসসির রেজাল্ট বের হবার আগেই বন্ধুরা প্রাইভেট শুরু করে দিলো। ভালো পরীক্ষা দিলেও তো অনেকে ফেইল করতো তখনকার সময়ে আর তাছাড়া কোন কোন খানে বিরাট নকলের আধিক্য ছিলো- ধরতে গেলে পুরো সাবজেক্ট এ  টু জেড  বই   দেইখা লিখতো এরকম রিপোর্ট ও ছিলো প্রত্রিকাতে। কিন্তু আমাদের স্কুলের সুনাম থাকার কারনে এমন কড়া গাইড দিতো যে পরীক্ষার হলে কাপড়ে ভেজাইয়া ফেলার মতো সিচুয়েশনও হইতো অনেক সময়। নকল করা তো দূরে থাক - কোন কিছু ২/১ মিনিট জিজ্ঞাসা করাও মুসকিল আর এক্সপেল হইলে তো শেষ- ১বছর। পরে আবার পরীক্ষা দিতে  হতো। এরকম এক পরিস্থিতিতে পরীক্ষা শেষ হবার পরে ভর্তি বা কোচিং শুরু হবে কিন্তু তার আগেই আমার বন্ধুরা প্রাইভেট শুরু করে দেয়। ফলে আমার ও শুরু করে দিতে হয়। প্রথম প্রথম তো গতি এবং স্থিতি কিছুই  বুঝি নাই। কারন তখনকার দিনে পরীক্ষামূলক ভাবে নবম শ্রেনীতে ২ টা সবাজেক্ট পাই নতুন- ১) কৃষি শিক্ষা এব ২ ) কম্পিউটার সায়েন্স। সকলেই যেখানে উচ্চতর গনিত নেয় সেখানে আমি নেই কম্পিউটার সায়েন্স যার কোর্স কারিকুলাম  এ মিল ছিলো ১৯৯২ সালে বুয়েটে শূরু হওয়া কম্পিউটার ইন্জিনিয়ারিং এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়েও। দিন রাত খেটে স্কুল ফাইনালে আইসা জোটে প্রায় ৯৭ মার্কস। কৃষিতেও ভালো মার্কস আসে। কৃষিতে এতো ডিটেইলস পড়ানো হয় যে- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিধ্যালয় আবাসিক এলাকার স্কুলে পড়ে মনে হয়েছে আমার কাছে যে আমি বুঝি কৃষি বিম্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিতে আর কম্পিউটার সায়েন্স পড়ে মনে হয়েছে আমি বুঝি বুয়েট থেকে স্নাতক পাশ করে ফেলেছি। তো ইন্টারে গতি প্রথম এবং দ্বিতীয় পড়তে যাইয়া তো মহা বিপদে পড়ে গেলাম। পরে ইন্টারে ভর্তি হবার পরে বন্ধুরা বুদ্বি দিলো যে তুই গতি এবং স্থিতির থিওরী ছেড়ে দে- সেটা ছিলো ২৮ মার্কস। তো ২ বছর টানা টিউশানি পড়লাম প্রতি সাবজেক্টে ৩ মাস করে ২ বছরে ৬ মাস এবং সারা বছল টিউশনি পড়ে পড়ে কলেজের ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষাতে ভালো করে অংশগ্রহন করা হয় নাই। টেষ্টের পরে একেবারে ফাইনালি পড়তে বসলাম যে দুই বছর কি পড়েছি। দুই বছর কলেজ পালিয়ে ব্রক্ষপুত্র নদীর ধারে বসে ২৯ খেলতাম কয়েক বন্ধু মিলে। নিয়মিত কোন কাজ করলে সেটা যে মাথার ভেতরে গেথে যায় তা আসলে ইন্টারমিডিয়েটে আইসা টের পাইলাম। স্যারেরা বলতো তুমি খালি ম্যাথ গুলো করে যাও সব সাবজেক্টের- বাকি বাংলা এবং ইংরেজী গ্রামার একই। কলেজের ১ম ইয়ার এবং ২য় ইয়ারে খুব ভালো করে পরীক্ষা দেয়া হয় নাই।কলেজে সেমিষ্টার সিষ্টেমে পরীক্ষা হইতো। সেই থেকে প্রথম সেমিষ্টারের ছোয়া পাইলাম পরবর্তীতে দেখতে পেয়েছি ম্যাক্সিমাম বন্ধুই প্রাইভেট বিশ্ববিধ্যালয়ে সেমিষ্টার পদ্বতিতে ভর্তি হয়ে আমি বিশ্ববিধ্যালয় ক্লাস শুরু করার আগেই তারা ৩ সেমিষ্টার শেষ কের ফেলেছিলো। কলেজ ফাইনালে বসার আগে একই টেকিনক এপ্লাই করলাম- ০৩ মাস নাওয়া খাওয়া ভুলে সব কিছু পড়লাম আর সারা দেশের নাম করা কলেজগুলোর টেষ্ট পেপার কাভার করলাম। নিজে নিজে সাজেসন মেক করলাম এবং স্কুলেও আমি সাজেসন মাষ্টার ছিলাম। আমার সাজেসন নিয়ে পড়ে নাই এরকম কোন ব্যাচ মেট আমার স্কুলে এবং কলেজে ছিলো না। যারা খুব ভালো ষ্টুডেন্ট ছিলো তারা নিজেরা ও সাজেসন মেক করতো আর আমারটা মিলিয়ে দেখতো কিন্তু তাদের সাজেসন পাওয়া এক প্রকার টাফ ছিলো। কলেজের ফাইনালে আমরা ঢাকা কলেজের সাজেসন পত্র পাই এবং সেটা অনেকটাই কাজে লেগেছে। যথারীতী কলেজের ফাইনালে- ১৯৯৮ সালে গতি এবং স্থিতি আমি ছেড়ে দেই। ১৪ করে মিনিমান গনিত ১ম এবং ২য় তে। যে কোন ভাবেই হোক ১৩২ করতে হবে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষাতে অংশ গ্রহন করতে হলে আর বায়োলজি এবং জোলজীতে ১৩২ থাকতে হবে মেডিকেল বা ভেটেরিনারি ভর্তি যুদ্ব তে অংশগ্রহন করতে। গনিত এবং বােয়োলজী ২ টাতে ই আমার ১৩২ করে থাকে এবং ইন্জিনিয়ারিং এবং মেডিকেল ২ টাতেই অংশগ্রহন করার মতো যোগ্যতা ছিলো। তারপরে ছিলো প্রথমবারের/২য় বারের  মতো শুরু হওয়া বা স্কুটিং সিষ্টেম। আরো কোপানলে পড়লাম বিশ্ববিধ্যালয় ভর্তি পরীক্ষারে আগেই স্কুটিং সিষ্টেমে। সে লেখা আরেকদিন। কলেজের ফাইনালে কয়েক বন্ধুর খাতা চালাচালি দেখে আমার মনে একটা ভয় ধরে যায় যে - যদি স্যার দেখতে পায় এক্সামিনার তাহলে তো নিশ্চিত ফেল। আমার একটা নিয়ম ছিলো আমি যা আনসার করতাম তার থেকে ১০ কম ধরতাম অলওয়েজ রেজাল্ট পাবার ক্ষেত্রে। ফলে জোলজী তে ৭৫ এর মধ্যে ৬৫ আনসার করি তারপরে আর মনে আসতেছিলো না। তো সেখানে সামনের বন্ধুকে বলেছিলাম দোস্ত একটা কোশ্চেন একটু বের করে দেখা্ ২/৩ মিনিট  দেখলাম এবং আনসারটা বোঝলাম এবং তাপররে নিজের মতো করে  লিখলাম। যেখানে অনেককেই দেখেছি খাতা পরিবর্তন করে বা একজন আরেকজনের কাছ থেকে খাতা নিয়ে লেখতে- সেখানে ৩/৪ মার্ক আরেকজনের খাতা  দেখে উত্তরটা মনে করা লিখা তে আজো মনে অনকে সময় একটা ছোট খচ খচ করে। পরে বায়োলজী এবং জোলজী দুইটা মিলে আমার ১৩২+ আসে যেখানে জোলজীতে আসে ৬০+(আর সেই প্রশ্নটা কাটা যায় ৩/৪ মার্কস) যেটা আমি আগে আনসার করেছিলাম সেখান থেকে আর যেটার জন্য হেল্প নিছিলাম সেটা আর এড হয় নাই। যাই হোক পরে কলেজের রেজাল্ট বের হবার আগেই পেয়ে যাই মেডিকেলে ভর্তি  কোচিং এ  চান্স পাবার সুযোগ আর সেটা ছিলো জামাত শিবির পন্থী একটা ভর্তি কোচিং যেখানে আমি এডমিশন নিয়েই বুজতে পারি যে লাইফের সেরা ভূল করে ফেলেছি। আমার উচিত ছিলো জেনারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভর্তি যুদ্ব সামিল হওয়া। ষ্টুডেন্ট পলিটিক্স কি জিনিস তা বুঝতে আমার সময় লেগেছে- বিশ্ববিধ্যালয় হল আর বেঈমানী করা (যা বন্ধুরা আমার সাথে করেছিলো- আমাকে জোড় করে সেই মেডিকেল ভর্তি কোচিং এ ঢুকাইয়া দিয়ে) কি জিনিস তা আমি বুঝেছিলাম মেডিকেলে কোচিং করতে আইসা। শুনেছি আমাকে মেডিকেল কোচিং এ ভর্তি করানোর জণ্য বড় অংকের অর্থও লেনাদেনা হয়েছিলো যেনো এই কোচিং সেন্টারটা আরো ষ্টুডেন্ট পায়। 

সে যুদ্ব কাহিণী আরো একদিন। তো ধরতে গেল অষ্টম শ্রেনী থেকে ঈদের দিন বাদে বিশ্ববিধ্যালয় ভর্তি হওয়া পর্যন্ত ১৯৯৪-১৯৯৮ সালের  ডিসেম্বর পর্যন্ত চলেছে শুধূ গৃহশিক্ষক, ব্যাচ এবং কোচিং। একইসাথে সবচেয়ে ভালো লেগেছে প্রগ্রেসিভ কোচিং ময়মনসিংহ শহরের সেরা কোচিং এ - এসএসসি এবং এইচএসসি দুই টেষ্টের শেষে নিয়মিত কোচিং- ধরতে গেলে ফাইনাল পরীক্ষার মাঝেও ২/১ টা ক্লাস করেছি। তারপরেও শুদ্বভাবে পাশ করে বের হয়ে এসেছে। ভালো মতে পড়ে সঠিক শুদ্ব ভাবে পড়শোনা করে বোর্ড পরীক্ষায় পাশ করে যে তৃপ্ততা বা স্বাদ সেটা তো শুধু আমার কাছে- এইটা তো আমি আর কারো সাথে শেয়ার করতে পারেবা না তবু ও যতোটা পারলাম তুলে ধরলাম । তুলনামূলক ভাবে ভালো রেজাল্ট যারা করেছে তাদের মধ্যে আমি ই সবচেয়ে কম বা গতানুগতিক প্রাইভেট পড়েছি। অল্পের জন্য ইন্টারে মিস করেছিলাম ষ্টার মার্কস (পেয়েছিলাম ৭৩৮) ।এক স্যারের কাছে টানা ২ বছর পরার পরেও উনি ফাইনালে প্রাকটিক্যালে ৫০ এর মধ্যে ৩০+ দিয়েছিলো সব কিূছ লিখা সত্বেও। স্কুল এবং কলেজের প্রাকটিকাল মার্ক টা ছিলো লোকাল স্যারদের হাতে। টানা ২ বছর পরার পরেও এবং সব কিছু ঠিক ঠাক করার পরেও মার্কস পাই নাই ৫০ এ ৫০. এইখানে আরো ১২ মার্কস বেশী পাইলে পাইতাম ষ্টার মার্কস। আর সচরাচর যেভাবে প্রাকটিক্যাল এক্সাম হয় তার থেকে কিছুটা কড়া ছিলো সিষ্টেম । লিডারশীপের মতো একটা ব্যাপার কাজ করতো তখণ মনের মাঝে, চাইতাম যে সবাইকে নিয়ে পাশ করবো কম বেশী।

একটা সাবজেক্টের প্রাকটিক্যাল কম মার্কস পাওয়াটা অনেক দিন মনে দু:খ দেয় কিন্তু পরবর্তী বাংলাধেম গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য মোতাবেক যাইয়া দেখি- অনেক রথী মহারথী পাশই করে নাই ৫ এর পরে- তখন মনটা ভালো হয়ে যায় যে যাহ শালা- অনেকরে চেয়ে তো ভালো করেছি। সেটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকি।

ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা। প্রথম উপার্জন ৫ ডলার।

 এই ভিডিওটি বাংলাদেশী একটা টিভি চ্যানেল এর এবং এইখানে বাংলাদেশী একজন হ্যাকার কিভাবে পাপুয়া নিউগিনির একজন ব্যভসায়ীকে হ্যাক করে যাইতাছে তার ডিটেইলস রিপোর্ট। কিন্তু আমি যেটা বুঝতে পারি নাই সেটা হইতাছে- একজন বাংলাদেশী বাংলাদেশে বসে থেকে কিভাবে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড এর নাম্বার মাষ্টার কার্ড বা ভিসার সাথে এড করেছে সে। নেটেলার এর সাথে ভার্চূয়াল ক্রেডিট কার্ড এড একটা উদ্বেগেরে বিষয়। কারন নেটেলার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সুইফট ট্রনাজেকশন বা ডলার উইথড্র করা যায় প্রাইবেঠ ভ্যাংকগুলেঅতে। এতোদিন ব্যাপারটা কারো চোখে পড়লেঅ না কারন কি? ব্যাংখ খাতের দুর্নীতির একটা প্রমানও হইতে পারে ডিবিসি নিউজ ছ্যানেলে হ্যাকার সাকিবের এই গল্পটা। 


লেখাটি এই ভিডিও এর উপরে ভিত্তি করে লেখা হলো। আপনি প্রথমে পুরো ভিীডওটি দেখবেন এবং তারপরে আার লেখাটি ষ্টাডি করবেন। 



এইখানে একটা ওয়েবসাইট লিংক দেয়া আছে (ছবিতে ক্লিক করেন) - দেখবেন যেখানে আপনি যদি রিভিউ সাবমিট করেন তাহলে আপনি ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন। ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে আপনি ওয়ান টাইম পেমেন্ট দিতে পারবেন যে কোন ই কমার্স ওয়েবসাইটে। বাস্তবে সেই ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এটিএম থেকে পেমেন্ট উইথড্র করার মতো তো কোন সিষ্টেম নাই। কিছু নাম্বার দেয়া হয় ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডের স্লিপে। সেই নাম্বার গুলো যদি আপনি ঠিকমতো ইনপুট করে থাকেন তাহলে সেই ব্যালান্স দিয়ে আপনি কেনাকাটা করতে পারবেন। 



এই উপরোল্লেখিত ওয়েবসাইট যদি আপনি ভিজিট করে থাকেন তাহলে আপনি দেখবেন এইখানে আপনি এমাউন্ট মেক করে ডিজিটাল টোকেন নাম্বার এড করে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ডের মালিক হতে পারবেন। আমার আছে এই মুহুর্তে ৫ ডলার। আমি প্রথম ওয়েবসাইটে কাজ করে সেটা পারিশ্রামিক হিসাবে পেয়েছি এবং উইথড্র অপশন হিসাবে চয়েজ করেছি-  ভার্চূয়াল ভিসা ক্রেডিট কার্ড। একটা ডেট আছে- এই ডেটের মধ্যে যদি সেই কার্ড এমাউন্ট টা খরচ না করি তাহলে সেটা এক্সপায়ারড হয়ে যাবে। ভার্চূয়াল ক্রেডিট কার্ড সাধারনত স্বল্প সময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে বা এমন এমন প্লেসে ব্যবহৃত হয় যে সকল জায়গায় মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড ব্যবহার করা যায় না। 



এইখানে ব্যবহৃত ক্রেডিট কার্ড নাম্বার দিয়ে আমি সহজে ইন্টারনেট থেকে ৫ ডলারের প্রোডাক্ট কিনতে পারবো। সো ব্যাপারটা অনেকটাই সহজ। কিন্তু এই ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড কিভাবে মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ডে এড করা যায় এই ব্যাপারটা বুঝলাম না (আজকে একটা ভিডিওতে দেখলাম)। কেনাকাটা করার জন্য নাম্বারটা ব্যবহার করা যাবে শুধূ অনলাইনে এইটাই তো জানতাম। ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড এমাউন্ট যে কার্ডে এড করে উত্তোলন করা যায়  এটিএম থেকে এই ব্যাপারটা জানা ছিলো না। আমি আমার ২০ বছরের অভিজ্ঞতায় কখনো এই ফ্যাসিলিটিজ টা ব্যবহার করি নাই। এই প্রথম পরীক্ষা করে দেখলাম। তবে স্বনামধন্য কোম্পানী নেটেলারের সাথে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড এর কানেক্টিভিটি এবং নেটেলার থেকে যে কোন ব্যাংকে উইথড্র পলিসি বোধ করি ভাববার বিষয় কারন তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে প্রাত্যহিক জীবনে লেনাদেনা করা আমার কাছে রিস্কি মনে হয়। যখন ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড ওপেন হয় তখন এমনই ধারনা ছিলো বা শিখেছিলাম যে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড শুধূ অনলাইনে ব্যবহার করা যায়। 



  
  
 
 

Buy TikTok Views. Worldwide. Guaranteed. ফ্রি তে নিতে পারবেন ৫ লক্ষ টিকটক ভিডিও ভিউজ।

SEOClerks

If you are worldwide visitor of my blog- kindly take the help of Google Translator

সম্পূর্ন ফ্রি তে আমার কাছ থেকে আপনি নিতে পারবেন  ৫ লক্ষ ভিডিও ভিউজ কিন্তু আপনাকে একটা নির্দিষ্ট প্রসেস এর ভেতর দিয়ে যাইতে হবে। আপনাকে এক টাকা বা এক ডলারও খরচ করতে হবে না। প্রথমেই আপনি আমার এই সার্ভিস টা ভিজিট করে নেন। এ টু জেড। 

১০০ কে টিকটক ভিউজ। এই সার্ভিস টা ভিজিট করে আপনি আবার এইখানে ফিরে আসবেন। আপনি দয়া করে প্রথমেই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলবেন না। তাহলে আমি আর আপনাকে ফ্রি ভিউজ দিতে পারবো না। 

টিকটক হইতাছে পৃথিবীতে মাইক্রো ভিডিও ব্লগিং সার্ভিস। সারা দুনিয়াতে খুব দ্রুত পপুলারিটি লাভ করেছে এই ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্মটি। সাধারনত যারা টিকটক ভিডিও মেক করে তারা ১৫ সেকেন্ডে থেকে ১ মিনিট পর্যন্ত টিকটক ভিডিও মেক করে এবং তা টিকটক এর আনলিমিটেড সার্ভারে আপলোড করে। এখন এইটা জনপ্রিয়তা কামাচ্ছে কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে এইটা পেইড সার্ভিস হয়ে যাইতে পারে কারন হোষ্টিং এইটার আনলিমিটেড আছে এখনো। এখন পর্যন্ত টিকটকের ইনতাম মাঝে মাঝে স্মল এড শো করা। যাই হোক যারা টিকটক ক্রেজী তারা যদি টিকটক ভিডিও আপলোড করে ভিউজ না পায় তাহলে স্বভাবতই মন খারাপ হবে এজন্য প্রথম পদ্বতিটা হইতাছে টিকটক এর ভিডিও শেয়ার করা আর বন্ধুদেরকেও বলা যেনো তার ভিডিওটা শেয়ার করা হয়। আর তারপরেও যদি ভিউজ না পাওয়া যায় তাহলে তার ম্যাসেজটা বা ভিডিওটা যদি সারা দুনিয়ার অনেকখানে প্রচার করতে চান তাহলে এই সার্ভিসটা কিনতে পারবেন। মাত্র ১ ডলারে আপনি এোন থেকে ১ লক্ষ ভিউজ কিনতে পারবেন। আর ৫ ডলারে ৫ লক্ষ ভিউজ কিন্তু আমি সেটা আপনাকে ফ্রি তে পাওয়াইয়া দেবো। 

প্রথমে আপনাকে একটা ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। সেটা আপনি আমার কাছ থেকে ভিউজ না কিনে যদি এই ওয়েবসাইটের অন্য কারো কাছ থেকে ভিউজ কিনেন তাহলেও আপনাকে এই ওয়েভসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। নীচে একটা ব্যানার দেয়া আছে - সেখানে ক্লিক করে আপনি ফ্রি সাইন আপ/ রেজিষ্ট্রেশন করেন। যেভাবে সাইন আপ ফরম ফিলাপ করে রেজিষ্ট্রেশন করেন সবখানে সেখানেই - তার উল্লেখ থাকে যে অন্যান্য খানে যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন সেটা এইখানে করবেন না।   

SEOClerks


এইখানে ক্লিক করার পরে আপনি সাইন আপ ফরম পাবেন। সাইন আপ ফরম ফিলাপ করবেন তারপরে সেটিংস থেকে সিকিউরিটি অপশনে ক্লিক করে আপনার হাতে থাকা মোবাইল নাম্বারটা ভেরিফাই করবেন। মনে রাখবেন- যদি আপনি মোবাইল নাম্বার টা ভেরিফািই না করেন তাহলে বোনাস টা আপনার একাউন্টে এড হবে না। আর বোনাস এড না হলে আপনি আমার কাছ থেকে সার্ভিসটা কিনতে পারবেন না। রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লিট হবার পরে এবং আপনার যদি এই মার্কেটপ্লেসে অনকেদিন কাজ করার ইচ্চা থাকে বা ডলার উপার্জন করার ইচ্চা থাকে তাহলে আপনি সেটিংস এবং সিকিউরিটির সব কিচু ফিল আপ করবেন। আর কিভাবে বাকী কাজ করবেন তার সব কিছু নিচে একটা ভিডিওতে পাইয়া যাবেন। 

রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লিট হবার পর আপনি কিন্তু অবশ্যই আপনার ইমেইল ভেরিফাই করে নিবেন। ইমেইল ভেরিফাই না করলে আপনার মোবাইল নাম্বার ও ভেরিফাই হবে না। আপনার যদি রেগুলার এইখানে কাজ করে ডলার উপার্জন করার ইচ্ছা তাকে তাহলে আপনি এইখানে আরো কিছু উইথড্র ফ্যাসিলিীটজ পাবেন - যেমন আপনি পাইওনিয়ার/পেপাল/পেল্যূশনের মাধ্যমে এই এইখান থেকে ডলার উইথড্র করতে পারবেন। আর যদি আপনি এইখান থেকে সার্ভিস কিনতে চান সরাসরি তাহলে আপনি ক্রেডিট কার্ড/পেপাল এবং বিটকয়েণ (ইথারিয়াম/লাইটকয়েন/বিটকয়েণ) ব্যভহার করে ও যে কোন সার্ভিস কিনতে পারবেন। 

ধরলাম আপনার রেজিষ্ট্রেশন শেষ। এখণ আপনার একাউন্টে ৫ ডলার বোনাস এড করার জন্য একটা কুপন কোড নিতে হবে আমার কাছ থেকে। সেটা নেবার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করার পরে আমার সাথে আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে। যোগাযোগ: 

আমার প্রোফাইলে ঢুকবেন। তারপরে সেন্ড ম্যাসেজ অপশন থেকে আমাকে একটা ম্যাসেজ পাঠাবেন। আমার প্রোফাইল লিংক: সেঞ্চুরিয়ন একটা ম্যাসেজ সেন্ড করে বলবেন যে আপনি আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন এবং আপনি আমার কাছ থেকে একটা ৫ ডলার এর সার্ভিস কিনতে চান। মনে রাখবেন আপনি যদি কোন ভিপিএন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার একাউন্টে  কুপন ডলার এড হবে না। আপনি যদি মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই না করেন তাহলে আপনার একাউন্টে কুপন ডলার এড হবে না। 


এইখানে রেজিষ্ট্রশন করার পরে আপনি দেখতে পারবেন যে তাার কুপন এড করার পেজ দেবে আপনাকে যেটা আপনি পাবেন পেজের উপরের দিকে - বায়ার - শপিং- রিডিম কুপন অপশনে। সেখানে আপনি কুপন এড করতে পারবেন। 

Buyer- Shopping- Reedem Coupon

আমার কাছ থেকে কোড রিসিভ করে আপনি সেখানে রিডিম করবেন এবং আপনার একাউন্টে ৫ ডলার এড হবে। এই ডলার টা আপনি কখনো উইথড্র করতে পারবেন না কোন পেমেন্ট মেথডের মাধ্যমে আর কুপনের ডলার আপনার একাউন্টে এড হবার ১০ দিনের মধ্যে সেটা খরচ করতে হবে। আরা আমার কাছ থেকে ই আপনাকে সার্ভিস কিনতে হবে ৫ ডলারের। যদি না কিনেন তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে আপনার েএকাউন্টের কোন সমস্যো ও হতে পারে। সে জন্য কোন ধরনের চালাকি না করে আমার কাছ থেকে সার্ভিসটা ৫ বার অর্ডার দিবেন যেনো আপনি আপনার ৫টা টিকটিক ভিডিও এর জন্য ৫ লক্ষ ভিউজ পান। আবার আপনি ৫ টা অর্ডারে একটা লিংক ও দিতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে ৫ টা অর্ডার কমপ্লিট করতে হবে যা একেবারে পানির মতো সহজ। 


Buy 100K TikTok Video Views. Get free if you join from my referral link and take a code.


API- Application programming interface views. সবগুলো ভিউজ রিয়েল হবে তবে আপনার টিকটিক ভিডিওটা ও যেনো ওয়ার্ল্ড ক্লাস হয়। তাহলে আপনার জন্য সবার কাছ থেকৈ লাইক বা ফলোয়ার বা শেয়ার পাওয়া অনেক সহজ হবে। ণচে িএকটা ভিীডও টিউটোরিয়াল দেয়া হলো।যদি আপনার ভালো  লাগে এবং অনলাইনে যদি আপনার অন্তত একটা কাজও জানা থাকে তাহলে ও আপনি একজন সফল ফ্রি ল্যান্সার হতে পারবেন যেখানে আপনাকে এক টাকা বা এক ডলার ও খরচ করতে হবে না। কোন বিড কিনতে হবে না। কোন ট্রেনিং ও করতে হবে না। এক ঘন্টা সময় হাতে নিয়ে ভিডিওটি দেখে ফেলুন এবং আমার রেফারেল লিংক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করলে আপনি আমার কাছ থেকে যে কোন ৫ ডলারের সার্ভিস কিনতে পারবেন। 


SEOClerks

Wednesday, September 2, 2020

হ্যাকিং/হ্যাকার মানে জেল। বাংলাদেশী হ্যাকারদের অভিনব হ্যাকিং।

পাপুয়া নিউগিনির এক ব্যবসায়ীর একাউন্ট থেকে অনেকদিন ধরে হ্যাক করে আসতাছে বাংলাদেশী এক হ্যাকার। তাকে সম্প্রতি পুলিশ গ্রেফতার করেছে ডিজিটাল আইসিটি আইনে। সে সবকিছু স্বীকারও করেছে। হ্যাকাররা যে অবৈধ তা এই ঘটনা থেকে  বোঝা যায়। আর হ্যাকাররা যে জেলেখানাতে পচে মরবে সারাটাজীবন তাও বলে দেয়া যায়। বাংলাদেশে অনেকেই হ্যাকার বা হ্যাকিংকে লিগ্যাল বলে মনে করে। কারো অভিযোগেরও তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশের পুলিশের ও উচিত ইন্টারনেটে যাদের যাদের হ্যাকিং রিলেটেড তথ্য আছে তাদেরকে সতর্ক করা  এবং তাদেরকে এই আইনের ব্যাপারে খুটি নাটি জানানো। মাঝে মাঝে অনেকেই আমাকে ফেসবুকে বা মেসেন্জারে ইথিক্যাল হ্যাকিং বা হ্যাকিং শিখার অফার দেয় তখন আমি তাদেরকে বাংলাদেশ সরকারের আইনের কথা বলে দেই যে নিম্নে সাত বছরের জেল হতে পারে। অনেক মানুষ আছে বাংলাদেশে - নিজেদের নামের আগে হ্যাকার লাগাইয়া নেয় আর জনমনে ভয় দেখায়। তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা  উচিত।




মূলত কোন ধরনের হ্যাকিং ই লিগ্যাল না। মিনিমাম আপনার বা আপনাদের নামে ইন্টারনেটে হ্যারাজমেন্টের মামলা হতে পারে যদি আপনি কিছুই না করে কারো ফেসবুক একাউন্ট ও হ্যাক করার চেষ্টা করেন কারন এত যার ফেসবুক একাউন্ট তার কষ্ট হতে পারে বা হয়। সো আপনি কারো ক্ষতি করবেন সেটা বোধ করি বিশ্বের কোন দেশের আইন এলঅও করবে না। আমি আমার লাইফে কখনোই কোন ধরনের হ্যাকিং শিখার চেষ্টা করি নাই কারন প্রথম দিন থেকেই আমি জানি যে এইটা ই লিগ্যাল। সো আশা করি আমার পরিচিত যারা আচেন হ্যাকার বা হ্যাকিং কে লিগ্যাল মনে করেন তার অতি সত্বর মানুষের ক্ষতি করা বন্ধ করে দেবেন।  আমি এমন কোন লোক পাই নাই বাস্তব জীবেন যে আমার সামনে আইসা বলবে যে তারা হ্যাকার কারন আমি মনে করি জানার সাথে সাথে ৯৯৯ এ জানাইয়া দেওয়াটা বাধ্যতামূলক। 

Tuesday, September 1, 2020

ঈশ্বর- গানটি শুনবেন সবাই। গানটি গেয়েছেন ভাইকিংস ব্যান্ড।

 গানটি দ্যা লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চু ভাইকে নিয়ে লেখা।


গানটি শুনে মনে হয় যে উনি এখনো আমাদের মাঝে খুব ভালো বন্ধুর মতো বেচে আছেন- তারই েতৈরী করা সাম্রাজ্যে।


১৯৯০ বা তৎপরবর্তী বাংলা ব্যান্ড জগত। দ্বিতীয় পর্ব।

 একটা ব্যান্ড মিউজিক দল গড়ে তোলা এবং তাদেরকে ধরে রাখা - সেটা ব্যান্ড এর লিডারের জন্য বিশাল স্ট্রাগল। একই সাথে অর্থের যোগান দেয়া, পরিবার পরিজন নিয়ে চলা এবং নিজস্ব খরচ প্লাস ভ্যান্ডের খরচ টিানো - বস মিলিয়ে ১৯৯০-২০০০ সালের ব্যান্ড দলগুলোকে রেীতিমতো হিমশিশ খেতে হতো। ধরতে গেলে ক্যাসেটের টাকা দিয়েই তাদের দিন যাইতো বা গানের খরচ মেটাতে হতো। ষ্টুডিও ভাড়া, সুর বা কম্পোজ করা, গীতিকার হায়ার করা, ক্যাসেট প্রকাশনাতে যাওয়া- এরকম ষ্ট্রাগলগুলোর কথা আমরা পেপারে ম্যাগাজিনে সবসময় পড়েছি। অনেক সময় যোনেট করার জন্য ওপেন আহবান ছিলো এবং থাকতো। অনেকেই উদার হস্তে তাদেরকে সাহায্য করতো এবং সামনে আরো ভালো ভালো গান শোনার আশায় থাকতো। তবে সবচেয়ে বেশী যে পদ্বতিটা সাহায্য করেছে তার নাম হইতাছে- কনসার্ট। সারা দেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে, নবীন বরনে র‌্যাগ ডেতে, বা জেলা উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের সরকারি/বেসরকারি/অোধা সরকারি এবং বেশীর ভাগ প্রাইভেট প্রোগামে কোন কনসার্ট বেশ জমজমাট কেরার জণ্য বা নাম ফুটিয়ে তোলার জন্য ব্যান্ড শো বা কনসার্টের কোন বিকল্প ছিলো না। যে কোন নতুন ভ্যান্ড প্রমোট করার জন্য স্পন্সর শীপ সুবিধা নিয়ে সারা দেশে কনসার্টের আয়োজন এক কথায় ব্যান্ড সংগীত জগতের শিল্পীদের মদ্যে প্রানের ছোয়া য়ে আসে- কোকাকোলা কনসার্ট, পেপসির আয়োজনে কনসার্ট বা আরো কিছু ব্যান্ড প্রমোট করার জণ্য সরাসরি ব্যান্ড সংগীত জগতের উপরে বলতে গেলে দ্বায়িত্ব পড়ে যায় এবং ব্যান্ড জগত একটা গতিও খুজে পায় যা ছিলো কাংখিত বা আকাংখিত। ভালো ভালো ব্রান্ড অনেক ক্যাসেটও প্রমোশন করে। ২০০০ সালের পর থেকে সব গুলেঅ প্রাইভেট টিভি চ্যানেল উদ্যোগ নিয়ে বাংলা ব্যান্ড জগতকে প্রমোট করা শুরু করে সেটা ছিলো আরো স্বর্নখচিত ব্যাপার এবং সেখান েথেকেই তরুন প্রজম্নের কাছে বাংলা ব্যান্ড গ্রপ গুলেঅ পরিচিত লাভ মুরু করে ব্যাপক হারে। বন্ধুদের রুমে বাংলা ব্যান্ডের বিখ্যাত আর্টিষ্টদের ছবি ঝুলে থাকতো এবং কিনতে ও ভালো লাগতো বা তিফট করতেও ভালো লাগতো। বিভিন্ন সাইচের পোষ্টারি, ভিউকার্ড বের হওয়া শুরু করে বাংলা ব্যান্ড জগতের কনসার্ট বা ক্যাসেট বা কনসার্ট বা প্রাকটিসের। রক ষ্টার বা রক শো বা এই ধরনের প্রোগ্রাম গুলো অনকে ধরনের গিটারিষ্ট (যারা নিয়মিত গিঠার শিখতো) তাদের মধ্যে একটা প্রানের সূচনা তৈরী করতো।

আমাদের বন্ধুদের মধ্যে অনেকেই  সরাসরি ব্যান্ড আর্টিষ্টদের বাসাতে যাইয়া দেখা করতো। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক এলাকাতে বসবাস করি ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত (এখণ ১৯৯৮ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত ২০ নং ওয়ার্ডে নিজস্ব জায়গা জমিতে বিল্ডিং বা বাসা করে বসবাস করতাছি) - বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবার সুবাদে শিক্ষক কোয়ার্টারে থাকা হতো। ১১/১২ টা মতো হল এবং বাংলাদেশ কৃষি বিম্ববিদ্যালয় এর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচনে বাংলা ব্যান্ড শো বা তাদের উপস্থিতি টা ছিলো চমতকার। প্রত্যেখটা হল একটা করে ভ্যান্ড দলকে হায়ার করে নিয়ে আসতো এবং সেটা একটা চলমান ধারা ছিলো। সারা বছরই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে নির্বাচন চলতো -ফলে সারা বছরই বাংলা ব্যান্ড দল গুলো সারা দেশের হলগুলোতে বা কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম গুলোতে গাইতো। ছাত্র ছাত্রীরা তো অবশ্যই যাইতো এবং গান শুনতো, নাচতো মজা করতো। সেই সাথে আরো অন্যান্য লোকজনও যাইতো এবং প্রোগ্রাম ইনজয় করতো। একবার বাকৃবি অডিটোরিয়ামে মাইলসের একটা ব্যান্ড শো এনজয় করলাম যেখানে প্রায় ২-৩ ঘন্টা অনবরত মাইলস গান গেয়ে যায়। এছাড়াও অনকে অনেক  শিল্পীদেরকে দেখি - চাইশ এর খালেদ, তপর চৌধুরী, শাকিলা জাফর সক আরো অনকে সংগীত শিল্পীদেরকে সরাসরি দেখা এবং তাদের গান শোনা খুব বড়সড় একটা মজা ছিলো। বাকৃবির বাহিরে আইয়ুব বাচ্চু এলআরবির কনসার্ট উপভোগ করি আনন্দমোহন কলেজে। একদিন এতো বিশাল পরিমান মানুষ একসাথে হয় যে- লোকে লোকারন্য সিচুয়েশনে আইয়ুব বাচ্চু ষ্টেজ থেকে পড়ে গিয়ে ব্যাথা পায়- সেদির আর কনসার্ট হয় নাই- পরবর্তী দেন কনসার্ট হয় এবং সেই পরিমান গান গান বাচ্চু বাই- প্রায় ৩০/৩৫ টা। আরেকদিন ময়মনিসংহ পলিটেকনিক কলেজের মাঠে দেখি জেমসের কনসার্ট- ফিলিংস, নগর বাউল এর কনসার্ট। বৃষ্টির মধ্যে দাড়িয়ে পলিটেকনিক করেঝ মাঠের প্রোগ্রাম এবং নাচানাচি সারা ঝীবন মনে থাকবে। আইয়ুব বাচ্চু কষ্ট ক্যাসেট বের হবার পরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৫ তালার মাঠে কনসার্টের আয়োজন হয় এবং সেখানে ক্লাস থেকে বরে হয়ে শোতে উপস্থিত হবার পরে দেখি ১ম গান শেষ- দ্বিতীয় গান চলতাছে। চিরজীবন মনে তাকবে ফিডব্যাকের মাকসুদকে- ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন মাঠে- পহেলা বৈশাখের কনসার্টে। ওরে বাপরে- সে কি লোক- মাকুসদ ভাই নাচাতে নাচাতে কোমড় ব্যাথা করে দেয় কয়েখ হাজার ছেলে পেলে দের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কনসার্ট করতে যাইতো মাইলস এবং এলআরবি এবং একক ভাবে অনেক শিল্পী। একবার মুনেছি মাইলষ টোটাল ইউএস এর সব ষ্টেটে কনসার্ট করে বাংগালীদের নিয়ে  কিন্তু আমেরিকান দের মদ্যে নাকি সেইরকম সাড়া পড়ে যায়। আমেরিকাকে কনসার্টের দেশ বলা হয় শুনেছি। তাদের একটা কনসার্ট আয়োজন করার সমস্ত কিছু অটোমিটক রেডী থাকে। বলা মাত্র আয়োজন করা এক মুহুর্তের ব্যাপার। বিশেষ করে তাদের সাগড় পাড়ের কনসার্ট খুব িজনপ্রিয়। বিদেশ ট্যুর বাংলা ব্যান্ড জগতের জন্য খুব সম্মানের ছিলো। ভালো অর্থ পাবার সাথে সাথে তারা অনকেসময় তাদের প্রিয় প্রিয় মানুষদেরকে কুজে পাইতো এবং এক মিলনমেলায় মেতে উঠতো।

ব্যান্ড সংগীত জগতের জন্য পপুলার এ্যাপ এর নাম হইতাছে সাউন্ডক্লাউড। সংক্ষেপে এসসি নামে ডাকা হয়। এইখানে সারা বিশ্বের অনকে সংগীথ জগতের রথী মহারথীদের গান ষ্টক করা থাকে। অনেক ছেলে পেলে শুধু এসসি তেই শিল্পীদের গান শোনে। আমাদের দেশের ব্যান্ড সংগথি জগতের শিল্পীদের ব্যস্ততা বা উদাসীনতার কারনে তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব পারসোনাল প্রোফাইল বা ব্যান্ড প্রেফাইল খুজে পাওয়া যায় না। কিন্তু তার যে সারা বিশ্বে নাম করেছে তাদের ভক্তরা তাদের প্রোফাইল খুজে বেড়ায় এসসি তে। তবে ইউটিউবে সংগীত জগতের শিল্পীদের গান অনেক সমৃদ্ব। 



একটা ব্যাপারে খটকা লাগলো ইউটিউবে- কয়েকদিন আগে পর্যন্ত বাংলাদেশে ইউটিউবের গুগল ডট কম মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম চালু ছিলো। তখন বাংলা ব্যান্ডের অনেক গানে সেই মনিটাইজেশন প্রোগ্রাম একটিভ দেখেছি। অনকেই নিজস্ব চ্যানেল চালূ করে সেখানে বাংলা ব্যান্ডের গান আপলোড করে সেখানে ইউটিউবের মনিটাইজশেণ চালু করেছে এবং যেহেতু মিনটাইজশেন চালু ছিলো সেহেতু বলা যায় যে তারা ভালো অংকের ডলারই উপার্জন করেছে। কিন্তু একটা ব্যাপারে দেখলাম- যে বাংলা ভ্যান্ডের গানের যে প্রযোজনা প্রতিষ্টান তাদের কোন চ্যানেল নাই তেমন- সেখানে ভক্তদের চ্যানেল ছিলো। এখন শিল্পীর গান তো শিল্পী বা প্রযোজনা প্রতিষ্টানই শুধু মালিকানা দাবী করতে পারে। কিন্তু কোন ভক্ত যদি সেই গানের মাধ্যমে উপার্জন করে তাহলে তো সংশ্লিষ্ট শিল্পী বা প্রযোজনা প্রতিষ্টানের অনুমতি লাগতো। নয়তো তারা তো কপিরাইট আইনে সিক্ত হতে পারে যে কোন সময়ে। কারন আমি চাইলেই ইলেকট্রনিক মিডিয়ার যে কারো কনটেন্ট কপি করে সেটা এডিট বা মিডফাই করে রান করে কোন ধরনের উপার্জন করতে পারি না কারন এইখানে শিল্পী বা ভ্যান্ড দল বা গানের মৌলিকতা টা নষ্ট হয়ে যায়। আমরা সবাই জানি যারা শিল্পী তারা গান বেচে খায় কারন গান গাওয়াটা তোদের পেশা । এখন আপনি যদি তাদেরকে ঠকান সেটা তো আপনার নিজস্ব মূল্যবোদের জায়গায় যেয়ে দাড়ায়। আগে ব্যান্ড জগতের সবাই বলতো- আমরা তো ভালেঅ মানুষ- তাই আমােদের সবাই ঠকায়। তাই সেই চ্যানলেগুলোর ম্যেধ যারাই শিল্পী বা প্রযোজনা প্রতিষ্টানের অনুমতি ছাড়া ইউট্বিু মনিটাইজেশন করতাছেন তারা যদি স্বেচ্চায় বন্ধ করে দেন তাহলে ভালো আর নয়তো বামবা বা ব্যান্ড জগতের শিল্পীরা এ ব্যাপারে লিগ্যাল এক্যাশন নেয় তাহলে আপনাকে জেলে চলে যাইতে হতে পারে। আর শিল্পীদের ও উচিত ইউটিউবরে সাথে এমন একটা কমিটমেন্টে আসা যেনো তারা অডিও গান আপলোডের ক্ষেত্রে শিল্পী বা ভ্যান্ড দল বা প্রযোজনা প্রতিষ্টিানের অনুমতি ছাড়া যেনো মনিটাইজশেন এপ্রুভ না দেয়।


 

ভালো লাগে বাংলা ব্যান্ড দলের গান। এখণো শোনা হয়। মাঝে মাঝে পুরাতন গান গুলা অনেক আনন্দ দেয়। ১৯৯৮ সালে বের হওয়া ভাইকিংস আমার খুব ফেভারিট- ভাইকিংস এর গান আমার অনেক ভালো লাগতো এবং এখনো লাগে। বাংলা ভ্যান্ডের কিংবদন্তী সব আর্টিষ্টদেরকে জানাই শুভেচ্চা। ভালো থাকবেন বাংলা ভ্যান্ডের সকল সংগীত শিল্পীরা। ভালেঅ থাকুক তিলে দিলে গড়া এই বাংলা ব্যান্ড শিল্প। করোনার কারনে অনকে কানে অনকে কনসার্ট অফ আছে। একসময় করোনা কেটে যাবে। পুরাতান সূর্য নতুন করে উদিত হবে আর সারা দেশে খানে বেখানে মাঠে ষ্টেজে বাংলা গান আবারো মেতে উঠেবে সেই আশাই করি। 

Translate