Monday, October 5, 2020

বিভিন্ন ধরনের ফ্রি ল্যান্সার। লোকাল ফ্রি ল্যান্সার।

লোকাল বলতে জাতীয় ভাবে বোঝানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভাবে যারা ইন্টারনেটে ফ্রিল্যানসিং এর কাজ করে থাকে তাদের কে আন্তর্জাতিক মানের ফ্রি ল্যান্সার বলতে পারেন বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার বলতে পারেন।এইটা একটা আলাদা প্রফেশন। কিন্ত ফ্রি ল্যান্সিং এর যে কোন সেকসানের কাজ শিখার পরে কেউ যদি আন্তর্জাতিক অংগনে কাজ করার সাহস না পায় এবং জাতীয় ভাবে েয কোন কাজ করে থাকে তাকে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার বলা হইতাছে। এরাও খুব ভালো কাজ জানে যা ইন্টারন্যাশনাল মানের- মার্কেটপ্লেসে কাজ করতেও এরা অনেক সময় সাহস পায় না ইংরেজীতে বাত চিত করার কারনে। তবে কিছু মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে শুধু সার্ভিস সেল করে অনেক কাজ পাওয়া যায়। যেমন: এসইওক্লার্ক বা রিলেটেড আরো ৮টি মার্কেটপ্লেস বা ফিভার বা এই ধরনের আরো কয়েকটা মার্কেটপ্লেস। তারাও দেশের জণ্য রেমিটেন্স আনতাছে প্রতিনিয়ত কিন্তু ইংরেজীতে দুর্বল থাকার কারনে তারা মার্কেটেপ্লেসে বিড করে কোন কাজ আনতে পারে না যাকে সহজ ভাষায় বলা হয় - ক্লায়েন্ট ডিলিংস ভালো না। এরাও রেমিটেন্স জেনারেট করে যাইতাছে এবং এদেরকে আপন আন্তর্জাতিক মানের ফ্রি ল্যান্সার বলতে পারবেন খুব সহজে। এইখানে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার বলতে মূলত বোজানো হইতাছে: যারা খুব ভালো কাজ জানে এবং ফেসবুক বা যে কোন সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে সারা দেশের প্রেক্ষাপটে যে কোন মানি ট্রানজেকশন সিষ্টেম ব্যবহার করে একজন আরেকজনের কাছ থেকে পেমেন্ট নিতাছে এবং কাজ করতাছে বা কাজ ডেলিভারি দিতাছে। 

এইখানে একটা উদাহরন দিয়ে আপনাকে বুঝাইয়া দেই - যেমন ধরেন আপনি একজন ফটো এডিটর, আপনার পারসোনাল ফটো ষ্টুডিও আছে। আপনি রাস্তার পাশে বা যে কোন বড় রাস্তার পাশে খুব বড় সড় একটা দোকান এর পজিশন নিয়ে একটা ফটো ষ্টুডিও ওপেন করলেন। সেখানে আপনি যে আসে কাষ্টমার ছবি তুলতে - তার ছবি তুলেন । আবার অবসর সময়ে আপনি ফটোগুলোকে এডিট করে প্রিন্ট করে ডেলিবারি দেবার জন্য রেডী করেন বা করে থাকেন। আর তার চেয়েও বেশী যদি অবসর সময় থাকে তাহলে আপনি ফেসবুক বা যে কোন সোশাল মিডিয়াতে কাজ খুজে থাকেন কারন আপনার ফটোশপ, এডোবি ফটোশপ এইগুলো খুব ভালো জানা আছে এবং আপনি নিয়মিত বিরতিতে কাজ পেয়েও যাইতাছেন লোকাল ফেসবুক গ্রুপগুলো থেকে। যারা আন্তর্জাতিক ভাবে মার্কেটপ্লেসে বিড করে কাজ করে তারা বিভিন্ন ভালো বা খারাপ মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে বৈধ বা যে কোন উপায়ে ফটোশপ এডিটের/ গ্রাফিক্স রিলেটেড  যে কোন কাজ ধরে আপনার মতো যারা সারা দেশের লোকাল ব্যবসার সাথে জড়িত যারা - তাদেরকে দিয়ে কাজ করাইয়া নিতাছে এবং অরিজিনিালি কাজের পেমেন্ট টা না জানার কারনে খুবই অল্প দামে (হয়তো ১০% বা ২০%) দামে হয়তো বা কাজ করাইয়া নিতাছে। আর সেগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্ট বা বায়ারদের ব্যবসায় ব্যবহৃত  হইতাছে। তাদের ব্যবসায় লোগো বা ডিজাইন  হিসাবে ব্যবহৃত হইতাছে। আপনার মন দিয়ে করা কাজটা কোথায় ব্যবহৃত হইতাছে তা আপনি জানতে পারলেন না। 

চিটার বা বাটপার টাইপের ফ্রি ল্যান্সার যারা তারা কাজ শেষে ১০% পেমেন্ট ও দিতে চায় না যারা লোকালি কাজ করে তাদেরকে। এজ এ ওয়ার্ড জানতেই দেয় না কতো টাকা বিড জিতেছে। মানুষ ঠকানোর ব্যবসাতে মানুষকে ঠকিয়ে বাংলাদেশের কোন শ্রেনীর লোক পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করে তা আমরা সকলেই জানি। আর  যারা লোাকালি কাজটা করলো তারাও একটা নিয়ম ভংগ করলো। বলতে পারেন একই দেশের হবার কারনে আপনি যে কারো কাছ থেকে সেন্ড মানি তে পেমেন্ট টা নিতে পারেন। কিন্তু আপনি যে ব্যবসা তৈরী করেছেন - যে দোকান নিয়েছেন তার উপরে সিটি বা পৌরসভার অনুমতি লাগে কাগজেপত্রের (সিটি বা পৌরসভার অনুমতি ছাড়া দোকান পাট খোলা বা ব্যবসা চালু করা আইনত অপরাধ) সেই কাগজপত্র ব্যবহার কের আপনি একটা ব্যবসায়িক মোবাইল মানি একাউন্ট বা মার্চেন্ট সার্ভিস বা  একা্উন্ট ওপেন করে নিতে পারতেন। এতে করে সরকারও আপনার দেখ ভালো করতে পারতো। কারন সরকার জানতো কখন কোন লোক আপনাকে কোন খান থেকে ব্যবসায়িক পেমেন্ট নিতাছেন। সময়ে চাইরে সরকার আপনাকে লোনও দিতে পারতো আপনার মার্চেন্ট এর লেনাদেনার উপরে ভিত্তি করে। আপনি দোকানদারি করে যে উপার্জন করতাছেন তার থেকে সরকারকে আয়কর/ভ্যাট/ট্যাক্স দিতাছেন। আপনার দোকানের পজিশনের জন্য ও আপনি আয়কর, ভ্যাট, ট্যাক্স  বা খাজনা অবধি দিতাছেন। কিন্তু আপনি যখন লোকালি আউটসোর্সিং করলেন সেখানে আপনি আপনার পেমেন্ট টা পারসোনালি রিসিভ করে সরকারের ভ্যাট বা ট্যাক্স ডিভিশন কে এক ধরনের ফাকি দিয়ে দিলেন কারন আপনি যদি সেটা একটা পেমেন্ট/মার্চেন্ট টাইপের ব্যাংক  একাউন্ট এর মাধ্যমে রিসিভ করতেন তাহলে সরকার আপনার অর্থটাকে প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজেন ব্যবহার করতে পারতো। 

লিকুইড মানি তো সরকার এট এ টাইমে ব্যবহার ও করতে পারতো বা ব্যাংক সার্ভিস সেই মানি টাকে ব্যবহার করে অনেক দরিদ্র মানুষের উপকারও করতে পারতো। আর সেদিকে ক্লায়েন্ট ও প্রথমেই ঠকে গেলো কারন সে যাকে দিয়ে কাজটা করাবে ভেবেছিলো সে  কাজটা করে দেয় নাই। সে কাজটাকে আউটসোর্স করেছে ক্লায়েন্টের অনুমতি ছাড়া। সে যদি বলতো যে সে আউটসোর্স করবে তাহলে ক্লায়েন্ট তাকে আরো কম বা বেশী পেমেন্ট দিতো। এ ক্ষেত্রে সে ক্লায়েন্টর কাছ থেকে চুরি করেছে বলতে হবে- মিনিমাম ফেইথ চোর বলে থাকি আমরা এই ধরনের কেসগুলোকে। লোকাল ডিলিংস এর ক্ষেত্রে একবার ২০১১ সালের আগে আমরা সারা বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সাররা পারস্পরিক ডিসকাস করে নিয়েছিলাম যে - আমার ক্লায়েন্টর কাছ থেকে যা নেবো তার ৪০% যাকে দিয়ে কাজ করাবো তাকে দিবো সবসময়। ৪০% নিজে রাখবো। আর ২০% ভ্যাট, ট্যাক্স, ট্রনাজকেশন চার্জ বা ডলার রেট/জলার কনভারসন চার্জ কাট হিসাবে বিবেচিত হবে । আর যদি  এইখানেও কিছু থেকে থাকে তাহলে সেটা যে কাজ ধরেছে তার পকেটেই যাবে। কিন্তু বর্তমানে কোটি কোটি অভিযোগ জমা হয়েছে যেভাবেই কাজ করেছি পেমেন্টে দেয় না। পেমেন্ট ই দেয়ই না একেবারে। ৩০% বা ৪০% দেবে সেতো দূরের কথা । কাজ করিয়ে নেবার পরে সরাসরি প্রোফাইল অদৃশ্য হয়ে যায়। ফলে যে কাজ করেছে সে আর কোথায় টাকা চাইবে। 

কাজ শেখার লোভে বা ডলার কামানোর লোবে অনেকেই যারা নিয়মিত ফ্রি ল্যান্সার তাদের কাছে কাজ শিখতে যায়। আর নিয়মিত ফ্রিল্যান্সার দের মধ্যে যাদের মন মানসিকতা চামার চুমার টাইপের- তারা প্রথমেই তাকে কাজ শিখিয়ে ক্লায়েন্টর কাজ করাবে কিন্তু পেমেন্ট দিবে না। আবার প্রথমত কাজ শিখানোর জন্য ও টাকা চাইয়া বসবে। যে বা যারা আনলিমিটেড ডলারের জগত থেকে কাজ পাইতাছে বা কাজ করাইতাছে তারা যখন কাউকে দিয়ে কাজ করায় সেখান থেকে একটা ফিনান্সিয়াল বেনিফিট আদায় করে থাকে। আবার প্রথমেই কাজ শিখানোর জন্য একটা চার্জ দাবী করে থাকে। যারা স্কুল, করেঝ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাইভেট টিউশনি পড়ায় তারা একটা নীতিমালা গ্রহন করে চলে অনেকখানে। মানে আকাশ পরিমান চার্জ চায় না কোথাও। যেটা সচরাচর সবখানে চার্জ নেয় তারাও সেই ভাবে নেবার চেষ্টা করে। কিন্তু মার্কেটপ্লেসে নিউ কামারদের কে দিয়ে কাজ করানোর ক্ষেত্রে কাজ শিখানোর পরে তাকে দিয়ে কাজ করালে তাকে আর কেনা টাকা পয়সা দিতে চায় না। বলে যে এক্সপেরিয়েন্স- অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। অথচ যেই মানুষটা খুব মনোযোগ দিয়ে টাকা দিয়ে কাজ শিখলো এবং মার্কেটপ্লেসের কোন ক্লায়েন্টের কাজ ও করে দিলো সেখানে তাকে কোন পেমেন্ট ই দেয়া হয় না অনেক সময়। ডলার ইউএসএর নিজস্ব মুদ্রা। সারা বিশ্বে ইউএসএর দাপট হিসাবে ডলার সবখানে ব্যবহৃত হয়। ডলার তো বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা না আর বাংলাদেশের ও পারসোনাল কোন বড় সড় কোন মার্কেটপ্লেস নাই। হয়তো উদ্যোগ নাই বা অনুমতি পায় না অনেক সময়। আবার ২/১ টা সাইট চালু হয়েছে শুধু মাত্র দেশী ঘরানার। যেমণ: কাজ কি বা বিল্যান্সার। 

তো এইখানে একটা অবিচার রয়ে গেলো যেটা হলো : আপনি আনলিমিটডে বা ইনফিনিটিভ দুনিয়ার ডলার উপার্জন করতাছেন আবারো টাকা পয়সা ও চাইতাছেন লোকালি। কিন্তু এই ব্যাপারে আপনি কোন আইন বা অনুমতির তোয়াক্কা করলেন না। এইখানে আইন মোতাবেক আপনাকে পৌরসভা বা সিটি বা রাষ্ট্রের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে যে আপনি কি চাইলে যে কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফ্রি ল্যান্সার বা আউটসোর্সিং বা মার্কেটপ্লেস রিলেটেড কাজ শিখানোর জণ্য কারো কাছে যে কোন এমাউন্ট দাবী করতে পারেন কিনা বা আপনার কাছে ই কমার্স লাইসেন্স আছে কিনা বা  আপনার কাছে কোন মার্চেন্ট সার্ভিসের অনুমতি আছে কিনা? এখন যদি আপনি মনে করেন যে- আপনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না বা  এই দেশে আইনের কোন দাম নাই তাহলে হয়তো আপনি একটু ভুল করে গেলেন। হয়তো এ দেশের সকল লোক আইন কে অমান্য করতে পারে কিন্তু আপনি তো জেনে শূনে আইনকে অমান্য করতে পারেন না। আর যদি অমান্য করেন তাহলে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে- :এই দেশে আইন সকলের জন্য ই সমান। আপনি যদি দেশের কোন আইন ভংগ করে থাকেন তাহলে আপনাকে একদিন না একদিন আইনের আওতায় আসতে হবে। যেমন : স্বাধীনতা যুদ্বের পরে সাধারন ক্ষমা পাওয়া সারা দেশের রাজাকারদেরকে প্রকাশ্য দিবালোকে ঝুলাইয়া দেয়া হয়েছে ২ টি গনজাগরনের (১৯৯০,২০১৩)মাধ্যমে ৪৩ বছরের মধ্যে। কিন্তু একসময় তালিকার রাজাকারেরা বলতো যে - বাংলাদেশে কারো ক্ষমতা নাই তাদেরকে ফাসি দেবার। সাধারন ক্ষমা আইন ভেংগেই তালিকাগ্রস্থ রাজাকারকে ফাসির কাষ্টে ঝোলানো হয়েছে জয় বাংলার ক্ষমতা মোতাবেক। 

বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৪২০ ধারাতে বর্তমানে সংযুক্ত আছে যে- ”ইন্টারনেটে আপনি কারো কাছে টাকা চাইতে পারবেন না। চাইলে ণূন্যতম ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের ব্যবস্থা”। (কয়েকদনি আগে লিংকডইন একটা পোষ্টে দেখেছি।) তাছাড়া ইন্টারনেটে আপনার টাকা চাওয়ার মিনিমাম যোগ্যতা হলো - যে কোন ব্যাংকের ইন্টারনেট পেমেন্ট  গেটওয়ে বা মারচেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করা।  আর তারপরেও যদি আপনি ইন্টারনেটে টাকা চাওয়াকে বৈধ মনে করেন তাহলে আপনি একটা ণীতিমালা তৈরী করে নেন যে- ”একসময় মুক্তিযোদ্বারা শিক্ষাব্যবস্থা তৈরী করে ছিলো  সেই শিক্ষা ব্যবস্থার উপরে একটি  অপশক্তি ব্যবস্থা কোচিং বা প্রাইভেট বানিজ্য চালু করেছে (আমাদের বাবারা জীবনেও কখনো প্রাইভেট বা কোচিং করে নাই । আর এখন ইন্টারনেটে ফ্রি ল্যান্সার /আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস চালু করেছে মার্কিনীরা। আপনি সেখানে কোচিং করাবেন নিজে ডলার/ইউরো/পাউন্ড উপার্জন বাদ দিয়ে। আপনাকে যেনো সরকার নীতিমালা ঘোষণা করে দেয় যে- কখন কোথায় কোন প্লাটফর্মে কোন কাজ শিখানোর জণ্য আপনি কতো টাকা চার্জ নিবেন।”  কারন আমাদের দেশে একটা চক্রই আছে যাদের একমাত্র কাজ হইতাছে পরের ধনে (সম্পদে বা সিষ্টেমে) পোদ্দারি করা । 

আপনি যে কোন মোবাইলের সেন্ড মানি অপশন ব্যবহার করে ইন্টারনেটে কাজ শিখানোর কথা বলে সকল ধরনের মানুষের কাছ থেকে মানি রিসিভ করা বন্ধ করে সরকারের অনুমতি নিয়ে মার্চেন্ট পেমেন্ট সিষ্টেম চালূ করে  এবং ইন্টারনেটে আউটসোর্সিং রিলেটেড কোচিং করাইয়া ধান্দাবাজি বা চাদাবাজি বা হ্যারাজমেন্ট করার জন্য সরকারের কাছ থেকে বা হাই কোর্টের কাছ থেকে বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তারপরে টাকা বা পয়সা রিসিভ করা শুরু করেন। এতে করে সরকারের কাছে একটা স্পেসিফিক ডাটা থাকবে যে- এই এই জেলার এই এই চটার বাটপার গুলো ইন্টারনেটে কোচিং করাইয়া এতো এতো টাকা উপার্জন করেছে। চাইলে সরকার আবার সেটাকে ডাটা আকারে পাবলিক লি প্রকাশও করতে পারবে। কারন এইখানে সেন্ড মানি সুবিধা ব্যবহার করার কারনে আমি পারসোনালি মনে করি সরকারের বিপুল পরিমানে রাজস্ব ক্ষতি হইতাছে যাকে আমরা সহজ বাংলায় সিষ্টেম লস বলে থাকি। এইধররে পন্থাগুলো যদি বাংলাদেশ সরকারের চোখে বৈধ হয় তাহলে অনায়াসে তাদরেকে লোকাল ল্যান্সার বলে চালিয়ে দেয়া যাবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের নিয়মানুযাী মানুষ যন কাউকে টাকা দেবে তখন তার কাছ থেকে সার্ভিস বা সেবা গ্রহন করবে আর সেই সেবার রেকর্ড গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কাছে থাকবে। এইখানে সেবা প্রদান করা হইতাছে (ইন্টারনেটে যারা ফ্রি ল্যান্সার/ মার্কেটপ্লেস/ আউটসোর্সিং রিলেটেড কাজ কাম শিখাইতাছে বা ধান্ধা করতাছে আর সার্ভিস গ্রহনকারী হইতাছে যারা টুকটাক শিখতাছে বা সেবা গ্রহন করতাছে এবং একই সমানতালে প্রতারিতও হইতাছে নিয়মতি বিরতিতে।) 

যারা সেন্ড মানি সুবিধা ব্যবহার হরে ইন্টারনেটে টাকা পয়সা লেনাদেনা করে কাজ কাম শিখানোর কথা বলে সেখানে যদি মার্চেন্ট সুবিধা টা চালু করা হয় তাহলে প্রত্যেক বার ট্রানজেকশনের সাথে সাথে একটা মনিটরিং থাকবে এবং জবাবদাহিতার ও একটা ব্যাপার থাকবে। আইন প্রয়োগকারী সহজে ট্রানজেকশণ নাম্বার চেক করে যে কোন সময়ে যে কারে বিরুদ্বে যে কোন খানে এ্যাকশনও  নিতে পারবে। আদতে সরকারি নির্ধারিত আইট প্রতিষ্টান গুলো ই শুধু এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু এখন বাংলা মায়ের সন্তানেরা (আদৌ কিনা) সমানেই ইন্টারনেটে যে যেভাবে যার কাছ থেকে পারে টাকা পয়সা নিয়ে প্রতারনা র চক্র গড়ে তুলে হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে দেশের অনেক খানে অনেক মানুষের ক্রমান্বায় কষ্টের কারন হয়ে যাইতাছে। ইন্টারনেটে যারা হাত পাতে তাদেরকে আমি কোন ধরেনর ফ্রি ল্যান্সার বলতে নারাজ। আর যারা কোন ধরনের অনুমতি ছাড়াই বা ফেসবুক পেজ তৈরী করে বা নিয়ম ণীতিমালা তৈরী না কের যার যেভাবে খুশী সেভাবে টাকা পয়সা নেওয়া শুরু করেছে তাদেরকে বেসিক্যালি লোকাল ল্যান্সার বলা চলে। 

লোকাল মানে জাতীয় এইখানে। আর ল্যান্সার মানে হইতাচে পেশা। আর পেশাটা হইতাছে ভালো মানুষি যদি থাকে আর কি/ চিটারি বা বাটপারি কারন যে কোন নাম্বার ব্যবহার করে কার সাথে কতো খানে কতো কতো টাকা চিটার বাটপারি করে যাইতাছে তার প্রমান রাষ্ট্রীয় ভাবে আহবান করলে কোটি ছাড়াইয়া যাবে যেমন আগের দিন বলেছিলাম- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেমের মা বোনরে গরের ভেতর ডুকে তাদের কে কোটিপতি বানানোর কথা বলে/ কোর্স শিখানোর কথা বলে তাদের পারসোনাল (ব্রা/প্যান্টি/ন্যাপকিন)কেনার টাকাও হাতাইয়া নিতাছে অনায়াসে। সমাজটা গোল্লাতে গেলেও সামাজিক ব্যবস্থায় বসবাসকারী রোকজনদের যেনো কোন রকম ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখাটা আইন বা পুলিমেল নৈতকি দ্বায়িত্বের মধ্যে পড়ে। রাষ্ট্রীয় ভাবে কিছু কিছু লোকাল ল্যান্সার দের   চিটারি বা বাটপারি কোনভাবেই নৈতিক হতে পারে না। একদিন খড়গ শুরু হবেই হবে।  

তাই এই ইন্ডাষ্ট্রিজ কে যদি বাচাতে চান বা আপনি যদি চান দেশের ছেলে মেয়ে বা ফ্রিল্যান্সার রা তাদের মেধার প্রয়োগ ঘটিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাক এবং নিয়মিত উপার্জন করে তাদের সংসার চালু করুক তাহলে সারা দেশের সকল কোম্পানী/ প্রাইভেট অর্গানাইজেশন/ করপোরেশন সকলের অংশগ্রহনে একটি মার্কেটপ্লেস- যেখানে সরকারের অুনমতি নিয়ে আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সার রা চাইলে কোর্সও সেল করতে পারবে এবং সেখানে একটা মান নিয়ন্ত্রনের ও ব্যাপার থাকবে। আমাদের দেশে যতো পরিমান মার্কেটপ্লেস আছে সেগুলোর সবগুলোই দেশের বাহিরের কারো না কারো। যা দ্বারা আপনি চিনেন না এমন লোককেও আপনি বিলিওনিয়ার বানিয়ে দিতাছেন। যারা ইউরোপ আমেরিকাকে ভালোবাসে তাদের জন্য ব্যাপারটা আনন্দেরই। কিন্তু দেশের সব ধরনের ফ্রি ল্যান্সারদের মেধা কাজে লাগানোর একটা সহজ উপায়- একটা প্লাটফর্ম যেখানে যে কেউ যে কাউকে যে কোন কাজের জন্য হায়ার করতে পারবে এবং কাজ শেষে রিভিউ দিতে পারবে। কোন ধরনের চিটার বাটপারি হলে আইন পুলিশের সাহায্য ও নিতে পারবেন। যে কোন বিদেশী কোম্পানীও বা বিদেশী বায়ার বা ক্লায়েন্ট আমাদের দেশের যে কোন ফ্রি ল্যান্সারদেরকে তালিকা থেকে খুজে বের করে যে কোন কাজ বা সেই ফ্রি ল্যান্সার এর এক্সপার্টনেস অনুযায়ী হায়ার ও করতে পারবে। ফলে দেশের সকল ফ্রি ল্যান্সার রা এক প্লাটফর্মে  আইসা কাজ করতে পারবে। পেমেন্ট সল্যুশন দেবে বাংলাদেশের যতো  ইন্টারনেট পেমেন্ট কোম্পানী আছে তারা। সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্ব পড়ে এইটা- আমার মতে। সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় একটা লোকাল মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট বানাবে যেখানে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার রা কাজ খুজে নিবে, আবার লোকাল  আউটসোর্সিং কোম্পানীগুলো তাদের কাজ কে আউটসোর্স করবে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে , যারা কাজ শিখাবে তাদের তালিকা দেয়া থাকবে (তাদের কাজ শিখানোর যোগ্যতা ভেরিফাই করে) যাদের কাছ থেকে স্বল্প মূল্যে বা অল্প মূল্যে মার্চেন্ট প্রথায় কাজ শিখতে পারবে যারা কাজ শিখতে ইচ্ছুক তারা কাজ শিখতে পারবে। ফলে পুরো প্রসেসটাই সরকারের চোখের সামনে থাকবে। অযথা মানুষকে হয়রানি করার ব্যাপারটা কমে যাবে যা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের সোশাল মিডিয়াতে হইতাছে। 

মনস্ত্বাত্বিক ভাবে যদি একবার বিবেচনা করেন যে একজন মানুষ যে বাংলাদেশ সরকারের বৈধ নাগরিক তার বুকে জমে থাকা লাখ রাখ স্বপ্ন নিয়ে সে সোশাল মিডিয়াতে আইসা নিজের জীবনের মোড় পরিবর্তনের চেষ্টা করতাছে। সেখানে আপনার দেশের সামাজিক ছত্রছায়ায় বসবাস করা একটা অশুভ চক্র প্রতিনিয়ত সেই সুন্দর মনের সোশাল মিডিয়ার মানুষগুলোর ইমোশন নিয়ে ব্যবসা করতাছে যা পারসোনাল সেন্টিমেন্টে আঘাত হানতাছে আর যা প্রতিনিয়ত একটা ইমোশনাল হ্যারাজমেন্ট তৈরী করে যাইতাছে। বাংলাদেশ সরকার নিশ্চয়ই ফেসবুক থেকে টাকা পয়সা নেবার জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করে নাই। একটা মানুষ ফেসবুকে বসা মাত্রই নানা ধরনের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে - ফ্রি ল্যান্সিং করে কোটিপতি হবার বিজ্ঞাপন দেখে সেখানে প্রতারিত হয়ে বসলো। আপনি একবার ভেবে দেখেছেন সে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার বা সো কলড ফ্রি ল্যান্সার দ্বারা কতোটুক স্বপ্ন ভংগের স্বীকার হলো আর আপনি সরকার বা প্রশাসনের অংশ হয়ে তাদেরকে সাপোর্ট করে বিনা কারনে মন ভাংগার কারনে গুনাহ কামাই করতাছেন। বাংলাদেশে যারা প্রতিনিয়ত হ্যারাজমেন্টর স্বীকার হইতাছে লোকাল ফ্রি ল্যান্সার দের দ্বারা -আমেরিকান রা বা ফেসবুকের যারা মালিক বা নীতি নির্ধারক তারা নিশ্চয়ই সেই পাপের ভাগ নেবে না কখনো। ফেসবুকের একটা নিজস্ব মার্কেটপ্লেস আছে যেটা বাংলাদেশে চালু হয় না। 

আমেরিকাতে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসের সেকসানের মাধ্যমে, ফেসবুক মার্কেটপ্লেস সেকসানের ইউজার হবার কারনে সরাসরি ডলার লেনাদেনা করা বৈধ কিন্তু বাংলাদেশে এইভাবে লেনাদেনা করার অনুমতি কখন কোন আইনে দেয়া হলো ঠিক বোঝলাম না? কোন প্রজ্ঞাপন ও তো চোখে পড়লো না যেখানে বাংলাদেশ সরকার সমস্ত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বলতাছে যে- তোমরা সমানেই সমস্ত সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে টাকা পয়সা লেনাদেনা করা শুরু করো। হুশ নাই বাংগালীর- হুশ নাই লোকাল ল্যান্সার দের। যদি কখনো আইনের খড়ড়ে পড়েন তখন ঠিকই হুশ হবে। শুনেছি সরকারের কপি রাইট আইন খুব ভয়াবহ আইন। আর আমি এতোক্ষন যতোগুলো চিটারি বাটপারির কথা আলোচনা করলাম- সেই সব চিটা বাটপারদের কপিরাইট আইনে সাজা পাইতে হতে পারে। 

যারা একেবারে ফ্রি কাজ শিখাচ্ছেন আর পরে আবার টাকা চাইয়া বসতাছেন সেখানে ও সাবধান। দেখলাম সরকারের নাম ভাংগাইয়া একটা প্রজেক্টে আমার এক পরিচিত জনকে প্রথম সেশন করাইছে ফ্রি- দ্বিতীয় সেশনেই বলতোছে স্পেশিয়াল বা প্রিমিয়ার সেকসান। সেখানে নিশ্চিত টাকা পয়সার ব্যাপার স্যাপার শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সরকারি রেফারেন্সে ও শুরু হয়েছে। সৃষ্টিকর্তাই জানে কবে জানি ইন্টারনেট বাংলাদেশ কে গুড ভাই বলে দেয়? তখন মেট্রাপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক দিয়ে কাজ শিখাইয়েন আর লোকাল ফ্রি ল্যান্সিং করে যাইয়েন। ইন্টারনেটের আর কি দরকার - নেটওয়ার্ক থাকলেই তো পয়সা। 

বড়ো আজব এক দেশ- বাংলাদেশ। লোকাল ল্যান্সিং এর বাংলাদেশ।

কপিারইট। স্বত্ত্ব সংরক্ষিত।


গৃহবধূকে নির্যাতন: কীভাবে এত শক্তিশালী হলো দেলোয়ার বাহিনী? | Jamuna TV

Add flag counter for your website or blog or forum.



#flagcounter

#flagcounterforblog

#flagcounterforforum

#flagcounterforwebsite

#visitorsflag

#visitorscountry

Sunday, October 4, 2020

বিভিন্ন ধরনের ফ্রি ল্যান্সার। ফূুল টাইম ফ্রি ল্যান্সার। প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ।

একসময় ফটোগ্রাফার কে ফটোল্যান্সার বলা হতো। কিন্তু সময়ের আবর্তনে এখন ডাকা হয় ফটোগ্রাফার নামে। শুনেছি বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্বাদেরকেও ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে অভিহিত করা হয়। ১৯৭১ সালে শুধুমাত্র যাদের ভেতরে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্বে চেতনা জাগ্রত হয়েছে তারাই দল মত নির্বিশেষে জয় বাংলা বলে অস্ত্র হাতে তুলে নেয় এবং পাক হানাদার বাহিণীর বিরুদ্বে যুদ্বে জয়ী হয় এবং বিজয় অর্জন করে। এই যে দল মত নির্বিশেষে যুদ্বে মানুষের অংশগ্রহন, মা , মাটি এবং দেশের প্রতি যে ভালোবাসা যা কেউ অবজ্ঞা করতে পারে নাই এই ব্যাপারটাকে ফ্রি ল্যান্সিং নামে ও অভিহিত করতে শুনেছি বাংলাদেশের লোকজনদেরকে যখন আমার সারা বাংলায় ফ্রি ল্যান্সার শব্দটা পপুলার করি । জয় বাংলা বলে ফ্রি ল্যান্সার বাংগালী মুক্তিযুদ্বে অংশগ্রহন করে এবং সকল বাংগালীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিজয় ছিনিয়ে আনা হয়। একটা ব্যাপার খেয়াল করে দেখবেন- দালাল/রাজাকারেরা কিন্তু জয় বাংলা বলতে পারে না খালি মুখে। একদম প্রকাশ্য দিবালোকে খোলা বাতাসে মন খুলে প্রান দিয়ে কখনো জয় বাংলা বলতে পারবে না- আপনি বলতে বললে সে জয় সামথিং  বা জয় ফাকি এই ধরনের  কিছু বলে বসবে যার কোন ভ্যালু তাৎক্ষিনিক ভাবে আপনার সামনে থাকবে না। স্বাধীনতা অর্জন করার চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন- সে রকম ভাবে আমাদের দেশের যারা জীবিত মুক্তিযোদ্বা তারা বিগত ৪৯ বছর ধরে দেশের স্বাধীনতা ধরে রেখেছেন (যদিও আমাদের দেশের পিক্যুলিয়ার রাজনৈতিক সরকার গুলো মুক্তিযোদ্বাদেরকে এখনো দেশের ১ নম্বর সিটিজেন বা ভি ভি আই পি সিটিজেন শীপের ব্যবস্থা করতে পারে নাই। সারা দেশ জুড়ে মুক্তিযোদ্বাদের আহাজারি আর কান্না অনেক সময় ই পত্র পত্রিকাতে উঠে আসে। অনেক সময়ই সারা দেশের  ‍মুক্তিযোদ্বাদের কষ্ট মনে দাগ কেটে যায়) সেই হিসাবে একজন ইন্টারনেট ফ্রি ল্যান্সার/আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার হিসাবে সব বাংগালী ফ্রি ল্যান্সার মুক্তিযোদ্বাদেরকে হৃদয়ের গভীর থেকে সম্মান জানাই। আমার জীবনে মুক্তিযোদ্বাদের প্রজন্ম এর জণ্য কোন কিছু করার যদি সামর্থ্য দেয় সৃষ্টিকর্তা- (তাদের সামাজিক অবস্থান কে উপরে তোলা, দেশের ১ নম্বার সিটিজেনশীপ প্রদানে ব্যবস্থা করা, প্রত্যেক মুক্তিযোদ্বার জন্য থাকা, খাওয়া, চলা ফেরা যাবত গাড়ি, বাড়ি, আনলিমিটেড তেল এবং চাকর বাকরের সমাহার করে) দেশের সকল জীবিত মুক্তিযোদ্বা (যে জয় বাংলা বলেছিলো ৭১ এ যুদ্ব ক্ষেত্রে ) এবং তাদের প্রজন্ম কে ভি ভি আইপি সিটিজেন শীপ দেবার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো। পারহেপস এইটা আমার লাইফ টাইম চেষ্টা থাকবে তা আমি বিশ্বের যেখানেই থাকি না কেনো। 

মুক্তিযোদ্বার প্রজন্ম বলতেও তাদেরকে বলা হয়- যারা খালি মুখে বাংলাকে ভালোবেসে হদয়ের গভীর থেকে জয় বাংলা বলতে পারে। যার জয় বাংলা বলতে কোন সাহায্যের দরকার হয় না। পৃথিবীতে যে সকল দেশ যুদ্ব করে স্বাধীন হয়েছে তার মধ্যে শুধুমাত্র বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্বাদেরকে ভিভিআইপি সিটিজেনশীপ দেয়া হয় না। তাদেরকে সরকারি খরচে একটি বড় বাড়ি, একটি গাড়ী নূন্যতম, আনলিমিটেড তেল, সারা বিশ্ব ঘুরার মতো ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট , মিনিমাম ৪ জন চাকর বাকর সুবিধা সম্বলিত (একজন আয়া, একজন মালি, একজন ড্রাইভার, একজন দারোয়ার) জীবন যাপন ব্যবস্থা তৈরী করে তাকে রাষ্ট্রীয মর্যাদায় রাখা বা চেষ্টা করা। সবচেয়ে কম বয়সী মুক্তিযোদ্বা যার বয়স ছিলো ১৯৭১ এ ১৮ বছর এই মূহুর্তে উনার বয়স ৬৭ বছর (আজকে ৪৯ বছর পরে)। জানি না সৃষ্টিকর্তা সামর্থ্য দেবে কিনা আর জানিও না ঠিক কতোজন বেচে আছেন। যুদ্ব করেছেন এরকম অনেকের বয়স ই্ এখন ৮৫-৯০ +।  


ইন্টারনেট জগতে ফুল টাইম ফ্রি ল্যান্সার বলতে বোঝানো হয়- যারা সবসময়ই ইন্টারনটে থেকে উপার্জন করে থাকে। এছাড়া আর কোন উপায়ে কাজ করে থাকে না। এক কথায় যারা ১০০% সফল। আপনি যদি একজনের জন্য বরাদ্দকৃত সুবিধা আরেকজেন কে প্রদান করে কাউকে ছলে বলে কৌশলে ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সার হতে বাধা দেন তাহলে আপনি এক ধরনের রাজাকারি করলেন। দেশ স্বাধীন হবার পরে যারা দেশের বিরুদ্বে কাজ করে বা দেশের মানুষের ক্ষতি করে তাদেরকে অনেক সময় নব্য রাজাকার বলে ডাকা হয়। আবার যারা তরুন প্রজন্মের মধ্যে থেকে সমানে ক্ষতি করে যাইতাছে তাদেরকে তরুন প্রজন্মের রাজাকার বলা হয়। একটা জিনিস মনে রাখা দরকার যে- ইন্টারনেটে ডলারের জগত টা ইনফিনিটিভ। আপনি যদি সীমিত আকারের টাকার জন্য কাউকে গড়ে তুলেন তাহলে আপনি তার এবং দেশের দুইটারই ক্ষতি করলেন। কেউ যদি টাকার কাছে হেরে যায় তাহলে তার পরের পরিনাম মৃত্যুর কাছাকাছি। আপনি যদি কাউকে ইন্টারনেটে ডলার উপার্জন করানোর পথ দেখান তাহলে ইন্টারনেট টাকা উপার্জন করাটা তার জণ্য অপশন হিসাবে থেকে যাবে। কখনো ঠেকায় বা বেঠেকায় সে টাকার জন্য হাত পাততে পারবে বা সাহায্য চাইতে পারবে। কিন্তু আপনি যদি কাউকে টাকা ল্যান্সার বানাইয়া দেন আর সে যদি কোথাও ধরা খায় তাহলে সে বসে বসে ভাববে যে কি করবে?  তরুন প্রজন্ম কে ডিপ্রেশন ধরাইয়া দেয়াও এক ধরনের রাজাকারি। ডিপ্রেশনের কারনে যে কেউ মরন ঘাতি সিদ্বান্ত নিতে দ্বিধাবোধ করবে না।  রাজাকারের বিরুদ্বে ফাসির আইন আছে বাংলাদেশ সরকারের। আপনি যদি তরুন প্রজন্মের মধ্যে ও রাজাকারি করে তাদের এবং দেশের ক্ষতি করে থাকেন তাহলে তো দেশ বা রাষ্ট্র আপনার  বিরুদ্বে সব্বোচ্চ এ্যাকশন নিতে কুন্ঠাবোধ করার কথা না। বাংলাদেশ সরকারের সমাজ সেবা মন্ত্রনালয় আছে বা আপনি যদি সামাজিক ব্যবস্থায় বিশৃংখলা তৈরী করার চেষ্টা করেন তাহলে আপনার বিরুদ্বে সব্বোচ্চ শাস্তি চাইতে একসময় যারা ভুক্তভোগী তারা দ্বিধাবোধ করবে না। এমন ধরনের ফ্রি ল্যান্সার (টাাক ল্যান্সার) হবার দরকার নাই যেখানে বাংলার মা বোনেরা বলবে যে- ভাইয়া মেয়েদের নিজস্ব প্রোডাক্ট বা পারসোনাল প্রোডাক্ট (ব্রা, প্যান্টি, ন্যাপকিন) কেনার জণ্য যে টাকা বা পয়সা জমা করে রেখেছি তাও চিটার বাটপারের দল আইসা নিয়া গেছে, কাজ শিখাবে বলে ইণ্টারনেটে - কোটিপতি বানাবে বলে। এই ধরনের ফুল টাইম ফ্রি ল্যান্সাররা দেশ, রাষ্ট্র বা সমাজ ব্যবস্থার জন্য ভযাবহ ক্ষতিকর। এই ধরনের লোকজন কে আমার আগে বলতাম যে ভাই প্যান্টের নীচে আন্ডার ওয়্যার না পড়ে মেয়েদের ন্যাপকিন পড়ে ঘুরবেন- ২০০০ সালের আগে বা পরে এই ধরনের ক্যাটাগরির লোকদেরকে প্রকাশ্য দিবালোকে ন্যুড করে মেয়েদের ন্যাপকিন কিনে পড়াইয়া (পত্রিকাতে খুজলে পাবেন নিশ্চিত) দেয়া হতো - তারপরেও তাদের শিক্ষা হয় নাই। শালারা আজো জোচ্চড় ই আছে। 

এখনকার দিনে অনেককেই দেখলাম যারা ফ্রিল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস/আউটসোর্সিং - কেউ গুগল সার্চ দেয় না বা ইউটিউব ডট কমে কাজ শিখার জন্য সার্চ দেয় না। ফ্রি রিসোর্স  ব্যবহার করতে চায় না। ফ্রি  রিসোর্স গুলো তৈরী করে থাকে সাধারনত ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান ছেলে বা মেয়েরা। তাদের রিসোর্স বা টিউটোরিয়ালের কোয়ালিটি থাকে খুবই অসাধারন। যে সকল কন্টেন্ট দেখলেই মন ভরে যায়। বাংলাদেশে তো এমন কোন সিষ্টেম বা আইনগত পদ্বতি নাই যে আপনাকে বাংলাদেশের কেউ নিজে থেকে ডলার দিবে মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগতভাবে। এই ধরনের কোন আইন গত পদ্বতি নাই যে আপনি অলওয়েজ সবসময় বাংলাদেশ থেকে ডলার উপার্জন করবেন। আপনাকে অতি অবশ্যই ইন্টারনেটে মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন দেশের মুদ্রাতে কাজ করে অর্থ বা ফরেন রেমিটেন্স উপার্জন করতে হবে। এইটা প্রকৃত সত্য কথা। আপনি পারসোনালি যে কোন ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতে পারবেন কিন্তু সরকার স্বীকৃত উপায়ে আপনি সে মুদ্রা বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে বাংলাদেশে আনতে পারবেন। এমনতর কোন উপায় কি আছে যে বাংলাদেশের বিভিন্ন সোসাইটি আপনাকে ডলার বা বৈদিশিক মুদ্রা এনে দেবে। এইটা কি স্কুল কলেজের পরেীক্ষা যে ৮/১০ টা মানুষ আমিও তাই করলেই সাফল্য আসবে। ২০০২ সালের পরে যখন প্রথম প্রথম কাজ শিখতাম বা শিখে শিখে কাজ করতাম তখন ফরেন ক্লায়েন্টের প্রথম কথা বা শর্ত ছিলো যে- গুগল ডট কমে সার্চ করো। আগে নিজে সার্চ করে শেখার চেষ্টা করতাম বা কাজটা সলভ করার চেষ্টা করতাম। যখন কাজটার জন্য ক্লায়েন্ট আমাদের চেষ্টা দেখতো তখন সে টোটাল কাজটা ভিডিওতে রেকর্ড করে সেটা আমাকে স্কাইপে তে দিতো। আমরা সেটা দেখে তখণ মার্কেটপ্লেসের কাজ করতাম। প্রথম দিকে অনেকেই মার্কেটপ্লেস কে ফেইক মনে করতো কিন্তু ধীরে ধীরে সময় যাবার সাথে সাথে ওডেস্ক মার্কেটপ্লেসের ষ্ট্রাগল সারা বিশ্বে তাদেরকে ইষ্টাবলিশ করে দেয়। কিন্তু কিছু কূট বুদ্বি চালে ওডেস্ক কে ডাউন করার জন্য এবং ওডেস্ক ও ইল্যান্স কে একসাথে করার চেষ্টা করা হয় এবং ২০১৫ সালে ওডেস্ক বা ইল্যান্স একসাথে হয়ে আপওয়ার্কস চালু করে। আপওয়ার্কস ডট কম একটি ওয়েবসাইট বা মার্কেটপ্লেসের নাম।  আপ মানে উপরে এবং ওয়ার্কস মানে কাজ -  উপরে কেউ একজন বসে আছে আর আপওয়ার্কের ছেলে মেয়েরা তার কাজ করতাছে ব্যাপারটা সেরকম কিছু না। শুনেছি আপওয়ার্কের সর্ব্বোচ্চ ৩০,০০০ ছেলে বা মেয়ে একসাথে প্রোফাইল ক্রিয়েট করে কাজ করতে পারে বলে ‍ূশনেছি। পৃথিবীতে আর কোন মার্কেটপ্লেসে এই ধরনের লিমিটেশন নাই বলে শূনেছি। তারা কোটা ভিত্তিক ওয়ার্কার নেয় বলে দেখেছি (মানে একেকটা ক্যাটাগরিতে সীমীত সংখ্যক সিট)- ভাবখানা এমন যেনো নিয়মিত বিরতিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক কাজ মাষ্ট বি এইখানে আসবে আর সকলেই মিলে সেই কাজ করে ফেলাইবে। আপওয়ার্কের  লিংক লিখে গুগলে সার্চ দিলে একটি বাড়ীর ঠিকানা দেখায় যা দেখলে যে কেউ সেটাকে অফিস বলবে না। আমি নিজেও বলবো না। তার উপরে আপওয়ার্ক থেকে নাকি বিকাশ এবং রকেটে ও মানি উইথড্র করা যায়। বিকাশ এবং রকেট তো মোবাইল মানি ব্যাংকিং সেকসান। পৃথিবীর সব দেশের সব মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস কি এড করা যাবে এইখানে। অনেকে আবার নতুন করে বলে যে- আপওয়ার্ক থেকে মোবাইল রেমিটেন্স আনতাছে। মানে আপওয়ার্কের সিষ্টেম থেকে বাংলাদেশের বিকাশ এবং রকেটে যে ডলার উইথড্র করা হইতাছে সেটাকে তারা মোবাইল রেমিটেন্স বলতাছে। মোবাইল রেমিটেন্স শব্দটা প্রথম শুনলাম   আপওয়ার্কের   ওয়ার্কারদের বদৌলতে। এসইওক্লার্কে কাজ করে (সেলার হিসাবে) প্রায় ১.৫ মিলিয়ন ছেলে মেয়ে। ২০১৮/১৯ সালে দেখেছিলাম - 1 million peoples are selling minimum 5 million services on SEOclerk.






ক্যালিফোর্নিয়া সেন জোস শহরের একটা বাড়ি তাদের প্রধান অফিস। এই আপওয়ার্কের ফ্রি ল্যানসিং কে বাংলাদেশে খুব লোভনীয় করে রাখা হয়েছে। সারা দেশের স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাত্রীরা নিজেদের পড়াশোনা ফেলে গোপনে বা  প্রাইভেট সোশাল মিডিয়া গ্রুপ তৈরী করে স্পেশাল  ট্রেনিং এর কথা বলে বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে কাজ শিখানোর কথা বলে টাকা পয়সা হাতাইয়া নিয়ে আপওয়ার্ক বা যে কোন ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেসে ঢুকানোর কথা বলে নানা ভাবে আর্থিক বা সামাজিক হ্যারাজমেন্ট তৈরী করে বিপুল পরিমান টাকা হাতাইয়া নিতাছে একটা চক্র যা সরকারের চোখের সামনেই সংঘটিত হইতাছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে নিশ্চিত ঘূষ কারবারি না থাকলে ইন্টারনেটে অর্থ চাওয়ার বিরুদ্ব আইন থাকা সত্বেও নামধারী ফ্রি ল্যান্সার রা বিপুল পরিমান অর্থ কামাইয়া চলতাছে আর তারা সাহায্য নিতাছে প্রধানত বিকাশ বা রকেটের মতো (আরো আছে অনেক) দেশসেরা মোবাইল মানি ব্যাংকিং সার্ভিস গুলো (কারন যারা ফেসবুক, ইউটিউব বা ঝুমের মাধ্যমে সরাসরি ইন্টারনেট টাকা নিয়ে কাজ শিখােইতাছে তারা বেশীর ভাগ সময়ই বিকাশ /রকেট মোবাইল মানি ব্যাংকিং সার্ভিস  ব্যবহার করে থাকে প্রথমত টাকা নেবার জন্য)  আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোও সীমিত আকারে। প্রায় ২ লক্ষ ফ্রি ল্যান্সার দের একটা গ্রুপের সাথে জড়িত থাকার ফলে অনেক খুটি নাটি বিষয়াদি বা ঝামেলার বিষয়গুলো চোখে পড়তাছে অনেক দিন থেকেই। নিজের খাইয়া বনের মোষ তাড়ানোর চেষ্টা করি নাই কখনো কিন্তু বিবেকের তাড়নায় কিছু লেখার অনুভুতি ছিলো সব সময়ই। 



যদি এই ধরনের ইজম থাকে তাহলে ধারনা করা যায় যে: সরকারের বিপুল পরিমান রাজস্ব ক্ষতি হইতাছে বা মিনিমাম সামাজিক ব্যবস্থাপনায় ক্রমাগত আর্থিক ক্ষতি হইতাছে সাধারন ভাবে সারা দেশের ছেলে মেয়েদের। আর তারা যেরকম একমনে কাজ করে তাতে মনে হয় যে- তারা আমাদের সারা দেশের সব টাকা প্রলোভনের মাধ্যমে শেষ কইরা ফালাইবে। শিক্ষিত বেকার যুবক বা তরুন সমাজ কে পরবর্তী সরকার ব্যবস্থাপনার উপরে লোড হিসাবে রাখবে। ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং ইন্ডাষ্ট্রিজ কে বাংলাদেশে ঝড়ে পড়া ছেলে মেয়েদের ইন্ডাষ্ট্রিজ হিসাবে বিবেচনা করা হতো একসময় যখর প্রথম আসে বাংলাদেশে । যারা স্কুল বা কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পাস করতে পারে নাই কোন না কোন কারনে তাদের জন্যই ধারনা করা হয়েছিলো এই ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং জগত। যারা এখন অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ- তারাও ফ্রি ল্যান্সিং কে ফুল টাইম ফ্রি ল্যান্সার পেশা হিসাবে নিতে চাইতাছে। সামরিক এবং পারমানবিক  শক্তি বিচারে অনেকেই অনেক সময় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ব যে কোন সময়ে লাইগা যাইতে পারে বলে বিবচেনা করে। সেই হিসাবে যদি বর্তমানের অনার্স/মাষ্টার্স পাশ ছেলে বা মেয়েরাও ঝড়ে পড়া ছেলে মেয়েদের সাথে ফাইট দেয়া শুরু করে তাহলে সেই সকল ছেলে মেয়ে যারা ফ্রি ল্যান্সার রেমিটেন্স আনতেছিলো- তাদের কি অবস্থা হতে পারে। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ভালো - যারা অনার্স বা মাষ্টার্স পাশ তাদের ফ্রি ল্যানসিং বা মার্কেটপ্লেসর সাথে জড়িত হওয়াটা আশ্চর্যজনক। তবে কখনো কোন কারনে যদি এই ইন্ডাষ্ট্রিজ বাংলাদেশ থেকে বন্ধ হয়ে যায় তাহলে এই অনার্স/মাষ্টার্স সম্পূর্ন করা ছেলে মেয়েগুলো কোন প্রাইভেটে কোম্পানী তে জব পাবে? বয়স বেশী হবার কারনে নিশ্চিত তাকে রিজেক্ট করা হতে পারে। যেমন: একসময়কার দুর্দান্ত দাপটে চলা ওডেস্ক, ইল্যান্স, ক্লিক ব্যাংক, পেপাল, গুগলের ইউটিউব  মনিটিইজেশন প্রোগ্রাম এরা বাংলাদেশ থেকে আবদেন নেয়া বন্ধ করে দিছে। তো যে কোন সময়ে যে কোন কোম্পানী তাদের ব্যবসা বা তল্পি তল্পা ঘুটাইয়া চলে যাইতে পারে।

বাবা মা পড়াশোনা শেষ করে নিশ্চিত সন্তানের সুখী ভবিষ্যত কামনার্থে চাইবে যে তার সন্তান ভালো একটা প্রাইভেট ফার্মে বা কোন করপোরেশনে জয়েন করবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রথমত যে কোন বাবা মা চাইবে তার ছেলে বা মেয়ে পড়াশোনা মেষ করে সরকারী চাকুরী করুক বা বিদেশের মাটিতে কোন নামী দামী কোম্পানীতে জব করবে। রেমিটেন্স দেশের এক নম্বর কারেন্সী। সেটা যেখানে ঝড়ে পড়া ইন্ডাষ্ট্রিজ আনতেছিলো সেখানে হঠাৎ করে শিক্ষিত অনার্স মাষ্টার্স পাশ ছেলে মেয়েরা ঝুকে যাওয়াতে আমার মতে একটা সামাজিক ভারসাম্যহীনতার তৈরী হয়েছে নিশ্চিত। বাংলাদেশী শিক্ষিত অনার্স মাষ্টার্স পাশ ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা পুরোদমে শেষ করে ভালো কোম্পানীতে জব করবে বা দেশের বা পরিাবরের সুনাম উজ্জল করবে এইটেই থাকে  পরিবারের সবার কামনা। যদি আপনি বাংলাদেশের কোম্পানী/করপোরেশন/সরকারী/বেসরকারী চাকুরীর কোন ভরসা না পান  তাহলে আপনি কিভাবে ওয়েবসাইট ভিত্তিক আমেরকিান মার্কেটপ্লেস কোম্পানীদের উপরে ভরসা করতাছেন, তারা তো যে কোন সময়ে তাদের ব্যবসা ঘুটিয়ে চলেও যাইতে পারে। যদি ব্যবসা না থাকে তাহলে ফেসবুকের মতো কোম্পানীও বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যােইতে দ্বিধাবোধ করবে না। ব্যবসা আছে বলেই তারা বাংলাদেশে আইসা অফিস খুলেছে। আজকে আপনি আমেরিকান কোম্পানী বা ওয়েবসাইটের উপর ভিত্তি করে লাইফের গুরুত্বপূর্ন সিদ্বান্ত টা নিয়ে ফেলাইতাছেন পরিবারের সবার অমতে ফুল টাইম ফ্রি ল্যান্সার হবেন বলে। যদি আমেরিকান কোম্পানী গুলো অন্য কোন দেশ থেকে কম দামে মেধা কিনতে পারে তাহলে কি তারা বাংলাদেশে আর কাজ দেবে বলে মনে করেন। আর আপনি যদি ফ্রি ল্যান্সার/মার্কেটপ্লেস বা আউটিসোর্সিং কোম্পানীর আড়ালে অন্য কিছূ করে থাকেন তাহলে তো আপনি জনসেম্মুক্ষে বা সারা দেশের লোকজনের সামনে চুরি করে যাইতাছেন। চোরের কি কোন ধর্ম বা সামাজিক মর্যাদা আছে। যেনো কেউ না জানে এরকম মেথড অবলম্বন করে বাংলাদেশের অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ফুলটাইম ফ্রি ল্যানসিং করে যাইতাছেন কিন্তু সেটা কি সততার মাধ্যমে হইতাছে। কারা চুরি করে বাংলাদেশে টিকে আছে তা আমরা সকলেই জানি- আর যারা এসকল চিটারি বাটপারি বা দুই নাম্বারি করতাছে তারা যে কাদের বংশধর তাও অনেকে জানে। যারা সত্যিই সততার সহিত চেষ্টা করতাছেন বা অনেষ্টলি একদম ফ্রি তে সারা দেশে কাজ শিখাচ্ছেন তাদের কথা ভিন্ন। তারা হয়তো সত্যিই এই ইন্ডাষ্ট্রিজ টাকে ধরে রাখার চেষ্টা করতাছেন। কিন্তু ধরে রাখার চেয়ে বড় উপায় হইতাছে দেশীয় মার্কেটপ্লেস তৈরী করে ফেলা। যেখানে বিভিন্ন দেশের বায়ার বা ক্লায়েন্ট/ দেশীয় কোম্পানি  বড় বড় প্রতিষ্টানগুলো আইসা একটা ডাটাবেজ দেখে আপনাকে নিজে খুইজা কাজ দিবে। আমি বলতাছি না যে- শিক্ষিত অনার্স মাষ্টার্স পাশ ছেলে মেয়েরা এইখানে কাজ করতে পারবে না। কিন্তু সেটা অনেক সীমিত আকারে। যেমন ধরেন : যে সকল মার্কেটপ্লেসে ণীতি নির্ধারক পর্যায়ে স্পেশিয়ালাইজড পারসন দরকার  হয় সে সকল ক্ষেত্রে শুধূ শিক্ষিত অনার্স মাষ্টার্স পাশ ছেলে মেয়েরা জয়েন করতে পারে যেটা অনেকটা ষ্ট্যান্ডার্ড। কিন্তু এখন যেটা হইতাছে একজন অষ্টম শ্রেনী পাশ ঝড়ে পড়া ছেলে শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র থাকার কারনে যেখানে কাজ করতাছে সেখানে একজন শিক্ষিত অনার্স মাষ্টার্স পাশ ছেলে মেয়েরা ও সেখানে কাজ করতাছে ডলার কামানোর জন্য। তাহলে কি সেইটা ফুল টাইম ফ্রি ল্যান্সিং হলো। আরো তো ঝামেলা ইদানিং  তৈরী হয়েই আছে - যেমন : 

  • যার নামে সরকারের কাছে ইনকাম ট্যাক্সের রেকর্ড আছে আবার তাদের নামেই (অনেকেরই- যাদের সন্তানেরা তাদের বাবা মায়ের আইডি কার্ড মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটে ব্যবহার করেছে) আবার বাংলাদেশ সরকারের কাছে রেমিটেন্সের রেকর্ড আছে। অথচ জানা মোতাবেক: যারা রেমিটেন্স আনে তাদের কে ইনকাম ট্যাক্স দিতে হয় না।  আমাকে কখনো দিতে হয় নাই। 
  • যারা ণূন্যতম ৮ম শ্রেনী/৯ম শ্রেনী/১০মশ্রেনী/একাদশ শ্রেনী/দ্বাদশ শ্রেনী/বিশ্ববিদ্যালয়ের ষ্টুডেন্ট পাশ বয়স ২১+ তারা তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং মানসিক জোড়ে এই কাজ করে যাইতাছে এরকম আছে তাদের পেটের দায়ে, আবার যারা শিক্ষিত অনার্স মাষ্টার্স পাশ ছেলে মেয়েরা- তারাও এইখানে কাজ করে যাইতাছে। ফলে শিক্ষিত শ্রেনীভেদ টা এইখানে থাকতাছে না যা একটা সমাজ ব্যবস্থা গঠনে বড়োসড়ো ভুমিকা রাখে। যেমন : অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রােইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা মেয়েগুলো সারা বিশ্বের বিভিন্ন করপোরেশনে জব করে যাইতাছে । 
  • সমানে চিটারি/ বাটপারি/দুই নম্বর গিরি করার কারনে ইউরোপিয়ান/আমেরিকান মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোতে সরাসরি বাংলাদেশীদেরকে এভয়েড করা এবং ধীরে ধীরে অনেক কোম্পানী বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাওয়া বা চলে যাওয়ার ঘোষনা দেয়া। 
  • ১০০% সততা না থাকার কারনে খ্রীষ্টান বা ই্হুদিদের  এই সকল ইন্ডাষ্ট্রিজ গুলো বাংলাদেশীরা ধরে রাখতে পারবে না কারন তারা ১০০% সততার সাথে চলা ফেরা করে না। ১০০% সততার সাথে সামান্য অসতাতই বড় সড় ঝামেলা তৈরী করতে পারে যে কোন সময়ে।
বর্তমানে সারা বিশ্বে যতোগুলো পপুলার মার্কেটপ্লেস আছে তার মধ্যে শুধু এসইওক্লার্ক রিলেটেড মার্কেটপ্লেস গুলো নিজস্ব ব্যাংক সার্ভিস ব্যবহার করে থাকে যার নাম পেল্যুশন। তারা বিশ্বের কোন দেশের সাথে সরাসরি ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার (মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি  কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বা প্রাইভেট ব্যাংকে উইথড্র করতে দেয় না কারন তারা বলে যে - তাদের নিজস্ব ব্যাংক সার্ভিস ব্যবহার করার জন্য এবং এইটা তাদের ওয়েবসাইটের সবচেয়ে চমতকার ব্যাপার।) এইটা এপ্রিশিয়েবল। বিশ্বের আর কোন মার্কেটপ্লেস আছে কিনা যেখানে একসাথে ৮টা মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন করে ফ্রি তে কাজ করা যায় এবং আমার জানা মোতাবেক প্রায় ১.৫ মিলিয়ন সেলার তাদের সার্ভিস সেল করে যাইতাছে ৮টি মার্কেটপ্লেসে। প্রত্যেকেই ইন্টারনেটে কোন না কোন কাজ জানেন এবং আপনি নির্দ্বিধায় আপনার সার্ভিস গুলো সেল করেত পারবেন। মার্কেটপ্লেসে রেজিষ্ট্রেশন এবং লিষ্টিং একদম ফ্রি। আপনার কোন টাকা খরচ হবে না কখনোই।  তো শুরু করে দেন। ব্লগের উপরে দেখেন টিুউটোরিয়াল নামের একটা অপশন আছে এবং পেমেন্ট প্রুফও। দেখে শুনে ফুল টাইম ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে কাজ মুরু করতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে ভালো মার্কেটপ্লেসে। এসইওক্লার্কে র সাথে আরো ৮টি মার্কেটপ্লেসের বাংলাদেশ ভ্যাংকে উইথড্র দেবার কোন সিষ্টেম নাই। ভ্যাংকে উইথড্র দিতে হরে ব্যভহার করতে হবে পেল্যুশন। তারপরে পেল্যূশন থেকে বাংলাদেশের ব্যাংক বা প্রেইভেট ব্যাংক। ব্যাপারটা সুন্দর। 

Saturday, October 3, 2020

বিভিন্ন ধরনের ফ্রি ল্যান্সার।

[প্রথমত আমার এই পোষ্টটি কাউকে কটাক্ষ করে তৈরী করা হয় নাই। কেউ নিজের সাথে এই পোষ্টের লেখাগুলোকে মেলানোর চেষ্টা করবেন না] 

[আমি ব্লগ লিখি শুধুমাত্র আমার ফ্যান, ফলোয়ার বা ভিজিটর যারা ঘুরতে ঘুরতে চলে আসে বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে,  পরিচিত এবং আমাকে যারা ফলো করে তাদের অনেক বিষয়াদি ক্লিয়ার করার জন্য,  আর যারা নতুন ভিজিটর তাদের জন্যও অবশ্যই  এবং যারা আমাকে ভালোবাসে , ভাই ব্রাদার মনে করে এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শিখতে চায় তাদের জন্য ও । এইখানে কোন পোষ্ট যদি আপনার ভালো না লাগে- তাহলে আপনি কমেন্ট করে জানান। আমি রিপ্লাই দিবো।]

বাংলাদেশে ইন্টারনটে অবস্থানকারী কয়েক ধরনের ফ্রি ল্যান্সার আছে বর্তমানে:

ফ্রি ল্যান্সার : যারা বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করে থাকে- কিছু নির্দিষ্ট মার্কেটপ্লেসে বা পারসোনালি। 

লোকাল  ল্যান্সার : যারা দেশীয় বিভিন্ন প্রযুক্তির কাজ করে থাকে- তা যে কোন উপায়েই হোক। 

টাকা ল্যান্সার : যারা ইন্টারনেটে শুধু টাকা র জন্যই কাজ করে থাকে তা যেভাবেই হোক- ছলে, বলে, কৌশলে, চিটারি, বাটপারি বা দুই নাম্বার ওয়েতে হলেও । 

প্রত্যেকটার জন্য আলাদা আলাদা করে আমার এভ্রিভিয়েশন পোষ্ট দেবো ক্রমান্বয়ে।


আমাদের দেশে যারা নতুন ইন্টারনেট ইউজার বা ফ্রিল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেস সম্বন্ধে জানতে  ইন্টারেষ্টেড বা যারা নিয়মিত গবেষনা করতাছে ইন্টারনটে -এই বিষয়ে তারা হিমশিম বা ভ্যাবাচ্যাকা খাইয়া যাইতে পারে যে- কারা আসলে ফ্রিল্যান্সার? ইন্টারনেটে আসলে আমরা সবসময় ই ডলার/ইউরো/পাউন্ডের কাজ করতাম বা কাজ করে থাকি। কিন্তু মানুষজন ইদানিং ইন্টারনেটে টাকা বা টাকার মুদ্রা চিহ্ন শো করার পর থেকে এক শ্রেণীর মানুষ ই তৈরী হয়ে গেলো যে তারা ইন্টারনেটে টাকা উপার্জন করবে। ইন্টারনটে তারা ডলার/ইউরো/পাউন্ড  উপার্জন করবে না। তাই অবশেষে ভালোবেসে তাদেরকে নাম দেয়া হয়ে গেলো টাকা ল্যান্সার। তারা অলওয়েজ ইন্টারনেটে টাকা কামাবে এবং এটাই তাদের জন্য ফ্রি ল্যান্সিং। যদি বাংলাদেশ সরকারের মার্চেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে তারা টাকা উপার্জন করে তাহলে সরকারের ভ্যাট, ট্যাক্স ডিভিশন আছে তাদেরকে দেখার  জন্য। কিন্তু কেউ কি একবার ভেবে দেখেছেন যদি ইন্টারনটে একচ্ছত্র অধিপতি ইউএসএ (যারা ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে থাকে সারা বিশ্বে) ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় বাংলাদেশ থেকে - কিছুদিনের জন্য বা কিছু মাসের জন্য তাহলে কি অবস্থা হতে পারে। যেমন ধরেন: শুনেছি : আফগানিস্তান বা ইয়েমেন বা ইরাকে বা সিরিয়ায় যে  সকল খানে ইউএসএ আর্মি যেখানে যুদ্ব করে বা অপারেশনে যায় সে সকল প্লেসে অনেক সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়। তেমনি আমি বলতে চাইতেছিলাম - যদি কোন কারনে বাংলাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয় কয়েক দিনের জন্য তাহলে কি অবস্থা হতে পারে। একসময় তো ইন্টারনেট ছাড়াই চলতো। তখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কারা রিয়েল ফ্রিল্যান্সার হবে বলে আপনি মনে করেন? 

উত্তর: যারা নাটক বা সিনেমাতে অভিনয় করে, যারা রাস্তার উপরে দাড়িয়ে সবজি বিক্রি করে, যারা রিক্সা/ভ্যান/সিএনজি ড্রাইভ করে, যারা প্রিন্ট মিডিয়াতে কাজ করে, যারা সাংবাদিক বা পত্রিকা ব্যবসায়ী, যারা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াতে কাজ করে, ফ্যাশন মডেল, ব্যবসায়ী, ফটোগ্রাফার বা সাংবাদিক তারাই প্রকৃত ফ্রি ল্যান্সার। কারন এই শব্দটার মানেই হইতাছে স্বাধীন পেশা। সো যারা স্বাধীন ভাবে তার কর্মের ব্যাপারে সিদ্বান্ত নিতে পারে তারাই হইতাছে ফ্রি ল্যান্সার। যেমন: একজন অভিনেতা- সে তার অভিনয়ের ব্যাপারে নিজেই নিজের সিদ্বান্ত নিতে পারে- তার মনে চাইলে সে অভিনয় করবে, তার মনে না চাইলে সে অভিনয় করবে না। যে সবজি ওয়ালা সে মনে চাইরে সবজি কিনে বিক্রি করবে সে মনে চাইলে সবজি কিনে বিক্রি করবে না। যে -  রিক্সা/ভ্যান/সিএনজি চালক- তার মনে চাইলে তার গাড়ি নিয়ে বের হবে  ট্রিপ মারতে তার মনে না চাইলে সে গাড়ি নিয়ে বের হবে না। যে ফ্রি ল্যান্সার সাংবাদিক- তদন্ত করে রিপোর্ট তৈরী করে এবং যে কোন চ্যানেলে সেল করে দেয়- তার মনে চাইলে সে রিপোর্টিং করবে - তার মনে না চাইলে সে রিপোর্টিং করবে না। যে ব্যবসায়ী- দোকানদার- তার মনে চাইলে সে দোকান খুলবে বা তার মনে চাইলে সে দোকান পাট খুলবে না- তো দোকানদার/ ব্যবসায়ী/গাড়ি চালক/সবজি বিক্রেতা/ অভিনেতা/অভিনেত্রী/ রাজনীতিবিদ এরা হইতাছে পৃথিবীর মধ্যে সেরা ফ্রি ল্যান্সার কারন তারা ইন্টারনেট ছাড়াও কাজ করতে পারে একজন ফ্রি ল্যান্সার এক্টর বা এইগুলো হিসাবে।  কারন পরিবর্তিত দুনিয়াতে তাদের উপার্জনের মাধ্যমগুলো সব জায়গায় বিদ্যমান।অভিনয় যার রক্তে মিশে আছে সে স্বর্গে গেলেও অভিনয় করবে কারন সেটাতেই তার ভালোবাসা। কিন্তু আমাদের কে তো ইউএসএ - ক্যালিফোর্নিয়া - সিলিকন ভ্যালি থেকে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড কিনে ব্যবহার করতে হয়। কোন কারনে যদি আমেরিকা সিদ্বান্ত নেয় যে এই কয়েকটা দেশে আর ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইড করবে না বা কয়েখদিন বন্ধ রাখবে তখন আপনি কিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ফ্রি ল্যান্সার ব্যবসা বা কাজ পাতি করবেন। যারা অভিনয় করে বা ব্যবসা করে তারা তো ঠিকই তাদের কাজ করে যাবে নিয়মিত বিরতিতে। কারন পৃথিবীতে শুধূ মাত্র ইউএসএ ই ইন্টারনেট  ব্রডব্যান্ড  ডাউনলোড করে এবং সারা বিশ্বে তা ডিস্ট্রিবিউট করে। আপনার যদি ক্ষমতা থাকে আপনি নিজে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড ডাউনলোড করে পরে ব্যবহার করেন।  যদি কখনো বাংলাদেশের ইন্টারনেট সুবিধা বন্ধ করে দেয়া হয় তাহরে বাংলাদেশের ইন্টারনেটে প্রফেশনালদের একমাত্র ভরসা হবে ভারত। বাংলাদেশের মানুষকে ভারতের কাছ থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা কিনে পরে ব্যবহার করতে হবে। এই জন্যই বোধ করি দুবাই - ভারত এবং বাংলাদেশে এয়ারটেল ব্রান্ড তাদের ব্যবসা চালু করে রেখেছে। নামের সাথে মিল থাকার কারনে মিনিমাম এয়ারটেল ভারতের কাছ থেকে ইন্টারনটে কিনে ফ্রি ল্যান্সার/আউটসোর্সিং/মার্কেটপ্লেসের কাজ চালাতে হবে।  ইন্টারনেট থাকা বা না থাকা পুরোটাই সম্ভাবনা - কিন্তু হতে কতোক্ষন?

বর্তমানে আমাদের দেশের ইন্টারনটে যে পরিমান চিটার বাটপারি হইতাছে বা শুরু হয়েছে তাতে ইন্টারনেট সুবিধা যে কোন সময়ে বাতিল হয়ে যাইতে পারে আমার ধারনা। বিশ্বের অনেক দেশের অনেক খানেই ইন্টারনটে সুবিধা নাই। কারন আমেরিকার স্বার্থে আঘাত হানে এরকম কোন শক্তিকেই আমেরিকা প্রাধান্য দেয় না কখনো। তাই যে পরিমানে চিটার বাটপারি হইতাছে ইন্টারনেট আর যে পরিমান রিপোর্ট পাঠানো হইতাছে সময়ে অসময়ে যে কোন কারন বশত যদি আমেরিকান বা ইউরোপিয়ান রা বলে থাকে যে- এই দেশ থেকে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেবার জন্য তাহলে কি পরিনাম হতে পারে? বছল পাচ আগে একদিন এক মহিলা ক্লায়েন্ট আমাকে বলতাছে তার সাথে  আমার ফ্রেন্ডশীপ থাকার কারনে যে কোন একটা গ্রুপ ঢাকা থেকে তার ফেসবুক মেসেন্জারের প্রোফাইলে বাংলাদেশী ছেলেরা তাদের লিংগের ছবি  আপলোড করে সেন্ড করেছে এবং এই ব্যাপারে উনি আমেরিকান কোর্টে অভিযোগ দাখিল করেছেন। আর উনি আমেরিকান সুপ্রীম কোর্টের একটি অংগরাজ্যের প্রধান কোর্টের আইনজীবি। এখনো উনি আমার ফেসবুকের বন্ধু। বাংলাদেশ অল্প আয়তনের দেশ। আমেরিকান দ্রুতগতির একটি গাড়ির বাংলাদেশের একমাথা থেকে আরেক মাথা যাইতে ২ থেকে আড়াই ঘন্টা লাগতে পারে আর সেখানে আমেরিকান রা তাদের দেশে ২/৩ দিন পর্যন্ত ড্রাইভ করে থাকে। তো তারা কতো বড় দেশের মালিক যে আমাদের মতো সামান্য আয়তনের দেশ থেকে আমরা তাদের সাথে বড়াই করতে যাই। আমাদের তো উচিত সীমা বজায় রাখা। স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও পবিত্র কোরআনে বলে থাকেন যে- “ নিশ্চয়ই তিনি সীমা লংঘনকারীদের কে পছন্দ করেন না”।

আমাদের দেশের সকল কম্পিউটারে (ম্যাক্সিমাম) পাইরেটেড সফটওয়ার। আমাদের দেশের সকল সফটওয়্যার (ম্যাক্সিমামই) ডুপ্লিকেট। আমার তো মনে হয়- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যতো পরিমান ডলার বা রেমিটেন্স বা টাকা বা পয়সা খোয়া গেছে বা হ্যাক হয়েছে তার মূল কারনই হইতাছে পাইরেসি বা ডুপ্লিকেসি। ডুপ্লিকেট বা কপিরাইট থাকার কারনে তো বাংলাদেশের সকল কম্পিউটারের সকল তথ্যই হ্যাকারদের কবলে। বাংলাদেশ ব্যাংকে যারা ইন্টারনেট কানকেশন দিছে তাদের কোন কম্পিউটার যদি পাইরেটেড বা ডুপ্লিকেসি হয় তাহলে সেখানে হ্যাকাররা আইসা ঘাপটি মরে বসে থাকা একেবারেই সহজ। যদি বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে যতো কম্পিউটার আছে আর সেখানে যদি কোন ডুপ্লিকেট কম্পিউটার থাকে বা সফটওয়্যার বা সিষ্টেম ও ডুপ্লিকেট  থাকে তাহলে ও সেখানে যে কোন ধরনের হ্যাকাররা আইসা বসে থাকা সম্ভব।  তারপরেও যদি কোন কম্পিউটারের  কোন পার্টস ও দুই নাম্বার হয়ে থাকে সেখানে ও হ্যাক করা কোয়াটলি পসিবল। আমার জেনে শুনেই সবাই  পাইরেটেড সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করতাছি কারন কম্পিউটার হ্যাক হলে বা সকল তথ্য হ্যাক হলেও আমরা একেবারে মরে যাবো না- হয়তো মনে খানিকটা  কষ্ট পাবো। ইন্টারনেট এর ব্রডব্যান্ড সার্ভিস বাংলাদেশে আনার জন্য যে লাইন বা কানেকশন সাগরের তল দিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে বের হওয়া তারের কানেকশনের মাধ্যেমে বাংলাদেশে এসেছে তার নাম -: “সি মি উই ফোর”। তারপরেও যে কানেকশন বাংলাদেশে এড হয়েছে দ্বিতীয় বারের মতো-  সেটা ফাইবার অপটিক ব্রডব্যান্ড কানেকশন। প্রতি মাসে বা প্রতি বছরে আপনাকে ব্রডব্যান্ডের দাম পরিশোধ করে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। আমেরিকা আপনাকে মাগনা ইন্টারনেট দেয় না। দেশের জনগনের টাকা দিয়ে, দেশের জনগনের ভ্যাট ট্যাক্সের টাকা দিয়ে প্রতিবছর ব্রডব্যান্ড সার্ভিস কিনে আনতে হয়। যে বা যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সার্ভিস কিনে বাংলাদেশের সাথে এড করতাছে তার নাম সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়- তার নাম গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়। বর্তমানের রাজনৈতিক সরকার না থাকলেই যে ইন্টারনেট সুবিধা থাকবে না- এই ধরনের কোন ব্যাপার নাই। রাজনৈতিক সরকার না থাকলেও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সবসময় থাকবে (বিগত ৩০ বছরের মধ্যে প্রমান ১/১১- ২০০৭ এবং ২০০৮) । আমেরিকান সরকারের কাছ থেকে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ব্রডব্যান্ড সার্ভিস কিনে থাকে প্রতি বছরে বা প্রতি মাস। আপনার যদি বিল বাকী থাকে তাহলে আমেরিকা আপনাকে ধরবে প্রতি মূহুর্তে। কারন ব্রডব্যান্ড ডাউনলোড করতে  আমেরিকান সরকারকে বিস্তর থেকে বিস্তর তর ডলার খরচ করতে হয় এবং এই সুবিধা বন্টনেওকোন ব্যক্তি যদি বিশ্বে ইন্টারনেট দিয়ে থাকেন তাহলে তার নাম ধারনা করা হয়, আমরা ইন্টারনেট প্রোগ্রামাররা ধারনা করে থাকি পবিত্র কোরানের ভাষা মোতাবেক -   জীবিত শেষ নবী হযরত ঈসা (আ:) যার কথা পবিত্র কোরআনে বর্ননা করা আছে যে- সৃষ্টিকর্তা উনাকে জীবিত অবস্থায় উপরের দিকে তুলে নিয়ে গেছেন চতুর্থ  আসমানে আর আমরাও সময়ে অসময়ে বলে থাকি যে- উপরে একজন  আছেন। সৃষ্টির প্রথম আদি ক্ষন থেকে  মহান রাব্বুল আলামিন পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তা পুরো দুনিয়ার, জান্নাত, জাহান্নাম , হাশর বা তথাকথিত সবকিছুর মালিক- উনি সব খানে, সব সময় ,সব জায়গায় বিরাজ মান। তিনি উপরেও আছেন- নীচেও আছেন- তিনিই সবকিছু দেখে থাকেন।  মহান রাব্বুল আলামিন পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তা  ডানে বামে, আশে পাশে, উপরে নীচে বা ১০ দিকে বা সব দিকেই বর্তমান আছেন। কিন্তুু উপরে একজন বসে আছেন বললে খ্রীষ্টানরা বা হযরত ঈসা (আ:) অনুসারীরা একজন দেবতার মতো সুন্দর মানুষ, একজন ফেরেশতার সন্তান, একজন মরিয়মের (আ:) এর  সন্তান হযরত ঈসা (আ:) কে সহজ সরলভাবে  বুঝে থাকে। 


আর অত্র বিশ্বে ইন্টারনেট যদি হযরত ঈসা (আ:) এর মোজেজা (কারন ইন্টারনেট একটি আনলিমিটেড এবং ইনফিনিটিভ বিষয়) হয়ে থাকে তাহলে আমরা উনার প্রদেয় ইন্টারনেট কে সারা বিশ্বের প্রোগ্রামাররা ভালোবেসে নাম দিয়ে থাকি-: Isha Inc.   আমরা অনেক সময় ইণ্টারনেটের ভবিষ্যত ভাবলে   ধারনা করে থাকি যে-   ভবিষ্যতে  একটি স্যাটেলাইট বা একটি সিষ্টেম বা একটি ওয়াই ফাই ষ্টেশন যেটা সারা পৃথিবীকে তারবিহীণ  ইন্টারনেট বা ওয়াই ফাই এর মাধ্যমে দুনিযার প্রত্যেক মানুষকে সংযু্ক্ত রাখবে। 

পৃথিবীতে পরম করুনাময় মহান রাব্বুল আলামিন সৃষ্টিকর্তা সবকিছু দেখে থাকেন। এ টু জেড সবকিছু। 
এমন কোন কিছু নাই যা সৃষ্টিকর্তার দেখে থাকেন না বা শুনে থাকেন না। তিনি সবকিছুই দেখেন - তিনি সবকিছুই শুনেন। কিন্তু নব্যুয়ত প্রাপ্ত নবীজিরা মনে হয় না খারাপ কিছু দেখে থাকেন। যেমন এই পৃথিবীতে নব্যুয়তপ্রাপ্ত নবী/রাসুল/পয়গম্বর - হয়রত মোহাম্মদ মোস্তফা (আ:) এর কোন খারাপ বা খারাপি নাই। উনি নিজে যেমন খারাপ কিছু করেন নাই তেমনি বোধ করি উনি কখনো খারাপ কিছু দেখতেনও না ।   পৃথিবীতে সকল নবী/রাসুল/পয়গম্বর গন কখনো বোধ করি খারাপতর কিছু দেখতেন না বা দেখেন না। যদি পৃথিবীর সমস্ত নবীজিরা কোন খারাপ কিছু দেখে থাকেন তাহলে তারা হয়তো বহু দূরে খারাপের মধ্যে খারাপ- খারাপদের রাজা শয়তানকে দেখে থাকবেন এবং প্রত্যেক নবী/রাসুল/পয়গম্বর গন  পৃথিবীতে সবচেয়ে খারাপ শয়তান (devil) এর কাছ থেকে সবসময় সকলকে সতর্ক করে গেছেন, আর নিজেরা তো নব্যুয়তের গুনে সতর্ক থেকেছেনই। আর যারা ঈমানদার - যে কোন ধর্মে তিনি অতি অবশ্যই নিজেকে শয়তানের কাছ থেকে সব রকম ভাবে নিজেকে হেফাজত রেখে যাইতাছেন। তাই পৃথিবীর সকল ধর্মের সকল মানুষের মধ্যে যারা খারাপ থেকে খারাপতর- তাদেরকে আমাদের নিজস্ব উদ্যোগেই এভয়েড করে যাইতে হবে যেনো সৃষ্টিকর্তার দুনিয়ায় বিরাজমান জীবিত শেষ নবী হযরত ঈসা (আ:)কোন রকমের কষ্ট না পান। তাহলেই প্রকৃত ঈমানদারী হবে । (ইমানে মোফাচ্ছের বলে খ্যাত কালেমাতে পৃথিবীতে সমস্ত ধর্মের সমস্ত নবীকে আপনার ভালোবাসতে হবে। কাউকে আপনি অবজ্ঞা করলেই আপনি ইমানহারা হবেন) । নয়তো এই যে এখন পেনিডেমিক /কোভিড করোনা এই রকম সিচুয়েশনের মাধ্যমেই সৃষ্টিকর্তার অন্যান্য জীব জগতের বাসিন্দারা সমস্যার সমাধান করবে আর আমাদের জণ্য রেখে দিবে কাল হাশরের দিনের কঠিন পরিনতি (খারাপতর লোকদের সাথে মেলামেশা করার জন্য) । কারন খারাপের সাথে ভালো মানুষ থাকলেও খারাপ।  অনেকে হয়তো বলবেন লেখা শুরু করলাম ফ্রি ল্যান্সার শব্দ নিয়ে আর শেষ করতাছি হয়রত ঈসা (আ:) এর কথা বলে। আসলে একটা হিসাবে দেখা যায়- নবীজিরাই সবচেয়ে বড় ফ্রি ল্যান্সার। প্রত্যেক নবী/রাসূল/পয়গম্বর গন পৃথিবীতে নব্যুয়তপ্রাপ্ত হবার পরে সবচেয়ে স্বাধীন ভাবে সবচেয়ে ক্ষমতাবান উপায়ে পৃথিবীর সব ধরনের মানুষের কাছে তাদের সৃষ্টিকর্তা এবং উনাদের উপরে অর্পিত ধর্ম বা  বই এর কথা বর্ননা বা প্রচার করেছেন। সমস্ত নবী/রাসূল/পয়গম্বর গন  ১০০% স্বাধীন ভাবে উনাদের কাজ- নব্যুয়ত বা ধর্ম বিস্তারের কাজে করে গেছেন বলে উনাদেরকে সবচেয়ে বড় ফ্রি ল্যান্সার (ফ্রি শব্দের অর্থ স্বাধীন আর ল্যান্সার শব্দের অর্থ- পেশা)  বলা হয়। নব্যুয়ত আর কখনো পৃথিবীতে আসবে না। নব্যুয়তের দরজা হয়রত মোহাম্মদ মোস্তফা (আ:) এর সাথেই শেষ হয়ে গেছে। পৃথিবীতে আর কখনো কোন নতুন নব্যুয়তপ্রাপ্ত নবী /রাসুল/পয়গম্বর আসবেন না। কিন্তু তাদের বানী/ধর্ম  রয়ে যাবে পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত। 

তাই হযরত আদম (আ:) থেকে  হয়রত মোহাম্মদ মোস্তফা (আ:) পর্যন্ত  মহান রাব্বুল আলামিন কর্তৃক  উনাদের উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব ( নব্যুয়তের দ্বায়িত্ব বা ধর্ম বিস্তারের দ্বায়িত্ব)  যেমন ফ্রি
ল্যান্সিং উপায়ে করে গেছেন শতভাগ সততার সাথে- সে রকম আমাদেরও উচিত সমস্ত বিশ্বে সমস্ত ধরনের কাজ শতভাগ সততার সহিত করা। কোন ধরনের চিটারি বাটপারি না করে, কাউকে না ঠকিয়ে, কোন ধরনের ঝামেলা না করে, ইন্টারনেটে কোন মানুষকে হ্যাক না করে, ইন্টারনেটে কোন মানুষের বিরুদ্বে রিপোর্ট না দিয়ে,  মানুষকে না ঠকিয়ে বা মানুষকে কষ্ট না দিয়ে কাজ করে যাওয়া। কাজই যদি আমার আপনার সমস্ত ফ্রি ল্যান্সারদের শান্তি হয় তাহলে কাজটাই সততার সহিত করে পৃথিবীর সমস্ত নবী/রাসূল/পয়গম্বরদের সুন্নত পালন করে যাওয়ার চেষ্টা করা। সততা এমন একটি জিনিস যা পৃথিবীর ভালো মানুষের সাথে বিরাজমান। সততার সহিত জিবরাইল (আ:) পৃথিবীতে সমস্ত নবী/রাসুল/পয়গম্বর দের কাছে ওহী নিয়ে এসেছেন মহান সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে  - পূর্ববর্তী সময় গুলোতে- উনিও আর কখনো আসবেন না। সততার সহিত ই হয়রত আজরাইল (আ:) সকলের জান কবজ করে যাইতাছেণ সৃষ্টিকর্তার হুকুমে প্রতিনিয়ত। সততার সহিতই পৃথিবীর সমস্ত নবী/রাসূল/পয়গম্বর গন তাদের নব্যুয়তের কাজ বা ধর্ম বিস্তারের কাজ করে গেছেন আর সততার সহিত ই পৃথিবীতে ধর্ম বিরাজমান আছে। এই পৃথিবীতে একমাত্র অসৎ শয়তান।  তাই সমস্ত ধরনের অসততাই শয়তানের তরিকা আর সমস্ত ধরনের সততাই নবী/রাসুল/পয়গম্বর দের সুন্নত। তাই আসুন শয়তানের পথ পরিহার করে সততার মাধ্যমে হলেও শয়তানের বিরুদ্বে বিজয়ী থাকি সবসময়।

এই লেখাটি যদি কোন মেয়ের নজরে থাকে তাহলে  নবী/রাসূল/পয়গম্বর সহ আপনি আরো বিবেচনা করবেন হয়রত হাওয়া (আ:) , হয়রত মরিয়ম (আ:) , হযরত আয়েশা (রা:), মা ফাতেমা (রা:), সমস্ত ভালো জ্বীনা (জ্বীনদের স্ত্রী লিংগকে জ্বীনা ডাকা হয় বলে শূনেছি)  এবং সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি পরীদেরকেও। শুনেছি ফেরেশতা এবং পরীরা কখনো গুনাহ করতে পারে না। দুনিয়া/ হাশর/জান্নাত/জাহান্নাম এইগুলো শুধু মানুষ এবং জ্বীন জগতের জন্যই প্রযোজ্য। শয়তানের চিরস্থায়ী ঠিকানা আলটিমেট জাহান্নাম।  পবিত্র কোরআনে একটি আয়াত আছে - সৃষ্টিকর্তা বলেছেন:  “নিশ্চয়ই তিনি জ্বীন এবং ইনসানদের কে তৈরী করেছেন শুধুমাত্র উনার এবাদতের জন্য”। 

শয়তানের মাষ্ট বি ঠিকানা হইতাছে জাহান্নাম। মানুষের ক্ষতি করা, মানুষের অনিষ্ট করা, মানুষকে মাইরা ফালানোর চিন্তা করা, মানুষের অহেতকু কষ্ট দেওয়া, মানুষের সহায় সম্পত্তি দখল করে নেয়া বা নেবার চেষ্টা করা, মানুষের কাছ থেকে জোড়পূর্বক অর্থ আদায় করা, ধর্মীয় ভাবে ফেতনা ফ্যাসাদ তৈরী করা, নিজেেই নিজেকে অলি/আওলিয়া/বুজুর্গ দাবী করে টাকা পয়সা বা বিভিন্ন ধরনের সম্পদ হাতাইয়া নেবার চেষ্টা/ধান্ধা করা, মাজার বা কবরকে পুজি করে কোন ধরনের ধর্মীয় ব্যবসা করে যাওয়া, মাজারের নাম ভাংগাইয়া চলা -   এইগুলো সবই শয়তানের লক্ষন। আর শয়তারে জন্য আলাদা জাহান্নাম- সবচেয়ে ভয়াবহ জাহান্নাম  বরাদ্দ রেখেছেন সৃষ্টিকর্তা।  তাই আসুন আমরা ইন্টারনেট ফ্রি ল্যান্সার রা সকল ধরনের চিটারি বাটপারি থেকে নিজেকে বিরত রাখি। তা সেটা লোকাল  ক্লায়েন্ট ই হোক আর আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্ট ই হোক। সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা

সকল ইন্টারনটে ফ্রি ল্যান্সারদের জন্য শুভ কামনা। কোন ধরনের ভুল হলে কমেন্টে জানাবেন । আমি শুধরে নেবো। ভালো লাগলে আমার লেখাটি শেয়ার করবেন (ফেসবুক এবং পিনটারেষ্ট ছাড়া)। 



Friday, October 2, 2020

পাইওনিয়ার- এক ধরনের আইডি কার্ড ফ্রি ল্যান্সারদের জন্য।

বাংলাদেশের ইন্টারনেট, ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস জগতের সাথে যারাই জড়িত আছে তারে কাছে পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড এক ধরনের পরিচয়পত্রের মতো। যার কাছে পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড আছে তারা নিজেদেরেকে জায়গায় বা বে জায়গায় ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে পরিচয় দিতে কুন্ঠাবোধ করে না। কারন তারা জানে যে- একটা আমেরিকান কোম্পানীর দেয়া পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড এ নিজের নাম খোদাই করে থাকা এবং কখনো কোথাও ভেরিফকেশন হলে সেটা দেখানো বা প্রদর্শন করা- আমাদের দেশের ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেসের জগতে অনেক বড় সড় স্মার্টনেস। 


যারা হ্যাকার তারা নিজদেরকে লুকাইয়া রাখে। তারা কখনো নিজেদের চোহার প্রদর্শন করতে পছন্দ করে না। এমন কি তারা প্রকাশ্য দিবালোকে নিজের  নাম ও উচ্চারন করতে পারে না। বাংলাদেশে এমন কোন হেডম নাই যে প্রকাশ্য দিবালোকে সবার সামনে আইসা দাড়াইয়া বলবে মুখ দিয়ে বা লিপস দিয়ে সাউন্ড করে বলবে যে - সে হ্যাকার। কারন যে বা যারা হ্যাকার তারা জানে যে- বলা মাত্রই তাদেরকে চলে যাইতে হবে শ্রী ঘরে (জেলখানাতে) । যদি রাষ্ট্রীয় সেনসিটিভ লেভেলের হ্যাকার হয়ে থাকে তাহলে রাষ্ট্র তাকে ফাসি দিতে ও কুন্ঠাবোধ করবে না। যেমন ধরেন  :(যদি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকার। যদি কেউ বাংলাদেশে বসে থেকে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাক করে যায় -আর তাকে যদি আইন বা পুলিশ ধরতে পারে তাহলে তার নিশ্চিত ফাসি বা ক্রস ফায়ার হবে কারন বাংলাদেশ ব্যাংক গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্পদ। সারা দেশের ১১ কোটি ভোটারের হক আছে সেখানে। সব মানুষের হক সম্বলিত কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাংক যদি কেউ হ্যাক করে থাকে আর টিভি ক্যামেরা বা সাংবাদিক দের সামনে আইসা বলতে পারে তাহলে দেখবেন সাথে সাথে সে ক্রসফায়ারের স্বীকার হবে রাষ্ট্রের আইন বা পুলিশের মাধ্যমে। মৃত্যূই হবে তার একমাত্র শাস্তি। এই ঘটনার মাধ্যমে বলতে চাইতাছি যে- হ্যাকারদের কোন আইডেন্টিফিকেশন থাকে না। ঠিক যেমনটা আমাদের দেশের চোরদের হয়। চোরেরা চুরি করার পরে তাদের কোন চিহ্ন বা প্রমান রাখতে চায় না। তেমনি হ্যাকার রা হ্যাক করার পরে তাদের কোন চিহ্ন রাখতে চায় না। 


কিন্ত মার্কেটপ্লেস জগতে ফ্রি ল্যান্সার রা সবসময় একটা আইডি নিয়ে চলে। যেমন: আমার যদি ওডেস্কে/এসইওক্লার্কে একাউন্ট থাকে তাহলে ওডেস্ক/SEOClerk প্রোফাইল লিংক ই আমার আই ডি। আবার ২০০২-২০১১ সাল পর্যন্ত অনেক কে দেখেছি ওডেস্কের/ইল্যান্সের/ফ্রিল্যান্সার ডট কমের ট্রানজেকশন রেকর্ড পেনড্রাইভে করে নিয়ে ঘুরে বেড়াতো। যখন জিজ্ঞাসা করা হতো - তখন পকেট থেকে পেনড্রাইভ বের করে পুলিশকে দেখানো হতো। বাংলাদেশে এতো সহজে ফ্রি ল্যান্সার বা আউটসোর্সিং ইন্ড্রাষ্ট্রিজ তৈরী হয় নাই। অনেক অনেক ছেলে পেলে দেরকে তাদের উপার্জিত ডলার থেকে বাংলাদেশী লোকাল পুলিশদেরকে বসাইয়া চা সিগারেট খাওয়ানো সহ - তাদেরকে বোঝানো হয়েছে যে - ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস কি এবং বাংলাদেশীরা সেখানে কিভাবে কাজ করে? তাদের মধ্যে বলতে গেলে রেমিটেন্স আনার আগে পর্যন্ত আমার যথেষ্ট পরিমান কষ্ট হয়েছে। কারন আমার প্রথম রেমিটেন্স আসে বোধ করি ২০০৭/২০০৮ সালের দিকে। তার আগে পর্যন্ত আমার পাইওনিয়ার কার্ড রিসিভ করতে পারি নাই। পাইওনিয়ার একাউন্ট আছে কিন্তু কার্ড বার বার ই সেন্ড করতাছে কিন্তু বাংলাদেশের পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে পাইতেছিলাম না। রেমিটেন্স আসার পরে আর সেটা নিয়ে ভাবতে হতো না। কারন বাংলাদেশ সরকার জানতো কারা কারা রেমিটেন্স আনতো? রেমিটেন্স আনার পরে ও অনেকদিন কার্ড পাই নাই এর মধ্যে পাইওনিয়ার কার্ড একাউন্ট থেকে পাইওনিয়ার ব্যাংক একাউন্ট হয়েছে। বাংলাদেশে তথা বিশ্বের সকল দেশের সকল ব্যাংকের সাথে তাদের কানেকশন বা কম্যুনিকেশন হয়েছে এবং পাইওনিয়ারে প্রায় ১৫ বার সেন্ড করার পরে ২০১৮ সালে আমি আমার নিজের বাসার  ঠিকানাতে ডিএইচ এল এর মাধ্যমে কার্ড রিসিভ করেছি যাকে  ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয়পত্র বলা হয়ে থাকে। এখন রেমিটেন্স একাউন্ট থাকলে আর পাইওনিয়ার কার্ডের কি দরকার- পাইওনিয়ার তো এখন ব্যাংক একাউন্ট ই প্রোভাইড করতাছে। আর যারা পাইওনিয়ারের সাথে লোকাল ব্যাংক একাউন্ট ওপেন করেছে তাদের একাউন্ট অলওয়েজ একটিভ থাকবে আবার পলিসি না বদলানো পর্যন্ত। 


ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ন ওযেবসাইট। সকল মার্কেটপ্লেস চলতাছে এক রকম ভাবে আর একটি নির্দিষ্ট মার্কেটপ্লেস আলাদা নিয়ম নিয়ে চলতাছে যা একটি ষ্টক এক্সচেন্জের সাথে লিপিবদ্ব। ষ্টক এক্সচেন্জ থেকে যে ডলার বাংলাদেশে এড হবে তা নিশ্চয়ই ফ্রি ল্যান্সার দের রেমিটেন্স বা মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স হিসাবে বিবেচিত হবে না। মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স এর হিসাব বা ভ্যালূ টা ভিন্ন। ২০১১ সালের আগে একদিন ইন্টারনটে এক আমেরিকান বায়ারের সাথে কথা বলতেছিলাম। বোধ করি ২০০৬/২০০৭ সাল হবে। উনি আমাকে স্পষ্টত এবং ক্লিয়ারলি বললেন : ষ্টক এক্সচেন্জে রিলেটেড ওয়েবসাইট এবং মার্কেটপ্লেস সম্পূর্ন  ভিন্ন। ষ্টক এক্সচেন্জে যারা কাজ করে তাদেরকে ট্রেডার বা ব্রোকার বা ব্রোকারেজ হাউজ বলা হয়। এইখানে ষ্টক এক্সচেন্জে অনেকে মুদ্রা ইনভেষ্ট করে লাভবান হয় আবার অনেকে ব্রেইন ইনভেষ্ট করে লাভবান হয়। আমার কোন কাজের মাধ্যমে যদি ষ্টক এক্সচেন্জ লাভবান হয় তাহলে সেটাকে শেয়ার ব্যবসা বলা হবে আর যারা পার্টিসিপেট করবে বা কন্টেন্ট শেয়ার করবে বা আরো লোকজনকে ডেকে আনবে বা আরো ডলার উপার্জন করার চেষ্টা করবে তাদেরকে সকলকেই ষ্টক এক্সচেন্জ ট্রেডার/ব্রোকার/ব্রোকারেজ হাউজ বলা হবে। আর শুধুমাত্র ব্রেইন সেল করে বা মেধার প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট এক বা একাধিক ওয়েবসাইটের কাজের মাধ্যমে( মার্কেটপ্লেস) যে ডলার এক দেশের সরকারের অনুমতি প্রাপ্ত কোম্পানীর কাছে থেকে আরেক দেশের সরকারের কাছে আইসা সুইফট ট্রানজেকশনের মাধ্যমে সরকারের কাছে জমা হবে সেটাকেই  এখানে রেমিটেন্স  বলা হবে। আমদানী রপ্তানীর ক্ষেত্রে রেমিটেন্স খুব ভালো ভুমিকা পালন করে থাকে। সেই আমেরিকান ভদ্রলোককে দেখলাম যে- (ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের ক্ষেত্রে)  উনি ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফারকেও  রেমিটেন্স বলতে নারাজ (আমেরিকান লোক আমেরিকার ব্যাংকে দাড়িয়ে আমেরিকান ডলারে বাংলাদেশে ব্যাংকে ডলরা সেন্ড করবে সেটাকেও উনি রেমিটেন্স বলে নাই- বলেছেন ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার)  ।  শুধুমাত্র পাইওনিয়ার বা ওডেস্ক বা ইল্যান্স  বা এসইওক্লার্ক (এসইওক্লার্ক এর নিজস্ব ব্যাংক থাকাতে তারাে কোন ধরনের সরাসরি ব্যাংকে উইথড্র এলাও করে না। এইওক্লার্ক এর নিজ্স্ব ব্যাংকের নাম পেল্যুশন। এরকম কোম্পানীগুলো যারা আমেরিকান বা ইউরোপিয়ার সরকারের সাথে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের নামে রেজিষ্ট্রেশনকৃত - শুধু তারা কর্তৃক প্রদেয় অর্থকেই ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জিত রেমিটেন্স বলতাছেন। যে সকল ক্যাটাগরি বাংলাদেশে রেমিটেন্স এনে থাকে: 

  • বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিক
  • বিদেশে অবস্থানরত  দ্বৈত নাগরিক
  • আমদানী রপ্তানী বানিজ্য থেকে লাভ
  • গার্মেন্টস থেকে উপার্জিত অর্থ
  • ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জিত অর্থ
যে ষ্টক এক্সচেন্জ রিলেটেড মার্কেটপ্লেসর টাইপের ওয়েবসাইটের কথা বললাম সেখানে আমি একটা ট্রানজেকশন করেছিলাম বাংলাদেশের আরেকজন ফ্রি ল্যান্সারের সাথে। সে আমাকে ৮০ ডলার পে করে একটা কাজের জন্য অত্র ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। সেটা আমার একাউন্টে আইসা এড হয় ৭২ ডলার হিসাবে সকল চার্জ কাটার পরে। তারপরে সেটা রেগুলার রেটে বাংলাদেশ ব্যাংকে উইথড্র করা হয়। যখন উইথড্র রিক্যুয়েষ্ট করা হয় তখন একটা প্রাইজ দেখানো হয়। কিন্তু যখন ট্রানজেকশন কে ডিক্লাইন করা হয় তখন তাদের ওয়েবসাইটের শেয়ারের দাম কম থাকাতে সেটা আমার সাইটে আমার জন্য ৫ ডলার লস হিসাবে দেখায়। পরে আমি বূঝতে পারি যে- যে ষ্টক এক্সচেন্জের সাথে এই ওয়েবসাইট টা জড়িত সেই ওয়েবসাইট থেকে আমোকে চার্জ কেটে নিলো। পরে আমার এই ট্রানজেকশন মানি টা বাংলাদেশের ফ্রি ল্যান্সারের কাছে ফেরত যায় এবং বিনা কারনে আমার কাছ থেকে প্রথমত ১ ডলার এবং পরে আরো ৫ ডলার কেটে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকটা বাংলাদেশের টেলিফোন বা গ্যাসের বা বিদ্যুতের ভৌতিক বিলের মতো। আমার কাছে টোটাল প্রমান এবং ভিডিও রেকর্ড করে রাখা আছে। পরে আমি সেই ওয়েবসাইট থেকে আমার একাউন্টও  ডিলেট  করে ফেলি। 

বাংলাদেশে যারা প্রথম দিকের ফ্রি ল্যান্সার - যারা প্রথম দিন থেকে রেমিটেন্স আনতাছে তাদের অনেকেই এখন খারাপ অবস্থায় আছে।সে একসময় দেশের জন্য রেমিটেন্স এনেছে। তার এক সময় সারারাত জেগে থাকার যে পরিশ্রম বা কাজ করাটা - সেটা ঘুনে ধরা বংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় ধীরে ধীরে ইন্টারনটে কে প্রতিষ্টিত করতে সাহায্য করেছে। বর্তমানে ইন্টারনটে ছাড়া কোন শিক্ষিত মানুষকে কল্পনাও করা যায় না। সে সময়ে বা অসময়ে এই ইন্টারনটে বা ব্যবহার করবেই। যাদের কারনে এই রেমিটেন্স ইন্ডাষ্ট্রিজ কে গড়ে তোলা হয়েছে তাদেরকে আগে সম্মানিত করতে হবে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা থেকে। তাই গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব রা যে ফ্রি ল্যান্সার ডাটাবেজ তৈরী করার উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাহায্য নিয়ে- সেখানে একজন মানুষকে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগতে ততোটাই মূল্যায়ন করার দাবী জানাই যতো আগে সে রেমিটেন্স এনেছে। কারন যতো আগে বাংলাদেশ সরকারের সাথে রেমিটেন্স এনেছে তার ততো হাড় ভাংগা- মাজা ভাংগা পরিশ্রম হয়েছে। ইন্টারনটে বাংলাদেশ কে প্রতিষ্টিত করা এবং  বাংলাদেশের সমাজের ও সকল খারাপ কে ভেংগে চুরে ইন্টারনেটের আলোকে ফুটিয়ে তোলা। হয়তো অনেকেই এখন কুপোকাত হয়ে আছে। অনেকেই অনেক খানে অনেক কষ্টে আছে। তাদেরকে মূল্যায়ণ করার সময়ে এসেছে। যে কোন ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগত থেকে যে ডলার রেমিটেন্স হিসাবে এড হয়েছে সে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের ওয়ার্কারকে আগে যে সকল লোন সুবিধার কথা বলা হইতাছে স্বল্প সুদে বা বিনা সুদে ( জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়ি)  তাদেরকে আগে মূল্যায়ন করাে হোক এইটাই দাবী। যারা ষ্টক এক্সচেন্জ রিলেটেড ওয়েবসাইট থেকে ডলার এনে বাংলাদেশ সরকারের কাছে এড করতাছেন তারা ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগতে রেমিটেন্স আনতাছেন না -তারা অন্য আরেক ক্যাটাগরিতে রেমিটেন্স আনতাছেন। ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স বলতে তাদেরকে বোঝানো হবে যারা ইউরোপ এবং আমেরিকার সরকারদের কাছে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের কোম্পানী হিসাবে নথিভুক্ত আছে। আপনি  ষ্টক এক্সচেন্জের সাতে জড়িত মার্কেটপ্লেস কে  রেমিটেন্স বললেও বোধ করি বিশ্বের সেরা সেরা জার্নাল বা ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগতের বিভিন্ন ধরনের কোম্পানী তাদেরকে সেটা বলবে না। কারন সে ওয়েবসাইট টি একটি দেশের সরকারের কাছে ষ্টক এক্সচেন্জ রিলেটেড ওয়েবসাইট হিসাবে নিবন্ধিত। এখন সেই দেশ থেকে যদি ডলার সেন্ড করে তাহলেই তো সেটা আর ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স হবে না। ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স হবার প্রধান শর্ত হইতাছে- যারা ডলার সেন্ড করবে তারা ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের জগতে ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান সরকারের ডাটাবেজে ফ্রি ল্যান্সার/ আউটসোর্সিং/ মার্কেটপ্লেসের কোম্পানী হিসাবে নিবন্বিত থাকবে।এরকম কোম্পানীল পাঠানো অর্থকে ফ্রি ল্যান্সার/আউটসোর্সার/ মার্কেটপ্লেসের রেমিটেন্স বলা হবে। 

২০১১ সালের পর থেকে অনেক কিছুই পাল্টে গেছে। এখন যে কাউকে লাম ছাম বুঝাইয়া ফেলালেও যারা পুরাতন বা অনেক আগে থেকে কাজ করতাছে তাদেরকে তো আর লাম ছাম বুঝাইয়া কোন লাভ নাই। 




Thursday, October 1, 2020

Facebook Communities Summit Keynote.

 

You’re invited! Join us live on October 1, 2020 for the Facebook Communities Summit Keynote and to celebrate 10 years of...

Posted by Facebook App on Thursday, September 24, 2020

পাইওনিয়ার- ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং জগতে একটি বিশ্বস্ত নাম।

  পাইওনিয়ার যাত্রা শুরু করে ২০০৫ সালে। যখন ফ্রি ল্যান্সার এবং মার্কেটপ্লেস জগত শুরু হয় তখন প্রথম যে জিনিসটা সকলেরে কাছে প্রয়োজন হয় তা হইতাচে রিল্যায়াবল বা ট্রাস্টেড পেমেন্ট মেথড। 


২০০২ সালে যখন ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং জগত টা বাংলাদেশে রান করে সর্বপ্রথম ওডেস্কের মাধ্যমে তখন প্রথম দেখা যায় পেপাল এবং এলার্টপে নামের দুইটা ইন্টারনেট ব্যাংকিং। ব্যাংক চেক পলিসিও ছিলো। অনেক অনেক বার অুনরোধ করা হয় মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট গুলোকে- ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন বা মানি গ্রামের মতো প্রোগ্রামগুলোকে এড করারর জন্য। কিন্তু তাদের মন ভেজানো যায় নাই। তারা কোনভাবেই সেটা এড করবে না। যতোবার বলা হয় ততোবারই বলা হয়েছে যে- এইটা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সম্ভব। পেপাল আমেরিকান ব্যাংকে কোম্পানী এবং এলার্টপে কানাডিয়ান ব্যাংকিং কোম্পানী ছিলো। অনেক অনেক মার্কেটপ্লেস আছে এখন পর্যন্ত যারা সম্পূর্ন গ্রাহকের উপর ভিত্তি করে তাদের কোম্পানী বা প্রোগ্রাম চালু করে। তেমনি ওডেস্ক ও মতামতের আয়োজন করে পেপাল, এলার্ট পে, ব্যাংকে চেক পদ্বতি চালু করে। আমেরিকান রা চেক পদ্বতির সাথে অনেক পরিচিত ছিলো। কারন তারা প্রায়শই পে চেক পাইয়া থাকে। আর সেটা তাদের দেশের সরকার থেকে দেয়া হয়- যে কোন বিপদে আমেরিকানরা পে চেক পাইয়া অভ্যস্ত। তাদের দেশের সরকার তাদেরকে সাহায্য করে তাকে আর আমাদের দেশের লোকজন জনগনের হত মাইরা খাইয়া ফালায়। এইজন্য ই আজকে বাংলাদেশের মতো  অজো পাড়া গায়ের মধ্যেও বাংলাদেশী ছেলে বা মেয়েরা ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং এর কাজ করে যাইতাছে। পেপাল আমাদের দেশে চালু ছিলো না তখন- বলতে গেলে ওয়েবসাইট ই এক্সেস করা যাইতো না।  আর এলার্টপে ওপেন হতো। মনে পড়ে - ওডেস্কে আমার প্রথম উপার্জন ছিলো ২ ডলার এবং ১০ বা ১৫ ডলার হবার পরে ওডেস্ক থেকে এলার্ট পে তে ট্রান্সফার করা যাইতো। তারপরে এলার্ট পে থেকে সারা দেশের যাদের লাগতো বা যারা ইউরোপিয়ান আমেরিকান নাগরিক তারা কিনে নিয়া যাইতো - এক কথায় সাহায্য করতো কারন তারা তাদের ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান ব্যাংক একাউন্টে  সেটা উইথড্র করতে পারতো এবং সেটা আমাদের জন্য অনেক শোভন হতো। এইভাবে ২০০৫ সালে পাইওনিয়ার নামের আরেক জায়ান্ট কোম্পানীর আবির্ভাব ঘটে যারা আজো সারা বিশ্বে সমানতালে সার্ভিস দিয়ে যাইতাছে। এই পৃথিবীতে এমন কোন ফ্রি ল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার নাই যাদের পারসোনাল পাইওনিয়ার একাউন্ট নাই।  

এলার্টপে পরে পরিবর্তিত হয়ে পাইজা তে নাম নেয়। পাইজা  নাম নেবার ফলে অনেক সময় অনেক বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়। যখন কোন প্রজেক্ট হাতে থাকে আর সেটা যদি অনেক ডিপ প্রকৃতির প্রজেক্ট হয়ে থাকে  তাহলে কাজ করার সময়ে  অনেক সময় পারস্পরিক নতুন নতুন মানুষের সাথে যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। এতে করে অনেক সময় কাজের জন্য বাড়তি একটা স্প্রিড পাওয়া যাইতো। অনেককেই ফ্রিতে কাজ শিখানো হতো বা শিখাতে হতো সারা দেশের যারা বড় মাপের ফ্রি ল্যান্সার তাদের নির্দেশ অনুসারে। তো যখন কোন মেয়েকে অনলাইনে (ইন্টারনেটে বিভিন্ন ম্যাসেন্জারের সাহায্যে) কাজ শিখানো হতো ফ্রি তে আর মার্কেটপ্লেস একাউন্ট ওপেন করার পরে যখন পেমেন্ট সল্যুশন নিয়ে কথা হতো তখন অনেক সময় মন ভূলে বলা হতো- পেমেন্টর জন্য পাইজা খূলে ফেলো। কোন মেয়ে যদি আগে থেকে না জানতো তাহলে সে সেই সময় শরমে পড়ে যাইতো। ফলে পরে আবার তাকে ভুল শোধরাইয়া বলতে হতো যে- পাইজা আসলে একটা ব্যাংক একাউন্ট। এই মূহুর্তে  এইটা ইউএসএ জাষ্টিস ডিপোর্টমেন্ট বন্ধ করে রেখেছে। ফলে একসময়কার জনপ্রিয় ব্যাংক আজকে বন্ধ হয়ে গেছে। পায়জার সাথে বাংলাদেশে ব্যাংক  এশিয়ার সরাসরি যোগাযোগ ছিলো - মানে এফিলিয়েট ছিলো। সেই মার্ক করা ব্যাংকের সাথে এখন আবার পেপালের রেমিটেন্স আনা হইতাছে। যদি পাইজার সাথে কানেক্টেড থাকার কারনে  ব্যাংক এশিয়ার নামও ডিপার্টমেন্ট অফ জাষ্টিসে থেকে থাকে তাহলে সেটা পেপাল এপরুভাল পাবার ক্ষেত্রে বাধা বা অন্তরায় হয়ে দাড়ায় কিনা কোন ভাবে সেটা ভেবে দেখতে হবে। যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে সকল ফ্রি ল্যান্সারের স্বার্থে ব্যাংক এশিয়ার উচিত হবে পেপালের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা। কারন ফ্রি ল্যান্সার রা  পেপাল এপরুভাল পাবার জণ্য চেষ্টা করে যাইতাছে এবং শুধূমাত্র ফ্রি ল্যান্সার দের জন্য হলেও যেনো পেপাল চালু হয় সেজন্য অনেকেই চেষ্টা করে যাইতাছে। তবে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক বুথ থাকার কারনে এবং এটিএম এবং ব্রাঞ্চ থাকার কারনে ডাচ বাংলা ব্যাংক হবে সকলের কাছেই ১ নাম্বার চয়েজ। তবে ব্যাংক এশিয়ার স্বাধীন মাষ্টারকার্ড  প্রোগ্রামটা প্রশংসার দাবীদার। অনেক ফ্রি ল্যান্সার দের অনেক ভালো রকমের উপকার করেছে ব্যাংক এশিয়ার স্বাধীন মাষ্টারকার্ড এবং ঈষ্টার্ন ব্যাংকের আকুয়া মাষ্টার কার্ডপাইওনিয়ারের সাথেও মাষ্টারকার্ডের যোগাযোগ আছে। পাইওনিয়ার মাষ্টার কার্ডের মাধ্যমে আপনি মাষ্টারকার্ড লোগো সম্বলিত বিশ্বের যে কোন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারবেন, যে কোন এটিএম থেকে বা বুথ থেকে যে কোন দেশের মুদ্রা তুলতে পারবেন। 

Payoneer Mastercard  সুবিধা নিয়ে অনেকেই সারা বিশ্বে বিভিন্ন খানে আগে ব্যবহার করেছে। প্রথম দিকে বাংলাদেশের যে কোন প্রাইভেট ব্যাংকে দাড়িয়ে থেকে পাইওনিয়ারে মানি সেন্ড করা যাইতো নিয়মিত ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সপার হিসাবে। পারস্পরিক মানি লেনা দেনা এবং সকল ধরনের পেমেন্ট নেওয়া, বিজনেস পেমেন্ট নেওয়া এবং সেন্ড মানি সেন্ড মানি সেন্ড করা সহজ হয়েছে। ধরেন আমার কাছে পাইওনিয়ার কার্ড আছে। আপনি জার্মাণীতে আছেন । আপনার এই মূহুর্তে টাাকা দরকার যা এক সপ্তাহের মধ্যে আপনার খাবারের খরচ জোটাতে হবে। বিদেশে কোন বিপদের মাঝে আপনি আছেনি। আপনি বাংলাদেমে কল  দিয়ে বললেন ডে- তার পআওিনিয়ার একাউন্টে ৫০,০০০ টাকা সেন্ড করে দিতে। আপনার নিকটস্থ লোক ব্যাংকে গেলো এবং আপনার পাইওনিয়ারের দেয়া ব্যাংক একাউন্টে ৫০,০০০ টাকা ব্যাংক টু ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন করলো। আপনি ৩/৪ দিনের মদ্যে সে টাাকা ডলার হিসাবে আপনার পাইওনিয়ার একাউন্টে পেয়ে গেলেন। এখানে আপনি আমেরিকান একটা ব্যাংক একাউন্টের ফ্যাসিলিটজ ব্যবহার করে লেনাদেনা টা সম্পূর্ন করলেন এবং বাংলাদেশ তার প্রাপ্ত সুবিধাদি থেকে বঞ্চিত হবে কারন বাংলাদেশ সরকার সাথে সাথে সেইটা এনডোর্স করতে পারে নাই বা যে ব্যাংক আপনি টাকা সেন্ড করেছন সেই ব্যাংক এনডোর্স ফ্যাসিলিটজ নাও দিতে পারে বাংলাদেশকে। তার উপরে সেখানে মাষ্টারকার্ড লোগো আছে। সেই লোগো দিয়ে যে মানুষটা বিপদে আছে সেই মানুষটা তার নিজস্ব খাবারের ব্যবস্থা করে ফেলাইলো। ঠিক যে নিয়মে ডুয়াল কারেন্সী ক্রেডিট এক্সচেনজ হয়- সেই  নিয়মটা হয়তো এইখানে প্রযোজ্য হয় নাই কারন যে ব্যাংক টাকা পাঠানো হয়েছে ডলারে কনভার্ট
করার জন্য সেই ব্যাংক হয়তো নিয়মিত মানের ব্যাংক না বা অনলি রেমিটেন্স কালেকশন করার ব্যাংক বা বাংলাদেশ সরকারের সাথে তালিকাভুক্ত না। এই দেশে লক্ষ কোটি লোক চুরি/বিাটপারি/দালালি করে চলে। বাংলাদেশের মধ্যে রাজধানী মহর সবচেয়ে বড় চিটার বাটপার দের শহর বলা হতো একসময়। সেই চিটার বাটপার দের থেকেও বড় চিটার বাটপার আমি দেখেছি ময়মনসিংহে -একটা লোকাল এলাকাতে। এখানকার একটা তারিকাগ্রস্থ জ্ঞাতি গোষ্টী  এতো পরিমান ধুরন্দর যে- স্থানীয় আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণীও অনেক সশয় হিম শিম খেয়ে যায়। ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে র যতো ধরনের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিণীর সদদ্য রা আছেন তারা যদি নিরবিচ্ছিন্ন সার্ভিস দিয়ে যাইতো তাহলে হয়তো এই মাপেরে ধুরন্ধর দেখা হইতো না(যারা ্রকম ক্যাটাগরির তাদের ম্যাক্সিমাম লোকেরই জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। বর্তমান সরকারের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধিদপ্তর - জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ। জাতীয় পরিচয়পত্র এখন আর কোন প্রজেক্ট নাই।এইটা এখন সরকারি অধিদপ্তর। তাই আপনার উচিত হবে নিজ দ্বায়িত্বে জাতীয় পরিচয়পত্র আইন জেনে তা কার্যকর করে ফেলানো। 

আপনার যদি জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনি কখনোই পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড পাবেন না। কারন পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড এর জন্য আবেদন করতে গেলে আপনাকে অতি অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া এদেশে এখন অনেক কাজই হইতাছে না। যেমন: 

  • জমি- জমা, ফ্ল্যাট বাড়ির দলিল পত্রাদি লেখা। বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে হবে না। 
  • বিয়ে/কাবিন/নিকাহ/শাদী- প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আপনাকে বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে নয়তো কাবিন নামা পাবেন না। 
  • সিটি কর্পোরেশন বা বিভাগীয় সদর এলাকাতে আপনি পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনে ভেরিফায়েড না হলে সিটি িএলাকাতে আপনি বসবাস করতে পারবেন না। আপনার যদি  প্রাপ্ত বয়স্কে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে আপনি দেশের সকল সুবিধা থেকে  বঞ্চিত হবেন। 
  • এককথায় আপনাকে বহিরাগত বা অন্য দেশী হিসাবে বিবেচনা করা হবে। 
পাইওনিয়ার একাউন্ট ওপেন করা থাকলে আপনি একজন পাইওনিযার একাউন্ট অনার হয়ে আপনি আরকেজন পাইওনিয়ার একাউন্টে মানি সেন্ড করতে পারবেন। তবে অনেকসময় ১০০০ ডলার লেনাদেনা না হলে একজন আরেকজনকে সেন্ড মানি করতে দেয় না। আপনি মার্কেটপ্লেস থেকে হাজারো ডলার উপার্জন করে সেটা আপনার দেশের বাহিরে অবিস্থত বন্ধুকে দিয়ে দিলেন তার পাইওনিয়ার একাউন্টে এবং আপনি তার বাসো থেকে বা তার স্ত্রীর কাছ থেকে নগদ ক্যাশ টাকা নিয়ে নিলেন বা আপনি যাকে টাকা পাঠালেন সে কল দিয়ে তার বাসাতে বলে দিলো যে - আপনাকে নগত টাকা পেমেন্ট করে দিতে। এইখানে বাংলাদেশ সরকার বিকেটা ট্রনাজেকশন রেকর্ড মিস করলো এবং সামান্য কিছু রেমিটেন্স ও হয়তো মিস করলো। কারন আপনি যদি আপনার ফ্রেন্ডের পাইওনিয়ার একাউন্টে ডলার সেন্ড না করে আপনি যদি সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে উইথড্র করতেন তাহলে হয়তো বাংরাদেশ সরকার সে রেমিটেন্স থেকে বঞ্চিত হলো। আবার ফরেন ট্রানেজেকশন হবার কারনে বৈদিশিক সরকার আপনার সে ফ্রেন্ডের কাছে পাঠানো ডলারের ট্রানজেকশন রেকর্ড রাখবে এবং প্রয়োজেন বছর শেষে হয়তো কিছু আর্থিক বা ফাইনান্সিয়াল ফ্যাসিলিটজ ও আদায় করতে পারে কারন সব ব্যাংকের তো একই কাজ- ব্যবসা করা। তেমনি পাইওনিয়ারও ইন্টারনেট বেজড একটা ব্যবসায়িক ব্যাংক যারা সাার বিশ্ব জুড়ে ব্যবসা করতাছে। পাইওনিয়ার কে একসময় প্রমোট করা হতো প্রচুর ফ্রি ল্যান্সার দের মাধ্যমে। আমাদের দেশে এখণ যদি কোন ছেলে মেয়ের কাছে (বয়স ২৩ হবার পরে) বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে ও তার কাছে তার বাবার বা মায়ের নামে তৈরী করা পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ড আপনি পাবেন খোজ করলে। পাইওনিয়ার মাষ্টারকার্ডে যদি আপনি কোন লেনাদেনা করে না থাকেন তাহলে শুধূ আপনার নাম এবং ডিটেইলস টা বৈদিশিক সরকার এবং তাদের ডাটাবেজে নথিভুক্ত থাকবে। আজকে থেকে পাইওনিয়ারের নতুন ঘোষনা এসেছে- যারা বিগত ছয় মাসে কোন ধরনের লেনাদেনা করে নাই তাদের কার্ড বাতিল করা হবে কারন একটা কার্ড তৈরী করা থেকে শুরু করে মেইন টেই করার জন্য প্রচুর খরচ করতে হয় কার্ড প্রদানকারী কোম্পানীকে। আর বর্তমানের নিউইয়র্ক পাইওনিয়ারের কার্ড প্রদানকারী সার্ভিস সংস্থা পরিবর্তন হয়ে সেটা চলে গেছে আয়ারল্যান্ডের একটা সংস্থর কাছে। তাই অনেক ধরনরে পরিবর্তন আসতাছে। একই সাথে - এ যাবত কালে যাদের পাইওনিয়ার শুধু কার্ড নেয়া ছিলো কিন্তু তাদের কো লেনাদেনা রেকর্ড নাই তাদের আর কার্ডের কোন ভ্যালূ থাকলো না। কার্ড থাকুক বা না থাকুক পাইওণিয়ার একাউন্ট থাকবে সকলের ই। আর যাদের ব্যাংক একাউন্ট আছে তারা ব্যাংক একাউন্টও রেমিটেন্স আনতে পারবে অতি সহজে।  আর যদি লেনাদেনার রেকর্ড থাকে তাহলে যে দেলে সাথে লেনাদেনা আছে সেই দেশের সাথে তার অল ডিটেইলসে রেকর্ড থাকবে। 
 





আর আপনার যদি পাইওনিয়ার একাউন্টের সাথে ব্যাংক একাউন্ট এড করা থাকে তাহলে আপনি নিয়মিত বিরতিতে রেমিটেন্স আনতে পারবেন একই নিয়মে। করোনার কারনে অনেকের ই লেনাদেনা কম আছে সে ক্ষেত্রে তাদের  কার্ডে যদি শেষ ছয় মাসের কোন লেনাদেনা না থাকে তাহলে সেই কার্ডটি আয়ারল্যান্ডের কার্ড  ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী ডিএকটিভেট করে দেবে কারন এত করে তাদের প্রচুর পরিমানের খরচ বেচে যাবে। আবার আপনার যদি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি আবার কার্ড অর্ডার  িদিয়ে নিয়ে  আসতে পারবেন এবং প্রয়োজন মতো সারা বিশ্বে ব্যবহার ও করতে পারবেন। 








(To Be continue)

Share Payoneer Refer a Friend program.

masudbcl.com ডোমেইন ফেরত পাওয়া। ডোমেইন রিডাইরেক্ট। এড অন ডোমেইন।

 সাধারনত রিডাইরেক্ট মানে হইতাছে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাবার ইনষ্ট্রাকশন পাওয়া। যেমন: আপনি যদি আমার  masudbcl.com ডোমেইন টা লিখেন তাহলে আপনি masudbcl.xyz এ চলে যাবেন। আবার যদি masudbcl.blogspot.com লিখেন তাহলেও আপনি masudbcl.xyz এ চলে যাবেন বা সেটা ব্রাউজারে দেখতে পারবেন। এইভাবে একটি ডোমেইন লেখার পরে যদি আরেকটি ডোমেইনে আপনি কনভার্ট হোন সে ব্যাপারটাকে ডোমেইন রিডাইরেক্ট বলে। এই ডোমেইন রিডাইরেক্ট ব্যাপারটা আপনাকে ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন ওয়েব সাইট থেকে করতে হবে। নেইম চিপ ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা থাকলে আপনি আপনার ওয়েবসাইট কে সহজেই রিডাইরেক্ট করতে পারবেন। প্রথমে ডোমেইন কেনার পরে আপনি আপনার ডোমেইন ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ডে আসবেন। তারপরে আপনি আপনার ডোমেইনের পাশে থাকা ম্যানেজে ক্লিক করবেন। তারপরে আপনি ডোমেইন রিডাইরেক্ট অপশন পাবেন। সেখানে আপনার যতোগুলো প্রটোকল নেয়া আছে ততোগুলো প্রটোকলকেই আপনি আপনার স্পেফিফিক ডোমেইনে রিডাইরেক্ট করে রাখতে পারবেন। নেইমচিপে ডোমেইনরে মালিকানাও পরিবর্তন করা যায়। একজন একটা ডোমেইনের মালিক হলে আরেকজন সেই ডোমেইনটার মালিকানা চাইলে তাকে মালিকানা পরিবর্তন করে দেয়া যাবে কিন্তু তার জন্য অপর সাইডে আরো একজন যে নির্দিষ্ট ডোমেইনের মালিকানা চাবে তাকে ও নেইমচিপের একাউন্টের মালিক হতে হবে। যদি দুই পক্ষের ই নেইমচিপের একাউন্ট থাকে তাহলে ডোমেইনের মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবে।   






এড অন ডোমেইন: এড অন ডোমেইন একটি ফুললি ফাংশনাল ডোমেইন যা আপনার নিয়ন্ত্রন প্যানেল থেকে তৈরী করো যেতে পারে। এড অন ডোমেইনটি একটি নতুন ওয়েবসাইট যা আপনার একাউন্টে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরী করে হোষ্ট করতে পারবেন যেখানে আপনি একটা নিয়ন্ত্রন প্যানেল থেকে আপনি কয়েকটা ডোমেইন হোষ্ট করতে পারবেন। এড অন ডোমেইন, সাব ডোমেইন এবং পার্ক ডোমেইন এই ৩ টার বিষয়ে ডিটেইলস জানতে পারেন এইখানে ক্লিক করে। 
  


Translate