Saturday, August 22, 2020

মনে মনে দরজা লাগে। পুলিশ ভাড়াটিয়া আইন।

আমাদের দেশে কিছু মানুষ আছে যারা রুম বলতে কবর বোঝে। আবার কিছু কিছু মানুষ আছে রুম বলতে কাবা ঘর বোঝে। আবার কিছু কিছু মানুষ আছে রুম বলতে ইটালরি রোম শহর বোঝে। রুম বলতে অনেক সময় যে লিভিং রুম, বেড রুম, ড্রয়িং রুম বা কোন বাসা বাড়ীর রুম বোঝানো হয় তা আর তারা বোঝে না। একবার এক গ্রুপ কে বলতে শুনলাম - তারা রুম বলতে কবর কে বোঝবে- এছাড়া অন্য কোন কিছুই বুঝবে না। মানুষ যারা শিক্ষিত তারা মোটামুটি জীবন যাপন করতে গেলে অতি অবশ্যই একটা রুমের বা পারসোনাল রুমের সন্ধান করবে। চেষ্টা করবে নিজের জন্য একটা ওয়ার্কিং রুম এবং সংগিনী সহ একটা বেড রুম যেনো নূন্যতম থাকে যে কোন ফ্ল্যাটে/বাসাতে। যারা গরীব মানুষ তারা হয়তো রুমের প্রয়োজনীয়তা জীবনে অনেক কম মনে করে থাকে- কিন্তু যারা মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত তাদের জীবন যাপনের জন্য একটা পারসোনাল রুমের কোন বিকল্প নাই। যদি তারা পাবলিক বিশ্ববিধ্যালয়ের ছাত্র হয়ে থাকে তাহলে একসাথে অতি অবশ্যই হলে রুম শেয়ারের অভিজ্ঞতা থেকে থাকে। যদি যে কোন বিভাগীয়/জেলা/উপজেলা শহরে মেসে ও থাকে তাহলেও সে রুম সম্বন্ধে জানে। সারা দেশের পাবলিক বিশ্ববিধ্যালয় গুলোতে ছাত্র রাজনীতির অপধারা রুম ভিত্তিক রাজনীতি করে থাকে। ক্ষমতাসীন দলেল ছত্র ছায়ায় গড়ে উঠা ছাত্র রাজনৈতিক দলকে সাপোর্ট না দিলে হলে রুম পাওয়া যাবে না। আবার নেতা শ্রেনীর হলে একাই একটা রুমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে অনেক  সময়ে হলে। বিগত কয়েক বছরে মেয়েদের হলেও রুম নিয়ে রাজনীতি করতে দেখেছি। অনেক সাধারন গোছের মেয়েদেরকে দেখেছি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হয়েও বাহিরে মেসে বসবাস করতে। যারা বিত্তশালী/মধ্যবিত্ত তারা সাধারনত পারসোনাল রুম মেইন টেইন করে থাকে- এতে করে অনেক সময় তার জীবন ধারা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে সুবিধা হয়। একটা পারসোনাল স্পেস যেখানে বসে সে ভবিষ্যত পরিকল্পনা করবে বা কাজের ফাকে ফাকে অনেক সময় সৃষ্টিশীল কোন কিছু নিয়ে ভাববে বা কোন কিছু তৈরী করবে।মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে মেয়েরা একটা পারসোনাল রুম কে একটা স্বর্গ মনে করে থাকে। অফিসিয়াল পরিবিশে একজন বড় সড় কর্মকর্তার একটা মাষ্ট বি রুমের কোন বিকল্প নাই।

কিছূ অশিক্ষিত নিরক্ষর লোক আছে যারা চেয়ার টেবিলে বসে থাকতে পারলেই নিজেকে শিক্ষিত মনে করে থাকে- তেমনি আবার অনেক সুশিক্ষিত লোক আছে যারা চেয়ার টেবিলের অভাবে তাদের অনেক কাজ করতে পারে না। যারা অশিক্ষিত - শার্ট প্যান্ট পড়ে চেয়ার টেবিলে বসে থাকাকে ক্ষমতা মনে করে বা রুচিশীল মনে করে তাদের কে বুঝতে হবে যে শিক্ষিত মানুষের ক্ষমতাটা অন্য খানে। আমি এক জনকে চিনি যাকে মানুষ বলে পরিচয় দিতে ঘৃনা হয় বা যারা মানুষ নামের কলংক তাদের মধ্যে একজন- বয়স আমার কাছাকাছি ৪০/৪২ এর মতো- কোনদিন স্কুলে ভর্তি হয় নাই, কোন ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা নাই- কিন্তু সুন্দর করে কাপড়ের শার্ট প্যান্ট পড়বে এবং কাঠের চেয়ার টেবিলে বসে থেকে মনে মনে নিজেকে অনেক ক্ষমতাবান ভাববে আর বলবে এইটা আমার ক্ষমতা। সৃষ্টিকর্তার দুনিয়ায় নিজস্ব ক্ষমতা বলে কোন জিনিস নাই। ক্ষমতা এমন একটা ব্যাপার যা মানুষের জন্য প্রযোজ্য- অন্য কোন জাগতিক প্রানীর জন্য সেটা প্রযোজ্য না। অন্যান্য জাগতিক প্রানীদের জন্য সেটা এক ধরনের শক্তি বা বেচে থাকার শক্তি হিসাবে বিবেচিত।

আমি আরেক দালাল বা বাটপারকে চিনি যে নিজেকে এয়ারপোর্টের দালাল বলে পরিচয় দেয় সবখানে (যদি সেনাবাহিণী জানতো তাহলে হয়তো েপিটাইয়া তার ২০৬ জোড়া হাড্ডি ভাংগাইয়া ফেলাইতো) - সে ও অশিক্ষত, কুশিক্ষিত এবং কোন ভাবেই তার ভদ্র সমাজে বা ভদ্র সামাজিক  ব্যবস্থায় বসবাস করার যোগ্যতা নাই- সারাদিন নিজেকে স্মার্ট, সুন্দর এবং মাঝে মাঝে নিজেকে ক্ষমতাবানও বলে বসবে। খোজ নিয়ে দেখলাম সে স্কুলের গন্ডিও পার হতে পারে নাই। সে এয়ার পোর্টের দালালি করে একটা কোন রকম ২ তালা বিল্ডিং করেছে অন্য আরেকজনের জায়গা দখল করে (ভূমি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইটে দেখলাম তার নামে কোন জায়গা জমি নাই কিন্তু সে বলে সেই ২ তালা বিল্ডিং এর মালিক)। সেও সারা দিন এক রুমের ভেতরে বসে থাকে আর নিজেকে মনে মনে ক্ষতাবান মনে করে। 

এইটা সত্য কবর এক ধরনের অন্দকার ঘর। আমাদের দেশে বা বিশ্বের যে সকল দেশে কবর খোড়া হয় সেখানে ৪ কোনা একটা বক্সের মতো করে রাখা হয়। সেখানে কফিন নামানো হয় বা মুর্দাকে দাফন করা হয়।  কিন্তু জীবিতাবস্থায় মানুষ যে রুমে বসবাস করে সেটাকে লিভিং রুম বলে। আবার পড়াশোনার জন্য যে রুম সেটাকে রিডিং রুম বলে। যেখানে গুমায় সেটাকে বেড রুম বলে। আবার যেখানে বাহিরের বন্ধুদের নিয়ে বসে আড্ডা দেয়া হয় সেটাকে ড্রয়িং রুম বলে।  এক বেহায়ার সাথে একদিন কথা হলে সে বলতাছে- ড্রয়িং রুম কি জিনিস। তো আমি উত্তর দিলাম যে- যেখানে কোন ফ্ল্যাটে বা বাসা বাড়িতে যে রুমে বসে সবাই মিলে একসাথে বসে আড্ডা দেয় সেটাকে ড্রয়িং রুম বলে। তো সে উত্তরে বলতাছে আপনি ভুল বলেছেন? তো আমি বললাম সঠিক টা কি? তো বলতাছে- যে রুমে আকাআকি করা হয় সেটাকে ড্রয়িং রুম বলা হয়। আমি জিজ্ঞাসা করলাম- কি আকাআকি করলাম? বলতাছে যে কোন কিছু। সে জয় বাংলা পন্থী না - তো আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম স্বাধীনতা যুদ্ব চলাকালীন সময়ে বাংলায় যতো ফ্ল্যাট বা বিল্ডিং ছিলো এবং সে সকল বিল্ডিং এ যে সকল রুম ছিলো - সেগুলোতে দালাল/রাজাকার/পা ক হানাদার বাহিনী ঢুকে যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো আর সে সময় জয় বাংলা বলে শহীদ হয়ে যাওয়া বাংলার মা বোনেরা যে আর্ত চিৎকার আর তাদের রক্তের ছিটা ফোটা দিয়ে দেয়ালে যে রক্তের আল্পনা তৈরী করেছিলো প্রকৃতি- সেটাকে কি ড্রয়িং রুম বলা হয়? তখন সেই পা ক পন্থী (দালাল/রাজাকার মে বি) চুপ করে থাকলো। তো দেখলাম সে অশিক্ষিত  এবং সারাক্ষন রুমে বসে কুফরী কালাম টাইপের কাজ কারবার করে। তো তাকে বললাম তুই তো অশিক্ষিত- রুমে বসবাস করছ কেন? সে বলতাছে এইটা তার ক্ষমতা। আমি বলতাছি তোদের কারনে এই দেশের আরো যারা রুমে বসবাস করে তাদের নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট হয়- বিশেষ করে ছাত্র ছাত্রীদের। তুই তো একটা রুম কে ক্ষমতাবান মনে করছ- একটা মানুষকে না। কারন তুই তো মানুষই না বলে আমি মনে করি?

সারা বিশ্বের ১০- ৩০% মানুষ বিল্ডিং এ বসবাস করে থাকে। এবং তারা নিজস্ব উপার্জনে বসবাস করে থাকে। আমি যাদের কথা বললাম তারা কেউই রুমে বা বিল্ডিং এ বসবাস করার যোগ্যতা নাই। কারন তারা ভিক্ষুক সমাজে বসবাস করে থাকে-। সহজ বাংলিায় ভিক্ষা করে চলে। এর তার কাছে ধার দেনা- বা চাওয়া চাওয়ি করে চলে। স্কুলের ৫ ক্লাস ও পাশ করে নাই। তারা একসাথে বিল্ডিং এ বসবাস করে নিজেদেরকে স্মার্ট আধুনিক শিক্ষিত মনে করে থাকে কিন্তু বাস্তাবে তাদের কোন যোগ্যতা নাই। এই ধরনের লোকের জায়গা হলো নিশ্চিত বস্তি। কারন বস্তিতে অনেক গরীব ঘরের মানুষ অনকে কষ্ট করে বসবাস করে থাকে। তাদের সাথে থাকলে তারা তাদেরকে পিটাইয়া পাড়াইয়া রাখতে পারতো। 

বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন আইনে পুলিশ ভাড়াঠিয়া আইন পুরোপুরি কার্যকর হলে এই ধরনের লোকগুলোকে উচ্ছেদ করে যারা যার নিজস্ব জায়গাতে পাঠানো যাইতো। আমি বস্তির লোকদেরকে অসম্মান করতাছি না কিন্তু যারা বস্তি কোয়ালিটির তারা যদি বিল্ডিং এ ঢুকে পড়ে (মেধায় এবং মন মানসিকতায়- পোশাকা আশাকে বা কাপড় চোপড়ে না ) তাহলে তামা বিশ্বে বিল্ডিং এ বসবাস রত একটা সোসাইটির ঝামেলা হয়ে যাবে বা অন্তত তাদের শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা হবে-িএইটা নিশ্চিত বলে দেয়া যায়।

তাই অবিলম্বে ঢাকা সহ সারা দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনে পুলিশ ভাড়াটিয়া আইন কার্যকর করে যার যার অবস্থানকে সনাক্ত করে সবাইকে যার যার নিজস্ব যোগ্যত অনুযায়ী বসবাস করে সব গুলো সিটি কর্পোরেশন কে বসবাস যোগ্য করে ফেলাইতে পারে। আমি নিশ্চিত পুলিশ ভাড়াটিয়া আইন কার্যকর করলে সমাজের অনকে নামী দামী লোককে বিল্ডিং এবং ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে যাইতে হবে আমি যাদের কথা বললাম- তাদের ১০০% ই বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র নাই। আর থাকলেও ডুপ্লিকেট এবং ডুপ্লিকেট জাতীয় পরিচয়পত্র যাদের তাদের ভোটার রেজিষ্ট্রেশন তালিকাতে নাম খুজে পাবেন না। 

আমি ময়মনসিংহ শহরের যেখানে থাকি সেটা আমাদের স্থায়ী সম্পত্তি। আমি ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনে ডেমরা এলাকা থেকে পুলিশ ভাড়াটিয়া আইনের ফরম পিলাপ করি এবং সেখানে আমার ঠিকানা দেয়া থাকে এই ময়মনসিংহ এর লোকেশন। তারপরে মহানগর গোয়েন্তা পুলিশ আমার সকল তথ্য ভেলিফাই করে দেখে এবং ফাইনালি বলে যে আমি ভেরিফায়েড। আমার স্থায়ী ঠিকানায় চিঠি সেন্ড করে দেয়া হবে।সেই হিসাবে আমার ময়মনসিংহ শহরের বাসা/বিল্ডিং ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনে তালিকা ভুক্ত এবং ময়মনসিংহ এখন সিটি কর্পোরেশন। এই শহরে র অনেক কে দেখতাছি জাতীয় পরিচয়পত্র নাই ইভেন তাদের জমি জমার দলিল ও নাই। বূমি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইটে তাদের কোন জমি জমরা ঠিকানা খুজে পাওয়া যাইতাছে না। তাহলে কিভাবে একটি সিটি কর্পোরেশনের ইনফ্রাষ্ট্রাকচার গড়ে উঠবে? 

আমেরিকান ঈগল বা আমেরিকান জায়ান্ট দুইটাই আমেরিকার খুব বিখ্যাত পোশাক সেলার ওয়েবসাইট এবং কোম্পানী।

আমেরিকান ঈগল একটা পোশাক আউটফিট কোম্পানী যারা সারা বিশ্বে পপুলারলি বিভিন্ন ধরনের পোশাক সেল করে থাকে। ওয়েবসাইট ভিজিট করলে অনেক ধরনের আইডিয়া পাওয়া যাবে ডিটেইলস। 

পুরূষ এবং মহিলা উভয়ের জন্য অনেক ভালো ভালো কোয়ালিটির প্রোডাক্ট পাওয়া যায় যা আপনি সরাসরি ওয়েবেসাইট থেকে কিনে নিতে পারবেন। 


ইনষ্ট্রাগ্রামে তাদের ফলোয়ার দেখলে মাথাই খারাপ হয়ে যাবে। ৩.৬ মিলিয়ন ফলোয়ারস। 



A post shared by American Eagle (@americaneagle) on

 

We’re going WILD over our new loungewear! 🦓 or 🐆? https://www.ae.com/us/en/c/women/loungewear/cat730011?pagetype=plp

Posted by American Eagle on Friday, August 21, 2020


 



আমেরিকান জায়ান্ট ও আমেরিকার খুব বড় সড় এ্যাপারেলস এবং স্পোর্টস কোম্পানী। এইটা সান ফ্রানসিসকো তে অবিস্থত। আর আমেরিকান ঈগল এর হেড অফিস পেনসিলভেনিয়া তে। 

 

In mid-March, we converted our North Carolina factory from clothing production to sewing masks. We’re proud to be a part...

Posted by American Giant on Sunday, August 2, 2020


আমেরিকান রা অনেক সময় দানবের মতো হয় - লম্বায় প্রায় ৬ ফিট ৪ এবং ওজনে প্রায় ২০০ কেজি র মতো। সেরকম আমেরিকান দের কে অনেকে আমেরিকান জায়ান্ট বলে বা আমেরিকান দানব বলে। তার মানে এই না যে সে মানুষ না। তারা অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় বেশী লম্বা থাকে বলে তাদেরকে দানব হিসাবে ডাকা হয়। তাদের সামনে চায়নারা এক ধরনের পুটিশ এবং পিচ্চি বলেই ধরা হয়। আর ঈগল হইতাছে আমেরিকার জাতীয় পাখি।  আমেরিকান ঈগল দেরকে আবার গোল্ড এবং বাল্ড এই দুই ভাবে ভাগ করা হয়। এইটা আমেরিকার জাতীয় পাখি হবার কারনে এদেরকে অনেক সম্মানের চোখে দেখা হয় যেমন বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলোয়ার দেরকে সম্মান করে বাংলার বাঘ বলে অভিহিত করা হয় তেমনি আমেরিকাতেও যারা অনেক সম্মানের পাত্র- তাদেরকে আমেরিকান ঈগল বলে অভিহিত করা হয়। পশু পাখির জগতে আপনি যদি কোন আমেরিকান কে প্রশ্ন করেন যে আপনার প্রিয় পশু বা পাখি কি- সে অনায়াসে উত্তর দেবে আমেরিকান ঈগল- বাল্ট ঈগল। এই ঈগল অনেক সময়ে পোষ মানানো যায় এবং বহু দূরের শিকারকে ধরার জন্য ব্যবহার করা হয়। 



Friday, August 21, 2020

ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সার জগতে কাজের অভিজ্ঞতা।

SEOClerks

 আমি প্রথম দিন থেকেই ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং কাজের সাথে টুক টাক জড়িত। টানা ২০১১ সাল পর্যন্ত পার্ট টাইম করেছি ২০০২ থেকে  (পড়াশোনা, কাজ এবং চাকুরীর পাশাপাশি)  এবং ২০১১ সাল থেকে টানা এখনো পর্যন্ত শুধূ মাত্র এই কাজ ই করে নিজের হাত খরচ  এবং প্রকারান্তারে আরো কিছু খরচ চালিাইয়া যাইতাছি। অনেক গুলো মার্কেটপ্লেসে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে (অডেস্ক, ইল্যান্স এবং ফিভার বা আরো ২/১ টিতে কাজ করেছি এবং স্যাটিসফেকটরি লেভেলের উপার্জন করে তা খরচও করেছি)। ২০১১ সালে একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার ২/৩ টা মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট একসাথে হ্যাকড হয়ে গেছে এবং কয়েকবার চেষ্টা চরিত্র করার পরেও আর ফেরত পাইলাম না। খুব কষ্ট পাইলাম,মনও খারাপ হলো। কি করবো ভাবতাছি আর নতুন সাইট খুজতাছি নতুন করে আবার কাজ শুরু করার জন্য। পেয়ে গেলাম একদম সম্পূর্ন নতুন একটা মার্কেটপ্লেস- একেবারে আমার মনের মতো সব ফ্যাসিলিটিজ নিয়ে শুরু করে দিলাম পুরো দমে, নাম- এসইও ক্লার্ক। কয়েক মাস কাজ করার পরে যখন উইথড্র দেবো তখন দেখলাম পেপাল/পাইওনিয়ার এবং পেল্যুশন নামে তাদের নিজস্ব পেমেন্ট সিষ্টেম আছে- তাৎক্ষনিক ভাবে খুশীও হইলাম যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে তাদের সরাসরি সুইফট ট্রানজেকশন সিষ্টেম নাই কারন অলরেডী কয়েকটা বড় সড় ব্যাংক ডাকাতি(২০১১-১৪ সালে), ব্যাংক চুরি, লুটপাট এবং ডলারের রিজার্ভ চুরি সহ প্রাইভেট ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি বা ঘাটতি  এবং আরো নানাবিধ কারনে ফ্রি ল্যান্সারদেরকে ব্যাংক হ্যাকার ভাবা শুরু হলো। কয়েকজন প্রশ্নও করে ফেলাইলো- ফ্রি ল্যান্সার কি হ্যাকার নাকি? বুঝাইয়া বললাম ফ্রি ল্যান্সার রা হ্যাকার না। অনেকেই বুঝলো আবার অনেকেই বুঝেও না বোঝার ভান করলো। তো ভাবলাম বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে লেনাদেনা ছেড়ে দেবো যাতে সাধারন লোকজন আমাকে কোনো ভাবেই মিথ্যা মিথ্যি হ্যাকার না ভাবে ( আমি হ্যাকার বা হ্যাকিং এর হ ও জানি না)। আর সে হিসাবে এসইও ক্লার্ক আমার জন্য সুবর্ন সুযোগ নিয়ে আসলো আর সেই সাথে পরিচিত বড় ভাই বোন দের একটা ডলার এক্সচেন্জ কোম্পানীও পেয়ে গেলোম যার নাম পেপালবিডি বা পেমেন্টবিডি- যেখানে এসইওক্লার্ক থেকে পেপাল ডলার উইথড্র করে পেপালবিডি বা পেমেন্টবিডির সাথে ভাংগানো যায়। সো এইখানে আর বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যাইতে হয় না। পেমেন্ট বিডি বা পেপাল বিডির ও একটা নিজস্ব বিজনেস ভ্যালু আছে যেখানে আমি তাদেরকে চিনি প্রায় ২০০৬ সাল থেকে। 


কায়রো গনজাগরনের আন্দোলনের সাথে তাল মিলিয়ে ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশে বসে পেপাল ডট কম ওয়েবসাইট ওপেন করে লেনাদেনা করা যাইতো কিন্তু বাংলাদেশে ব্যাংকের সাথে কোন ধরনের লেনাদেনা করা যাইতো না মানে বাংলাদেশে বসে আপনি যে কোন দেশের পেপাল ডট কম ওয়েবসাইট লেনাদেনা বা সেন্ড মানি করতে পারবেন কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকে উইথড্র দেয়া যাবে না। শুনেছি কোন একটা খারাপ আশংকা প্রকাশ করে পেপাল ডট কম বাংলাদেশ ব্যাংককে পেপাল ডট কম ব্যবহারের অনুমতি দেয় নাই।  সো আমাদের জন্য আরো সুবিধা হইলো-কোন ভাবেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কানেক্টিভিটি রইলো না। তার আগে যখন অডেস্ক, ইল্যান্স বা ফিভারে কাজ করেছি তখন সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে পারসোনাল ব্যাংক একাউন্টে উইথড্র করেছি কিন্তু আমার এ্কাউন্ট গুলো হ্যাকড হয়ে যাবার কারনে পরে আর বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রাইভেট ব্যাংকে আর উইথড্র করতে সাহস পেলাম না কারন লোকাল বাংলাদেশী লোকজন কখন কোথায় কি বলে তার তো কোন গ্যারান্টি নাই ( বিভিন্ন চুরি বাটপারি, দুর্নীতি/২০১১/২০১২) মান সম্মান বাচাইয়া রাখা হলো প্রথম কথা।  আর একটা বড় সড় ব্যাপার খেয়াল করলাম- আমি অনেক রিয়েল ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করেছি- তাদের প্রজেক্ট কমপ্লিট করেছি এবং তাদের রিয়েল লাইফের ব্যক্তিগত অনেক ইনফরমেশন চেক করেছি এবং তাদের সাথে সোশাল মিডিয়াতে চ্যাট ও করেছি। তখন এতো কড়াকড়ি ছিলো না- ক্লায়েন্টের সাথে সোশাল মিডিয়া তে চ্যাট করলেও ক্লায়েন্টরা অলওয়েজ মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমেই পেমেন্ট দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতো। আমি প্রায় ২০০২ সাল থেকে এই ইন্ডাষ্ট্রি তে কাজ করে যাইতাছি কিন্তু ২০১১ সালের পরে যখন আমার সব মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট অফ হয়ে গেলো তখন আমি শুধু এস ই ও ক্লার্কেই রিয়েল ক্লায়েন্ট পাইতেছিলাম। তখনো আমাদের দেশে ক্রেডিট কার্ড ফ্যাসিলিটিজ ১০০% ওপেন হয় নাই। অনেক বাধ্য বাধকতা ছিলো- সহজে ওয়েবসাইটে এক্সেস করা যাইতো না বা  ব্যাপারটা অনেক দুর্লভ মনে হইতো। ২০১৫ সালে অডেস্ক বন্ধ হয়ে যাবার পরে বাংলাদেশে চালূ হলো আপওয়ার্ক। তাদের সব কিছুই আছে এবং এখানো বাকি ওয়েবাসাইট গুলো টিকে আছে (ফ্রি ল্যান্সার ডট কম, ফিভার ডট কম  বা আরো কিছু ওয়েবসাইট) কিন্তু রিয়েলিটির স্বাদ টা আর পাইতেছিলাম না সেই ওয়েবসাইট গুলোতে। আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আমার কাছে কেমন জানি খটকা লাগতে শুরু করলো এবং বুঝতে পারলাম ধীরে ধীরে রিয়েল ক্লায়েন্টরা মার্কেটপ্লেস ছাড়তে শুরু করেছে। এখণ আর তাদের ইনফরমেশনের সাথে ছবির মিল খুজে পাওয়া যায় না বা মধ্যস্বত্তভোগী/দালাল চক্রের মতো অনেক মধ্যম পন্থার এজন্সী বা ব্যক্তি দাড়া হইয়া যাইতাছে। তো সেই হিসাবে ফরেনার ক্লায়েন্টরা ব্যক্তিগতভাবে কাজ দেয়ার প্রস্তাব শুরু করলো এবং আমিও সরাসরি কাজ করতে ইন্টারেষ্টেড হইলাম। মার্কেটপ্লেসগুলোতে সরাসরি লিখে দেয়া থাকতো জব পোষ্টিং গুলোতে- বাংলাদেশীরা আবেদন করতে পারবে না। ফলে আস্তে আস্তে সেখানে নিজের উপস্থিতি কমাইয়া দিলাম এবং ব্যক্তিগতভাবে ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ কমপ্লিট করে পেমেন্ট নেয়া শুরু করলাম। সব গুলো পেমেন্ট মেথডই এখনো টিকে আছে শুধু এলার্ট পে ছাড়া। 

তো পারসোনালি কাজ করতে যাইয়া মোটামুটি ভালো একটা স্কোপ পাইলাম- পারসোনাল সোশাল মিডিয়া ফ্রেন্ডসরা কাজ দিতে শুরু করলো আর পেমেন্ট ও নেয়া শুরু করলাম পেপাল ডট কম বা স্ক্রিল ডট কম বা ওয়েব মানি ডট কম বা পারফেক্ট মানি ডট কম বা আরো কিছু পেমেন্ট গেটওয়ে নিয়ে। মাঝে মাঝে জোর দাবী জানানো হলো পেপাল বাংলাদেশে চালূ করার জন্য কিন্তু তারা সেটা চালূ না করে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিজনেস সেকসানে পেপালে বাংলাদেশের নাম এড করে দিলো। সেইভাবে বিভিন্ন দেশে পেপাল ডট কম এ নিজের নাম, পিতার নাম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করে ব্যবহার করা শুরু করে দিলো অনেকে। অনেকে আবার ফেইক নাম এবং পরিচয় দিয়ে পেপাল ডট কম একাউন্ট তৈরী করে ডলার লেনাদেনা শুরু করে দিলো- ইমেইলের মাধ্যমে ডলার লেনাদেনার ব্যাপার চালূ থাকার কারনে ফেইক নাম অর রিয়েল নাম সেইটা খুব বেশী দরকারি ছিলো না। তবে ভালো অংকের এমাউন্ট হইলে পেপাল সরাসির ভেরিফিকেশনে সেন্ড করে দিতো। তবে মার্কেটপ্লেস থেকে উইথড্র, ফরেনারদের কাছ থেকে পেমেন্ট রিসিভ করা- এই সকল ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা দিয়ে থাকে পেপাল ডট কম। সেগুলো আবার সেল করে দেয়া যাইতো লোকালি। যেহেতু পেপাল ওয়েবসাইট বাংলাদেশ থেকে ওপেন হওয়া শুরু করেছে সেহেতু পেপাল ডট কম একাউন্ট যে কোন ভাবে ওপেন করে সেখানে ডলার লেনাদেনা করার মাধ্যমে অনেকেই ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং করে যাইতাছে। যে যে ভাবে বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করা যায়:

১) যে কোন ডিটেইলস দিয়ে পেপাল ডট কম একাউন্ট ওপেন করে পারসোনালি লেনাদেনা করা (একজন আরেকজনের সাথে- পেপাল সেন্ড মানি অপশনের মাধ্যমে)। 

২) সাইপ্রাস বা যে কোন দেশের বিজনেস সেকাসনে বাংলাদেশের সকল ইনফরমেশন দিয়ে বিজনেস সেকাসনে পাইওনিয়ার ব্যাংক অফ আমেরিকা ডিটেইলস ব্যবহার করে ভেরিফাই করে লেনাদেনা করা। 

৩) পরিচিত যারা দেশের বাহিরে থাকে তাদেরকে দিয়ে পেপাল ডট কম একাউন্ট ওপেন করা এবং তাদের কাছ থেকে একাউন্ট ডিটিইলস নেয় সেটা ব্যবহার করা। 

৪) যারা বিভিন্ন দেশের নাগরিক তাদের নাগরিকত্ব ইনফরমেশন ব্যবহার করে ভেরিফায়েড পেপাল ডট কম একাউন্ট ওপেন করে তা ব্যবহার  করা। 

৫)  যে সকল ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করা হয়ে থাকে তাদেরকে বলে কয়ে পেপাল একাউন্ট ওপেন করে সেটা ব্যবহার করা বা তাদের একাউন্টের এক্সস নেয়া আলাদা ইমেইল আইডি ব্যবহার করে। ক্লায়েন্টের পেপালে বা যে কোন পেপালে কয়েকটা ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করে এড করা যায়। 

ফেইক এড্রস দিয়ে পেপাল ব্যবহার করার ব্যাপারে প্রথমে বাংলাদেশ হাই কোর্টের একজন আইনজীবির সাথে কথা বললাম এবং তিনি বললেন যে - তার পাইওনিয়ার ভেরিফায়েড পেপাল একাউন্ট ব্যবহার করার জন্য এবং ফেইক ডিটিইলস দিয়ে একাউন্ট ওপেন করে ব্যবহার করলে কোন সমস্যা হবে না কারন এইখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন লস নাই আর বাংলাদেশে পেপাল ডট কম ওয়েবসাইট ও ওপেন হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে পেপাল ডট কমের কোন লেনাদেনা হয় না  এবং বাংলাদেশে  কোন ব্যাংকেও উইথড্র করা যায় না।  আরো শিওর হবার জন্য আমার এক ক্লায়েন্ট আমেরিকান সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি কে জিজ্ঞাসা করলাম- তো উনি বললো তোমার একাউন্টে যদি ডলার এড হয় এবং তুমি যদি কেনাকাটা করতে পারো তাহলে তেমন কোন সমস্যা নাই। তুমি চাইলে ব্যবহার করতে পারো কারন তুমি যেভাবেই ব্যবহার করো না কেনো সেখানে পেপাল ডট কমের লাভই হবে অলওয়েজ। তারপরেও সবময় চিন্তা করেছি ১০০% ভেরিফায়েড পেপাল ডট কম একাউন্ট ব্যবহার করবো এবং অনেক চেষ্টার পরে এখন আমার এক ক্লায়েন্টের করে দেয়া ১০০% ভেরিফায়েড পেপাল ডট  কম একাউন্ট ব্যবহার করে থাকি বিগত কয়েক বছর যাবত। 

 মার্কেটপ্লেসের বাহিরে পারসোনাল ক্লায়েন্টর সাথে কাজ করার  অভিজ্ঞতা: ০১

একজন অনারেবল ক্লায়েন্ট মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে ছিলেন অনেকদিন এবং তার সেই জেলে যাবার নিউজটা লোকাল পেপার ছাপা হয়ে যায় ক্যালিফোর্নিয়া তে। তিনি আমার ফেসবুক বন্ধু হলেন বের হয়ে আসার পরে এবং আমার সব ডিটেইলস চেক করার পরে বললেন- তার রেজাল্ট গুগল ডট কম সার্চ রেজাল্ট পেজ থেকে সরাইয়া দেবার জন্য। আমি হোয়াইট হ্যাট এসইও পলিসি ব্যবহার করে ৭-১০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট টা ১০ পাতার পরে সরাইয়া দিলাম এবং উনি ভয়াবহ খুশী হলেন এবং আমাকে পেপাল ডট কমে পেও করলেন। আমার অনেক ভালো লাগলো। পরবর্তী কালে উনি আমার জন্য অনেক উইশ করেছেন।

অভিজ্ঞতা: ০২: এর পরের আরো এক বন্ধু আমিরেকিার সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি। হেভি গর্জিয়াস ফিমেল মানে অনেক বড় লোক। একদিন মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর কারনে সে পুলিশে ধরা খায় এবং আমাকে বলে যে সে নিউজটা লোকাল নিউজে ছেড়ে দিছে এবং সেটা গুগলে দেখাইতাছে। আমাকে সেটা সরাইয়া দিতে হবে। ১০-১৫ দিন কাজ করলাম, কিছূ এসইও পলিসি এপ্লাই করলাম এবং রেজাল্ট টা দূরে সরে গেলো। তখন সে ভয়াবহ খুশী হলো এবং আমি তার দেওয়া পেমেন্ট পাইয়া হতবাকই হলাম বলতে গেলে - ১০০ ডলারের কাজে উনি ২০০-২৫০ ডলোর পেমেন্ট দিতো। তার বাবার সাথে একদিন ভিডিও চ্যাট করাইয়া দিলো এবং অনেকক্ষন কথা বললাম। উনি ভিয়েতনাম যুদ্বে আমেরিকান নৌ বাহিণীর সদস্য ছিলেণ । খুবই খুশী হলেন ্এবং অনেক উইশ করলেন এবং ২ দিন পরেই মারা গেলেন। উনি মারা যাবার পরে আমার  সেই ফিমেল ক্লায়েন্টর সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব হয় এবং তিনি আমাকে টানা ২ বছর কাজ করান  এবং উনি ফ্রি ল্যান্সার আইনজীবি ছিলেন। এইখানে আমি একটা শিক্ষা পেয়েছিলাম - ক্লায়েন্ট ডিটেইলস কখনো কারো  সাথে শেয়ার করতে হয় না। আমি শেয়ার করার কারনে উনার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে কে বা কারা যেনো খারাপ ছবি পাঠায় এবং তার জন্য উনি ভীষন মাইন্ড করে বসে এবং আন্তর্জাতিক ভাবে অভিযোগ করে বসে যারা পিকচার সেন্ড করে তাদের বিরুদ্বে। উনি আমাকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে বলে- আমার প্রতি তিনি সন্তুষ্ট কিন্তু আমার উচিত হয় নাই তার ডিটেইলস শেয়ার করাটা। এখনো সে আমার বন্ধু এবং আমার বিরুদ্বে সে কোনো অভিয়োগ করে নাই বলে আমাকে এশিওর করে। বরঞ্চ এখনো প্রায়শই নতুন নতুন কাজের অফার দেন এবং  সুযোগ পাইলে করেও দেই। 

তো এরকম হাজারো অভিজ্ঞতা আছে হাজারো ক্লায়েন্টর সাথে আর এখনকার সময়ে মার্কেটপ্লেস গুলোতে যখন সেলার রা বা ওয়ার্কার রা কাজ করে আর তাদেরকে জিজ্ঞাসা করি যে- তোমাদের ক্লায়েন্টরা দেখতে কেমন বা তাদের ডিটইলস কি বা তাদের সাথে কি কোন কথা হয়- তখন তারা মুখ পুছে বলে দেয় যে তারা তো জানে না  ক্লায়েন্ট কেমন বা কি তাদের ডিটইলস? তখনি বুঝতে পারি এখনকার প্রজন্মে উপার্জন আছে- হয়তো একেকজনের একাউন্টে  ১০/১২ হাজার ডলারও জমা পড়ে আছে কিন্তু তারা একটা জিনিস জানে না সেটা  হইতাছে- ভালো কাজের সুবাদে ক্লায়েন্ট লাভ। সরাসরি ক্লায়েন্টর সাথে যোগাযোগ বা স্কাইপে ডিসকাসন, ভিডিও ডিসকাসন করে কাজ বুঝে নেয়া, সরাসরি মোবাইলে কথা বলা বা হোয়াটস এ্যাপে কথা বলে কাজ নেয়া বা ভিভারে কথা বলা ডিসকাসন করা এদেরকে আমরা রিয়েল লাইফের ক্লায়েন্ট বলে থাকি। 




আমার প্রায় এই মুহুর্তে চলে এরকম ১০০০+ কাজ জানা আছে এবং আমি এখন অনেক কম কাজ করে থাকি কিন্তু পরীক্ষামুলক ভাবে ২ বছর ফ্রি ল্যান্সার ডট কমে একাউন্ট ওপেন করে বসে থেকে প্রায় ২০০ কাজের আবদেন করেও একটাও কাজ পাই নাই। অথছ এসইওক্লার্কে প্রায় ১০/১২ হাজার ডলারের রেভিন্যু আছে এবং এখন পারসোনাল ইকমার্স সাইট নিয়ে কাজ করে থাকি এবং কোন প্যারাও উপভোগ করি না।  এডিশনালি আছে- এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম। আরো ডিটেইলস দেখতে চাইলে নীচের ভিীডও টিউটোরিয়াল টি পার্ট ০১ থেকে পার্ট ০৬ পর্যন্ত দেখেন এবং আপনার মার্কেট প্লেসে জয়েন করে এক টাকাও খরচ না করে উপার্জন শুরু করতে পারবেন। বেহুদা কোন বিড কিনতে হবে না। আমার মতে বর্তমানে মার্কেটপ্লেসে রিয়েলিটি অনেক কমে গেছে। চাইলে আমি বা যে কেউ আপনাকে মার্কেট প্লেসে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে হায়ার করে বড় অংকের কাজ করাইতে পারি। পরে সটো আবার আপনি বাংরাদেশ ব্যোংকে সুইফট ট্রানজেকশনের মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেনও ফরে সেখানে সন্দেহের একটা অবকাশ থেকে যাইতাছে। সেই  ক্ষেত্রেে এসইওক্লার্কে কাজ করার একটা মেইন বেনিফিট হইতাছে সরাসরি বাংলাদেশ ভ্যাংকের মাধ্যমে আপনি সুইফট ট্রানজেকশন করতে পারবেন না কারন তাদের সে সিষ্টেম টা নাই এবং এই কারনে তারা এখন সেরা বলা যায়া প্রায় ১০ লক্ষের ও বেীশ ফ্রি ল্যান্সার রা কাজ করে যাইতাছে এইখানে এবং নাম টা শূনে ভঢ়কে যাবার কিছু নাই। এইভানে আপনি যে কোন সেকাসনেরই হোন না কেনো কাজ করে ডলার উপার্জন করতে পারবেন। একবার ফ্রি রেজিষ্ট্রেশ কররে আটটা মার্কেটপ্লেসের সদস্য হইতে পারবেণ। 

SEOClerks

Thursday, August 20, 2020

ব্লগার এবং নাস্তিক ব্লগার, ব্লগার রেভিন্যু বলতে কি বোঝেন?

শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ সালের প্রেক্ষাপটে (গনজাগরন সংঘটিত হবার দিন সাতেক পরে) একটি নাম সারা দেশে খুব দ্রুত ছড়াইয়া পড়ে যার নাম হইতাছে নাস্তিক ব্লগার (বাংলাদেশের সাধারন মানুষকে ভড়কে দেবার একটা পদ্বতি)। শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ কে পরিকল্পিতভাবে নস্যাৎ করার জন্য (আমি ইন্টারনেটে দেখে তাই বুঝেছি) একটি ব্লগ কে নাস্তিক ব্লগ আখ্যা দিয়ে সারা দেশে গুজব রটাইয়া দেয়া হয় যে এইখানে নাস্তিক ব্লগারদের সম্মেলন বসেছে (বাস্তবে জয় বাংলা পন্থীদের সম্মেলন বসেছিলো যাদের প্রধান দাবী ছিলো দেশের সকল দালাল রাজাকার দের প্রকাশ্য দিবালোকে ফাসি দেওয়া)। এই পৃথিবীতে যদি কেউ নাস্তিক হয়ে থাকে তাহলে সে সেটা করে থাকবে ধর্মের সামনে/ধর্মীয় মানুষজনের সামনে কারন সে নিজেকে ধর্মীয় নাস্তিক মনে করে সেই কথা গুলো বলবে কিন্তু আদতে নাস্তিকদের কোন ভ্যালূ নাই। সারা দেশের দেশবেরাধী দালাল রাজাকার এবং তালিকাগ্রস্থ রাজাকারদের যেনো সহজে ফাসি না হয় সে জন্য বোধ করি এতো বড় একটা ব্যাপার (মিথ্যা প্রেপাগান্ডা- নাস্তিক) শাহবাগ গনজাগরন থেকে সারা দেশে ছড়াইয়া দেয়া হয়- আদতে শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩ ছিলো সারা দেশের রাজাকারদের ফাসির দাবীতে একটা আন্দোলন- এইখানে কোন ধর্মীয় আন্দোলন হয় নাই যে এইখান থেকে কোন নাস্তিকতা ছড়াইয়া দেয়া হবে । সারা দেশের মুক্তিকামী মানুষ আশায় যখন বুক বেধেছে তখনি পরিকল্পিতভাবে একটি চক্র এই ধরনের একটা গ্যানজাম সারা দেশে ছড়াইয়া দিয়ে (বেনেফিট আদায়ে মাঠে নেমে পড়ে) যেনো আমরা একসাথে সারা দেশের সকল দালাল রাজাকারকে প্রকাশ্য দিবালোকে ফাসি না দিতে পারি। এইখানে যারা ব্লগার ছিলো (অনেককে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি- তারা ছিলো সব প্রজন্ম ব্লগার)। প্রজন্ম ডট কম বা ব্লগ ডট প্রজন্ম ডট কম এই রকম একটা ওয়েবসাইট যে যা মনে চায় তা লিখতো আর থানা শাহবাগের আড্ডা (রাজধানী  ঢাকা শহরের আরো অন্যান্য খানেও আড্ডা হতো) তে সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করতো। আরো কয়েকটা ব্লগ ছিলো- যার নাম ছিলো সামহোয়ার ইন ব্লগ ডট নেট বা আরো কিছু। কিন্তু কখনোই কাউকে শুনি নাই যে বলতাছে যে- ভাই আমি একজন গুগল ব্লগার। গুগল ব্লগার মূলত ব্লগার ডট কম। (blogger.com) 

ব্লগ বলতে সাধারনত ডায়েরী কে বোঝানো হয়। অনলাইন ডায়েরী বা ডিজিটাল ডায়েরী। আপনার প্রতিদিনকার রোজ নামচা বা যে কোন বিষয়ে আপনি নিয়মিত লিখতে থাকলে সেই স্পেসটাকে আপনি ব্লগ বলে পরিচয় দিতে পারেন। আর যদি অনেকে মিলে একটা ওয়েবসাইটে লিখে থাকেন তাহলে সেটাকে ব্লগার কম্যুনিটি বলে থাকতে পারেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে শাহবাগ গনজাগরনে ঢাকা তে উপস্থিত থাকি নাই। অনেকটা দেশে যুদ্ব শুরু হয়েছে কিন্তু আমি উপস্থিত নাই সেরকম আর কি? তবে আমি ২৫ শে অক্টোবর ২০১২ সাল পর্যন্ত শাহবাগে রেগুলার যাওয়া আসা করতাম বা সমমনা মানুষের সাথে আড্ডা ও দিতাম এবং ২০১৩ সালের ১৪ ই ডিসেম্বর কসাই কাদেরর ফাসি কার্যকর হবার পরে উপস্থিত হই। অনেকটা দিগ্বিদিক বিজয়ের মতো- কিন্তু আমি তো জানি আমি কতোটা কেলাসের মতো কাজ করেছি কারন আমি মূল যুদ্বে উপস্থিত ছিলাম না - মূল রঙ্গ মঞ্চে। কিন্তু আমি সারা দেশের জেলা সদরে ক্যাম্পেইন গুলোর অংশ হিসাবে ময়মনসিংহ গনজাগরনে উপস্থিত ছিলাম। এখানে থেকেই আমরা সারা দেশে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করি- শাহবাগের সাথে সম্মতি জ্ঞাপন করে থাকি এবং শাহবাগ গনজাগরনের আন্দোলনের সাথে সাথে নিজেকে জড়িত রাখি। কিন্তু আমি যখন ফেসবুকে দেখি যে- কেউ একজন বলতাছে যে নাস্তিক একটা ব্লগ শাহবাগ থেকে ছড়াইয়া দেয়া হয়েছে- তখনি আমি বূঝতে পারি যে আন্দোলনের গতি পথ কে ভিন্ন দিকে ঘোরানোর জন্য এ প্ল্যান ফাটানো হয়েছে। কারন আমরা দেশদ্রোহীদের ফাসির দাবীতে সারা দেশে একসাথে হয়েছি (যা ১৯৭২ সাল থেকে কেউ করে দেখাতে পারে নাই)। সারা দেশের তালিকাগ্রস্থ রাজাকার এবং দালাল দেরকে একসাথে ঝুলাইয়া দেবো - সেই জন্য একসাথে দাড়িয়েছি কিন্তু এইখানে এমন একজনের নামে এই প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হলো যে- তার নামে নামাংকিত একটি ফেসবুক আইডি থেকে আমাকে ম্যাসজে দিয়ে জানানো হয়েছিলো যে - একদল লোক পরিকল্পিতভাবে একটা নাস্তিক ব্লগ তার ম্যাসেজ বক্সে দিয়ে দিয়েছে, সে নিজে থেকে এইটা লিখে নাই। তো আমি উত্তরে বললাম- ব্যাপারটা পরিকল্পিত হতে পারে। আপনি দয়া করে আপনার বন্ধুদের সাথে ব্যাপারটা শেয়ার করেন বা কাছের মানূষদেরকে জানাইতে পারেন কারন যেহেতু আপনি বলতাছেন যে আপনি নিজে লিখেন নাই- সেহেতু আপনি হয়তো বন্ধুদেরকে জানিয়ে রাখলে পরে কোন ঝামেলা হলে উপকার পাবেন। তো আমি বললাম আপনি কি সেই ব্লগ টা পড়েছেন? বলতাছে যে হ্যা ভাই ওপেন করেছিলাম? তো আমি বললাম যে কেউতো আপনার নামে ব্লগ লিখে ছড়াইয়া দিতে পারে। সো আপনি আর এইটা নিয়ে তেমন কিছু বইলেন না। আমিও ওয়েবসাইট এড্রস টা ওপেন করে দেখলোম যে সেখানে আমাদের মুসলিম ধর্ম বিরোধী কিছূ কথা লিখা আছে। ১/২ লাইন পড়ে বন্ধ করে দিলাম এবং সাথে সাথে তওবা পড়ে নিলাম। 

আসলে ব্লগার ডট কম ব্যাপারটা চালু হয় ২০০৬ সালে। আমি ২০০৬ সালে আমাদের বাসা ময়মনসিংহে বসে থেকে প্রোগ্রামিং চর্চা করতাম। সেই সময় আমি একদিন ইনভাইটেশন পাইলাম ক্যালিফোর্নিয়া তে অনুষ্টিতব্য একটা প্রোগ্রামে লাইভ ক্যামেরার মাধ্যমে জয়েন করা জন্য। আমি সেই ইনভাইটেশন একসেপ্ট করলাম এবং লাইভ ক্যামেরা প্রোগামে জয়েণ করলাম। আর ১০ জনের মতো আমিও সাজেসনস দিলাম, ছোটো খাটো  প্রোগামিং ২/১ টা করে দেখালাম অনকেটা ইয়াহু লাইভ চ্যাট রুমের মতোন। তার কয়েকদিন পরেই ব্লগার ডট কমে বিশ্বে ওপেন হলো। ব্লাগর ডট কমের মেইন ফ্যাসিলিটিজ হলো যে - এইটা আনলিমিটেড হোষ্টিং দেয় যে কাউকে। একটা জিমেইল এড্রেস দিয়ে আপনি একটা জিমেইল ব্যবহার করে  প্রায় ৯৯ টা ব্লগ ওপেন করতে পারবেন। এইটা গুগল ডট কমের একটা ফ্রি সুবিধা। এইখানে  আপনি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সকল কাজ করতে পারবেন।  মুভি বা পিকচার আপলোড করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি গান অডিও বা এমপিথ্রি আপলোড করতে পারবেন। অনকে অনেক কিছু এড করতে পারবেন। একধরনের রোজনামচা বা ডায়েরীর মতোন। গুগল ডট কমের যে ব্যবসা হয় সেখান থেকে তারা এই প্রফিট টা শেয়ার করে আনলিমিটেড হোষ্টিং এর মাধ্যমে। সম্প্রতি ব্লগার ডট কমের টোটাল ইনটার ফেস পরিবর্তন করা হয়েছে। 

এখন ব্লগার ডট কম (blogger.com) একটা ওয়েবসাইট এড্রেস । একটা ওয়েবসাইট বা ব্লগ এড্রেস কি কখনো নাস্তিক হতে পারে? একটা ওয়েবসাইট এড্রেস তো একটা অবজেক্ট। একটা অবজেক্ট কি কখনো জান্নাতে যাবার জন্য বিবেচিত হবে বা হতে পারে? পবিত্র কোরানে বা ইন্জিলে বা যবুর বা তাওরাত বই সহ অন্যান্য সহিফা তে যে সকল পশু পাখির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকেই কাল হাশরের দিন উপস্থিত থাকবে। মানুষ এবং জিন ছাড়া তো পৃথিবীর আর কাউকে সৃষ্টিকর্তা জান্নাত যাবার জন্য মনোনীত করে নাই। আর একটা ওয়েবসাইট এড্রেস কে নাস্তিক বলে আখ্যা দিয়ে দিলো। 

একটা ওয়েবসাইট এড্রেস কোথা থেকে ওপেন করা হয়েছে , কোন অপারেটিং সিষ্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, কোন ইন্টারনেটে ব্যবহার করে ওপেন করা হয়েছে এবং কোন দেশ থেকে কয়টার সময় ওপেন করা হয়েছে এইগুলো সব রেকর্ড ব্লগার ডট কমের ডাটাবেজে রেকর্ড করা আছে। যার নামে নাস্তিক ব্লগ খোলা হয়েছিলো তার বাসা ছিলো কালসী- বনানীর কাছে বা তুরাগ থানার কাছে । আর যেখান থেকে নাস্তিক ব্লগটা ওপেন করা হয়েছে তার বাসা ছিলো ঝিগাতলা- ধানমন্ডি তে। যারা লিখেছে তারা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড পেজ ওপেন করে লিখেছে- পরে শুধু ব্লগার ডট কমে আইসা কপি পেষ্ট করেছে। অল ডিটেইলস আরো বিস্তৃত ভাবে রেকর্ড আছে ক্যালিফোর্নিয়া সিলিকন ভ্যালিতে। এই দুইটা তথ্য তাৎক্ষনিক ভাবেই ইন্টারনেট বা ফেসবুক ফিড থেকে জানতে পারি। সো বুঝতে পারি গভীর একটা গেম খেলা হয়েছে গনজাগরন কে বানচাল করার জন্য। যাই হোক এইটা ছিলো শাহবাগ গনজাগরনের জন্য একটা আঘাত যার কারনে বিচার কাজ ডিলে হইতে হইতে আজকে এতোদূর। পরিকল্পিতভাবে রাজাকার বা দালালদেরকে বাচাইয়া নিয়ে যাবার একটা চেষ্টা বলে আমি মনে করি। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় নাই- ফাসি কার্যকর হয়েছে কসাই কাদের, নিজামী সহ আরো কয়েকজেনর যাদের ফাসির দাবী ছিলো বিগত ১৯৭২ সাল থেকে- তরুন প্রজন্মের জন্য ১৯৯০ সালের গন আন্দোলনের পর থেকে। প্রত্যেকটা আন্দোলনের কিছু ত্যাগ তিতিক্ষা থাকে। শাহবাগ গনজাগরনের আন্দোলনরে  ত্যাগ তিতিক্ষা অনেক বেশী। সো থানা শাহবাগে অনুষ্টিত জয় বাংলার গনজাগরনে যারা অংশ গ্রহন করেছে তাদের মধ্যে এখণ পর্যন্ত প্রায় ৩৫-৪০ জন হত্যা করা হয়েছে। ১৯৯০ সারেল গনজাগরনে মারা গেছিলেন একজন শহীদ নূর হোসেন- বুকে পিঠে সেই বিখ্যাত স্লোগান লিখে-”স্বৈরাচার নিপাত যাক- গনতন্ত্র মুক্ত হোক “।সেই একজন নূর হোসেনের রক্তের বদলে আজকে ৩০ বছর- গনতন্ত্র আজ ভূলুন্ঠিত। তাহলে স্বীকৃত আন্দোলন- সফল আন্দোলন শাহবাগ গনজাগরনের আত্মা হুতি দানকারী মানুষের সংখ্যা অনেক - তাদেরকে আগামী কতো বছর গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দ্বায়িত্ব এবং কর্তব্য গ্রহন করতে হবে বা হতে পারে। শাহবাগ গনজাগরনে অংশগ্রহন কারী প্রত্যেকটা মানুষ শিক্ষিত। তাদের এখন কয়েকটা রাজনৈতিক দল আছে- তারা সবাই গ্রাম বাংলার সন্তান। তাদের হাতে দেশ ও জাতি নিরাপদ। অন্তত এদেশের মানুষকে তারা ৫০ টাাক কেজি তে চাল খাওয়াবে না- কারন সেই গরীব দুখী প্রজন্ম টা তাদের বাবা দাদাদের প্রজন্ম। আবার তারা সবাই বিশ্ববিধ্যালয়, পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স /মাষ্টার্স কমপ্লিট তাহলে এই ধরনের একটা শিক্ষিত প্রজন্মের হাতে দেশের পরবর্তী  একশো বছর ছাইড়া দিতে সমস্যা কি- বুঝি না। 

আপনি যদি ব্লগার ডট কমে ছবি আপলোড না করে, বাংলা না লিখে , মুভি আপলোড না করে , এডসেন্স কন্টেন্ট মনিটাইজেশন না করে, গান আপলোড না করে হঠাৎ করে নাস্তিক ধর্মী কিছু কথা লিখে দেন তাহলে সেটা তে ব্লগার ডট কমের কোন ক্ষতি হবে না। কারন আপনি কথাটা লিখেছেণ বাংলাতে আর ব্লগার শব্দটা ইংরেজীতে। আর এই বিশ্বে প্রায় ৪৫ কোটি ব্লগার আছে, ব্লগ আছে ১০০ কোটির ও বেশী, পৃথিবীর প্রত্যেকটা ওয়েবসাইটের পারসোনাল ব্লগ আছে যেখানে তারা ওয়েবসাইটের ডাটা রেগুলার হাল নাগাদ করে থাকে। আর ব্লগার ডট কমে উপার্জনের সুযোগ ও আছে। আনলিমিটেড হোষ্টিং ফ্যাসিলিটিজ ব্যবহার করে ব্লগার ডট কমে নিয়মিত লেখালেখি করে (যে কোন ভাষাতে) যেনো কেউ ডলার বা রেভিনিউ উপার্জন না করতে পারে সেজন্য এই পরিকল্পিত চক্রান্ত করা হয়েছে বলে আমি মনে করে থাকি। বাংলাদেশে এখণ কোটির ও উপরে ব্লগ আছে আর প্রচুর পরিমানে মানুষ আছে যারা ব্লগার কমুনিটির সদস্য এবং নিয়মিত ব্লগ লিখে গগুল ইনকরপোরেশন থেকে ভালো অংকের অর্থ প্রতি মাসে উপার্জন করে থাকে। যদি কেউ ব্লগে ধর্মবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কথা লিখে থাকেন তাহলে তার জন্য বাংলাদেশে নতুন আইন আছে। আপনি যদি মনে করে থাকনে কেউ নাস্তিক বা দেশদ্রোহী কোন কথা লিখাতছে তাহলে সেটা আপনি নিকটস্থ র‌্যাব পুলিশকে কল দিয়ে জানাতে পারেন। তাদের কাছে সিষ্টেম আছে যেটাতে তারা যে কোন ব্লগ পোষ্ট মুছে দিতে পারেন। 


শুধু শুধূ বেহুদা বা অযথা সমাজে বা সমাজ ব্যবস্থায় ব্লগারদের কে নাস্তিক আখ্যা দিয়ে বেনিফিট আদায় করার চেষ্টা করাটা ঠিক না। মানুষ জন অশিক্ষিত না। সবাই জানে যে একটা ওয়েবসাইট এড্রস কখনো নাস্তিক হতে পারে না। পরিশেষে বলতে পারি দেশে আইন আছে। আইন মোতাবেক নাস্তিক ব্লগারদের ফাসির দাবী জানানো আছে এবং আর যেনো কেউ এ ব্যাপারে কোন ধরনের খারাপ কথা না লিখে সে জন্য আইন পুলিশ সদা সতর্ক আছে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের কে সকল ধরনের নাস্তিকদের হাত থেকে রেহাই করেন। 

আমার খোদাই  কাল হাশরের দিন জানাইয়া দিবেন কে কে নাস্তিক আর কে কে আস্তিক? যে মানুষ স্বেচ্চায় স্বজ্ঞানে স্ব ইচ্ছায় সৃষ্টিকর্তা এবং মুসলিম বা যে কোন নবীজির ধর্মের বিরোধিতা করে লিখবে তাকেই আপনি নাস্তিক বলে আখ্যা দিতে পারেন- এখন যদি সে লেখালেখি করার জন্য ব্লগার প্লাটফর্ম কে ব্যবহার করে, তাহলে তাদেরকে অনেক সময় নাস্তিক ব্লগার বলে ফেলেন কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক না। এইখানে ব্লগার ডট একটি আমেরিকান কোম্পানী। সো তার কোন দোষ আপনি দিতে পারবেন না। আপনি বরঞ্চ বলতে পারেন যে লোকটা নাস্তিক লেখক বা নাস্তিক বিষয়ে লেখালেখি করে থাকে। আমি এইখানে কাউকে এই ধরনের লেখা লিখতে নিষেধ করি কারন প্রথমত এইটা ধর্মীয় নিষেধ। এই বিশ্বে প্রায় ৬০০ কোটি + মানুষ  আছে, মূলত ০৩ ধর্মে  বিশ্বাসী ইহুদি, খ্রীষ্টান এবং মুসলিম। সো একজন নাস্তিকের কোন দামই নাই পৃথিবীতে- তাকে পৃথিবীর শতকরা ৯৯.৯৯% মানুষই ঘৃনা করবে এবং বর্ত মানে বাংলাদেশে আইন আছে- মিনিমাম ৭ বছরের জেল হতে পারে যদি কেউ ধর্মবিরোধী কথা লিখে থাকে- আর সাথে সাথে সেটা ডিলেট করে দেবার সিষ্টেম ও আছে বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের কাছে বা আইন পুলিশের কাছে। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে সকল ধরনের নাস্তিক এবং তাদের নাস্তিকতার হাত থেকে রেহাই বা হেফাজতে রাখেন। আমি বিশ্বাস করি- জয় বাংলায় কোন নাস্তিক নাই। 


এইখানে এই  ভিডিওটা দেখলে আপনি দেখতে পারবেন যে কিভাবে একদম ফ্রিতে এক টাকাও খরচ না করে গুগল ইনকরপোরেশনের কন্টেন্ট মনিটাইজেশনের আবেদন করে প্রতি মাসে নিতে পারবেন আনলিমিটেড ডলার। তাই মিথ্যা প্রেপাগান্ডা বিশ্বাস না করে আপনিও কাজ শুরু করতে পারেন একজন ব্লগার হিসাবে রেভিন্যু উপার্জন করতে। 

Wednesday, August 19, 2020

করোনার কারনে সেশনজট।

১৯৯০ সালের পরে বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলো সেশন জট তীব্র আকার ধারন করতেছিলো। একেকজনের ছাত্রের পাশ করতে প্রায় ৮-১০ বছর ও লাগতেছিলো। সো এইভাবে পাশ করার কারনে পরে অনেক ছাত্র আর পেশাগত জীবনে প্রবেশ করতে পারতেছিলেঅ না। সেশনজটের কারনে বসে থাকা সময় না কাটানোর দরুন অনেক নিরীহ ছাত্র ছাত্রী রা  অনেক সময় সো কলড ছাত্র রাজনীতিতে ইনভলব হয়ে তাদের জীবনটাকেও ধ্বংস করে দেয় বা হত্যা হয়ে যায়। আমি নিজেও এরকম অনেক কাহিনী দেখেছি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সেশনজট কমানোর জন্য তৈরী করা হয়েছিলো প্রাইবেট বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯২ সালে- বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় অথবা অতীশ দীপংকর ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এবং টেকনোলজী। আশাতীত পর্যায়ে সাফরল্য পাওয়া গেলেঅ সেশনজট নিরসনে এবং পরবর্তী কালে পাবিলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশন জট কমানোর জন্য সেমিষ্টার সিষ্টেম চালু করার জন্য সিদ্বান্ত হলো। আমি ছিলাম সেই সিদ্বান্ত মোতাবেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তেরী হওয়া প্রথম ভ্যাচের ছাত্র যা চালু হয়েছিলো বাংলাদেশে প্রথমবারের মতোন দুইটা ডিগ্রী একসাথে অর্জন হবার জন্য তৎকালীন মৎস্য এবং পশু সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীনে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফ্যাকাল্টি অফ লাইফ সায়েন্স এবং সিলেট সরাকরি ভেটেরিনারি কলেজ নামে (থারো সাথে আরো তটি ভেটেরিনারি কলেজ কেন নিয়ে শুরু করা-  চট্রগ্রাম সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ, দিনাজপুর সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ এবং বরিশাল সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ যা পরবর্তীতে পরিবর্তন হয়- চট্রগ্রাম বেটেরিনারি এবং এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাকি দুটি হাজী দানেশ বিজ্ঞাস ও প্রযুক্তি বিশ্ববিধ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত করা হয়।এর সাথে আরো পরে ১২ টা কলেজ শুরু হবার কথা থাকলেও পরবর্তীতে সেই বরাদ্দের টাকা সম্ভবত গায়েব হয়ে যায় যার পরিমান প্রায় ১২০০ কোটি টাকা গায়েব হয়ে যায় বা অন্যান্য কলেজের বরাদ্দ বা আর চালু করা সম্ভব হয় নাই। 



প্রথমেই বলে নেই এইখানে একসাথে ২ টা ডিগ্রী দেবার কথা হয়- ১) ডক্টর অফ ভেটেরিনারি মেডিসিন এবং ২) এ এইচ (এনিম্যাল হাজবেন্ড্রি)। সেই মোতাবকে মেরিটে চান্স ও হয়ে যায়। সকল খানে পরীক্ষা হয় ১০০ নাম্বারে এবং ১০০ নাম্বারের স্কুটিং এ- এইখানে পরীক্ষা হয় ২০০+১০০ নাম্বারে। সব মিলিয়ে আমার সেখানে মেরিটে চান্স হয়। উচ্চশিক্ষার্থে আমার বাবা বিশ্ববিধ্যালয়েল শিক্ষক মালয়েশিয়া , বৃটেন এবং স্কটল্যান্ডে থাকার কারনে আমি যথাসময়ে সঠিক সিদ্বান্ত নিতে পারি নাই। ইচ্ছা ছিলেঅ প্রাইবেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবো কিন্তু সব ভাই বোনের পড়াশোনার কথা চিন্তা করে এবং ঠিক সে মূহুর্তে আমাদের বর্তমান বিল্ডিং এর কাজ শুরু হবার কারনে আর আব্বাও দেশের বাহিরে শিক্ষা ছুটিতে থাকার কারনে সব মিলিয়ে আর্থিক সংগতি হয়ে উঠে নাই। থখনকার দিনে ১৯৯৮ সালে প্রাইভেটে পড়তে গেলে প্রায় ৬-৭ লাখ টাকা খরচ হয় যা দিয়ে একটা ৫ তালা বিল্ডিং বানাইয়া ফেলােো যাইতো। সেশন জটের কারনেই প্রাইভেট বিশ্ববিধ্যালয়ে পড়তে চাওয়া এবং তার মধ্যে স্কুটিং সহ চান্সও পেয়েছিলাম ওআই সি তালিকাভুক্ত বিশ্ববিধ্যালয় আই্ ইউ টি তে মেকানিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং এ- কিন্তু সেখানেও এককালীন টাাকা দিতে হবে প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা যা খরচ করা বা বাসা থেকে নেয়া সম্ভব হয়ে উঠে নাই। চান্স পেয়েছিলাম সরাসরি মেডিকেলে - রাজশাহী মেজিকেল কলেজে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের গেজেটও নাম উঠে এবং প্রথম আলো পত্রিকাতেও রোল নাম্বার উঠে কিন্তু জামাত মিবির চক্র বাসাতে কল দিয়ে মিথ্যা কথা বলে আমাকে ভর্তি হতে বাধা দেয় এবং তাতেও মন খারাপ হয়ে উঠে- সেখানেও ছিলো সেশনজট। তো সিলেট সরকারি ভেটেরিনারি কলেজকে সংক্ষেপে বলা হতো সিসভেক আর আমি ছিলাম পঞ্চম ব্যাচে। ভর্তি শেষ হবার পরে বসে বসে ক্লাস শুরু হবার অপেক্ষা করতাছি আর তখনি প্রথম বুঝতে পারলাম সেশন জট কাকে বলে। ১১ মাস বসে থাকার পরে যখন ক্লাস শুরু হলো থকন দেখি উপরের দিকে প্রায় সব সেমিষ্টারেই সেশনজট।প্রথম  কনফিডেন্স হারালাম  পড়াশোনার প্রতি এবং টানা ৩ সেমিষ্টার কমপ্লিট করার পরে ৪র্থ সেমিষ্টারে শত্রতামূলক ইচ্ছা করে ফেল করিয়ে দেবার কারনে ( জীবনে কখনো কোন সাবজেক্টে ফেল করি নাই) পরীক্ষা আর দিতে পারলাম না। ভেবেছিলাম ধার্মিক পদ্বতিতে (দাড়ি, টুপি এবং নামাজ পড়লে [০৪ মাস চেষ্টা করলাম] থাকলে হয়তো পড়াশোনা কমপ্লিট করতে পারবো কিন্তু সেমিষ্টার ড্রপ করে আর সাহস পাইলাম না পড়াশোনা করার- পড়াশোনা ক্ষান্ত দিলাম। ৩ সেমিষ্টারের সব ডিটেইলষ নিয়ে বিশ্ববিধ্যালয় থেকে নিজেকে বহিস্কৃক করে নিলাম এবং পরে ময়মনসিংহে ফিরে এসে এ্যাপল টেকনোলজী এর এ্যাপল ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এর একটা প্রোগ্রাম নিলাম বলতে গেলে ৩ সেমিষ্টারের মতো- ১৬ -১৮ মাস। এইটা আমেরিকান একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কানেক্টেড ছিলো। তখন ময়মনিসংহ এর বিখ্যাত সরকারি কলেজ আনন্দ মোহনেও ইংরেজীতে মেরিটে চান্স পেয়েছিলাম- আমার বাবা বিদেশে অবস্থান করেও বলেছিলো যে তুমি বাসাতে থেকে আনন্দমোহনে পড়াশোনা করো - ভালো হবে । কিন্তু সেশন জটের কারনে আর রাজী হই নাই্। জাতীয় বিশ্ববিধ্যালয়েও ছিলো ৩-৪ বছরের সেশনজট। 



এই সেশনজট এখণ চলতাছে করোনা কালীন লকডাউন সিচুয়েশনে। অনেকেই হয়তো ধীরে ধীরে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারাইয়া ফেলাইতাছে। থুবই ডিপ্রেশনে আছে উচ্চ মাধ্যমিক এ দেয়া পরীক্ষার্থীরা। চাইলে বাংলাদেশেন সকল সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিধ্যালয় এবং সরকারি কলেজে র ক্লাস রুম গুলো ব্যবহার করে শুধূ উচ্চ মাধ্যমিক এর পরীক্ষা টা নিয়ে নিতে পারে শিক্ষা মন্ত্রনালয় তবে সামাজিক দূরত্ব মাষ্ট বি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারে না এরকম সকল প্রোগ্রামই বাংলাদেশ থেকে এই মূহুর্তে নিষেধ করা প্রয়োজন কারন এখনো করোনার ভ্যাকসিন হাতে আইসা পৌছায় নাই। সেগুলো  হইতাছে- স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং গন পরিবহন, ধর্মীয় মজমা (মুসলিম এবং হিন্দু সম্প্রদায়- ২টা ই যেখানে খুব ক্লোজ কন্ট্রাক্টে যাইতে হয়)  এবংরাজনৈতিক সভা সমাবেশ এবং প্রোগ্রাম ও। জাতিসংঘ সারা বিশ্বে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে। বিশ্বের অনেক দেশ তাদের এয়ার রাইন্স গুলোকে এমন খানে রেখেছে যে চাইলেও তারা ২০২৩ সালের আগে সেগুলোকে চালু করতে পারবে না। ক্যালিফোর্নিয়ার মরূভূমি, অষ্ট্রেলিয়ার মরুভূমি - এই সকল খালে রাখা হয়েছে প্লেন গুলোকে আর খুলে রাখা হয়েছে ইন্জিন  এবং যন্ত্রাংশ।



২০১৩ সালে সম্ভবত এই করোনা রুপ ধারন করে এবং তখন নাকি মারা যা য় প্রায় ৪০০০+। আর এই বছর প্রায় ৭ বছর পরে বাংলাদেশে দেখা গেলো মৃত্যু ছাড়িয়ে গেছে ৪০০০+ এবং ইউএসএ তে মারা গেলো প্রায় ১৭৪০০০+। ্‌ইউ এস এ অনেক বড় দেশ আর বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ। বাংলাদেশ থেকে শত গুন বড় দেশে পেনডেমিকে মারা যাইতাছে ১৭৪ কে আর বাংলাদেশে অভার পপুলেটেড কান্ট্রি হিসাবে এইখানে যদি পেনডেমিক ছড়াইয়া পড়ে তাহলে তার সংখ্যা যে নিশ্চিত কোটি ছাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

উপরের কাহিনী আমার সেশন জটের কারনে শিক্ষা জীবন কমপ্লিট না হবার কাহিনী। করোনার কারনে অনেক ছাত্র ছাত্রী যারা মূষড়ে পড়েছে সেশন জট বা ষ্টাডি ব্রেকের কারনে তাদের জন্য ই আমার এই কাহিনী টা লিখা- বাস্তব কাহিনী। যেনো কেউ হাল না ছাড়ে। শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। এখনো এ দেশের সচিব পর্যায়ে অনেক কেই পাওয়া যাবে যাদের বিশ্ববিধ্যালয় স্নাতক ঝীবন শেষ হয়েছে প্রায় ৮-১০ বছল বয়সে। ১৯৯৮ সাল থেকে পাবলিক বিশ্ববিধ্যালয়ে শুরু হওয়া সেমিষ্টার সিষ্টেমে এতো দ্রুত পড়াশোনা হইতেছিলো যে - আমরা অনেকেই সেশনজটের কথাটা ভুলে গিয়েছিলাম - শেসে প্রকৃতিই আবার মনে করাইয়া দিলো। বসে থাকা ছাত্র ছাত্রীদেরকে বলতে চাই প্রয়োজনে ১/২ বছরের পড়াও আগে থেকে পড়ে রাখতে পারো যদি পড়া শেষে হয়ে যাই। 



সেশন জটে মুষড়ে পড়া আমি যখন ষ্টাডি ব্রেকে চলে যাই তখন আমার মেইন ভরসা ছিলো প্রথম চালু হওয়া অডেস্ক - ফ্রি ল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং ওয়েবসাইট যেখানে প্রত েডলার উপার্জন করেই আমি পড়াশোনা ছেড়ে দেবার বা ষ্টাডি ব্রেকের সিদ্বান্ত না নেই। তারপরে এই বিষযের উপরেই আরো বিশদ লেখাপড়া করে এখনো আমি একজন ফুলটাইম ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং ওয়ার্কার হিসাবে জীবন যাপন করতাছি শুকরিয়া। ২০০২-২০১১ পর্যন্ত করেছি পড়াশোনা বা প্রা্িভেটের বা সরকারি প্রজেক্টের চাকুরীর পাশাপাশি পার্ট টাইম আর একণ ২০১১- আজো অবদি করতাছি ফুল টাইম। 

Tuesday, August 18, 2020

সমাজ সব মানুষের জন্য প্রযোজ্য না। আইন এবং ধর্ম সকলের জন্য প্রযোজ্য।

আমাদের দেশে (বাংলাদেশে) যদি কেউ সমাজ পালন না করে তাহলে তাকে অনেক সময় অসামাজিক বলে গালি গালাজ করা হয়। কিন্তু যদি কেউ আইন পালন না করে বা ধর্ম পালন না করে তাহলে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহী বা ধর্মদ্রোহী বলে গালি গালাজ করা হয়। ধর্ম পালন না করার নাম হইতাছে ধর্মীয় নাস্তিকতা- যার কোন ভ্যালু বাংলাদেশে নাই। বাংলাদেশ মুসলিম দেশ। আপনাকে অবশ্যই স্বীকৃত ধর্ম পালন করে থাকতে হবে বা বসবাস করতে হবে- যেমন মুসলিম, খ্রীষ্টান বা ই্হুদি বা হিন্দু ধর্ম। মুসলিম ধর্ম প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ। ৫ শতাংশ মানুষ হিন্দু এবং ১ শতাংশ বা তার চেয়েও কম শতাংশ মানুষ খ্রীষ্টান ধর্ম পালন করে থাকে।  আর আইন হইতাছে অবশ্য পালনীয় বা অবশ্য কর্তব্য বিষয়। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যে আইন আছে সে আইন মোতাবেক আপনাকে বাংলাদেশে বসবাস করতে হবে এবং যিদি দেখেন কোথাও আইন ভংগ হয়েছে বা হইতাছে তাহলে আপনাকে অবশ্যই তা সংশ্লিষ্ট পুলিশ বা থানাকে অবহিত করতে হবে। যদি আপনি সেটা পালন না করেন তাহলে আপনি আইন কে অমান্য করলেন। বিশেষ করে জনপ্রতিনিধিদের অন্যতম প্রধান দ্বায়িত্ব হইতাছে কোথায় কোথায় আইন ভংগ হইতাছে তা সাথে সাথে র‌্যাব বা পুলিশকে জানানো- যদি আপনি না জানান বা না জানিয়ে থাকেন তাহলে আপনি সরাসরি আইন কে অমান্য করলেণ বা ভংগ করলেন। 


২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনে (শুনেছি) আছে- ৭১ এর ঘাতক, দালাল বা রাজাকারেরা অপরাধী- তাদের সবাইকে সংশ্লিষ্ট থানা বা আদালতে আত্মসমর্পন করতে বলা হয়েছে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছেও তালিকা আছে কোথায় কোন দেশবিরোধী বসবাস করে? এখন যদি আপনি দেশবিরোধী দালাল/রাজাকার/ঘাতক হয়ে থাকেন তাহলে আপনার উপরে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম নির্দেশ হইতাছে আদালতে আত্মসমর্পন করা- আর যদি আপনি মনে করেন যে আপনি বা আপনারা আদালতে আত্ম সমর্পন করবেন না- সমাজে দাপট দেখাবেন বা সমাজে বাহাদুরি করে বেচে থাকবেন বা ছলে বলে কৌশলে বেচে থাকবেনে তাহলে আপনি আইন অমান্য করলেন এবং একসময় আপনার বিচার হবে যেমন স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরে দেশবেরাধী রাজাকারের ফাসি হয়েছে  এবং নিত্য নিয়মিত ফাসি হইতাছে। যে সকল রাজাকারেরা বাহিরে আছে বা জীবিত আছে আর আপনি যদি আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হয়ে থাকেন এবং আপনি তালিকাগ্রস্থ রাজাকরদের কে গ্রেফতার করে জেলখানাতে না নিয়ে রাখেন - আপনার হাতে অর্ডার বা ক্ষমতা থাকা সত্বেও আপনি যদি তা পালন না করে থাকেন তাহলে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হয়ে আপনিও আইন ভেংগে ফেলাইলেন। আইন মোতাবেক রাজাকারদের একমাত্র এবং শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ জেল- কিন্তু যদি তারা বাহিরে থাকে বা জীবিত থাকে এবং বাংলাদেশ সমাজের সাথে মেলামেশা করে থাকে তাহলে বাংলাদেশ সামজব্যবস্থাও এখানে অপরাধী। এইখানে বাংলাদেশ সমাজব্যবস্থার উচিত হবে রাজাকারদের ধরে বেধে আদালতে পাঠাইয়া দেয়া (যদি আপনার জানা থাকে যে কে বা কারা কারা রাজাকার)। 


সমাজের ব্যাপারে কোন ধর্মীয় বা আইন গত বিশাল বাধ্য বাধকতা নাই। শুধূ বলা আছে আপনাকে সুশীল সমাজের সাথে বসবাস করতে হবে- ভদ্রভাবে বসবাস করতে হবে। অশালীন কোন কথা বলা যাবে না- কাউকে কু প্রস্তাব দেয়া যাবে না- প্রকাশ্য দিবালোকে শিষ্টাচার ভংগ করা যাবে না (আপনার মনে চাইলো আপনি উলংগ হয়ে ঘোরাফেরা শুরু করলেন এই ধরনের কিছু করতে পারবেন না ) এই ধরনের ব্যাপার গুলো যা একজন শিক্ষিত ভদ্র মানুষ অনায়াসে এবং সহজে  এবং সহজাত প্রবনতা বশত মেনে থাকে এবং মেনে ই চলা ফেরা করে থাকে। আর এই দেশে দেশ বিরোধীরা যে কাল্পনিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলো বা জায়গায় জায়গায় যে সকল খারাপ সমাজ ব্যবস্থার কথা শোনা যায় সেগুলো পালন করতে গেলে স্পষ্টত ধর্মীয় বাধা নিষেধ আছে এবং নবীজিদের রেফারেন্স ও আছে যেনো পালন না করা হয়ে থাকে এবং আইনতও নিষেধ আছে যেমন বাংলাদেশে বিডিএসএম (বাইসেক্সুয়ালিটি অনেকখানে আছে) গ্রোথ করতাছে অনেক খানে কিন্তু এই ব্যাপারে মুসলিম, হিন্দু, খ্রীষ্টান এবং ইহুদি ধর্ম থেকে স্পষ্টত নিষেধ আছে আবার আইন মোতাবেক ও নিষেধ আছে যেনো কেউ কোথাও কোন কারনে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত না হানে- ধর্ম ভিত্তিক মুসলিম বাংলাদেশে এই গুলো ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করার মতোন। আবার স্পষ্টত নিষেধ আছে ধর্মে এবং মেডিকেল সায়েন্সে- কুকুরের মতোন সেক্স না করতে এবং কুকর, শিয়াল, মুরগী, গরু, ছাগল এদের সাথে সেক্স না করতে। বিশ্বে অনেক পিক্যুলিয়ার মানুষ আছে যাদের মধ্যে অনেকেই (খবুই কম - কোটিতে ১ জনের মতো) পশুর প্রতি সেক্স অনুভব করে বা করতে ইন্টারেষ্টেড হয় যা ১০০% নিষেধ আছে সকল ধর্মে আর এই সাথে এও বলে দেয়া আছে এই ধরনের পরিবেশ পরিস্থিতি এড়াইয়া চলার জন্য। সম্প্রতি বাংলাদেমে পর্নো সাইট বন্ধ হবার আগে একটা ওয়েবসাইটে দেখেছিলাম যে- যে সকল মানুষ বা মনুষরুপী লোকজন পশু র সাথে সেক্স করার ব্যাপারে চিন্তা করে বা করে তাকে তাদেরকে আলাদো গোত্রে রাখা হয়েছে- তাদেরকে মানুষ হিসাবে অভিহিতি করতে নিষেধ করা আছে। 


যাই হোক সমাজে অনেক খারাপ কাজ হয়ে থাকে- জুয়া খেলা হয়, সুদ ঘুষের লোনাদেনা হয় বা ভেজাল কেনা বেচা হয়ে থাকে কিন্তু সকলকে নিষেধ করার পরেও সকলের মধ্যে অনেকেই খারাপ কাজ করে যাইতাছে। তাই সমাজে যে সকল খারাপ কাজ হয় সেগুলো পালন করার ব্যাপারে আইনগত বা ধর্মীয় আদেশ নাই বা কোথাও লিখা নাই। লেখা আছে আপনি আইনগত ভাবে বৈধ ভাবে বসবাস করবেন এবং ধর্ম মেনে চলবেন। ধর্মীয় আলেম বা মাওলানা ও যদি বা সমজিদের ইমাম ও যদি আপনাকে খারাপ কাজ করতে বলে বা সমাজে খারাপ হইতে বলে আপনাকে অতি অবশ্যই সেই নিষেধ অমান্য করতে হবে আর নয়তো আপনি কাফের, নাস্তিক হয়ে যাইতে পারেন। এও স্পষ্ট বলা আছে- কুফরী কালাম যারা করে তারা কোনদিন ই জান্নাতে যাইতে পারবে না। এ দেশের সমাজে যেহেতু অনেক খারাপ কাজ সংঘটিত হয়ে থাকে সেহেতু আমাকে বা আপনাকে এমন ভাবে চলতে হবে যেনো সমাজে কোন থারাপ কাজের রেকর্ড না থাকে বা খারাপ কাজ করা না হয়ে থাকে আবার আইন এবং ধর্মও যেনো কোথাও অবহলিত না হয় আমার আমার/আপনার জন্য। তাই আমার মতে সমাজে শিষ্টাচার বজায় রাখা জরুরী কিন্তু সমাজ মানাটা কোনো জরুরী বিষয় না। সমাজে ধর্মকে অবহেলা করবো না বা আইন ভাংবো না- এতোটুকুই যথেষ্ট। :)


আমি মানুষ। সমাজবদ্ধ ভাবে বসবাস করবে বলা হয়েছে - সমাজকে মানতে বলা হয় নাই এবং সমাজ মানতে আমি রাজী না। আমি ধর্ম এবং আইন মানতে রাজী এবং মানবো এবং মেনেও চলবো এবং মেনেও চলতাছি যেদনি থেকে বুঝ হয়েছে সেদিন থেকে। 

Monday, August 17, 2020

টেষ্ট টিউব চাইল্ড দের কি সিক্সথ সেন্স (আই কিউ) কাজ করে?

একজন মানুষ আমার কাছে প্রায়শই আসে আর আমাকে জিজ্ঞাসা করে : সে প্রায় ৩০ বছর ধরে যৌনকর্ম করতাছে কিন্তু তার কোন বাচ্চা হয় না- কারন কি? তো আমি তাকে উত্তর দিলাম- তুই  সম্ভবত একজন টেষ্টটিউব চাইল্ড - টেষ্ট টিউব চাইল্ডদেরকে কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা হয় বলে তাদের প্রজনন ক্ষমতা অনেক সময় কাজ করে না। সেই জন্য তাদের বাচ্চা হয় না। এবং এ ব্যাপারে কারো কিছু করার নাই। এইটা উপর ওয়ালার বিষয়। এই খানে সেই পুরুষের বীর্য দিয়েও ল্যাবরেটরি তে কিছু করা যাবে না কারন সে নিজে টেষ্টটিউব চাইল্ড হবার কারনে তার সেই বীর্য ক্ষমতা কোন কাজ করে না অনেকসময়। তবে সে যদি কাউকে একক ভাবে ভালোবেসে থাকে তাহলে তাদের জন্য সমাধান একটাই- তার স্ত্রী যদি মানুষ হয় তাহলে তার স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সাথে যৌন কর্ম করতে হবে এর ফলে সে এক সময় প্রেগন্যান্ট হইতে পারে (যেটা মুসলিম ধর্মে নিষেধ)। আর যদি তার স্ত্রী অন্য কোন পুরুষের সাথে যৌনকর্ম করতে রাজী না হয় তাহলে সেই মেয়েকে অণ্য কারো বীর্য কে সাথে নিয়ে 

ল্যাবরেটরিতে টেষ্টটিউব চাইল্ড তৈরী করে প্রেগন্যান্ট হতে হবে। আসলে মানুষ তো আসে সৃষ্টিকর্তার দরবার থেকে।  মুসলিম ধর্ম পালন করে যতোটুকু বুঝি-  মহাজাগতিক বিশ্ব তৈরী হবার আগেই সৃষ্টিকর্তা তার কুল শব্দের মাধ্যমে মানুষকে লওহে মাহফুজে তৈরী করে রেখেছিলেন। দুনিয়াতে সঠিক বাবা মার মাধ্যমে - সঠিক বাবা মার ভালোবাসার মাধ্যমে তাদেরকে পৃথিবীতে স্বাগতম জানায় সৃষ্টিকর্তার বিশ্ব। বাবার ভালোবাসায় মায়ের গর্ভে জন্ম হয় সন্তানের। ১০ মাস ১০ দিন পেটে ধরে মা সেই সন্তানকে নিয়ে আসেন পৃথিবীতে। তারপরে সেই মায়ের বুকের দুগ্ধ পান করতে হয় টানা ২ বছর। আর এভাবেই সন্তানেরা পৃথিবীতে বড় থেকে বড় হতে থাকে। শুনেছি- পবিত্র কোরানে অনেক ডিটেইলস ভাবে বলে দেয়া আছে কিভাবে মানুষের জন্ম হয় পৃথিবীতে? 

পৃথিবীতে মানুষৈর সাথে মানুষের যে ভালোবাসা বা বন্ধুত্বের সম্পর্ক- সেই ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব শুনেছি লওহে মাহফুজ  থেকে তৈরী হয়েছে কারন সেখানে আমরা একসাথে ছিলাম? তারপরে সৃষ্টিকর্তার মনসায় সঠিক বামা সিলেকসনের মাধ্যমে তিনি আমাদেরকে বাবার ভালোবাসায় মায়ের গর্ভে জন্ম দিয়েছেন এবং সেই সাথে মায়ের সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ১০ মাস ১০ মিন মায়ের গর্ভে অন্ধকার জগতে বসবাস করে এই পৃথিবীতে আমাদের আগমন ঘটেছে আর তারপরে ২ বছর শুধু মায়েরে বুকের দুধ পান করেই আমাদের জীবনের সূচনা হয়েছে। আর যারা টেষ্ট টিউবে জন্মগ্রহন করে তাদেরকে ল্যাবরেটরি থেকে মায়ের গর্ভে প্রতিস্থাপন করা হয়  এবং এইখানে মানুষের হাতের ছোয়া থাকার কারনে অনেক সময় কৃত্রিম উপায়ে জন্মগ্রহন করা বাচ্চার অনেক ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে তার মধ্যে একটা এরকম যে সে  প্রাপ্ত বয়সে বিবাহিত জীবনে বাচ্চা প্রদানে সক্ষম হয় না। তারপরেও সৃষ্টিকর্তার দুনিয়াতেও এরকম থাকতে পারে অনেক বা যদি পৃথিবীতে ক্রমান্বয়ে কেউ থারাপ কাজ করে তাকে তাহলে তাদেরকে বা সেই জুটিকে সৃষ্টিকর্তা বাচ্চা নাও উপহার দিতে পারেন। এরকম ক্ষেত্রে শুনেছি অনেকেই ভারতে সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া এক গবেষনায় দেখা গেছে- সেখানে গরীব মহিলারা  কৃত্রিম উপায়ে টেষ্টটিউব চাইল্ডকে গ্রহন করে- যাদের সন্তান হয় না তাদের বীর্যের মাধ্যমে- প্রথমে স্বামী এবং স্ত্রীর বীর্য কালেকশন করা হয় এবং তারপরে সেইগুলোকে ল্যাবরেটিতে টেষ্টটিউব সেল বানানোর পরে সেইটাকে ভারতীয় গরীব মহিলারা গর্ভে  ধারন করে এবং  এর বিনিময়ে তারা যে পারিশ্যামিক পান তার পরিমান প্রায় মিনিমাম ৩০০০০ ডলারের মতোন। টেষ্ট টিউব চাইল্ডের ব্যাপারে সব ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা কি তা আমি ঠিক জানি না বুঝি না কিন্তু আমি মনে করি এইটা এক ধরনের দুর্ভাগ্য যদি কোন হতভাগা স্বমী স্ত্রী এর বাচ্চা না হয়? 

সৃষ্টিকর্তার সিলেকসনে- বাবার ভালোবাসায় মায়ের গর্ভে জন্ম গ্রহন করাটা এক বিরাট সৌভাগ্যের  ব্যাপার - আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান মনে করি। এই পৃথিবীতে মানুষকে নিয়ে অনেক গবেষণা করা হয় - আছে লাইফ সায়েন্স নামের এক সায়েন্স ও । যেখানে জীবন কে নিয়ে গবেষনা করা হয়। বাংলাদেশে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সিলেট সরকারি বেটেরিনারি কলেজ (বর্তমানে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), সিলেট সরকারি মেডিকেল কলেজ এবং রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ একসময় অন্তর্ভূক্ত ছিলো। আমিও একসময় ছাত্র ছিলাম সিসভেক এর- ফ্যাকাল্টি অফ লাইফ সায়েন্স , শাবিপ্রবি এর। 

আগেকার দিনের মুরব্বীদের বলতে শুনেছি যে- যদি বাচ্চা না হয় তাহলে সেটা সৃষ্টিকর্তার রাজী না হিসাবে ধরে নিয়ে সংসার করে যাওয়া। অনেক সময় শয়তানও মানুষের রুপ ধরার চেষ্টা করে বলে শুনেছি। জীন রাও অনেক সময় অনেক খানে মানুষের রুপ ধরতে পারে।। তাই সঠিক ভাবে মানুষ হিসাবে  জন্ম গ্রহন করা এবং মনুষ্যত্ব নিয়ে বাচতে পারা এক বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। আশা করি পৃথিবীতে মানুষেরই জয় হবে- অমানুষের না। 

রাব্বুল আলামিন কোরানে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন একখানে- “ নিশ্চয়ই তিনি জ্বীন এবং ইনসানকে তৈরী করেছি শুধুমাত্র তার এবাদত করার জন্য।” সো জ্বীন এবং ইনসান ছাড়া আর কোন পদ্বতিতে জন্মগ্রহন মনে হয় না সৃষ্টিকর্তার ৬৫০০০ মাখলুকাত স্বাভাবকি ভাবে নেবে তারপরেও এই বিশ্বে সকল মানুষের মতামতের উপরে ভিত্তি করে অনেক খানে অনেক পদ্বতি গড়ে উঠেছে যাকে অনেকেই পিক্যুলিয়ার বলে উঠে। মানুষেল সাথে মানুষেল যেটা কাজ করে সেটা হইতাছে ভালোবাসা বা বন্ধুত্ব যা কৃত্রিম উপায়ে মানুসেল মধ্যে কাজ কের কিনা সন্দেহ!!!(প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ)।



আমার মনে একটা প্রশ্ন জাগে অনেক সময় - বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে - টেষ্টটিউব চাইল্ডদেরকি সিক্সথ সেন্স কাজ করে কিনা? আমার কাছে উত্তর হইতাছে না- আমার অভিজ্ঞসা থেকে যে না- টেস।ট টিউব চাইল্ডদের সিক্সথ সেন্স কাজ করে না বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে? 

Saturday, August 15, 2020

নাটক: টোনা টুনি রাগ করো না। বাংলা নাটক। রওনক হাসান এবং রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।

 


নাটকের প্রধান দুটি চরিত্র রওনক হাসান এবং মিথিলা। টোনা টুনির মতোই তাদের সংসার। নাটকে রওনক হাসান একজন অভিনেতা হবার স্বপ্নে বিভোর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। রওনক হাসানের অভিনয় মান সম্পন্ন অভিনয়। আর মিথিলাও একবারে খারাপ না। নাটকে তার সবুজ কালারের চোখ দৃষ্টি কাড়ার মতোন। সম্প্রতি শুরু হওয়া তার নতুন সংসারের প্রতি শুভ কামনা। নাটকে রওনক হাসানের  অভিনয়ের মাধ্যমে একটা জিনিস স্পষ্টত ফুটে উঠেছে: বাংলাদেশের সমাজে অভিনয়ের তেমন কোন ভ্যালু দেওয়া হয় না। আর অভিনেতাদেরকে তো নাই। শুধু অভিনেত্রীদের জোরেই অনেক সময় নাটেক চলে যায়। তারকাদের এমন একটা ব্যাপার যে তারা বুঝি ফেরেশতাদের মতো- কোন দোষ করতে পারবে না। কিছুদিন আগে মিথিলাকে নিয়ে লেখালেখি খুবই খারাপ এবং বাজে একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যা থেকে সম্ভবত সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপা তাকে রেহাই করেছে। সে সংবাদ মিডিয়াতে অভিযোগও উথ্থাপন করেছে যে- তাকে ভার্চুয়াল লাইফে ধর্ষন করা হয়েছে। তারপর তার কাছ থেকে এতো ভালো অভিনয় সত্যি ই মনে রাখার মতো। নাটকে রওনক হাসান যা বলতে চেয়েছে নাটক বা সিনেমার অভিনেতাদের একটা লাইফ বা সামাজিক মর্যাদা যা কখনোই দেয়া হয় না এ দেশের সমাজে। আপনি সহজেই খেয়াল করে দেখবেন যে- আপনি চাইলেই চুরি করতে পারবেন। আপনি চাইলেই রাহাজানি করতে পারবেন। আপনি চাইলেই দুই নাম্বার গিরি করতে পারবেন বা আপনি চাইলেই খারাপ পথে - ক্যাসিনো বা জুয়া বানিজ্য করে বড়লোক হয়ে যেতে পারবেন কিন্তু অসৎ অবস্থায় আপনি চাইলেই সত হতে পারবেন না। আপনি চাইলেই ভালো মানের একজন অভিনেতা হতে পারবেন না। বর্তমানে ইউরোপ আমেরিকাতে বিলিওনিয়ারদের রো চলতাছে- এখন আর আগের মতো বিলিওনিয়ার দেরকে আশ্চর্যের চোখে দেখা হয় না কারন বিলিওনিয়ার হওয়া ব্যাপারটা অনেকের কাছেই এখন সহজ বলে মনে হয়। কিন্তু অভিনেতাদের অভিনয় প্রতি মুহূর্তে আশ্চর্য জাগাইয়া তোলে কারন প্রতিটা চরিত্রে অভিনেতা দের খুব মনোযোগ দিয়ে অভিনয় করতে হয়। চাইলেই পৃথিবীতে যে কেউ অভিনয় করতে পারবে না। আপনি অভিনেতাদেরকে একজন পেশাদার শিল্পী হিসাবে মাষ্ট বি সম্মান জানাতে পারেন- তাদেরকে অবহেলার চোখে আপনি দেখতে পারেন না। অভিনেতা অভিনেত্রী মানেই খারাপ একটা জগত- এই ধরনের মন মানসিকতা থেকে আপনাকে আমাকে সবাইকে বের হয়ে আসতে হবে। সমাজে আড়ালে আবডালে লোক চক্ষুর অন্তরালে আপনি আমি কতোটা ভালো তা উপরওয়ালা খুব ভালোই জানে। বর্তমানে ইউটিউব মনিটাইজেশনের জগতে প্রত্যেক অভিনেতা অভিনেত্রী ই একজন ফ্রি ল্যান্সার এবং আউটসোর্সিং ওয়ার্কার কারন তাদের প্রানবন্ত অভিনয়ের কারনে প্রতি সেকেন্ডে ডলার জেনারেট হইতাছে যা বাংলাদেশের জণ্য রেমিটেন্স বয়ে আনতাছে যাকে যে কোন দেশের জন্য ১ নম্বর সিটিজেন বলা হয়ে থাকে। আপনি হইতে পারেন বড়লোক বা কোটিপতি বা অনেক বড় লোক কিন্তু আপনি এ দেশের জন্য রেমিটেন্স উপার্জন কারী না ও হতে পারেন। 

করোনা কালীন পরিস্থিতির কারনে আমাদের দেশের অনেকের অবস্থাই খারাপ হয়ে গেছে। আমরা এমন এক সরকার ব্যবস্থায় বসবাস করি যেখানে সাধারন মানুষের মতো শিক্ষিত মানুষদেরকেও অবহেলা করা হয়েছে। এই দেশকে বলে ইউরোপ আমেরিকার সাথে তুলনা করা হয় অথচ ইউরোপ আমেরিকান রা তো করোনা শুরু হবার সাথে সাথে তাদের সরকারের কাছ থেকে পে চেক পেয়ে গেছে এবং ইচ্ছা মতোন খরচের স্বাধীনতাও পেয়ে গেছে আর আমাদের দেশের অভিনেতা অভিনেত্রী সহ শিক্ষিত বেকার ছেলে পেলে ( কর্পোরেশন /প্রাইভেট অফিসে কর্মরত কাউকে মিনিমাম মাসে ১০ হাজার টাকার মতোন অনুদান ও দেয়া হইতাছে না) এ কেমন পিক্যুউলিয়ার দেশ রে বাবা?  বাংলা মায়ের সন্তানেরা বাংলা মায়ের আরো সিনিয়র সন্তানের দ্বারা স্বাধীন হওয়া দেশে অমানষিক মানসিক এবং সামাজিক যন্ত্রনা বয়ে নিয়ে যাইতাছে বা বেড়াইতাছে। আমার কাছে এর একমাত্র সমাধান- একজন জয় বাংলা মুক্তিযোদ্বাকে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব দেয়া- স্বাধীনতা যুদ্বে একজন জয় বাংলা মুক্তিযোদ্বা জীবনের রিস্ক নিয়ে যেবাবে দেশকে স্বধীন করেছে ঠিক সেভাবে তারােই পারবে দেশের প্রজন্ম কে সামনে নিয়ে আগাইতে এবং তাদের মুখে তাদের পরিবার সহ ৩ বেলা খাবারের নিশ্চয়তা দিতে কারন তার মধ্যে আছে সুবিবেচনা আর সুবিচারের মনোভাব। 

Friday, August 14, 2020

বিরোধীদের অত্যাচার- আর কাহাতক। প্রেক্ষাপট ১৯৯০ -২০১৩/২০২০।

১৯৯০ সালের গনজাগরনের সময় আমার বয়স ছিলো ১০/১১.। আমি তখন কিশোর। কিশোর বয়স থেকেই আমি জয় বাংলা বলতে পছন্দ করি। সামরিক সরকারের পতন বা স্বৈরাচার সরকারের পতনের আন্দোলনের সময়ে দাবী উঠেছিলো ”রাজাকারের ফাসি চাই।” ্সেই সময়ে রাজাকারের ফাসি কার্যকর হয় নাই এবং এমনকি তাদেরকে গ্রেফতারও করা হয় নাই। শ্রদ্বা জানাই সেই সকল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রীদের যারা সেই সময়ে এই আন্দোলন গড়ে তুলেছিলো যেটাকে দেশবিরোধী কুচক্রী মহল দু:সাহসিক বলে অভিহিত করেছিলো। স্বৈরাচার সামরিক শাসক এবং শাসনের পতন ঘটলো এবং গনতান্ত্রিক পদ্বতির সরকার উঠে আসলো কিন্তু বিবাদ বাদলো একখানে - দেশবিরোধী কুচক্রী মহল জামাত শিবির চক্র সংসদ কিছু আসন পেয়ে বসলো (আমি আজো বিশ্বাস করি না এই দেশের মানুষ জামাত শিবির বা রাজাকার পন্থীদের ভোট দিছে বা দিতে পারে)  । এমনকি এমন একটা অবস্থা তৈরী হলো যে তাদের সাপোর্ট ছাড়া সরকার গঠন করতে বেত পেতে হইতছিলো তখনকার রাজনৈতক দলগুলোর [ভেবে দেখবার মতো বিষয়] । সংসদ গঠন করতে লাগে ১৫১/১৫২ আসনের জোট। শেষে তারা জোট বেধেও গেলো। শুরু হলো জামাত শিবির রাজাকারদের এবং কুচক্রী দেশ বিরোধী মহলের অত্যাচার যেখানে সরকার অনেকটাই চুপ করে বসে থাকতো আর তামাশা দেখতো। সেই সময়ে গলাকাটা বা পা কাটা বা হাত পায়ের রগ কাটা আতংক ভর করতো সারাদেশে এবং অনেক পরিচিত অপরিচিত মহলের লোকজনের ও হাত/পা/গলা কাটাও গেলো। অনেকে মারাও গেলো। ১৯৯৫ সালে ক্ষমতার পালাবদলে অনেকেই ভাবলো যে- এইবার বুঝি দালাল রাজাকারদের ফাসি হবে। গনআন্দোলনের ফসল ঘরে তোলা যাবে। কিন্তু কোন এক অজানা কারনে সেই সরকারের আমলেও দালাল রাজাকার, দেশবিরোধী কুচক্রী মহলের সবাইকে ফাসির কাষ্টে ঝুলানো গেলো না। সেই সময়ে খুব শক্তিশালী সাপোর্ট ছিলো এশিয়াতে - ইউএসএ আর্মি এর উপস্থিতি যারা অণ্যায়ের পক্ষে সবসময় লড়াই করে। ২০০১ সালের নির্বাচনে ভয়াবহ এক আকার ধারন করলো-এইবার একবারে দেশবিরোধী চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো এবং সরাসরি জাতীয় সংসদের শিল্পমন্ত্রী র পদ ও পেয়ে বসলো। সারা দেশে শুরু হলো অসন্তোষ। যেভাবেই হোক এই দেশবিরোধী চক্রকে থামাতে হবে এবং তাদের ফাসির রায় কার্যকর করতে হবে। শুরু হলো নতুন করে আন্দোলণ এবং পথচলা। আর এই আন্দোলন সেই সময়ে টিকাইয়া রাখলো ইন্টারনেট। ১৯৯০ এর গন জাগরন- গন আন্দোলনের দাবী- দালাল রাজাকারের ফাসি চাই - ইন্টারনেটে সঠিক পরিস্কার সুন্দর মনমানসিকতার লোকজনের মধ্যে এক দৃঢ় বন্ধন তৈরী করলো সময়ের দাবী অনুযায়ী। সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি সকলেই আস্থা হারালো। ক্ষমতার জন্য করতে পারে না এমন কোন কাজ তারা করে নাই। প্রকাশ্য দিবালোকে রাজাকারের পা ধরে ক্ষমা চাওয়া বা পাতলা ফিনফিনে সেক্সী শাড়ি কাপড় পরে রাজাকারের সাথে মিটিং করা- গোল টেবিল বৈঠক করা এইগুলো সব বিভিন্ন পত্রিকার পাতাতে এখনো ছাপা আছে। কারো মনে সন্দেহ হইলে সেই সময়কার প্রত্যেকটা পত্রিকা আপনি অনলাইনে চেক করে দেখতে পারেন। নিউজ গুলো বা সেই সময়কার যারা বড় ভাই তাদের সাথে আলোচনা করে দেখতে পারেন। ২০০৭/০৮ সালে প্রথমবারের মতো নেমে আসলো গনতান্ত্রিক বাংলাদেশে সামরিক শাসন- মঈনুদ্দিন ফখরুদ্দিন শাসন। যা আমার মতে ১৯৯০ সালের পরে সবচেয়ে ভালো সরকার। সেই সময়ে বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো ছিলো। কোন রাজনৈতিক নেতার ই কোন সাহস ছিলো না তাদের বিরুদ্বে লড়াই করার। তৈরী করে দিয়ে গেলো পৃথিবীর ইতিহাসে সঠিক একটি ভোটার তালিকা- ৮ কোটি ভোটারের সমন্বয়ে- ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রনয়ন এবং  জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান। ২০০৯ সালের নির্বাচনের পর ৪ বছর অতিবাহিত হবার পরেও আশা আকাংখা এবং প্রত্যাশার প্রতিফলন না হওয়াতে জমে উঠলো  ইন্টারনেট ভিত্তিক সেই সুস্থ মানুষদের সহযোগে গনজাগরন। শাহবাগ গনজাগরন যা আজো যারা অংশগ্রহন করেছে এবং যারা সাপোর্ট করেছে তাদের বুকে আজো শিহরন জাগায়। গড়ে তুললো একটি কম্যুনিটি। গড়ে তুললো একটি ইতিহাস। কিন্তু  স্লো বিচার কাজ শুরু হবার কারনে শুরু হলো ফাসি কার্যকর এর ধরি গতি। রাজাকারের ফাসির কার্য ই শুরু হয় ২০১০/২০১১ সালে- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সেখানে আবার স্লো বিচার প্রসেস। 


১৯৯০ সালের আন্দোলনে তৈরী হওয়া দাবী- রাজাকার দেলোয়ার হোসনে সাঈদী, রাজাকার গোলাম আজম এবং রাজাকার মতিউর রহমান নিজামী এর ফাসি এবং বিচার কার্যকর হবার কারনে ১৯৯০ এর আন্দোলনে অংশগ্রহন করা অনেকেই শান্ত হইলো। দীর্ঘ ২৩ বছরে সেই দাবী কার্যকর হলো। আরো খুশী হলো বাংলাদেশ সরকারে মধ্যে জামায়েতে ইসলামের নিবন্ধন বাতিল হওয়াতে এবং জামাত শিবিরের রাজণীতি নিষিদ্ব হওয়াতে। ১৯৭২ সাল থেকে দেশবিরোধী জামাত শিবির চক্রের সাথে যারা জড়িত ছিলো যে কোন সময়ে যে কোন পরিস্থিতিতে- তারাও হারালো গন মানুষের আস্থা। ২০১৩ সালের শাহবাগ গনজাগরন এমন একটি আন্দোলন যা সারা বাংলাদেশের মানুষকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছিলো- মানুষের মনে নতুন আশার আলো জাগিয়ে তুললো কিন্তু দেশ পড়ে গেলো দুর্ভোগে। সীমাহীন  দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির কারনে আমি আজো এই সরকারের মুচলেকা দিয়ে পদত্যাগ আহবান করি।  ১০ টাকার চালের দাম হয়ে গেলো ৫০ টাকা, পেয়াজ, আলু , রসুন , তেল সবকিছুর দাম বৃদ্বি হওয়াতে সাধারন মানুষের জীবনে নেমে আসলো  চরম দুর্ভোগ (এই করোনাকালীন সময়েও নাই প্রতি মাসে সরকারের তরফ থেকে গরীব মানুষের জন্য এবং বেসরকারি চাকুরজীবীদের জন্য  প্রতি মাসের কোন বরাদ্দ ( এই দেশেকে যে সকল দেশের সাথে তুলনা করা হয় তাদেরকে তো পেনিডেমিক শুরু হবার সাথে সাথে দিয়ে দেওয়া হছে পে চেক যাতে তারা কাজ না করেও খােইতে পারে বা চলতে পারে- আর আমাদের দেশ শুরু হয়েছে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে টাকা পয়সা কামানোর ধান্দা [পত্রিকাতে দেখলাম লেখা] ।  এখন আর একজন গরীব মানুষের ৫০০ টাকাতেও ৩ বেলা চলে না। প্রতিদিন জুটে না কাজও । তারপরেও মানুষ চোখ মুখ বুঝে খেয়ে না খেয়ে একটি পরিস্কার সুষ্ট সুন্দর সাধারন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নতুন সরকার প্রতিষ্টা করার মাধ্যমে তাদের অভাব দুর্ভোগ এবং দুর্ভাগ্য গোচানোর আশাতে আছে। যা উপহার দিতে পারে শুধূ মাত্র পরিস্কার এবং কোন ধরনের অভিযোগ মুক্ত জাতীয় নির্বাচন। 

পূর্ববর্তী সকল রাজনৈতিক লোকগুলোর কারো না কারো সাথে ছিলো দেশবিরোধী দের অনেক আতাত। ২০০১-২০০৬ সালে পাক হানাদার বাহিণীর রাজাকার মতিউর রহমান কে দেয়া হয় শিল্পমন্ত্রীর পদ যা সারা দেশে ঘৃনার উদ্বেগ করে। দাবী উঠে পরবর্তী সরকার আসলে পতাকার পরিবর্তনের। দাবী উঠে যুদ্ব চলাকালীন সময়ে ব্যবহৃত মুক্তিযোদ্বাদের পতাকাকে জাতীয় পতাকা হিসাবে সম্মান দেবার। শিল্পমন্ত্রী নিজামীর গাড়িতে লাল সবুজের পতাকা-   এর চেয়ে বড় পতাকার অবমাননা আর কখনো বাংলাদেশে হয় নাই। সেই জন্য ই বোধ করি (যারা এ সুযোগ করে দিয়েছিলো) আর কখনো তারা ক্ষমতার স্বাদ গ্রহন করতে পারবে না। একটি ভুলই সারা জীবনের কান্না হিসাবে থাকবে। তবে অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল হবার কারনে এবং বিগত ৫ বছর সংসদে না থাকার কারনে বাংলাদেশের অনেকেই প্রনীত জন নিরাপত্তা বিষয়ক আইনগুলো যাচাই বাছাই করার জন্য তাদেরকে অনেক সময় বিরোধী দলে চায় কিন্তু নতুন তৈরী হওয়া শাহবাগ গনজাগরন পন্থী রাজণেতিক দলগুলো সেখানে তেমন কোন সম্মতি জ্ঞাপন করে না। যারা ইতিহান তৈরী করলো- প্রকাশ্য দিবালোকে রাজাকার কে ফাসিতে ঝুলাইয়া দিলো (যা কিনা আগে কেউ করে দেখাইতে পারে নাই) তারাই আসলে জানে দেশকে কিভাবে পরিচালিত করতে হবে। তারা তাদের মাতৃভূমি তে তৈরী করেছে নতুন রাজনৈতিক দল। অন্য কোন দেশ থেকে অন্য কোন রাজণেতিক মতাদর্শে পরিচালিত হয় নাই কখনোই। তারা তৈরীই হয়েছে গনজাগরনের তুমুল আন্দোলনের গন আন্দোলনের মূহুর্তে। তাদেরও আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটবে। কারন রেভ্যুলুশ্যন তৈরী ই হয় ইতিহাস তৈরী করার জন্য। তারা ও বসে আসে ইতিহাস রচনা করার জন্য। সমাধান দিতে পারে একটি সঠিক সুষ্ট নির্বাচন। তারাই একমাত্র পারসান যারা খালি মুখে সুর করে বলতে পারে জয় বাংলা। জয় বাংলা একটি শক্তি যা খালি মুখে উচ্চারন করতে সাহস এবং সত সাহস লাগে। 

বস্তাপচা রাজনীতি আর একই প্যাচাল বার বার কানের মধ্যে তুলো ঘুজতে বাধ্য করে। এইটা এক ধরনের অত্যাচারের মতোনও আমার জীবনে। আমি আমার ব্যক্তিগত ধ্যান ধারনার বাংলাদেশকে শাহবাগ গনজাগরনপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোকে  দিয়ে দিয়েছি মন থেকে কোন ধরনের বিনিময় ছাড়াই। আর আমি এই আশাবাদও ব্যক্ত করি একজন অবলোকক হিসাবে- একজন জয় বাংলা পন্থী মুক্তিযোদ্বা যে কিনা জয় বাংলা বলে স্বাধীনতা যুদ্বে অংশগ্রহন করেছে- স্ত্রী, প্রেমিকা, আত্মীয়, পরিবার পরিজন ছেড়ে দেশ রক্ষার জন্য যুদ্বে অংশগ্রহন করেছে এবং বীর বিক্রমে সেই যুদ্ব জিতে আজো স্বাধীন বাংলাদেশে বসে আছে- সেই ধরনের একজন জয় বাংলা র মুক্তিযোদ্বাকে আমি এদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই। আমি চাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিষয়ক সচিবালয় একজন মুক্তিযোদ্বাকে দেশের ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেবে (প্রয়োজনে টেকনোক্রাট কোটাতে হলেও) এবং একই সাথে টেকনোক্রাট কোটাতে অন্যান্য মুক্তিযোদ্বাদের কে মন্ত্রী বানিয়ে সরাসরি মন্ত্রীসভা তৈরী করবে। শাহবাগ গনজাগরনের অংশগ্রহনরত ছেলে মেয়েদের আশা আকাংখার প্রতিফলন হিসাবে তারা গনজাগরন পন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটি সঠিক সুন্দর সরকার গঠন করবে (এমপি হিসাবে) যেখানে আরো অন্যান্য মেধাবী মুক্তিযোদ্বাদেরকে সকল ধরনের সংসদীয় কমিটিতে নিয়োগ করবে এবং গনজাগরনপন্থী ছেলে মেয়েরা সারাদেশ থেকে তাদের জাতীয় সংসদ প্রতিনিধিত্ব কারী এমপি পদ গুলো বাগিয়ে নিয়ে আসবে এবং মুক্তিযুদ্ব চলাকালীন জয় বাংলা বলে জীবন দেওয়া মুক্তিযোদ্বাদের এবং জীবিত মুক্তিযোদ্বাদের স্বপ্ন গুলো একসাথে করে একটি সরকার ব্যবস্থা  তৈরী করে দেশের সকল মানুষের মুখে হাসি ফুটাবে। 

জয় বাংলা বলে যুদ্বে অংশগ্রহন করা, রাইফেল কাধে নিয়ে সারারাত দেশ পাহারা দেয়া বা শুত্রুদের বুকে গুলি চালানো  একজন মুক্তিযোদ্বাকে আমি বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই। 

Tuesday, August 11, 2020

ইন্টারনেটে শয়তান একটা সংঘবদ্ব চক্র।

 শয়তানের কাজ হইতাছে যে কোন খানে একটা সংঘবদ্ব চক্র তৈরী করে সেখানে একটা ঝামেলা বা অযাচিত কিছু একটা তৈরী করা। শুনেছি শয়তান বলে ইহুদি দের সাথে পারে না বা পেরে উঠে না। ১৯৯০ সালের গনজাগরনের  প্রেক্ষাপটে কথা বা স্লোগান প্রায়শই শোনা যাইতো- সামওয়ান----দী, বাংলার ইহুদি। তখনকার সময়ে দাবী উঠেছিলো কুখ্যাত রাজাকারদের ফাসির দাবী যা পরবর্তীতে আরো একটা গনজাগরনের মাধ্যমে সেটা সম্পূর্ন হয়ে উঠে যাকে বলা হয় শাহবাগ গনজাগরন ২০১৩। 


যাদের কথা বলতেছিলাম - সংঘবদ্ব চক্রদের কাজ হইতাছে দেশে চরম বিশৃংখলা তৈরী করা। তেমনি একটা শয়তানি চক্র এখন ইন্টারনেটে বিরাজ করতাছে। এদের কাজ হইতাছে সহজ সরল মন মানসিকতা সম্পন্ন ছেলে মেয়েদের মাথা কিনে খাইয়া ফেলা। কাজ শেখা, অল্পদিনে কোটিপতি হওয়া, চাইলেই ফ্রি ল্যান্সার বানাইয়া দেয়া, সিবি, ডিভিডি, প্যাকেজ কোর্স সেল, ইউটিউব কোর্স সেল বা আরো কিছু পিডিএফ বা এই ধরনের ব্যাপার স্যাপার যার ফলে  ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা  বাসাতে যাইতয়া গ্যানজাম করে অর্থ সংগ্রহ করে আর সেই ছেলে মেয়েরা কয়েকদিন পরে যখন প্রতারক চক্রের কাছে ধরা খায় তখন তারা  বাসা থেকে চরম প্রেশারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা বন্ধ করে দেয় বা কষ্ট পায়। 


ইন্টারনেট একটা সীমাহীন সাগরের মতো। আমি কয়েকদিন আগে এক ওয়েবসাইটে এক চার্চের ভদ্রলোকের এবাদত দেখতেছিলাম- শুনেছি তিনি প্রায় ৫৭ দিন পানিতে ভেসেছিলেন মেক্সিকো থেকে আমেরিকাতে  আসার সময়ে এবং শুধু পানি খেয়েই তিনি বেচে ছিলেন। তো ইন্টারনেটের সেই সীমাহীন সাগরের মতো জ্ঞানের পরিধিকে থামাইয়া দেয় প্রথমেই যে কেউ ইন্টারনেটে  আসে আর তাকে তার পরিধি থেকে সরাইয়া দেবার ফলে সে অনেক বড় সড় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়।  এইখানে কোন ক্যাটাগরাইজেশন করা যায় না। রাষ্ট্রীয় বিধি নিষেধ মেনে আপনি যা খুশী তাই করতে পারবেন ইন্টারনেটে কারন এইখানে সোসাইটি বা কম্যুনিটি আছে। ধরেন-

  • আপনি চাইলে  সারাদিন পড়াশোনা করতে পারবেন- ইন্টারনেটে রাইব্রেরীর অভাব নাই
  • আপনি চাইলে   সারাদিন চাইলে মুভি দেখতে পারবেন তারন ইন্টারনেটে নিয়মিত রিলিজ প্রাপ্ত মুভি দেখা যায়।
  • সারাদিন আপনি  চাইলে গান শুনতে পারবেন- চাইলে আপনি অনেক পুরাতান পুরাতন গান বের করে শুনতে পারবেন। এমনকি কয়েক দশক আগের গান ও পাওয়া যাবে। 
  • সারাদিন ফ্রি ল্রান্সার বা আউটসোর্সিং বা মার্কেটপ্লেসে পারসোনাল কাজ ও করতে পারবেন। 
  • সারাদিন আপনি চাইলে আপনার াফিসের কাজ ও করতে পারবেন।
  • সারাদিন আপনি গ্রাফিক্স বা ডিজাইন বা ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন। 
  • আপনি চাইলে সারাদিন খেলা দেখতে পারেন অনেক লাইভ চ্যানেল আছে।
  • আপনি চাইলে সারাদিন আপনার প্রেমিকার সাথে গল্প বা ভিডিও চ্যাট ও করতে পারবেন। 
তো এইখানে কাজের কোন শেষ নাই। এইখানে সবাই একেকভাবে নিজেকে গুছিয়ে উপস্থাপন করে।আবার এককজন এককভাবে ব্যবহার করতে চায়। অনেকেই অনেক কাজ শিখতে আসে, ঠকে আবার খুব কম সংখ্যক ই না চাইতেও অনেক কিছু পাইয়া যায় মানে অপ্রত্যাশিত ভাবে অনেক কাজ শিখে যায়। এখন কার সময়ে শতকরা ১০ % ফ্রি ল্যান্সার আছে ইন্টারনেটে যারা ফ্রি তাদের ট্রিকস এবং টেকনিক বিলাইয়া যাইতাছে। আর বাকী সবাই টাকা কামানোতে বা তাবিজ কবজ বিক্রি করাতে ব্যস্ত। ছলে বলে কৌশলে ইন্টারনেট থেকে অর্থ কামানোর ছলে সহজ সরল কচি কচি পোলাপান বা ইয়াং ইয়াং পোলাপানদের কাছ থেকে বিশাল অংকের টাকা তারা প্রতিনিয়ত হাতাইয়া নিয়া যাইতাছে যা দেখে অনেক সময় বোঝা যায় বা মনে হয় তারা রাষ্ট্রের কোন ইশারাতে বা প্রকাশ্য সেল্টারে এই ধরনের কাজ করতাছে। নয়তো প্রকাশ্য দিবালোকে বিকাশ বা রকেট নাম্বার দিয়ে টাকা আদায় করে ভূয়ামি /চিটারি /বাটপারি করতে পারতো না। রাষ্ট্রের কেউ না কেউ তাদের সেল্টার দেয় এবং তারা মোটা অংকের ঘুষ বা গিফট পায় যার ফলে এই ধরনের হাজার হাজার অকেজো এবং অপদার্থ গুলো ইন্টারনেটে টাকা কামানোর চেষ্টা করে। সরাসরি একটা ইউটিউব চ্যানেল খুলে বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে টাাকা নিয়ে, লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে  কাজ শিখানো শুরু করে দেয় এবং দেখা যায় বেশীর ভাগ সময়েই ছেলে এবং মেয়েরা প্রতারিত হইতাছে। ইন্টারনেটে একটা অগাধ সাগরের মতোন। এইখানে প্রথমেই যদি কেউ আইসা প্রতারিত হয় তাহলে তার বা তাদের মনটা  নিশ্চিতই ভেংগে যায়। সে একটা অপার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সময় করে আগে পড়ে লেখা পড়া বাদ দিয়ে ইন্টারনেটে আইসা কাজ শিখার নামে টাকা বিকাশ / রকেটের মাধ্যমে দিয়ে প্রতারিতে হলো। এই দ্বায়িত্ব টা কে নিবে? সরকার? সে যে মনটা খারাপ হইলো বা কষ্ট পাইলো এই ব্যাপারটা কেও দেখলো না। অনেকেই অনেক খানে থানা পুলিশে অভিযোগ করেছে তাতেও তাদের কোন হুশ হইতাছে না। সে যে প্রথমেই ইন্টারনেটে আইসা কাদলো বা কষ্ট পাইলো সেটা রাষ্ট্র দেখেও না দেখার ভান করে যাইতাছে। এ দেশ তো সেই ১৯৭২ সাল থেকেই মুক্তিযোদ্বাদের কে অবহেলা আর কষ্টের মধ্যে রেখেছে ( মুক্তিযোদ্বারা এখনো এই দেশের শুধু মাত্র মুক্তিযোদ্বা ভিত্তিক কোন রাজনৈতিক সরকার গঠন করতে পারে নাই। এখনো তারা এদেশের এ ক্লাস সিটিজেনশীপ বা ভিভিআইপি সিটিজেনশীপও পায় নাই। যারা পায় তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯% এ অ মুক্তিযোদ্বা বা  তাদের বংশধর। ) সে রকম ইন্টােরনেটেও সেই ধরনের দেশ বিরোধী চক্র বাংলাদেশে অনেক অনেক পরিমান গড়ে উঠেছে যারা খুব সহজে অবলীলায় মানুষকে ইন্টারনেটে ধোকা দিয়ে বেড়াইতাছে। মানুষকে ধোকা দিয়ে সে নিজেও চোরের খাতাতে নাম লিখাইতাছে আর যাকে ধোকা দিতাছে তাকে ইন্টারনেট রিলেটেড একটা কষ্ট দিয়ে দিলো। ইন্টারনেটে ডলার প্রযোজ্য এবং ইন্টারনেটে ডলার আনলিমিটিড। সেই আনলিমিটেড রিসোর্স রেখে তারা সীমাবদ্ধ টাকার পেছনে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দিছে। পাগলের মতো কোর্স বিক্রি করার ম্যাসেজ সেন্ড করে বেড়াইতাছে। একেকটা কোর্স সেল করার মাধ্যমে তারা আবার কিছু % ও পাইতাছে। আবার গুগল এ্যাপ ষ্টোর থেকে এ্যাপ ডাউনলোড করে সারাদিনে ১০০/২০০ টাকা উপার্জনের লোভ দেখাইতাছে। খুবই স্মার্ট ছেলে মেয়েদের কেও দেখতাছি এমন এমন ধরনের কাজ করতে যা কখনো কেউ কল্পনাও করতে পারে নাই। তারা হয়তো তাদের স্মার্টনেসকে ভালো কোন মার্কেটপ্লেসে কাজে লাগাইলে  অনেক ভালো হ্যান্ডসাম ইনকাম বা উপার্জন করতে পারতো। কিন্তু প্রতারিত হয়ে টাকার জন্য মারামারি শুরু করেছে। একসময় হয়তো বড় আকারের কোন গ্যানজাম লেগে যাবে এবং তারপরে সেটা আউট অব কন্ট্রোলে চলে যাবে। কারন আমেরিকা বা ইউএসএ ব্রডব্রান্ড ইন্টারনেট সাপ্লাই দেয় শুধু- ইন্টারনেটে কোন ধরনের উপার্জনের গ্যারান্টি দেয় না। ইন্টারনেটে উপার্জনের গ্যারান্টি দেয় তথ্য ভিত্তিক রিসার্চ এনালাইসিস এবং ফ্রি ইউটিউব ভিডিও রিসোর্স- যা দেখা শোনা পালন করা প্রত্যেকটা ইন্টারনেট মানুষের একান্ত কর্তব্য। যদি আপনি গুগণ সার্চ না করতে পারেন বা যদি আপনি ইউটিউব ভিডিও সার্চ না করতে পারেন তাহলে আপনি কখনোই ইন্টারনেট থেকে ভালো কিছু পাবেন না। যদি আপনার বা ্পনাদের ইন্টারনেটে চিটার বাটপারি করার ঈচ্ছা থাকে তাহলে আপনি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মতো মেট্রাপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরী করে  সারাদেশে আপনি ভুয়া লাইভ ক্লাস বা ভূয়ামি করতে পারেন তারন আপনাদেরকে এদেশর রাষ্ট্র একটা প্রচ্ছন্ন সেল্টার দেয় ইন্টারনেটে সকল ধরনের মানুষ আসা যাওয়া করে। আমরা চিন্তা করি যার হাতেই স্মার্ট ফোন আছে তার হাতেই ইন্টারনেট ধরাইয়া দেওয়া। সব ধরনরে মানুষের মেন্টালিটি িএক রকম না। একজন সুশিক্ষিত এবং স্বশিক্ষিত মানুষ যদি ইন্টারনেটে ঢুকে প্রথমেই যদি টাকা পয়সা চাওয়া গ্রুপের গাতে পড়ে যায় তাহলে উনার মন মানসিকতা বদলে যাবে। সেটা ইন্টারনেটের জন্য, জাতির জন্য, প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হয়ে গেলো। আর যেহেতু এই টাকা চাওয়া চক্রটা দেশেই বসবাস করে এবং দেশেই তাদের সবচুরি বাটপারি বা লেনাদেনা - সেহেতু তারা সরকারি সেল্টার নিয়ে আলাদা করে ওয়াই ফাই ম্যান - মেট্রাপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরী করে ইন্ট্রানেট ব্যভহার করে এই সকল কাজ করাবর করতে পারে। ইন্টারনেট না- ব্যাপারটার নাম ইন্ট্রানেট। ল্যান, ম্যান ওয়ান এর সিরিয়াল এ শুধ ম্যান েসিষ্টেম বভ্যহার করে। তাহলে আর এই চক্রটা ইন্টারনেটে আসবে না- মানুষের ক্ষতিও করতে পারবে না আর সাধারন মানূষ জন ক্ষতির স্বীকার হইতে পারবে না। ইন্টারনেট যেহেতু মহাসাগরের মতো সেখানে হয়তো এই ধরনের চিটার বাটপাররা বেশীদিন টিকতে পারবে না কিন্তু একটা ভ্যাপার মনে রাখতে হবে মহাসাগরের ভেতরে যদি আপনি একটা প্লাষ্টিকের বোতল ও ফেলান সেটা প্রায় ৫০ বছর ধরে পচবে এবং সাগরকে ধূষিত করার চেষ্টা করবে। আর এসকল ক্ষেত্রে সরকার নতুন আইনও জারি করেছে দেখলাম- যথাযোগ্য অনুমতি ছাড়া ইন্টারনেটে কারো কাচে টাকা না চাইতে। এই চক্রটা যদি ইন্ট্রানেট ফ্যাসিলিটজ ব্যভহার করে তাহলে তাদের যা যা দরকার তা তারা করতে পারবে। ক।লাস নেয়া, টাকা পয়সা লেনাদেনা করা বা আরো কিছু চাইলে ২/৩ টা ওয়েবসাইটের কাছ থেকেও তারা এই অনুমতি নিতে পারে। এই চক্রটা যদি ফুলটাইম ইন্টারনেটে বসে থাকে তাহলে নতুন যারা ভালো ামনুষ তারা ইন্টারনেটে আইসা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।  আমি সবসময় ই বলি- “ আপনি কখনোই ইন্টারনেটে কাউকে কোন টাকা পয়সা প্রদান করবেন না।”

যে শয়তান চক্র ইন্টারনেটে দেশের ভালো ভালো ছেলে মেয়েদেরকে ধোকা দিতাছে বা ফাকিবাজি করতাছে সেই চক্রটা দেশ বিরোদী দের সন্তানদের চক্র যাকে প্রথমেই বলেছি শয়তানি চক্র। তাদের হাত থেকে বেচে থাকার একমাত্র মন্ত্র- ইন্টারনেটে আপনি কা্িুকে টাকা দিবেন না এব ংকারো কাচে টাকা চাইবেনও না। আপনি যদি কারো কাচে টাকা চান বা কাউকে না জেনে টাকা দেন তাহলে প্রথমেই আপনি একটা বাধো পাবেন যা আপনাকে সারা বিশ্বের আরো ২১৯ টা দেশের মুদ্রা অর্জনে বাধা পাবেন। আপনার ব্রেইনে আর অন্য কিছু কাজ করবে না। ফলে আপনি অণ্যান্য দেশের মুদ্রা অর্জনে বাধা পাবেন বা রেমিটেন্স অর্জনে বাধা পাবেন। 

কয়েকদিন আগে দেখলাম একটা আইনের ডিটেইলস-   বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৪২০ ধারা মোতাবেক- ইন্টারনেটে অযাচিতভাবে কারো কাছ থেকে টাকা চাওয়া ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড হইতে পারে। 

Translate