Translate

Sunday, September 27, 2020

ইন্টারনেটের কারনে জনজীবনের পরিবর্তন। বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস।

 ফেসবুকে একটা মার্কেটপ্লেস আছে যা আমাদের দেশে এভইলেবল না। আমাদের দেশে অনেক সার্ভিস ই এখনো এভেইলেবল না। যেমন: ক্লিকব্যাংক। ব্যবসা করে চলে গেছে। কয়েকদিন আগে চলে গেছে ইউটিউব মনিটাইজেশণ প্রোগ্রাম (গুগল) - এবং এখনো ফুল ফেজ অপারেশর শুরু করে নাই পেপাল।এরকম অনেক দেশে অনেক মার্কেটপ্লেস আছে যা আমরা জানি না। বা আমাদের দেশের কেউ এখনো সেখানে উপার্জন শুরু করে নাই। আমার অভিজ্ঞতায় সবচেয়ে ভালো ফ্রিল্যান্সার বা মার্কেটপ্লেস ওয়ার্কার তারাই যারা নিজে নিজে খোজে খবর করে যে কোন মার্কেটপ্লেস কাজ শুরু করে দিছে। বাংলাদেশে অনেকেই নীরবে অনেক খানে বসে থেকে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে যাইতাছে। এখন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তালিকা আছে কারা কারা এ যাবত কালে বিভিন্ন দেশের মার্কেটপ্লেসে কাজ করে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবহার করে নিজস্ব প্রাইভেট ব্যাংকে রেমিটেন্স এনছেন এবং সরকারের প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় তাদের কে ফ্রি ল্যান্সার আইডি কার্ড দেবার ও চেষ্টা করতাছে। বাংলাদেশ সরকারের এখন মেন্টালিটি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগে বাংলাদেশ সরকার সাধারন গরীব মানুষদের জণ্য বিপুল পরিমান ভর্তুকি দিতো যা এখণ আর তারা দেয় না। যার ফলে সাধারন মানুষের এবং গরীব মানুষের অনেক কষ্ট হয়। বাংলাদেশে এ যাবত কালে সকল ধরনের ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস থেকে যে রেমিটেন্স এসেছে তার উপরে ভিত্তি করে যে কার্ড বা পরিচয়পত্র দেবার পরিকল্পনা করেছে প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় তার পেছনে তাদের একটা স্বার্থও আছে। তারা যে সকল ফ্রি ল্যান্সার রা দেশব্যাপী কষ্টে আছে তাদেরকে স্বল্প সুদের লোন দেবার পরিকল্পনা ও করেছেঅথচ রেমিটেন্স আনার কারনে তারা দেশের ১ নাম্বার নাগরিক হিসাবে বিবেচিত। যে ব্যাংকে রেমিটেন্স আনা হয়েছে সে ব্যাংককে সরকারি ভাবে নির্দেশ দিলেই সে সকল প্রাইভেট ব্যাংক বাংলাদেশের যে সকল ফ্রি ল্যান্সার রা রেমিটেন্স এনেছে তার উপরে একটা লোন সুবিধা পাইতো প্রয়োজন স্বাপেক্ষে। ব্যাপারটা কেমন - যারা রেমিটেন্স এনেছে তারা আবার লোন সুবিধার জণ্য বিবেচিত হইতাছে। যারা রেমিটেন্স এনেছে তারা লোন সুবিধার জণ্য বিবেচিত হলেও সেটা ডলারের এমাউন্টের জন্য বিবেচিত হওয়া দরকার- যাতে করে সমস্ত ফ্রি ল্যান্সাররা প্রয়োজেন বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ডলার লোন নিয়ে সেটা আবার তাদের মার্কেটপ্লেসে ব্যবহার করতে পারে।   সব ফ্রি ল্যান্সার সব সময় সব সময় সব খানে ভালো থাকে না। সবাই সব সময় এক পরিমান ইনকাম ও করে না। সবার ইনকামের লেভেল ও এক না। আবার কারো কাছে ভালো পরিমান অর্থ থাকে আবার কারো কাছে কম পরিমান অর্থ থাকে। সে ক্ষেত্রে ফ্রি ল্যান্সার রা এই কার্ড দেখিয়ে যদি লোন নেয় তাহলে সরকারের কিছুটা উপকার হবে। তারা ব্যভসা করতে পারবে। এখন তো সরকারের মেন্টালিটি সাধারন মানুষের সাথে ব্যবসা করা। বর্তমানের রাজনৈতিক সরকারকে যে কোন সময়ে এদশের সাধারন মানুষ গুড বাই বলে দেবে কারন সাধারন মানুসেল প্রধান চাহিদা দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতির জন্য। যেখানে একজন গলীব মানুস ১২০ টাকাতে ২০০৯ সালে সংসার চালাতে পারতো রোজ হিসাবে সেখানে আজেকে সে প্রায় দৈনিক ৫০০ টাকাতেও সংসার চালাতে পারতাচে না- তার খরচে কুলাচ্ছে না। সে জিনিস টা আমরা চেয়েছিলাম ফ্রি ল্যান্সার রা- জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেজে ফ্রি ল্যান্সার পেশাটাকে অন্তর্ভূক্ত করা। সে ক্ষেত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্রি ল্যান্সার বা আউটিসোর্সারদের জণ্য যে সুবিধা গুলো বরাদ্দ আছে সেগুলো পাওয়া যাইতো নিশ্চিন্তে। এমনকি নাগরিক্তব বা ভিষা সুবিধাও । কিন্তু এখণ একটা মন্ত্রনালয় থেকে সে সুবিধা পাবার কারনে বিশ্বে অবস্থিত/থাকা  সেই সুবিধা গুলো পুরোপুরি না পাবার সম্ভাবনা থেকে যাবে অনেক। ফ্রি ল্যান্সার রা তো কোন মন্ত্রনালয়ের জণ্য রেমিটেন্স আনে নাই- তারা রেমিটেন্স এনেছে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জন্য। তাহলে তারা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেমিটেন্স সেকসানে এড হবার দরুন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেজে ফ্রি ল্যান্সার হিসাবে নথিভুক্ত হবে বলে আমি মনে করি।


যে ধরনের মার্কেটপ্লেস গুলো দেখা যায়: 

পন্য কেনা বেচার মার্কেটপ্লেস: গাড়ী থেকে শুরু করে বাড়ী, মার্কেটে প্রচলিতে যে কোন ধরনের পন্য বা যে কোন কিছু কেনা বেচা করার জন্য যে ইন্টারনেট ওয়েবসাইট ব্যবহৃত হয় তাকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট বলে। এই ধরনরে ওয়েবসাইট কে অনেক সময় ক্লাসিফায়েড ওয়েবসাইট ও বলা হয়। যেমন: Clickbd বা ক্লিকবিডি। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্লাসিফায়েড ওয়েবসাইট। এইখানে বা এই ওয়েবসাইটে আপনি যে কোন পন্য কেনা বেচা করতে পারবেন। সেজন্য এই ওয়েবসাইট গুলোকে মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটও বলা হয়। ক্লাসিফায়েড বলা হয় আপনি যে কোন ধরনের পন্য বিক্রয় করতে পারবেন সেজন্য। আর মার্কেটপ্লেস বলা হয় ওয়েবসাইট টাতে কেনাবেচা করতে পারবেন সেজন্য। এইখঅনে আপনি আপনার যতো সার্ভিস আছে সবই লিষ্টিং করতে পারবেন। তবে ইন্টারনেট প্রফেশনালদের জন্য আলাদা যে মার্কেটপ্লেস সেটাকে ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস বলা হয়। 

ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস: SEOLIstly.com এই খানে এসইও বা ইন্টারনেটে কাজ জানে এরকম যে কোন ধরনের প্রফেশনাল রা তাদের সার্ভিস লিষ্টিং করতে পারবে। এসইওক্লার্ক ওয়েবসাইটে প্রায় ১০ লক্ষ ফ্রি ল্যান্সার রা রেজিষ্ট্রেশন করা আছে। তারা তাদের সার্ভিস সেল করতাছে। আপনি সাইন আপ করে মূল ওয়েবসাইটে গেলেই দেখতে পারবেন সকল ফিচার। এইখানে সারা বিশ্বের ফ্রি ল্যান্সার, ইন্টারনেট আউটসোর্সার, মার্কেটপ্লেস ব্যবহারকারীরা তাদের আকর্ষণীয় সব ফিচার ব্যবহার করতাছে এবং প্রতিনিয়ত সেলস করতাছে। আর এই সেলস গুলো কিছু পেমেন্ট কোম্পানী কন্ট্রোল করে এবং সেই মোতাবেক তারা পেমেন্ট ও রিসিভ করে থাকে। ফ্রি ল্যান্সার যেহেতু স্বাধীন পেশা এবং ডিজিটাল গুডস রিলেটেড সার্ভিস সেহেতু এইখানে মার্কেটপ্লেস রিলেটেড ওয়েবাসাইট গুলোতে তাদের সার্ভিস কেনা বেচার কারনে এই ওয়েবাসাইট গুলোকে ফ্রি ল্যান্সার মার্কেটপ্লেস বলা হয়। 

 

SEOClerks


এই টিউটোরিয়াল টা যদি আপনি পুরোপুরি দেখতে পারেন : পার্ট ০১ টগ পার্ট ০৬- তাহলে আপনি৮ টা মার্কেটপ্লেস রিলেটেড সব কিচু জানতে পারবেন। আপনি একবার জয়েন করলেই ৮টি ওয়েবসাইটের সদস্য হতে পারবেন বিনামূল্যে। 

No comments:

Post a Comment

Thanks for your comment. After review it will be publish on our website.

#masudbcl

Marketplace English Tutorial. Freelancing.Outsourcing.

কম্পিউটারে বা ইন্টারনেটে স্ক্রিনশট এবং স্ক্রিনশট বলতে কি বোঝেন?

সব কিছুর একটা উল্টা মিনিং করা বাংলাদেশের এক শ্রেনীর লোকের কাজ। স্ক্রিনশট জিনিসটার ও একটা উল্টা মিনিং করেছে কিছু দুই নাম্বার লোকজন। আসলে স্ক্...